Kitab

আল হিজর

Chapter 15, 99 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আলিফ - লাম - রা, এইগুলি আয়াত মহাগ্রন্থের, সুস্পষ্ট কুরআনের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ - লাম - রা। এগুলো আয়াত আল কিতাব এবং সুস্পষ্ট কুরআনের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনও কখনও কাফিররা আকাঙ্ক্ষা করিবে যে, তাহারা যদি মুসলিম হইত!

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররাও কখনো কখনো আকাঙ্খা করে, যদি তারা মুসলিম হতো!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে ছাড়, উহারা খাইতে থাকুক, ভোগ করিতে থাকুক এবং আশা উহাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখুক; অচিরেই উহারা জানিতে পারিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপেক্ষা করো: তারা খেতে থাকুক, ভোগ করতে থাকুক এবং তাদের আশা - আকাঙ্খা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখুক। অচিরেই তারা জানতে পারবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যে কোন জনপদকে ধ্বংস করিয়াছি তাহার জন্য ছিল একটি নির্দিষ্ট লিপিবদ্ধ কাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যে কোনো জনপদকেই হালাক করেছি, তার অবশ্যি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল রেকর্ড করা ছিলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কোন জাতি তাহার নির্দিষ্ট কালকে ত্বরান্নিত করিতে পারে না, বিলম্বিতও করিতে পারে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো উম্মতের (ধ্বংসের) মেয়াদকাল এগিয়েও আসেনা এবং পিছিয়েও যায়না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘ওহে, যাহার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হইয়াছে! তুমি তো নিশ্চয় উন্মাদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘‘হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি আয - যিকির (আল - কুরআন) নাযিল করা হয়েছে, তুমি অবশ্যি একজন পাগল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি সত্যবাদী হইলে আমাদের নিকট ফিরিশ্‌তাগণকে উপস্থিত করিতেছ না কেন?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে আমাদের কাছে ফেরেশতা নিয়ে আসোনা কেন?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ফিরিশ্‌তাগণকে প্রেরণ করি না যথার্থ কারণ ব্যতীত; ফিরিশ্‌তাগণ উপস্থিত হইলে উহারা অবকাশ পাইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তো বাস্তব পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া ছাড়া ফেরেশতা পাঠাইনা; আর যখনই ফেরেশতা পাঠাই তখন আর তাদের অবকাশ দেয়া হয়না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি এবং অবশ্য আমিই উহার সংরক্ষক।

আবদুস শহীদ নাসিম

আয - যিকির (আল - কুরআন) আমরাই নাযিল করেছি এবং আমরাই সেটির হিফাযতকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বে আমি আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের নিকট রাসূল পাঠাইয়াছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেকার অনেক সম্প্রদায়ের কাছেই আমরা রসূল পাঠিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের নিকট আসে নাই এমন কোন রাসূল যাহাকে তাহারা ঠাট্টা - বিদ্রপ করিত না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছে তারা (তাকে নিয়ে) বিদ্রূপ করেছে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি অপরাধীদের অন্তরে উহা সঞ্চার করি,

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে আমরা (সর্বকালের) অপরাধীদের অন্তরে তা (কুফুরি ও হঠকারিতা) সঞ্চার করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহারা কুরআনের প্রতি ঈমান আনিবে না এবং অতীতে পূর্ববর্তীদেরও এই আচরণ ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এর (কুরআনের) প্রতি ঈমান আনেনা। আর অতীতের (অপরাধীদের) সুন্নতও ছিলো এটাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি উহাদের জন্য আকাশের দুয়ার খুলিয়া দেই এবং উহারা সারাদিন উহাতে আরোহণ করিতে থাকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি তাদের জন্যে আসমানের দুয়ারও খুলে দিতাম এবং তারা যদি দিবালোকে তাতে মেরাজ (আরোহণ) করতেও থাকতো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও উহারা বলিবে, ‘আমাদের দৃষ্টি সম্মোহিত করা হইয়াছে; না, বরং আমরা এক জাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখনো তারা বলতো, আমাদের চোখকে সম্মোহিত করা হয়েছে, বরং আমরা জাদুগ্রস্ত লোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি আকাশে গ্রহ - নক্ষত্র সৃষ্টি করিয়াছি এবং উহাকে সুশোভিত করিয়াছি দর্শকদের জন্য;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আসমানে বুরুজ (গ্রহ - নক্ষত্র) স্থাপন করেছি এবং সেগুলোকে দর্শকদের জন্যে শোভামন্ডিত করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান হইতে আমি উহাকে রক্ষা করিয়া থাকি;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং প্রতিটি অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেটিকে হিফাযত করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু কেহ চুরি করিয়া সংবাদ শুনিতে চাহিলে উহার পশ্চাদ্ধাবন করে প্রদীপ্ত শিখা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কেউ যদি চুরি করে সংবাদ শুনতে চায় তার পশ্চাদধাবন করে উজ্জ্বল শিহাব (শিখা)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পৃথিবী, উহাকে আমি বিস্তৃত করিয়াছি, উহাতে পর্বতমালা স্থাপন করিয়াছি; এবং আমি উহাতে প্রত্যেক বস্তু উদ্‌গত করিয়াছি সুপরিমিতভাবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবী, আমরা তাকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পাহাড় - পর্বত এবং তাতে উৎপন্ন করেছি প্রতিটি জিনিস ওজন মতো (যথাযথ পরিমাণে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহাতে জীবিকার ব্যবস্থা করিয়াছি তোমাদের জন্য, আর তোমরা যাহাদের জীবিকাদাতা নও তাহাদের জন্যও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে ব্যবস্থা করে দিয়েছি তোমাদের জীবিকার, এবং তাদের জীবিকারও যাদের জীবিকাদাতা তোমরা নও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমারই নিকট আছে প্রত্যেক বস্তুর ভাণ্ডার এবং আমি উহা পরিজ্ঞাত পরিমাণেই সরবরাহ করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমন কোনো জিনিস নেই, আমাদের কাছে যার ভান্ডার রক্ষিত নেই। আমরা তা নাযিল করি জ্ঞাত নির্দিষ্ট পরিমাণে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি বৃষ্টি - গর্ভ বায়ু প্রেরণ করি, অতঃপর আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করি এবং উহা তোমাদেরকে পান করিতে দেই; আর তোমরা উহার ভাণ্ডার রক্ষক নও।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা বর্ষণমুখী মেঘবাহী বাতাস পাঠাই, তারপর আসমান থেকে নাযিল করি পানি এবং তা তোমাদের পান করাই, অথচ তোমরা তো সেই (পানি) ভান্ডারের মালিক নও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই এবং আমিই চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরাই হায়াত দেই এবং মউত ঘটাই এবং আমরাই ওয়ারিশ (মালিক)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের মধ্য হইতে পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে আমি তাহাদেরকে জানি এবং পরে যাহারা আসিবে তাহাদেরকেও জানি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের বিগতদের জানি এবং যারা আসবে তাদেরও জানি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকই উহাদেরকে সমবেত করিবেন; তিনি তো প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার প্রভু তাদের সবার হাশর করবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মানুষ সৃষ্টি করিয়াছি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্‌ঠনা মৃত্তিকা হইতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সৃষ্টি করেছি মানুষকে গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইহার পূর্বে সৃষ্টি করিয়াছি জিন অত্যুষ্ণ অগ্নি হইতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তাদের আগে আমরা জিনদের সৃষ্টি করেছি শিখাযুক্ত আগুন থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক ফিরিশ্‌তাগণকে বলিলেন, ‘আমি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্‌ঠনা মৃত্তিকা হইতে মানুষ সৃষ্টি করিতেছি;

আবদুস শহীদ নাসিম

(স্মরণ করো,) যখন তোমার প্রভু ফেরেশতাদের বলেছিলেন, আমি মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যখন আমি উহাকে সুঠাম করিব এবং উহাতে আমার পক্ষ হইতে রূহ্ সঞ্চার করিব তখন তোমরা উহার প্রতি সিজ্‌দাবনত হইও’,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি যখন তাকে সুগঠিত করবো এবং আমার পক্ষ থেকে তাতে রূহ সঞ্চার করে দেবো, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় নুয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ফিরিশ্‌তাগণ সকলেই একত্রে সিজ্‌দা করিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে ফেরেশতারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে সাজদা করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইবলীস ব্যতীত, সে সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইতে অস্বীকার করিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে করেনি শুধু ইবলিস। সে সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হতে অস্বীকার করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘হে ইব্‌লিস তোমার কি হইল যে, তুমি সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইলে না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘হে ইবলিস! তোর কী হয়েছে, তুই কেন সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত হইস্নি?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আপনি গন্ধযুক্ত কর্দমের শুষ্ক ঠন্‌ঠনা মৃত্তিকা হইতে যে মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন আমি তাহাকে সিজ্‌দা করিবার নহি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘আমি তো এমন একজনকে সাজদা করতে পারিনা, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত কাদার শুকনো ঠনঠনে মাটি থেকে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি বলিলেন, ‘তবে তুমি এখান হইতে বাহির হইয়া যাও, কারণ তুমি তো অভিশপ্ত;

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বললেন: ‘‘তুই ওখান থেকে বেরিয়ে যা, কারণ তুই অভিশপ্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং কর্মফল দিবস পর্যন্ত অবশ্যই তোমার প্রতি রহিল লা‘নত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিদান দিবস পর্যন্ত বর্ষিত হবে তোর উপর লা’নত।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে অবকাশ দিন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘প্রভু! আমাকে অবকাশ দিন পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি বলিলেন, ‘যাহাদেরকে অবকাশ দেওয়া হইয়াছে তুমি তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি বললেন: ‘‘যা, তুই তাদের অন্তরভুক্ত যাদের অবকাশ দেয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

অবধারিত সময়টির (কিয়ামত) আগমন পর্যন্ত।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আপনি যে আমাকে বিপথগামী করিলেন তজ্জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপকর্মকে অবশ্যই শোভন করিয়া তুলিব এবং আমি উহাদের সকলকেই বিপথগামী করিব,

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘প্রভু! যেহেতু আপনি আমাকে বিপথগামী করেছেন, সে জন্যে আমি পৃথিবীতে তাদের (মানুষের) জন্যে বিপথগামিতাকে চাকচিক্যময় করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে বিপথগামী করে ছাড়বো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তবে উহাদের মধ্যে আপনার নির্বাচিত বান্দাগণ ব্যতীত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে তাদের মধ্যকার আপনার মুখলেস বান্দাদের কথা ভিন্ন।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘ইহাই আমার নিকট পৌঁছিবার সরল পথ,

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সঠিক পথ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘বিভ্রান্তদের মধ্যে যাহারা তোমার অনুসরণ করিবে তাহারা ব্যতীত আমার বান্দাদের উপর তোমার কোনই ক্ষমতা থাকিবে না;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার দাসদের উপর তোর কোনো কর্তৃত্ব খাটবেনা, তবে বিভ্রান্তদের যারা তোর অনুসরণ করবে তাদের কথা ভিন্ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অবশ্যই জাহান্নাম তাহাদের সকলেরই প্রতিশ্রুত স্থান,

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তাদের সবার প্রতিশ্রুত স্থান হলো জাহান্নাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহার সাতটি দরজা আছে, প্রত্যেক দরজার জন্য পৃথক পৃথক শ্রেণী আছে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তার আছে সাতটি দরজা, প্রত্যেক দরজার জন্যে তাদের একটি অংশ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীরা থাকিবে জান্নাতে ও প্রস্রবণসমূহের মধ্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি মুত্তাকিরা থাকবে উদ্যানসমূহ এবং ঝরণাধারা সমূহের মধ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে উহাতে প্রবেশ কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বলা হবে: ‘দাখিল হও শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের অন্তর হইতে বিদ্বেষ দূর করিব; তাহারা ভ্রাতৃভাবে পরস্পর মুখোমুখি হইয়া আসনে অবস্থান করিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অন্তরে পরস্পরের জন্যে কোনো বিদ্বেষ থাকলে তা আমরা দূর করে দেবো, তারা পরস্পর মুখোমুখি হয়ে আসন গ্রহণ করবে ভাই ভাই হিসেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহাদেরকে অবসাদ স্পর্শ করিবে না এবং তাহারা সেই স্থান হইতে বহিষ্কৃতও হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তাদের স্পর্শ করবেনা কোনো অবসাদ এবং সেখান থেকে তাদের বের করেও দেয়া হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার বান্দাদেরকে বলিয়া দাও যে, আমি তো পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার দাসদের সংবাদ দাও, নিশ্চয়ই আমি মহাক্ষমাশীল, মহাদয়াময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমার শাস্তি - উহা অতি মর্মন্তুদ শাস্তি!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমার আযাব, তাও বেদনাদায়ক আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহাদেরকে বল, ইব্‌রাহীমের অতিথিদের কথা,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আরো সংবাদ দাও ইবরাহিমের মেহমানদের সম্পর্কে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’, তখন সে বলিয়াছিল, ‘আমরা তো তোমাদের আগমনে আতঙ্কিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন তার কাছে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘আমরা আপনাদের আগমনে আতংকিত।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘ভয় করিও না, আমরা তো তোমাকে এক জ্ঞানী পুত্রের শুভ সংবাদ দিতেছি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলেছিল: ‘আপনি আতংকিত হবেন না, আমরা আপনাকে সুসংবাদ দিচ্ছি এক জ্ঞানী পুত্রের।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা কি আমাকে শুভ সংবাদ দিতেছ আমি বার্ধক্যগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও? তোমরা কী বিষয়ে শুভ সংবাদ দিতেছ?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘আপনারা আমাকে সুসংবাদ দিচ্ছেন আমি বার্ধক্যে উপনীত হওয়া সত্ত্বেও। আপনারা কীভাবে সুসংবাদ দিচ্ছেন?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা তোমাকে সত্য সংবাদ দিতেছি; সুতরাং তুমি হতাশ হইও না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলেছিল: ‘আমাদের দেয়া সুসংবাদ সত্য। আপনি নিরাশ হবেন না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘যাহারা পথভ্রষ্ট তাহারা ব্যতীত আর কে তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ হইতে হতাশ হয়?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বলেছিল: ‘বিভ্রান্তরা ছাড়া কে নিরাশ হয় তার প্রভুর রহমত থেকে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে ফিরিশ্‌তাগণ! তোমাদের আর বিশেষ কি কাজ আছে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে বললো: ‘(হে ফেরেশতারা!) আপনাদের আর কী বক্তব্য?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রেরণ করা হইয়াছে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘আমরা প্রেরিত হয়েছি এক অপরাধী কওমের প্রতি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তবে লূতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা অবশ্যই ইহাদের সকলকে রক্ষা করিব,

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে, লুতের পরিবারবর্গের বিরুদ্ধে নয়, আমরা তাদের সবাইকে নাজাত দেবো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘কিন্তু তাহার স্ত্রীকে নহে; আমরা স্থির করিয়াছি যে, সে অবশ্যই পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তাঁর (লুতের) স্ত্রীকে নয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি, সে ধবংস হবার জন্যে পেছনে পড়ে থাকাদের অন্তরভুক্ত হবে।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাগণ যখন লূত - পরিবারের নিকট আসিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

অত:পর ফেরেশতারা যখন লুত পরিবারে এসে উপস্থিত হলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন লূত বলিল, ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (লুত) বললো: ‘আপনাদের তো চিনতে পারছিনা?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিল, ‘না, উহারা যে বিষয়ে সন্দিগ্ধ ছিল আমরা তোমার নিকট তাহাই লইয়া আসিয়াছি;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘তারা (আপনার জাতি) যে বিষয়ে সন্দেহ করছে আমরা আপনার কাছে তাই নিয়ে এসেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তোমার নিকট সত্য সংবাদ লইয়া আসিয়াছি এবং অবশ্যই আমরা সত্যবাদী;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সত্য সংবাদ নিয়ে এসেছি এবং অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তুমি রাত্রির কোন এক সময়ে তোমার পরিবারবর্গসহ বাহির হইয়া পড় এবং তুমি তাহাদের পশ্চাদনুসরণ কর এবং তোমাদের মধ্যে কেহ যেন পিছন দিকে না তাকায়; তোমাদেরকে যেখানে যাইতে বলা হইতেছে তোমরা সেখানে চলিয়া যাও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং আপনি রাতের কোনো এক সময় আপনার পরিবার - পরিজনকে নিয়ে বের হয়ে পড়ুন। আপনি তাদের পেছনে চলুন এবং আপনাদের কেউই যেনো পেছনে ফিরে না তাকায়। আপনাদেরকে যেখানে বলা হয়েছে সেখানে চলে যান।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাকে এই বিষয়ে ফায়সালা জানাইয়া দিলাম যে, প্রত্যূষে উহাদেরকে সমূলে বিনাশ করা হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাকে ফায়সালা জানিয়ে দিলাম যে, প্রভাতেই তাদের শিকড় কেটে দেয়া হবে (সমূলে বিনাশ করা হবে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নগরবাসিগন উল্লসিত হইয়া উপস্থিত হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

নগরবাসীরা (মেহমান আগমনের সংবাদে) উল্লসিত হয়ে (লুতের বাড়িতে) এসে উপস্থিত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘উহারা আমার অতিথি; সুতরাং তোমরা আমাকে বেইয্‌যত করিও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘‘এরা আমার মেহমান, তোমরা আমাকে বেইজ্জতি করোনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা ‌কে ভয় কর ও আমাকে হেয় করিও না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আমাকে অপমানিত করোনা।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা কি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করি নাই?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: আমরা কি জগতবাসীকে আশ্রয় দিতে তোমাকে নিষেধ করিনি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত বলিল, ‘একান্তই যদি তোমরা কিছু করিতে চাও তবে আমার এই কন্যাগণ রহিয়াছে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

লুত বললো: এই যে আমার (জাতির) কন্যারা রয়েছে, তোমরা কিছু করতে চাইলে তাদের বিয়ে করে নাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার জীবনের শপথ, উহারা তো মত্ততায় বিমূঢ় হইয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার জীবনের শপথ, তারা তখন উন্মত্ততায় উদ্ভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সূর্যোদয়ের সময়ে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল;

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সূর্যোদয়ের সময় তাদের পাকড়াও করে বিকটধ্বনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি জনপদকে উল্টাইয়া উপর নীচ করিয়া দিলাম এবং উহাদের উপর প্রস্তর - কংকর বর্ষণ করিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা (লুত জাতির) জনপদের উপরের দিক নিচে করে উল্টে দিয়েছি এবং তাদের উপর অবিরাম বর্ষণ করেছি পাথরের কংকর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহাতে নিদর্শন রহিয়াছে পর্যবেক্ষণ - শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

বিশ্লেষণ শক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা তো লোক চলাচলের পথিপার্শ্বে এখনও বিদ্যমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই বিরান জনপদ লোক চলাচলের পথপাশে এখনো বিদ্যমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহাতে মু’মিনদের জন্য রহিয়াছে নিদর্শন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের জন্যে তাতে রয়েছে এক নিদর্শন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ‘আয়কা’বাসীরাও তো ছিল সীমালংঘনকারী,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আইকাবাসীরাও ছিলো সীমালংঘনকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি উহাদেরকে শাস্তি দিয়াছি, অবশ্য উভয়টিই প্রকাশ্য পথিপার্শ্বে অবস্থিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের থেকেও আমরা প্রতিশোধ নিয়েছি। উভয় বিরানভূমিই প্রকাশ্য মহাসড়কের পাশে এখনো বিদ্যমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হিজরবাসিগণও রাসূলদের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল;

আবদুস শহীদ নাসিম

হিজরবাসীরাও রসূলদের মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে আমার নিদর্শন দিয়াছিলাম, কিন্তু উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের দিয়েছিলাম আমাদের নিদর্শনসমূহ, কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিত নিরাপদ বাসের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পাহাড় কেটে বাসস্থান নির্মাণ করেছিল নিরাপদ থাকার জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর প্রভাতকালে মহানাদ উহাদেরকে আঘাত করিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকেও প্রভাতকালেই আঘাত করেছিল এক মহাবিকট শব্দ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং উহারা যাহা অর্জন করিত তাহা উহাদের কোন কাজে আসে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অর্জনসমূহ তাদের কোনো উপকারই করতে পারেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি অযথা সৃষ্টি করি নাই এবং কিয়ামত অবশ্যম্ভাবী। সুতরাং তুমি পরম সৌজন্যের সঙ্গে উহাদেরকে ক্ষমা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ আর পৃথিবী এবং এই দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আমরা সৃষ্টি করেছি বাস্তবতার ভিত্তিতে। কিয়ামত অবশ্যি আসবে। তাই তুমি সুন্দর সৌজন্যবোধের সাথে তাদের উপেক্ষা করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার রব মহাস্রষ্টা, অতীব জ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমাকে দিয়াছি সাত আয়াত যাহা পুনঃ পুনঃ আবৃত্ত হয় এবং দিয়াছি মহান কুরআন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাকে দিয়েছি পুন: পুন: আবৃত্ত সাত (আয়াত) এবং মহাগ্রন্থ আল - কুরআন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ - বিলাসের যে উপকরণ দিয়াছি, তাহার প্রতি তুমি কখনও তোমার চক্ষুদ্বয় প্রসারিত করিও না। তাহাদের জন্য তুমি দুঃখ করিও না; তুমি মু’মিনদের জন্য তোমার পক্ষপুট অবনমিত কর,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের বিভিন্ন শ্রেণীকে ভোগ বিলাসের যেসব উপকরণ দিয়েছি, সেগুলোর প্রতি তুমি কখনো তোমার দুই চোখ মেলে তাকিয়োনা। তাদের জন্যে তুমি দুঃখও করোনা। তুমি মুমিনদের জন্যে তোমার দুই ডানা অবনমিত করে দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বল, ‘আমি তো কেবল এক প্রকাশ্য সতর্ককারী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেভাবে আমি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম বিভক্তকারীদের উপর;

আবদুস শহীদ নাসিম

(এটা ঠিক সেরকম) যেভাবে আমরা নাযিল করেছিলাম সেইসব বিভক্তকারীদের (ইহুদি ও খৃস্টানদের) উপর,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা কুরআনকে বিভিন্নভাবে বিভক্ত করিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের কুরআনকে (তাওরাতকে) বিভিন্নভাবে বিভক্ত করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং শপথ তোমার প্রতিপালকের! আমি উহাদের সকলকে প্রশ্ন করিবই,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর শপথ! আমরা অবশ্যি তাদের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই বিষয়ে, যাহা উহারা করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কর্মকান্ডের বিষয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি যে বিষয়ে আদিষ্ট হইয়াছ তাহা প্রকাশ্যে প্রচার কর এবং মুশরিকদেরকে উপেক্ষা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাকে যার আদেশ করা হয়েছে তা প্রকাশ্যে প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই যথেষ্ট তোমার জন্য বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে,

আবদুস শহীদ নাসিম

বিদ্রূপকারীদের বিরুদ্ধে তোমার জন্যে আমরাই কাফী (যথেষ্ট),

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র সঙ্গে অপর ইলাহ্‌ নির্ধারণ করিয়াছে। সুতরাং শীঘ্রই ইহারা জানিতে পারিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহর সাথে অপর ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছে। অচিরেই তারা জানতে পারবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো জানি, উহারা যাহা বলে তাহাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয়;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জানি, তাদের কথায় তোমার মন সংকুচিত হয়ে আসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর এবং তুমি সিজ্‌দাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও;

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি তোমার প্রভুর প্রশংসার সাথে তসবিহ করো এবং তুমি সাজদাকারীদের অন্তরভুক্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ‘ইবাদত কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমার প্রভুর ইবাদত করো যতোক্ষণ না তোমার কাছে আসে নিশ্চিত জিনিসটি (মৃত্যু)।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme