Kitab

আলরা’দ

Chapter 13, 43 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Arabic, with marks
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ্ - লাম - মীম্ - রা, এইগুলি কুরআনের আয়াত, যাহা তোমার প্রতিপালক হইতে তোমার প্রতি অবতীর্ণ হইয়াছে তাহাই সত্য; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ ইহাতে ঈমান আনে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম রা। এগুলো আল কিতাবের (আল কুরআনের) আয়াত, যা তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে এ এক মহাসত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই (তাতে) ঈমান আনেনা।

Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ المر ۚ تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ ۗ وَالَّذِي أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ الْحَقُّ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يُؤْمِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই ঊর্ধ্বদেশে আকাশমণ্ডলী স্থাপন করিয়াছেন স্তম্ভ ব্যতীত - তোমরা ইহা দেখিতেছ। অতঃপর তিনি আর্‌শে সমাসীন হইলেন এবং সূর্য ও চন্দ্রকে নিয়মাধীন করিলেন; প্রত্যেকে নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত আবর্তন করে। তিনি সকল বিষয় নিয়ন্ত্রণ করেন এবং নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করেন, যাহাতে তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্বন্ধে নিশ্চিত বিশ্বাস করিতে পার।

আবদুস শহীদ নাসিম

, যিনি মহাকাশকে উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন স্তম্ভ ছাড়াই, তোমরা তা দেখতে পাচ্ছো। তারপর তিনি সমাসীন হয়েছেন আরশের উপর এবং সূর্যও চাঁদকে (নির্দিষ্ট বিধানের) অধীন করে দিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে গতিমান। সমস্ত বিষয়ই তিনি পরিচালনা করেন এবং নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেন বিশদভাবে, যাতে তোমরা তোমাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে একীন রাখো।

Arabic, with marks

اللَّهُ الَّذِي رَفَعَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا ۖ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ ۖ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ ۖ كُلٌّ يَجْرِي لِأَجَلٍ مُّسَمًّى ۚ يُدَبِّرُ الْأَمْرَ يُفَصِّلُ الْآيَاتِ لَعَلَّكُم بِلِقَاءِ رَبِّكُمْ تُوقِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ভূতলকে বিস্তৃত করিয়াছেন এবং উহাতে পর্বত ও নদী সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেক প্রকারের ফল সৃষ্টি করিয়াছেন জোড়ায় জোড়ায়। তিনি দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন। ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি জমিনকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছেন এবং তাতে সৃষ্টি করে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত আর নদ - নদী। সেখানে প্রত্যেক প্রকারের ফলফলারি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়। তিনিই দিনকে ঢেকে দেন রাত দিয়ে। এতে অবশ্যি নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।

Arabic, with marks

وَهُوَ الَّذِي مَدَّ الْأَرْضَ وَجَعَلَ فِيهَا رَوَاسِيَ وَأَنْهَارًا ۖ وَمِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ جَعَلَ فِيهَا زَوْجَيْنِ اثْنَيْنِ ۖ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পৃথিবীতে রহিয়াছে পরস্পর - সংলগ্ন ভূখণ্ড, উহাতে আছে দ্রাক্ষা কানন, শস্যক্ষেত্র, একাধিক শিরবিশিষ্ট অথবা এক শিরবিশিষ্ট খর্জুর - বৃক্ষ সিঞ্চিত একই পানিতে, এবং ফল হিসাবে উহাদের কতককে কতকের উপর আমি শ্রেষ্ঠত্ব দিয়া থাকি। অবশ্যই বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্য ইহাতে রহিয়াছে নিদর্শন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই পৃথিবীতে সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে পরস্পর কাছাকাছি ভূ - খন্ডসমূহ, তাতে রয়েছে আঙ্গুরের বাগান, শস্যক্ষেত, আর একাধিক মাথাওয়ালা এবং এক মাথাওয়ালা খেজুর গাছ। এগুলোকে পান করানো হয় একই পানি। সেগুলোর কিছু ফল ফসলকে কিছু ফল ফসলের উপর আমরা স্বাদের দিক থেকে চমৎকার করে দিই। যারা আকল খাটায় তাদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।

Arabic, with marks

وَفِي الْأَرْضِ قِطَعٌ مُّتَجَاوِرَاتٌ وَجَنَّاتٌ مِّنْ أَعْنَابٍ وَزَرْعٌ وَنَخِيلٌ صِنْوَانٌ وَغَيْرُ صِنْوَانٍ يُسْقَىٰ بِمَاءٍ وَاحِدٍ وَنُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلَىٰ بَعْضٍ فِي الْأُكُلِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তুমি বিস্মিত হও, তবে বিস্ময়ের বিষয় উহাদের কথা - ‘মাটিতে পরিণত হওয়ার পরও কি আমরা নূতন জীবন লাভ করিব?’ উহারাই উহাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে এবং উহাদেরই গলদেশে থাকিবে লৌহশৃঙ্খল। উহারাই দোযখবাসী ও সেখানে উহারা স্থায়ী হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি বিস্মিত হও, তবে বিস্ময়কর হলো তাদের এই কথা, ‘মাটিতে মিশে যাবার পরও কি আমাদের আবার নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’ এরাই তাদের প্রভুর সাথে কুফুরি করেছে আর তাদের গলায়ই থাকবে লোহার শিকল এবং তারাই হবে জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল।

Arabic, with marks

۞ وَإِن تَعْجَبْ فَعَجَبٌ قَوْلُهُمْ أَإِذَا كُنَّا تُرَابًا أَإِنَّا لَفِي خَلْقٍ جَدِيدٍ ۗ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ ۖ وَأُولَٰئِكَ الْأَغْلَالُ فِي أَعْنَاقِهِمْ ۖ وَأُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মঙ্গলের পূর্বে উহারা তোমাকে শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে বলে, যদিও উহাদের পূর্বে ইহার বহু দৃষ্টান্ত গত হইয়াছে। মানুষের সীমালংঘন সত্ত্বেও তোমার প্রতিপালক তো মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল এবং তোমার প্রতিপালক শাস্তিদানে তো কঠোর।

আবদুস শহীদ নাসিম

কল্যাণের আগেই তারা তোমাকে অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতে বলে: যদিও তাদের আগে এ রকম কথার অনেক দৃষ্টান্ত বিগত হয়েছে। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু মানুষের প্রতি তাদের যুলুম - সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও পরম ক্ষমাশীল। আবার তোমার প্রভু শাস্তি প্রদানেও কঠোর।

Arabic, with marks

وَيَسْتَعْجِلُونَكَ بِالسَّيِّئَةِ قَبْلَ الْحَسَنَةِ وَقَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِمُ الْمَثُلَاتُ ۗ وَإِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغْفِرَةٍ لِّلنَّاسِ عَلَىٰ ظُلْمِهِمْ ۖ وَإِنَّ رَبَّكَ لَشَدِيدُ الْعِقَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করিয়াছে তাহারা বলে, ‘তাহার প্রতিপালকের নিকট হইতে তাহার নিকট কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’ তুমি তো কেবল সতর্ককারী এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য আছে পথপ্রদর্শক।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘তার প্রতি তার প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হলোনা কেন?’ তুমি তো কেবল একজন সতর্ককারী মাত্র আর প্রত্যেক কওমেরই ছিলো একজন সতর্ককারী।

Arabic, with marks

وَيَقُولُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْلَا أُنزِلَ عَلَيْهِ آيَةٌ مِّن رَّبِّهِ ۗ إِنَّمَا أَنتَ مُنذِرٌ ۖ وَلِكُلِّ قَوْمٍ هَادٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যেক নারী যাহা গর্ভে ধারণ করে এবং জরায়ুতে যাহা কিছু কমে ও বাড়ে ‌ তাহা জানেন এবং তাঁহার বিধানে প্রত্যেক বস্তুরই এক নির্দিষ্ট পরিমাণ আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

জানেন প্রত্যেক নারী তার গর্ভে যা বহন করে এবং জরায়ুতে যা কমে আর বাড়ে এবং তাঁর কাছে প্রতিটি বস্তুর পরিণামই নির্ধারিত।

Arabic, with marks

اللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَحْمِلُ كُلُّ أُنثَىٰ وَمَا تَغِيضُ الْأَرْحَامُ وَمَا تَزْدَادُ ۖ وَكُلُّ شَيْءٍ عِندَهُ بِمِقْدَارٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা ও যাহা দৃশ্যমান তিনি তাহা অবগত; তিনি মহান, সর্বোচ্চ মর্যাদাবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি ও দৃশ্যের জ্ঞানী মহান ও সর্বোচ্চ মর্যাদার মালিক।

Arabic, with marks

عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ الْكَبِيرُ الْمُتَعَالِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্যে যে কথা গোপন রাখে অথবা যে উহা প্রকাশ করে, রাত্রিতে যে আত্মগোপন করে এবং দিবসে যে প্রকাশ্যে বিচরণ করে, তাহারা সমভাবে ‌র জ্ঞানগোচর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কথা গোপন করে এবং যে তা প্রকাশ করে, আর যে রাতে লুকিয়ে থাকে এবং দিনে বিচরণ করে, তারা সবাই আল্লাহর জ্ঞানে সমান।

Arabic, with marks

سَوَاءٌ مِّنكُم مَّنْ أَسَرَّ الْقَوْلَ وَمَن جَهَرَ بِهِ وَمَنْ هُوَ مُسْتَخْفٍ بِاللَّيْلِ وَسَارِبٌ بِالنَّهَارِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের জন্য তাহার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে; উহারা ‌র আদেশে তাহার রক্ষণাবেক্ষণ করে। এবং ‌ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ না উহারা নিজ অবস্থা নিজে পরিবর্তন করে। কোন সম্প্রদায় সম্পর্কে যদি ‌ অশুভ কিছু ইচ্ছা করেন তবে তাহা রদ হইবার নহে এবং তিনি ব্যতীত উহাদের কোন অভিভাবক নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (মানুষের) জন্যে তার সামনে এবং পেছনে একের পর এক পাহারাদার নিযুক্ত থাকে আল্লাহর নির্দেশে। তারা তার হিফাযত করে। কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেননা, যতোক্ষণ না তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। যখন কোনো জাতির অকল্যাণ চান, তখন তা আর রদ হয়না। তাদের জন্যে ছাড়া আর কোনো অলি নেই।

Arabic, with marks

لَهُ مُعَقِّبَاتٌ مِّن بَيْنِ يَدَيْهِ وَمِنْ خَلْفِهِ يَحْفَظُونَهُ مِنْ أَمْرِ اللَّهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوْمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُوا مَا بِأَنفُسِهِمْ ۗ وَإِذَا أَرَادَ اللَّهُ بِقَوْمٍ سُوءًا فَلَا مَرَدَّ لَهُ ۚ وَمَا لَهُم مِّن دُونِهِ مِن وَالٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদেরকে দেখান বিজলী, ভয় ও ভরসা সঞ্চার করান এবং তিনিই সৃষ্টি করেন ভারী মেঘ;

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুত চমকিয়ে ভয় এবং আশা দেখান। তিনিই সৃষ্টি করেন বর্ষণমুখী ভারি মেঘ।

Arabic, with marks

هُوَ الَّذِي يُرِيكُمُ الْبَرْقَ خَوْفًا وَطَمَعًا وَيُنشِئُ السَّحَابَ الثِّقَالَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বজ্রধ্বনি তাঁহার সপ্রশংস মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে, ফিরিশ্‌তাগণও করে তাহার ভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা উহা দ্বারা আঘাত করেন। আর উহারা ‌ সম্বন্ধে বিতণ্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।

আবদুস শহীদ নাসিম

বজ্রধ্বনি প্রশংসার সাথে তাঁর তসবিহ করে এবং ফেরেশতারাও করে তাঁর ভয়ে। তিনি বজ্রপাত ঘটান এবং তা দিয়ে যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন। তারা সম্পর্কে বিতর্ক করে, অথচ তিনি মহাশক্তিমান।

Arabic, with marks

وَيُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ وَيُرْسِلُ الصَّوَاعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَن يَشَاءُ وَهُمْ يُجَادِلُونَ فِي اللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ الْمِحَالِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সত্যের আহ্বান তাঁহারই। যাহারা তাঁহাকে ব্যতীত আহ্বান করে অপরকে, তাহাদেরকে কোনই সাড়া দেয় না উহারা; তাহাদের দৃষ্টান্ত সেই ব্যক্তির মত, যে তাহার মুখে পানি পৌঁছিবে - এই আশায় তাহার হস্তদ্বয় প্রসারিত করে পানির দিকে, অথচ উহা তাহার মুখে পৌঁছিবার নয়, কাফিরদের আহ্বান নিষ্ফল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সত্যের দাওয়াত তাঁরই জন্যে (তাঁরই দিকে) হবে। যারা তাঁকে ছাড়া অন্যদের ডাকে, তারা তাদের ডাকে কিছুমাত্র সাড়া দেয়না। তাদের উপমা হলো ঐ ব্যক্তি, যে তার দুই হাত প্রসারিত করেছে যেনো তার মুখে পানি পৌঁছে, অথচ তা তার মুখে পৌঁছার নয়। কাফিরদের আহবান একেবারেই নিষ্ফল।

Arabic, with marks

لَهُ دَعْوَةُ الْحَقِّ ۖ وَالَّذِينَ يَدْعُونَ مِن دُونِهِ لَا يَسْتَجِيبُونَ لَهُم بِشَيْءٍ إِلَّا كَبَاسِطِ كَفَّيْهِ إِلَى الْمَاءِ لِيَبْلُغَ فَاهُ وَمَا هُوَ بِبَالِغِهِ ۚ وَمَا دُعَاءُ الْكَافِرِينَ إِلَّا فِي ضَلَالٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র প্রতি সিজ্‌দাবনত হয় আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং তাহাদের ছায়াগুলিও সকাল ও সন্ধ্যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে, সবাই ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়, আল্লাহকে সাজদা করে এবং তাদের ছায়াগুলোও তাঁকে সাজদা করে সকালে এবং বিকেলে। (সাজদা)

Arabic, with marks

وَلِلَّهِ يَسْجُدُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ طَوْعًا وَكَرْهًا وَظِلَالُهُم بِالْغُدُوِّ وَالْآصَالِ ۩

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক?’ বল, ‘‌’। বল, ‘তবে কি তোমরা অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিয়াছ ‌র পরিবর্তে অপরকে যাহারা নিজেদের লাভ বা ক্ষতি সাধনে সক্ষম নয়?’ বল, ‘অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান অথবা অন্ধকার ও আলো কি এক?’ তবে কী তাহারা ‌র এমন শরীক করিয়াছে, যাহারা ‌র সৃষ্টির মত সৃষ্টি করিয়াছে, যে কারণে সৃষ্টি উহাদের নিকট সদৃশ মনে হইয়াছে? বল, ‘‌ সকল বস্তুর স্রষ্টা; তিনি এক, পরাক্রমশালী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘মহাকাশ এবং পৃথিবীর রব কে?’ বলো: ‘’। বলো: তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন সব অলি গ্রহণ করেছো যারা তাদের নিজেদেরও লাভ কিংবা ক্ষতি করতে সক্ষম নয়? জিজ্ঞেস করো, অন্ধ আর চক্ষুষ্মান কি সমান? নাকি আলো আর অন্ধকার সমান? নাকি তারা যাদের আল্লাহর সাথে শরিক বানিয়েছে তারা আল্লাহর সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করে যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সদৃশ মনে হয়? বলো: এক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ই সবকিছুর স্রষ্টা।

Arabic, with marks

قُلْ مَن رَّبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ قُلِ اللَّهُ ۚ قُلْ أَفَاتَّخَذْتُم مِّن دُونِهِ أَوْلِيَاءَ لَا يَمْلِكُونَ لِأَنفُسِهِمْ نَفْعًا وَلَا ضَرًّا ۚ قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الْأَعْمَىٰ وَالْبَصِيرُ أَمْ هَلْ تَسْتَوِي الظُّلُمَاتُ وَالنُّورُ ۗ أَمْ جَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ خَلَقُوا كَخَلْقِهِ فَتَشَابَهَ الْخَلْقُ عَلَيْهِمْ ۚ قُلِ اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আকাশ হইতে বৃষ্টিপাত করেন, ফলে উপত্যকাসমূহ উহাদের পরিমাণ অনুযায়ী প্লাবিত হয় এবং প্লাবন তাহার উপরিস্থিত আবর্জনা বহন করে, এইরূপে আবর্জনা উপরিভাগে আসে যখন অলংকার অথবা তৈজসপত্র নির্মাণ উদ্দেশ্যে কিছু অগ্নিতে উত্তপ্ত করা হয়। এইভাবে ‌ সত্য ও অসত্যের দৃষ্টান্ত দিয়া থাকেন। যাহা আবর্জনা তাহা ফেলিয়া দেওয়া হয় এবং যাহা মানুষের উপকারে আসে তাহা জমিতে থাকিয়া যায়। এইভাবে ‌ উপমা দিয়ে থাকেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, ফলে উপত্যকাসমূহ পরিমাণ মতো প্লাবিত হয়। আর প্লাবন তার উপরে আবর্জনা বহন করে বুদবুদ আকারে। এছাড়া তোমরা অলংকার কিংবা তৈজসপত্র তৈরির জন্যে যেসব ধাতু আগুনে বিগলিত করো সেগুলোর উপরিভাগেও অনুরূপ আবর্জনা ভেসে উঠে বুদ্বুদ আকারে। এভাবেই হক এবং বাতিলের উপমা দিয়ে থাকেন। অত:পর আবর্জনা সমেত বুদ্বুদ বিলীন হয়ে যায়, আর যা মানুষের জন্যে কল্যাণকর তা জমিনে জমে থাকে। এভাবেই উপমা দিয়ে থাকেন।

Arabic, with marks

أَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَسَالَتْ أَوْدِيَةٌ بِقَدَرِهَا فَاحْتَمَلَ السَّيْلُ زَبَدًا رَّابِيًا ۚ وَمِمَّا يُوقِدُونَ عَلَيْهِ فِي النَّارِ ابْتِغَاءَ حِلْيَةٍ أَوْ مَتَاعٍ زَبَدٌ مِّثْلُهُ ۚ كَذَٰلِكَ يَضْرِبُ اللَّهُ الْحَقَّ وَالْبَاطِلَ ۚ فَأَمَّا الزَّبَدُ فَيَذْهَبُ جُفَاءً ۖ وَأَمَّا مَا يَنفَعُ النَّاسَ فَيَمْكُثُ فِي الْأَرْضِ ۚ كَذَٰلِكَ يَضْرِبُ اللَّهُ الْأَمْثَالَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মঙ্গল তাহাদের যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের আহ্‌বানে সাড়া দেয়। এবং যাহারা তাঁহার ডাকে সাড়া দেয় না, তাহাদের যদি পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে তাহা সমস্তই থাকিত এবং তাহার সঙ্গে সমপরিমাণ আরো থাকিত উহারা মুক্তিপণস্বরূপ তাহা দিত। উহাদের হিসাব হইবে কঠোর এবং জাহান্নাম হইবে উহাদের আবাস, উহা কত নিকৃষ্ট আশ্রয়স্থল।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের রবের আহবানে সাড়া দেয় তাদের জন্যে রয়েছে হুসনা (কল্যাণ)। আর যারা তাঁর আহবানে সাড়া দেয়না, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই যদি তাদের থাকতো এবং সেই সাথে অনুরূপ আরো থাকতো, তারা (আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচার জন্যে) মুক্তিপণ হিসেবে সেই সবই দিয়ে দিতো। তাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট হিসাব এবং তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা খুবই নিকৃষ্ট বিশ্রামের জায়গা।

Arabic, with marks

لِلَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِرَبِّهِمُ الْحُسْنَىٰ ۚ وَالَّذِينَ لَمْ يَسْتَجِيبُوا لَهُ لَوْ أَنَّ لَهُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ لَافْتَدَوْا بِهِ ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ سُوءُ الْحِسَابِ وَمَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ ۖ وَبِئْسَ الْمِهَادُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক হইতে তোমার প্রতি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে তাহা যে ব্যক্তি সত্য বলিয়া জানে আর যে অন্ধ তাহারা কি সমান? উপদেশ গ্রহণ করে শুধু বিবেকশক্তিসম্পন্নগণই,

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি জানে তোমার প্রভুর নিকট থেকে তোমার কাছে মহাসত্য নাযিল হয়েছে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য, যে (এ ব্যাপারে) অন্ধ? অনুধাবন করে তো বোধশক্তি সম্পন্ন লোকেরাই,

Arabic, with marks

۞ أَفَمَن يَعْلَمُ أَنَّمَا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ الْحَقُّ كَمَنْ هُوَ أَعْمَىٰ ۚ إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُولُو الْأَلْبَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌কে প্রদত্ত অঙ্গীকার রক্ষা করে এবং প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহকে দেয়া অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেনা,

Arabic, with marks

الَّذِينَ يُوفُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَلَا يَنقُضُونَ الْمِيثَاقَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ‌ যে সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখিতে আদেশ করিয়াছেন যাহারা তাহা অক্ষুণ্ণ রাখে, ভয় করে তাহাদের প্রতিপালককে এবং ভয় করে কঠোর হিসাবকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যেসব সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেসব সম্পর্ক বজায় রাখে, তাদের প্রভুকে ভয় করে এবং ভীত থাকে কঠোর হিসাবের দিনের ব্যাপারে,

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ يَصِلُونَ مَا أَمَرَ اللَّهُ بِهِ أَن يُوصَلَ وَيَخْشَوْنَ رَبَّهُمْ وَيَخَافُونَ سُوءَ الْحِسَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য ধৈর্য ধারণ করে, কায়েম করে, আমি তাহাদেরকে যে জীবনোপকরণ দিয়াছি তাহা হইতে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে এবং যাহারা ভাল দ্বারা মন্দ দূরীভূত করে, ইহাদের জন্য শুভ পরিণাম -

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি লাভের লক্ষ্যে সবর অবলম্বন করে, কায়েম করে, আমাদের দেয়া জীবিকা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় (দান) করে এবং ভালো দিয়ে মন্দ দূর করে, তাদেরই জন্যে রয়েছে পরিণামের ঘর।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ صَبَرُوا ابْتِغَاءَ وَجْهِ رَبِّهِمْ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَأَنفَقُوا مِمَّا رَزَقْنَاهُمْ سِرًّا وَعَلَانِيَةً وَيَدْرَءُونَ بِالْحَسَنَةِ السَّيِّئَةَ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عُقْبَى الدَّارِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্থায়ী জান্নাত, উহাতে তাহারা প্রবেশ করিবে এবং তাহাদের পিতা - মাতা, পতি - পত্নী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে যাহারা সৎকর্ম করিয়াছে তাহারাও এবং ফিরিশ্‌তাগণ তাহাদের নিকট উপস্থিত হইবে প্রত্যেক দ্বার দিয়া,

আবদুস শহীদ নাসিম

তা হলো চিরস্থায়ী জান্নাত, তাতেই তারা দাখিল হবে এবং তাদের বাবা - মা, স্বামী - স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে যারা নিজেদের এসলাহ (সংশোধন) করেছে তারাও। প্রত্যেক দরজা দিয়ে ফেরেশতারা তাদের কাছে দাখিল হবে।

Arabic, with marks

جَنَّاتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا وَمَن صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ ۖ وَالْمَلَائِكَةُ يَدْخُلُونَ عَلَيْهِم مِّن كُلِّ بَابٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিবে, ‘তোমরা ধৈর্য ধারণ করিয়াছ বলিয়া তোমাদের প্রতি শান্তি; কত উত্তম এই পরিণাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘সালামুন আলাইকুম - আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আপনাদের সবর অবলম্বনের কারণে কতো উত্তম পরিণাম আপনাদের!’

Arabic, with marks

سَلَامٌ عَلَيْكُم بِمَا صَبَرْتُمْ ۚ فَنِعْمَ عُقْبَى الدَّارِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র সঙ্গে দৃঢ় অঙ্গীকারে আবদ্ধ হইবার পর উহা ভঙ্গ করে, যে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখিতে ‌ আদেশ করিয়াছেন, তাহা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করিয়া বেড়ায়, তাহাদের জন্য আছে লা‘নত এবং তাহাদের জন্য আছে মন্দ আবাস।

আবদুস শহীদ নাসিম

পক্ষান্তরে যারা আল্লাহর সাথে মজবুত অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে, যাদের সাথে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেসব সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদের প্রতি লানত এবং তাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট আবাস।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ يَنقُضُونَ عَهْدَ اللَّهِ مِن بَعْدِ مِيثَاقِهِ وَيَقْطَعُونَ مَا أَمَرَ اللَّهُ بِهِ أَن يُوصَلَ وَيُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ ۙ أُولَٰئِكَ لَهُمُ اللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوءُ الدَّارِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ যাহার জন্য ইচ্ছা তাহার জীবনোপকরণ বর্ধিত করেন এবং সংকুচিত করেন; কিন্তু ইহারা পার্থিব জীবনে উল্লসিত, অথচ দুনিয়ার জীবন তো আখিরাতের তুলনায় ক্ষণস্থায়ী ভোগমাত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

যার জন্যে ইচ্ছে জীবিকা বিস্তৃত করে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন। তারা দুনিয়ার জীবন নিয়েই উৎফুল্ল, অথচ দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় একটি ক্ষণস্থায়ী ভোগের সময় মাত্র।

Arabic, with marks

اللَّهُ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَن يَشَاءُ وَيَقْدِرُ ۚ وَفَرِحُوا بِالْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مَتَاعٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা কুফ্‌রী করিয়াছে তাহারা বলে, ‘তাহার প্রতিপালকের নিকট হইতে তাহার নিকট কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’ বল, ‘‌ যাহাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং তিনি তাহাদেরকে তাঁহার পথ দেখান যাহারা তাঁহার অভিমুখী,

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘তার প্রতি তার প্রভুর নিকট থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হলোনা কেন?’ তুমি বলো: ‘‘ যাকে ইচ্ছা বিপথগামী করে দেন। আর তাঁর দিকে পথ দেখান তাদেরকেই যারা তাঁর অভিমুখী হয়,

Arabic, with marks

وَيَقُولُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْلَا أُنزِلَ عَلَيْهِ آيَةٌ مِّن رَّبِّهِ ۗ قُلْ إِنَّ اللَّهَ يُضِلُّ مَن يَشَاءُ وَيَهْدِي إِلَيْهِ مَنْ أَنَابَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহারা ঈমান আনে এবং ‌র স্মরণে যাহাদের চিত্ত প্রশান্ত হয় ; জানিয়া রাখ, ‌র স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়;

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের কলব (অন্তর) প্রশান্তি লাভ করে।’’ জেনে রেখো, কেবল আল্লাহর স্মরণেই কলব প্রশান্তি লাভ করে থাকে।

Arabic, with marks

الَّذِينَ آمَنُوا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللَّهِ ۗ أَلَا بِذِكْرِ اللَّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরম আনন্দ এবং শুভ পরিণাম তাহাদেরই।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, আনন্দ আর শুভ পরিণাম তাদেরই।

Arabic, with marks

الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ طُوبَىٰ لَهُمْ وَحُسْنُ مَآبٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি তোমাকে পাঠাইয়াছি এক জাতির প্রতি যাহার পূর্বে বহু জাতি গত হইয়াছে, উহাদের নিকট তিলাওয়াত করিবার জন্য, যাহা আমি তোমার প্রতি প্রত্যাদেশ করিয়াছি। তথাপি উহারা দয়াময়কে অস্বীকার করে। বল, ‘তিনিই আমার প্রতিপালক; তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই। তাঁহারই উপর আমি নির্ভর করি এবং আমার প্রত্যাবর্তন তাঁহারই নিকট।’

আবদুস শহীদ নাসিম

(পূর্বের রসূলদের মতো) একইভাবে আমরা তোমাকে পাঠিয়েছি একটি উম্মতের কাছে। তাদের আগেও অতীত হয়েছে অনেক উম্মত। উদ্দেশ্য হলো: তুমি তাদের প্রতি তিলাওয়াত করবে যা আমরা তোমার কাছে নাযিল করেছি অহির মাধ্যমে। অথচ তারা দয়াময় রহমানের প্রতি কুফুরি করছে। তুমি বলো: ‘তিনিই আমার রব, তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই, তাঁরই উপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং তাঁরই কাছে হবে আমার প্রত্যাবর্তন।’

Arabic, with marks

كَذَٰلِكَ أَرْسَلْنَاكَ فِي أُمَّةٍ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهَا أُمَمٌ لِّتَتْلُوَ عَلَيْهِمُ الَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ وَهُمْ يَكْفُرُونَ بِالرَّحْمَٰنِ ۚ قُلْ هُوَ رَبِّي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ مَتَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি কোন কুরআন এমন হইত যদ্দ্বারা পর্বতকে গতিশীল করা যাইত অথবা পৃথিবীকে বিদীর্ণ করা যাইত অথবা মৃতের সঙ্গে কথা বলা যাইত, তবুও উহারা উহাতে বিশ্বাস করিত না। কিন্তু সমস্ত বিষয়ই ‌র ইখ্‌তিয়ারভুক্ত। তবে কি যাহারা ঈমান আনিয়াছে তাহাদের প্রত্যয় হয় নাই যে, ‌ ইচ্ছা করিলে নিশ্চয়ই সকলকে সৎপথে পরিচালিত করিতে পারিতেন? যাহারা করিয়াছে তাহাদের কর্মফলের জন্য তাহাদের বিপর্যয় ঘটিতেই থাকিবে, অথবা বিপর্যয় তাহাদের আশেপাশে আপতিত হইতেই থাকিবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ‌র প্রতিশ্রুতি আসিয়া পড়িবে। নিশ্চয়ই ‌ প্রতিশ্রুতির ব্যাতিক্রম করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি এমন কোনো কুরআন হতো যার স্পর্শে পর্বতমালা চলতো, কিংবা পৃথিবীকে বিদীর্ণ করা যেতো, অথবা তাতে মৃতদের সাথে কথা বলা যেতো (তবু তারা সেই কুরআনের প্রতি ঈমান আনতো না)। বরং সমস্ত কর্তৃত্ব আল্লাহর। যারা ঈমান এনেছে এখনো কি তাদের হতাশা কাটেনি যে, চাইলে সমস্ত মানুষকেই হিদায়াত করতে পারতেন? যারা কুফুরি করেছে তাদের কর্মকান্ডের জন্যে তাদের উপর আপদ আসতেই থাকবে। অথবা আপদ তাদের ঘরের আশে পাশেই ঘটতে থাকবে, যতোক্ষণ না আল্লাহর ওয়াদা (করা সময়টি) এসে পড়বে। কখনো ওয়াদা খেলাফ করেন না।

Arabic, with marks

وَلَوْ أَنَّ قُرْآنًا سُيِّرَتْ بِهِ الْجِبَالُ أَوْ قُطِّعَتْ بِهِ الْأَرْضُ أَوْ كُلِّمَ بِهِ الْمَوْتَىٰ ۗ بَل لِّلَّهِ الْأَمْرُ جَمِيعًا ۗ أَفَلَمْ يَيْأَسِ الَّذِينَ آمَنُوا أَن لَّوْ يَشَاءُ اللَّهُ لَهَدَى النَّاسَ جَمِيعًا ۗ وَلَا يَزَالُ الَّذِينَ كَفَرُوا تُصِيبُهُم بِمَا صَنَعُوا قَارِعَةٌ أَوْ تَحُلُّ قَرِيبًا مِّن دَارِهِمْ حَتَّىٰ يَأْتِيَ وَعْدُ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُخْلِفُ الْمِيعَادَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকে ঠাট্টা - বিদ্রূপ করা হইয়াছে এবং যাহারা করিয়াছে তাহাদেরকে আমি কিছু অবকাশ দিয়াছিলাম, তাহার পর উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছিলাম। কেমন ছিল আমার শাস্তি!

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেকার বহু রসূলকেই বিদ্রূপ করা হয়েছিল। ফলে যারা কুফুরি করেছিল, আমরা তাদেরকে কিছুটা অবকাশ দিয়েছিলাম, অত:পর তাদের পাকড়াও করেছি। কেমন ছিলো আমার শাস্তি?

Arabic, with marks

وَلَقَدِ اسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ فَأَمْلَيْتُ لِلَّذِينَ كَفَرُوا ثُمَّ أَخَذْتُهُمْ ۖ فَكَيْفَ كَانَ عِقَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি প্রত্যেক মানুষ যাহা করে তাহার যিনি পর্যবেক্ষক তিনি ইহাদের অক্ষম ইলাহ্‌গুলির মত? অথচ উহারা ‌র বহু শরীক করিয়াছে। বল, ‘উহাদের পরিচয় দাও।’ তোমরা কি পৃথিবীর মধ্যে এমন কিছুর সংবাদ দিতে চাও - যাহা তিনি জানেন না? অথবা ইহা বাহ্যিক কথা মাত্র? না, কাফিরদের নিকট উহাদের ছলনা শোভন প্রতীয়মান হইয়াছে এবং উহাদেরকে সৎপথ হইতে নিবৃত্ত করা হইয়াছে, আর ‌ যাহাকে বিভ্রান্ত করেন তাহার কোন পথপ্রদর্শক নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কি প্রতিটি মানুষ যা উপার্জন (আমল) করে, যিনি তার পর্যবেক্ষক, তিনি তাদের অক্ষম ইলাহ্গুলোর মতো? তারপরও তারা আল্লাহর সাথে শরিক বানিয়ে নিয়েছে। বলো: ‘তাদের পরিচয় দাও।’ তোমরা কি পৃথিবীর মধ্যে তাঁকে এমন কিছুর সংবাদ দিতে চাও, যা তিনি জানেন না? নাকি তা বাহ্যিক কথা মাত্র? বরং কাফিরদের কাছে তাদের চক্রান্তগুলোকে শোভনীয় করে দেয়া হয়েছে এবং তাদেরকে বাধা দেয়া হয়েছে সঠিক পথ থেকে। আর যাদের বিপথগামী করে দেন, তাদের কোনো হাদি (সঠিক পথ প্রদর্শক) নেই।

Arabic, with marks

أَفَمَنْ هُوَ قَائِمٌ عَلَىٰ كُلِّ نَفْسٍ بِمَا كَسَبَتْ ۗ وَجَعَلُوا لِلَّهِ شُرَكَاءَ قُلْ سَمُّوهُمْ ۚ أَمْ تُنَبِّئُونَهُ بِمَا لَا يَعْلَمُ فِي الْأَرْضِ أَم بِظَاهِرٍ مِّنَ الْقَوْلِ ۗ بَلْ زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا مَكْرُهُمْ وَصُدُّوا عَنِ السَّبِيلِ ۗ وَمَن يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ هَادٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের জন্য দুনিয়ার জীবনে আছে শাস্তি এবং আখিরাতের শাস্তি তো আরো কঠোর! এবং ‌র শাস্তি হইতে রক্ষা করিবার উহাদের কেহ নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুনিয়ার জীবনেও তাদের জন্যে রয়েছে আযাব, আর আখিরাতের আযাব তো আরো কঠোর। আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচানোর জন্যে তাদের কোনো রক্ষাকারী নেই।

Arabic, with marks

لَّهُمْ عَذَابٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَشَقُّ ۖ وَمَا لَهُم مِّنَ اللَّهِ مِن وَاقٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে, তাহার উপমা এইরূপ : উহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, উহার ফলসমূহ ও ছায়া চিরস্থায়ী। যাহারা ইহা তাহাদের কর্মফল এবং কাফিরদের কর্মফল দোযখ।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার উপমা হলো এরকম, যেমন তার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর, তার ফলন ও ছায়া হবে চিরস্থায়ী। এটাই মুত্তাকিদের (শুভ) পরিণাম। আর কাফিরদের পরিণাম হলো জাহান্নাম।

Arabic, with marks

۞ مَّثَلُ الْجَنَّةِ الَّتِي وُعِدَ الْمُتَّقُونَ ۖ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ۖ أُكُلُهَا دَائِمٌ وَظِلُّهَا ۚ تِلْكَ عُقْبَى الَّذِينَ اتَّقَوا ۖ وَّعُقْبَى الْكَافِرِينَ النَّارُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছি তাহারা যাহা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হইয়াছে তাহাতে আনন্দ পায়, কিন্তু কোন কোন দল উহার কতক অংশ অস্বীকার করে। বল, ‘আমি তো ‌র ‘ইবাদত করিতে ও তাঁহার কোন শরীক না করিতে আদিষ্ট হইয়াছি। আমি তাঁহারই প্রতি আহ্বান করি এবং তাঁহারই নিকট আমার প্রত্যাবর্তন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদেরকে আমরা কিতাব দিয়েছি, তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তাতে তারা আনন্দ পায়। কিন্তু কোনো কোনো দল সেটার কিছু কিছু অংশ অস্বীকার করে। বলো: ‘আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো এক আল্লাহর ইবাদত করি এবং তাঁর সাথে কাউকেও শরিক না করি। আমি তাঁরই দিকে আহবান জানাই এবং তাঁরই কাছে হবে আমার প্রত্যাবর্তন।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ آتَيْنَاهُمُ الْكِتَابَ يَفْرَحُونَ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْكَ ۖ وَمِنَ الْأَحْزَابِ مَن يُنكِرُ بَعْضَهُ ۚ قُلْ إِنَّمَا أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ اللَّهَ وَلَا أُشْرِكَ بِهِ ۚ إِلَيْهِ أَدْعُو وَإِلَيْهِ مَآبِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি বিধানরূপে আরবী ভাষায়। জ্ঞান প্রাপ্তির পর তুমি যদি তাহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ কর তবে ‌র বিরুদ্ধে তোমার কোন অভিভাবক ও রক্ষক থাকিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা সেটিকে নাযিল করেছি একটি বিধান হিসাবে আরবি ভাষায়। তোমার কাছে এলেম আসার পর তুমি যদি তাদের ইচ্ছা বাসনার ইত্তেবা (অনুসরণ) করো, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার কোনো অভিভাবক এবং রক্ষাকারী থাকবে না।

Arabic, with marks

وَكَذَٰلِكَ أَنزَلْنَاهُ حُكْمًا عَرَبِيًّا ۚ وَلَئِنِ اتَّبَعْتَ أَهْوَاءَهُم بَعْدَمَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَكَ مِنَ اللَّهِ مِن وَلِيٍّ وَلَا وَاقٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বে আমি তো অনেক রাসূল প্রেরণ করিয়াছিলাম এবং তাহাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততি দিয়াছিলাম। ‌র অনুমতি ব্যতীত কোন নিদর্শন উপস্থিত করা কোন রাসূলের কাজ নয়। প্রত্যেক বিষয়ের নির্ধারিত কাল লিপিবদ্ধ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেও আমরা বহু রসূল পাঠিয়েছিলাম এবং তাদেরও দিয়েছিলাম স্ত্রী এবং সন্তান - সন্ততি। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো নিদর্শন উপস্থিত করা কোনো রসূলের কাজ নয়। প্রত্যেক বিষয়েরই নির্ধারিত মেয়াদ লেখা রয়েছে।

Arabic, with marks

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلًا مِّن قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجًا وَذُرِّيَّةً ۚ وَمَا كَانَ لِرَسُولٍ أَن يَأْتِيَ بِآيَةٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ ۗ لِكُلِّ أَجَلٍ كِتَابٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ যাহা ইচ্ছা তাহা নিশ্চিহ্ন করেন এবং যাহা ইচ্ছা তাহা প্রতিষ্ঠিত রাখেন এবং তাঁহারই নিকট আছে উম্মুল কিতাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

যা ইচ্ছা করেন তা মুছে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন তা প্রতিষ্ঠিত রাখেন। আর তাঁর কাছেই রয়েছে ‘উম্মুল কিতাব’ (মূল কিতাব, Mother Book)।

Arabic, with marks

يَمْحُو اللَّهُ مَا يَشَاءُ وَيُثْبِتُ ۖ وَعِندَهُ أُمُّ الْكِتَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে যে শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়াছি তাহার কিছু যদি তোমাকে দেখাই অথবা যদি ইহার পূর্বে তোমার কাল পূর্ণ করিয়া দেই - তোমার কর্তব্য তো কেবল প্রচার করা এবং হিসাব - নিকাশ তো আমার কাজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) তাদেরকে আমরা যে শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার কিছুটা যদি তোমার জীবদ্দশাতেই তোমাকে দেখাই, কিংবা যদি তার আগেই তোমার ওফাত ঘটিয়ে দেই (তাতে কিছু যায় আসেনা, সর্বাবস্থায়ই) তোমার দায়িত্ব তো কেবল (বার্তা) পৌঁছে দেয়া, আর আমাদের দায়িত্ব হিসাব নেয়া।

Arabic, with marks

وَإِن مَّا نُرِيَنَّكَ بَعْضَ الَّذِي نَعِدُهُمْ أَوْ نَتَوَفَّيَنَّكَ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَاغُ وَعَلَيْنَا الْحِسَابُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি দেখে না যে, আমি উহাদের দেশকে চতুর্দিক হইতে সংকুচিত করিয়া আনিতেছি? ‌ আদেশ করেন, তাহার আদেশ রদ করিবার কেহ নাই এবং তিনি হিসাব গ্রহণে তৎপর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, আমরা তাদের ভূ - খন্ডকে চারদিক থেকে সংকুচিত করে আনছি? ফায়সালা তো করেন । তাঁর ফায়সালা রদ করার কেউ নেই। তিনি হিসাব গ্রহণে দ্রুত।

Arabic, with marks

أَوَلَمْ يَرَوْا أَنَّا نَأْتِي الْأَرْضَ نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَا ۚ وَاللَّهُ يَحْكُمُ لَا مُعَقِّبَ لِحُكْمِهِ ۚ وَهُوَ سَرِيعُ الْحِسَابِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের পূর্বে যাহারা ছিল তাহারাও চক্রান্ত করিয়াছিল; কিন্তু সমস্ত চক্রান্ত ‌র ইখতিয়ারে। প্রত্যেক ব্যক্তি যাহা করে তাহা তিনি জানেন এবং কাফিররা শীঘ্রই জানিবে শুভ পরিণাম কাহাদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের পূর্বেকার কাফিররাও (রসূলদের বিরুদ্ধে) ষড়যন্ত্র করেছিল। অথচ সব চক্রান্ত আল্লাহর এখতিয়ারে। প্রতিটি মানুষ যা কামাই করে, তা জানেন। অচিরেই কাফিররা জানতে পারবে শুভ পরিণামের ঘর কার?

Arabic, with marks

وَقَدْ مَكَرَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَلِلَّهِ الْمَكْرُ جَمِيعًا ۖ يَعْلَمُ مَا تَكْسِبُ كُلُّ نَفْسٍ ۗ وَسَيَعْلَمُ الْكُفَّارُ لِمَنْ عُقْبَى الدَّارِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করিয়াছে তাহারা বলে, ‘তুমি ‌র প্রেরিত নও।’ বল, ‘‌ এবং যাহাদের নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে, তাহারা আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: তুমি আল্লাহর প্রেরিত রসূল নও। তুমি বলো: ‘আল্লাহ্ই আমার এবং তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট, আর যাদের কাছে কিতাবের জ্ঞান আছে তারা।’

Arabic, with marks

وَيَقُولُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَسْتَ مُرْسَلًا ۚ قُلْ كَفَىٰ بِاللَّهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ وَمَنْ عِندَهُ عِلْمُ الْكِتَابِ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme