Kitab

আল কাসাস

Chapter 28, 88 verses

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Word by word
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তা - সীন - মীম;

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; তা - সীন - মীম;

আবদুস শহীদ নাসিম

তোয়া সিন মিম।

Word by word

طسٓمٓ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই আয়াতগুলি সুস্পষ্ট কিতাবের।

সমকালীন বাংলা

এই আয়াতগুলি সুস্পষ্ট কিতাবের।

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলো কিতাবুম মুবিনের (সুস্পষ্ট কিতাবের) আয়াত।

Word by word

تِلْكَ ءَايَٰتُ ٱلْكِتَٰبِ ٱلْمُبِينِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমার নিকট মূসা ও ফির‘আওনের কিছু বৃত্তান্ত যথাযথভাবে বিবৃত করিতেছি, সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে।

সমকালীন বাংলা

আমি তোমার নিকট মূসা ও ফির‘আওনের কিছু বৃত্তান্তযথাযথভাবে বিবৃত করিতেছি, সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

লোকদের জন্যে আমরা মূসা ও ফেরাউনের কিছু সংবাদ নিখুঁতভাবে তিলাওয়াত (বর্ণনা) করছি।

Word by word

نَتْلُوا۟ عَلَيْكَ مِن نَّبَإِ مُوسَىٰ وَفِرْعَوْنَ بِٱلْحَقِّ لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন দেশে পরাক্রমশালী হইয়াছিল এবং সেখানকার অধিবাসীবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করিয়া উহাদের একটি শ্রেণীকে সে হীনবল করিয়াছিল; উহাদের পুত্রগণকে সে হত্যা করিত এবং নারীগণকে জীবিত থাকিতে দিত। সে তো ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওন দেশে পরাক্রমশালী হইয়াছিল এবং সেখানকার অধিবাসীবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করিয়া উহাদের একটি শ্রেণীকে সে হীনবল করিয়াছিল; উহাদের পুত্রগণকে সে হত্যা করিত এবং নারীগণকে জীবিত থাকিতে দিত। সে তো ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউন দেশে হঠকারী নীতি অবলম্বন করে এবং নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে একদল লোককে দুর্বল করে রেখেছিল। তাদের পুত্রদের যবাই করছিল এবং মেয়েদের জীবিত রাখছিল। সে ছিলো একজন ফাসাদ (বিপর্যয়) সৃষ্টিকারী।

Word by word

إِنَّ فِرْعَوْنَ عَلَا فِى ٱلْأَرْضِ وَجَعَلَ أَهْلَهَا شِيَعًا يَسْتَضْعِفُ طَآئِفَةً مِّنْهُمْ يُذَبِّحُ أَبْنَآءَهُمْ وَيَسْتَحْىِۦ نِسَآءَهُمْ إِنَّهُۥ كَانَ مِنَ ٱلْمُفْسِدِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলাম, সে দেশে যাহাদেরকে হীনবল করা হইয়াছিল, তাহাদের প্রতি অনুগ্রহ করিতে, তাহাদেরকে নেতৃত্ব দান করিতে ও উত্তরাধিকারী করিতে;

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওন দেশে পরাক্রমশালী হইয়াছিল এবং সেখানকার অধিবাসীবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করিয়া উহাদের একটি শ্রেণীকে সে হীনবল করিয়াছিল; উহাদের পুত্রগণকে সে হত্যা করিত এবং নারীগণকে জীবিত থাকিতে দিত। সে তো ছিল বিপর্যয় সৃষ্টিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন আমরা এরাদা করেছিলাম, যাদের দুর্বল করে রাখা হয়েছিল তাদের প্রতি অনুগ্রহ করবো, তাদের নেতৃত্ব দান করবো এবং তাদের ওয়ারিশ বানাবো,

Word by word

وَنُرِيدُ أَن نَّمُنَّ عَلَى ٱلَّذِينَ ٱسْتُضْعِفُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ وَنَجْعَلَهُمْ أَئِمَّةً وَنَجْعَلَهُمُ ٱلْوَٰرِثِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে দেশে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করিতে, আর ফির‘আওন, হামান ও তাহাদের বাহিনীকে তাহা দেখাইয়া দিতে, যাহা উহাদের নিকট তাহারা আশংকা করিত।

সমকালীন বাংলা

আমি ইচ্ছা করিলাম, সে দেশে যাহাদেরকে হীনবল করা হইয়াছিল, তাহাদের প্রতি অনুগ্রহ করিতে, তাহাদেরকে নেতৃত্ব দান করিতে ও উত্তরাধিকারী করিতে;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং জমিনে তাদের প্রতিষ্ঠিত করবো। আর ফেরাউন, হামান এবং তাদের দুজনের বাহিনীকে তাদের (দুর্বল করে রাখাদের) থেকে সেই জিনিসটা দেখাবো যার আশংকা তারা করছিল (অর্থাৎ ক্ষমতাচ্যুতির)।

Word by word

وَنُمَكِّنَ لَهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَنُرِىَ فِرْعَوْنَ وَهَٰمَٰنَ وَجُنُودَهُمَا مِنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَحْذَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা - জননীর অন্তরে আমি ইঙ্গিতে নির্দেশ করিলাম, ‘শিশুটিকে স্তন্য দান করিতে থাক। যখন তুমি তাহার সম্পর্কে কোন আশংকা করিবে তখন ইহাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ করিও এবং ভয় করিও না, দুঃখও করিও না। আমি অবশ্যই ইহাকে তোমার নিকট ফিরাইয়া দিব এবং ইহাকে রাসূলদের একজন করিব।’

সমকালীন বাংলা

এবং তাহাদেরকে দেশে ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করিতে, আর ফির‘আওন, হামান ও তাহাদের বাহিনীকে তাহা দেখাইয়া দিতে, যাহা উহাদের নিকট তাহারা আশংকা করিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ উদ্দেশ্যে আমরা মূসার মা’কে অহি (ইশারা) করে নির্দেশ দিয়েছিলাম: ‘‘ওকে (মূসাকে) বুকের দুধ পান করাতে থাকো। যখন তার (জীবনের) ব্যাপারে আশংকা করবে, তখন তাকে (বাক্সে করে) দরিয়ায় ভাসিয়ে দেবে। এ ক্ষেত্রে তুমি ভয়ও করোনা, দুশ্চিন্তাও করোনা। ওকে আমরা তোমার কোলেই ফিরিয়ে দেবো এবং তাকে আমরা বানাবো রসূলদের একজন।’’

Word by word

وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ أُمِّ مُوسَىٰٓ أَنْ أَرْضِعِيهِ فَإِذَا خِفْتِ عَلَيْهِ فَأَلْقِيهِ فِى ٱلْيَمِّ وَلَا تَخَافِى وَلَا تَحْزَنِىٓ إِنَّا رَآدُّوهُ إِلَيْكِ وَجَاعِلُوهُ مِنَ ٱلْمُرْسَلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ফির‘আওনের লোকজন তাহাকে উঠাইয়া লইল। ইহার পরিণাম তো এই ছিল যে, সে উহাদের শত্রু ও দুঃখের কারণ হইবে। অবশ্যই ফির‘আওন, হামান ও উহাদের বাহিনী ছিল অপরাধী।

সমকালীন বাংলা

মূসা - জননীর অন্তরে আমি ইঙ্গিতে নির্দেশ করিলাম, ‘শিশুটিকে স্তন্য দান করিতে থাক। যখন তুমি তাহার সম্পর্কে কোন আশংকা করিবে তখন ইহাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ করিও এবং ভয় করিও না, দুঃখও করিও না। আমি অবশ্যই ইহাকে তোমার নিকট ফিরাইয়া দিব এবং ইহাকে রাসূলদের একজন করিব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর ফেরাউনের পরিবারের লোকজন তাকে উঠিয়ে নেয়, যাতে করে (অবশেষে) সে তাদের শত্রু ও দুশ্চিন্তার কারণ হয়। নিশ্চয়ই ফেরাউন, হামান এবং তাদের বাহিনী ছিলো অপরাধী।

Word by word

فَٱلْتَقَطَهُۥٓ ءَالُ فِرْعَوْنَ لِيَكُونَ لَهُمْ عَدُوًّا وَحَزَنًا إِنَّ فِرْعَوْنَ وَهَٰمَٰنَ وَجُنُودَهُمَا كَانُوا۟ خَٰطِـِٔينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওনের স্ত্রী বলিল, ‘এই শিশু আমার ও তোমার নয়ন - প্রীতিকর। ইহাকে হত্যা করিও না, সে আমাদের উপকারে আসিতে পারে, আমরা তাহাকে সন্তান হিসাবেও গ্রহণ করিতে পারি।’ প্রকৃতপক্ষে উহারা ইহার পরিণাম বুঝিতে পারে নাই।

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওনের স্ত্রী বলিল, ‘এই শিশু আমার ও তোমার নয়ন - প্রীতিকর। ইহাকে হত্যা করিও না, সে আমাদের উপকারে আসিতে পারে, আমরা তাহাকে সন্তান হিসাবেও গ্রহণ করিতে পারি।’ প্রকৃতপক্ষে উহারা ইহার পরিণাম বুঝিতে পারে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের স্ত্রী বলেছিল: ‘শিশুটি আমার ও তোমার চোখ জুড়াবে। ওকে হত্যা করোনা। হয়তো সে আমাদের উপকারে আসবে, অথবা আমরা তাকে সন্তান হিসেবেই গ্রহণ করতে পারি।’ অথচ তারা এর পরিণতি অনুভব করতে পারেনি।

Word by word

وَقَالَتِ ٱمْرَأَتُ فِرْعَوْنَ قُرَّتُ عَيْنٍ لِّى وَلَكَ لَا تَقْتُلُوهُ عَسَىٰٓ أَن يَنفَعَنَآ أَوْ نَتَّخِذَهُۥ وَلَدًا وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা - জননীর হৃদয় অস্থির হইয়া পড়িয়াছিল। যাহাতে সে আস্থাশীল হয় তজ্জন্য আমি তাহার হৃদয়কে দৃঢ় করিয়া না দিলে সে তাহার পরিচয় তো প্রকাশ করিয়াই দিত।

সমকালীন বাংলা

মূসা - জননীর হৃদয় অস্থির হইয়া পড়িয়াছিল। যাহাতে সে আস্থাশীল হয় তজ্জন্য আমি তাহার হৃদয়কে দৃঢ় করিয়া না দিলে সে তাহার পরিচয় তো প্রকাশ করিয়াই দিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এদিকে মূসার মার অন্তর অস্থির হয়ে পড়েছিল। যাতে করে সে আস্থাশীল থাকে সে জন্যে আমরা তার অন্তরকে মজবুত করে না দিলে সে তার পরিচয়ই প্রকাশ করে দিতো।

Word by word

وَأَصْبَحَ فُؤَادُ أُمِّ مُوسَىٰ فَٰرِغًا إِن كَادَتْ لَتُبْدِى بِهِۦ لَوْلَآ أَن رَّبَطْنَا عَلَىٰ قَلْبِهَا لِتَكُونَ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে মূসার ভগ্নিকে বলিল, ‘ইহার পিছনে পিছনে যাও।’ সে উহাদের অজ্ঞাতসারে দূর হইতে তাহাকে দেখিতেছিল।

সমকালীন বাংলা

সে মূসার ভগ্নিকে বলিল, ‘ইহার পিছনে পিছনে যাও।’ সে উহাদের অজ্ঞাতসারে দূর হইতে তাহাকে দেখিতেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (মূসার মা) মূসার বোনকে বলেছিল: ‘তুই যা ওর পেছনে পেছনে।’ তখন সে তাদের অজ্ঞাতসারে দূর থেকে ওকে দেখতে দেখতে গিয়েছিল।

Word by word

وَقَالَتْ لِأُخْتِهِۦ قُصِّيهِ فَبَصُرَتْ بِهِۦ عَن جُنُبٍ وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পূর্ব হইতেই আমি ধাত্রী - স্তন্যপানে তাহাকে বিরত রাখিয়াছিলাম। মূসার ভগ্নি বলিল, ‘তোমাদেরকে কি আমি এমন এক পরিবারের সন্ধান দিব যাহারা তোমাদের হইয়া ইহাকে লালন - পালন করিবে এবং ইহার মঙ্গলকামী হইবে?’

সমকালীন বাংলা

পূর্ব হইতেই আমি ধাত্রী - স্তন্যপানে তাহাকে বিরত রাখিয়াছিলাম। মূসার ভগ্নি বলিল, ‘তোমাদেরকে কি আমি এমন এক পরিবারের সন্ধান দিব যাহারা তোমাদের হইয়া ইহাকে লালন - পালন করিবে এবং ইহার মঙ্গলকামী হইবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আগে থেকেই ধাত্রীর দুধপান তার (মূসার) জন্যে হারাম করে দিয়েছিলাম। সে (মূসার বোন) তাদের বলেছিল: ‘আমি কি আপনাদের এমন একটি পরিবারের সন্ধান দেবো যারা আপনাদের হয়ে একে লালন পালন করবে এবং তারা ওর কল্যাণকামীও হবে?’

Word by word

وَحَرَّمْنَا عَلَيْهِ ٱلْمَرَاضِعَ مِن قَبْلُ فَقَالَتْ هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰٓ أَهْلِ بَيْتٍ يَكْفُلُونَهُۥ لَكُمْ وَهُمْ لَهُۥ نَٰصِحُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাকে ফিরাইয়া দিলাম তাহার জননীর নিকট যাহাতে তাহার চক্ষু জুড়ায়, সে দুঃখ না করে এবং বুঝিতে পারে যে, ‌র প্রতিশ্রুতি সত্য; কিন্তু অধিকাংশ মানুষই ইহা জানে না।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি তাহাকে ফিরাইয়া দিলাম তাহার জননীর নিকট যাহাতে তাহার চক্ষু জুড়ায়, সে দুঃখ না করে এবং বুঝিতে পারে যে, প্রতিশ্রুতি সত্য; কিন্তু অধিকাংশ মানষু ই ইহা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম তার মায়ের কাছে যাতে করে তার চক্ষু শীতল হয় এবং সে দুশ্চিন্তা না করে, আর সে যেনো জানতে পারে আল্লাহর ওয়াদা সত্য। তবে অধিকাংশ লোকই জানেনা।

Word by word

فَرَدَدْنَٰهُ إِلَىٰٓ أُمِّهِۦ كَىْ تَقَرَّ عَيْنُهَا وَلَا تَحْزَنَ وَلِتَعْلَمَ أَنَّ وَعْدَ ٱللَّهِ حَقٌّ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَعْلَمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন মূসা পূর্ণ যৌবনে উপনীত ও পরিণত বয়স্ক হইল তখন আমি তাহাকে হিক্‌মত ও জ্ঞান দান করিলাম; এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কার প্রদান করিয়া থাকি।

সমকালীন বাংলা

যখন মূসা পূর্ণ যৌবনে উপনীত ও পরিণত বয়স্ক হইল তখন আমি তাহাকে হিকমত ও জ্ঞান দান করিলাম; এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদেরকে পুরস্কার প্রদান করিয়া থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন পূর্ণ বালেগ হলো এবং বয়েসের দিক থেকে পরিণত হলো, তখন আমরা তাকে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দান করলাম। কল্যাণপরায়ণদের এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি।

Word by word

وَلَمَّا بَلَغَ أَشُدَّهُۥ وَٱسْتَوَىٰٓ ءَاتَيْنَٰهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَكَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে নগরীতে প্রবেশ করিল, যখন ইহার অধিবাসীরা ছিল অসতর্ক। সেখানে সে দুইটি লোককে সংঘর্ষে লিপ্ত দেখিল, একজন তাহার নিজ দলের এবং অপর জন তাহার শত্রুদলের। মূসার দলের লোকটি উহার শত্রুর বিরুদ্ধে তাহার সাহায্য প্রার্থনা করিল, তখন মূসা উহাকে ঘুষি মারিল; এইভাবে সে তাহাকে হত্যা করিয়া বসিল। মূসা বলিল, ‘ইহা শয়তানের কাণ্ড। সে তো প্রকাশ্য শত্রু ও বিভ্রান্তকারী।’

সমকালীন বাংলা

সে নগরীতে প্রবেশ করিল, যখন ইহার অধিবাসীরা ছিল অসতর্ক। সেখানে সে দুইটি লোককে সংঘর্ষে লিপ্ত দেখিল, একজন তাহার নিজ দলের এবং অপর জন তাহার শত্রুদলের। মূসার দলের লোকটি উহার শত্রুর বিরুদ্ধে তাহার সাহায্য প্রার্থনা করিল, তখন মূসা উহাকে ঘুষি মারিল; এইভাবে সে তাহাকে হত্যা করিয়া বসিল। মূসা বলিল, ‘ইহা শয়তানের কাণ্ড। সে তো প্রকাশ্য শত্রু ও বিভ্রান্তকারী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (মূসা) নগরীতে প্রবেশ করলো, যখন তার অধিবাসীরা ছিলো অসতর্ক। সেখানে সে দুটি লোককে দেখলো সংঘর্ষে লিপ্ত। একজন তার নিজ গোত্রের, আরেকজন তার শত্রুপক্ষের। তার গোত্রের লোকটি শত্রুর বিরুদ্ধে তার সাহায্য চাইলো। তখন মূসা তাকে ঘুষি মারে এবং তাকে হত্যা করে বসে। (এই আকস্মিক ঘটনায়) মূসা বললো: এটা শয়তানের কান্ড। সে তো সুস্পষ্ট শত্রু এবং বিভ্রান্তকারী।

Word by word

وَدَخَلَ ٱلْمَدِينَةَ عَلَىٰ حِينِ غَفْلَةٍ مِّنْ أَهْلِهَا فَوَجَدَ فِيهَا رَجُلَيْنِ يَقْتَتِلَانِ هَٰذَا مِن شِيعَتِهِۦ وَهَٰذَا مِنْ عَدُوِّهِۦ فَٱسْتَغَٰثَهُ ٱلَّذِى مِن شِيعَتِهِۦ عَلَى ٱلَّذِى مِنْ عَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আমার নিজের প্রতি জুলুম করিয়াছি; সুতরাং আমাকে ক্ষমা কর।’ অতঃপর তিনি তাহাকে ক্ষমা করিলেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সমকালীন বাংলা

সে বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আমার নিজের প্রতি জুলুম করিয়াছি; সুতরাং আমাকে ক্ষমা কর।’ অতঃপর তিনি তাহাকে ক্ষমা করিলেন। তিনি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা আরো বললো: ‘আমার রব! আমি নিজের প্রতি যুলুম করে ফেলেছি, তুমি আমাকে মাফ করে দাও।’ তখন তিনি তাকে মাফ করে দেন। কারণ, তিনি পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াবান।

Word by word

قَالَ رَبِّ إِنِّى ظَلَمْتُ نَفْسِى فَٱغْفِرْ لِى فَغَفَرَ لَهُۥٓ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে আরও বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি যেহেতু আমার প্রতি অনুগ্রহ করিয়াছ, আমি কখনও অপরাধীদের সাহায্যকারী হইব না।’

সমকালীন বাংলা

সে আরও বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি যেহেতু আমার প্রতি অনুগ্রহ করিয়াছ, আমি কখনও অপরাধীদের সাহায্যকারী হইব না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা বললো: আমার প্রভু! যেহেতু তুমি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছো, তাই আমি আর কখনো অপরাধীদের সাহায্য করবো না।

Word by word

قَالَ رَبِّ بِمَآ أَنْعَمْتَ عَلَىَّ فَلَنْ أَكُونَ ظَهِيرًا لِّلْمُجْرِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ভীত সতর্ক অবস্থায় সেই নগরীতে তাহার প্রভাত হইল। হঠাৎ সে শুনিতে পাইল পূর্বদিন যে ব্যক্তি তাহার সাহায্য চাহিয়াছিল, সে তাহার সাহায্যের জন্য চিৎকার করিতেছে। মূসা তাহাকে বলিল, ‘তুমি তো স্পষ্টই একজন বিভ্রান্ত ব্যক্তি।’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ভীত সতর্ক অবস্থায় সেই নগরীতে তাহার প্রভাত হইল। হঠাৎ সে শুনিতে পাইল পূর্বদিন যে ব্যক্তি তাহার সাহায্য চাহিয়াছিল, সে তাহার সাহায্যের জন্য চিৎকার করিতেছে। মূসা তাহাকে বলিল, ‘তুমি তো স্পষ্টই একজন বিভ্রান্ত ব্যক্তি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায় নগরীতে মূসার সকাল হলো। হঠাৎ সে শুনতে পায় গতকাল যে ব্যক্তি তার সাহায্য চেয়েছিল সে তার সাহায্যের জন্যে চীৎকার করছে। মূসা তাকে বললো: ‘তুমি এক সুস্পষ্ট বিপথগামী ব্যক্তি।’

Word by word

فَأَصْبَحَ فِى ٱلْمَدِينَةِ خَآئِفًا يَتَرَقَّبُ فَإِذَا ٱلَّذِى ٱسْتَنصَرَهُۥ بِٱلْأَمْسِ يَسْتَصْرِخُهُۥ قَالَ لَهُۥ مُوسَىٰٓ إِنَّكَ لَغَوِىٌّ مُّبِينٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে ধরিতে উদ্যত হইল, তখন সে ব্যক্তি বলিয়া উঠিল, ‘হে মূসা! গতকাল তুমি যেমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করিয়াছ, সেভাবে আমাকেও কি হত্যা করিতে চাহিতেছ? তুমি তো পৃথিবীতে স্বেচ্ছাচারী হইতে চাহিতেছ, শান্তি স্থাপনকারী হইতে চাও না।’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে ধরিতে উদ্যত হইল, তখন সে ব্যক্তি বলিয়া উঠিল, ‘হে মূসা! গতকাল তুমি যেমন এক ব্যক্তিকে হত্যা করিয়াছ, সেভাবে আমাকেও কি হত্যা করিতে চাহিতেছ? তুমি তো পৃথিবীতে স্বেচ্ছাচারী হইতে চাহিতেছ, শান্তি স্থাপনকারী হইতে চাও না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন উভয়ের শত্রুকে ধরতে উদ্যত হলো, সে ব্যক্তি বলে উঠলো: ‘হে মূসা! তুমি যেভাবে গতকাল এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছো, সেভাবে কি আমাদেরও হত্যা করতে চাইছো? তুমি তো দেশে স্বেচ্ছাচারী হতে চাইছো, সংশোধনকামী হতে চাচ্ছোনা।

Word by word

فَلَمَّآ أَنْ أَرَادَ أَن يَبْطِشَ بِٱلَّذِى هُوَ عَدُوٌّ لَّهُمَا قَالَ يَٰمُوسَىٰٓ أَتُرِيدُ أَن تَقْتُلَنِى كَمَا قَتَلْتَ نَفْسًۢا بِٱلْأَمْسِ إِن تُرِيدُ إِلَّآ أَن تَكُونَ جَبَّارًا فِى ٱلْأَرْضِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নগরীর দূর প্রান্ত হইতে এক ব্যক্তি ছুটিয়া আসিল ও বলিল, ‘হে মূসা! পারিষদবর্গ তোমাকে হত্যা করিবার পরামর্শ করিতেছে। সুতরাং তুমি বাহিরে চলিয়া যাও, আমি তো তোমার মঙ্গলকামী।’

সমকালীন বাংলা

নগরীর দূর প্রান্তহইতে এক ব্যক্তিছুটিয়া আসিল ও বলিল, ‘হে মূসা! পারিষদবর্গ তোমাকে হত্যা করিবার পরামর্শ করিতেছে। সুতরাং তুমি বাহিরে চলিয়া যাও, আমি তো তোমার মঙ্গলকামী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

(এ সময়) নগরীর দূরপ্রান্ত থেকে এক ব্যক্তি দৌড়ে এসে বললো: ‘হে মূসা। ফেরাউনের পারিষদবর্গ তোমাকে হত্যা করার জন্যে পরামর্শ করছে, তুমি (মিশর) থেকে বেরিয়ে যাও, আমি তোমার কল্যাণ চাই।’

Word by word

وَجَآءَ رَجُلٌ مِّنْ أَقْصَا ٱلْمَدِينَةِ يَسْعَىٰ قَالَ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّ ٱلْمَلَأَ يَأْتَمِرُونَ بِكَ لِيَقْتُلُوكَ فَٱخْرُجْ إِنِّى لَكَ مِنَ ٱلنَّٰصِحِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ভীত সতর্ক অবস্থায় সে সেখান হইতে বাহির হইয়া পড়িল এবং বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি সম্প্রদায় হইতে আমাকে রক্ষা কর।’

সমকালীন বাংলা

ভীত সতর্ক অবস্থায় সে সেখান হইতে বাহির হইয়া পড়িল এবং বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি সম্প্রদায় হইতে আমাকে রক্ষা কর।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা ভয়ে সতর্কভাবে (দেশ থেকে) বেরিয়ে পড়লো। সে বললো: ‘আমার প্রভু! আমাকে যালিম কওমের কবল থেকে রক্ষা করো।’

Word by word

فَخَرَجَ مِنْهَا خَآئِفًا يَتَرَقَّبُ قَالَ رَبِّ نَجِّنِى مِنَ ٱلْقَوْمِ ٱلظَّٰلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন মূসা মাদইয়ান অভিমুখে যাত্রা করিল তখন বলিল, ‘আশা করি আমার প্রতিপালক আমাকে সরল পথ প্রদর্শন করিবেন।’

সমকালীন বাংলা

যখন মূসা মাদইয়ান অভিমুখে যাত্রা করিল তখন বলিল, ‘আশা করি আমার প্রতিপালক আমাকে সরল পথ প্রদর্শন করিবেন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন মাদায়েনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলো, তখন বললো: ‘আশা করি আমার প্রভু আমাকে সঠিক পথ দেখাবেন।’

Word by word

وَلَمَّا تَوَجَّهَ تِلْقَآءَ مَدْيَنَ قَالَ عَسَىٰ رَبِّىٓ أَن يَهْدِيَنِى سَوَآءَ ٱلسَّبِيلِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সে মাদইয়ানের কূপের নিকট পৌঁছিল, দেখিল, একদল লোক তাহাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইতেছে এবং উহাদের পশ্চাতে দুইজন নারী তাহাদের পশুগুলিকে আগলাইতেছে। মূসা বলিল, ‘তোমাদের কী ব্যাপার?’ উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইতে পারি না, যতক্ষণ রাখালেরা উহাদের জানোয়ারগুলিকে লইয়া সরিয়া না যায়। আমাদের পিতা অতি বৃদ্ধ।’

সমকালীন বাংলা

যখন সে মাদইয়ানের কূপের নিকট পৌঁছিল, দেখিল, একদল লোক তাহাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইতেছে এবং উহাদের পশ্চাতে দুইজন নারী তাহাদের পশুগুলিকে আগলাইতেছে। মূসা বলিল, ‘তোমাদের কী ব্যাপার?’ উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইতে পারি না, যতক্ষণ রাখালেরা উহাদের জানোয়ারগুলিকে লইয়া সরিয়া না যায়। আমাদের পিতা অতি বৃদ্ধ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে মাদায়েনের কূপের কাছে পৌঁছে, সেখানে দেখতে পায় একদল লোক পশুদের পানি পান করাচ্ছে। সবার পেছনে দুই নারীকে দেখতে পায়, তারা তাদের পশুকে আগলে রাখছে। মূসা তাদের বললো: ‘আপনাদের ব্যাপার কী?’ তারা বললো: ‘আমরা আমাদের পশুদের পানি পান করাতে পারিনা, যতোক্ষণ রাখালেরা তাদের পশুদের পানি পান করিয়ে চলে না যায়। আমাদের পিতা একজন অতি বৃদ্ধ ব্যক্তি।’

Word by word

وَلَمَّا وَرَدَ مَآءَ مَدْيَنَ وَجَدَ عَلَيْهِ أُمَّةً مِّنَ ٱلنَّاسِ يَسْقُونَ وَوَجَدَ مِن دُونِهِمُ ٱمْرَأَتَيْنِ تَذُودَانِ قَالَ مَا خَطْبُكُمَا قَالَتَا لَا نَسْقِى حَتَّىٰ يُصْدِرَ ٱلرِّعَآءُ وَأَبُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা তখন উহাদের পক্ষে জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইল। তৎপর সে ছায়ার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করিয়া বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ করিবে আমি তো তাহার কাঙ্গাল।’

সমকালীন বাংলা

মূসা তখন উহাদের পক্ষে জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইল। তৎপর সে ছায়ার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করিয়া বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ করিবে আমি তো তাহার কাঙ্গাল।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা তাদের পক্ষে তাদের পশুকে পানি পান করিয়ে দিলো। তারপর ছায়ার নীচে ফিরে এসে বললো: ‘আমার প্রভু! তুমি আমাকে যে আতিথ্যের ব্যবস্থাই করে দেবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।’

Word by word

فَسَقَىٰ لَهُمَا ثُمَّ تَوَلَّىٰٓ إِلَى ٱلظِّلِّ فَقَالَ رَبِّ إِنِّى لِمَآ أَنزَلْتَ إِلَىَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন নারীদ্বয়ের একজন শরম - জড়িত চরণে তাহার নিকট আসিল এবং বলিল, ‘আমার পিতা আপনাকে আমন্ত্রণ করিতেছেন, আমাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইবার পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য।’ অতঃপর মূসা তাহার নিকট আসিয়া সমস্ত বৃত্তান্ত বর্ণনা করিলে সে বলিল, ‘ভয় করিও না, তুমি সম্প্রদায়ের কবল হইতে বাঁচিয়া গিয়াছ।’

সমকালীন বাংলা

তখন নারীদ্বয়ের একজন শরম - জড়িত চরণে তাহার নিকট আসিল এবং বলিল, ‘আমার পিতা আপনাকে আমন্ত্রণ করিতেছেন, আমাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করাইবার পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্য।’ অতঃপর মূসা তাহার নিকট আসিয়া সমস্তবৃত্তান্তবর্ণনা করিলে সে বলিল, ‘ভয় করিও না, তুমি সম্প্রদায়ের কবল হইতে বাঁচিয়া গিয়াছ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সেই দুই নারীর একজন লজ্জায় জড়োসড়ো হয়ে তার কাছে এলো এবং বললো: ‘আমার আব্বু আপনাকে ডাকছেন আমাদের পশুগুলোকে পানি পান করানোর পারিশ্রমিক দিতে।’ মূসা যখন তার কাছে এলো এবং নিজের সব ঘটনা বিস্তারিত খুলে বললো, সে বললো: ‘তুমি আর ভয় পেয়োনা, তুমি যালিম কওমের কবল থেকে নাজাত পেয়ে গেছো।’

Word by word

فَجَآءَتْهُ إِحْدَىٰهُمَا تَمْشِى عَلَى ٱسْتِحْيَآءٍ قَالَتْ إِنَّ أَبِى يَدْعُوكَ لِيَجْزِيَكَ أَجْرَ مَا سَقَيْتَ لَنَا فَلَمَّا جَآءَهُۥ وَقَصَّ عَلَيْهِ ٱلْقَصَصَ قَالَ لَا تَخَفْ نَجَوْتَ مِنَ ٱلْقَو

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের একজন বলিল, ‘হে পিতা! তুমি ইহাকে মজুর নিযুক্ত কর, কারণ তোমার মজুর হিসাবে উত্তম হইবে সেই ব্যক্তি, যে শক্তিশালী, বিশ্বস্ত।’

সমকালীন বাংলা

উহাদের একজন বলিল, ‘হে পিতা! তুমি ইহাকে মজুর নিযুক্ত কর, কারণ তোমার মজুর হিসাবে উত্তম হইবে সেই ব্যক্তি, যে শক্তিশালী, বিশ্বস্ত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই দুই নারীর একজন বললো: ‘আব্বু! তুমি তাকে কর্মচারী নিযুক্ত করো, তোমার কর্মচারী হিসেবে উত্তম হবেন তো এমন ব্যক্তি যিনি শক্তিশালী এবং বিশ্বস্ত।’

Word by word

قَالَتْ إِحْدَىٰهُمَا يَٰٓأَبَتِ ٱسْتَـْٔجِرْهُ إِنَّ خَيْرَ مَنِ ٱسْتَـْٔجَرْتَ ٱلْقَوِىُّ ٱلْأَمِينُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে মূসাকে বলিল, ‘আমি আমার এই কন্যাদ্বয়ের একজনকে তোমার সঙ্গে বিবাহ দিতে চাই, এই শর্তে যে, তুমি আট বৎসর আমার কাজ করিবে, যদি তুমি দশ বৎসর পূর্ণ কর, সে তোমার ইচ্ছা। আমি তােমাকে কষ্ট দিতে চাই না। ‌ ইচ্ছা করিলে তুমি আমাকে সদাচারী পাইবে।’

সমকালীন বাংলা

সে মূসাকে বলিল, ‘আমি আমার এই কন্যাদ্বয়ের একজনকে তোমার সঙ্গে বিবাহ দিতে চাই, এই শর্তে যে, তুমি আট বৎসর আমার কাজ করিবে, যদি তুমি দশ বৎসর পূর্ণ কর, সে তোমার ইচ্ছা। আমি তােমাকে কষ্ট দতিে চাই না। চাহনে তাে তুমি আমাকে সৎর্কমপরায়ণ পাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে মূসাকে বললো: ‘শুনো, আমি আমার এই দুই কন্যার একজনকে তোমার সাথে বিয়ে দিতে চাই এই শর্তে যে, তুমি আট বছর আমার চাকুরি করবে, তবে দশ বছর যদি পূর্ণ করতে চাও সেটা তোমার ইচ্ছা। আমি তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনা। চান তো, তুমি আমাকে ন্যায়বান পাবে।’

Word by word

قَالَ إِنِّىٓ أُرِيدُ أَنْ أُنكِحَكَ إِحْدَى ٱبْنَتَىَّ هَٰتَيْنِ عَلَىٰٓ أَن تَأْجُرَنِى ثَمَٰنِىَ حِجَجٍ فَإِنْ أَتْمَمْتَ عَشْرًا فَمِنْ عِندِكَ وَمَآ أُرِيدُ أَنْ أَشُقَّ عَلَيْكَ سَتَجِدُنِىٓ إِن شَا

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘আমার ও আপনার মধ্যে এই চুক্তিই রহিল। এই দুইটি মেয়াদের কোন একটি আমি পূর্ণ করিলে আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকিবে না। আমরা যে বিষয়ে কথা বলিতেছি ‌ তাহার সাক্ষী।’

সমকালীন বাংলা

মূসা বলিল, ‘আমার ও আপনার মধ্যে এই চুক্তিই রহিল। এই দুইটি মেয়াদের কোন একটি আমি পূর্ণ করিলে আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকিবে না। আমরা যে বিষয়ে কথা বলিতেছি তাতে আল্লাহর উপর ভরসা।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা বললো: ‘আমার এবং আপনার মাঝে এই চুক্তিই হলো। এ দুটি মেয়াদের যে কোনো একটি পূর্ণ করলে আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকবেনা। আমরা যা বলছি তার সাক্ষী।’

Word by word

قَالَ ذَٰلِكَ بَيْنِى وَبَيْنَكَ أَيَّمَا ٱلْأَجَلَيْنِ قَضَيْتُ فَلَا عُدْوَٰنَ عَلَىَّ وَٱللَّهُ عَلَىٰ مَا نَقُولُ وَكِيلٌ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা যখন তাহার মেয়াদ পূর্ণ করিবার পর সপরিবারে যাত্রা করিল, তখন সে তূর পর্বতের দিকে আগুন দেখিতে পাইল। সে তাহার পরিজনবর্গকে বলিল, ‘তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুন দেখিয়াছি, সম্ভবত আমি সেখান হইতে তোমাদের জন্য খবর আনিতে পারি অথবা একখণ্ড জ্বলন্ত কাঠ আনিতে পারি যাহাতে তোমরা আগুন পোহাইতে পার।’

সমকালীন বাংলা

মূসা যখন তাহার মেয়াদ পূর্ণ করিবার পর সপরিবারে যাত্রা করিল, তখন সে তূর পর্বতের দিকে আগুন দেখিতে পাইল। সে তাহার পরিজনবর্গকে বলিল, ‘তোমরা অপেক্ষা কর, আমি আগুনদেখিয়াছি, সম্ভবত আমি সেখান হইতে তোমাদের জন্য খবর আনিতে পারি অথবা একখণ্ড জ্বলন্ত কাঠ আনিতে পারি যাহাতে তোমরা আগুন পোহাইতে পার।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ করলো এবং সপরিবারে যাত্রা করলো, তুর পাহাড়ের কাছে এসে পাহাড়ের দিকে আগুন দেখতে পেলো। সে তার পরিবারবর্গকে বললো: তোমরা এখানে অপেক্ষা করো, আমি আগুন দেখেছি, হয়তো সেখান থেকে তোমাদের জন্যে কোনো খবর নিয়ে আসবো কিংবা নিয়ে আসবো এক খন্ড জ্বলন্ত কাঠ, তাতে তোমরা আগুন পোহাতে পারবে।’

Word by word

فَلَمَّا قَضَىٰ مُوسَى ٱلْأَجَلَ وَسَارَ بِأَهْلِهِۦٓ ءَانَسَ مِن جَانِبِ ٱلطُّورِ نَارًا قَالَ لِأَهْلِهِ ٱمْكُثُوٓا۟ إِنِّىٓ ءَانَسْتُ نَارًا لَّعَلِّىٓ ءَاتِيكُم مِّنْهَا بِخَبَرٍ أَوْ جَذْوَةٍ مِّنَ ٱلنّ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন মূসা আগুনের নিকট পৌঁছিল তখন উপত্যকার দক্ষিণ পার্শ্বে পবিত্র ভূমিস্থিত এক বৃক্ষের দিক হইতে তাহাকে আহ্বান করিয়া বলা হইল, ‘হে মূসা ! আমিই ‌, জগতসমূহের প্রতিপালক;’

সমকালীন বাংলা

যখন মূসা আগুনের নিকট পৌঁছিল তখন উপত্যকার দক্ষিণ পার্শ্বে পবিত্র ভূমিস্থিত এক বৃক্ষের দিক হইতে তাহাকে আহ্বান করিয়া বলা হইল, ‘হে মূসা ! আমিই ই জগতসমূহের প্রতিপালক;’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন আগুনের দিকে এলো, তখন (তোয়া) উপত্যকার ডান পাশে পবিত্র ভূমির এক গাছের দিক থেকে তাকে ডেকে বলা হলো: ‘হে মূসা! আমি রাব্বুল আলামিন।’

Word by word

فَلَمَّآ أَتَىٰهَا نُودِىَ مِن شَٰطِئِ ٱلْوَادِ ٱلْأَيْمَنِ فِى ٱلْبُقْعَةِ ٱلْمُبَٰرَكَةِ مِنَ ٱلشَّجَرَةِ أَن يَٰمُوسَىٰٓ إِنِّىٓ أَنَا ٱللَّهُ رَبُّ ٱلْعَٰلَمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও বলা হইল, ‘তুমি তোমার যষ্টি নিক্ষেপ কর।’ অতঃপর, যখন সে উহাকে সর্পের ন্যায় ছুটাছুটি করিতে দেখিল তখন পিছনের দিকে ছুটিতে লাগিল এবং ফিরিয়া তাকাইল না। তাহাকে বলা হইল, ‘হে মূসা! সম্মুখে আইস, ভয় করিও না; তুমি তো নিরাপদ।

সমকালীন বাংলা

আরও বলা হইল, ‘তুমি তোমার যষ্টি নিক্ষেপ কর।’ অতঃপর, যখন সে উহাকে সর্পের ন্যায় ছুটাছুটি করিতে দেখিল তখন পিছনের দিকে ছুটিতে লাগিল এবং ফিরিয়া তাকাইল না। তাহাকে বলা হইল, ‘হে মূসা! সম্মুখে আইস, ভয় করিও না; তুমি তো নিরাপদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে আরো বলা হলো: ‘তোমার লাঠি নিক্ষেপ করো।’ তারপর মূসা যখন দেখলো, সেটা সাপের মতো ছুটাছুটি করছে, তখন সে পিছে ফিরে দৌড়াতে থাকলো এবং পেছনে ফিরে তাকিয়েও দেখলোনা। তাকে ডেকে বলা হলো: ‘‘হে মূসা! সামনে ফিরে আসো, ভয় পেয়োনা, তুমি নিরাপদ।

Word by word

وَأَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَلَمَّا رَءَاهَا تَهْتَزُّ كَأَنَّهَا جَآنٌّ وَلَّىٰ مُدْبِرًا وَلَمْ يُعَقِّبْ يَٰمُوسَىٰٓ أَقْبِلْ وَلَا تَخَفْ إِنَّكَ مِنَ ٱلْءَامِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমার হাত তোমার বগলে রাখ, ইহা বাহির হইয়া আসিবে শুভ্র - সমুজ্জ্বল নির্দোষ হইয়া। ভয় দূর করিবার জন্য তোমার হস্তদ্বয় নিজের দিকে চাপিয়া ধর। এই দুইটি তোমার প্রতিপালক - প্রদত্ত প্রমাণ, ফির‘আওন ও তাহার পরিষদবর্গের জন্য। উহারা তো সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

সমকালীন বাংলা

‘তোমার হাত তোমার বগলে রাখ, ইহা বাহির হইয়া আসিবে শুভ্র - সমুজ্জ্বল নির্দোষ হইয়া। ভয় দূর করিবার জন্য তোমার হস্তদ্বয় নিজের দিকে চাপিয়া ধর। এই দুইটি তোমার প্রতিপালকপ্রদত্ত প্রমাণ, ফির‘আওন ও তাহার পরিষদবর্গের জন্য। উহারা তো সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার হাত তোমার বগলে রাখো, দেখবে সেটি অনাবিল উজ্জ্বল হয়ে বেরিয়ে আসবে কোনো প্রকার ক্ষতি ছাড়াই। ভয় দূর করার জন্য তোমার দুই হাত তোমার বুকে চেপে ধরো। এ দুটি তোমার প্রভুর দেয়া প্রমাণ ফেরাউন আর তার পারিষদবর্গের জন্যে। তারা একটি ফাসিক কওম।’’

Word by word

ٱسْلُكْ يَدَكَ فِى جَيْبِكَ تَخْرُجْ بَيْضَآءَ مِنْ غَيْرِ سُوٓءٍ وَٱضْمُمْ إِلَيْكَ جَنَاحَكَ مِنَ ٱلرَّهْبِ فَذَٰنِكَ بُرْهَٰنَانِ مِن رَّبِّكَ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَمَلَإِي۟هِۦٓ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمًا

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো উহাদের একজনকে হত্যা করিয়াছি। ফলে আমি আশংকা করিতেছি উহারা আমাকে হত্যা করিবে।

সমকালীন বাংলা

মূসা বলিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো উহাদের একজনকে হত্যা করিয়াছি। ফলে আমি আশংকা করিতেছি উহারা আমাকে হত্যা করিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা বললো: ‘‘আমার প্রভু! আমি তাদের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে ফেলেছিলাম, তাই আমি আশংকা করছি তারা আমাকে হত্যা করবে।

Word by word

قَالَ رَبِّ إِنِّى قَتَلْتُ مِنْهُمْ نَفْسًا فَأَخَافُ أَن يَقْتُلُونِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমার ভ্রাতা হারূন আমা অপেক্ষা বাগ্মী; অতএব তাহাকে আমার সাহায্যকারীরূপে প্রেরণ কর, সে আমাকে সমর্থন করিবে। আমি আশংকা করি উহারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলিবে।’

সমকালীন বাংলা

‘আমার ভ্রাতা হারূন আমা অপেক্ষা বাগ্মী; অতএব তাহাকে আমার সাহায্যকারীরূপে প্রেরণ কর, সে আমাকে সমর্থন করিবে। আমি আশংকা করি উহারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলিবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার ভাই হারূণ, সে আমার চাইতে ভালো বক্তা, তুমি তাকে আমার সাথে সাহায্যকারী হিসেবে রসূল বানিয়ে দাও। সে আমার সত্যায়ন করবে। আমার আশংকা হয় তারা আমাকে প্রত্যাখ্যান করবে।’’

Word by word

وَأَخِى هَٰرُونُ هُوَ أَفْصَحُ مِنِّى لِسَانًا فَأَرْسِلْهُ مَعِىَ رِدْءًا يُصَدِّقُنِىٓ إِنِّىٓ أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ বলিলেন, ‘আমি তোমার ভ্রাতার দ্বারা তোমার বাহু শক্তিশালী করিব এবং তোমাদের উভয়কে প্রাধান্য দান করিব। উহারা তোমাদের নিকট পৌঁছিতে পারিবে না। তোমরা এবং তোমাদের অনুসারীরা আমার নিদর্শনবলে উহাদের উপর প্রবল হইবে।’

সমকালীন বাংলা

বলিলেন, ‘আমি তোমার ভ্রাতার দ্বারা তোমার বাহু শক্তিশালী করিব এবং তোমাদের উভয়কে প্রাধান্য দান করিব। উহারা তোমাদের নিকট পৌঁছিতে পারিবে না। তোমরা এবং তোমাদের অনুসারীরা আমার নিদর্শনবলে উহাদের উপর প্রবল হইবে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘‘আমরা তোমার ভাইকে দিয়ে তোমার হাতকে শক্তিশালী করবো এবং তোমাদের দুজনকেই আমরা সনদগত ক্ষমতা প্রদান করবো। ফলে তারা (তোমাদের ক্ষতির উদ্দেশ্যে) তোমাদের কাছেই পৌঁছাতে পারবেনা। তোমরা এবং তোমাদের অনুসারীরাই আমাদের নিদর্শনের সাহায্যে বিজয়ী হবে।’’

Word by word

قَالَ سَنَشُدُّ عَضُدَكَ بِأَخِيكَ وَنَجْعَلُ لَكُمَا سُلْطَٰنًا فَلَا يَصِلُونَ إِلَيْكُمَا بِـَٔايَٰتِنَآ أَنتُمَا وَمَنِ ٱتَّبَعَكُمَا ٱلْغَٰلِبُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা যখন উহাদের নিকট আমার সুস্পষ্ট নিদর্শনগুলি লইয়া আসিল, উহারা বলিল, ‘ইহা তো অলীক ইন্দ্রজাল মাত্র। আমাদের পূর্বপুরুষগণের কালে কখনও এইরূপ কথা শুনি নাই।’

সমকালীন বাংলা

মূসা যখন উহাদের নিকট আমার সুস্পষ্ট নিদর্শনগুলি লইয়া আসিল, উহারা বলিল, ‘ইহা তো অলীক ইন্দ্রজাল মাত্র। আমাদের পূর্বপুরুষগণের কালে কখনও এইরূপ কথা শুনি নাই।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা যখন তাদের কাছে আমাদের সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ নিয়ে উপস্থিত হলো, তারা বললো: ‘এ - তো এক মিথ্যা - ম্যাজিক ছাড়া আর কিছুই নয়। এ ধরনের কথা আমাদের বাপ - দাদাদের কালেও আমরা শুনিনি।’

Word by word

فَلَمَّا جَآءَهُم مُّوسَىٰ بِـَٔايَٰتِنَا بَيِّنَٰتٍ قَالُوا۟ مَا هَٰذَآ إِلَّا سِحْرٌ مُّفْتَرًى وَمَا سَمِعْنَا بِهَٰذَا فِىٓ ءَابَآئِنَا ٱلْأَوَّلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসা বলিল, ‘আমার প্রতিপালক সম্যক অবগত, কে তাঁহার নিকট হইতে পথনির্দেশ আনিয়াছে এবং আখিরাতে কাহার পরিণাম শুভ হইবে। জালিমরা কখনো হইবে না।’

সমকালীন বাংলা

মূসা বলিল, ‘আমার প্রতিপালক সম্যক অবগত, কে তাঁহার নিকট হইতে পথনির্দেশ আনিয়াছে এবং আখিরাতে কাহার পরিণাম শুভ হইবে। জালিমরা কখনো হইবে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা বললো: ‘আমার প্রভুই অধিক জানেন কে তাঁর পক্ষ থেকে হিদায়াত নিয়ে এসেছে এবং কার শেষ পরিণাম শুভ হবে। নিশ্চয়ই কখনো সফল হবেনা যালিমরা।’

Word by word

وَقَالَ مُوسَىٰ رَبِّىٓ أَعْلَمُ بِمَن جَآءَ بِٱلْهُدَىٰ مِنْ عِندِهِۦ وَمَن تَكُونُ لَهُۥ عَٰقِبَةُ ٱلدَّارِ إِنَّهُۥ لَا يُفْلِحُ ٱلظَّٰلِمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন বলিল, ‘হে পারিষদবর্গ! আমি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন ইলাহ্ আছে বলিয়া জানি না। হে হামান! তুমি আমার জন্য ইট পোড়াও এবং একটি সুউচ্চ প্রাসাদ তৈয়ার কর; হয়ত আমি ইহাতে উঠিয়া মূসার ইলাহ্‌কে দেখিতে পারি। তবে আমি অবশ্যই মনে করি সে মিথ্যাবাদী।’

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওন বলিল, ‘হে পারিষদবর্গ! আমি ব্যতীত তোমাদের অন্য কোন ইলাহ্ আছে বলিয়া জানি না। হে হামান! তুমি আমার জন্য ইট পোড়াও এবং একটি সুউচ্চ প্রাসাদ তৈয়ার কর; হয়ত আমি ইহাতে উঠিয়া মূসার ইলাহ্কে দেখিতে পারি। তবে আমি অবশ্যই মনে করি সে মিথ্যাবাদী।’

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউন বললো: ‘হে আমার পারিষদবর্গ! আমি ছাড়া তোমাদের আর কোনো আছে বলে তো আমি জানিনা। হে হামান! তুমি আমার জন্যে ইট পোড়াও এবং উঁচু এক প্রাসাদ তৈরি করো। হয়তো আমি তাতে উঠে মূসার ইলাহকে দেখতে পাবো। তবে আমি মনে করি সে মিথ্যাবাদী।’

Word by word

وَقَالَ فِرْعَوْنُ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْمَلَأُ مَا عَلِمْتُ لَكُم مِّنْ إِلَٰهٍ غَيْرِى فَأَوْقِدْ لِى يَٰهَٰمَٰنُ عَلَى ٱلطِّينِ فَٱجْعَل لِّى صَرْحًا لَّعَلِّىٓ أَطَّلِعُ إِلَىٰٓ إِلَٰهِ مُوسَىٰ وَإِنِّى لَأَظُ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফির‘আওন ও তাহার বাহিনী অন্যায়ভাবে পৃথিবীতে অহংকার করিয়াছিল এবং উহারা মনে করিয়াছিল যে, উহারা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে না।

সমকালীন বাংলা

ফির‘আওন ও তাহার বাহিনী অন্যায়ভাবে পৃথিবীতে অহংকার করিয়াছিল এবং উহারা মনে করিয়াছিল যে, উহারা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে এবং তার বাহিনী অন্যায়ভাবে দেশে অহংকার করে। তারা ধারণা করেছিল তাদেরকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনা হবেনা।

Word by word

وَٱسْتَكْبَرَ هُوَ وَجُنُودُهُۥ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ وَظَنُّوٓا۟ أَنَّهُمْ إِلَيْنَا لَا يُرْجَعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব আমি তাহাকে ও তাহার বাহিনীকে ধরিলাম এবং তাহাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম। দেখ, জালিমদের পরিণাম কি হইয়া থাকে।

সমকালীন বাংলা

অতএব আমি তাহাকে ও তাহার বাহিনীকে ধরিলাম এবং তাহাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম। দেখ, জালিমদের পরিণাম কি হইয়া থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা পাকড়াও করি তাকে এবং তার বাহিনীকে এবং তাদের নিক্ষেপ করি দরিয়ায়। দেখো, কী (মন্দ) পরিণতি হয়েছিল যালিমদের!

Word by word

فَأَخَذْنَٰهُ وَجُنُودَهُۥ فَنَبَذْنَٰهُمْ فِى ٱلْيَمِّ فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلظَّٰلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে আমি নেতা করিয়াছিলাম; উহারা লোকদেরকে জাহান্নামের দিকে আহ্বান করিত; কিয়ামতের দিন উহাদেরকে সাহায্য করা হইবে না।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে আমি নেতা করিয়াছিলাম; উহারা লোকদেরকে জাহান্নামের দিকে আহ্বান করিত; কিয়ামতের দিন উহাদেরকে সাহায্য করা হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের বানিয়ে দিয়েছিলাম জাহান্নামের দিকে আহবান করার ইমাম (নেতা)। কিয়ামতের দিন তাদের কোনো সাহায্য করা হবেনা।

Word by word

وَجَعَلْنَٰهُمْ أَئِمَّةً يَدْعُونَ إِلَى ٱلنَّارِ وَيَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ لَا يُنصَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই পৃথিবীতে আমি উহাদের পশ্চাতে লাগাইয়া দিয়াছি অভিসম্পাত এবং কিয়ামতের দিন উহারা হইবে ঘৃণিত।

সমকালীন বাংলা

এই পৃথিবীতে আমি উহাদের পশ্চাতে লাগাইয়া দিয়াছি অভিসম্পাত এবং কিয়ামতের দিন উহারা হইবে ঘৃণিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ দুনিয়ায় আমরা তাদের অনুগামী করে দিয়েছি লা’নত আর কিয়ামতের দিন তারা হবে ঘৃণিত।

Word by word

وَأَتْبَعْنَٰهُمْ فِى هَٰذِهِ ٱلدُّنْيَا لَعْنَةً وَيَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ هُم مِّنَ ٱلْمَقْبُوحِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো পূর্ববর্তী বহু মানবগোষ্ঠীকে বিনাশ করিবার পর মূসাকে দিয়াছিলাম কিতাব, মানবজাতির জন্য জ্ঞানবর্তিকা, পথনির্দেশ ও অনুগ্রহস্বরূপ, যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।

সমকালীন বাংলা

আমি তো পূর্ববর্তী বহু মানবগোষ্ঠীকে বিনাশ করিবার পর মূসাকে দিয়াছিলাম কিতাব, মানবজাতির জন্য জ্ঞানবর্তিকা, পথনির্দেশ ও অনুগ্রহস্বরূপ, যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আগেকার বহু মানব প্রজন্মকে হালাক করে দেয়ার পর আমরা মূসাকে দিয়েছিলাম কিতাব মানুষের জন্যে জ্ঞানের আলো, হিদায়াত এবং রহমত হিসেবে, যাতে করে তারা শিক্ষা গ্রহণ করে।

Word by word

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَٰبَ مِنۢ بَعْدِ مَآ أَهْلَكْنَا ٱلْقُرُونَ ٱلْأُولَىٰ بَصَآئِرَ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَّعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসাকে যখন আমি বিধান দিয়াছিলাম তখন তুমি পশ্চিম প্রান্তে উপস্থিত ছিলে না এবং তুমি প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলে না।

সমকালীন বাংলা

মূসাকে যখন আমি বিধান দিয়াছিলাম তখন তুমি পশ্চিম প্রান্তে উপস্থিত ছিলে না এবং তুমি প্রত্যক্ষদর্শীও ছিলে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) তুমি (তুর পাহাড়ের) পশ্চিম প্রান্তে উপস্থিত ছিলেনা আমরা যখন মূসাকে বিধান দিয়েছিলাম এবং তুমি বিষয়টা নিজের চোখেও দেখোনি।

Word by word

وَمَا كُنتَ بِجَانِبِ ٱلْغَرْبِىِّ إِذْ قَضَيْنَآ إِلَىٰ مُوسَى ٱلْأَمْرَ وَمَا كُنتَ مِنَ ٱلشَّٰهِدِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত আমি অনেক মানবগোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটাইয়াছিলাম ; অতঃপর উহাদের বহু যুগ অতিবাহিত হইয়া গিয়াছে। তুমি তো মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে বিদ্যমান ছিলে না উহাদের নিকট আমার আয়াত আবৃত্তি করিবার জন্য। আমিই তো ছিলাম রাসূল প্রেরণকারী।

সমকালীন বাংলা

বস্তুত আমি অনেক মানবগোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটাইয়াছিলাম ; অতঃপর উহাদের বহু যুগ অতিবাহিত হইয়া গিয়াছে। তুমি তো মাদইয়ানবাসীদের মধ্যে বিদ্যমান ছিলে না উহাদের নিকট আমার আয়াত আবৃত্তি করিবার জন্য। আমিই তো ছিলাম রাসূল প্রেরণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং আমরা বহু মানব প্রজন্ম সৃষ্টি করেছি এবং তাদের উপর বহু যুগ অতিবাহিত হয়ে গেছে। তুমি তো মাদায়েনবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনা তাদের কাছে আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করার জন্যে। বরং আমরাই ছিলাম সেখানে রসূল প্রেরণকারী।

Word by word

وَلَٰكِنَّآ أَنشَأْنَا قُرُونًا فَتَطَاوَلَ عَلَيْهِمُ ٱلْعُمُرُ وَمَا كُنتَ ثَاوِيًا فِىٓ أَهْلِ مَدْيَنَ تَتْلُوا۟ عَلَيْهِمْ ءَايَٰتِنَا وَلَٰكِنَّا كُنَّا مُرْسِلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মূসাকে যখন আমি আহ্বান করিয়াছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতপার্শ্বে উপস্থিত ছিলে না। বস্তুত ইহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে দয়াস্বরূপ, যাহাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করিতে পার, যাহাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসে নাই, যেন উহারা উপদেশ গ্রহণ করে ;

সমকালীন বাংলা

মূসাকে যখন আমি আহ্বান করিয়াছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতপার্শ্বে উপস্থিত ছিলে না। বস্তুত ইহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে দয়াস্বরূপ, যাহাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করিতে পার, যাহাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসে নাই, যেন উহারা উপদেশ গ্রহণ করে ;

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন মূসাকে ডেকেছিলাম, তখন তো তুমি তুর পাহাড়ের পাশে উপস্থিত ছিলেনা। বরং এটা (এই অহি) তোমার প্রভুর রহমত যাতে করে তুমি এমন একটি কওমকে সতর্ক করতে পারো, যাদের কাছে তোমার আগে কোনো সতর্ককারী আসেনি, আর তারা যেনো শিক্ষা গ্রহণ করে।

Word by word

وَمَا كُنتَ بِجَانِبِ ٱلطُّورِ إِذْ نَادَيْنَا وَلَٰكِن رَّحْمَةً مِّن رَّبِّكَ لِتُنذِرَ قَوْمًا مَّآ أَتَىٰهُم مِّن نَّذِيرٍ مِّن قَبْلِكَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাসূল না পাঠাইলে উহাদের কৃতকর্মের জন্য উহাদের কোন বিপদ হইলে উহারা বলিত, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদের নিকট কোন রাসূল প্রেরণ করিলে না কেন? করিলে আমরা তোমার বিধান মানিয়া চলিতাম এবং আমরা হইতাম ।’

সমকালীন বাংলা

রাসূল না পাঠাইলে উহাদের কৃতকর্মের জন্য উহাদের কোন বিপদ হইলে উহারা বলিত, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদের নিকট কোন রাসূল প্রেরণ করিলে না কেন? করিলে আমরা তোমার বিধান মানিয়া চলিতাম এবং আমরা হইতাম ।’

আবদুস শহীদ নাসিম

রসূল যদি না পাঠাতাম, তাহলে তাদের কর্মকান্ডের জন্যে যদি তাদের কোনো মসিবত আসতো তারা বলতো: ‘আমাদের প্রভু! তুমি কেন আমাদের কাছে একজন রসূল পাঠালেনা? পাঠালে তো আমরা তোমার আয়াতের ইত্তেবা (অনুসরণ) করতে পারতাম এবং আমরা হয়ে যেতাম।’

Word by word

وَلَوْلَآ أَن تُصِيبَهُم مُّصِيبَةٌۢ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَيَقُولُوا۟ رَبَّنَا لَوْلَآ أَرْسَلْتَ إِلَيْنَا رَسُولًا فَنَتَّبِعَ ءَايَٰتِكَ وَنَكُونَ مِنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন আমার নিকট হইতে উহাদের নিকট সত্য আসিল, উহারা বলিতে লাগিল, ‘মূসাকে যেরূপ দেওয়া হইয়াছিল, তাহাকে সেরূপ দেওয়া হইল না কেন?’ কিন্তু পূর্বে মূসাকে যাহা দেওয়া হইয়াছিল তাহা কি উহারা অস্বীকার করে নাই? উহারা বলিয়াছিল, ‘দুইটিই জাদু, একে অপরকে সমর্থন করে।’ এবং উহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা সকলকেই প্রত্যাখ্যান করি।’

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন আমার নিকট হইতে উহাদের নিকট সত্য আসিল, উহারা বলিতে লাগিল, ‘মূসাকে যেরূপ দেওয়া হইয়াছিল, তাহাকে সেরূপ দেওয়া হইল না কেন?’ কিন্তু পূর্বে মূসাকে যাহা দেওয়া হইয়াছিল তাহা কি উহারা অস্বীকার করে নাই? উহারা বলিয়াছিল, ‘দুইটিই জাদু, একে অপরকে সমর্থন করে।’ এবং উহারা বলিয়াছিল, ‘আমরা সকলকেই প্রত্যাখ্যান করি।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু যখন আমাদের পক্ষ থেকে তাদের কাছে সত্য এলো, তারা বললো: ‘মূসাকে যেমন (নিদর্শন) দেয়া হয়েছিল, তাকে সে রকম দেয়া হলো না কেন? কিন্তু মূসাকে যা দেয়া হয়েছিল তা কি তারা অস্বীকার করেনি? তারা বলেছে: ‘(কুরআন ও তাওরাত) দুটিই ম্যাজিক, পরস্পরের সমর্থক। তারা আরো বলেছিল আমরা প্রত্যেকটিই অস্বীকার করি।’

Word by word

فَلَمَّا جَآءَهُمُ ٱلْحَقُّ مِنْ عِندِنَا قَالُوا۟ لَوْلَآ أُوتِىَ مِثْلَ مَآ أُوتِىَ مُوسَىٰٓ أَوَلَمْ يَكْفُرُوا۟ بِمَآ أُوتِىَ مُوسَىٰ مِن قَبْلُ قَالُوا۟ سِحْرَانِ تَظَٰهَرَا وَقَالُوٓا۟ إِنَّا بِكُل

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা সত্যবাদী হইলে ‌র নিকট হইতে এক কিতাব আনয়ন কর, যাহা পথনির্দেশে এতদুভয় হইতে উৎকৃষ্টতর হইবে; আমি সে কিতাব অনুসরণ করিব।’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা সত্যবাদী হইলে নিকট হইতে এক কিতাব আনয়ন কর, যাহা পথনির্দেশে এতদুভয় হইতে উৎকৃষ্টতর হইবে; আমি সে কিতাব অনুসরণ করিব।’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে তোমরাই আল্লাহর কাছ থেকে একখানা কিতাব নিয়ে আসো যেটি এ দুটি (কুরআন ও তাওরাত) থেকে অধিকতর হিদায়াতওয়ালা কিতাব হবে, আমিও সে কিতাবের অনুসরণ করবো।’

Word by word

قُلْ فَأْتُوا۟ بِكِتَٰبٍ مِّنْ عِندِ ٱللَّهِ هُوَ أَهْدَىٰ مِنْهُمَآ أَتَّبِعْهُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহারা যদি তোমার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তাহা হইলে জানিবে উহারা তো কেবল নিজেদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে। ‌র পথনির্দেশ অগ্রাহ্য করিয়া যে ব্যক্তি নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে তাহা অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত আর কে? ‌ সম্প্রদায়কে পথনির্দেশ করেন না।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর উহারা যদি তোমার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তাহা হইলে জানিবে উহারা তো কেবল নিজেদের খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে। পথনির্দেশ অগ্রাহ্য করিয়া যে ব্যক্তি নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে তাহা অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত আর কে? সম্প্রদায়কে পথনির্দেশ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তোমার আহবানে সাড়া না দেয়, তবে জেনে রাখো, তারা কেবল নিজেদের খেয়াল খুশিরই ইত্তেবা করে। ঐ ব্যক্তির চাইতে অধিকতর বিপথগামী আর কে আছে, যে আল্লাহর হিদায়াত উপক্ষো করে নিজের খেয়াল খুশির ইত্তেবা করে? নিশ্চয়ই যালিম কওমকে সঠিক পথ দেখাননা।

Word by word

فَإِن لَّمْ يَسْتَجِيبُوا۟ لَكَ فَٱعْلَمْ أَنَّمَا يَتَّبِعُونَ أَهْوَآءَهُمْ وَمَنْ أَضَلُّ مِمَّنِ ٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ بِغَيْرِ هُدًى مِّنَ ٱللَّهِ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلظَّٰلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো উহাদের নিকট পরপর বাণী পৌঁছাইয়া দিয়াছি; যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।

সমকালীন বাংলা

আমি তো উহাদের নিকট পরপর বাণী পৌঁছাইয়া দিয়াছি; যাহাতে উহারা উপদেশ গ্রহণ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের কাছে লাগাতার বাণী পৌঁছে দিয়েছি যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

Word by word

وَلَقَدْ وَصَّلْنَا لَهُمُ ٱلْقَوْلَ لَعَلَّهُمْ يَتَذَكَّرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার পূর্বে আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছিলাম, তাহারা ইহাতে বিশ্বাস করে।

সমকালীন বাংলা

ইহার পূর্বে আমি যাহাদেরকে কিতাব দিয়াছিলাম, তাহারা ইহাতে বিশ্বাস করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদেরকে আমরা ইতোপূর্বে কিতাব দিয়েছিলাম, তারা (তাদের কেউ কেউ) এর প্রতি (কুরআনের প্রতি) ঈমান রাখে।

Word by word

ٱلَّذِينَ ءَاتَيْنَٰهُمُ ٱلْكِتَٰبَ مِن قَبْلِهِۦ هُم بِهِۦ يُؤْمِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন উহাদের নিকট ইহা আবৃত্তি করা হয় তখন উহারা বলে, ‘আমরা ইহাতে ঈমান আনি, নিশ্চয়ই ইহা আমাদের প্রতিপালক হইতে আগত সত্য। আমরা তো পূর্বেও আত্মসর্মপণকারী ছিলাম;

সমকালীন বাংলা

যখন উহাদের নিকট ইহা আবৃত্তি করা হয় তখন উহারা বলে, ‘আমরা ইহাতে ঈমান আনি, নিশ্চয়ই ইহা আমাদের প্রতিপালক হইতে আগত সত্য। আমরা তো পূর্বেও আত্মসর্মপণকারী ছিলাম;

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের প্রতি যখন এটি (কুরআন) তিলাওয়াত করা হয়, তারা বলে: আমরা এটির প্রতি ঈমান এনেছি, নিশ্চয়ই আমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে এটি সত্য। আমরা তো পূর্বেও মুসলিমই ছিলাম।

Word by word

وَإِذَا يُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِهِۦٓ إِنَّهُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّنَآ إِنَّا كُنَّا مِن قَبْلِهِۦ مُسْلِمِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে দুইবার পারিশ্রমিক প্রদান করা হইবে, যেহেতু উহারা ধৈর্যশীল এবং উহারা ভালর দ্বারা মন্দের মুকাবিলা করে ও আমি উহাদেরকে যে রিযিক দিয়াছি তাহা হইতে উহারা ব্যয় করে।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে দুইবার পারিশ্রমিক প্রদান করা হইবে, যেহেতু উহারা ধৈর্যশীল এবং উহারা ভালর দ্বারা মন্দের মুকাবিলা করে ও আমি উহাদেরকে যে রিযিক দিয়াছি তাহা হইতে উহারা ব্যয় করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরাই সেইসব লোক যাদেরকে পুরস্কার দেয়া হবে দুইবার তাদের সবরের কারণে। তারা মন্দের মুকাবেলা করে ভালো দিয়ে এবং তাদেরকে আমরা যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে তারা খরচ করে (আল্লাহর পথে)।

Word by word

أُو۟لَٰٓئِكَ يُؤْتَوْنَ أَجْرَهُم مَّرَّتَيْنِ بِمَا صَبَرُوا۟ وَيَدْرَءُونَ بِٱلْحَسَنَةِ ٱلسَّيِّئَةَ وَمِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ يُنفِقُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যখন অসার বাক্য শ্রবণ করে তখন উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়া চলে এবং বলে, ‘আমাদের কাজের ফল আমাদের জন্য এবং তোমাদের কাজের ফল তোমাদের জন্য ; তোমাদের প্রতি ‘সালাম’। আমরা অজ্ঞদের সঙ্গ চাহি না।’

সমকালীন বাংলা

উহারা যখন অসার বাক্য শ্রবণ করে তখন উহারা তাহা উপেক্ষা করিয়া চলে এবং বলে, ‘আমাদের কাজের ফল আমাদের জন্য এবং তোমাদের কাজের ফল তোমাদের জন্য ; তোমাদের প্রতি ‘সালাম’। আমরা অজ্ঞদের সঙ্গ চাহি না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যখনই অর্থহীন কিছু শুনে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে চলে যায়। তারা বলে: ‘আমাদের কাজের ফল আমরা পাবো আর তোমাদের কাজের ফল পাবে তোমরা। তোমাদের প্রতি সালাম। আমরা জাহিলদের সাথিত্ব চাইনা।’

Word by word

وَإِذَا سَمِعُوا۟ ٱللَّغْوَ أَعْرَضُوا۟ عَنْهُ وَقَالُوا۟ لَنَآ أَعْمَٰلُنَا وَلَكُمْ أَعْمَٰلُكُمْ سَلَٰمٌ عَلَيْكُمْ لَا نَبْتَغِى ٱلْجَٰهِلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি যাহাকে ভালবাস, ইচ্ছা করিলেই তাহাকে সৎপথে আনিতে পারিবে না। তবে ‌ যাহাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন এবং তিনিই ভাল জানেন সৎপথ অনুসারীদেরকে।

সমকালীন বাংলা

তুমি যাহাকে ভালবাস, ইচ্ছা করিলেই তাহাকে সৎপথে আনিতে পারিবে না। তবে যাহাকে ইচ্ছা সৎপথে আনয়ন করেন এবং তিনিই ভাল জানেন সৎপথ অনুসারীদেরকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যাকে মহব্বত করো, তুমি চাইলেই তাকে হিদায়াত করতে পারবেনা। কিন্তু যাকে চান হিদায়াত করেন। কারা হিদায়াতপ্রাপ্ত সেটা তিনিই ভালো জানেন।

Word by word

إِنَّكَ لَا تَهْدِى مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَٰكِنَّ ٱللَّهَ يَهْدِى مَن يَشَآءُ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘আমরা যদি তোমার সঙ্গে সৎপথ অনুসরণ করি তবে আমাদেরকে দেশ হইতে উৎখাত করা হইবে।’ আমি কি উহাদেরকে এক নিরাপদ হারামে প্রতিষ্ঠিত করি নাই, যেখানে সর্বপ্রকার ফলমূল আমদানী হয় আমার দেওয়া রিযিক স্বরূপ? কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।

সমকালীন বাংলা

উহারা বলে, ‘আমরা যদি তোমার সঙ্গে সৎপথ অনুসরণ করি তবে আমাদেরকে দেশ হইতে উৎখাত করা হইবে।’ আমি কি উহাদেরকে এক নিরাপদ হারামে প্রতিষ্ঠিত করি নাই, যেখানে সর্বপ্রকার ফলমূল আমদানী হয় আমার দেওয়া রিযিক স্বরূপ? কিন্তু উহাদের অধিকাংশই ইহা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমরা যদি তোমার সাথে হিদায়াতের পথে চলি, তাহলে আমাদেরকে আমাদের দেশ থেকে উৎখাত করা হবে।’ আমরা কি তোমাদেরকে একটি নিরাপদ হারামে প্রতিষ্ঠিত করিনি, যেখানে সব ধরনের ফল ফলারি আমদানি হয় আমাদের পক্ষ থেকে রিযিক হিসেবে। তবে অধিকাংশ লোকই সত্য জানেনা।

Word by word

وَقَالُوٓا۟ إِن نَّتَّبِعِ ٱلْهُدَىٰ مَعَكَ نُتَخَطَّفْ مِنْ أَرْضِنَآ أَوَلَمْ نُمَكِّن لَّهُمْ حَرَمًا ءَامِنًا يُجْبَىٰٓ إِلَيْهِ ثَمَرَٰتُ كُلِّ شَىْءٍ رِّزْقًا مِّن لَّدُنَّا وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত জনপদকে আমি ধ্বংস করিয়াছি যাহার বাসিন্দারা নিজেদের ভোগ - সম্পদের দম্ভ করিত! এইগুলিই তো উহাদের ঘরবাড়ি ; উহাদের পর এইগুলিতে লোকজন সামান্যই বসবাস করিয়াছে। আর আমি তো চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী !

সমকালীন বাংলা

কত জনপদকে আমি ধ্বংস করিয়াছি যাহার বাসিন্দারা নিজেদের ভোগ - সম্পদের দম্ভ করিত! এইগুলিই তো উহাদের ঘরবাড়ি ; উহাদের পর এইগুলিতে লোকজন সামান্যই বসবাস করিয়াছে। আর আমি তো চূড়ান্ত মালিকানার অধিকারী !

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে জনপদ আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি, যেগুলোর অধিবাসীরা নিজেদের সম্পদ ও জীবিকার দম্ভ করে বেড়াতো! এই যে এগুলো তাদের ঘর - বাড়ি, তাদের পরে এগুলোতে লোকজন সামান্যই বসবাস করেছে। আর প্রকৃত ওয়ারিশ তো আমরাই।

Word by word

وَكَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍۭ بَطِرَتْ مَعِيشَتَهَا فَتِلْكَ مَسَٰكِنُهُمْ لَمْ تُسْكَن مِّنۢ بَعْدِهِمْ إِلَّا قَلِيلًا وَكُنَّا نَحْنُ ٱلْوَٰرِثِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক জনপদসমূহকে ধ্বংস করেন না উহার কেন্দ্রে তাঁহার আয়াত আবৃত্তি করিবার জন্য রাসূল প্রেরণ না করিয়া এবং আমি জনপদসমূহকে তখনই ধ্বংস করি যখন ইহার বাসিন্দারা জুলুম করে।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালক জনপদসমূহকে ধ্বংস করেন না উহার কেন্দ্রে তাঁহার আয়াত আবৃত্তি করিবার জন্য রাসূল প্রেরণ না করিয়া এবং আমি জনপদসমূহকে তখনই ধ্বংস করি যখন ইহার বাসিন্দারা জুলুম করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার রব জনপদসমূহকে ধ্বংস করেন না, যতোক্ষণ না সেগুলোর কেন্দ্রে রসূল পাঠিয়েছেন তাদের প্রতি আমাদের আয়াত তিলাওয়াত করার জন্যে। আমরা যেসব জনপদ ধ্বংস করেছি সেগুলোর অধিবাসীরা ছিলো যালিম।

Word by word

وَمَا كَانَ رَبُّكَ مُهْلِكَ ٱلْقُرَىٰ حَتَّىٰ يَبْعَثَ فِىٓ أُمِّهَا رَسُولًا يَتْلُوا۟ عَلَيْهِمْ ءَايَٰتِنَا وَمَا كُنَّا مُهْلِكِى ٱلْقُرَىٰٓ إِلَّا وَأَهْلُهَا ظَٰلِمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে যাহা কিছু দেওয়া হইয়াছে তাহা তো পার্থিব জীবনের ভোগ ও শোভা এবং যাহা ‌র নিকট আছে তাহা উত্তম ও স্থায়ী। তোমরা কি অনুধাবন করিবে না?

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে যাহা কিছু দেওয়া হইয়াছে তাহা তো পার্থিব জীবনের ভোগ ও শোভা এবং যাহা বৈ নয়। আর আল্লাহর কাছে যা আছ, তা উত্তম ও স্থায়ী। তা তোমরা কি বুঝ না?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যা কিছু দেয়া হয়েছে সেগুলো তো পার্থিব জীবনের ভোগ্য ও সৌন্দর্য। আর আল্লাহর কাছে যা রয়েছে তাই উত্তম ও চিরস্থায়ী। তোমরা কি আকল খাটাবেনা?

Word by word

وَمَآ أُوتِيتُم مِّن شَىْءٍ فَمَتَٰعُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَزِينَتُهَا وَمَا عِندَ ٱللَّهِ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰٓ أَفَلَا تَعْقِلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাকে আমি উত্তম পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়াছি, যাহা সে পাইবে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমান যাহাকে আমি পার্থিব জীবনের ভোগ - সম্ভার দিয়াছি, যাহাকে পরে কিয়ামতের দিন হাযির করা হইবে?

সমকালীন বাংলা

যাহাকে আমি উত্তম পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়াছি, যাহা সে পাইবে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমান যাহাকে আমি পার্থিব জীবনের ভোগ - সম্ভার দিয়াছি, যাহাকে পরে কিয়ামতের দিন হাযির করা হইবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তিকে আমরা উত্তম পুরস্কার প্রদানের ওয়াদা দিয়েছি আর সে অবশ্যি সে পুরস্কারের সাক্ষাত লাভ করবে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য, যাকে আমরা দুনিয়ার জীবনের ভোগের সামগ্রী দিয়েছি, তারপর কিয়ামতের দিন তাকে হাজির করা হবে আসামী হিসেবে?

Word by word

أَفَمَن وَعَدْنَٰهُ وَعْدًا حَسَنًا فَهُوَ لَٰقِيهِ كَمَن مَّتَّعْنَٰهُ مَتَٰعَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ثُمَّ هُوَ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ مِنَ ٱلْمُحْضَرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সেই দিন তিনি উহাদেরকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদেরকে আমার শরীক গণ্য করিতে, তাহারা কোথায়?’

সমকালীন বাংলা

এবং সেই দিন তিনি উহাদেরকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদেরকে আমার শরীক গণ্য করিতে, তাহারা কোথায়?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তিনি তাদের ডেকে বলবেন: ‘কোথায় আজ তারা যাদেরকে তোমরা আমার শরিক বলে ধারণা করতে?’

Word by word

وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ فَيَقُولُ أَيْنَ شُرَكَآءِىَ ٱلَّذِينَ كُنتُمْ تَزْعُمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদের জন্য শাস্তি অবধারিত হইয়াছে তাহারা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! ইহাদেরকেই আমরা বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম ; ইহাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম যেমন আমরা বিভ্রান্ত হইয়াছিলাম ; আপনার সমীপে আমরা দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি চাহিতেছি। ইহারা তো আমাদের ‘ইবাদত করিত না।’

সমকালীন বাংলা

যাহাদের জন্য শাস্তি অবধারিত হইয়াছে তাহারা বলিবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক ! ইহাদেরকেই আমরা বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম ; ইহাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছিলাম যেমন আমরা বিভ্রান্ত হইয়াছিলাম ; আপনার সমীপে আমরা দায়িত্ব হইতে অব্যাহতি চাহিতেছি। ইহারা তো আমাদের ‘ইবাদত করিত না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের উপর শাস্তির বাণী অবধারিত হবে, তারা বলবে: ‘আমাদের প্রভু! এদেরকে আমরাই বিভ্রান্ত করেছিলাম, এদেরকে বিভ্রান্ত করেছিলাম যেমন আমরা বিভ্রান্ত হয়েছিলাম। আমরা আপনার কাছে এদের দুষ্কর্মের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইছি। তারা তো আমাদের ইবাদত করতোনা।’

Word by word

قَالَ ٱلَّذِينَ حَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْقَوْلُ رَبَّنَا هَٰٓؤُلَآءِ ٱلَّذِينَ أَغْوَيْنَآ أَغْوَيْنَٰهُمْ كَمَا غَوَيْنَا تَبَرَّأْنَآ إِلَيْكَ مَا كَانُوٓا۟ إِيَّانَا يَعْبُدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমাদের দেবতাগুলিকে আহ্বান কর।’ তখন ইহারা উহাদেরকে ডাকিবে। কিন্তু উহারা ইহাদের ডাকে সাড়া দিবে না। ইহারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে। হায়! ইহারা যদি সৎপথ অনুসরণ করিত।

সমকালীন বাংলা

উহাদেরকে বলা হইবে, ‘তোমাদের দেবতাগুলিকে আহ্বান কর।’ তখন ইহারা উহাদেরকে ডাকিবে। কিন্তু উহারা ইহাদের ডাকে সাড়া দিবে না। ইহারা শাস্তি প্রত্যক্ষ করিবে। হায়! ইহারা যদি সৎপথ অনুসরণ করিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের বলা হবে: তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরিক বানিয়েছিলে তাদের ডাকো, তখন তারা তাদের ডাকবে, কিন্তু তারা তাদের ডাকের জবাব দেবেনা। তারা তখন আযাব দেখতে পাবে। হায়, তারা যদি হিদায়াতের পথ অনুসরণ করতো?

Word by word

وَقِيلَ ٱدْعُوا۟ شُرَكَآءَكُمْ فَدَعَوْهُمْ فَلَمْ يَسْتَجِيبُوا۟ لَهُمْ وَرَأَوُا۟ ٱلْعَذَابَ لَوْ أَنَّهُمْ كَانُوا۟ يَهْتَدُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সেই দিন ‌ ইহাদেরকে ডাকিয়া বলিবেন, ‘তোমরা রাসূলগণকে কী জবাব দিয়াছিলে?’

সমকালীন বাংলা

আর সেই দিন ইহাদেরকে ডাকিয়া বলিবেন, ‘তোমরা রাসূলগণকে কী জবাব দিয়াছিলে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের ডেকে বলবেন: ‘তোমরা রসূলদের কী জবাব দিয়েছিলে?’

Word by word

وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ فَيَقُولُ مَاذَآ أَجَبْتُمُ ٱلْمُرْسَلِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন সকল তথ্য তাহাদের নিকট হইতে বিলুপ্ত হইবে এবং ইহারা একে অপরকে জিজ্ঞাসাবাদও করিতে পারিবে না।

সমকালীন বাংলা

সেই দিন সকল তথ্য তাহাদের নিকট হইতে বিলুপ্ত হইবে এবং ইহারা একে অপরকে জিজ্ঞাসাবাদও করিতে পারিবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন সব তথ্য তাদের থেকে বিস্মৃত হয়ে যাবে এবং তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসাও করতে পারবেনা।

Word by word

فَعَمِيَتْ عَلَيْهِمُ ٱلْأَنۢبَآءُ يَوْمَئِذٍ فَهُمْ لَا يَتَسَآءَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে যে ব্যক্তি তওবা করিয়াছিল এবং ঈমান আনিয়াছিল ও সৎকর্ম করিয়াছিল, আশা করা যায় সে সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

সমকালীন বাংলা

তবে যে ব্যক্তি তওবা করিয়াছিল এবং ঈমান আনিয়াছিল ও সৎকর্ম করিয়াছিল, আশা করা যায় সে সাফল্য অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যে ব্যক্তি তওবা করবে, ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ করবে, আশা করা যায়, সে সফলতা অর্জনকারীদের অন্তরভুক্ত হবে।

Word by word

فَأَمَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحًا فَعَسَىٰٓ أَن يَكُونَ مِنَ ٱلْمُفْلِحِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালক যাহা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন, ইহাতে উহাদের কােন হাত নাই। ‌ পবিত্র, মহান এবং উহারা যাহাকে শরীক করে তাহা হইতে তিনি ঊর্ধ্বে!

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতিপালক যাহা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন, ইহাতে উহাদের কােন ক্ষমতা নইে। পবত্রি এবং তারা যাকে শরীক কর, তা থাকলে র্উধ্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং যাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন, এতে তাদের কোনো হাত নেই। সে সব থেকে পবিত্র ও মহান, যাদের তারা তাঁর সাথে শরিক করছে।

Word by word

وَرَبُّكَ يَخْلُقُ مَا يَشَآءُ وَيَخْتَارُ مَا كَانَ لَهُمُ ٱلْخِيَرَةُ سُبْحَٰنَ ٱللَّهِ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشْرِكُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তোমার প্রতিপালক জানেন ইহাদের অন্তর যাহা গোপন করে এবং ইহারা যাহা ব্যক্ত করে।

সমকালীন বাংলা

আর তোমার প্রতিপালক জানেন ইহাদের অন্তর যাহা গোপন করে এবং ইহারা যাহা ব্যক্ত করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভু জানেন তাদের অন্তর যা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে।

Word by word

وَرَبُّكَ يَعْلَمُ مَا تُكِنُّ صُدُورُهُمْ وَمَا يُعْلِنُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই ‌ তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, দুনিয়া ও আখিরাতে সমস্ত প্রশংসা তাঁহারই ; বিধান তাঁহারই ; তোমরা তাঁহারই দিকে প্রত্যাবর্তিত হইবে।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই, দুনিয়া ও আখিরাতে সমস্ত প্রশংসা তাঁহারই ; বিধান তাঁহারই ; তোমরা তাঁহারই দিকে প্রত্যাবর্তিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই , তিনি ছাড়া কোনো নেই। সমস্ত প্রশংসা তাঁর দুনিয়া ও আখিরাতে। সার্বভৌমত্ব তাঁরই এবং তাঁর কাছেই ফিরিয়ে নেয়া হবে তোমাদের।

Word by word

وَهُوَ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ لَهُ ٱلْحَمْدُ فِى ٱلْأُولَىٰ وَٱلْءَاخِرَةِ وَلَهُ ٱلْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, ‌ যদি রাত্রিকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, ‌ ব্যতীত এমন কোন্ ইলাহ্ আছে, যে তোমাদেরকে আলোক আনিয়া দিতে পারে? তবুও কি তোমরা কর্ণপাত করিবে না?’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, যদি রাত্রিকে কিয়ামতের দিন পর্যন্তস্থায়ী করেন, ব্যতীত এমন কোন্ ইলাহ্ আছে, যে তোমাদেরকে আলোক আনিয়া দিতে পারে? তবুও কি তোমরা কর্ণপাত করিবে না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি রাতকে কিয়ামতকাল পর্যন্ত তোমাদের উপর স্থায়ী করে দেন, তবে ছাড়া এমন কোনো আছে কি, যে তোমাদের আলো এনে দেবে? তোমরা কি (উপদেশ) শুনবেনা?

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيْكُمُ ٱلَّيْلَ سَرْمَدًا إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ مَنْ إِلَٰهٌ غَيْرُ ٱللَّهِ يَأْتِيكُم بِضِيَآءٍ أَفَلَا تَسْمَعُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, ‌ যদি দিবসকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, ‌ ব্যতীত এমন কোন্ ইলাহ্ আছে, যে তোমাদের জন্য রাত্রির আবির্ভাব ঘটাইবে, যাহাতে তোমরা বিশ্রাম করিতে পার? তবুও কি তোমরা ভাবিয়া দেখিবে না?’

সমকালীন বাংলা

বল, ‘তোমরা ভাবিয়া দেখিয়াছ কি, যদি দিবসকে কিয়ামতের দিন পর্যন্তস্থায়ী করেন, ব্যতীত এমন কোন্ ইলাহ্ আছে, যে তোমাদের জন্য রাত্রির আবির্ভাব ঘটাইবে, যাহাতে তোমরা বিশ্রাম করিতে পার? তবুও কি তোমরা ভাবিয়া দেখিবে না?’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: তোমরা ভেবে দেখেছো কি, যদি দিনকে তোমাদের উপর কিয়ামতকাল পর্যন্ত স্থায়ী করে দেন, তবে কোন্ আছে, যে তোমাদের রাত এনে দেবে যাতে তোমরা বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারো? তোমরা কি ভেবে দেখবেনা?

Word by word

قُلْ أَرَءَيْتُمْ إِن جَعَلَ ٱللَّهُ عَلَيْكُمُ ٱلنَّهَارَ سَرْمَدًا إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ مَنْ إِلَٰهٌ غَيْرُ ٱللَّهِ يَأْتِيكُم بِلَيْلٍ تَسْكُنُونَ فِيهِ أَفَلَا تُبْصِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তাঁহার দয়ায় তোমাদের জন্য করিয়াছেন রজনী ও দিবস, যেন উহাতে তোমরা বিশ্রাম করিতে পার এবং তাঁহার অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তাঁহার দয়ায় তোমাদের জন্য করিয়াছেন রজনী ও দিবস, যেন উহাতে তোমরা বিশ্রাম করিতে পার এবং তাঁহার অনুগ্রহ সন্ধান করিতে পার এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই নিজ দয়ায় তোমাদের জন্যে রাত এবং দিন সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাতে বিশ্রাম নিতে পারো এবং যাতে তোমরা তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পারো আর যাতে করে তোমরা তাঁর শোকর আদায় করতে পারো।

Word by word

وَمِن رَّحْمَتِهِۦ جَعَلَ لَكُمُ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ لِتَسْكُنُوا۟ فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا۟ مِن فَضْلِهِۦ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন তিনি উহাদেরকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদেরকে আমার শরীক গণ্য করিতে তাহারা কোথায়?’

সমকালীন বাংলা

সেই দিন তিনি উহাদেরকে আহ্বান করিয়া বলিবেন, ‘তোমরা যাহাদেরকে আমার শরীক গণ্য করিতে তাহারা কোথায়?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তিনি তাদের ডেকে বলবেন, তোমরা যাদেরকে আমার শরিক বলে ধারণা করতে তারা এখন কোথায়?

Word by word

وَيَوْمَ يُنَادِيهِمْ فَيَقُولُ أَيْنَ شُرَكَآءِىَ ٱلَّذِينَ كُنتُمْ تَزْعُمُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রত্যেক সম্প্রদায় হইতে আমি একজন সাক্ষী বাহির করিয়া আনিব এবং বলিব, ‘তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর।’ তখন উহারা জানিতে পারিবে, ইলাহ্ হইবার অধিকার ‌রই এবং উহারা যাহা উদ্ভাবন করিত তাহা উহাদের নিকট হইতে অন্তর্হিত হইবে।

সমকালীন বাংলা

প্রত্যেক সম্প্রদায় হইতে আমি একজন সাক্ষী বাহির করিয়া আনিব এবং বলিব, ‘তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর।’ তখন উহারা জানিতে পারিবে, ইলাহ্ হইবার অধিকার এবং উহারা যাহা উদ্ভাবন করিত তাহা উহাদের নিকট হইতে অন্তর্হিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা প্রতিটি উম্মত থেকে একজন করে সাক্ষী বের করে আনবো এবং তাদের বলবো: ‘হাজির করো তোমাদের প্রমাণ।’ তখনই তারা জানতে পারবে হবার অধিকার একমাত্র আল্লাহর। আর যাদেরকে তারা (মিথ্যা) বানিয়ে নিয়েছিল তারা সবাই উধাও হয়ে যাবে।

Word by word

وَنَزَعْنَا مِن كُلِّ أُمَّةٍ شَهِيدًا فَقُلْنَا هَاتُوا۟ بُرْهَٰنَكُمْ فَعَلِمُوٓا۟ أَنَّ ٱلْحَقَّ لِلَّهِ وَضَلَّ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কারূন ছিল মূসার সম্প্রদায়ভুক্ত, কিন্তু সে তাহাদের প্রতি ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিয়াছিল। আমি তাহাকে দান করিয়াছিলাম এমন ধনভাণ্ডার যাহার চাবিগুলি বহন করা একদল বলবান লোকের পক্ষেও কষ্টসাধ্য ছিল। স্মরণ কর, তাহার সম্প্রদায় তাহাকে বলিয়াছিল, ‘দম্ভ করিও না, নিশ্চয় ‌ দাম্ভিকদেরকে পসন্দ করেন না।

সমকালীন বাংলা

কারূন ছিল মূসার সম্প্রদায়ভুক্ত, কিন্তু সে তাহাদের প্রতি ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিয়াছিল। আমি তাহাকে দান করিয়াছিলাম এমন ধনভাণ্ডার যাহার চাবিগুলি বহন করা একদল বলবান লোকের পক্ষেও কষ্টসাধ্য ছিল। স্মরণ কর, তাহার সম্প্রদায় তাহাকে বলিয়াছিল, ‘দম্ভ করিও না, দাম্ভকিদরেকে ভালবাসনে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কারূণ ছিলো মূসার কওমেরই একজন। সে তাদের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করেছিল। তাকে আমরা দান করেছিলাম এমন ধনভান্ডার যার চাবিগুলো বহন করা একদল শক্তিশালী লোকের পক্ষেও ছিলো কষ্টসাধ্য। তার কওম তাকে বলেছিল: ‘‘দম্ভ করোনা, দাম্ভিকদের পছন্দ করেন না।

Word by word

إِنَّ قَٰرُونَ كَانَ مِن قَوْمِ مُوسَىٰ فَبَغَىٰ عَلَيْهِمْ وَءَاتَيْنَٰهُ مِنَ ٱلْكُنُوزِ مَآ إِنَّ مَفَاتِحَهُۥ لَتَنُوٓأُ بِٱلْعُصْبَةِ أُو۟لِى ٱلْقُوَّةِ إِذْ قَالَ لَهُۥ قَوْمُهُۥ لَا تَفْرَحْ إِنَّ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘‌ যাহা তোমাকে দিয়াছেন তদ্দ্বারা আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান কর এবং দুনিয়া হইতে তোমার অংশ ভুলিও না; তুমি অনুগ্রহ কর যেমন ‌ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করিয়াছেন এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করিতে চাহিও না। ‌ বিপর্যয় সৃষ্টিকারীকে ভালবাসেন না।’

সমকালীন বাংলা

যাহা তোমাকে দিয়াছেন তদ্দারা আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান কর এবং দুনিয়া হইতে তোমার অংশ ভুলিও না; তুমি অনুগ্রহ কর যেমন তোমার প্রতি অনুগ্রহ করিয়াছেন এবং পৃথবিীতে অর্নথ সৃষ্টি করতে প্রয়াসী হয়াে না। নিশ্চয় অর্নথ সৃষ্টকিারীদরেকে পছন্দ করেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাকে যা দিয়েছেন তা দিয়ে আখিরাতের ঘর সন্ধান করো। দুনিয়ায় তোমার দায়িত্বের অংশ ভুলে যেয়োনা। মানুষের প্রতি ইহসান করো, যেভাবে ইহসান করেছেন তোমার প্রতি। দেশে বিপর্যয় সৃষ্টির চেষ্টা করোনা। নিশ্চয়ই ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেননা।’’

Word by word

وَٱبْتَغِ فِيمَآ ءَاتَىٰكَ ٱللَّهُ ٱلدَّارَ ٱلْءَاخِرَةَ وَلَا تَنسَ نَصِيبَكَ مِنَ ٱلدُّنْيَا وَأَحْسِن كَمَآ أَحْسَنَ ٱللَّهُ إِلَيْكَ وَلَا تَبْغِ ٱلْفَسَادَ فِى ٱلْأَرْضِ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱل

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘এই সম্পদ আমি আমার জ্ঞানবলে প্রাপ্ত হইয়াছি।’ সে কি জানিত না তাহার পূর্বে ধ্বংস করিয়াছেন বহু মানবগোষ্ঠীকে যাহারা তাহা অপেক্ষা শক্তিতে ছিল প্রবল, জনসংখ্যায় ছিল অধিক? অপরাধীদেরকে উহাদের অপরাধ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইবে না।

সমকালীন বাংলা

সে বলিল, ‘এই সম্পদ আমি আমার জ্ঞানবলে প্রাপ্ত হইয়াছি।’ সে কি জানিত না তাহার পূর্বে ধ্বংস করিয়াছেন বহু মানবগোষ্ঠীকে যাহারা তাহা অপেক্ষা শক্তিতে ছিল প্রবল, জনসংখ্যায় ছিল অধিক? অপরাধীদেরকে উহাদের অপরাধ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বললো: ‘এসব সম্পদ আমি লাভ করেছি আমার বিশেষ জ্ঞানের মাধ্যমে।’ সে কি জানেনা, তার আগেও বহু মানব প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছেন যারা ছিলো শক্তিতে তার চাইতেও প্রবল এবং তাদের জনসংখ্যাও ছিলো অধিক। অপরাধীদের জিজ্ঞাসা করা হবেনা তারা কী অপরাধ করেছিল?

Word by word

قَالَ إِنَّمَآ أُوتِيتُهُۥ عَلَىٰ عِلْمٍ عِندِىٓ أَوَلَمْ يَعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ قَدْ أَهْلَكَ مِن قَبْلِهِۦ مِنَ ٱلْقُرُونِ مَنْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُ قُوَّةً وَأَكْثَرُ جَمْعًا وَلَا يُسْـَٔلُ عَن ذُنُو

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কারূন তাহার সম্প্রদায়ের সম্মুখে উপস্থিত হইয়াছিল জাঁকজমকসহকারে। যাহারা পার্থিব জীবন কামনা করিত তাহারা বলিল, ‘আহা, কারূনকে যেইরূপ দেওয়া হইয়াছে আমাদেরকেও যদি তাহা দেওয়া হইত। প্রকৃতই সে মহাভাগ্যবান।’

সমকালীন বাংলা

কারূন তাহার সম্প্রদায়ের সম্মুখে উপস্থিত হইয়াছিল জাঁকজমকসহকারে। যাহারা পার্থিব জীবন কামনা করিত তাহারা বলিল, ‘আহা, কারূনকে যেইরূপ দেওয়া হইয়াছে আমাদেরকেও যদি তাহা দেওয়া হইত। প্রকৃতই সে মহাভাগ্যবান।’

আবদুস শহীদ নাসিম

কারূণ তার কওমের লোকদের সামনে উপস্থিত হয়েছিল জাঁকজমকের সাথে। যারা দুনিয়ার হায়াতটাকেই প্রাধান্য দিতো, তখন তারা বলেছিল: ‘হায়, কারূণকে যেসব সম্পদ দেয়া হয়েছে আমাদেরকেও যদি সেসব দেয়া হতো! সে তো বিরাট ভাগ্যবান।’

Word by word

فَخَرَجَ عَلَىٰ قَوْمِهِۦ فِى زِينَتِهِۦ قَالَ ٱلَّذِينَ يُرِيدُونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا يَٰلَيْتَ لَنَا مِثْلَ مَآ أُوتِىَ قَٰرُونُ إِنَّهُۥ لَذُو حَظٍّ عَظِيمٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হইয়াছিল তাহারা বলিল, ‘ধিক তোমাদেরকে! যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য ‌র পুরস্কারই শ্রেষ্ঠ এবং ধৈর্যশীল ব্যতীত ইহা কেহ পাইবে না।’

সমকালীন বাংলা

এবং যাহাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হইয়াছিল তাহারা বলিল, ‘ধিক তোমাদেরকে! যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাহাদের জন্য পুরস্কারই শ্রেষ্ঠ এবং ধৈর্যশীল ব্যতীত ইহা কেহ পাইবে না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যাদেরকে এলেম দেয়া হয়েছিল তারা বলেছিল: ‘ধ্বংস হও তোমরা, যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ করেছে তাদের জন্যে তো আল্লাহর সওয়াবই (পুরস্কারই) সর্বোত্তম। আর তা তো কেবল সবর অবলম্বনকারীরাই লাভ করবে।’

Word by word

وَقَالَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْعِلْمَ وَيْلَكُمْ ثَوَابُ ٱللَّهِ خَيْرٌ لِّمَنْ ءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحًا وَلَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلصَّٰبِرُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি কারূনকে তাহার প্রাসাদসহ ভূগর্ভে প্রোথিত করিলাম। তাহার স্বপক্ষে এমন কোন দল ছিল না যে ‌র শাস্তি হইতে তাহাকে সাহায্য করিতে পারিত এবং সে নিজেও আত্মরক্ষায় সক্ষম ছিল না।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমি কারূনকে তাহার প্রাসাদসহ ভূগর্ভে প্রোথিত করিলাম। তাহার স্বপক্ষে এমন কোন দল ছিল না যে আল্লহ শাস্তি হইতে তাহাকে সাহায্য করিতে পারিত এবং সে নিজেও আত্মরক্ষারয় সক্ষম ছিল না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমরা তাকে (কারূণকে) তার ঘর - বাড়ি ও প্রাসাদ - অট্টালিকাসহ দাবিয়ে দিয়েছি মাটির নীচে। তখন তাকে আল্লাহর পাকড়াওর বিরুদ্ধে সাহায্য করার কেউই ছিলনা এবং সে নিজেও আত্মরক্ষায় সমর্থ ছিলনা।

Word by word

فَخَسَفْنَا بِهِۦ وَبِدَارِهِ ٱلْأَرْضَ فَمَا كَانَ لَهُۥ مِن فِئَةٍ يَنصُرُونَهُۥ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَمَا كَانَ مِنَ ٱلْمُنتَصِرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পূর্বদিন যাহারা তাহার মত হইবার কামনা করিয়াছিল, তাহারা বলিতে লাগিল, ‘দেখিলে তো, ‌ তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহার জন্য ইচ্ছা তাহার রিযিক বর্ধিত করেন এবং যাহার জন্য ইচ্ছা হ্রাস করেন। যদি ‌ আমাদের প্রতি সদয় না হইতেন তবে আমাদেরকেও তিনি ভূগর্ভে প্রোথিত করিতেন। দেখিলে তো! কাফিররা হয় না।’

সমকালীন বাংলা

পূর্বদিন যাহারা তাহার মত হইবার কামনা করিয়াছিল, তাহারা বলিতে লাগিল, ‘দেখিলে তো, তাঁহার বান্দাদের মধ্যে যাহার জন্য ইচ্ছা তাহার রিযিক বর্ধিত করেন এবং যাহার জন্য ইচ্ছা হরাস করেন। যদি আমাদের প্রতি সদয় না হইতেন তবে আমাদেরকেও তিনি ভূগর্ভে প্রোথিত করিতেন। দেখিলে তো! কাফিররা হয় না।’

আবদুস শহীদ নাসিম

গতকালও যারা তার মতো হবার তামান্না (আকাঙ্ক্ষা) করেছিল, তারা বলতে লাগলো: ‘দেখলে তো, তাঁর বান্দাদের যাকে ইচ্ছা রিযিক প্রশস্ত করে দেন, আর যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন। যদি আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করতেন, তবে আমাদেরকে সহই ধ্বসিয়ে দিতেন। দেখলে তো কাফিররা সাফল্য অর্জন করেনা।’

Word by word

وَأَصْبَحَ ٱلَّذِينَ تَمَنَّوْا۟ مَكَانَهُۥ بِٱلْأَمْسِ يَقُولُونَ وَيْكَأَنَّ ٱللَّهَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَوْلَآ أَن مَّنَّ ٱللَّهُ عَلَيْنَا لَخَسَفَ بِنَا وَيْكَأَنّ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা আখিরাতের সেই আবাস যাহা আমি নির্ধারিত করি তাহাদের জন্য যাহারা এই পৃথিবীতে উদ্ধত হইতে ও বিপর্যয় সৃষ্টি করিতে চাহে না। শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য।

সমকালীন বাংলা

ইহা আখিরাতের সেই আবাস যাহা আমি নির্ধারিত করি তাহাদের জন্য যাহারা এই পৃথিবীতে উদ্ধত হইতে ও বিপর্যয় সৃষ্টি করিতে চাহে না। শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

আখিরাতের সেই ঘর আমরা তৈরি করে রেখেছি তাদের জন্যে, যারা পৃথিবীতে উদ্ধত হতে চায়না এবং সৃষ্টি করতে চায়না ফাসাদ, আর শুভ পরিণাম তো মুত্তাকিদের জন্যেই।

Word by word

تِلْكَ ٱلدَّارُ ٱلْءَاخِرَةُ نَجْعَلُهَا لِلَّذِينَ لَا يُرِيدُونَ عُلُوًّا فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا فَسَادًا وَٱلْعَٰقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে কেহ সৎকর্ম লইয়া উপস্থিত হয় তাহার জন্য রহিয়াছে উহা অপেক্ষা উত্তম ফল, আর যে মন্দ কর্ম লইয়া উপস্থিত হয়, তবে যাহারা মন্দ কর্ম করে তাহাদেরকে তাহারা যাহা করিয়াছে উহারই শাস্তি দেওয়া হইবে।

সমকালীন বাংলা

যে কেহ সৎকর্ম লইয়া উপস্থিত হয় তাহার জন্য রহিয়াছে উহা অপেক্ষা উত্তম ফল, আর যে মন্দ কর্ম লইয়া উপস্থিত হয়, তবে যাহারা মন্দ কর্ম করে তাহাদেরকে তাহারা যাহা করিয়াছে উহারই শাস্তি দেওয়া হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে কেউ (সেখানে) কোনো ভালো কাজ নিয়ে উপস্থিত হবে, সে তার চাইতে উত্তম প্রতিফল লাভ করবে। আর যে কেউ মন্দ কাজ নিয়ে উপস্থিত হবে, তবে যারাই মন্দ কাজ করেছে তাদেরকে প্রতিদান দেয়া হবে কেবল তাদের আমলের অনুরূপ।

Word by word

مَن جَآءَ بِٱلْحَسَنَةِ فَلَهُۥ خَيْرٌ مِّنْهَا وَمَن جَآءَ بِٱلسَّيِّئَةِ فَلَا يُجْزَى ٱلَّذِينَ عَمِلُوا۟ ٱلسَّيِّـَٔاتِ إِلَّا مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যিনি তোমার জন্য কুরআনকে করিয়াছেন বিধান তিনি তোমাকে অবশ্যই ফিরাইয়া আনিবেন জন্মভূমিতে। বল, ‘আমার প্রতিপালক ভাল জানেন কে সৎপথের নির্দেশ আনিয়াছে এবং কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে।’

সমকালীন বাংলা

যিনি তোমার জন্য কুরআনকে করিয়াছেন বিধান তিনি তোমাকে অবশ্যই ফিরাইয়া আনিবেন জন্মভূমিতে। বল, ‘আমার প্রতিপালক ভাল জানেন কে সৎপথের নির্দেশ আনিয়াছে এবং কে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে।’

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি তোমার প্রতি কুরআনকে বিধান বানিয়ে দিয়েছেন, তিনি অবশ্যি তোমাকে ফেরত আনবেন তোমার জন্মভূমিতে। বলো: ‘আমার প্রভুই অধিক জানেন কে হিদায়াত নিয়ে এসেছে, আর কে রয়েছে সুস্পষ্ট বিপথগামিতায় নিমজ্জিত।’

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِى فَرَضَ عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ لَرَآدُّكَ إِلَىٰ مَعَادٍ قُل رَّبِّىٓ أَعْلَمُ مَن جَآءَ بِٱلْهُدَىٰ وَمَنْ هُوَ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি আশা কর নাই যে, তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হইবে। ইহা তো কেবল তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনও কাফিরদের সহায় হইও না।

সমকালীন বাংলা

তুমি আশা কর নাই যে, তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হইবে। ইহা তো কেবল তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনও কাফিরদের সহায় হইও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করা হবে তুমি তো কখনো সেই আশা পোষণ করোনি। এটা তো তোমার প্রভুরই অনুগ্রহ! সুতরাং তুমি কখনো কাফিরদের সাহায্যকারী হয়োনা।

Word by word

وَمَا كُنتَ تَرْجُوٓا۟ أَن يُلْقَىٰٓ إِلَيْكَ ٱلْكِتَٰبُ إِلَّا رَحْمَةً مِّن رَّبِّكَ فَلَا تَكُونَنَّ ظَهِيرًا لِّلْكَٰفِرِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতি ‌র আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর উহারা যেন তোমাকে কিছুতেই সেগুলি হইতে বিমুখ না করে। তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে আহ্বান কর এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

সমকালীন বাংলা

তোমার প্রতি আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর উহারা যেন তোমাকে কিছুতেই সেগুলি হইতে বিমুখ না করে। তুমি তোমার প্রতিপালকের দিকে আহ্বান কর এবং কিছুতেই মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হইও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রতি আল্লাহর আয়াত নাযিল হবার পর তারা যেনো তা থেকে তোমাকে কিছুতেই বিরত না রাখতে পারে। তুমি মানুষকে দাওয়াত দাও তোমার প্রভুর দিকে এবং কিছুতেই তুমি মুশরিকদের অন্তরভুক্ত হয়োনা।

Word by word

وَلَا يَصُدُّنَّكَ عَنْ ءَايَٰتِ ٱللَّهِ بَعْدَ إِذْ أُنزِلَتْ إِلَيْكَ وَٱدْعُ إِلَىٰ رَبِّكَ وَلَا تَكُونَنَّ مِنَ ٱلْمُشْرِكِينَ

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি ‌র সঙ্গে অন্য ইলাহ্‌কে ডাকিও না, তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই। ‌র সত্তা ব্যতীত সমস্ত কিছুই ধ্বংসশীল। বিধান তাঁহারই এবং তাঁহারই নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হইবে।

সমকালীন বাংলা

তুমি সঙ্গে অন্য ইলাহ্কে ডাকিও না, তিনি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই। সত্তা ব্যতীত সমস্ত কিছুই ধ্বংসশীল। বিধান তাঁহারই এবং তাঁহারই নিকট তোমরা প্রত্যাবর্তিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি আল্লাহর সাথে অন্য ডেকোনা। কারণ, তিনি ছাড়া আর কোনো নেই। তাঁর সত্তা ছাড়া প্রতিটি জিনিসই ধ্বংসশীল। সর্বময় ক্ষমতা তাঁরই এবং তোমাদেরকে তাঁরই কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

Word by word

وَلَا تَدْعُ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ كُلُّ شَىْءٍ هَالِكٌ إِلَّا وَجْهَهُۥ لَهُ ٱلْحُكْمُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme