বললেনঃ হে ইবলিস, তোমার কি হলো যে তুমি সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হলে না?
সমকালীন বাংলা
হে ইবলিস তোমার কি হল যে, তুমি সিজদাকারীদের অন্তভ্র্ক্তূ হইলে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলিল, ‘আপনি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্ঠনা মৃত্তিকা হইতে যে মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন আমি তাহাকে সিজ্দা করিবার নহি।’
আবদুস শহীদ নাসিম
সে বললো: ‘‘আমি তো এমন একজনকে সাজদা করতে পারিনা, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।’
মুহিউদ্দীন খান
বললঃ আমি এমন নই যে, একজন মানবকে সেজদা করব, যাকে আপনি পচা কর্দম থেকে তৈরী ঠনঠনে বিশুষ্ক মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।
সমকালীন বাংলা
সে বলিল, ‘আপনি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠনঠনা মৃত্তিকা হইতে যে মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন আমি তাহাকে সিজ্দা করিবার নহি।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি বলিলেন, ‘তবে তুমি এখান হইতে বাহির হইয়া যাও, কারণ তুমি তো অভিশপ্ত;
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি বললেন: ‘‘তুই ওখান থেকে বেরিয়ে যা, কারণ তুই অভিশপ্ত।
মুহিউদ্দীন খান
বললেনঃ তবে তুমি এখান থেকে বের হয়ে যাও। তুমি বিতাড়িত।
সমকালীন বাংলা
তিনি বলিলেন, ‘তবে তুমি এখান হইতে বাহির হইয়া যাও, কারণ তুমি তো অভিশপ্ত;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘এবং কর্মফল দিবস পর্যন্ত অবশ্যই তোমার প্রতি রহিল লা‘নত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
প্রতিদান দিবস পর্যন্ত বর্ষিত হবে তোর উপর লা’নত।’’
মুহিউদ্দীন খান
এবং তোমার প্রতি ন্যায় বিচারের দিন পর্যন্ত অভিসম্পাত।
সমকালীন বাংলা
‘এবং কর্মফল দিবস পর্যন্ত অবশ্যই তোমার প্রতি রহিল লা‘নত।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন।’
আবদুস শহীদ নাসিম
সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে অবকাশ দিন পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।’
মুহিউদ্দীন খান
সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।
সমকালীন বাংলা
সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি বলিলেন, ‘যাহাদেরকে অবকাশ দেওয়া হইয়াছে তুমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইলে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনি বললেন: ‘‘যা, তুই তাদের অন্তরভুক্ত যাদের অবকাশ দেয়া হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
বললেনঃ তোমাকে অবকাশ দেয়া হল।
সমকালীন বাংলা
তিনি বলিলেন, ‘যাহাদেরকে অবকাশ দেওয়া হইয়াছে তুমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইলে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
অবধারিত সময়টির (কিয়ামত) আগমন পর্যন্ত।’’
মুহিউদ্দীন খান
সেই অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।
সমকালীন বাংলা
‘অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করিলেন তজ্জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করিয়া তুলিব এবং আমি উহাদের সকলকেই বিপথগামী করিব,
আবদুস শহীদ নাসিম
সে বললো: ‘‘প্রভু! যেহেতু আপনি আমাকে বিপথগামী করেছেন, সে জন্যে আমি পৃথিবীতে তাদের (মানুষের) জন্যে বিপথগামিতাকে চাকচিক্যময় করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়বো।
মুহিউদ্দীন খান
সে বললঃ হে আমার পলনকর্তা, আপনি যেমন আমাকে পথ ভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করব এবং তাদের সবাইকে পথ ভ্রষ্ঠ করে দেব।
সমকালীন বাংলা
সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করিলেন তজ্জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করিয়া তুলিব এবং আমি উহাদের সকলকেই বিপথগামী করিব,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘তবে উহাদের মধ্যে আপনার নির্বাচিত বান্দাগণ ব্যতীত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে তাদের মধ্যকার আপনার মুখলেস বান্দাদের কথা ভিন্ন।’’
মুহিউদ্দীন খান
আপনার মনোনীত বান্দাদের ব্যতীত।
সমকালীন বাংলা
‘তবে উহাদের মধ্যে আপনার নির্বাচিত বান্দাগণ ব্যতীত।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বলিলেন, ‘ইহাই আমার নিকট পৌঁছিবার সরল পথ,
আবদুস শহীদ নাসিম
বললেন: ‘‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সঠিক পথ।
মুহিউদ্দীন খান
বললেনঃ এটা আমা পর্যন্ত সোজা পথ।
সমকালীন বাংলা
বলিলেন ইহাই আমার নিকট পৌছাবার সরল পথ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘বিভ্রান্তদের মধ্যে যাহারা তোমার অনুসরণ করিবে তাহারা ব্যতীত আমার বান্দাদের উপর তোমার কোনই ক্ষমতা থাকিবে না;
আবদুস শহীদ নাসিম
আমার দাসদের উপর তোর কোনো কর্তৃত্ব খাটবেনা, তবে বিভ্রান্তদের যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের কথা ভিন্ন।
মুহিউদ্দীন খান
যারা আমার বান্দা, তাদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।
সমকালীন বাংলা
‘বিভ্রান্তদের মধ্যে যাহারা তোমার অনুসরণ করিবে তাহারা ব্যতীত আমার বান্দাদের উপর তোমার কোনই ক্ষমতা থাকিবে না;
সে বলিল, ‘যাহারা পথভ্রষ্ট তাহারা ব্যতীত আর কে তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ হইতে হতাশ হয়?’
আবদুস শহীদ নাসিম
সে বলেছিল: ‘বিভ্রান্তরা ছাড়া কে নিরাশ হয় তার প্রভুর রহমত থেকে?’
মুহিউদ্দীন খান
তিনি বললেনঃ পালনকর্তার রহমত থেকে পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে নিরাশ হয় ?
সমকালীন বাংলা
সে বলিল, ‘যাহারা পথভ্রষ্ট তাহারা ব্যতীত আর কে তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ হইতে হতাশ হয়?’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের আর বিশেষ কি কাজ আছে?’
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর সে বললো: ‘(হে ফেরেশতারা!) আপনাদের আর কী বক্তব্য?’
মুহিউদ্দীন খান
তিনি বললেনঃ অতঃপর তোমাদের প্রধান উদ্দেশ্য কি হে আল্লাহর প্রেরিতগণ ?
সমকালীন বাংলা
সে বলিল, ‘হে ফিরিশ্তাগণ! তোমাদের আর বিশেষ কি কাজ আছে?’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হইয়াছে -
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বললো: ‘‘আমরা প্রেরিত হয়েছি এক অপরাধী কওমের প্রতি,
মুহিউদ্দীন খান
তারা বললঃ আমরা একটি অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
সমকালীন বাংলা
উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হইয়াছে -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘তবে লূতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা অবশ্যই ইহাদের সকলকে রক্ষা করিব,
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে, লুতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা তাদের সবাইকে নাজাত দেবো।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু লূতের পরিবার - পরিজন। আমরা অবশ্যই তাদের সবাইকে বাঁচিয়ে নেব।
সমকালীন বাংলা
‘তবে লূতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা অবশ্যই ইহাদের সকলকে রক্ষা করিব,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘কিন্তু তাহার স্ত্রীকে নহে; আমরা স্থির করিয়াছি যে, সে অবশ্যই পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু তাঁর (লুতের) স্ত্রীকে নয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সে ধবংস হবার জন্যে পেছনে পড়ে থাকাদের অন্তরভুক্ত হবে।’’
মুহিউদ্দীন খান
তবে তার স্ত্রী। আমরা স্থির করেছি যে, সে থেকে যাওয়াদের দলভূক্ত হবে।
সমকালীন বাংলা
‘কিন্তু তাহার স্ত্রীকে নহে; আমরা স্থির করিয়াছি যে, সে অবশ্যই পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ফিরিশ্তাগণ যখন লূত - পরিবারের নিকট আসিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
অত:পর ফেরেশতারা যখন লুত পরিবারে এসে উপস্থিত হলো।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যখন প্রেরিতরা লূতের গৃহে পৌছল।
সমকালীন বাংলা
ফিরিশ্তাগণ যখন লূত - পরিবারের নিকট আসিল,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তখন লূত বলিল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’
আবদুস শহীদ নাসিম
সে (লুত) বললো: ‘আপনাদের তো চিনতে পারছিনা?’
মুহিউদ্দীন খান
তিনি বললেনঃ তোমরা তো অপরিচিত লোক।
সমকালীন বাংলা
তখন লূত বলিল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা বলিল, ‘না, উহারা যে বিষয়ে সন্দিগ্ধ ছিল আমরা তোমার নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি;
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বললো: ‘‘তারা (আপনার জাতি) যে বিষয়ে সন্দেহ করছে আমরা আপনার কাছে তাই নিয়ে এসেছি।
মুহিউদ্দীন খান
তারা বললঃ না বরং আমরা আপনার কাছে ঐ বস্তু নিয়ে এসেছি, যে সম্পর্কে তারা বিবাদ করত।
সমকালীন বাংলা
তাহারা বলিল, ‘না, উহারা যে বিষয়ে সন্দিগ্ধ ছিল আমরা তোমার নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আমরা তোমার নিকট সত্য সংবাদ লইয়া আসিয়াছি এবং অবশ্যই আমরা সত্যবাদী;
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।
মুহিউদ্দীন খান
এবং আমরা আপনার কাছে সত্য বিষয় নিয়ে এসেছি এবং আমরা সত্যবাদী।
সমকালীন বাংলা
‘আমরা তোমার নিকট সত্য সংবাদ লইয়া আসিয়াছি এবং অবশ্যই আমরা সত্যবাদী;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বাহির হইয়া পড় এবং তুমি তাহাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যাইতে বলা হইতেছে তোমরা সেখানে চলিয়া যাও।’
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক সময় আপনার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন। আপনি তাদের পেছনে চলুন এবং আপনাদের কেউই যেনো পেছনে ফিরে না তাকায়। আপনাদেরকে যেখানে বলা হয়েছে সেখানে চলে যান।’’
মুহিউদ্দীন খান
অতএব আপনি শেষরাত্রে পরিবারের সকলকে নিয়ে চলে যান এবং আপনি তাদের পশ্চাদনুসরণ করবেন না এবং আপনাদের মধ্যে কেউ যেন পিছন ফিরে না দেখে। আপনারা যেখানে আদেশ প্রাপ্ত হচ্ছেন সেখানে যান।
সমকালীন বাংলা
‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বাহির হইয়া পড় এবং তুমি তাহাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যাইতে বলা হইতেছে তোমরা সেখানে চলিয়া যাও।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তাহাকে এই বিষয়ে ফায়সালা জানাইয়া দিলাম যে, প্রত্যূষে উহাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হইবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা তাকে ফায়সালা জানিয়ে দিলাম যে, প্রভাতেই তাদের শিকড় কেটে দেয়া হবে (সমূলে বিনাশ করা হবে)।
মুহিউদ্দীন খান
আমি লূতকে এ বিষয় পরিজ্ঞাত করে দেই যে, সকাল হলেই তাদেরকে সমুলে বিনাশ করে দেয়া হবে।
সমকালীন বাংলা
আমি তাহাকে এই বিষয়ে ফায়সালা জানাইয়া দিলাম যে, প্রত্যূষে উহাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হইবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নগরবাসিগন উল্লসিত হইয়া উপস্থিত হইল।
আবদুস শহীদ নাসিম
নগরবাসীরা (মেহমান আগমনের সংবাদে) উল্লসিত হয়ে (লুতের বাড়িতে) এসে উপস্থিত হয়।
মুহিউদ্দীন খান
শহরবাসীরা আনন্দ - উল্লাস করতে করতে পৌছল।
সমকালীন বাংলা
নগরবাসিগন উল্লাসিত হইয়া উপস্থিত হইল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে বলিল, ‘উহারা আমার অতিথি; সুতরাং তোমরা আমাকে বেইয্যত করিও না।
আবদুস শহীদ নাসিম
সে বললো: ‘‘এরা আমার মেহমান, তোমরা আমাকে বেইজ্জতি করোনা।
মুহিউদ্দীন খান
লূত বললেনঃ তারা আমার মেহমান। অতএব আমাকে লাঞ্ছিত করো না।
সমকালীন বাংলা
সে বলিল, ‘উহারা আমার অতিথি; সুতরাং তোমরা আমাকে বেইয্যত করিও না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘তোমরা কে ভয় কর ও আমাকে হেয় করিও না।’
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আমাকে অপমানিত করোনা।’’
মুহিউদ্দীন খান
তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার ইযযত নষ্ট করো না।
সমকালীন বাংলা
তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে হেয় করিও না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা বলিল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই?’
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বললো: আমরা কি জগতবাসীকে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?
মুহিউদ্দীন খান
তার বললঃ আমরা কি আপনাকে জগৎদ্বাসীর সমর্থন করতে নিষেধ করিনি।
সমকালীন বাংলা
উহারা বলিল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই?’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
লূত বলিল, ‘একান্তই যদি তোমরা কিছু করিতে চাও তবে আমার এই কন্যাগণ রহিয়াছে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
লুত বললো: এই যে আমার (জাতির) কন্যারা রয়েছে, তোমরা কিছু করতে চাইলে তাদের বিয়ে করে নাও।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি বললেনঃ যদি তোমরা একান্ত কিছু করতেই চাও, তবে আমার কন্যারা উপস্থিত আছে।
সমকালীন বাংলা
লূত বলিল, ‘একান্তই যদি তোমরা কিছু করিতে চাও তবে আমার এই কন্যাগণ রহিয়াছে।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার জীবনের শপথ, উহারা তো মত্ততায় বিমূঢ় হইয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার জীবনের শপথ, তারা তখন উন্মত্ততায় উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।
মুহিউদ্দীন খান
আপনার প্রাণের কসম, তারা আপন নেশায় প্রমত্ত ছিল।
সমকালীন বাংলা
তোমার জীবনের শপথ, উহারা তো মত্ততায় বিমূঢ় হইয়াছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সূর্যোদয়ের সময়ে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল;
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর সূর্যোদয়ের সময় তাদের পাকড়াও করে বিকটধ্বনি।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তাদেরকে প্রচন্ড একটি শব্দ এসে পাকড়াও করল।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর সূর্যোদয়ের সময়ে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি জনপদকে উল্টাইয়া উপর নীচ করিয়া দিলাম এবং উহাদের উপর প্রস্তর - কংকর বর্ষণ করিলাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
তখন আমরা (লুত জাতির) জনপদের উপরের দিক নিচে করে উল্টে দিয়েছি এবং তাদের উপর অবিরাম বর্ষণ করেছি পাথরের কংকর।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর আমি জনপদটিকে উল্টে দিলাম এবং তাদের উপর কঙ্করের প্রস্থর বর্ষণ করলাম।
সমকালীন বাংলা
আর আমি জনপদকে উল্টাইয়া উপর নীচ করিয়া দিলাম এবং উহাদের উপর প্রস্তর - কংকর বর্ষণ করিলাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবশ্যই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছে পর্যবেক্ষণ - শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
বিশ্লেষণ শক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় এতে চিন্তাশীলদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
অবশ্যই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছে পর্যবেক্ষণ - শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহা তো লোক চলাচলের পথিপার্শ্বে এখনও বিদ্যমান।
আবদুস শহীদ নাসিম
সেই বিরান জনপদ লোক চলাচলের পথপাশে এখনো বিদ্যমান।
মুহিউদ্দীন খান
জনপদটি সোজা পথে অবস্থিত রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
উহা তো লোক চলাচলের পথিপার্শ্বে এখনও বিদ্যমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবশ্যই ইহাতে মু’মিনদের জন্য রহিয়াছে নিদর্শন।
আবদুস শহীদ নাসিম
মুমিনদের জন্যে তাতে রয়েছে এক নিদর্শন।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় এতে ঈমানদারদের জন্যে নিদর্শণ আছে।
সমকালীন বাংলা
অবশ্যই ইহাতে মু’মিনদের জন্য রহিয়াছে নিদর্শন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর ‘আয়কা’বাসীরাও তো ছিল সীমালংঘনকারী,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর আইকাবাসীরাও ছিলো সীমালংঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় গহীন বনের অধিবাসীরা পাপী ছিল।
সমকালীন বাংলা
আর ‘আয়কা’বাসীরাও তো ছিল সীমালংঘনকারী,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং আমি উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি, অবশ্য উভয়টিই প্রকাশ্য পথিপার্শ্বে অবস্থিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের থেকেও আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বিরানভূমিই প্রকাশ্য মহাসড়কের পাশে এখনো বিদ্যমান।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর আমি তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বস্তি প্রকাশ্য রাস্তার উপর অবস্থিত।
সমকালীন বাংলা
সুতরাং আমি উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি, অবশ্য উভয়টিই প্রকাশ্য পথিপার্শ্বে অবস্থিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হিজরবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল;
আবদুস শহীদ নাসিম
হিজরবাসীরাও রসূলদের মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় হিজরের বাসিন্দারা পয়গম্বরগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছে।
সমকালীন বাংলা
হিজ্রবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি উহাদেরকে আমার নিদর্শন দিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়াছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা তাদের দিয়েছিলাম আমাদের নিদর্শনসমূহ, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
আমি তাদেরকে নিজের নিদর্শনাবলী দিয়েছি। অতঃপর তারা এগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
সমকালীন বাংলা
আমি উহাদেরকে আমার নিদর্শন দিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়াছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিত নিরাপদ বাসের জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা পাহাড় কেটে বাসস্থান নির্মাণ করেছিল নিরাপদ থাকার জন্যে।
মুহিউদ্দীন খান
তারা পাহাড়ে নিশ্চিন্তে ঘর খোদাই করত।
সমকালীন বাংলা
উহারা পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিত নিরাপদ বাসের জন্য।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর প্রভাতকালে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদেরকেও প্রভাতকালেই আঘাত করেছিল এক মহাবিকট শব্দ।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর এক প্রত্যুষে তাদের উপর একটা শব্দ এসে আঘাত করল।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর প্রভাতকালে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং উহারা যাহা অর্জন করিত তাহা উহাদের কোন কাজে আসে নাই।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।
মুহিউদ্দীন খান
তখন কোন উপকারে আসল না যা তারা উপার্জন করেছিল।
সমকালীন বাংলা
সুতরাং উহারা যাহা অর্জন করিত তাহা উহাদের কোন কাজে আসে নাই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি অযথা সৃষ্টি করি নাই এবং কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং তুমি পরম সৌজন্যের সঙ্গে উহাদেরকে ক্ষমা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
মহাকাশ আর পৃথিবী এবং এই দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আমরা সৃষ্টি করেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে। কিয়ামত অবশ্যি আসবে। তাই তুমি সুন্দর সৌজন্যবোধের সাথে তাদের উপেক্ষা করো।
মুহিউদ্দীন খান
আমি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যা আছে তা তাৎপর্যহীন সৃষ্টি করিনি। কেয়ামত অবশ্যই আসবে। অতএব পরম ঔদাসীন্যের সাথে ওদের ক্রিয়াকর্ম উপক্ষো করুন।
সমকালীন বাংলা
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি অযথা সৃষ্টি করি নাই এবং কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং তুমি পরম সৌজন্যের সঙ্গে উহাদেরকে ক্ষমা কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই তোমার রব মহাস্রষ্টা, অতীব জ্ঞানী।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই স্রষ্টা, সর্বজ্ঞ।
সমকালীন বাংলা
নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তো তোমাকে দিয়াছি সাত আয়াত যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত হয় এবং দিয়াছি মহান কুরআন।
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা তোমাকে দিয়েছি পুন: পুন: আবৃত্ত সাত (আয়াত) এবং মহাগ্রন্থ আল - কুরআন।
মুহিউদ্দীন খান
আমি আপনাকে সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত এবং মহান কোরআন দিয়েছি।
সমকালীন বাংলা
আমি তো তোমাকে দিয়াছি সাত আয়াত যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত হয় এবং দিয়াছি মহান কুরআন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তাহাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ - বিলাসের যে উপকরণ দিয়াছি, তাহার প্রতি তুমি কখনও তোমার চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করিও না। তাহাদের জন্য তুমি দুঃখ করিও না; তুমি মু’মিনদের জন্য তোমার পক্ষপুট অবনমিত কর,
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ বিলাসের যেসব উপকরণ দিয়েছি, সেগুলোর প্রতি তুমি কখনো তোমার দুই চোখ মেলে তাকিয়োনা। তাদের জন্যে তুমি দুঃখও করোনা। তুমি মুমিনদের জন্যে তোমার দুই ডানা অবনমিত করে দাও।
মুহিউদ্দীন খান
আপনি চক্ষু তুলে ঐ বস্তুর প্রতি দেখবেন না, যা আমি তাদের মধ্যে কয়েক প্রকার লোককে ভোগ করার জন্যে দিয়েছি, তাদের জন্যে চিন্তিত হবেন না আর ঈমানদারদের জন্যে স্বীয় বাহু নত করুন।
সমকালীন বাংলা
আমি তাহাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ - বিলাসের যে উপকরণ দিয়াছি, তাহার প্রতি তুমি কখনও তোমার চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করিও না। তাহাদের জন্য তুমি দুঃখ করিও না; তুমি মু’মিনদের জন্য তোমার পক্ষপুট অবনমিত কর,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং বল, ‘আমি তো কেবল এক প্রকাশ্য সতর্ককারী।’
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি বলো: ‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’
মুহিউদ্দীন খান
আর বলুনঃ আমি প্রকাশ্য ভয় প্রদর্শক।
সমকালীন বাংলা
এবং বল, ‘আমি তো কেবল এক প্রকাশ্য সতর্ককারী।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যেভাবে আমি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম বিভক্তকারীদের উপর;
আবদুস শহীদ নাসিম
(এটা ঠিক সেরকম) যেভাবে আমরা নাযিল করেছিলাম সেইসব বিভক্তকারীদের (ইহুদি ও খৃস্টানদের) উপর,
মুহিউদ্দীন খান
যেমন আমি নাযিল করেছি যারা বিভিন্ন মতে বিভক্ত তাদের উপর।
সমকালীন বাংলা
যেভাবে আমি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম বিভক্তকারীদের উপর;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা কুরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করিয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা তাদের কুরআনকে (তাওরাতকে) বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে।
মুহিউদ্দীন খান
যারা কোরআনকে খন্ড খন্ড করেছে।
সমকালীন বাংলা
যাহারা কুরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করিয়াছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং শপথ তোমার প্রতিপালকের! আমি উহাদের সকলকে প্রশ্ন করিবই,
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার প্রভুর শপথ! আমরা অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো,
মুহিউদ্দীন খান
অতএব আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই ওদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করব।
সমকালীন বাংলা
সুতরাং শপথ তোমার প্রতিপালকের! আমি উহাদের সকলকে প্রশ্ন করিবই,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেই বিষয়ে, যাহা উহারা করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের কর্মকান্ডের বিষয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
ওদের কাজকর্ম সম্পর্কে।
সমকালীন বাংলা
সেই বিষয়ে, যাহা উহারা করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতএব তুমি যে বিষয়ে আদিষ্ট হইয়াছ তাহা প্রকাশ্যে প্রচার কর এবং মুশরিকদেরকে উপেক্ষা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাকে যার আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব আপনি প্রকাশ্যে শুনিয়ে দিন যা আপনাকে আদেশ করা হয় এবং মুশরিকদের পরওয়া করবেন না।
সমকালীন বাংলা
অতএব তুমি যে বিষয়ে আদিষ্ট হইয়াছ তাহা প্রকাশ্যে প্রচার কর এবং মুশরিকদেরকে উপেক্ষা কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমিই যথেষ্ট তোমার জন্য বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে,
আবদুস শহীদ নাসিম
বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্যে আমরাই কাফী (যথেষ্ট),
মুহিউদ্দীন খান
বিদ্রুপকারীদের জন্যে আমি আপনার পক্ষ থেকে যথেষ্ট।
সমকালীন বাংলা
আমিই যথেষ্ট তোমার জন্য বিদ্রুপকারীদের বিরুদ্ধে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা র সঙ্গে অপর ইলাহ্ নির্ধারণ করিয়াছে। সুতরাং শীঘ্রই ইহারা জানিতে পারিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে।
মুহিউদ্দীন খান
যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্য সাব্যস্ত করে। অতএব অতিসত্তর তারা জেনে নেবে।
সমকালীন বাংলা
যাহারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহকে নির্ধারন করিয়াছে। সুতরাং শিগ্ররই ইহারা জানিতে পারিবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;
আবদুস শহীদ নাসিম
আমরা জানি, তাদের কথায় তোমার মন সংকুচিত হয়ে আসে।
মুহিউদ্দীন খান
আমি জানি যে আপনি তাদের কথাবর্তায় হতোদ্যম হয়ে পড়েন।
সমকালীন বাংলা
আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো এবং তুমি সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব আপনি পালনকর্তার সৌন্দর্য স্মরণ করুন এবং সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যান।
সমকালীন বাংলা
সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তোমার প্রভুর ইবাদত করো যতোক্ষণ না তোমার কাছে আসে নিশ্চিত জিনিসটি (মৃত্যু)।
মুহিউদ্দীন খান
এবং পালনকর্তার এবাদত করুন, যে পর্যন্ত আপনার কাছে নিশ্চিত কথা না আসে।
সমকালীন বাংলা
তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।