আল ইনসান , choose another chapter
আল ইনসান
Chapter 76, 31 verses
মুহিউদ্দীন খান
Arabic
জহুরুল হক
Word by word
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ মানুষের উপর এমন কিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না।
Arabic
١ بسم الله الرحمن الرحيم هل أتى على الإنسان حين من الدهر لم يكن شيئا مذكورا
জহুরুল হক
১ মানুষের উপরে কি দীর্ঘ সময়ের অবকাশ অতিবাহিত হয় নি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিল না?
Word by word
١ هَلْ أَتَىٰ عَلَى ٱلْإِنسَٰنِ حِينٌ مِّنَ ٱلدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْـًٔا مَّذْكُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২ আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে, এভাবে যে, তাকে পরীক্ষা করব অতঃপর তাকে করে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।
Arabic
٢ إنا خلقنا الإنسان من نطفة أمشاج نبتليه فجعلناه سميعا بصيرا
জহুরুল হক
২ নিঃসন্দেহ আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি সংযুক্ত এক শুক্রকীট থেকে, আমরা তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছি, সেজন্য আমরা তা কে বানিয়েছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।
Word by word
٢ إِنَّا خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ نَّبْتَلِيهِ فَجَعَلْنَٰهُ سَمِيعًۢا بَصِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৩ আমি তাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছি। এখন সে হয় কৃতজ্ঞ হয়, না হয় অকৃতজ্ঞ হয়।
Arabic
٣ إنا هديناه السبيل إما شاكرا وإما كفورا
জহুরুল হক
৩ নিঃসন্দেহ আমরা তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি, - - হয় সে কৃতজ্ঞ হবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হবে।
Word by word
٣ إِنَّا هَدَيْنَٰهُ ٱلسَّبِيلَ إِمَّا شَاكِرًا وَإِمَّا كَفُورًا
মুহিউদ্দীন খান
৪ আমি অবিশ্বাসীদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছি শিকল, বেড়ি ও প্রজ্বলিত অগ্নি।
Arabic
٤ إنا أعتدنا للكافرين سلاسل وأغلالا وسعيرا
জহুরুল হক
৪ আমরা অবশ্য অকৃতজ্ঞদের জন্য তৈরি করেছি শিকল ও বেড়ি, আর জ্বলন্ত আগুন।
Word by word
٤ إِنَّآ أَعْتَدْنَا لِلْكَٰفِرِينَ سَلَٰسِلَا۟ وَأَغْلَٰلًا وَسَعِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৫ নিশ্চয়ই সৎকর্মশীলরা পান করবে কাফুর মিশ্রিত পানপাত্র।
Arabic
٥ إن الأبرار يشربون من كأس كان مزاجها كافورا
জহুরুল হক
৫ নিঃসন্দেহ পুণ্যাত্মারা পান করবে এমন একটি পাত্র থেকে যার মেজাজ হবে কর্পূরের - -
Word by word
٥ إِنَّ ٱلْأَبْرَارَ يَشْرَبُونَ مِن كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا
মুহিউদ্দীন খান
৬ এটা একটা ঝরণা, যা থেকে আল্লাহর বান্দাগণ পান করবে - তারা একে প্রবাহিত করবে।
Arabic
٦ عينا يشرب بها عباد الله يفجرونها تفجيرا
জহুরুল হক
৬ একটি ফোয়ারা - - যা থেকে আল্লাহ্ র বান্দারা পান করবে, তারা এটিকে প্রবাহিত করবে অবিরাম ধারায়।
Word by word
٦ عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ ٱللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৭ তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।
Arabic
٧ يوفون بالنذر ويخافون يوما كان شره مستطيرا
জহুরুল হক
৭ তারা মানত পালন করে, এবং ভয় করে সেই দিনটির যার ধ্বংসলীলা হবে সুদূরপ্রসারী।
Word by word
٧ يُوفُونَ بِٱلنَّذْرِ وَيَخَافُونَ يَوْمًا كَانَ شَرُّهُۥ مُسْتَطِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৮ তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে।
Arabic
٨ ويطعمون الطعام على حبه مسكينا ويتيما وأسيرا
জহুরুল হক
৮ আর তারা তাঁর প্রতি প্রেমবশতঃ খাবার খেতে দেয় অভাবগ্রস্তকে ও এতিমকে ও বন্দীকে - -
Word by word
٨ وَيُطْعِمُونَ ٱلطَّعَامَ عَلَىٰ حُبِّهِۦ مِسْكِينًا وَيَتِيمًا وَأَسِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৯ তারা বলেঃ কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না।
Arabic
٩ إنما نطعمكم لوجه الله لا نريد منكم جزاء ولا شكورا
জহুরুল হক
৯ ''আমরা তোমাদের খেতে দিচ্ছি শুধু আল্লাহ্ র সন্তষ্টিলাভের জন্য, তোমাদের থেকে আমরা কোনো প্রতিদান চাই না, কৃতজ্ঞতাও নয়।
Word by word
٩ إِنَّمَا نُطْعِمُكُمْ لِوَجْهِ ٱللَّهِ لَا نُرِيدُ مِنكُمْ جَزَآءً وَلَا شُكُورًا
মুহিউদ্দীন খান
১০ আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের ভয় রাখি।
Arabic
١٠ إنا نخاف من ربنا يوما عبوسا قمطريرا
জহুরুল হক
১০ ''আমরা আলবৎ আমাদের প্রভুর নিকট থেকে এক ভীতিপ্রদ বিপদসংকুল দিনের ভয় করি।’’
Word by word
١٠ إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১১ অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে সেদিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন এবং তাদেরকে দিবেন সজীবতা ও আনন্দ।
Arabic
١١ فوقاهم الله شر ذلك اليوم ولقاهم نضرة وسرورا
জহুরুল হক
১১ কাজেই আল্লাহ্ তাদের রক্ষা করবেন সেইদিনের অকল্যাণ থেকে এবং তাদের সাক্ষাৎ করাবেন প্রফুল্লতার ও প্রশান্তির সাথে,
Word by word
١١ فَوَقَىٰهُمُ ٱللَّهُ شَرَّ ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمِ وَلَقَّىٰهُمْ نَضْرَةً وَسُرُورًا
মুহিউদ্দীন খান
১২ এবং তাদের সবরের প্রতিদানে তাদেরকে দিবেন জান্নাত ও রেশমী পোশাক।
Arabic
١٢ وجزاهم بما صبروا جنة وحريرا
জহুরুল হক
১২ আর যেহেতু তারা অধ্যবসায় চালিয়েছিল সেজন্য প্রতিদানে তাদের দেবেন বাগান ও রেশমী পোশাক,
Word by word
١٢ وَجَزَىٰهُم بِمَا صَبَرُوا۟ جَنَّةً وَحَرِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তারা সেখানে সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। সেখানে রৌদ্র ও শৈত্য অনুভব করবে না।
Arabic
١٣ متكئين فيها على الأرائك ۖ لا يرون فيها شمسا ولا زمهريرا
জহুরুল হক
১৩ তারা সেখানে সমাসীন থাকবে রাজকীয় আসনে, তারা সেখানে দেখতে পাবে না সূর্যোত্তাপ, না কোনো কনকনে ঠান্ডা,
Word by word
١٣ مُّتَّكِـِٔينَ فِيهَا عَلَى ٱلْأَرَآئِكِ لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তার বৃক্ষছায়া তাদের উপর ঝুঁকে থাকবে এবং তার ফলসমূহ তাদের আয়ত্তাধীন রাখা হবে।
Arabic
١٤ ودانية عليهم ظلالها وذللت قطوفها تذليلا
জহুরুল হক
১৪ আর তাদের সন্নিকটে থাকবে তাদের গাছের ছায়া, আর তাদের থোকা - থোকা ফল থাকবে নত হয়ে নাগালের মধ্যে।
Word by word
١٤ وَدَانِيَةً عَلَيْهِمْ ظِلَٰلُهَا وَذُلِّلَتْ قُطُوفُهَا تَذْلِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তাদেরকে পরিবেশন করা হবে রূপার পাত্রে এবং স্ফটিকের মত পানপাত্রে।
Arabic
١٥ ويطاف عليهم بآنية من فضة وأكواب كانت قواريرا
জহুরুল হক
১৫ আর তাদের সামনে পরিবেশন করা হবে রূপোর পেয়ালা ও ঝলমলে কাচের পানপাত্র, - -
Word by word
١٥ وَيُطَافُ عَلَيْهِم بِـَٔانِيَةٍ مِّن فِضَّةٍ وَأَكْوَابٍ كَانَتْ قَوَارِيرَا۠
মুহিউদ্দীন খান
১৬ রূপালী স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশনকারীরা তা পরিমাপ করে পূর্ণ করবে।
Arabic
١٦ قوارير من فضة قدروها تقديرا
জহুরুল হক
১৬ চাঁদির তৈরি চক্মকে কাচের মতো, - - তারা তা মেপে নেবে একটি পরিমাপে।
Word by word
١٦ قَوَارِيرَا۟ مِن فِضَّةٍ قَدَّرُوهَا تَقْدِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১৭ তাদেরকে সেখানে পান করানো হবে ‘যানজাবীল’ মিশ্রিত পানপাত্র।
Arabic
١٧ ويسقون فيها كأسا كان مزاجها زنجبيلا
জহুরুল হক
১৭ আর তাদের তাতে পান করানো হবে এমন একটি পাত্র যার মেজাজ হবে আদ্রকের, - -
Word by word
١٧ وَيُسْقَوْنَ فِيهَا كَأْسًا كَانَ مِزَاجُهَا زَنجَبِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
১৮ এটা জান্নাতস্থিত ‘সালসাবীল’ নামক একটি ঝরণা।
Arabic
١٨ عينا فيها تسمى سلسبيلا
জহুরুল হক
১৮ তার মধ্যের একটি ফোয়ারাতে যার নাম দেয়া হয়েছে সাল্সাবীল।
Word by word
١٨ عَيْنًا فِيهَا تُسَمَّىٰ سَلْسَبِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
১৯ তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরগণ। আপনি তাদেরকে দেখে মনে করবেন যেন বিক্ষিপ্ত মনি - মুক্তা।
Arabic
١٩ ۞ ويطوف عليهم ولدان مخلدون إذا رأيتهم حسبتهم لؤلؤا منثورا
জহুরুল হক
১৯ আর তাদের প্রদক্ষিণ করবে চিরস্ফুটিত কিশোরগণ, - - তোমরা যখন তাদের দেখবে তাদের তোমরা ভাববে ছড়ানো মুক্তো!
Word by word
١٩ وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَٰنٌ مُّخَلَّدُونَ إِذَا رَأَيْتَهُمْ حَسِبْتَهُمْ لُؤْلُؤًا مَّنثُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২০ আপনি যখন সেখানে দেখবেন, তখন নেয়ামতরাজি ও বিশাল রাজ্য দেখতে পাবেন।
Arabic
٢٠ وإذا رأيت ثم رأيت نعيما وملكا كبيرا
জহুরুল হক
২০ আর যখন তুমি সেখানে চেয়ে দেখবে, তুমি দেখতে পাবে অনুগ্রহ - সামগ্রী ও এক বিশাল রাজ্য।
Word by word
٢٠ وَإِذَا رَأَيْتَ ثَمَّ رَأَيْتَ نَعِيمًا وَمُلْكًا كَبِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
২১ তাদের আবরণ হবে চিকন সবুজ রেশম ও মোটা সবুজ রেশম এবং তাদেরকে পরিধান করোনো হবে রৌপ্য নির্মিত কংকণ এবং তাদের পালনকর্তা তাদেরকে পান করাবেন ‘শরাবান - তহুরা’।
Arabic
٢١ عاليهم ثياب سندس خضر وإستبرق ۖ وحلوا أساور من فضة وسقاهم ربهم شرابا طهورا
জহুরুল হক
২১ তাদের পরিধেয় হবে মিহি সবুজ রেশমের ও পুরু জরির পোশাক, আর তাদের অলংকৃত করানো হবে রূপোর কাঁকন দিয়ে, আর তাদের প্রভু তাদের পান করাবেন এক পবিত্র পানীয়।
Word by word
٢١ عَٰلِيَهُمْ ثِيَابُ سُندُسٍ خُضْرٌ وَإِسْتَبْرَقٌ وَحُلُّوٓا۟ أَسَاوِرَ مِن فِضَّةٍ وَسَقَىٰهُمْ رَبُّهُمْ شَرَابًا طَهُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২২ এটা তোমাদের প্রতিদান। তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃতি লাভ করেছে।
Arabic
٢٢ إن هذا كان لكم جزاء وكان سعيكم مشكورا
জহুরুল হক
২২ ''নিঃসন্দেহ এটি হচ্ছে তোমাদের জন্য পুরস্কার, আর তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।’’
Word by word
٢٢ إِنَّ هَٰذَا كَانَ لَكُمْ جَزَآءً وَكَانَ سَعْيُكُم مَّشْكُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২৩ আমি আপনার প্রতি পর্যায়ক্রমে কোরআন নাযিল করেছি।
Arabic
٢٣ إنا نحن نزلنا عليك القرآن تنزيلا
জহুরুল হক
২৩ নিঃসন্দেহ আমরা - - আমরা স্বয়ং তোমার কাছে এই কুরআান এক অবতারণে অবতীর্ণ করেছি।
Word by word
٢٣ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ تَنزِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৪ অতএব, আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের জন্যে ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করুন এবং ওদের মধ্যকার কোন পাপিষ্ঠ কাফেরের আনুগত্য করবেন না।
Arabic
٢٤ فاصبر لحكم ربك ولا تطع منهم آثما أو كفورا
জহুরুল হক
২৪ সুতরাং তোমার প্রভুর নির্দেশের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, আর তাদের মধ্যেকার কোনো পাপিষ্ঠের অথবা সত্যপ্রত্যাখ্যান - কারীর আজ্ঞা পালন করো না।
Word by word
٢٤ فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تُطِعْ مِنْهُمْ ءَاثِمًا أَوْ كَفُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২৫ এবং সকাল - সন্ধ্যায় আপন পালনকর্তার নাম স্মরণ করুন।
Arabic
٢٥ واذكر اسم ربك بكرة وأصيلا
জহুরুল হক
২৫ আর তোমার প্রভুর নাম কীর্তন করো সকালে ও বিকেলে,
Word by word
٢٥ وَٱذْكُرِ ٱسْمَ رَبِّكَ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৬ রাত্রির কিছু অংশে তাঁর উদ্দেশে সিজদা করুন এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
Arabic
٢٦ ومن الليل فاسجد له وسبحه ليلا طويلا
জহুরুল হক
২৬ আর রাতের থেকে তাঁর প্রতি সিজদা করো, আর লন্বা রাত পর্যন্ত তাঁর গুণগান করো।
Word by word
٢٦ وَمِنَ ٱلَّيْلِ فَٱسْجُدْ لَهُۥ وَسَبِّحْهُ لَيْلًا طَوِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৭ নিশ্চয় এরা পার্থিব জীবনকে ভালবাসে এবং এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে।
Arabic
٢٧ إن هؤلاء يحبون العاجلة ويذرون وراءهم يوما ثقيلا
জহুরুল হক
২৭ নিঃসন্দেহ এরা ভালবাসে অস্থায়ী জীবন, আর অবহেলা করে এদের সামনের এক কঠিন দিনকে।
Word by word
٢٧ إِنَّ هَٰٓؤُلَآءِ يُحِبُّونَ ٱلْعَاجِلَةَ وَيَذَرُونَ وَرَآءَهُمْ يَوْمًا ثَقِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৮ আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন। আমি যখন ইচ্ছা করব, তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ লোক আনব।
Arabic
٢٨ نحن خلقناهم وشددنا أسرهم ۖ وإذا شئنا بدلنا أمثالهم تبديلا
জহুরুল হক
২৮ আমরাই তাদের সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন, কাজেই যখন আমরা চাইব তখন তাদের অনুরূপদের আমরা বদলে দেবো আমূল পরিবর্তনে।
Word by word
٢٨ نَّحْنُ خَلَقْنَٰهُمْ وَشَدَدْنَآ أَسْرَهُمْ وَإِذَا شِئْنَا بَدَّلْنَآ أَمْثَٰلَهُمْ تَبْدِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৯ এটা উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা হয় সে তার পালনকর্তার পথ অবলম্বন করুক।
Arabic
٢٩ إن هذه تذكرة ۖ فمن شاء اتخذ إلى ربه سبيلا
জহুরুল হক
২৯ নিঃসন্দেহ এটি এক স্মরণীয় বার্তা, সুতরাং যে ইচ্ছা করে সে তার প্রভুর দিকে পথ ধরুক।
Word by word
٢٩ إِنَّ هَٰذِهِۦ تَذْكِرَةٌ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ سَبِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
৩০ আল্লাহর অভিপ্রায় ব্যতিরেকে তোমরা অন্য কোন অভিপ্রায় পোষণ করবে না। আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
Arabic
٣٠ وما تشاءون إلا أن يشاء الله ۚ إن الله كان عليما حكيما
জহুরুল হক
৩০ আর তোমরা চাও না আল্লাহ্ র চাওয়া ব্যতিরেকে। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ হচ্ছেন সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
Word by word
٣٠ وَمَا تَشَآءُونَ إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের জন্যে তো প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
Arabic
٣١ يدخل من يشاء في رحمته ۚ والظالمين أعد لهم عذابا أليما
জহুরুল হক
৩১ তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তাঁর অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করান। কিন্ত অন্যায়কারীরা - - তাদের জন্য তিনি তৈরি করেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
Word by word
٣١ يُدْخِلُ مَن يَشَآءُ فِى رَحْمَتِهِۦ وَٱلظَّٰلِمِينَ أَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًۢا
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report