আল মুলক , choose another chapter
আল মুলক
Chapter 67, 30 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা
বাংলা উচ্চারণ
Add book
List
Grid
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ মহামহিমান্বিত তিনি, সর্বময় কর্তৃত্ব যাঁহার করায়ত্ত; তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ মহা বরকতময় সেই সত্তা, সর্বময় কর্তৃত্ব যাঁর হাতে। আর সব কিছুর উপর তিনি সর্বশক্তিমান।
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; বরকতময় তিনি, যার হাতে রয়েছে সকল কর্তৃত্ব; এবং তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
বাংলা উচ্চারণ
১ বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম তাবা-রকাল্লাযী বিইয়াদিহিল্ মুল্কু অহুওয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন্ ক্বদীরু।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদেরকে পরীক্ষা করিবার জন্য - কে তোমাদের মধ্যে কর্মে উত্তম? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তিনি সেই মহান সত্তা, যিনি সৃষ্টি করেছেন মউত এবং হায়াত তোমাদের এই পরীক্ষা করার জন্যে যে, তোমাদের মাঝে আমলের দিক দিয়ে কে উত্তম? তিনি মহাশক্তিমান, অতীব ক্ষমাশীল,
সমকালীন বাংলা
২ যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য, তোমাদের মধ্যে কে কর্মে সর্বোত্তম। আর তিনি পরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল।
বাংলা উচ্চারণ
২ নিল্লাযী খলাক্বল্ মাওতা অল্ হাইয়া-তা লিইয়াব্লুয়াকুম্ আইয়্যুকুম্ আহ্সানু 'আমালা- অহুওয়াল্ 'আযীযুল্ গফূরু।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ। দয়াময় আল্লাহ্ র সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখিতে পাইবে না ; তুমি আবার তাকাইয়া দেখ, কোন ত্রুটি দেখিতে পাও কি?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ যিনি সৃষ্টি করেছেন তবকায় তবকায় সাত আস্মান। দয়াময় - রহমানের সৃষ্টিতে কোনো খুঁত তুমি দেখতে পাবেনা। আবার তাকিয়ে দেখো, দেখতে পাও কি কোনো খুঁত?
সমকালীন বাংলা
৩ যিনি স্তরে স্তরে সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন। তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। অতঃপর তুমি আবার দৃষ্টি ফিরাও; তুমি কি কোনো ত্রুটি দেখতে পাও?
বাংলা উচ্চারণ
৩ আল্লাযী খলাক্ব সাব্'আ সামা-ওয়া-তিন্ ত্বিবা-ক্ব- মা-তার-ফী খর্ল্ক্বি রহ্মানি মিন্ তাফা-ওয়ুত্ র্ফাজ্বিঈ'ল্ বাছোয়ার হাল্ তার-মিন্ ফুত্বর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ অতঃপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফিরাও, সেই দৃষ্টি ব্যর্থ ও ক্লান্ত হইয়া তোমার দিকে ফিরিয়া আসিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তারপর বার বার নজর করে দেখো, সেই নজর ব্যর্থ ও ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসবে তোমার দিকে।
সমকালীন বাংলা
৪ তারপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফিরাও; দৃষ্টি তোমার কাছেই ফিরে আসবে ব্যর্থ ও অবসন্ন হয়ে।
বাংলা উচ্চারণ
৪ ছুর্ম্মা জ্বি'ইল্ বাছোয়ার র্কারতাইনি ইয়ান্ক্বলিব্ ইলাইকাল্ বাছোয়ারু খ-সিয়াঁও অহুওয়া হার্সী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ আমি নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করিয়াছি প্রদীপমালা দ্বারা এবং উহাদেরকে করিয়াছি শয়তানের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ এবং উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ আমরা দুনিয়ার আসমানকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছি অনেক প্রদীপ দিয়ে এবং সেগুলোকে বানিয়েছি শয়তানদের দিকে নিক্ষেপের হাতিয়ার, আর তাদের জন্যে তৈরি করে রেখেছি জ্বলন্ত আগুনের আযাব।
সমকালীন বাংলা
৫ আর অবশ্যই আমরা নিকটতম আকাশকে প্রদীপসমূহ দিয়ে শোভিত করেছি এবং সেগুলোকে শয়তানদের দিকে নিক্ষেপের জন্য করেছি। আর তাদের জন্য আমরা সাঈরের শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
বাংলা উচ্চারণ
৫ অলাক্বদ্ যাইয়্যান্নাস্ সামা-য়াদ্ দুন্ইয়া-বিমাছোয়া-বীহা অজ্বা'আল্নাহা-রুজুমাল্ লিশ্শাইয়াত্বীনি অআ'তাদ্না-লাহুম্ 'আযা-বাস্ সা'র্ঈ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি; উহা কত মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল !
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ যারা তাদের প্রভুর প্রতি কুফুরি করে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আযাব; আর তা ফিরে যাবার কতো যে মন্দ জায়গা!
সমকালীন বাংলা
৬ আর যারা তাদের প্রতিপালককে অবিশ্বাস করেছে, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। আর তা কতই না নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থান!
বাংলা উচ্চারণ
৬ অলিল্লাযীনা কাফারূ বিরব্বিহিম্ 'আযা-বু জ্বাহান্নাম্ অ বি”সাল্ মার্ছী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ যখন উহারা তন্মধ্যে নিক্ষিপ্ত হইবে তখন উহারা জাহান্নামের বিকট শব্দ শুনিবে, আর উহা হইবে উদ্বেলিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তাদেরকে যখন তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তারা তখন শুনতে পাবে তার উত্থান পতনের বিকট শব্দ।
সমকালীন বাংলা
৭ যখন তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা তার ভয়ঙ্কর গর্জন শুনবে, আর তা উথলে উঠবে।
বাংলা উচ্চারণ
৭ ইযা য় উল্ক্ব ফীহা- সামি'ঊ লাহা-শাহীক্বঁও অহিয়া তাফূর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ রোষে জাহান্নাম যেন ফাটিয়া পড়িবে, যখনই উহাতে কোন দলকে নিক্ষেপ করা হইবে, উহাদেরকে রক্ষীরা জিজ্ঞাসা করিবে, ‘তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসে নাই?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ যেনো সে (জাহান্নাম) ক্রোধে ফেটে পড়বে। যখনই তাতে নিক্ষেপ করা হবে কোনো দলকে, তখনই তার রক্ষীরা তাদের প্রশ্ন করবে: তোমাদের কাছে কি আসেনি কোনো সতর্ককারী?
সমকালীন বাংলা
৮ তা যেন ক্রোধে ফেটে পড়বে। যখনই কোনো দল তাতে নিক্ষিপ্ত হবে, তার প্রহরীরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবে, “তোমাদের কাছে কি কোনো সতর্ককারী আসেনি?”
বাংলা উচ্চারণ
৮ তাকা-দু তামাইয়্যাযু মিনাল্ গাইজ্ কুল্লামা য় উল্ক্বিয়া ফীহা- ফাওজুন্ সায়ালাহুম্ খাযানাতুহা য় আলাম্ ইয়াতিকুম্ নার্যী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ উহারা বলিবে, ‘অবশ্যই আমাদের নিকট সতর্ককারী আসিয়াছিল, আমরা উহাদেরকে মিথ্যাবাদী গণ্য করিয়াছিলাম এবং বলিয়াছিলাম, ‘আল্লাহ্ কিছুই অবতীর্ণ করেন নাই, তোমরা তো মহাবিভ্রান্তিতে রহিয়াছ।’
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তারা বলবে: ‘হ্যাঁ, আমাদের কাছে একজন সতর্ককারী এসেছিল, কিন্তু আমরা প্রত্যাখ্যান করেছিলাম তাকে। আমরা বলেছিলাম: আল্লাহ কিছুই নাযিল করেননি। তোমরা মহাভুল পথে আছো।’
সমকালীন বাংলা
৯ তারা বলবে, “হ্যাঁ, অবশ্যই আমাদের কাছে একজন সতর্ককারী এসেছিলেন; কিন্তু আমরা অস্বীকার করেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি। তোমরা তো শুধু বড় বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছ।’”
বাংলা উচ্চারণ
৯ ক্ব-লূ বালা-ক্বদ্ জ্বা-য়ানা নাযীরুন্ ফাকায্যাব্না-অকুল্না-মা-নায্যালাল্লা-হু মিন্ শাইয়িন্ ইন্ আন্তুম্ ইল্লা-ফী দ্বোয়ালা-লিন্ কার্বী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং উহারা আরও বলিবে, ‘যদি আমরা শুনিতাম অথবা বিবেক - বুদ্ধি প্রয়োগ করিতাম, তাহা হইলে আমরা জাহান্নামবাসী হইতাম না।’
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তারা আরো বলবে: ‘আমরা যদি (তাদের আহবান - উপদেশ) শুনতাম এবং আকল খাটাতাম, তাহলে আজ আমরা সায়ীরের (জাহান্নামের) অধিবাসী হতাম না।’
সমকালীন বাংলা
১০ আর তারা বলবে, “যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেচনা করতাম, তবে আমরা জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম না।”
বাংলা উচ্চারণ
১০ অক্ব-লূ লাও কুন্না নাস্মা'ঊ আও না'ক্বিলু মা-কুন্না ফী য় আছ্হা-বিস্ সা'র্ঈ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ উহারা উহাদের অপরাধ স্বীকার করিবে। ধ্বংস জাহান্নামীদের জন্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ এভাবেই তারা স্বীকার করবে তাদের অপরাধ। ধ্বংস সায়ীরের অধিবাসীদের জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১১ অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। অতএব জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীরা দূরে নিক্ষিপ্ত।
Noteسُحْقًا : আক্ষরিক অর্থ "দূরে নিক্ষিপ্ত হওয়া" বা "দূরত্ব"।
বাংলা উচ্চারণ
১১ ফা'তারাফূ বিযাম্বিহিম্ ফাসুহ্ক্বল্ লিআছ্হা-বিস্ সা'র্ঈ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ যাহারা দৃষ্টির অগোচরে তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ নিশ্চয়ই যারা না দেখেও তাদের প্রভুকে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত আর মহাপুরস্কার।
সমকালীন বাংলা
১২ নিশ্চয়ই যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা এবং মহাপ্রতিদান।
বাংলা উচ্চারণ
১২ ইন্নাল্লাযীনা ইয়াখ্শাওনা রব্বাহুম্ বিল্গইবি লাহুম্ মাগ্ফিরতুঁও অআজরুন্ কার্বী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তোমরা তোমাদের কথা গোপনেই বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তর্যামী।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বলো, কিংবা প্রকাশ্যে, নিশ্চয়ই তিনি বিশেষভাবে জ্ঞাত অন্তরের খবর।
সমকালীন বাংলা
১৩ আর তোমরা তোমাদের কথা গোপন করো অথবা প্রকাশ করো; নিশ্চয়ই তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
বাংলা উচ্চারণ
১৩ অআর্সিরূ ক্বওলাকুম্ আওয়িজহারূ বিহ্ ইন্নাহূ 'আলীমুম্ বিযা-তিছ্ ছুর্দূর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনি কি জানেন না? তিনি সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি কি জানবেন না? অথচ তিনি হলেন সুক্ষ্মদর্শী, সব অবগত।
সমকালীন বাংলা
১৪ যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি জানবেন না? আর তিনি সূক্ষ্মদর্শী, সর্বজ্ঞ।
বাংলা উচ্চারণ
১৪ আলা-ইয়া'লামু মান্ খলাক অহুওয়াল্ লাত্বীফুল্ খর্বীর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ তিনিই তো তোমাদের জন্য ভূমিকে সুগম করিয়া দিয়াছেন ; অতএব তোমরা উহার দিগ - দিগন্তে বিচরণ কর এবং তাঁহার প্রদত্ত জীবনোপকরণ হইতে আহার্য গ্রহণ কর; পুনরুত্থান তো তাঁহারই নিকট।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তিনিই সেই সত্তা, যিনি এই পৃথিবীকে তোমাদের জন্যে বানিয়ে দিয়েছেন চলাচলের উপযোগী, সুতরাং তোমরা দিক দিগন্তে চলাচল করো এবং তাঁর দেয়া জীবিকা থেকে খাও। আর তাঁরই কাছে হবে হাশর - নশর।
সমকালীন বাংলা
১৫ তিনিই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে অনুগত করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা এর পথে-প্রান্তরে চলো এবং তাঁর রিযিক থেকে আহার করো। আর তাঁর কাছেই পুনরুত্থান।
বাংলা উচ্চারণ
১৫ হুওয়াল্লাযী জ্বা'আলা লাকুমুল্ র্আদ্বোয়া যালূলান্ ফা ম্শূ ফী মানা-কিবিহা-অকুলূ র্মি রিয্ক্বিহ্ অইলাইহিন্ নুর্শূর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ তোমরা কি ইহা হইতে নির্ভয় হইয়াছ যে, যিনি আকাশে রহিয়াছেন তিনি তোমাদেরকেসহ ভূমিকে ধসাইয়া দিবেন, অনন্তর উহা আকস্মিকভাবে থর থর করিয়া কাঁপিতে থাকিবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের নিয়ে পৃথিবীকে ধসিয়ে দেবেন আর তা আকস্মিক থর থর করে কেঁপে উঠবে - এ থেকে কি তোমরা নিরাপদ হয়ে গেছো?
সমকালীন বাংলা
১৬ ৬৭–১৬ : তোমরা কি নিশ্চিন্ত হয়ে গেছো সেই সত্তা থেকে, যিনি আকাশে আছেন, যে তিনি তোমাদেরকে পৃথিবীর মধ্যে ধসিয়ে দেবেন? তখন তা প্রবলভাবে কেঁপে উঠবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৬ আ আমিন্তুম্ মান্ ফিস্ সামা-য়ি আইঁয়্যাখ্সিফা বিকুমুল্ র্আদ্বোয়া ফা ইযা-হিয়া তামূর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ অথবা তোমরা কি ইহা হইতে নির্ভয় হইয়াছ যে, আকাশে যিনি রহিয়াছেন তিনি তোমাদের উপর কঙ্করবর্ষী ঝঞ্ঝা প্রেরণ করিবেন? তখন তোমরা জানিতে পারিবে কিরূপ ছিল আমার সতর্কবাণী!
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ নাকি আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদের উপর কংকরবর্ষী তুফান পাঠাবেন - সে ব্যাপারে তোমরা নিরাপদ হয়ে গেছো? অচিরেই জানতে পারবে কেমন ছিলো সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
১৭ নাকি তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছো সেই সত্তা থেকে, যিনি আকাশে আছেন, যে তিনি তোমাদের উপর পাথর নিক্ষেপকারী ঝড় পাঠাবেন? তখন তোমরা জানতে পারবে আমার সতর্কবার্তা কেমন।
বাংলা উচ্চারণ
১৭ আম্ আমিন্তুম্ মান্ ফিস্ সামা-য়ি আইঁ ইর্য়ুসিলা 'আলাইকুম্ হা-ছিবা- ফাসাতা'লামূনা কাইফা নার্যীর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ ইহাদের পূর্ববর্তীরাও অস্বীকার করিয়াছিল ; ফলে কিরূপ হইয়াছিল আমার শাস্তি!
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ এদের পূর্বের লোকেরাও প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে তাদের শাস্তিটাও হয়েছিল কেমন (কঠোর)?
সমকালীন বাংলা
১৮ আর অবশ্যই তাদের পূর্ববর্তীরাও অস্বীকার করেছিল। অতঃপর কেমন ছিলো আমার প্রত্যাখ্যান!
বাংলা উচ্চারণ
১৮ অলাক্বদ্ কায্যাবাল্ লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ ফাকাইফা কা-না নার্কীর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ উহারা কি লক্ষ্য করে না উহাদের ঊর্ধ্বদেশে বিহঙ্গকুলের প্রতি, যাহারা পক্ষ বিস্তার করে ও সংকুচিত করে ? দয়াময় আল্লাহ্ ই উহাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ তারা কি তাদের উপরে পাখিদের প্রতি লক্ষ্য করেনা? তারা ডানা বিস্তার করে আবার গুটিয়ে নেয়। দয়াময় - রহমানই তাদের স্থির রাখেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রতিটি বিষয়ে দৃষ্টিবান।
সমকালীন বাংলা
১৯ তারা কি দেখে না তাদের উপরে পাখিদের, ডানা বিস্তার করে এবং গুটিয়ে নেয়? পরম করুণাময় ছাড়া কেউই তাদেরকে ধরে রাখেন না। নিশ্চয়ই তিনি সবকিছু প্রত্যক্ষকারী।
বাংলা উচ্চারণ
১৯ আওয়া লাম্ ইয়ারও ইলাতত্বোয়াইরি ফাওক্বহুম্ ছোয়া-ফ্ফা-তিঁও অইয়াকবিদন্ মা -ইয়ুম্সিকুহুন্না ইর্ল্লা রহ্মা-ন্ ইন্নাহূ বিকুল্লি শাইয়িম্ বার্ছীর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ দয়াময় আল্লাহ্ ব্যতীত তোমাদের এমন কোন সৈন্যবাহিনী আছে কি, যাহারা তোমাদেরকে সাহায্য করিবে ? কাফিররা তো রহিয়াছে প্রবঞ্চনার মধ্যে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ দয়াময় - রহমান ছাড়া তোমাদের কোনো সেনাবাহিনী আছে কি, যারা তাঁর বিরুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করবে? আসলে কাফিররা রয়েছে প্রতারণার মধ্যে।
সমকালীন বাংলা
২০ অথবা কে এমন, যে তোমাদের জন্য বাহিনী হবে, পরম করুণাময়কে বাদ দিয়ে তোমাদের সাহায্য করবে? অস্বীকারকারীরা তো শুধু প্রতারণার মধ্যেই রয়েছে।
বাংলা উচ্চারণ
২০ আম্মান্ হা-যাল্ লাযী হুওয়া জুন্দুল্ লাকুম্ ইয়ান্ছুরুকুম্ মিন্ দূর্নি রহ্মা-ন্ ইনিল্ কা-ফিরূনা ইল্লা-ফী গুর্রূর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ এমন কে আছে, যে তোমাদেরকে জীবনোপকরণ দান করিবে, তিনি যদি তাঁহার জীবনোপকরণ বন্ধ করিয়া দেন? বস্তুত উহারা অবাধ্যতা ও সত্যবিমুখতায় অবিচল রহিয়াছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ এমন কে আছে যে তোমাদের রিযিক সরবরাহ করবে - যদি তিনি তাঁর রিযিক (সরবরাহ) বন্ধ করে দেন? বরং তারা অবাধ্যতা ও সত্য থেকে পালানোর উপর অবিচল রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
২১ অথবা কে সে, যে তোমাদেরকে জীবিকা দেবে, যদি তিনি তাঁর জীবিকা বন্ধ করে দেন? বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতার মধ্যেই অবিচল রয়েছে।
বাংলা উচ্চারণ
২১ আম্মান্ হা-যাল্ লাযী ইর্য়াযুকুকুম্ ইন্ আম্সাকা রিয্কাহূ বাল্ লাজ্বজু ফী 'উতুয়িঁও অনুর্ফূ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ যে ব্যক্তি ঝুঁকিয়া মুখে ভর দিয়া চলে, সে - ই কি ঠিক পথে চলে, না কি সেই ব্যক্তি যে ঋজু হইয়া সরল পথে চলে ?
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ যে ব্যক্তি ঝুঁকে মুখের উপর ভর দিয়ে চলে সে - ই কি ঠিক পথে চলে, নাকি ঐ ব্যক্তি, যে সোজা হয়ে সরল পথে চলে?
সমকালীন বাংলা
২২ তবে কি সে অধিক সঠিক পথে পরিচালিত, যে উপুড় হয়ে মুখের উপর চলে, নাকি সে, যে সরল পথে সোজা হয়ে চলে?
বাংলা উচ্চারণ
২২ আফামাইঁ ইয়াম্শী মুকিব্বান 'আলা-ওয়াজহিহী য় আহ্দা য় আম্মাইঁ ইয়াম্শী সাওয়িয়্যান্ 'আলা-ছির-ত্বিম্ মুস্তাক্বীম্।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ বল, ‘তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং তোমাদেরকে দিয়াছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তকরণ। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ হে নবী! বলো: ‘তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং হৃদয়। তবে তোমরা খুব কমই শোকর আদায় করে থাকো।’
সমকালীন বাংলা
২৩ বলো, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের জন্য শ্রবণ, দৃষ্টি ও অন্তর দিয়েছেন। তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
বাংলা উচ্চারণ
২৩ কুল্ হুওয়াল্ লাযী য় আন্ শায়াকুম্ অজ্বা'আলা লাকুমুস্ সাম্'আ অল্ আব্ছোয়া-র অল্ আফ্য়িদাহ্ ক্বলীলাম্ মা-তাশ্কুরূন্।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ বল, ‘তিনিই পৃথিবীতে তোমাদের ছড়াইয়া দিয়াছেন এবং তাঁহারই নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হইবে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ হে নবী! বলো: ‘তিনিই তোমাদের পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং তাঁরই কাছে করা হবে তোমাদের হাশর (একত্র)’।
সমকালীন বাংলা
২৪ বলো, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন, এবং তাঁর কাছেই তোমাদের সমবেত করা হবে।
বাংলা উচ্চারণ
২৪ কুল্ হুওয়াল্ লাযী যারয়াকুম্ ফিল্ র্আদ্বি অইলাইহি তুহ্শারূন্।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ আর উহারা বলে, ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল, এই প্রতিশ্রুতি কখন বাস্তবায়িত হইবে?’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তারা বলে: ‘তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো কখন আসবে এই ওয়াদা করা সময়টি?’
সমকালীন বাংলা
২৫ আর তারা বলে, এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?
বাংলা উচ্চারণ
২৫ অইয়াকুলূনা মাতা- হা-যাল্ ওয়া'দু ইন্ কুনতুম ছোয়া-দিক্বীন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ বল, ‘ইহার জ্ঞান কেবল আল্লাহ্ রই নিকট আছে। আমি তো স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ হে নবী! তুমি বলো: ‘এর এলেম আল্লাহর কাছেই রয়েছে। আমি তো একজন স্পষ্ট সাবধানকারী মাত্র।’
সমকালীন বাংলা
২৬ বলো, এর জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই। আর আমি তো কেবল একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।
বাংলা উচ্চারণ
২৬ কুল ইন্নামাল্ ই'ল্মু ই'ন্দাল্লা-হি ইন্নামা য় আনা নাযীরুম মুবীন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ উহারা যখন তাহা আসন্ন দেখিবে তখন কাফিরদের মুখমণ্ডল ম্লান হইয়া পড়িবে এবং বলা হইবে, ‘ইহাই তো তোমরা চাহিতেছিলে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তারা যখন দেখবে তা (কিয়ামত) সম্মুখে উপস্থিত, তখন চেহারা ম্লান হয়ে যাবে কাফিরদের। তাদের বলা হবে: ‘এটাই সেই জিনিস যা তোমরা দাবি করে আসছিলে।
সমকালীন বাংলা
২৭ অতঃপর যখন তারা সেটিকে নিকটবর্তী দেখতে পাবে, তখন অবিশ্বাসীদের মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যাবে, এবং বলা হবে, এটাই তো ছিল যা তোমরা দাবি করতে।
বাংলা উচ্চারণ
২৭ ফালাম্মা- রায়াওহু যুল্ফাতান্ সী-য়াত্ উজুহুল্ লাযীনা কাফারূ অক্বীলা হা-যাল্ লাযী কুন্তুম্ বিহী তাদ্দা'ঊন্ ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি - যদি আল্লাহ্ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন, তবে কাফিরদেরকে কে রক্ষা করিবে মর্মন্তুদ শাস্তি হইতে ?
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ হে নবী ! তাদের বলো: তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছো, আল্লাহ যদি আমাকে এবং আমার সাথিদেরকে হালাক করে দেন, অথবা আমাদের প্রতি রহম করেন, কিন্তু কাফিরদের রক্ষা করবে কে বেদনাদায়ক আযাব থেকে?
সমকালীন বাংলা
২৮ বলো, তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি আল্লাহ আমাকে এবং আমার সঙ্গে যারা আছে তাদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কে অস্বীকারকারীদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?
বাংলা উচ্চারণ
২৮ কুল্ আরয়াইতুম্ ইন্ আহ্লাকানিয়াল্লা-হু অমাম্ মা'ইয়া আও রহিমানা-ফামাইঁ ইয়ুজ্বীরুল্ কা-ফিরীনা মিন্ 'আযা-বিন্ আলীম্।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ বল, ‘তিনিই দয়াময়, আমরা তাঁহাকে বিশ্বাস করি ও তাঁহারই উপর নির্ভর করি, শীঘ্রই তোমরা জানিতে পারিবে কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।’
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ বলো: ‘তিনি দয়াময় - রহমান, আমরা তাঁরই প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁরই উপর তাওয়াক্কুল করেছি। অচিরেই তোমরা জানতে পারবে, কে নিমজ্জিত স্পষ্ট গোমরাহিতে?
সমকালীন বাংলা
২৯ বলো, তিনিই পরম করুণাময়। আমরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁরই উপর নির্ভর করেছি। অতএব শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কে সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।
বাংলা উচ্চারণ
২৯ কুল্ হুওর্য়া রহ্মা-নু আ-মান্না- বিহী অ'আলাইহি তাওয়াক্কাল্না-ফাসাতা'লামূনা মান্ হুওয়া ফী দ্বোয়ালা-লিম্ মুবীন্।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি যদি পানি ভূগর্ভে তোমাদের নাগালের বাহিরে চলিয়া যায়, তখন কে তোমাদেরকে আনিয়া দিবে প্রবহমান পানি?’
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ হে নবী! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘তোমরা কি চিন্তা করে দেখছো, ভূ - গর্ভের পানি যদি তোমাদের নাগালের বাইরে চলে যায়, তখন কে এনে দেবে তোমাদের বহমান পানি?’
সমকালীন বাংলা
৩০ বলো, তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভে চলে যায়, তবে কে তোমাদের জন্য প্রবাহমান পানি এনে দেবে?
বাংলা উচ্চারণ
৩০ কুল্ আরায়াইতুম্ ইন্ আছ্বাহা মা-য়ুকুম্ গওরন্ ফামাইঁ ইয়া'তীকুম্ বিমা-য়িম্ মা'ঈন্।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report