Kitab

আল ইনফিতার

Chapter 82, 19 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ যখন বিদীর্ণ হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফেটে যাবে আকাশ,

জহুরুল হক

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন নক্ষত্রমণ্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরিয়া পড়িবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে খসে পড়বে নক্ষত্ররাজি,

জহুরুল হক

আর যখন নক্ষত্রসব বিক্ষিপ্ত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সমুদ্র যখন উদ্বেলিত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন ফাটিয়ে ফেলা হবে সমুদ্রগুলো,

জহুরুল হক

আর যখন সমুদ্রগুলো উচ্ছলিত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যখন কবর উন্মোচিত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন খুলে দেয়া হবে কবরগুলো,

জহুরুল হক

আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে, - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন প্রত্যেকে জানিবে, সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে, সে কী পাঠিয়েছে সামনের জন্যে, আর কী রেখে এসেছে পেছনে?

জহুরুল হক

তখন প্রত্যেকেই জানতে পারবে সে কী আগ - বাড়িয়েছে, আর কী সে পেছনে ফেলে রেখেছে।

মুহিউদ্দীন খান

তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! কোন্ জিনিস তোমাকে ধোকায় ফেলে রেখেছে তোমার মহান প্রভুর ব্যাপারে?

জহুরুল হক

ওহে মানব! কিসে তোমাকে ভুলিয়েছে তোমার মহানুভব প্রভুসন্বন্ধে - -

মুহিউদ্দীন খান

হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করিয়াছেন এবং সুসমঞ্জস করিয়াছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাকে, পূর্ণাংগভাবে সাজিয়েছেন, অতপর গড়ে তুলেছেন সুষম করে?

জহুরুল হক

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন, - -

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই আকৃতিতে চাহিয়াছেন, তিনি তোমাকে গঠন করিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যে সুরত - আকৃতিতে চেয়েছেন গঠন করেছেন তোমাকে।

জহুরুল হক

যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন সেইভাবে তিনি তোমাকে গঠন করেছেন?

মুহিউদ্দীন খান

যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, কখনও না, তোমরা তো শেষ বিচারকে অস্বীকার করিয়া থাক ;

আবদুস শহীদ নাসিম

না, কখনো নয়, বরং তোমরা শেষ বিচার ও প্রতিদানকেই (শাস্তি আর পুরস্কারকেই) অস্বীকার করছো।

জহুরুল হক

না, তোমরা বরং সদ্বিচারকেই মিথ্যারোপ করছ।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান - প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই আছে তোমাদের জন্য তত্ত্বাবধায়কগণ ;

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, অবশ্যি তোমাদের উপর নিযুক্ত রয়েছে পরিদর্শক।

জহুরুল হক

অথচ তোমাদের উপরে নিশ্চয়ই তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে, - -

মুহিউদ্দীন খান

অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্মানিত লিপিকরবৃন্দ ;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হলো মর্যাদাবান নিবন্ধনকারী (recorder)।

জহুরুল হক

সম্মানিত লিপিকারগণ,

মুহিউদ্দীন খান

সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা জানে তোমরা যাহা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জানে তোমরা যা - ই করো।

জহুরুল হক

তারা জানে তোমরা যা - কিছু কর।

মুহিউদ্দীন খান

তারা জানে যা তোমরা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পুণ্যবানগণ তো থাকিবে পরম স্বাচ্ছন্দ্যে ;

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই সৎ - সত্যপন্থী লোকেরা (সেদিন) থাকবে ভোগ - বিলাসে।

জহুরুল হক

ধার্মিকরা নিশ্চয় থাকবে আনন্দেরই মাঝে,

মুহিউদ্দীন খান

সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পাপাচারীরা তো থাকিবে জাহান্নামে ;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সীমালংঘনকারী - পাপিষ্ঠরা থাকবে জাহিমে।

জহুরুল হক

আর পাপাচারীরা আলবৎ থাকবে ভয়ংকর আগুনে, - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং দুষ্কর্মীরা থাকবে জাহান্নামে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কর্মফল দিবসে উহাতে প্রবেশ করিবে ;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা প্রবেশ করবে তাতে প্রতিদান দিবসে।

জহুরুল হক

তারা এতে প্রবেশ করবে বিচারের দিনে

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা উহা হইতে অন্তর্হিত হইতে পারিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখান থেকে গর - হাজির থাকার কোনো সুযোগ তাদের থাকবে না।

জহুরুল হক

আর তারা এর থেকে গরহাজির থাকতে পারবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কিভাবে জানবে, প্রতিদান দিবস কী?

জহুরুল হক

আর কিসে তোমাকে বুঝতে দেবে কী সেই বিচারের দিন?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আবার বলি, কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?

আবদুস শহীদ নাসিম

আবার বলছি তুমি কিভাবে জানবে, প্রতিদান দিবস কী?

জহুরুল হক

পুনরায় কিসে তোমাকে বোঝানো যাবে বিচারের দিন কি?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন একের অপরের জন্য কিছু করিবার সামর্থ্য থাকিবে না; এবং সেই দিন সমস্ত কর্তৃত্ব হবে ‌র।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা সেই দিন, যেদিন কোনো ব্যক্তির অপর ব্যক্তির জন্যে কিছু করার কোনো ক্ষমতা থাকবেনা। সেদিন সমস্ত কর্তৃত্ব থাকবে একমাত্র আল্লাহর হাতে।

জহুরুল হক

এ সেইদিন যেদিন কোনো সত্ত্বা কোনো আ‌ত্মার জন্যে কোনো - কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না। আর কর্তৃত্ব সেইদিন হবে ‌রই।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কর্তৃত্ব হবে আল্লাহর।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme