আস্ সাফফাত (সফে দাঁড়ানো) , choose another chapter
আস্ সাফফাত (সফে দাঁড়ানো)
Chapter 37, 182 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান
Word by word
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৮২, রুকু সংখ্যা: ০৫
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-৭৪তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাতের ব্যাপারে লোকদের অস্বীকৃতি ও অভিযোগ। অস্বীকারকারীদের পরকালীন দুরবস্থা।
৭৫-৮২দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্ নূহ আ.-এর দোয়া কবুল করেন।
৮৩-১১৩ভাস্কর্য পূজারীদের বিরুদ্ধে ইবরাহিমের অকাট্য যুক্তি। ইবরাহিমের অগ্নি পরীক্ষা। পুত্র কুরবানির স্বপ্ন। পশু কুরবানির সূচনা।
১১৪-১২২মূসা ও হারূণের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ।
১২৩-১৩২নিজ কওমের প্রতি ইলিয়াসের দাওয়াত। তাঁর জাতি কর্তৃক তাঁকে প্রত্যাখ্যান।
১৩৩-১৩৮লুত আ.-এর মুক্তি ও তাঁর জাতির ধ্বংস। তাদের ধ্বংসের নিদর্শনসমূহ এখনো বর্তমান।
১৩৯-১৪৮অবাধ্য জাতি থেকে ইউনুসের পলায়ন। তিমির গ্রাস হন ইউনুস। আল্লাহ্ তাঁকে বাঁচিয়ে রাখেন। পুনরায় জাতির কাছে তাঁর আগমন। এবার তাঁর জাতি ঈমান আনে।
১৪৯-১৮২শিরকের পক্ষে কোনো প্রমাণ নাই। নবীরা আল্লাহর সাহায্য পাবেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা সফে (সারিতে) দাঁড়ানো।
সমকালীন বাংলা
১ পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ তাহাদের যাহারা সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
জহুরুল হক
১ ভেবে দেখো তাদের যারা কাতারে কাতারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে,
মুহিউদ্দীন খান
১ শপথ তাদের যারা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো,
Word by word
١ وَٱلصَّٰٓفَّٰتِ صَفًّا
আবদুস শহীদ নাসিম
২ শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের) যারা মেঘমালা পরিচালনাকারী।
সমকালীন বাংলা
২ ও যাহারা কঠোর পরিচালক
জহুরুল হক
২ আর যারা বিতাড়িত করে প্রবল বিতাড়নে,
মুহিউদ্দীন খান
২ অতঃপর ধমকিয়ে ভীতি প্রদর্শনকারীদের,
Word by word
٢ فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ শপথ সেইসব (ফেরেশতাদের), যারা তিলাওয়াত করে বা বহন করে আনে আল কুরআন (আল্লাহর নিকট থেকে)।
সমকালীন বাংলা
৩ এবং যাহারা ‘যিকির’ আবৃত্তিতে রত -
জহুরুল হক
৩ আর যারা স্মারকগ্রন্থ পাঠ করে!
মুহিউদ্দীন খান
৩ অতঃপর মুখস্থ আবৃত্তিকারীদের -
Word by word
٣ فَٱلتَّٰلِيَٰتِ ذِكْرًا
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ এক ও একক।
সমকালীন বাংলা
৪ নিশ্চয়ই তোমাদের ইলাহ্ এক,
জহুরুল হক
৪ নিঃসন্দেহ তোমাদের উপাস্য মাত্র একজন,
মুহিউদ্দীন খান
৪ নিশ্চয় তোমাদের মাবুদ এক।
Word by word
٤ إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ তিনিই মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীর এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর, আর তিনিই মালিক উদয়াচলের।
সমকালীন বাংলা
৫ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু এবং প্রভু সকল উদয়স্থলের।
জহুরুল হক
৫ যিনি মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর এবং এদের উভয়ের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রভু, আর যিনি উদয়স্থল সমূহেরও প্রভু,
মুহিউদ্দীন খান
৫ তিনি আসমান সমূহ, যমীনও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা এবং পালনকর্তা উদয়াচলসমূহের।
Word by word
٥ رَّبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَٰرِقِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ আমরা দুনিয়ার আকাশকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি নক্ষত্ররাজি দিয়ে,
সমকালীন বাংলা
৬ আমি নিকটবর্তী আকাশকে নক্ষত্ররাজির সুষমা দ্বারা সুশোভিত করিয়াছি,
জহুরুল হক
৬ নিঃসন্দেহ আমরা নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির শোভা দিয়ে সুশোভিত করেছি, - -
মুহিউদ্দীন খান
৬ নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী আকাশকে তারকারাজির দ্বারা সুশোভিত করেছি।
Word by word
٦ إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ এবং রক্ষা করেছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে।
সমকালীন বাংলা
৭ এবং রক্ষা করিয়াছি প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান হইতে।
জহুরুল হক
৭ আর প্রতিরক্ষা প্রত্যেক বিদ্রোহাচারী শয়তান থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
৭ এবং তাকে সংরক্ষিত করেছি প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে।
Word by word
٧ وَحِفْظًا مِّن كُلِّ شَيْطَٰنٍ مَّارِدٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ ফলে তারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শুনতে পায়না এবং তাদের আঘাত করা হয় সবদিক থেকে
সমকালীন বাংলা
৮ ফলে উহারা ঊর্ধ্ব জগতের কিছু শ্রবণ করিতে পারে না এবং উহাদের প্রতি নিক্ষিপ্ত হয় সকল দিক হইতে -
জহুরুল হক
৮ তারা কান পাততে পারে না ঊর্ধ্ব এলাকার দিকে, আর তাদের প্রতি নিক্ষেপ করা হয় সব দিক থেকে, - -
মুহিউদ্দীন খান
৮ ওরা উর্ধ্ব জগতের কোন কিছু শ্রবণ করতে পারে না এবং চার দিক থেকে তাদের প্রতি উল্কা নিক্ষেপ করা হয়।
Word by word
٨ لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের তাড়ানোর জন্যে। আর তাদের জন্যে রয়েছে অবিরাম আযাব।
সমকালীন বাংলা
৯ বিতাড়নের জন্য এবং উহাদের জন্য আছে অবিরাম শাস্তি।
জহুরুল হক
৯ বিতাড়িত, আর তাদের জন্য রয়েছে নিরবচ্ছিন্ন শাস্তি, - -
মুহিউদ্দীন খান
৯ ওদেরকে বিতাড়নের উদ্দেশে। ওদের জন্যে রয়েছে বিরামহীন শাস্তি।
Word by word
٩ دُحُورًا وَلَهُمْ عَذَابٌ وَاصِبٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তবে হঠাৎ কেউ কিছু শুনে ফেললে তার পেছনে ছুটে যায় জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড।
সমকালীন বাংলা
১০ তবে কেহ হঠাৎ কিছু শুনিয়া ফেলিলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড তাহার পশ্চাদ্ধাবন করে।
জহুরুল হক
১০ সে ব্যতীত যে ছিনিয়ে নেয় একটুকুন ছিনতাই, কিন্তু তাকে অনুসরণ করে একটি জ্বলন্ত অগ্নিশিখা।
মুহিউদ্দীন খান
১০ তবে কেউ ছোঁ মেরে কিছু শুনে ফেললে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে।
Word by word
١٠ إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌ ثَاقِبٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তাদের (কাফিরদের) জিজ্ঞেস করো, তারাই কি মজবুত সৃষ্টি, নাকি আমরা অন্য যাদের সৃষ্টি করেছি তারা? এদেরকে তো আমরা সৃষ্টি করেছি আঠাল মাটি দিয়ে।
সমকালীন বাংলা
১১ উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, উহারা সৃষ্টিতে দৃঢ়তর, না আমি অন্য যাহা কিছু সৃষ্টি করিয়াছি তাহা? উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি আঠাল মৃত্তিকা হইতে।
জহুরুল হক
১১ সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো, - - গঠনে তারা কি বেশী বলিষ্ঠ না যাদের আমরা সৃষ্টি করেছি? নিঃসন্দেহ তাদের আমরা সৃষ্টি করেছি আঠালো কাদা থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
১১ আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি? আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এঁটেল মাটি থেকে।
Word by word
١١ فَٱسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَآ إِنَّا خَلَقْنَٰهُم مِّن طِينٍ لَّازِبٍۭ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তুমি তো বিস্ময়বোধ করছো, অথচ তারা করছে বিদ্রূপ।
সমকালীন বাংলা
১২ তুমি তো বিস্ময় বোধ করিতেছ, আর উহারা করিতেছে বিদ্রুপ।
জহুরুল হক
১২ বস্তুতঃ তুমি তো তাজ্জব হচ্ছো, আর তারা করছে মস্করা।
মুহিউদ্দীন খান
১২ বরং আপনি বিস্ময় বোধ করেন আর তারা বিদ্রুপ করে।
Word by word
١٢ بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তাদের যখন উপদেশ দেয়া হয়, তারা সেদিকে মনোযোগ দেয়না।
সমকালীন বাংলা
১৩ এবং যখন উহাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় উহারা তাহা গ্রহণ করে না।
জহুরুল হক
১৩ আর যখন তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় তারা মনোযোগ দেয় না,
মুহিউদ্দীন খান
১৩ যখন তাদেরকে বোঝানো হয়, তখন তারা বোঝে না।
Word by word
١٣ وَإِذَا ذُكِّرُوا۟ لَا يَذْكُرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ যখনই তারা কোনো নিদর্শন দেখে, উপহাস করে।
সমকালীন বাংলা
১৪ উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে উপহাস করে
জহুরুল হক
১৪ আর যখন তারা কোনো নিদর্শন দেখতে পায় তারা ঠাট্টাবিদ্রূপ করে,
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তারা যখন কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।
Word by word
١٤ وَإِذَا رَأَوْا۟ ءَايَةً يَسْتَسْخِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তারা বলে: ‘‘এ তো এক পরিষ্কার ম্যাজিক ছাড়া কিছু নয়।
সমকালীন বাংলা
১৫ এবং বলে, ‘ইহা তো এক সুস্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’
জহুরুল হক
১৫ আর বলে - - ''এটি স্পষ্ট জাদু বৈ তো নয়’’,
মুহিউদ্দীন খান
১৫ এবং বলে, কিছুই নয়, এযে স্পষ্ট যাদু।
Word by word
١٥ وَقَالُوٓا۟ إِنْ هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের পুনরায় উঠানো হবে?
সমকালীন বাংলা
১৬ ‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব, তখনও কি আমাদেরকে উত্থিত করা হইবে?
জহুরুল হক
১৬ ''কী! যখন আমরা মারা যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব তখন কি আমরা ঠিকঠিকই পুনরুত্থিত হব?’’
মুহিউদ্দীন খান
১৬ আমরা যখন মরে যাব, এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব?
Word by word
١٦ أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকেও?’’
সমকালীন বাংলা
১৭ ‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকেও?’
জহুরুল হক
১৭ ''আর কি পুরাকালের আমাদের পিতৃপুরুষরাও?’’
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমাদের পিতৃপুরুষগণও কি?
Word by word
١٧ أَوَءَابَآؤُنَا ٱلْأَوَّلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ বলো: ‘হ্যাঁ, আর তখন তোমরা হবে লাঞ্ছিত।’
সমকালীন বাংলা
১৮ বল, ‘হাঁ, এবং তোমরা হইবে লাঞ্ছিত।’
জহুরুল হক
১৮ তুমি বলো - - ''হাঁ, আর তোমরা লাঞ্ছিত হবে।’’
মুহিউদ্দীন খান
১৮ বলুন, হ্যাঁ এবং তোমরা হবে লাঞ্ছিত।
Word by word
١٨ قُلْ نَعَمْ وَأَنتُمْ دَٰخِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ সেটা হবে একটা প্রচন্ড শব্দ, আর তখনই তারা তা দেখতে পাবে।
সমকালীন বাংলা
১৯ উহা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ - আর তখনই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
জহুরুল হক
১৯ তখন সেটি কিন্তু একটিমাত্র মহাগর্জন হবে, তখন দেখো! তারা চেয়ে থাকবে।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ বস্তুতঃ সে উত্থান হবে একটি বিকট শব্দ মাত্র - যখন তারা প্রত্যক্ষ করতে থাকবে।
Word by word
١٩ فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌ وَٰحِدَةٌ فَإِذَا هُمْ يَنظُرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তারা আরো বলবে: ‘হায় ধ্বংস আমাদের, এটা তো প্রতিফল দিবস।’
সমকালীন বাংলা
২০ এবং উহারা বলিবে, ‘দুর্ভোগ আমাদের! ইহাই তো কর্মফল দিবস।’
জহুরুল হক
২০ আর তারা বলবে - - ''হায় ধিক্, আমাদের! এটিই তো বিচারের দিন!’’
মুহিউদ্দীন খান
২০ এবং বলবে, দুর্ভাগ্য আমাদের! এটাই তো প্রতিফল দিবস।
Word by word
٢٠ وَقَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَا هَٰذَا يَوْمُ ٱلدِّينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ (তখন তাদের বলা হবে:) ‘এটা হলো ফায়সালার দিন, যে দিনটিকে তোমরা করছিলে অস্বীকার।’
সমকালীন বাংলা
২১ ইহাই ফয়সালার দিন যাহা তোমরা অস্বীকার করিতে।
জহুরুল হক
২১ ''এইটিই ফয়সালা করার দিন যেটি সন্বন্ধে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দিতে।’’
মুহিউদ্দীন খান
২১ বলা হবে, এটাই ফয়সালার দিন, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।
Word by word
٢١ هَٰذَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ (ফেরেশতাদের বলা হবে:) এনে জমা করো যালিমদের, তাদের সাথি সংগিদের এবং তাদের উপাস্যদের, যাদের তারা ইবাদত করতো
সমকালীন বাংলা
২২ ফিরিশ্তাদেরকে বলা হইবে, ‘একত্র কর জালিম ও উহাদের সহচরগণকে এবং উহাদেরকে যাহাদের ‘ইবাদত করিত তাহারা -
জহুরুল হক
২২ ''যারা অনাচার করেছিল তাদের একত্র করো, আর তাদের সহচরদের, আর তাদেরও যাদের তারা উপাসনা করত - -
মুহিউদ্দীন খান
২২ একত্রিত কর গোনাহগারদেরকে, তাদের দোসরদেরকে এবং যাদের এবাদত তারা করত।
Word by word
٢٢ ٱحْشُرُوا۟ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ وَأَزْوَٰجَهُمْ وَمَا كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আল্লাহর পরিবর্তে। তাদের পরিচালিত করো জাহান্নামের দিকে।
সমকালীন বাংলা
২৩ আল্লাহ ব্যতীত। অতঃপর তাদরেকে পরচিালতি কর জাহান্নামরে পথে,
জহুরুল হক
২৩ ''আল্লাহ্ কে বাদ দিয়ে, তারপর তাদের পরিচালিত করো দুযখের পথে।
মুহিউদ্দীন খান
২৩ আল্লাহ ব্যতীত। অতঃপর তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে,
Word by word
٢٣ مِن دُونِ ٱللَّهِ فَٱهْدُوهُمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْجَحِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তবে তাদের থামাও, কারণ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
সমকালীন বাংলা
২৪ ‘অতঃপর উহাদেরকে থামাও, কারণ উহাদেরকে প্রশ্ন করা হইবে :
জহুরুল হক
২৪ ''আর তাদের থামাও, তারা অবশ্যই জিজ্ঞাসিত হবে,
মুহিউদ্দীন খান
২৪ এবং তাদেরকে থামাও, তারা জিজ্ঞাসিত হবে;
Word by word
٢٤ وَقِفُوهُمْ إِنَّهُم مَّسْـُٔولُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছো না কেন?
সমকালীন বাংলা
২৫ ‘তোমাদের কী হইল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করিতেছ না?’
জহুরুল হক
২৫ ''তোমাদের কি হল, তোমরা পরস্পরকে সাহায্য করছ না?’’
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তোমাদের কি হল যে, তোমরা একে অপরের সাহায্য করছ না?
Word by word
٢٥ مَا لَكُمْ لَا تَنَاصَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ বরং তারা সেদিন আত্মসমর্পণ করে দেবে।
সমকালীন বাংলা
২৬ বস্তুত সেই দিন উহারা আত্মসর্মপণ করিবে
জহুরুল হক
২৬ বস্তুতঃ সেদিন তারা আত্মসমর্পিত হবে।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ বরং তারা আজকের দিনে আত্নসমর্পণকারী।
Word by word
٢٦ بَلْ هُمُ ٱلْيَوْمَ مُسْتَسْلِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তারা একে অপরের সামনা সামনি হয়ে পরস্পরকে প্রশ্ন করবে,
সমকালীন বাংলা
২৭ এবং উহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে -
জহুরুল হক
২৭ আর তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে প্রশ্ন করে - -
মুহিউদ্দীন খান
২৭ তারা একে অপরের দিকে মুখ করে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
Word by word
٢٧ وَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَسَآءَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তারা বলবে: ‘তোমরা তো ডান দিক থেকে (তোমাদের শক্তি দেখিয়ে) আমাদের কাছে আসতে।’
সমকালীন বাংলা
২৮ উহারা বলিবে, ‘তোমরা তো তোমাদের শক্তি লইয়া আমাদের নিকট আসিতে।’
জহুরুল হক
২৮ তারা বলবে - - ''তোমরাই তো নিশ্চয়ই আমাদের কাছে আসতে ডান দিকে থেকে।’’
মুহিউদ্দীন খান
২৮ বলবে, তোমরা তো আমাদের কাছে ডান দিক থেকে আসতে।
Word by word
٢٨ قَالُوٓا۟ إِنَّكُمْ كُنتُمْ تَأْتُونَنَا عَنِ ٱلْيَمِينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারা জবাবে বলবে: ‘‘তোমরা তো নিজেরাই বিশ্বাসী ছিলে না,
সমকালীন বাংলা
২৯ তাহারা বলিবে, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
জহুরুল হক
২৯ তারা বলবে - - ''না, তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না,
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তারা বলবে, বরং তোমরা তো বিশ্বাসীই ছিলে না।
Word by word
٢٩ قَالُوا۟ بَل لَّمْ تَكُونُوا۟ مُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ আর তোমাদের উপর আমাদের কোনো কর্তৃত্বও ছিলনা। বরং তোমরা ছিলে আল্লাদ্রোহী লোক।
সমকালীন বাংলা
৩০ ‘এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কর্তৃত্ব ছিল না ; বস্তুত তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
জহুরুল হক
৩০ ''আর তোমাদের উপরে আমাদের কোনো আধিপত্য ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে উচ্ছৃঙ্খল লোক।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ এবং তোমাদের উপর আমাদের কোন কতৃত্ব ছিল না, বরং তোমরাই ছিলে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।
Word by word
٣٠ وَمَا كَانَ لَنَا عَلَيْكُم مِّن سُلْطَٰنٍۭ بَلْ كُنتُمْ قَوْمًا طَٰغِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তাই আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যি শাস্তি ভোগ করতে হবে।
সমকালীন বাংলা
৩১ ‘আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিপালকের কথা সত্য হইয়াছে, আমাদেরকে অবশ্যই শাস্তি আস্বাদন করিতে হইবে।
জহুরুল হক
৩১ ''সেজন্যে আমাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রভুর বাণী সত্য প্রতিপন্ন হয়েছে, আমরা নিশ্চয়ই আস্বাদন করতে যাচ্ছি।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমাদের বিপক্ষে আমাদের পালনকর্তার উক্তিই সত্য হয়েছে। আমাদেরকে অবশই স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।
Word by word
٣١ فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَآ إِنَّا لَذَآئِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা তোমাদের বিপথগামী করেছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিপথগামী।’’
সমকালীন বাংলা
৩২ ‘আমরা তোমাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম, কারণ আমরা নিজেরাও ছিলাম বিভ্রান্ত।’
জহুরুল হক
৩২ ''বস্তুত আমরা তোমাদের বিপথে নিয়েছিলাম, কেননা আমরা নিজেরাই বিপথগামী ছিলাম।’’
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আমরা তোমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিলাম। কারণ আমরা নিজেরাই পথভ্রষ্ট ছিলাম।
Word by word
٣٢ فَأَغْوَيْنَٰكُمْ إِنَّا كُنَّا غَٰوِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ সেদিন তারা সবাই শরিকদার হবে আযাবের।
সমকালীন বাংলা
৩৩ উহারা সকলেই সেই দিন শাস্তির শরীক হইবে।
জহুরুল হক
৩৩ সুতরাং সেইদিন তারা নিশ্চয়ই শাস্তিতে একে অন্যের শরিক হবে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ তারা সবাই সেদিন শান্তিতে শরীক হবে।
Word by word
٣٣ فَإِنَّهُمْ يَوْمَئِذٍ فِى ٱلْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ আমরা অপরাধীদের সাথে এ রকমই আচরণ করি।
সমকালীন বাংলা
৩৪ অপরাধীদের প্রতি আমি এইরূপই করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
৩৪ নিঃসন্দেহ এইরূপই আমরা অপরাধীদের প্রতি করে থাকি।
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ অপরাধীদের সাথে আমি এমনি ব্যবহার করে থাকি।
Word by word
٣٤ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَفْعَلُ بِٱلْمُجْرِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ তাদের যখন বলা হতো: ‘কোনো ইলাহ নেই আল্লাহ্ ছাড়া’, তখন তারা হঠকারিতা প্রদর্শন করতো।
সমকালীন বাংলা
৩৫ তাদের যখন বলা হত, আল্লাহ ব্যতীত কােন উপাস্য নেই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রর্দশন করত।
জহুরুল হক
৩৫ নিঃসন্দেহ যখন তাদের বলা হতো - - 'আল্লাহ্ ছাড়া অন্য উপাস্য নেই’, তখন তারা হামবড়াই করত,
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ তাদের যখন বলা হত, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য েনই, তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করত।
Word by word
٣٥ إِنَّهُمْ كَانُوٓا۟ إِذَا قِيلَ لَهُمْ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ يَسْتَكْبِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ তারা বলতো: ‘আমরা কি একজন পাগল কবির জন্যে আমাদের ইলাহদের পরিত্যাগ করবো?’
সমকালীন বাংলা
৩৬ এবং বলিত, ‘আমরা কি এক উন্মাদ কবির কথায় আমাদের ইলাহ্গণকে বর্জন করিব?’
জহুরুল হক
৩৬ আর তারা বলত - - ''কী! আমরা কি আমাদের উপাস্যদের সত্যিই ত্যাগ করব একজন পাগলা কবির কারণে?’’
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ এবং বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।
Word by word
٣٦ وَيَقُولُونَ أَئِنَّا لَتَارِكُوٓا۟ ءَالِهَتِنَا لِشَاعِرٍ مَّجْنُونٍۭ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ বরং সে তো সত্য নিয়ে এসেছে এবং (অতীত) রসূলদের সত্য বলে মেনে নিয়েছে।
সমকালীন বাংলা
৩৭ বরং সে তো সত্য লইয়া আসিয়াছে এবং সে রাসূলদেরকে সত্য বলিয়া স্বীকার করিয়াছে।
জহুরুল হক
৩৭ বস্তুত তিনি সত্য নিয়ে এসেছেন, আর রসূলগণকে তিনি সত্য প্রতিপন্ন করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ না, তিনি সত্যসহ আগমন করেছেন এবং রসূলগণের সত্যতা স্বীকার করেছেন।
Word by word
٣٧ بَلْ جَآءَ بِٱلْحَقِّ وَصَدَّقَ ٱلْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তোমরা অবশ্যি আস্বাদন করবে বেদনাদায়ক আযাব।
সমকালীন বাংলা
৩৮ তোমরা অবশ্যই মর্মন্তুদ শাস্তির আস্বাদ গ্রহণ করিবে।
জহুরুল হক
৩৮ তোমরা নিশ্চয়ই মর্মন্তুদ শাস্তি আস্বাদন করতেই যাচ্ছ,
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তোমরা অবশ্যই বেদনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করবে।
Word by word
٣٨ إِنَّكُمْ لَذَآئِقُوا۟ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَلِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ এবং তোমরা যেসব কর্মকান্ড করতে সেগুলোরই প্রতিদান পাবে।
সমকালীন বাংলা
৩৯ এবং তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল পাইবে -
জহুরুল হক
৩৯ আর তোমাদের প্রতিদান দেওয়া হবে না তোমরা যা করতে তা ব্যতীত, - -
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ তোমরা যা করতে, তারই প্রতিফল পাবে।
Word by word
٣٩ وَمَا تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা দাস।
সমকালীন বাংলা
৪০ তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।
জহুরুল হক
৪০ আল্লাহ্ র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।
মুহিউদ্দীন খান
৪০ তবে তারা নয়, যারা আল্লাহর বাছাই করা বান্দা।
Word by word
٤٠ إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তাদের জন্যে রয়েছে পরিচিত রিযিক।
সমকালীন বাংলা
৪১ তাহাদের জন্য আছে নির্ধারিত রিযিক -
জহুরুল হক
৪১ এরাই - - এদের জন্য রয়েছে সুপরিচিত রিযেক,
মুহিউদ্দীন খান
৪১ তাদের জন্যে রয়েছে নির্ধারিত রুযি।
Word by word
٤١ أُو۟لَٰٓئِكَ لَهُمْ رِزْقٌ مَّعْلُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ রয়েছে ফলফলারি, আর তারা হবে সম্মানিত,
সমকালীন বাংলা
৪২ ফলমূল; আর তাহারা হইবে সম্মানিত,
জহুরুল হক
৪২ ফলমূল, আর তারা হবে সম্মানিত - -
মুহিউদ্দীন খান
৪২ ফল - মূল এবং তারা সম্মানিত।
Word by word
٤٢ فَوَٰكِهُ وَهُم مُّكْرَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ জান্নাতুন নায়ীমে (নিয়ামতে ভরা জান্নাতে)।
সমকালীন বাংলা
৪৩ সুখদ - কাননে
জহুরুল হক
৪৩ আনন্দময় উদ্যানে,
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ নেয়ামতের উদ্যানসমূহ।
Word by word
٤٣ فِى جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ সেখানে তারা উপবেশন করবে মুখোমুখি আসনে।
সমকালীন বাংলা
৪৪ তাহারা মুখামুখি হইয়া আসনে আসীন হইবে।
জহুরুল হক
৪৪ তখতের উপরে মুখোমুখি হয়ে রইবে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ মুখোমুখি হয়ে আসনে আসীন।
Word by word
٤٤ عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَٰبِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ তাদের ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে (মদের) পেয়ালা বহমান ঝরণা থেকে
সমকালীন বাংলা
৪৫ তাহাদেরকে ঘুরিয়া ঘুরিয়া পরিবেশন করা হইবে বিশুদ্ধ সুরাপূর্ণ পাত্রে।
জহুরুল হক
৪৫ তাদের কাছে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে নির্মল ফোয়ারা থেকে এক শরবতের পাত্র, - -
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ তাদেরকে ঘুরে ফিরে পরিবেশন করা হবে স্বচ্ছ পানপাত্র।
Word by word
٤٥ يُطَافُ عَلَيْهِم بِكَأْسٍ مِّن مَّعِينٍۭ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ শুভ্র সাদা শরাব, যা হবে পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।
সমকালীন বাংলা
৪৬ শুভ্র উজ্জ্বল, যাহা হইবে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু।
জহুরুল হক
৪৬ সাদা সুস্বাদু পানকারীদের জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ সুশুভ্র, যা পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু।
Word by word
٤٦ بَيْضَآءَ لَذَّةٍ لِّلشَّٰرِبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ তাতে ক্ষতিকর কিছু থাকবে না এবং তাতে মাতালও হবেনা কেউ।
সমকালীন বাংলা
৪৭ উহাতে ক্ষতিকর কিছু থাকিবে না এবং উহাতে তাহারা মাতালও হইবে না,
জহুরুল হক
৪৭ এতে মাথাব্যথা নেই, আর তারা এ থেকে মাতালও হবে না।
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ তাতে মাথা ব্যথার উপাদান নেই এবং তারা তা পান করে মাতালও হবে না।
Word by word
٤٧ لَا فِيهَا غَوْلٌ وَلَا هُمْ عَنْهَا يُنزَفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ তাদের কাছে থাকবে আনত নয়না এবং আয়তলোচনা নারীরা।
সমকালীন বাংলা
৪৮ তাহাদের সঙ্গে থাকিবে আনতনয়না, আয়তলোচনা হূরীগণ।
জহুরুল হক
৪৮ আর তাদের কাছে থাকবে সলাজ - নম্র আয়তলোচন, - -
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ তাদের কাছে থাকবে নত, আয়তলোচনা তরুণীগণ।
Word by word
٤٨ وَعِندَهُمْ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ عِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ সেসব নারীরা হবে যেনো সযত্নে লালিত সাদা ডিম।
সমকালীন বাংলা
৪৯ তাহারা যেন সুরক্ষিত ডিম্ব।
জহুরুল হক
৪৯ যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ যেন তারা সুরক্ষিত ডিম।
Word by word
٤٩ كَأَنَّهُنَّ بَيْضٌ مَّكْنُونٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ তারা পরস্পরের সামনাসামনি হয়ে প্রশ্ন করবে।
সমকালীন বাংলা
৫০ তাহারা একে অপরের সামনাসামনি হইয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিবে।
জহুরুল হক
৫০ তখন তাদের কেউ কেউ অন্যদের দিকে এগিয়ে যাবে পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
মুহিউদ্দীন খান
৫০ অতঃপর তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
Word by word
٥٠ فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَسَآءَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ তাদের কেউ কেউ বলবে: (দুনিয়ায়) আমার ছিলো এক সাথি,
সমকালীন বাংলা
৫১ তাহাদের কেহ বলিবে, ‘আমার ছিল এক সঙ্গী;
জহুরুল হক
৫১ তাদের মধ্যে কোনো এক বক্তা বলবে - - ''আমার অবশ্য এক বন্ধু ছিল,
মুহিউদ্দীন খান
৫১ তাদের একজন বলবে, আমার এক সঙ্গী ছিল।
Word by word
٥١ قَالَ قَآئِلٌ مِّنْهُمْ إِنِّى كَانَ لِى قَرِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ সে বলতো তুমি কি একথায় বিশ্বাসী যে:
সমকালীন বাংলা
৫২ ‘সে বলিত, ‘তুমি কি ইহাতে বিশ্বাসী যে,
জহুরুল হক
৫২ ''সে বলত, 'তুমি কি নিশ্চয়ই সমর্থনকারীদের মধ্যেকার?
মুহিউদ্দীন খান
৫২ সে বলত, তুমি কি বিশ্বাস কর যে,
Word by word
٥٢ يَقُولُ أَءِنَّكَ لَمِنَ ٱلْمُصَدِّقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ ‘আমরা যখন মরে যাবো এবং মাটি ও অস্থিমজ্জায় পরিণত হবো, তখন কি আমাদের প্রতিফল দেয়া হবে?’
সমকালীন বাংলা
৫৩ ‘আমরা যখন মরিয়া যাইব এবং আমরা মৃত্তিকা ও অস্থিতে পরিণত হইব তখনও কি আমাদেরকে প্রতিফল দেওয়া হইবে?’
জহুরুল হক
৫৩ ''কী! যখন আমরা মরে যাব এবং ধূলোমাটি ও হাড়গোড় হয়ে যাব, তখন কি আমরা ঠিকঠিকই প্রতিফল ভোগ করব’?’’
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব, তখনও কি আমরা প্রতিফল প্রাপ্ত হব?
Word by word
٥٣ أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَعِظَٰمًا أَءِنَّا لَمَدِينُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ কেউ একজন বলবে: তোমরা কি দেখতে চাও সে এখন কোথায়?
সমকালীন বাংলা
৫৪ আল্লাহ বলবনে, তােমরা কি তাকে উকি দয়িে দখেতে চাও?
জহুরুল হক
৫৪ সে বলবে - - ''তোমরা কি উঁকি দিয়ে দেখবে?’’
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি তাকে উকি দিয়ে দেখতে চাও?
Word by word
٥٤ قَالَ هَلْ أَنتُم مُّطَّلِعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তখন সে ঝুঁকে পড়ে দেখবে এবং তাকে দেখতে পাবে জাহান্নামের মাঝ বরাবর।
সমকালীন বাংলা
৫৫ অতঃপর সে ঝুঁকিয়া দেখিবে এবং উহাকে দেখিতে পাইবে জাহান্নামের মধ্যস্থলে;
জহুরুল হক
৫৫ তখন সে উঁকি দেবে আর ওকে দুযখের কেন্দ্রস্থলে দেখতে পাবে।
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ অপর সে উকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে জাহান্নামের মাঝখানে দেখতে পাবে।
Word by word
٥٥ فَٱطَّلَعَ فَرَءَاهُ فِى سَوَآءِ ٱلْجَحِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে তাকে বলবে: ‘আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।
সমকালীন বাংলা
৫৬ বলিবে, আল্লাহর কসম, তুমি তাে আমাকে প্রায় ধ্বংসই করিয়াছিলে,
জহুরুল হক
৫৬ সে বলবে - - ''আল্লাহ্ র কসম! তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংস করেছিলে,
মুহিউদ্দীন খান
৫৬ সে বলবে, আল্লাহর কসম, তুমি তো আমাকে প্রায় ধ্বংসই করে দিয়েছিলে।
Word by word
٥٦ قَالَ تَٱللَّهِ إِن كِدتَّ لَتُرْدِينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ যদি আমার প্রভুর অনুগ্রহ না হতো, তাহলে তো আমিও (জাহান্নামে) হাজির করা লোকদের অন্তরভুক্ত হতাম।’
সমকালীন বাংলা
৫৭ ‘আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ না থাকিলে আমিও তো হাযিরকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে শামিল হইতাম।
জহুরুল হক
৫৭ ''আর আমার প্রভুর অনুগ্রহ যদি না থাকত তবে আমিও নিশ্চয় উপস্থিতদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’’
মুহিউদ্দীন খান
৫৭ আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ না হলে আমিও যে গ্রেফতারকৃতদের সাথেই উপস্থিত হতাম।
Word by word
٥٧ وَلَوْلَا نِعْمَةُ رَبِّى لَكُنتُ مِنَ ٱلْمُحْضَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ সে বলবে: ‘তাহলে কি আমাদের আর মৃত্যু হবেনা
সমকালীন বাংলা
৫৮ ‘আমাদের তো আর মৃত্যু হইবে না
জহুরুল হক
৫৮ ''তবে কি আমরা মরতে যাচ্ছি না, - -
মুহিউদ্দীন খান
৫৮ এখন আমাদের আর মৃত্যু হবে না।
Word by word
٥٨ أَفَمَا نَحْنُ بِمَيِّتِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদের কি আযাবও দেয়া হবেনা?’
সমকালীন বাংলা
৫৯ ‘প্রথম মৃত্যুর পর এবং আমাদেরকে শাস্তিও দেওয়া হইবে না!’
জহুরুল হক
৫৯ ''আমাদের প্রথমবারের মৃত্যু ব্যতীত, আর আমরা শাস্তি পেতে যাচ্ছি না।
মুহিউদ্দীন খান
৫৯ আমাদের প্রথম মৃত্যু ছাড়া এবং আমরা শাস্তি প্রাপ্তও হব না।
Word by word
٥٩ إِلَّا مَوْتَتَنَا ٱلْأُولَىٰ وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ নিশ্চয়ই এ হলো মহাসাফল্য।
সমকালীন বাংলা
৬০ ইহা তো মহাসাফল্য,
জহুরুল হক
৬০ ''নিশ্চয়ই এই - - এটিই তো মহাসাফল্য!’’
মুহিউদ্দীন খান
৬০ নিশ্চয় এই মহা সাফল্য।
Word by word
٦٠ إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ এ রকম সাফল্যের জন্যেই কর্মীদের কাজ করা উচিত।
সমকালীন বাংলা
৬১ এইরূপ সাফল্যের জন্য সাধকদের উচিত সাধনা করা,
জহুরুল হক
৬১ এর অনুরূপ অবস্থার জন্য তবে কর্মীরা কাজ করে যাক।
মুহিউদ্দীন খান
৬১ এমন সাফল্যের জন্যে পরিশ্রমীদের পরিশ্রম করা উচিত।
Word by word
٦١ لِمِثْلِ هَٰذَا فَلْيَعْمَلِ ٱلْعَٰمِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ আতিথ্য হিসেবে এটা ভালো, নাকি যাক্কুম গাছ?
সমকালীন বাংলা
৬২ আপ্যায়নের জন্য কি ইহাই শ্রেয় না যাক্কুম বৃক্ষ?
জহুরুল হক
৬২ এইটিই অধিক ভাল আপ্যায়ন, না যাক্কুম গাছ?
মুহিউদ্দীন খান
৬২ এই কি উত্তম আপ্যায়ন, না যাক্কুম বৃক্ষ?
Word by word
٦٢ أَذَٰلِكَ خَيْرٌ نُّزُلًا أَمْ شَجَرَةُ ٱلزَّقُّومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ যালিমদের জন্যে আমরা এ গাছটি সৃষ্টি করেছি ফিতনা হিসেবে।
সমকালীন বাংলা
৬৩ জালিমদের জন্য আমি ইহা সৃষ্টি করিয়াছি পরীক্ষাস্বরূপ,
জহুরুল হক
৬৩ নিঃসন্দেহ আমরা এটিকে সৃষ্টি করেছি দুরাচারীদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ।
মুহিউদ্দীন খান
৬৩ আমি যালেমদের জন্যে একে বিপদ করেছি।
Word by word
٦٣ إِنَّا جَعَلْنَٰهَا فِتْنَةً لِّلظَّٰلِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ সেটি এমন একটি গাছ, যা উৎপন্ন হয় জাহান্নামের তলদেশ থেকে।
সমকালীন বাংলা
৬৪ এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হইতে,
জহুরুল হক
৬৪ নিঃসন্দেহ এটি এমন এক গাছ যা দুযখের তলায় - -
মুহিউদ্দীন খান
৬৪ এটি একটি বৃক্ষ, যা উদগত হয় জাহান্নামের মূলে।
Word by word
٦٤ إِنَّهَا شَجَرَةٌ تَخْرُجُ فِىٓ أَصْلِ ٱلْجَحِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ সেটার মোচা দেখতে যেনো শয়তানের মাথা।
সমকালীন বাংলা
৬৫ ইহার মোচা যেন শয়তানের মাথা
জহুরুল হক
৬৫ এর ফলফসল যেন শয়তানদের মুন্ডু।
মুহিউদ্দীন খান
৬৫ এর গুচ্ছ শয়তানের মস্তকের মত।
Word by word
٦٥ طَلْعُهَا كَأَنَّهُۥ رُءُوسُ ٱلشَّيَٰطِينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ তারা অবশ্যি তা থেকে খাবে এবং তা দিয়ে ভর্তি করবে পেট।
সমকালীন বাংলা
৬৬ অবশ্যই উহারা ইহা হইতে ভক্ষণ করিবে এবং উদর পূর্ণ করিবে ইহা দ্বারা।
জহুরুল হক
৬৬ তারা তখন নিশ্চয় এ থেকে আহার করবে আর এর দ্বারা পেট ভর্তি করবে।
মুহিউদ্দীন খান
৬৬ কাফেররা একে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদর পূর্ণ করবে।
Word by word
٦٦ فَإِنَّهُمْ لَءَاكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِـُٔونَ مِنْهَا ٱلْبُطُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ তার উপর তাদের জন্যে থাকবে পুঁজ মিশ্রিত টগবগে ফুটন্ত পানি।
সমকালীন বাংলা
৬৭ তদুপরি উহাদের জন্য থাকিবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ।
জহুরুল হক
৬৭ তারপর অবশ্য তাদের জন্য এর উপরে থাকবে ফুটন্ত জলের পানীয়।
মুহিউদ্দীন খান
৬৭ তদুপরি তাদেরকে দেয়া হবে। ফুটন্ত পানির মিশ্রণ,
Word by word
٦٧ ثُمَّ إِنَّ لَهُمْ عَلَيْهَا لَشَوْبًا مِّنْ حَمِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ তাদের গন্তব্য পথ হবে অবশ্যি জাহান্নামের দিকে।
সমকালীন বাংলা
৬৮ আর উহাদের গন্তব্য হইবে অবশ্যই প্রজ্বলিত অগ্নির দিকে।
জহুরুল হক
৬৮ তারপর নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যাবর্তনস্থল হবে ভয়ঙ্কর আগুনের প্রতি।
মুহিউদ্দীন খান
৬৮ অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন হবে জাহান্নামের দিকে।
Word by word
٦٨ ثُمَّ إِنَّ مَرْجِعَهُمْ لَإِلَى ٱلْجَحِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ সেখানে তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের দেখতে পাবে বিপথগামী,
সমকালীন বাংলা
৬৯ উহারা উহাদের পিতৃপুরুষগণকে পাইয়াছিল বিপথগামী।
জহুরুল হক
৬৯ তারা আলবৎ তাদের পিতৃপুরুষদের পথভ্রষ্টরূপেই পেয়েছিল,
মুহিউদ্দীন খান
৬৯ তারা তাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছিল বিপথগামী।
Word by word
٦٩ إِنَّهُمْ أَلْفَوْا۟ ءَابَآءَهُمْ ضَآلِّينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ এবং তারা তাদের পদাংক অনুসরণ করে চলেছিল।
সমকালীন বাংলা
৭০ এবং তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে ধাবিত হইয়াছিল।
জহুরুল হক
৭০ তাই তারা তাদের পদচিহ্নের অন্ধ অনুসরণ করেছিল,
মুহিউদ্দীন খান
৭০ অতঃপর তারা তদের পদাংক অনুসরণে তৎপর ছিল।
Word by word
٧٠ فَهُمْ عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِمْ يُهْرَعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ তাদের আগেও আগেকার অধিকাংশ লোকই বিপথগামী হয়েছিল।
সমকালীন বাংলা
৭১ উহাদের পূর্বেও পূর্ববর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হইয়াছিল,
জহুরুল হক
৭১ আর তাদের আগে অধিকাংশ পূর্ববর্তীরা বিপথে গিয়েছিল,
মুহিউদ্দীন খান
৭১ তাদের পূর্বেও অগ্রবর্তীদের অধিকাংশ বিপথগামী হয়েছিল।
Word by word
٧١ وَلَقَدْ ضَلَّ قَبْلَهُمْ أَكْثَرُ ٱلْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ আমরা তাদের মাঝে পাঠিয়েছিলাম সতর্ককারী।
সমকালীন বাংলা
৭২ এবং আমি উহাদের মধ্যে সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
৭২ অথচ আমরা তাদের মধ্যে ইতিপূর্বে সতর্ককারীদের পাঠিয়েছিলাম,
মুহিউদ্দীন খান
৭২ আমি তাদের মধ্যে ভীতি প্রদর্শনকারী প্রেরণ করেছিলাম।
Word by word
٧٢ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا فِيهِم مُّنذِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ সুতরাং চেয়ে দেখো, যাদের সতর্ক করা হয়েছিল, কী জঘন্য পরিণতি হয়েছে তাদের?
সমকালীন বাংলা
৭৩ সুতরাং লক্ষ্য কর যাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল!
জহুরুল হক
৭৩ সুতরাং চেয়ে দেখো কেমন হয়েছিল সতর্কীকৃতদের পরিণাম,
মুহিউদ্দীন খান
৭৩ অতএব লক্ষ্য করুন, যাদেরকে ভীতিপ্রদর্শণ করা হয়েছিল, তাদের পরিণতি কি হয়েছে।
Word by word
٧٣ فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُنذَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।
সমকালীন বাংলা
৭৪ তবে আল্লাহর একনিষ্ঠ বান্দাদের কথা স্বতন্ত্র।
জহুরুল হক
৭৪ শুধু আল্লাহ্ র খাস বান্দাদের ব্যতীত।
মুহিউদ্দীন খান
৭৪ তবে আল্লাহর বাছাই করা বান্দাদের কথা ভিন্ন।
Word by word
٧٤ إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ নূহ আমাদের ডেকেছিল, আর আমরা ডাকে কতোইনা উত্তম সাড়াদানকারী!
সমকালীন বাংলা
৭৫ নূহ্ আমাকে আহ্বান করিয়াছিল, আর আমি কত উত্তম সাড়াদানকারী।
জহুরুল হক
৭৫ আর ইতিপূর্বে অবশ্য নূহ আমাদের আহ্বান করেছিলেন, আর আমরা কত উত্তম উত্তরদাতা।
মুহিউদ্দীন খান
৭৫ আর নূহ আমাকে ডেকেছিল। আর কি চমৎকারভাবে আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম।
Word by word
٧٥ وَلَقَدْ نَادَىٰنَا نُوحٌ فَلَنِعْمَ ٱلْمُجِيبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
সমকালীন বাংলা
৭৬ তাহাকে এবং তাহার পরিবারবর্গকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
জহুরুল হক
৭৬ আর আমরা তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম,
মুহিউদ্দীন খান
৭৬ আমি তাকে ও তার পরিবারবর্গকে এক মহাসংকট থেকে রক্ষা করেছিলাম।
Word by word
٧٦ وَنَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥ مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ তার বংশধরদেরই আমরা অবশিষ্ট রেখেছি (প্রজন্মের পর প্রজন্ম)।
সমকালীন বাংলা
৭৭ তাহার বংশধরদেরকেই আমি বিদ্যমান রাখিয়াছি বংশপরম্পরায়,
জহুরুল হক
৭৭ আর তাঁর সন্তান - সন্ততিকে আমরা বানিয়েছিলাম প্রকৃত টিকে থাকা দল,
মুহিউদ্দীন খান
৭৭ এবং তার বংশধরদেরকেই আমি অবশিষ্ট রেখেছিলাম।
Word by word
٧٧ وَجَعَلْنَا ذُرِّيَّتَهُۥ هُمُ ٱلْبَاقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আমরা তার (সুনাম) স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
সমকালীন বাংলা
৭৮ আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
৭৮ আর তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে আমরা রেখেছিলাম - -
মুহিউদ্দীন খান
৭৮ আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,
Word by word
٧٨ وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ সমগ্র জগতের মধ্যে নূহের প্রতি ‘সালাম’ (শান্তি বর্ষিত হোক)।
সমকালীন বাংলা
৭৯ সমগ্র বিশ্বের মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক।
জহুরুল হক
৭৯ সমগ্র বিশ্বজগতের মধ্যে নূহের প্রতি সালাম!
মুহিউদ্দীন খান
৭৯ বিশ্ববাসীর মধ্যে নূহের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।
Word by word
٧٩ سَلَٰمٌ عَلَىٰ نُوحٍ فِى ٱلْعَٰلَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করে থাকি কল্যাণপরায়ণদের।
সমকালীন বাংলা
৮০ এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি,
জহুরুল হক
৮০ নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি।
মুহিউদ্দীন খান
৮০ আমি এভাবেই সৎকর্ম পরায়নদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।
Word by word
٨٠ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ সে ছিলো আমার মুমিন বান্দাদের একজন।
সমকালীন বাংলা
৮১ সে ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম।
জহুরুল হক
৮১ তিনি অবশ্যই আমাদের বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
মুহিউদ্দীন খান
৮১ সে ছিল আমার ঈমানদার বান্দাদের অন্যতম।
Word by word
٨١ إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ তারপর বাকি সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছি পানিতে।
সমকালীন বাংলা
৮২ অন্য সকলকে আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
৮২ আর আমরা অন্যান্যদের ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
৮২ অতঃপর আমি অপরাপর সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।
Word by word
٨٢ ثُمَّ أَغْرَقْنَا ٱلْءَاخَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ আর তার অনুগামীদেরই একজন ছিলো ইবরাহিম।
সমকালীন বাংলা
৮৩ আর ইব্রাহীম তো তাহার অনুগামীদের অন্তর্ভুক্ত।
জহুরুল হক
৮৩ আর নিশ্চয়ই তাঁর পশ্চাদবর্তীদের মধ্যে ছিলেন ইব্রাহীম।
মুহিউদ্দীন খান
৮৩ আর নূহ পন্থীদেরই একজন ছিল ইব্রাহীম।
Word by word
٨٣ وَإِنَّ مِن شِيعَتِهِۦ لَإِبْرَٰهِيمَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ সে তার প্রভুর কাছে উপস্থিত হয়েছিল প্রশান্ত হৃদয় নিয়ে।
সমকালীন বাংলা
৮৪ স্মরণ কর, সে তাহার প্রতিপালকের নিকট উপস্থিত হইয়াছিল বিশুদ্ধচিত্তে;
জহুরুল হক
৮৪ স্মরণ কর! তিনি তাঁর প্রভুর কাছে এসেছিলেন বিশুদ্ধ চিত্ত নিয়ে, - -
মুহিউদ্দীন খান
৮৪ যখন সে তার পালনকর্তার নিকট সুষ্ঠু চিত্তে উপস্থিত হয়েছিল,
Word by word
٨٤ إِذْ جَآءَ رَبَّهُۥ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ সে তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘‘আপনারা কিসের ইবাদত (উপাসনা) করছেন?
সমকালীন বাংলা
৮৫ যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের পূজা করিতেছ?
জহুরুল হক
৮৫ যখন তাঁর পিতৃপুরুষকে ও তাঁর স্বজাতিকে তিনি বলেছিলেন - - ''তোমরা কিসের উপাসনা করছ?
মুহিউদ্দীন খান
৮৫ যখন সে তার পিতা ও সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমরা কিসের উপাসনা করছ?
Word by word
٨٥ إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَاذَا تَعْبُدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ আপনারা কি আল্লাহর পরিবর্তে মনগড়া ইলাহদের চান?
সমকালীন বাংলা
৮৬ তােমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে অলীক ইলাহগুলিকে চাও?
জহুরুল হক
৮৬ ''তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে কি এক মিথ্যা উপাস্যকেই কামনা কর?
মুহিউদ্দীন খান
৮৬ তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত মিথ্যা উপাস্য কামনা করছ?
Word by word
٨٦ أَئِفْكًا ءَالِهَةً دُونَ ٱللَّهِ تُرِيدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ ‘রাববুল আলামিনের’ (বিশ্বজগতের প্রভুর) ব্যাপারে আপনাদের ধারণা কী?’’
সমকালীন বাংলা
৮৭ ‘জগতসমূহের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের ধারণা কী?’
জহুরুল হক
৮৭ ''তাহলে বিশ্বজগতের প্রভু সন্বন্ধে কী তোমাদের ধারণা?’’
মুহিউদ্দীন খান
৮৭ বিশ্বজগতের পালনকর্তা সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কি?
Word by word
٨٧ فَمَا ظَنُّكُم بِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ অত:পর সে একবার তারকারাজির দিকে তাকালো
সমকালীন বাংলা
৮৮ অতঃপর সে তারকারাজির দিকে একবার তাকাইল
জহুরুল হক
৮৮ তারপর তারকারাজির দিকে তিনি একনজর তাকালেন,
মুহিউদ্দীন খান
৮৮ অতঃপর সে একবার তারকাদের প্রতি লক্ষ্য করল।
Word by word
٨٨ فَنَظَرَ نَظْرَةً فِى ٱلنُّجُومِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ এবং বললো: ‘আমি অসুস্থ।’
সমকালীন বাংলা
৮৯ এবং বলিল, ‘আমি অসুস্থ।’
জহুরুল হক
৮৯ তখন তিনি বললেন - - ''আমি যারপর নাই বিরক্ত!’’
মুহিউদ্দীন খান
৮৯ এবং বললঃ আমি পীড়িত।
Word by word
٨٩ فَقَالَ إِنِّى سَقِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ তখন তারা তাকে ফেলে চলে গেলো।
সমকালীন বাংলা
৯০ অতঃপর উহারা তাহাকে পশ্চাতে রাখিয়া চলিয়া গেল।
জহুরুল হক
৯০ সুতরাং তারা তাঁর কাছ থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে গেল।
মুহিউদ্দীন খান
৯০ অতঃপর তারা তার প্রতি পিঠ ফিরিয়ে চলে গেল।
Word by word
٩٠ فَتَوَلَّوْا۟ عَنْهُ مُدْبِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ অত:পর সে সতর্কভাবে তাদের ইলাহ (দেবতা) গুলোর কাছে গেলো। তাদের বললো: ‘তোমরা কি খাবেনা?’
সমকালীন বাংলা
৯১ পরে সে সন্তর্পণে উহাদের দেবতাগুলির নিকট গেল এবং বলিল, ‘তোমরা খাদ্য গ্রহণ করিতেছ না কেন?’
জহুরুল হক
৯১ তারপর তিনি তাদের উপাস্যদের কাছে ফিরে গেলেন এবং বললেন - - ''তোমরা খাও না কেন?
মুহিউদ্দীন খান
৯১ অতঃপর সে তাদের দেবালয়ে, গিয়ে ঢুকল এবং বললঃ তোমরা খাচ্ছ না কেন?
Word by word
٩١ فَرَاغَ إِلَىٰٓ ءَالِهَتِهِمْ فَقَالَ أَلَا تَأْكُلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ ‘তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কথা বলোনা কেন?’
সমকালীন বাংলা
৯২ ‘তোমাদের কী হইয়াছে যে, তোমরা কথা বল না?’
জহুরুল হক
৯২ ''তোমাদের কী হয়েছে যে তোমরা কথা বলছ না?’’
মুহিউদ্দীন খান
৯২ তোমাদের কি হল যে, কথা বলছ না?
Word by word
٩٢ مَا لَكُمْ لَا تَنطِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ তারপর সে তাদের আঘাত হানলো শক্তভাবে।
সমকালীন বাংলা
৯৩ অতঃপর সে উহাদের উপর সবলে আঘাত হানিল।
জহুরুল হক
৯৩ কাজেই তিনি তাদের উপরে লাফিয়ে পড়লেন ডানহাতে আঘাত করে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৩ অতঃপর সে প্রবল আঘাতে তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।
Word by word
٩٣ فَرَاغَ عَلَيْهِمْ ضَرْبًۢا بِٱلْيَمِينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ তখন লোকেরা ছুটে এলো তার দিকে।
সমকালীন বাংলা
৯৪ তখন ঐ লোকগুলি তাহার দিকে ছুটিয়া আসিল।
জহুরুল হক
৯৪ তখন তারা তাঁর দিকে ছুটে এল হতবুদ্ধি হয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
৯৪ তখন লোকজন তার দিকে ছুটে এলো ভীত - সন্ত্রস্ত পদে।
Word by word
٩٤ فَأَقْبَلُوٓا۟ إِلَيْهِ يَزِفُّونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ সে বললো: ‘‘তোমরা নিজেরা যেগুলোকে খোদাই করে তৈয়ার করো, তোমরা কি সেগুলোরই পূজা করো?
সমকালীন বাংলা
৯৫ সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা যাহাদেরকে খোদাই করিয়া নির্মাণ কর তোমরা কি তাহাদেরই পূজা কর?
জহুরুল হক
৯৫ তিনি বললেন - - ''তোমরা কি তার উপাসনা কর যা তোমরা কেটে বানাও,
মুহিউদ্দীন খান
৯৫ সে বললঃ তোমরা স্বহস্ত নির্মিত পাথরের পূজা কর কেন?
Word by word
٩٥ قَالَ أَتَعْبُدُونَ مَا تَنْحِتُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ অথচ তোমাদের তো সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ্ এবং তোমরা যা তৈরি করো সেগুলোকেও।’’
সমকালীন বাংলা
৯৬ অথচ আল্লাহ তা তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নর্মিাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করছেনে।
জহুরুল হক
৯৬ ''অথচ আল্লাহ্ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন আর তোমরা যা তৈরি কর তাও?’’
মুহিউদ্দীন খান
৯৬ অথচ আল্লাহ তোমাদেরকে এবং তোমরা যা নির্মাণ করছ সবাইকে সৃষ্টি করেছেন।
Word by word
٩٦ وَٱللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ তারা বললো: ‘তার জন্যে ঘেরাও করা প্রাচীরের একটা ইমারত নির্মাণ করো। অতপর তাকে সেই অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করো।’
সমকালীন বাংলা
৯৭ উহারা বলিল, ‘ইহার জন্য এক ইমারত নির্মাণ কর, অতঃপর ইহাকে জ্বলন্ত অগ্নিতে নিক্ষেপ কর।’
জহুরুল হক
৯৭ তারা বললে - - ''এর জন্য এক কাঠামো তৈরি কর, তারপর তাকে নিক্ষেপ কর সেই ভয়ঙ্কর আগুনে।’’
মুহিউদ্দীন খান
৯৭ তারা বললঃ এর জন্যে একটি ভিত নির্মাণ কর এবং অতঃপর তাকে আগুনের স্তুপে নিক্ষেপ কর।
Word by word
٩٧ قَالُوا۟ ٱبْنُوا۟ لَهُۥ بُنْيَٰنًا فَأَلْقُوهُ فِى ٱلْجَحِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ তখন তারা তার বিরুদ্ধে এক চরম চক্রান্ত করে, কিন্তু আমরা তাদের নিচু করে দিয়েছি।
সমকালীন বাংলা
৯৮ উহারা তাহার বিরুদ্ধে চক্রান্তেরর সংকল্প করিয়াছিল; কিন্তু আমি উহাদেরকে অতিশয় হেয় করিয়া দিলাম।
জহুরুল হক
৯৮ কাজেই তারা তাঁর বিরুদ্ধে এক চক্রান্ত ফাঁদলো, কিন্তু আমরা তাদের হীন বানিয়ে দিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
৯৮ তারপর তারা তার বিরুদ্ধে মহা ষড়যন্ত্র আঁটতে চাইল, কিন্তু আমি তাদেরকেই পরাভূত করে দিলাম।
Word by word
٩٨ فَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًا فَجَعَلْنَٰهُمُ ٱلْأَسْفَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ সে বলেছিল: ‘‘আমি আমার প্রভুর দিকে চললাম, তিনি আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।
সমকালীন বাংলা
৯৯ সে বলিল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চলিলাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিবেন;
জহুরুল হক
৯৯ আর তিনি বললেন - - ''আমি নিশ্চয়ই আমার প্রভুর দিকে যাত্রাকারী, তিনি আমাকে অচিরেই পরিচালিত করবেন।’’
মুহিউদ্দীন খান
৯৯ সে বললঃ আমি আমার পালনকর্তার দিকে চললাম, তিনি আমাকে পথপ্রদর্শন করবেন।
Word by word
٩٩ وَقَالَ إِنِّى ذَاهِبٌ إِلَىٰ رَبِّى سَيَهْدِينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০০ আমার প্রভু! আমাকে একটি যোগ্য সন্তান দান করো।’’
সমকালীন বাংলা
১০০ ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর।’
জহুরুল হক
১০০ ''আমার প্রভু! আমার জন্য সৎকর্মীদের থেকে দান করো।’’
মুহিউদ্দীন খান
১০০ হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর।
Word by word
١٠٠ رَبِّ هَبْ لِى مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০১ তখন আমরা তাকে সুসংবাদ দিলাম এক স্থির বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্র সন্তানের।
সমকালীন বাংলা
১০১ অতঃপর আমি তাহাকে এক স্থিরবুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম।
জহুরুল হক
১০১ সেজন্য আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিলাম এক অমায়িক পুত্রসন্তানের।
মুহিউদ্দীন খান
১০১ সুতরাং আমি তাকে এক সহনশীল পুত্রের সুসংবাদ দান করলাম।
Word by word
١٠١ فَبَشَّرْنَٰهُ بِغُلَٰمٍ حَلِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০২ যখন সে তার পিতার সাথে কাজ করার বয়েসে উপনীত হয়, তখন সে (ইবরাহিম) বলেছিল: ‘আমার পুত্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি, আমি তোমাকে যবেহ্ করছি। এখন তুমি বলো এ বিষয়ে তোমার অভিমত কী?’ সে বলেছিল: ‘আব্বু! আপনাকে যা নির্দেশ দেয়া হয়েছে আপনি তাই করুন। ইনশাল্লাহ (আল্লাহ্ চাইলে) আপনি আমাকে পাবেন ধৈর্যশীল।’
সমকালীন বাংলা
১০২ অতঃপর সে যখন তাহার পিতার সঙ্গে কাজ করিবার মত বয়সে উপনীত হইল তখন ইবরাহীম বলিল, ‘বৎস! আমি স্বপ্নের দেখি যে, তোমাকে আমি যবেহ্ করিতেছি, এখন তোমার অভিমত কি বল?’ সে বলিল, ‘হে আমার পিতা! আপনি যাহা আদিষ্ট হইয়াছেন তাহাই করুন। আল্লাহ ইচ্ছায় আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাইবেন।’
জহুরুল হক
১০২ তারপর যখন সে তাঁর সঙ্গে কাজ করার যোগ্যতায় উপনীত হল তখন তিনি বললেন - - ''হে আমার পুত্রধন! নিঃসন্দেহ আমি স্বপ্নে দেখলাম যে আমি তোমাকে কুরবানি করছি, অতএব ভেবে দেখো - - কী তুমি দেখছো ।’’ তিনি বললেন - - ''হে আমার আব্বা! আপনি তাই করুন যা আপনাকে আদেশ করা হয়েছে। ইন - শা - আল্লাহ্ আপনি এখনি আমাকে পাবেন অধ্যবসায়ীদের অন্তর্ভুক্ত।
মুহিউদ্দীন খান
১০২ অতঃপর সে যখন পিতার সাথে চলাফেরা করার বয়সে উপনীত হল, তখন ইব্রাহীম তাকে বললঃ বৎস! আমি স্বপ্নে দেখিযে, তোমাকে যবেহ করছি; এখন তোমার অভিমত কি দেখ। সে বললঃ পিতাঃ! আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, তাই করুন। আল্লাহ চাহে তো আপনি আমাকে সবরকারী পাবেন।
Word by word
١٠٢ فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ ٱلسَّعْىَ قَالَ يَٰبُنَىَّ إِنِّىٓ أَرَىٰ فِى ٱلْمَنَامِ أَنِّىٓ أَذْبَحُكَ فَٱنظُرْ مَاذَا تَرَىٰ قَالَ يَٰٓأَبَتِ ٱفْعَلْ مَا تُؤْمَرُ سَتَجِدُنِىٓ إِن شَآءَ ٱللَّهُ مِنَ ٱلصَّٰبِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৩ যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তার পুত্রকে উপুড় করে শুইয়ে দিলো,
সমকালীন বাংলা
১০৩ যখন তাহারা উভয়ে আনুগত্য প্রকাশ করিল এবং ইব্রাহীম তাহার পুত্রকে কাত করিয়া শায়িত করিল,
জহুরুল হক
১০৩ সুতরাং তাঁরা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করলেন এবং তিনি তাঁকে ভূপাতিত করলেন কপালের জন্য,
মুহিউদ্দীন খান
১০৩ যখন পিতা - পুত্র উভয়েই আনুগত্য প্রকাশ করল এবং ইব্রাহীম তাকে যবেহ করার জন্যে শায়িত করল।
Word by word
١٠٣ فَلَمَّآ أَسْلَمَا وَتَلَّهُۥ لِلْجَبِينِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৪ তখন আমরা তাকে ডেকে বললাম: ‘হে ইবরাহিম!
সমকালীন বাংলা
১০৪ তখন আমি তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিলাম, ‘হে ইব্রাহীম!
জহুরুল হক
১০৪ তখনই আমরা তাঁকে ডেকে বললাম - - ''হে ইব্রাহীম!
মুহিউদ্দীন খান
১০৪ তখন আমি তাকে ডেকে বললামঃ হে ইব্রাহীম,
Word by word
١٠٤ وَنَٰدَيْنَٰهُ أَن يَٰٓإِبْرَٰهِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৫ অবশ্যি তুমি স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছো। আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করে থাকি পুণ্যবানদের।
সমকালীন বাংলা
১০৫ ‘তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করিলে!’ - এইভাবেই আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১০৫ ''তুমি তো স্বপ্নাদেশ সত্যই পালন করলে। নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।
মুহিউদ্দীন খান
১০৫ তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করে দেখালে! আমি এভাবেই সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
Word by word
١٠٥ قَدْ صَدَّقْتَ ٱلرُّءْيَآ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৬ নিশ্চয়ই এটা ছিলো একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা।
সমকালীন বাংলা
১০৬ নিশ্চয়ই ইহা ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।
জহুরুল হক
১০৬ ''নিশ্চয়ই এটি - - এইটিই তো ছিল এক স্পষ্ট পরীক্ষা।’’
মুহিউদ্দীন খান
১০৬ নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা।
Word by word
١٠٦ إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْبَلَٰٓؤُا۟ ٱلْمُبِينُ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৭ অত:পর আমরা তাকে মুক্ত করেছিলাম এক মহাকুরবানির বিনিময়ে।
সমকালীন বাংলা
১০৭ আমি তাহাকে মুক্ত করিলাম এক কুরবানীর বিনিময়ে।
জহুরুল হক
১০৭ আর আমরা তাঁকে বদলা দিয়েছিলাম এক মহান কুরবানি।
মুহিউদ্দীন খান
১০৭ আমি তার পরিবর্তে দিলাম যবেহ করার জন্যে এক মহান জন্তু।
Word by word
١٠٧ وَفَدَيْنَٰهُ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৮ আর আমরা পরবর্তীদের মধ্যেও এই কুরবানির রীতি চালু রেখেছি।
সমকালীন বাংলা
১০৮ আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
১০৮ আর আমরা তাঁর জন্য পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -
মুহিউদ্দীন খান
১০৮ আমি তার জন্যে এ বিষয়টি পরবর্তীদের মধ্যে রেখে দিয়েছি যে,
Word by word
١٠٨ وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৯ সালাম (শান্তি বর্ষিত হোক) ইবরাহিমের প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১০৯ ইব্রাহীমের উপর শান্তি বর্ষিত হউক!
জহুরুল হক
১০৯ ইব্রাহীমের প্রতি ''সালাম’’।
মুহিউদ্দীন খান
১০৯ ইব্রাহীমের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
Word by word
١٠٩ سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১০ পুণ্যবানদের আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি।
সমকালীন বাংলা
১১০ এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১১০ এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।
মুহিউদ্দীন খান
১১০ এমনিভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
Word by word
١١٠ كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১১ সে ছিলো আমাদের বিশ্বাসী দাসদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১১১ নিশ্চয়ই সে ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম;
জহুরুল হক
১১১ নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের মধ্যেকার।
মুহিউদ্দীন খান
১১১ সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের একজন।
Word by word
١١١ إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১২ তারপর আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম (পুত্র) ইসহাকের। সেও ছিলো একজন যোগ্য নবী।
সমকালীন বাংলা
১১২ আমি তাহাকে সুসংবাদ দিয়াছিলাম ইস্হাকের, সে ছিল এক নবী, সৎকর্মপরায়ণদের অন্যতম,
জহুরুল হক
১১২ আর আমরা তাঁকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম ইসহাকের - - একজন নবী সৎপথাবলন্বীদের মধ্যেকার।
মুহিউদ্দীন খান
১১২ আমি তাকে সুসংবাদ দিয়েছি ইসহাকের, সে সৎকর্মীদের মধ্য থেকে একজন নবী।
Word by word
١١٢ وَبَشَّرْنَٰهُ بِإِسْحَٰقَ نَبِيًّا مِّنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৩ আমরা বরকত দান করেছিলাম তাকে এবং ইসহাককেও। তাদের বংশধরদের মধ্যে কিছু কল্যাণপরায়ণ লোকও আছে, আর কিছু আছে নিজেদের প্রতি সুস্পষ্ট যুলুমকারীও।
সমকালীন বাংলা
১১৩ আমি তাহাকে বরকত দান করিয়াছিলাম এবং ইস্হাককেও; তাহাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মপরায়ণ এবং কতক নিজেদের প্রতি স্পষ্ট অত্যাচারী।
জহুরুল হক
১১৩ আর আমরা আশীর্বাদ বর্ষণ করেছিলাম তাঁর উপরে ও ইসহাকের উপরে। আর তাঁদের দুজনের বংশধরদের মধ্যে থেকে কেউ হচ্ছেন সৎকর্মশীল, আর কেউ হচ্ছে তাদের নিজেদের প্রতি স্পষ্টভাবে অন্যায়াচারী।
মুহিউদ্দীন খান
১১৩ তাকে এবং ইসহাককে আমি বরকত দান করেছি। তাদের বংশধরদের মধ্যে কতক সৎকর্মী এবং কতক নিজেদের উপর স্পষ্ট জুলুমকারী।
Word by word
١١٣ وَبَٰرَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَىٰٓ إِسْحَٰقَ وَمِن ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِّنَفْسِهِۦ مُبِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৪ আমরা ইহসান করেছিলাম মূসা এবং হারূণের প্রতি,
সমকালীন বাংলা
১১৪ আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি,
জহুরুল হক
১১৪ আর নিশ্চয় আমরা মূসা ও হারূনের প্রতি অনুগ্রহ করেই ছিলাম,
মুহিউদ্দীন খান
১১৪ আমি অনুগ্রহ করেছিলাম মূসা ও হারুনের প্রতি।
Word by word
١١٤ وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৫ এবং আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে এবং তাদের কওমকে মহাসংকট থেকে।
সমকালীন বাংলা
১১৫ এবং তাহাদেরকে এবং তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে।
জহুরুল হক
১১৫ আর তাঁদের দুজনকে ও তাঁদের লোকদলকে আমরা ভীষণ সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
১১৫ তাদেরকে ও তাদের সম্প্রদায়কে উদ্ধার করেছি মহা সংকট থেকে।
Word by word
١١٥ وَنَجَّيْنَٰهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৬ আমরা তাদের সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই হয়েছিল বিজয়ী।
সমকালীন বাংলা
১১৬ আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদেরকে ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী।
জহুরুল হক
১১৬ আর আমরা তাঁদের সাহায্য করেছিলাম, সেজন্য তাঁরা খোদ বিজয়ী হয়েছিলেন।
মুহিউদ্দীন খান
১১৬ আমি তাদেরকে সাহায্য করেছিলাম, ফলে তারাই ছিল বিজয়ী।
Word by word
١١٦ وَنَصَرْنَٰهُمْ فَكَانُوا۟ هُمُ ٱلْغَٰلِبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৭ আমরা তাদের উভয়কে দিয়েছিলাম সুবিস্তারিত কিতাব।
সমকালীন বাংলা
১১৭ আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব।
জহুরুল হক
১১৭ আর তাঁদের উভয়কে আমরা দিয়েছিলাম এক স্পষ্ট গ্রন্থ,
মুহিউদ্দীন খান
১১৭ আমি উভয়কে দিয়েছিলাম সুস্পষ্ট কিতাব।
Word by word
١١٧ وَءَاتَيْنَٰهُمَا ٱلْكِتَٰبَ ٱلْمُسْتَبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৮ উভয়কেই পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে)।
সমকালীন বাংলা
১১৮ এবং তাহাদেরকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে।
জহুরুল হক
১১৮ আর তাঁদের উভয়কে আমরা পরিচালিত করেছিলাম সরল - সঠিক পথে,
মুহিউদ্দীন খান
১১৮ এবং তাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করেছিলাম।
Word by word
١١٨ وَهَدَيْنَٰهُمَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلْمُسْتَقِيمَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১৯ পরবর্তীদের মাঝে তাদের খ্যাতি সংরক্ষণ করেছি।
সমকালীন বাংলা
১১৯ আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
১১৯ আর তাদের জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -
মুহিউদ্দীন খান
১১৯ আমি তাদের জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয় রেখে দিয়েছি যে,
Word by word
١١٩ وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِى ٱلْءَاخِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২০ সালাম মূসা এবং হারূণের প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১২০ মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক!
জহুরুল হক
১২০ মূসা ও হারূনের প্রতি ''সালাম’’।
মুহিউদ্দীন খান
১২০ মূসা ও হারুনের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
Word by word
١٢٠ سَلَٰمٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২১ আমরা এভাবেই পুরস্কৃত করি পুণ্যবানদের।
সমকালীন বাংলা
১২১ এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১২১ এইভাবেই আমরা অবশ্য প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।
মুহিউদ্দীন খান
১২১ এভাবে আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
Word by word
١٢١ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২২ তারা উভয়েই ছিলো আমাদের বিশ্বাসী দাসদের অন্তরভুক্ত।
সমকালীন বাংলা
১২২ তাহারা উভয়েই ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
জহুরুল হক
১২২ নিশ্চয় তাঁরা ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের মধ্যেকার।
মুহিউদ্দীন খান
১২২ তারা উভয়েই ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্যতম।
Word by word
١٢٢ إِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৩ নিশ্চয়ই ইলিয়াসও ছিলো রসূলদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১২৩ ইল্ইয়াসও ছিল রাসূলদের একজন।
জহুরুল হক
১২৩ আর নিশ্চয়ই ইল্য়াস রসূলগণের মধ্যেকার ছিলেন।
মুহিউদ্দীন খান
১২৩ নিশ্চয়ই ইলিয়াস ছিল রসূল।
Word by word
١٢٣ وَإِنَّ إِلْيَاسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৪ স্মরণ করো, সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা কি সতর্ক হবেনা?
সমকালীন বাংলা
১২৪ স্মরণ কর, সে তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?
জহুরুল হক
১২৪ স্মরণ করো, তিনি তাঁর স্বজাতিকে বলেছিলেন - - ''তোমরা কি ধর্মভীরুতা অবলন্বন করবে না?
মুহিউদ্দীন খান
১২৪ যখন সে তার সম্প্রদায়কে বললঃ তোমরা কি ভয় কর না ?
Word by word
١٢٤ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ أَلَا تَتَّقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৫ তোমরা কি বা’আল (দেবতা) - কেই ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সর্বশ্রেষ্ঠ স্রষ্টা
সমকালীন বাংলা
১২৫ ‘তোমরা কি বা‘আলকে ডাকিবে এবং পরিত্যাগ করিবে শ্রেষ্ঠ স্রষ্টা -
জহুরুল হক
১২৫ ''তোমরা কি বা’লকে ডাকবে, আর পরিত্যাগ করবে সৃষ্টিকর্তাদের সর্বশ্রেষ্ঠজনকে,
মুহিউদ্দীন খান
১২৫ তোমরা কি বা’আল দেবতার এবাদত করবে এবং সর্বোত্তম স্রষ্টাকে পরিত্যাগ করবে।
Word by word
١٢٥ أَتَدْعُونَ بَعْلًا وَتَذَرُونَ أَحْسَنَ ٱلْخَٰلِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৬ আল্লাহকে, যিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষদেরও রব?’’
সমকালীন বাংলা
১২৬ যনিি আল্লাহ তা তোমাদের পালনর্কতা এবং তা তোমাদের র্পূবপুরুষদরে পালনর্কতা?
জহুরুল হক
১২৬ আল্লাহ্ কে - - তোমাদের প্রভু এবং পূর্বকালীন তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও প্রভু?’’
মুহিউদ্দীন খান
১২৬ যিনি আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা?
Word by word
١٢٦ ٱللَّهَ رَبَّكُمْ وَرَبَّ ءَابَآئِكُمُ ٱلْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৭ কিন্তু তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রত্যাখ্যান করে। সুতরাং তাদেরকে অবশ্যি (শাস্তির জন্যে) হাজির করা হবে।
সমকালীন বাংলা
১২৭ কিন্তু উহারা তাহাকে মিথ্যাবাদী বলিয়াছিল, কাজেই উহাদেরকে অবশ্যই শাস্তির জন্য উপস্থিত করা হইবে।
জহুরুল হক
১২৭ কিন্তু তারা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করল, সেজন্য তাদের নিশ্চয়ই হাজির করা হবে,
মুহিউদ্দীন খান
১২৭ অতঃপর তারা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করল। অতএব তারা অবশ্যই গ্রেফতার হয়ে আসবে।
Word by word
١٢٧ فَكَذَّبُوهُ فَإِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৮ তবে আমাদের মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দাদের কথা ভিন্ন।
সমকালীন বাংলা
১২৮ কিন্তু আল্লাহ তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।
জহুরুল হক
১২৮ শুধু আল্লাহ্ র একনিষ্ঠ বান্দাদের ব্যতীত।
মুহিউদ্দীন খান
১২৮ কিন্তু আল্লাহ তা’আলার খাঁটি বান্দাগণ নয়।
Word by word
١٢٨ إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২৯ আমরা তাকে স্মরণীয় করে রেখেছি পরবর্তীদের মাঝে।
সমকালীন বাংলা
১২৯ আমি ইহা পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি।
জহুরুল হক
১২৯ আর তাঁর জন্য আমরা পরবর্তীদের মধ্যে রেখেছিলাম - -
মুহিউদ্দীন খান
১২৯ আমি তার জন্যে পরবর্তীদের মধ্যে এ বিষয়ে রেখে দিয়েছি যে,
Word by word
١٢٩ وَتَرَكْنَا عَلَيْهِ فِى ٱلْءَاخِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩০ সালাম ইলয়াসিনের (ইলিয়াসের) প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১৩০ ইল্ইয়াসীনের উপর শান্তি বর্ষিত হউক।
জহুরুল হক
১৩০ ইল্য়াসীনের উপরে ''সালাম’’।
মুহিউদ্দীন খান
১৩০ ইলিয়াসের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক!
Word by word
١٣٠ سَلَٰمٌ عَلَىٰٓ إِلْ يَاسِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩১ এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।
সমকালীন বাংলা
১৩১ এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
জহুরুল হক
১৩১ নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।
মুহিউদ্দীন খান
১৩১ এভাবেই আমি সৎকর্মীদেরকে প্রতিদান দিয়ে থাকি।
Word by word
١٣١ إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩২ সে ছিলো আমাদের বিশ্বাসী দাসদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩২ সে তো ছিল আমার মু’মিন বান্দাদের অন্যতম।
জহুরুল হক
১৩২ তিনি নিশ্চয়ই ছিলেন আমাদের মুমিন বান্দাদের অন্যতম।
মুহিউদ্দীন খান
১৩২ সে ছিল আমার বিশ্বাসী বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত।
Word by word
١٣٢ إِنَّهُۥ مِنْ عِبَادِنَا ٱلْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৩ নিশ্চয়ই লুতও ছিলো রসূলদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩৩ লূতও ছিল রাসূলদের একজন।
জহুরুল হক
১৩৩ আর অবশ্যই লূত ছিলেন রসূলগণের মধ্যেকার।
মুহিউদ্দীন খান
১৩৩ নিশ্চয় লূত ছিলেন রসূলগণের একজন।
Word by word
١٣٣ وَإِنَّ لُوطًا لَّمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৪ আমরা তাকে এবং তার পরিবার পরিজন সবাইকে নাজাত দিয়েছিলাম
সমকালীন বাংলা
১৩৪ আমি তাহাকে ও তাহার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করিয়াছিলাম -
জহুরুল হক
১৩৪ স্মরণ কর! তাঁকে ও তাঁর পরিজনকে উদ্ধার করেছিলাম, সব ক’জনকেই - -
মুহিউদ্দীন খান
১৩৪ যখন আমি তাকেও তার পরিবারের সবাইকে উদ্ধার করেছিলাম;
Word by word
١٣٤ إِذْ نَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ أَجْمَعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৫ এক বৃদ্ধাকে ছাড়া। সে ছিলো পেছনে পড়াদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩৫ এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
জহুরুল হক
১৩৫ এক বৃদ্ধাকে ব্যতীত, যে ছিল পেছনে রয়ে যাওয়া দলের।
মুহিউদ্দীন খান
১৩৫ কিন্তু এক বৃদ্ধাকে ছাড়া; সে অন্যান্যদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিল।
Word by word
١٣٥ إِلَّا عَجُوزًا فِى ٱلْغَٰبِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৬ (তাদের নাজাত দিয়ে) বাকিদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।
সমকালীন বাংলা
১৩৬ অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
১৩৬ তারপর আমরা অবশিষ্টদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করেছিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
১৩৬ অতঃপর অবশিষ্টদেরকে আমি সমূলে উৎপাটিত করেছিলাম।
Word by word
١٣٦ ثُمَّ دَمَّرْنَا ٱلْءَاخَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৭ তোমরা তাদের ধ্বংসাবশেষগুলো অতিক্রম করো সকালে
সমকালীন বাংলা
১৩৭ তোমরা তো উহাদের ধ্বংসাবশেষগুলি অতিক্রম করিয়া থাক সকালে ও
জহুরুল হক
১৩৭ আর নিঃসন্দেহ তোমরা তো তাদের অতিক্রম করে থাক সকালবেলায়,
মুহিউদ্দীন খান
১৩৭ তোমরা তোমাদের ধ্বংস স্তুপের উপর দিয়ে গমন কর ভোর বেলায়
Word by word
١٣٧ وَإِنَّكُمْ لَتَمُرُّونَ عَلَيْهِم مُّصْبِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৮ এবং রাত্রে। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?
সমকালীন বাংলা
১৩৮ সন্ধ্যায়। তবুও কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?
জহুরুল হক
১৩৮ এবং রাত্রিকালে। তবুও কি তোমরা বুঝবে না।
মুহিউদ্দীন খান
১৩৮ এবং সন্ধ্যায়, তার পরেও কি তোমরা বোঝ না?
Word by word
١٣٨ وَبِٱلَّيْلِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩৯ ইউনুস অবশ্যি রসূলদের একজন।
সমকালীন বাংলা
১৩৯ ইউনুসও ছিল রাসূলদের একজন।
জহুরুল হক
১৩৯ আর নিশ্চয়ই ইউনুস ছিলেন রসূলগণের অন্যতম।
মুহিউদ্দীন খান
১৩৯ আর ইউনুসও ছিলেন পয়গম্বরগণের একজন।
Word by word
١٣٩ وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪০ স্মরণ করো, যখন সে পালিয়ে এসে বোঝাই করা নৌযানের কাছে পৌঁছালো।
সমকালীন বাংলা
১৪০ স্মরণ কর, যখন সে পলায়ন করিয়া বোঝাই নৌযানে পৌঁছিল,
জহুরুল হক
১৪০ স্মরণ করো! তিনি বোঝাই করা জাহাজে গিয়ে উঠেছিলেন।
মুহিউদ্দীন খান
১৪০ যখন পালিয়ে তিনি বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছেছিলেন।
Word by word
١٤٠ إِذْ أَبَقَ إِلَى ٱلْفُلْكِ ٱلْمَشْحُونِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪১ তারপর সে লটারিতে যোগ দিলো এবং পরাজিত হলো।
সমকালীন বাংলা
১৪১ অতঃপর সে লটারীতে যোগদান করিল এবং পরাভূত হইল।
জহুরুল হক
১৪১ তাই তিনি লটারী খেলেছিলেন, কিন্তু তিনিই হয়ে গেলেন নিক্ষিপ্তদের একজন।
মুহিউদ্দীন খান
১৪১ অতঃপর লটারী (সুরতি) করালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেন।
Word by word
١٤١ فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ ٱلْمُدْحَضِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪২ (ফলে তারা তাকে ফেলে দিলো দরিয়ায়) এবং একটা বিশাল মাছ তাকে গিলে ফেললো। তখন সে নিজেকে তিরস্কার করতে থাকলো।
সমকালীন বাংলা
১৪২ পরে এক বৃহদাকার মৎস্য তাহাকে গিলিয়া ফেলিল, তখন সে নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগিল।
জহুরুল হক
১৪২ তখন একটি মাছ তাঁকে মুখে তুলে নিল, যদিও তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
মুহিউদ্দীন খান
১৪২ অতঃপর একটি মাছ তাঁকে গিলে ফেলল, তখন তিনি অপরাধী গণ্য হয়েছিলেন।
Word by word
١٤٢ فَٱلْتَقَمَهُ ٱلْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৩ সে যদি আল্লাহর তসবিহ ঘোষণাকারী না হতো,
সমকালীন বাংলা
১৪৩ যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতনে,
জহুরুল হক
১৪৩ আর তিনি যদি মহিমা জপতপে রত না থাকতেন - -
মুহিউদ্দীন খান
১৪৩ যদি তিনি আল্লাহর তসবীহ পাঠ না করতেন,
Word by word
١٤٣ فَلَوْلَآ أَنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلْمُسَبِّحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৪ তাহলে তাকে তার পেটেই থাকতে হতো পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।
সমকালীন বাংলা
১৪৪ তাহা হইলে তাহাকে উত্থান দিবস পর্যন্ত থাকিতে হইত উহার উদরে।
জহুরুল হক
১৪৪ তাহলে তিনি তার পেটে রয়ে যেতেন পুনরুত্থান দিন পর্যন্ত।
মুহিউদ্দীন খান
১৪৪ তবে তাঁকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত মাছের পেটেই থাকতে হত।
Word by word
١٤٤ لَلَبِثَ فِى بَطْنِهِۦٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৫ তখন আমরা তাকে নিক্ষেপ করলাম এক তরুলতাবিহীন প্রান্তরে এবং তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলো সে।
সমকালীন বাংলা
১৪৫ অতঃপর ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করিলাম এক তৃণহীন প্রান্তরে এবং সে ছিল রুগ্ন।
জহুরুল হক
১৪৫ তারপর আমরা তাঁকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে ফেলে দিলাম, আর তিনি ছিলেন অসুস্থ।
মুহিউদ্দীন খান
১৪৫ অতঃপর আমি তাঁকে এক বিস্তীর্ণ - বিজন প্রান্তরে নিক্ষেপ করলাম, তখন তিনি ছিলেন রুগ্ন।
Word by word
١٤٥ فَنَبَذْنَٰهُ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ سَقِيمٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৬ আমরা তার উপর উদগত করে দিলাম একটি লাউ গাছ।
সমকালীন বাংলা
১৪৬ পরে আমি তাহার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করিলাম.
জহুরুল হক
১৪৬ তখন তাঁর উপরে আমরা জন্মিয়েছিলাম লাউজাতীয় গাছ,
মুহিউদ্দীন খান
১৪৬ আমি তাঁর উপর এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ উদগত করলাম।
Word by word
١٤٦ وَأَنۢبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّن يَقْطِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৭ তারপর আমরা তাকে পুনরায় পাঠালাম এক লাখ বা তার চাইতে বেশি লোকের জনপদে।
সমকালীন বাংলা
১৪৭ তাহাকে আমি এক লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করিয়াছিলাম।
জহুরুল হক
১৪৭ আর আমরা তাঁকে পাঠিয়েছিলাম এক লাখ বা আরো বেশী লোকের কাছে,
মুহিউদ্দীন খান
১৪৭ এবং তাঁকে, লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করলাম।
Word by word
١٤٧ وَأَرْسَلْنَٰهُ إِلَىٰ مِا۟ئَةِ أَلْفٍ أَوْ يَزِيدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৮ তখন তারা ঈমান আনলো, ফলে আমরা তাদেরকে কিছু কালের জন্যে জীবন ভোগ করতে দিয়েছিলাম।
সমকালীন বাংলা
১৪৮ এবং তাহারা ঈমান আনিয়াছিল; ফলে আমি তাহাদেরকে কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করিতে দিলাম।
জহুরুল হক
১৪৮ তখন তারা বিশ্বাস করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের উপভোগ করতে দিয়েছিলাম কিছুকালের জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
১৪৮ তারা বিশ্বাস স্থাপন করল অতঃপর আমি তাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত জীবনোপভোগ করতে দিলাম।
Word by word
١٤٨ فَـَٔامَنُوا۟ فَمَتَّعْنَٰهُمْ إِلَىٰ حِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪৯ এখন তুমি তাদের জিজ্ঞেস করো: সব কন্যা সন্তান কি তোমার প্রভুর জন্যে, আর তাদের জন্যে কি সব পুত্র সন্তান?
সমকালীন বাংলা
১৪৯ এখন উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘তোমার প্রতিপালকের জন্যই কি রহিয়াছে কন্যা সন্তান এবং উহাদের জন্য পুত্র সন্তান?’
জহুরুল হক
১৪৯ সুতরাং তাদের জিজ্ঞাসা করো - - তোমার প্রভুর জন্য কি কন্যাসন্তান রয়েছে, আর তাদের জন্য পুত্রসন্তান?
মুহিউদ্দীন খান
১৪৯ এবার তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তোমার পালনকর্তার জন্যে কি কন্যা সন্তান রয়েছে এবং তাদের জন্যে কি পুত্র - সন্তান।
Word by word
١٤٩ فَٱسْتَفْتِهِمْ أَلِرَبِّكَ ٱلْبَنَاتُ وَلَهُمُ ٱلْبَنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫০ নাকি আমরা ফেরেশতাদের নারী করে সৃষ্টি করেছি এবং এ ব্যাপারে তারা ছিলো প্রত্যক্ষদর্শী?
সমকালীন বাংলা
১৫০ অথবা আমি কি ফিরিশ্তাদেরকে নারীরূপে সৃষ্টি করিয়াছিলাম, আর উহারা প্রত্যক্ষ করিতেছিল?
জহুরুল হক
১৫০ অথবা, আমরা কি ফিরিশ্তাদের নারীরূপে সৃষ্টি করেছিলাম, আর তারা সাক্ষী ছিল?
মুহিউদ্দীন খান
১৫০ না কি আমি তাদের উপস্থিতিতে ফেরেশতাগণকে নারীরূপে সৃষ্টি করেছি?
Word by word
١٥٠ أَمْ خَلَقْنَا ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ إِنَٰثًا وَهُمْ شَٰهِدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫১ সাবধান, তারা কথা রচনা করে বলে:
সমকালীন বাংলা
১৫১ দেখ উহারা তো মনগড়া কথা বলে যে,
জহুরুল হক
১৫১ এটি কি নয় যে তারা আলবৎ তাদের মিথ্যা থেকেই তো কথা বলছে, - -
মুহিউদ্দীন খান
১৫১ জেনো, তারা মনগড়া উক্তি করে যে,
Word by word
١٥١ أَلَآ إِنَّهُم مِّنْ إِفْكِهِمْ لَيَقُولُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫২ ‘আল্লাহ্ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।’ আসলে তারা চরম মিথ্যাবাদী।
সমকালীন বাংলা
১৫২ আল্লাহ সন্তান জন্ম দয়িছেনে। নিশ্চয় তারা মথ্যিাবাদী।
জহুরুল হক
১৫২ আল্লাহ্ জন্ম দিয়েছিলেন? আর তারা তো নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদী।
মুহিউদ্দীন খান
১৫২ আল্লাহ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। নিশ্চয় তারা মিথ্যাবাদী।
Word by word
١٥٢ وَلَدَ ٱللَّهُ وَإِنَّهُمْ لَكَٰذِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৩ তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান বেছে নিয়েছেন?
সমকালীন বাংলা
১৫৩ তিনি কি পুত্র সন্তানের পরিবর্তে কন্যা সন্তান পসন্দ করিতেন?
জহুরুল হক
১৫৩ তিনি কি কন্যাদের পছন্দ করেছেন পুত্রদের পরিবর্তে?
মুহিউদ্দীন খান
১৫৩ তিনি কি পুত্র - সন্তানের স্থলে কন্যা - সন্তান পছন্দ করেছেন?
Word by word
١٥٣ أَصْطَفَى ٱلْبَنَاتِ عَلَى ٱلْبَنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৪ তোমাদের হয়েছে কী, তোমাদের এ কেমন বিচার?
সমকালীন বাংলা
১৫৪ তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা কিরূপ বিচার কর?
জহুরুল হক
১৫৪ তোমাদের কি হয়েছে? কিভাবে তোমরা বিচার করো?
মুহিউদ্দীন খান
১৫৪ তোমাদের কি হল? তোমাদের এ কেমন সিন্ধান্ত?
Word by word
١٥٤ مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৫ তোমরা কি উপদেশ গ্রহণ করবে না?
সমকালীন বাংলা
১৫৫ তবে কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?
জহুরুল হক
১৫৫ তোমরা কি তবে মনোযোগ দেবে না?
মুহিউদ্দীন খান
১৫৫ তোমরা কি অনুধাবন কর না?
Word by word
١٥٥ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৬ নাকি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে?
সমকালীন বাংলা
১৫৬ তোমাদের কী সুস্পষ্ট দলীল - প্রমাণ আছে?
জহুরুল হক
১৫৬ নাকি তোমাদের কাছে কোনো স্পষ্ট দলিল - প্রমাণ রয়েছে?
মুহিউদ্দীন খান
১৫৬ না কি তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট কোন দলীল রয়েছে?
Word by word
١٥٦ أَمْ لَكُمْ سُلْطَٰنٌ مُّبِينٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৭ তবে তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে তোমাদের কিতাব নিয়ে আসো।
সমকালীন বাংলা
১৫৭ তোমরা সত্যবাদী হইলে তোমাদের কিতাব উপস্থিত কর।
জহুরুল হক
১৫৭ তেমন হলে তোমাদের গ্রন্থ নিয়ে এস, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।
মুহিউদ্দীন খান
১৫৭ তোমরা সত্যবাদী হলে তোমাদের কিতাব আন।
Word by word
١٥٧ فَأْتُوا۟ بِكِتَٰبِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৮ তারা আল্লাহ্ এবং জিনদের মাঝেও আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করে। অথচ জিনরা জানে, অবশ্যি তাদেরকে হাজির করা হবে বিচারের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১৫৮ উহারা আল্লাহ্ ও জিন জাতির মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক স্থির করিয়াছে, অথচ জিনেরা জানে তাহাদেরকেও নিশ্চয়ই উপস্থিত করা হইবে শাস্তির জন্য।
জহুরুল হক
১৫৮ আর তারা তাঁর মধ্যে ও জিনদের মধ্যে একটা সম্পর্ক দাঁড় করিয়েছে। আর জিনরা তো জেনেই ফেলেছে যে তাদের অবশ্যই উপস্থাপিত করা হবে।
মুহিউদ্দীন খান
১৫৮ তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মধ্যে সম্পর্ক সাব্যস্ত করেছে, অথচ জ্বিনেরা জানে যে, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে।
Word by word
١٥٨ وَجَعَلُوا۟ بَيْنَهُۥ وَبَيْنَ ٱلْجِنَّةِ نَسَبًا وَلَقَدْ عَلِمَتِ ٱلْجِنَّةُ إِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫৯ তারা আল্লাহর প্রতি যা আরোপ করে তিনি তা থেকে পবিত্র, মহান।
সমকালীন বাংলা
১৫৯ তারা যা বলে তা থাকলে আল্লাহ পবত্রি।
জহুরুল হক
১৫৯ আল্লাহ্ রই সব মহিমা! তারা যা আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে, - -
মুহিউদ্দীন খান
১৫৯ তারা যা বলে তা থেকে আল্লাহ পবিত্র।
Word by word
١٥٩ سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬০ তবে আল্লাহর মুখলিস (একনিষ্ঠ) বান্দারা তা করে না।
সমকালীন বাংলা
১৬০ তবে যারা আল্লাহর নষ্ঠিাবান বান্দা, তারা গ্রফেতার হয়ে আসবে না।
জহুরুল হক
১৬০ আল্লাহ্ র নিষ্ঠাবান বান্দারা ব্যতীত।
মুহিউদ্দীন খান
১৬০ তবে যারা আল্লাহর নিষ্ঠাবান বান্দা, তারা গ্রেফতার হয়ে আসবে না।
Word by word
١٦٠ إِلَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬১ জেনে রাখো, তোমরা নিজেরা এবং তোমরা যাদের ইবাদত (পূজা, উপাসনা) করো, তারা (সবাই মিলে)
সমকালীন বাংলা
১৬১ তোমরা এবং তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর উহারা -
জহুরুল হক
১৬১ অতএব নিশ্চয়ই তোমরা ও যাদের তোমরা উপাসনা কর তারা - -
মুহিউদ্দীন খান
১৬১ অতএব তোমরা এবং তোমরা যাদের উপাসনা কর,
Word by word
١٦١ فَإِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬২ তোমরা কাউকেও আল্লাহর ব্যাপারে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
সমকালীন বাংলা
১৬২ তাদরে কাউকইে তােমরা আল্লাহ সর্ম্পকে বভ্রিান্ত করতে পারবে না।
জহুরুল হক
১৬২ তোমরা তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তকারী হতে পারবে না, - -
মুহিউদ্দীন খান
১৬২ তাদের কাউকেই তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে পারবে না।
Word by word
١٦٢ مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ بِفَٰتِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৩ কেবল জাহিমে (জাহান্নামে) প্রবেশকারীকে ছাড়া।
সমকালীন বাংলা
১৬৩ কেবল প্রজ্বলিত অগ্নিতে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।
জহুরুল হক
১৬৩ তাকে ব্যতীত যে জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে চায়।
মুহিউদ্দীন খান
১৬৩ শুধুমাত্র তাদের ছাড়া যারা জাহান্নামে পৌছাবে।
Word by word
١٦٣ إِلَّا مَنْ هُوَ صَالِ ٱلْجَحِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৪ (ফেরেশতারা বলে:)! ‘‘আমাদের প্রত্যেকের জন্যেই রয়েছে নির্ধারিত স্থান।
সমকালীন বাংলা
১৬৪ আমাদের প্রত্যেকের জন্যই নির্ধারিত স্থান রহিয়াছে,
জহুরুল হক
১৬৪ আর ''আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার জন্যে নির্ধারিত আবাস নেই,
মুহিউদ্দীন খান
১৬৪ আমাদের প্রত্যেকের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট স্থান।
Word by word
١٦٤ وَمَا مِنَّآ إِلَّا لَهُۥ مَقَامٌ مَّعْلُومٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৫ আমরা অবশ্যি সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান।
সমকালীন বাংলা
১৬৫ আমরা তো সারিবদ্ধভাবে দণ্ডায়মান
জহুরুল হক
১৬৫ ''আর নিশ্চয়ই আমরা, আমরাই তো সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াব,
মুহিউদ্দীন খান
১৬৫ এবং আমরাই সারিবদ্ধভাবে দন্ডায়মান থাকি।
Word by word
١٦٥ وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلصَّآفُّونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৬ আমরা অবশ্যি আল্লাহর তসবিহ্ (পবিত্রতা ও শ্রেষ্ঠত্ব) ঘোষণাকারী।’’
সমকালীন বাংলা
১৬৬ ‘এবং আমরা অবশ্যই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণাকারী।’
জহুরুল হক
১৬৬ ''আর অবশ্য আমরা, আলবৎ আমরা জপ করতে থাকব।’’
মুহিউদ্দীন খান
১৬৬ এবং আমরাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করি।
Word by word
١٦٦ وَإِنَّا لَنَحْنُ ٱلْمُسَبِّحُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৭ তারা তো বলে আসছে:
সমকালীন বাংলা
১৬৭ উহারাই তো বলিয়া আসিয়াছে,
জহুরুল হক
১৬৭ আর নিশ্চয়ই তারা বলতে থাকতো - -
মুহিউদ্দীন খান
১৬৭ তারা তো বলতঃ
Word by word
١٦٧ وَإِن كَانُوا۟ لَيَقُولُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৮ ‘‘আগেকার কিতাবের মতো কোনো কিতাব যদি আমাদের কাছে থাকতো,
সমকালীন বাংলা
১৬৮ পূর্ববর্তীদের কিতাবের মত যদি আমাদের কোন কিতাব থাকিত,
জহুরুল হক
১৬৮ ''যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে কোনো স্মরণীয় গ্রন্থ থাকতো,
মুহিউদ্দীন খান
১৬৮ যদি আমাদের কাছে পূর্ববর্তীদের কোন উপদেশ থাকত,
Word by word
١٦٨ لَوْ أَنَّ عِندَنَا ذِكْرًا مِّنَ ٱلْأَوَّلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬৯ তবে অবশ্যি আমরা আল্লাহর মুখলিস (নিষ্ঠাবান) বান্দা হয়ে যেতাম।’’
সমকালীন বাংলা
১৬৯ তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনােনীত বান্দা হতাম।
জহুরুল হক
১৬৯ ''তাহলে আমরা আল্লাহ্ র নিষ্ঠাবান বান্দা হতে পারতাম।’’
মুহিউদ্দীন খান
১৬৯ তবে আমরা অবশ্যই আল্লাহর মনোনীত বান্দা হতাম।
Word by word
١٦٩ لَكُنَّا عِبَادَ ٱللَّهِ ٱلْمُخْلَصِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭০ কিন্তু তারা সেটির (কুরআনের) প্রতি কুফুরি করলো, এখন অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর পরিণাম)।
সমকালীন বাংলা
১৭০ কিন্তু উহারা কুরআন প্রত্যাখ্যান করিল এবং শীঘ্রই উহারা জানিতে পারিবে;
জহুরুল হক
১৭০ কিন্তু তারা এতে অবিশ্বাস পোষণ করে, কাজেই শীঘ্রই তারা জানতে পারবে।
মুহিউদ্দীন খান
১৭০ বস্তুতঃ তারা এই কোরআনকে অস্বীকার করেছে। এখন শীঘ্রই তারা জেনে নিতে পারবে,
Word by word
١٧٠ فَكَفَرُوا۟ بِهِۦ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭১ আমার রসূলদের ব্যাপারে আমার এই ফায়সালা পূর্ব থেকেই স্থির হয়ে আছে যে,
সমকালীন বাংলা
১৭১ আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হইয়াছে যে,
জহুরুল হক
১৭১ আর অবশ্যই আমাদের বক্তব্য আমাদের বান্দাদের - - প্রেরিত পুরুষদের, জন্য সাব্যস্ত হয়েই গেছে, - -
মুহিউদ্দীন খান
১৭১ আমার রাসূল ও বান্দাগণের ব্যাপারে আমার এই বাক্য সত্য হয়েছে যে,
Word by word
١٧١ وَلَقَدْ سَبَقَتْ كَلِمَتُنَا لِعِبَادِنَا ٱلْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭২ তারা অবশ্যি সাহায্যপ্রাপ্ত হবে,
সমকালীন বাংলা
১৭২ অবশ্যই তাহারা সাহায্যপ্রাপ্ত হইবে,
জহুরুল হক
১৭২ নিঃসন্দেহ তাঁরা - - তাঁরাই তো হবে সাহায্যপ্রাপ্ত,
মুহিউদ্দীন খান
১৭২ অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হয়।
Word by word
١٧٢ إِنَّهُمْ لَهُمُ ٱلْمَنصُورُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৩ এবং আমাদের বাহিনীই হবে বিজয়ী।
সমকালীন বাংলা
১৭৩ এবং আমার বাহিনীই হইবে বিজয়ী।
জহুরুল হক
১৭৩ আর নিঃসন্দেহ আমাদের সেনাদল - - তারাই তো হবে বিজয়ী।
মুহিউদ্দীন খান
১৭৩ আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী।
Word by word
١٧٣ وَإِنَّ جُندَنَا لَهُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৪ সুতরাং কিছুকালের জন্যে তুমি তাদের উপেক্ষা করে চলো।
সমকালীন বাংলা
১৭৪ অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
জহুরুল হক
১৭৪ অতএব তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,
মুহিউদ্দীন খান
১৭৪ অতএব আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।
Word by word
١٧٤ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৫ এবং তাদের পর্যবেক্ষণ করতে থাকো, শীঘ্রি তারা দেখতে পাবে।
সমকালীন বাংলা
১৭৫ তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
জহুরুল হক
১৭৫ আর তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।
মুহিউদ্দীন খান
১৭৫ এবং তাদেরকে দেখতে থাকুন। শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।
Word by word
١٧٥ وَأَبْصِرْهُمْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৬ তারা কি আমাদের আযাব দ্রুত করার কামনা করে?
সমকালীন বাংলা
১৭৬ উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্নিত করিতে চায়?
জহুরুল হক
১৭৬ তারা কি তবে আমাদের শাস্তি ত্বরান্বিত করতে চায়?
মুহিউদ্দীন খান
১৭৬ আমার আযাব কি তারা দ্রুত কামনা করে?
Word by word
١٧٦ أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৭ তাদের আঙিনায় যখন আযাব নেমে আসবে, তখন তারা দেখতে পাবে, যাদের সতর্ক করা হয়েছে তাদের সকাল বেলাটা কতো নিকৃষ্ট!
সমকালীন বাংলা
১৭৭ তাহাদের আঙিনায় যখন শাস্তি নামিয়া আসিবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হইবে কত মন্দ!
জহুরুল হক
১৭৭ কিন্তু যখন তা তাদের আঙিনায় অবতরণ করবে তখন সতর্কীকৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ!
মুহিউদ্দীন খান
১৭৭ অতঃপর যখন তাদের আঙ্গিনায় আযাব নাযিল হবে, তখন যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল, তাদের সকাল বেলাটি হবে খুবই মন্দ।
Word by word
١٧٧ فَإِذَا نَزَلَ بِسَاحَتِهِمْ فَسَآءَ صَبَاحُ ٱلْمُنذَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৮ সুতরাং কিছু কালের জন্যে তাদের উপেক্ষা করো।
সমকালীন বাংলা
১৭৮ অতএব কিছু কালের জন্য তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর।
জহুরুল হক
১৭৮ আর তুমি তাদের থেকে ফিরে থেকো কিছুকালের জন্য,
মুহিউদ্দীন খান
১৭৮ আপনি কিছুকালের জন্যে তাদেরকে উপেক্ষা করুন।
Word by word
١٧٨ وَتَوَلَّ عَنْهُمْ حَتَّىٰ حِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭৯ এবং পর্যবেক্ষণ করো। অচিরেই তারা দেখতে পাবে (তাদের পরিণতি)।
সমকালীন বাংলা
১৭৯ তুমি উহাদেরকে পর্যবেক্ষণ কর, শীঘ্রই উহারা প্রত্যক্ষ করিবে।
জহুরুল হক
১৭৯ আর লক্ষ্য রাখো, কেননা তারাও শীঘ্রই দেখতে পাবে।
মুহিউদ্দীন খান
১৭৯ এবং দেখতে থাকুন, শীঘ্রই তারাও এর পরিণাম দেখে নেবে।
Word by word
١٧٩ وَأَبْصِرْ فَسَوْفَ يُبْصِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮০ তারা তাঁর প্রতি যা আরোপ করে, তা থেকে তোমার প্রভু পবিত্র ও মহান এবং সকল ক্ষমতার অধিকারী।
সমকালীন বাংলা
১৮০ উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী।
জহুরুল হক
১৮০ মহিমা কীর্তিত হোক তোমার প্রভুর - - পরম মর্যাদা সম্পন্ন প্রভুর, তারা যা - কিছু আরোপ করে তা থেকে বহু ঊর্ধ্বে।
মুহিউদ্দীন খান
১৮০ পবিত্র আপনার পরওয়ারদেগারের সত্তা, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র যা তারা বর্ণনা করে তা থেকে।
Word by word
١٨٠ سُبْحَٰنَ رَبِّكَ رَبِّ ٱلْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮১ এবং সালাম রসূলদের প্রতি।
সমকালীন বাংলা
১৮১ শান্তি বর্ষিত হউক রাসূলদের প্রতি!
জহুরুল হক
১৮১ আর 'সালাম’ প্রেরিতপুরুষদের উপরে।
মুহিউদ্দীন খান
১৮১ পয়গম্বরগণের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক।
Word by word
١٨١ وَسَلَٰمٌ عَلَى ٱلْمُرْسَلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮২ আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ রাববুল আলামিনের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১৮২ সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই প্রাপ্য।
জহুরুল হক
১৮২ আর সকল প্রশংসা আল্লাহ্ রই জন্য - - বিশ্বজগতের প্রভু!
মুহিউদ্দীন খান
১৮২ সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর নিমিত্ত।
Word by word
١٨٢ وَٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report