Kitab

আল হুজরাত

Chapter 49, 18 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! ‌ ও তাঁহার রাসূলের সমক্ষে তোমরা কোন বিষয়ে অগ্রণী হইও না এবং ‌কে ভয় কর ; ‌ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা ও রসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় সবকিছু শুনেন ও জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা ও তাঁর রসূলের সামনে কোনো বিষয়ে অগ্রগামী হয়ে যেয়োনা। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই সব দেখেন, সব শুনেন।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! ও তাঁর রসূলের সামনে তোমরা আগবাড়বে না, আর ‌কে ভয়ভক্তি করো। নিঃসন্দেহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর নিজেদের কণ্ঠস্বর উঁচু করিও না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চস্বরে কথা বল তাহার সঙ্গে সেইরূপ উচ্চস্বরে কথা বলিও না, কারণ ইহাতে তোমাদের কর্ম নিষ্ফল হইয়া যাইবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা নবীর আওয়াযের উপর নিজেদের আওয়াযকে উঁচু করোনা এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উঁচু স্বরে কথা বলো তার সাথে সেভাবে উঁচু স্বরে কথা বলোনা। কারণ, এর ফলে নিষ্ফল হয়ে যাবে তোমাদের আমল, যা তোমরা টেরও পাবেনা।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের গলার আওয়াজ নবীর আওয়াজের উপরে চড়িয়ো না, আর তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চিৎকার করো না যেমন তোমাদের কেউ - কেউ অপরের সঙ্গে চিল্লাচিল্লি করে, পাছে তোমাদের কাজ - কর্ম বৃথা হয়ে যায়, অথচ তোমরা বুঝতেও পার না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র রাসূলের সম্মুখে নিজেদের কণ্ঠস্বর নিচু করে, ‌ তাহাদের অন্তরকে তাক্ওয়ার জন্য পরীক্ষা করিয়া লইয়াছেন। তাহাদের জন্য রহিয়াছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের আওয়ায নিচু করে, তাদের অন্তরকে তাকওয়ার জন্যে পরীক্ষা করে নিয়েছেন। তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং এক মহাপুরস্কার।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা ‌র রসূলের সামনে তাদের আওয়াজ নিচু করে, এরাই হচ্ছে তারা যাদের হৃদয় ধর্ম পরায়ণতার জন্য পরীক্ষা করেছেন। তাদেরই জন্য রয়েছে পরিত্রাণ ও এক মহান প্রতিদান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঘরের বাহির হইতে তোমাকে উচ্চস্বরে ডাকে, তাহাদের অধিকাংশই নির্বোধ,

মুহিউদ্দীন খান

যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী !) নিশ্চয়ই যারা তোমাকে তোমার ঘরের বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে, তাদের অধিকাংশই বে - আকল।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা বাসগৃহগুলোর পেছন থেকে তোমাকে ডাকে তাদের অধিকাংশই বুদ্ধিসুদ্ধি রাখো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি বাহির হইয়া উহাদের নিকট আসা পর্যন্ত যদি উহারা ধৈর্য ধারণ করিত, তাহাই উহাদের জন্য উত্তম হইত। ‌ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা - ই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত যদি তারা ধৈর্য ধরতো, সেটাই হতো তাদের জন্যে কল্যাণকর। ক্ষমাশীল, দয়াময়।

জহুরুল হক

আর যদি তারা ধৈর্য ধরত যতক্ষণ না তুমি তাদের কাছে বেরিয়ে আস তাহলে তাদের জন্য তা বেশি ভাল হতো । আর পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! যদি কোন পাপাচারী তোমাদের নিকট কোন বার্তা আনয়ন করে, তোমরা তাহা পরীক্ষা করিয়া দেখিবে, পাছে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোন সম্প্রদায়কে ক্ষতিগ্রস্ত করিয়া বস, এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদেরকে অনুতপ্ত হইতে হয়।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! কোনো ফাসিক ব্যক্তি যদি তোমাদের কাছে কোনো খবর নিয়ে আসে, তোমরা তাকে পরীক্ষা করে দেখবে। কারণ, অজ্ঞতাবশত যেনো তোমরা কোনো গোষ্ঠীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না বসো এবং পরে যেনো তোমাদের কৃতকর্মের জন্যে তোমাদের অনুতপ্ত হতে না হয়।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! যদি কোনো সত্যত্যাগী কোনো খবর নিয়ে তোমাদের কাছে আসে তখন তোমরা যাচাই করে দেখবে, পাছে অজানতে তোমরা কোনো লোকদলকে আঘাত করে বস, আর পরক্ষণেই দুঃখ কর তোমরা যা করেছ সেজন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা জানিয়া রাখ যে, তোমাদের মধ্যে ‌র রাসূল রহিয়াছেন ; তিনি বহু বিষয়ে তোমাদের কথা শুনিলে তোমরাই কষ্ট পাইতে। কিন্তু ‌ তোমাদের নিকট ঈমানকে প্রিয় করিয়াছেন এবং উহাকে তোমাদের হৃদয়গ্রাহী করিয়াছেন ; , পাপাচার ও অবাধ্যতাকে করিয়াছেন তোমাদের নিকট অপ্রিয়। উহারাই সৎপথ অবলম্বনকারী,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা জেনে রাখ তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে। কিন্তু তোমাদের অন্তরে ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা মনে রাখবে, তোমাদের মধ্যে রয়েছেন আল্লাহর রসূল। সে অনেক বিষয়ে তোমাদের কথা মেনে নিলে তোমরাই সমস্যায় পড়বে। কিন্তু তোমাদের কাছে ঈমানকে প্রিয় বানিয়ে দিয়েছেন এবং ঈমানকে তোমাদের হৃদয়ে করেছেন সুশোভিত। আর তিনি তোমাদের অপ্রিয় করে দিয়েছেন কুফুরি, ফাসেকি এবং অবাধ্যতাকে। এরাই সঠিক পথের অনুসারী,

জহুরুল হক

আর জেনে রেখো যে তোমাদের মধ্যে ‌র রসূল রয়েছেন। তাঁকে যদি অধিকাংশ বিষয়ে তোমাদের মেনে চলতে হয়, তাহলে তোমরা নির্ঘাত বিপাকে পড়বে, কিন্তু ধর্মবিশ্বাসকে তোমাদের কাছে প্রিয় করেছেন এবং তোমাদের হৃদয়ে এইটিকে চিত্তাকর্ষক করেছেন, আর তোমাদের কাছে অপ্রিয় করেছেন অবিশ্বাস ও সত্যত্যাগ ও অবাধ্যতা। এরা নিজেরাই সত্যানুগামী - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র দান ও অনুগ্রহস্বরূপ ; ‌ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর কৃপা ও নিয়ামতঃ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর অনুগ্রহ এবং দান হিসেবে। সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান।

জহুরুল হক

‌র তরফ থেকে বদান্যতা ও অনুগ্রহ! আর সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনদের দুই দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইলে তোমরা তাহাদের মধ্যে মীমাংসা করিয়া দিবে; আর তাহাদের একদল অপর দলের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করিলে, যাহারা বাড়াবাড়ি করে তাহাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করিবে, যতক্ষণ না তাহারা ‌র নির্দেশের দিকে ফিরিয়া আসে - যদি তাহারা ফিরিয়া আসে তাহাদের মধ্যে ন্যায়ের সঙ্গে ফয়সালা করিবে এবং সুবিচার করিবে। নিশ্চয়ই ‌ সুবচারকারীদেরকে ভালবাসেন।

মুহিউদ্দীন খান

যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ করবে। নিশ্চয় ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের দুটি দল যদি দ্বন্দ - সংঘাতে লিপ্ত হয়, তবে তোমরা তাদের মাঝে মীমাংসা করে দেবে। তাদের একটি দল যদি অপর দলের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করে, তবে যারা বাড়াবাড়ি করে তাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করবে যতোক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি তারা ফিরে আসে, তখন তাদের মাঝে ন্যায়সংগত ভাবে ফায়সালা করে দাও এবং সুবিচার করো, নিশ্চয়ই পছন্দ করেন সুবিচারকদের।

জহুরুল হক

আর যদি মুমিনদের দুই দল লড়াই করে তাহলে তাদের উভয়ের মধ্যে শান্তি স্থাপন করো। কিন্তু তাদের একদল যদি অন্যদের বিরুদ্ধে বিবাদ করে তবে তোমরা লড়াই করবে তার সঙ্গে যে বিবাদ করছে, যে পর্যন্ত না তারা ‌র নির্দেশের প্রতি ফিরে আসে। তারপর যখন তারা ফেরে তখন তাদের উভয়ের মধ্যে শান্তিস্থাপন করো ন্যায়বিচারের সাথে, আর নিরপেক্ষতা অবলন্বন করবে। নিঃসন্দেহ নিরপেক্ষতা - অবলন্বনকারীদের ভালবাসেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই ; সুতরাং তোমরা ভ্রাতৃগণের মধ্যে শান্তি স্থাপন কর আর ‌কে ভয় কর, যাহাতে তােমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনরা তো পরস্পর ভাই - ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে - যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই, সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে মীমাংসা করে দাও এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে করে তোমরা রহমত প্রাপ্ত হও।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ মুমিনরা ভাই - ভাই, সুতরাং তোমাদের ভাইদের মধ্যে তোমরা শান্তিস্থাপন করবে, আর তোমরা ‌কে ভয় - ভক্তি করবে যেন তোমাদের অনুগ্রহ করা হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! কোন পুরুষ যেন অপর কোন পুরুষকে উপহাস না করে; কেননা যাহাকে উপহাস করা হয় সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হইতে পারে এবং কোন নারী অপর কোন নারীকেও যেন উপহাস না করে; কেননা যাহাকে উপহাস করা হয় সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা উত্তম হইতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিও না এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডাকিও না; ঈমানের পর মন্দ নাম অতি মন্দ। যাহারা তওবা না করে তাহারাই ।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! কোনো পুরুষ যেনো অন্য পুরুষকে তিরস্কার না করে। কারণ যাকে তিরস্কার করা হয়, সে তিরস্কারকারী থেকে উত্তম হতে পারে। কোনো নারীও যেনো অপর নারীকে উপহাস না করে। কারণ, যাকে উপহাস করা হয়, সে উপহাসকারিণীর চাইতে উত্তম হতে পারে। তোমরা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করোনা এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকোনা। ঈমান আনার পর মন্দ নামে ডাকা অতি মন্দ। (এমনটি করার পর) যারা তওবা করবে না (অনুতপ্ত হবেনা) তারা যালিম।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! কোনো লোকদল অন্য লোকদলকে উপহাস করবে না, হয়তো তারা এদের চাইতে বেশি ভাল, আর কোনো নারীরাও অন্য নারীদের করবে না, হয়তো তারা এদের চাইতে বেশী ভাল, আর তোমরা তোমাদের নিজের লোকদের নিন্দা করো না, আর তোমরা পরস্পরকে উপনামে ডেকো না। ঈমান আনার পরে অধার্মিকতার নাম কামানো বড়ই মন্দ। আর যে কেউ না ফেরে, তবে তারাই খোদ অত্যাচারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা অধিকাংশ অনুমান হইতে দূরে থাক ; কারণ অনুমান কোন কোন ক্ষেত্রে পাপ। এবং তোমরা একে অপরের গোপনীয় বিষয় সন্ধান করিও না এবং একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা করিও না। তোমাদের মধ্যে কি কেহ তাহার মৃত ভ্রাতার গোশ্‌ত খাইতে চাইবে ? বস্তুত তোমরা তো ইহাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা ‌কে ভয় কর ; ‌ তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা বেশি বেশি ধারণা অনুমান করা থেকে দূরে থাকো, কারণ কোনো কোনো ধারণা অনুমান পাপ। তোমরা অপরের গোপন বিষয় সন্ধান করোনা এবং একে অপরের গীবত করোনা। তোমাদের কেউ কি তার মরা ভাইয়ের গোশ্ত খেতে চাইবে? তোমরা এমন কাজকে ঘৃণাই করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তওবা কবুলকারী, পরম দয়াবান।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! অধিকাংশ ক্ষেত্রে সন্দেহ এড়িয়ে চল, কেননা কোনো কোনো সন্দেহ নিশ্চয়ই পাপজনক। আর তোমরা গুপ্তচরবৃত্তি করো না, আর তোমাদের কেউ - কেউ অন্যদের আড়ালে নিন্দা করো না। তোমাদের কেউ কি চায় যে সে তার মৃত ভাইয়ের মাংস খাবে? নিশ্চিত তোমরা এটি ঘৃণা কর। আর ‌কে ভয় - ভক্তি করো। নিঃসন্দেহ বারবার প্রত্যাবর্তনকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি এক পুরুষ ও এক নারী হইতে, পরে তোমাদেরকে বিভক্ত করিয়াছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাহাতে তোমরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হইতে পার। তোমাদের মধ্যে ‌র নিকট সেই ব্যক্তিই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন, যে তোমাদের মধ্যে অধিক । নিশ্চয়ই ‌ সবকিছু জানেন, সমস্ত খবর রাখেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে - ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক । নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ এবং একজন নারী থেকে, তারপর তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে করে তোমরা পরস্পরের সাথে পরিচিত হতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই অধিক মর্যাদাবান, যে অধিক । নিশ্চয়ই জ্ঞানী এবং অবগত।

জহুরুল হক

ওহে মানবজাতি! নিঃসন্দেহ আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি পুরুষ ও নারী থেকে, আর আমরা তোমাদের বানিয়েছি নানান জাতি ও গোত্র যেন তোমরা চিনতে পার। নিশ্চয় ‌র কাছে তোমাদের মধ্যে সব - চাইতে সম্মানিত সেইজন যে তোমাদের মধ্যে সব - চাইতে বেশি ধর্মভীরু। নিঃসন্দেহ সর্বজ্ঞাতা, পূর্ণ - ওয়াকিফহাল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বেদুঈনরা বলে, ‘আমরা ঈমান আনিলাম।’ বল, ‘তোমরা ঈমান আন নাই’, বরং তোমরা বল, ‘আমরা আত্মসর্মপণ করিয়াছি’ ; কারণ ঈমান এখনও তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করে নাই। যদি তোমরা ‌ ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য কর তবে তোমাদের কর্মফল সামান্য পরিমাণও লাঘব করা হইবে না। ‌ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

মরুবাসীরা বলেঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। বলুনঃ তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি। যদি তোমরা ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম বিন্দুমাত্রও নিস্ফল করা হবে না। নিশ্চয়, ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

বেদুঈনরা বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি।’ তুমি বলো: ‘তোমরা ঈমান আনোনি, বরং তোমরা বলো: ‘আমরা আত্মসমর্পণ করেছি।’ কারণ, ঈমান এখনো তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি। তোমরা যদি ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো, তাহলে তোমাদের আমল কিছুমাত্র কমানো হবেনা। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াবান।

জহুরুল হক

বেদুইনরা বলে - - ''আমরা ঈমান এনেছি।’’ তুমি বলো - - ''তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করো নি, বরং তোমাদের বলা উচিত - - 'আমরা ইসলাম কবুল করেছি’, কেননা তোমাদের অন্তরে ঈমান এখনও প্রবেশ করে নি। আর যদি তোমরা ‌র ও তাঁর রসূলের আজ্ঞাপালন কর তাহলে তিনি তোমাদের ক্রিয়াকর্ম থেকে কিছুই তোমাদের জন্য কমাবেন না।’’ নিঃসন্দেহ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারাই যাহারা ‌ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আনে, পরে সন্দেহ পোষণ করে না এবং জীবন ও সম্পদ দ্বারা ‌র পথে জীহাদ করে, তাহারাই সত্যনিষ্ঠ।

মুহিউদ্দীন খান

তারাই , যারা ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে প্রাণ ও ধন - সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হলো তারা, যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি এবং অত:পর আর সন্দেহ পোষণ করেনি, বরং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে মাল - সম্পদ এবং জান - প্রাণ দিয়ে, এরাই (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তারাই যারা ‌তে ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান এনেছে, তারপরে তারা সন্দেহ পোষণ করেনা, আর তাদের ধনসম্পদ ও তাদের জানপ্রাণ দিয়ে ‌র পথে জিহাদ করে। এরাই খোদ সত্যনিষ্ঠ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি তোমাদের দীন সম্পর্কে ‌কে অবহিত করিতেছ ? অথচ ‌ জানেন যাহা কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে এবং যাহা কিছু আছে পৃথিবীতে। ‌ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ তোমরা কি তোমাদের ধর্ম পরায়ণতা সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত করছ? অথচ জানেন যা কিছু আছে ভূমন্ডলে এবং যা কিছু আছে নভোমন্ডলে। সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা কি তোমাদের দীন সম্পর্কে আল্লাহকে জ্ঞান দিতে চাও? অথচ মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই জানেন। প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।’

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''কী! তোমরা কি ‌কে জানাতে চাও তোমাদের ধর্ম সম্পর্কে, অথচ সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা আত্মসর্মপণ করিয়া তোমাকে ধন্য করিয়াছে মনে করে। বল, ‘তোমাদের আত্মসর্মপণ আমাকে ধন্য করিয়াছে মনে করিও না, বরং ‌ ঈমানের দিকে পরিচালিত করিয়া তোমাদেরকে ধন্য করিয়াছেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা মুসলমান হয়ে আপনাকে ধন্য করেছে মনে করে। বলুন, তোমরা মুসলমান হয়ে আমাকে ধন্য করেছ মনে করো না। বরং ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদেরকে ধন্য করেছেন, যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা মনে করে, ইসলামে প্রবেশ করে তারা তোমাকে ধন্য করেছে। বলো: ‘তোমাদের ইসলামে প্রবেশ আমাকে ধন্য করেছে মনে করোনা। বরং তোমাদেরকে ঈমানের দিকে পরিচালিত করে আল্লাহ্ই তোমাদের ধন্য করেছেন। যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো (তবে একথা স্বীকার করো)।

জহুরুল হক

তারা তোমার প্রতি অনুগ্রহ করেছে যেহেতু তারা মুসলিম হয়েছে। তুমি বল - - ''তোমাদের ইসলাম আমার প্রতি কোনো অনুগ্রহ বলে ভেবো না, বরং ‌ই তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন যেহেতু তিনি ধর্মবিশ্বাসের প্রতি তোমাদের পরিচালিত করেছেন, যদি তোমরা সত্যপরায়ণ হও।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বিষয় সম্পর্কে অবগত আছেন। তোমরা যাহা কর ‌ তাহা দেখেন।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বিষয় জানেন, তোমরা যা কর তা দেখেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই জানেন মহাকাশ এবং পৃথিবীর সমস্ত ()। তোমরা যা করো, তা দেখেন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর বিষয়গুলো জানেন। আর তোমরা যা করছ সে - সবের তো তিনি সর্বদ্রষ্টা।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme