আল ক্বামার , choose another chapter
আল ক্বামার
Chapter 54, 55 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
Arabic, with marks
Add book
List
Grid
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ কিয়ামত নিকটবর্তী হইয়াছে, আর চন্দ্র বিদীর্ণ হইয়াছে,
মুহিউদ্দীন খান
১ কেয়ামত আসন্ন, চন্দ্র বিদীর্ণ হয়েছে।
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে মুখ ফিরাইয়া নেয় এবং বলে, ‘ইহা তো চিরাচরিত জাদু।’
মুহিউদ্দীন খান
২ তারা যদি কোন নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাগত জাদু।
সমকালীন বাংলা
২ আর তারা কোনো নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, “এ তো যথারীতি জাদু।”
Arabic, with marks
٢ وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ উহারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে, আর প্রত্যেক ব্যাপারই লক্ষ্যে পৌঁছিবে।
মুহিউদ্দীন খান
৩ তারা মিথ্যারোপ করছে এবং নিজেদের খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করছে। প্রত্যেক কাজ যথাসময়ে স্থিরীকৃত হয়।
সমকালীন বাংলা
৩ আর তারা অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করেছে; আর প্রত্যেক বিষয়ের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
Arabic, with marks
٣ وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ ۚ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ উহাদের নিকট আসিয়াছে সুসংবাদ, যাহাতে আছে সাবধান বাণী;
মুহিউদ্দীন খান
৪ তাদের কাছে এমন সংবাদ এসে গেছে, যাতে সাবধানবাণী রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
৪ আর অবশ্যই তাদের কাছে এমন সংবাদ এসেছে, যাতে সতর্কবার্তা রয়েছে।
Arabic, with marks
٤ وَلَقَدْ جَاءَهُم مِّنَ الْأَنبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ ইহা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে এই সতর্কবাণী উহাদের কোন উপকারে আসে নাই।
মুহিউদ্দীন খান
৫ এটা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে সতর্ককারীগণ তাদের কোন উপকারে আসে না।
সমকালীন বাংলা
৫ পরিপূর্ণ প্রজ্ঞা, কিন্তু উপদেশগুলো কোনো কাজে আসে না।
Arabic, with marks
٥ حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ ۖ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ অতএব তুমি উহাদের উপেক্ষা কর। যেদিন আহবানকারী আহ্বান করিবে এক ভয়াবহ পরিণামের দিকে,
মুহিউদ্দীন খান
৬ অতএব, আপনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপ্রিয় পরিণামের দিকে,
সমকালীন বাংলা
৬ অতএব তাদের উপেক্ষা করো, সেদিন আহ্বানকারী এক ভয়ংকর বিষয়ে আহ্বান করবে।
Arabic, with marks
٦ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ ۘ يَوْمَ يَدْعُ الدَّاعِ إِلَىٰ شَيْءٍ نُّكُرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ অপমানে অবনমিত নেত্রে সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে বিক্ষিপ্ত পঙ্গপালের ন্যায়,
মুহিউদ্দীন খান
৭ তারা তখন অবনমিত নেত্রে কবর থেকে বের হবে বিক্ষিপ্ত পংগপাল সদৃশ।
সমকালীন বাংলা
৭ তাদের দৃষ্টিগুলো অবনত থাকবে। তারা কবরসমূহ থেকে বের হবে, যেনো তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল।
Arabic, with marks
٧ خُشَّعًا أَبْصَارُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ উহারা আহ্বানকারীর দিকে ছুটিয়া আসিবে ভীত - বিহ্বল হইয়া। কাফিররা বলিবে, ‘কঠিন এই দিন।’
মুহিউদ্দীন খান
৮ তারা আহবানকারীর দিকে দৌড়াতে থাকবে। কাফেরা বলবেঃ এটা কঠিন দিন।
সমকালীন বাংলা
৮ তারা আহ্বানকারীর দিকে দ্রুত এগিয়ে যাবে। অবিশ্বাসীরা বলবে, “এটি এক কঠিন দিন।”
Arabic, with marks
٨ مُّهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِ ۖ يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ ইহাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও অস্বীকার করিয়াছিল - অস্বীকার করিয়াছিল আমার বান্দাকে আর বলিয়াছিল, ‘এ তো এক পাগল।’ আর তাহাকে ভীতি প্রদর্শন করা হইয়াছিল।
মুহিউদ্দীন খান
৯ তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও মিথ্যারোপ করেছিল। তারা মিথ্যারোপ করেছিল আমার বান্দা নূহের প্রতি এবং বলেছিলঃ এ তো উম্মাদ। তাঁরা তাকে হুমকি প্রদর্শন করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৯ তাদের আগে নূহের সম্প্রদায় অস্বীকার করেছিল। তারা আমাদের বান্দাকে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, “সে তো উন্মাদ।” আর তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
Arabic, with marks
٩ ۞ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا عَبْدَنَا وَقَالُوا مَجْنُونٌ وَازْدُجِرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ তখন সে তাহার প্রতিপালককে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিল, ‘আমি তো অসহায়, অতএব তুমি প্রতিবিধান কর।’
মুহিউদ্দীন খান
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডেকে বললঃ আমি অক্ষম, অতএব, তুমি প্রতিবিধান কর।
সমকালীন বাংলা
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডাকল, “আমি পরাজিত, অতএব আপনি সাহায্য করুন।”
Arabic, with marks
١٠ فَدَعَا رَبَّهُ أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانتَصِرْ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ ফলে আমি উন্মুক্ত করিয়া দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারি বর্ষণে,
মুহিউদ্দীন খান
১১ তখন আমি খুলে দিলাম আকাশের দ্বার প্রবল বারিবর্ষণের মাধ্যমে।
সমকালীন বাংলা
১১ অতঃপর আমরা আকাশের দরজাগুলো প্রবলভাবে বর্ষণকারী পানি দিয়ে খুলে দিলাম।
Arabic, with marks
١١ فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ এবং মৃত্তিকা হইতে উৎসারিত করিলাম প্রস্রবণ; অতঃপর সকল পানি মিলিত হইল এক পরিকল্পনা অনুসারে।
মুহিউদ্দীন খান
১২ এবং ভুমি থেকে প্রবাহিত করলাম প্রস্রবণ। অতঃপর সব পানি মিলিত হল এক পরিকম্পিত কাজে।
সমকালীন বাংলা
১২ আর আমরা মাটি থেকে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করে দিলাম, অতঃপর সব পানি পরিকল্পনা অনুযায়ী মিলিত হলো।
Arabic, with marks
١٢ وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَىٰ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তখন নূহকে আরোহণ করাইলাম কাষ্ঠ ও কীলক নির্মিত এক নৌযানে,
মুহিউদ্দীন খান
১৩ আমি নূহকে আরোহণ করালাম এক কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত জলযানে।
সমকালীন বাংলা
১৩ আর আমরা তাকে তক্তা ও পেরেকের উপর বহন করলাম।
Noteকাঠের তক্তা ও পেরেক নির্মিত নৌকার উপরে
Arabic, with marks
١٣ وَحَمَلْنَاهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ যাহা চলিত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে; ইহা পুরস্কার তাহার জন্য, যে প্রত্যাখ্যাত হইয়াছিল।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ যা চলত আমার দৃষ্টি সামনে। এটা তার পক্ষ থেকে প্রতিশোধ ছিল, যাকে প্রত্যখ্যান করা হয়েছিল।
সমকালীন বাংলা
১৪ যা আমাদের চোখের সামনে চলছিল, তার প্রতি প্রতিদানস্বরূপ যার সঙ্গে অবিশ্বাস করা হয়েছিল।
Arabic, with marks
١٤ تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِّمَن كَانَ كُفِرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ আমি তো ইহাকে রাখিয়া দিয়াছি এক নিদর্শনরূপে; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
১৫ আমি একে এক নিদর্শনরূপে রেখে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৫ আর অবশ্যই আমরা সেটিকে এক নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
Arabic, with marks
١٥ وَلَقَد تَّرَكْنَاهَا آيَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ কী কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
মুহিউদ্দীন খান
১৬ কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
১৬ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Arabic, with marks
١٦ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৭ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
Arabic, with marks
١٧ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ ‘আদ সম্প্রদায় সত্য অস্বীকার করিয়াছিল, ফলে কিরূপ ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
মুহিউদ্দীন খান
১৮ আদ সম্প্রদায় মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কেমন কঠোর হয়েছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
১৮ আদ অস্বীকার করেছিল। অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Note“আদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
Arabic, with marks
١٨ كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ উহাদের উপর আমি প্রেরণ করিয়াছিলাম ঝঞ্ঝাবায়ু নিরবচ্ছিন্ন দুর্ভাগ্যের দিনে,
মুহিউদ্দীন খান
১৯ আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম ঝঞ্জাবায়ু এক চিরাচরিত অশুভ দিনে।
সমকালীন বাংলা
১৯ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর এক অশুভ দিনে প্রচণ্ড ঝড় পাঠিয়েছিলাম।
Arabic, with marks
١٩ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ মানুষকে উহা উৎখাত করিয়াছিল উন্মুলিত খর্জুর - কাণ্ডের ন্যায়।
মুহিউদ্দীন খান
২০ তা মানুষকে উৎখাত করছিল, যেন তারা উৎপাটিত খর্জুর বৃক্ষের কান্ড।
সমকালীন বাংলা
২০ যা মানুষকে উপড়ে ফেলছিল, যেনো তারা উপড়ে ফেলা খেজুরগাছের কাণ্ড।
Arabic, with marks
٢٠ تَنزِعُ النَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنقَعِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ কী কঠোর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী!
মুহিউদ্দীন খান
২১ অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
২১ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Arabic, with marks
٢١ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ কুরআন আমি সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
২২ আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
২২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
Arabic, with marks
٢٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ সামূদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদেরকে অস্বীকার করিয়াছিল,
মুহিউদ্দীন খান
২৩ সামুদ সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
সমকালীন বাংলা
২৩ সামূদ অস্বীকার করেছিল সতর্কবার্তাগুলোকে।
Note“সামূদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
Arabic, with marks
٢٣ كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِالنُّذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ তাহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা কি আমাদেরই এক ব্যক্তির অনুসরণ করিব? তবে তো আমরা পথভ্রষ্টতায় এবং উন্মত্ততায় পতিত হইব।
মুহিউদ্দীন খান
২৪ তারা বলেছিলঃ আমরা কি আমাদেরই একজনের অনুসরণ করব? তবে তো আমরা বিপথগামী ও বিকার গ্রস্থরূপে গণ্য হব।
সমকালীন বাংলা
২৪ তখন তারা বলেছিল, “আমরা কি আমাদের মধ্যকার একজন মানুষের অনুসরণ করব? তাহলে তো আমরা অবশ্যই বিভ্রান্তি ও উন্মাদনায় পড়বো।
Arabic, with marks
٢٤ فَقَالُوا أَبَشَرًا مِّنَّا وَاحِدًا نَّتَّبِعُهُ إِنَّا إِذًا لَّفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ ‘আমাদের মধ্যে কি উহারই প্রতি প্রত্যাদেশ হইয়াছে? না, সে তো একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আমাদের মধ্যে কি তারই প্রতি উপদেশ নাযিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
সমকালীন বাংলা
২৫ আমাদের মধ্য থেকে কি তার ওপরই উপদেশ নাজিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, অহংকারী।”
Arabic, with marks
٢٥ أَأُلْقِيَ الذِّكْرُ عَلَيْهِ مِن بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ আগামীকল্য উহারা জানিবে, কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এখন আগামীকল্যই তারা জানতে পারবে কে মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।
সমকালীন বাংলা
২৬ তারা আগামীকাল জানতে পারবে, কে মিথ্যাবাদী, অহংকারী।
Arabic, with marks
٢٦ سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَّنِ الْكَذَّابُ الْأَشِرُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ আমি উহাদের পরীক্ষার জন্য পাঠাইয়াছি এক উষ্ট্রী, অতএব তুমি উহাদের আচরণ লক্ষ্য কর এবং ধৈর্যশীল হও।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ আমি তাদের পরীক্ষার জন্য এক উষ্ট্রী প্রেরণ করব, অতএব, তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখ এবং সবর কর।
সমকালীন বাংলা
২৭ নিশ্চয়ই আমরা তাদের পরীক্ষা করার জন্য উটনী পাঠাব। অতএব তুমি তাদের পর্যবেক্ষণ করো এবং ধৈর্য ধরো।
Note
Arabic, with marks
٢٧ إِنَّا مُرْسِلُو النَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ এবং উহাদেরকে জানাইয়া দাও যে, উহাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে উপস্থিত হইবে পালাক্রমে।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানির পালা নির্ধারিত হয়েছে এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে।
সমকালীন বাংলা
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে, পানি তাদের মধ্যে বণ্টিত। প্রত্যেকের পান করার পালা নির্ধারিত।
Arabic, with marks
٢٨ وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ ۖ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ অতঃপর উহারা উহাদের এক সঙ্গীকে আহ্বান করিল, সে উহাকে ধরিয়া হত্যা করিল।
মুহিউদ্দীন খান
২৯ অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। সে তাকে ধরল এবং বধ করল।
সমকালীন বাংলা
২৯ অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকলো, সে উটনীটিকে ধরলো এবং হত্যা করলো।
Arabic, with marks
٢٩ فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ কিরূপ কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ অতঃপর কেমন কঠোর ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৩০ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Arabic, with marks
٣٠ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ আমি উহাদেরকে আঘাত হানিয়াছিলাম এক মহানাদ দ্বারা; ফলে উহারা হইয়া গেল খোঁয়াড় প্রস্তুতকারীর বিখণ্ডিত শুষ্ক শাখা - প্রশাখার ন্যায়।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমি তাদের প্রতি একটিমাত্র নিনাদ প্রেরণ করেছিলাম। এতেই তারা হয়ে গেল শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত দলিত খোয়াড়ের ন্যায়।
সমকালীন বাংলা
৩১ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর একটিমাত্র প্রচণ্ড শব্দ পাঠিয়েছিলাম, অতঃপর তারা শুষ্ক খড়ের মতো হয়ে গেল।
Arabic, with marks
٣١ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩২ আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আমি কোরআনকে বোঝার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৩২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
Arabic, with marks
٣٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৩ লূত সম্প্রদায় অস্বীকার করিয়াছিল সতর্ককারীদেরকে,
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ লূত - সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৩৩ লূতের সম্প্রদায় সতর্কবার্তাগুলোকে অস্বীকার করেছিল।
Arabic, with marks
٣٣ كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ بِالنُّذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৪ আমি উহাদের উপর প্রেরণ করিয়াছিলাম প্রস্তর বহনকারী প্রচণ্ড ঝটিকা, কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয় ; তাহাদেরকে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম রাত্রির শেষাংশে
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আমি তাদের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী প্রচন্ড ঘূর্ণিবায়ু; কিন্তু লূত পরিবারের উপর নয়। আমি তাদেরকে রাতের শেষপ্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
সমকালীন বাংলা
৩৪ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর পাথরবাহী এক ঝড় পাঠিয়েছিলাম, তবে লূতের পরিবারকে নয়; আমরা তাদের রাতের শেষ প্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
Arabic, with marks
٣٤ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّا آلَ لُوطٍ ۖ نَّجَّيْنَاهُم بِسَحَرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৫ আমার বিশেষ অনুগ্রহস্বরূপ; যাহারা কৃতজ্ঞ, আমি এইভাবেই তাহাদেরকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি।
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ। যারা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে, আমি তাদেরকে এভাবে পুরস্কৃত করে থকি।
সমকালীন বাংলা
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ। এভাবেই আমরা তাকে প্রতিদান দিই যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
Arabic, with marks
٣٥ نِّعْمَةً مِّنْ عِندِنَا ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِي مَن شَكَرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৬ লূত উহাদেরকে সতর্ক করিয়াছিল আমার কঠোর শাস্তি সম্পর্কে; কিন্তু উহারা সতর্কবাণী সম্বন্ধে বিতণ্ডা শুরু করিল।
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ লূত (আঃ) তাদেরকে আমার প্রচন্ড পাকড়াও সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। অতঃপর তারা সতর্কবাণী সম্পর্কে বাকবিতন্ডা করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৩৬ আর অবশ্যই সে তাদের আমাদের কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল, কিন্তু তারা সতর্কবার্তাগুলো নিয়ে বিতর্ক করেছিল।
Arabic, with marks
٣٦ وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا بِالنُّذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৭ উহারা লূতের নিকট হইতে তাহার মেহমানদেরকে অসদুদ্দেশ্যে দাবি করিল, তখন আমি উহাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করিয়া দিলাম এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্ক - বাণীর পরিণাম।
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ তারা লূতের (আঃ) কাছে তার মেহমানদেরকে দাবী করেছিল। তখন আমি তাদের চক্ষু লোপ করে দিলাম। অতএব, আস্বাদন কর আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৩৭ আর তারা তার অতিথিদের ব্যাপারে তাকে প্রলুব্ধ করতে চেয়েছিল, অতঃপর আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি মুছে দিয়েছিলাম। সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
Arabic, with marks
٣٧ وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৮ প্রত্যূষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদেরকে আঘাত করিল।
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদেরকে প্রত্যুষে নির্ধারিত শাস্তি আঘাত হেনেছিল।
সমকালীন বাংলা
৩৮ আর অবশ্যই তাদের ওপর সকালে স্থায়ী শাস্তি নেমে এসেছিল।
Arabic, with marks
٣٨ وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩৯ এবং আমি বলিলাম, ‘আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।’
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ অতএব, আমার শাস্তি ও সতর্কবাণী আস্বাদন কর।
সমকালীন বাংলা
৩৯ সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
Arabic, with marks
٣٩ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪০ আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি কোরআনকে বোঝবার জন্যে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৪০ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
Arabic, with marks
٤٠ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪১ ফির‘আওন সম্প্রদায়ের নিকটও আসিয়াছিল সতর্ককারী;
মুহিউদ্দীন খান
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও সতর্ককারীগণ আগমন করেছিল।
সমকালীন বাংলা
৪১ আর অবশ্যই ফেরাউনের লোকদের কাছে সতর্কবার্তা এসেছিল।
Arabic, with marks
٤١ وَلَقَدْ جَاءَ آلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪২ কিন্তু উহারা আমার সকল নিদর্শন প্রত্যাখ্যান করিল, অতঃপর পরাক্রম - শালী ও সর্বশক্তিমানরূপে আমি উহাদেরকে সুকঠিন শাস্তি দিলাম।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ তারা আমার সকল নিদর্শনের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল। অতঃপর আমি পরাভূতকারী, পরাক্রমশালীর ন্যায় তাদেরকে পাকড়াও করলাম।
সমকালীন বাংলা
৪২ তারা আমাদের সব নিদর্শন অস্বীকার করেছিল। অতঃপর আমরা তাদের ধরেছিলাম এক পরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমান ব্যক্তির ধরার মতো।
Arabic, with marks
٤٢ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَاهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُّقْتَدِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৩ তোমাদের মধ্যকার কাফিররা কি উহাদের অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ? না কি তোমাদের অব্যাহতির কোন সনদ রহিয়াছে পূর্ববর্তী কিতাবে?
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তোমাদের মধ্যকার কাফেররা কি তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ ? না তোমাদের মুক্তির সনদপত্র রয়েছে কিতাবসমূহে?
সমকালীন বাংলা
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি তোমাদের জন্য কিতাবসমূহে কোনো অব্যাহতি রয়েছে?
Arabic, with marks
٤٣ أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُولَٰئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৪ ইহারা কি বলে, ‘আমরা এক সঙ্ঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ না তারা বলে যে, আমারা এক অপরাজেয় দল?
সমকালীন বাংলা
৪৪ নাকি তারা বলে, “আমরা একটি সংঘবদ্ধ দল, আমরা বিজয়ী হবো”?
Arabic, with marks
٤٤ أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৫ এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিবে,
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ এ দল তো সত্ত্বরই পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে।
সমকালীন বাংলা
৪৫ শীঘ্রই সেই দল পরাজিত হবে এবং তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাবে।
Arabic, with marks
٤٥ سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৬ অধিকন্তু কিয়ামত উহাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং কিয়ামত হইবে কঠিনতর ও তিক্ততর;
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ বরং কেয়ামত তাদের প্রতিশ্রুত সময় এবং কেয়ামত ঘোরতর বিপদ ও তিক্ততর।
সমকালীন বাংলা
৪৬ বরং তাদের প্রতিশ্রুত সময় কিয়ামত। আর কিয়ামত অধিক ভয়ংকর এবং অধিক তিক্ত।
Arabic, with marks
٤٦ بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ নিশ্চয় অপরাধীরা পথভ্রষ্ট ও বিকারগ্রস্ত।
সমকালীন বাংলা
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
Arabic, with marks
٤٧ إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৮ যেদিন উহাদের উপুড় করিয়া টানিয়া লইয়া যাওয়া হইবে জাহান্নামের দিকে; সেই দিন বলা হইবে, ‘জাহান্নামের যন্ত্রণা আস্বাদন কর।’
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ যেদিন তাদেরকে মুখ হিঁচড়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামে, বলা হবেঃ অগ্নির খাদ্য আস্বাদন কর।
সমকালীন বাংলা
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে আগুনে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, “সাকারের স্পর্শ আস্বাদন করো।”
Note"সাকার" একটি দোজখের নাম
Arabic, with marks
٤٨ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪৯ আমি সকল কিছু সৃষ্টি করিয়াছি নির্ধারিত পরিমাপে,
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তুকে পরিমিতরূপে সৃষ্টি করেছি।
সমকালীন বাংলা
৪৯ নিশ্চয়ই আমরা প্রত্যেক বিষয় পরিমাপ অনুযায়ী সৃষ্টি করেছি।
Arabic, with marks
٤٩ إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০ আমার আদেশ তো একটি কথায় নিষ্পন্ন, চক্ষুর পলকের মত।
মুহিউদ্দীন খান
৫০ আমার কাজ তো এক মুহূর্তে চোখের পলকের মত।
সমকালীন বাংলা
৫০ আর আমাদের আদেশ তো একটিমাত্র, চোখের পলকের মতো।
Arabic, with marks
٥٠ وَمَا أَمْرُنَا إِلَّا وَاحِدَةٌ كَلَمْحٍ بِالْبَصَرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১ আমি ধ্বংস করিয়াছি তোমাদের মত দলগুলিকে; অতএব উহা হইতে উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আমি তোমাদের সমমনা লোকদেরকে ধ্বংস করেছি, অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৫১ আর অবশ্যই আমরা তোমাদের মতো লোকদের ধ্বংস করেছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
Arabic, with marks
٥١ وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫২ উহাদের সমস্ত কার্যকলাপ আছে আমলনামায়,
মুহিউদ্দীন খান
৫২ তারা যা কিছু করেছে, সবই আমলনামায় লিপিবদ্ধ আছে।
সমকালীন বাংলা
৫২ আর তারা যা করেছে, সবকিছু খাতাসমূহে লিখিত রয়েছে।
Arabic, with marks
٥٢ وَكُلُّ شَيْءٍ فَعَلُوهُ فِي الزُّبُرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৩ আছে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সমস্ত কিছুই লিপিবদ্ধ।
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ ছোট ও বড় সবই লিপিবদ্ধ।
সমকালীন বাংলা
৫৩ আর ছোট-বড় সবকিছুই লিখিত।
Arabic, with marks
٥٣ وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৪ মুত্তাকীরা থাকিবে স্রোতস্বিনী বিধৌত জান্নাতে,
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নির্ঝরিণীতে।
সমকালীন বাংলা
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা বেহেশতসমূহ ও নদীর মধ্যে থাকবে।
Arabic, with marks
٥٤ إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫৫ যোগ্য আসনে, সর্বময় কর্তৃত্বের অধিকারী আল্লাহ্ র সান্নিধ্যে।
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ যোগ্য আসনে, সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে।
সমকালীন বাংলা
৫৫ সত্যের আসনে, এক সর্বশক্তিমান সম্রাটের কাছে।
Arabic, with marks
٥٥ فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report