আল মা‘আরিজ (উচ্চ মর্যাদা) , choose another chapter
আল মা‘আরিজ (উচ্চ মর্যাদা)
Chapter 70, 44 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
Saheeh International
বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৪৪, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৮কাফিররা কিয়ামত প্রতিরোধ করতে পারবে না। কিয়ামত ও হাশরের দৃশ্য।
১৯-৩৫মানুষের স্বভাব। মুসল্লিদের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি।
৩৬-৪৪কাফিরদের অবস্থা। পুনরুত্থান অবশ্যি ঘটবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করলো অবধারিত আযাব সম্পর্কে,
Saheeh International
1 A supplicant asked for a punishment bound to happen
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ এক প্রশ্নকারী জিজ্ঞাসা করল এমন আযাব সম্পর্কে, যা আপতিত হবে-* *আয়াতটির আরেক অর্থ হল, ‘একজন প্রার্থনাকারী এমন আযাবের দো‘আ করল যা আপতিত হবে’।
জহুরুল হক
১ এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করছে অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২ (যা অবধারিত) কাফিরদের জন্যে, যা প্রতিরোধ করার কেউ নেই,
Saheeh International
2 To the disbelievers; of it there is no preventer.
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ কাফিরদের উপর, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
জহুরুল হক
২ অবিশ্বাসীদের জন্য, এর প্রতিরোধকারী কেউ নেই - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ যা আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
Saheeh International
3 [It is] from Allah, owner of the ways of ascent.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে,
জহুরুল হক
৩ আল্লাহ্ র নিকট থেকে, যিনি উন্নয়নের সোপানের অধিকর্তা।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ ফেরেশতারা এবং রূহ (জিবরিল) তাঁর দিকে উঠে এমন একটি ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যে (পৃথিবীর সময় অনুযায়ী) যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
Saheeh International
4 The angels and the Spirit will ascend to Him during a Day the extent of which is fifty thousand years.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ ফেরেশতাগণ ও রূহ এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হয়, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
জহুরুল হক
৪ ফিরিশ্তাগণ ও আত্মা তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে যার পরিমাপ হলো পঞ্চাশ হাজার বছর।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ সুতরাং তুমি সবর করো সব্রে জামিল (সুন্দর সবর)।
Saheeh International
5 So be patient with gracious patience.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ অতএব তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ কর।
জহুরুল হক
৫ অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও এক সুমহান ধৈর্যধারণে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তারা সেই (দিনটিকে) দেখে সুদূর,
Saheeh International
6 Indeed, they see it [as] distant,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ তারা তো এটিকে সুদূরপরাহত মনে করে।
জহুরুল হক
৬ নিঃসন্দেহ তারা একে মনে করে বহু দূরে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ আর আমরা দেখছি একেবারে অদূর।
Saheeh International
7 But We see it [as] near.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ আর আমি দেখছি তা আসন্ন।
জহুরুল হক
৭ কিন্তু আমরা দেখছি এ নিকটে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ সেদিন আসমান হবে গলিত ধাতুর মতো,
Saheeh International
8 On the Day the sky will be like murky oil,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়।
জহুরুল হক
৮ সেইদিন আকাশ হয়ে যাবে গলানো তামার মতো,
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মতো।
Saheeh International
9 And the mountains will be like wool,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে রঙিন পশমের ন্যায়।
জহুরুল হক
৯ আর পাহাড়গুলো হবে উলের মতো,
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ সেদিন কোনো সহমর্মী বন্ধু কোনো খোঁজ খবর নেবেনা অপর সহমর্মী বন্ধুর।
Saheeh International
10 And no friend will ask [anything of] a friend,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আর অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করবে না।
জহুরুল হক
১০ আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদ করবে না অন্তরঙ্গ বন্ধু সন্বন্ধে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তাদেরকে পরস্পরের চোখের সামনেই রাখা হবে। অপরাধীরা সেদিনকার আযাবের বিনিময়ে দিয়ে দিতে চাইবে তার সন্তানদের,
Saheeh International
11 They will be shown each other. The criminal will wish that he could be ransomed from the punishment of that Day by his children
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ তাদেরকে একে অপরের দৃষ্টিগোচর করা হবে। অপরাধী চাইবে যদি সে সেদিনের শাস্তি থেকে তার সন্তান-সন্ততিকে পণ হিসেবে দিয়ে মুক্তি পেতে,
জহুরুল হক
১১ তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,
Saheeh International
12 And his wife and his brother
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ আর তার স্ত্রী ও ভাইকে,
জহুরুল হক
১২ আর তার সহধর্মিণীর ও তার ভাইয়ের,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে যারা তাকে দিতো আশ্রয় ও নিরাপত্তা,
Saheeh International
13 And his nearest kindred who shelter him
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ আর তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
জহুরুল হক
১৩ আর তার নিকট - আত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে করে তাকে নাজাত দেয় এসব মুক্তিপণ।
Saheeh International
14 And whoever is on earth entirely [so] then it could save him.
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ আর যমীনে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে এটি তাকে রক্ষা করে।
জহুরুল হক
১৪ আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সমস্তটাই, - - যেন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ কখনো নয়, অবশ্যি তার জন্যে রয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা,
Saheeh International
15 No! Indeed, it is the Flame [of Hell],
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ কখনো নয়! এটিতো লেলিহান আগুন।
জহুরুল হক
১৫ কখনোই নয়! নিঃসন্দেহ এটি এক শিখায়িত আগুন, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ যা খসিয়ে দেবে গায়ের চামড়া।
Saheeh International
16 A remover of exteriors.
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ যা মাথার চামড়া খসিয়ে নেবে।
জহুরুল হক
১৬ চামড়া ঝলসিয়ে খসাতে উদগ্রীব, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ জাহান্নাম ডাকবে ঐ ব্যক্তিকে, যে সত্যের আহবান থেকে পিছু হটে যায় এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়,
Saheeh International
17 It invites he who turned his back [on truth] and went away [from obedience]
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ জাহান্নাম তাকে ডাকবে যে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল ।
জহুরুল হক
১৭ এ ডাকবে তাকে যে পালিয়েছিল ও ফিরে গিয়েছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ যে (অর্থ সম্পদ) জমা করে রেখেছিল এবং সংরক্ষণ করেছিল।
Saheeh International
18 And collected [wealth] and hoarded.
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ আর সম্পদ জমা করেছিল, অতঃপর তা সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
জহুরুল হক
১৮ আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের করে,
Saheeh International
19 Indeed, mankind was created anxious:
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে।
জহুরুল হক
১৯ নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা - - তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ যখন কোনো মন্দ তাকে স্পর্শ করে, সে হা - হুতাশ করে।
Saheeh International
20 When evil touches him, impatient,
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত।
জহুরুল হক
২০ যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ যখন সে লাভ করে কোনো কল্যাণ, তখন সে হয় কৃপণ।
Saheeh International
21 And when good touches him, withholding [of it],
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিশয় কৃপণ।
জহুরুল হক
২১ আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড় - কিপটে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তবে, মুসল্লিরা এর ব্যতিক্রম
Saheeh International
22 Except the observers of prayer -
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ সালাত আদায়কারীগণ ছাড়া,
জহুরুল হক
২২ তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ যারা স্থায়ীভাবে নিয়মিত সালাত আদায়কারী,
Saheeh International
23 Those who are constant in their prayer
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ যারা তাদের সালাতের ক্ষেত্রে নিয়মিত।
জহুরুল হক
২৩ যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ যাদের মাল সম্পদে নির্ধারিত হক থাকে
Saheeh International
24 And those within whose wealth is a known right
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ আর যাদের ধন-সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত হক,
জহুরুল হক
২৪ আর যারা তাদের ধনসম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ ভিক্ষুক এবং মাহরুমদের (বঞ্চিতদের) জন্যে,
Saheeh International
25 For the petitioner and the deprived -
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ যাচঞাকারী ও বঞ্চিতের,
জহুরুল হক
২৫ ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ যারা সত্য বলে স্বীকার করে প্রতিদান দিবসকে,
Saheeh International
26 And those who believe in the Day of Recompense
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ আর যারা প্রতিফল-দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
জহুরুল হক
২৬ আর যারা বিচারের দিনকে সত্য বলে গ্রহণ করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ এবং যারা তাদের প্রভুর আযাব সম্পর্কে থাকে সব সময় ভীত - সন্ত্রস্ত।
Saheeh International
27 And those who are fearful of the punishment of their Lord -
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ আর যারা তাদের রবের আযাব সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত।
জহুরুল হক
২৭ আর যারা তাদের প্রভুর শাস্তি সম্পর্কে খোদ ভীতসন্ত্রস্ত, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর আযাব নিরাপদ নয়।
Saheeh International
28 Indeed, the punishment of their Lord is not that from which one is safe -
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ নিশ্চয় তাদের রবের আযাব থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
জহুরুল হক
২৮ নিশ্চয় তাদের প্রভুর শাস্তি প্রশান্তিদায়ক নয়;
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারা হিফাযতকারী তাদের যৌনাংগ।
Saheeh International
29 And those who guard their private parts
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৯ আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহের হিফাযতকারী।
জহুরুল হক
২৯ আর যারা নিজেরাই তাদের আঙ্গিক - কর্তব্যাবলী সম্পর্কে যত্নবান, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তবে নিজেদের স্ত্রী (এবং স্বামী) এবং অধিকারভুক্ত দাসীদের ছাড়া, কারণ তারা নিন্দনীয় নয়।
Saheeh International
30 Except from their wives or those their right hands possess, for indeed, they are not to be blamed -
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩০ তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে সে দাসীগণের ক্ষেত্র ছাড়া। তাহলে তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না।
জহুরুল হক
৩০ তবে নিজেদের দম্পতি অথবা তাদের ডানহাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের ছাড়া, কেননা সেক্ষেত্রে তারা নিন্দনীয় নহে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ কিন্তু কেউ এর বাইরে অন্য কাউকেও কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।
Saheeh International
31 But whoever seeks beyond that, then they are the transgressors -
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩১ তবে যে কেউ এদের বাইরে অন্যকে কামনা করে, তারাই তো সীমালংঘনকারী।
জহুরুল হক
৩১ কিন্তু যে এর বাইরে যাওয়া কামনা করে তাহলে তারা নিজেরাই হবে সীমালংঘনকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ (তাদের আরো বৈশিষ্ট্য হলো,) তারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী।
Saheeh International
32 And those who are to their trusts and promises attentive
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩২ আর যারা নিজদের আমানত ও ওয়াদা রক্ষাকারী,
জহুরুল হক
৩২ আর যারা খোদ তাদের আমানত সন্বন্ধে ও তাদের অংগীকার সন্বন্ধে সজাগ থাকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ তারা মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত তাদের সাক্ষ্যদানের উপর,
Saheeh International
33 And those who are in their testimonies upright
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৩ আর যারা তাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
জহুরুল হক
৩৩ আর যারা স্বয়ং তাদের সাক্ষ্যদানে সুপ্রতিষ্ঠিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ এবং তারা হিফাযতকারী তাদের সালাতের,
Saheeh International
34 And those who [carefully] maintain their prayer:
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৪ আর যারা নিজদের সালাতের হিফাযত করে,
জহুরুল হক
৩৪ আর যারা নিজেরা তাদের নামায সন্বন্ধে সদা যত্নবান,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ তারাই হবে জান্নাতে সম্মানিত।
Saheeh International
35 They will be in gardens, honored.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৫ তারাই জান্নাতসমূহে সম্মানিত হবে।
জহুরুল হক
৩৫ তারাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ যারা কুফুরি করেছে তাদের কী হলো যে, (তুমি কুরআন পাঠ করলেই) তারা তোমার দিকে তেড়ে আসে
Saheeh International
36 So what is [the matter] with those who disbelieve, hastening [from] before you, [O Muhammad],
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৬ কাফিরদের কী হল যে, তারা তোমার দিকে ছুটছে,
জহুরুল হক
৩৬ কিন্তু কি হয়েছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, যে তারা তোমার দিকে উদগ্রীব হয়ে ছুটে আসছে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে দলে দলে?
Saheeh International
37 [To sit] on [your] right and [your] left in separate groups?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৭ ডানে ও বামে দলে দলে?
জহুরুল হক
৩৭ ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে, দলেদলে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নিয়ামতে ভরা জান্নাতে দাখিল করা হবে?
Saheeh International
38 Does every person among them aspire to enter a garden of pleasure?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৮ তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি কি আশা করে যে, তাকে প্রাচুর্যময় জান্নাতে দাখিল করা হবে?
জহুরুল হক
৩৮ তাদের মধ্যের প্রত্যেক লোকই কি আশা করে যে তাকে প্রবেশ করানো হবে আনন্দময় উদ্যানে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ কখনো নয়, আমরা তাদেরকে যা দিয়ে সৃষ্টি করেছি, তা তারা জানে।
Saheeh International
39 No! Indeed, We have created them from that which they know.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৯ কখনো নয়, নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তারা যা জানে তা থেকে।
জহুরুল হক
৩৯ কখনই না। নিঃসন্দেহ আমরা কি দিয়ে তাদের গড়েছি তা তারা জানে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ না, আমি উদয়াচল এবং অস্তাচলসমূহের প্রভুর কসম খেয়ে বলছি, অবশ্যি আমরা সক্ষম,
Saheeh International
40 So I swear by the Lord of [all] risings and settings that indeed We are able
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪০ অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম!
জহুরুল হক
৪০ কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তাদের বদলে তাদের চেয়ে উত্তম (মানব দলকে) তাদের স্থলাভিষিক্ত করতে এবং একাজে কেউ পারবেনা আমাদের পরাস্ত করতে।
Saheeh International
41 To replace them with better than them; and We are not to be outdone.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪১ তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি অক্ষম নই।
জহুরুল হক
৪১ যে আমরা তাদের চেয়ে ভালোদের দিয়ে বদলে দেব, আর আমরা পরাজিত হবার নই।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ সুতরাং তাদেরকে বাক - বিতর্ক আর খেলতামাশায় মত্ত থাকতে দাও যেদিনটি সম্পর্কে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল সেই দিনটি আসার আগ পর্যন্ত।
Saheeh International
42 So leave them to converse vainly and amuse themselves until they meet their Day which they are promised -
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪২ অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা (বেহুদা কথায়) মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
জহুরুল হক
৪২ সেজন্য তাদের ছেড়ে দাও গল্পগুজব ও খেলাধুলো করতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যার সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ সেদিন তারা দ্রুত বেরিয়ে আসবে কবর থেকে, মনে হবে যেনো তারা উপাসনালয়ের দিকে দৌড়াচ্ছে।
Saheeh International
43 The Day they will emerge from the graves rapidly as if they were, toward an erected idol, hastening.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৩ যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে,
জহুরুল হক
৪৩ সেইদিন তারা কবরগুলো থেকে বেরিয়ে আসবে ব্যস্তসমস্ত হয়ে, যেন তারা একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হয়েছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে যিল্লতি। এটাই সেই দিন যার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের।
Saheeh International
44 Their eyes humbled, humiliation will cover them. That is the Day which they had been promised.
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৪ অবনত চোখে। লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে! এটিই সেদিন যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
জহুরুল হক
৪৪ তাদের চোখ হবে অবনত, হীনতা তাদের আচ্ছন্ন করবে। এমনটাই সেইদিন যার বিষয়ে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report