Kitab

আল সিজ্দাহ

Chapter 32, 30 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Arabic, with marks
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • Word by word
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ - লাম - মীম,

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম।

Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الم

বয়ান ফাউন্ডেশন

আলিফ-লাম-মীম।

Word by word

الٓمٓ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কিতাব জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ, ইহাতে কোন সন্দেহ নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এ কিতাব রাব্বুল আলামিনের নাযিলকৃত।

Arabic, with marks

تَنزِيلُ الْكِتَابِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِن رَّبِّ الْعَالَمِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এ কিতাব সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ, এতে কোন সন্দেহ নেই।

Word by word

تَنزِيلُ ٱلْكِتَٰبِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِن رَّبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি উহারা বলে, ‘ইহা সে নিজে রচনা করিয়াছে?’ না, ইহা তোমার প্রতিপালক হইতে আগত সত্য, যাহাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করিতে পার, যাহাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসে নাই, হয়ত উহারা সৎপথে চলিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি বলে: ‘এটি সে নিজে রচনা করে নিয়েছে?’ বরং তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে এ এক মহাসত্য। এটি নাযিলের উদ্দেশ্য হলো: সেই কওমকে সতর্ক করা, যাদের মধ্যে তোমার পূর্বে কোনো সতর্ককারী আসেনি। হয়তো তারা সঠিক পথ ধরবে।

Arabic, with marks

أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ ۚ بَلْ هُوَ الْحَقُّ مِن رَّبِّكَ لِتُنذِرَ قَوْمًا مَّا أَتَاهُم مِّن نَّذِيرٍ مِّن قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি তারা বলে, ‘সে তা রচনা করেছে?’ বরং তা তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য, যাতে তুমি এমন কওমকে সতর্ক করতে পার, যাদের কাছে তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। হয়তো তারা হিদায়াত লাভ করবে।

Word by word

أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ بَلْ هُوَ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّكَ لِتُنذِرَ قَوْمًا مَّآ أَتَىٰهُم مِّن نَّذِيرٍ مِّن قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌, যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও উহাদের অন্তর্বর্তী সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন ছয় দিনে। অতঃপর তিনি ‘আরশে সমাসীন হন। তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক নাই এবং সুপারিশকারীও নাই ; তবু কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না ?

আবদুস শহীদ নাসিম

, তিনিই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয়টি সময়কালে, তারপর তিনি সমাসীন হন আরশে। তিনি ছাড়া তোমাদের কোনো অলিও নেই শফীও (শাফায়াতকারীও) নেই। তারপরও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবেনা?

Arabic, with marks

اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ ۖ مَا لَكُم مِّن دُونِهِ مِن وَلِيٍّ وَلَا شَفِيعٍ ۚ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

, যিনি আসমান ও যমীন এবং এ দু’য়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তা ছয়দিনে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি আরশের উপর উঠেছেন। তিনি ছাড়া তোমাদের জন্য কোন অভিভাবক নেই এবং নেই কোন সুপারিশকারী। তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?

Word by word

ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِى سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ ٱسْتَوَىٰ عَلَى ٱلْعَرْشِ مَا لَكُم مِّن دُونِهِۦ مِن وَلِىٍّ وَلَا شَفِيعٍ أَفَلَا تَتَذَكَّرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আকাশ হইতে পৃথিবী পর্যন্ত সমুদয় বিষয় পরিচালনা করেন, অতঃপর একদিন সমস্ত কিছুই তাঁহার সমীপে সমুত্থিত হইবে - যে দিনের পরিমাপ হইবে তোমাদের হিসাবে সহস্র বৎসর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই আসমান থেকে জমিন পর্যন্ত সব বিষয় পরিচালনা করেন, তারপর একদিন সবকিছুই তাঁর কাছে উত্থাপন করা হবে, তোমাদের হিসাব অনুযায়ী যে দিনটির পরিমাণ হাজার বছর।

Arabic, with marks

يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি আসমান থেকে যমীন পর্যন্ত সকল কার্য পরিচালনা করেন। তারপর তা একদিন তাঁর কাছেই উঠবে। যেদিনের পরিমাণ হবে তোমাদের গণনায় হাজার বছর।

Word by word

يُدَبِّرُ ٱلْأَمْرَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ إِلَى ٱلْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُۥٓ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ও দৃশ্য সম্বন্ধে পরিজ্ঞাত, পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই , তিনি (অদৃশ্যের) এবং শাহাদাতের (দৃশ্যের) জ্ঞানী, মহাশক্তিধর, অতীব দয়াবান।

Arabic, with marks

ذَٰلِكَ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনিই ও হাযির সম্পর্কে জ্ঞাত, মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

Word by word

ذَٰلِكَ عَٰلِمُ ٱلْغَيْبِ وَٱلشَّهَٰدَةِ ٱلْعَزِيزُ ٱلرَّحِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তাহার প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সৃজন করিয়াছেন উত্তমরূপে, এবং কর্দম হইতে মানব সৃষ্টির সূচনা করিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি অতি উত্তম ও সুষম করেছেন প্রতিটি জিনিসের সৃষ্টি এবং তিনি মানুষ সৃষ্টির সূচনা করেছেন কাদামাটি থেকে।

Arabic, with marks

الَّذِي أَحْسَنَ كُلَّ شَيْءٍ خَلَقَهُ ۖ وَبَدَأَ خَلْقَ الْإِنسَانِ مِن طِينٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি তাঁর প্রতিটি সৃষ্টিকে সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন এবং কাদা মাটি থেকে মানুষ সৃষ্টির সূচনা করেছেন।

Word by word

ٱلَّذِىٓ أَحْسَنَ كُلَّ شَىْءٍ خَلَقَهُۥ وَبَدَأَ خَلْقَ ٱلْإِنسَٰنِ مِن طِينٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি তাহার বংশ উৎপন্ন করেন তুচ্ছ তরল পদার্থের নির্যাস হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি তার (মানুষের) বংশ চালু করেছেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে।

Arabic, with marks

ثُمَّ جَعَلَ نَسْلَهُ مِن سُلَالَةٍ مِّن مَّاءٍ مَّهِينٍ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তিনি তার বংশধর সৃষ্টি করেছেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে।

Word by word

ثُمَّ جَعَلَ نَسْلَهُۥ مِن سُلَٰلَةٍ مِّن مَّآءٍ مَّهِينٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে তিনি উহাকে করিয়াছেন সুঠাম এবং উহাতে ফুঁকিয়া দিয়াছেন তাঁহার রূহ্ হইতে এবং তোমাদেরকে দিয়াছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তঃকরণ, তোমরা অতি সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি তাকে সুষম ও সুঠাম করেন এবং তাতে ফুঁকে দেন তাঁর থেকে রূহ। আর তিনি তার শোনার জন্যে দিয়েছেন কান, দেখার জন্যে বানিয়ে দিয়েছেন চোখ এবং ভাববার জন্যে সৃষ্টি করে দিয়েছেন অন্তর। তোমরা খুব কমই শোকর আদায় করো।

Arabic, with marks

ثُمَّ سَوَّاهُ وَنَفَخَ فِيهِ مِن رُّوحِهِ ۖ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ ۚ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তিনি তাকে সুঠাম করেছেন এবং তাতে নিজের রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছেন। আর তিনি তোমাদের জন্য কান, চোখ ও অন্তরসমূহ সৃষ্টি করেছেন। তোমরা খুব সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

Word by word

ثُمَّ سَوَّىٰهُ وَنَفَخَ فِيهِ مِن رُّوحِهِۦ وَجَعَلَ لَكُمُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَٰرَ وَٱلْأَفْـِٔدَةَ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘আমরা মৃত্তিকায় পর্যবসিত হইলেও কি আমাদেরকে আবার নূতন করিয়া সৃষ্টি করা হইবে?’ বরং উহারা উহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎ অস্বীকার করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমরা যখন মাটিতে বিলীন হয়ে যাবো, তখন কি আমাদের পুনরায় নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’ বরং তারা তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়টিকেই অস্বীকার করছে।

Arabic, with marks

وَقَالُوا أَإِذَا ضَلَلْنَا فِي الْأَرْضِ أَإِنَّا لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ ۚ بَلْ هُم بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ كَافِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘আমরা যখন মাটিতে মিশে যাব তখন কি আবার নতুন সৃষ্টি হব’? বরং তারাতো তাদের রবের সাক্ষাৎকে অস্বীকারকারী।

Word by word

وَقَالُوٓا۟ أَءِذَا ضَلَلْنَا فِى ٱلْأَرْضِ أَءِنَّا لَفِى خَلْقٍ جَدِيدٍۭ بَلْ هُم بِلِقَآءِ رَبِّهِمْ كَٰفِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমাদের জন্য নিযুক্ত মৃত্যুর ফিরিশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করিবে। অবশেষে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যানীত হইবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমাদের ওফাত ঘটাবে মালাকুল মউত (মউতের ফেরেশতা) যাকে তোমাদের মৃত্যু ঘটাবার জন্যে নিযুক্ত করা হয়েছে। তারপর তোমাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে তোমাদের প্রভুর কাছে।’

Arabic, with marks

۞ قُلْ يَتَوَفَّاكُم مَّلَكُ الْمَوْتِ الَّذِي وُكِّلَ بِكُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমাদেরকে মৃত্যু দেবে মৃত্যুর ফেরেশতা যাকে তোমাদের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে। তারপর তোমাদের রবের নিকট তোমাদেরকে ফিরিয়ে আনা হবে’।

Word by word

قُلْ يَتَوَفَّىٰكُم مَّلَكُ ٱلْمَوْتِ ٱلَّذِى وُكِّلَ بِكُمْ ثُمَّ إِلَىٰ رَبِّكُمْ تُرْجَعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হায়, তুমি যদি দেখিতে ! যখন অপরাধীরা তাহাদের প্রতিপালকের সম্মুখে অধোবদন হইয়া বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! আমরা প্রত্যক্ষ করিলাম ও শ্রবণ করিলাম, এখন তুমি আমাদেরকে পুনরায় প্রেরণ কর, আমরা সৎকর্ম করিব, আমরা তো দৃঢ় ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

হায়, তুমি যদি দেখতে, অপরাধীরা যখন তাদের প্রভুর সামনে মাথা নত করে বলবে: ‘আমাদের প্রভু! আমরা সবকিছু দেখলাম এবং শুনলাম, এখন তুমি আমাদের আবার পৃথিবীতে পাঠাও, আমরা সৎকাজ করবো এবং আমরা মজবুত হয়েছি।’

Arabic, with marks

وَلَوْ تَرَىٰ إِذِ الْمُجْرِمُونَ نَاكِسُو رُءُوسِهِمْ عِندَ رَبِّهِمْ رَبَّنَا أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَارْجِعْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا إِنَّا مُوقِنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি তুমি দেখতে, যখন অপরাধীরা তাদের রবের সামনে মাথানত হয়ে থাকবে! (তারা বলবে) ‘হে আমাদের রব, আমরা দেখেছি ও শুনেছি, কাজেই আমাদেরকে পুনরায় পাঠিয়ে দিন, আমরা সৎকর্ম করব। নিশ্চয় আমরা দৃঢ় ’।

Word by word

وَلَوْ تَرَىٰٓ إِذِ ٱلْمُجْرِمُونَ نَاكِسُوا۟ رُءُوسِهِمْ عِندَ رَبِّهِمْ رَبَّنَآ أَبْصَرْنَا وَسَمِعْنَا فَٱرْجِعْنَا نَعْمَلْ صَٰلِحًا إِنَّا مُوقِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে সৎপথে পরিচালিত করিতাম ; কিন্তু আমার এই কথা অবশ্যই সত্য : আমি নিশ্চয়ই জিন ও মানুষ উভয় দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করিব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা চাইলে প্রত্যেক ব্যক্তিকেই হিদায়াতের পথে নিয়ে আসতাম, কিন্তু আমি তো ফায়সালা করে রেখেছি: ‘আমি অবশ্যি পরিপূর্ণ করবো জাহান্নামকে জিন ও মানুষ উভয়কে দিয়ে।’

Arabic, with marks

وَلَوْ شِئْنَا لَآتَيْنَا كُلَّ نَفْسٍ هُدَاهَا وَلَٰكِنْ حَقَّ الْقَوْلُ مِنِّي لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি আমি ইচ্ছা করতাম, তাহলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার হিদায়াত দান করতাম। কিন্তু আমার কথাই সত্যে পরিণত হবে যে, ‘নিশ্চয় আমি জিন ও মানুষ উভয় দ্বারা জাহান্নাম পূর্ণ করব’।

Word by word

وَلَوْ شِئْنَا لَءَاتَيْنَا كُلَّ نَفْسٍ هُدَىٰهَا وَلَٰكِنْ حَقَّ ٱلْقَوْلُ مِنِّى لَأَمْلَأَنَّ جَهَنَّمَ مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ أَجْمَعِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং ‘শাস্তি আস্বাদন কর, কারণ আজিকার এই সাক্ষাতের কথা তোমরা বিস্মৃত হইয়াছিলে। আমিও তোমাদেরকে বিস্মৃত হইয়াছি, তোমরা যাহা করিতে তজ্জন্য তোমরা স্থায়ী শাস্তি ভোগ করিতে থাক।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং আজকের এই দিনের সাক্ষাতের কথা তোমরা যেহেতু ভুলে গিয়েছিলে তাই আস্বাদন করো আযাব। আমরাও তোমাদের ভুলে গেলাম, সুতরাং তোমাদের কর্মকান্ডের ফল হিসেবে আস্বাদন করো চিরস্থায়ী আযাব।

Arabic, with marks

فَذُوقُوا بِمَا نَسِيتُمْ لِقَاءَ يَوْمِكُمْ هَٰذَا إِنَّا نَسِينَاكُمْ ۖ وَذُوقُوا عَذَابَ الْخُلْدِ بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

কাজেই তোমরা তোমাদের এই দিনের সাক্ষাতকে যে ভুলে গিয়েছিলে, তার স্বাদ তোমরা আস্বাদন কর। নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে ভুলে গিয়েছি, আর তোমরা যা করতে, তার জন্য তোমরা স্থায়ী আযাব ভোগ কর।

Word by word

فَذُوقُوا۟ بِمَا نَسِيتُمْ لِقَآءَ يَوْمِكُمْ هَٰذَآ إِنَّا نَسِينَٰكُمْ وَذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلْخُلْدِ بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেবল তাহারাই আমার নিদর্শনাবলী বিশ্বাস করে যাহারা উহার দ্বারা উপদিষ্ট হইলে সিজ্‌দায় লুটাইয়া পড়ে এবং তাহাদের প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে আর তাহারা অহংকার করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের আয়াতের প্রতি ঈমান রাখে তো তারা, যাদেরকে তা স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে তারা সাজদায় অবনত হয়ে পড়ে এবং তাদের প্রভুর হামদসহ তসবিহ করতে থাকে, আর তারা দম্ভ করে বেড়ায়না। (সাজদা)

Arabic, with marks

إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِآيَاتِنَا الَّذِينَ إِذَا ذُكِّرُوا بِهَا خَرُّوا سُجَّدًا وَسَبَّحُوا بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ ۩

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমার আয়াতসমূহ কেবল তারাই বিশ্বাস করে, যারা এর দ্বারা তাদেরকে উপদেশ দেয়া হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের রবের প্রশংসাসহ তাসবীহ করে। আর তারা অহঙ্কার করে না।[সাজদাহ]

Word by word

إِنَّمَا يُؤْمِنُ بِـَٔايَٰتِنَا ٱلَّذِينَ إِذَا ذُكِّرُوا۟ بِهَا خَرُّوا۟ سُجَّدًا وَسَبَّحُوا۟ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা শয্যা ত্যাগ করিয়া তাহাদের প্রতিপালককে ডাকে আশায় ও আশংকায় এবং আমি তাহাদেরকে যে রিযিক দান করিয়াছি উহা হইতে তাহারা ব্যয় করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের দেহকে শয্যা থেকে আলগা করে উঠিয়ে নিয়ে তাদের প্রভুকে ডাকে ভয় ও আশা নিয়ে, আর আমরা তাদের যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা খরচ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে)।

Arabic, with marks

تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَطَمَعًا وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنفِقُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা হয়। তারা ভয় ও আশা নিয়ে তাদের রবকে ডাকে। আর আমি তাদেরকে যে রিয্ক দান করেছি, তা থেকে তারা ব্যয় করে।

Word by word

تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ ٱلْمَضَاجِعِ يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَطَمَعًا وَمِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ يُنفِقُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেহই জানে না তাহাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর কী লুক্কায়িত রাখা হইয়াছে তাহাদের কৃতকর্মের পুরস্কারস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

কেউই জানেনা, তাদের জন্যে চোখ জুড়ানো যেসব (নিয়ামত রাজি) গোপন করে রাখা হয়েছে তাদের আমলের পুরস্কার হিসেবে!

Arabic, with marks

فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّا أُخْفِيَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর কোন ব্যক্তি জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যা করত, তার বিনিময়স্বরূপ।

Word by word

فَلَا تَعْلَمُ نَفْسٌ مَّآ أُخْفِىَ لَهُم مِّن قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَآءًۢ بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে যে ব্যক্তি , সে কি পাপাচারীর ন্যায়? উহারা সমান নহে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি , সে কি ফাসিকের সমতুল্য? না, তারা সমান নয়।

Arabic, with marks

أَفَمَن كَانَ مُؤْمِنًا كَمَن كَانَ فَاسِقًا ۚ لَّا يَسْتَوُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি সে কি ফাসিক ব্যক্তির মত? তারা সমান নয়।

Word by word

أَفَمَن كَانَ مُؤْمِنًا كَمَن كَانَ فَاسِقًا لَّا يَسْتَوُۥنَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে তাহাদের কৃতকর্মের ফলস্বরূপ তাহাদের আপ্যায়নের জন্য তাহাদের স্থায়ী বাসস্থান হইবে জান্নাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

হাঁ, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাতুল মা’ওয়া (স্থায়ী জান্নাত) তাদের আমলের আতিথ্য হিসেবে।

Arabic, with marks

أَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَلَهُمْ جَنَّاتُ الْمَأْوَىٰ نُزُلًا بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের বাসস্থান হবে জান্নাত, তারা যা করত তার আপ্যায়ন হিসেবে।

Word by word

أَمَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَلَهُمْ جَنَّٰتُ ٱلْمَأْوَىٰ نُزُلًۢا بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা পাপাচার করিয়াছে তাহাদের বাসস্থান হইবে জাহান্নাম ; যখনই উহারা জাহান্নাম হইতে বাহির হইতে চাহিবে তখনই উহাদেরকে ফিরাইয়া দেওয়া হইবে উহাতে এবং উহাদেরকে বলা হইবে, ‘যে অগ্নি - শাস্তিকে তোমরা মিথ্যা বলিতে, উহা আস্বাদন কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা ফাসেকি (সীমালংঘন ও পাপাচার) করে, তাদের আবাস হবে জাহান্নাম, যখনই তারা সেখান থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদের সেখানে ঠেলে দেয়া হবে। তাদের বলা হবে: আস্বাদন করো সেই জাহান্নামের আযাব, যাকে তোমরা অস্বীকার করতে।

Arabic, with marks

وَأَمَّا الَّذِينَ فَسَقُوا فَمَأْوَاهُمُ النَّارُ ۖ كُلَّمَا أَرَادُوا أَن يَخْرُجُوا مِنْهَا أُعِيدُوا فِيهَا وَقِيلَ لَهُمْ ذُوقُوا عَذَابَ النَّارِ الَّذِي كُنتُم بِهِ تُكَذِّبُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা পাপকাজ করে, তাদের বাসস্থান হবে আগুন; যখনই তারা তা থেকে বের হতে চাইবে, তাদেরকে তাতেই ফিরিয়ে দেয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, ‘তোমরা আগুনের আযাব আস্বাদন কর, যাকে তোমরা অস্বীকার করতে।

Word by word

وَأَمَّا ٱلَّذِينَ فَسَقُوا۟ فَمَأْوَىٰهُمُ ٱلنَّارُ كُلَّمَآ أَرَادُوٓا۟ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَآ أُعِيدُوا۟ فِيهَا وَقِيلَ لَهُمْ ذُوقُوا۟ عَذَابَ ٱلنَّارِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

গুরু শাস্তির পূর্বে উহাদেরকে আমি অবশ্যই লঘু শাস্তি আস্বাদন করাইব, যাহাতে উহারা ফিরিয়া আসে।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘আযাবুল আকবার’ (গুরুদন্ড) আস্বাদন করাবার আগে আমরা তাদের (এই দুনিয়াতে) কিছু কিছু ‘আযাবুল আদনা’ (লঘুদন্ড) আস্বাদন করাবো, যাতে করে তারা ফিরে আসে।

Arabic, with marks

وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنَ الْعَذَابِ الْأَدْنَىٰ دُونَ الْعَذَابِ الْأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি তাদেরকে গুরুতর আযাবের পূর্বে লঘু আযাব আস্বাদন করাব, যাতে তারা ফিরে আসে।

Word by word

وَلَنُذِيقَنَّهُم مِّنَ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَدْنَىٰ دُونَ ٱلْعَذَابِ ٱلْأَكْبَرِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের নিদর্শনাবলী দ্বারা উপদিষ্ট হইয়া তাহা হইতে মুখ ফিরায় তাহার অপেক্ষা অধিক আর কে? আমি অবশ্যই অপরাধীদেরকে শাস্তি দিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যাকে বারবার তার প্রভুর আয়াত স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে, তারপরও সে তা উপেক্ষা করে চলেছে। আমরা অবশ্যি অপরাধীদের থেকে প্রতিশোধ নেবো।

Arabic, with marks

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن ذُكِّرَ بِآيَاتِ رَبِّهِ ثُمَّ أَعْرَضَ عَنْهَا ۚ إِنَّا مِنَ الْمُجْرِمِينَ مُنتَقِمُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার চেয়ে বড় যালিম আর কে, যাকে স্বীয় রবের আয়াতসমূহের মাধ্যমে উপদেশ দেয়ার পর তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। নিশ্চয় আমি অপরাধীদের কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

Word by word

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّن ذُكِّرَ بِـَٔايَٰتِ رَبِّهِۦ ثُمَّ أَعْرَضَ عَنْهَآ إِنَّا مِنَ ٱلْمُجْرِمِينَ مُنتَقِمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়াছিলাম, অতএব তুমি তাহার সাক্ষাৎ সম্বন্ধে সন্দেহ করিও না, আমি ইহাকে বনী ইসরাঈলের জন্য পথনির্দেশক করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মূসাকেও কিতাব দিয়েছিলাম। সুতরাং তুমি তার সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহের মধ্যে থেকোনা। আমরা সেই (মূসার) কিতাবকে বানিয়েছিলাম বনি ইসরাঈলের জন্যে জীবন যাপন পদ্ধতি।

Arabic, with marks

وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ فَلَا تَكُن فِي مِرْيَةٍ مِّن لِّقَائِهِ ۖ وَجَعَلْنَاهُ هُدًى لِّبَنِي إِسْرَائِيلَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তো মূসাকে কিতাব দিয়েছিলাম, অতএব তুমি তার সাক্ষাতের ব্যাপারে সন্দেহে থেকো না। আর আমি ওটাকে বনী ইসরাঈলের জন্য হিদায়াতস্বরূপ করেছিলাম।

Word by word

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَٰبَ فَلَا تَكُن فِى مِرْيَةٍ مِّن لِّقَآئِهِۦ وَجَعَلْنَٰهُ هُدًى لِّبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি উহাদের মধ্য হইতে নেতা মনোনীত করিয়াছিলাম, যাহারা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করিত, যেহেতু উহারা ধৈর্য ধারণ করিয়াছিল। আর উহারা ছিল আমার নিদর্শনাবলীতে দৃঢ় ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের মধ্য থেকে বহু ইমাম (নেতা) বানিয়েছিলাম যখন তারা সবর অবলম্বন করেছিল। তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাতো। আর তারা একীন রাখতো আমাদের আয়াতের প্রতি।

Arabic, with marks

وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا ۖ وَكَانُوا بِآيَاتِنَا يُوقِنُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের মধ্য থেকে বহু নেতা করেছিলাম, তারা আমার আদেশানুযায়ী সৎপথ প্রদর্শন করত, যখন তারা ধৈর্যধারণ করেছিল। আর তারা আমার আয়াতসমূহের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখত।

Word by word

وَجَعَلْنَا مِنْهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا لَمَّا صَبَرُوا۟ وَكَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا يُوقِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যে বিষয়ে মতবিরোধ করিতেছে তোমার প্রতিপালকই কিয়ামতের দিন তাহাদের মধ্যে উহার ফয়সালা করিয়া দিবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যেসব বিষয়ে এখতেলাফ করতো, তোমার প্রভু সেসব বিষয়ে তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন কিয়ামতের দিন।

Arabic, with marks

إِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রব কিয়ামতের দিন তাদের মাঝে সে বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে।

Word by word

إِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمْ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ فِيمَا كَانُوا۟ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাও কি তাহাদেরকে পথ প্রদর্শন করিল না যে, আমি তো উহাদের পূর্বে ধ্বংস করিয়াছি কত মানবগোষ্ঠী - যাহাদের বাসভূমিতে ইহারা বিচরণ করিয়া থাকে? ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে ; তবুও কি ইহারা শুনিবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে কি এ জিনিসটাও পথ নির্দেশ নয় যে, তাদের আগে আমরা কতো প্রজন্মকে হালাক করে দিয়েছিলাম! আজ তারা তাদের সেই আবাসভূমি দিয়ে চলাফেরা করছে। এতেও রয়েছে অনেক নিদর্শন। তারা কি শুনবেনা?

Arabic, with marks

أَوَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّنَ الْقُرُونِ يَمْشُونَ فِي مَسَاكِنِهِمْ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ ۖ أَفَلَا يَسْمَعُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা কি তাদেরকে হিদায়াত করল না যে, আমি তাদের পূর্বে কত প্রজন্মকে ধ্বংস করেছি যাদের বাসভূমিতে তারা চলাফেরা করে? নিশ্চয় এতে বহু নিদর্শন রয়েছে। তবুও কি তারা শুনবে না?

Word by word

أَوَلَمْ يَهْدِ لَهُمْ كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّنَ ٱلْقُرُونِ يَمْشُونَ فِى مَسَٰكِنِهِمْ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ أَفَلَا يَسْمَعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি লক্ষ্য করে না, আমি ঊষর ভূমির উপর পানি প্রবাহিত করিয়া উহার সাহায্যে উদ্‌গত করি শস্য, যাহা হইতে আহার্য গ্রহণ করে উহাদের চতুষ্পদ জন্তু এবং উহারাও ? উহারা কি তবুও লক্ষ্য করিবে না ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, আমরা ঊষর (dry) জমিনে পানি বইয়ে দিয়ে তার সাহায্যে উৎপাদন করি শস্য, যা থেকে তাদের পশুরাও খায়, তারাও খায়। তারা কি ভেবে দেখবেনা?

Arabic, with marks

أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا نَسُوقُ الْمَاءَ إِلَى الْأَرْضِ الْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهِ زَرْعًا تَأْكُلُ مِنْهُ أَنْعَامُهُمْ وَأَنفُسُهُمْ ۖ أَفَلَا يُبْصِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি লক্ষ করে না যে, আমি শুকনো ভূমিতে পানি প্রবাহিত করি। অতঃপর তা দিয়ে শষ্য উদগত করি, যা থেকে তাদের গবাদি পশু ও তারা নিজেরা খাদ্য গ্রহণ করে? তবুও কি তারা লক্ষ্য করবে না।

Word by word

أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا نَسُوقُ ٱلْمَآءَ إِلَى ٱلْأَرْضِ ٱلْجُرُزِ فَنُخْرِجُ بِهِۦ زَرْعًا تَأْكُلُ مِنْهُ أَنْعَٰمُهُمْ وَأَنفُسُهُمْ أَفَلَا يُبْصِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বল, কখন হইবে এই ফয়সালা?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বলো, কখন হবে সেই জয়ের ফায়সালা?’

Arabic, with marks

وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْفَتْحُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, কখন হবে এ ফয়সালা? তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল।

Word by word

وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْفَتْحُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘ফয়সালার দিনে কাফিরদের ঈমান আনয়ন উহাদের কোন কাজে আসিবে না এবং উহাদেরকে অবকাশও দেওয়া হইবে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘ফায়সালার দিন কাফিররা ঈমান আনলে তা তাদের কোনো কাজে আসবেনা, আর সেদিন তাদের অবকাশও দেয়া হবেনা।’

Arabic, with marks

قُلْ يَوْمَ الْفَتْحِ لَا يَنفَعُ الَّذِينَ كَفَرُوا إِيمَانُهُمْ وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ফয়সালার দিনে কাফিরদের ঈমান গ্রহণ তাদের কোন উপকার করবে না। আর তাদেরকে অবকাশ দেয়া হবে না।

Word by word

قُلْ يَوْمَ ٱلْفَتْحِ لَا يَنفَعُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِيمَٰنُهُمْ وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি উহাদেরকে অগ্রাহ্য কর এবং অপেক্ষা কর, উহারাও অপেক্ষা করিতেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো এবং অপেক্ষা করো, আর তারাও অপেক্ষায় থাকুক।

Arabic, with marks

فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَانتَظِرْ إِنَّهُم مُّنتَظِرُونَ

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তাদের থেকে বিমুখ থাক, আর অপেক্ষা কর, নিশ্চয় তারা অপেক্ষমাণ।

Word by word

فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ وَٱنتَظِرْ إِنَّهُم مُّنتَظِرُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme