শপথ ঊর্ধ্বশ্বাসে ধাবমান অশ্বরাজির,
Bei den schnaubend Rennenden,
بسم الله الرحمن الرحيم والعاديات ضبحا
শপথ (সেই সব ঘোড়ার) যারা দৌড়ায় উর্ধ্বশ্বাসে,
Chapter 100, 11 verses
শপথ ঊর্ধ্বশ্বাসে ধাবমান অশ্বরাজির,
Bei den schnaubend Rennenden,
بسم الله الرحمن الرحيم والعاديات ضبحا
শপথ (সেই সব ঘোড়ার) যারা দৌড়ায় উর্ধ্বশ্বাসে,
যাহারা খুরাঘাতে অগ্নি - স্ফুলিংগ বিচ্ছুরিত করে,
den (mit ihren Hufen) Funken Schlagenden,
فالموريات قدحا
আর (ক্ষুরার আঘাতে) ঝরায় আগুনের ফুলকি,
যাহারা অভিযান করে প্রভাতকালে,
den am Morgen Angreifenden,
فالمغيرات صبحا
এবং আক্রমণ চালায় একেবারে ভোর - সকালে,
এবং সেই সময়ে ধূলি উৎক্ষিপ্ত করে;
die darin Staub aufwirbeln,
فأثرن به نقعا
এসময় ধূলায় ধুসরিত করে বাতাস,
অতঃপর শত্রুদলের অভ্যন্তরে ঢুকিয়া পড়ে।
die dann mitten in die Ansammlung eindringen!
فوسطن به جمعا
এবং এমনি করে তারা ঢুকে পড়ে কোনো (শত্রু) জনবসতির মাঝে।
মানুষ অবশ্যই তাহার প্রতিপালকের প্রতি অকৃতজ্ঞ
Der Mensch ist seinem Herrn gegenüber wahrlich undankbar,
إن الإنسان لربه لكنود
নিশ্চয়ই (অবিশ্বাসী) মানুষ অকৃতজ্ঞ তার প্রভুর প্রতি,
এবং সে অবশ্যই এই বিষয়ে অবহিত,
und er (selbst) ist darüber wahrlich Zeuge.
وإنه على ذلك لشهيد
এবং সে নিজেই এর (তার এ অকৃতজ্ঞতার) সাক্ষী।
এবং অবশ্যই সে ধন - সম্পদের আসক্তিতে প্রবল।
Und er ist in seiner Liebe zum (eigenen) Besten wahrlich heftig.
وإنه لحب الخير لشديد
আর সম্পদের মোহে সে প্রচন্ড (উগ্র)।
তবে কি সে সেই সম্পর্কে অবহিত নয় যখন কবরে যাহা আছে তাহা উত্থিত হইবে
Weiß er denn nicht? Wenn durchwühlt wird, was in den Gräbern ist,
۞ أفلا يعلم إذا بعثر ما في القبور
সে কি জানেনা, কবরে যা কিছু (দাফন করা) আছে সবই বের করে আনা হবে?
এবং অন্তরে যাহা আছে তাহা প্রকাশ করা হইবে?
und herausgeholt wird, was in den Brüsten ist,...
وحصل ما في الصدور
এবং মানুষের অন্তরে যা কিছু আছে সেসবও প্রকাশ করে দেয়া হবে?
সেই দিন উহাদের কী ঘটিবে, উহাদের প্রতিপালক অবশ্যই তাহা সবিশেষ অবহিত।
ihr Herr wird an jenem Tag ihrer wahrlich Kundig sein.
إن ربهم بهم يومئذ لخبير
অবশ্যি সেদিন তাদের রব তাদের বিষয়ে থাকবেন সম্যক অবহিত।