Kitab

আল শামস

Chapter 91, 15 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • মুহিউদ্দীন খান
  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ সূর্যের এবং উহার কিরণের,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সূর্যের ও তার কিরণের,

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ সূর্যের এবং তার জ্যোতির,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সূর্যের এবং তার উজ্জ্বলতার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ চন্দ্রের, যখন উহা সূর্যের পর আবির্ভূত হয়,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে,

সমকালীন বাংলা

এবং চাঁদের, যখন তা তার অনুসরণ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ চাঁদের, যখন সে তিলাওয়াত করে তাকে (সূর্যকে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ দিবসের, যখন সে উহাকে প্রকাশ করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে,

সমকালীন বাংলা

এবং দিনের, যখন তা তাকে প্রকাশ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ দিনের, যখন সে প্রকাশ করে তার (সূর্যের) উজ্জ্বলতাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ রজনীর, যখন সে উহাকে আচ্ছাদিত করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে,

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, যখন তা তাকে আচ্ছন্ন করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের, যখন সে ঢেকে দেয় তাকে (সূর্যকে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ আকাশের এবং যিনি উহা নির্মাণ করিয়াছেন তাঁহার,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর।

সমকালীন বাংলা

এবং আকাশের, এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ আকাশের এবং তাঁর, যিনি তা বানিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ পৃথিবীর এবং যিনি উহাকে বিস্তৃত করিয়াছেন তাঁহার,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর,

সমকালীন বাংলা

এবং পৃথিবীর, এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ পৃথিবীর এবং তাঁর, যিনি এটিকে বিছিয়ে দিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ মানুষের এবং তাঁহার, যিনি উহাকে সুঠাম করিয়াছেন,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রাণের, এবং যিনি সেটিকে সুগঠিত করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ মানবের (মানব সত্তার) আর তাঁর, যিনি তাকে যথাযথভাবে গঠন করেছেন

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাকে উহার অসৎর্কম ও উহার সৎকর্মের জ্ঞান দান করিয়াছেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও তার সংযমশীলতা অনুপ্রাণিত করেছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার মধ্যে ইল্হাম করেছেন ফুজুর (সীমালংঘনের প্রবণতা) এবং তাকওয়া (সীমার মধ্যে অবস্থানের প্রবণতা)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে - ই হইবে, যে নিজেকে পবিত্র করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই হয়।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সফল হয়েছে সে, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নি:সন্দেহে সফল হলো সে, যে তাযকিয়া (পরিশুদ্ধ, উন্নত ও বিকশিত) করলো নিজেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সেই ব্যর্থ হইবে, যে নিজেকে কলুষাচ্ছন্ন করিবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়।

সমকালীন বাংলা

এবং অবশ্যই ব্যর্থ হয়েছে সে, যে নিজেকে কলুষিত করেছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

নি:সন্দেহে ব্যর্থ হলো সে, যে দুষিত ও কলুষিত করে ধসিয়ে দিলো নিজেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সামূদ সম্প্রদায় অবাধ্যতাবশত অস্বীকার করিয়াছিল।

মুহিউদ্দীন খান

সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল।

সমকালীন বাংলা

সামূদ অস্বীকার করেছিল তাদের অবাধ্যতার কারণে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ সম্প্রদায় নিজের তাগুতি আচরণ দিয়ে অস্বীকার করেছিল (আল্লাহর রসূলকে)।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের মধ্যে যে সর্বাধিক হতভাগ্য, সে যখন তৎপর হইয়া উঠিল,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগ্য ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠেছিল।

সমকালীন বাংলা

যখন তাদের মধ্যে সবচেয়ে হতভাগ্য ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়েছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাদের মধ্যকার সবচেয়ে বড় দুষ্ট হতভাগ্যটি (মুজিযার উটনীকে হত্যার জন্যে) তৎপর হয়ে উঠেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন ‌র রাসূল উহাদেরকে বলিল, ‘‌র উষ্ট্রী ও উহাকে পানি পান করাইবার বিষয়ে সাবধান হও।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আল্লাহর রসূল তাদেরকে বলেছিলেনঃ আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর ব্যাপারে সতর্ক থাক।

সমকালীন বাংলা

তখন আল্লাহর রাসূল তাদেরকে বলেছিলেন, ‘আল্লাহর উটনী ও তার পান করায় বাধা দিও না,’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আল্লাহর রসূল (সালেহ) তাদের বলেছিল: সাবধান! এটি আল্লাহর (পক্ষ থেকে আসা) উটনী (এটিকে মন্দ উদ্দেশ্যে স্পর্শ করোনা) এবং এটিকে পানি পান করতে বাধা দিওনা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু উহারা রাসূলকে অস্বীকার করিল এবং উহাকে কাটিয়া ফেলিল। উহাদের পাপের জন্য উহাদের প্রতিপালক উহাদেরকে সমূলে ধ্বংস করিয়া একাকার করিয়া দিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর ওরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল এবং উষ্ট্রীর পা কর্তন করেছিল। তাদের পাপের কারণে তাদের পালনকর্তা তাদের উপর ধ্বংস নাযিল করে একাকার করে দিলেন।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু তারা তাঁকে অস্বীকার করেছিল এবং সেটিকে হত্যা করেছিল; ফলে তাদের প্রতিপালক তাদের পাপের কারণে তাদের ধ্বংস করে দিলেন এবং সমান করে দিলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা তাকে (রসূলকে) অস্বীকার করলো এবং হত্যা করলো উটনীকে। ফলে তাদের প্রভু তাদের উপর চাপিয়ে দিলেন ধ্বংস তাদের অপরাধের কারণে এবং ধ্বংস স্তুপের মধ্যে সমান করে রেখে দিলেন তাদেরকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইহার পরিণাম সম্পর্কে তিনি ভয় করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশংকা করেন না।

সমকালীন বাংলা

এবং তিনি তাঁর পরিণামের ভয় করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কাজের পরিণতির কোনো ভয় তাঁর (আল্লাহর) নেই।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme