আল কালাম , choose another chapter
আল কালাম
Chapter 68, 52 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
আবদুস শহীদ নাসিম
Yusuf Ali
Word by word
Add book
List
Grid
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ নূন - শপথ কলমের এবং উহারা যাহা লিপিবদ্ধ করে তাহার,
মুহিউদ্দীন খান
১ নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১ নূন! কলমের শপথ আর শপথ সেগুলোর যা তারা (ফেরেশ্তারা) ছত্রে ছত্রে লিপিবদ্ধ করে।
Yusuf Ali
1 Nun. By the Pen and the (Record) which (men) write, -
Word by word
١ نٓ وَٱلْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি উন্মাদ নও।
মুহিউদ্দীন খান
২ আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।
Yusuf Ali
2 Thou art not, by the Grace of thy Lord, mad or possessed.
Word by word
٢ مَآ أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ তোমার জন্য অবশ্যই রহিয়াছে নিরবচ্ছিন্ন পুরস্কার,
মুহিউদ্দীন খান
৩ আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ অবশ্যি তোমার জন্যে রয়েছে পুরস্কার অফুরান।
Yusuf Ali
3 Nay, verily for thee is a Reward unfailing:
Word by word
٣ وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
মুহিউদ্দীন খান
৪ আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ অবশ্যি তুমি এক মহান চরিত্রের অধিকারী।
Yusuf Ali
4 And thou (standest) on an exalted standard of character.
Word by word
٤ وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ শীঘ্রই তুমি দেখিবে এবং উহারাও দেখিবে -
মুহিউদ্দীন খান
৫ সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ অচিরেই তুমি দেখবে, আর দেখবে তারাও,
Yusuf Ali
5 Soon wilt thou see, and they will see,
Word by word
٥ فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ তোমাদের মধ্যে কে বিকারগ্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৬ কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তোমাদের মধ্যে কে আপতিত ফিতনায়?
Yusuf Ali
6 Which of you is afflicted with madness.
Word by word
٦ بِأَييِّكُمُ ٱلْمَفْتُونُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ তোমার প্রতিপালক তো সম্যক অবগত আছেন কে তাঁহার পথ হইতে বিচ্যুত হইয়াছে এবং তিনি সম্যক জানেন তাহাদেরকে, যাহারা সৎপথপ্রাপ্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৭ আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তোমার প্রভুই সেই সত্তা, যিনি সর্বাধিক জানেন কারা তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত এবং তিনিই তাদের সর্বাধিক জানেন, যারা হিদায়াত প্রাপ্ত।
Yusuf Ali
7 Verily it is thy Lord that knoweth best, which (among men) hath strayed from His Path: and He knoweth best those who receive (true) Guidance.
Word by word
٧ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ সুতরাং তুমি মিথ্যাচারীদের অনুসরণ করিও না।
মুহিউদ্দীন খান
৮ অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ সুতরাং তুমি মিথ্যাবাদীদের আনুগত্য করোনা।
Yusuf Ali
8 So hearken not to those who deny (the Truth).
Word by word
٨ فَلَا تُطِعِ ٱلْمُكَذِّبِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ উহারা চায় যে, তুমি নমনীয় হও, তাহা হইলে উহারাও নমনীয় হইবে,
মুহিউদ্দীন খান
৯ তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তারা চায়, তুমি যদি নমনীয় হও, তবেই তারা নমনীয় হবে।
Yusuf Ali
9 Their desire is that thou shouldst be pliant: so would they be pliant.
Word by word
٩ وَدُّوا۟ لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং অনুসরণ করিও না তাহার - যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত,
মুহিউদ্দীন খান
১০ যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তুমি আনুগত্য করোনা বারবার হলফকারী হীন ব্যক্তির,
Yusuf Ali
10 Heed not the type of despicable men, - ready with oaths,
Word by word
١٠ وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ পশ্চাতে নিন্দাকারী, যে একের কথা অপরের নিকট লাগাইয়া বেড়ায়,
মুহিউদ্দীন খান
১১ যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ যে পেছনে নিন্দা করে এবং একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে বেড়ায়।
Yusuf Ali
11 A slanderer, going about with calumnies,
Word by word
١١ هَمَّازٍ مَّشَّآءٍۭ بِنَمِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ যে কল্যাণের কার্যে বাধা দান করে, যে সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ,
মুহিউদ্দীন খান
১২ যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ সে ভালো কাজে বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী, পাপিষ্ঠ।
Yusuf Ali
12 (Habitually) hindering (all) good, transgressing beyond bounds, deep in sin,
Word by word
١٢ مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ রূঢ় স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত ;
মুহিউদ্দীন খান
১৩ কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ সে কর্কশ স্বভাবের, তারপর কুখ্যাত।
Yusuf Ali
13 Violent (and cruel), - with all that, base - born, -
Word by word
١٣ عُتُلٍّۭ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ এইজন্য যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এ কারণে যে, সে ধন - সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ এর কারণ, তার অনেক মাল সম্পদ আছে এবং আছে অনেক সন্তান সন্ততি।
Yusuf Ali
14 Because he possesses wealth and (numerous) sons.
Word by word
١٤ أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ উহার নিকট আমার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হইলে সে বলে, ‘ইহা তো সেকালের উপকথা মাত্র।’
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তার কাছে যখন আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করা হয়, সে বলে: ‘এগুলো তো সেকালের কাহিনী।’
Yusuf Ali
15 When to him are rehearsed Our Signs, "Tales of the ancients", he cries!
Word by word
١٥ إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ءَايَٰتُنَا قَالَ أَسَٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ আমি উহার শুঁড় দাগাইয়া দিব।
মুহিউদ্দীন খান
১৬ আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ অচিরেই আমরা দাগ লাগিয়ে দেবো তার শুঁড়ে (নাকে)।
Yusuf Ali
16 Soon shall We brand (the beast) on the snout!
Word by word
١٦ سَنَسِمُهُۥ عَلَى ٱلْخُرْطُومِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ আমি উহাদেরকে পরীক্ষা করিয়াছি, যেভাবে পরীক্ষা করিয়াছিলাম উদ্যান - অধিপতিগণকে, যখন উহারা শপথ করিয়াছিল যে, উহারা প্রত্যূষে আহরণ করিবে বাগানের ফল,
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা তাদের পরীক্ষা করেছি, যেভাবে পরীক্ষা করেছিলাম বাগানওয়ালাদের, যখন তারা কসম খেয়ে বলেছিল তারা সকালে বাগানের ফল পাড়বে,
Yusuf Ali
17 Verily We have tried them as We tried the People of the Garden, when they resolved to gather the fruits of the (garden) in the morning.
Word by word
١٧ إِنَّا بَلَوْنَٰهُمْ كَمَا بَلَوْنَآ أَصْحَٰبَ ٱلْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا۟ لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ এবং তাহারা ‘ইন্শাআল্লাহ্’ বলে নাই।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ ইনশাআল্লাহ না বলে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তারা ইনশাল্লাহ (আল্লাহ চাহেন তো) বলেনি।
Yusuf Ali
18 But made no reservation, ("If it be Allah's Will").
Word by word
١٨ وَلَا يَسْتَثْنُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ অতঃপর তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে এক বিপর্যয় হানা দিল সেই উদ্যানে, যখন উহারা ছিল নিদ্রিত।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ তারপর তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে সেই বাগানের উপর দিয়ে বয়ে গেলো একটি ঝাপটা। তখন তারা ছিলো ঘুমে।
Yusuf Ali
19 Then there came on the (garden) a visitation from thy Lord, (which swept away) all around, while they were asleep.
Word by word
١٩ فَطَافَ عَلَيْهَا طَآئِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَآئِمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ ফলে উহা দগ্ধ হইয়া কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করিল।
মুহিউদ্দীন খান
২০ ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ ফলে সেই বাগান হয়ে যায় কালো বর্ণ (কয়লার মতো)।
Yusuf Ali
20 So the (garden) became, by the morning, like a dark and desolate spot, (whose fruit had been gathered).
Word by word
٢٠ فَأَصْبَحَتْ كَٱلصَّرِيمِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ প্রত্যূষে উহারা একে অপরকে ডাকিয়া বলিল,
মুহিউদ্দীন খান
২১ সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ভোরে তারা পরস্পরকে ডাকলো (বললো:)
Yusuf Ali
21 As the morning broke, they called out, one to another, -
Word by word
٢١ فَتَنَادَوْا۟ مُصْبِحِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ ‘তোমরা যদি ফল আহরণ করিতে চাও তবে সকাল সকাল বাগানে চল।’
মুহিউদ্দীন খান
২২ তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ ‘যদি তোমরা সকাল সকাল ফল পাড়তে চাও, তবে সকাল সকাল বাগানে চলো।’
Yusuf Ali
22 "Go ye to your tilth (betimes) in the morning, if ye would gather the fruits."
Word by word
٢٢ أَنِ ٱغْدُوا۟ عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰرِمِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ অতঃপর উহারা চলিল নিম্নস্বরে কথা বলিতে বলিতে,
মুহিউদ্দীন খান
২৩ অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তারপর তারা (বাগানের দিকে) চললো নিচু স্বরে (এই) কথা বলতে বলতে:
Yusuf Ali
23 So they departed, conversing in secret low tones, (saying) -
Word by word
٢٣ فَٱنطَلَقُوا۟ وَهُمْ يَتَخَٰفَتُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ ‘অদ্য যেন তোমাদের নিকটে কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি উহাতে প্রবেশ করিতে না পারে।’
মুহিউদ্দীন খান
২৪ অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আজ যেনো তোমাদের কাছে বাগানে দাখিল না হয় কোনো মিসকিন (অভাবী)।
Yusuf Ali
24 "Let not a single indigent person break in upon you into the (garden) this day."
Word by word
٢٤ أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا ٱلْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ অতঃপর উহারা নিবৃত্ত করিতে সক্ষম - এই বিশ্বাস লইয়া প্রভাতকালে বাগানে যাত্রা করিল।
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আর তারা ভোরে ভোরেই বাগানে রওয়ানা করলো (মিসকিন) প্রতিরোধ করতে সক্ষম মনে করে।
Yusuf Ali
25 And they opened the morning, strong in an (unjust) resolve.
Word by word
٢٥ وَغَدَوْا۟ عَلَىٰ حَرْدٍ قَٰدِرِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ অতঃপর উহারা যখন বাগানের অবস্থা প্রত্যক্ষ করিল, তখন বলিল, ‘আমরা তো দিশা হারাইয়া ফেলিয়াছি।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ তারপর যখন বাগানের অবস্থা দেখলো, বললো: ‘‘আমরা তো বিভ্রান্ত হয়ে পড়লাম।
Yusuf Ali
26 But when they saw the (garden), they said: "We have surely lost our way:
Word by word
٢٦ فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوٓا۟ إِنَّا لَضَآلُّونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ ‘বরং আমরা তো বঞ্চিত।’
মুহিউদ্দীন খান
২৭ বরং আমরা তো কপালপোড়া,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ বরং আমরা বঞ্চিত হয়ে গেছি।’’
Yusuf Ali
27 "Indeed we are shut out (of the fruits of our labour)!"
Word by word
٢٧ بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ উহাদের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি বলিল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলি নাই ? এখনও তোমরা আল্লাহ্ র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছ না কেন ?’
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের সবচে’ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি বললো: ‘আমি কি তোমাদের বলিনি, কেন তোমরা তসবিহ করছোনা?
Yusuf Ali
28 Said one of them, more just (than the rest): "Did I not say to you, 'Why not glorify (Allah)?'"
Word by word
٢٨ قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ তখন উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিতেছি, আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ (তারা বললো:) আমাদের প্রভুর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, অবশ্যি আমরা ছিলাম যালিম।
Yusuf Ali
29 They said: "Glory to our Lord! Verily we have been doing wrong!"
Word by word
٢٩ قَالُوا۟ سُبْحَٰنَ رَبِّنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ অতঃপর উহারা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিতে লাগিল।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তখন তারা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে থাকলো।
Yusuf Ali
30 Then they turned, one against another, in reproach.
Word by word
٣٠ فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَٰوَمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ উহারা বলিল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম সীমালংঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ তারা বললো: ‘‘হায় ধ্বংস আমাদের, অবশ্যি আমরা ছিলাম সীমালংঘনকারী।
Yusuf Ali
31 They said: "Alas for us! We have indeed transgressed!
Word by word
٣١ قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا طَٰغِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ সম্ভবত আমাদের প্রতিপালক ইহা হইতে আমাদেরকে উৎকৃষ্টতর বিনিময় দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হইলাম।’
মুহিউদ্দীন খান
৩২ সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ হয়তো আমাদের প্রভু আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম বদলা (বিনিময়) দেবেন, আমরা আমাদের প্রভুর অভিমুখী হলাম।’’
Yusuf Ali
32 "It may be that our Lord will give us in exchange a better (garden) than this: for we do turn to Him (in repentance)!"
Word by word
٣٢ عَسَىٰ رَبُّنَآ أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَآ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا رَٰغِبُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ শাস্তি এইরূপই হইয়া থাকে এবং আখিরাতের শাস্তি কঠিনতর। যদি উহারা জানিত।
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ আযাব এরকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের আযাব অবশ্যি এর চাইতে অনেক জঘন্যতর, যদি তারা জানতো!
Yusuf Ali
33 Such is the Punishment (in this life); but greater is the Punishment in the Hereafter, - if only they knew!
Word by word
٣٣ كَذَٰلِكَ ٱلْعَذَابُ وَلَعَذَابُ ٱلْءَاخِرَةِ أَكْبَرُ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রহিয়াছে ভোগ - বিলাসপূর্ণ জান্নাত তাহাদের প্রতিপালকের নিকট।
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে ‘জান্নাতুন নায়ীম’।
Yusuf Ali
34 Verily, for the Righteous, are Gardens of Delight, in the Presence of their Lord.
Word by word
٣٤ إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ আমি কি আত্মসমর্পণ - কারীদেরকে অপরাধীদের সমতুল্য গণ্য করিব?
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমরা কি আত্মসমর্পণকারী - মুসলিমদের গণ্য করবো অপরাধীদের সমতুল্য?
Yusuf Ali
35 Shall We then treat the People of Faith like the People of Sin?
Word by word
٣٥ أَفَنَجْعَلُ ٱلْمُسْلِمِينَ كَٱلْمُجْرِمِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ তোমাদের কী হইয়াছে, তোমরা এ কেমন সিদ্ধান্ত দিতেছ?
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ তোমাদের কী হয়েছে - তোমরা কিভাবে ফায়সালা করছো?
Yusuf Ali
36 What is the matter with you? How judge ye?
Word by word
٣٦ مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ তোমাদের নিকট কী কোন কিতাব আছে যাহাতে তোমরা অধ্যয়ন কর -
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ নাকি তোমাদের কাছে কোনো কিতাব রয়েছে যার মধ্যে (এসব) তোমরা পাঠ করছো?
Yusuf Ali
37 Or have ye a book through which ye learn -
Word by word
٣٧ أَمْ لَكُمْ كِتَٰبٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ যে, তোমাদের জন্য উহাতে রহিয়াছে যাহা তোমরা পসন্দ কর?
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তাতে কি লেখা রয়েছে তোমাদের পছন্দসই কথা?
Yusuf Ali
38 That ye shall have, through it whatever ye choose?
Word by word
٣٨ إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ তোমাদের কি আমার সঙ্গে কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ এমন কোন অঙ্গীকার রহিয়াছে যে, তোমরা নিজেদের জন্য যাহা স্থির করিবে তাহাই পাইবে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ নাকি আমার সাথে তোমাদের কোনো অংগীকার আছে যা কিয়ামতকাল পর্যন্ত বলবত থাকবে? নিশ্চয়ই তোমরা তাই পাবে, যা নিজেদের জন্যে ফায়সালা করবে।
Yusuf Ali
39 Or have ye Covenants with Us to oath, reaching to the Day of Judgment, (providing) that ye shall have whatever ye shall demand?
Word by word
٣٩ أَمْ لَكُمْ أَيْمَٰنٌ عَلَيْنَا بَٰلِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ তুমি উহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর উহাদের মধ্যে এই দাবির যিম্মাদার কে?
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ তাদের তুমি প্রশ্ন করো, এ ব্যাপারে তাদের যিম্মাদার কে?
Yusuf Ali
40 Ask thou of them, which of them will stand surety for that!
Word by word
٤٠ سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ উহাদের কি কোন দেব - দেবী আছে? থাকিলে উহারা উহাদের দেব - দেবীগুলিকে উপস্থিত করুক - যদি উহারা সত্যবাদী হয়।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ নাকি তাদের শরিক করা (দেব দেবী) আছে? তবে তারা সেই শরিকদের নিয়ে আসুক যদি তারা হয়ে থাকে সত্যবাদী।
Yusuf Ali
41 Or have they some "Partners" (in Allahhead)? Then let them produce their "partners", if they are truthful!
Word by word
٤١ أَمْ لَهُمْ شُرَكَآءُ فَلْيَأْتُوا۟ بِشُرَكَآئِهِمْ إِن كَانُوا۟ صَٰدِقِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ স্মরণ কর সেই দিনের কথা, যেদিন পায়ের গোছা উন্মোচিত করা হইবে, সেই দিন উহাদেরকে আহ্বান করা হইবে সিজ্দা করিবার জন্য কিন্তু উহারা সক্ষম হইবে না;
মুহিউদ্দীন খান
৪২ গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ স্মরণ করো, যেদিন তাদের পায়ের নলা উন্মোচিত করা হবে এবং তাদের ডাকা হবে সাজদা করতে, কিন্তু তাদের তা করার শক্তি থাকবেনা।
Yusuf Ali
42 The Day that the shin shall be laid bare, and they shall be summoned to bow in adoration, but they shall not be able, -
Word by word
٤٢ يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ উহাদের দৃষ্টি অবনত, হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে অথচ যখন উহারা নিরাপদ ছিল তখন তো উহাদেরকে আহ্বান করা হইয়াছিল সিজ্দা করিতে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের গ্রাস করে নেবে যিল্লতি। অথচ (পৃথিবীতে) যখন তাদের সাজদা করতে ডাকা হতো তখন তারা নিজেদের (তা থেকে) রাখতো দূরে।
Yusuf Ali
43 Their eyes will be cast down, - ignominy will cover them; seeing that they had been summoned aforetime to bow in adoration, while they were whole, (and had refused).
Word by word
٤٣ خَٰشِعَةً أَبْصَٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ وَقَدْ كَانُوا۟ يُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ وَهُمْ سَٰلِمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ছাড়িয়া দাও আমাকে এবং যাহারা এই বাণীকে প্রত্যাখ্যান করে তাহাদেরকে, আমি উহাদেরকে ক্রমে ক্রমে ধরিব এমনভাবে যে, উহারা জানিতে পারিবে না।
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ আমাকে ছেড়ে দাও আর যারা এই বাণীকে (আল কুরআনকে) অস্বীকার করে তাদেরকে। আমরা ক্রমান্বয়ে তাদেরকে এমনভাবে ধরবো যে, তারা জানতেও পারবেনা।
Yusuf Ali
44 Then leave Me alone with such as reject this Message: by degrees shall We punish them from directions they perceive not.
Word by word
٤٤ فَذَرْنِى وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا ٱلْحَدِيثِ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ আর আমি উহাদেরকে সময় দিয়া থাকি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত বলিষ্ঠ।
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ আমি তাদের অবকাশ দিই, আমার কৌশল মজবুত।
Yusuf Ali
45 A (long) respite will I grant them: truly powerful is My Plan.
Word by word
٤٥ وَأُمْلِى لَهُمْ إِنَّ كَيْدِى مَتِينٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ তুমি কি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাহিতেছ যে, তাহা উহাদের কাছে দুর্বহ দণ্ড মনে হয়?
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তুমি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চাইছো আর তারা সেটাকে মনে করছে দুর্বহ বোঝা?
Yusuf Ali
46 Or is it that thou dost ask them for a reward, so that they are burdened with a load of debt? -
Word by word
٤٦ أَمْ تَسْـَٔلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ উহাদের কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, উহারা তাহা লিখিয়া রাখে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নাকি তাদের কাছে গায়েবের জ্ঞান আছে আর তারা তা লিখে রাখছে?
Yusuf Ali
47 Or that the Unseen is in their hands, so that they can write it down?
Word by word
٤٧ أَمْ عِندَهُمُ ٱلْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়, তুমি মৎস্য - সহচরের ন্যায় অধৈর্য হইও না, সে বিষাদ - আচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর প্রার্থনা করিয়াছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ তোমার প্রভুর হুকুমের অপেক্ষায় সবর করো, মাছওয়ালার (ইউনুসের) মতো (অধৈর্য) হয়োনা। সে চরম হতাশায় আচ্ছন্ন অবস্থায় (আমাকে বিনীতভাবে) ডেকেছিল।
Yusuf Ali
48 So wait with patience for the Command of thy Lord, and be not like the Companion of the Fish, - when he cried out in agony.
Word by word
٤٨ فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ ٱلْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ তাহার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তাহার নিকট না পৌঁছিলে সে লাঞ্ছিত হইয়া নিক্ষিপ্ত হইত উন্মুক্ত প্রান্তরে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ তার প্রভুর অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছুলে সে চরম লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতো উন্মুক্ত প্রান্তরে।
Yusuf Ali
49 Had not Grace from his Lord reached him, he would indeed have been cast off on the naked shore, in disgrace.
Word by word
٤٩ لَّوْلَآ أَن تَدَٰرَكَهُۥ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ لَنُبِذَ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ পুনরায় তাহার প্রতিপালক তাহাকে মনোনীত করিলেন এবং তাহাকে সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত করিলেন।
মুহিউদ্দীন খান
৫০ অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ তারপর তার প্রভু তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে তাঁর সালেহ্ বান্দাদের অন্তরভুক্ত করলেন।
Yusuf Ali
50 Thus did his Lord choose him and make him of the Company of the Righteous.
Word by word
٥٠ فَٱجْتَبَٰهُ رَبُّهُۥ فَجَعَلَهُۥ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ কাফিররা যখন কুরআন শ্রবণ করে তখন উহারা যেন উহাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দ্বারা তোমাকে আছড়াইয়া ফেলিবে এবং বলে, ‘এ তো এক পাগল!’
মুহিউদ্দীন খান
৫১ কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ কাফিররা যখন আয যিক্র (আল কুরআন) শুনে, তখন যেনো তারা তাদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে আছাড় মারবে। তারা বলে: ‘এতো এক পাগল।’
Yusuf Ali
51 And the Unbelievers would almost trip thee up with their eyes when they hear the Message; and they say: "Surely he is possessed!"
Word by word
٥١ وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ কুরআন তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।
মুহিউদ্দীন খান
৫২ অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ অথচ এ (কুরআন) তো জগতবাসীর জন্যে এক (কল্যাণময়) উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
Yusuf Ali
52 But it is nothing less than a Message to all the worlds.
Word by word
٥٢ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَٰلَمِينَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report