You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল তাগাবুন
Chapter 64, 18 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
আবদুস শহীদ নাসিম
Word by word
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আধিপত্য তাঁহারই এবং প্রশংসা তাঁহারই; তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
মুহিউদ্দীন খান
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। রাজত্ব তাঁরই, এবং প্রকৃত প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান।
আবদুস শহীদ নাসিম
মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তসবিহ্ করছে আল্লাহর। সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁরই, আর সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই এবং প্রতিটি বিষয়ে তিনি সর্বশক্তিমান।
তোমাদের নিকট কি পৌঁছে নাই পূর্ববর্তী কাফিরদের বৃত্তান্ত? উহারা উহাদের কর্মের মন্দ ফল আস্বাদন করিয়াছিল এবং উহাদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের পুর্বে যারা ছিল, তাদের বৃত্তান্ত কি তোমাদের কাছে পৌছেনি? তারা তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করেছে, এবং তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
সমকালীন বাংলা
তোমাদের কাছে কি তাদের সংবাদ পৌঁছেনি, যারা পূর্বে অবিশ্বাস করেছিল? অতঃপর তারা তাদের কাজের পরিণতি আস্বাদন করেছিল, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
আবদুস শহীদ নাসিম
আগেকার কাফিরদের বার্তা কি তোমাদের কাছে পৌঁছেনি? তারা তাদের কর্মকান্ডের প্রতিফল ভোগ করেছে। তাছাড়াও তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
উহা এইজন্য যে, উহাদের নিকট উহাদের রাসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শনসহ আসিত তখন উহারা বলিত, ‘মানুষই কি আমাদেরকে পথের সন্ধান দিবে?’ অতঃপর উহারা করিল ও মুখ ফিরিয়ে লইল। কিন্তু ইহাতে র কিছু আসে যায় না ; অভাবমুক্ত, প্রশংসার্হ।
মুহিউদ্দীন খান
এটা এ কারণে যে, তাদের কাছে তাদের রসূলগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলীসহ আগমন করলে তারা বলতঃ মানুষই কি আমাদেরকে পথপ্রদর্শন করবে? অতঃপর তারা হয়ে গেল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। এতে আল্লাহর কিছু আসে যায় না। অমুখাপেক্ষী প্রশংসিত।
সমকালীন বাংলা
তা এজন্য যে, তাদের কাছে তাদের রাসূলগণ সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসত, কিন্তু তারা বলত, “মানুষই কি আমাদের পথনির্দেশ করবে?” অতঃপর তারা অবিশ্বাস করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল। আর অমুখাপেক্ষী। আর অভাবমুক্ত, সর্বপ্রশংসিত।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ, তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলি নিয়ে। কিন্তু তারা বলেছিল: ‘আমাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দেবে কি একজন মানুষ!’ ফলে তারা কুফুরি করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু এতে আল্লাহর কিছুই আসে যায়না। প্রাচুর্যশীল সপ্রশংসিত।
কাফিররা ধারণা করে যে, উহারা কখনও পুনরুত্থিত হইবে না। বল, ‘নিশ্চয়ই হইবে, আমার প্রতিপালকের শপথ! তোমরা অবশ্যই পুনরুত্থিত হইবে। অতঃপর তোমরা যাহা করিতে তোমাদেরকে সে সম্বন্ধে অবশ্যই অবহিত করা হইবে। ইহা র পক্ষে সহজ।’
মুহিউদ্দীন খান
কাফেররা দাবী করে যে, তারা কখনও পুনরুত্থিত হবে না। বলুন, অবশ্যই হবে, আমার পালনকর্তার কসম, তোমরা নিশ্চয় পুরুত্থিত হবে। অতঃপর তোমাদেরকে অবহিত করা হবে যা তোমরা করতে। এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
সমকালীন বাংলা
যারা অবিশ্বাস করেছে, তারা দাবি করে যে তাদের কখনো পুনরুত্থিত করা হবে না। বলো, “অবশ্যই হবে, আমার পালনকর্তার শপথ! তোমাদের অবশ্যই পুনরুত্থিত করা হবে। তারপর তোমরা যা করেছ, সে সম্পর্কে অবশ্যই তোমাদের অবহিত করা হবে। আর এটি আল্লাহর জন্য সহজ।”
আবদুস শহীদ নাসিম
অবিশ্বাসীরা ধারণা করছে, তাদেরকে কখনো পুনরুত্থিত করা হবেনা! তুমি বলো: ‘‘হ্যাঁ, আমার প্রভুর শপথ, অবশ্যি তোমাদের পুনরুত্থিত করা হবে। তারপর তোমাদের অবশ্যি অবহিত করা হবে সেসব (অপ)কর্ম, যা তোমরা (পৃথিবীর জীবনে) করতে। এ কাজ আল্লাহর জন্যে খুবই সহজ।’’
স্মরণ কর, যেদিন তিনি তোমাদেরকে সমবেত করিবেন সমাবেশ দিবসে সেদিন হইবে লাভ - লোকসানের দিন। যে ব্যক্তি আল্লাহে বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে তিনি তাহার পাপ মোচন করিবেন এবং তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে ; যাহার পাদদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তাহারা হইবে চিরস্থায়ী। ইহাই মহাসাফল্য।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন অর্থাৎ, সমাবেশের দিন তোমাদেরকে সমবেত করবেন। এ দিন হার - জিতের দিন। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তার পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তাকে জান্নাতে দাখিল করবেন। যার তলদেশে নির্ঝরিনীসমূহ প্রবাহিত হবে, তারা তথায় চিরকাল বসবাস করবে। এটাই মহাসাফল্য।
সমকালীন বাংলা
যেদিন তিনি তোমাদেরকে সমবেত হওয়ার দিনে একত্র করবেন—সেদিনই হবে পারস্পরিক লাভ-ক্ষতির দিন। আর যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস আনে এবং সৎকর্ম করে, তিনি তার মন্দ কাজগুলো তার থেকে মুছে দেবেন এবং তাকে এমন উদ্যানসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার নিচ দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়; সেখানে তারা অনন্তকাল থাকবে। এটাই মহাসাফল্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তিনি তোমাদের জমা করবেন জমায়েতের দিন, সেটাই হবে হারজিতের দিন। যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি এবং আমলে সালেহ্ করবে, তার থেকে মুছে দেয়া হবে তার পাপসমূহ এবং তাকে দাখিল করা হবে জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। চিরকাল থাকবে তারা সেখানে স্থায়ীভাবে। এটাই মহাসাফল্য।
‘হে মু’মিনগণ! তোমাদের স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে কেহ কেহ তোমাদের শত্রু ; অতএব তাহাদের সম্পর্কে তোমরা সতর্ক থাকিও। তোমরা যদি উহাদেরকে মার্জনা কর, উহাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা কর এবং উহাদেরকে ক্ষমা কর, তবে জানিয়া রাখ, ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
মুহিউদ্দীন খান
হে মুমিনগণ, তোমাদের কোন কোন স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততি তোমাদের দুশমন। অতএব তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাক। যদি মার্জনা কর, উপেক্ষা কর, এবং ক্ষমা কর, তবে ক্ষমাশীল, করুনাময়।
সমকালীন বাংলা
হে যারা ঈমান এনেছো, নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রীদের এবং সন্তানদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু; অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকো। আর যদি তোমরা ক্ষমা করো, উপেক্ষা করো এবং ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
Note
আল্লাহ স্ত্রীদের ও সন্তানদের মধ্যেও অনেককে শত্রু করেছেন, কিন্তু আমাদের সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে, তাদেরকে উপেক্ষা করতে এবং ক্ষমা করতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের মধ্যে রয়েছে তোমাদের শত্রু, সুতরাং তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। আর যদি তাদের মাফ করে দাও, তাদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করো এবং তাদের ক্ষমা করে দাও তবে অবশ্যি পরম ক্ষমাশীল, দয়াবান।
তোমরা কে যথাসাধ্য ভয় কর, এবং শোন, আনুগত্য কর ও ব্যয় কর তোমাদের নিজেদেরই কল্যাণের জন্য ; যাহারা অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত ; তাহারাই ।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর, শুন, আনুগত্য কর এবং ব্যয় কর। এটা তোমাদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের কার্পন্য থেকে মুক্ত, তারাই ।
সমকালীন বাংলা
অতএব তোমরা যতটুকু সক্ষম, আল্লাহকে ভয় করো, এবং শোনো, আনুগত্য করো ও ব্যয় করো; এটি তোমাদের নিজেদের জন্যই উত্তম। আর যারা নিজেদের মনের কৃপণতা থেকে রক্ষা পায়, তারাই ।
আবদুস শহীদ নাসিম
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তোমাদের সাধ্যমতো এবং শুনো, মেনে নাও আর খরচ করো (আল্লাহর পথে), এটাই তোমাদের নিজেদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত হয়, তারাই অর্জন করে সফলতা।
যদি তোমরা কে উত্তম ঋণ দান কর তিনি তোমাদের জন্য উহা বহুগুণ বৃদ্ধি করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন। গুণগ্রাহী, ধৈর্যশীল।
মুহিউদ্দীন খান
যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান কর, তিনি তোমাদের জন্যে তা দ্বিগুণ করে দেবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। গুণগ্রাহী, সহনশীল।
সমকালীন বাংলা
যদি তোমরা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দাও, তিনি তা তোমাদের জন্য বহুগুণ বৃদ্ধি করবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করবেন। আর গুণগ্রাহী, পরম সহনশীল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা যদি আল্লাহকে করজে হাসানা (উত্তম ঋণ) দাও, তিনি তা তোমাদের জন্যে বহুগুণে বৃদ্ধি করে ফেরত দেবেন, তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। অবশ্যি গুণগ্রাহী, ধৈর্যশীল।