Kitab

আল শো’আরা

Chapter 26, 227 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তা - সীন - মীম।

মুহিউদ্দীন খান

ত্বা, সীন, মীম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ত্ব-সীন-মীম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইগুলি সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

মুহিউদ্দীন খান

এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা হইতেছে না বলিয়া তুমি হয়ত মনোকষ্টে আত্মবিনাশী হইয়া পড়িবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বিশ্বাস করে না বলে আপনি হয়তো মর্মব্যথায় আত্নঘাতী হবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা হবে না বলে হয়ত তুমি আত্মবিনাশী হয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে আকাশ হইতে উহাদের নিকট এক নিদর্শন প্রেরণ করিতাম, ফলে উহাদের গ্রীবা বিনত হইয়া পড়িত উহার প্রতি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যদি ইচ্ছা করি, তবে আকাশ থেকে তাদের কাছে কোন নিদর্শন নাযিল করতে পারি। অতঃপর তারা এর সামনে নত হয়ে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করলে আসমান থেকে তাদের উপর এমন নিদর্শন অবতীর্ণ করতাম ফলে তার প্রতি তাদের ঘাড়গুলো নত হয়ে যেত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখনই উহাদের কাছে দয়াময়ের নিকট হইতে কোন নূতন উপদেশ আসে, তখনই উহারা উহা হইতে মুখ ফিরাইয়া নেয়।

মুহিউদ্দীন খান

যখনই তাদের কাছে রহমান এর কোন নতুন উপদেশ আসে, তখনই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখনই তাদের কাছে পরম করুণাময়ের পক্ষ থেকে কোন নতুন উপদেশ আসে তখনই তারা তা থেকে বিমুখ হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তো অস্বীকার করিয়াছে। সুতরাং উহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রপ করিত তাহার প্রকৃত বার্তা তাহাদের নিকট শীঘ্রই আসিয়া পড়িবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব তারা তো মিথ্যারোপ করেছেই; সুতরাং যে বিষয় নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রুপ করত, তার যথার্থ স্বরূপ শীঘ্রই তাদের কাছে পৌছবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব অবশ্যই তারা অস্বীকার করেছে। কাজেই তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত, তার সংবাদ অচিরেই তাদের কাছে এসে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি যমীনের দিকে লক্ষ্য করে না? আমি উহাতে প্রত্যেক প্রকারের কত উৎকৃষ্ট উদ্ভিদ উদ্‌গত করিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি ভুপৃষ্ঠের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না? আমি তাতে সর্বপ্রকার বিশেষ - বস্তু কত উদগত করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি যমীনের প্রতি লক্ষ করেনি? আমি তাতে প্রত্যেক প্রকারের বহু উৎকৃষ্ট উদ্ভিদ উদগত করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় ইহাতে আছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে আছে নিদর্শন, আর তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা তো পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যখন তোমার প্রতিপালক মূসাকে ডাকিয়া বলিলেন, ‘তুমি সম্প্রদায়ের নিকট যাও,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আপনার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেনঃ তুমি পাপিষ্ঠ সম্প্রদায়ের নিকট যাও;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর স্মরণ কর, যখন তোমার রব মূসাকে ডেকে বললেন, ‘তুমি যালিম সম্প্রদায়ের কাছে যাও’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আওনের সম্প্রদায়ের নিকট; উহারা কি ভয় করে না?’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি ভয় করে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আউনের সম্প্রদায়ের কাছে। তারা কি ভয় করবে না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন সে বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমি আশংকা করি যে, উহারা আমাকে অস্বীকার করিবে,

মুহিউদ্দীন খান

সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে দেবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘হে আমার রব, আমি অবশ্যই আশঙ্কা করছি যে, তারা আমাকে অস্বীকার করবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমার হৃদয় সংকুচিত হইয়া পড়িতেছে, আর আমার জিহ্বা তো সাবলীল নাই ! সুতরাং হারূনের প্রতিও প্রত্যাদেশ পাঠাও।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার মন হতবল হয়ে পড়ে এবং আমার জিহবা অচল হয়ে যায়। সুতরাং হারুনের কাছে বার্তা প্রেরণ করুন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমার বক্ষ সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। আমার জিহবা চলছে না। সুতরাং আপনি হারুনের প্রতি ওহী পাঠান’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার বিরুদ্ধে তো উহাদের এক অভিযোগ আছে, আমি আশংকা করি উহারা আমাকে হত্যা করিবে।’

মুহিউদ্দীন খান

আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ আছে। অতএব আমি আশংকা করি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমার বিরুদ্ধে তাদের কাছে একটি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ফলে আমি আশঙ্কা করছি যে, তারা আমাকে হত্যা করে ফেলবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘না, কখনই নহে, অতএব তোমরা উভয়ে আমার নিদর্শনসহ যাও, আমি তো তোমাদের সঙ্গে আছি, শ্রবণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

বলেন, কখনই নয় তোমরা উভয়ে যাও আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে। আমি তোমাদের সাথে থেকে শোনব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বললেন, ‘কখনো নয়। তোমরা উভয়ে আমার নিদর্শনাদিসহ যাও। অবশ্যই আমি আছি তোমাদের সাথে শ্রবণকারী’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতএব তোমরা উভয়ে ফির‘আওনের নিকট যাও এবং বল, ‘আমরা তো জগতসমূহের প্রতিপালকের রাসূল,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব তোমরা ফেরআউনের কাছে যাও এবং বল, আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার রসূল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তোমরা উভয়ে ফির‘আউনের কাছে গিয়ে বল, নিশ্চয় আমরা বিশ্বজগতের রবের রাসূল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদের সঙ্গে যাইতে দাও বনী ইসরাঈলকে।’

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তুমি বনী - ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যাতে তুমি বনী ইসরাঈলকে আমাদের সাথে পাঠাও’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদের মধ্যে লালন - পালন করি নাই? আর তুমি তো তোমার জীবনের বহু বৎসর আমাদের মধ্যে কাটাইয়াছ,

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন - পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘আমরা কি তোমাকে শৈশবে আমাদের মাঝে লালন পালন করিনি? আর তুমি তোমার জীবনের অনেক বছর আমাদের মধ্যে অবস্থান করেছ’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তুমি তোমার কর্ম যাহা করিবার তাহা তো করিয়াছ ; তুমি অকৃতজ্ঞ।’

মুহিউদ্দীন খান

তুমি সেই - তোমরা অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতঘ্ন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তুমি তোমার কর্ম যা করার তা করেছ এবং তুমি অকৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘আমি তো ইহা করিয়াছিলাম তখন, যখন ছিলাম অনবধান।

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, আমি সে অপরাধ তখন করেছি, যখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘আমি এটি তখন করেছিলাম, যখন আমি ছিলাম বিভ্রান্ত’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর আমি যখন তোমাদের ভয়ে ভীত হইলাম তখন আমি তোমাদের নিকট হইতে পলাইয়া গিয়াছিলাম। তৎপর আমার প্রতিপালক আমাকে জ্ঞান দান করিয়াছেন এবং আমাকে রাসূল করিয়াছেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করলাম। এরপর আমার পালনকর্তা আমাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং আমাকে পয়গম্বর করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর যখন আমি তোমাদেরকে ভয় করলাম, তখন আমি তোমাদের থেকে পালিয়ে গেলাম। তারপর আমার রব আমাকে প্রজ্ঞা দান করলেন এবং আমাকে রাসূলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা উল্লেখ করিতেছ, তাহা তো এই যে, তুমি বনী ইসরাঈলকে দাসে পরিণত করিয়াছ।’

মুহিউদ্দীন খান

আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, তা এই যে, তুমি বনী - ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর এই তো সে অনুগ্রহ যার খোঁটা তুমি আমাকে দিচ্ছ যে, তুমি বনী ইসরাঈলকে দাস বানিয়ে রেখেছ’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘জগতসমূহের প্রতিপালক আবার কী?’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘সৃষ্টিকুলের রব কে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘তিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক, যদি তোমরা নিশ্চিত হও।’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘আসমানসমূহ ও যমীন এবং এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, যদি তোমরা নিশ্চিত হয়ে থাক।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন তাহার পারিষদবর্গকে লক্ষ্য করিয়া বলিল, ‘তোমরা শুনিতেছ তো !’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, তোমরা কি শুনছ না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন তার আশেপাশে যারা ছিল তাদেরকে বলল, ‘তোমরা কি মনোযোগসহ শুনছ না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘তিনি তোমাদের প্রতিপালক এবং তোমাদের পূর্বপুরুষগণেরও প্রতিপালক।’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘তিনি তোমাদের রব এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদেরও রব’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রাসূল তো নিশ্চয়ই পাগল।’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘তোমাদের কাছে প্রেরিত তোমাদের এই রাসূল নিশ্চয়ই পাগল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘তিনি পূর্ব ও পশ্চিমের এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর প্রতিপালক; যদি তোমরা বুঝিতে !’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, যদি তোমরা বোঝ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘তিনি পূর্ব ও পশ্চিম এবং এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, যদি তোমরা বুঝে থাক’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে ইলাহ্‌রূপে গ্রহণ কর আমি তোমাকে অবশ্যই কারারুদ্ধ করিব।’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘যদি তুমি আমাকে ছাড়া কাউকে ইলাহরূপে গ্রহণ কর, তাহলে অবশ্যই আমি তোমাকে কয়েদীদের অন্তর্ভুক্ত করব’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘আমি যদি তোমার নিকট কোন স্পষ্ট নিদর্শন আনয়ন করি, তবুও?’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, আমি তোমার কাছে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে আগমন করলেও কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘যদি আমি তোমার কাছে স্পষ্ট কোন বিষয় নিয়ে আসি, তবুও’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে উহা উপস্থিত কর।’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকলে তা নিয়ে এসো’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাহার লাঠি নিক্ষেপ করিলে তৎক্ষণাৎ উহা এক সাক্ষাৎ অজগর হইল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সুস্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তার লাঠি ফেলে দিল, ফলে তৎক্ষণাৎ তা একটি স্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং মূসা হাত বাহির করিল আর তৎক্ষণাৎ উহা দর্শকদের দৃষ্টিতে শুভ্র উজ্জ্বল প্রতিভাত হইল।

মুহিউদ্দীন খান

আর তিনি তার হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে সুশুভ্র প্রতিভাত হলো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সে তার হাত বের করল, ফলে তা তৎক্ষণাৎ দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল-সাদা হয়ে দেখা দিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন তাহার পারিষদবর্গকে বলিল, ‘এ তো এক সুদক্ষ জাদুকর !

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, নিশ্চয় এ একজন সুদক্ষ জাদুকর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন তার আশপাশের পারিষদদের উদ্দেশ্যে বলল, ‘এ তো এক বিজ্ঞ যাদুকর।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এ তোমাদেরকে তোমাদের দেশ হইতে তাহার জাদুবলে বহিষ্কার করিতে চায়। এখন তোমরা কী করিতে বল?’

মুহিউদ্দীন খান

সে তার জাদু বলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। অতএব তোমাদের মত কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সে তোমাদেরকে তার যাদুর মাধ্যমে তোমাদের দেশ থেকে বের করতে চায়। অতএব, তোমরা আমাকে কী পরামর্শ দাও?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তাহাকে ও তাহার ভ্রাতাকে কিছু অবকাশ দাও এবং নগরে নগরে সংগ্রাহকদেরকে পাঠাও,

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তাকে ও তার ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তাকে ও তার ভাইকে কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দাও, আর সংগ্রহকারীদেরকে নগরে-নগরে পাঠিয়ে দাও।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যেন তাহারা তোমার নিকট প্রতিটি অভিজ্ঞ জাদুকর উপস্থিত করে।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকর কে উপস্থিত করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তারা তোমার নিকট প্রত্যেক বিজ্ঞ যাদুকরকে নিয়ে আসুক’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর এক নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময়ে জাদুকরদেরকে একত্র করা হইল,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে যাদুকরদের একত্র করা হল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং লোকদেরকে বলা হইল, ‘তোমরাও সমবেত হইতেছ কি?

মুহিউদ্দীন খান

এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর লোকদের বলা হল, ‘তোমরা কি সমবেত হবে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেন আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করিতে পারি, যদি উহারা বিজয়ী হয়।’

মুহিউদ্দীন খান

যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি - যদি তারাই বিজয়ী হয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যাতে আমরা যাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি, যদি তারা বিজয়ী হয়’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর জাদুকরেরা আসিয়া ফিরা‘আওনকে বলিল, ‘আমরা যদি বিজয়ী হই আমাদের জন্য পুরস্কার থাকিবে তো?

মুহিউদ্দীন খান

যখন যাদুকররা আগমণ করল, তখন ফেরআউনকে বলল, যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন যাদুকররা আসল,তারা ফির‘আউনকে বলল,‘যদি আমরাই বিজয়ী হই, তবে আমাদের জন্য কি সত্যিই পুরস্কার আছে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরা‘আওন বলিল, ‘হ্যাঁ, তখন তোমরা অবশ্যই আমার ঘনিষ্ঠদের শামিল হইবে।’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘হ্যাঁ এবং নিশ্চয় তোমরা তখন আমার ঘনিষ্টজনদের অন্তর্ভুক্ত হবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা উহাদেরকে বলিল, ‘তোমাদের যাহা নিক্ষেপ করিবার তাহা নিক্ষেপ কর।’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেন, নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা তাদের বলল, ‘তোমরা যা নিক্ষেপ করার তা নিক্ষেপ কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা উহাদের রজ্জু ও লাঠি নিক্ষেপ করিল এবং উহারা বলিল, ‘ফির‘আওনের ইয্‌যতের শপথ! আমরাই বিজয়ী হইব।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ‘ফির‘আউনের মর্যাদার কসম! অবশ্যই আমরা বিজয়ী হব।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা তাহার লাঠি নিক্ষেপ করিল, সহসা উহা উহাদের অলীক সৃষ্টিগুলিকে গ্রাস করিতে লাগিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করল, হঠাৎ তা তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর মূসা তার লাঠি ফেলল, ফলে তৎক্ষণাৎ তা তাদের মিথ্যা প্রদর্শনীগুলো গ্রাস করে ফেলল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন জাদুকরেরা সিজ্‌দাবনত হইয়া পড়িল।

মুহিউদ্দীন খান

তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে যাদুকররা সিজদাবনত হয়ে পড়ল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিল, ‘আমরা ঈমান আনয়ন করিলাম জগতসমূহের প্রতিপালকের প্রতি -

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, আমরা রাব্বুল আলামীনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা ঈমান আনলাম সকল সৃষ্টির রবের প্রতি’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যিনি মূসা ও হারূনেরও প্রতিপালক।’

মুহিউদ্দীন খান

যিনি মূসা ও হারুনের রব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘মূসা ও হারুনের রব’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘কী ! আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেওয়ার পূর্বেই তোমরা উহাতে বিশ্বাস করিলে? সে - ই তো তোমাদের প্রধান যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়াছে। শীঘ্রই তোমরা ইহার পরিণাম জানিবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত এবং তোমাদের পা বিপরীত দিক হইতে কর্তন করিব এবং তোমাদের সকলকে শূলবিদ্ধ করিবই।’

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে? নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফির‘আউন বলল, ‘আমি তোমাদেরকে অনুমতি দেয়ার পূর্বেই তোমরা তার প্রতি ঈমান আনলে? নিশ্চয় সে তোমাদের গুরু যে তোমাদের যাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব অচিরেই তোমরা জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাতসমূহ ও তোমাদের পাসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে ফেলব এবং অবশ্যই তোমাদের সকলকে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘কোন ক্ষতি নাই, আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকটই প্রত্যাবর্তন করিব।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘কোন ক্ষতি নেই তাতে। অবশ্যই আমরা তো আমাদের রবের দিকেই ফিরে যাব।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তো আশা করি, আমাদের প্রতিপালক আমাদের অপরাধ মার্জনা করিবেন, কারণ আমরা মু’মিনদের মধ্যে অগ্রণী।’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি - বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমরা আশা করি যে, আমাদের রব আমাদের অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন, কারণ আমরা মুমিনদের মধ্যে প্রথম।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি মূসার প্রতি ওহী করিয়াছিলাম এই মর্মে : ‘আমার বান্দাদেরকে লইয়া রাত্রিকালে বাহির হও, তোমাদের তো পশ্চাদ্ধাবন করা হইবে।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসাকে আদেশ করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মূসার প্রতি এ মর্মে ওহী পাঠিয়েছিলাম যে, ‘আমার বান্দাদের নিয়ে রাত্রিকালে যাত্রা শুরু কর, নিশ্চয়ই তোমাদের পিছু নেয়া হবে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ফির‘আওন শহরে শহরে লোক সংগ্রহকারী পাঠাইল,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর ফেরাউন শহরে শহরে সংগ্রাহকদেরকে প্রেরণ করল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর ফির‘আউন নগরে- নগরে একত্রকারীদেরকে পাঠাল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই বলিয়া, ‘ইহারা তো ক্ষুদ্র একটি দল

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এরা (বনী - ইসরাঈলরা) ক্ষুদ্র একটি দল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয়ই এরা তো ক্ষুদ্র একটি দল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ‘উহারা তো আমাদের ক্রোধ উদ্রেক করিয়াছে ;

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর এরা অবশ্যই আমাদের ক্রোধের উদ্রেক ঘটিয়েছে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমরা তো সকলেই সদাশংকিত।’

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা সবাই তো যথেষ্ট সতর্ক।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরিণামে আমি ফির‘আওন গোষ্ঠীকে বহিষ্কার করিলাম উহাদের উদ্যানরাজি ও প্রস্রবণ হইতে

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি ফেরআউনের দলকে তাদের বাগ - বাগিচা ও ঝর্ণাসমূহ থেকে বহিষ্কার করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর আমি তাদেরকে উদ্যানমালা ও ঝর্ণাধারাসমূহ থেকে বের করে আনলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ধনভাণ্ডার ও সুরম্য সৌধমালা হইতে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং ধন - ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ধনভান্ডার ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপই ঘটিয়াছিল এবং বনী ইসরাঈলকে করিয়াছিলাম এই সমুদয়ের অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

এরূপই হয়েছিল এবং বনী - ইসলাঈলকে করে দিলাম এসবের মালিক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরূপই এবং আমি বনী ইসরাঈলকে এসবের ওয়ারিস বানিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সূর্যোদয়কালে তাহাদের পশ্চাতে আসিয়া পড়িল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তারা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তারা সূর্যোদয়ের প্রাক্কালে তাদের পিছু নিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন দুই দল পরস্পরকে দেখিল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলিল, ‘আমরা তো ধরা পড়িয়া গেলাম।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলল, আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সাথীরা বলল, অবশ্যই ‘আমরা ধরা পড়ে গেলাম!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘কখনই নহে ! আমার সঙ্গে আছেন আমার প্রতিপালক ; সত্বর তিনি আমাকে পথনির্দেশ করিবেন।’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বলল, কখনই নয়, আমার সাথে আছেন আমার পালনকর্তা। তিনি আমাকে পথ বলে দেবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মূসা বলল, ‘কক্ষনো নয়; আমার সাথে আমার রব রয়েছেন। নিশ্চয় অচিরেই তিনি আমাকে পথনির্দেশ দেবেন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসার প্রতি ওহী করিলাম, ‘তোমার যষ্টি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত কর।’ ফলে উহা বিভক্ত হইয়া প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হইয়া গেল ;

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি মূসাকে আদেশ করলাম, তোমার লাঠি দ্বারা সমূদ্রকে আঘাত কর। ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি মূসার প্রতি ওহী পাঠালাম, ‘তোমার লাঠি দ্বারা সমুদ্রে আঘাত কর।’ ফলে তা বিভক্ত হয়ে গেল। তারপর প্রত্যেক ভাগ বিশাল পাহাড়সদৃশ হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি সেখানে উপনীত করিলাম অপর দলটিকে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি সেথায় অপর দলকে পৌঁছিয়ে দিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি অপর দলটিকে সেই জায়গায় নিকটবর্তী করলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি উদ্ধার করিলাম মূসা ও তাহার সঙ্গী সকলকে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং মূসা ও তাঁর সংগীদের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মূসা ও তার সাথে যারা ছিল সকলকে উদ্ধার করলাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তৎপর নিমজ্জিত করিলাম অপর দলটিকে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জত কললাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর অপর দলটিকে ডুবিয়ে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই ছিল না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এর মধ্যে রয়েছে নিদর্শন। আর তাদের অধিকাংশই নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের নিকট ইব্‌রাহীমের বৃত্তান্ত বর্ণনা কর।

মুহিউদ্দীন খান

আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি তাদের নিকট ইবরাহীমের ঘটনা বর্ণনা কর,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে যখন তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে বলিয়াছিল, ‘তোমরা কিসের ‘ইবাদত কর?’

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন সে তার পিতা ও তার কওমকে বলেছিল, ‘তোমরা কিসের ইবাদাত কর?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা মূর্তির পূজা করি এবং আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে উহাদের পূজায় নিরত থাকিব।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা মূর্তির পূজা করি। অতঃপর এগুলোর পূজায় আমরা নিষ্ঠার সাথে রত থাকি’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা প্রার্থনা করিলে উহারা কি শুনে?’

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘যখন তোমরা ডাক তখন তারা কি তোমাদের সে ডাক শুনতে পায়?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অথবা উহারা কি তোমাদের উপকার কিংবা অপকার করিতে পারে?’

মুহিউদ্দীন খান

অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এইরূপই করিতে দেখিয়াছি।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের পেয়েছি, তারা এরূপই করত’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, কিসের পূজা করিতেছ,

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবরাহীম বলল, ‘তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, তোমরা যাদের পূজা কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা এবং তোমাদের অতীত পিতৃপুরুষেরা?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উহারা সকলেই আমার শত্রু, জগতসমূহের প্রতিপালক ব্যতীত;

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সকল সৃষ্টির রব ছাড়া অবশ্যই তারা আমার শত্রু’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যিনি আমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনিই আমাকে পথ প্রদর্শন করেন।

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনিই আমাকে হিদায়াত দিয়েছেন।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনিই আমাকে দান করেন আহার্য ও পানীয়।

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর যিনি আমাকে খাওয়ান এবং পান করান’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং রোগাক্রান্ত হইলে তিনিই আমাকে রোগমুক্ত করেন ;

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন যিনি আমাকে আরোগ্য করেন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তিনিই আমার মৃত্যু ঘটাইবেন, অতঃপর পুনর্জীবিত করিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন তারপর আমাকে জীবিত করবেন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আশা করি, তিনি কিয়ামত দিবসে আমার অপরাধ মার্জনা করিয়া দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি - বিচ্যুতি মাফ করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর যিনি আশা করি, বিচার দিবসে আমার ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে দেবেন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক ! আমাকে জ্ঞান দান কর এবং সৎকর্মপরায়ণদের শামিল কর।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, আমাকে প্রজ্ঞা দান করুন এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের সাথে শামিল করে দিন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে যশস্বী কর,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এবং পরবর্তীদের মধ্যে আমার সুনাম-সুখ্যাতি অব্যাহত রাখুন’,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাকে সুখময় জান্নাতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আপনি আমাকে সুখময় জান্নাতের ওয়ারিসদের অন্তর্ভুক্ত করুন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর আমার পিতাকে ক্ষমা কর, তিনি তো পথভ্রষ্টদের শামিল ছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমার পিতাকে ক্ষমা করুন; নিশ্চয় সে পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ছিল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাকে লাঞ্ছিত করিও না পুনরুত্থান দিবসে

মুহিউদ্দীন খান

এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর যেদিন পুনরুত্থিত করা হবে সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যেদিন ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি কোন কাজে আসিবে না ;

মুহিউদ্দীন খান

যে দিবসে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কোন উপকারে আসবে না’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সেদিন উপকৃত হইবে কেবল সে, যে ‌র নিকট আসিবে বিশুদ্ধ অন্তঃকরণ লইয়া।’

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তবে যে আল্লাহর কাছে আসবে সুস্থ অন্তরে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদের নিকটবর্তী করা হইবে জান্নাত,

মুহিউদ্দীন খান

জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মুত্তাকীদের জন্য জান্নাত নিকটবর্তী করা হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পথভ্রষ্টদের জন্য উন্মোচিত করা হইবে জাহান্নাম ;

মুহিউদ্দীন খান

এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং পথভ্রষ্টকারীদের জন্য জাহান্নাম উন্মোচিত করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে বলা হইবে, ‘তাহারা কোথায়, তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত করিতে -

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে বলা হবে, ‘তারা কোথায় যাদের তোমরা ইবাদাত করতে’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌র পরিবর্তে? উহারা কি তোমাদের সাহায্য করিতে পারে অথবা উহারা কি আত্মরক্ষা করিতে সক্ষম?

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ছাড়া? তারা কি তোমাদেরকে সাহায্য করছে, না নিজেদের সাহায্য করতে পারছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হইবে অধোমুখী করিয়া,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টকারীদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইব্‌লীসের বাহিনীর সকলকেও।

মুহিউদ্দীন খান

এবং ইবলীস বাহিনীর সকলকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইবলীসের সকল সৈন্যবাহিনীকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা সেখানে বিতর্কে লিপ্ত হইয়া বলিবে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে বলবেঃ

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে পরস্পর ঝগড়া করতে গিয়ে তারা বলবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র শপথ ! আমরা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতেই ছিলাম,

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর কসম, আমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আল্লাহর কসম! আমরা তো সুস্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত ছিলাম',

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যখন আমরা তোমাদেরকে জগতসমূহের প্রতিপালকের সমকক্ষ গণ্য করিতাম।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমরা তোমাদেরকে বিশ্ব - পালনকর্তার সমতুল্য গন্য করতাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যখন আমরা তোমাদেরকে সকল সৃষ্টির রবের সমকক্ষ বানাতাম’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমাদেরকে দুষ্কৃতিকারীরাই বিভ্রান্ত করিয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদেরকে দুষ্টকর্মীরাই গোমরাহ করেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর অপরাধীরাই শুধু আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছিল’;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পরিণামে আমাদের কোন সুপারিশকারী নাই।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অতএব, আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং কোন সহৃদয় বন্ধুও নাই।

মুহিউদ্দীন খান

এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এবং কোন অন্তরঙ্গ বন্ধুও নেই’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হায়, যদি আমাদের একবার প্রত্যাবর্তনের সুযোগ ঘটিত, তাহা হইলে আমরা মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হইয়া যাইতাম!

মুহিউদ্দীন খান

হায়, যদি কোনরুপে আমরা পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেতাম, তবে আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হায়, আমাদের যদি আরেকটি সুযোগ হত, তবে আমরা মুমিনদের অর্ন্তভুক্ত হতাম’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে, কিন্তু উহাদের অধিকাংশ নহে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়, এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে রয়েছে নিদর্শন, আর তাদের অধিকাংশ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহের সম্প্রদায় রাসূলগণের প্রতি মিথ্যা আরোপ করিয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

নূহের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যারোপ করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নূহ-এর কওম রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা নূহ্ উহাদেরকে বলিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের কি ভয় নেই?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদের ভাই নূহ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত বার্তাবাহক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রাসূল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তােমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না ; আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তাই দেবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর এর উপর আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না; আমার প্রতিদান শুধু সৃষ্টিকুলের রবের নিকট’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তােমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।’

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা কি তোমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করিব অথচ ইতরজনেরা তোমার অনুসরণ করিতেছে?’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, আমরা কি তোমাকে মেনে নেব যখন তোমার অনুসরণ করছে ইতরজনেরা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তারা বলল, ‘আমরা কি তোমার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করব, অথচ নিম্নশ্রেণীর লোকেরা তোমাকে অনুসরণ করছে’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ বলিল, ‘উহারা কী করিত তাহা আমার নাই।’

মুহিউদ্দীন খান

নূহ বললেন, তারা কি কাজ করছে, তা আমার কি দরকার?

বয়ান ফাউন্ডেশন

নূহ বলল, ‘তারা কি করে তা আমার কী প্রয়োজন’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের হিসাব গ্রহণ তো আমার প্রতিপালকেরই কাজ; যদি তোমরা বুঝিতে!

মুহিউদ্দীন খান

তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে!

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তাদের হিসাব গ্রহণ তো কেবল আমার রবের দায়িত্বে, যদি তোমরা জানতে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘মু’মিনদেরকে তাড়াইয়া দেওয়া আমার কাজ নহে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি মুমিনগণকে তাড়িয়ে দেয়ার লোক নই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমি তো মুমিনদেরকে তাড়িয়ে দেয়ার নই’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো কেবল একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমি তো কেবল সুস্পষ্ট সতর্ককারী’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হে নূহ্ ! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও তবে তুমি অবশ্যই প্রস্তরাঘাতে নিহতদের শামিল হইবে।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, হে নূহ যদি তুমি বিরত না হও, তবে তুমি নিশ্চিতই প্রস্তরাঘাতে নিহত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘হে নূহ, তুমি যদি বিরত না হও তবে অবশ্যই তুমি প্রস্তরাঘাতে নিহতদের অন্তর্ভুক্ত হবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নূহ্ বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমার সম্প্রদায়ই তো আমাকে অস্বীকার করিতেছে।

মুহিউদ্দীন খান

নূহ বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় তো আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নূহ বলল, ‘হে আমার রব, আমার কওম আমাকে অস্বীকার করেছে’;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তুমি আমার ও উহাদের মধ্যে স্পষ্ট মীমাংসা করিয়া দাও এবং আমাকে ও আমার সঙ্গে যেসব আছে, তাহাদেরকে রক্ষা কর।’

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আমার ও তাদের মধ্যে কোন ফয়সালা করে দিন এবং আমাকে ও আমার সংগী মুমিনগণকে রক্ষা করুন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং আপনি আমার ও তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দিন আর আমাকে ও আমার সাথে যেসব , আছে তাদেরকে রক্ষা করুন’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে ও তাহার সঙ্গে যাহারা ছিল, তাহাদেরকে রক্ষা করিলাম বোঝাই নৌযানে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গিগণকে বোঝাই করা নৌকায় রক্ষা করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাকে এবং তার সাথে যারা বোঝাই নৌকায় ছিল তাদেরকে নাজাত দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তৎপর অবশিষ্ট সকলকে নিমজ্জিত করিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর অবশিষ্ট সবাইকে নিমজ্জত করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর বাকীদের ডুবিয়ে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই রহিয়াছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে রয়েছে নিদর্শন, আর তাদের বেশীর ভাগ ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আদ সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আদ জাতি রাসূলগণকে অস্বীকার করেছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা হূদ উহাদেরকে বলিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

মুহিউদ্দীন খান

তখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললেনঃ তোমাদের কি ভয় নেই?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত রসূল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রাসূল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট আছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে এর জন্যে প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো পালনকর্তা দেবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর এর উপর আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি প্রতিটি উচ্চ স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করিতেছ নিরর্থক?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা নিদর্শন নির্মান করছ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমরা কি প্রতিটি উঁচু স্থানে বেহুদা স্তম্ভ নির্মাণ করছ’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা প্রাসাদ নির্মাণ করিতেছ এই মনে করিয়া যে, তোমরা চিরস্থায়ী হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা চিরকাল থাকবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা সুদৃঢ় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা স্থায়ী হবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং যখন তোমরা আঘাত হান তখন আঘাত হানিয়া থাক কঠোরভাবে।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তোমরা আঘাত হান, তখন জালেম ও নিষ্ঠুরের মত আঘাত হান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা যখন কাউকে পাকড়াও কর, পাকড়াও কর স্বেচ্ছাচারী হয়ে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে অনুসরণ কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ভয় কর তাঁহাকে যিনি তোমাদেরকে দান করিয়াছেন সেই সমুদয়, যাহা তোমরা জান।

মুহিউদ্দীন খান

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সেসব বস্তু দিয়েছেন, যা তোমরা জান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন এমন কিছু দিয়ে, যা তোমরা জান'।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদেরকে দান করিয়াছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান - সন্ততি।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও পুত্র - সন্তান,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা’,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উদ্যান ও প্রস্রবণ;

মুহিউদ্দীন খান

এবং উদ্যান ও ঝরণা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর উদ্যান ও ঝর্ণা দ্বারা’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য আশংকা করি মহাদিবসের শাস্তির।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের জন্যে মহাদিবসের শাস্তি আশংকা করি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি তোমাদের উপর এক মহাদিবসের আযাবের ভয় করছি’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি উপদেশ দাও অথবা না - ই দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশ নাই দাও, উভয়ই আমাদের জন্যে সমান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তুমি আমাদের উপদেশ দাও অথবা না দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো পূর্ববর্তীদেরই স্বভাব।

মুহিউদ্দীন খান

এসব কথাবার্তা পূর্ববর্তী লোকদের অভ্যাস বৈ নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এটি তো পূর্ববর্তীদেরই চরিত্র,।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা শাস্তিপ্রাপ্তদের শামিল নই।’

মুহিউদ্দীন খান

আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমরা আযাবপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হব না’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে প্রত্যাখ্যান করিল এবং আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিলাম। ইহাতে অবশ্যই আছে নিদর্শন ; কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলতে লাগল এবং আমি তাদেরকে নিপাত করে দিলাম। এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাকে অস্বীকার করল, ফলে তাদেরকে আমি ধ্বংস করে দিলাম; নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে। আর তাদের অধিকাংশ ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনার পালনকর্তা, তিনি তো প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সামূদ সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

সামুদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সামূদ জাতি রাসুলদেরকে অস্বীকার করেছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা সালিহ্ উহাদেরকে বলিল, ‘তোমরা কি সাবধান হইবে না?

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের ভাই সালেহ, তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদের ভাই সালিহ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল’;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতএব তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তাই দেবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর এর উপর আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমাদেরকে কি নিরাপদ অবস্থায় ছাড়িয়া রাখা হইবে, যাহা এইখানে আছে উহাতে -

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে কি এ জগতের ভোগ - বিলাসের মধ্যে নিরাপদে রেখে দেয়া হবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তোমাদেরকে কি এখানে যা আছে তাতে নিরাপদে ছেড়ে দেয়া হবে’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘উদ্যানে, প্রস্রবণে

মুহিউদ্দীন খান

উদ্যানসমূহের মধ্যে এবং ঝরণাসমূহের মধ্যে ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘উদ্যান ও ঝর্ণায়’,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ও শস্যক্ষেত্রে এবং সুকোমল গুচ্ছবিশিষ্ট খর্জুর বাগানে?

মুহিউদ্দীন খান

শস্যক্ষেত্রের মধ্যে এবং মঞ্জুরিত খেজুর বাগানের মধ্যে ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর ক্ষেত-খামার ও কোমল শীষবিশিষ্ট খেজুর বাগানে’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা তো নৈপুণ্যের সঙ্গে পাহাড় কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিতেছ।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা পাহাড় কেটে জাঁক জমকের গৃহ নির্মাণ করছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা নৈপুণ্যের সাথে পাহাড় কেটে বাড়ী নির্মাণ করছ’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

মুহিউদ্দীন খান

সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য করিও না ;

মুহিউদ্দীন খান

এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য কর না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এবং সীমালংঘনকারীদের নির্দেশের আনুগত্য করো না’-

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘যাহারা পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, শান্তি স্থাপন করে না।’

মুহিউদ্দীন খান

যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যারা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্থুরেদ একজন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তুমিতো যাদুগ্রস্তদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো আমাদের মত একজন মানুষ, কাজেই তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে একটি নিদর্শন উপস্থিত কর।’

মুহিউদ্দীন খান

তুমি তো আমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নও। সুতরাং যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে কোন নিদর্শন উপস্থিত কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তুমি তো কেবল আমাদের মত মানুষ, সুতরাং তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে কোন নিদর্শন নিয়ে এসো’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সালিহ্ বলিল, ‘এই একটি উষ্ট্রী, ইহার জন্য আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্য আছে নির্ধারিত দিনে পানি পানের পালা ;

মুহিউদ্দীন খান

সালেহ বললেন এই উষ্ট্রী, এর জন্যে আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্যে আছে পানি পানের পালা নির্দিষ্ট এক - এক দিনের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সালিহ বলল, ‘এটি একটি উষ্ট্রী; তার জন্য পানি পানের পালা একদিন আর তোমাদের পানি পানের পালা আরেক নির্দিষ্ট দিনে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং উহার কোন অনিষ্ট সাধন করিও না; করিলে মহাদিবসের শাস্তি তোমাদের উপর আপতিত হইবে।’

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা একে কোন কষ্ট দিও না। তাহলে তোমাদেরকে মহাদিবসের আযাব পাকড়াও করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমরা তাকে কোন অনিষ্ট কিছু করো না; যদি কর তবে এক মহাদিবসের আযাব তোমাদেরকে পেয়ে বসবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা উহাকে বধ করিল, পরিণামে উহারা অনুতপ্ত হইল।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাকে বধ করল ফলে, তারা অনুতপ্ত হয়ে গেল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা সেটি জবেহ করল; ফলে তারা অনুতপ্ত হল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর শাস্তি উহাদেরকে গ্রাস করিল। ইহাতে অবশ্যই রহিয়াছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল, নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে, আর তাদের অধিকাংশ ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু্।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূতের সম্প্রদায় রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল,

মুহিউদ্দীন খান

লূতের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

লূতের সম্প্রদায় রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের ভ্রাতা লূত উহাদেরকে বলিল, তোমারা কি সাবধান হইবে না?

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তাদেরকে তাদের ভাই লূত বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তােমরা ‌কে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি ইহার জন্য তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাহি না, আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তা দেবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমি এর উপর তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘বিশ্বজগতের মধ্যে তো তোমরাই পুরুষের সঙ্গে উপগত হও,

মুহিউদ্দীন খান

সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সৃষ্টিকুলের মধ্যে তোমরা কি কেবল পুরুষদের সাথে উপগত হও’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য যে স্ত্রীগণকে সৃষ্টি করিয়াছেন তাহাদেরকে তোমরা বর্জন করিয়া থাক। তোমরা তো সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।’

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তোমাদের রব তোমাদের জন্য যে স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন তাদেরকে তোমরা ত্যাগ কর, বরং তোমরা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হে লূত ! তুমি যদি নিবৃত্ত না হও, তবে অবশ্যই তুমি নির্বাসিত হইবে।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, হে লূত, তুমি যদি বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাকে বহিস্কৃত করা হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘হে লূত, তুমি যদি বিরত না হও, তাহলে তুমি অবশ্যই বহিস্কৃতদের অন্তর্ভুক্ত হবে’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

লূত বলিল, ‘আমি তো তোমাদের এই কর্মকে ঘৃণা করি।

মুহিউদ্দীন খান

লূত বললেন, আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

লূত বলল, ‘নিশ্চয় আমি তোমাদের কাজকে ঘৃণা করি’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হে আমার প্রতিপালক ! আমাকে এবং আমার পরিবার - পরিজনকে, উহারা যাহা করে, তাহা হইতে রক্ষা কর।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে, তা থেকে রক্ষা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘হে আমার রব, তারা যা করছে, তা থেকে আমাকে ও আমার পরিবার-পরিজনকে তুমি রক্ষা কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে এবং তাহার পরিবার - পরিজন সকলকে রক্ষা করিলাম

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে রক্ষা করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাকে ও তার পরিবার-পরিজন সবাইকে রক্ষা করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, যে ছিল পশ্চাতে অবস্থানকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

এক বৃদ্ধা ব্যতীত, সে ছিল ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

পেছনে অবস্থানকারিণী এক বৃদ্ধা ছাড়া।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর অপর সকলকে ধ্বংস করিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর অন্যদেরকে নিপাত করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর অন্যদেরকে আমি ধ্বংস করে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের উপর শাস্তিমূলক বৃষ্টি বর্ষণ করিয়াছিলাম, ভীতি প্রদর্শিতদের জন্য এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের উপর এক বিশেষ বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। ভীতি - প্রদর্শিত দের জন্যে এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের উপর শিলাবৃষ্টি বর্ষণ করলাম। সুতরাং সেই বৃষ্টি ভয় প্রদর্শিতদের জন্য কতইনা মন্দ ছিল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে এক নিদর্শন রয়েছে। আর তাদের অধিকাংশই ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আয়কাবাসীরা রাসূলগণকে অস্বীকার করিয়াছিল,

মুহিউদ্দীন খান

বনের অধিবাসীরা পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আইকার অধিবাসীরা রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন শু‘আয়ব উহাদেরকে বলিয়াছিল, তোমরা কি সাবধান হইবে না?

মুহিউদ্দীন খান

যখন শো’আয়ব তাদের কে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন শু‘আইব তাদেরকে বলল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তােমরা ‌কে ভয় কর ও আমার আনুগত্য কর।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি তোমাদের নিকট ইহার জন্য কোন প্রতিদান চাহি না। আমার পুরস্কার তো জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকটই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব - পালনকর্তাই দেবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর আমি এর উপর তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা মাপে পূর্ণ মাত্রায় দিবে ; যাহারা মাপে ঘাটতি করে তোমরা তাহাদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

মুহিউদ্দীন খান

মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘মাপ পূর্ণ করে দাও এবং যারা মাপে ঘাটতি করে, তোমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং ওজন করিবে সঠিক দাঁড়িপাল্লায়।

মুহিউদ্দীন খান

সোজা দাঁড়ি - পাল্লায় ওজন কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর সঠিক দাঁড়ি পাল্লায় ওজন কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘লোকদেরকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিবে না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে ফিরো না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর লোকদেরকে তাদের প্রাপ্যবস্তু কম দিও না এবং যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করো না'।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং ভয় কর তাঁহাকে যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্বে যাহারা গত হইয়াছে তাহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন।’

মুহিউদ্দীন খান

ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তী লোক - সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যিনি তোমাদেরকে ও পূর্ববর্তী প্রজন্মসমূহকে সৃষ্টি করেছেন, তাঁর তাকওয়া অবলম্বন কর’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত ;

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তুমি তো কেবল যাদুগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি আমাদের মতই একজন মানুষ। আমরা মনে করি, তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্যতম।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি আমাদের মত মানুষ বৈ তো নও। আমাদের ধারণা - তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘তুমি কেবল আমাদের মত একজন মানুষ। আর আমরা তোমাকে অবশ্যই মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করি’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে আকাশের এক খণ্ড আমাদের উপর ফেলিয়া দাও।’

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, যদি সত্যবাদী হও, তবে আকাশের কোন টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অতএব, তুমি যদি সত্যবাদী হও, তবে আসমান থেকে এক টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আমার প্রতিপালক ভাল জানেন তোমরা যাহা কর।’

মুহিউদ্দীন খান

শো’আয়ব বললেন, তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার পালনকর্তা ভালরূপে অবহিত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলল, ‘তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার রব অধিক জ্ঞাত’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা তাহাকে প্রত্যাখ্যান করিল, পরে উহাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের শাস্তি গ্রাস করিল। ইহা তো ছিল এক ভীষণ দিবসের শাস্তি !

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে দিল। ফলে তাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। নিশ্চয় সেটা ছিল এক মহাদিবসের আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাকে অস্বীকার করল। ফলে তাদেরকে এক মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। অবশ্যই তা ছিল এক মহা দিবসের আযাব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাতে অবশ্যই রহিয়াছে নিদর্শন, কিন্তু উহাদের অধিকাংশই নহে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এতে অনেক নিদর্শন রয়েছে। আর তাদের অধিকাংশই ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তোমার রব তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই আল - কুরআন জগতসমূহের প্রতিপালক হইতে অবতীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

এই কোরআন তো বিশ্ব - জাহানের পালনকর্তার নিকট থেকে অবতীর্ণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় এ কুরআন সৃষ্টিকুলের রবেরই নাযিলকৃত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জিব্‌রাঈল ইহা লইয়া অবতরণ করিয়াছে

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বিশ্বস্ত আত্মা* এটা নিয়ে অবতরণ করেছে। * এখানে 'বিশ্বস্ত আত্মা'দ্বারা জিবরীল (আ:) কে বুঝানো হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার হৃদয়ে, যাহাতে তুমি সতর্ককারী হইতে পার।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার অন্তরে, যাতে আপনি ভীতি প্রদর্শণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবতীর্ণ করা হইয়াছে সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

মুহিউদ্দীন খান

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে অবশ্যই ইহার উল্লেখ আছে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এর উল্লেখ আছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর অবশ্যই তা রয়েছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বনী ইস্‌রাঈলের পণ্ডিতগণ ইহা অবগত আছে - ইহা কি উহাদের জন্য নিদর্শন নহে?

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে এটা কি নিদর্শন নয় যে, বনী - ইসরাঈলের আলেমগণ এটা অবগত আছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা কি তাদের জন্য একটি নিদর্শন নয় যে, বনী ইসরাঈলের পন্ডিতগণ তা জানে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যদি ইহা কোন আ‘জামীর প্রতি অবতীর্ণ করিতাম

মুহিউদ্দীন খান

যদি আমি একে কোন ভিন্নভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি যদি এটাকে কোন অনারবের প্রতি নাযিল করতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহা সে উহাদের নিকট পাঠ করিত, তবে উহারা উহাতে ঈমান আনিত না ;

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি তা তাদের কাছে পাঠ করতেন, তবে তারা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করত না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তা তাদের নিকট পাঠ করত। তবুও তারা এতে হত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি অপরাধীদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আমি গোনাহগারদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এভাবেই আমি বিষয়টি অপরাধীদের অন্তরে সঞ্চার করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ইহাতে ঈমান আনিবে না যতক্ষণ না উহারা মর্মন্তুদ শাস্তি প্রত্যক্ষ করে;

মুহিউদ্দীন খান

তারা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে না, যে পর্যন্ত প্রত্যক্ষ না করে মর্মন্তুদ আযাব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যতক্ষণ না তারা যন্ত্রণাদায়ক আযাব প্রত্যক্ষ করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা এতে ঈমান আনবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে তাহা উহাদের নিকট আসিয়া পড়িবে আকস্মিকভাবে ; উহারা কিছুই বুঝিতে পারিবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে পড়বে, তারা তা বুঝতে ও পারবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তা আকস্মিকভাবে তাদের নিকট এসে পড়বে, অথচ তারা উপলদ্ধি করতে পারবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহারা বলিবে, ‘আমাদেরকে কি অবকাশ দেওয়া হইবে?’

মুহিউদ্দীন খান

তখন তারা বলবে, আমরা কি অবকাশ পাব না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন তারা বলবে, ‘আমাদেরকে কি অবকাশ দেয়া হবে?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি তবে আমার শাস্তি ত্বরান্বিত করিতে চায়?

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি আমার শাস্তি দ্রুত কামনা করে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাহলে কি তারা আমার আযাব ত্বরান্বিত করতে চায়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি ভাবিয়া দেখ যদি আমি তাহাদেরকে দীর্ঘকাল ভোগ - বিলাস করিতে দেই,

মুহিউদ্দীন খান

আপনি ভেবে দেখুন তো, যদি আমি তাদেরকে বছরের পর বছর ভোগ - বিলাস করতে দেই,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি লক্ষ্য করেছ, আমি যদি তাদেরকে দীর্ঘকাল ভোগ-বিলাসের সুযোগ দিতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পরে উহাদেরকে যে বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল তাহা উহাদের নিকট আসিয়া পড়ে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হত, তা তাদের কাছে এসে পড়ে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদেরকে যে বিষয়ে ওয়াদা করা হয়েছে, তা তাদের নিকট এসে পড়ত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহাদের ভোগ - বিলাসের উপকরণ উহাদের কোন কাজে আসিবে কি?

মুহিউদ্দীন খান

তখন তাদের ভোগ বিলাস তা তাদের কি কোন উপকারে আসবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন যা তাদের ভোগ-বিলাসের জন্য দেয়া হয়েছিল, তা তাদের কোনই কাজে আসত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি এমন কোন জনপদ ধ্বংস করি নাই যাহার জন্য সতর্ককারী ছিল না ;

মুহিউদ্দীন খান

আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি এমন কোন জনপদকে ধ্বংস করিনি, যাতে কোন সতর্ককারী আসেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা উপদেশস্বরূপ, আর আমি অন্যায়াচারী নই,

মুহিউদ্দীন খান

স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা উপদেশস্বরূপ; আর আমি যালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শয়তানেরা উহাসহ অবতীর্ণ হয় নাই।

মুহিউদ্দীন খান

এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর শয়তানরা তা নিয়ে অবতরণ করেনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা এই কাজের যোগ্য নয় এবং উহারা ইহার সামর্থ্যও রাখে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা এ কাজের উপযুক্ত নয় এবং তারা এর সামর্থ্য রাখে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এটা তাদের জন্য উচিৎ নয় এবং তারা এর ক্ষমতাও রাখে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে তো শ্রবণের সুযোগ হইতে দূরে রাখা হইয়াছে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই তাদেরকে এর শ্রবণ থেকে আড়ালে রাখা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি অন্য কোন ইলাহ্‌কে ‌র সঙ্গে ডাকিও না, ডাকিলে তুমি শাস্তিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। করলে শাস্তিতে পতিত হবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডেকো না, তাহলে তুমি আযাবপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট - আত্মীয়বর্গকে সতর্ক করিয়া দাও।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তুমি তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা তোমার অনুসরণ করে সেই সমস্ত মু’মিনদের প্রতি বিনয়ী হও।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনার অনুসারী মুমিনদের প্রতি সদয় হোন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মুমিনদের মধ্যে যারা তোমার অনুসরণ করে, তাদের প্রতি তুমি তোমার বাহুকে অবনত কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যদি তোমার অবাধ্যতা করে, তুমি বলিও, ‘তোমরা যাহা কর তাহা হইতে আমি দায়মুক্ত।’

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা আপনার অবাধ্য করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, তা থেকে আমি মুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর যদি তারা তোমার অবাধ্য হয়, তাহলে বল, ‘তোমরা যা কর, নিশ্চয় আমি তা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি নির্ভর কর পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু ‌র উপর,

মুহিউদ্দীন খান

আপনি ভরসা করুন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালুর উপর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আর তুমি মহাপরাক্রমশালী পরম দয়ালুর উপর তাওয়াক্কুল কর,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি দণ্ডায়মান হও,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি নামাযে দন্ডায়মান হন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যিনি তোমাকে দেখেন যখন তুমি দন্ডায়মান হও’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং দেখেন সিজ্‌দাকারীদের সঙ্গে তোমার উঠাবসা।

মুহিউদ্দীন খান

এবং নামাযীদের সাথে উঠাবসা করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এবং সিজদাকারীদের মধ্যে তোমার উঠাবসা’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে কি আমি জানাইব কাহার নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়?

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে বলব কি কার নিকট শয়তানরা অবতরণ করে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘আমি কি তোমাদেরকে সংবাদ দেব, কার নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়’?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি ঘোর মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট।

মুহিউদ্দীন খান

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক চরম মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কান পাতিয়া থাকে এবং উহাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

তারা শ্রুত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কান পেতে থাকে এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং কবিদেরকে অনুসরণ করে বিভ্রান্তরাই।

মুহিউদ্দীন খান

বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বিভ্রান্তরাই কবিদের অনুসরণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখ না উহারা উদ্‌ভ্রান্ত হইয়া প্রত্যেক উপত্যকায় ঘুরিয়া বেড়ায়?

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি লক্ষ্য করো নি যে, তারা প্রত্যেক উপত্যকায় উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহারা তো বলে যাহা তাহারা করে না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং এমন কথা বলে, যা তারা করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় তারা এমন কথা বলে, যা তারা করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা ব্যতীত, যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং ‌কে অধিক স্মরণ করে ও অত্যাচারিত হইবার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। অত্যাচারীরা শীঘ্রই জানিবে কোন্ স্থলে উহারা প্রত্যাবর্তন করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং কে খুব স্মরণ করে এবং নিপীড়িত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নিপীড়নকারীরা শীঘ্রই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল কিরূপ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে, আর আল্লাহকে অনেক স্মরণ করেছে। আর তারা নির্যাতিত হওয়ার পর প্রতিশোধ নেয়। আর যালিমরা শীঘ্রই জানতে পারবে কোন্ প্রত্যাবর্তন স্থলে তারা প্রত্যাবর্তন করবে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme