Kitab

আল হাক্বক্বাহ

Chapter 69, 52 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা,

জহুরুল হক

নিশ্চিত - সত্য!

মুহিউদ্দীন খান

সুনিশ্চিত বিষয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কী সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা?

জহুরুল হক

কি সেই নিশ্চিত - সত্য?

মুহিউদ্দীন খান

সুনিশ্চিত বিষয় কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তুমি কি জান সেই অবশ্যম্ভাবী ঘটনা কী?

জহুরুল হক

আহা, কি দিয়ে তোমাকে বোঝানো যাবে নিশ্চিত - সত্যটা কি?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি কিছু জানেন, সেই সুনিশ্চিত বিষয় কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আদ ও সামূদ সম্প্রদায় অস্বীকার করিয়াছিল মহাপ্রলয়।

জহুরুল হক

ছামূদ ও 'আদগোষ্ঠী আঘাতকারী প্রলয়কে অস্বীকার করেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আদ ও সামুদ গোত্র মহাপ্রলয়কে মিথ্যা বলেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সামূদ সম্প্রদায়, উহাদেরকে ধ্বংস করা হইয়াছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা।

জহুরুল হক

তারপর ছামূদগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে - - তাদের তখন ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সমুদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দ্বারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ‘আদ সম্প্রদায়, উহাদেরকে ধ্বংস করা হইয়াছিল এক প্রচণ্ড ঝঞ্ঝাবায়ু দ্বারা,

জহুরুল হক

আর 'আদগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে - - তাদের তখন ধ্বংস করা হয়েছিল এক গর্জনকারী প্রচন্ড ঝড়ের দ্বারা - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং আদ গোত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝঞ্জাবায়ূ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা তিনি উহাদের উপর প্রবাহিত করিয়াছিলেন সপ্তরাত্রি ও অষ্টদিবস বিরামহীনভাবে; তখন তুমি উক্ত সম্প্রদায়কে দেখিতে - উহারা সেখানে লুটাইয়া পড়িয়া আছে সারশূন্য খর্জুর কাণ্ডের ন্যায়।

জহুরুল হক

যাকে তিনি তাদের উপরে প্রবাহিত করেছিলেন সাত রাত ও আট দিনব্যাপী, অবিরতভাবে, ফলে তুমি সেই লোকদলকে দেখতে পেতে সেখানে লুটিয়ে পড়ে আছে, যেন তারা খেজুর গাছের ফাঁপা গুড়ি।

মুহিউদ্দীন খান

যা তিনি প্রবাহিত করেছিলেন তাদের উপর সাত রাত্রি ও আট দিবস পর্যন্ত অবিরাম। আপনি তাদেরকে দেখতেন যে, তারা অসার খর্জুর কান্ডের ন্যায় ভূপাতিত হয়ে রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাদের কাহাকেও তুমি বিদ্যমান দেখিতে পাও কি?

জহুরুল হক

তারপর তুমি তাদের অবশিষ্ট কিছু দেখতে পাও কি?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদের কোন অস্তিত্ব দেখতে পান কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন, তাহার পূর্ববর্তীরা এবং উল্টাইয়া দেওয়া জনপদ পাপাচারে লিপ্ত ছিল।

জহুরুল হক

আর ফিরআউন আর যারা তার পূর্ববর্তী ছিল, আর বিধবস্ত শহরগুলো পাপাচার নিয়ে এসেছিল,

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউন, তাঁর পূর্ববর্তীরা এবং উল্টে যাওয়া বস্তিবাসীরা গুরুতর পাপ করেছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা উহাদের প্রতিপালকের রাসূলকে অমান্য করিয়াছিল, ফলে তিনি উহাদেরকে শাস্তি দিলেন - কঠোর শাস্তি।

জহুরুল হক

যেহেতু তাদের প্রভুর রসূলকে তারা অমান্য করেছিল, সেজন্য তিনি তাদের পাকড়াও করেছিলেন এক সুকঠিন পাকড়ানোতে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাদের পালনকর্তার রসূলকে অমান্য করেছিল। ফলে তিনি তাদেরকে কঠোরহস্তে পাকড়াও করলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন জলোচ্ছ্বাস হইয়াছিল তখন আমি তোমাদের - কে আরোহণ করাইয়াছিলাম নৌযানে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যখন পানি ফেঁপে উঠেছিল, তখন আমরা তোমাদের বহন করেলিাম জাহাজের মধ্যে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহা করিয়াছিলাম তোমাদের শিক্ষার জন্য এবং এইজন্য যে, শ্রুতিধর কর্ণ ইহা সংরক্ষণ করে।

জহুরুল হক

যেন আমরা এটিকে তোমাদের জন্য বানাতে পারি স্মরণীয় বিষয়, এবং শ্রুতিধর কান যেন এটি মনে রাখতে পারে।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে এ ঘটনা তোমাদের জন্যে স্মৃতির বিষয় এবং কান এটাকে উপদেশ গ্রহণের উপযোগী রূপে গ্রহণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হইবে - একটি মাত্র ফুৎকার,

জহুরুল হক

সুতরাং যখন শিঙায় ফুৎকার দেওয়া হবে - - একটি মাত্র ফুৎকার, - -

মুহিউদ্দীন খান

যখন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে - একটি মাত্র ফুৎকার

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পর্বতমালাসমেত পৃথিবী উৎক্ষিপ্ত হইবে এবং মাত্র এক ধাক্কায় উহারা চূর্ণ - বিচূর্ণ হইয়া যাইবে।

জহুরুল হক

এবং পৃথিবী ও পাহাড় - পর্বত উত্তোলন করা হবে, আর একটিমাত্র ধাক্কায় তাদের চূর্ণবিচূর্ণ করা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পৃথিবী ও পর্বতমালা উত্তোলিত হবে ও চুর্ণ - বিচুর্ণ করে দেয়া হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন সংঘটিত হইবে মহাপ্রলয়,

জহুরুল হক

অতএব সেইদিন মহাঘটনা সংঘটিত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন কেয়ামত সংঘটিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আকাশ বিদীর্ণ হইয়া যাইবে আর সেই দিন উহা বিক্ষিপ্ত হইয়া পড়িবে।

জহুরুল হক

আর আকাশ বিদীর্ণ হবে, ফলে সেইদিন তা হবে ভঙ্গুর;

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকিবে এবং সেই দিন আটজন ফিরিশ্‌তা তোমার প্রতিপালকের আরশকে ধারণ করিবে তাহাদের ঊর্ধ্বে।

জহুরুল হক

আর ফিরিশ্‌তারা এর প্রান্তগুলোয় রইবে। আর তাদের উপরে সেইদিন তোমার প্রভুর আরশ বহন করবে আটজন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন উপস্থিত করা হইবে তোমাদেরকে এবং তোমাদের কিছুই গোপন থাকিবে না।

জহুরুল হক

সেইদিন তোমাদের অনাবৃত করা হবে, - - কোনো গোপন বিষয় তোমাদের থেকে গোপন থাকবে না।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন যাহাকে তাহার ‘আমলনামা তাহার দক্ষিণ হস্তে দেওয়া হইবে, সে বলিবে, ‘লও, আমার ‘আমলনামা, পড়িয়া দেখ ;

জহুরুল হক

তারপর যাকে তার বই তার ডান হাতে দেয়া হবে সে তখন বলবে - - ''নাও, আমার এই বই পড়ে দেখো!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ নাও, তোমরাও আমলনামা পড়ে দেখ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘নিশ্চয়ই আমি জানিতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হইতে হইবে।’

জহুরুল হক

''আমি নিশ্চয়ই জানতাম যে আমি আলবৎ আমার এই হিসাবের সম্মুখীন হতে যাচ্ছি।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমি জানতাম যে, আমাকে হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং সে যাপন করিবে সন্তোষজনক জীবন;

জহুরুল হক

সুতরাং সে থাকবে এক পূর্ণ - সন্তোষজনক জীবনযাপনে - -

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে সুখী জীবন - যাপন করবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুউচ্চ জান্নাতে

জহুরুল হক

এক উঁচু পর্যায়ের জান্নাতে,

মুহিউদ্দীন খান

সুউচ্চ জান্নাতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহার ফলরাশি অবনমিত থাকিবে নাগালের মধ্যে।

জহুরুল হক

যার ফলের থোকাগুলো নাগালের মধ্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তার ফলসমূহ অবনমিত থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদেরকে বলা হইবে, ‘পানাহার কর তৃপ্তির সঙ্গে, তোমরা অতীত দিনে যাহা করিয়াছিলে তাহার বিনিময়ে।’

জহুরুল হক

''খাও আর পান করো তৃপ্তির সঙ্গে সেইজন্য যা তোমরা আগেকার দিনগুলোয় সম্পাদন করেছিলে।’’

মুহিউদ্দীন খান

বিগত দিনে তোমরা যা প্রেরণ করেছিলে, তার প্রতিদানে তোমরা খাও এবং পান কর তৃপ্তি সহকারে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু যাহার ‘আমলনামা তাহার বাম হস্তে দেওয়া হইবে, সে বলিবে, ‘হায়! আমাকে যদি দেওয়াই না হইত আমার ‘আমলনামা,

জহুরুল হক

আর তার ক্ষেত্রে যাকে তার বই তার বাম হাতে দেওয়া হবে সে তখন বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমার এই বই যদি আমায় কখনো দেখানো না হতো, - -

মুহিউদ্দীন খান

যার আমলনামা তার বাম হাতে দেয়া হবে, সে বলবেঃ হায় আমায় যদি আমার আমল নামা না দেয়া হতো।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমি যদি না জানিতাম আমার হিসাব !

জহুরুল হক

''আর আমি যদি কখনো জানতাম না আমার এই হিসাবটি কী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি যদি না জানতাম আমার হিসাব!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত।

জহুরুল হক

''হায় আফসোস! এইটাই যদি আমার শেষ হতো!

মুহিউদ্দীন খান

হায়, আমার মৃত্যুই যদি শেষ হত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার ধন - সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।

জহুরুল হক

''আমার ধনসম্পদ আমার কোনো কাজে এল না;

মুহিউদ্দীন খান

আমার ধন - সম্পদ আমার কোন উপকারে আসল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।’

জহুরুল হক

''আমার কর্তৃত্ব আমার থেকে বিনাশ হয়ে গেছে।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমার ক্ষমতাও বরবাদ হয়ে গেল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তাদেরকে বলা হইবে, ‘ধর উহাকে, উহার গলদেশে বেড়ি পরাইয়া দাও।

জহুরুল হক

''তাকে ধরো এবং তাকে বাঁধো,

মুহিউদ্দীন খান

ফেরেশতাদেরকে বলা হবেঃ ধর একে গলায় বেড়ি পড়িয়ে দাও,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর উহাকে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।

জহুরুল হক

''তারপর জ্বলন্ত আগুনে তাকে নিক্ষেপ করো,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘পুনরায় তাহাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর হস্ত দীর্ঘ এক শৃঙ্খলে’,

জহুরুল হক

''তারপর তাকে এক শিকলে আবদ্ধ করো যার দৈঘ্য হচ্ছে সত্তর হাত।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে শৃঙ্খলিত কর সত্তর গজ দীর্ঘ এক শিকলে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে তো মহান ‌র প্রতি ছিল না।

জহুরুল হক

''নিশ্চয় সে বিশ্বাস করত না মহান ‌তে,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় সে মহান আল্লাহতে ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করিত না,

জহুরুল হক

''আর সে উৎসাহ দেখাত না গরীবদের খাবার দিতে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং মিসকীনকে আহার্য দিতে উৎসাহিত করত না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব এই দিন সেখানে তাহার কোন সুহৃদ থাকিবে না,

জহুরুল হক

''সেজন্য আজ তার জন্যে এখানে কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু থাকবে না,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আজকের দিন এখানে তার কোন সুহূদ নাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং কোন খাদ্য থাকিবে না ক্ষতনিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত,

জহুরুল হক

''আর কোনো খাদ্য থাকবে না ক্ষতনিঃসৃত পুজঁ ব্যতীত - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং কোন খাদ্য নাই, ক্ষত - নিঃসৃত পুঁজ ব্যতীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা অপরাধী ব্যতীত কেহ খাইবে না।

জহুরুল হক

''যা পাপীরা ব্যতীত আর কেউ খায় না।’’

মুহিউদ্দীন খান

গোনাহগার ব্যতীত কেউ এটা খাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি কসম করিতেছি উহার, যাহা তোমরা দেখিতে পাও,

জহুরুল হক

কিন্ত না, আমি কসম খাচ্ছি যা তোমরা দেখছ তার,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যা দেখ, আমি তার শপথ করছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহা তোমরা দেখিতে পাও না ;

জহুরুল হক

এবং যা তোমরা দেখছ না তারও, - -

মুহিউদ্দীন খান

এবং যা তোমরা দেখ না, তার -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই এই কুরআন এক সম্মানিত রাসূলের বহনকৃত বার্তা।

জহুরুল হক

যে এটি এক সম্মানিত রসূলের বাণী,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই এই কোরআন একজন সম্মানিত রসূলের আনীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কোন কবির রচনা নয়; তোমরা অল্পই বিশ্বাস কর,

জহুরুল হক

আর এ কোনো কবির আলাপন নয়; সামান্যই তো যা তোমরা বিশ্বাস কর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং এটা কোন কবির কালাম নয়; তোমরা কমই বিশ্বাস কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কোন গণকের কথাও নয়, তোমরা অল্পই অনুধাবন কর।

জহুরুল হক

আর কোনো গনৎকারের বাক্‌চাতুরীও নয়, যৎসামান্য যা তোমরা চিন্তা কর!

মুহিউদ্দীন খান

এবং এটা কোন অতীন্দ্রিয়বাদীর কথা নয়; তোমরা কমই অনুধাবন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।

জহুরুল হক

এ হচ্ছে এক অবতারণ বিশ্বজগতের প্রভুর কাছ থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা বিশ্বপালনকর্তার কাছ থেকে অবতীর্ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করিয়া চালাইতে চেষ্টা করিত,

জহুরুল হক

আর তিনি যদি আমাদের নামে কোনো বাণী রচনা করতে চাইতেন, - -

মুহিউদ্দীন খান

সে যদি আমার নামে কোন কথা রচনা করত,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অবশ্যই তাহার দক্ষিণ হস্ত ধরিয়া ফেলিতাম,

জহুরুল হক

তাহলে আমরা নিশ্চয়ই তাকে ডানহাতে পাকড়াও করতাম,

মুহিউদ্দীন খান

তবে আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে ফেলতাম,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং কাটিয়া দিতাম তাহার জীবন - ধমনী,

জহুরুল হক

তারপর নিশ্চয়ই তার কন্ঠশিরা কেটে ফেলতাম,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর কেটে দিতাম তার গ্রীবা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেহই নাই, যে তাহাকে রক্ষা করিতে পারে।

জহুরুল হক

তখন তোমাদের মধ্যের কেউই ওর থেকে নিবৃত্ত করতে পারতে না।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই কুরআন মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই এক উপদেশ।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই এইটি ধর্মভীরুদের জন্য এক স্মারক - গ্রন্থ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা খোদাভীরুদের জন্যে অবশ্যই একটি উপদেশ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে মিথ্যা আরোপকারী রহিয়াছে।

জহুরুল হক

আর নিশ্চয়ই আমরা তো জানি যে তোমাদের মধ্যে সত্যপ্রত্যাখ্যানকারী রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি জানি যে, তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ মিথ্যারোপ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং এই কুরআন নিশ্চয়ই কাফিরদের অনুশোচনার কারণ হইবে,

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি অবিশ্বাসীদের জন্য বড় অনুতাপের বিষয়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা কাফেরদের জন্যে অনুতাপের কারণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহা নিশ্চিত সত্য।

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি তো সুনিশ্চিত সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা নিশ্চিত সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

জহুরুল হক

অতএব তোমার মহামহিমান্নিত প্রভুর নামের জপতপ করো।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ননা করুন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme