Kitab

আল যুখরুফ

Chapter 43, 89 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • Word by word
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হা - মীম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হা মিম!

মুহিউদ্দীন খান

হা - মীম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হা-মীম।

Word by word

حمٓ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের;

আবদুস শহীদ নাসিম

সুস্পষ্ট কিতাবের শপথ!

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুস্পষ্ট কিতাবের কসম!

Word by word

وَٱلْكِتَٰبِ ٱلْمُبِينِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা অবতীর্ণ করিয়াছি আরবী ভাষায় কুরআন, যাহাতে তোমরা বুঝিতে পার।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা এই কুরআন আরবি ভাষায় করেছি যেনো তোমরা বুঝতে পারো।

মুহিউদ্দীন খান

আমি একে করেছি কোরআন, আরবী ভাষায়, যাতে তোমরা বুঝ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তো একে আরবী কুরআন বানিয়েছি, যাতে তোমরা বুঝতে পার।

Word by word

إِنَّا جَعَلْنَٰهُ قُرْءَٰنًا عَرَبِيًّا لَّعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো রহিয়াছে আমার নিকট উম্মুল কিতাবে; ইহা মহান, জ্ঞানগর্ভ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি আমাদের কাছে উম্মুল কিতাবে (মূল গ্রন্থে, Mother Book - এ) সংরক্ষিত আছে। এটি অতি উঁচু মর্যাদাসম্পন্ন, বিজ্ঞানময়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এ কোরআন আমার কাছে সমুন্নত অটল রয়েছে লওহে মাহফুযে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তা আমার কাছে উম্মুল কিতাবে সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন, প্রজ্ঞাপূর্ণ।

Word by word

وَإِنَّهُۥ فِىٓ أُمِّ ٱلْكِتَٰبِ لَدَيْنَا لَعَلِىٌّ حَكِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কি তোমাদের হইতে এই উপদেশবাণী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করিয়া লইব এই কারণে যে, তোমরা সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

যেহেতু তোমরা একটি সীমালংঘনকারী জাতি, সে জন্যে কি আমরা তোমাদের থেকে এই উপদেশ গ্রন্থ পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেবো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা সীমাতিক্রমকারী সম্প্রদায় - এ কারণে কি আমি তোমাদের কাছ থেকে কোরআন প্রত্যাহার করে নেব?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী জাতি, এ কারণে কি আমি তোমাদের কাছ থেকে এ উপদেশবাণী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করে নেব?

Word by word

أَفَنَضْرِبُ عَنكُمُ ٱلذِّكْرَ صَفْحًا أَن كُنتُمْ قَوْمًا مُّسْرِفِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পূর্ববর্তীদের নিকট আমি বহু নবী প্রেরণ করিয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আগেকার লোকদের কাছে আমরা বহু নবী পাঠিয়েছি।

মুহিউদ্দীন খান

পূর্ববর্তী লোকদের কাছে আমি অনেক রসূলই প্রেরণ করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পূর্ববর্তীদের মধ্যে আমি বহু নবী পাঠিয়েছিলাম।

Word by word

وَكَمْ أَرْسَلْنَا مِن نَّبِىٍّ فِى ٱلْأَوَّلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখনই উহাদের নিকট কোন নবী আসিয়াছে উহারা তাহাকে ঠাট্টা - বিদ্রপ করিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তাদের কাছে কোনো নবী এসেছিল, তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

যখনই তাদের কাছে কোন রসূল আগমন করেছেন, তখনই তারা তাঁর সাথে ঠাট্টা - বিদ্রুপ করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখনই তাদের কাছে কোন নবী এসেছে তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছে।

Word by word

وَمَا يَأْتِيهِم مِّن نَّبِىٍّ إِلَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ইহাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল ছিল, তাহাদেরকে আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম; আর এইভাবে চলিয়া আসিয়াছে পূর্ববর্তীদের অনুরূপ দৃষ্টান্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, তারা ছিলো এদের চাইতেও প্রবল শক্তিধর। যারা অতীত হয়েছে এ রকমই ছিলো তাদের দৃষ্টান্ত।

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং আমি তাদের চেয়ে অধিক শক্তি সম্পন্নদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি। পূর্ববর্তীদের এ ঘটনা অতীত হয়ে গেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে তাদের চেয়েও শক্তিতে প্রবলদেরকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছিলাম। আর পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত অতীত হয়ে গেছে।

Word by word

فَأَهْلَكْنَآ أَشَدَّ مِنْهُم بَطْشًا وَمَضَىٰ مَثَلُ ٱلْأَوَّلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি যদি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘কে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছে?’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘এইগুলি তো সৃষ্টি করিয়াছেন পরাক্রমশালী, র্সবজ্ঞ ‌’,

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো, কে সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ আর পৃথিবী? তারা অবশ্যি বলবে: ‘মহাশক্তিধর মহাজ্ঞানী সৃষ্টি করেছেন সেগুলো।’

মুহিউদ্দীন খান

আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন কে নভোমন্ডল ও ভূ - মন্ডল সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে, এগুলো সৃষ্টি করেছেন পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি যদি জিজ্ঞাসা কর, আসমানসমূহ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তারা অবশ্যই বলবে, মহাপরাক্রমশালী সর্বজ্ঞই কেবল এগুলো সৃষ্টি করেছেন।

Word by word

وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ خَلَقَهُنَّ ٱلْعَزِيزُ ٱلْعَلِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করিয়াছেন শয্যা এবং উহাতে করিয়াছেন তোমাদের চলিবার পথ, যাহাতে তোমরা সঠিক পথ পাইতে পার;

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে করেছেন শয্যা - সমতল এবং তাতে তোমাদের জন্যে তৈরি করে দিয়েছেন চলাচলের পথ, যাতে করে তোমরা সঠিক পথে চলতে পারো,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে করেছেন বিছানা এবং তাতে তোমাদের জন্যে করেছেন পথ, যাতে তোমরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পার।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি যমীনকে তোমাদের জন্য শয্যা বানিয়েছেন এবং তাতে তোমাদের জন্য বানিয়েছেন চলার পথ, যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার।

Word by word

ٱلَّذِى جَعَلَ لَكُمُ ٱلْأَرْضَ مَهْدًا وَجَعَلَ لَكُمْ فِيهَا سُبُلًا لَّعَلَّكُمْ تَهْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যিনি আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন পরিমিতভাবে। অতঃপর আমি তদ্দ্বারা সঞ্জীবিত করি নির্জীব জনপদকে। এইভাবেই তোমাদেরকে বাহির করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তিনিই আসমান থেকে নাযিল করেন পানি পরিমাণ মতো, তা দিয়ে আমরা জীবিত করে তুলি মরা জমিনকে। এভাবেই পুনরুত্থিত করা হবে তোমাদেরকেও।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন পরিমিত। আতঃপর তদ্দ্বারা আমি মৃত ভূ - ভাগকে পুনরুজ্জীবিত করেছি। তোমরা এমনিভাবে উত্থিত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যিনি আসমান থেকে পরিমিতভাবে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর আমি তা দ্বারা মৃত জনপদকে সঞ্জীবিত করি। এভাবেই তোমাদেরকে বের করা হবে।

Word by word

وَٱلَّذِى نَزَّلَ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءًۢ بِقَدَرٍ فَأَنشَرْنَا بِهِۦ بَلْدَةً مَّيْتًا كَذَٰلِكَ تُخْرَجُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যিনি সকল প্রকারের জোড়া যুগল সৃষ্টি করেন এবং যিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেন এমন নৌযান ও আন‘আম তথা চতুষ্পদ জন্তু, যাহাতে তোমরা আরোহণ কর ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই সৃষ্টি করেন প্রতিটি জিনিসের জোড়া, আর তিনিই তোমাদের জন্যে সৃষ্টি করেন নৌযান ও পশু, যাতে তোমরা আরোহণ করো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যিনি সবকিছুর যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং নৌকা ও চতুস্পদ জন্তুকে তোমাদের জন্যে যানবাহনে পরিণত করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যিনি সব কিছুই জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের জন্য নৌযান ও গৃহপালিত জন্তু সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা আরোহণ কর,

Word by word

وَٱلَّذِى خَلَقَ ٱلْأَزْوَٰجَ كُلَّهَا وَجَعَلَ لَكُم مِّنَ ٱلْفُلْكِ وَٱلْأَنْعَٰمِ مَا تَرْكَبُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাতে তোমরা উহাদের পৃষ্ঠে স্থির হইয়া বসিতে পার. তারপর তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহ স্মরণ কর যখন তোমরা উহার উপর স্থির হইয়া বস ; এবং বল, ‘পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি ইহাদেরকে আমাদের বশীভূত করিয়া দিয়াছেন, যদিও আমরা সমর্থ ছিলাম না ইহাদেরকে বশীভূত করিতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তোমরা তাদের পিঠে স্থির হয়ে বসতে পারো। এবার তোমাদের প্রতি তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহ স্মরণ করো, যখন তোমরা সেগুলোর উপর স্থির হয়ে বসো এবং বলো: ‘‘পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছেন এটিকে। আমরা তো এটাকে বশীভূত করতে সমর্থ ছিলাম না।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তোমরা তাদের পিঠের উপর আরোহণ কর। অতঃপর তোমাদের পালনকর্তার নেয়ামত স্মরণ কর এবং বল পবিত্র তিনি, যিনি এদেরকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন এবং আমরা এদেরকে বশীভূত করতে সক্ষম ছিলাম না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাতে তোমরা এর পিঠে স্থির থাকতে পার তারপর তোমাদের রবের অনুগ্রহ স্মরণ করবে, যখন তোমরা এর উপর স্থির হয়ে বসবে আর বলবে, ‘পবিত্র-মহান সেই সত্তা যিনি এগুলোকে আমাদের বশীভূত করে দিয়েছেন। আর আমরা এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম ছিলাম না’।

Word by word

لِتَسْتَوُۥا۟ عَلَىٰ ظُهُورِهِۦ ثُمَّ تَذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ رَبِّكُمْ إِذَا ٱسْتَوَيْتُمْ عَلَيْهِ وَتَقُولُوا۟ سُبْحَٰنَ ٱلَّذِى سَخَّرَ لَنَا هَٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقْرِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট অবশ্যই প্রত্যাবর্তন করিব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা অবশ্যি ফিরে যাবো আমাদের প্রভুর কাছে।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা অবশ্যই আমাদের পালনকর্তার দিকে ফিরে যাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় আমরা আমাদের রবের কাছেই প্রত্যাবর্তনকারী।

Word by word

وَإِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তাঁহার বান্দাদের মধ্য হইতে তাঁহার অংশ সাব্যস্ত করিয়াছে। মানুষ তো স্পষ্টই অকৃতজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাঁর দাসদের মধ্য থেকে তাঁর অংশ (অংশীদার) সাব্যস্ত করে নিয়েছে। মানুষ একেবারেই সুস্পষ্ট অকৃতজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আল্লাহর বান্দাদের মধ্য থেকে আল্লাহর অংশ স্থির করেছে। বাস্তবিক মানুষ স্পষ্ট অকৃতজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে তাঁর অংশ সাব্যস্ত করেছে। নিশ্চয়ই মানুষ স্পষ্ট অকৃতজ্ঞ।

Word by word

وَجَعَلُوا۟ لَهُۥ مِنْ عِبَادِهِۦ جُزْءًا إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ لَكَفُورٌ مُّبِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি কি তাঁহার সৃষ্টি হইতে নিজের জন্য কন্যা সন্তান গ্রহণ করিয়াছেন এবং তোমাদেরকে বিশিষ্ট করিয়াছেন পুত্র সন্তান দ্বারা?

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি কি নিজের সৃষ্টির মধ্য থেকে নিজের জন্যে কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন, আর তোমাদের গুণাণ্বিত করেছেন পুত্র সন্তান দিয়ে?

মুহিউদ্দীন খান

তিনি কি তাঁর সৃষ্টি থেকে কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন এবং তোমাদের জন্য মনোনীত করেছেন পুত্র সন্তান?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি কি যা সৃষ্টি করেছেন তা থেকে কন্যা সন্তান গ্রহণ করেছেন, আর তোমাদেরকে বিশিষ্ট করেছেন পুত্র সন্তান দ্বারা?

Word by word

أَمِ ٱتَّخَذَ مِمَّا يَخْلُقُ بَنَاتٍ وَأَصْفَىٰكُم بِٱلْبَنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দয়াময় ‌র প্রতি উহারা যাহা আরোপ করে উহাদের কাহাকেও সেই সন্তানের সংবাদ দেওয়া হইলে তাহার মুখমণ্ডল কালো হইয়া যায় এবং সে দুঃসহ মর্ম যাতনায় ক্লিষ্ট হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা রহমানের জন্যে যে দৃষ্টান্ত আরোপ করে, তাদের কাউকেও সেই (কন্যা সন্তানের) সংবাদ দেয়া হলে তার মুখ কালো হয়ে যায় এবং সে জর্জরিত হয় দু:সহ মর্ম বেদনায়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা রহমান আল্লাহর জন্যে যে, কন্যা - সন্তান বর্ণনা করে, যখন তাদের কাউকে তার সংবাদ দেয়া হয়, তখন তার মুখমন্ডল কালো হয়ে যায় এবং ভীষণ মনস্তাপ ভোগ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তাদের কাউকে সুসংবাদ দেয়া হয়, যা রহমানের প্রতি তারা দৃষ্টান্ত পেশ করে, তখন তার মুখমন্ডল মলিন হয়ে যায়। এমতাবস্থায় যে, সে দুঃসহ যাতনাপিষ্ট।

Word by word

وَإِذَا بُشِّرَ أَحَدُهُم بِمَا ضَرَبَ لِلرَّحْمَٰنِ مَثَلًا ظَلَّ وَجْهُهُۥ مُسْوَدًّا وَهُوَ كَظِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি ‌র প্রতি আরোপ করে এমন সন্তান, যে অলঙ্কারে মণ্ডিত হইয়া লালিত - পালিত হয় এবং তর্ক - বিতর্ককালে স্পষ্ট বক্তব্যে অসমর্থ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি আল্লাহর প্রতি এমন সন্তান আরোপ করে, যে অলংকারে সজ্জিত হয়ে লালিত পালিত হয় এবং বিতর্কের ক্ষেত্রেও সুস্পষ্ট নয়?

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি এমন ব্যক্তিকে আল্লাহর জন্যে বর্ণনা করে, যে অলংকারে লালিত - পালিত হয় এবং বিতর্কে কথা বলতে অক্ষম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে অলংকারে লালিত পালিত হয়; এবং বিতর্ককালে সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রদানে অক্ষম।

Word by word

أَوَمَن يُنَشَّؤُا۟ فِى ٱلْحِلْيَةِ وَهُوَ فِى ٱلْخِصَامِ غَيْرُ مُبِينٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা দয়াময় ‌র বান্দা ফিরিশ্‌তাদেরকে নারী গণ্য করিয়াছে ; ইহাদের সৃষ্টি কি উহারা প্রত্যক্ষ করিয়াছিল? উহাদের উক্তি অবশ্য লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উহাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরেশতা, যারা রহমানের দাস, তাদেরকে তারা নারী গণ্য করে। তারা কি তাদের সৃষ্টির সময় উপস্থিত ছিলো? তাদের সাক্ষ্য অবশ্যি লিখে নেয়া হবে এবং তাদের জেরা করা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা নারী স্থির করে ফেরেশতাগণকে, যারা আল্লাহর বান্দা। তারা কি তাদের সৃষ্টি প্রত্যক্ষ করেছে? এখন তাদের দাবী লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা গণ্য করেছে রহমানের বান্দা ফেরেশতাদেরকে নারী। তারা কি তাদের সৃষ্টি প্রত্যক্ষ করেছে? তাদের সাক্ষ্য অবশ্যই লিখে রাখা হবে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

Word by word

وَجَعَلُوا۟ ٱلْمَلَٰٓئِكَةَ ٱلَّذِينَ هُمْ عِبَٰدُ ٱلرَّحْمَٰنِ إِنَٰثًا أَشَهِدُوا۟ خَلْقَهُمْ سَتُكْتَبُ شَهَٰدَتُهُمْ وَيُسْـَٔلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘দয়াময় ‌ ইচ্ছা করিলে আমরা ইহাদের পূজা করিতাম না।’ এ বিষয়ে উহাদের কোন জ্ঞান নাই ; উহারা তো কেবল মনগড়া বলিতেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে? ‘রহমান চাইলে আমরা তাদের (ফেরেশতাদের) পূজা করতাম না।’ এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞানই নেই। তারা তো কেবল মনগড়া কথাই বলছে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, রহমান ইচছা না করলে আমরা ওদের পূজা করতাম না। এ বিষয়ে তারা কিছুই জানে না। তারা কেবল অনুমানে কথা বলে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা আর বলে, ‘পরম করুণাময় ইচ্ছা করলে আমরা এদের ইবাদাত করতাম না’, এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা শুধু মনগড়া কথা বলছে।

Word by word

وَقَالُوا۟ لَوْ شَآءَ ٱلرَّحْمَٰنُ مَا عَبَدْنَٰهُم مَّا لَهُم بِذَٰلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلَّا يَخْرُصُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কি উহাদেরকে কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব দান করিয়াছি যাহা উহারা দৃঢ়ভাবে ধারণ করিয়া আছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আমরা এই কুরআনের আগে তাদের কোনো কিতাব দিয়েছিলাম, এবং তারা সেটিকে মজবুত করে আঁকড়ে ধরতে চাইছে?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি তাদেরকে কোরআনের পূর্বে কোন কিতাব দিয়েছি, অতঃপর তারা তাকে আঁকড়ে রেখেছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কি তাদেরকে কুরআনের পূর্বে কোন কিতাব দিয়েছি, অতঃপর তারা তা দৃঢ়ভাবে ধারণ করে আছে?

Word by word

أَمْ ءَاتَيْنَٰهُمْ كِتَٰبًا مِّن قَبْلِهِۦ فَهُم بِهِۦ مُسْتَمْسِكُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং উহারা বলে, ‘আমরা তো আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পাইয়াছি এক মতাদর্শের অনুসারী এবং আমরা তাহাদেরই পদাংক অনুসরণ করিতেছি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং তারা বলে: ‘আমাদের পূর্ব পুরুষদের আমরা একটি ধর্ম বিশ্বাসের উপর পেয়েছি, আমরা তাদেরই অনুসরণ করে চলবো।’

মুহিউদ্দীন খান

বরং তারা বলে, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছি এক পথের পথিক এবং আমরা তাদেরই পদাংক অনুসরণ করে পথপ্রাপ্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তারা বলে, ‘আমরা নিশ্চয় আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এক মতাদর্শের উপর পেয়েছি, আর নিশ্চয় আমরা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে হিদায়াতপ্রাপ্ত হব’।

Word by word

بَلْ قَالُوٓا۟ إِنَّا وَجَدْنَآ ءَابَآءَنَا عَلَىٰٓ أُمَّةٍ وَإِنَّا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم مُّهْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে তোমার পূর্বে কোন জনপদে যখনই আমি কোন সতর্ককারী প্রেরণ করিয়াছি তখন উহার সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তিরা বলিত, ‘আমরা তো আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পাইয়াছি এক মতাদর্শের অনুসারী এবং আমরা তাহাদেরই পদাংক অনুসরণ করিতেছি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে তোমার আগে আমরা যখনই কোনো জনপদে কোনো সতর্ককারী (রসূল) পাঠিয়েছি, সেখানকার বিত্তশালী প্রভাবশালীরা বলেছে: ‘আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদের একটি ধর্ম বিশ্বাসের উপর পেয়েছি। আমরা তাদেরই একতেদা (অনুকরণ) করে চলবো।’

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আপনার পূর্বে আমি যখন কোন জনপদে কোন সতর্ককারী প্রেরণ করেছি, তখনই তাদের বিত্তশালীরা বলেছে, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে পেয়েছি এক পথের পথিক এবং আমরা তাদেরই পদাংক অনুসরণ করে চলছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এভাবেই তোমাদের পূর্বে যখনই আমি কোন জনপদে সতর্ককারী পাঠিয়েছি, তখনই সেখানকার বিলাসপ্রিয়রা বলেছে, ‘নিশ্চয় আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এক মতাদর্শের উপর পেয়েছি এবং নিশ্চয় আমরা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করব’।

Word by word

وَكَذَٰلِكَ مَآ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ فِى قَرْيَةٍ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتْرَفُوهَآ إِنَّا وَجَدْنَآ ءَابَآءَنَا عَلَىٰٓ أُمَّةٍ وَإِنَّا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم مُّقْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই সতর্ককারী বলিত, ‘তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে পথে পাইয়াছ, আমি যদি তোমাদের জন্য তদপেক্ষা উৎকৃষ্ট পথনির্দেশ আনয়ন করি তবুও কি তোমরা তাহাদের পদাংক অনুসরণ করিবে? তাহারা বলিত, ‘তোমরা যাহাসহ প্রেরিত হইয়াছ আমরা তাহা প্রত্যাখ্যান করি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই সতর্ককারী তাদের বলতো: ‘তোমরা তোমাদের পূর্ব পুরুষদের যে বিশ্বাস ও আচারের উপর পেয়েছো, আমি যদি তোমাদের জন্যে তার চাইতে উত্তম জীবন পদ্ধতি এনে থাকি, তবু কি তোমরা তাদের পদাংকই অনুসরণ করবে?’ তারা বলতো: ‘তোমরা যা নিয়ে এসেছো আমরা সেটার প্রতি কুফুরি (সেটা প্রত্যাখ্যান) করছি।’

মুহিউদ্দীন খান

সে বলত, তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছ, আমি যদি তদপেক্ষা উত্তম বিষয় নিয়ে তোমাদের কাছে এসে থাকি, তবুও কি তোমরা তাই বলবে? তারা বলত তোমরা যে বিষয়সহ প্রেরিত হয়েছ, তা আমরা মানব না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন সে (সতর্ককারী) বলেছে, ‘তোমরা তোমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যে মতাদর্শে পেয়েছ, আমি যদি তোমাদের কাছে তার চেয়ে উৎকৃষ্ট পথে নিয়ে আসি তবুও কি’? (তোমরা তাদের অনুসরণ করবে?) তারা বলেছে, ‘নিশ্চয় তোমাদেরকে যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে আমরা তার অস্বীকারকারী’।

Word by word

قَٰلَ أَوَلَوْ جِئْتُكُم بِأَهْدَىٰ مِمَّا وَجَدتُّمْ عَلَيْهِ ءَابَآءَكُمْ قَالُوٓا۟ إِنَّا بِمَآ أُرْسِلْتُم بِهِۦ كَٰفِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি উহাদের হইতে প্রতিশোধ লইলাম। দেখ, মিথ্যাচারীদের পরিণাম কী হইয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা তাদের থেকে প্রতিশোধ নিয়েছি। এখন চেয়ে দেখো, প্রত্যাখ্যানকারীদের পরিণতি কী রকম হয়ে থাকে?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়েছি। অতএব দেখুন, মিথ্যারোপকারীদের পরিণাম কিরূপ হয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম। অতএব দেখ, মিথ্যারোপকারীদের পরিণতি কেমন হয়েছিল?

Word by word

فَٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُكَذِّبِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, ইব্‌রাহীম তাহার পিতা এবং সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা যাহাদের পূজা কর তাহাদের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নাই;

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, ইবরাহিম তার পিতাকে এবং তার জাতিকে বলেছিল: ‘‘আপনারা যাদের পূজা করছেন, আমি তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলাম।

মুহিউদ্দীন খান

যখন ইব্রাহীম তার পিতা ও সম্প্রদায়কে বলল, তোমরা যাদের পূজা কর, তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, যখন ইবরাহীম স্বীয় পিতা ও তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা যেগুলোর ইবাদাত কর, নিশ্চয় আমি তাদের থেকে সম্পর্কমুক্ত’।

Word by word

وَإِذْ قَالَ إِبْرَٰهِيمُ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦٓ إِنَّنِى بَرَآءٌ مِّمَّا تَعْبُدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সম্পর্ক আছে শুধু তাঁহারই সঙ্গে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং তিনিই আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিবেন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার সম্পর্ক শুধু তাঁর সাথে গড়ে নিলাম, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে সঠিক পথ দেখিয়েছেন।’’

মুহিউদ্দীন খান

তবে আমার সম্পর্ক তাঁর সাথে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। অতএব, তিনিই আমাকে সৎপথ প্রদর্শন করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তবে (তিনি ছাড়া) যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর নিশ্চয় তিনি আমাকে শীঘ্রই হিদায়াত দিবেন।’

Word by word

إِلَّا ٱلَّذِى فَطَرَنِى فَإِنَّهُۥ سَيَهْدِينِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই ঘোষণাকে সে স্থায়ী বাণীরূপে রাখিয়া গিয়াছে তাহার পরবর্তীদের জন্য, যাহাতে উহারা প্রত্যাবর্তন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম তার এই ঘোষণাকে স্থায়ী বাণী হিসেবে রেখে গেছে তার পরবর্তীদের জন্যে যাতে করে তারা ফিরে আসে (আল্লাহর দিকে)।

মুহিউদ্দীন খান

এ কথাটিকে সে অক্ষয় বাণীরূপে তার সন্তানদের মধ্যে রেখে গেছে, যাতে তারা আল্লাহর দিকেই আকৃষ্ট থাকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এটিকে সে তার উত্তরসূরীদের মধ্যে এক চিরন্তন বাণী বানিয়ে রেখে গেল, যাতে তারা প্রত্যাবর্তন করতে পারে।

Word by word

وَجَعَلَهَا كَلِمَةًۢ بَاقِيَةً فِى عَقِبِهِۦ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরঞ্চ আমিই উহাদেরকে এবং উহাদের পূর্বপুরুষদেরকে দিয়াছিলাম ভোগের সামগ্রী, অবশেষে উহাদের নিকট আসিল সত্য এবং স্পষ্ট বর্ণনাকারী রাসূল।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং আমিই তাদের এবং তাদের পূর্ব পুরুষদের দিয়েছি ভোগের সামগ্রী, অবশেষে তাদের কাছে সত্য এসেছে এবং এসেছে এক সুস্পষ্ট বার্তাবাহক রসূল।

মুহিউদ্দীন খান

পরন্ত আমিই এদেরকে ও এদের পূর্বপুরুষদেরকে জীবনোপভোগ করতে দিয়েছি, অবশেষে তাদের কাছে সত্য ও স্পষ্ট বর্ণনাকারী রসূল আগমন করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তাদের কাছে সত্য ও স্পষ্ট বর্ণনাকারী রাসূল আগমন না করা পর্যন্ত আমি তাদের এবং তাদের পিতৃপুরুষদের ভোগ করার সুযোগ দিয়েছিলাম।

Word by word

بَلْ مَتَّعْتُ هَٰٓؤُلَآءِ وَءَابَآءَهُمْ حَتَّىٰ جَآءَهُمُ ٱلْحَقُّ وَرَسُولٌ مُّبِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের নিকট সত্য আসিল, উহারা বলিল, ‘ইহা তো জাদু এবং আমরা ইহা প্রত্যাখ্যান করি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের কাছে সত্য এলো, তারা বললো: ‘এতো ম্যাজিক, আমরা একে প্রত্যাখ্যান করছি।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন সত্য তাদের কাছে আগমন করল, তখন তারা বলল, এটা যাদু, আমরা একে মানি না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথচ যখন সত্য তাদের কাছে আসল তখন তারা বলল, ‘এতো যাদু এবং নিশ্চয় আমরা তা অস্বীকার করছি।’

Word by word

وَلَمَّا جَآءَهُمُ ٱلْحَقُّ قَالُوا۟ هَٰذَا سِحْرٌ وَإِنَّا بِهِۦ كَٰفِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইহারা বলে, ‘এই কুরআন কেন নাযিল করা হইল না দুই জনপদের কোন প্রতিপত্তিশালী ব্যক্তির উপর?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলেছে: ‘দুই জনপদের (মক্কা ও তায়েফের) কোনো মহান ব্যক্তিত্বের কাছে কেন এই কুরআন নাযিল হলোনা?’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, কোরআন কেন দুই জনপদের কোন প্রধান ব্যক্তির উপর অবতীর্ণ হল না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলল, ‘এ কুরআন কেন দুই জনপদের মধ্যকার কোন মহান ব্যক্তির উপর নাযিল করা হল না’?।

Word by word

وَقَالُوا۟ لَوْلَا نُزِّلَ هَٰذَا ٱلْقُرْءَانُ عَلَىٰ رَجُلٍ مِّنَ ٱلْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা কি তোমার প্রতিপালকের করুণা বণ্টন করে? আমিই উহাদের মধ্যে উহাদের জীবিকা বণ্টন করি, পার্থিব জীবনে এবং একজনকে অপরের উপর মর্যাদায় উন্নত করি, যাহাতে একে অপরের দ্বারা কাজ করাইয়া লইতে পারে; এবং উহারা যাহা জমা করে তাহা হইতে তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ উৎকৃষ্টতর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারাই কি বণ্টন করে তোমার প্রভুর রহমত? আমরাই তো তাদের মাঝে তাদের জীবিকা বণ্টন করে দেই পার্থিব জীবনে এবং একজনকে আরেকজনের উপর শ্রেষ্ঠ করি মর্যাদায়, যাতে করে তারা একে অপরকে কাজ আদায় করার জন্যে (কর্মচারী) নিয়োগ করতে পারে। তারা যা সঞ্চয় করে তার চাইতে তোমার প্রভুর রহমতই শ্রেষ্ঠ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি আপনার পালনকর্তার রহমত বন্টন করে? আমি তাদের মধ্যে তাদের জীবিকা বন্টন করেছি পার্থিব জীবনে এবং একের মর্যাদাকে অপরের উপর উন্নীত করেছি, যাতে একে অপরকে সেবক রূপে গ্রহণ করে। তারা যা সঞ্চয় করে, আপনার পালনকর্তার রহমত তদপেক্ষা উত্তম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি তোমার রবের রহমত ভাগ-বণ্টন করে? আমিই দুনিয়ার জীবনে তাদের মধ্যে তাদের জীবিকা বণ্টন করে দেই এবং তাদের একজনকে অপর জনের উপর মর্যাদায় উন্নীত করি যাতে একে অপরকে অধিনস্থ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে। আর তারা যা সঞ্চয় করে তোমার রবের রহমত তা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট।

Word by word

أَهُمْ يَقْسِمُونَ رَحْمَتَ رَبِّكَ نَحْنُ قَسَمْنَا بَيْنَهُم مَّعِيشَتَهُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَرَفَعْنَا بَعْضَهُمْ فَوْقَ بَعْضٍ دَرَجَٰتٍ لِّيَتَّخِذَ بَعْضُهُم بَعْضًا سُخْرِيًّا وَرَحْمَتُ رَبِّكَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সত্য প্রত্যাখ্যানে মানুষ এক - মতাবলম্বী হইয়া পড়িবে, এই আশংকা না থাকিলে দয়াময় ‌কে যাহারা অস্বীকার করে, উহাদেরকে আমি দিতাম উহাদের গৃহের জন্য রৌপ্য - নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি যাহাতে উহারা আরোহণ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সত্য প্রত্যাখ্যান করে মানুষ একই পথের অনুসারী হয়ে পড়বে - এ আশঙ্কা না থাকলে রহমানের প্রতি যারা কুফুরি করে, তাদেরকে আমরা দিতাম তাদের ঘরের জন্যে রূপার ছাদ ও সিঁড়ি, যা দিয়ে তারা বেয়ে উঠে,

মুহিউদ্দীন খান

যদি সব মানুষের এক মতাবলম্বী হয়ে যাওয়ার আশংকা না থাকত, তবে যারা দয়াময় আল্লাহকে অস্বীকার করে আমি তাদেরকে দিতাম তাদের গৃহের জন্যে রৌপ্য নির্মিত ছাদ ও সিঁড়ি, যার উপর তারা চড়ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যদি সব মানুষ একই জাতিতে পরিণত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তবে যারা পরম করুণাময়ের প্রতি করে আমি তাদের গৃহসমূহের জন্য রৌপ্যনির্মিত ছাদ ও ঊর্ধ্বে আরোহণের সিঁড়ি তৈরী করে দিতাম।

Word by word

وَلَوْلَآ أَن يَكُونَ ٱلنَّاسُ أُمَّةً وَٰحِدَةً لَّجَعَلْنَا لِمَن يَكْفُرُ بِٱلرَّحْمَٰنِ لِبُيُوتِهِمْ سُقُفًا مِّن فِضَّةٍ وَمَعَارِجَ عَلَيْهَا يَظْهَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাদের গৃহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক - যাহাতে উহারা হেলান দিয়া বিশ্রাম করিতে পারে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তাদের ঘরের জন্যে দরজা এবং খাট পালঙ্ক - যাতে পিঠ রেখে তারা বিশ্রাম করে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদের গৃহের জন্যে দরজা দিতাম এবং পালংক দিতাম যাতে তারা হেলান দিয়ে বসত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের গৃহসমূহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক, যাতে তারা হেলান দেয়।

Word by word

وَلِبُيُوتِهِمْ أَبْوَٰبًا وَسُرُرًا عَلَيْهَا يَتَّكِـُٔونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্বর্ণ - নির্মিতও। আর এই সকলই তো শুধু পার্থিব জীবনের ভোগ - সম্ভার। মুত্তাকীদের জন্য তোমার প্রতিপালকের নিকট রহিয়াছে আখিরাতের কল্যাণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের কাছে সত্য এলো, তারা বললো: ‘এতো ম্যাজিক, আমরা একে প্রত্যাখ্যান করছি।’

মুহিউদ্দীন খান

এবং স্বর্ণনির্মিতও দিতাম। এগুলো সবই তো পার্থিব জীবনের ভোগ সামগ্রী মাত্র। আর পরকাল আপনার পালনকর্তার কাছে তাঁদের জন্যেই যারা ভয় করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের জন্য স্বর্ণনির্মিত এর সব কয়টিই দুনিয়ার জীবনের ভোগ-সামগ্রী। আর তো তোমার রবের কাছে মুত্তাকীদের জন্য ।

Word by word

وَزُخْرُفًا وَإِن كُلُّ ذَٰلِكَ لَمَّا مَتَٰعُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَٱلْءَاخِرَةُ عِندَ رَبِّكَ لِلْمُتَّقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি দয়াময় ‌র স্মরণে বিমুখ হয় আমি তাহার জন্য নিয়োজিত করি এক শয়তান, অতঃপর সে - ই হয় তাহার সহচর।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি রহমানের যিকির থেকে বিমুখ হয়ে জীবন যাপন করে, আমরা তার পেছনে নিয়োগ করে দেই একটা শয়তান, সে হয়ে যায় তার সংগি।

মুহিউদ্দীন খান

যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দেই, অতঃপর সে - ই হয় তার সঙ্গী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে পরম করুণাময়ের যিকির থেকে বিমুখ থাকে আমি তার জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করি, ফলে সে হয়ে যায় তার সঙ্গী।

Word by word

وَمَن يَعْشُ عَن ذِكْرِ ٱلرَّحْمَٰنِ نُقَيِّضْ لَهُۥ شَيْطَٰنًا فَهُوَ لَهُۥ قَرِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শয়তানেরাই মানুষকে সৎপথ হইতে বিরত রাখে, অথচ মানুষ মনে করে তাহারা সৎপথে পরিচালিত হইতেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই শয়তানেরাই মানুষকে বাধা দিয়ে রাখে আল্লাহর পথ থেকে। অথচ তারা মনে করে তারা সঠিক পথেই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

শয়তানরাই মানুষকে সৎপথে বাধা দান করে, আর মানুষ মনে করে যে, তারা সৎপথে রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তারাই (শয়তান) মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়। অথচ মানুষ মনে করে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।

Word by word

وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ ٱلسَّبِيلِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُم مُّهْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশেষে যখন সে আমার নিকট উপস্থিত হইবে, তখন সে শয়তানকে বলিবে, ‘হায়! আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব ও পশ্চিমের ব্যবধান থাকিত!’ কত নিকৃষ্ট সহচর সে !

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশেষে সে যখন আমাদের কাছে এসে উপস্থিত হয়, তখন সে শয়তানকে বলে: ‘হায়, তোর এবং আমার মাঝে যদি পূর্ব - পশ্চিমের দূরত্ব থাকতো।’ কতো যে নিকৃষ্ট সংগি এই শয়তান।

মুহিউদ্দীন খান

অবশেষে যখন সে আমার কাছে আসবে, তখন সে শয়তানকে বলবে, হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব - পশ্চিমের দূরত্ব থাকত। কত হীন সঙ্গী সে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশেষে যখন সে আমার নিকট আসবে তখন সে [তার শয়তান সংগীকে উদ্দেশ্য করে] বলবে, ‘হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকত’ সুতরাং কতইনা নিকৃষ্ট সে সঙ্গী!

Word by word

حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءَنَا قَالَ يَٰلَيْتَ بَيْنِى وَبَيْنَكَ بُعْدَ ٱلْمَشْرِقَيْنِ فَبِئْسَ ٱلْقَرِينُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আজ তোমাদের এই অনুতাপ তোমাদের কোন কাজেই আসিবে না, যেহেতু তোমরা সীমালংঘন করিয়াছিলে ; তোমরা তো সকলেই শাস্তিতে শরীক।

আবদুস শহীদ নাসিম

আজ তোমাদের এই অনুতাপ কোনো কাজেই আসবেনা যেহেতু তোমরা সীমালংঘন করেছিলে। তোমরা সবাই শরিক হবে আযাবে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যখন কুফর করছিলে, তখন তোমাদের আজকের আযাবে শরীক হওয়া কোন কাজে আসবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আজ তা [তোমাদের এই অনুতাপ] তোমাদের কোন উপকারেই আসবে না। যেহেতু তোমরা যুলম করেছিলে। নিশ্চয় তোমরা আযাবে পরস্পর অংশীদার হয়ে থাকবে।

Word by word

وَلَن يَنفَعَكُمُ ٱلْيَوْمَ إِذ ظَّلَمْتُمْ أَنَّكُمْ فِى ٱلْعَذَابِ مُشْتَرِكُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি শোনাইতে পারিবে বধিরকে অথবা যে অন্ধ ও যে ব্যক্তি স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে, তাহাকে কি পারিবে সৎপথে পরিচালিত করিতে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তা হলে তুমি কি শুনাবে বধিরকে, কিংবা সঠিক পথ দেখাবে অন্ধকে, আর ঐ ব্যক্তিকে যে রয়েছে সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি বধিরকে শোনাতে পারবেন? অথবা যে অন্ধ ও যে স্পষ্ট পথ ভ্রষ্টতায় লিপ্ত, তাকে পথ প্রদর্শণ করতে পারবেন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি বধিরকে শুনাতে পারবে অথবা হিদায়াত করতে পারবে অন্ধকে এবং তাকে যে স্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় রয়েছে?

Word by word

أَفَأَنتَ تُسْمِعُ ٱلصُّمَّ أَوْ تَهْدِى ٱلْعُمْىَ وَمَن كَانَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যদি তোমাকে লইয়া যাই, তবু আমি উহাদেরকে শাস্তি দিব ;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি তোমাকে নিয়ে যাই, তবু তাদের থেকে প্রতিশোধ নেবো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি যদি আপনাকে নিয়ে যাই, তবু আমি তাদের কাছে থেকে প্রতিশোধ নেব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যদি আমি তোমাকে নিয়ে যাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করব।

Word by word

فَإِمَّا نَذْهَبَنَّ بِكَ فَإِنَّا مِنْهُم مُّنتَقِمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা আমি উহাদেরকে যে শাস্তির ভীতি প্রদর্শন করিয়াছি, আমি তোমাকে তাহা প্রত্যক্ষ করাই, বস্তুত উহাদের উপর আমার তো পূর্ণ ক্ষমতা রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথবা আমরা তাদেরকে শাস্তির যে ওয়াদা দিয়েছি তা যদি (তোমার জীবদ্দশাতেই) তোমাকে দেখাই। তাদের উপর আমাদের পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

অথবা যদি আমি তাদেরকে যে আযাবের ওয়াদা দিয়েছি, তা আপনাকে দেখিয়ে দেই, তবু তাদের উপর আমার পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথবা আমি তাদের যে শাস্তির ওয়াদা দিয়েছি তা যদি তোমাকে প্রত্যক্ষ করাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান থাকব।

Word by word

أَوْ نُرِيَنَّكَ ٱلَّذِى وَعَدْنَٰهُمْ فَإِنَّا عَلَيْهِم مُّقْتَدِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তোমার প্রতি যাহা ওহী করা হইয়াছে তাহা দৃঢ়ভাবে অবলম্বন কর। তুমি সরল পথেই রহিয়াছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তোমার প্রতি যে অহি করা হয়েছে, তা শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো। অবশ্যি তুমি রয়েছো সিরাতুল মুস্তাকিমের (সরল সঠিক পথের) উপর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনার প্রতি যে ওহী নাযিল করা হয়, তা দৃঢ়ভাবে অবলম্বন করুন। নিঃসন্দেহে আপনি সরল পথে রয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমার প্রতি যা ওহী করা হয়েছে তাকে তুমি সুদৃঢ়ভাবে ধারণ কর। নিশ্চয় তুমি সরল পথের উপর রয়েছ।

Word by word

فَٱسْتَمْسِكْ بِٱلَّذِىٓ أُوحِىَ إِلَيْكَ إِنَّكَ عَلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কুরআন তো তোমার ও তোমার সম্প্রদায়ের জন্য সম্মানের বস্তু ; তোমাদেরকে অবশ্যই এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কুরআন তোমার জন্যে এবং তোমার কওমের জন্যে একটি সম্মানের প্রতীক। শীঘ্রি এ (কুরআনের) বিষয়ে তোমাদের জিজ্ঞাসা করা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আপনার ও আপনার সম্প্রদায়ের জন্যে উল্লেখিত থাকবে এবং শীঘ্রই আপনারা জিজ্ঞাসিত হবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এ কুরআন তোমার জন্য এবং তোমার কওমের জন্য উপদেশ। আর অচিরেই তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে।

Word by word

وَإِنَّهُۥ لَذِكْرٌ لَّكَ وَلِقَوْمِكَ وَسَوْفَ تُسْـَٔلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বে আমি যে সকল রাসূল প্রেরণ করিয়াছিলাম তাহাদেরকে তুমি জিজ্ঞাসা কর, আমি কি দয়াময় ব্যতীত কোন দেবতা স্থির করিয়াছিলাম যাহার ‘ইবাদত করা যায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগে আমরা যেসব রসূল পাঠিয়েছিলাম তাদের জিজ্ঞাসা করো, আমরা কি রহমানের পরিবর্তে অন্য ইলাহদের (দেবতাদের) নির্ধারণ করেছিল, যাদের ইবাদত করা যেতে পারে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে আমি যেসব রসূল প্রেরণ করেছি, তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, দয়াময় ব্যতীত আমি কি কোন উপাস্য স্থির করেছিলাম এবাদতের জন্যে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার পূর্বে আমি রাসূলগণ থেকে যাদের প্রেরণ করেছিলাম তুমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে দেখ, আমি কি রহমানের পরিবর্তে অন্য কোন উপাস্য নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম, যাদের ইবাদাত করা যাবে?

Word by word

وَسْـَٔلْ مَنْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رُّسُلِنَآ أَجَعَلْنَا مِن دُونِ ٱلرَّحْمَٰنِ ءَالِهَةً يُعْبَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসাকে তো আমি আমার নিদর্শনসহ ফির‘আওন ও তাহার পারিষদবর্গের নিকট পাঠাইয়াছিলাম। সে বলিয়াছিল, ‘আমি তো জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রেরিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা মূসাকে আমাদের নিদর্শনাবলি নিয়ে পাঠিয়েছিলাম ফেরাউন ও তার পারিষদবর্গের কাছে। মূসা তাদের বলেছিল: ‘আমি রাব্বুল আলামিনের রসূল।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসাকে আমার নিদর্শনাবলী দিয়ে ফেরাউন ও তার পরিষদবর্গের কাছে প্রেরণ করেছিলাম, অতঃপর সে বলেছিল, আমি বিশ্ব পালনকর্তার রসূল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই আমি মূসাকে আমার নিদর্শনাবলী দিয়ে ফির‘আউন ও তার নেতৃবর্গের নিকট প্রেরণ করেছিলাম। সে বলেছিল, ‘নিশ্চয় আমি সৃষ্টিকুলের রবের একজন রাসূল’।

Word by word

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِـَٔايَٰتِنَآ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَمَلَإِي۟هِۦ فَقَالَ إِنِّى رَسُولُ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে উহাদের নিকট আমার নিদর্শনসহ আসিবামাত্র উহারা তাহা লইয়া হাসি - ঠাট্টা করিতে লাগিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যখন তাদের কাছে আমাদের নিদর্শনাবলি নিয়ে উপস্থিত হয়, তখন তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করতে থাকে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে যখন তাদের কাছে আমার নিদর্শনাবলী উপস্থাপন করল, তখন তারা হাস্যবিদ্রুপ করতে লাগল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন সে আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে তাদের কাছে আসল, তখন তারা তা নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করতে লাগল।

Word by word

فَلَمَّا جَآءَهُم بِـَٔايَٰتِنَآ إِذَا هُم مِّنْهَا يَضْحَكُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে এমন কোন নিদর্শন দেখাই নাই যাহা উহার অনুরূপ নিদর্শন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ নয়। আমি উহাদেরকে শাস্তি দিলাম যাহাতে উহারা প্রত্যাবর্তন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের যে নিদর্শনই দেখিয়েছি, সেটি ছিলো সেটির বোনের (অনুরূপ নিদর্শনের) চাইতে বড়। আমরা তাদের আযাব দিয়েছিলাম যাতে করে তারা ফিরে আসে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে যে নিদর্শনই দেখাতাম, তাই হত পূর্ববর্তী নিদর্শন অপেক্ষা বৃহৎ এবং আমি তাদেরকে শাস্তি দ্বারা পাকড়াও করলাম, যাতে তারা ফিরে আসে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তাদের যে নিদর্শনই দেখাইনা কেন তা ছিল তার অনুরূপ নিদর্শন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। আর আমি তাদেরকে আযাবের মাধ্যমে পাকড়াও করলাম, যাতে তারা ফিরে আসে।

Word by word

وَمَا نُرِيهِم مِّنْ ءَايَةٍ إِلَّا هِىَ أَكْبَرُ مِنْ أُخْتِهَا وَأَخَذْنَٰهُم بِٱلْعَذَابِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিয়াছিল, হে জাদুকর! তোমার প্রতিপালকের নিকট তুমি আমাদের জন্য তাহা প্রার্থনা কর যাহা তিনি তোমার সঙ্গে অঙ্গীকার করিয়াছেন, তাহা হইলে আমরা অবশ্যই সৎপথ অবলম্বন করিব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা (মূসাকে) বলেছিল: ‘হে ম্যাজেসিয়ান! তোমার প্রভুর কাছে তুমি সেই জিনিস প্রার্থনা করো যা তিনি তোমার সাথে অংগীকার করেছেন। তাহলে অবশ্যি আমরা হিদায়াতের পথে চলে আসবো।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, হে যাদুকর, তুমি আমাদের জন্যে তোমার পালনকর্তার কাছে সে বিষয় প্রার্থনা কর, যার ওয়াদা তিনি তোমাকে দিয়েছেন; আমরা অবশ্যই সৎপথ অবলম্বন করব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলল, ‘হে যাদুকর, তোমার রবের কাছে তুমি আমাদের জন্য তাই প্রার্থনা কর, যার ওয়াদা তিনি তোমার সাথে করেছেন। নিশ্চয় আমরা হিদায়াতের পথে আসব।’

Word by word

وَقَالُوا۟ يَٰٓأَيُّهَ ٱلسَّاحِرُ ٱدْعُ لَنَا رَبَّكَ بِمَا عَهِدَ عِندَكَ إِنَّنَا لَمُهْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন আমি উহাদের হইতে শাস্তি বিদূরিত করিলাম তখনই উহারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করিয়া বসিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর যখনই আমরা তাদের থেকে আযাব দূরীভূত করে দিতাম, তখনই তারা তাদের প্রতিশ্রুতি ভংগ করতো।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন আমি তাদের থেকে আযাব প্রত্যাহার করে নিলাম, তখনই তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করতে লাগলো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন আমি তাদের থেকে আযাব সরিয়ে নিলাম, তখনই তারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করে বসল।

Word by word

فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُمُ ٱلْعَذَابَ إِذَا هُمْ يَنكُثُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন তাহার সম্প্রদায়ের মধ্যে এই বলিয়া ঘোষণা করিল, হে আমার সম্প্রদায় ! মিসর রাজ্য কি আমার নয়? আর এই নদীগুলি আমার পাদদেশে প্রবাহিত ; তোমরা ইহা দেখ না?

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউন তার কওমের মধ্যে ঘোষণা করলো: ‘‘হে আমার জাতি! এই মিশর সাম্রাজ্যের মালিক কি আমি নই, এবং আমার পাদদেশ দিয়ে প্রবাহিত এই নদীগুলোর? তোমরা কি দেখতে পাওনা?

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন তার সম্প্রদায়কে ডেকে বলল, হে আমার কওম, আমি কি মিসরের অধিপতি নই? এই নদী গুলো আমার নিম্নদেশে প্রবাহিত হয়, তোমরা কি দেখ না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ফির‘আউন তার কওমের মধ্যে ঘোষণা দিয়ে বলল, ‘হে আমার কওম, মিসরের রাজত্ব কি আমার নয়? আর এ সব নদ-নদী কি আমার পাদদেশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে না, তোমরা কি দেখছ না’?

Word by word

وَنَادَىٰ فِرْعَوْنُ فِى قَوْمِهِۦ قَالَ يَٰقَوْمِ أَلَيْسَ لِى مُلْكُ مِصْرَ وَهَٰذِهِ ٱلْأَنْهَٰرُ تَجْرِى مِن تَحْتِىٓ أَفَلَا تُبْصِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো শ্রেষ্ঠ এই ব্যক্তি হইতে, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলিতেও অক্ষম !

আবদুস শহীদ নাসিম

আর এই হীন স্পষ্ট কথা বলতে অক্ষম লোকটি থেকে আমিই তো শ্রেষ্ঠ।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যে শ্রেষ্ট এ ব্যক্তি থেকে, যে নীচ এবং কথা বলতেও সক্ষম নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমি কি এই ব্যক্তি থেকে শ্রেষ্ঠ নই, যে হীন এবং স্পষ্ট বর্ণনা করতে প্রায় অক্ষম’?

Word by word

أَمْ أَنَا۠ خَيْرٌ مِّنْ هَٰذَا ٱلَّذِى هُوَ مَهِينٌ وَلَا يَكَادُ يُبِينُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ - বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশ্‌তাগণ দলবদ্ধভাবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে কেন দেয়া হলো না সোনার কঙ্কন, কিংবা ফেরেশতারা কেন এলো না তার সাথে দলবদ্ধ হয়ে?’’

মুহিউদ্দীন খান

তাকে কেন স্বর্ণবলয় পরিধান করানো হল না, অথবা কেন আসল না তার সঙ্গে ফেরেশতাগণ দল বেঁধে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তবে তাকে কেন স্বর্ণবলয় প্রদান করা হল না অথবা দলবদ্ধভাবে ফেরেশতাগণ তার সাথে কেন আসল না?’

Word by word

فَلَوْلَآ أُلْقِىَ عَلَيْهِ أَسْوِرَةٌ مِّن ذَهَبٍ أَوْ جَآءَ مَعَهُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ مُقْتَرِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে সে তাহার সম্প্রদায়কে হতবুদ্ধি করিয়া দিল, ফলে উহারা তাহার কথা মানিয়া লইল। উহারা তো ছিল এক সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে সে তার কওমকে হতবুদ্ধি করে দিলো, ফলে তারা তারই আনুগত্য করলো। তারা তো ছিলো এক সীমালংঘনকারী জাতি।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তার সম্প্রদায়কে বোকা বানিয়ে দিল, ফলে তারা তার কথা মেনে নিল। নিশ্চয় তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এভাবেই সে তার কওমকে বোকা বানালো, ফলে তারা তার আনুগত্য করল। নিশ্চয় তারা ছিল এক ফাসিক কওম।

Word by word

فَٱسْتَخَفَّ قَوْمَهُۥ فَأَطَاعُوهُ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمًا فَٰسِقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা আমাকে ক্রোধান্নিত করিল আমি উহাদেরকে শাস্তি দিলাম এবং নিমজ্জিত করিলাম উহাদের সকলকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন আমাদের ক্রোধান্বিত করলো, আমরা তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম এবং ডুবিয়ে মারলাম তাদের সবাইকে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন আমাকে রাগাম্বিত করল তখন আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিলাম এবং নিমজ্জত করলাম। তাদের সবাইকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর যখন তারা আমাকে ক্রোধান্বিত করল, তখন আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম এবং তাদের সকলকে নিমজ্জিত করে দিলাম।

Word by word

فَلَمَّآ ءَاسَفُونَا ٱنتَقَمْنَا مِنْهُمْ فَأَغْرَقْنَٰهُمْ أَجْمَعِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তৎপর পরবর্তীদের জন্য আমি উহাদেরকে করিয়া রাখিলাম অতীত ইতিহাস ও দৃষ্টান্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর পরবর্তীদের জন্যে আমরা তাদের করে রাখলাম অতীত (ইতিহাস) আর উদাহরণ।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাদেরকে করে দিলাম অতীত লোক ও দৃষ্টান্ত পরবর্তীদের জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে আমি তাদেরকে পরবর্তীদের জন্য অতীত ইতিহাস ও দৃষ্টান্ত বানালাম।

Word by word

فَجَعَلْنَٰهُمْ سَلَفًا وَمَثَلًا لِّلْءَاخِرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন মারইয়াম - তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন তোমার সম্প্রদায় তাহাতে শোরগোল আরম্ভ করিয়া দেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন মরিয়ম পুত্রের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন তোমার কওম তাতে শোরগোল বাধিয়ে দেয়।

মুহিউদ্দীন খান

যখনই মরিয়ম তনয়ের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করা হল, তখনই আপনার সম্প্রদায় হঞ্জগোল শুরু করে দিল

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখনই মারইয়াম পুত্রকে দৃষ্টান্তস্বরূপ পেশ করা হয়, তখন তোমার কওম শোরগোল শুরু করে দেয়।

Word by word

وَلَمَّا ضُرِبَ ٱبْنُ مَرْيَمَ مَثَلًا إِذَا قَوْمُكَ مِنْهُ يَصِدُّونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলে, ‘আমাদের উপাস্যগুলি শ্রেষ্ঠ না ‘ঈসা?’ ইহারা কেবল বাক - বিতণ্ডার উদ্দেশ্যেই তোমাকে এই কথা বলে। বস্তুত ইহারা তো এক বিতণ্ডাকারী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমাদের ইলাহ্রা (দেবতারা) শ্রেষ্ঠ নাকি সে (ঈসা)?’ তারা তো কেবল ঝগড়া বাধানোর উদ্দেশ্যেই তোমাকে এসব বলে। আসলেই তারা একটি ঝগড়াটে কওম (জাতি)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলল, আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ, না সে? তারা আপনার সামনে যে উদাহরণ উপস্থাপন করে তা কেবল বিতর্কের জন্যেই করে। বস্তুতঃ তারা হল এক বিতর্ককারী সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা বলে, ‘আমাদের উপাস্যরা শ্রেষ্ঠ নাকি ঈসা’? তারা কেবল কূটতর্কের খাতিরেই তাকে তোমার সামনে পেশ করে। বরং এরাই এক ঝগড়াটে সম্প্রদায়।

Word by word

وَقَالُوٓا۟ ءَأَٰلِهَتُنَا خَيْرٌ أَمْ هُوَ مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلًۢا بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে তো ছিল আমারই এক বান্দা, যাহাকে আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম এবং করিয়াছিলাম বনী ইসরাঈলের জন্য দৃষ্টান্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তো আমার এক দাস ছাড়া আর কিছু নয়। তার প্রতি আমরা অনুগ্রহ করেছি। আর তাকে বানিয়েছি বনি ইসরাঈলের জন্যে দৃষ্টান্ত।

মুহিউদ্দীন খান

সে তো এক বান্দাই বটে আমি তার প্রতি অনুগ্রহ করেছি এবং তাকে করেছি বণী - ইসরাঈলের জন্যে আদর্শ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে কেবল আমার এক বান্দা। আমি তার উপর অনুগ্রহ করেছিলাম এবং বনী ইসরাঈলের জন্য তাকে দৃষ্টান্ত বানিয়েছিলাম।

Word by word

إِنْ هُوَ إِلَّا عَبْدٌ أَنْعَمْنَا عَلَيْهِ وَجَعَلْنَٰهُ مَثَلًا لِّبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে তোমাদের মধ্য হইতে ফিরিশ্‌তা সৃষ্টি করিতে পারিতাম, যাহারা পৃথিবীতে উত্তরাধিকারী হইত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা চাইলে তোমাদের পরিবর্তে (এখানে) ফেরেশতা সৃষ্টি করতে পারতাম, তখন তারা পৃথিবীতে তোমাদের খলিফা (উত্তরাধিকারী) হতো।

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে তোমাদের থেকে ফেরেশতা সৃষ্টি করতাম, যারা পৃথিবীতে একের পর এক বসবাস করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি আমি চাইতাম, তবে আমি তোমাদের পরিবর্তে ফেরেশতা সৃষ্টি করে পাঠাতাম যারা যমীনে তোমাদের উত্তরাধিকার হত।

Word by word

وَلَوْ نَشَآءُ لَجَعَلْنَا مِنكُم مَّلَٰٓئِكَةً فِى ٱلْأَرْضِ يَخْلُفُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ঈসা তো কিয়ামতের নিশ্চিত নিদর্শন; সুতরাং তোমরা কিয়ামতে সন্দেহ করিও না এবং আমাকে অনুসরণ কর। ইহাই সরল পথ।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঈসা তো কিয়ামতের জ্ঞানের একটি নিশ্চিত নিদর্শন। সুতরাং তোমরা কিয়ামতের প্রতি সন্দেহ করোনা, আমাকে অনুসরণ করো। এটাই সিরাতুল মুসতাকিম (সরল সঠিক পথ)।

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং তা হল কেয়ামতের নিদর্শন। কাজেই তোমরা কেয়ামতে সন্দেহ করো না এবং আমার কথা মান। এটা এক সরল পথ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় সে (ঈসা) হবে কিয়ামতের এক সুনিশ্চিত আলামত। সুতরাং তোমরা কিয়ামত সম্পর্কে সংশয় পোষণ করো না। তোমরা আমারই অনুসরণ কর। এটিই সরল পথ।

Word by word

وَإِنَّهُۥ لَعِلْمٌ لِّلسَّاعَةِ فَلَا تَمْتَرُنَّ بِهَا وَٱتَّبِعُونِ هَٰذَا صِرَٰطٌ مُّسْتَقِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শয়তান যেন তোমাদেরকে কিছুতেই নিবৃত্ত না করে, সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

আবদুস শহীদ নাসিম

শয়তান যেনো তোমাদের কিছুতেই সঠিক পথ থেকে বাধা দিতে না পারে। জেনে রাখো, সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন।

মুহিউদ্দীন খান

শয়তান যেন তোমাদেরকে নিবৃত্ত না করে। সে তোমাদের প্রকাশ্য শুত্রু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

শয়তান যেন তোমাদের কিছুতেই বাধা দিতে না পারে। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

Word by word

وَلَا يَصُدَّنَّكُمُ ٱلشَّيْطَٰنُ إِنَّهُۥ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ঈসা যখন স্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিল তখন সে বলিয়াছিল, আমি তো তোমাদের নিকট আসিয়াছি প্রজ্ঞাসহ এবং তোমরা যে কতক বিষয়ে মতভেদ করিতেছ, তাহা স্প্ষ্ট করিয়া দিবার জন্য সুতরাং তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার অনুসরণ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঈসা যখন সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে এসেছিল, সে বলেছিল: ‘‘আমি তোমাদের কাছে এসেছি হিকমা (প্রজ্ঞা) সহ এবং তোমরা যে ক’টি বিষয় নিয়ে ইখতেলাফ (মতভেদ) করছো তা স্পষ্ট করে দেয়ার জন্যে। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার আনুগত্য করো।

মুহিউদ্দীন খান

ঈসা যখন স্পষ্ট নিদর্শনসহ আগমন করল, তখন বলল, আমি তোমাদের কাছে প্রজ্ঞা নিয়ে এসেছি এবং তোমরা যে, কোন কোন বিষয়ে মতভেদ করছ তা ব্যক্ত করার জন্যে এসেছি, অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার কথা মান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন ঈসা সুস্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আসল, তখন সে বলল, ‘আমি অবশ্যই তোমাদের কাছে হিকমত নিয়ে এসেছি এবং এসেছি তোমরা যে কতক বিষয়ে মতবিরোধে লিপ্ত তা স্পষ্ট করে দিতে। অতএব তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

Word by word

وَلَمَّا جَآءَ عِيسَىٰ بِٱلْبَيِّنَٰتِ قَالَ قَدْ جِئْتُكُم بِٱلْحِكْمَةِ وَلِأُبَيِّنَ لَكُم بَعْضَ ٱلَّذِى تَخْتَلِفُونَ فِيهِ فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌ই তো আমার প্রতিপালক এবং তোমাদেরও প্রতিপালক, অতএব তোমরা তাঁহার ‘ইবাদত কর ; ইহাই সরল পথ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই আমার রব (প্রভু) এবং তোমাদেরও রব, সুতরাং তোমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করো, এটাই সিরাতুল মুসতাকিম।’’

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আল্লাহই আমার পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। অতএব, তাঁর এবাদত কর। এটা হল সরল পথ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় , তিনিই আমার রব ও তোমাদের রব। অতএব তাঁর ইবাদাত কর; এটিই সরল পথ’।

Word by word

إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ رَبِّى وَرَبُّكُمْ فَٱعْبُدُوهُ هَٰذَا صِرَٰطٌ مُّسْتَقِيمٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাদের বিভিন্ন দল মতানৈক্য সৃষ্টি করিল, সুতরাং জালিমদের জন্য দুর্ভোগ মর্মন্তুদ দিবসের শাস্তির।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তাদের বিভিন্ন দল মতানৈক্য সৃষ্টি করলো। সুতরাং যালিমদের জন্যে রয়েছে দুর্দশা এক বেদনাদায়ক দিনের আযাবের।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন দল মতভেদ সৃষ্টি করল। সুতরাং যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক দিবসের আযাবের দুর্ভোগ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদের মধ্যকার কতগুলি দল মতভেদ করেছিল। সুতরাং যালিমদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক দিনের আযাবের দুর্ভোগ!

Word by word

فَٱخْتَلَفَ ٱلْأَحْزَابُ مِنۢ بَيْنِهِمْ فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ مِنْ عَذَابِ يَوْمٍ أَلِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তো উহাদের অজ্ঞাতসারে আকস্মিকভাবে কিয়ামত আসিবারই অপেক্ষা করিতেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি অপেক্ষা করছে তাদের অজ্ঞাতে আকস্মিক কিয়ামত এসে পড়ার জন্যে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা কেবল কেয়ামতেরই অপেক্ষা করছে যে, আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে যাবে এবং তারা খবর ও রাখবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা তো তাদের অজ্ঞাতসারে অকস্মাৎ কিয়ামত আসার অপেক্ষা করছে।

Word by word

هَلْ يَنظُرُونَ إِلَّا ٱلسَّاعَةَ أَن تَأْتِيَهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বন্ধুরা সেই দিন হইয়া পড়িবে একে অপরের শত্রু, মুত্তাকীরা ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন বন্ধুরা পরস্পরের শত্রু হয়ে যাবে, মুত্তাকিরা ছাড়া।

মুহিউদ্দীন খান

বন্ধুবর্গ সেদিন একে অপরের শত্রু হবে, তবে খোদাভীরুরা নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন বন্ধুরা একে অন্যের শত্রু হবে, মুত্তাকীরা ছাড়া।

Word by word

ٱلْأَخِلَّآءُ يَوْمَئِذٍۭ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ عَدُوٌّ إِلَّا ٱلْمُتَّقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে আমার বান্দাগণ! আজ তোমাদের কোন ভয় নাই এবং তোমরা দুঃখিতও হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমার দাসেরা! আজ তোমাদের কোনো ভয় নেই, দুশ্চিন্তাও নেই,

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার বান্দাগণ, তোমাদের আজ কোন ভয় নেই এবং তোমরা দুঃখিতও হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে আমার বান্দাগণ, আজ তোমাদের কোন ভয় নেই এবং তোমরা চিন্তিতও হবে না।

Word by word

يَٰعِبَادِ لَا خَوْفٌ عَلَيْكُمُ ٱلْيَوْمَ وَلَآ أَنتُمْ تَحْزَنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার আয়াতে বিশ্বাস করিয়াছিল এবং আত্মসর্মপণ করিয়াছিল -

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যারা ঈমান এনেছো আমাদের আয়াতের প্রতি এবং মুসলিম হয়েছিলে,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস স্থাপন করেছিলে এবং তোমরা আজ্ঞাবহ ছিলে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা আমার আয়াতে ঈমান এনেছিল এবং যারা ছিল মুসলিম।

Word by word

ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا وَكَانُوا۟ مُسْلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা এবং তোমাদের সহধর্মিণীগণ সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা দাখিল হও জান্নাতে তোমাদের স্ত্রী/স্বামীকে নিয়ে আনন্দচিত্তে।

মুহিউদ্দীন খান

জান্নাতের প্রবেশ কর তোমরা এবং তোমাদের বিবিগণ সানন্দে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা সস্ত্রীক সানন্দে জান্নাতে প্রবেশ কর।

Word by word

ٱدْخُلُوا۟ ٱلْجَنَّةَ أَنتُمْ وَأَزْوَٰجُكُمْ تُحْبَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্বর্ণের থালা ও পানপাত্র লইয়া তাহাদেরকে প্রদক্ষিণ করা হইবে; সেখানে রহিয়াছে সমস্ত কিছু, যাহা অন্তর চাহে এবং যাহাতে নয়ন তৃপ্ত হয়। সেখানে তোমরা স্থায়ী হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সোনার থালা ও পানপাত্র নিয়ে তাদের তাওয়াফ করা হবে। সেখানে থাকবে সেসবই, যা মন চাইবে এবং যাতে চোখ জুড়াবে। সেখানে চিরস্থায়ী হবে তোমরা।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে পরিবেশন করা হবে স্বর্ণের থালা ও পানপাত্র এবং তথায় রয়েছে মনে যা চায় এবং নয়ন যাতে তৃপ্ত হয়। তোমরা তথায় চিরকাল অবস্থান করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

স্বর্ণখচিত থালা ও পানপাত্র নিয়ে তাদেরকে প্রদক্ষিণ করা হবে, সেখানে মন যা চায় আর যাতে চোখ তৃপ্ত হয় তা-ই থাকবে এবং সেখানে তোমরা হবে স্থায়ী।

Word by word

يُطَافُ عَلَيْهِم بِصِحَافٍ مِّن ذَهَبٍ وَأَكْوَابٍ وَفِيهَا مَا تَشْتَهِيهِ ٱلْأَنفُسُ وَتَلَذُّ ٱلْأَعْيُنُ وَأَنتُمْ فِيهَا خَٰلِدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই জান্নাত, তোমাদেরকে যাহার অধিকারী করা হইয়াছে, তোমাদের কর্মের ফলস্বরূপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই সেই জান্নাত, যার ওয়ারিশ তোমাদের বানানো হয়েছে তোমাদের কর্মফল হিসেবে।

মুহিউদ্দীন খান

এই যে, জান্নাতের উত্তরাধিকারী তোমরা হয়েছ, এটা তোমাদের কর্মের ফল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এটিই জান্নাত, নিজদের আমলের ফলস্বরূপ তোমাদেরকে এর অধিকারী করা হয়েছে।

Word by word

وَتِلْكَ ٱلْجَنَّةُ ٱلَّتِىٓ أُورِثْتُمُوهَا بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তোমাদের জন্য রহিয়াছে প্রচুর ফলমূল, তাহা হইতে তোমরা আহার করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে তাতে রয়েছে প্রচুর ফলফলারি, তা থেকে তোমরা আহার করবে।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় তোমাদের জন্যে আছে প্রচুর ফল - মূল, তা থেকে তোমরা আহার করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তোমাদের জন্য রয়েছে অনেক ফলমূল, যা থেকে তোমরা খাবে।

Word by word

لَكُمْ فِيهَا فَٰكِهَةٌ كَثِيرَةٌ مِّنْهَا تَأْكُلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই অপরাধীরা জাহান্নামের শাস্তিতে থাকিবে স্থায়িভাবে ;

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীরা থাকবে জাহান্নামের আযাবে চিরকাল।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের আযাবে চিরকাল থাকবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের আযাবে স্থায়ী হবে;

Word by word

إِنَّ ٱلْمُجْرِمِينَ فِى عَذَابِ جَهَنَّمَ خَٰلِدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের শাস্তি লাঘব করা হইবে না এবং উহারা উহাতে হতাশ হইয়া পড়িবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আযাব লাঘব করা হবেনা, সেখানে তারা থাকবে হতাশা নিরাশায় নিমজ্জিত।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের থেকে আযাব লাঘব করা হবে না এবং তারা তাতেই থাকবে হতাশ হয়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের থেকে আযাব কমানো হবে না এবং তাতে তারা হতাশ হয়ে পড়বে।

Word by word

لَا يُفَتَّرُ عَنْهُمْ وَهُمْ فِيهِ مُبْلِسُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের প্রতি জুলুম করি নাই, বরং উহারা নিজেরাই ছিল ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের প্রতি যুলুম করিনি, বরং তারাই যুলুম করেছে নিজেদের প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের প্রতি জুলুম করিনি; কিন্তু তারাই ছিল জালেম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের উপর যুলম করিনি; কিন্তু তারাই ছিল যালিম।

Word by word

وَمَا ظَلَمْنَٰهُمْ وَلَٰكِن كَانُوا۟ هُمُ ٱلظَّٰلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা চিৎকার করিয়া বলিবে, ‘হে মালিক, তোমার প্রতিপালক যেন আমাদেরকে নিঃশেষ করিয়া দেন।’ সে বলিবে, ‘তোমরা তো এইভাবেই থাকিবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা চীৎকারে করে বলবে: ‘হে মালিক ((জাহান্নামের কর্তা)! তোমার প্রভু যেনো আমাদের মরণ ঘটিয়ে দেয়।’ সে বলবে: ‘এভাবেই তোমাদের থাকতে হবে।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা ডেকে বলবে, হে মালেক, পালনকর্তা আমাদের কিসসাই শেষ করে দিন। সে বলবে, নিশ্চয় তোমরা চিরকাল থাকবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা চিৎকার করে বলবে, ‘হে মালিক, তোমার রব যেন আমাদেরকে শেষ করে দেন’। সে বলবে, ‘নিশ্চয় তোমরা অবস্থানকারী’।

Word by word

وَنَادَوْا۟ يَٰمَٰلِكُ لِيَقْضِ عَلَيْنَا رَبُّكَ قَالَ إِنَّكُم مَّٰكِثُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিবেন, ‘আমি তো তোমাদের নিকট সত্য পৌঁছাইয়াছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিল সত্যবিমুখ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

( বলবেন:) ‘আমরা তোমাদের কাছে সত্য পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলো সত্য অপছন্দকারী।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে সত্যধর্ম পৌঁছিয়েছি; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই সত্যধর্মে নিস্পৃহ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অবশ্যই তোমাদের কাছে আমি সত্য নিয়ে এসেছিলাম; কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী*। * কথাটি আল্লাহর। অর্থ আমিতো তোমাদের কাছে সত্যবাণী পৌঁছিয়েছিলাম।

Word by word

لَقَدْ جِئْنَٰكُم بِٱلْحَقِّ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَكُمْ لِلْحَقِّ كَٰرِهُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি কোন ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছে? বরং আমিই তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে? কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী তো আমরা।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি কোন ব্যবস্থা চুড়ান্ত করেছে? তাহলে আমিও এক ব্যবস্থা চুড়ান্ত করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

না কি তারা কোন ব্যাপারে পাকা সিদ্ধান্ত নিয়েছে? নিশ্চয় আমি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী।

Word by word

أَمْ أَبْرَمُوٓا۟ أَمْرًا فَإِنَّا مُبْرِمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি মনে করে যে, আমি উহাদের গোপন বিষয় ও মন্ত্রণার খবর রাখি না? অবশ্যই রাখি। আমার ফিরিশ্‌তাগণ তো উহাদের নিকট থাকিয়া সবকিছু লিপিবদ্ধ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা ধারণা করছে, আমরা তাদের গোপন বিষয় আর কানাঘুষার খবর রাখি না? হাঁ, আমাদের রসূলরা (দূতরা) তাদের সাথেই রয়েছে এবং রেকর্ড করছে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি মনে করে যে, আমি তাদের গোপন বিষয় ও গোপন পরামর্শ শুনি না? হঁ্যা, শুনি। আমার ফেরেশতাগণ তাদের নিকটে থেকে লিপিবদ্ধ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

না কি তারা মনে করে, আমি তাদের গোপনীয় বিষয় ও নিভৃত সলাপরামর্শ শুনতে পাই না? অবশ্যই হ্যাঁ, আর আমার ফেরেশতাগণ তাদের কাছে থেকে লিখছে।

Word by word

أَمْ يَحْسَبُونَ أَنَّا لَا نَسْمَعُ سِرَّهُمْ وَنَجْوَىٰهُم بَلَىٰ وَرُسُلُنَا لَدَيْهِمْ يَكْتُبُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘দয়ময় ‌র কোন সন্তান থাকিলে আমি হইতাম তাহার উপাসকগনের অগ্রণী ;

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘রহমানের যদি কোনো সন্তান থাকতোই, তবে আমি হতাম তার প্রথম ইবাদতকারী।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, দয়াময় আল্লাহর কোন সন্তান থাকলে আমি সর্ব প্রথম তার এবাদত করব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘রহমানের যদি সন্তান থাকত তবে আমি প্রথম তাঁর ইবাদাতকারী হতাম।

Word by word

قُلْ إِن كَانَ لِلرَّحْمَٰنِ وَلَدٌ فَأَنَا۠ أَوَّلُ ٱلْعَٰبِدِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহারা যাহা আরোপ করে তাহা হইতে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অধিপতি এবং আরশের অধিকারী পবিত্র মহান।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাবিশ্ব ও পৃথিবীর প্রভু আরশের অধিপতির প্রতি তারা যা আরোপ করছে, তা থেকে তিনি পবিত্র, মহান।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা বর্ণনা করে, তা থেকে নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তা, আরশের পালনকর্তা পবিত্র।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা যা আরোপ করে, আসমানসমূহ ও যমীনের রব এবং আরশের রব তা থেকে পবিত্র-মহান।

Word by word

سُبْحَٰنَ رَبِّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ رَبِّ ٱلْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব উহাদেরকে যে দিবসের কথা বলা হইয়াছে তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তুমি উহাদেরকে বাক - বিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করিতে দাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং যে দিনটির ওয়াদা তাদের দেয়া হয়েছে, তার সম্মুখীন হবার আগ পর্যন্ত তাদের বাকবিতর্ক এবং খেলতামাশা করার অবকাশ দাও।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তাদেরকে বাকচাতুরী ও ক্রীড়া - কৌতুক করতে দিন সেই দিবসের সাক্ষাত পর্যন্ত, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক যতক্ষণ না সেদিনের সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।

Word by word

فَذَرْهُمْ يَخُوضُوا۟ وَيَلْعَبُوا۟ حَتَّىٰ يُلَٰقُوا۟ يَوْمَهُمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ইলাহ্ নভোমণ্ডলে, তিনিই ইলাহ্ ভূতলে এবং তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আসমানেও তিনি ইলাহ্, পৃথিবীতেও তিনিই ইলাহ্, তিনি মহাপ্রজ্ঞাবান, মহাজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই উপাস্য নভোমন্ডলে এবং তিনিই উপাস্য ভুমন্ডলে। তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনিই আসমানে এবং তিনিই যমীনে ; আর তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

Word by word

وَهُوَ ٱلَّذِى فِى ٱلسَّمَآءِ إِلَٰهٌ وَفِى ٱلْأَرْضِ إِلَٰهٌ وَهُوَ ٱلْحَكِيمُ ٱلْعَلِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত মহান তিনি, যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর সার্বভৌম অধিপতি ! কিয়ামতের জ্ঞান কেবল তাঁহারই আছে এবং তাঁহারই নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে বরকতওয়ালা মহান তিনি, মহাকাশ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর কর্তৃত্ব যার। কিয়ামতের জ্ঞান রয়েছে কেবল তাঁরই কাছে, আর সবাইকে ফেরত নেয়া হবে কেবল তাঁরই দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

বরকতময় তিনিই, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু যার। তাঁরই কাছে আছে কেয়ামতের জ্ঞান এবং তাঁরই দিকে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি বরকতময়, যার কর্তৃত্বে রয়েছে আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’য়ের মধ্যবর্তী সবকিছু; আর কিয়ামতের জ্ঞান কেবল তাঁরই আছে এবং তাঁরই নিকট তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

Word by word

وَتَبَارَكَ ٱلَّذِى لَهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَعِندَهُۥ عِلْمُ ٱلسَّاعَةِ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র পরিবর্তে উহারা যাহাদেরকে ডাকে, সুপারিশের ক্ষমতা তাহাদের নাই, তবে যাহারা সত্য উপলব্ধি করিয়া উহার সাক্ষ্য দেয়, তাহারা ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ডাকে, তারা শাফায়াতের মালিক নয়। তবে যারা সত্যের সাক্ষ্য দেয় এবং জানে তারা ছাড়া।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ব্যতীত তারা যাদের পুজা করে, তারা সুপারিশের অধিকারী হবে না, তবে যারা সত্য স্বীকার করত ও বিশ্বাস করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি ছাড়া যাদেরকে তারা আহবান করে তারা সুপারিশের মালিক হবে না; তবে তারা ছাড়া যারা জেনে-শুনে সত্য সাক্ষ্য দেয় ।

Word by word

وَلَا يَمْلِكُ ٱلَّذِينَ يَدْعُونَ مِن دُونِهِ ٱلشَّفَٰعَةَ إِلَّا مَن شَهِدَ بِٱلْحَقِّ وَهُمْ يَعْلَمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে উহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছে, উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘‌’। তবুও উহারা কোথায় ফিরিয়া যাইতেছে ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের জিজ্ঞেস করো: কে সৃষ্টি করেছে তাদের? তারা অবশ্যি বলবে: ‘’, তবু কোথায় ফিরে যাচ্ছে তারা?

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন, কে তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তবে অবশ্যই তারা বলবে, , অতঃপর তারা কোথায় ফিরে যাচ্ছে ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, কে তাদেরকে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে, ‘।’ তবু তারা কীভাবে বিমুখ হয়?

Word by word

وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَهُمْ لَيَقُولُنَّ ٱللَّهُ فَأَنَّىٰ يُؤْفَكُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অবগত আছি রাসূলের এই উক্তি: ‘হে আমার প্রতিপালক! এই সম্প্রদায় তো ঈমান আনিবে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (রসূলের) একথা আমার আছে: ‘হে প্রভু! নিশ্চয়ই এরা এমন একটি মানব দল যারা ঈমান আনবেনা।’

মুহিউদ্দীন খান

রসূলের এই উক্তির কসম, হে আমার পালনকর্তা, এ সম্প্রদায় তো বিশ্বাস স্থাপন করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার (রাসূলের) বাণী ‘হে আমার রব, নিশ্চয় এরা এমন কওম যারা ঈমান আনবে না।’

Word by word

وَقِيلِهِۦ يَٰرَبِّ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ قَوْمٌ لَّا يُؤْمِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর এবং বল, ‘সালাম’; উহারা শীঘ্রই জানিতে পারিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(ঠিক আছে,) তুমি তাদের উপেক্ষা করো এবং বলো: ‘সালাম’। অচিরেই তারা জানতে পারবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন এবং বলুন, ‘সালাম’। তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তাদেরকে এড়িয়ে চল এবং বল, ‘সালাম’; তবে তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

Word by word

فَٱصْفَحْ عَنْهُمْ وَقُلْ سَلَٰمٌ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme