আস্ সাফফাত (সফে দাঁড়ানো) , choose another chapter
আস্ সাফফাত (সফে দাঁড়ানো)
Chapter 37, 182 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
জহুরুল হক
বাংলা উচ্চারণ
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৮২, রুকু সংখ্যা: ০৫
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-৭৪তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাতের ব্যাপারে লোকদের অস্বীকৃতি ও অভিযোগ। অস্বীকারকারীদের পরকালীন দুরবস্থা।
৭৫-৮২দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্ নূহ আ.-এর দোয়া কবুল করেন।
৮৩-১১৩ভাস্কর্য পূজারীদের বিরুদ্ধে ইবরাহিমের অকাট্য যুক্তি। ইবরাহিমের অগ্নি পরীক্ষা। পুত্র কুরবানির স্বপ্ন। পশু কুরবানির সূচনা।
১১৪-১২২মূসা ও হারূণের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ।
১২৩-১৩২নিজ কওমের প্রতি ইলিয়াসের দাওয়াত। তাঁর জাতি কর্তৃক তাঁকে প্রত্যাখ্যান।
১৩৩-১৩৮লুত আ.-এর মুক্তি ও তাঁর জাতির ধ্বংস। তাদের ধ্বংসের নিদর্শনসমূহ এখনো বর্তমান।
১৩৯-১৪৮অবাধ্য জাতি থেকে ইউনুসের পলায়ন। তিমির গ্রাস হন ইউনুস। আল্লাহ্ তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। পুনরায় জাতির কাছে তাঁর আগমন। এবার তাঁর জাতি ঈমান আনে।
১৪৯-১৮২শিরকের পক্ষে কোনো প্রমাণ নাই। নবীরা আল্লাহর সাহায্য পাবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।
সমকালীন বাংলা
১ পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
জহুরুল হক
১ ভেবে দেখো তাদের যারা কাতারে কাতারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে,
বাংলা উচ্চারণ
১ বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম অছ্ছোয়া-ফ্ফা-তি ছোয়াফ্ফা-।
আবদুস শহীদ নাসিম
২ শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।
সমকালীন বাংলা
২ ও যাহারা কঠোর পরিচালক
জহুরুল হক
২ আর যারা বিতাড়িত করে প্রবল বিতাড়নে,
বাংলা উচ্চারণ
২ ফায্যা-জ্বির-তি যাজ্ব র-।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।
সমকালীন বাংলা
৩ এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -
জহুরুল হক
৩ আর যারা স্মারকগ্রন্থ পাঠ করে!
বাংলা উচ্চারণ
৩ ফাত্তা-লিয়া-তি যিক্র-।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ এক ও একক।
সমকালীন বাংলা
৪ নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,
জহুরুল হক
৪ নিঃসন্দেহ তোমাদের উপাস্য মাত্র একজন,
বাংলা উচ্চারণ
৪ ইন্না-ইলা-হাকুম্ লাওয়া-হিদ্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।
সমকালীন বাংলা
৫ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।
জহুরুল হক
৫ যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এদের উভয়ের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু, আর যিনি উদয়স্থল সমূহেরও প্রভু,
বাংলা উচ্চারণ
৫ রব্বুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বি অমা-বাইনাহুমা-অরব্বুল্ মাশা-রিক্ব ।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,
সমকালীন বাংলা
৬ আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,
জহুরুল হক
৬ নিঃসন্দেহ আমরা নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির শোভা দিয়ে সুশোভিত করেছি, - -
বাংলা উচ্চারণ
৬ ইন্না-যাইয়্যান্নাস্ সামা-য়াদ্ দুন্ইয়া-বিযীনাতিনিল্ কাওয়া-কিব্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।
সমকালীন বাংলা
৭ এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।
জহুরুল হক
৭ আর প্রতিরক্ষা প্রত্যেক বিদ্রোহাচারী শয়তান থেকে।
বাংলা উচ্চারণ
৭ অ হিফ্জোয়াম্ মিন্ কুল্লি শাইত্বোয়া-নিম্ মা-রিদ্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে
সমকালীন বাংলা
৮ ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -
জহুরুল হক
৮ তারা কান পাততে পারে না ঊর্ধ্ব এলাকার দিকে, আর তাদের প্রতি নিক্ষেপ করা হয় সব দিক থেকে, - -
বাংলা উচ্চারণ
৮ লা-ইয়াস্ সাম্মা'ঊনা ইলাল্ মালায়িল্ আ'লা-অইয়ুকযাফূনা মিন্ কুল্লি জ্বা-নিব্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।
সমকালীন বাংলা
৯ বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।
জহুরুল হক
৯ বিতাড়িত, আর তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন শাস্তি, - -
বাংলা উচ্চারণ
৯ দুহূরঁও অলাহুম্ 'আযা-বুঁও ওয়া-ছিব্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।
সমকালীন বাংলা
১০ তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।
জহুরুল হক
১০ সে ব্যতীত যে ছিনিয়ে নেয় একটুকুন ছিনতাই, কিন্তু তাকে অনুসরণ করে একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা।
বাংলা উচ্চারণ
১০ ইল্লা-মান্ খত্বিফাল্ খতফাতা ফাআত্বা'আহূ শিহা-বুন্ ছা-ক্বিব্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।
সমকালীন বাংলা
১১ উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।
জহুরুল হক
১১ সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো, - - গঠনে তারা কি বেশী বলিষ্ঠ না যাদের আমরা সৃষ্টি করেছি? নিঃসন্দেহ তাদের আমরা সৃষ্টি করেছি আঠালো কাদা থেকে।
বাংলা উচ্চারণ
১১ ফাস্তাফ্তিহিম্ আহুম্ আশাদ্দু খল্ক্বন্ আম্মান্ খলাকনা- ইন্না খলাকনাহুম্ মিন্ ত্বীনিল্ লা-যিব্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।
সমকালীন বাংলা
১২ তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।
জহুরুল হক
১২ বস্তুতঃ তুমি তো তাজ্জব হচ্ছো, আর তারা করছে মস্করা।
বাংলা উচ্চারণ
১২ বাল্ 'আজ্বিব্তা অ ইয়াস্খরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।
সমকালীন বাংলা
১৩ এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।
জহুরুল হক
১৩ আর যখন তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তারা মনোযোগ দেয় না,
বাংলা উচ্চারণ
১৩ অইযা-যুক্কিরূ লা-ইয়ায্কুরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।
সমকালীন বাংলা
১৪ উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে
জহুরুল হক
১৪ আর যখন তারা কোনো নিদর্শন দেখতে পায় তারা ঠাট্টাবিদ্রূপ করে,
বাংলা উচ্চারণ
১৪ অইযা-রয়াও আ-ইয়াতাইঁ ইয়াস্তাস্ খিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।
সমকালীন বাংলা
১৫ এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’
জহুরুল হক
১৫ আর বলে - - ''এটি স্পষ্ট জাদু বৈ তো নয়’’,
বাংলা উচ্চারণ
১৫ অক্ব-লূ য় ইন্ হাযা য় ইল্লা-সিহ্রুম্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?
সমকালীন বাংলা
১৬ ‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?
জহুরুল হক
১৬ ''কী! যখন আমরা মারা যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব তখন কি আমরা ঠিকঠিকই পুনরুত্থিত হব?’’
বাংলা উচ্চারণ
১৬ আ ইযা-মিত্না-অকুন্না-তুর-বাঁও অ ঈজোয়া-মান্ আইন্না-লামাব্'ঊছূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’
সমকালীন বাংলা
১৭ ‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’
জহুরুল হক
১৭ ''আর কি পুরাকালের আমাদের পিতৃপুরুষরাও?’’
বাংলা উচ্চারণ
১৭ আওয়া আ-বা-য়ুনাল্ আউয়্যালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’
সমকালীন বাংলা
১৮ বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’
জহুরুল হক
১৮ তুমি বলো - - ''হাঁ, আর তোমরা লাঞ্ছিত হবে।’’
বাংলা উচ্চারণ
১৮ কুল্ না'আম্ অআন্তুম্ দা-খিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।
সমকালীন বাংলা
১৯ উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
জহুরুল হক
১৯ তখন সেটি কিন্তু একটিমাত্র মহাগর্জন হবে, তখন দেখো! তারা চেয়ে থাকবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৯ ফাইন্নামা-হিয়া যাজ্ব্রতুঁও ওয়া-হিদাতুন্ ফাইযা-হুম্ ইয়ান্জুরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’
সমকালীন বাংলা
২০ এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’
জহুরুল হক
২০ আর তারা বলবে - - ''হায় ধিক্, আমাদের! এটিই তো বিচারের দিন!’’
বাংলা উচ্চারণ
২০ অ ক্ব-লূ ইয়া-অইলানা-হা-যা- ইয়াওমুদ্দীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ (তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’
সমকালীন বাংলা
২১ ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।
জহুরুল হক
২১ ''এইটিই ফয়সালা করার দিন যেটি সন্বন্ধে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দিতে।’’
বাংলা উচ্চারণ
২১ হা-যা-ইয়াওমুল্ ফাছ্লিল্লাযী কুন্তুম্ বিহী তুকায্যিবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ (ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো
সমকালীন বাংলা
২২ ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর জালিম ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -
জহুরুল হক
২২ ''যারা অনাচার করেছিল তাদের একত্র করো, আর তাদের সহচরদের, আর তাদেরও যাদের তারা উপাসনা করত - -
বাংলা উচ্চারণ
২২ উহ্শুরু ল্লাযীনা জোয়ালামূ অআয্ওয়া- জ্বাহুম্ অমা-কা-নূ ইয়া'বুদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।
সমকালীন বাংলা
২৩ আল্লাহ ব্যতীত। অতঃপর তাদরেকে পরচিালতি কর জাহান্নামরে পথে,
জহুরুল হক
২৩ ''আল্লাহ্ কে বাদ দিয়ে, তারপর তাদের পরিচালিত করো দুযখের পথে।
বাংলা উচ্চারণ
২৩ মিন্ দূনিল্লা-হি ফাহ্দূ হুম্ ইলা-ছির-ত্বিল্ জ্বাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সমকালীন বাংলা
২৪ ‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :
জহুরুল হক
২৪ ''আর তাদের থামাও, তারা অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে,
বাংলা উচ্চারণ
২৪ অ ক্বিফূহুম্ ইন্নাহুম্ মাস্য়ূলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?
সমকালীন বাংলা
২৫ ‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’
জহুরুল হক
২৫ ''তোমাদের কি হল, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছ না?’’
বাংলা উচ্চারণ
২৫ মা-লাকুম্ লা-তানা-ছোয়ারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।
সমকালীন বাংলা
২৬ বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে
জহুরুল হক
২৬ বস্তুতঃ সেদিন তারা আত্মসমর্পিত হবে।
বাংলা উচ্চারণ
২৬ বাল্ হুমুল্ ইয়াওমা মুস্তাস্লিমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,
সমকালীন বাংলা
২৭ এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -
জহুরুল হক
২৭ আর তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে প্রশ্ন করে - -
বাংলা উচ্চারণ
২৭ অআক্ব্বালা বা'দুহুম্ 'আলা- বা'দ্বিঁই ইয়াতাসা-য়ালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’
সমকালীন বাংলা
২৮ উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’
জহুরুল হক
২৮ তারা বলবে - - ''তোমরাই তো নিশ্চয়ই আমাদের কাছে আসতে ডান দিকে থেকে।’’
বাংলা উচ্চারণ
২৮ ক্ব-লূ য় ইন্নাকুম্ কুন্তুম্ তাতূনানা -'আনিল্ ইয়ামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই বিশ্বাসী ছিলে না,
সমকালীন বাংলা
২৯ তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
জহুরুল হক
২৯ তারা বলবে - - ''না, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
বাংলা উচ্চারণ
২৯ ক্ব-লূ বাল্ লাম্ তাকূ নূ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।
সমকালীন বাংলা
৩০ ‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
জহুরুল হক
৩০ ''আর তোমাদের উপরে আমাদের কোনো আধিপত্য ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে উচ্ছৃঙ্খল লোক।
বাংলা উচ্চারণ
৩০ অমা-কা-না লানা- 'আলাইকুম্ মিন্ সুল্ত্বোয়া- নিম্ বাল্ কুন্তুম্ ক্বওমান্ ত্বোয়া-গীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।
সমকালীন বাংলা
৩১ ‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।
জহুরুল হক
৩১ ''সেজন্যে আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর বাণী সত্য প্রতিপন্ন হয়েছে, আমরা নিশ্চয়ই আস্বাদন করতে যাচ্ছি।
বাংলা উচ্চারণ
৩১ ফাহাকক্ব'আলাইনা-ক্বওলু রব্বিনা য় ইন্না- লাযা-য়িকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’
সমকালীন বাংলা
৩২ ‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
জহুরুল হক
৩২ ''বস্তুত আমরা তোমাদের বিপথে নিয়েছিলাম, কেননা আমরা নিজেরাই বিপথগামী ছিলাম।’’
বাংলা উচ্চারণ
৩২ ফাআগ্ওয়াইনা-কুম্ ইন্না-কুন্না-গ-ওয়ীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।
সমকালীন বাংলা
৩৩ উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।
জহুরুল হক
৩৩ সুতরাং সেইদিন তারা নিশ্চয়ই শাস্তিতে একে অন্যের শরিক হবে।
বাংলা উচ্চারণ
৩৩ ফাইন্নাহুম্ ইয়াওমায়িযিন্ ফিল্ 'আযা-বি মুশ্তারিকূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।
সমকালীন বাংলা
৩৪ অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
৩৪ নিঃসন্দেহ এইরূপই আমরা অপরাধীদের প্রতি করে থাকি।
বাংলা উচ্চারণ
৩৪ ইন্না-কাযা-লিকা নাফ্'আলু বিল্মুজরিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো ইলাহ নেই আল্লাহ্ ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।
সমকালীন বাংলা
৩৫ তাদের যখন বলা হত, আল্লাহ ব্যতীত কােন উপাস্য নেই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রর্দশন করত।
জহুরুল হক
৩৫ নিঃসন্দেহ যখন তাদের বলা হতো - - 'আল্লাহ্ ছাড়া অন্য উপাস্য নেই’, তখন তারা হামবড়াই করত,
বাংলা উচ্চারণ
৩৫ ইন্নাহুম্ কা-নূ য় ইযা-ক্বীলা লাহুম্ লা য় ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ইয়াস্তাক্বিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’
সমকালীন বাংলা
৩৬ এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’
জহুরুল হক
৩৬ আর তারা বলত - - ''কী! আমরা কি আমাদের উপাস্যদের সত্যিই ত্যাগ করব একজন পাগলা কবির কারণে?’’
বাংলা উচ্চারণ
৩৬ অ ইয়াকু লূনা আয়িন্না-লাতা-রিকূ য় আ-লি হাতিনা- লিশা-'ইরিম্ মাজনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।
সমকালীন বাংলা
৩৭ বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।
জহুরুল হক
৩৭ বস্তুত তিনি সত্য নিয়ে এসেছেন, আর রসূলগণকে তিনি সত্য প্রতিপন্ন করেছেন।
বাংলা উচ্চারণ
৩৭ বাল্ জ্বা-য়া বিল্হাক্ব্ক্বি অছোয়াদ্দাক্বল্ মুরসালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।
সমকালীন বাংলা
৩৮ তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।
জহুরুল হক
৩৮ তোমরা নিশ্চয়ই মর্মন্তুদ শাস্তি আস্বাদন করতেই যাচ্ছ,
বাংলা উচ্চারণ
৩৮ ইন্নাকুম্ লাযা-য়িকুল্ 'আযা-বিল্ আলীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।
সমকালীন বাংলা
৩৯ এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -
জহুরুল হক
৩৯ আর তোমাদের প্রতিদান দেওয়া হবে না তোমরা যা করতে তা ব্যতীত, - -
বাংলা উচ্চারণ
৩৯ অমা-তুজযাওনা ইল্লা-মা-কুন্তুম্ তা'মালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।
সমকালীন বাংলা
৪০ তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।
জহুরুল হক
৪০ আল্লাহ্ র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।
বাংলা উচ্চারণ
৪০ ইল্লা-'ইবা দাল্লা-হিল্ মুখ্লাছীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।
সমকালীন বাংলা
৪১ তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -
জহুরুল হক
৪১ এরাই - - এদের জন্য রয়েছে সুপরিচিত রিযেক,
বাংলা উচ্চারণ
৪১ উলা-য়িকা লাহুম্ রিয্কম্ মা'লূম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,
সমকালীন বাংলা
৪২ ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,
জহুরুল হক
৪২ ফলমূল, আর তারা হবে সম্মানিত - -
বাংলা উচ্চারণ
৪২ ফাওয়া-কিহু অহুম্ মুক্রমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।
সমকালীন বাংলা
৪৩ সুখদ - কাননে
জহুরুল হক
৪৩ আনন্দময় উদ্যানে,
বাংলা উচ্চারণ
৪৩ ফী জ্বান্না-তিন্ নাঈ'ম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।
সমকালীন বাংলা
৪৪ তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।
জহুরুল হক
৪৪ তখতের উপরে মুখোমুখি হয়ে রইবে।
বাংলা উচ্চারণ
৪৪ 'আলা-সুরুরিম্ মুতাক্ব-বিলীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে
সমকালীন বাংলা
৪৫ তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।
জহুরুল হক
৪৫ তাদের কাছে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে নির্মল ফোয়ারা থেকে এক শরবতের পাত্র, - -
বাংলা উচ্চারণ
৪৫ ইয়ুত্বোয়া-ফু 'আলাইহিম্ বিকাসিম্ মিম্ মা'ঈম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।
সমকালীন বাংলা
৪৬ শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
জহুরুল হক
৪৬ সাদা সুস্বাদু পানকারীদের জন্য।
বাংলা উচ্চারণ
৪৬ বাইদ্বোয়া-য়া লায্ যাতি ল্লিশ্ শা-রিবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।
সমকালীন বাংলা
৪৭ উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,
জহুরুল হক
৪৭ এতে মাথাব্যথা নেই, আর তারা এ থেকে মাতালও হবে না।
বাংলা উচ্চারণ
৪৭ লা-ফীহা-গাওলুঁও অলা-হুম্ 'আন্হা-ইয়ুন্যাফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।
সমকালীন বাংলা
৪৮ তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।
জহুরুল হক
৪৮ আর তাদের কাছে থাকবে সলাজ - নম্র আয়তলোচন, - -
বাংলা উচ্চারণ
৪৮ অ 'ইন্দাহুম্ ক্ব-ছির-তুত ত্বোর্য়াফি 'ঈন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।
সমকালীন বাংলা
৪৯ তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।
জহুরুল হক
৪৯ যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।
বাংলা উচ্চারণ
৪৯ কাআন্নাহুন্না বাইদুম্ মাক্নূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।
সমকালীন বাংলা
৫০ তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।
জহুরুল হক
৫০ তখন তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
বাংলা উচ্চারণ
৫০ ফাআকবালা বা'দুহুম্ 'আলা- বা'দ্বিঁই ইয়াতাসা-য়ালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,
সমকালীন বাংলা
৫১ তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;
জহুরুল হক
৫১ তাদের মধ্যে কোনো এক বক্তা বলবে - - ''আমার অবশ্য এক বন্ধু ছিল,
বাংলা উচ্চারণ
৫১ ক্ব-লা ক্ব-য়িলুম্ মিন্হুম্ ইন্নী কা-না লী ক্বরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ সে বলতো তুমি কি একথায় বিশ্বাসী যে:
সমকালীন বাংলা
৫২ ‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে বিশ্বাসী যে,
জহুরুল হক
৫২ ''সে বলত, 'তুমি কি নিশ্চয়ই সমর্থনকারীদের মধ্যেকার?
বাংলা উচ্চারণ
৫২ ইয়াকুলু আইন্নাকা লামিনাল্ মুছোয়াদ্দিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ ‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’
সমকালীন বাংলা
৫৩ ‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’
জহুরুল হক
৫৩ ''কী! যখন আমরা মরে যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব, তখন কি আমরা ঠিকঠিকই প্রতিফল ভোগ করব’?’’
বাংলা উচ্চারণ
৫৩ আ ইযা-মিত্না-অকুন্না- তুরা-বাঁও অ 'ইজোয়া- মান্ য়াইন্না- লামাদীনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?
সমকালীন বাংলা
৫৪ আল্লাহ বলবনে, তােমরা কি তাকে উকি দয়িে দখেতে চাও?
জহুরুল হক
৫৪ সে বলবে - - ''তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’’
বাংলা উচ্চারণ
৫৪ ক্ব-লা হাল্ আন্তুম্ মুতত্বোয়ালি'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।
সমকালীন বাংলা
৫৫ অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;
জহুরুল হক
৫৫ তখন সে উঁকি দেবে আর ওকে দুযখের কেন্দ্রস্থলে দেখতে পাবে।
বাংলা উচ্চারণ
৫৫ ফাতত্বোয়ালা'আ ফারয়া-হু ফী সাওয়া-য়িল্ জ্বাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।
সমকালীন বাংলা
৫৬ বলিবে, আল্লাহর কসম, তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,
জহুরুল হক
৫৬ সে বলবে - - ''আল্লাহ্ র কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করেছিলে,
বাংলা উচ্চারণ
৫৬ ক্ব-লা তাল্লা-হি ইন্ কিত্তা লা-র্তুদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’
সমকালীন বাংলা
৫৭ ‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।
জহুরুল হক
৫৭ ''আর আমার প্রভুর অনুগ্রহ যদি না থাকত তবে আমিও নিশ্চয় উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’’
বাংলা উচ্চারণ
৫৭ অলাওলা- নি'মাতু রব্বী লাকুন্তু মিনাল্ মুহ্দ্বোয়ারীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা
সমকালীন বাংলা
৫৮ ‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না
জহুরুল হক
৫৮ ''তবে কি আমরা মরতে যাচ্ছি না, - -
বাংলা উচ্চারণ
৫৮ আফামা-নাহ্নু বিমাইয়্যিতীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’
সমকালীন বাংলা
৫৯ ‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’
জহুরুল হক
৫৯ ''আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত, আর আমরা শাস্তি পেতে যাচ্ছি না।
বাংলা উচ্চারণ
৫৯ ইল্লা-মাওতাতানাল্ ঊলা-অমা-নাহ্নু বিমু'আয্যাবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।
সমকালীন বাংলা
৬০ ইহা তো মহাসাফল্য,
জহুরুল হক
৬০ ''নিশ্চয়ই এই - - এটিই তো মহাসাফল্য!’’
বাংলা উচ্চারণ
৬০ ইন্না হাযা-লাহুওয়াল্ ফাওযুল্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।
সমকালীন বাংলা
৬১ এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,
জহুরুল হক
৬১ এর অনুরূপ অবস্থার জন্য তবে কর্মীরা কাজ করে যাক।
বাংলা উচ্চারণ
৬১ লিমিছ্লি হা-যা-ফাল্ইয়া'মালিল্ 'আ-মিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?
সমকালীন বাংলা
৬২ আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?
জহুরুল হক
৬২ এইটিই অধিক ভাল আপ্যায়ন, না যাক্কুম গাছ?
বাংলা উচ্চারণ
৬২ আ যা-লিকা খইরুন্ নুযুলান্ আম্ শাজারতুয্ যাককুম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।
সমকালীন বাংলা
৬৩ জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,
জহুরুল হক
৬৩ নিঃসন্দেহ আমরা এটিকে সৃষ্টি করেছি দুরাচারীদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ।
বাংলা উচ্চারণ
৬৩ ইন্না- জা'আল্না-হা-ফিত্নাতা ল্লিজ্ জোয়া-লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।
সমকালীন বাংলা
৬৪ এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,
জহুরুল হক
৬৪ নিঃসন্দেহ এটি এমন এক গাছ যা দুযখের তলায় - -
বাংলা উচ্চারণ
৬৪ ইন্নাহা-শাজ্বারতুন্ তাখ্রুজুফী য় আছ্লিল্ জ্বাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।
সমকালীন বাংলা
৬৫ ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা
জহুরুল হক
৬৫ এর ফলফসল যেন শয়তানদের মুন্ডু।
বাংলা উচ্চারণ
৬৫ ত্বোয়াল্'উহা-কাআন্নাহূ রুয়ূসুশ্ শাইয়া-ত্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।
সমকালীন বাংলা
৬৬ অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।
জহুরুল হক
৬৬ তারা তখন নিশ্চয় এ থেকে আহার করবে আর এর দ্বারা পেট ভর্তি করবে।
বাংলা উচ্চারণ
৬৬ ফাইন্নাহুম্ লাআ- কিলূনা মিন্হা-ফামা-লিয়ূনা মিন্হাল্ বুতুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।
সমকালীন বাংলা
৬৭ তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
জহুরুল হক
৬৭ তারপর অবশ্য তাদের জন্য এর উপরে থাকবে ফুটন্ত জলের পানীয়।
বাংলা উচ্চারণ
৬৭ ছুম্মা ইন্না লাহুম্ 'আলাইহা-লাশাওবাম্ মিন্ হামীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।
সমকালীন বাংলা
৬৮ আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই প্রজ্বলিত অগ্নির দিকে।
জহুরুল হক
৬৮ তারপর নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল হবে ভয়ঙ্কর আগুনের প্রতি।
বাংলা উচ্চারণ
৬৮ ছুম্মা ইন্না র্মাজ্বি'আহুম্ লা-ইলাল্ জ্বাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,
সমকালীন বাংলা
৬৯ উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।
জহুরুল হক
৬৯ তারা আলবৎ তাদের পিতৃপুরুষদের পথভ্রষ্টরূপেই পেয়েছিল,
বাংলা উচ্চারণ
৬৯ ইন্নাহুম্ আল্ফাও আ-বা-য়াহুম্ দ্বোয়া-ল্লীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।
সমকালীন বাংলা
৭০ এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।
জহুরুল হক
৭০ তাই তারা তাদের পদচিহ্নের অন্ধ অনুসরণ করেছিল,
বাংলা উচ্চারণ
৭০ ফাহুম্ ''আলা য় আ-ছা-রিহিম্ ইয়ুহ্রা'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।
সমকালীন বাংলা
৭১ উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,
জহুরুল হক
৭১ আর তাদের আগে অধিকাংশ পূর্ববর্তীরা বিপথে গিয়েছিল,
বাংলা উচ্চারণ
৭১ অ লাক্বদ্ দ্বোয়াল্লা ক্বব্লাহুম্ আক্ছারুল্ আওয়্যালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।
সমকালীন বাংলা
৭২ এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
৭২ অথচ আমরা তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে সতর্ককারীদের পাঠিয়েছিলাম,
বাংলা উচ্চারণ
৭২ অলাক্বদ্ র্আসাল্না-ফীহিম্ মুন্যিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?
সমকালীন বাংলা
৭৩ সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!
জহুরুল হক
৭৩ সুতরাং চেয়ে দেখো কেমন হয়েছিল সতর্কীকৃতদের পরিণাম,
বাংলা উচ্চারণ
৭৩ ফার্ন্জু কাইফা কা-না 'আ-ক্বিবাতুল্ মুন্যারীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।
সমকালীন বাংলা
৭৪ তবে আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
জহুরুল হক
৭৪ শুধু আল্লাহ্ র খাস বান্দাদের ব্যতীত।
বাংলা উচ্চারণ
৭৪ ইল্লা- 'ইবা-দাল্লা-হিল্ মুখ্লাছীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!
সমকালীন বাংলা
৭৫ নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।
জহুরুল হক
৭৫ আর ইতিপূর্বে অবশ্য নূহ আমাদের আহ্বান করেছিলেন, আর আমরা কত উত্তম উত্তরদাতা।
বাংলা উচ্চারণ
৭৫ অলাক্বদ্ না-দা-না নূহুন্ ফালানি'মাল্ মুজ্বীবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
সমকালীন বাংলা
৭৬ তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
জহুরুল হক
৭৬ আর আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম,
বাংলা উচ্চারণ
৭৬ অনাজ্জ্বাইনা-হু অআহ্লাহূ মিনাল্ র্কাবিল্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।
সমকালীন বাংলা
৭৭ তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,
জহুরুল হক
৭৭ আর তাঁর সন্তান - সন্ততিকে আমরা বানিয়েছিলাম প্রকৃত টিকে থাকা দল,
বাংলা উচ্চারণ
৭৭ অ জ্বা'আল্না-র্যুরিয়্যাতাহূ হুমুল্ বা-ক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
সমকালীন বাংলা
৭৮ আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
৭৮ আর তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে আমরা রেখেছিলাম - -
বাংলা উচ্চারণ
৭৮ অ তারক্না-'আলাইহি ফিল্ আ-খিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।
সমকালীন বাংলা
৭৯ সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক।
জহুরুল হক
৭৯ সমগ্র বিশ্বজগতের মধ্যে নূহের প্রতি সালাম!
বাংলা উচ্চারণ
৭৯ সালা-মুন্ 'আলা নূহিন্ ফিল্ 'আ-লামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।
সমকালীন বাংলা
৮০ এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,
জহুরুল হক
৮০ নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি।
বাংলা উচ্চারণ
৮০ ইন্না-কাযা-লিকা নাজযিল্ মুহ্সিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ সে ছিলো আমার মুমিন বান্দাদের একজন।
সমকালীন বাংলা
৮১ সে ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম।
জহুরুল হক
৮১ তিনি অবশ্যই আমাদের বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
বাংলা উচ্চারণ
৮১ ইন্নাহূ মিন্ 'ইবা-দিনাল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।
সমকালীন বাংলা
৮২ অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
৮২ আর আমরা অন্যান্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।
বাংলা উচ্চারণ
৮২ ছুম্মা আগ্রকনল্ আ-খারীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।
সমকালীন বাংলা
৮৩ আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
জহুরুল হক
৮৩ আর নিশ্চয়ই তাঁর পশ্চাদবর্তীদের মধ্যে ছিলেন ইব্রাহীম।
বাংলা উচ্চারণ
৮৩ অইন্না-মিন্ শী'আতিহী লাইব্র-হীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।
সমকালীন বাংলা
৮৪ স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;
জহুরুল হক
৮৪ স্মরণ কর! তিনি তাঁর প্রভুর কাছে এসেছিলেন বিশুদ্ধ চিত্ত নিয়ে, - -
বাংলা উচ্চারণ
৮৪ অলাক্বদ্ র্আসাল্না-ফীহিম্ মুন্যিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?
সমকালীন বাংলা
৮৫ যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?
জহুরুল হক
৮৫ যখন তাঁর পিতৃপুরুষকে ও তাঁর স্বজাতিকে তিনি বলেছিলেন - - ''তোমরা কিসের উপাসনা করছ?
বাংলা উচ্চারণ
৮৫ ইয্ ক্ব-লা লিআবীহি অ ক্বওমিহী মা-যা-তা'বুদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?
সমকালীন বাংলা
৮৬ তােমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে অলীক ইলাহগুলিকে চাও?
জহুরুল হক
৮৬ ''তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কি এক মিথ্যা উপাস্যকেই কামনা কর?
বাংলা উচ্চারণ
৮৬ আয়িফ্কান্ আ-লিহাতান্ দূনাল্লা-হি তুরীদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ ‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’
সমকালীন বাংলা
৮৭ ‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’
জহুরুল হক
৮৭ ''তাহলে বিশ্বজগতের প্রভু সন্বন্ধে কী তোমাদের ধারণা?’’
বাংলা উচ্চারণ
৮৭ ফামা-জোয়ান্নুকুম্ বিরব্বিল্ 'আ-লামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো
সমকালীন বাংলা
৮৮ অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল
জহুরুল হক
৮৮ তারপর তারকারাজির দিকে তিনি একনজর তাকালেন,
বাংলা উচ্চারণ
৮৮ ফানাজোয়ার নাজ্রতান্ ফিন্নুজ্ব ূম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’
সমকালীন বাংলা
৮৯ এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’
জহুরুল হক
৮৯ তখন তিনি বললেন - - ''আমি যারপর নাই বিরক্ত!’’
বাংলা উচ্চারণ
৮৯ ফাক্ব-লা ইন্নী সাক্বীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।
সমকালীন বাংলা
৯০ অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।
জহুরুল হক
৯০ সুতরাং তারা তাঁর কাছ থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে গেল।
বাংলা উচ্চারণ
৯০ ফাতাওয়াল্লাও 'আন্হু মুদ্বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের ইলাহ (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’
সমকালীন বাংলা
৯১ পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’
জহুরুল হক
৯১ তারপর তিনি তাদের উপাস্যদের কাছে ফিরে গেলেন এবং বললেন - - ''তোমরা খাও না কেন?
বাংলা উচ্চারণ
৯১ ফার-গ ইলা য় আ-লিহাতিহিম্ ফাক্ব-লা লা-তাকুলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ ‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’
সমকালীন বাংলা
৯২ ‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’
জহুরুল হক
৯২ ''তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা কথা বলছ না?’’
বাংলা উচ্চারণ
৯২ মা-লাকুম্ লা-তান্ত্বিকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।
সমকালীন বাংলা
৯৩ অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।
জহুরুল হক
৯৩ কাজেই তিনি তাদের উপরে লাফিয়ে পড়লেন ডানহাতে আঘাত করে।
বাংলা উচ্চারণ
৯৩ ফার-গা 'আলাইহিম্ দ্বোর্য়াবাম্ বিল্ইয়ামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।
সমকালীন বাংলা
৯৪ তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।
জহুরুল হক
৯৪ তখন তারা তাঁর দিকে ছুটে এল হতবুদ্ধি হয়ে।
বাংলা উচ্চারণ
৯৪ ফাআক্ববালূ য় ইলাইহি ইয়াযিফ্ফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?
সমকালীন বাংলা
৯৫ সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?
জহুরুল হক
৯৫ তিনি বললেন - - ''তোমরা কি তার উপাসনা কর যা তোমরা কেটে বানাও,
বাংলা উচ্চারণ
৯৫ ক্বা-লা আতা'বুদূনা মা-তান্হিতূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ্ এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’
সমকালীন বাংলা
৯৬ অথচ আল্লাহ তা তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নর্মিাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করছেনে।
জহুরুল হক
৯৬ ''অথচ আল্লাহ্ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন আর তোমরা যা তৈরি কর তাও?’’
বাংলা উচ্চারণ
৯৬ অল্লা-হু খলাক্বকুম্ অমা-তা'মালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’
সমকালীন বাংলা
৯৭ উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’
জহুরুল হক
৯৭ তারা বললে - - ''এর জন্য এক কাঠামো তৈরি কর, তারপর তাকে নিক্ষেপ কর সেই ভয়ঙ্কর আগুনে।’’
বাংলা উচ্চারণ
৯৭ ক্ব-লুব্নূ লাহূ বুন্ইয়ানান্ ফাআল্ক্বহু ফিল্ জ্বাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।
সমকালীন বাংলা
৯৮ উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তেরর সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।
জহুরুল হক
৯৮ কাজেই তারা তাঁর বিরুদ্ধে এক চক্রান্ত ফাঁদলো, কিন্তু আমরা তাদের হীন বানিয়ে দিলাম।
বাংলা উচ্চারণ
৯৮ ফাআর-দূ বিহী কাইদান্ ফাজ্বা'আল্না হুমুল্ আস্ফালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।
সমকালীন বাংলা
৯৯ সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;
জহুরুল হক
৯৯ আর তিনি বললেন - - ''আমি নিশ্চয়ই আমার প্রভুর দিকে যাত্রাকারী, তিনি আমাকে অচিরেই পরিচালিত করবেন।’’
বাংলা উচ্চারণ
৯৯ অ ক্ব-লা ইন্নী যা-হিবুন্ ইলা- রব্বী সাইয়াহ্দীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০০ আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’
সমকালীন বাংলা
১০০ ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’
জহুরুল হক
১০০ ''আমার প্রভু! আমার জন্য সৎকর্মীদের থেকে দান করো।’’
বাংলা উচ্চারণ
১০০ রব্বি হাব্লী মিনাছ্ ছোয়া-লিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০১ তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।
সমকালীন বাংলা
১০১ অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
জহুরুল হক
১০১ সেজন্য আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিলাম এক অমায়িক পুত্রসন্তানের।
বাংলা উচ্চারণ
১০১ ফাবাশ্ র্শানা-হু বিগুলা-মিন্ হালীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০২ যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ (আল্লাহ্ চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’
সমকালীন বাংলা
১০২ অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। আল্লাহ ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’
জহুরুল হক
১০২ তারপর যখন সে তাঁর সঙ্গে কাজ করার যোগ্যতায় উপনীত হল তখন তিনি বললেন - - ''হে আমার পুত্রধন! নিঃসন্দেহ আমি স্বপ্নে দেখলাম যে আমি তোমাকে কুরবানি করছি, অতএব ভেবে দেখো - - কী তুমি দেখছো ।’’ তিনি বললেন - - ''হে আমার আব্বা! আপনি তাই করুন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। ইন - শা - আল্লাহ্ আপনি এখনি আমাকে পাবেন অধ্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত।
বাংলা উচ্চারণ
১০২ ফালাম্মা-বালাগ মা'আহুস্ সা'ইয়া ক্ব-লা ইয়া-বুনাইয়্যা ইন্নী য় আর-ফিল্ মানা-মি আন্নী য় আয্বাহুকা ফার্ন্জু মা-যা-তার- ক্ব-লা ইয়া য় 'আবাতিফ্ 'আল্ মা- তুমারু সাতাজ্বিদুনী য় ইন্ শা-য়া ল্লা-হু মিনাছ্ ছোয়া-বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৩ যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,
সমকালীন বাংলা
১০৩ যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,
জহুরুল হক
১০৩ সুতরাং তাঁরা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করলেন এবং তিনি তাঁকে ভূপাতিত করলেন কপালের জন্য,
বাংলা উচ্চারণ
১০৩ ফালাম্মা য় আস্লামা অতাল্লাহূ লিল্জ্বাবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৪ তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!
সমকালীন বাংলা
১০৪ তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!
জহুরুল হক
১০৪ তখনই আমরা তাঁকে ডেকে বললাম - - ''হে ইব্রাহীম!
বাংলা উচ্চারণ
১০৪ অ না-দাইনা-হু আইঁ ইয়া য়ইব্রাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৫ অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।
সমকালীন বাংলা
১০৫ ‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১০৫ ''তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করলে। নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।
বাংলা উচ্চারণ
১০৫ ক্বদ্ ছোয়াদ্দাক্বর্ তা রুইয়া-ইন্না-কাযা-লিকা নাজযিল্ মুহ্সিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৬ নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।
সমকালীন বাংলা
১০৬ নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।
জহুরুল হক
১০৬ ''নিশ্চয়ই এটি - - এইটিই তো ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।’’
বাংলা উচ্চারণ
১০৬ ইন্না হা-যা-লাহুওয়াল্ বালা-য়ুল্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৭ অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।
সমকালীন বাংলা
১০৭ আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।
জহুরুল হক
১০৭ আর আমরা তাঁকে বদলা দিয়েছিলাম এক মহান কুরবানি।
বাংলা উচ্চারণ
১০৭ অফাদাইনা-হু বিযিব্হিন্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৮ আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।
সমকালীন বাংলা
১০৮ আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
১০৮ আর আমরা তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -
বাংলা উচ্চারণ
১০৮ অ তারক্না-'আলাইহি ফিল্ আ-খিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৯ সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১০৯ ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!
জহুরুল হক
১০৯ ইব্রাহীমের প্রতি ''সালাম’’।
বাংলা উচ্চারণ
১০৯ সালা-মুন্ 'আলা য় ইব্রাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১০ পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।
সমকালীন বাংলা
১১০ এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১১০ এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।
বাংলা উচ্চারণ
১১০ কাযা-লিকা নাজযিল্ মুহ্সিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১১ সে ছিলো আমাদের বিশ্বাসী দাসদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১১১ নিশ্চয়ই সে ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম;
জহুরুল হক
১১১ নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের মধ্যেকার।
বাংলা উচ্চারণ
১১১ ইন্নাহূ মিন্ 'ইবা-দিনাল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১২ তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।
সমকালীন বাংলা
১১২ আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,
জহুরুল হক
১১২ আর আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের - - একজন নবী সৎপথাবলন্বীদের মধ্যেকার।
বাংলা উচ্চারণ
১১২ অবার্শ্শানা-হু বিইস্হা-ক্ব নাবিয়্যাম্ মিনাছ্ ছোয়া- লিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৩ আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।
সমকালীন বাংলা
১১৩ আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
জহুরুল হক
১১৩ আর আমরা আশীর্বাদ বর্ষণ করেছিলাম তাঁর উপরে ও ইসহাকের উপরে। আর তাঁদের দুজনের বংশধরদের মধ্যে থেকে কেউ হচ্ছেন সৎকর্মশীল, আর কেউ হচ্ছে তাদের নিজেদের প্রতি স্পষ্টভাবে অন্যায়াচারী।
বাংলা উচ্চারণ
১১৩ অ বা-রক্না-'আলাইহি অ'আলা য় ইস্হা-ক্ব্ অমিন্ র্যুরিয়্যাতিহিমা-মুহ্সিনুঁও অজোয়া-লিমুল্লি নাফ্সিহী মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৪ আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,
সমকালীন বাংলা
১১৪ আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,
জহুরুল হক
১১৪ আর নিশ্চয় আমরা মূসা ও হারূনের প্রতি অনুগ্রহ করেই ছিলাম,
বাংলা উচ্চারণ
১১৪ অলাক্বদ্ মানান্না- 'আলা- মূসা- অহা-রূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৫ এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।
সমকালীন বাংলা
১১৫ এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
জহুরুল হক
১১৫ আর তাঁদের দুজনকে ও তাঁদের লোকদলকে আমরা ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।
বাংলা উচ্চারণ
১১৫ অনাজ্জ্বাইনা-হুমা-অক্বওমাহুমা-মিনাল্ র্কাবিল্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৬ আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।
সমকালীন বাংলা
১১৬ আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।
জহুরুল হক
১১৬ আর আমরা তাঁদের সাহায্য করেছিলাম, সেজন্য তাঁরা খোদ বিজয়ী হয়েছিলেন।
বাংলা উচ্চারণ
১১৬ অনাছোর্য়ানা-হুম্ ফাকা-নূ হুমুল্ গ-লিবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৭ আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।
সমকালীন বাংলা
১১৭ আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।
জহুরুল হক
১১৭ আর তাঁদের উভয়কে আমরা দিয়েছিলাম এক স্পষ্ট গ্রন্থ,
বাংলা উচ্চারণ
১১৭ অআ- তাইনা-হুমাল্ কিতা-বাল্ মুস্তাবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৮ উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।
সমকালীন বাংলা
১১৮ এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।
জহুরুল হক
১১৮ আর তাঁদের উভয়কে আমরা পরিচালিত করেছিলাম সরল - সঠিক পথে,
বাংলা উচ্চারণ
১১৮ অহাদাইনা-হুমাছ্ ছির-ত্বোয়াল্ মুস্তাক্বীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৯ পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।
সমকালীন বাংলা
১১৯ আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
১১৯ আর তাদের জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -
বাংলা উচ্চারণ
১১৯ অ তারক্না- 'আলাইহিমা-ফিল্ আ-খিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২০ সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১২০ মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
জহুরুল হক
১২০ মূসা ও হারূনের প্রতি ''সালাম’’।
বাংলা উচ্চারণ
১২০ সালা-মুন্ 'আলা-মূসা- অহা-রূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২১ আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।
সমকালীন বাংলা
১২১ এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১২১ এইভাবেই আমরা অবশ্য প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।
বাংলা উচ্চারণ
১২১ ইন্না-কাযা-লিকা নাজযিল্ মুহ্সিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২২ তারা উভয়েই ছিলো আমাদের বিশ্বাসী দাসদের অন্তরভুক্ত।
সমকালীন বাংলা
১২২ তাহারা উভয়েই ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
জহুরুল হক
১২২ নিশ্চয় তাঁরা ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের মধ্যেকার।
বাংলা উচ্চারণ
১২২ ইন্নাহুমা-মিন্ 'ইবা-দিনাল্ মুমিনীন্
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৩ নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১২৩ ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
জহুরুল হক
১২৩ আর নিশ্চয়ই ইল্য়াস রসূলগণের মধ্যেকার ছিলেন।
বাংলা উচ্চারণ
১২৩ অইন্না-ইল্ইয়া-সা-লামিনাল্ র্মুসালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৪ স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?
সমকালীন বাংলা
১২৪ স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?
জহুরুল হক
১২৪ স্মরণ করো, তিনি তাঁর স্বজাতিকে বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?
বাংলা উচ্চারণ
১২৪ ইয্ ক্ব-লা লিক্বওমিহী য় আলা-তাত্তাকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৫ তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা
সমকালীন বাংলা
১২৫ ‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -
জহুরুল হক
১২৫ ''তোমরা কি বা’লকে ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সৃষ্টিকর্তাদের সর্বশ্রেষ্ঠজনকে,
বাংলা উচ্চারণ
১২৫ আতাদ্'ঊনা বা'লাওঁ অতাযারূনা আহ্সানাল্ খ-লিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৬ আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’
সমকালীন বাংলা
১২৬ যনিি আল্লাহ তা তোমাদের পালনর্কতা এবং তা তোমাদের র্পূবপুরুষদরে পালনর্কতা?
জহুরুল হক
১২৬ আল্লাহ্ কে - - তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রভু?’’
বাংলা উচ্চারণ
১২৬ আল্লা-হা রব্বাকুম্ অ রব্বা আ-বা-য়িকুমুল্ আউয়্যালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৭ কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।
সমকালীন বাংলা
১২৭ কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।
জহুরুল হক
১২৭ কিন্তু তারা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল, সেজন্য তাদের নিশ্চয়ই হাজির করা হবে,
বাংলা উচ্চারণ
১২৭ ফাকায্যাবূহু ফাইন্নাহুম্ লামুহ্দ্বোয়ারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৮ তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।
সমকালীন বাংলা
১২৮ কিন্তু আল্লাহ তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।
জহুরুল হক
১২৮ শুধু আল্লাহ্ র একনিষ্ঠ বান্দাদের ব্যতীত।
বাংলা উচ্চারণ
১২৮ ইল্লা-'ইবা-দা ল্লা-হিল্ মুখ্লাছীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৯ আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
সমকালীন বাংলা
১২৯ আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
১২৯ আর তাঁর জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -
বাংলা উচ্চারণ
১২৯ অ তারক্না-'আলাইহি ফিল্ আ-খিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩০ সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১৩০ ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।
জহুরুল হক
১৩০ ইল্য়াসীনের উপরে ''সালাম’’।
বাংলা উচ্চারণ
১৩০ সালা-মুন্ 'আলা য় ইল্ইয়া-সীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩১ এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।
সমকালীন বাংলা
১৩১ এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১৩১ নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।
বাংলা উচ্চারণ
১৩১ ইন্না-কা-যা-লিকা নাজযিল্ মুহ্সিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩২ সে ছিলো আমাদের বিশ্বাসী দাসদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩২ সে তো ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম।
জহুরুল হক
১৩২ তিনি নিশ্চয়ই ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের অন্যতম।
বাংলা উচ্চারণ
১৩২ ইন্নাহূ মিন্ 'ইবা দিনাল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৩ নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩৩ লূতও ছিল রাসূলদের একজন।
জহুরুল হক
১৩৩ আর অবশ্যই লূত ছিলেন রসূলগণের মধ্যেকার।
বাংলা উচ্চারণ
১৩৩ অ ইন্না লূত্বোয়াল্লামিনাল্ র্মুসালীন্
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৪ আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম
সমকালীন বাংলা
১৩৪ আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -
জহুরুল হক
১৩৪ স্মরণ কর! তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম, সব ক’জনকেই - -
বাংলা উচ্চারণ
১৩৪ ইয্ নাজ্জইনা-হু অ আহ্লাহূ য় আজমা'ঈন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৫ এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩৫ এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
জহুরুল হক
১৩৫ এক বৃদ্ধাকে ব্যতীত, যে ছিল পেছনে রয়ে যাওয়া দলের।
বাংলা উচ্চারণ
১৩৫ ইল্লা-'আজ্ব যান্ ফিল্গ-বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৬ (তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।
সমকালীন বাংলা
১৩৬ অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
১৩৬ তারপর আমরা অবশিষ্টদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছিলাম।
বাংলা উচ্চারণ
১৩৬ ছুম্মা দার্ম্মানাল্ আ-খরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৭ তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে
সমকালীন বাংলা
১৩৭ তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও
জহুরুল হক
১৩৭ আর নিঃসন্দেহ তোমরা তো তাদের অতিক্রম করে থাক সকালবেলায়,
বাংলা উচ্চারণ
১৩৭ অইন্নাকুম্ লাতার্মুরূনা 'আলাইহিম্ মুছ্বিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৮ এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?
সমকালীন বাংলা
১৩৮ সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?
জহুরুল হক
১৩৮ এবং রাত্রিকালে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না।
বাংলা উচ্চারণ
১৩৮ অ বিল্লাইল্ আফালা-তা'ক্বিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৯ ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩৯ ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
জহুরুল হক
১৩৯ আর নিশ্চয়ই ইউনুস ছিলেন রসূলগণের অন্যতম।
বাংলা উচ্চারণ
১৩৯ অইন্না ইয়ূনুসা লামিনাল্ র্মুসালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪০ স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।
সমকালীন বাংলা
১৪০ স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,
জহুরুল হক
১৪০ স্মরণ করো! তিনি বোঝাই করা জাহাজে গিয়ে উঠেছিলেন।
বাংলা উচ্চারণ
১৪০ ইয্ আবাকা ইলাল্ ফুল্কিল্ মাশ্হূ ন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪১ তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।
সমকালীন বাংলা
১৪১ অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।
জহুরুল হক
১৪১ তাই তিনি লটারী খেলেছিলেন, কিন্তু তিনিই হয়ে গেলেন নিক্ষিপ্তদের একজন।
বাংলা উচ্চারণ
১৪১ ফাসা-হামা ফাকা-না মিনাল্ মুদ্হাদ্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪২ (ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।
সমকালীন বাংলা
১৪২ পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।
জহুরুল হক
১৪২ তখন একটি মাছ তাঁকে মুখে তুলে নিল, যদিও তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
বাংলা উচ্চারণ
১৪২ ফাল্তাক্বমাহুল্ হূতু অহুওয়া মুলীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৩ সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,
সমকালীন বাংলা
১৪৩ যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতনে,
জহুরুল হক
১৪৩ আর তিনি যদি মহিমা জপতপে রত না থাকতেন - -
বাংলা উচ্চারণ
১৪৩ ফালাওলা য় আন্নাহূ কা-না মিনাল্ মুসাব্বিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৪ তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।
সমকালীন বাংলা
১৪৪ তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।
জহুরুল হক
১৪৪ তাহলে তিনি তার পেটে রয়ে যেতেন পুনরুত্থান দিন পর্যন্ত।
বাংলা উচ্চারণ
১৪৪ লালাবিছা ফী বাতনিহী য় ইলা-ইয়াওমি ইয়ুব্'আছূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৫ তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।
সমকালীন বাংলা
১৪৫ অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।
জহুরুল হক
১৪৫ তারপর আমরা তাঁকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে ফেলে দিলাম, আর তিনি ছিলেন অসুস্থ।
বাংলা উচ্চারণ
১৪৫ ফানাবায্না-হু বিল্ 'আর-য়ি অহুওয়া সাক্বীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৬ আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।
সমকালীন বাংলা
১৪৬ পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.
জহুরুল হক
১৪৬ তখন তাঁর উপরে আমরা জন্মিয়েছিলাম লাউজাতীয় গাছ,
বাংলা উচ্চারণ
১৪৬ অআম্বাত্না- 'আলাইহি শাজ্বারতাম্ মিঁই ইয়াক্বত্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৭ তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।
সমকালীন বাংলা
১৪৭ তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
১৪৭ আর আমরা তাঁকে পাঠিয়েছিলাম এক লাখ বা আরো বেশী লোকের কাছে,
বাংলা উচ্চারণ
১৪৭ অর্আসাল্না-হু ইলা-মিয়াতি আল্ফিন্ আও ইয়াযীদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৮ তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।
সমকালীন বাংলা
১৪৮ এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।
জহুরুল হক
১৪৮ তখন তারা বিশ্বাস করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের উপভোগ করতে দিয়েছিলাম কিছুকালের জন্য।
বাংলা উচ্চারণ
১৪৮ ফাআ-মানূ ফামাত্তা'না-হুম্ ইলা-হীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৯ এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?
সমকালীন বাংলা
১৪৯ এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’
জহুরুল হক
১৪৯ সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো - - তোমার প্রভুর জন্য কি কন্যাসন্তান রয়েছে, আর তাদের জন্য পুত্রসন্তান?
বাংলা উচ্চারণ
১৪৯ ফাস্তাফ্তিহিম্ আলিরব্বিকাল্ বানা-তু অলাহুমুল্ বানূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫০ নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?
সমকালীন বাংলা
১৫০ অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?
জহুরুল হক
১৫০ অথবা, আমরা কি ফিরিশ্তাদের নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম, আর তারা সাক্ষী ছিল?
বাংলা উচ্চারণ
১৫০ আম্ খালাকনাল্ মালা-য়িকাতা ইনা-ছাঁও অহুম্ শা-হিদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫১ সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:
সমকালীন বাংলা
১৫১ দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,
জহুরুল হক
১৫১ এটি কি নয় যে তারা আলবৎ তাদের মিথ্যা থেকেই তো কথা বলছে, - -
বাংলা উচ্চারণ
১৫১ আলা য় ইন্নাহুম্ মিন্ -ইফ্কিহিম্ লাইয়াকুলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫২ ‘আল্লাহ্ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।
সমকালীন বাংলা
১৫২ আল্লাহ সন্তান জন্ম দয়িছেনে। নিশ্চয় তারা মথ্যিাবাদী।
জহুরুল হক
১৫২ আল্লাহ্ জন্ম দিয়েছিলেন? আর তারা তো নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।
বাংলা উচ্চারণ
১৫২ অলাদাল্লা-হু অইন্নাহুম্ লাকা-যিবূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৩ তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?
সমকালীন বাংলা
১৫৩ তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?
জহুরুল হক
১৫৩ তিনি কি কন্যাদের পছন্দ করেছেন পুত্রদের পরিবর্তে?
বাংলা উচ্চারণ
১৫৩ আছ্ত্বোয়াফাল্ বানা-তি 'আলাল্ বানীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৪ তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?
সমকালীন বাংলা
১৫৪ তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?
জহুরুল হক
১৫৪ তোমাদের কি হয়েছে? কিভাবে তোমরা বিচার করো?
বাংলা উচ্চারণ
১৫৪ মা-লাকুম্ কাইফা তাহ্কুমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৫ তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?
সমকালীন বাংলা
১৫৫ তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?
জহুরুল হক
১৫৫ তোমরা কি তবে মনোযোগ দেবে না?
বাংলা উচ্চারণ
১৫৫ আফালা-তাযাক্কারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৬ নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?
সমকালীন বাংলা
১৫৬ তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?
জহুরুল হক
১৫৬ নাকি তোমাদের কাছে কোনো স্পষ্ট দলিল - প্রমাণ রয়েছে?
বাংলা উচ্চারণ
১৫৬ আম্ লাকুম্ ছুল্ত্বোয়া-নুম্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৭ তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।
সমকালীন বাংলা
১৫৭ তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।
জহুরুল হক
১৫৭ তেমন হলে তোমাদের গ্রন্থ নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।
বাংলা উচ্চারণ
১৫৭ ফাতূ বিকিতা-বিকুম্ ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৮ তারা আল্লাহ্ এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১৫৮ উহারা আল্লাহ্ ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।
জহুরুল হক
১৫৮ আর তারা তাঁর মধ্যে ও জিনদের মধ্যে একটা সম্পর্ক দাঁড় করিয়েছে। আর জিনরা তো জেনেই ফেলেছে যে তাদের অবশ্যই উপস্থাপিত করা হবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৫৮ অজ্বা'আলূ বাইনাহূ অবাইনাল্ জ্বিন্নাতি নাসাবা- অলাক্বদ্ 'আলিমাতিল্ জ্বিন্নাতু ইন্নাহুম্ লামুহ্দ্বোয়ারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৯ তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।
সমকালীন বাংলা
১৫৯ তারা যা বলে তা থাকলে আল্লাহ পবত্রি।
জহুরুল হক
১৫৯ আল্লাহ্ রই সব মহিমা! তারা যা আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে, - -
বাংলা উচ্চারণ
১৫৯ সুব্হা-না-ল্লা-হি 'আম্মা- ইয়াছিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬০ তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।
সমকালীন বাংলা
১৬০ তবে যারা আল্লাহর নষ্ঠিাবান বান্দা, তারা গ্রফেতার হয়ে আসবে না।
জহুরুল হক
১৬০ আল্লাহ্ র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।
বাংলা উচ্চারণ
১৬০ ইল্লা-'ইবা-দাল্লা-হিল্ মুখ্লাছীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬১ জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)
সমকালীন বাংলা
১৬১ তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -
জহুরুল হক
১৬১ অতএব নিশ্চয়ই তোমরা ও যাদের তোমরা উপাসনা কর তারা - -
বাংলা উচ্চারণ
১৬১ ফাইন্নাকুম্ অমা-তা'বুদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬২ তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
সমকালীন বাংলা
১৬২ তাদরে কাউকইে তােমরা আল্লাহ সর্ম্পকে বভ্রিান্ত করতে পারবে না।
জহুরুল হক
১৬২ তোমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তকারী হতে পারবে না, - -
বাংলা উচ্চারণ
১৬২ মা য় আন্তুম্ 'আলাইহি বিফা-তিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৩ কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।
সমকালীন বাংলা
১৬৩ কেবল প্রজ্বলিত অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।
জহুরুল হক
১৬৩ তাকে ব্যতীত যে জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে চায়।
বাংলা উচ্চারণ
১৬৩ ইল্লা-মান্ হুওয়া ছোয়া-লিল্ জ্বাহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৪ (ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।
সমকালীন বাংলা
১৬৪ আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,
জহুরুল হক
১৬৪ আর ''আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জন্যে নির্ধারিত আবাস নেই,
বাংলা উচ্চারণ
১৬৪ অমা-মিন্না য় ইল্লা-লাহূ মাক্ব-মুম্ মা'লূম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৫ আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।
সমকালীন বাংলা
১৬৫ আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
জহুরুল হক
১৬৫ ''আর নিশ্চয়ই আমরা, আমরাই তো সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াব,
বাংলা উচ্চারণ
১৬৫ অ ইন্না- লানা-হ্নুছ্ ছোয়া-ফ্ফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৬ আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’
সমকালীন বাংলা
১৬৬ ‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’
জহুরুল হক
১৬৬ ''আর অবশ্য আমরা, আলবৎ আমরা জপ করতে থাকব।’’
বাংলা উচ্চারণ
১৬৬ অইন্না-লানাহ্নুল্ মুসাব্বিহূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৭ তারা তো বলে আসছে:
সমকালীন বাংলা
১৬৭ উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,
জহুরুল হক
১৬৭ আর নিশ্চয়ই তারা বলতে থাকতো - -
বাংলা উচ্চারণ
১৬৭ অইন্ কা-নূ লাইয়াকুলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৮ ‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,
সমকালীন বাংলা
১৬৮ পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,
জহুরুল হক
১৬৮ ''যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে কোনো স্মরণীয় গ্রন্থ থাকতো,
বাংলা উচ্চারণ
১৬৮ লাও আন্না 'ইন্দানা- যিক্রাম্ মিনাল্ আওয়্যালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৯ তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’
সমকালীন বাংলা
১৬৯ তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনােনীত বান্দা হতাম।
জহুরুল হক
১৬৯ ''তাহলে আমরা আল্লাহ্ র নিষ্ঠাবান বান্দা হতে পারতাম।’’
বাংলা উচ্চারণ
১৬৯ লাকুন্না-'ইবাদাল্লা-হিল্ মুখ্লাছীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭০ কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।
সমকালীন বাংলা
১৭০ কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;
জহুরুল হক
১৭০ কিন্তু তারা এতে অবিশ্বাস পোষণ করে, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৭০ ফাকাফারূ বিহী ফাসাওফা ইয়া'লামূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭১ আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,
সমকালীন বাংলা
১৭১ আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,
জহুরুল হক
১৭১ আর অবশ্যই আমাদের বক্তব্য আমাদের বান্দাদের - - প্রেরিত পুরুষদের, জন্য সাব্যস্ত হয়েই গেছে, - -
বাংলা উচ্চারণ
১৭১ অলাক্বদ্ সাবাক্বত্ কালিমাতুনা-লি'ইবা-দিনাল্ র্মুসালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭২ তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,
সমকালীন বাংলা
১৭২ অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,
জহুরুল হক
১৭২ নিঃসন্দেহ তাঁরা - - তাঁরাই তো হবে সাহায্যপ্রাপ্ত,
বাংলা উচ্চারণ
১৭২ ইন্নাহুম্ লাহুমুল্ মান্ছূরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৩ এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।
সমকালীন বাংলা
১৭৩ এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।
জহুরুল হক
১৭৩ আর নিঃসন্দেহ আমাদের সেনাদল - - তারাই তো হবে বিজয়ী।
বাংলা উচ্চারণ
১৭৩ অ ইন্না-জ্ব ন্দানা- লাহুমুল্ গ-লিবূন্ ।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৪ সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।
সমকালীন বাংলা
১৭৪ অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
জহুরুল হক
১৭৪ অতএব তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,
বাংলা উচ্চারণ
১৭৪ ফাতাওয়াল্লা 'আন্হুম্ হাত্তা-হীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৫ এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।
সমকালীন বাংলা
১৭৫ তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
জহুরুল হক
১৭৫ আর তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৭৫ অআর্ব্ছিহুম্ ফাসাওফা ইয়ুব্ছিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৬ তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?
সমকালীন বাংলা
১৭৬ উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্নিত করিতে চায়?
জহুরুল হক
১৭৬ তারা কি তবে আমাদের শাস্তি ত্বরান্বিত করতে চায়?
বাংলা উচ্চারণ
১৭৬ আফা-বি'আযা-বিনা-ইয়াস্তা' জ্বিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৭ তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!
সমকালীন বাংলা
১৭৭ তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!
জহুরুল হক
১৭৭ কিন্তু যখন তা তাদের আঙিনায় অবতরণ করবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ!
বাংলা উচ্চারণ
১৭৭ ফাইযা-নাযালা বিসা-হাতিহিম্ ফাসা-য়া ছোয়াবা-হুল্ মুন্যারীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৮ সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।
সমকালীন বাংলা
১৭৮ অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
জহুরুল হক
১৭৮ আর তুমি তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,
বাংলা উচ্চারণ
১৭৮ অ তাওয়াল্লা-'আন্হুম্ হাত্তা-হীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৯ এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।
সমকালীন বাংলা
১৭৯ তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
জহুরুল হক
১৭৯ আর লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৭৯ অআর্ব্ছি ফাসাওফা ইয়ুব্ছিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮০ তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।
সমকালীন বাংলা
১৮০ উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।
জহুরুল হক
১৮০ মহিমা কীর্তিত হোক তোমার প্রভুর - - পরম মর্যাদা সম্পন্ন প্রভুর, তারা যা - কিছু আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে।
বাংলা উচ্চারণ
১৮০ সুব্হা-না রব্বিকা রব্বিল্ ইয্যাতি আ'ম্মা-ইয়াছিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮১ এবং সালাম রসূলদের প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১৮১ শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!
জহুরুল হক
১৮১ আর 'সালাম’ প্রেরিতপুরুষদের উপরে।
বাংলা উচ্চারণ
১৮১ অসালা-মুন্ 'আলাল্ মুরসালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮২ আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ রাববুল আলামিনের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১৮২ সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।
জহুরুল হক
১৮২ আর সকল প্রশংসা আল্লাহ্ রই জন্য - - বিশ্বজগতের প্রভু!
বাংলা উচ্চারণ
১৮২ অল্ হাম্দু লিল্লা-হি রব্বিল্ 'আ-লামীন্
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report