You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল জুম্মাহ
Chapter 62, 11 verses
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে র, যিনি অধিপতি, মহাপবিত্র, পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
জহুরুল হক
মহাকাশমন্ডলে যা - কিছু আছে ও যে কেউ আছে পৃথিবীতে তারা র মহিমা জপতপ করে, - - যিনি মহারাজাধিরাজ, পরম পবিত্র, মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।
সমকালীন বাংলা
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; আকাশসমূহে এবং পৃথিবীতে যা আছে, সবকিছুই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে—যিনি সর্বময় অধিপতি, পবিত্র, মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসূল পাঠাইয়াছেন তাহাদের মধ্য হইতে, যে তাহাদের নিকট আবৃত্তি করে তাঁহার আয়াতসমূহ ; তাহাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিক্মত ; ইতিপূর্বে তো উহারা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে ;
জহুরুল হক
তিনিই সেইজন যিনি নিরক্ষরদের মধ্যে, তাদেরই মধ্যে থেকে, একজন রসূল দাঁড় করিয়েছেন, তিনি তাদের কাছে পাঠ করছেন তাঁর নির্দেশাবলী, আর তিনি তাদের পবিত্র করেছেন, আর তিনি তাদের শিক্ষা দিয়েছেন ধর্মগ্রন্থ ও জ্ঞানবিজ্ঞান, যদিও এর আগে তারা তো ছিল স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে, - -
সমকালীন বাংলা
তিনিই যিনি তাদের নিরক্ষরদের মধ্যে থেকে তাদেরই একজন রাসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও প্রজ্ঞা শিক্ষা দেন। যদিও এর আগে তারা স্পষ্ট বিভ্রান্তির মধ্যে ছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তাহাদের অন্যান্যের জন্যও যাহারা এখনও তাহাদের সঙ্গে মিলিত হয় নাই। পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
জহুরুল হক
আর তাদের মধ্যে থেকে অন্যান্যদের যারা এখনও তাদের সঙ্গে যোগ দেয় নি। আর তিনি মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী।
সমকালীন বাংলা
এবং তাদের মধ্য থেকে অন্যদের জন্যও, যারা এখনো তাদের সঙ্গে যোগ দেয়নি। আর তিনি মহাশক্তিশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা রই অনুগ্রহ, যাহাকে ইচ্ছা তিনি ইহা দান করেন। তো মহা অনুগ্রহশীল।
জহুরুল হক
এইটিই র অনুগ্রহ - প্রাচুর্য, - - এটি তিনি দান করেন যাকে তিনি ইচ্ছা করেন। আর বিরাট করুণাভান্ডারের অধিকারী।
সমকালীন বাংলা
এটি আল্লাহর অনুগ্রহ; তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন। আর মহাঅনুগ্রহের অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহাদেরকে তাওরাতের দায়িত্বভার অর্পণ করা হইয়াছিল, কিন্তু তাহারা উহা বহন করে নাই, তাহাদের দৃষ্টান্ত পুস্তক বহনকারী গর্দভ! কত নিকৃষ্ট সে সম্প্রদায়ের দৃষ্টান্ত যাহারা র আয়াতসমূহ অস্বীকার করে! সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
জহুরুল হক
যাদের তওরাতের ভার দেওয়া হয়েছিল, তারপর তারা তা অনুসরণ করে নি, তাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে গাধার মতো, যে গ্রন্থরাজির বোঝা বইছে। কত নিকৃষ্ট সে - জাতির দৃষ্টান্ত যারা র নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করে। আর অন্যায়াচারী জাতিকে সৎপথে চালান না।
সমকালীন বাংলা
যাদের তাওরাতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারপর তারা তা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত সেই গাধার মতো, যে বই বহন করে। কতই না নিকৃষ্ট সেই জাতির দৃষ্টান্ত, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলে। আর যালিম জাতিকে পথনির্দেশ করেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘হে ইয়াহূদীরা! যদি তোমরা মনে কর তোমরাই র বন্ধু, অন্য কোন মানবগোষ্ঠী নহে ; তবে তোমরা মৃত্যু কামনা কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’
জহুরুল হক
বলো - - ''ওহে যারা ইহুদী মত পোষণ কর! যদি তোমরা মনে কর যে লোকজনকে বাদ দিয়ে তোমরাই র বন্ধুবান্ধব, তাহলে তোমরা মৃত্যু কামনা করো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’
সমকালীন বাংলা
বলো, “হে যারা ইহুদী হয়েছো, যদি তোমরা দাবি করো যে অন্য মানুষদের বাদ দিয়ে শুধু তোমরাই আল্লাহর বন্ধু, তবে যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তাহলে মৃত্যুকামনা করো।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু উহারা উহাদের হস্ত দ্বারা যাহা অগ্রে প্রেরণ করিয়াছে উহার কারণে কখনও মৃত্যু কামনা করিবে না। জালিমদের সম্পর্কে সম্যক অবগত।
জহুরুল হক
কিন্ত তাদের নিজেদের হাত যা আগবাড়িয়েছে সেজন্য তারা কখনো তা কামনা করবে না। আর অন্যায়াচারীদের সন্বন্ধে সম্যক জ্ঞাতা।
সমকালীন বাংলা
কিন্তু তারা কখনোই তা কামনা করবে না; তাদের হাত আগে যা পাঠিয়েছে, তার কারণে। আর যালিমদের সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বল, ‘তোমরা যে মৃত্যু হইতে পলায়ন কর সেই মৃত্যু তোমাদের সঙ্গে অবশ্যই সাক্ষাৎ করিবে। অতঃপর তোমরা প্রত্যানীত হইবে ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা র নিকট এবং তিনি তোমাদেরকে জানাইয়া দিবেন যাহা তোমরা করিতে।’
জহুরুল হক
বলো - - ''আলবৎ মৃত্যু, যা থেকে তোমরা পালাতে চাও, তা কিন্ত তোমাদের সাক্ষাৎ করবেই, তারপর তোমাদের পাঠানো হবে অদৃশ্যের ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতার কাছে, তখন তিনি তোমাদের জানিয়ে দেবেন কি তোমরা করতে।’’
সমকালীন বাংলা
বলো, “যে মৃত্যু থেকে তোমরা পালিয়ে বেড়াও, নিশ্চয়ই তা তোমাদের সম্মুখীন হবে। তারপর তোমাদেরকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে ও দৃশ্যমানের জ্ঞানীর কাছে; তখন তিনি তোমাদেরকে জানিয়ে দেবেন, যা তোমরা করতে।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! জুমু‘আর দিনে যখন সালাতের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা র স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয় - বিক্রয় ত্যাগ কর, ইহাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর।
জহুরুল হক
ওহে যারা ঈমান এনেছ! যখন জুমু'আর দিনে নামাযের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা র স্মরণে তাড়াতাড়ি করবে ও বেচা - কেনা বন্ধ রাখবে। এইটিই হচ্ছে তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে।
সমকালীন বাংলা
হে যারা ঈমান এনেছো, শুক্রবার দিনে সালাতের জন্য আহ্বান করা হলে, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও। এটি তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সমাপ্ত হইলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়াইয়া পড়িবে এবং র অনুগ্রহ সন্ধান করিবে ও কে অধিক স্বরণ করিবে, যাহাতে তোমরা হও।
জহুরুল হক
তারপর যখন শেষ হয়ে যায় তখন তোমরা দেশে ছড়িয়ে পড়ো এবং র করুণাভান্ডার থেকে অণ্বেষণ করো, আর কে প্রচুরভাবে স্মরণ করো, যাতে তোমাদের সফলতা প্রদান করা হয়।
সমকালীন বাংলা
অতঃপর সম্পন্ন হলে, তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো। আর আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হও।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তাহারা দেখিল ব্যবসায় ও কৌতুক তখন তাহারা তোমাকে দাঁড়ান অবস্থায় রাখিয়া উহার দিকে ছুটিয়া গেল। বল, ‘র নিকট যাহা আছে তাহা ক্রীড়া - কৌতুক ও ব্যবসায় অপেক্ষা উৎকৃষ্ট।’ সর্বশ্রেষ্ট রিযিকদাতা।
জহুরুল হক
কিন্ত যখন তারা পণ্যদ্রব্য অথবা ক্রীড়া - কৌতুক দেখতে পায় তখন তারা সেদিকে ভেঙ্গে পড়ে এবং তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় ফেলে রাখে। তুমি বলো - - ''র কাছে যা রয়েছে তা ক্রীড়া - কৌতুকের চেয়ে ও ব্যবসা - বাণিজ্যের চেয়েও উত্তম! আর জীবিকাদাতাদের মধ্য ই সর্বশ্রেষ্ঠ।’’
সমকালীন বাংলা
আর যখন তারা কোনো ব্যবসা অথবা কোনো বিনোদন দেখে, তখন তারা সেদিকে ছুটে যায় এবং তোমাকে দাঁড়িয়ে রেখে যায়। বলো, “আল্লাহর কাছে যা আছে, তা বিনোদন এবং ব্যবসার চেয়ে উত্তম। আর আল্লাহই সর্বোত্তম জীবিকাদাতা।”