তুমি তোমার সুমহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর,
بسم الله الرحمن الرحيم سبح اسم ربك الأعلى
তসবিহ্ করো তোমার মহান প্রভুর নামের,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى
سَبِّحِ ٱسْمَ رَبِّكَ ٱلْأَعْلَى
Chapter 87, 19 verses
তুমি তোমার সুমহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর,
بسم الله الرحمن الرحيم سبح اسم ربك الأعلى
তসবিহ্ করো তোমার মহান প্রভুর নামের,
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى
سَبِّحِ ٱسْمَ رَبِّكَ ٱلْأَعْلَى
যিনি সৃষ্টি করেন ও সুঠাম করেন।
الذي خلق فسوى
যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সুষম করেছেন,
الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ
ٱلَّذِى خَلَقَ فَسَوَّىٰ
এবং যিনি পরিমিত বিকাশ সাধন করেন ও পথনির্দেশ করেন,
والذي قدر فهدى
যিনি সামঞ্জ্যপূর্ণ অনুপাত নির্ধারণ করেছেন এবং পথ প্রদর্শন করেছেন।
وَالَّذِي قَدَّرَ فَهَدَىٰ
وَٱلَّذِى قَدَّرَ فَهَدَىٰ
এবং যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেন,
والذي أخرج المرعى
এবং যিনি (জমিন থেকে) বের করে আনেন উদ্ভিদ।
وَالَّذِي أَخْرَجَ الْمَرْعَىٰ
وَٱلَّذِىٓ أَخْرَجَ ٱلْمَرْعَىٰ
পরে উহাকে ধূসর আবর্জনায় পরিণত করেন।
فجعله غثاء أحوى
তারপর সেগুলোকে পরিণত করেন কালো আবর্জনায়।
فَجَعَلَهُ غُثَاءً أَحْوَىٰ
فَجَعَلَهُۥ غُثَآءً أَحْوَىٰ
নিশ্চয় আমি তোমাকে পাঠ করাইব, ফলে তুমি বিস্মৃত হইবে না,
سنقرئك فلا تنسى
আমরা তোমাকে পড়িয়ে দেবো (কুরআন), তারপর তুমি আর তা ভুলবেনা।
سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰ
سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰٓ
যাহা ইচ্ছা করিবেন তাহা ব্যতিত। তিনি জানেন যাহা প্রকাশ্য ও যাহা গোপন।
إلا ما شاء الله ۚ إنه يعلم الجهر وما يخفى
তবে যা ইচ্ছা করেন, নিশ্চয়ই তিনি জানেন প্রকাশ্য এবং গোপনীয় সবকিছু।
إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ ۚ إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ
إِلَّا مَا شَآءَ ٱللَّهُ إِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ
আমি তোমার জন্য সুগম করিয়া দিব সহজ পথ।
ونيسرك لليسرى
আমরা তোমার জন্যে সহজ পথকে সহজ করে দেবো।
وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَىٰ
وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَىٰ
উপদেশ যদি ফলপ্রসূ হয় তবে উপদেশ দাও;
فذكر إن نفعت الذكرى
তাই তুমি (মানুষকে) উপদেশ দিতে থাকো, যদি উপদেশ তাদের উপকারে আসে।
فَذَكِّرْ إِن نَّفَعَتِ الذِّكْرَىٰ
فَذَكِّرْ إِن نَّفَعَتِ ٱلذِّكْرَىٰ
যে ভয় করে সে উপদেশ গ্রহণ করিবে।
سيذكر من يخشى
ঐ ব্যক্তি অবশ্যি উপদেশ গ্রহণ করবে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।
سَيَذَّكَّرُ مَن يَخْشَىٰ
سَيَذَّكَّرُ مَن يَخْشَىٰ
আর উহা উপেক্ষা করিবে যে নিতান্ত হতভাগ্য,
ويتجنبها الأشقى
আর তা উপেক্ষা করবে ঐ ব্যক্তি, যে বড়ই দুর্ভাগা,
وَيَتَجَنَّبُهَا الْأَشْقَى
وَيَتَجَنَّبُهَا ٱلْأَشْقَى
যে মহাঅগ্নিতে প্রবেশ করিবে,
الذي يصلى النار الكبرى
যে প্রবেশ করবে সাংঘাতিক আগুনে।
الَّذِي يَصْلَى النَّارَ الْكُبْرَىٰ
ٱلَّذِى يَصْلَى ٱلنَّارَ ٱلْكُبْرَىٰ
অতঃপর সেখানে সে মরিবেও না, বাঁচিবেও না।
ثم لا يموت فيها ولا يحيى
অতপর সেখানে সে মরবেওনা, বাঁচবেওনা।
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ
ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ
নিশ্চয় সাফল্য লাভ করিবে যে পবিত্রতা অর্জন করে।
قد أفلح من تزكى
নিশ্চয়ই সাফল্য অর্জন করবে ঐ ব্যক্তি, যে তাযকিয়া করবে,
قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ
قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ
এবং তাহার প্রতিপালকের নাম স্মরণ করে ও কায়েম করে।
وذكر اسم ربه فصلى
এবং তার প্রভুর নাম যিকির (উচ্চারণ, আলোচনা, স্মরণ) করবে, আর আদায় করবে ।
وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّىٰ
وَذَكَرَ ٱسْمَ رَبِّهِۦ فَصَلَّىٰ
কিন্তু তোমরা পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দাও,
بل تؤثرون الحياة الدنيا
কিন্তু তোমরা প্রাধান্য দিয়ে চলছো দুনিয়ার হায়াতকে।
بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
بَلْ تُؤْثِرُونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا
অথচ আখিরাতই উৎকৃষ্টতর এবং স্থায়ী।
والآخرة خير وأبقى
অথচ ( - এর হায়াতই) হবে উত্তম এবং তা বাকি (স্থায়ী) থাকবে চিরকাল।
وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ
وَٱلْءَاخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰٓ
ইহা তো আছে পূর্ববর্তী গ্রন্থে
إن هذا لفي الصحف الأولى
নিশ্চয়ই এই উপদেশ পূর্বের সহিফাগুলোতেও (কিতাবগুলোতেও) রয়েছে,
إِنَّ هَٰذَا لَفِي الصُّحُفِ الْأُولَىٰ
إِنَّ هَٰذَا لَفِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ
ইব্রাহীম ও মূসার গ্রন্থে।
صحف إبراهيم وموسى
ইবরাহিম এবং মূসার সহিফায়।
صُحُفِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَىٰ
صُحُفِ إِبْرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ