Kitab

আল আন-আম

Chapter 6, 165 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সকল প্রশংসা ‌রই যিনি আস্‌মান ও যমীন সৃষ্টি করিয়াছেন, আর সৃষ্টি করিয়াছেন অন্ধকার ও আলো। এতদ্‌সত্ত্বেও কাফিরগণ তাহাদের প্রতিপালকের সমকক্ষ দাঁড় করায়।

জহুরুল হক

সমস্ত প্রশংসা ‌র জন্য যিনি মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, আর তিনি তৈরি করেছেন অন্ধকার ও আলো। তবু যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা তাদের প্রভুর সাথে দাঁড় করায় সমকক্ষ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সব প্রশংসা আল্লাহর যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী, যিনি তৈরি করেছেন অন্ধকাররাশি আর আলো। এরপরও কাফিররা তাদের রবের সাথে (তাঁর সৃষ্টিকে) তুলনা করে।

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; সর্বোচ্চ প্রশংসা আল্লাহের আকাশমণ্ডলী ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, আর সৃষ্টি করেছেন অন্ধকার ও আলো। এতদসত্ত্বেও কাফিরগণ তাহাদের প্রতিপালকের সমকক্ষ দাঁড় করায়!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদেরকে মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর এক কাল নির্দিষ্ট করিয়াছেন এবং আর একটি নির্ধারিত কাল আছে যাহা তিনিই জ্ঞাত, এতদ্‌সত্ত্বেও তোমরা সন্দেহ কর।

জহুরুল হক

তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন কাদা থেকে তারপর তিনি নির্ধারিত করেছেন একটি আয়ুস্কাল, আর তাঁর কাছে নির্ধারিত রয়েছে একটি কাল, তবু তোমরা সন্দেহ করো!

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি সেই মহান সত্তা, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, তারপর নির্ধারণ করে দিয়েছেন একটি মেয়াদকাল, আর ঠিক করেছেন একটি নির্দিষ্ট সময় (কিয়ামত) যা কেবল তিনিই জানেন। তারপরও তোমরা সন্দেহ করছো।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তোমাদের মৃত্তিকা হইতে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর এক সময় নির্দিষ্ট করিয়াছেন এবং আর একটি নির্ধারিত সময় আছে যাহা তিনিই জ্ঞাত, এতদসত্ত্বেও তোমরা সন্দেহ কর!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আসমান ও যমীনে তিনিই , তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু তিনি জানেন এবং তোমরা যাহা অর্জন কর তাহাও তিনি অবগত আছেন।

জহুরুল হক

আর তিনিই মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে। তিনি জানেন তোমাদের গোপনীয় বিষয় ও তোমাদের প্রকাশ্য বিষয়, আর তিনি জানেন যা তোমরা অর্জন করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশে এবং পৃথিবীতে তিনিই । তিনি তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য সবই জানেন। তোমরা যা কামাই করছো তাও তিনি জানেন।

সমকালীন বাংলা

আসমান ও যমীনে তিনিই তোমাদের গোপন ও প্রকাশ্য সবকিছু তিনি জানেন এবং তোমরা যাহা অর্জন কর তাহাও তিনি অবগত আছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলীর এমন কোন নিদর্শন তাহাদের নিকট উপস্থিত হয় না যাহা হইতে তাহারা মুখ না ফিরায়।

জহুরুল হক

আর তাদের কাছে তাদের প্রভুর নির্দেশাবলীর মধ্যে থেকে এমন কোনো নির্দেশ আসে না যা থেকে তারা ফেরতগামী না হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের প্রভুর আয়াতসমূহের এমন কোনো আয়াত তাদের কাছে আসেনি, যা থেকে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়নি।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলীর এমন কোন নিদর্শন তাহাদের নিকট উপস্থিত হয় না যাহা হইতে তাহারা মুখ না ফিরায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সত্য যখন তাহাদের নিকট আসিয়াছে তাহারা উহা প্রত্যাখ্যান করিয়াছে। যাহা লইয়া তাহারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করিত উহার যথার্থ সংবাদ অচিরেই তাহাদের নিকট পৌঁছিবে।

জহুরুল হক

সুতরাং তারা নিশ্চয়ই সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে যখনই তা তাদের কাছে এসেছে, কাজেই অচিরেই তাদের কাছে বার্তা আসবে যা নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কাছে মহাসত্য আসার পর তারা তা মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা যা নিয়ে বিদ্রুপ করেছে, অচিরেই তার আসল সংবাদ তাদের কাছে এসে যাবে।

সমকালীন বাংলা

সত্য যখন তাহাদের নিকট আসিয়াছে তাহারা উহা প্রত্যাখ্যান করিয়াছে। যাহা লইয়া তাহারা ঠাট্টা - বিদ্রপকরিত উহার যথার্থ সংবাদ অচিরেই তাহাদের নিকট পৌঁছিবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা কি দেখে না যে, আমি তাহাদের পূর্বে কত মানবগোষ্ঠীকে বিনাশ করিয়াছি ? তাহাদেরকে দুনিয়ায় এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছিলাম যেমনটি তোমাদেরকেও করি নাই এবং তাহাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করিয়াছিলাম, আর তাহাদের পাদদেশে নদী প্রবাহিত করিয়াছিলাম; অতঃপর তাহাদের পাপের দরুন তাহাদেরকে বিনাশ করিয়াছি এবং তাহাদের পরে অপর মানবগোষ্ঠী সৃষ্টি করিয়াছি।

জহুরুল হক

তারা কি দেখে না - - তাদের আগে আমরা কত মানব - বংশকে ধ্বংস করেছি যাদের আমরা পৃথিবীতে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম যেমন তোমাদেরও প্রতিষ্ঠিত করি নি? আর আমরা মেঘমালা পাঠিয়েছিলাম তাদের উপরে অজস্র বৃষ্টিপাত করতে, আর তাদের নিচে দিয়ে ঝরনারাজি প্রবাহিত হতে দিয়েছিলাম, তারপর তাদের ধ্বংস করেছিলাম তাদের অপরাধের জন্য, আর তাদের পরে পত্তন করেছিলাম অন্য এক মানব - বংশের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, আমরা তাদের আগে কতো জনপদকে হালাক করে দিয়েছি। জমিনে তাদের এমন প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলাম, যে রকম প্রতিষ্ঠা তোমাদেরকেও দেইনি। তাদের প্রতি আমরা মুষুলধারে বৃষ্টিপাত করেছিলাম, তাদের জমিনে নদ নদী প্রবাহিত করে দিয়েছিলাম। তারপর তাদের পাপের কারণে আমরা তাদের হালাক করে দিয়েছি এবং তাদের পরে সৃষ্টি করেছি অপর একটি প্রজন্ম।

সমকালীন বাংলা

তাহারা কি দেখে না যে, আমি তাহাদের পূর্বে কত মানবগোষ্ঠীকে বিনাশ করিয়াছি? তাহাদেরকে দুনিয়ায় এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছিলাম যেমনটি তোমাদেরকেও করি নাই এবং তাহাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করিয়াছিলাম, আর তাহাদের পাদদেশে নদী প্রবাহিত করিয়াছিলাম; অতঃপর তাহাদের পাপের দরুন তাহাদেরকে বিনাশ করিয়াছি এবং তাহাদের পরে অপর মানবগোষ্ঠী সৃষ্টি করিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যদি তোমার প্রতি কাগজে লিখিত কিতাবও নাযিল করিতাম আর তাহারা যদি উহা হস্ত দ্বারা স্পর্শও করিত তবুও কাফিরগণ বলিত, ‘ইহা স্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

জহুরুল হক

আর আমরা যদি তোমার কাছে কাগজের মধ্যে কিতাব অবতারণ করতাম আর তাদের হাত দিয়ে তারা তা স্পর্শও করতো, তবু যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা নিশ্চয়ই বলতো - - ''এ স্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি তোমার কাছে কাগজে লেখা একটি কিতাব পাঠিয়ে দিতাম, আর তারা যদি তা নিজেদের হাতেও স্পর্শ করতো, তবু কাফিররা বলতো, এ তো এক সুস্পষ্ট ম্যাজিক ছাড়া আর কিছুই নয়।’

সমকালীন বাংলা

আমি যদি তোমার প্রতি কাগজে লিখিত কিতাবও নাযিল করিতাম আর তাহারা যদি উহা হস্ত দ্বারা স্পর্শও করিত তবুও কাফিরগণ বলিত, ‘ইহা স্পষ্ট জাদু ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘তাহার নিকট কোন ফিরিশ্‌তা কেন প্রেরিত হয় না ?’ যদি আমি ফিরিশ্‌তা প্রেরণ করিতাম তাহা হইলে চূড়ান্ত ফয়সালাই তো হইয়া যাইত; আর তাহাদেরকে কোন অবকাশ দেওয়া হইত না।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''একজন ফিরিশ্‌তাকে কেন তাঁর কাছে নামানো হয় না?’’ আর যদিও আমরা একজন ফিরিশ্‌তাকে পাঠাতাম তা হলে ব্যাপারটি নিশ্চয়ই মীমাংসা হয়ে যেত, তখন তাদের অবকাশ দেয়া হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তার কাছে কোনো ফেরেশতা পাঠানো হলোনা কেন?’ - আমরা যদি ফেরেশতা পাঠাতাম তবে তো চূড়ান্ত ফায়সালাই হয়ে যেতো, তারপর তাদেরকে আর কোনো অবকাশই দেয়া হতোনা।

সমকালীন বাংলা

তাহারা বলে, ‘তাহার নিকট কোন ফিরিশ্তা কেন প্রেরিত হয় না?’ যদি আমি ফিরিশ্তা প্রেরণ করিতাম তাহা হইলে চূড়ান্ত ফয়সালাই তো হইয়া যাইত; আর তাহাদেরকে কোন অবকাশ দেওয়া হইত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তাহাকে ফিরিশ্‌তা করিতাম তবে তাহাকে মানুষের আকৃতিতেই প্রেরণ করিতাম; আর তাহাদেরকে সেরূপ বিভ্রমে ফেলিতাম, যেরূপ বিভ্রমে তাহারা এখন রহিয়াছে।

জহুরুল হক

আর আমরা যদি তাঁকে ফিরিশ্‌তা বানাতাম তবে নিশ্চয়ই আমরা তাকে মানুষ বানাতাম, আর তাদের জন্য ঘোরালো করতাম যা তারা ঘোরালো করছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে যদি আমরা ফেরেশ্তাও বানাতাম, তারপরও তো তাকে একজন মানুষের আকৃতিতেই পাঠাতাম। তখনো তো তাদের সেরকম বিভ্রান্তিতেই ফেলতাম, যেরকম বিভ্রান্তিতে এখন তারা আছে।

সমকালীন বাংলা

যদি তাহাকে ফিরিশ্তা করিতাম তবে তাহাকে মানুষের আকৃতিতেই প্রেরণ করিতাম; আর তাহাদেরকে সেরূপ বিভ্রমে ফেলিতাম, যেরূপ বিভ্রমে তাহারা এখন রহিয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকেই ঠাট্টা - বিদ্রূপ করা হইয়াছে। তাহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রূপ করিতেছিল পরিণামে তাহাই বিদ্রূপকারীদেরকে পরিবেষ্টন করিয়াছে।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই তোমার পূর্বে রসূলগণকে ঠাট্টা - বিদ্রূপ করা হয়েছিল, কাজেই যা নিয়ে তারা ঠাট্টা - বিদ্রূপ করতো তা ঘেরাও করেছিল তাদের মধ্যের যারা বিদ্রূপ করেছিল তাদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেও বহু রসূলকেই বিদ্রুপ করা হয়েছে। তারা যা নিয়ে বিদ্রুপ করছিল, অবশেষে তা - ই বিদ্রুপকারীদের পরিবেষ্টন করে নেয়।

সমকালীন বাংলা

তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকেই ঠাট্টা - বিদ্রপকরা হইয়াছে। তাহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রপকরিতেছিল পরিণামে তাহাই বিদ্রুপকারীদেরকে পরিবেষ্টন করিয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর, অতঃপর দেখ, যাহারা সত্যকে অস্বীকার করিয়াছে তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল।’

জহুরুল হক

বলো - - ''পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো, তারপর চেয়ে দেখো কেমন হয়েছিল প্রত্যাখ্যানকারীদের পরিণাম।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘পৃথিবীতে ভ্রমণ করে দেখো, (রসূলদের প্রত্যাখ্যানকারীদের) কী পরিণতি হয়েছিল?’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ কর, অতঃপর দেখ, যাহারা সত্যকে অস্বীকার করিয়াছে তাহাদের পরিণাম কী হইয়াছিল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আসমান ও যমীনে যাহা আছে তাহা কাহার ?’ বল, ‘‌রই’ দয়া করা তিনি তাঁহার কর্তব্য বলিয়া স্থির করিয়াছেন। কিয়ামতের দিন তিনি তোমাদেরকে অবশ্যই একত্র করিবেন - ইহাতে কোনই সন্দেহ নাই। যাহারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করিয়াছে তাহারা ঈমান আনিবে না।

জহুরুল হক

বলো - - ''মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যা - কিছু আছে সে - সব কার জন্য?’’ বলো - - ''‌রই জন্য।’’ তিনি তাঁর নিজের উপরে কর্তব্য ঠাওরেছেন করুণা। তিনি অবশ্যই কিয়ামতের দিনের প্রতি তোমাদের জমায়েৎ করতে যাচ্ছেন - - কোনো সন্দেহ নেই তাতে। যারা নিজেদের অন্তরা‌ত্মার ক্ষতিসাধন করেছে তারা তবে ঈমান আনবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘মহাকাশ আর এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে সেগুলো কার?’ বলো: ‘আল্লাহর।’ রহম (দয়া) করা তিনি তাঁর দায়িত্ব হিসেবে লিখে নিয়েছেন। অবশ্য অবশ্যি তিনি তোমাদের জমা করবেন কিয়ামতের দিন, এতে কোনোই সন্দেহ্ নেই। যারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তারা আর ঈমান আনবেনা।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আসমান ও যমীনে যাহা আছে তাহা কাহার?’ বল, ‘আল্লাহরই’ দয়া করা তিনি তাঁহার কর্তব্য বলিয়া স্থির করিয়াছেন। কিয়ামতের দিন তিনি তোমাদেরকে অবশ্যই একত্র করিবেন - ইহাতে কোনই সন্দেহ নাই। যাহারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করিয়াছে তাহারা ঈমান আনিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাত্রি ও দিবসে যাহা কিছু থাকে তাহা তাঁহারই এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

জহুরুল হক

আর তাঁরই যা - কিছু অবস্থান করে রাতে ও দিনের বেলায়, আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

রাতে এবং দিনে যা কিছু বিরাজ করে সবই তাঁর। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।

সমকালীন বাংলা

রাত্রি ও দিবসে যাহা কিছু থাকে তাহা তাঁহারই এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি কি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা ব্যতীত অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিব? তিনিই আহার্য দান করেন কিন্তু তাঁহাকে কেহ আহার্য দান করে না’; এবং বল, ‘আমি আদিষ্ট হইয়াছি যেন আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমি প্রথম ব্যক্তি হই’; আমাকে আরও আদেশ করা হইয়াছে, ‘তুমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।’

জহুরুল হক

বলো - - ''আমি কি মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর আদি - স্রষ্টা ব্যতীত অন্যকে মুরব্বীরূপে গ্রহণ করবো, অথচ তিনি খাওয়ান, কিন্ত তাঁকে খাওয়ানো হয় না।’’ বলো - - ''আমি নিশ্চয়ই আদিষ্ট হয়েছি যেন যারা আ‌ত্মসমর্পণ করে তাদের মধ্যে আমি অগ্রণী হই।’’ আর তুমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘আমি কি মহাকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা আল্লাহকে ছাড়া অন্য কাউকেও অলি হিসেবে গ্রহণ করবো? অথচ তিনিই আহার যোগান, কিন্তু তাকে তো কেউ আহার দেয়না।’ হে নবী! বলো: ‘আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমিই যেনো প্রথম ব্যক্তি হই।’ আমাকে আরো নির্দেশ দেয়া হয়েছে: ‘তুমি মুশরিকদের মধ্যে শামিল হয়োনা।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমি কি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা ব্যতীত অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করিব? তিনিই আহার্য দান করেন কিন্তু তাঁহাকে কেহ আহার্য দান করে না’; এবং বল, ‘আমি আদিষ্ট হইয়াছি যেন আত্মসর্মপণকারীদের মধ্যে আমি প্রথম ব্যক্তি হই’; আমাকে আরও আদেশ করা হইয়াছে, ‘তুমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি যদি আমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করি তবে আমি ভয় করি মহাদিনের শাস্তির।

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''আমি অবশ্যই ভয় করি এক ভীষণ দিনের শাস্তি যদি আমি আমার প্রভুর অবাধ্যতা করি।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘আমি যদি আমার প্রভুর নির্দেশ অমান্য করি, তবে আমি ভয় করি এক মহাদিনের আযাবের।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমি যদি আমার প্রতিপালকের অবাধ্যতা করি তবে আমি ভয় করি মহাদিনের শাস্তির।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সেই দিন যাহাকে উহা হইতে রক্ষা করা হইবে তাহার প্রতি তিনি তো দয়া করিবেন এবং ইহাই স্পষ্ট সফলতা।’

জহুরুল হক

যার কাছ থেকে সেদিন এটি অপসারিত করা হবে তাকে তবে নিশ্চয় তিনি করুণা করেছেন। আর এ এক সুস্পষ্ট সাফল্য!

আবদুস শহীদ নাসিম

যাকে সেদিনের আযাব থেকে রক্ষা করা হবে, তার প্রতি অবশ্যি তিনি রহম করবেন আর এটাই হবে সুস্পষ্ট সাফল্য।

সমকালীন বাংলা

‘সেই দিন যাহাকে উহা হইতে রক্ষা করা হইবে তাহার প্রতি তিনি তো দয়া করিবেন এবং ইহাই স্পষ্ট সফলতা।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাকে ক্লেশ দিলে তিনি ব্যতীত উহা মোচনকারী আর কেহ নাই। আর তিনি তোমার কল্যাণ করিলে তবে তিনিই তো সর্ববিষয়ে শক্তিমান।

জহুরুল হক

আর যদি তোমাকে দুঃখ দিয়ে স্পর্শ করেন তবে তার মোচনকারী তিনি ব্যতীত আর কেউ নেই। আর যদি তিনি তোমাকে স্পর্শ করেন কল্যাণ দিয়ে তবে তিনিই তো সব - কিছুর উপরে সর্বশক্তিমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি তোমাকে কোনো কষ্টে ফেলেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূর করার আর কেউই নেই। আর তিনি যদি তোমাকে কোনো কল্যাণ দান করেন, তবে অবশ্যি তিনি সব বিষয়ে শক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

তোমাকে ক্লেশ দিলে তিনি ব্যতীত উহা মোচনকারী আর কেহ নাই। আর তিনি তোমার কল্যাণ করিলে তবে তিনিই তো সর্ববিষয়ে শক্তিমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আপন বান্দাদের উপর পরাক্রমশালী, তিনি প্রজ্ঞাময়, জ্ঞাতা।

জহুরুল হক

আর তাঁর বান্দাদের উপরেও তিনি পরম ক্ষমতাশালী! আর তিনি পরমজ্ঞানী, চির - ওয়াকিফহাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি নিজ বান্দাদের উপর প্রচন্ড ক্ষমতাশালী। তিনি মহাপ্রজ্ঞাবান, সব বিষয়ে খবর রাখেন।

সমকালীন বাংলা

তিনি আপন বান্দাদের উপর পরাক্রমশালী, তিনি প্রজ্ঞাময়, জ্ঞাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘সাক্ষ্যতে সর্বশ্রেষ্ঠ বিষয় কী ?’ বল, ‘ আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী এবং এই কুরআন আমার নিকট প্রেরিত হইয়াছে যেন তোমাদেরকে এবং যাহার নিকট ইহা পৌঁছিবে তাহাদেরকে এতদ্‌দ্বারা আমি সতর্ক করি। তোমরা কি এই সাক্ষ্য দাও যে, ‌র সঙ্গে অন্য ইলাহ্ও আছে? বল, ‘আমি সে সাক্ষ্য দেই না।’ বল, ‘তিনি তো এক ইলাহ্ এবং তোমরা যে শরীক কর তাহা হইতে আমি অবশ্যই নির্লিপ্ত।’

জহুরুল হক

বলো ''সাক্ষ্যদানে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কি?’’ বলো - - ''‌ই আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী, আর এই কুরআন আমার নিকট প্রত্যাদিষ্ট হয়েছে যেন এর দ্বারা আমি তোমাদের এবং যার কাছে এটি পৌঁছুতে পারে তাদের সতর্ক করতে পারি। তোমরা কি সত্যিই এই সাক্ষ্য দাও যে ‌র সঙ্গে অন্য আরো উপাস্য আছে?’’ তুমি বলো - - ''আমি সাক্ষ্য দিই না।’’ বলো - - ''নিঃসন্দেহ তিনিই একমাত্র উপাস্য, আর আমি অবশ্যই মুক্ত তোমরা যে - সব অংশীদার দাঁড় করাও তা থেকে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

ওদের জিজ্ঞেস করো: ‘সাক্ষ্য প্রদানে সর্বশ্রেষ্ঠ কে’? বলো: ‘’। তিনিই আমার ও তোমাদের মাঝে সাক্ষী। আর এ কুরআন আমার কাছে অহি করা হয়েছে যেনো আমি তোমাদেরকে এবং যাদের কাছে তা পৌঁছে তাদেরকে এর মাধ্যমে সতর্ক করি। তোমরা কি এ সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহর সাথে আরো ইলাহ্ আছে?’ বলো: ‘আমি এ সাক্ষ্য দেইনা।’ বলো: ‘অবশ্যি তিনি একমাত্র ইলাহ্ ; আর তোমরা (তাঁর সাথে) যে শরিক করছো আমি তা থেকে একেবারেই নিঃসম্পর্ক।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘সাক্ষ্যতে সর্বশ্রেষ্ঠ বিষয় কী?’ বল, আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী এবং এই কুরআন আমার নিকট প্রেরিত হইয়াছে যেন তোমাদেরকে এবং যাহার নিকট ইহা পৌঁছিবে তাহাদেরকে এতদ্দ্বারা আমি সতর্ক করি। তোমরা কি এই সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহ্ও আছে? বল, ‘আমি সে সাক্ষ্য দেই না।’ বল, ‘তিনি তো এক ইলাহ্ এবং তোমরা যে শরীক কর তাহা হইতে আমি অবশ্যই নির্লিপ্ত।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছি তাহারা তাহাকে সেইরূপ চেনে যেইরূপ চেনে তাহাদের সন্তানগণকে। যাহারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করিয়াছে, তাহারা বিশ্বাস করিবে না।

জহুরুল হক

যাদের আমরা কিতাব দিয়েছি তারা তাঁকে চিনতে পেরেছিল যেমন তারা চেনে তাদের সন্তানদের। যারা তাদের অন্তরা‌ত্মার ক্ষতি করেছে তারা তবে ঈমান আনবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইতোপূর্বে, যাদের কিতাব দিয়েছি, তারা (ইহুদি খৃষ্টানরা) তাকে (শেষ নবী মুহাম্মদকে) ঠিক সেরকমই চিনে যেমন চিনে তাদের নিজেদের সন্তানদের। যারা নিজেদের ক্ষতি করেছে তারা ঈমান আনবেনা।

সমকালীন বাংলা

আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছি তাহারা তাহাকে সেইরূপ চেনে যেইরূপ চেনে তাহাদের সন্তানগণকে। যাহারা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করিয়াছে, তাহারা বিশ্বাস করিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁহার নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করে তাহার অপেক্ষা অধিক আর কে ? জালিমরা আদৌ হয় না।

জহুরুল হক

আর কে তার চাইতে বেশী অন্যায়কারী যে ‌ - সন্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁর আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে? নিঃসন্দেহ অন্যায়কারীরা হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে আল্লাহর ব্যাপারে মিথ্যা রচনা করে, অথবা আল্লাহর আয়াত অস্বীকার করে? নিশ্চয়ই যালিমরা সফল হয়না।

সমকালীন বাংলা

যে ব্যক্তি সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে অথবা তাঁহার নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করে তাহার অপেক্ষা অধিক আর কে? জালিমরা আদৌ হয় না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, যেদিন তাহাদের সকলকে একত্র করিব, অতঃপর মুশরিকদেরকে বলিব, ‘যাহাদেরকে তোমরা আমার শরীক মনে করিতে, তাহারা কোথায় ?’

জহুরুল হক

আর একদিন আমরা তাদের সবাইকে একত্রিত করবো, তারপর যারা অংশীদার নিযুক্ত করেছিল তাদের বলবো - - ''কোথায় আছে তোমাদের সেইসব অনুসঙ্গী দেবতারা যাদের তোমরা তুলে ধরেছিলে?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আমরা তাদের সবাইকে হাশর করবো, তারপর মুশরিকদের বলবো: ‘তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরিক বলে ধারণা করতে তারা এখন কোথায়?

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, যেদিন তাহাদের সকলকে একত্র করিব, অতঃপর মুশরিকদেরকে বলিব, ‘যাহাদেরকে তোমরা আমার শরীক মনে করিতে, তাহারা কোথায়?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাহাদের ইহা ছাড়া বলিবার অন্য কোন অজুহাত থাকিবে না : ‘আমাদের প্রতিপালক ‌র শপথ! আমরা তো মুশরিকই ছিলাম না।’

জহুরুল হক

তখন তাদের আর কিছু অজুহাত থাকবে না এই বলা ছাড়া - - ''আমাদের প্রভু ‌র কসম, আমরা বহুখোদাবাদী ছিলাম না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাদের এছাড়া বলার মতো আর কোনো অজুহাতই থাকবেনা যে: ‘আমাদের প্রভু আল্লাহর শপথ, আমরা মুশরিক ছিলামনা।’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাহাদের ইহা ছাড়া বলিবার অন্য কোন অজুহাত থাকিবে না : ‘আমাদের প্রতিপালক আল্লাহর শপথ! আমরা তো মুশরিকই ছিলাম না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দেখ, তাহারা নিজেদের প্রতি কিরূপ মিথ্যা আরোপ করে এবং যে মিথ্যা তাহারা রচনা করিত উহা কিভাবে তাহাদের নিকট হইতে উধাও হইয়া গেল!

জহুরুল হক

দেখ, কিভাবে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলে, আর তাদের থেকে বিদায় নিয়েছে যা তারা রচনা করতো!

আবদুস শহীদ নাসিম

দেখো, তারা নিজেদের প্রতি কিভাবে মিথ্যারোপ করছে, আর তারা যে মিথ্যা রচনা করতো, তা (সেসব উপাস্যরা) কিভাবে তাদের থেকে উধাও হয়ে গেছে।

সমকালীন বাংলা

দেখ, তাহারা নিজেদের প্রতি কিরূপ মিথ্যা আরোপ করে এবং যে মিথ্যা তাহারা রচনা করিত উহা কিভাবে তাহাদের নিকট হইতে উধাও হইয়া গেল!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের মধ্যে কতক তোমার দিকে কান পাতিয়া রাখে, কিন্তু আমি তাহাদের অন্তরের উপর আবরণ দিয়াছি যেন তাহারা তাহা উপলব্ধি করিতে না পারে; তাহাদেরকে বধির করিয়াছি এবং সমস্ত নিদর্শন প্রত্যক্ষ করিলেও তাহারা উহাতে ঈমান আনিবে না; এমনকি তাহারা যখন তোমার নিকট উপস্থিত হইয়া বিতর্কে লিপ্ত হয় তখন কাফিরগণ বলে, ‘ইহা তো পূর্ববর্তীদের উপকথা ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

জহুরুল হক

আর তাদের মধ্যে কেউ - কেউ তোমার দিকে কান পাতে, আর তাদের অন্তঃকরণের উপরে আমরা দিয়ে রেখেছি ঢাকনা পাছে তারা তা উপলব্ধি করতে পারে, আর তাদের কানে গুরুভার। আর যদিও তারা প্রত্যেকটি নিদর্শন প্রত্যক্ষ করে তবু তারা তোমার সঙ্গে তর্কবিতর্ক করে, যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা বলে - - ''এ তো আগের দিনের উপকথা ব্যতীত আর কিছুই নয়।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কিছু লোক তোমার দিকে কান পেতে রাখে আর আমি কিন্তু তাদের অন্তরের উপর আবরণ ফেলে রেখেছি, যেনো তারা তা বুঝতে না পারে, এছাড়া তাদের কানেও পর্দা লাগিয়ে দিয়েছি। সব নিদর্শন দেখলেও তারা ঈমান আনবেনা। তারা যখন তোমার কাছে আসে, তোমার সাথে তর্কে লিপ্ত হয়। যারা কুফুরি করেছে তারা বলে: এতো পূর্ববর্তী লোকদের কাহিনী ছাড়া কিছুই নয়।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের মধ্যে কতক তোমার দিকে কান পাতিয়া রাখে, কিন্তু আমি তাহাদের অন্তরের উপর আবরণ দিয়াছি যেন তাহারা তাহা উপলব্ধি করিতে না পারে; তাহাদেরকে বধির করিয়াছি এবং সমস্তনিদর্শন প্রত্যক্ষ করিলেও তাহারা উহাতে ঈমান আনিবে না; এমনকি তাহারা যখন তোমার নিকট উপস্থিত হইয়া বিতর্কে লিপ্ত হয় তখন কাফিরগণ বলে, ‘ইহা তো পূর্ববর্তীদের উপকথা ব্যতীত আর কিছুই নয়।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা অন্যকে উহা শ্রবণে বিরত রাখে এবং নিজেরাও উহা হইতে দূরে থাকে, আর তাহারা নিজেরাই শুধু নিজেদেরকে ধ্বংস করে, অথচ তাহারা উপলব্ধি করে না।

জহুরুল হক

আর তারা অন্যকে নিষেধ করে এ থেকে, আর এ থেকে তারা দূরে চলে যায়, আর তারা অবশ্যই ধ্বংস করে শুধু তাদের নিজেদেরই, কিন্ত তারা অনুভব করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা অন্যদেরকেও তা (কুরআন) শুনতে বাধা দেয় এবং নিজেরাও তা থেকে দূরে থাকে। তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করছে, অথচ তারা তা বুঝতে পারছেনা।

সমকালীন বাংলা

তাহারা অন্যকে উহা শ্রবণে বিরত রাখে এবং নিজেরাও উহা হইতে দূরে থাকে, আর তাহারা নিজেরাই শুধু নিজেদেরকে ধ্বংস করে, অথচ তাহারা উপলব্ধি করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি যদি দেখিতে পাইতে যখন তাহাদেরকে দোজখের পার্শ্বে দাঁড় করান হইবে এবং তাহারা বলিবে, ‘হায়! যদি আমাদের প্রত্যাবর্তন ঘটিত তবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করিতাম না এবং আমরা মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হইতাম!’

জহুরুল হক

আর যদি তুমি দেখতে পেতে যখন আগুনের সামনে তাদের দাঁড় করানো হবে, তখন তারা বলবে - - ''হায়! যদি আমরা ফিরে যেতে পারতাম, আর যদি আমাদের প্রভুর নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান না করতাম, আর যদি আমরা হতাম বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত!’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি দেখতে, যখন তাদেরকে জাহান্নামের কিনারে দাঁড় করানো হবে আর তারা বলবে: ‘হায়, যদি আমাদের পৃথিবীতে ফেরত পাঠানো হতো, তাহলে আমরা আর আমাদের প্রভুর আয়াতকে অস্বীকার করতামনা এবং আমরা মুমিনদের অন্তরভুক্ত হয়ে যেতাম।’

সমকালীন বাংলা

তুমি যদি দেখিতে পাইতে যখন তাহাদেরকে দোজখের পার্শ্বে দাঁড় করান হইবে এবং তাহারা বলিবে, ‘হায়! যদি আমাদের প্রত্যাবর্তন ঘটিত তবে আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করিতাম না এবং আমরা মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত হইতাম!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, পূর্বে তাহারা যাহা গোপন করিত তাহা এখন তাহাদের নিকট প্রকাশ পাইয়াছে এবং তাহারা প্রত্যাবর্তিত হইলেও যাহা করিতে তাহাদেরকে নিষেধ করা হইয়াছিল পুনরায় তাহারা তাহাই করিত এবং নিশ্চয় তাহারা মিথ্যাবাদী।

জহুরুল হক

না, তারা পূর্বে যা লুকিয়েছিল তা প্রকাশ পাবে তাদের কাছে। আর তাদের ফেরত পাঠানো হলেও তারা তাতেই ফিরে যেতো যা থেকে তাদের নিষেধ করা হয়েছিল, আর নিঃসন্দেহ তারাই মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

না, বরং তারা ইতোপূর্বে যা গোপন করতো তা প্রকাশ হয়ে গেছে। তাদেরকে যদি ফেরতও পাঠানো হয়, পুনরায় তারা তাই করবে, যা করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছে। অবশ্যি তারা মিথ্যাবাদী।

সমকালীন বাংলা

না, পূর্বে তাহারা যাহা গোপন করিত তাহা এখন তাহাদের নিকট প্রকাশ পাইয়াছে এবং তাহারা প্রত্যাবর্তিত হইলেও যাহা করিতে তাহাদেরকে নিষেধ করা হইয়াছিল পুনরায় তাহারা তাহাই করিত এবং নিশ্চয় তাহারা মিথ্যাবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘আমাদের পার্থিব জীবনই একমাত্র জীবন এবং আমরা পুনরুত্থিতও হইব না।’

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''আমাদের দুনিয়াদারী জীবন ব্যতীত আর কিছুই নেই, আর আমরা পুনরুত্থিতও হব না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমাদের দুনিয়ার হায়াতটাই একমাত্র হায়াত, মরনের পর আর আমাদের উঠানো হবেনা।’

সমকালীন বাংলা

তাহারা বলে, ‘আমাদের পার্থিব জীবনই একমাত্র জীবন এবং আমরা পুনরুত্থিতও হইব না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি যদি দেখিতে পাইতে তাহাদেরকে যখন তাহাদের প্রতিপালকের সম্মুখে দাঁড় করান হইবে এবং তিনি বলিবেন, ‘ইহা কি প্রকৃত সত্য নয় ?’ তাহারা বলিবে, ‘আমাদের প্রতিপালকের শপথ! নিশ্চয়ই সত্য।’ তিনি বলিবেন, ‘তবে তোমরা যে করিতে তজ্জন্য তোমরা এখন শাস্তি ভোগ কর।’

জহুরুল হক

আর যদি তুমি দেখতে পেতে যখন তাদের প্রভুর সামনে তাদের দাঁড় করানো হবে! তিনি বলবেন - - ''এ কি সত্য নয়?’’ তারা বলবে - - ''হাঁ আমাদের প্রভুর কসম!’’ তিনি বলবেন - - ''তবে তোমরা আস্বাদন করো সেই শাস্তি যা তোমরা অবিশ্বাস করতে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি দেখতে তাদেরকে যখন তাদের প্রভুর সামনে দাঁড় করানো হবে এবং তিনি যখন তাদের বলবেন: ‘এটা (পুনরুত্থান) কি সত্য নয়?’ তারা বলবে: ‘নিশ্চয়ই আমাদের প্রভুর শপথ!’ তখন তিনি তাদের বলবেন: ‘তোমরা যে কুফুরি করতে তার কারণে এখন স্বাদ গ্রহণ করো আযাবের।’

সমকালীন বাংলা

তুমি যদি দেখিতে পাইতে তাহাদেরকে যখন তাহাদের প্রতিপালকের সম্মুখে দাঁড় করান হইবে এবং তিনি বলিবেন, ‘ইহা কি প্রকৃত সত্য নয়?’ তাহারা বলিবে, ‘আমাদের প্রতিপালকের শপথ! নিশ্চয়ই সত্য।’ তিনি বলিবেন, ‘তবে তোমরা যে করিতে তজ্জন্য তোমরা এখন শাস্তি ভোগ কর।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র সম্মুখীন হওয়াকে মিথ্যা বলিয়াছে তাহারা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছে, এমনকি অকস্মাৎ তাহাদের নিকট যখন কিয়ামত উপস্থিত হইবে তখন তাহারা বলিবে, ‘হায় ! ইহাকে আমরা যে অবহেলা করিয়াছি তজ্জন্য আক্ষেপ !’ তাহারা তাহাদের পৃষ্ঠে নিজেদের পাপ বহন করিবে ; দেখ, তাহারা যাহা বহন করিবে তাহা অতি নিকৃষ্ট!

জহুরুল হক

তারা নিশ্চয়ই ক্ষতি করেছে যারা ‌র সাথে মুলাকাত হওয়া অস্বীকার করে, যে পর্যন্ত না তাদের কাছে অতর্কিতে এসে পড়ে ঘড়ি - ঘান্টা, তখন তারা বলবে - - ''হায়! এ সন্বন্ধে আমরা অবহেলা করেছিলাম ব’লে আফসোস!’’ আর তারা তাদের বোঝা তাদের পিঠে বহন করবে। এটি কি অতি নিকৃষ্ট নয় যা তারা বহন করছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা, যারা আল্লাহর সাথে মোলাকাত হওয়ার বিষয়কে অস্বীকার করেছে। হঠাত যখন তাদের সামনে কিয়ামত উপস্থিত হয়ে যাবে তখন তারা বলবে: ‘হায় আক্ষেপ, আমরা কেন এ জিনিসকে অবহেলা করেছিলাম।’ তারা তাদের পিঠে করে পাপের বোঝা বহন করবে। তারা যা বহন করবে তা যে কতো নিকৃষ্ট!

সমকালীন বাংলা

যাহারা আল্লাহর সম্মুখীন হওয়াকে মিথ্যা বলিয়াছে তাহারা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তহইয়াছে, এমনকি অকস্মাৎ তাহাদের নিকট যখন কিয়ামত উপস্থিত হইবে তখন তাহারা বলিবে, ‘হায় ! ইহাকে আমরা যে অবহেলা করিয়াছি তজ্জন্য আক্ষেপ !’ তাহারা তাহাদের পৃষ্ঠে নিজেদের পাপ বহন করিবে ; দেখ, তাহারা যাহা বহন করিবে তাহা অতি নিকৃষ্ট!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া - কৌতুক ব্যতীত আর কিছুই নয় এবং যাহারা তাক্ওয়া অবলম্বন করে তাহাদের জন্য আখিরাতের আবাসই শ্রেয় ; তোমরা কি অনুধাবন কর না ?

জহুরুল হক

আর এই দুনিয়ার জীবন ছেলেখেলা ও কৌতুক বই আর কিছুই নয়। আর পরকালের আবাসই শ্রেষ্ঠ তাদের জন্য যারা ধর্মপরায়ণতা পালন করে। তবে কি তোমরা অনুধাবন করো না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এই দুনিয়ার হায়াতটা খেল - তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। যারা তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্যে আখিরাতের ঘরই উত্তম। তারপরও তোমরা কি আকল খাটাবেনা?

সমকালীন বাংলা

পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া - কৌতুক ব্যতীত আর কিছুই নয় এবং যাহারা তাক্ওয়া অবলম্বন করে তাহাদের জন্য আখিরাতের আবাসই শ্রেয় ; তোমরা কি অনুধাবন কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অবশ্য জানি যে, তাহারা যাহা বলে তাহা তোমাকে নিশ্চিতই কষ্ট দেয়; কিন্তু তাহারা তোমাকে তো মিথ্যাবাদী বলে না; বরং জালিমেরা ‌র আয়াতকে অস্বীকার করে।

জহুরুল হক

আমরা অবশ্যই জানি যে তারা যা বলে তা নিশ্চিতই তোমাকে কষ্ট দেয়, কিন্ত তারা তো নিশ্চয়ই তোমাকে মিথ্যাবাদী বলে না, কিন্ত অন্যায়কারীরা ‌র আয়াতকেই অমান্য করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা জানি, ওরা যা বলে তা অবশ্যি তোমাকে কষ্ট দেয়। আসলে তারা তো তোমাকে মিথ্যা বলছেনা, বরং এই যালিমরা আল্লাহর আয়াতকেই অস্বীকার করছে।

সমকালীন বাংলা

আমি অবশ্য জানি যে, তাহারা যাহা বলে তাহা তোমাকে নিশ্চিতই কষ্ট দেয়; কিন্তু তাহারা তোমাকে তো মিথ্যাবাদী বলে না; বরং জালিমেরা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকে অবশ্যই মিথ্যাবাদী বলা হইয়াছিল ; কিন্তু তাহাদেরকে মিথ্যাবাদী বলা ও ক্লেশ দেওয়া সত্ত্বেও তাহারা ধৈর্য ধারণ করিয়াছিল যে পর্যন্ত না আমার সাহায্য তাহাদের নিকট আসিয়াছে। ‌র আদেশ কেহ পরিবর্তন করিতে পারে না, রাসূলগণের সম্বন্ধে কিছু সংবাদ তো তোমার নিকট আসিয়াছে।

জহুরুল হক

আর তোমার পূর্বেও রসূলগণকে অবশ্যই মিথ্যারোপ করা হয়েছিল, কিন্ত তাঁরা অধ্যবসায়ী হয়েছিলেন তাদেরকে মিথ্যারোপ করা ও যন্ত্রণা দেয়া সত্ত্বেও, যে পর্যন্ত না আমাদের সাহায্য তাদের কাছে এসেছিল, আর ‌র বাণী কেউ বদলাতে পারে না। আর তোমার কাছে প্রেরিত - পুরুষগণের সন্বন্ধে সংবাদ নিশ্চয়ই এসেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগে অনেক রসূলকেই মিথ্যাবাদী বলে অস্বীকার করা হয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে অস্বীকার এবং কষ্ট দেয়া সত্ত্বেও তারা সবর অবলম্বন করেছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের কাছে আমার সাহায্য এসে পৌঁছে। আল্লাহর আদেশ বদল হবার নয়। (অতীত) রসূলদের সংবাদ তো তোমার কাছে এসেছেই।

সমকালীন বাংলা

তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকে অবশ্যই মিথ্যাবাদী বলা হইয়াছিল ; কিন্তু তাহাদেরকে মিথ্যাবাদী বলা ও ক্লেশ দেওয়া সত্ত্বেও তাহারা ধৈর্য ধারণ করিয়াছিল যে পর্যন্ত না আমার সাহায্য তাহাদের নিকট আসিয়াছে। আদেশ কেহ পরিবর্তন করিতে পারে না, রাসূলগণের সম্বন্ধে কিছু সংবাদ তো তোমার নিকট আসিয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তাহাদের উপেক্ষা তোমার নিকট কষ্টকর হয় তবে পারিলে ভূগর্ভে সুড়ঙ্গ অথবা আকাশের সোপান অন্বেষণ কর এবং তাহাদের নিকট কোন নিদর্শন আন। ইচ্ছা করিলে তাহাদের সকলকে অবশ্যই সৎপথে একত্র করিতেন। সুতরাং তুমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

জহুরুল হক

আর যদি তাদের ফিরে যাওয়া তোমার কাছে কষ্টকর হয়, তবে যদি সমর্থ হও তো ভূগর্ভে সুড়ঙ্গপথ খোঁজো অথবা আকাশে উঠবার একটি মই, এবং তাদের কাছে নিয়ে এস কোনো নিদর্শন! আর যদি ইচ্ছা করতেন তবে তিনি তাদের সকলকে অবশ্য সৎপথে সমবেত করতেন, কাজেই তুমি অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তোমার প্রতি) তাদের উপেক্ষা যদি তোমার কাছে অসহনীয় হয়, তবে যদি তোমার ক্ষমতা থাকে মাটির ভেতরে সুড়ঙ্গ খুঁজে নাও, কিংবা আকাশে উঠার মই খুঁজে নাও এবং তাদের জন্যে কোনো নিদর্শন নিয়ে এসো। আসলে চাইলে অবশ্যি তাদের সবাইকে হিদায়াতের উপর একত্র করে দিতেন। সুতরাং তুমি অজ্ঞদের মধ্যে শামিল হয়োনা।

সমকালীন বাংলা

যদি তাহাদের উপেক্ষা তোমার নিকট কষ্টকর হয় তবে পারিলে ভূগর্ভে সুড়ঙ্গ অথবা আকাশের সোপান অন্বেষণ কর এবং তাহাদের নিকট কোন নিদর্শন আন। ইচ্ছা করিলে তাহাদের সকলকে অবশ্যই সৎপথে একত্র করিতেন। সুতরাং তুমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা শ্রবণ করে শুধু তাহারাই ডাকে সাড়া দেয়। আর মৃতকে পুনর্জীবিত করিবেন; অতঃপর তাঁহার দিকেই তাহারা প্রত্যানীত হইবে।

জহুরুল হক

কেবল তারাই সাড়া দেয় যারা শোনে। আর মৃতের সন্বন্ধে - - তাদের পুনর্জীবিত করবেন, তখন তাঁর দিকেই তাদের ফিরিরে আনা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আহবানে সাড়া দেয় তো তারা যারা তা (মনোযোগ সহকারে) শুনে। আর মৃতদের পুনরুত্থিত করবেন এবং তাঁর কাছেই তাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা শ্রবণ করে শুধু তাহারাই ডাকে সাড়া দেয়। আর মৃতকে পুনর্জীবিত করিবেন; অতঃপর তাঁহার দিকেই তাহারা প্রত্যানীত হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘তাহার প্রতিপালকের নিকট হইতে তাহার নিকট কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’ বল, ‘নিদর্শন নাযিল করিতে অবশ্যই সক্ষম,’ কিন্তু তাহাদের অধিকাংশই জানে না।

জহুরুল হক

আর তারা বলাবলি করে - - ''কেন তাঁর কাছে তাঁর প্রভুর নিকট থেকে কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না?’’ তুমি বলো - - ''নিঃসন্দেহ নিদর্শন অবতীর্ণ করতে সক্ষম, কিন্ত তাদের অধিকাংশই জানে না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তার প্রভুর পক্ষ থেকে তার কাছে কোনো নিদর্শন নাযিল করা হলোনা কেন? তুমি বলো: ‘নিদর্শন নাযিল করতে অবশ্যি সক্ষম, তবে তাদের অধিকাংশ লোকই জানেনা।’

সমকালীন বাংলা

তাহারা বলে, ‘তাহার প্রতিপালকের নিকট হইতে তাহার নিকট কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন?’ বল, ‘নিদর্শন নাযিল করিতে অবশ্যই সক্ষম,’ কিন্তু তাহাদের অধিকাংশই জানে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ভূপৃষ্ঠে বিচরণশীল জীব এবং নিজ ডানার সাহায্যে উড়ন্ত পাখি - তাহারা সকলে তোমাদের মতই এক - একটি জাতি। কিতাবে কোন কিছুই আমি বাদ দেই নাই; অতঃপর স্বীয় প্রতিপালকের দিকে তাহাদেরকে একত্র করা হইবে।

জহুরুল হক

আর এমন কোনো পার্থিব জীব নেই এই পৃথিবীতে আর না আছে কোন উড়ন্ত প্রাণী যে উড়ে তার দুই ডানার সাহায্যে, যারা তোমাদের মতো এক সম্প্রদায়ের নয়। আমরা এই কিতাবে কোনো কিছুই ফেলে রাখি নি। অতঃপর তাদের প্রভুর দিকে তাদের একত্রিত করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীর বুকে বিচরণশীল এমন কোনো প্রাণী নেই এবং ডানার সাহায্যে উড়ে এমন কোনো পাখি নেই, যারা তোমাদের মতোই বিভিন্ন সম্প্রদায় ছাড়া কিছু নয়। আমরা আল কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দেইনি। অবশেষে তাদেরকে তাদের প্রভুর কাছে হাশর করা হবে।

সমকালীন বাংলা

ভূপৃষ্ঠে বিচরণশীল জীব এবং নিজ ডানার সাহায্যে উড়ন্তপাখি - তাহারা সকলে তোমাদের মতই এক - একটি জাতি। কিতাবে কোন কিছুই আমি বাদ দেই নাই; অতঃপর স্বীয় প্রতিপালকের দিকে তাহাদেরকে একত্র করা হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে তাহারা বধির ও মূক, অন্ধকারে রহিয়াছে। যাহাকে ইচ্ছা বিপথগামী করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা তিনি সরল পথে স্থাপন করেন।

জহুরুল হক

আর যারা আমাদের নির্দেশসমূহে মিথ্যারোপ করে তারা বধির ও বোবা, ঘোর অন্ধকারে। যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তিনি বিপথে যেতে দেন, আর যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তিনি স্থাপন করেন সহজ - সঠিক পথের উপরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আমার আয়াতকে অস্বীকার করে তারা অন্ধকাররাশিতে বধির ও বোবা। যাকে চান বিপথগামী করেন, আর যাকে চান তিনি সিরাতুল মুস্তাকিমের উপর প্রতিষ্ঠিত করেন।

সমকালীন বাংলা

যাহারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে তাহারা বধির ও মূক, অন্ধকারে রহিয়াছে। যাহাকে ইচ্ছা বিপথগামী করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা তিনি সরল পথে স্থাপন করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখ যে, ‌র শাস্তি তোমাদের উপর আপতিত হইলে অথবা তোমাদের নিকট কিয়ামত উপস্থিত হইলে তোমরা কি ব্যতীত অন্য কাহাকেও ডাকিবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ?

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমরা কি ভেবে দেখেছ যে ‌র শাস্তি তোমাদের উপরে যদি এসে পড়ে অথবা সেই ঘড়ি - ঘন্টা তোমাদের নিকটে উপস্থিত হয়, তোমরা কি ছাড়া অপর কাউকে ডাকবে? যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা চিন্তা করে দেখো, তোমাদের উপর যদি (হঠাৎ) আল্লাহর আযাব এসে পড়ে, কিংবা এসে পড়ে কিয়ামত, তখন কি তোমরা ছাড়া আর কাউকেও ডাকবে? সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখ যে, আল্লাহর শাস্তি তোমাদের উপর আপতিত হইলে অথবা তোমাদের নিকট কিয়ামত উপস্থিত হইলে তোমরা কি ব্যতীত অন্য কাহাকেও ডাকিবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘না, তোমরা শুধু তাঁহাকেই ডাকিবে, তোমরা যে দুঃখের জন্য তাঁহাকে ডাকিতেছ তিনি ইচ্ছা করিলে তোমাদের সেই দুঃখ দূর করিবেন এবং যাহাকে তোমরা তাঁহার শরীক করিতে, তাহা তোমরা বিস্মৃত হইবে।’

জহুরুল হক

বরং তাঁকেই তোমরা ডাকবে, আর তিনি যদি ইচ্ছা করেন তবে দূর ক’রে দেবেন তা যার জন্য তাঁকে তোমরা ডেকে থাকো, আর তোমরা ভুলে যাবে তোমরা যে - সব অংশী দাঁড় করাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

‘না, বরং তোমরা তখন কেবল তাঁকেই ডাকবে। তারপর তোমরা যে কষ্টের জন্যে তাঁকে ডাকো তিনি চাইলে তা দূর করে দেন; আর তোমরা যাদেরকে (আল্লাহর সাথে) শরিক করো তখন তাদের কথা ভুলে থাকো।’

সমকালীন বাংলা

‘না, তোমরা শুধু তাঁহাকেই ডাকিবে, তোমরা যে দুঃখের জন্য তাঁহাকে ডাকিতেছ তিনি ইচ্ছা করিলে তোমাদের সেই দুঃখ দূর করিবেন এবং যাহাকে তোমরা তাঁহার শরীক করিতে, তাহা তোমরা বিস্মৃত হইবে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বেও আমি বহু জাতির নিকট রাসূল প্রেরণ করিয়াছি; অতঃপর তাহাদেরকে অর্থসংকট ও দুঃখ - ক্লেশ দ্বারা পীড়িত করিয়াছি, যাহাতে তাহারা বিনীত হয়।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই তোমার পূর্বের সম্প্রদায়ের কাছে রসূল পাঠিয়েছিলাম, তারপর আমরা দুর্দশা ও বিপদপাত দ্বারা তাদের পাকড়াও করেছিলাম যেন তারা নিজেদের বিনত করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের আগে বহু উম্মতের কাছে আমরা রসূল পাঠিয়েছি, তারপর তাদেরকে আমরা দুর্ভিক্ষ ও দুঃখ কষ্ট দিয়ে সাজা দিয়েছি যাতে করে তারা বিনয়ী হয়।

সমকালীন বাংলা

তোমার পূর্বেও আমি বহু জাতির নিকট রাসূল প্রেরণ করিয়াছি; অতঃপর তাহাদেরকে অর্থসংকট ও দুঃখ - ক্লেশ দ্বারা পীড়িত করিয়াছি, যাহাতে তাহারা বিনীত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমার শাস্তি যখন তাহাদের উপর আপতিত হইল তখন তাহারা কেন বিনীত হইল না ? অধিকন্তু তাহাদের হৃদয় কঠিন হইয়াছিল এবং তাহারা যাহা করিতেছিল শয়তান তাহা তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল।

জহুরুল হক

তবে কেন, যখন আমাদের থেকে দুর্দশা তাদের উপরে এসেছিল, তারা বিনত করল না? পরন্ত, তাদের অন্তঃকরণ কঠিন হয়ে উঠল, আর শয়তান তাদের কাছে চিত্তাকর্ষক করে তুললো যে - সব তারা করে যাচ্ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের সাজা তাদের উপর এসে পড়ার প্রাক্কালে কেন তারা বিনয়ী হলোনা? বরঞ্চ তাদের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছিল আর শয়তান তাদের কর্মকান্ডকে তাদের কাছে মনোহরী করে তুলে ধরেছিল।

সমকালীন বাংলা

আমার শাস্তি যখন তাহাদের উপর আপতিত হইল তখন তাহারা কেন বিনীত হইল না? অধিকন্তু তাহাদের হৃদয় কঠিন হইয়াছিল এবং তাহারা যাহা করিতেছিল শয়তান তাহা তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে যে উপদেশ দেওয়া হইয়াছিল তাহারা যখন তাহা বিস্মৃত হইল তখন আমি তাহাদের জন্য সমস্ত কিছুর দ্বার উন্মুক্ত করিয়া দিলাম; অবশেষে তাহাদেরকে যাহা দেওয়া হইল যখন তাহারা তাহাতে উল্লসিত হইল তখন অকস্মাৎ তাহাদেরকে ধরিলাম ; ফলে তখনি তাহারা নিরাশ হইল।

জহুরুল হক

তারপর যখন তারা ভুলে গেল যে বিষয়ে তাদের স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছিল, তাদের জন্য আমরা খুলে দিলাম সব - কিছুর দরজা, যে পর্যন্ত না তারা মেতে উঠেছিল যা তাদের দেয়া হয়েছিল তাতে, আমরা তাদের পাকড়াও করলাম অতর্কিতে, কাজেই দেখো! তারা তখন হতভন্ব!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তারা যখন তা ভুলে গিয়েছিল, তখন আমরা তাদের জন্যে সবকিছুর দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। তাদের যা দেয়া হয়েছিল সেগুলোতে যখন তারা মত্ত হয়ে পড়েছিল, তখন আমরা আকস্মিক তাদের পাকড়াও করেছি, ফলে তারা হতাশ হয়ে পড়েছিল।

সমকালীন বাংলা

তাহাদেরকে যে উপদেশ দেওয়া হইয়াছিল তাহারা যখন তাহা বিস্মৃত হইল তখন আমি তাহাদের জন্য সমস্ত কিছুর দ্বার উন্মুক্ত করিয়া দিলাম; অবশেষে তাহাদেরকে যাহা দেওয়া হইল যখন তাহারা তাহাতে হইল তখন অকস্মাৎ তাহাদেরকে ধরিলাম ; ফলে তখনি তাহারা নিরাশ হইল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সম্প্রদায়ের মূলোচ্ছেদ করা হইল এবং সমস্ত প্রশংসা ‌রই - যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।

জহুরুল হক

এইভাবে শিকড় কাটা হয়েছিল সেইসব গোষ্ঠীর যারা অন্যায় করেছিল। আর ''সমস্ত প্রশংসা ‌র জন্য, সৃষ্টজগতের প্রভু।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর যালিম কওমের শিকড় কেটে দেয়া হয়েছিল। মূলত, সব প্রশংসা রাববুল আলামিনের।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সম্প্রদায়ের মূলোচ্ছেদ করা হইল এবং সমস্ত প্রশংসা যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, যদি তোমাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি কাড়িয়া নেন এবং তোমাদের হৃদয় মোহর করিয়া দেন তবে ব্যতীত কোন্ ইলাহ্ আছে যে তোমাদেরকে এইগুলি ফিরাইয়া দিবে ?’ দেখ, আমি কিরূপে আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি ; এতদসত্ত্বেও তাহারা মুখ ফিরাইয়া নেয়।

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি কেড়ে নেন তোমাদের শ্রবণশক্তি ও তোমাদের দৃষ্টিশক্তি, আর মোহর মেরে দেন তোমাদের হৃদয়ের উপরে, তবে ব্যতীত কে উপাস্য আছে যে তোমাদের ঐগুলো ফিরিয়ে দেবে?’’ দেখো, কিরূপে আমরা নির্দেশসমূহ নানাভাবে বর্ণনা করি, এতদসত্ত্বেও তারা ফিরে যায়!

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি তোমাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি নিয়ে নেন এবং তোমাদের অন্তরে সীলগালা করে দেন, তবে ছাড়া কোন্ আছে তোমাদের এগুলো ফিরিয়ে দেবে?’ দেখো, কিভাবে আমরা নিদর্শনসমূহ বিশদ বর্ণনা করছি। তা সত্ত্বেও তারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, যদি তোমাদের শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তিকাড়িয়া নেন এবং তোমাদের হৃদয় মোহর করিয়া দেন তবে ব্যতীত কোন্ ইলাহ্ আছে যে তোমাদেরকে এইগুলি ফিরাইয়া দিবে?’ দেখ, আমি কিরূপে আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি ; এতদসত্ত্বেও তাহারা মুখ ফিরাইয়া নেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, ‌র শাস্তি অকস্মাৎ অথবা প্রকাশ্যে তোমাদের উপর আপতিত হইলে সম্প্রদায় ব্যতীত আর কেহ ধ্বংস হইবে কি ?’

জহুরুল হক

বলো - - ''তোমাদের কি দৃষ্টিগোচর হয়েছে, - - তোমাদের উপরে যদি ‌র শাস্তি এসে পড়ে অতর্কিতে অথবা প্রকাশ্যভাবে, তবে অত্যাচারিগোষ্ঠী ছাড়া আর কাউকে কি ধ্বংস করা হবে?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা ভেবে দেখেছো কি, আল্লাহর আযাব যদি হঠাৎ, কিংবা প্রকাশ্যে এসে পড়ে, তখন যালিম কওম ছাড়া আর কেউ হালাক হবে কি?

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ, আল্লাহর শাস্তিঅকস্মাৎ অথবা প্রকাশ্যে তোমাদের উপর আপতিত হইলে সম্প্রদায় ব্যতীত আর কেহ ধ্বংস হইবে কি?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি রাসূলগণকে তো শুধু সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করি। কেহ ঈমান আনিলে ও নিজকে সংশোধন করিলে তাহার কোন ভয় নাই এবং সে দুঃখিতও হইবে না।

জহুরুল হক

আর কোনো বাণীবাহককে আমরা পাঠাই না সুসংবাদদাতারূপে ও সতর্ককারীরূপে ভিন্ন। অতএব যে কেউ ঈমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের উপরে থাকবে না কোনো ভয়ভীতি, আর তারা করবে না অনুতাপ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা রসূলদের পাঠাই তো সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে। অতপর যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে, তাদের কোনো ভয়ও থাকবেনা, দুঃখও থাকবেনা।

সমকালীন বাংলা

আমি রাসূলগণকে তো শুধু সুসংবাদবাহী ও সতর্ককারীরূপেই প্রেরণ করি। কেহ ঈমান আনিলে ও নিজকে সংশোধন করিলে তাহার কোন ভয় নাই এবং সে দুঃখিতও হইবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলিয়াছে সত্য ত্যাগের জন্য তাহাদের উপর শাস্তি আপতিত হইবে।

জহুরুল হক

আর যারা আমাদের নির্দেশাবলীতে মিথ্যারোপ করেছে, শাস্তি তাদের পাকড়াও করবে যেহেতু তারা দুষ্কৃতি করে যাচ্ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা আমাদের আয়াতকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করবে, তাদের সীমালংঘনের কারণে তারা নিমজ্জিত হবে আযাবে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলিয়াছে সত্য ত্যাগের জন্য তাহাদের উপর শাস্তি আপতিত হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি তোমাদেরকে ইহা বলি না যে, আমার নিকট ‌র ধনভাণ্ডার আছে, সম্বন্ধেও আমি অবগত নই; এবং তোমাদেরকে ইহাও বলি না যে, আমি ফিরিশ্‌তা; আমার প্রতি যাহা ওহী হয় আমি শুধু তাহারই অনুসরণ করি। বল, ‘অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান ?’ তোমরা কি অনুধাবন কর না ?

জহুরুল হক

বলো - - ''আমি তোমাদের বলি না যে আমার কাছে ‌র ধনভান্ডার রয়েছে, আর সন্বন্ধেও আমি জানি না, আর আমি তোমাদের বলি না যে আমি নিশ্চয়ই একজন ফিরিশ্‌তা, আমার কাছে যা প্রত্যাদিষ্ট হয় আমি শুধু তারই অনুসরণ করি।’’ বলো - - ''অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি একসমান? তোমরা কি তবু অনুধাবন করবে না?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি তোমাদের বলছিনা যে, আমার কাছে আল্লাহর ধনভান্ডার রয়েছে! গায়েবের এলেমও আমার নেই। তাছাড়া আমি তোমাদের একথাও বলছিনা যে, আমি একজন ফেরেশ্তা। আমি তো কেবল তারই অনুসরণ করি যা অহি করা হয় আমার প্রতি।’ বলো: অন্ধ আর চক্ষুষ্মান কি সমান?’ তোমরা কি চিন্তা করে দেখবেনা?

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমি তোমাদেরকে ইহা বলি না যে, আমার নিকট আল্লাহর ধনভাণ্ডার আছে, সম্বন্ধেও আমি অবগত নই; এবং তোমাদেরকে ইহাও বলি না যে, আমি ফিরিশ্তা; আমার প্রতি যাহা ওহী হয় আমি শুধু তাহারই অনুসরণ করি। বল, ‘অন্ধ ও চক্ষুষ্মান কি সমান?’ তোমরা কি অনুধাবন কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি ইহা দ্বারা তাহাদেরকে সতর্ক করিয়া দাও যাহারা ভয় করে যে, তাহাদেরকে তাহাদের প্রতিপালকের নিকট সমবেত করা হইবে এমন অবস্থায় যে, তিনি ব্যতীত তাহাদের কোন অভিভাবক বা সুপারিশকারী থাকিবে না; হয়ত তাহারা সাবধান হইবে।

জহুরুল হক

আর এর দ্বারা তাদের সতর্ক করো যারা ভয় করে যে তাদের প্রভুর কাছে তাদের সমবেত করা হবে, তাদের জন্য তিনি ছাড়া কোনো অভিভাবক নেই আর কোনো সুপারিশকারীও নেই, অতএব তারা যেন ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তা (কুরআন) দিয়ে সেইসব লোকদের সতর্ক করো যারা তাদের প্রভুর কাছে হাশর হবার ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। তিনি ছাড়া তাদের কোনো অলি কিংবা শাফায়াতকারী নেই। হয়তো তারা সতর্ক হবে।

সমকালীন বাংলা

তুমি ইহা দ্বারা তাহাদেরকে সতর্ক করিয়া দাও যাহারা ভয় করে যে, তাহাদেরকে তাহাদের প্রতিপালকের নিকট সমবেত করা হইবে এমন অবস্থায় যে, তিনি ব্যতীত তাহাদের কোন অভিভাবক বা সুপারিশকারী থাকিবে না; হয়ত তাহারা সাবধান হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে প্রাতে ও সন্ধ্যায় তাঁহার সন্তুষ্টি লাভার্থে ডাকে তাহাদেরকে তুমি বিতাড়িত করিও না। তাহাদের কর্মের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কোন কর্মের জবাবদিহির দায়িত্ব তাহাদের নয় যে, তুমি তাহাদেরকে বিতাড়িত করিবে; করিলে তুমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

জহুরুল হক

আর তাদের তাড়িয়ে দিও না যারা তাদের প্রভুকে ডাকে প্রাতে ও সন্ধ্যায়, তারা চায় তাঁরই শুভ মুখ। তোমার উপরে তাদের হিসাবপত্রের কোন দায়দায়িত্ব নেই, আর তোমার হিসেবপত্রের কোনো দায়দায়িত্ব তাদের উপরে নেই, কাজেই যদি তাদের তাড়িয়ে দাও তবে তুমি হবে অন্যায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুকে ডাকে সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর সন্তুষ্টি লাভের আশায়, তাদের তুমি তাড়িয়ে দিয়োনা। তাদের কাজের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয়, আর তোমার কোনো কাজের জবাবদিহির দায়িত্বও তাদের নয় যে, তুমি তাদের বিতাড়িত করবে। তা করলে তুমি যালিমদের মধ্যে শামিল হয়ে যাবে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা তাহাদের প্রতিপালককে প্রাতে ও সন্ধ্যায় তাঁহার সন্তুষ্টি লাভার্থে ডাকে তাহাদেরকে তুমি বিতাড়িত করিও না। তাহাদের কর্মের জবাবদিহির দায়িত্ব তোমার নয় এবং তোমার কোন কর্মের জবাবদিহির দায়িত্ব তাহাদের নয় যে, তুমি তাহাদেরকে বিতাড়িত করিবে; করিলে তুমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি এইভাবে তাহাদের একদলকে অন্যদল দ্বারা পরীক্ষা করিয়াছি যেন তাহারা বলে, ‘আমাদের মধ্যে কি ইহাদের প্রতিই অনুগ্রহ করিলেন ?’ কি কৃতজ্ঞ লোকদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত নন?

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা তাদের একদলকে শাসন করি অন্য দলের দ্বারা, তার ফলে তারা বলে - - ''এরাই কি তারা যাদের প্রতি অনুগ্রহ করলেন আমাদের মধ্যে থেকে?’’ কি ভালো জানেন না কৃতজ্ঞদের?

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা তাদের একদল লোককে দিয়ে আরেক দলকে পরীক্ষা করেছি যাতে করে তারা বলে: ‘আমাদের মধ্যে কি এদেরকেই অনুগ্রহ করলেন?’ শোকরগুজার লোক কারা, তা কি অধিক জানেন না?

সমকালীন বাংলা

আমি এইভাবে তাহাদের একদলকে অন্যদল দ্বারা পরীক্ষা করিয়াছি যেন তাহারা বলে, ‘আমাদের মধ্যে কি ইহাদের প্রতিই অনুগ্রহ করিলেন?’ কি কৃতজ্ঞ লোকদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত নন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা আমার আয়াতসমূহে ঈমান আনে তাহারা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাহাদেরকে তুমি বলিও : ‘তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক’, তোমাদের প্রতিপালক দয়া করা তাঁহার কর্তব্য বলিয়া স্থির করিয়াছেন। তোমাদের মধ্যে কেহ অজ্ঞতাবশত যদি মন্দ কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং সংশোধন করে তবে তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

আর যারা আমাদের আয়াতসমূহে ঈমান এনেছে তারা যখন তোমার কাছে আসে তখন বলো - - ''সালামুন 'আলাইকুম।’’ তোমাদের প্রভু তাঁর নিজের উপরে কর্তব্য ঠাওরেছেন করুণা, সেজন্য তোমাদের মধ্যে যে অজ্ঞানতাবশতঃ পাপকার্য করে, অতঃপর তার পরে ফেরে ও সৎকাজ করে, তবে তো তিনি পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের আয়াতের প্রতি যারা ঈমান আনে তারা যখন তোমার কাছে আসে, তুমি তাদের বলবে: ‘সালামুন আলাইকুম - তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।’ তোমাদের প্রভু দয়া করাকে নিজের কর্তব্য বলে লিখে নিয়েছেন। তোমাদের কেউ যদি অজ্ঞতাবশত বদ আমল করে, তারপর তওবা করে এবং নিজেকে এসলাহ্ (সংশোধন) করে নেয়, তবে (তার প্রতি) পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।

সমকালীন বাংলা

যাহারা আমার আয়াতসমূহে ঈমান আনে তাহারা যখন তোমার নিকট আসে তখন তাহাদেরকে তুমি বলিও : ‘তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক’, তোমাদের প্রতিপালক দয়া করা তাঁহার কর্তব্য বলিয়া স্থির করিয়াছেন। তোমাদের মধ্যে কেহ অজ্ঞতাবশত যদি মন্দ কাজ করে, অতঃপর তওবা করে এবং সংশোধন করে তবে তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি; আর ইহাতে অপরাধীদের পথ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি, আর যেন অপরাধীদের পথ স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা তফসিল সহকারে বর্ণনা করি আয়াত, যাতে করে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ ও প্রমাণ হয়ে যায় অপরাধীদের পথ।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে আমি আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করি; আর ইহাতে অপরাধীদের পথ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ব্যতীত যাহাদেরকে আহ্বান কর তাহাদের ‘ইবাদত করিতে আমাকে নিষেধ করা হইয়াছে। বল, ‘আমি তোমাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করি না; করিলে আমি বিপথগামী হইব এবং সৎপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত থাকিব না।’

জহুরুল হক

বলো - - ''আমাকে নিশ্চয়ই নিষেধ করা হয়েছে ব্যতীত তাদের উপাসনা করতে যাদের তোমরা পূজা - অর্চনা করো।’’ বলো - - ''আমি তোমাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করি না, কেননা তাহলে আমি নিশ্চয়ই বিপথে যাব, আর আমি সৎপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত থাকবো না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা ছাড়া আর যাদের ডাকো, আমাকে নিষেধ করা হয়েছে তাদের ইবাদত করতে।’ বলো ‘আমি ইত্তেবা (অনুসরণ) করিনা তোমাদের খেয়াল খুশির, তা করলে তো আমি গোমরাহ হয়ে পড়বো এবং আমি হিদায়াত প্রাপ্ত লোকদের মধ্যে শামিল থাকবোনা।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা ব্যতীত যাহাদেরকে আহ্বান কর তাহাদের ‘ইবাদত করিতে আমাকে নিষেধ করা হইয়াছে। বল, ‘আমি তোমাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করি না; করিলে আমি বিপথগামী হইব এবং সৎপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত থাকিব না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘অবশ্যই আমি আমার প্রতিপালকের স্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত ; অথচ তোমরা উহাকে প্রত্যাখ্যান করিয়াছ। তোমরা যাহা সত্বর চাহিতেছ তাহা আমার নিকট নাই। কর্তৃত্ব তো ‌রই; তিনি সত্য বিবৃত করেন এবং ফয়সালাকারীদের মধ্যে তিনিই শ্রেষ্ঠ।’

জহুরুল হক

বলো - - ''আমি নিশ্চয়ই আমার প্রভুর কাছ থেকে স্পষ্ট প্রমাণের উপরে, অথচ তোমরা তাতে মিথ্যারোপ করেছ। আমার কাছে তা নেই যা তোমরা তাড়াতাড়ি ঘটাতে চাচ্ছ। সিদ্ধান্ত তো ছাড়া কারোর নয়। তিনি সত্য বর্ণনা করেন, আর মীমাংসাকারীদের মধ্যে তিনিই শ্রেষ্ঠ।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘অবশ্যি আমি আমার প্রভুর সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত আছি, অথচ তোমরা তা প্রত্যাখ্যান করছো। তোমরা যা নগদ চাইছো তা আমার কাছে নেই। কারোই কোনো কর্তৃত্ব নেই আল্লাহর ছাড়া। তিনি সত্য বর্ণনা করেন এবং তিনিই সর্বোত্তম ফায়সালাকারী।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘অবশ্যই আমি আমার প্রতিপালকের স্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত ; অথচ তোমরা উহাকে প্রত্যাখ্যান করিয়াছ। তোমরা যাহা সত্বর চাহিতেছ তাহা আমার নিকট নাই। কর্তৃত্ব তো আল্লাহরই: তিনি সত্য বিবৃত করেন এবং ফয়সালাকারীদের মধ্যে তিনিই শ্রেষ্ঠ।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা যাহা সত্বর চাহিতেছ তাহা যদি আমার নিকট থাকিত তবে আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপারে তো ফয়সালাই হইয়া যাইত এবং জালিমদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।’

জহুরুল হক

বলো - - ''আমার কাছে যদি তা থাকতো যা তোমরা সত্বর ঘটাতে চাও তাহলে নিশ্চয়ই ব্যাপারটির মীমাংসা হয়ে যেতো আমার মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে। আর ভালো জানেন অন্যায়কারীদের।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যে জিনিসটা নগদ চাইছো তা যদি আমার হাতে থাকতো, তাহলে আমার এবং তোমাদের মধ্যকার বিষয়টি ফায়সালাই হয়ে যেতো। আল্লাহ্ই অধিক জানেন যালিমদের।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা যাহা সত্বর চাহিতেছ তাহা যদি আমার নিকট থাকিত তবে আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপারে তো ফয়সালাই হইয়া যাইত এবং জালিমদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অদৃশ্যের কুঞ্জি তাঁহারই নিকট রহিয়াছে, তিনি ব্যতীত অন্য কেহ তাহা জানে না। জলে ও স্থলে যাহা কিছু আছে তাহা তিনিই অবগত, তাঁহার অজ্ঞাতসারে একটি পাতাও পড়ে না। মৃত্তিকার অন্ধকারে এমন কোন শস্যকণাও অংকুরিত হয় না অথবা রসযুক্ত কিংবা শুষ্ক এমন কোন বস্তু নাই যাহা সুস্পষ্ট কিতাবে নাই।

জহুরুল হক

আর তাঁরই কাছে অদৃশ্যের চাবিকাঠি রয়েছে, কেউ তা জানে না তিনি ছাড়া। আর তিনি জানেন যা আছে স্থলদেশে ও সমুদ্রে। আর গাছের এমন একটি পাতাও পড়ে না যা তিনি জানেন না, আর নেই একটি শস্যকণাও মাটির অন্ধকারে, আর নেই কোনো তরতাজা জিনিস অথবা শুকনোবস্তু - - যা রয়েছে সুস্পষ্ট কিতাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

- এর চাবি তো তাঁরই কাছে। তিনি ছাড়া তা আর কেউই জানেনা। তিনি জানেন যা কিছু আছে স্থলে এবং সমুদ্রে। গাছের একটি পাতাও পড়েনা তাঁর অবগতি ছাড়া। একটি বীজও অংকুরিত হয়না অন্ধকার ভূ - গর্ভে, অথবা রসযুক্ত বা শুকনো কোনো বস্ত্ত নেই যা একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লিপিবদ্ধ নয়।

সমকালীন বাংলা

অদৃশ্যের কুঞ্জি তাঁহারই নিকট রহিয়াছে, তিনি ব্যতীত অন্য কেহ তাহা জানে না। জলে ও স্থলে যাহা কিছু আছে তাহা তিনিই অবগত, তাঁহার অজ্ঞাতসারে একটি পাতাও পড়ে না। মৃত্তিকার অন্ধকারে এমন কোন শস্যকণাও অংকুরিত হয় না অথবা রসযুক্ত কিংবা শুষ্ক এমন কোন বস্তু নাই যাহা সুস্পষ্ট কিতাবে নাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই রাত্রিকালে তোমাদের মৃত্যু ঘটান এবং দিবসে তোমরা যাহা কর তাহা তিনি জানেন। অতঃপর দিবসে তোমাদেরকে তিনি পুনর্জাগরিত করেন যাহাতে নির্ধারিত কাল পূর্ণ হয়। অতঃপর তাঁহার দিকেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অনন্তর তোমরা যাহা কর সে সম্বন্ধে তোমাদেরকে তিনি অবহিত করিবেন।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের গ্রহণ করেন রাত্রিকালে, আর তিনি জানেন তোমরা যা অর্জন করো দিনের বেলায়, তারপর এতে তিনি তোমাদের জাগরিত করেন যেন নির্ধারিত কাল পূর্ণ হয়। তারপর তাঁর কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন, তখন তিনি তোমাদের জানিয়ে দেবেন যা তোমরা করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই রাতের কালে তোমাদের মৃত্যু দেন এবং তিনি জানেন দিনের বেলায় তোমরা যা করো। তারপর তিনি তোমাদের জাগিয়ে তোলেন যাতে করে নির্ধারিত সময় পূর্ণ হয়। এরপর তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরে যেতে হবে এবং তিনি তোমাদের অবগত করবেন তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই রাত্রিকালে তোমাদের মৃত্যু ঘটান এবং দিবসে তোমরা যাহা কর তাহা তিনি জানেন। অতঃপর দিবসে তোমাদেরকে তিনি পুনর্জাগরিত করেন যাহাতে নির্ধারিত কাল পূর্ণ হয়। অতঃপর তাঁহার দিকেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অনন্তর তোমরা যাহা কর সে সম্বন্ধে তোমাদেরকে তিনি অবহিত করিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই স্বীয় বান্দাদের উপর পরাক্রমশালী এবং তিনিই তোমাদের রক্ষক প্রেরণ করেন। অবশেষে যখন তোমাদের কাহারও মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমার প্রেরিতরা তাহার মৃত্যু ঘটায় এবং তাহারা কোন ত্রুটি করে না।

জহুরুল হক

আর তিনিই প্রভাবশালী তাঁর দাসদের উপরে, আর তিনিই তোমাদের উপরে রক্ষক প্রেরণ করেন। আবশেষে যখন তোমাদের কারো কাছে মৃত্যু আসে তখন আমাদের দূতরা তাকে গ্রহণ করে, আর তারা অবহেলা করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিজ বান্দাদের উপর তিনি দুর্জয় ক্ষমতাধর। তিনি তোমাদের উপর রক্ষক পাঠান। অবশেষে যখন তোমাদের কারো মৃত্যুর সময় হয়, তখন আমার প্রেরিত (ফেরেশতারা) তার মৃত্যু ঘটায় এবং তারা কোনোই ত্রুটি করেনা।

সমকালীন বাংলা

তিনিই স্বীয় বান্দাদের উপর পরাক্রমশালী এবং তিনিই তোমাদের রক্ষক প্রেরণ করেন। অবশেষে যখন তোমাদের কাহারও মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমার প্রেরিতরা তাহার মৃত্যু ঘটায় এবং তাহারা কোন ত্রুটি করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাহাদের প্রকৃত প্রতিপালক ‌র দিকে তাহারা প্রত্যানীত হয়। দেখ, কর্তৃত্ব তো তাঁহারই এবং হিসাব গ্রহণে তিনিই সর্বাপেক্ষা তৎপর।

জহুরুল হক

অতঃপর তাদের আনা হয় তাদের প্রকৃত মনিব ‌র কাছে। কর্তৃত্ব কি তাঁরই নয়? আর তিনি হিসাবরক্ষকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা তৎপর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তাদের ফেরত পাঠানো হয় তাদের প্রকৃত মাওলা আল্লাহর কাছে। জেনে রাখো, সমস্ত কর্তৃত্ব কেবল তাঁরই। আর হিসাব গ্রহণে তিনি সবচেয়ে দ্রুততর।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাহাদের প্রকৃত প্রতিপালক আল্লাহর দিকে তাহারা প্রত্যানীত হয়। দেখ, কর্তৃত্ব তো তাঁহারই এবং হিসাব গ্রহণে তিনিই সর্বাপেক্ষা তৎপর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘কে তোমাদেরকে ত্রাণ করে স্থলভাগের ও সমুদ্রের অন্ধকার হইতে যখন তোমরা কাতরভাবে এবং গোপনে তাঁহার নিকট অনুনয় কর ?’ আমাদেরকে ইহা হইতে ত্রাণ করিলে আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হইব।’

জহুরুল হক

বলো - - ''কে তোমাদের উদ্ধার করেন স্থলদেশের ও সমুদ্রের অন্ধকার থেকে তোমরা তাঁকে ডাকো কাতরভাবে ও মনে মনে - - 'যদি তিনি এ থেকে আমাদের উদ্ধার করেন তবে নিশ্চয়ই আমরা হবো কৃতজ্ঞদের মধ্যেকার’?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘কে তোমাদের নাজাত দেয় ভূ - খন্ড ও সমুদ্রের অন্ধকার (বিপদ) থেকে, যখন তোমরা কেবল তাঁকেই ডাকো বিনত হয়ে এবং গোপনে?’ যখন তোমরা বলো: ‘তিনি যদি এ থেকে আমাদের নাজাত দেন, তবে অবশ্যি আমরা শোকর গোজার হবো।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘কে তোমাদেরকে ত্রাণ করে স্থলভাগের ও সমুদ্রের অন্ধকার হইতে যখন তোমরা কাতরভাবে এবং গোপনে তাঁহার নিকট অনুনয় কর?’ আমাদেরকে ইহা হইতে ত্রাণ করিলে আমরা অবশ্যই কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হইব।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘‌ই তোমাদেরকে উহা হইতে এবং সমস্ত দুঃখকষ্ট হইতে পরিত্রাণ করেন। এতদসত্ত্বেও তোমরা তাঁহার শরীক কর।’

জহুরুল হক

বলো - - ''‌ই তোমাদের উদ্ধার করেন এ - সব থেকে আর প্রত্যেকটি দুঃখকষ্ট থেকে, তথাপি তোমরা অংশীদার দাঁড় করাও।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আল্লাহ্ই তোমাদের নাজাত দেন তা থেকে এবং সব দুঃখ কষ্ট থেকেই। তারপরও তোমরা তাঁর সাথে শরিক করো।’

সমকালীন বাংলা

বল, তোমাদেরকে উহা হইতে এবং সমস্ত দুঃখকষ্ট হইতে পরিত্রাণ করেন। এতদসত্ত্বেও তোমরা তাঁহার শরীক কর।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ অথবা পাদদেশ হইতে শাস্তি প্রেরণ করিতে, অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করিতে অথবা এক দলকে অপর দলের সংঘর্ষের আস্বাদ গ্রহণ করাইতে তিনিই সক্ষম।’ দেখ, আমি কিরূপে বিভিন্ন প্রকারে আয়াতসমূহ বিবৃত করি যাহাতে তাহারা অনুধাবন করে।

জহুরুল হক

বলো - - ''তিনি ক্ষমতাশীল তোমাদের উপরে শাস্তি আরোপ করতে তোমাদের উপর থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচে থেকে, অথবা তোমাদের দিশাহারা করতে পারেন দলাদলি করিয়ে, আর তোমাদের একদলকে ভোগ করাতে পারেন অন্য দলের নিপীড়ন।’’ দেখো, কিরূপে আমরা নির্দেশসমূহ নানাভাবে বর্ণনা করি যেন তারা বুঝতে পারে!

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তিনি সক্ষম উপর থেকে তোমাদের প্রতি আযাব পাঠাতে, অথবা তোমাদের পদতল থেকে, কিংবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করতে এবং পরস্পরের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ বাধিয়ে দেয়ার স্বাদ আস্বাদন করাতে। দেখো, আমরা কিভাবে আয়াত সমূহ বর্ণনা করছি যাতে করে তারা বুঝে।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমাদের ঊর্ধ্বদেশ অথবা পাদদেশ হইতে শাস্তি প্রেরণ করিতে, অথবা তোমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করিতে অথবা এক দলকে অপর দলের সংঘর্ষের আস্বাদ গ্রহণ করাইতে তিনিই সক্ষম।’ দেখ, আমি কিরূপে বিভিন্ন প্রকারে আয়াতসমূহ বিবৃত করি যাহাতে তাহারা অনুধাবন করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার সম্প্রদায় তো উহাকে মিথ্যা বলিয়াছে অথচ উহা সত্য। বল, ‘আমি তোমাদের কার্যনির্বাহক নই।’

জহুরুল হক

আর তোমার সম্প্রদায় এতে মিথ্যারোপ করেছে, অথচ এইটিই সত্য। বলো - - ''আমি তোমাদের জন্য উকিল নই।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ মহাসত্য হওয়া সত্ত্বেও তোমার কওম তা অস্বীকার করছে। বলো: আমি তোমাদের উকিল নই।

সমকালীন বাংলা

তোমার সম্প্রদায় তো উহাকে মিথ্যা বলিয়াছে অথচ উহা সত্য। বল, ‘আমি তোমাদের কার্যনির্বাহক নই।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যেক বার্তার জন্য নির্ধারিত কাল রহিয়াছে এবং শীঘ্রই তোমরা অবহিত হইবে।

জহুরুল হক

''প্রত্যেক ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য নির্ধারিত কাল রয়েছে, আর শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিটি সংবাদেরই একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে এবং অচিরেই তোমরা জানতে পারবে।

সমকালীন বাংলা

প্রত্যেক বার্তার জন্য নির্ধারিত কাল রহিয়াছে এবং শীঘ্রই তোমরা অবহিত হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি যখন দেখ, তাহারা আমার আয়াতসমূহ সম্বন্ধে উপহাসমূলক আলোচনায় মগ্ন হয় তখন তুমি তাহাদের হইতে সরিয়া পড়িবে, যে পর্যন্ত না তাহারা অন্য প্রসঙ্গে প্রবৃত্ত হয় এবং শয়তান যদি তোমাকে ভ্রমে ফেলে তবে স্মরণ হওয়ার পরে সম্প্রদায়ের সঙ্গে বসিবে না।

জহুরুল হক

আর তুমি যখন দেখতে পাবে তাদের যারা আমাদের আয়াতসমূহে নিরর্থক তর্ক করে তখন তাদের থেকে সরে যাবে যে পর্যন্ত না তারা অন্য কোনো প্রসঙ্গে প্রবেশ করে। আর যদি শয়তান তোমাকে ভুলিয়ে দেয় তবে মনে পড়ার পরে বসে থেকো না অন্যায়কারীদের দলের সঙ্গে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যখন দেখবে, তারা আমার আয়াত সমূহ নিয়ে বিদ্রুপাত্মক আলোচনায় লিপ্ত, তখন তুমি তাদের থেকে সরে যাও, যতোক্ষণ না তারা কথার প্রসঙ্গ পাল্টায়। শয়তান যদি তোমাকে ভুলিয়ে দেয়, তবে স্মরণ হবার পর যালিমদের সাথে আর বসবেনা।

সমকালীন বাংলা

তুমি যখন দেখ, তাহারা আমার আয়াতসমূহ সম্বন্ধে উপহাসমূলক আলোচনায় মনগড়া হয় তখন তুমি তাহাদের হইতে সরিয়া পড়িবে, যে পর্যন্তনা তাহারা অন্য প্রসঙ্গে প্রবৃত্ত হয় এবং শয়তান যদি তোমাকে ভ্রমে ফেলে তবে স্মরণ হওয়ার পরে সম্প্রদায়ের সঙ্গে বসিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের কর্মের জবাবদিহির দায়িত্ব তাহাদের নয় যাহারা তাক্ওয়া অবলম্বন করে। তবে উপদেশ দেওয়া তাহাদের কর্তব্য যাহাতে উহারাও তাক্ওয়া অবলম্বন করে।

জহুরুল হক

আর যারা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করে তাদের উপরে ওদের হিসাবপত্রের কোনো কিছুতে দায়িত্ব নেই, তবে স্মরণ করিয়ে দেয়া, যাতে ওরাও ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের কোনো কাজের হিসাব দেয়া তাকওয়া অবলম্বনকারীদের দায়িত্ব নয়। তবে তাদের কর্তব্য উপদেশ দেয়া, যাতে করে ওরাও তাকওয়া অবলম্বন করে।

সমকালীন বাংলা

উহাদের কর্মের জবাবদিহির দায়িত্ব তাহাদের নয় যাহারা তাক্ওয়া অবলম্বন করে। তবে উপদেশ দেওয়া তাহাদের কর্তব্য যাহাতে উহারাও তাক্ওয়া অবলম্বন করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তাহাদের দীনকে ক্রীড়া - কৌতুকরূপে গ্রহণ করে এবং পার্থিব জীবন যাহাদেরকে প্রতারিত করে তুমি তাহাদের সঙ্গ বর্জন কর এবং ইহা দ্বারা তাহাদেরকে উপদেশ দাও, যাহাতে কেহ নিজ কৃতকর্মের জন্য ধ্বংস না হয়, যখন ব্যতীত তাহার কোন অভিভাবক ও সুপারিশকারী থাকিবে না এবং বিনিময়ে সব কিছু দিলেও তাহা গৃহীত হইবে না। ইহারাই নিজেদের কৃতকর্মের জন্য ধ্বংস হইবে ; কুফরীহেতু ইহাদের জন্য রহিয়াছে অত্যুষ্ণ পানীয় ও মর্মন্তুদ শাস্তি।

জহুরুল হক

আর তাদের বর্জন করো যারা তাদের ধর্মকে খেলা ও কৌতুকরূপে গ্রহণ করেছে, আর এ দ্বারা স্মরণ করিয়ে দাও পাছে কোনো প্রাণ বিধবস্ত হয়ে যায় যা সে অর্জন করে তার দ্বারা, তার জন্য ‌কে ছেড়ে দিয়ে অন্য কোনো অভিভাবক থাকবে না, আর না কোনো সুপারিশকারী, আর যদি তারা খেসারত দেয় সবরকমের খেসারতি, তবুও তাদের থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। এরাই তারা যাদের ধ্বংস করা হবে তারা যা অর্জন করেছে সেজন্য, তাদের জন্য পানীয় হচ্ছে ফুটন্ত জল থেকে, আর হচ্ছে এক ব্যথাদায়ক শাস্তি যেহেতু তারা অবিশ্বাস পোষণ করে চলতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের দীনকে খেল তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে এবং যাদেরকে প্রতারিত করে রাখে দুনিয়ার জীবন, তুমি তাদের সংগ ত্যাগ করো এবং এ (কুরআন) নিয়ে তাদের উপদেশ দিতে থাকো, যাতে করে কেউ নিজ কৃতকর্মের কারণে ধ্বংস হয়ে না যায়। তার জন্যে তো ছাড়া কোনো অলি এবং সুপারিশকারী নেই। আর তারা মুক্তির বিনিময়ে সব কিছু দিলেও তা গ্রহণ করা হবেনা। এরা হলো সেইসব লোক যারা নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে ধ্বংস হবে। তাদের জন্যে রয়েছে প্রচন্ড গরম পানি আর বেদনাদায়ক আযাব তাদের কুফুরির কারণে।

সমকালীন বাংলা

যাহারা তাহাদের দীনকে ক্রীড়া - কৌতুকরূপে গ্রহণ করে এবং পার্থিব জীবন যাহাদেরকে প্রতারিত করে তুমি তাহাদের সঙ্গ বর্জন কর এবং ইহা দ্বারা তাহাদেরকে উপদেশ দাও, যাহাতে কেহ নিজ কৃতকর্মের জন্য ধ্বংস না হয়, যখন ব্যতীত তাহার কোন অভিভাবক ও সুপারিশকারী থাকিবে না এবং বিনিময়ে সব কিছু দিলেও তাহা গৃহীত হইবে না। ইহারাই নিজেদের কৃতকর্মের জন্য ধ্বংস হইবে ; কুফরীহেতু ইহাদের জন্য রহিয়াছে অত্যুষ্ণ পানীয় ও মর্মন্তুদ শাস্তি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘ ব্যতীত আমরা কি এমন কিছুকে ডাকিব যাহা আমাদের কোন উপকার কিংবা অপকার করিতে পারে না ? ‘ আমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শনের পর আমরা কি সেই ব্যক্তির ন্যায় পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাইব যাহাকে শয়তান দুনিয়ায় পথ ভুলাইয়া হয়রান করিয়াছে, যদিও তাহার সহচরগণ তাহাকে ঠিক পথে আহ্বান করিয়া বলে, ‘আমাদের নিকট আস ?’ বল, ‘‌র পথই তো পথ এবং আমরা আদিষ্ট হইয়াছি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট আত্মসমর্পণ করিতে,

জহুরুল হক

বলো - - ''আমরা কি ছাড়া তাকে ডাকবো যে আমাদের উপকার করতে পারে না এবং আমাদের অপকারও করতে পারে না, আর আমরা কি আমাদের গোড়ালির উপরে মোড় ফিরিয়ে নেব আমাদের পথ দেখিয়ে দেবার পরে, - - তার মতো যাকে শয়তানরা হীন প্রবৃত্তিতে উসকানি দিয়েছে দুনিয়াতে হয়রানিতে ফেলে, তার সহচরগণ রয়েছে যারা তাকে আহ্বান করছে ধর্মপথের দিকে - - 'আমাদের দিকে এসো’?’’ বলো - - ''নিঃসন্দেহ ‌র পথনির্দেশ - - এই হচ্ছে পথনির্দেশ। আর আমাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে যেন আমরা আ‌ত্মসমর্পণ করি বিশ্বজগতের প্রভুর কাছে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: আমরা কি ছাড়া এমন কিছুকে (ইলাহ্ হিসেবে) ডাকবো, যেগুলো আমাদের না কোনো লাভ করতে পারে, আর না ক্ষতি? আমাদের হিদায়াত করার পর আমরা কি আবার ঐ ব্যক্তির মতো পেছনে ফিরে যাবো যাকে শয়তান পৃথিবীতে পথ ভুলিয়ে হয়রান করে ফেলেছে? অথচ তার সাথিরা তাকে সঠিক পথের দিকে ডেকে বলে: ‘এসো আমাদের কাছে।’ বলো: ‘আল্লাহর হিদায়াতই একমাত্র হিদায়াত এবং আমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে আমরা যেনো রাববুল আলামিনের প্রতি আত্মসমর্পণ করি।’

সমকালীন বাংলা

বল, ব্যতীত আমরা কি এমন কিছুকে ডাকিব যাহা আমাদের কোন উপকার কিংবা অপকার করিতে পারে না? আমাদেরকে সৎপথ প্রদর্শনের পর আমরা কি সেই ব্যক্তির ন্যায় পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাইব যাহাকে শয়তান দুনিয়ায় পথ ভুলাইয়া হয়রান করিয়াছে, যদিও তাহার সহচরগণ তাহাকে ঠিক পথে আহ্বান করিয়া বলে, ‘আমাদের নিকট আস?’ বল, পথই তো পথ এবং আমরা আদিষ্ট হইয়াছি জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট আত্মসর্মপণ করিতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং কায়েম করিতে ও তাঁহাকে ভয় করিতে; এবং তাঁহারই নিকট তোমাদেরকে সমবেত করা হইবে।'

জহুরুল হক

''আর প্রতিষ্ঠিত রাখতে ও তাঁকে ভয়ভক্তি করতে, আর তিনিই সেইজন যাঁর কাছে তোমাদের সমবেত করা হবে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের আরো নির্দেশ দেয়া হয়েছে: ‘ কায়েম করো এবং তাঁর অবাধ্য হওয়া থেকে আত্মরক্ষা করো। আর তাঁরই কাছে তোমাদের হাশর করা হবে।’

সমকালীন বাংলা

তিনিই যথাবিধি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন। যখন তিনি বলেন, ‘হও’ তখনই হইয়া যায়। তাঁহার কথাই সত্য। যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে সেদিনকার কর্তৃত্ব তো তাঁহারই। ও দৃশ্য সবকিছু সম্বন্ধে তিনি পরিজ্ঞাত; আর তিনিই প্রজ্ঞাময় সবিশেষ অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই যথাবিধি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন। যখন তিনি বলেন, ‘হও’ তখনই হইয়া যায়। তাঁহার কথাই সত্য। যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে সেদিনকার কর্তৃত্ব তো তাঁহারই। ও দৃশ্য সবকিছু সম্বন্ধে তিনি পরিজ্ঞাত; আর তিনিই প্রজ্ঞাময় সবিশেষ অবহিত।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন সত্যের সাথে। আর যখন তিনি বলেন - - ''হও’’, তখন হয়ে যায়। তাঁর কথাই সত্য। আর তাঁরই সার্বভৌম কর্তৃত্ব সেদিনকার যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে। ও প্রকাশ্য বিষয়ে সর্বজ্ঞাতা, আর তিনি পরমজ্ঞানী, পূর্ণ - ওয়াকিফহাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ আর পৃথিবী, এ এক মহাসত্য। যখন তিনি বলেন: ‘হও’, সাথে সাথে হয়ে যায়। তাঁর কথা মহাসত্য। সেদিন সমস্ত কর্তৃত্ব থাকবে তাঁরই হাতে, যেদিন ফু দেয়া হবে শিঙায়। তিনি গায়েবের জ্ঞানী এবং হাজিরেরও। তিনি বিজ্ঞানময় ও সব বিষয়ে অবহিত।

সমকালীন বাংলা

স্মরণ কর, ইব্রাহীম তাহার পিতা আযরকে বলিয়াছিল, ‘আপনি কি মূর্তিকে ইলাহরূপে গ্রহণ করেন? আমি তো আপনাকে ও আপনার সম্প্রদায়কে স্পষ্ট ভ্রান্তিতে দেখিতেছি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর, ইব্‌রাহীম তাহার পিতা আযরকে বলিয়াছিল, ‘আপনি কি মূর্তিকে ইলাহ্‌রূপে গ্রহণ করেন ? আমি তো আপনাকে ও আপনার সম্প্রদায়কে স্পষ্ট ভ্রান্তিতে দেখিতেছি।’

জহুরুল হক

আর স্মরণ করো! ইব্রাহীম বলেছিলেন তাঁর পিতৃ - পুরুষ আষারকে - - ''তুমি কি মূর্তিদের উপাস্যরূপে গ্রহণ করেছ? নিঃসন্দেহ আমি তোমাকে ও তোমার গোষ্ঠীকে স্পষ্ট ভ্রান্তির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, ইবরাহিম তার বাপ আযরকে বলেছিল: ‘আপনি কি মূর্তিকে ইলাহ্ মানেন? আমার মতে আপনি এবং আপনার কওম সুস্পষ্ট গোমরাহিতে নিমজ্জিত।’

সমকালীন বাংলা

এইভাবে আমি ইব্রাহীমকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর পরিচালন - ব্যবস্থা দেখাই, যাহাতে সে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে আমি ইব্‌রাহীমকে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর পরিচালন - ব্যবস্থা দেখাই, যাহাতে সে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের অন্তর্ভুক্ত হয়।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা ইব্রাহীমকে দেখিয়েছিলাম মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর সার্বভেম রাজত্ব যাতে তিনি হতে পারেন দৃঢ়প্রত্যয়ীদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা ইবরাহিমকে মহাকাশ এবং পৃথিবীর পরিচালন ব্যবস্থা দেখিয়েছি, যাতে করে সে দৃঢ় বিশ্বাসীদের একজন হয়।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর রাত্রির অন্ধকার যখন তাহাকে আচ্ছন্ন করিল তখন সে নক্ষত্র দেখিয়া বলিল, ‘ইহাই আমার প্রতিপালক।’ অতঃপর যখন উহা অস্তমিত হইল তখন সে বলিল, ‘যাহা অস্তমিত হয় তাহা আমি পসন্দ করি না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর রাত্রির অন্ধকার যখন তাহাকে আচ্ছন্ন করিল তখন সে নক্ষত্র দেখিয়া বলিল, ‘ইহাই আমার প্রতিপালক।’ অতঃপর যখন উহা অস্তমিত হইল তখন সে বলিল, ‘যাহা অস্তমিত হয় তাহা আমি পসন্দ করি না।’

জহুরুল হক

তারপর রাত্রি যখন তাঁর উপরে অন্ধকার ছেয়ে আনলো তখন তিনি একটি তারা দেখতে পেলেন, তিনি বললেন - - ''এইটি আমার প্রভু!’’ তারপর যখন তা অস্ত গেল তখন তিনি বললেন - - ''আমি অস্তগামীদের ভালোবাসি না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর যখন তার উপর ছেয়ে এলো রাতের আঁধার, সে একটি নক্ষত্র দেখে বললো: ‘এই আমার রব।’ কিন্তু সেটি যখন অস্ত গেলো, সে বললো: ‘অস্ত যাওয়াদের আমি পছন্দ করিনা।’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন সে চন্দ্রকে সমুজ্জ্বলরূপে উদিত হইতে দেখিল তখন বলিল, ‘ইহা আমার প্রতিপালক।’ যখন ইহাও অস্তমিত হইল তখন বলিল, ‘আমাকে আমার প্রতিপালক সৎপথ প্রদর্শন না করিলে আমি অবশ্যই পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হইব।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন সে চন্দ্রকে সমুজ্জ্বলরূপে উদিত হইতে দেখিল তখন বলিল, ‘ইহা আমার প্রতিপালক।’ যখন ইহাও অস্তমিত হইল তখন বলিল, ‘আমাকে আমার প্রতিপালক সৎপথ প্রদর্শন না করিলে আমি অবশ্যই পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হইব।’

জহুরুল হক

অতঃপর যখন তিনি চন্দ্রকে উদিত হতে দেখলেন তখন বললেন - - ''এইটি আমার প্রভু!’’ কিন্ত যখন তা অস্ত গেল তখন তিনি বললেন - - ''যদি আমার প্রভু আমাকে পথ - প্রদর্শন না করতেন তাহলে আমি অবশ্যই হয়ে পড়তাম পথভ্রষ্টদের দলভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরে যখন সে দেখলো উজ্জ্বল চাঁদ উদয় হয়েছে, সে বললো: ‘এ - ই আমার রব।’ অতপর চাঁদও যখন অস্ত গেলো, সে বললো: ‘আমার রবই যদি আমাকে সঠিক পথ না দেখান, তাহলে অবশ্যি আমি বিপথগামী লোকদের অন্তরভুক্ত হয়ে যাবো।’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন সে সূর্যকে দীপ্তিমানরূপে উদিত হইতে দেখিল তখন বলিল, ‘ইহা আমার প্রতিপালক, ইহা সর্ববৃহৎ। যখন ইহাও অস্তমিত হইল, তখন সে বলিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন সে সূর্যকে দীপ্তিমানরূপে উদিত হইতে দেখিল তখন বলিল, ‘ইহা আমার প্রতিপালক, ইহা সর্ববৃহৎ। যখন ইহাও অস্তমিত হইল, তখন সে বলিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা যাহাকে ‌র শরীক কর তাহার সঙ্গে আমার কোন সংশ্রব নাই।

জহুরুল হক

তারপর যখন তিনি দেখলেন সৃর্য উদয় হচ্ছে তখন তিনি বললেন - - ''এইটি আমার প্রভু, এটি সব চাইতে বড়!’’ কিন্ত যখন এটিও অস্ত গেল তখন তিনি বললেন - - ''হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা যাদের শরিক কর তা থেকে আমি অবশ্যই মুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর যখন সে দীপ্ত সূর্যকে উদয় হতে দেখলো, বললো: ‘এই হবে আমার রব। এতো সবার বড়।’ কিন্তু যখন সেও অস্ত গেলো, এবার সে (ইবরাহিম) বললো: ‘হে আমার কওম! তোমরা যাদেরকে (আল্লাহর সাথে) শরিক করছো আমি তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলাম।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন সে সূর্যকে দীপ্তিমানরূপে উদিত হইতে দেখিল তখন বলিল, ‘ইহা আমার প্রতিপালক, ইহা সর্ববৃহৎ। যখন ইহাও অস্তমিত হইল, তখন সে বলিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি একনিষ্ঠভাবে তাঁহার দিকে মুখ ফিরাইতেছি যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।’

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ আমি তাঁর দিকে আমার মুখ ফেরাচ্ছি একনিষ্ঠভাবে যিনি মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, আর আমি বহু - খোদাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত নই।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি নিষ্ঠার সাথে আমার মুখ ফিরালাম সেই মহান সত্তার জন্যে যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং পৃথিবী। আমি মুশরিকদের অন্তরভুক্ত নই।’

সমকালীন বাংলা

‘আমি একনিষ্ঠভাবে তাঁহার দিকে মুখ ফিরাইতেছি যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার সম্প্রদায় তাহার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হইল। সে বলিল, ‘তোমরা কি সম্বন্ধে আমার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হইবে ? তিনি তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন। আমার প্রতিপালক অন্যবিধ ইচ্ছা না করিলে তোমরা যাহাকে তাঁহার শরীক কর তাহাকে আমি ভয় করি না, সব কিছুই আমার প্রতিপালকের জ্ঞানায়ত্ত, তবে কি তোমরা অনুধাবন করিবে না ?

জহুরুল হক

আর তাঁর লোকেরা তাঁর সঙ্গে হুজ্জৎ শুরু করল। তিনি বললেন - - ''তোমরা কি আমার সঙ্গে সন্বন্ধে হুজ্জৎ করছো, অথচ তিনি আমাকে নিশ্চয়ই সৎপথ দেখিয়েছেন? আর আমি তাদের একটুও ভয় করি না যাদের তোমরা তাঁর সাথে শরিক করেছ, যদি না আমার প্রভু অন্যবিধ ইচ্ছা করেন। আমার প্রভু সব - কিছুর উপরেই জ্ঞানে আধিপত্য রাখেন। তবু কি তোমরা অনুধাবন করবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তার কওম তার সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়। সে তাদের বলেছিল: ‘তোমরা কি আল্লাহর ব্যাপারে আমার সাথে তর্ক করছো? অথচ তিনি আমাকে হিদায়াত দান করেছেন। তোমরা তাঁর সাথে যাদের শরিক করছো আমি তাদের ভয় করিনা, তবে আমার প্রভুই যদি কিছু চান সেটা ভিন্ন কথা। সব কিছুর উপর আমার প্রভুর জ্ঞান পরিব্যাপ্ত। তোমরা কি বুঝার চেষ্টা করবেনা?’

সমকালীন বাংলা

তাহার সম্প্রদায় তাহার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হইল। সে বলিল, ‘তোমরা কি সম্বন্ধে আমার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হইবে? তিনি তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন। আমার প্রতিপালক অন্যবিধ ইচ্ছা না করিলে তোমরা যাহাকে তাঁহার শরীক কর তাহাকে আমি ভয় করি না, সব কিছুই আমার প্রতিপালকের জ্ঞানায়ত্ত, তবে কি তোমরা অনুধাবন করিবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যাহাকে ‌র শরীক কর আমি তাহাকে কিরূপে ভয় করিব ? অথচ তোমরা ‌র শরীক করিতে ভয় কর না, যে বিষয়ে তিনি তোমাদেরকে কোন সনদ দেন নাই। সুতরাং যদি তোমরা জান তবে বল, দুই দলের মধ্যে কোন্ দল নিরাপত্তা লাভের বেশি হক্‌দার।’

জহুরুল হক

''আর কেমন ক’রে আমি ভয় করবো তাদের যাদের তোমরা শরিক করো, অথচ তোমরা ভয় করো না যখন ‌র সঙ্গে তোমরা অংশী দাঁড় করাতে যাও যার জন্য তিনি তোমাদের কাছে কোনো সনদ পাঠান নি? সুতরাং এই দুই দলের কারা নিরাপত্তা সন্বন্ধে বেশি হক্‌দার? যদি তোমরা জেনে থাকো।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যাদেরকে (আল্লাহর সাথে) শরিক করছো আমি কী করে তাদের ভয় করতে পারি! তোমরা তো মহান আল্লাহর সাথে শরিক করতে ভয় করছোনা, অথচ তাদেরকে আল্লাহর শরিক বানানোর ব্যাপারে তোমাদেরকে কোনো সার্টিফিকেট দেয়া হয়নি। সুতরাং তোমাদের যদি বুঝ - জ্ঞান থাকে তবে বলো: ‘কোন্ পক্ষ নিরাপত্তা লাভের বেশি হকদার?’

সমকালীন বাংলা

‘তোমরা যাহাকে শরীক কর আমি তাহাকে কিরূপে ভয় করিব? অথচ তোমরা শরীক করিতে ভয় কর না, যে বিষয়ে তিনি তোমাদেরকে কোন সনদ দেন নাই। সুতরাং যদি তোমরা জান তবে বল, দুই দলের মধ্যে কোন্ দল নিরাপত্তা লাভের বেশি হক্দার।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনিয়াছে এবং তাহাদের ঈমানকে জুলুম দ্বারা কলুষিত করে নাই, নিরাপত্তা তাহাদেরই জন্য এবং তাহারাই সৎপথপ্রাপ্ত।

জহুরুল হক

যারা ‌তে ঈমান এনেছে আর যারা তাদের ঈমানকে অন্যায় আচরণ দ্বারা মাখামাখি করে নি, তারাই - - এদেরই প্রাপ্য নিরাপত্তা, আর এরাই হচ্ছে সুপথে চালিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং ঈমানকে যুলুম (শিরক) মিশ্রিত করে কলুষিত করেনা, তাদের জন্যেই রয়েছে নিরাপত্তা, আর তারাই হিদায়াত প্রাপ্ত।

সমকালীন বাংলা

যাহারা ঈমান আনিয়াছে এবং তাহাদের ঈমানকে জুলুম দ্বারা কলুষিত করে নাই, নিরাপত্তা তাহাদেরই জন্য এবং তাহারাই সৎপথপ্রাপ্ত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ইহা আমার যুক্তি - প্রমাণ যাহা ইব্‌রাহীমকে দিয়াছিলাম তাহার সম্প্রদায়ের মুকাবিলায়; আমি যাহাকে ইচ্ছা মর্যাদায় উন্নীত করি। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

জহুরুল হক

আর এইগুলো হচ্ছে আমাদের যুক্তিতর্ক যা আমরা ইব্রাহীমকে তাঁর লোকদের বিরুদ্ধে দিয়েছিলাম। আমরা যাকে ইচ্ছা করি বহুস্তর উন্নত করি। নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইবরাহিমকে তার কওমের মোকাবেলায় এসব যুক্তি প্রমাণ প্রদান করেছিলাম। আমরা যাকে চাই অনেক উঁচু মর্যাদা দিয়ে থাকি। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।

সমকালীন বাংলা

আর ইহা আমার যুক্তি - প্রমাণ যাহা ইব্রাহীমকে দিয়াছিলাম তাহার সম্প্রদায়ের মুকাবিলায়; আমি যাহাকে ইচ্ছা মর্যাদায় উন্নীত করি। নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তাহাকে দান করিয়াছিলাম ইসহাক ও ইয়া‘কূব, ইহাদের প্রত্যেককে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম; পূর্বে নূহকেও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম এবং তাহার বংশধর দাঊদ, সুলায়মান ও আইউব, ইউসুফ, মূসা ও হারূনকেও; আর এইভাবেই সৎকর্মপরায়ণদের পুরস্কৃত করি;

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম ইসহাক ও ইয়াকুব। প্রত্যেককে আমরা সৎপথ দেখিয়েছিলাম, আর নূহকে পথ দেখিয়েছিলাম এর আগে, আর তাঁর বংশধরদের মধ্য থেকে দাউদ ও সুলাইমান আর আইয়ূব ও ইউসুফ আর মূসা ও হারূন। আর এইভাবে আমরা পুরস্কার প্রদান করি সৎকর্মশীলদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তাকে দান করেছিলাম (পুত্র) ইসহাক এবং (নাতি) ইয়াকুবকে। তাদের প্রত্যেককেই আমরা হিদায়াতের উপর পরিচালিত করেছি। এর আগে আমরা নূহকেও হিদায়াতের উপর পরিচালিত করেছি আর তার বংশধর দাউদ, সুলাইমান, আইয়ুব, ইউসুফ এবং মূসা আর হারূণকেও। এভাবেই আমরা পুরস্কার দিয়ে থাকি কল্যাণ পরায়ণদের।

সমকালীন বাংলা

আর আমি তাহাকে দান করিয়াছিলাম ইসহাক ও ইয়া‘কূব, ইহাদের প্রত্যেককে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম; পূর্বে নূহ্কেও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম এবং তাহার বংশধর দাঊদ, সুলায়মান ও আইউব, ইউসুফ, মূসা ও হারূনকেও; আর এইভাবেই সৎকর্মপরায়ণদের পুরস্কৃত করি;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাকারিয়া, ইয়াহ্ইয়া, ‘ঈসা এবং ইল্‌য়াসকেও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম। ইহারা সকলে সজ্জনদের অন্তর্ভুক্ত;

জহুরুল হক

আর যাকারিয়া ও ইয়াহ্‌য়া আর ঈসা ও ইলয়াস। প্রতেকেই হয়েছিলেন পুণ্যকর্মাদের অন্তর্ভুক্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যাকারিয়া, ইয়াহিয়া, ঈসা ও ইলিয়াস - এরা প্রত্যেকেই ছিলো ন্যায় পরায়ণদের অন্তরভুক্ত।

সমকালীন বাংলা

এবং যাকারিয়া, ইয়াহ্ইয়া, ‘ঈসা এবং ইল্য়াসকেও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম। ইহারা সকলে সজ্জনদের অন্তর্ভুক্ত;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম ইস্‌মাঈল, আল্ - য়াসা‘আ, ইয়ূনুস্ ও লূতকে; এবং শ্রেষ্ঠত্ব দান করিয়াছিলাম বিশ্বজগতের উপর প্রত্যেককে -

জহুরুল হক

আর ইসমাইল, আর ইয়াসাআ ও ইউনুস, আর লূত। আর সবাইকে আমরা মানবগোষ্ঠীর উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর ইসমাঈল, আলইয়াসা এবং ইউনুস এবং লূতও। এদের প্রত্যেককেই আমরা শ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়েছিলাম জগতবাসীর উপর।

সমকালীন বাংলা

আরও সৎপথে পরিচালিত করিয়াছিলাম ইসমাইল, আল্ - য়াসা‘আ, ইয়ূনুস্ ও লূতকে; এবং শ্রেষ্ঠত্ব দান করিয়াছিলাম বিশ্বজগতের উপর প্রত্যেককে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ইহাদের পিতৃপুরুষ, বংশধর ও ভ্রাতৃবৃন্দের কতককে। আমি তাহাদেরকে মনোনীত করিয়াছিলাম এবং সরল পথে পরিচালিত করিয়াছিলাম।

জহুরুল হক

আর তাঁদের পিতাদের, আর তাঁদের বংশধরদের, আর তাঁদের ভাইদের মধ্যে থেকে, আর আমরা তাদের নির্বাচিত করেছিলাম এবং তাদের পরিচালিত করেছিলাম সহজ - সঠিক পথের দিকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাছাড়া এদের পূর্ব পুরুষ, উত্তর পুরুষ এবং ভাইদের অনেককেও। আমরা তাদের সবাইকে মনোনীত করেছিলাম এবং পরিচালিত করেছিলাম সিরাতুল মুস্তাকিমের উপর।

সমকালীন বাংলা

এবং ইহাদের পিতৃপুরুষ, বংশধর ও ভ্রাতৃবৃন্দের কতককে। আমি তাহাদেরকে মনোনীত করিয়াছিলাম এবং সরল পথে পরিচালিত করিয়াছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ‌র হিদায়াত; স্বীয় বান্দাদের মধ্যে যাহাকে ইচ্ছা তিনি ইহা দ্বারা সৎপথে পরিচালিত করেন। তাহারা যদি শির্‌ক করিত তবে তাহাদের কৃতকর্ম নিষ্ফল হইতই।

জহুরুল হক

এই হচ্ছে ‌র পথনির্দেশ, এর দ্বারা তিনি পথ দেখান তাঁর বান্দাদের মধ্যের যাকে ইচ্ছে করেন। আর যদি তাঁরা অংশী দাঁড় করতেন তবে তাঁরা যা করছিলেন সে - সব নিশ্চয়ই তাঁদের জন্য বৃথা হতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো আল্লাহর হিদায়াত, তিনি তাঁর বান্দাদের যাকে চান এর ভিত্তিতে পরিচালিত করেন। তারা যদি শিরক করতো, অবশ্যি নিষ্ফল হয়ে যেতো তাদের সমস্ত আমল।

সমকালীন বাংলা

ইহা আল্লাহর হিদায়াত; স্বীয় বান্দাদের মধ্যে যাহাকে ইচ্ছা তিনি ইহা দ্বারা সৎপথে পরিচালিত করেন। তাহারা যদি শিরক করিত তবে তাহাদের কৃতকর্ম নিষ্ফল হইতই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকেই কিতাব, কর্তৃত্ব ও নবূওয়াত দান করিয়াছি, অতঃপর যদি ইহারা এইগুলিকে প্রত্যাখ্যানও করে তবে আমি তো এমন এক সম্প্রদায়ের প্রতি এইগুলির ভার অর্পণ করিয়াছি যাহারা এইগুলি প্রত্যাখ্যান করিবে না।

জহুরুল হক

এরাঁই তাঁরা যাঁদের আমরা দিয়েছিলাম কিতাব, আর কর্তৃত্ব, আর নবুওৎ; কাজেই এরা যদি এ - সবে অবিশ্বাস পোষণ করে তবে আমরা নিশ্চয়ই এর তত্ত্বাবধানের ভার দিয়েছি এমন এক সম্প্রদায়ের উপরে যারা এতে অবিশ্বাসী হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা ছিলো সেইসব লোক, যাদেরকে আমরা দান করেছিলাম কিতাব, প্রজ্ঞা এবং নবুয়্যত। এখন যদি এরা এগুলোর প্রতি কুফুরিও করে, তবে আমরা তো এগুলোর দায়িত্ব এমন একদল লোকের উপর অর্পণ করেছি যারা এগুলোর প্রতি নয়।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদেরকেই কিতাব, কর্তৃত্ব ও নবূওয়াত দান করিয়াছি, অতঃপর যদি ইহারা এইগুলিকে প্রত্যাখ্যানও করে তবে আমি তো এমন এক সম্প্রদায়ের প্রতি এইগুলির ভার অর্পণ করিয়াছি যাহারা এইগুলি প্রত্যাখ্যান করিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকেই সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন, সুতরাং তুমি তাহাদের পথের অনুসরণ কর। বল, ‘ইহার জন্য আমি তোমাদের নিকট পারিশ্রমিক চাই না, ইহা তো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।’

জহুরুল হক

এরাঁই তাঁরা যাঁদের সৎপথে পরিচালিত করেছেন, সুতরাং তুমি তাঁদের পথনির্দেশের অনুসরণ করো। বলো - - ''আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোনো প্রতিদান চাই না। এতো নিঃসন্দেহ মানবগোষ্ঠীর কাছে স্মারকই মাত্র।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকে হিদায়াতের উপর পরিচালিত করেছেন, সুতরাং তুমিও তাদের পথের অনুসরণ করো। তুমি বলো: ‘আমি তো একাজের জন্যে তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাইনা। এ (কুরআন)টা তো জগতবাসীর জন্যে উপদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকেই সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন, সুতরাং তুমি তাহাদের পথের অনুসরণকর। বল, ‘ইহার জন্য আমি তোমাদের নিকট পারিশ্রমিক চাই না, ইহা তো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা ‌র যথার্থ মর্যাদা উপলব্ধি করে নাই যখন তাহারা বলে, ‘ মানুষের নিকট কিছুই নাযিল করেন নাই।’ বল, ‘কে নাযিল করিয়াছেন মূসার আনীত কিতাব যাহা মানুষের জন্য আলো ও পথনির্দেশ ছিল, তাহা তোমরা বিভিন্ন পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধ করিয়া কিছু প্রকাশ কর ও যাহার অনেকাংশ গোপন রাখ এবং যাহা তোমাদের পিতৃপুরুষগণ ও তোমরা জানিতে না তাহাও শিক্ষা দেওয়া হইয়াছিল? বল, ‘আল্লাহ্ই’ ; অতঃপর তাহাদেরকে তাহাদের নিরর্থক আলোচনারূপ খেলায় মগ্ন হইতে দাও।

জহুরুল হক

আর তারা ‌র সম্মান করে না তাঁর যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে যখন তারা বলে - - '' কোনো মানুষের কাছে কিছুই অবতারণ করেন নি।’’ বলো - - ''কে অবতারণ করেছিলেন গ্রন্থখানা যা নিয়ে মূসা এসেছিলেন - - মানুষের জন্য আলোক ও পথনির্দেশরূপে, যা তোমরা কাগজপত্রে তুলে তা প্রকাশ করো ও বেশির ভাগ গোপন করো, আর তোমাদের শেখানো হয়েছিল যা তোমরা জানতে না, - - তোমরা আর তোমাদের পিতৃপুরুষরাও না?’’ বলো - - ''‌।’’ অতঃপর তাদের ছেড়ে দাও তাদের বাজে কথায় খেলাধুলো করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহকে তাঁর প্রকৃত মর্যাদাই প্রদান করেনি, যখন তারা বলে: ‘ একজন মানুষের কাছে কিছুই নাযিল করেননি।’ তুমি বলো: ‘তাহলে মূসা যে কিতাব নিয়ে এসেছিল তা কে নাযিল করেছে? যা ছিলো আলো এবং মানুষের জন্যে হিদায়াত। তোমরা যার কিছু অংশ কাগজে লিখে প্রকাশ করো আর অনেকাংশই করো গোপন। আর তোমাদেরকে (সেই কিতাবের মাধ্যমে) তাও শিক্ষা দেয়া হয়েছিল যা তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষরা জানতেনা?’ বলো ‘আল্লাহ্ই’ (তা নাযিল করেছেন)। ব্যাস্, এখন তাদেরকে তাদের অর্থহীন কথাবার্তার খেলায় নিমগ্ন থাকতে দাও।

সমকালীন বাংলা

তাহারা যথার্থ মর্যাদা উপলব্ধি করে নাই যখন তাহারা বলে, মানুষের নিকট কিছুই নাযিল করেন নাই।’ বল, ‘কে নাযিল করিয়াছেন মূসার আনীত কিতাব যাহা মানুষের জন্য আলো ও পথনির্দেশ ছিল, তাহা তোমরা বিভিন্ন পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধ করিয়া কিছু প্রকাশ কর ও যাহার অনেকাংশ গোপন রাখ এবং যাহা তোমাদের পিতৃপুরুষগণ ও তোমরা জানিতে না তাহাও শিক্ষা দেওয়া হইয়াছিল? বল, আল্লাহ্ই; অতঃপর তাহাদেরকে তাহাদের নিরর্থক আলোচনারূপ খেলায় মনগড়া হইতে দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি এই কল্যাণময় কিতাব নাযিল করিয়াছি যাহা উহার পূর্বেকার কিতাবের প্রত্যায়নকারী এবং যাহা দ্বারা তুমি মক্কা ও উহার চতুষ্পার্শ্বের লোকদেরকে সতর্ক কর। যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে তাহারা উহাতে বিশ্বাস করে এবং তাহারা তাহাদের সালাতের হিফাযত করে।

জহুরুল হক

আর এই হচ্ছে কিতাব যা আমরা অবতারণ করেছি কল্যাণময় ক’রে, যা এর পূর্বেকার তার সত্য - সমর্থকরূপে, আর যেন তুমি সতর্ক করতে পারো নগর জননীকে আর যারা এর চতুর্দিকে রয়েছে তাদের। আর যারা পরকালে বিশ্বাস করে তারা এতে বিশ্বাস করে, আর তারা তাদের নামাযের হেফাজত করে চলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর এই মুবারক কিতাব (আল কুরআন) আমরা নাযিল করেছি। এটি তার পূর্বের কিতাবের সত্যায়নকারী আর এর ভিত্তিতে যেনো তুমি উম্মুল কোরা (মক্কা) এবং তার আশ্ পাশের লোকদের সতর্ক করো। যারা আখিরাতে তারা এর প্রতি ঈমান রাখে এবং তারা তাদের সালাতের হিফাযত করে।

সমকালীন বাংলা

আমি এই কল্যাণময় কিতাব নাযিল করিয়াছি যাহা উহার পূর্বেকার কিতাবের প্রত্যায়নকারী এবং যাহা দ্বারা তুমি মক্কা ও উহার চতুষ্পার্শ্বের লোকদেরকে সতর্ক কর। যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে তাহারা উহাতে বিশ্বাস করে এবং তাহারা তাহাদের সালাতের হিফাযত করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহার চেয়ে বড় আর কে, যে সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে কিংবা বলে, ‘আমার নিকট ওহী হয়,’ যদিও তাহার প্রতি নাযিল হয় না এবং যে বলে, ‘ যাহা নাযিল করিয়াছেন আমিও উহার অনুরূপ নাযিল করিব ?’ যদি তুমি দেখিতে পাইতে যখন জালিমরা মৃত্যুযন্ত্রণায় রহিবে এবং ফিরিশ্‌তাগণ হাত বাড়াইয়া বলিবে, ‘তোমাদের প্রাণ বাহির কর! তোমরা সম্বন্ধে অন্যায় বলিতে ও তাঁহার বিধান সম্বন্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিতে, সেজন্য আজ তোমাদেরকে অবমাননাকর শাস্তি দেওয়া হইবে।’

জহুরুল হক

আর কে তার চাইতে বেশি অন্যায়কারী যে সন্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে, অথবা বলে - - 'আমার কাছে প্রত্যাদেশ এসেছে’, অথচ তার কাছে কোনো - প্রকার প্রত্যাদেশ আসে নি, আর যে বলে - - 'আমি অবতারণ করতে পারি যা অবতারণ করেছেন তার মতো জিনিস’? আর তুমি যদি দেখতে পেতে যখন অন্যায়কারীরা মৃত্যু - যন্ত্রণায় থাকবে আর ফিরিশ্‌তারা তাদের হাত বাড়াবে - - ''বের করো তোমাদের অন্তরা‌ত্মা! আর তোমাদের দেয়া হবে লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তি যেহেতু তোমরা ‌র বিরুদ্ধে বলে চলেছিলে সততার সীমা ছাড়িয়ে, আর তোমরা তাঁর আয়াতসমূহে অহংকার পোষণ করতে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর উপর আরোপ করে, কিংবা বলে, ‘আমার কাছে অহি আসে’, অথচ তার কাছে কোনো অহিই আসেনা, আর ঐ ব্যক্তিও, যে বলে যা নাযিল করেছেন আমিও তা নাযিল করবো?’ তুমি যদি দেখতে এই যালিমরা যখন মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাবে আর ফেরেশতারা হাত বাড়িয়ে বলবে: ‘বের করো তোমাদের প্রাণ। আজ প্রয়োগ করা হবে তোমাদের উপর অপমানকর আযাব, কারণ তোমরা আল্লাহর উপর আরোপ করতে না হক কথা আর আল্লাহর আয়াত নিয়ে প্রকাশ করতে ঔদ্ধত্য।’

সমকালীন বাংলা

তাহার চেয়ে বড় আর কে, যে সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে কিংবা বলে, ‘আমার নিকট ওহী হয়,’ যদিও তাহার প্রতি নাযিল হয় না এবং যে বলে, যাহা নাযিল করিয়াছেন আমিও উহার অনুরূপ নাযিল করিব?’ যদি তুমি দেখিতে পাইতে যখন জালিমরা মৃত্যুযন্ত্রণায় রহিবে এবং ফিরিশ্তাগণ হাত বাড়াইয়া বলিবে, ‘তোমাদের প্রাণ বাহির কর! তোমরা সম্বন্ধে অন্যায় বলিতে ও তাঁহার বিধান সম্বন্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিতে, সেজন্য আজ তোমাদেরকে অবমাননাকর শাস্তি দেওয়া হইবে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো আমার নিকট নিঃসংগ অবস্থায় আসিয়াছ, যেমন আমি প্রথমে তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছিলাম; তোমাদেরকে যাহা দিয়াছিলাম তাহা তোমরা পশ্চাতে ফেলিয়া আসিয়াছ, তোমরা যাহাদেরকে তোমাদের ব্যাপারে শরীক মনে করিতে। তোমাদের সেই সুপারিশকারিগণকেও তোমাদের সঙ্গে দেখিতেছি না; তোমাদের মধ্যকার সম্পর্ক অবশ্যই ছিন্ন হইয়াছে এবং তোমরা যাহা ধারণা করিয়াছিলে তাহাও নিষ্ফল হইয়াছে।

জহুরুল হক

আর তোমরা নিশ্চয়ই আমাদের কাছে এসেছ একে একে যেমন তোমাদের আমরা প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, আর যা তোমাদের দিয়েছিলাম তা তোমরা তোমাদের পিঠের পেছনে ফেলে এসেছ, আর তোমাদের সঙ্গে তোমাদের সুপারিশকারীদের দেখছি না যাদের তোমরা দাবি করতে যে তারা তোমাদের মধ্যে নিশ্চিত অংশীদার। নিশ্চয় তোমাদের মধ্যেকার বন্ধন ছিন্ন হয়েছে আর তোমাদের থেকে উধাও হয়েছে যা তোমরা দাবি করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তো আমাদের কাছে একা একাই এসেছো যেমন আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছিলাম প্রথমবার, আর তোমাদেরকে যা দিয়েছিলাম সবই তো পেছনে ফেলে এসেছো! কই তোমাদের সাথে তো তোমাদের শাফায়াতকারীদের দেখছিনা, যাদেরকে তোমাদের ব্যাপারে (আল্লাহর) শরিকদার মনে করতে? তোমাদের মধ্যকার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তোমরা যা ধারণা করছিলে সবই হয়ে গেছে উধাও।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তো আমার নিকট নিঃসংগ অবস্থায় আসিয়াছ, যেমন আমি প্রথমে তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছিলাম; তোমাদেরকে যাহা দিয়াছিলাম তাহা তোমরা পশ্চাতে ফেলিয়া আসিয়াছ, তোমরা যাহাদেরকে তোমাদের ব্যাপারে শরীক মনে করিতে। তোমাদের সেই সুপারিশকারিগণকেও তোমাদের সঙ্গে দেখিতেছি না; তোমাদের মধ্যকার সম্পর্ক অবশ্যই ছিন্ন হইয়াছে এবং তোমরা যাহা ধারণা করিয়াছিলে তাহাও নিষ্ফল হইয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আল্লাহ্ই শস্য - বীজ ও আঁটি অংকুরিত করেন, তিনিই প্রাণহীন হইতে জীবন্তকে বাহির করেন এবং জীবন্ত হইতে প্রাণহীনকে বাহির করেন। তিনিই তো ; সুতরাং তোমরা কোথায় ফিরিয়া যাইবে?

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ - - তিনি শস্যবীজ ও আটিরঁ অংকুরোদগমকারী। তিনি মৃতদের থেকে জীবিতদের উদগত করেন, আবার তিনিই মৃতদের উদগমকারী জীবিতদের থেকে। এই তো ‌! সুতরাং কোথা থেকে তোমরা ফিরে যাবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই অংকুরিত করেন শস্য - বীজ এবং আঁটি। তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বের করে আনেন এবং মৃতকে বের করে আনেন জীবন্তের থেকে। তিনিই । সুতরাং কোথায় ফিরে যাচ্ছো তোমরা?

সমকালীন বাংলা

শস্য - বীজ ও আঁটি অংকুরিত করেন, তিনিই প্রাণহীন হইতে জীবন্তকে বাহির করেন এবং জীবন্ত হইতে প্রাণহীনকে বাহির করেন। তিনিই তো সুতরাং তোমরা কোথায় ফিরিয়া যাইবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ঊষার উন্মেষ ঘটান, তিনিই বিশ্রামের জন্য রাত্রি এবং গণনার জন্য সূর্য ও চন্দ্র সৃষ্টি করিয়াছেন; এ সবই পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের নিরূপণ।

জহুরুল হক

তিনিই উষার ঊন্মেষকারী, আর তিনি রাত্রিকে সৃষ্টি করেছেন বিশ্রামের জন্য, আর সূর্যকে এবং চন্দ্রকে হিসাবের জন্য। এই - ই মহাশক্তিশালী সর্বজ্ঞাতার বিধান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই (রাতের বুক চিরে) ভোরের উন্মেষ ঘটান। তিনিই বানিয়েছেন তোমাদের বিশ্রামের জন্যে রাত আর হিসাবের জন্যে সূর্য আর চাঁদ। এসবই মহাপরাক্রমশালী ও মহাজ্ঞানীর নির্ধারিত।

সমকালীন বাংলা

তিনিই ঊষার উন্মেষ ঘটান, তিনিই বিশ্রামের জন্য রাত্রি এবং গণনার জন্য সূর্য ও চন্দ্র সৃষ্টি করিয়াছেন; এ সবই পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের নিরূপণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদের জন্য নক্ষত্র সৃষ্টি করিয়াছেন যেন তদ্দ্বারা স্থলের ও সমুদ্রের অন্ধকারে তোমরা পথ পাও। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আমি তো নিদর্শন বিশদভাবে বিবৃত করিয়াছি।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন তারকারাজি, যেন তোমরা তাদের সাহায্যে স্থলের ও সমুদ্রের অন্ধকারে পথ চলতে পারো। আমরা নিশ্চয়ই নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করেছি এমন লোকের জন্য যারা জ্ঞান রাখে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের জন্যে নক্ষত্রকে বানিয়েছেন স্থল ও সমুদ্রের অন্ধকারে পথ প্রদর্শক। যেসব লোক জ্ঞান রাখে তাদের জন্যে আমরা নিদর্শন বর্ণনা করেছি বিশদভাবে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তোমাদের জন্য নক্ষত্র সৃষ্টি করিয়াছেন যেন তদ্বারা স্থলের ও সমুদ্রের অন্ধকারে তোমরা পথ পাও। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য আমি তো নিদর্শন বিশদভাবে বিবৃত করিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদেরকে একই ব্যক্তি হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং তোমাদের জন্য দীর্ঘ ও স্বল্পকালীন বাসস্থান রহিয়াছে। অনুধাবনকারী সম্প্রদায়ের জন্য আমি তো নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করিয়াছি।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের উদ্ভব করেছেন একই নফস থেকে, এবং রয়েছে এক বিশ্রাম - স্থল আর এক পাত্রাধার। আমরা নিশ্চয়ই নিদর্শনগুলো ব্যাখ্যা করেছি তেমন লোকের জন্য যারা হৃদয়ম করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এক ব্যক্তি থেকে। তারপর তোমাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী ও সাময়িক ঠিকানা। যারা বুঝ ও বোধের অধিকারী তাদের জন্যে আমরা নিদর্শন বর্ণনা করেছি বিশদভাবে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তোমাদেরকে একই ব্যক্তি হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং তোমাদের জন্য দীর্ঘ ও স্বল্পকালীন বাসস্থান রহিয়াছে। অনুধাবনকারী সম্প্রদায়ের জন্য আমি তো নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন, অতঃপর উহা দ্বারা আমি সর্বপ্রকার উদ্ভিদের চারা উদ্‌গম করি; অনন্তর উহা হইতে সবুজ পাতা উদ্‌গত করি, পরে উহা হইতে ঘন সন্নিবিষ্ট শস্যদানা উৎপাদন করি, এবং খেজুরবৃক্ষের মাথি হইতে ঝুলন্ত কাঁদি বাহির করি আর আংগুরের উদ্যান সৃষ্টি করি এবং যায়তূন ও দাড়িম্বও। ইহারা একে অন্যের সদৃশ এবং বিসদৃশও। লক্ষ্য কর উহার ফলের প্রতি, যখন উহা ফলবান হয় এবং উহার পরিপক্বতা প্রাপ্তির প্রতি। সম্প্রদায়ের জন্য উহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি আকাশ থেকে নামান বৃষ্টি, তখন তার দ্বারা আমরা উদ্‌গত করি সব রকমের চারা গাছ, তারপর তা থেকে উদগম করি সবুজ গাছপালা, যা থেকে উদ্ভব করি থোকা থোকা শস্য, আর খেজুর গাছ থেকে - - তার মাথি থেকে ঝুলন্ত কাঁদি, আর আঙ্গুরের ও জলপাইয়ের ও ডালিমের বাগান - - এক রকমের ও সামস্যবিহীন। তোমরা তাকিয়ে দেখো তার ফলের দিকে যখন তা ফলবান হয় ও তার পেকে ওঠাতে। নিঃসন্দেহ এগুলোতে রয়েছে নিদর্শনাবলী তেমন লোকের জন্য যারা বিশ্বাস স্থাপন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই আসমান থেকে নাযিল করেন পানি। তা দিয়ে আমরা সব ধরণের উদ্ভিদ উদগত করি। তা থেকে আমরা সবুজ পাতা বের করে আনি। তা থেকে উৎপন্ন করি ঘন নিবিড় শস্যদানা। খেজুর গাছের মাথা থেকে বের করে আনি ঝুলন্ত কাঁদি। উৎপন্ন করি আংগুরের বাগান, যয়তুন ও আনার, একই রকম ও বিভিন্ন রকম। লক্ষ্য করে দেখো, এর ফলের প্রতি, যখন তা ফলবান হয় এবং যখন তা পাকে। যারা ঈমান রাখে তাদের জন্যে এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন।

সমকালীন বাংলা

তিনিই আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করেন, অতঃপর উহা দ্বারা আমি সর্বপ্রকার উদ্ভিদের চারা উদ্গম করি; অনন্তর উহা হইতে সবুজ পাতা উদ্গত করি, পরে উহা হইতে ঘন সন্নিবিষ্ট শস্যদানা উৎপাদন করি, এবং খেজুরবৃক্ষের মাথি হইতে ঝুলন্ত কাঁদি বাহির করি আর আংগুরের উদ্যান সৃষ্টি করি এবং যায়তূন ও দাড়িম্বও। ইহারা একে অন্যের সদৃশ এবং বিসদৃশও। লক্ষ্য কর উহার ফলের প্রতি, যখন উহা ফলবান হয় এবং উহার পরিপক্বতা প্রাপ্তির প্রতি। সম্প্রদায়ের জন্য উহাতে অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা জিনকে ‌র শরীক করে, অথচ তিনিই ইহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং উহারা অজ্ঞতাবশত ‌র প্রতি পুত্র - কন্যা আরোপ করে; তিনি পবিত্র - মহিমান্বিত ! এবং উহারা যাহা বলে তিনি তাহার ঊর্ধ্বে।

জহুরুল হক

তথাপি তারা ‌র সঙ্গে শরিক করে জিনকে, যদিও তিনিই ওদের সৃষ্টি করেছেন, আর তারা কোনো জ্ঞান ছাড়াই তাঁতে আরোপ করে পুত্র ও কন্যাদের। তাঁরই সব মহিমা! আর তারা যা আরোপ করে সে - সব থেকে তিনি বহু ঊর্ধ্বে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জিনকে আল্লাহর শরিক বানায়, অথচ তিনিই তাদের সৃষ্টি করেছেন। আর না জেনেই তারা আল্লাহর প্রতি পুত্র কন্যা আরোপ করে। তারা যা আরোপ করে তা থেকে তিনি মুক্ত - পবিত্র এবং অনেক উর্ধ্বে।

সমকালীন বাংলা

তাহারা জিনকে শরীক করে, অথচ তিনিই ইহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং উহারা অজ্ঞতাবশত প্রতি পুত্র - কন্যা আরোপ করে; তিনি পবিত্র - মহিমান্নিত! এবং উহারা যাহা বলে তিনি তাহার ঊর্ধ্বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, তাঁহার সন্তান হইবে কিরূপে? তাঁহার তো কোন স্ত্রী নাই। তিনিই তো সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেক বস্তু সম্বন্ধে তিনিই সবিশেষ অবহিত।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর আদিস্রষ্টা! কোথা থেকে তাঁর সন্তান হবে যখন তাঁর জন্য কোনো সহচরী নেই। আর তিনিই সব - কিছু সৃষ্টি করেছেন, আর তিনিই তো সব - কিছু সন্বন্ধে সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তো মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর স্রষ্টা। কী করে থাকতে পারে তাঁর সন্তান? তাঁর তো স্ত্রীও থাকতে পারেনা। কারণ, সব কিছু তো তিনিই সৃষ্টি করেছেন। প্রতিটি বিষয়ে তিনি জ্ঞাত।

সমকালীন বাংলা

তিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, তাঁহার সন্তান হইবে কিরূপে? তাঁহার তো কোন স্ত্রী নাই। তিনিই তো সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেক বস্তু সম্বন্ধে তিনিই সবিশেষ অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তো , তোমাদের প্রতিপালক; তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনিই সব কিছুর স্রষ্টা; সুতরাং তোমরা তাঁহার ‘ইবাদত কর; তিনি সব কিছুর তত্ত্বাবধায়ক।

জহুরুল হক

এই হচ্ছেন ‌, তোমাদের প্রভু! তিনি ছাড়া অন্য উপাস্য নেই, তিনি সব - কিছুরই সৃষ্টিকর্তা, কাজেই তাঁরই উপাসনা করো, আর তিনি সব বিষয়ের উপরে কর্ণধার।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি , তোমাদের প্রভু। কোনো ইলাহ্ নেই তিনি ছাড়া। প্রতিটি জিনিসের তিনি স্রষ্টা। সুতরাং তোমরা কেবল তাঁরই ইবাদত করো। প্রতিটি জিনিসের উপর তিনি উকিল - তত্ত্বাবধায়ক।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তো তোমাদের প্রতিপালক; তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই। তিনিই সব কিছুর স্রষ্টা; সুতরাং তোমরা তাঁহার ‘ইবাদত কর; তিনি সব কিছুর তত্ত্বাবধায়ক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দৃষ্টি তাঁহাকে অবধারণ করিতে পারে না; কিন্তু তিনি অবধারণ করেন সকল দৃষ্টি এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত।

জহুরুল হক

দৃষ্টি তাঁর ইয়ত্তা পায় না, কিন্ত তিনি দৃষ্টিতে পরিদর্শন করেন। আর তিনিই সুক্ষদর্শী, পূর্ণ ওয়াকিফহাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কোনো দৃষ্টি তাঁকে ধারণ করতে পারেনা, কিন্তু তিনি ধারণ করেন সব দৃষ্টি। আর তিনি সুক্ষ্মদর্শী, সব বিষয়ের খবর রাখেন।

সমকালীন বাংলা

দৃষ্টি তাঁহাকে অবধারণ করিতে পারে না; কিন্তু তিনি অবধারণ করেন সকল দৃষ্টি এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে তোমাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণ অবশ্যই আসিয়াছে। সুতরাং কেহ উহা দেখিলে উহা দ্বারা সে নিজেই লাভবান হইবে; আর কেহ না দেখিলে তাহাতে সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হইবে। আমি তোমাদের সংরক্ষক নই।

জহুরুল হক

''নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে জ্ঞান দৃষ্টি এসেছে, কাজেই যে কেউ দেখতে পায়, সেটি তার নিজের আ‌ত্মার জন্যে, আর যে কেউ অন্ধ হবে, সেটি তার বিরুদ্ধে যাবে। আর আমি তোমাদের উপরে তত্ত্বাবধায়ক নই।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে এসেছে সুস্পষ্ট প্রমাণ। সুতরাং যে দেখবে, সে নিজেরই কল্যাণ করবে, আর যে অন্ধতার পথ বেছে নেবে সে নিজেকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (হে নবী! তাদের বলো:) ‘আমি তোমাদের উপর হিফাযতকারী নই।’

সমকালীন বাংলা

তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে তোমাদের নিকট স্পষ্ট প্রমাণ অবশ্যই আসিয়াছে। সুতরাং কেহ উহা দেখিলে উহা দ্বারা সে নিজেই লাভবান হইবে; আর কেহ না দেখিলে তাহাতে সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হইবে। আমি তোমাদের সংরক্ষক নই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি এইভাবে নিদর্শনাবলী বিভিন্ন প্রকারে বিবৃত করি। ফলে, উহারা বলে, ‘তুমি পড়িয়া লইয়াছ ?’ কিন্তু আমি তো সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা নির্দেশাবলী নানাভাবে বর্ণনা করি, আর যেন তারা বলতে পারে,''তুমি পাঠ করেছ’’, আর যেন আমরা এটি সুস্পষ্ট করতে পারি তেমন লোকদের কাছে যারা জানে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমনি করেই আমরা বিভিন্নভাবে বর্ণনা করি নিদর্শন। তারা বলে: ‘তুমি কারো কাছ থেকে পড়ে নিয়েছো।’ আমি জ্ঞানী লোকদের জন্যে (নিদর্শন) বর্ণনা করি স্পষ্টভাবে।

সমকালীন বাংলা

আমি এইভাবে নিদর্শনাবলী বিভিন্ন প্রকারে বিবৃত করি। ফলে, উহারা বলে, ‘তুমি পড়িয়া লইয়াছ?’ কিন্তু আমি তো সুস্পষ্টভাবে বিবৃত করি জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে তোমার প্রতি যাহা ওহী হয় তুমি তাহারই অনুসরণ কর, তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই এবং মুশরিকদের হইতে মুখ ফিরাইয়া লও।

জহুরুল হক

তুমি তার অনুসরণ করো যা তোমার কাছে তোমার প্রভুর কাছ থেকে প্রত্যাদেশ দেওয়া হয়েছে - - 'তিনি ছাড়া অন্য উপাস্য নেই’, আর সরে দাঁড়াও বহুখোদাবাদীদের থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার কাছে যা অহি করা হয় তুমি কেবল তারই অনুসরণ করো, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ্ (হুকুমকর্তা) নেই। মুশরিকদের উপেক্ষা করে চলো।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে তোমার প্রতি যাহা ওহী হয় তুমি তাহারই অনুসরণ কর, তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই এবং মুশরিকদের হইতে মুখ ফিরাইয়া লও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি ইচ্ছা করিতেন তবে তাহারা শির্‌ক করিত না এবং তোমাকে তাহাদের জন্য রক্ষক নিযুক্ত করি নাই; আর তুমি তাহাদের অভিভাবকও নও।

জহুরুল হক

আর যদি ইচ্ছে করতেন তবে তারা শরিক করতো না। আর আমরা তোমাকে তাদের উপরে রক্ষাকারীরূপে নিযুক্ত করি নি, আর তুমি তাদের উপরে কার্যনির্বাহকও নও।

আবদুস শহীদ নাসিম

চাইলে তারা শিরক করতোনা। আমরা তোমাকে তাদের উপর রক্ষক নিযুক্ত করিনি এবং তাদের উপর তোমাকে উকিলও নিয়োগ করিনি।

সমকালীন বাংলা

যদি ইচ্ছা করিতেন তবে তাহারা শিরক করিত না এবং তোমাকে তাহাদের জন্য রক্ষক নিযুক্ত করি নাই; আর তুমি তাহাদের অভিভাবকও নও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌কে ছাড়িয়া যাহাদেরকে তাহারা ডাকে তাহাদেরকে তোমরা গালি দিও না। কেননা তাহারা সীমালংঘন করিয়া অজ্ঞানতাবশত ‌কেও গালি দিবে। এইভাবে আমি প্রত্যেক জাতির দৃষ্টিতে তাহাদের কার্যকলাপ সুশোভন করিয়াছি; অতঃপর তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাদের প্রত্যাবর্তন। অনন্তর তিনি তাহাদেরকে তাহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবহিত করিবেন।

জহুরুল হক

আর তারা ‌কে ছেড়ে দিয়ে যাদের উপাসনা করে তাদের গালি দিও না, পাছে তারাও শত্রুতাবশতঃ ‌কে গালি দেয় জ্ঞানহীনতার জন্য। এইভাবে প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য তাদের ক্রিয়াকলাপ আমরা চিত্তাকর্ষক করেছি। তারপর তাদের প্রভুর কাছেই হচ্ছে তাদের প্রত্যাবর্তন, তখন তিনি তাদের জানিয়ে দেবেন কি তারা করতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা ছাড়া যাদেরকে ডাকে তোমরা তাদের গালি দিওনা, তাহলে তারাও না জেনে সীমালংঘন করে আল্লাহকে গালি দিয়ে বসবে। এভাবেই আমরা প্রত্যেক উম্মতের জন্যে সুশোভিত করে দিয়েছি তাদের কর্মকান্ডকে। তারপর তাদের প্রভুর কাছেই তাদের প্রত্যাবর্তন হবে, তখন তিনি তাদের সংবাদ দেবেন - তারা কী আমল করতো।

সমকালীন বাংলা

ছাড়িয়া যাহাদেরকে তাহারা ডাকে তাহাদেরকে তোমরা গালি দিও না। কেননা তাহারা সীমালংঘন করিয়া অজ্ঞানতাবশত গালি দিবে। এইভাবে আমি প্রত্যেক জাতির দৃষ্টিতে তাহাদের কার্যকলাপ সুশোভন করিয়াছি; অতঃপর তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাদের প্রত্যাবর্তন। অনন্তর তিনি তাহাদেরকে তাহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবহিত করিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা ‌র নামে কঠিন শপথ করিয়া বলে, তাহাদের নিকট যদি কোন নিদর্শন আসিত তবে অবশ্যই তাহারা ইহাতে ঈমান আনিত। বল, ‘নিদর্শন তো ‌র ইখ্‌তিয়ারভুক্ত।’ তাহাদের নিকট নিদর্শন আসিলেও তাহারা যে ঈমান আনিবে না ইহা কিভাবে তোমাদের বোধগম্য করান যাইবে?

জহুরুল হক

আর তারা ‌র নামে কসম খায় তাদের জোরালো শপথের দ্বারা যে যদি কোনো নিদর্শন তাদের কাছে আসতো তবে তারা নিশ্চয়ই তাতে বিশ্বাস করতো। বলো - - ''নিঃসন্দেহ নিদর্শনসমূহ ‌র কাছেই রয়েছে। আর কেমন ক’রে তোমাদের জানানো যাবে যে যখন তা আসবে তারা বিশ্বাস করবে না?’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ করে বলে, তাদের জন্যে যদি কোনো নিদর্শন আসতো, তবে অবশ্যি তারা ঈমান আনতো। বলো: নিদর্শন পাঠানো তো আল্লাহর ব্যাপার। তোমাদের কিভাবে বুঝানো যাবে যে, নিদর্শন এলেও তারা ঈমান আনতোনা।

সমকালীন বাংলা

তাহারা নামে কঠিন শপথ করিয়া বলে, তাহাদের নিকট যদি কোন নিদর্শন আসিত তবে অবশ্যই তাহারা ইহাতে ঈমান আনিত। বল, ‘নিদর্শন তো আল্লাহর ইখ্তিয়ারভুক্ত।’ তাহাদের নিকট নিদর্শন আসিলেও তাহারা যে ঈমান আনিবে না ইহা কিভাবে তোমাদের বোধগম্য করান যাইবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা যেমন প্রথমবার উহাতে ঈমান আনে নাই তেমনি আমিও তাহাদের মনোভাবের ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করিয়া দিব এবং তাহাদেরকে তাহাদের অবাধ্যতায় উদ্‌ভ্রান্তের ন্যায় ঘুরিয়া বেড়াইতে দিব।

জহুরুল হক

আর আমরাও তাদের অন্তঃকরণ ও তাদের দৃষ্টি পাল্টে দেবো যেমন তারা প্রথমবার এতে বিশ্বাস করে নি, আর তাদের ছেড়ে দেবো তাদের অবাধ্যতার মধ্যে উদ্‌ভ্রান্ত ভাবে ঘুরে বেড়াতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের অন্তর এবং দৃষ্টি পরিবর্তন করে দেবো, যেভাবে তারা প্রথমবারেই ঈমান আনেনি এবং তাদেরকে অবাধ্যতার মধ্যে বিভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়াতে ছেড়ে দেবো।

সমকালীন বাংলা

তাহারা যেমন প্রথমবার উহাতে ঈমান আনে নাই তেমনি আমিও তাহাদের মনোভাবের ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করিয়া দিব এবং তাহাদেরকে তাহাদের অবাধ্যতায় উদ্ভ্রান্তের ন্যায় ঘুরিয়া বেড়াইতে দিব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদের নিকট ফিরিশ্‌তা প্রেরণ করিলেও এবং মৃতেরা তাহাদের সঙ্গে কথা বলিলেও এবং সকল বস্তুকে তাহাদের সম্মুখে হাযির করিলেও যদি না ইচ্ছা করেন তবে তাহারা ঈমান আনিবে না; কিন্তু তাহাদের অধিকাংশই অজ্ঞ।

জহুরুল হক

আর যদিবা আমরা তাদের প্রতি পাঠাতাম ফিরিশ্‌তাদের, আর মড়াও যদি তাদের সঙ্গে কথা বলতো, আর সব - কিছুই যদি তাদের সামনে একত্রে হাজির করতাম, তবুও তারা বিশ্বাস করতো না, যদি না ইচ্ছা করতেন, কিন্ত তাদের অধিকাংশই অজ্ঞতা পোষণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যদি তাদের কাছে ফেরেশতাও নাযিল করি, যদি মৃত লোকেরা এসেও তাদের সাথে কথা বলে এবং তাদের সামনে সব বস্ত্ত এনেও যদি হাজির করি, তবু তারা ঈমান আনবেনা, তবে চাইলে ভিন্ন কথা। কিন্তু তাদের অধিকাংশই জাহেল।

সমকালীন বাংলা

আমি তাহাদের নিকট ফিরিশতা প্রেরণ করিলেও এবং মৃতেরা তাহাদের সঙ্গে কথা বলিলেও এবং সকল বস্তুকে তাহাদের সম্মুখে হাযির করিলেও যদি না ইচ্ছা করেন তবে তাহারা ঈমান আনিবে না; কিন্তু তাহাদের অধিকাংশই অজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপে আমি মানব ও জিনের মধ্যে শয়তানদেরকে প্রত্যেক নবীর শত্রু করিয়াছি, প্রতারণার উদ্দেশ্যে তাহাদের একে অন্যকে চমকপ্রদ বাক্য দ্বারা প্ররোচিত করে। যদি তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করিতেন তবে তাহারা ইহা করিত না; সুতরাং তুমি তাহাদেরকে ও তাহাদের মিথ্যা রচনাকে বর্জন কর।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা প্রত্যেক নবীর জন্যে সৃষ্টি করেছি শত্রু - - মানুষ ও জিন - এর মধ্যেকার শয়তানদের, তারা একে অন্যকে প্ররোচিত করে চমক্‌প্রদ বাক্যদ্বারা প্রতারণার উদ্দেশ্যে। আর তোমার প্রভু যদি ইচ্ছা করতেন তবে তারা এ করতো না। অতএব ছেড়ে দাও তাদের আর তারা যা মিথ্যা রচনা করে তা, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে আমরা প্রত্যেক নবীর জন্যে মানুষ ও জিন শয়তানদের শত্রু বানিয়ে দিয়েছি। তারা প্রতারণার উদ্দেশ্যে একে অপরের কাছে মুখরোচক কথা অহি (ইংগিত) করে। চাইলে তারা এমনটি করতোনা। সুতরাং তুমি ত্যাগ করো তাদেরকে এবং তারা যে মিথ্যা রচনা করে সেটাকে।

সমকালীন বাংলা

এইরূপে আমি মানব ও জিনের মধ্যে শয়তানদেরকে প্রত্যেক নবীর শত্রু করিয়াছি, প্রতারণার উদ্দেশ্যে তাহাদের একে অন্যকে চমকপ্রদ বাক্য দ্বারা প্ররোচিত করে। যদি তোমার প্রতিপালক ইচ্ছা করিতেন তবে তাহারা ইহা করিত না; সুতরাং তুমি তাহাদেরকে ও তাহাদের মিথ্যা রচনাকে বর্জন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহারা এই উদ্দেশ্যে প্ররোচিত করে যে, যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহাদের মন যেন উহার প্রতি অনুরাগী হয় এবং উহাতে যেন তাহারা পরিতুষ্ট হয় আর তাহারা যে অপকর্ম করে তাহাই যেন তাহারা করিতে থাকে।

জহুরুল হক

আর যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তাদের আন্তরা‌ত্মা যেন এদিকে ঝুঁকে পড়ে, আর যেন তারা এতে খুশিও হয়, আর যেন তারা যা করে চলেছে তাতে যেন মশগুল থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা এ উদ্দেশ্যে (পরস্পরের কাছে অহি করে) যে, যারা আখিরাতে ঈমান রাখেনা, তাদের মন যেনো সেদিকে অনুরাগী হয় এবং এতে করে যেনো তারা খুশি হয়। আর তারা যে দুষ্কর্ম করে তাই যেনো তারা করতে থাকে।

সমকালীন বাংলা

আর তাহারা এই উদ্দেশ্যে প্ররোচিত করে যে, যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহাদের মন যেন উহার প্রতি অনুরাগী হয় এবং উহাতে যেন তাহারা পরিতুষ্ট হয় আর তাহারা যে অপকর্ম করে তাহাই যেন তাহারা করিতে থাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তবে কি আমি ব্যতীত অন্যকে সালিস মানিব - যদিও তিনিই তোমাদের প্রতি সুস্পষ্ট কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছেন!’ আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছি তাহারা জানে যে, উহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে সত্যসহ অবতীর্ণ হইয়াছে। সুতরাং তুমি সন্দিহানদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

জহুরুল হক

''তবে কি ছাড়া আমি অন্যকে বিচারক খুজঁবো যখন তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের কাছে অবতারণ করেছেন এ কিতাব, বিশদভাবে ব্যাখ্যাকৃত?’’ আর যাদের আমরা গ্রন্থ দিয়েছিলাম তারা জানে যে এটি অবতীর্ণ হয়েছে তোমার প্রভুর নিকট থেকে সত্যের সাথে, অতএব তুমি সন্দিহানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তুমি বলো:) ‘আমি কি ছাড়া আর অন্য কাউকেও সালিস মানবো অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন আল কিতাব (আল কুরআন) তফসিল সহকারে!’ আর ইতোপূর্বে আমরা যাদের কিতাব দিয়েছি তারা ভালোভাবেই জানে এটি (কুরআন) নির্ঘাত তোমার প্রভুর পক্ষ থেকেই নাযিল হয়েছে। সুতরাং তুমি সন্দেহ পোষণকারীদের অন্তরভুক্ত হয়োনা।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তবে কি আমি ব্যতীত অন্যকে সালিস মানিব - যদিও তিনিই তোমাদের প্রতি সুস্পষ্ট কিতাব অবতীর্ণ করিয়াছেন!’ আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছি তাহারা জানে যে, উহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে সত্যসহ অবতীর্ণ হইয়াছে। সুতরাং তুমি সন্দিহানদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সত্য ও ন্যায়ের দিক দিয়া তোমার প্রতিপালকের বাণী পরিপূর্ণ। তাঁহার বাক্য পরিবর্তন করিবার কেহ নাই। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভুর বাণী সম্পূর্ণ হয়েছে সত্যে ও ন্যায়ে। তাঁর বাণী কেউ বদলাতে পারে না, আর তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর বাণী সত্য ও ন্যায়ে পরিপূর্ণ। তাঁর বাণী বদল করার কেউ নেই। তিনি সব শুনেন, সব জানেন।

সমকালীন বাংলা

সত্য ও ন্যায়ের দিক দিয়া তোমার প্রতিপালকের বাণী পরিপূর্ণ। তাঁহার বাক্য পরিবর্তন করিবার কেহ নাই। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তাহারা তোমাকে ‌র পথ হইতে বিচ্যুত করিবে। তাহারা তো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে ; আর তাহারা শুধু অনুমানভিত্তিক কথা বলে।

জহুরুল হক

আর যদি তুমি দুনিয়ার বাসিন্দাদের অধিকাংশের আজ্ঞাপালন করো তবে তারা তোমাকে ‌র পথ থেকে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অসার বিষয়ের অনুসরণ করে, আর তারা তো শুধু আন্দাজের উপরেই চলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বিশ্বের অধিকাংশ লোকের কথা শুনতে গেলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে ফেলবে। তারা তো কেবল ধারণার অনুসরণ করে এবং আন্দাজ অনুমানে কথা বলে।

সমকালীন বাংলা

যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তাহারা তোমাকে আল্লাহর পথ হইতে বিচ্যুত করিবে। তাহারা তো শুধু অনুমানের অনুসরণ করে ; আর তাহারা শুধু অনুমানভিত্তিক কথা বলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাঁহার পথ ছাড়িয়া কে বিপথগামী হয় সে সম্বন্ধে তোমার প্রতিপালক তো সবিশেষ অবহিত এবং সৎপথে যাহারা আছে তাহাও তিনি সবিশেষ অবহিত।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি ভালো জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিপথে যায়, আর তিনি ভালো জানেন যারা সুপথে চালিত তাদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভু ভালো করেই জানেন কারা বিপথগামী হয় তাঁর পথ থেকে, আর সঠিক পথের অনুসারীদেরও তিনি ভালোভাবে জানেন।

সমকালীন বাংলা

তাঁহার পথ ছাড়িয়া কে বিপথগামী হয় সে সম্বন্ধে তোমার প্রতিপালক তো সবিশেষ অবহিত এবং সৎপথে যাহারা আছে তাহাও তিনি সবিশেষ অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তাঁহার বিধানে হইলে যাহাতে ‌র নাম নেওয়া হইয়াছে তাহা হইতে আহার কর;

জহুরুল হক

কাজেই আহার করো যার উপরে ‌র নাম উল্লেখ করা হয়েছে, - - যদি তোমরা তাঁর নির্দেশসমূহে হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে তা তোমরা খাও যদি তোমরা তাঁর আয়াতের প্রতি হয়ে থাকো।

সমকালীন বাংলা

তোমরা তাঁহার বিধানে হইলে যাহাতে নাম নেওয়া হইয়াছে তাহা হইতে আহার কর;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের কী হইয়াছে যে, যাহাতে ‌র নাম নেওয়া হইয়াছে তোমরা তাহা হইতে আহার করিবে না ? যাহা তোমাদের জন্য তিনি হারাম করিয়াছেন তাহা তিনি বিশদভাবেই তোমাদের নিকট বিবৃত করিয়াছেন, তবে তোমরা নিরুপায় হইলে তাহা স্বতন্ত্র। অনেকে অজ্ঞানতাবশত নিজেদের খেয়াল - খুশি দ্বারা অবশ্যই অন্যকে বিপথগামী করে; নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক সীমালংঘনকারীদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।

জহুরুল হক

আর তোমাদের কি হয়েছে যে তোমরা তা খাবে না যার উপরে ‌র নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আর তিনি ইতিপূর্বে তোমাদের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন যা তোমাদের জন্য তিনি নিষেধ করেছেন, তবে যতটাতে তোমরা বাধ্য হও তা ব্যতীত? আর নিঃসন্দেহ অনেকেই বিপথে চালিত করে তাদের খেয়াল - খুশির দ্বারা জ্ঞানহীনতা বশতঃ। নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনি ভলো জানেন সীমা - লঙ্ঘনকারীদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কী হয়েছে, যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে কেন তোমরা তা থেকে খাবেনা? অথচ তোমাদের জন্যে যা যা হারাম করা হয়েছে তা তোমাদেরকে বিশদভাবেই বলে দেয়া হয়েছে। তবে তা থেকে কিছু গ্রহণ করতে তোমরা নিরুপায় হয়ে পড়লে ভিন্ন কথা। অনেকেই না জেনে নিজেদের খেয়াল খুশির ভিত্তিতে অন্যদের বিপথগামী করে। তোমার প্রভু সীমালংঘনকারীদের ভালোভাবেই জানেন।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের কী হইয়াছে যে, যাহাতে নাম নেওয়া হইয়াছে তোমরা তাহা হইতে আহার করিবে না? যাহা তোমাদের জন্য তিনি হারাম করিয়াছেন তাহা তিনি বিশদভাবেই তোমাদের নিকট বিবৃত করিয়াছেন, তবে তোমরা নিরুপায় হইলে তাহা স্বতন্ত্র। অনেকে অজ্ঞানতাবশত নিজেদের খেয়াল - খুশি দ্বারা অবশ্যই অন্যকে বিপথগামী করে; নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক সীমালংঘনকারীদের সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন পাপ বর্জন কর ; যাহারা পাপ করে তাহাদেরকে অচিরেই তাহাদের পাপের সমুচিত শাস্তি দেওয়া হইবে।

জহুরুল হক

আর পরিহার করো প্রকাশ্য পাপ ও তার গোপনীয়গুলোও। নিঃসন্দেহ যারা পাপ অর্জন করে তাদের প্রতিফল দেওয়া হবে তারা যা উপার্জন করে থাকে তার দ্বারা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা বর্জন করো যাহেরি (প্রকাশ্য) পাপ এবং বাতেনি (গোপন) পাপ। যারা পাপ কামাই করে, অচিরেই তাদেরকে তাদের পাপের উচিত শাস্তি দেয়া হবে।

সমকালীন বাংলা

তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন পাপ বর্জন কর ; যাহারা পাপ করে তাহাদেরকে অচিরেই তাহাদের পাপের সমুচিত শাস্তি দেওয়া হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাতে ‌র নাম নেওয়া হয় নাই তাহার কিছুই তোমরা আহার করিও না; উহা অবশ্যই পাপ। নিশ্চয়ই শয়তানেরা তাহাদের বন্ধুদেরকে তোমাদের সঙ্গে বিবাদ করিতে প্ররোচনা দেয়; যদি তোমরা তাহাদের কথামত চল তবে তোমরা অবশ্যই মুশরিক হইবে।

জহুরুল হক

আর আহার করো না যাতে ‌র নাম উল্লেখ করা হয় নি, কারণ নিঃসন্দেহ এটি নিশ্চিত পাপাচার। আর নিঃসন্দেহ শয়তানরা তাদের বন্ধুবান্ধদের প্ররোচনা দেয় তোমাদের সঙ্গে বিবাদ করতে, আর তোমরা যদি তাদের আজ্ঞাপালন করো তবে নিঃসন্দেহ তোমরা নিশ্চয়ই বহুখোদাবাদী হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি তা তোমরা খেয়োনা, কারণ তা ফাসেকি (পাপ)। শয়তানরা তাদের অলিদের অহি করে (প্ররোচনা দেয়) তোমাদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হতে। তোমরা যদি তাদের কথামতো চলো তবে অবশ্যি মুশরিক হয়ে যাবে।

সমকালীন বাংলা

যাহাতে আল্লাহর নাম নেওয়া হয় নাই তাহার কিছুই তোমরা আহার করিও না; উহা অবশ্যই পাপ। নিশ্চয়ই শয়তানেরা তাহাদের বন্ধুদেরকে তোমাদের সঙ্গে বিবাদ করিতে প্ররোচনা দেয়; যদি তোমরা তাহাদের কথামত চল তবে তোমরা অবশ্যই মুশরিক হইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি মৃত ছিল, যাহাকে আমি পরে জীবিত করিয়াছি এবং যাহাকে মানুষের মধ্যে চলিবার জন্য আলোক দিয়াছি সেই ব্যক্তি কি ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে অন্ধকারে রহিয়াছে এবং সেই স্থান হইতে বাহির হইবার নয় ? এইরূপে কাফিরদের দৃষ্টিতে তাহাদের কৃতকর্ম শোভন করিয়া দেওয়া হইয়াছে।

জহুরুল হক

যিনি ছিলেন মৃত, তারপর তাঁকে আমরা জীবন্ত করলাম, আর তাঁর জন্য তৈরি করলাম আলো যার সাহায্যে তিনি মানুষদের মধ্যে চলাফেরা করেন, - - তিনি কি তার মতো যার তুলনা হচ্ছে এমন এক লোক যে থাকে অন্ধকারে যা থেকে তার বেরুনোর পথ নেই? এইভাবে অবিশ্বাসীদের জন্য আমরা চিত্তাকর্ষক করে থাকি যা তারা করতে থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ছিলো মৃত, তারপর তাকে আমরা জীবন দান করেছি এবং মানুষের মধ্যে চলার জন্যে দিয়েছি আলো, সে কি ঐ ব্যক্তির মতো হতে পারে, যে রয়েছে অন্ধকাররাশিতে এবং সেখান থেকে সে বের হবার নয়? এভাবেই কাফিরদের জন্যে তাদের কর্মকান্ডকে করে দেয়া হয়েছে চাকচিক্যময়।

সমকালীন বাংলা

যে ব্যক্তি মৃত ছিল, যাহাকে আমি পরে জীবিত করিয়াছি এবং যাহাকে মানুষের মধ্যে চলিবার জন্য আলোক দিয়াছি সেই ব্যক্তি কি ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে অন্ধকারে রহিয়াছে এবং সেই স্থান হইতে বাহির হইবার নয়? এইরূপে কাফিরদের দৃষ্টিতে তাহাদের কৃতকর্ম শোভন করিয়া দেওয়া হইয়াছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইরূপে আমি প্রত্যেক জনপদে সেখানকার অপরাধীদের প্রধানকে সেখানে চক্রান্ত করার অবকাশ দিয়াছি ; কিন্তু তাহারা শুধু তাহাদের নিজেদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে; অথচ তাহারা উপলব্ধি করে না।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা প্রত্যেক জনপদে সেখানকার অপরাধীদের বানিয়েছি সর্দার, যেন তারা তার মধ্যে চক্রান্ত ক’রে চলে, আর তারা চক্রান্ত করে না শুধু তাদের আপন অন্তরা‌ত্মার বিরুদ্ধে ছাড়া, আর তারা বুঝে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা প্রত্যেক জনপদে সেখানকার অপরাধীদের প্রধানকে চক্রান্ত করার সুযোগ দিয়েছি। তাদের চক্রান্ত যে তাদেরই বিরুদ্ধে যাবে তা তারা বুঝতে পারেনা।

সমকালীন বাংলা

এইরূপে আমি প্রত্যেক জনপদে সেখানকার অপরাধীদের প্রধানকে সেখানে চক্রান্ত করার অবকাশ দিয়াছি ; কিন্তু তাহারা শুধু তাহাদের নিজেদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে; অথচ তাহারা উপলব্ধি করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তাহাদের নিকট কোন নিদর্শন আসে তাহারা তখন বলে, ‘‌র রাসূলগণকে যাহা দেওয়া হইয়াছিল আমাদেরকেও তাহা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা কখনও বিশ্বাস করিব না।’ তাঁহার রিসালাতের দায়িত্ব কাহার উপর অর্পণ করিবেন তাহা তিনিই ভাল জানেন। যাহারা অপরাধ করিয়াছে, চক্রান্তের জন্য ‌র নিকট হইতে লাঞ্ছনা ও কঠোর শাস্তি তাহাদের উপর আপতিত হইবেই।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের কাছে কোনো নিদর্শন আসে, তারা বলে - - ''আমরা কখনো বিশ্বাস করবো না যে পর্যন্ত না ‌র রসূলদের যা দেয়া হয়েছে তার অনুরূপ কিছু আমাদেরও দেওয়া হয়।’’ ‌ই ভালো জানেন কোথায় তাঁর প্রত্যাদেশের ভারার্পণ করবেন। যারা অপরাধ করে চলে তাদের উপরে শীঘ্রই ঘটবে ‌র তরফ থেকে লাঞ্ছনা এবং কঠোর শাস্তি - - তারা যা চক্রান্ত করে চলেছে সেজন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখনই তাদের কাছে কোনো নিদর্শন এসেছিল তারা বলেছিল: ‘আমরা ততোক্ষণ পর্যন্ত কিছুতেই ঈমান আনবোনা যতোক্ষণ না আল্লাহর রসূলদের যা দেয়া হয়েছে আমাদেরকেও তা দেয়া হয়।’ আল্লাহ্ই ভালো জানেন তিনি তাঁর রিসালাতের দায়িত্ব কার উপর অর্পণ করবেন। যারা অপরাধ করেছে, তাদের চক্রান্তের জন্যে আল্লাহর কাছে তাদের জন্যে রয়েছে অপমান আর কঠোর আযাব।

সমকালীন বাংলা

যখন তাহাদের নিকট কোন নিদর্শন আসে তাহারা তখন বলে, আল্লাহর রাসূলগণকে যাহা দেওয়া হইয়াছিল আমাদেরকেও তাহা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা কখনও বিশ্বাস করিব না।’ তাঁহার রিসালাতের দায়িত্ব কাহার উপর অর্পণ করিবেন তাহা তিনিই ভাল জানেন। যাহারা অপরাধ করিয়াছে, চক্রান্তেরর জন্য নিকট হইতে লাঞ্ছনা ও কঠোর শাস্তি তাহাদের উপর আপতিত হইবেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাহাকেও সৎপথে পরিচালিত করিতে চাহিলে তিনি তাহার বক্ষ ইসলামের জন্য প্রশস্ত করিয়া দেন এবং কাহাকেও বিপথগামী করিতে চাহিলে তিনি তাহার বক্ষ অতিশয় সংকীর্ণ করিয়া দেন ; তাহার কাছে ইসলাম অনুসরণ আকাশে আরোহণের মতই দুঃসাধ্য হইয়া পড়ে। যাহারা বিশ্বাস করে না ‌ তাহাদেরকে এইভাবে লাঞ্ছিত করেন।

জহুরুল হক

অতএব যদি কাউকে ইচ্ছা করেন যে তিনি তাকে ধর্মপথে পরিচালন করবেন, তবে তার বক্ষ তিনি ইসলামের প্রতি প্রশস্ত করবেন, আর যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন যে তিনি তাকে পথভ্রষ্টতায় ফেলে রাখবেন, তার বক্ষকে তিনি আটোঁসাঁটো ও সংকীর্ণ করে ফেলেন যেন সে আকাশে আরোহণ করে চলেছে। এইভাবে কলুষতা আনয়ন করেন তাদের উপরে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাউকেও হিদায়াত দান করতে চাইলে ইসলামের জন্যে তার হৃদয়কে উদার করে দেন। আর যাকে তিনি গোমরাহ্ করতে চান তার অন্তরকে করে দেন অতিশয় সংকীর্ণ। তখন তার কাছে ইসলামে প্রবেশ করাটা সিঁড়ি বেয়ে আকাশে উঠার মতোই কষ্ট সাধ্য মনে হয়। যারা ঈমান আনেনা এভাবেই তাদের লাঞ্ছিত করেন।

সমকালীন বাংলা

কাহাকেও সৎপথে পরিচালিত করিতে চাহিলে তিনি তাহার বক্ষ ইসলামের জন্য প্রশস্ত করিয়া দেন এবং কাহাকেও বিপথগামী করিতে চাহিলে তিনি তাহার বক্ষ অতিশয় সংকীর্ণ করিয়া দেন ; তাহার কাছে ইসলাম অনুসরণ আকাশে আরোহণের মতই দুঃসাধ্য হইয়া পড়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই তোমার প্রতিপালক - নির্দেশিত সরল পথ। যাহারা উপদেশ গ্রহণ করে আমি তাহাদের জন্য নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করিয়াছি।

জহুরুল হক

আর এই হচ্ছে তোমার প্রভুর পথ - - সহজ - সঠিক। আমরা নিশ্চয় নির্দেশসমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছি তেমন লোকের জন্য যারা মনোনিবেশ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটাই তোমার প্রভুর সিরাতুল মুস্তাকিম। উপদেশ গ্রহণকারী লোকদের জন্যে আমরা নিদর্শন বর্ণনা করে দিলাম বিশদভাবে।

সমকালীন বাংলা

ইহাই তোমার প্রতিপালক - নির্দেশিত সরল পথ। যাহারা উপদেশ গ্রহণ করে আমি তাহাদের জন্য নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে বিবৃত করিয়াছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাদের জন্য রহিয়াছে শান্তির আবাস এবং তাহারা যাহা করিত তজ্জন্য তিনিই তাহাদের অভি - ভাবক।

জহুরুল হক

তাদের জন্য রয়েছে শান্তিনিকেতন তাদের প্রভুর কাছে, আর তারা যা করে থাকে সেজন্য তিনি তাদের রক্ষাকারী বন্ধু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে তাদের প্রভুর কাছে রয়েছে দারুস্ সালাম (শান্তির ঘর) এবং তিনিই তাদের অলি (অভিভাবক) তাদের আমলের কারণে।

সমকালীন বাংলা

তাহাদের প্রতিপালকের নিকট তাহাদের জন্য রহিয়াছে শান্তির আবাস এবং তাহারা যাহা করিত তজ্জন্য তিনিই তাহাদের অভি - ভাবক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন তিনি তাহাদের সকলকে একত্র করিবেন এবং বলিবেন, ‘হে জিন সম্প্রদায়! তোমরা তো অনেক লোককে তোমাদের অনুগামী করিয়াছিলে’ এবং মানব সমাজের মধ্যে তাহাদের বন্ধুগণ বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের মধ্যে কতক অপরের দ্বারা লাভবান হইয়াছে এবং তুমি আমাদের জন্য যে সময় নির্ধারণ করিয়াছিলে এখন আমরা উহাতে উপনীত হইয়াছি।’ সেদিন বলিবেন, ‘জাহান্নামই তোমাদের বাসস্থান, তোমরা সেখানে স্থায়ী হইবে,’ যদি না অন্য রকম ইচ্ছা করেন। তোমার প্রতিপালক অবশ্যই প্রজ্ঞাময়, সবিশেষ অবহিত।

জহুরুল হক

আর যেদিন তিনি তাদের সবাইকে একত্র করবেন - - ''হে জিন সম্প্রদায়! তোমরা মানুষদের অনেককেই নিয়ে গিয়েছিলে।’’ আর মানবগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে তাদের বন্ধুবান্ধবরা বলবে - - ''আমাদের প্রভূ! আমাদের কেউ কেউ অন্যদের দ্বারা লাভবান হয়েছিলাম, কিন্ত আমরা পৌছেগেছি আমাদের অন্তিম সময়ে যা তুমি আমাদের জন্য নির্ধারিত করেছিলে। তিনি বলবেন - - ''আগুন হচ্ছে তোমাদের আবাসস্থল, সেখানে দীর্ঘকাল থাকবার জন্য - - যাকে ইচ্ছা করেন সে ব্যতীত। নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তিনি তাদের সবাইকে হাশর করবেন সেদিন তাদের বলবেন: ‘হে জিন সম্প্রদায়! তোমরা মানুষের মধ্যে অনেককেই তোমাদের অনুগামী করেছিলে।’ আর মানুষের মধ্যকার তাদের অলিরা বলবে: ‘আমাদের প্রভু! আমরা আমাদের একে অপরের মাধ্যমে লাভবান হয়েছি, আর তুমি আমাদের জন্যে যে সময় নির্ধারণ করেছিলে, এখন তো আমরা তাতে এসে উপনীত হয়েছি।’ বলবেন: জাহান্নামই তোমাদের আবাস, চিরদিন তোমরা সেখানেই থাকবে, তবে অন্য কিছু চাইলে সেটা ভিন্ন কথা। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।

সমকালীন বাংলা

যেদিন তিনি তাহাদের সকলকে একত্র করিবেন এবং বলিবেন, ‘হে জিন সম্প্রদায়! তোমরা তো অনেক লোককে তোমাদের অনুগামী করিয়াছিলে’ এবং মানব সমাজের মধ্যে তাহাদের বন্ধুগণ বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের মধ্যে কতক অপরের দ্বারা লাভবান হইয়াছে এবং তুমি আমাদের জন্য যে সময় নির্ধারণ করিয়াছিলে এখন আমরা উহাতে উপনীত হইয়াছি।’ সেদিন বলিবেন, ‘জাহান্নামই তোমাদের বাসস্থান, তোমরা সেখানে স্থায়ী হইবে,’ যদি না অন্য রকম ইচ্ছা করে না তোমার প্রতিপালক অবশ্যই প্রজ্ঞাময়, সবিশেষ অবহিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে উহাদের কৃতকর্মের জন্য আমি জালিমদের একদলকে অন্যদলের বন্ধু করিয়া থাকি।

জহুরুল হক

আর এইভাবে আমরা কোনো - কোনো অন্যায়কারীদের অন্যদের সহায় হতে দিই যা তারা অর্জন করে থাকে সেজন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা যালিমদের একদলকে আরেকদলের অলি বানিয়ে দেই তাদের কৃতকর্মের কারণে।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে উহাদের কৃতকর্মের জন্য আমি জালিমদের একদলকে অন্যদলের বন্ধু করিয়া থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি উহাদেরকে বলিব, ‘হে জিন ও মানব সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্য হইতে কি রাসূলগণ তোমাদের নিকট আসে নাই - যাহারা আমার নিদর্শন তোমাদের নিকট বিবৃত করিত এবং তোমাদেরকে এই দিনের সম্মুখীন হওয়া সম্বন্ধে সতর্ক করিত ?’ উহারা বলিবে, ‘আমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলাম।’ বস্তুত পার্থিব জীবন উহাদেরকে প্রতারিত করিয়াছিল, আর উহারা নিজেদের বিরুদ্ধে এ সাক্ষ্যও দিবে যে, তাহারা ছিল।

জহুরুল হক

হে জিন ও মানব সম্প্রদায়! তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্যে থেকে রসূলগণ আসেন নি যাঁরা তোমাদের কাছে আমার নির্দেশাবলী বর্ণনা করতেন আর তোমাদের সতর্ক করতেন তোমাদের এই দিনটিতে একত্রিত হওয়া সন্বন্ধে? তারা বলবে - - ''আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি আমাদের নিজেদের বিরুদ্ধেই।’’ আর এই দুনিয়ার জীবন তাদের ভুলিয়েছিল, আর তারা নিজেদের বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দেবে যে তারা বস্তুতঃ অবিশ্বাসী ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেদিন বলবেন:) ‘হে জিন ও মানব সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্য থেকে কি তোমাদের কাছে রসূলরা আসেনি? তারা কি আমার আয়াত তোমাদের কাছে বয়ান করেনি? তারা কি এই দিনটির সাক্ষাতের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করেনি?’ তারা বলবে: ‘আমরা আমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছি।’ মূলত দুনিয়ার জীবনটাই তাদের প্রতারিত করে রেখেছিল। তারা তাদের নিজেদের বিরুদ্ধে আরো সাক্ষ্য দেবে যে, বাস্তবিকই তারা ছিলো ।

সমকালীন বাংলা

আমি উহাদেরকে বলিব, ‘হে জিন ও মানব সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্য হইতে কি রাসূলগণ তোমাদের নিকট আসে নাই - যাহারা আমার নিদর্শন তোমাদের নিকট বিবৃত করিত এবং তোমাদেরকে এই দিনের সম্মুখীন হওয়া সম্বন্ধে সতর্ক করিত?’ উহারা বলিবে, ‘আমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলাম।’ বস্তুত পার্থিব জীবন উহাদেরকে প্রতারিত করিয়াছিল, আর উহারা নিজেদের বিরুদ্ধে এ সাক্ষ্যও দিবে যে, তাহারা ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইহেতু যে, অধিবাসীবৃন্দ যখন অনবহিত, তখন কোন জনপদকে উহার অন্যায় আচরণের জন্য ধ্বংস করা তোমার প্রতিপালকের কাজ নয়।

জহুরুল হক

এটি এজন্য যে কোনো জনপদকে অন্যায়ভাবে ধ্বংস করা তোমার প্রভুর কাজ নয়, যখন তাদের বাসিন্দারা অজ্ঞ থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ হলো, কোনো জনপদকে সতর্ক না করা পর্যন্ত ধ্বংস করে দেয়া তোমার প্রভুর নীতি নয়।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইহেতু যে, অধিবাসীবৃন্দ যখন অনবহিত, তখন কোন জনপদকে উহার অন্যায় আচরণের জন্য ধ্বংস করা তোমার প্রতিপালকের কাজ নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যেকে যাহা করে তদনুসারে তাহার স্থান রহিয়াছে এবং উহারা যাহা করে সে সম্বন্ধে তোমার প্রতিপালক অনবহিত নন।

জহুরুল হক

আর প্রত্যেকের জন্যে রয়েছে তারা যা করে সেই অনুপাতে স্তরসমূহ। আর তোমার প্রভু অনবহিত নন তারা যা করে সে - সন্বন্ধে।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রত্যেক ব্যক্তি যে আমল করে, সে অনুযায়ী তার অবস্থান নির্ধারিত হবে। তারা যে আমল করে সে সম্পর্কে তোমার প্রভু গাফিল নন।

সমকালীন বাংলা

প্রত্যেকে যাহা করে তদনুসারে তাহার স্থান রহিয়াছে এবং উহারা যাহা করে সে সম্বন্ধে তোমার প্রতিপালক অনবহিত নন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক অভাবমুক্ত, দয়াশীল। তিনি ইচ্ছা করিলে তোমাদেরকে অপসারিত করিতে এবং তোমাদের পরে যাহাকে ইচ্ছা তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করিতে পারেন - যেমন তোমাদেরকে তিনি অন্য এক সম্প্রদায়ের বংশ হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন।

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভু স্বয়ংসম্পূর্ণ, করুণার অধিকারী। তিনি যদি ইচ্ছা করেন তবে তিনি তোমাদের সরিয়ে দিতে পারেন এবং তোমাদের পরে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন যাদের তিনি চান, যেমন তিনি তোমাদের উত্থিত করেছিলেন অন্য এক গোষ্ঠীর বংশ থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভু অভাবমুক্ত রহমতওয়ালা দয়াময়। তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সরিয়ে দিতে পারেন এবং তোমাদের পরে যাকে ইচ্ছা তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন, যেমন তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন অপর একটি কওমের বংশধারা থেকে।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালক অভাবমুক্ত, দয়াশীল। তিনি ইচ্ছা করিলে তোমাদেরকে অপসারিত করিতে এবং তোমাদের পরে যাহাকে ইচ্ছা তোমাদের স্থলাভিষিক্ত করিতে পারেন - যেমন তোমাদেরকে তিনি অন্য এক সম্প্রদায়ের বংশ হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের সঙ্গে যাহা ওয়াদা করা হইতেছে উহা বাস্তবায়িত হইবেই, তোমরা তাহা ব্যর্থ করিতে পারিবে না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমাদের কাছে যা ওয়াদা করা হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে, আর তোমরা এড়িয়ে যেতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যি আসবে। তোমরা সেটার আগমন ঠেকাতে পারবেনা।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সঙ্গে যাহা ওয়াদা করা হইতেছে উহা বাস্তবায়িত হইবেই, তোমরা তাহা ব্যর্থ করিতে পারিবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘হে আমার সম্প্রদায় ! তোমরা যেখানে যাহা করিতেছ, করিতে থাক ; আমিও আমার কাজ করিতেছি। তোমরা শীঘ্রই জানিতে পারিবে, কাহার পরিণাম মঙ্গলময়। জালিমগণ কখনও হইবে না।’

জহুরুল হক

বলো - - ''হে আমার লোকেরা! তোমাদের স্থলে তোমরা কাজ করে চলো, আমিও কাজ করে যাচ্ছি, আর শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কার জন্য রয়েছে শেষ - আলয়।’’ নিঃসন্দেহ অন্যায়কারীরা হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো ‘হে আমার কওম! তোমরা যেখানে আমল করছো করতে থাকো, আমি আমার কাজ করে যাবো। অচিরেই তোমরা জানতে পারবে কার পরিণাম হবে কল্যাণময়। যালিমরা কিছুতেই সফল হবেনা।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘হে আমার সম্প্রদায় ! তোমরা যেখানে যাহা করিতেছ, করিতে থাক ; আমিও আমার কাজ করিতেছি। তোমরা শীঘ্রই জানিতে পারিবে, কাহার পরিণাম মঙ্গলময়। জালিমগণ কখনও হইবে না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে শস্য ও গবাদিপশু সৃষ্টি করিয়াছেন তন্মধ্য হইতে তাহারা ‌র জন্য এক অংশ নির্দিষ্ট করে এবং নিজেদের ধারণা অনুযায়ী বলে, ‘ইহা ‌র জন্য এবং ইহা আমাদের দেবতাদের জন্য।’ যাহা তাহাদের দেবতাদের অংশ তাহা ‌র কাছে পৌঁছায় না এবং যাহা ‌র অংশ তাহা তাহাদের দেবতাদের কাছে পৌঁছায়, তাহারা যাহা মীমাংসা করে তাহা নিকৃষ্ট!

জহুরুল হক

আর তারা ‌র জন্য নির্দিষ্ট করে শস্যক্ষেত্র ও পশুপালন থেকে যা তিনি উৎপাদন করেছেন তার এক অংশ, এবং বলে - - ''এই হচ্ছে ‌র জন্য’’ - - তাদের ধারণানুযায়ী, - - ''আর এই হচ্ছে আমাদের অংশীদেবতাদের জন্য।’’ তারপর যা তাদের অংশীদেবতাদের জন্য তা ‌র কাছে পৌঁছে না, আর যা ‌র জন্য তা পেছে যাঁয় তাদের অংশীদেবতাদের কাছে। কি নিকৃষ্ট যা তারা সিদ্ধান্ত করে!

আবদুস শহীদ নাসিম

যে শস্য এবং গবাদি পশু সৃষ্টি করেছেন, তা থেকে তারা আল্লাহর জন্যে একটি অংশ নির্ধারণ করে এবং তাদের ধারণা অনুযায়ী বলে: ‘এই অংশ আল্লাহর জন্যে এবং এই অংশ আমাদের (বানানো আল্লাহর) শরিকদের (দেবতাদের) জন্যে। তারপর দেবতাদের অংশ আল্লাহর কাছে পৌঁছায়না, অথচ আল্লাহর অংশ দেবতাদের কাছে পৌঁছায়। তাদের ফায়সালা কতো যে নিকৃষ্ট!

সমকালীন বাংলা

যে শস্য ও গবাদিপশু সৃষ্টি করিয়াছেন তন্মধ্য হইতে তাহারা জন্য এক অংশ নির্দিষ্ট করে এবং নিজেদের ধারণা অনুযায়ী বলে, ‘ইহা জন্য এবং ইহা আমাদের দেবতাদের জন্য।’ যাহা তাহাদের দেবতাদের অংশ তাহা কাছে পৌঁছায় না এবং যাহা অংশ তাহা তাহাদের দেবতাদের কাছে পৌঁছায়, তাহারা যাহা মীমাংসা করে তাহা নিকৃষ্ট!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এইভাবে তাহাদের দেবতারা বহু মুশরিকের দৃষ্টিতে তাহাদের সন্তানদের হত্যাকে শোভন করিয়াছে তাহাদের ধ্বংস সাধনের জন্য এবং তাহাদের ধর্ম সম্বন্ধে তাহাদের বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য; ‌ ইচ্ছা করিলে তাহারা ইহা করিত না। সুতরাং তাহাদেরকে তাহাদের মিথ্যা লইয়া থাকিতে দাও।

জহুরুল হক

আর এইভাবে বহুখোদাবাদীদের অধিকাংশের জন্য তাদের অংশীদেবতারা চিত্তাকর্ষক করেছে তাদের সন্তান - হত্যা, যেন তারা এদের ধ্বংস করতে পারে আর তাদের ধর্মকে তাদের জন্য বিভ্রান্তিকর করতে পারে। আর যদি ইচ্ছে করতেন তবে তারা এ করতো না, কাজেই তাদের ও তারা যা জালিয়াতি করে তাকে উপেক্ষা করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে তাদের দেবতারা অনেক মুশরিকদের দৃষ্টিতে তাদের সন্তানদের হত্যাকে সুশোভিত করে রেখেছে তাদের ধ্বংসের উদ্দেশ্যে এবং তাদের ধর্ম সম্পর্কে তাদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যে। চাইলে তারা এটা করতোনা। সুতরাং তাদেরকে তাদের বানানো মিথ্যার উপর ছেড়ে দাও।

সমকালীন বাংলা

এইভাবে তাহাদের দেবতারা বহু মুশরিকের দৃষ্টিতে তাহাদের সন্তানদের হত্যাকে শোভন করিয়াছে তাহাদের ধ্বংস সাধনের জন্য এবং তাহাদের ধর্ম সম্বন্ধে তাহাদের বিভ্রান্তিসৃষ্টির জন্য; আল্লাহর ইচ্ছা করিলে তাহারা ইহা করিত না। সুতরাং তাহাদেরকে তাহাদের মিথ্যা লইয়া থাকিতে দাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা তাহাদের ধারণা অনুসারে বলে, ‘এইসব গবাদিপশু ও শস্যক্ষেত্র নিষিদ্ধ ; আমরা যাহাকে ইচ্ছা করি সে ব্যতীত কেহ এইসব আহার করিতে পারিবে না’, এবং কতক গবাদিপশুর পৃষ্ঠে আরোহণ নিষিদ্ধ করা হইয়াছে এবং কতক পশু যবেহ্ করিবার সময় তাহারা ‌র নাম নেয় না। এই সমস্তই তাহারা ‌ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনার উদ্দেশ্যে বলে ; তাহাদের এই মিথ্যা রচনার প্রতিফল তিনি অবশ্যই তাহাদেরকে দিবেন।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''এইসব গবাদি - পশু ও শস্যক্ষেত্র নিষিদ্ধ, কেউ এইসব খেতে পারবে না আমরা যাদের ইচ্ছা করি তারা ব্যতীত’’, - - তাদের ধারণানুযায়ী, এবং কতক পশু যাদের পিঠ নিষেধ করা হয়েছে, আর গবাদি - পশু যাদের উপরে তারা ‌র নাম স্মরণ করে না, - - এ - সব তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা উদ্ভাবন। তিনি অচিরেই তাদের প্রতিফল দেবেন তারা যা উদ্ভাবন করে থাকে তার জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা (তাদের ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তিতে) বলে: ‘এসব গবাদি পশু এবং এসব শস্যক্ষেত নিষিদ্ধ। আমরা যাকে চাইবো সে ছাড়া আর কেউ এগুলো খেতে পারবেনা।’ তাছাড়া কিছু কিছু গবাদি পশুর পিঠে আরোহণ করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে আর কিছু কিছু গবাদি পশু যবেহ করার সময় তারা আল্লাহর নাম নেয়না। এসব (বিধি নিষেধ মূলত তাদের) আল্লাহর নামে মিথ্যারোপ। তিনি অবশ্যি তাদেরকে তাদের এসব মিথ্যা রচনার শাস্তি প্রদান করবেন।

সমকালীন বাংলা

তাহারা তাহাদের ধারণা অনুসারে বলে, ‘এইসব গবাদিপশু ও শস্যক্ষেত্র নিষিদ্ধ ; আমরা যাহাকে ইচ্ছা করি সে ব্যতীত কেহ এইসব আহার করিতে পারিবে না’, এবং কতক গবাদিপশুর পৃষ্ঠে আরোহণ নিষিদ্ধ করা হইয়াছে এবং কতক পশু যবেহ্ করিবার সময় তাহারা আল্লাহর নাম নেয় না। এই সমস্তই তাহারা আল্লাহর সম্বন্ধে মিথ্যা রচনার উদ্দেশ্যে বলে ; তাহাদের এই মিথ্যা রচনার প্রতিফল তিনি অবশ্যই তাহাদেরকে দিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা আরও বলে, ‘এইসব গবাদিপশুর গর্ভে যাহা আছে তাহা আমাদের পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট এবং ইহা আমাদের স্ত্রীদের জন্য অবৈধ; আর উহা যদি মৃত হয় তবে সকলেই ইহাতে অংশীদার।’ তিনি তাহাদের এইরূপ বলিবার প্রতিফল অচিরেই তাহাদেরকে দিবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''এই গবাদি - পশুর পেটে যা আছে তা বিশেষভাবে আমাদের পুরুষদের জন্য, আর নিষিদ্ধ আমাদের নারীদের জন্য, আর যদি তা মৃত হয় তবে তারাও ওতে অংশীদার।’’ তিনি শীঘ্রই তাদের প্রতিদান দেবেন তাদের ধার্য করার জন্য। নিঃসন্দেহ তিনি পরমজ্ঞানী, সর্বজ্ঞাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলে: ‘এসব গবাদি পশুর গর্ভে যা আছে তা আমাদের পুরুষদের জন্যে নির্ধারিত এবং আমাদের নারীদের জন্যে হারাম। তবে মরা পশু হলে তারা উভয়েই তাতে শরিকদার।’ এসব বিধিনিষেধ আরোপের শাস্তি তিনি তাদের প্রদান করবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী।

সমকালীন বাংলা

তাহারা আরও বলে, ‘এইসব গবাদিপশুর গর্ভে যাহা আছে তাহা আমাদের পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট এবং ইহা আমাদের স্ত্রীদের জন্য অবৈধ; আর উহা যদি মৃত হয় তবে সকলেই ইহাতে অংশীদার।’ তিনি তাহাদের এইরূপ বলিবার প্রতিফল অচিরেই তাহাদেরকে দিবেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা নির্বুদ্ধিতার দরুন ও অজ্ঞানতাবশত নিজেদের সন্তানদের হত্যা করে এবং - প্রদত্ত জীবিকাকে সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করিবার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ গণ্য করে তাহারা তো ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছে। তাহারা অবশ্যই বিপথগামী হইয়াছে এবং তাহারা সৎপথপ্রাপ্ত ছিল না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তারা ক্ষতিগ্রস্ত যারা তাদের সন্তানদের হত্যা করে নিরবুদ্ধিতার বশে, জ্ঞানহীনতার জন্য, আর নিষেধ করে তাদের যা খেতে দিয়েছেন - - ‌র বিরুদ্ধে মিথ্যা রচনা ক’রে। তারা অবশ্যই গোল্লায় গেছে, আর তারা সৎপথপ্রাপ্তও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা না জেনে বোকামি করে তাদের সন্তানদের হত্যা করে এবং আল্লাহর উপর মিথ্যারোপের মাধ্যমে আল্লাহর দেয়া রিযিক হারাম করে, তারা অবশ্যি বিপথগামী হয়ে গেছে এবং তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত নয়।

সমকালীন বাংলা

যাহারা নির্বুদ্ধিতার দরুন ও অজ্ঞানতাবশত নিজেদের সন্তানদের হত্যা করে এবং প্রদত্ত জীবিকাকে সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করিবার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ গণ্য করে তাহারা তো ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছে। তাহারা অবশ্যই বিপথগামী হইয়াছে এবং তাহারা সৎপথপ্রাপ্ত ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই লতা ও বৃক্ষ - উদ্যানসমূহ সৃষ্টি করিয়াছেন এবং খেজুর বৃক্ষ, বিভিন্ন স্বাদ - বিশিষ্ট খাদ্যশস্য, যায়তূন ও দাড়িম্বও সৃষ্টি করিয়াছেন - এইগুলি একে অন্যের সদৃশ এবং বিসদৃশও। যখন উহা ফলবান হয় তখন উহার ফল আহার করিবে আর ফসল তুলিবার দিনে উহার হক প্রদান করিবে এবং অপচয় করিবে না; নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের পসন্দ করেন না।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি সৃষ্টি করেছেন বাগান - - মাচা - বাঁধানো ও মাচা - বিহীন, আর খেজুর গাছ, আর শস্যক্ষেত্র যার রকম - রকমের স্বাদ, আর জলপাই ও ডালিম - - এক রকমের ও সাদৃশ্যবিহীন। সে - সবের ফল খাও যখন তা ফল ধরে, আর ওর হক্ প্রদান করো ফসল তোলার দিনে, আর অপচয় করো না। নিঃসন্দেহ তিনি অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি সৃষ্টি করেছেন নানা রকম গুল্ম - লতা এবং গাছের জান্নাত (বাগান), খেজুর গাছ, ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের খাদ্য শস্য, যয়তুন ও আনার - সদৃশ্য ও অসদৃশ্য। ফলন ঘটার পর তোমরা এগুলোর ফল খাও এবং ফল - ফসল সংগ্রহের দিন সেগুলোর হক (যাকাত) দিয়ে দাও। অপচয় করোনা। কারণ, তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।

সমকালীন বাংলা

তিনিই লতা ও বৃক্ষ - উদ্যানসমূহ সৃষ্টি করিয়াছেন এবং খেজুর বৃক্ষ, বিভিন্ন স্বাদ - বিশিষ্ট খাদ্যশস্য, যায়তূন ও দাড়িম্বও সৃষ্টি করিয়াছেন - এইগুলি একে অন্যের সদৃশ এবং বিসদৃশও। যখন উহা ফলবান হয় তখন উহার ফল আহার করিবে আর ফসল তুলিবার দিনে উহার হক প্রদান করিবে এবং অপচয় করিবে না; নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের পসন্দ করেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

গবাদিপশুর মধ্যে কতক ভারবাহী ও কতক ক্ষুদ্রাকার পশু সৃষ্টি করিয়াছেন। যাহা রিযিকরূপে তোমাদেরকে দিয়াছেন তাহা হইতে আহার কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করিও না; সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

জহুরুল হক

আর গবাদি - পশুদের মধ্যে কতকগুলো ভার বহনের জন্য আর কিছু ক্ষুদ্রাকার। তোমাদের যা খাদ্যবস্তু দিয়েছেন সে - সব থেকে আহার করো, আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিঃসন্দেহ তোমাদের জন্য সে হচ্ছে প্রকাশ্য শত্রু ।

আবদুস শহীদ নাসিম

গবাদি পশুর মধ্যে (তিনি সৃষ্টি করেছেন) কিছু ভারবাহী আর কিছু ছোট পশু। তোমাদের যে রিযিক দিয়েছেন তা থেকে খাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করোনা। কারণ, সে তোমাদের সুস্পষ্ট দুশমন।

সমকালীন বাংলা

গবাদিপশুর মধ্যে কতক ভারবাহী ও কতক ক্ষুদ্রাকার পশু সৃষ্টি করিয়াছেন। যাহা রিযিকরূপে তোমাদেরকে দিয়াছেন তাহা হইতে আহার কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করিও না; সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নর ও মাদী আটটি : মেষের দুইটি ও ছাগলের দুইটি; বল, ‘নর দুইটিই কি তিনি নিষিদ্ধ করিয়াছেন কিংবা মাদী দুইটিই অথবা মাদী দুইটির গর্ভে যাহা আছে তাহা ? তোমরা সত্যবাদী হইলে প্রমাণসহ আমাকে অবহিত কর;’

জহুরুল হক

আটটি জোড়ায় - - ভেড়া থেকে দুটো ও ছাগল থেকে দুটো। বলো - - ''তিনি কি নিষেধ করেছেন নর দুটি অথবা মাদী দুটি, অথবা মাদী - দুটির গর্ভ যা ধরে রেখেছে তা? জ্ঞানের সাথে আমাকে জানাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থেকো।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

(তারা নিজেদের খেয়াল খুশি মতো যেগুলো হারাম করেছে) সেগুলো আট প্রকার। মেষের দুটি এবং ছাগলের দুটি। তাদের জিজ্ঞাসা করো: ‘তিনি নর দুটি হারাম করেছেন নাকি মাদি দুটি? নাকি মাদি দুটির গর্ভে যা আছে তা? তোমরা সত্যবাদী হলে এলেমের ভিত্তিতে অবহিত করো।’

সমকালীন বাংলা

নর ও মাদী আটটি : মেষের দুইটি ও ছাগলের দুইটি; বল, ‘নর দুইটিই কি তিনি নিষিদ্ধ করিয়াছেন কিংবা মাদী দুইটিই অথবা মাদী দুইটির গর্ভে যাহা আছে তাহা? তোমরা সত্যবাদী হইলে প্রমাণসহ আমাকে অবহিত কর;’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উটের দুইটি ও গরুর দুইটি। বল, ‘নর দুইটিই কি তিনি নিষিদ্ধ করিয়াছেন কিংবা মাদী দুইটিই অথবা মাদী দুইটির গর্ভে যাহা আছে তাহা ? এবং যখন তোমাদেরকে এইসব নির্দেশ দান করেন তখন কি তোমরা উপস্থিত ছিলে ?’ সুতরাং যে ব্যক্তি অজ্ঞানতাবশত মানুষকে বিভ্রান্ত করিবার জন্য সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে তাহার চেয়ে অধিক আর কে ? তো সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

জহুরুল হক

আর উট থেকে দুটো ও গরু থেকে দুটো। বলো - - ''তিনি কি নিষেধ করেছেন নর দুটি অথবা মাদী দুটি, না মাদী - দুটির গর্ভ যা ধারণ করেছে তা? অথবা তোমরা কি সাক্ষী ছিলে যখন তোমাদের জন্য এই বিধান দিয়েছিলেন?’’ সুতরাং কে বেশি অন্যায়কারী তার চাইতে যে ‌র বিরুদ্ধে মিথ্যা রচনা করে, যেন সে লোককে বিভ্রান্ত করতে পারে জ্ঞানহীনভাবে? নিঃসন্দেহ ধর্মপথে পরিচালিত করেন না অন্যায়কারী লোকদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর উটের দুটি এবং গরুর দুটি। তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘তিনি কি নর দুটি হারাম করেছেন নাকি মাদি দুটি? নাকি মাদি দুটির গর্ভে যা আছে তা? নাকি তিনি যখন এ নির্দেশ দিয়েছিলেন তখন তোমরা উপস্থিত ছিলে?’ ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে, যে মানুষকে বিপথগামী করার জন্যে এলেম ছাড়াই আল্লাহর উপর মিথ্যারোপ করে? নিশ্চয়ই যালিম লোকদের হিদায়াত করেন না।

সমকালীন বাংলা

এবং উটের দুইটি ও গরুর দুইটি। বল, ‘নর দুইটিই কি তিনি নিষিদ্ধ করিয়াছেন কিংবা মাদী দুইটিই অথবা মাদী দুইটির গর্ভে যাহা আছে তাহা? এবং যখন তোমাদেরকে এইসব নির্দেশ দান করেন তখন কি তোমরা উপস্থিত ছিলে?’ সুতরাং যে ব্যক্তিঅজ্ঞানতাবশত মানুষকে বিভ্রান্ত করিবার জন্য সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করে তাহার চেয়ে অধিক আর কে? তো সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার প্রতি যে ওহী হইয়াছে তাহাতে, লোকে যাহা আহার করে তাহার মধ্যে আমি কিছুই হারাম পাই না - মৃত, বহমান রক্ত ও শূকরের মাংস ব্যতীত। কেননা এইগুলি অবশ্যই অপবিত্র অথবা যাহা অবৈধ, ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গের কারণে।’ তবে কেহ অবাধ্য না হইয়া এবং সীমালংঘন না করিয়া নিরুপায় হইয়া উহা আহার করিলে তোমার প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

জহুরুল হক

বলো - - ''আমার কাছে যা প্রত্যাদিষ্ট হয়েছে তাতে আমি খাদকের জন্য নিষিদ্ধ পাই নি তা খেতে এইসব ব্যতীত - - যা মৃত হয়ে গেছে, অথবা ঝরে পড়া রক্ত, অথবা শূকরের মাংস, - - কেননা তা নিঃসন্দেহ অশুচি, অথবা যা হালাল করা হয়েছে তার উপরে ছাড়া অন্য নাম নেওয়ার পাপাচারে, কিন্ত যে কেউ চাপে পড়েছে, অবাধ্য না হয়ে বা মাত্রা না ছাড়িয়ে, তবে তোমার প্রভু নিঃসন্দেহ পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘কেউ যা খেতে চায়, আমার প্রতি প্রেরিত অহিতে তার মধ্যে মৃত (প্রাণী), কিংবা প্রবাহিত রক্ত, অথবা শুয়োরের গোশ্ত ছাড়া আর কিছুই হারাম পাইনা। এগুলো নোংরা এবং (খাওয়া) পাপ। আর যা ছাড়া অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়েছে তাও হারাম। কেউ যদি বিদ্রোহ এবং সীমালংঘন না করে নিরূপায় হয়ে পড়ার কারণে এগুলো থেকে কিছু খেয়ে নেয়, (তার ব্যাপারে) অবশ্যি তোমার প্রভু পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমার প্রতি যে ওহী হইয়াছে তাহাতে, লোকে যাহা আহার করে তাহার মধ্যে আমি কিছুই হারাম পাই না - মৃত, বহমান রক্ত ও শূকরের মাংস ব্যতীত। কেননা এইগুলি অবশ্যই অপবিত্র অথবা যাহা অবৈধ, ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গের কারণে।’ তবে কেহ অবাধ্য না হইয়া এবং সীমালংঘন না করিয়া নিরুপায় হইয়া উহা আহার করিলে তোমার প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইয়াহূদীদের জন্য নখরযুক্ত সমস্ত পশু হারাম করিয়াছিলাম এবং গরু ও ছাগলের চর্বিও তাহাদের জন্য হারাম করিয়াছিলাম; তবে এইগুলির পিঠের অথবা অন্ত্রের কিংবা অস্থিসংলগ্ন চর্বি ব্যতীত, তাহাদের অবাধ্যতার দরুন তাহাদেরকে এই প্রতিফল দিয়াছিলাম। নিশ্চয়ই আমি সত্যবাদী।

জহুরুল হক

আর যারা ঈহুদী মত পোষণ করে তাদের জন্য আমরা নিষেধ করেছিলাম প্রত্যেক অবিভক্ত খুর - বিশিষ্ট প্রাণী, আর গরু ও মেষের মধ্যে তাদের জন্য আমরা নিষেধ করেছিলাম উভয়ের চর্বি, তবে যা জড়িত থাকত তাদের পিঠে বা অন্ত্রে, অথবা যা সংযুক্ত থাকত হাড়ের সঙ্গে তা ব্যতীত। এভাবে তাদের আমরা প্রতিফল দিয়েছিলাম তাদের অবাধ্যতার জন্য, আর নিঃসন্দেহ আমরা সত্যপরায়ণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইহুদিদের জন্যে নখরধারী সব পশুই হারাম করে দিয়েছিলাম। গরু এবং ছাগলের চর্বিও তাদের জন্যে হারাম করেছিলাম, তবে পিঠের, অন্ত্রের কিংবা হাড়ের সাথের চর্বি ছাড়া। তাদের অবাধ্যতার কারণে আমরা তাদের এই শাস্তি দিয়েছিলাম। অবশ্যি আমরা সত্যবাদী।

সমকালীন বাংলা

আমি ইয়াহূদীদের জন্য নখরযুক্ত সমস্তপশু হারাম করিয়াছিলাম এবং গরু ও ছাগলের চর্বিও তাহাদের জন্য হারাম করিয়াছিলাম; তবে এইগুলির পিঠের অথবা অন্ত্রের কিংবা অস্থিসংলগ্ন চর্বি ব্যতীত, তাহাদের অবাধ্যতার দরুন তাহাদেরকে এই প্রতিফল দিয়াছিলাম। নিশ্চয়ই আমি সত্যবাদী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যদি তাহারা তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে তবে বল, ‘তোমাদের প্রতিপালক সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হইতে তাঁহার শাস্তি রদ করা হয় না।’

জহুরুল হক

কাজেই তারা যদি তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে তবে বলো - - ''তোমাদের প্রভু সর্বব্যাপী করুণার মালিক, কিন্ত তাঁর শাস্তি প্রতিহত হবে না অপরাধী সম্প্রদায়ের থেকে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপরও যদি তারা তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে, তুমি বলো: তোমাদের প্রভু অসীম দয়ার মালিক এবং অপরাধী লোকদের উপর থেকে তাঁর শাস্তি রদ করা হয়না।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যদি তাহারা তোমাকে প্রত্যাখ্যান করে তবে বল, ‘তোমাদের প্রতিপালক সর্বব্যাপী দয়ার মালিক এবং অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর হইতে তাঁহার শাস্তি রদ করা হয় না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা শির্‌ক করিয়াছে তাহারা বলিবে, ‘ যদি ইচ্ছা করিতেন তবে আমরা ও আমাদের পূর্বপুরুষগণ শির্‌ক করিতাম না এবং কোন কিছুই হারাম করিতাম না।’ এইভাবে তাহাদের পূর্ববর্তীরাও প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল, অবশেষে তাহারা আমার শাস্তি ভোগ করিয়াছিল, বল, ‘তোমাদের নিকট কোন যুক্তি আছে কি? থাকিলে আমার নিকট তাহা পেশ কর; তোমরা শুধু কল্পনারই অনুসরণ কর এবং শুধু মনগড়া কথা বল।’

জহুরুল হক

যারা বহুখোদাবাদী তারা তখন বলবে - - '' যদি ইচ্ছা করতেন তবে আমরা অংশী দাঁড় করতাম না, আর আমাদের পিতৃপুরুষরাও না, আর আমরা কিছুই নিষেধ করতাম না।’’ এইভাবে এদের পূর্বে যারা ছিল তারাও প্রত্যাখ্যান করেছিল, যে পর্যন্ত না তারা আমাদের ক্ষমতা আস্বাদ করেছিল! বলো - - ''তোমাদের কাছে কি কোনো জ্ঞান রয়েছে? থাকলে তা আমাদের নিকট হাজির করো। তোমরা শুধু কল্পনারই অনুসরণ করছো, আর তোমরা তো শুধু আন্দাজে হাতড়াচ্ছ।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

শিরকে লিপ্ত লোকেরা অচিরেই তোমাকে বলবে: ‘ চাইলে আমরা শিরক করতামনা এবং আমাদের পূর্ব পুরুষরাও, আর আমরা কিছু হারামও করতামনা।’ এভাবেই প্রত্যাখ্যান করেছিল তাদের আগের লোকেরাও, অবশেষে তারা ভোগ করেছিল আমার শাস্তি। হে নবী! বলো: ‘তোমাদের কাছে কোনো এলেম আছে কি? থাকলে বের করো আমাদের সামনে। আসলে তোমরা অনুমান ছাড়া আর কিছুরই অনুসরণ করোনা, আর মনগড়া কথা ছাড়া কোনো কথা বলোনা।’

সমকালীন বাংলা

যাহারা শিরক করিয়াছে তাহারা বলিবে, যদি ইচ্ছা করিতেন তবে আমরা ও আমাদের পূর্বপুরুষগণ শিরক করিতাম না এবং কোন কিছুই হারাম করিতাম না।’ এইভাবে তাহাদের পূর্ববর্তীরাও প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল, অবশেষে তাহারা আমার শাস্তি ভোগ করিয়াছিল, বল, ‘তোমাদের নিকট কোন যুক্তি আছে কি? থাকিলে আমার নিকট তাহা পেশ কর; তোমরা শুধু কল্পনারই অনুসরণ কর এবং শুধু মনগড়া কথা বল।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘চূড়ান্ত প্রমাণ তো ‌রই ; তিনি যদি ইচ্ছা করিতেন তবে তোমাদের সকলকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিতেন।’

জহুরুল হক

বলো - - ''তবে চূড়ান্ত যুক্তি - তর্ক ‌রই, কাজেই তিনি যদি ইচ্ছা করতেন তবে তোমাদের সবাইকে তিনি সৎপথে পরিচালিত করতেন।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: চূড়ান্ত প্রমাণের মালিক হলেন । তিনি চাইলে অবশ্যি তোমাদের সবাইকে হিদায়াত করতেন।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘চূড়ান্তপ্রমাণ তো তিনি যদি ইচ্ছা করিতেন তবে তোমাদের সকলকে অবশ্যই সৎপথে পরিচালিত করিতেন।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘ যে ইহা নিষিদ্ধ করিয়াছেন এ সম্বন্ধে যাহারা সাক্ষ্য দিবে তাহাদেরকে হাযির কর।’ তাহারা সাক্ষ্য দিলেও তুমি তাহাদের সঙ্গে ইহা স্বীকার করিও না। যাহারা আমার আয়াতসমূহকে প্রত্যাখ্যান করিয়াছে, যাহারা পরকালে বিশ্বাস করে না এবং তাহাদের প্রতিপালকের সমকক্ষ দাঁড় করায়, তুমি তাহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করিও না।

জহুরুল হক

বলো - - ''হাজির করো তোমাদের সাক্ষীদের যারা সাক্ষ্য দিতে পারে যে এ নিষেধ করেছেন।’’ অতএব যদি তারা সাক্ষ্য দেয় তবে তুমি তাদের সঙ্গে সাক্ষ্য দিতে যেও না, আর তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করো না যারা আমাদের নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করেছে, আর যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আর তারাই তাদের প্রতিপালকের প্রতি সমকক্ষ ঠাওরায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তাদের বলো এগুলো হারাম হবার ব্যাপারে যারা সাক্ষ্য দেবে তোমাদের সেসব সাক্ষীদের হাজির করো।’ তারপর তারা সাক্ষ্য দিলেও তুমি তাদের সাথে স্বীকার করোনা। যারা আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করে, যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখেনা এবং যারা তাদের প্রভুর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে, তুমি তাদের খেয়াল খুশির অনুসরণ করোনা।

সমকালীন বাংলা

বল, যে ইহা নিষিদ্ধ করিয়াছেন এ সম্বন্ধে যাহারা সাক্ষ্য দিবে তাহাদেরকে হাযির কর।’ তাহারা সাক্ষ্য দিলেও তুমি তাহাদের সঙ্গে ইহা স্বীকার করিও না। যাহারা আমার আয়াতসমূহকে প্রত্যাখ্যান করিয়াছে, যাহারা পরকালে বিশ্বাস করে না এবং তাহাদের প্রতিপালকের সমকক্ষ দাঁড় করায়, তুমি তাহাদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করিও না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আস, তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য যাহা হারাম করিয়াছেন তোমাদেরকে তাহা পড়িয়া শুনাই। উহা এই : ‘তোমরা তাঁহার কোন শরীক করিবে না, পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করিবে, দারিদ্র্যের ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করিবে না, আমিই তোমাদের ও তাহাদেরকে রিযিক দিয়া থাকি। প্রকাশ্যে হউক কিংবা গোপনে হউক, অশ্লীল কাজের নিকটেও যাইবে না। যাহার হত্যা নিষিদ্ধ করিয়াছেন যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তোমরা তাহাকে হত্যা করিবে না।’ তোমাদেরকে তিনি এই নির্দেশ দিলেন, যেন তোমরা অনুধাবন কর।

জহুরুল হক

বলো - - ''এসো আমি বাতলে দিই তোমাদের প্রভু তোমাদের জন্য কি নিষেধ করেছেন, - - তোমরা তাঁর সঙ্গে অন্য কিছু শরিক করো না, আর পিতা - মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার, আর তোমাদের সন্তানদের তোমরা হত্যা করো না দারিদ্রের কারণে,’’ - - আমারাই জীবিকা দিই তোমাদের ও তাদেরও, - - ''আর অশ্লিলতার ধারে - কাছেও যেও না তার যা প্রকাশ পায় ও যা গোপন থাকে, আর তেমন কোনো লোককে হত্যা করো না যাকে নিষেধ করেছেন, - - যথাযথ কারণ ব্যতীত। এইসব দিয়ে তিনি তোমাদের আদেশ জারি করেছেন, যেন তোমরা বুঝতে পারো।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘এসো, তোমাদের প্রভু তোমাদের জন্যে যা হারাম করেছেন তা তোমাদের তিলাওয়াত করে শুনাই। সেগুলো হলো: তোমরা তাঁর সাথে কোনো কিছুকেই শরিক করবেনা, পিতা - মাতার প্রতি ইহ্সান করবে, দারিদ্রের ভয়ে তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবেনা, কারণ আমরাই তাদের এবং তোমাদেরও রিযিক দেই, প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে অশ্লীল কাজের কাছেও যেয়োনা। যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন তোমরা তাকে হত্যা করোনা, তবে যথার্থ কারণ ও হক পন্থায় হলে ভিন্ন কথা। তোমাদের এসব অসিয়ত (নির্দেশ) করছেন যাতে করে তোমরা আকল খাটাও।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আস, তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্য যাহা হারাম করিয়াছেন তোমাদেরকে তাহা পড়িয়া শুনাই। উহা এই : ‘তোমরা তাঁহার কোন শরীক করিবে না, পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করিবে, দারিদ্র্যের ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করিবে না, আমিই তোমাদের ও তাহাদেরকে রিযিক দিয়া থাকি। প্রকাশ্যে হউক কিংবা গোপনে হউক, অশ্লীল কাজের নিকটেও যাইবে না। যাহার হত্যা নিষিদ্ধ করিয়াছেন যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তোমরা তাহাকে হত্যা করিবে না।’ তোমাদেরকে তিনি এই নির্দেশ দিলেন, যেন তোমরা অনুধাবন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইয়াতীম বয়ঃপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত উত্তম ব্যবস্থা ব্যতীত তোমরা তাহার সম্পত্তির নিকটবর্তী হইবে না এবং পরিমাণ ও ওজন ন্যায্যভাবে পুরাপুরি দিবে। আমি কাহাকেও তাহার সাধ্যাতীত ভার অর্পণ করি না। যখন তোমরা কথা বলিবে তখন ন্যায্য বলিবে - স্বজনের সম্পর্কে হইলেও এবং ‌কে প্রদত্ত অঙ্গীকার পূর্ণ করিবে। এইভাবে তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন, যেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

জহুরুল হক

''আর এতীমের সম্পত্তির কাছে যেও না যা শ্রেষ্ঠতর সেই উদ্দেশ্য ব্যতীত, যে পর্যন্ত না সে তার সাবালকত্বে পৌঁছে। আর পুরো মাপ ও ওজন দেবে ন্যায্যভাবে।’’ আমরা কোনো লোকের উপরে ভার চাপাই না যা তার ক্ষমতার অতিরিক্ত। ''আর যখন তোমরা কথা বলো তখন ন্যায়নিষ্ঠ হও যদিও তা আপনজনের ব্যাপারে হয়। আর ‌র ওয়াদা সম্পাদন করো। - - এইসব দিয়ে তোমাদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যেন তোমরা মনোনিবেশ করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতিমরা বয়োপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত উত্তম পন্থায় ছাড়া তাদের মাল সম্পদের কাছেও যেয়োনা। পরিমাণ ও ওজন নায্যভাবে পূর্ণ করে দাও। আমরা কোনো ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের বেশি বোঝা চাপাই না। তোমরা যখন কথা বলবে, নায্য কথা বলবে নিকটজনের বিপক্ষে গেলেও। আল্লাহকে দেয়া অংগীকার পূর্ণ করো। এসব অসিয়ত (নির্দেশ) তোমাদের প্রদান করছেন যাতে করে তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।

সমকালীন বাংলা

ইয়াতীম বয়ঃপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত উত্তম ব্যবস্থা ব্যতীত তোমরা তাহার সম্পত্তির নিকটবর্তী হইবে না এবং পরিমাণ ও ওজন ন্যায্যভাবে পুরাপুরি দিবে। আমি কাহাকেও তাহার সাধ্যাতীত ভার অর্পণ করি না। যখন তোমরা কথা বলিবে তখন ন্যায্য বলিবে - স্বজনের সম্পর্কে হইলেও এবং কে প্রদত্ত অঙ্গীকার পূর্ণ করিবে। এইভাবে তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন, যেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং এই পথই আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা ইহারই অনুসরণ করিবে এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করিবে না, করিলে উহা তোমাদেরকে তাঁহার পথ হইতে বিচ্ছিন্ন করিবে। এইভাবে তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন, যেন তোমরা সাবধান হও।

জহুরুল হক

''আর যে এটিই আমার সহজ - সঠিক পথ, কাজেই এরই অনুসরণ করো, এবং অন্যান্য পথ অনুসরণ করো না, কেননা সে - সব তাঁর পথ থেকে তোমাদের বিচ্ছিন্ন করবে।’’ এইসব দ্বারা তিনি তোমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তোমরা ধর্মপরায়ণতা অবলন্বন করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটাই আমার সিরাতুল মুস্তাকিম (সরল সঠিক পথ), সুতরাং তোমরা এরই অনুসরণ করো। তোমরা বিভিন্ন পথের অনুসরণ করোনা, করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে। তোমাদের এসব অসিয়ত (নির্দেশ) প্রদান করছেন যাতে করে তোমরা সতর্ক হও।

সমকালীন বাংলা

এবং এই পথই আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা ইহারই অনুসরণ করিবে এবং বিভিন্ন পথ অনুসরণ করিবে না, করিলে উহা তোমাদেরকে তাঁহার পথ হইতে বিচ্ছিন্ন করিবে। এইভাবে তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন, যেন তোমরা সাবধান হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি মূসাকে দিয়াছিলাম কিতাব যাহা সৎকর্মপরায়ণের জন্য পূর্ণাঙ্গ, যাহা সমস্ত কিছুর বিশদ বিবরণ, পথনির্দেশ এবং দয়াস্বরূপ - যাহাতে তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে বিশ্বাস করে।

জহুরুল হক

পুনরায়, আমরা মূসাকে দিয়েছিলাম গ্রন্থ - - পূর্ণাঙ্গ তারজন্য যে শুভকাজ করে এবং যা হচ্ছে সব - কিছুর বিশদ বিবরণ, আর পথনির্দেশ ও করুণা, - - যেন তারা তাদের প্রভুর সঙ্গে মুলাকাতের সন্বন্ধে বিশ্বাস করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা মূসাকে দিয়েছিলাম কিতাব, যা ছিলো কল্যাণ পরায়ণদের জন্যে পরিপূর্ণ, সবকিছুর বিশদ বিবরণ, হিদায়াত এবং রহমত, যাতে করে তারা তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের প্রতি ঈমান আনে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি মূসাকে দিয়াছিলাম কিতাব যাহা সৎকর্মপরায়ণের জন্য পূর্ণাঙ্গ, যাহা সমস্ত কিছুর বিশদ বিবরণ, পথনির্দেশ এবং দয়াস্বরূপ - যাহাতে তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাৎ সম্বন্ধে বিশ্বাস করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কিতাব আমি নাযিল করিয়াছি যাহা কল্যাণময়। সুতরাং উহার অনুসরণ কর এবং সাবধান হও, তাহা হইলে তোমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হইবে;

জহুরুল হক

আর এ এক গ্রন্থ - - আমরা এটি অবতারণ করেছি কল্যাণময় ক’রে, কাজেই এর অনুসরণ করো ও ভয়ভক্তি করো যেন তোমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হয়, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা মূসাকে দিয়েছিলাম কিতাব, যা ছিলো কল্যাণ পরায়ণদের জন্যে পরিপূর্ণ, সবকিছুর বিশদ বিবরণ, হিদায়াত এবং রহমত, যাতে করে তারা তাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের প্রতি ঈমান আনে।

সমকালীন বাংলা

এই কিতাব আমি নাযিল করিয়াছি যাহা কল্যাণময়। সুতরাং উহার অনুসরণ কর এবং সাবধান হও, তাহা হইলে তোমাদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হইবে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পাছে তোমরা বল, ‘কিতাব তো শুধু আমাদের পূর্বে দুই সম্প্রদায়ের প্রতিই অবতীর্ণ হইয়াছিল ; আমরা তাহাদের পঠন - পাঠন সম্বন্ধে তো গাফিল ছিলাম;’

জহুরুল হক

পাছে তোমরা বলো - - ''আমাদের আগে গ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছিল শুধু দুটি সম্প্রদায়ের কাছে, আর আমরা তাদের পড়াশুনা সন্বন্ধে অজ্ঞাত ছিলাম।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে তোমরা একথা বলতে না পারো যে, কিতাব তো আমাদের আগে দুটি (ইহুদি খৃষ্টান) সম্প্রদায়ের কাছে নাযিল হয়েছিল। আমরা তো তাদের দরস (পাঠ) সম্পর্কে গাফিল ছিলাম!

সমকালীন বাংলা

পাছে তোমরা বল, ‘কিতাব তো শুধু আমাদের পূর্বে দুই সম্প্রদায়ের প্রতিই অবতীর্ণ হইয়াছিল ; আমরা তাহাদের পঠন - পাঠন সম্বন্ধে তো গাফিল ছিলাম;’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিংবা তোমরা বল, ‘যদি কিতাব আমাদের প্রতি অবতীর্ণ হইত তবে আমরা তো তাহাদের অপেক্ষা অধিক হিদায়াতপ্রাপ্ত হইতাম।’ এখন তো তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হইতে স্পষ্ট প্রমাণ, হিদায়াত ও রহমত আসিয়াছে। অতঃপর যে কেহ ‌র নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করিবে এবং উহা হইতে মুখ ফিরাইয়া নিবে তাহার চেয়ে বড় আর কে ? যাহারা আমার নিদর্শনসমূহ হইতে মুখ ফিরাইয়া নেয় সত্যবিমুখিতার জন্য, আমি তাহাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তি দিব।

জহুরুল হক

অথবা পাছে তোমরা বলো - - ''যদি আমাদের কাছে গ্রন্থ অবতীর্ণ হতো তবে আমরা তাদের চাইতে ভালোভাবে সুপথগামী হতাম।’’ এখন তো তোমাদের কাছে তোমাদের প্রভুর কাছ থেকে এসেছে স্পষ্ট প্রমাণ এবং পথনির্দেশ ও কুরুণা। অতএব তার চাইতে কে বেশি অন্যায়কারী যে ‌র নির্দেশসমূহ প্রত্যাখ্যান করে আর সে - সব থেকে ফিরে যায়? যারা আমাদের নির্দেশাবলী থেকে ফিরে যায় তাদের আমরা অচিরেই প্রতিফল দেবো নিকৃষ্ট শাস্তি দিয়ে, যেহেতু তারা ফিরে যেতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথবা একথাও যেনো বলতে না পারো যে, যদি আমাদের কাছে কিতাব নাযিল করা হতো তাহলে আমরা তাদের চাইতে বেশি হিদায়াতপ্রাপ্ত হতাম। এখন তো তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে এসে গেছে সুষ্পষ্ট প্রমাণ, হিদায়াত এবং রহমত। সুতরাং ঐ ব্যক্তির চাইতে বড় যালিম আর কে হবে, যে আল্লাহর আয়াত প্রত্যাখ্যান করবে এবং তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। যারা আমার আয়াত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে তাদের এই মুখ ফিরিয়ে নেয়ার জন্যে অচিরেই আমরা তাদের নিকৃষ্ট আযাব প্রদান করবো।

সমকালীন বাংলা

কিংবা তোমরা বল, ‘যদি কিতাব আমাদের প্রতি অবতীর্ণ হইত তবে আমরা তো তাহাদের অপেক্ষা অধিক হিদায়াতপ্রাপ্ত হইতাম।’ এখন তো তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হইতে স্পষ্ট প্রমাণ, হিদায়াত ও রহমত আসিয়াছে। অতঃপর যে কেহ আল্লাহর নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করিবে এবং উহা হইতে মুখ ফিরাইয়া নিবে তাহার চেয়ে বড় আর কে? যাহারা আমার নিদর্শনসমূহ হইতে মুখ ফিরাইয়া নেয় সত্যবিমুখিতার জন্য, আমি তাহাদেরকে নিকৃষ্ট শাস্তি দিব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা শুধু ইহারই না প্রতীক্ষা করে, তাহাদের নিকট ফিরিশতা আসিবে, কিংবা তোমার প্রতিপালক আসিবেন, কিংবা তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসিবে ? যেদিন তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসিবে সেদিন তাহার ঈমান কাজে আসিবে না, যে ব্যক্তি পূর্বে ঈমান আনে নাই কিংবা যে ব্যক্তি ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করে নাই। বল, ‘তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমরাও প্রতীক্ষায় রহিলাম।’

জহুরুল হক

তারা কি প্রতীক্ষা করছে পাছে ফিরিশ্‌তারা তাদের কাছে আসুক, অথবা তোমার প্রভু আসুন, অথবা তোমার প্রভুর কোনো কোনো নিদর্শন আসুক, তখন কোনো লোকেরই তার ঈমানে কোনো ফায়দা হবে না যে এর আগে বিশ্বাস স্থাপন করে নি, কিংবা যে তার ঈমানের দ্বারা কোনো কল্যাণ অর্জন করে নি। বলো - - ''তোমরা অপেক্ষা করো, আমরাও প্রতীক্ষাকারী।”

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তো শুধু এ জন্যেই অপেক্ষা করছে যেনো তাদের কাছে ফেরেশতা আসে, অথবা স্বয়ং তোমার প্রভু আসেন, অথবা তোমার প্রভুর কোনো নিদর্শন আসে। শুনো, যেদিন তোমার প্রভুর নিদর্শন আসবে সেদিন ঐ ব্যক্তি ঈমান আনলে তাতে তার কোনো ফায়দা হবেনা, যে ব্যক্তি আগে ঈমান আনেনি; কিংবা যে ব্যক্তি ঈমানের ভিত্তিতে কল্যাণ অর্জন করেনি। বলো: ‘তোমরা অপেক্ষা করো। আমরাও অপেক্ষায় থাকলাম।’

সমকালীন বাংলা

তাহারা শুধু ইহারই না প্রতীক্ষা করে, তাহাদের নিকট ফিরিশ্তা আসিবে, কিংবা তোমার প্রতিপালক আসিবেন, কিংবা তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসিবে? যেদিন তোমার প্রতিপালকের কোন নিদর্শন আসিবে সেদিন তাহার ঈমান কাজে আসিবে না, যে ব্যক্তি পূর্বে ঈমান আনে নাই কিংবা যে ব্যক্তি ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করে নাই। বল, ‘তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমরাও প্রতীক্ষায় রহিলাম।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা দীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে তাহাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়; তাহাদের বিষয় ‌র ইখ্‌তিয়ারভুক্ত। তাহাদেরকে তাহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবহিত করিবেন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা তাদের ধর্মকে বিভক্ত করেছে এবং বিভিন্ন দল হয়ে গেছে, তাদের জন্য তোমার কোনো দায়দায়িত্ব নেই। নিঃসন্দেহ তাদের ব্যাপার ‌র কাছে, তিনিই এরপরে তাদের জানাবেন যা তারা করে চলতো।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা তাদের দীনকে নানা মতে বিভক্ত করেছে এবং তারাও বিভিন্ন দল উপদলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের কোনো দায় দায়িত্ব তোমার নেই। তাদের বিষয়ে ফায়সালার দায়িত্ব আল্লাহর, তিনিই তাদের কর্মকান্ড সম্পর্কে তাদের অবহিত করবেন।

সমকালীন বাংলা

যাহারা দীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে তাহাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়; তাহাদের বিষয় আল্লাহর ইখ্তিয়ারভুক্ত। তাহাদেরকে তাহাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে অবহিত করিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেহ কোন সৎকাজ করিলে সে তাহার দশগুণ পাইবে এবং কেহ কোন অসৎ কাজ করিলে তাহাকে শুধু উহারই প্রতিফল দেওয়া হইবে, আর তাহাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।

জহুরুল হক

যে কেউ একটি ভালো কাজ নিয়ে আসে, তার জন্য তবে রয়েছে দশটি তার অনুরূপ, আর যে কেউ একটি মন্দ কাজ নিয়ে আসে, তাকে তবে প্রতিদান দেয়া হয় না তার অনুরূপ ব্যতীত, আর তাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে কেউ একটি কল্যাণকর কাজ করবে, সে তার দশগুণ পাবে, আর যে কেউ একটি পাপ কাজ করবে, তাকে কেবল সেটারই প্রতিফল দেয়া হবে এবং তাদের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা।’

সমকালীন বাংলা

কেহ কোন সৎকাজ করিলে সে তাহার দশগুণ পাইবে এবং কেহ কোন অসৎ কাজ করিলে তাহাকে শুধু উহারই প্রতিফল দেওয়া হইবে, আর তাহাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার প্রতিপালক তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন। উহাই সুপ্রতিষ্ঠিত দীন, ইব্‌রাহীমের ধর্মাদর্শ, সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।’

জহুরুল হক

বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমার প্রভু আমাকে পরিচালনা করেছেন সহজ - সঠিক পথের দিকে - - এক সুষ্ঠাঙ্গ ধর্মে - - একনিষ্ঠ ইব্রাহীমের ধর্মমতে, আর তিনি বহুখোদাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘আমার প্রভু আমাকে সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন। সেটাই প্রতিষ্ঠিত দীন। সেটা ইবরাহিমের মিল্লাত (আদর্শ)।’ ইবরাহিম ছিলো নিষ্ঠাবান। সে মুশরিকদের অন্তরভুক্ত ছিলনা।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমার প্রতিপালক তো আমাকে সৎপথে পরিচালিত করিয়াছেন। উহাই সুপ্রতিষ্ঠিত দীন, ইব্রাহীমের ধর্মাদর্শ, সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার , আমার ‘ইবাদত, আমার জীবন ও আমার মরণ জগতসমূহের প্রতিপালক ‌রই উদ্দেশ্যে।

জহুরুল হক

বলো - - ''নিঃসন্দেহ আমার ও আমার কুরবানি, আর আমার জীবন ও আমার মরণ - - ‌র জন্য যিনি সমস্ত বিশ্বজগতের প্রভু।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমার , আমার কুরবানি, আমার জীবন এবং আমার মৃত্যু রাববুল আলামিনের জন্যে।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমার , আমার ‘ইবাদত, আমার জীবন ও আমার মরণ জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই উদ্দেশ্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তাঁহার কোন শরীক নাই এবং আমি ইহারই জন্য আদিষ্ট হইয়াছি এবং আমিই প্রথম মুসলিম।

জহুরুল হক

''কোনো শরিক নেই তাঁর, আর এভাবেই আমি আদিষ্ট হয়েছি, আর আমি থাকবো আ‌ত্মসমর্পণকারীদের একেবারে পুরোভাগে।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর কোনো শরিক নেই। এরই নির্দেশ আমাকে দেয়া হয়েছে এবং আমিই প্রথম মুসলিম।’

সমকালীন বাংলা

‘তাঁহার কোন শরীক নাই এবং আমি ইহারই জন্য আদিষ্ট হইয়াছি এবং আমিই প্রথম মুসলিম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি কি ‌কে ছাড়িয়া অন্য প্রতিপালককে খুঁজিব ? অথচ তিনিই সব কিছুর প্রতিপালক।’ প্রত্যেকে স্বীয় কৃতকর্মের জন্য দায়ী এবং কেহ অন্য কাহারও ভার গ্রহণ করিবে না। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন তোমাদের প্রতিপালকের নিকটেই, তৎপর যে বিষয়ে তোমরা মতভেদ করিতে তাহা তিনি তোমাদেরকে অবহিত করিবেন।

জহুরুল হক

বলো - - ''কী! আমি কি ছাড়া অন্য প্রভু খুজঁবো, অথচ তিনিই সব - কিছুর রব্ব?’’ আর প্রত্যেক সত্তা অর্জন করে না তার জন্যে ছাড়া, আর কোনো ভারবাহক অন্যের ভার বহন করবে না। তারপর তোমাদের প্রভুর কাছেই তোমাদের প্রত্যাবর্তন, তখন তিনি তোমাদের জানিয়ে দেবেন যে - বিষয়ে তোমরা মতভেদ ক’রে চলছিলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি কি আল্লাহকে ছাড়া অন্য কোনো রব খুঁজবো? অথচ তিনিই তো সব কিছুর রব।’ প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ নিজ কৃতকর্মের জন্যে দায়ী। কেউই অপর কারো বোঝা বহন করবেনা। অতপর তোমাদের প্রভুর কাছেই ফিরে যেতে হবে তোমাদের সবাইকে। তখন তিনি তোমাদের অবহিত করবেন যেসব বিষয়ে তোমরা মতভেদ করছিলে।

সমকালীন বাংলা

বল, ‘আমি কি আল্লাহর ছাড়িয়া অন্য প্রতিপালককে খুঁজিব? অথচ তিনিই সব কিছুর প্রতিপালক।’ প্রত্যেকে স্বীয় কৃতকর্মের জন্য দায়ী এবং কেহ অন্য কাহারও ভার গ্রহণ করিবে না। অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন তোমাদের প্রতিপালকের নিকটেই, তৎপর যে বিষয়ে তোমরা মতভেদ করিতে তাহা তিনি তোমাদেরকে অবহিত করিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তোমাদেরকে দুনিয়ার প্রতিনিধি করিয়াছেন এবং যাহা তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন সে সম্বন্ধে পরীক্ষার উদ্দেশ্যে তোমাদের কতককে কতকের উপর মর্যাদায় উন্নীত করিয়াছেন। তোমার প্রতি - পালক তো শাস্তি প্রদানে দ্রুত আর তিনি অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়াময়।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেইজন যিনি তোমাদের পৃথিবীর প্রতিনিধি বানিয়েছেন, আর তোমাদের কাউকে অন্যদের উপরে মর্যাদায় উন্নত করেছেন, যেন তিনি তোমাদের নিয়মানুবর্তী করতে পারেন যা তিনি তোমাদের দিয়েছেন তার দ্বারা। নিঃসন্দেহ তিনি পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদেরকে এই পৃথিবীর প্রতিনিধি বানিয়েছেন এবং তিনি তোমাদের যা দিয়েছেন সে বিষয়ে পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে তোমাদের কতক লোককে অপর কতক লোকের উপর উচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। তোমার প্রভু শাস্তিদানে দ্রুত, আবার তিনি অবশ্যি ক্ষমাশীল দয়াময়ও।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তোমাদেরকে দুনিয়ার প্রতিনিধি করিয়াছেন এবং যাহা তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন সে সম্বন্ধে পরীক্ষার উদ্দেশ্যে তোমাদের কতককে কতকের উপর মর্যাদায় উন্নীত করিয়াছেন। তোমার প্রতি - পালক তো শাস্তি প্রদানে দ্রুত আর তিনি অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়াময়।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme