You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল ফাতিহা
Chapter 1, 7 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
সমকালীন বাংলা
জহুরুল হক
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দয়াময়, পরম দয়ালু র নামে,
মুহিউদ্দীন খান
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু।
Note
এটি পবিত্র কুরআনের প্রথম আয়াত। সূরা তওবা ছাড়া প্রতি সূরার শুরুতে এটি ১১৩ বার এবং সূরা নমলে এটি ২ বার, এভাবে মোট ১১৪ বার এসেছে।
এখানে "পরম করুণাময়" বা "الرحمن" বলতে সম্ভবত বুঝানো হয়েছে যিনি আমাদের ইহজগতে জন্য সর্বাধিক দান করেন আর "পরম দয়ালু" বা "الرحيم" বুঝানো হয়েছে যে তিনি আবার পরকালেও বিচার বা প্রতিদান দিবসে আমাদের জন্য অফুরন্ত দয়া বা ক্ষমা প্রদর্শন করবেন।
জহুরুল হক
আল্লাহর নাম নিয়ে (আরম্ভ করছি), (যিনি) রহমান ( - - পরম করুণাময়, যিনি অসীম করুণা ও দয়া বশতঃ বিশ্বজগতের সমস্ত সৃষ্টির সহাবস্থানের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা অগ্রিম করে রেখেছেন), (যিনি) রহীম ( - - অফুরন্ত ফলদাতা, যাঁর অপার করুণা ও দয়ার ফলে প্রত্যেকের ক্ষুদ্রতম শুভ - প্রচেষ্টাও বিপুলভাবে সাফল্যমণ্ডিত ও পুরস্কৃত হয়ে থাকে)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক রই,
মুহিউদ্দীন খান
যাবতীয় প্রশংসা তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
সমকালীন বাংলা
সর্বোচ্চ প্রশংসা জগত সমুহের পালনকর্তা ইলাহের জন্য।
Note
জহুরুল হক
সমস্ত প্রশংসা র প্রাপ্য, সমুদয় সৃষ্ট - জগতের রব্ব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যিনি দয়াময়, পরম দয়ালু,
মুহিউদ্দীন খান
যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
সমকালীন বাংলা
পরম করুণাময়, পরম দয়ালু
জহুরুল হক
রহমান, রহীম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কর্মফল দিবসের মালিক।
মুহিউদ্দীন খান
যিনি বিচার দিনের মালিক।
সমকালীন বাংলা
প্রতিদান দিবসের অধিপতি।
জহুরুল হক
বিচারকালের মালিক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমরা শুধু তোমারই ‘ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি,
মুহিউদ্দীন খান
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
সমকালীন বাংলা
একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
জহুরুল হক
“তোমারই আমরা এবাদত করি, এবং তোমারই কাছে আমরা সাহায্য প্রার্থনা করি।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর,
মুহিউদ্দীন খান
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
সমকালীন বাংলা
সরল পথে পরিচালিত করুন
Note
সরল বা সঠিক পথ: যে পথ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও যা পরকালের মুক্তির দিকে নিয়ে যায়।
জহুরুল হক
“আমাদের তুমি সহজ - সঠিক পথে পরিচালিত করো, - - ”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদের পথ, যাহাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করিয়াছ, তাহাদের পথ নহে যাহারা ক্রোধ - নিপতিত ও পথভ্রষ্ট।
মুহিউদ্দীন খান
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
সমকালীন বাংলা
যাদের অনুগ্রহ করেছেন তাদের পথে, অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্টদের নয়।
জহুরুল হক
“তাদের পথে যাদের প্রতি তুমি নিয়ামত অর্পণ করেছ, তাদের ব্যতীত যাদের প্রতি গযব এসেছে, এবং তাদেরও নয় যারা পথভ্রষ্ট।”