Kitab

আল যারিয়াত

Chapter 51, 60 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ ধূলিঝঞ্ঝার,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ অণু ঝড়ের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বোঝা বহনকারী মেঘপুঞ্জের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ভারি পানি বহনকারী মেঘমালার,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ স্বচ্ছন্দগতি নৌযানের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সহজ গতির নৌযানের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ কর্ম বণ্টনকারী ফিরিশ্‌তাগণের -

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ কাজ বণ্টনকারী (ফেরেশতা)দের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্য অবশ্যি সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিফল দিবস অবশ্যি সংঘটিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বহু পথবিশিষ্ট আকাশের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ অনেক পথ বিশিষ্ট আসমানের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো পরস্পর বিরোধী কথায় লিপ্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমরা লিপ্ত (আল্লাহর রসূল ও কুরআন সম্পর্কে) পরস্পর বিরোধী কথাবার্তায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি সত্যভ্রষ্ট সে - ই উহা পরিত্যাগ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তা থেকে (কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয় তো ঐ ব্যক্তি যে সত্যভ্রষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অভিশপ্ত হউক মিথ্যাচারীরা,

আবদুস শহীদ নাসিম

মিথ্যাবাদীরা মারা পড়েছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা অজ্ঞ ও উদাসীন!

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা নিমজ্জিত অজ্ঞতা আর উদাসীনতায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা জিজ্ঞাসা করে, ‘কর্মফল দিবস কবে হইবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, কবে আসবে প্রতিদান দিবস?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘সেই দিন যখন উহাদেরকে শাস্তি দেওয়া হইবে অগ্নিতে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন আসবে প্রতিদান দিবস, যেদিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে জাহান্নামে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছিলে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আস্বাদন করো তোমাদের শাস্তি। এই আযাবই তোমরা দ্রুত চেয়েছিলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ - বিশিষ্ট জান্নাতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাতে আর ঝরণা ধারায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উপভোগ করিবে তাহা যাহা তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে দিবেন; কারণ পার্থিব জীবনে তাহারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে উপভোগ করবে তাদের প্রভুর দেয়া নিয়ামতরাজি। কারণ ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তারা ছিলো কল্যাণপরায়ণ পুণ্যবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা রাত্রির সামান্য অংশই অতিবাহিত করিত নিদ্রায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা রাতের সামান্য অংশই ব্যয় করতো নিদ্রায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাত্রির শেষ প্রহরে তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিত,

আবদুস শহীদ নাসিম

শেষ রাতে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করতো,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের ধন - সম্পদে রহিয়াছে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতের হক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অর্থ - সম্পদে ছিলো অধিকার সাহায্যপ্রার্থী এবং বঞ্চিতদের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রহিয়াছে ধরিত্রীতে

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীতেই রয়েছে নিদর্শন বিশ্বাসীদের জন্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমাদের মধ্যেও। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও। তোমরা কি ভেবে দেখবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশে রহিয়াছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুতি সমস্ত কিছু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের জীবিকা রয়েছে আসমানে এবং তোমাদের যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে সেগুলোও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিপালকের শপথ! অবশ্যই তোমাদের বাক্‌স্ফূর্তির মতই এই সকল সত্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আকাশ ও পৃথিবীর প্রভুর শপথ, তোমাদের পারস্পরিক কথাবার্তার মতোই এ (কুরআন) এক মহাসত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট ইব্‌রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত আসিয়াছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি এসেছে ইবরাহিমের সম্মানিত মেহমানদের ঘটনা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহারা তাহার নিকট উপস্থিত হইয়া বলিল, ‘সালাম’। উত্তরে সে বলিল,‘সালাম’। ইহারা তো অপরিচিত লোক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখন তার ঘরে প্রবেশ করেছিল, বলেছিল: ‘সালাম।’ জবাবে সেও বলেছিল: ‘সালাম।’ সে আরো বলেছিল: আপনারা তো অপরিচিত লোক!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইব্‌রাহীম তাহার স্ত্রীর নিকট গেল এবং একটি মাংসল গো - বৎস ভাজা লইয়া আসিল

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে তার পরিবারের (স্ত্রীর) কাছে ছুটে গেলো এবং একটি মাংসল গো - ভুনা করে নিয়ে এলো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও তাহাদের সামনে রাখিল এবং বলিল, ‘তোমরা খাইতেছ না কেন?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি তাদের কাছে রাখলো। তারপর বললো: ‘আপনারা খাচ্ছেন না যে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে উহাদের সম্পর্কে তাহার মনে ভীতির সঞ্চার হইল। উহারা বলিল, ‘ভীত হইও না।’ অতঃপর উহারা তাহাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতে করে তাদের ব্যাপারে তার মনে ভয়ের সঞ্চার হয়। তখন তারা বললো: ‘আপনি ভয় পাবেন না।’ তারা তাকে সুসংবাদ দিলো এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন তাহার স্ত্রী চিৎকার করিতে করিতে সম্মুখে আসিল এবং গাল চাপড়াইয়া বলিল, ‘এই বৃদ্ধ - বন্ধ্যার সন্তান হইবে!’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তার স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এগিয়ে এলো এবং গাল চাপড়িয়ে বললো: ‘এই বৃদ্ধার সন্তান হবে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলিল, ‘তোমার প্রতিপালক এইরূপই বলিয়াছেন ; তিনিই প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘আপনার প্রভু একথাই বলেছেন, তিনি প্রজ্ঞাবান সর্বজ্ঞানী।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম বলিল, ‘হে ফিরিশ্‌তাগণ! তোমাদের বিশেষ কাজ কী?’

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম বললো: ‘হে প্রেরিত ফেরেশতারা! আপনারা বিশেষ কী দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমাদেরকে এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরণ করা হইয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘‘আমাদের পাঠানো হয়েছে অপরাধী (লুত) সম্প্রদায়ের প্রতি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহাদের উপর নিক্ষেপ করিবার জন্য মাটির শক্ত ঢেলা,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপর পোড়া মাটির ঢিল নিক্ষেপ করার জন্যে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহা সীমালংঘনকারীদের জন্য চিহ্নিত তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলো সীমালংঘনকারীদের জন্যে চিহ্নিত আপনার প্রভুর পক্ষ থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে যেসব ছিল আমি তাহাদেরকে উদ্ধার করিয়াছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে যারা ছিলো তাদেরকে আমরা বের করে এনেছিলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সেখানে আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোন আত্মসর্মপণকারী পাই নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সেখানে আমরা একটির বেশি মুসলিম পরিবার পাইনি।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে, তাদের জন্যে আমরা সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আওনের নিকট প্রেরণ করিয়া - ছিলাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিদর্শন রেখেছি আমরা মূসার ঘটনাতেও, যখন আমরা তাকে পাঠিয়েছিলাম ফেরাউনের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন সে ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরাইয়া লইল এবং বলিল, ‘এই ব্যক্তি হয় এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে (ফেরাউন) ক্ষমতার দম্ভে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিল: ‘এতো একজন ম্যাজেসিয়ান, কিংবা পাগল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং আমি তাহাকে ও তাহার দলবলকে শাস্তি দিলাম এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম, সে তো ছিল তিরস্কারযোগ্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা পাকড়াও করেছিলাম তাকে এবং তার বাহিনীকে এবং তাদের নিক্ষেপ করেছিলাম সমুদ্রে। সে এক তিরস্কারযোগ্য ব্যক্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং নিদর্শন রহিয়াছে ‘আদের ঘটনায়, যখন আমি তাহাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলাম অকল্যাণকর বায়ু ;

আবদুস শহীদ নাসিম

নিদর্শন রয়েছে আদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও। আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম এক বন্ধ্যা ঝড়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা যাহা কিছুর উপর দিয়া বহিয়া গিয়াছিল তাহাকেই চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিয়াছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তা যা কিছুর উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল, সবই ধূলিস্যাত করে দিয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও নিদর্শন রহিয়াছে সামূদের বৃত্তান্তে, যখন তাহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘ভোগ করিয়া নাও স্বল্পকাল।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ সম্প্রদায়ের ঘটনাতেও রয়েছে নিদর্শন। তাদের বলা হয়েছিল: ‘সামান্য ক’দিন ভোগ করে নাও।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা উহাদের প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করিল ; ফলে উহাদের প্রতি বজ্রাঘাত হইল এবং উহারা উহা দেখিতেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা অমান্য করে তাদের প্রভুর নির্দেশ। ফলে তাদের পাকড়াও করে প্রচন্ড বজ্রাঘাত এবং তারা তা দেখছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উঠিয়া দাঁড়াইতে পারিল না এবং উহা প্রতিরোধ করিতেও পারিল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা উঠেও দাঁড়াতে পারেনি এবং প্রতিরোধও করতে পারেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছিলাম ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, ইহারা তো ছিল সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আরো আগে আমরা ধ্বংস করে দিয়েছিলাম নূহের জাতিকেও। তারা ছিলো এক ফাসিক (সীমালংঘনকারী সত্যত্যাগী) জাতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা - সম্প্রসারণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আকাশ বানিয়েছি শক্ত হাতে এবং নিশ্চয়ই আমরা এর বিস্তৃতি সম্প্রসারণ করতে সক্ষম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ভূমি, আমি উহাকে বিছাইয়া দিয়াছি, আমি কত সুন্দর প্রসারণকারী!

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবীকে আমরা বিছিয়ে দিয়েছি, কতো যে উত্তম প্রসারণকারী আমরা!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর প্রত্যেক বস্তু আমি সৃষ্টি করিয়াছি জোড়ায় জোড়ায়, যাহাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিটি বস্ত্তকে আমরা সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা ‌র দিকে ধাবিত হও, আমি তো তোমাদের প্রতি ‌ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব তোমরা দৌড়াও আল্লাহর দিকে, আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ‌র সঙ্গে কোন ইলাহ্ স্থির করিও না; আমি তোমাদের প্রতি ‌ - প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহর সাথে অপর কোনো ইলাহ্ সাব্যস্ত করোনা। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে তাদের আগেকার লোকদের কাছেও যখনই কোনো রসূল এসেছিল, তারা তাকে বলেছিল: ‘তুমি একজন ম্যাজেসিয়ান কিংবা পাগল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি একে অপরকে এই যন্ত্রণাই দিয়া আসিয়াছে? বস্তুত উহারা সীমা - লংঘনকারী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি একে অপরকে (ধারাবাহিকভাবে) এই অসিয়তই করে আসছে? আসলে তারা একটি সীমালংঘনকারী কওম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি উহাদেরকে উপেক্ষা কর, ইহাতে তুমি অভিযুক্ত হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তুমি তাদের উপেক্ষা করো। এর জন্যে তুমি তিরস্কৃত হবেনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মু’মিনদেরই উপকারে আসে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি উপদেশ দিতে থাকো। কারণ, উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সৃষ্টি করিয়াছি জিন এবং মানুষকে এইজন্য যে, তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জিন এবং ইনসানকে এজন্যেই সৃষ্টি করেছি যে, তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদের নিকট হইতে জীবিকা চাহি না এবং ইহাও চাহি না যে, উহারা আমার আহার্য যোগাইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি তো তাদের কাছে রিযিক চাইনা এবং এটাও চাইনা যে, তারা আমাকে খাবার খাওয়াবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই তো রিযিক দান করেন এবং তিনি প্রবল, পরাক্রান্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই রাজজাক (রিযিক সরবরাহকারী) তো হলেন এবং তিনি মহাশক্তিধর, প্রবল পরাক্রান্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জালিমদের প্রাপ্য তাহাই যাহা অতীতে উহাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করিয়াছে। সুতরাং উহারা ইহার জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের ভাগ্যে তাই রয়েছে, অতীতে তাদের সমমতের লোকেরা যা ভোগ করেছিল। ফলে তারা যেনো তাড়াহুড়া না করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিরদের জন্য দুর্ভোগ তাহাদের সেই দিনের, যেই দিনের বিষয়ে উহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিরদের জন্যে রয়েছে সেই দিনের দুর্ভোগ, যার ওয়াদা তাদের দেয়া হয়েছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme