বল, ‘আমি শরণ লইতেছি ঊষার স্রষ্টার
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
(হে নবী!) বলো : আমি আশ্রয় চাই ভোরের প্রভুর কাছে
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ
Chapter 113, 5 verses
বল, ‘আমি শরণ লইতেছি ঊষার স্রষ্টার
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
(হে নবী!) বলো : আমি আশ্রয় চাই ভোরের প্রভুর কাছে
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ
‘তিনি যাহা সৃষ্টি করিয়াছেন তাহার অনিষ্ট হইতে,
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
সেইসবের অনিষ্ট থেকে, যা তিনি সৃষ্টি করেছেন,
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
‘অনিষ্ট হইতে রাত্রির অন্ধকারের, যখন উহা গভীর হয়
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
আর অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তার অন্ধকার ছেয়ে যায়।
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
‘এবং অনিষ্ট হইতে সমস্ত নারীদের, যাহারা গ্রন্থিতে ফুৎকার দেয়
গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
আর সেই সব নারী (বা) পুরুষদের অনিষ্ট থেকে, যারা গিরায় ফুঁ দেয়।
وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ
এবং অনিষ্ট হইতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।’
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ