আল মুলক , choose another chapter
আল মুলক
Chapter 67, 30 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
Arabic, with marks
Add book
List
Grid
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ মহামহিমান্বিত তিনি, সর্বময় কর্তৃত্ব যাঁহার করায়ত্ত; তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
মুহিউদ্দীন খান
১ পূণ্যময় তিনি, যাঁর হাতে রাজত্ব। তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; বরকতময় তিনি, যার হাতে রয়েছে সকল কর্তৃত্ব; এবং তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদেরকে পরীক্ষা করিবার জন্য - কে তোমাদের মধ্যে কর্মে উত্তম? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল,
মুহিউদ্দীন খান
২ যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন - কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।
সমকালীন বাংলা
২ যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য, তোমাদের মধ্যে কে কর্মে সর্বোত্তম। আর তিনি পরাক্রমশালী, পরম ক্ষমাশীল।
Arabic, with marks
٢ الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۚ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْغَفُورُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ। দয়াময় আল্লাহ্ র সৃষ্টিতে তুমি কোন খুঁত দেখিতে পাইবে না ; তুমি আবার তাকাইয়া দেখ, কোন ত্রুটি দেখিতে পাও কি?
মুহিউদ্দীন খান
৩ তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি?
সমকালীন বাংলা
৩ যিনি স্তরে স্তরে সাত আকাশ সৃষ্টি করেছেন। তুমি পরম করুণাময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসামঞ্জস্য দেখতে পাবে না। অতঃপর তুমি আবার দৃষ্টি ফিরাও; তুমি কি কোনো ত্রুটি দেখতে পাও?
Arabic, with marks
٣ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا ۖ مَّا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَٰنِ مِن تَفَاوُتٍ ۖ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ অতঃপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফিরাও, সেই দৃষ্টি ব্যর্থ ও ক্লান্ত হইয়া তোমার দিকে ফিরিয়া আসিবে।
মুহিউদ্দীন খান
৪ অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ - তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে।
সমকালীন বাংলা
৪ তারপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফিরাও; দৃষ্টি তোমার কাছেই ফিরে আসবে ব্যর্থ ও অবসন্ন হয়ে।
Arabic, with marks
٤ ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ আমি নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করিয়াছি প্রদীপমালা দ্বারা এবং উহাদেরকে করিয়াছি শয়তানের প্রতি নিক্ষেপের উপকরণ এবং উহাদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি জ্বলন্ত অগ্নির শাস্তি।
মুহিউদ্দীন খান
৫ আমি সর্বনিম্ন আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুসজ্জত করেছি; সেগুলোকে শয়তানদের জন্যে ক্ষেপণাস্ত্রবৎ করেছি এবং প্রস্তুত করে রেখেছি তাদের জন্যে জলন্ত অগ্নির শাস্তি।
সমকালীন বাংলা
৫ আর অবশ্যই আমরা নিকটতম আকাশকে প্রদীপসমূহ দিয়ে শোভিত করেছি এবং সেগুলোকে শয়তানদের দিকে নিক্ষেপের জন্য করেছি। আর তাদের জন্য আমরা সাঈরের শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
Arabic, with marks
٥ وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَجَعَلْنَاهَا رُجُومًا لِّلشَّيَاطِينِ ۖ وَأَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابَ السَّعِيرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে জাহান্নামের শাস্তি; উহা কত মন্দ প্রত্যাবর্তনস্থল !
মুহিউদ্দীন খান
৬ যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।
সমকালীন বাংলা
৬ আর যারা তাদের প্রতিপালককে অবিশ্বাস করেছে, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। আর তা কতই না নিকৃষ্ট গন্তব্যস্থান!
Arabic, with marks
٦ وَلِلَّذِينَ كَفَرُوا بِرَبِّهِمْ عَذَابُ جَهَنَّمَ ۖ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ যখন উহারা তন্মধ্যে নিক্ষিপ্ত হইবে তখন উহারা জাহান্নামের বিকট শব্দ শুনিবে, আর উহা হইবে উদ্বেলিত।
মুহিউদ্দীন খান
৭ যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।
সমকালীন বাংলা
৭ যখন তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করা হবে, তখন তারা তার ভয়ঙ্কর গর্জন শুনবে, আর তা উথলে উঠবে।
Arabic, with marks
٧ إِذَا أُلْقُوا فِيهَا سَمِعُوا لَهَا شَهِيقًا وَهِيَ تَفُورُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ রোষে জাহান্নাম যেন ফাটিয়া পড়িবে, যখনই উহাতে কোন দলকে নিক্ষেপ করা হইবে, উহাদেরকে রক্ষীরা জিজ্ঞাসা করিবে, ‘তোমাদের নিকট কি কোন সতর্ককারী আসে নাই?’
মুহিউদ্দীন খান
৮ ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি?
সমকালীন বাংলা
৮ তা যেন ক্রোধে ফেটে পড়বে। যখনই কোনো দল তাতে নিক্ষিপ্ত হবে, তার প্রহরীরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবে, “তোমাদের কাছে কি কোনো সতর্ককারী আসেনি?”
Arabic, with marks
٨ تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ الْغَيْظِ ۖ كُلَّمَا أُلْقِيَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَا أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ উহারা বলিবে, ‘অবশ্যই আমাদের নিকট সতর্ককারী আসিয়াছিল, আমরা উহাদেরকে মিথ্যাবাদী গণ্য করিয়াছিলাম এবং বলিয়াছিলাম, ‘আল্লাহ্ কিছুই অবতীর্ণ করেন নাই, তোমরা তো মহাবিভ্রান্তিতে রহিয়াছ।’
মুহিউদ্দীন খান
৯ তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ।
সমকালীন বাংলা
৯ তারা বলবে, “হ্যাঁ, অবশ্যই আমাদের কাছে একজন সতর্ককারী এসেছিলেন; কিন্তু আমরা অস্বীকার করেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘আল্লাহ কিছুই অবতীর্ণ করেননি। তোমরা তো শুধু বড় বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছ।’”
Arabic, with marks
٩ قَالُوا بَلَىٰ قَدْ جَاءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ اللَّهُ مِن شَيْءٍ إِنْ أَنتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ كَبِيرٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ এবং উহারা আরও বলিবে, ‘যদি আমরা শুনিতাম অথবা বিবেক - বুদ্ধি প্রয়োগ করিতাম, তাহা হইলে আমরা জাহান্নামবাসী হইতাম না।’
মুহিউদ্দীন খান
১০ তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।
সমকালীন বাংলা
১০ আর তারা বলবে, “যদি আমরা শুনতাম অথবা বিবেচনা করতাম, তবে আমরা জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম না।”
Arabic, with marks
١٠ وَقَالُوا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ উহারা উহাদের অপরাধ স্বীকার করিবে। ধ্বংস জাহান্নামীদের জন্য।
মুহিউদ্দীন খান
১১ অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক।
সমকালীন বাংলা
১১ অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। অতএব জ্বলন্ত আগুনের অধিবাসীরা দূরে নিক্ষিপ্ত।
Noteسُحْقًا : আক্ষরিক অর্থ "দূরে নিক্ষিপ্ত হওয়া" বা "দূরত্ব"।
Arabic, with marks
١١ فَاعْتَرَفُوا بِذَنبِهِمْ فَسُحْقًا لِّأَصْحَابِ السَّعِيرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ যাহারা দৃষ্টির অগোচরে তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে তাহাদের জন্য রহিয়াছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
মুহিউদ্দীন খান
১২ নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
সমকালীন বাংলা
১২ নিশ্চয়ই যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা এবং মহাপ্রতিদান।
Arabic, with marks
١٢ إِنَّ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِالْغَيْبِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ তোমরা তোমাদের কথা গোপনেই বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তর্যামী।
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তোমরা তোমাদের কথা গোপনে বল অথবা প্রকাশ্যে বল, তিনি তো অন্তরের বিষয়াদি সম্পর্কে সম্যক অবগত।
সমকালীন বাংলা
১৩ আর তোমরা তোমাদের কথা গোপন করো অথবা প্রকাশ করো; নিশ্চয়ই তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
Arabic, with marks
١٣ وَأَسِرُّوا قَوْلَكُمْ أَوِ اجْهَرُوا بِهِ ۖ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন, তিনি কি জানেন না? তিনি সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক অবগত।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি করে জানবেন না? তিনি সূক্ষ্নজ্ঞানী, সম্যক জ্ঞাত।
সমকালীন বাংলা
১৪ যিনি সৃষ্টি করেছেন, তিনি কি জানবেন না? আর তিনি সূক্ষ্মদর্শী, সর্বজ্ঞ।
Arabic, with marks
١٤ أَلَا يَعْلَمُ مَنْ خَلَقَ وَهُوَ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ তিনিই তো তোমাদের জন্য ভূমিকে সুগম করিয়া দিয়াছেন ; অতএব তোমরা উহার দিগ - দিগন্তে বিচরণ কর এবং তাঁহার প্রদত্ত জীবনোপকরণ হইতে আহার্য গ্রহণ কর; পুনরুত্থান তো তাঁহারই নিকট।
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে সুগম করেছেন, অতএব, তোমরা তার কাঁধে বিচরণ কর এবং তাঁর দেয়া রিযিক আহার কর। তাঁরই কাছে পুনরুজ্জীবন হবে।
সমকালীন বাংলা
১৫ তিনিই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে অনুগত করে দিয়েছেন। অতএব তোমরা এর পথে-প্রান্তরে চলো এবং তাঁর রিযিক থেকে আহার করো। আর তাঁর কাছেই পুনরুত্থান।
Arabic, with marks
١٥ هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُولًا فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا مِن رِّزْقِهِ ۖ وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ তোমরা কি ইহা হইতে নির্ভয় হইয়াছ যে, যিনি আকাশে রহিয়াছেন তিনি তোমাদেরকেসহ ভূমিকে ধসাইয়া দিবেন, অনন্তর উহা আকস্মিকভাবে থর থর করিয়া কাঁপিতে থাকিবে?
মুহিউদ্দীন খান
১৬ তোমরা কি ভাবনামুক্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দেবেন, অতঃপর তা কাঁপতে থাকবে।
সমকালীন বাংলা
১৬ ৬৭–১৬ : তোমরা কি নিশ্চিন্ত হয়ে গেছো সেই সত্তা থেকে, যিনি আকাশে আছেন, যে তিনি তোমাদেরকে পৃথিবীর মধ্যে ধসিয়ে দেবেন? তখন তা প্রবলভাবে কেঁপে উঠবে।
Arabic, with marks
١٦ أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ فَإِذَا هِيَ تَمُورُ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ অথবা তোমরা কি ইহা হইতে নির্ভয় হইয়াছ যে, আকাশে যিনি রহিয়াছেন তিনি তোমাদের উপর কঙ্করবর্ষী ঝঞ্ঝা প্রেরণ করিবেন? তখন তোমরা জানিতে পারিবে কিরূপ ছিল আমার সতর্কবাণী!
মুহিউদ্দীন খান
১৭ না তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছ যে, আকাশে যিনি আছেন, তিনি তোমাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমরা জানতে পারবে কেমন ছিল আমার সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
১৭ নাকি তোমরা নিশ্চিন্ত হয়ে গেছো সেই সত্তা থেকে, যিনি আকাশে আছেন, যে তিনি তোমাদের উপর পাথর নিক্ষেপকারী ঝড় পাঠাবেন? তখন তোমরা জানতে পারবে আমার সতর্কবার্তা কেমন।
Arabic, with marks
١٧ أَمْ أَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يُرْسِلَ عَلَيْكُمْ حَاصِبًا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ كَيْفَ نَذِيرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ ইহাদের পূর্ববর্তীরাও অস্বীকার করিয়াছিল ; ফলে কিরূপ হইয়াছিল আমার শাস্তি!
মুহিউদ্দীন খান
১৮ তাদের পূর্ববর্তীরা মিথ্যারোপ করেছিল, অতঃপর কত কঠোর হয়েছিল আমার অস্বীকৃতি।
সমকালীন বাংলা
১৮ আর অবশ্যই তাদের পূর্ববর্তীরাও অস্বীকার করেছিল। অতঃপর কেমন ছিলো আমার প্রত্যাখ্যান!
Arabic, with marks
١٨ وَلَقَدْ كَذَّبَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ উহারা কি লক্ষ্য করে না উহাদের ঊর্ধ্বদেশে বিহঙ্গকুলের প্রতি, যাহারা পক্ষ বিস্তার করে ও সংকুচিত করে ? দয়াময় আল্লাহ্ ই উহাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা।
মুহিউদ্দীন খান
১৯ তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার উপর উড়ন্ত পক্ষীকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহ - ই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব - বিষয় দেখেন।
সমকালীন বাংলা
১৯ তারা কি দেখে না তাদের উপরে পাখিদের, ডানা বিস্তার করে এবং গুটিয়ে নেয়? পরম করুণাময় ছাড়া কেউই তাদেরকে ধরে রাখেন না। নিশ্চয়ই তিনি সবকিছু প্রত্যক্ষকারী।
Arabic, with marks
١٩ أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الطَّيْرِ فَوْقَهُمْ صَافَّاتٍ وَيَقْبِضْنَ ۚ مَا يُمْسِكُهُنَّ إِلَّا الرَّحْمَٰنُ ۚ إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ بَصِيرٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ দয়াময় আল্লাহ্ ব্যতীত তোমাদের এমন কোন সৈন্যবাহিনী আছে কি, যাহারা তোমাদেরকে সাহায্য করিবে ? কাফিররা তো রহিয়াছে প্রবঞ্চনার মধ্যে।
মুহিউদ্দীন খান
২০ রহমান আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত তোমাদের কোন সৈন্য আছে কি, যে তোমাদেরকে সাহায্য করবে? কাফেররা বিভ্রান্তিতেই পতিত আছে।
সমকালীন বাংলা
২০ অথবা কে এমন, যে তোমাদের জন্য বাহিনী হবে, পরম করুণাময়কে বাদ দিয়ে তোমাদের সাহায্য করবে? অস্বীকারকারীরা তো শুধু প্রতারণার মধ্যেই রয়েছে।
Arabic, with marks
٢٠ أَمَّنْ هَٰذَا الَّذِي هُوَ جُندٌ لَّكُمْ يَنصُرُكُم مِّن دُونِ الرَّحْمَٰنِ ۚ إِنِ الْكَافِرُونَ إِلَّا فِي غُرُورٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ এমন কে আছে, যে তোমাদেরকে জীবনোপকরণ দান করিবে, তিনি যদি তাঁহার জীবনোপকরণ বন্ধ করিয়া দেন? বস্তুত উহারা অবাধ্যতা ও সত্যবিমুখতায় অবিচল রহিয়াছে।
মুহিউদ্দীন খান
২১ তিনি যদি রিযিক বন্ধ করে দেন, তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতায় ডুবে রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
২১ অথবা কে সে, যে তোমাদেরকে জীবিকা দেবে, যদি তিনি তাঁর জীবিকা বন্ধ করে দেন? বরং তারা অবাধ্যতা ও বিমুখতার মধ্যেই অবিচল রয়েছে।
Arabic, with marks
٢١ أَمَّنْ هَٰذَا الَّذِي يَرْزُقُكُمْ إِنْ أَمْسَكَ رِزْقَهُ ۚ بَل لَّجُّوا فِي عُتُوٍّ وَنُفُورٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ যে ব্যক্তি ঝুঁকিয়া মুখে ভর দিয়া চলে, সে - ই কি ঠিক পথে চলে, না কি সেই ব্যক্তি যে ঋজু হইয়া সরল পথে চলে ?
মুহিউদ্দীন খান
২২ যে ব্যক্তি উপুড় হয়ে মুখে ভর দিয়ে চলে, সে - ই কি সৎ পথে চলে, না সে ব্যক্তি যে সোজা হয়ে সরলপথে চলে?
সমকালীন বাংলা
২২ তবে কি সে অধিক সঠিক পথে পরিচালিত, যে উপুড় হয়ে মুখের উপর চলে, নাকি সে, যে সরল পথে সোজা হয়ে চলে?
Arabic, with marks
٢٢ أَفَمَن يَمْشِي مُكِبًّا عَلَىٰ وَجْهِهِ أَهْدَىٰ أَمَّن يَمْشِي سَوِيًّا عَلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ বল, ‘তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং তোমাদেরকে দিয়াছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও অন্তকরণ। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’
মুহিউদ্দীন খান
২৩ বলুন, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং দিয়েছেন কর্ণ, চক্ষু ও অন্তর। তোমরা অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
সমকালীন বাংলা
২৩ বলো, তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের জন্য শ্রবণ, দৃষ্টি ও অন্তর দিয়েছেন। তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
Arabic, with marks
٢٣ قُلْ هُوَ الَّذِي أَنشَأَكُمْ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ ۖ قَلِيلًا مَّا تَشْكُرُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ বল, ‘তিনিই পৃথিবীতে তোমাদের ছড়াইয়া দিয়াছেন এবং তাঁহারই নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হইবে।’
মুহিউদ্দীন খান
২৪ বলুন, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা সমবেত হবে।
সমকালীন বাংলা
২৪ বলো, তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছেন, এবং তাঁর কাছেই তোমাদের সমবেত করা হবে।
Arabic, with marks
٢٤ قُلْ هُوَ الَّذِي ذَرَأَكُمْ فِي الْأَرْضِ وَإِلَيْهِ تُحْشَرُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ আর উহারা বলে, ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল, এই প্রতিশ্রুতি কখন বাস্তবায়িত হইবে?’
মুহিউদ্দীন খান
২৫ কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?
সমকালীন বাংলা
২৫ আর তারা বলে, এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?
Arabic, with marks
٢٥ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ বল, ‘ইহার জ্ঞান কেবল আল্লাহ্ রই নিকট আছে। আমি তো স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’
মুহিউদ্দীন খান
২৬ বলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী।
সমকালীন বাংলা
২৬ বলো, এর জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই। আর আমি তো কেবল একজন স্পষ্ট সতর্ককারী।
Arabic, with marks
٢٦ قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ উহারা যখন তাহা আসন্ন দেখিবে তখন কাফিরদের মুখমণ্ডল ম্লান হইয়া পড়িবে এবং বলা হইবে, ‘ইহাই তো তোমরা চাহিতেছিলে।’
মুহিউদ্দীন খান
২৭ যখন তারা সেই প্রতিশ্রুতিকে আসন্ন দেখবে তখন কাফেরদের মুখমন্ডল মলিন হয়ে পড়বে এবং বলা হবেঃ এটাই তো তোমরা চাইতে।
সমকালীন বাংলা
২৭ অতঃপর যখন তারা সেটিকে নিকটবর্তী দেখতে পাবে, তখন অবিশ্বাসীদের মুখমণ্ডল মলিন হয়ে যাবে, এবং বলা হবে, এটাই তো ছিল যা তোমরা দাবি করতে।
Arabic, with marks
٢٧ فَلَمَّا رَأَوْهُ زُلْفَةً سِيئَتْ وُجُوهُ الَّذِينَ كَفَرُوا وَقِيلَ هَٰذَا الَّذِي كُنتُم بِهِ تَدَّعُونَ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি - যদি আল্লাহ্ আমাকে ও আমার সঙ্গীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করেন, তবে কাফিরদেরকে কে রক্ষা করিবে মর্মন্তুদ শাস্তি হইতে ?
মুহিউদ্দীন খান
২৮ বলুন, তোমরা কি ভেবে দেখেছ - যদি আল্লাহ তা’আলা আমাকে ও আমার সংগীদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কাফেরদেরকে কে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?
সমকালীন বাংলা
২৮ বলো, তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি আল্লাহ আমাকে এবং আমার সঙ্গে যারা আছে তাদেরকে ধ্বংস করেন অথবা আমাদের প্রতি দয়া করেন, তবে কে অস্বীকারকারীদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে রক্ষা করবে?
Arabic, with marks
٢٨ قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَهْلَكَنِيَ اللَّهُ وَمَن مَّعِيَ أَوْ رَحِمَنَا فَمَن يُجِيرُ الْكَافِرِينَ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ বল, ‘তিনিই দয়াময়, আমরা তাঁহাকে বিশ্বাস করি ও তাঁহারই উপর নির্ভর করি, শীঘ্রই তোমরা জানিতে পারিবে কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রহিয়াছে।’
মুহিউদ্দীন খান
২৯ বলুন, তিনি পরম করুণাময়, আমরা তাতে বিশ্বাস রাখি এবং তাঁরই উপর ভরসা করি। সত্ত্বরই তোমরা জানতে পারবে, কে প্রকাশ্য পথ - ভ্রষ্টতায় আছে।
সমকালীন বাংলা
২৯ বলো, তিনিই পরম করুণাময়। আমরা তাঁর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তাঁরই উপর নির্ভর করেছি। অতএব শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কে সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে।
Arabic, with marks
٢٩ قُلْ هُوَ الرَّحْمَٰنُ آمَنَّا بِهِ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا ۖ فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি যদি পানি ভূগর্ভে তোমাদের নাগালের বাহিরে চলিয়া যায়, তখন কে তোমাদেরকে আনিয়া দিবে প্রবহমান পানি?’
মুহিউদ্দীন খান
৩০ বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদেরকে সরবরাহ করবে পানির স্রোতধারা?
সমকালীন বাংলা
৩০ বলো, তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভে চলে যায়, তবে কে তোমাদের জন্য প্রবাহমান পানি এনে দেবে?
Arabic, with marks
٣٠ قُلْ أَرَأَيْتُمْ إِنْ أَصْبَحَ مَاؤُكُمْ غَوْرًا فَمَن يَأْتِيكُم بِمَاءٍ مَّعِينٍ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report