আল নমল , choose another chapter
আল নমল
Chapter 27, 93 verses
মুহিউদ্দীন খান
বাংলা উচ্চারণ
আবদুস শহীদ নাসিম
Word by word
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ ত্বা - সীন; এগুলো আল - কোরআনের আয়াত এবং আয়াত সুস্পষ্ট কিতাবের।
বাংলা উচ্চারণ
১ বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ত্বোয়া-সী-ন্ তিলকা আ-ইয়া-তুল্ ক্বর্আ-নি অকিতা-বিম্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ তোয়া সিন। এগুলো আয়াত আল কুরআন ও সুস্পষ্ট কিতাবের,
Word by word
١ طسٓ تِلْكَ ءَايَٰتُ ٱلْقُرْءَانِ وَكِتَابٍ مُّبِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
২ মুমিনদের জন্যে পথ নির্দেশ ও সুসংবাদ।
বাংলা উচ্চারণ
২ হুদাঁও অবুশ্রা লিল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২ হিদায়াত ও সুসংবাদ সেইসব মুমিনদের জন্যে,
Word by word
٢ هُدًى وَبُشْرَىٰ لِلْمُؤْمِنِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩ যারা নামায কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং পরকালে নিশ্চিত বিশ্বাস করে।
বাংলা উচ্চারণ
৩ আল্লাযীনা ইয়ুক্বীমূনাছ্ ছ্লা-তা অ ইয়ুতূনায্ যাকা-তা অহুম বিল্আ-খিরতি হুম্ ইয়ূক্বিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ যারা কায়েম করে সালাত , প্রদান করে যাকাত এবং তারা আখিরাতের প্রতি রাখে একীন।
Word by word
٣ ٱلَّذِينَ يُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَهُم بِٱلْءَاخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪ যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে সুশোভিত করে দিয়েছি। অতএব, তারা উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়।
বাংলা উচ্চারণ
৪ ইন্নাল্লাযীনা লা-ইয়ুমিনূনা বিল্আ-খিরতি যাইয়্যান্না-লাহুম্ আ'মা-লাহুম্ ফাহুম্ ইয়া'মাহূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ আর যারা ঈমান রাখেনা আখিরাতের প্রতি, আমরা তাদের চোখে তাদের কর্মকান্ডকে চাকচিক্যময় করে দিয়েছি, ফলে তারা বিভ্রান্তের মতো ঘুরে বেড়ায়।
Word by word
٤ إِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْءَاخِرَةِ زَيَّنَّا لَهُمْ أَعْمَٰلَهُمْ فَهُمْ يَعْمَهُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫ তাদের জন্যেই রয়েছে মন্দ শাস্তি এবং তারাই পরকালে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত।
বাংলা উচ্চারণ
৫ উলা-য়িকাল্ লাযীনা লাহুম্ সূ-য়ুল্ 'আযা-বি অহুম্ ফিল্ আ-খিরতি হুমুল্ আখ্সারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ এরা সেইসব লোক যাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট ধরনের আযাব, আর আখিরাতে তারাই হবে ক্ষতিগ্রস্ত।
Word by word
٥ أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ لَهُمْ سُوٓءُ ٱلْعَذَابِ وَهُمْ فِى ٱلْءَاخِرَةِ هُمُ ٱلْأَخْسَرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬ এবং আপনাকে কোরআন প্রদত্ত হচ্ছে প্রজ্ঞাময়, জ্ঞানময় আল্লাহর কাছ থেকে।
বাংলা উচ্চারণ
৬ অইন্নাকা লাতুলাকক্বল্ ক্বরআ-না মিল্লাদুন্ হাক্বীমিন্ 'আলীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তোমাকে এই কুরআন দেয়া হচ্ছে প্রজ্ঞাবান সর্বজ্ঞানী আল্লাহর পক্ষ থেকে।
Word by word
٦ وَإِنَّكَ لَتُلَقَّى ٱلْقُرْءَانَ مِن لَّدُنْ حَكِيمٍ عَلِيمٍ
মুহিউদ্দীন খান
৭ যখন মূসা তাঁর পরিবারবর্গকে বললেনঃ আমি অগ্নি দেখেছি, এখন আমি সেখান থেকে তোমাদের জন্যে কোন খবর আনতে পারব অথবা তোমাদের জন্যে জ্বলন্ত অঙ্গার নিয়ে আসতে পারব যাতে তোমরা আগুন পোহাতে পার।
বাংলা উচ্চারণ
৭ ইয্ ক্ব-লা মূসা- লিআহ্লিহী য় ইন্নী য় আ-নাস্তু না-র- সাআ-তীকুম্ মিন্হা-বিখাবারিন্ আও আ-তীকুম্ বিশিহা-বিন্ ক্ববাসিল্ লা'আল্লাকুম্ তাছ্ত্বোয়ালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ স্মরণ করো, মূসা তার পরিবারবর্গকে বলেছিল: ‘আমি আগুন দেখেছি। শীঘ্রি আমি সেখান থেকে তোমাদের জন্যে কোনো খবর নিয়ে আসবো, অথবা নিয়ে আসবো সেখান থেকে জ্বলন্ত অঙ্গার, যেনো তোমরা আগুন পোহাতে পারো।
Word by word
٧ إِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِأَهْلِهِۦٓ إِنِّىٓ ءَانَسْتُ نَارًا سَـَٔاتِيكُم مِّنْهَا بِخَبَرٍ أَوْ ءَاتِيكُم بِشِهَابٍ قَبَسٍ لَّعَلَّكُمْ تَصْطَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮ অতঃপর যখন তিনি আগুনের কাছে আসলেন তখন আওয়াজ হল ধন্য তিনি, যিনি আগুনের স্থানে আছেন এবং যারা আগুনের আশেপাশে আছেন। বিশ্ব জাহানের পালনকর্তা আল্লাহ পবিত্র ও মহিমান্বিত।
বাংলা উচ্চারণ
৮ ফালাম্মা-জ্বা-য়াহা-নূদিয়া আম্ বুরিকা মান্ ফিন্না-রি অমান্ হাওলাহা-অসুব্হা-নাল্লা-হি রব্বিল্ 'আ-লামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ মূসা সেখানে আসতেই ঘোষণা দেয়া হলো: ‘কল্যাণের অধিকারী করে দেয়া হলো যারা আছে এই আগুনের মধ্যে এবং এর চারপাশে, আর আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন পবিত্র ও মহান।’
Word by word
٨ فَلَمَّا جَآءَهَا نُودِىَ أَنۢ بُورِكَ مَن فِى ٱلنَّارِ وَمَنْ حَوْلَهَا وَسُبْحَٰنَ ٱللَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯ হে মূসা, আমি আল্লাহ , প্রবল পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
বাংলা উচ্চারণ
৯ ইয়া-মূসা য় ইন্নাহূ য় আনাল্লা-হুল্ 'আযীযুল্ হাকীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ হে মূসা! নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্ , আযিযুল হাকিম (মহাশক্তিধর, প্রজ্ঞাময়)।
Word by word
٩ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّهُۥٓ أَنَا ٱللَّهُ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ
মুহিউদ্দীন খান
১০ আপনি নিক্ষেপ করুন আপনার লাঠি। অতঃপর যখন তিনি তাকে সর্পের ন্যায় ছুটাছুটি করতে দেখলেন, তখন তিনি বিপরীত দিকে ছুটতে লাগলেন এবং পেছন ফিরেও দেখলেন না। হে মূসা, ভয় করবেন না। আমি যে রয়েছি, আমার কাছে পয়গম্বরগণ ভয় করেন না।
বাংলা উচ্চারণ
১০ অ আল্ক্বি 'আসোয়া-ক্ ফালাম্মা-রয়া-হা- তাহ্তায্যু কায়ান্নাহা-জ্বা-ন্নুঁও অল্লা-মুদ্বিরাঁও অলাম্ ইয়ু'আকক্বিব্ ইয়া-মূসা-লা-তাখাফ্ ইন্নী লা-ইয়াখ-ফু লাদাইয়্যাল্ র্মুসালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তোমার লাঠি নিক্ষেপ করো। তারপর সে যখন দেখলো সেটি সাপের মতো ছুটাছুটি করছে, সে পেছনে ফিরে দৌড়াতে থাকলো এবং ফিরেও তাকালোনা। তখন তাকে ডেকে বলা হলো: ‘‘হে মূসা! ভয় পেয়োনা, নিশ্চয়ই আমার কাছে এসে রসূলরা ভয় পায়না।
Word by word
١٠ وَأَلْقِ عَصَاكَ فَلَمَّا رَءَاهَا تَهْتَزُّ كَأَنَّهَا جَآنٌّ وَلَّىٰ مُدْبِرًا وَلَمْ يُعَقِّبْ يَٰمُوسَىٰ لَا تَخَفْ إِنِّى لَا يَخَافُ لَدَىَّ ٱلْمُرْسَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১১ তবে যে বাড়াবাড়ি করে এরপর মন্দ কর্মের পরিবর্তে সৎকর্ম করে। নিশ্চয় আমি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
বাংলা উচ্চারণ
১১ ইল্লা-মান্ জোয়ালামা ছুম্মা বাদ্দালা হুস্নাম্ বা'দা সূ-য়িন্ ফাইন্নী গফূর্রু রহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তবে যারা যুলুম করে এবং তারপর মন্দ কাজের পরিবর্তে পুণ্য কাজ করে, তাদের প্রতি আমি পরম ক্ষমাশীল দয়াময়
Word by word
١١ إِلَّا مَن ظَلَمَ ثُمَّ بَدَّلَ حُسْنًۢا بَعْدَ سُوٓءٍ فَإِنِّى غَفُورٌ رَّحِيمٌ
মুহিউদ্দীন খান
১২ আপনার হাত আপনার বগলে ঢুকিয়ে দিন, সুশুভ্র হয়ে বের হবে নির্দোষ অবস্থায়। এগুলো ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়ের কাছে আনীত নয়টি নিদর্শনের অন্যতম। নিশ্চয় তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।
বাংলা উচ্চারণ
১২ অআদ্খিল্ ইয়াদাকা ফী জ্বাইবিকা তাখ্রুজবাইদ্বোয়া-য়া মিন্ গইরি সূ-য়িন্ ফী তিস্'ঈআ -ইয়া-তিন্ ইলা-র্ফি'আউনা অক্বওমিহ্ ইন্নাহুম্ কা-নূ ক্বওমান্ ফা-সিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ আর তোমার হাত তোমার জেবে (বগলে) দাখিল করো, দেখবে সেটি ধবধবে সাদা হয়ে বের হবে কোনো ক্ষতি ছাড়াই। (এ দুটি) ফেরাউন ও তার কওমের প্রতি দেয়া নয়টি নিদর্শনের অন্তরভুক্ত। তারা অবশ্যি এক ফাসিক (সীমালঙ্ঘনকারী) কওম।’’
Word by word
١٢ وَأَدْخِلْ يَدَكَ فِى جَيْبِكَ تَخْرُجْ بَيْضَآءَ مِنْ غَيْرِ سُوٓءٍ فِى تِسْعِ ءَايَٰتٍ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ وَقَوْمِهِۦٓ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمًا فَٰسِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ অতঃপর যখন তাদের কাছে আমার উজ্জল নিদর্শনাবলী আগমন করল, তখন তারা বলল, এটা তো সুস্পষ্ট জাদু।
বাংলা উচ্চারণ
১৩ ফালাম্মা-জ্বা-য়াত্হুম্ আ-ইয়া-তুনা মুব্ছিরতান্ ক্ব-লূ হাযা-সিহ্রুম্ মূবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তারপর তাদের কাছে যখন আমাদের সুস্পষ্ট নিদর্শনসমূহ এলো, তারা বললো: ‘এতো সুস্পষ্ট ম্যাজিক।’
Word by word
١٣ فَلَمَّا جَآءَتْهُمْ ءَايَٰتُنَا مُبْصِرَةً قَالُوا۟ هَٰذَا سِحْرٌ مُّبِينٌ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তারা অন্যায় ও অহংকার করে নিদর্শনাবলীকে প্রত্যাখ্যান করল, যদিও তাদের অন্তর এগুলো সত্য বলে বিশ্বাস করেছিল। অতএব দেখুন, অনর্থকারীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল?
বাংলা উচ্চারণ
১৪ অজ্বাহাদু বিহা-অস্তাইক্বনাত্হা য় আন্ফুসুহুম্ জুল্মাঁও অ'উলুওয়া- ফার্ন্জু কাইফা কা-না 'আ-ক্বিবাতুল্ মুফ্সিদীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ তারা যুলুম ও দাম্ভিকতার সাথে নিদর্শনগুলো প্রত্যাখ্যান করে, যদিও তাদের অন্তরে সেগুলো সত্য বলে একীন হয়েছিল। এখন দেখো, ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পরিণতি কী রকম হয়েছিল!
Word by word
١٤ وَجَحَدُوا۟ بِهَا وَٱسْتَيْقَنَتْهَآ أَنفُسُهُمْ ظُلْمًا وَعُلُوًّا فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُفْسِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ আমি অবশ্যই দাউদ ও সুলায়মানকে জ্ঞান দান করেছিলাম। তাঁরা বলে ছিলেন, আল্লাহর প্রশংসা, যিনি আমাদেরকে তাঁর অনেক মুমিন বান্দার উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।
বাংলা উচ্চারণ
১৫ অ লাক্বদ্ আ-তাইনা দা-য়ূদা অ সুলাইমা-না 'ইল্মান্ অক্ব-লাল্ হাম্দু লিল্লা-হিল্ লাযী ফাদ্দ¦লানা-'আলা-কাছীরিম্ মিন্ 'ঈবা-দিহিল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ আমরা দাউদ এবং সুলাইমানকে দিয়েছিলাম বিশেষ এলেম। তারা বলেছিল: আল হামদুলিল্লাহ - সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদের মর্যাদা দিয়েছেন তাঁর বহু মুমিন বান্দার উপর
Word by word
١٥ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا دَاوُۥدَ وَسُلَيْمَٰنَ عِلْمًا وَقَالَا ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى فَضَّلَنَا عَلَىٰ كَثِيرٍ مِّنْ عِبَادِهِ ٱلْمُؤْمِنِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৬ সুলায়মান দাউদের উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘হে লোক সকল, আমাকে উড়ন্ত পক্ষীকূলের ভাষা শিক্ষা দেয়া হয়েছে এবং আমাকে সব কিছু দেয়া হয়েছে। নিশ্চয় এটা সুস্পষ্ট শ্রেষ্ঠত্ব। ’
বাংলা উচ্চারণ
১৬ অওয়ারিছা সুলাইমানু দা-য়ূদা অক্ব-লা ইয়া য় আইয়্যুহান্না-সু উল্লিম্না-মান্ত্বিক্বত্ ত্বোয়াইরি অ ঊতীনা- মিন্ কুল্লি শাইয়িন্ ইন্না-হা-যা- লাহুওয়াল্ ফাদলুল্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ সুলাইমান হয়েছিল দাউদের ওয়ারিশ। সে বলেছিল: ‘হে মানুষ! আমাদেরকে পাখির ভাষা শেখানো হয়েছে এবং সবকিছুই দেয়া হয়েছে আমাদের। অবশ্যি এটা আল্লাহর একটা সুস্পষ্ট অনুগ্রহ।’
Word by word
١٦ وَوَرِثَ سُلَيْمَٰنُ دَاوُۥدَ وَقَالَ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ عُلِّمْنَا مَنطِقَ ٱلطَّيْرِ وَأُوتِينَا مِن كُلِّ شَىْءٍ إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْفَضْلُ ٱلْمُبِينُ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ সুলায়মানের সামনে তার সেনাবাহিনীকে সমবেত করা হল। জ্বিন - মানুষ ও পক্ষীকুলকে, অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন ব্যূহে বিভক্ত করা হল।
বাংলা উচ্চারণ
১৭ অহুশির লিসুলাইমা-না জুনূদুহূ মিনাল্ জ্বিন্নি অল্ইনসি অতত্বোয়াইরি ফাহুম্ ইয়ূযা'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ সুলাইমানের জন্যে হাশর (সমবেত) করা হয় তার বাহিনীকে, যাদের মধ্যে ছিলো জিন, ইনসান ও পাখি। তাদের বিন্যস্ত করা হয় বিভিন্ন গ্রুপে।
Word by word
١٧ وَحُشِرَ لِسُلَيْمَٰنَ جُنُودُهُۥ مِنَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ وَٱلطَّيْرِ فَهُمْ يُوزَعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ যখন তারা পিপীলিকা অধ্যূষিত উপত্যকায় পৌঁছাল, তখন এক পিপীলিকা বলল, হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর। অন্যথায় সুলায়মান ও তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে।
বাংলা উচ্চারণ
১৮ হাত্তা য় ইযা য় আতাও 'আলা-ওয়া-দিন্নাম্লি ক্ব-লাত্ নাম্লাতু'ই ইয়া য় আইয়ুহান্ নাম্লুদ্ খুলূ মাসা-কিনাকুম্ লা-ইয়াহ্ত্বিমান্নাকুম্ সুলাইমা-নু অজুনূদুহূ অহুম্ লা-ইয়াশ্ঊ'রূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ তারা যখন পিঁপড়ার উপত্যকায় এসে পৌঁছে, তখন একটি পিঁপড়া বলে উঠে: ‘হে পিঁপীলিকার দল! তোমরা দাখিল হয়ে যাও তোমাদের ঘরে। সুলাইমান এবং তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদের পায়ের তলায় পিষে না ফেলে।’
Word by word
١٨ حَتَّىٰٓ إِذَآ أَتَوْا۟ عَلَىٰ وَادِ ٱلنَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّمْلُ ٱدْخُلُوا۟ مَسَٰكِنَكُمْ لَا يَحْطِمَنَّكُمْ سُلَيْمَٰنُ وَجُنُودُهُۥ وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ তার কথা শুনে সুলায়মান মুচকি হাসলেন এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমাকে সামর্থ্য দাও যাতে আমি তোমার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা - মাতাকে দান করেছ এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকর্ম করতে পারি এবং আমাকে নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মপরায়ন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর।
বাংলা উচ্চারণ
১৯ ফাতাবাস্ সামা দ্বোয়া-হিকাম্ মিন্ ক্বওলিহা-অক্ব-লা রব্বি আওযি'নী য় আন্ আশ্কুরা নি'মাতাকাল্লা তীয় আন্'আম্তা 'আলাইয়্যা অ'আলা- ওয়া-লিদাইয়্যা অআন্ আ'মালা ছোয়া-লিহান্ র্তাদ্বোয়া-হু অ আদ্খিল্নী বিরহমাতিকা ফী 'ইবা-দিকাছ্ ছোয়া-লিহীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ তার কথায় সুলাইমান মৃদু হেসে বললো: ‘আমার প্রভু! আমাকে সামর্থ দাও, আমি যেনো তোমার নিয়ামতের শোকর আদায় করতে পারি, যা তুমি দান করেছো আমার প্রতি এবং আমার পিতামাতার প্রতি, আর আমি যেনো সেই রকম পুণ্য আমল করতে পারি যাতে তুমি সন্তুষ্ট হবে, আর দয়া করে আমাকে দাখিল করো তোমার পুণ্যবান দাসদের মধ্যে।’
Word by word
١٩ فَتَبَسَّمَ ضَاحِكًا مِّن قَوْلِهَا وَقَالَ رَبِّ أَوْزِعْنِىٓ أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ ٱلَّتِىٓ أَنْعَمْتَ عَلَىَّ وَعَلَىٰ وَٰلِدَىَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَٰلِحًا تَرْضَىٰهُ وَأَدْخِلْنِى بِرَحْمَتِكَ فِى عِبَادِك
মুহিউদ্দীন খান
২০ সুলায়মান পক্ষীদের খোঁজ খবর নিলেন, অতঃপর বললেন, কি হল, হুদহুদকে দেখছি না কেন? নাকি সে অনুপস্থিত?
বাংলা উচ্চারণ
২০ অতাফাকক্বদাত ত্বোয়াইর ফাক্ব-লা মা-লিয়া লা য় আরল্ হুদ্ হুদা আম্ কা-না মিনাল্ গ-য়িবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ সুলাইমান সন্ধান নিলো পাখিদের। সে বললো, কী হলো হুদহুদকে দেখছিনা যে? সে অনুপস্থিত নাকি?
Word by word
٢٠ وَتَفَقَّدَ ٱلطَّيْرَ فَقَالَ مَا لِىَ لَآ أَرَى ٱلْهُدْهُدَ أَمْ كَانَ مِنَ ٱلْغَآئِبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২১ আমি অবশ্যই তাকে কঠোর শাস্তি দেব কিংবা হত্যা করব অথবা সে উপস্থিত করবে উপযুক্ত কারণ।
বাংলা উচ্চারণ
২১ লা'উআয্যিবান্নাহূ 'আযা-বান্ শাদীদান্ আওলা আয্বাহান্নাহূ য় আও লাইয়াতিইয়ান্নী বিছুল্ত্বোয়া-নিম্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ সে সুস্পষ্ট প্রমাণ না নিয়ে এলে আমি অবশ্যি তাকে কঠোর শাস্তি দেবো অথবা যবেহ্ করে ফেলবো।
Word by word
٢١ لَأُعَذِّبَنَّهُۥ عَذَابًا شَدِيدًا أَوْ لَأَا۟ذْبَحَنَّهُۥٓ أَوْ لَيَأْتِيَنِّى بِسُلْطَٰنٍ مُّبِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
২২ কিছুক্ষণ পড়েই হুদ এসে বলল, আপনি যা অবগত নন, আমি তা অবগত হয়েছি। আমি আপনার কাছে সাবা থেকে নিশ্চিত সংবাদ নিয়ে আগমন করেছি।
বাংলা উচ্চারণ
২২ ফামাকাছা গইর বা'ঈদিন্ ফাক্ব-লা আহাত্তু বিমা-লাম্ তুহিত বিহী অজ্বিতুকা মিন্ সাবা-য়িম্ বিনাবায়িঁ ইয়াক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তারপর অবিলম্বেই সে এসে উপস্থিত হলো এবং বললো: ‘‘আমি অবগত হয়েছি এমন একটা বিষয় যেটি আপনি অবগত নন। আমি আপনার জন্যে সাবা থেকে একটি নিশ্চিত সংবাদ নিয়ে এসেছি।
Word by word
٢٢ فَمَكَثَ غَيْرَ بَعِيدٍ فَقَالَ أَحَطتُ بِمَا لَمْ تُحِطْ بِهِۦ وَجِئْتُكَ مِن سَبَإٍۭ بِنَبَإٍ يَقِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ আমি এক নারীকে সাবাবাসীদের উপর রাজত্ব করতে দেখেছি। তাকে সবকিছুই দেয়া হয়েছে এবং তার একটা বিরাট সিংহাসন আছে।
বাংলা উচ্চারণ
২৩ ইন্নী অজ্বাত্তুম্ রায়াতান্ তাম্লিকুহুম্ অঊতিয়াত্ মিন্ কুল্লি শাইয়িঁও অ লাহা-'র্আশুন্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ আমি এক নারীকে দেখতে পেয়েছি তাদের উপর রাজত্ব করছেন। সমস্ত বস্তু সম্ভার তাকে দেয়া হয়েছে এবং তার রয়েছে এক বিশাল সিংহাসন।
Word by word
٢٣ إِنِّى وَجَدتُّ ٱمْرَأَةً تَمْلِكُهُمْ وَأُوتِيَتْ مِن كُلِّ شَىْءٍ وَلَهَا عَرْشٌ عَظِيمٌ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ আমি তাকে ও তার সম্প্রদায়কে দেখলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সেজদা করছে। শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কার্যাবলী সুশোভিত করে দিয়েছে। অতঃপর তাদেরকে সৎপথ থেকে নিবৃত্ত করেছে। অতএব তারা সৎপথ পায় না।
বাংলা উচ্চারণ
২৪ অজ্বাদ্তুহা-অ ক্বাওমাহা-ইয়াস্ জুদূনা লিশ্শাম্সি মিন্দূ নিল্লা-হি অ যাইয়্যানা লাহুমুশ্ শাইত্বো-য়ানু আ'মা-লাহুম্ ফাছোয়াদ্দা হুম্ 'আনিস্ সাবীলি ফাহুম্ লা- ইয়াহ্তাদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ আমি তাকে এবং তার কওমকে দেখতে পেলাম তারা আল্লাহর পরিবর্তে সূর্যকে সাজদা করছে। শয়তান তাদের কর্মকান্ড তাদের কাছে চাকচিক্যময় করে রেখেছে এবং সে তাদের সঠিক পথে আসার ব্যাপারে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে, ফলে তারা হিদায়াত লাভ করছেনা।’’
Word by word
٢٤ وَجَدتُّهَا وَقَوْمَهَا يَسْجُدُونَ لِلشَّمْسِ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَزَيَّنَ لَهُمُ ٱلشَّيْطَٰنُ أَعْمَٰلَهُمْ فَصَدَّهُمْ عَنِ ٱلسَّبِيلِ فَهُمْ لَا يَهْتَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ তারা আল্লাহকে সেজদা করে না কেন, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের গোপন বস্তু প্রকাশ করেন এবং জানেন যা তোমরা গোপন কর ও যা প্রকাশ কর।
বাংলা উচ্চারণ
২৫ আল্লা-ইয়াস্জ্বুদূ লিল্লা-হিল্লাযী ইয়ুখ্রিজুল্ খব্য়া ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বি অ ইয়া'লামু মা-তুখ্ফূনা অমা-তু'লিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ সে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে এ জন্যে, যাতে তারা আল্লাহকে সাজদা না করে, যিনি মহাকাশ ও পৃথিবীর গুপ্ত বস্তুকে প্রকাশ করেন এবং যিনি জানেন তোমরা যা গোপন করো এবং যা করো এলান (প্রকাশ)।
Word by word
٢٥ أَلَّا يَسْجُدُوا۟ لِلَّهِ ٱلَّذِى يُخْرِجُ ٱلْخَبْءَ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَيَعْلَمُ مَا تُخْفُونَ وَمَا تُعْلِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তিনি মহা আরশের মালিক।
বাংলা উচ্চারণ
২৬ আল্লা-হু লা য় ইলা-হা ইল্লা-হু ওয়া রব্বুল্ র্আশিল্ 'আজীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ আল্লাহ্ , তিনি ছাড়া নেই কোনো ইলাহ্, তিনি মহান আরশের মালিক।’ (সাজদা)
Word by word
٢٦ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ رَبُّ ٱلْعَرْشِ ٱلْعَظِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
২৭ সুলায়মান বললেন, এখন আমি দেখব তুমি সত্য বলছ, না তুমি মিথ্যবাদী।
বাংলা উচ্চারণ
২৭ ক্ব-লা সানান্জুরু আছোয়াদাকতা আম্ কুন্তা মিনাল্ কা-যিবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ সুলাইমান বললো: ‘‘আমি দেখবো, তুমি সত্য বলছো, নাকি তুমি মিথ্যাবাদী।
Word by word
٢٧ قَالَ سَنَنظُرُ أَصَدَقْتَ أَمْ كُنتَ مِنَ ٱلْكَٰذِبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তুমি আমার এই পত্র নিয়ে যাও এবং এটা তাদের কাছে অর্পন কর। অতঃপর তাদের কাছ থেকে সরে পড় এবং দেখ, তারা কি জওয়াব দেয়।
বাংলা উচ্চারণ
২৮ ইয্হাব্ বিকিতা-বী হা-যা-ফাআল্ক্বিহ্ ইলাইহিম্ ছুম্মা তাওয়াল্লা 'আন্হুম্ ফার্ন্জু মা-যা-ইর্য়াজ্বি'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তুমি আমার এই পত্রটি নিয়ে যাও এবং তাদের কাছে পৌঁছে দাও। তারপর তাদের থেকে সরে থাকবে এবং লক্ষ্য করবে তাদের প্রতিক্রিয়া।’’
Word by word
٢٨ ٱذْهَب بِّكِتَٰبِى هَٰذَا فَأَلْقِهْ إِلَيْهِمْ ثُمَّ تَوَلَّ عَنْهُمْ فَٱنظُرْ مَاذَا يَرْجِعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৯ বিলকীস বলল, হে পরিষদবর্গ, আমাকে একটি সম্মানিত পত্র দেয়া হয়েছে।
বাংলা উচ্চারণ
২৯ ক্ব-লাত্ ইয়া য় আইয়ুহাল্ মালায়ু ইন্নী য় উল্ক্বিয়া ইলাইয়্যা কিতা-বুন্ কারীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ সে (রাণী) বললো: ‘‘হে আমার পারিষদবর্গ! আমার কাছে পৌঁছেছে একটি সম্মানিত পত্র,
Word by word
٢٩ قَالَتْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْمَلَؤُا۟ إِنِّىٓ أُلْقِىَ إِلَىَّ كِتَٰبٌ كَرِيمٌ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ সেই পত্র সুলায়মানের পক্ষ থেকে এবং তা এইঃ সসীম দাতা, পরম দয়ালু, আল্লাহর নামে শুরু;
বাংলা উচ্চারণ
৩০ ইন্নাহূ মিন্ সুলাইমা-না অইন্নাহূ বিস্মিল্লা-র্হি রহ্মা-র্নি রহীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এটি প্রেরিত হয়েছে সুলাইমানের পক্ষ থেকে এবং সেটির বক্তব্য হলো: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
Word by word
٣٠ إِنَّهُۥ مِن سُلَيْمَٰنَ وَإِنَّهُۥ بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমার মোকাবেলায় শক্তি প্রদর্শন করো না এবং বশ্যতা স্বীকার করে আমার কাছে উপস্থিত হও।
বাংলা উচ্চারণ
৩১ আল্লা-তা'লূ 'আলাইয়্যা অতূনী মুস্লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আমার উপর ঔদ্ধত্য করোনা, বশ্যতা স্বীকার করে আমার কাছে উপস্থিত হও।’’
Word by word
٣١ أَلَّا تَعْلُوا۟ عَلَىَّ وَأْتُونِى مُسْلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩২ বিলকীস বলল, হে পরিষদবর্গ, আমাকে আমার কাজে পরামর্শ দাও। তোমাদের উপস্থিতি ব্যতিরেকে আমি কোন কাজে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি না।
বাংলা উচ্চারণ
৩২ ক্ব-লাত্ ইয়া য় আইয়্যুহাল্ মালায়ু আফ্তূনী ফী য় আম্রী মা-কুন্তু ক্ব-ত্বিয়াতান্ আম্রান্ হাত্তা-তাশ্হাদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ রাণী বললো: ‘‘হে আমার পারিষদবর্গ। তোমরা আমাকে ফতোয়া (মত) দাও এ বিষয়ে আমার করণীয় সম্পর্কে। আমি তো কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিনা তোমাদের উপস্থিতি (পরামর্শ) ছাড়া।’
Word by word
٣٢ قَالَتْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْمَلَؤُا۟ أَفْتُونِى فِىٓ أَمْرِى مَا كُنتُ قَاطِعَةً أَمْرًا حَتَّىٰ تَشْهَدُونِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ তারা বলল, আমরা শক্তিশালী এবং কঠোর যোদ্ধা। এখন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আপনারই। অতএব আপনি ভেবে দেখুন, আমাদেরকে কি আদেশ করবেন।
বাংলা উচ্চারণ
৩৩ ক্ব-লূ নাহ্নু উলূ কুওয়াতিঁও অ উলূ বাসিন্ শাদীদিঁও অল্ আম্রু ইলাইকি ফান্জুরী মা-যা-তামুরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ তারা বললো: ‘আমরা তো একটি শক্তিশালী এবং কঠোর যোদ্ধা জাতি। তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা তো আপনারই। আপনি ভেবে দেখুন কী নির্দেশ দেবেন।’
Word by word
٣٣ قَالُوا۟ نَحْنُ أُو۟لُوا۟ قُوَّةٍ وَأُو۟لُوا۟ بَأْسٍ شَدِيدٍ وَٱلْأَمْرُ إِلَيْكِ فَٱنظُرِى مَاذَا تَأْمُرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ সে বলল, রাজা বাদশারা যখন কোন জনপদে প্রবেশ করে, তখন তাকে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং সেখানকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গকে অপদস্থ করে। তারাও এরূপই করবে।
বাংলা উচ্চারণ
৩৪ ক্ব-লাত্ ইন্নাল্ মুলূকা ইযা-দাখালূ র্ক্বাইয়াতান্ আফ্ছাদূহা-অজ্বা'আলূ য় আই'য্যাতা আহ্লিহা য় আযিল্লাতান্ অকাযা-লিকা ইয়াফ্'আলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ সে (রাণী) বললো: ‘‘রাজা বাদশারা যখন (যুদ্ধের জন্যে) কোনো জনপদে প্রবেশ করে, তারা সে জনপদকে বিপর্যস্ত করে দেয় এবং সেখানকার সম্মানিত ব্যক্তিদের করে ছাড়ে অপদস্থ। এরাও এ রকমই করবে।
Word by word
٣٤ قَالَتْ إِنَّ ٱلْمُلُوكَ إِذَا دَخَلُوا۟ قَرْيَةً أَفْسَدُوهَا وَجَعَلُوٓا۟ أَعِزَّةَ أَهْلِهَآ أَذِلَّةً وَكَذَٰلِكَ يَفْعَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ আমি তাঁর কাছে কিছু উপঢৌকন পাঠাচ্ছি; দেখি প্রেরিত লোকেরা কি জওয়াব আনে।
বাংলা উচ্চারণ
৩৫ অ ইন্নী র্মুসিলাতুন্ ইলাইহিম্ বিহাদিয়্যাতিন্ ফানা-জিরাতুম্ বিমা-ইর্য়াজ্বি'ঊল্ মুরসালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমি তাদের কাছে হাদিয়া (উপঢৌকন) পাঠাতে চাই। দেখি, আমার দূতেরা তাদের কী প্রতিক্রিয়া নিয়ে ফিরে আসে?’’
Word by word
٣٥ وَإِنِّى مُرْسِلَةٌ إِلَيْهِم بِهَدِيَّةٍ فَنَاظِرَةٌۢ بِمَ يَرْجِعُ ٱلْمُرْسَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ অতঃপর যখন দূত সুলায়মানের কাছে আগমন করল, তখন সুলায়মান বললেন, তোমরা কি ধনসম্পদ দ্বারা আমাকে সাহায্য করতে চাও? আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন, তা তোমাদেরকে প্রদত্ত বস্তু থেকে উত্তম। বরং তোমরাই তোমাদের উপঢৌকন নিয়ে সুখে থাক।
বাংলা উচ্চারণ
৩৬ ফালাম্মা-জ্বা-য়া সুলাইমা-না ক্ব-লা আ-তুমিদ্দুনানি বিমা-লিন্ ফামা য় আ-তা-নিয়াল্লহু খইরুম্ মিম্মা য় আ-তা-কুম্ বাল্ আন্তুম্ বিহাদিয়্যাতিকুম্ তাফ্রাহূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ দূত যখন সুলাইমানের কাছে এলো, সুলাইমান বললো: ‘‘তোমরা কি আমাকে ধনমাল দিয়ে সাহায্য করতে চাও? আল্লাহ্ আমাকে যা দিয়েছেন, তা তোমাদের যা দিয়েছেন তার চাইতে উত্তম। তোমরা তো তোমাদের হাদিয়া নিয়ে আনন্দবোধ করছো।
Word by word
٣٦ فَلَمَّا جَآءَ سُلَيْمَٰنَ قَالَ أَتُمِدُّونَنِ بِمَالٍ فَمَآ ءَاتَىٰنِۦَ ٱللَّهُ خَيْرٌ مِّمَّآ ءَاتَىٰكُم بَلْ أَنتُم بِهَدِيَّتِكُمْ تَفْرَحُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ ফিরে যাও তাদের কাছে। এখন অবশ্যই আমি তাদের বিরুদ্ধে এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে আসব, যার মোকাবেলা করার শক্তি তাদের নেই। আমি অবশ্যই তাদেরকে অপদস্থ করে সেখান থেকে বহিষ্কৃত করব এবং তারা হবে লাঞ্ছিত।
বাংলা উচ্চারণ
৩৭ র্ইজ্বি' ইলাইহিম্ ফলানাতিয়ান্নাহুম্ বিজুনূদিল্ লা-ক্বিবালা লাহুম্ বিহা-অলানুখ্রিজ্বান্নাহুম্ মিন্হা য় আযিল্লাতাঁও অহুম্ ছোয়া-গিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তুমি তাদের কাছে ফিরে যাও, আমি তাদের বিরুদ্ধে এমন এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে আসবো যার মোকাবেলা করার শক্তি তাদের নেই। আমি অবশ্যি তাদেরকে সে দেশ থেকে লাঞ্ছিত করে বহিষ্কার করবো এবং তখন তারা ছোট হয়ে থাকবে।’’
Word by word
٣٧ ٱرْجِعْ إِلَيْهِمْ فَلَنَأْتِيَنَّهُم بِجُنُودٍ لَّا قِبَلَ لَهُم بِهَا وَلَنُخْرِجَنَّهُم مِّنْهَآ أَذِلَّةً وَهُمْ صَٰغِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ সুলায়মান বললেন, হে পরিষদবর্গ, তারা আত্নসমর্পণ করে আমার কাছে আসার পূর্বে কে বিলকীসের সিংহাসন আমাকে এনে দেবে?
বাংলা উচ্চারণ
৩৮ ক্ব-লা ইয়া য় আইয়্যুহাল্ মালায়ু আই ইয়ুকুম্ ইয়াতীনী বি 'র্আশিহা-ক্বব্লা আই ইয়াতূনী মুস্লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ সুলাইমান বললো: ‘হে আমার পারিষদবর্গ! তারা আমার কাছে বশ্যতা স্বীকার করে এসে পৌঁছার আগেই তোমাদের কে তার সিংহাসনটি আমার কাছে নিয়ে আসবে?’
Word by word
٣٨ قَالَ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْمَلَؤُا۟ أَيُّكُمْ يَأْتِينِى بِعَرْشِهَا قَبْلَ أَن يَأْتُونِى مُسْلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ জনৈক দৈত্য - জিন বলল, আপনি আপনার স্থান থেকে উঠার পূর্বে আমি তা এনে দেব এবং আমি একাজে শক্তিবান, বিশ্বস্ত।
বাংলা উচ্চারণ
৩৯ ক্ব-লা ইফ্রীতুম্ মিনাল্ জ্বিন্নি আনা আ-তীকা বিহী ক্বব্লা আন্তাকুমা মিম্ মাক্ব-মিকা অইন্নী 'আলাইহি লাক্বওয়্যিয়ুন্ আমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ এক শক্তিশালী জিন বললো: ‘সেটি আমি নিয়ে আসবো আপনি আপনার আসন থেকে উঠার আগেই এবং এ ব্যাপারে আমি শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।’
Word by word
٣٩ قَالَ عِفْرِيتٌ مِّنَ ٱلْجِنِّ أَنَا۠ ءَاتِيكَ بِهِۦ قَبْلَ أَن تَقُومَ مِن مَّقَامِكَ وَإِنِّى عَلَيْهِ لَقَوِىٌّ أَمِينٌ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ কিতাবের জ্ঞান যার ছিল, সে বলল, আপনার দিকে আপনার চোখের পলক ফেলার পূর্বেই আমি তা আপনাকে এনে দেব। অতঃপর সুলায়মান যখন তা সামনে রক্ষিত দেখলেন, তখন বললেন এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করেন যে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, না অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, সে নিজের উপকারের জন্যেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং যে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে জানুক যে, আমার পালনকর্তা অভাবমুক্ত কৃপাশীল।
বাংলা উচ্চারণ
৪০ ক্ব-লা ল্লাযী 'ইন্দাহূ 'ইল্মুম্ মিনাল্ কিতা-বি আনা আ-তীকা বিহী ক্বব্লা আইঁ ইর্য়াতাদ্দা ইলাইকা ত্বোর্য়াফুক্ ফালাম্মা-রায়াহূ মুস্তার্ক্বিরন্ 'ইন্দাহূ ক্ব-লা হা-যা-মিন্ ফাদ্ব্লি রব্বী লিইয়াব্লুওয়ানী য় আ আশ্কুরু আম্ আর্ক্ফু অমান্ শাকার ফা ইন্নামা- ইয়াশ্কুরু লিনাফ্সিহী অমান্ কাফার ফাইন্না রব্বী গানিয়্যুন্ কারীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ যার কাছে কিতাবের এলেম ছিলো, এমন এক ব্যক্তি উঠে বললো: ‘আপনি চোখের পলক ফেলার আগেই আমি সেটা আপনাকে এনে দিচ্ছি।’ সুলাইমান যখন সেটা নিজের সামনে রক্ষিত অবস্থায় দেখতে পেলো, বললো: ‘এটা আমার প্রভুর অনুগ্রহ, এর দ্বারা তিনি আমাকে পরীক্ষা করতে চান আমি কৃতজ্ঞ থাকি, নাকি অকৃতজ্ঞ হই। আর যে কেউ শোকর আদায় করে সে নিজের কল্যাণেই শোকর আদায় করে। আর যে কেউ অকৃতজ্ঞ হয়, সে জেনে রাখুক, আমার প্রভু মুখাপেক্ষাহীন, মর্যাদাবান।’
Word by word
٤٠ قَالَ ٱلَّذِى عِندَهُۥ عِلْمٌ مِّنَ ٱلْكِتَٰبِ أَنَا۠ ءَاتِيكَ بِهِۦ قَبْلَ أَن يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ فَلَمَّا رَءَاهُ مُسْتَقِرًّا عِندَهُۥ قَالَ هَٰذَا مِن فَضْلِ رَبِّى لِيَبْلُوَنِىٓ ءَأَشْكُرُ أ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ সুলায়মান বললেন, বিলকীসের সামনে তার সিংহাসনের আকার - আকৃতি বদলিয়ে দাও, দেখব সে সঠিক বুঝতে পারে, না সে তাদের অন্তর্ভুক্ত, যাদের দিশা নেই ?
বাংলা উচ্চারণ
৪১ ক্ব-লা নাক্কিরূ লাহা-আর্'শাহা-নার্ন্জু আ তাহ্তাদী য় আম্ তাকূনু মিনাল্লাযীনা লা-ইয়াহ্তাদূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ সুলাইমান বললো: ‘তার সিংহাসনটি ওলটপালট করে তার জন্যে আনকোরা করে দাও। দেখি, সে কি চিনতে পারে, নাকি না চেনাদের অন্তরভুক্ত হয়?’
Word by word
٤١ قَالَ نَكِّرُوا۟ لَهَا عَرْشَهَا نَنظُرْ أَتَهْتَدِىٓ أَمْ تَكُونُ مِنَ ٱلَّذِينَ لَا يَهْتَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪২ অতঃপর যখন বিলকীস এসে গেল, তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তোমার সিংহাসন কি এরূপই? সে বলল, মনে হয় এটা সেটাই। আমরা পূর্বেই সমস্ত অবগত হয়েছি এবং আমরা আজ্ঞাবহও হয়ে গেছি।
বাংলা উচ্চারণ
৪২ ফালাম্মা-জ্বা-য়াত্ ক্বীলা আহা-কাযা-'র্আশুক্ ক্ব-লাত্ কায়ান্নাহূ হুওয়া অঊতীনাল্ ই'ল্মা মিন্ ক্বব্লিহা-অকুন্না-মুস্লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ যখন রাণী এসে পৌঁছালো, তাকে বলা হলো: ‘আপনার সিংহাসন কি এ রকম?’ সে বললো: ‘এটা যেনো সেটাই? আমাদের ইতোপূর্বে অবগত করানো হয়েছে এবং আমরা বশ্যতা স্বীকার করে নিয়েছি।’
Word by word
٤٢ فَلَمَّا جَآءَتْ قِيلَ أَهَٰكَذَا عَرْشُكِ قَالَتْ كَأَنَّهُۥ هُوَ وَأُوتِينَا ٱلْعِلْمَ مِن قَبْلِهَا وَكُنَّا مُسْلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ আল্লাহর পরিবর্তে সে যার এবাদত করত, সেই তাকে ঈমান থেকে নিবৃত্ত করেছিল। নিশ্চয় সে কাফের সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাংলা উচ্চারণ
৪৩ অ ছোয়াদ্দাহা-মা-কা-নাত্ তা'বুদু মিন্ দূনিল্লা-হ্ ইন্নাহা-কা-নাত্ মিন্ ক্বওমিন্ কা-ফিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ সে আল্লাহর পরিবর্তে যার ইবাদত করতো তাই তাকে সত্য থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রেখেছিল। সে তো কাফির কওমেরই একজন ছিলো।
Word by word
٤٣ وَصَدَّهَا مَا كَانَت تَّعْبُدُ مِن دُونِ ٱللَّهِ إِنَّهَا كَانَتْ مِن قَوْمٍ كَٰفِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ তাকে বলা হল, এই প্রাসাদে প্রবেশ কর। যখন সে তার প্রতি দৃষ্টিপাত করল সে ধারণা করল যে, এটা স্বচ্ছ গভীর জলাশয়। সে তার পায়ের গোছা খুলে ফেলল। সুলায়মান বলল, এটা তো স্বচ্ছ স্ফটিক নির্মিত প্রাসাদ। বিলকীস বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমি তো নিজের প্রতি জুলুম করেছি। আমি সুলায়মানের সাথে বিশ্ব জাহানের পালনকর্তা আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পন করলাম।
বাংলা উচ্চারণ
৪৪ ক্বীলা লাহাদ্ খুলিছ্ ছোর্য়াহা ফালাম্মা-রয়াত্হু হাসিবাত্হু লুজ্জ্বাতাঁও অকাশাফাত্ 'আন্ সা-ক্বইহা-ক্ব-লা ইন্নাহূ ছোর্য়াহুম্ মুর্মারদুম্ মিন্ ক্বওয়া-র্রী ক্ব-লাত্ রব্বি ইন্নী জ্বোয়ালাম্তু নাফ্সী অআস্লাম্তু মা'আ সুলাইমা-না লিল্লা-হি রব্বিল্ 'আ-লামীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তাকে বলা হলো: ‘এই প্রাসাদে দাখিল হোন।’ সে যখন তা দেখলো, মনে করলো একটি জলাশয়। তখন তার পায়ের কিছু অংশ থেকে বস্ত্র গুটিয়ে উন্মুক্ত করে নিলো। সুলাইমান বললো: ‘এতো (পানি নয়) স্বচ্ছ স্ফটিকের তৈরি প্রাসাদ।’ তখন সে (রাণী) বললো: ‘আমার প্রভু! আমি আমার নিজের প্রতি অবিচার করে আসছিলাম, এখন আমি সুলাইমানের সাথে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের উদ্দেশ্যে আত্মসমর্পণ করলাম।’
Word by word
٤٤ قِيلَ لَهَا ٱدْخُلِى ٱلصَّرْحَ فَلَمَّا رَأَتْهُ حَسِبَتْهُ لُجَّةً وَكَشَفَتْ عَن سَاقَيْهَا قَالَ إِنَّهُۥ صَرْحٌ مُّمَرَّدٌ مِّن قَوَارِيرَ قَالَتْ رَبِّ إِنِّى ظَلَمْتُ نَفْسِى وَأَسْلَمْتُ مَعَ سُلَيْمَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ আমি সামুদ সম্প্রদায়ের কাছে তাদের ভাই সালেহকে এই মর্মে প্রেরণ করেছি যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর। অতঃপর তারা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে বিতর্কে প্রবৃত্ত হল।
বাংলা উচ্চারণ
৪৫ অ লাক্বদ্ র্আসাল্না য় ইলা-ছামূদা আখ-হুম্ ছোয়া-লিহান্ আনি'বুদুল্লা-হা ফাইযা- হুম্ ফারীক্ব-নি ইয়াখ্তাছিমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ আমরা সামুদ জাতির কাছে তাদের ভাই সালেহকে পাঠিয়েছিলাম এই নির্দেশ দিয়ে: ‘তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত (আনুগত্য দাসত্ব, পূজা উপাসনা) করো।’ তখন তারা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়ে।
Word by word
٤٥ وَلَقَدْ أَرْسَلْنَآ إِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمْ صَٰلِحًا أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ فَإِذَا هُمْ فَرِيقَانِ يَخْتَصِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ সালেহ বললেন, হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা কল্যাণের পূর্বে দ্রুত অকল্যাণ কামনা করছ কেন? তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না কেন? সম্ভবতঃ তোমরা দয়াপ্রাপ্ত হবে।
বাংলা উচ্চারণ
৪৬ ক্ব-লা ইয়া-ক্বওমি লিমা-তাস্তা'জ্বিলূনা বিস্সাইয়িয়াতি ক্বব্লাল্ হাসানাতি লাওলা- তাস্তাগ্ফিরূনাল্লা-হা লা'আল্লাকুম্ র্তুহামূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ সালেহ্ বলেছিল: ‘হে আমার কওম! তোমরা কল্যাণের আগে দ্রুত অকল্যাণ চাইছো কেন? তোমরা কেন আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছোনা, যাতে করে তোমরা রহম প্রাপ্ত হও।’
Word by word
٤٦ قَالَ يَٰقَوْمِ لِمَ تَسْتَعْجِلُونَ بِٱلسَّيِّئَةِ قَبْلَ ٱلْحَسَنَةِ لَوْلَا تَسْتَغْفِرُونَ ٱللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ তারা বলল, তোমাকে এবং তোমার সাথে যারা আছে, তাদেরকে আমরা অকল্যাণের প্রতীক মনে করি। সালেহ বললেন, তোমাদের মঙ্গলামঙ্গল আল্লাহর কাছে; বরং তোমরা এমন সম্প্রদায়, যাদেরকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বাংলা উচ্চারণ
৪৭ ক্ব-লুত্ত্বাইর্য়্যানা-বিকা অবিমাম্ মা'আক্ ক্ব-লা ত্বোয়া-য়িরুকুম্ 'ইন্দাল্লা-হি বাল্ আন্তুম্ ক্বওমুন্ তুফ্তান্ন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ তারা বললো: ‘আমরা তোমাকে এবং তোমার সাথিদেরকে আমাদের অমঙ্গলের কারণ মনে করি।’ সে বললো: ‘তোমাদের মঙ্গল অমঙ্গল তো আল্লাহর এখতিয়ারে। বরং তোমরা এমন একটি কওম যাদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।’
Word by word
٤٧ قَالُوا۟ ٱطَّيَّرْنَا بِكَ وَبِمَن مَّعَكَ قَالَ طَٰٓئِرُكُمْ عِندَ ٱللَّهِ بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ تُفْتَنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ আর সেই শহরে ছিল এমন একজন ব্যক্তি, যারা দেশময় অনর্থ সৃষ্টি করে বেড়াত এবং সংশোধন করত না।
বাংলা উচ্চারণ
৪৮ অকা-না ফিল্ মাদীনাতি তিস্'আতু রহ্ত্বিঁও ইয়ুফ্সিদূনা ফিল্ র্আদ্বি অলা-ইয়ুছ্লিহূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ সেই শহরে ছিলো নয় ব্যক্তি যারা দেশে ফাসাদ সৃষ্টি করতো এবং সংশোধন হতোনা
Word by word
٤٨ وَكَانَ فِى ٱلْمَدِينَةِ تِسْعَةُ رَهْطٍ يُفْسِدُونَ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ তারা বলল, তোমরা পরস্পরে আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ কর যে, আমরা রাত্রিকালে তাকে ও তার পরিবারবর্গকে হত্যা করব। অতঃপর তার দাবীদারকে বলে দেব যে, তার পরিবারবর্গের হত্যাকান্ড আমরা প্রত্যক্ষ করিনি। আমরা নিশ্চয়ই সত্যবাদী।
বাংলা উচ্চারণ
৪৯ ক্ব-লূ তাক্ব-সামূ বিল্লা-হি লানুবাইয়্যিতান্নাহূ অআহ্লাহূ ছুম্মা লানাকুলান্না লি অলিয়্যিহী মা-শাহিদ্না-মাহ্লিকা আহ্লিহী অইন্না-লাছোয়া-দিকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ তারা বলেছিল: ‘তোমরা নিজেদের মধ্যে আল্লাহর নামে কসম খেয়ে বলো: আমরা অবশ্যি রাতের বেলায় তাকে (সালেহকে) এবং তার পরিবারবর্গকে আক্রমণ করে হত্যা করবো, তারপর তার অলিকে বলবো: তার পরিবারবর্গকে কারা হত্যা করেছে তা আমরা দেখিনি। আমরা অবশ্যি সত্যবাদী।’
Word by word
٤٩ قَالُوا۟ تَقَاسَمُوا۟ بِٱللَّهِ لَنُبَيِّتَنَّهُۥ وَأَهْلَهُۥ ثُمَّ لَنَقُولَنَّ لِوَلِيِّهِۦ مَا شَهِدْنَا مَهْلِكَ أَهْلِهِۦ وَإِنَّا لَصَٰدِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫০ তারা এক চক্রান্ত করেছিল এবং আমিও এক চক্রান্ত করেছিলাম। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি।
বাংলা উচ্চারণ
৫০ অ মাকারূ মাক্রঁও অমার্কানা মাক্রাঁও অহুম্ লা-ইয়াশ্'উরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ তারা এই জঘন্য চক্রান্ত করেছিল, আর এদিকে আমরাও করেছি একটি কৌশল যা তারা টেরই পায়নি।
Word by word
٥٠ وَمَكَرُوا۟ مَكْرًا وَمَكَرْنَا مَكْرًا وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫১ অতএব, দেখ তাদের চক্রান্তের পরিনাম, আমি অবশ্রই তাদেরকে এবং তাদের সম্প্রদায়কে নাস্তনাবুদ করে দিয়েছি।
বাংলা উচ্চারণ
৫১ ফার্ন্জু কাইফা কা-না 'আ-ক্বিবাতু মাক্রিহিম্ আন্না-দার্ম্মানা-হুম্ অক্বওমাহুম্ আজমা'ঈন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ অত:পর লক্ষ্য করে দেখো তাদের চক্রান্তের পরিণতি কী হয়েছে, আমরা তাদেরকে এবং তাদের গোটা জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি।
Word by word
٥١ فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ مَكْرِهِمْ أَنَّا دَمَّرْنَٰهُمْ وَقَوْمَهُمْ أَجْمَعِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫২ এই তো তাদের বাড়ীঘর - তাদের অবিশ্বাসের কারণে জনশূন্য অবস্থায় পড়ে আছে। নিশ্চয় এতে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন আছে।
বাংলা উচ্চারণ
৫২ ফাতিল্কা বুইয়ূতুহুম্ খা-ওয়িয়াতাম্ বিমা- জোয়ালামূ ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তাল্লিকওমিঁ ইয়া'লামূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ ঐ তো তাদের ঘরবাড়ি বিরাণ হয়ে আছে তাদের যুলুমের পরিণতিতে। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে একটি নিদর্শন জ্ঞানী লোকদের জন্যে।
Word by word
٥٢ فَتِلْكَ بُيُوتُهُمْ خَاوِيَةًۢ بِمَا ظَلَمُوٓا۟ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَةً لِّقَوْمٍ يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছিল এবং পরহেযগার ছিল, তাদেরকে আমি উদ্ধার করেছি।
বাংলা উচ্চারণ
৫৩ অ আন্জ্বাইনাল্লাযীনা আ-মানূ অ কা-নূ ইয়াত্তাকুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ আমরা (সেই অশুভ পরিণতি থেকে) নাজাত দিয়েছিলাম তাদেরকে, যারা ঈমান এনেছিল এবং অবলম্বন করেছিল তাকওয়া।
Word by word
٥٣ وَأَنجَيْنَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَكَانُوا۟ يَتَّقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ স্মরণ কর লূতের কথা, তিনি তাঁর কওমকে বলেছিলেন, তোমরা কেন অশ্লীল কাজ করছ? অথচ এর পরিণতির কথা তোমরা অবগত আছ!
বাংলা উচ্চারণ
৫৪ অ লূত্বোয়ান্ ইয্ ক্ব-লা লিক্বওমিহী য় আতাতূনাল্ ফা-হিশাতা অআন্তুম্ তুব্ছিরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ স্মরণ করো লুতের কথা! সে তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা জেনে শুনে কেন ফাহেশা কাজ করছো?
Word by word
٥٤ وَلُوطًا إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦٓ أَتَأْتُونَ ٱلْفَٰحِشَةَ وَأَنتُمْ تُبْصِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষে উপগত হবে? তোমরা তো এক বর্বর সম্প্রদায়।
বাংলা উচ্চারণ
৫৫ আয়িন্নাকুম্ লাতাতূর্না রিজ্বা-লা শাহ্ওয়াতাম্ মিন্ দূনি ন্নিসা-য়্ বাল্ আন্তুম্ ক্বওমুন্ তাজহালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তোমরা যৌন কামনা চরিতার্থ করার জন্যে নারীর পরিবর্তে পুরুষ গমন করছো? তোমরা তো এক চরম জাহেল সম্প্রদায়।’’
Word by word
٥٥ أَئِنَّكُمْ لَتَأْتُونَ ٱلرِّجَالَ شَهْوَةً مِّن دُونِ ٱلنِّسَآءِ بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ تَجْهَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৬ উত্তরে তাঁর কওম শুধু এ কথাটিই বললো, লূত পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। এরা তো এমন লোক যারা শুধু পাকপবিত্র সাজতে চায়।
বাংলা উচ্চারণ
৫৬ ফামা-কা-না জ্বাওয়া-বা ক্বওমিহী য় ইল্লা য় আন্ ক্ব-লূ য় আখ্রিজু য় আ-লা লূতিম্মিন্ র্ক্বইয়াতিকুম্ ইন্নাহুম্ উনা-সুঁই ইয়া তাত্বোয়াহ্হারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ জবাবে তার কওম কেবল একথাই বলেছিল: ‘লুতের অনুসারীদেরকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। তারা বড় পবিত্র থাকতে চাইছে!’
Word by word
٥٦ فَمَا كَانَ جَوَابَ قَوْمِهِۦٓ إِلَّآ أَن قَالُوٓا۟ أَخْرِجُوٓا۟ ءَالَ لُوطٍ مِّن قَرْيَتِكُمْ إِنَّهُمْ أُنَاسٌ يَتَطَهَّرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৭ অতঃপর তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করলাম তাঁর স্ত্রী ছাড়া। কেননা, তার জন্যে ধ্বংসপ্রাপ্তদের ভাগ্যই নির্ধারিত করেছিলাম।
বাংলা উচ্চারণ
৫৭ ফাআন্জ্বাইনা-হু অ আহ্লাহূ য় ইল্লাম্ রায়াতাহূ ক্বার্দ্দানা-হা মিনাল্ গ-বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ ফলে আমরা নাজাত দিয়েছিলাম তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে তার স্ত্রীকে ছাড়া। তাকে আমরা ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তরভুক্ত করে দিয়েছিলাম।
Word by word
٥٧ فَأَنجَيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥٓ إِلَّا ٱمْرَأَتَهُۥ قَدَّرْنَٰهَا مِنَ ٱلْغَٰبِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৮ আর তাদের উপর বর্ষণ করেছিলাম মুষলধারে বৃষ্টি। সেই সতর্ককৃতদের উপর কতই না মারাত্নক ছিল সে বৃষ্টি।
বাংলা উচ্চারণ
৫৮ অ আম্ত্বোর্য়ানা- 'আলাইহিম্ মাত্বোয়ারান্ ফাসা-য়া মাত্বোয়ারুল্ মুন্যারীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ আমরা তাদের উপর বর্ষণ করেছিলাম ভয়ংকর (পাথর) বর্ষণ। যাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে তাদের প্রতি বর্ষণ ছিলো কতো যে নিকৃষ্ট!
Word by word
٥٨ وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِم مَّطَرًا فَسَآءَ مَطَرُ ٱلْمُنذَرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৯ বল, সকল প্রশংসাই আল্লাহর এবং শান্তি তাঁর মনোনীত বান্দাগণের প্রতি! শ্রেষ্ঠ কে? আল্লাহ না ওরা - তারা যাদেরকে শরীক সাব্যস্ত করে।
বাংলা উচ্চারণ
৫৯ কুলিল্ হাম্দু লিল্লা-হি অসালা-মুন্ 'আলা-ই'বা-দি হিল্লাযী নাছ্ত্বোয়াফা- আ-ল্লাহু খইরুন্ আম্মা-ইয়ুশ্রিকূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ বলো: ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, আর তাঁর মনোনীত বান্দাদের প্রতি সালাম। শ্রেষ্ঠ কি আল্লাহ্ , নাকি ওরা যাদেরকে তাঁর সাথে শরিক করে তারা?’ (অবশ্যি আল্লাহ্ )।
Word by word
٥٩ قُلِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ وَسَلَٰمٌ عَلَىٰ عِبَادِهِ ٱلَّذِينَ ٱصْطَفَىٰٓ ءَآللَّهُ خَيْرٌ أَمَّا يُشْرِكُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬০ বল তো কে সৃষ্টি করেছেন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল এবং আকাশ থেকে তোমাদের জন্যে বর্ষণ করেছেন পানি; অতঃপর তা দ্বারা আমি মনোরম বাগান সৃষ্টি করেছি। তার বৃক্ষাদি উৎপন্ন করার শক্তিই তোমাদের নেই। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তারা সত্যবিচ্যুত সম্প্রদায়।
বাংলা উচ্চারণ
৬০ আম্মান্ খলাক্বস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া অআন্যালা লাকুম্ মিনাস্ সামা-য়ি মা-আন্ ফাআম্বাত্না-বিহী হাদা-য়িক্বা যা-তা বাহ্জ্বাতিন্ মা-কা-না লাকুম্ আন্ তুম্বিতূ শাজ্বারহা- আ ইলা-হুম্ মা'আল্লা-হ্ বাল্ হুম্ ক্বওমুঁই ইয়া'দিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ তিনিই কি শ্রেষ্ঠ নন, যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী এবং যিনি আসমান থেকে তোমাদের জন্যে নাযিল করেন পানি। তারপর আমরা তা থেকে উদগত করি মনোরম উদ্যান, যার গাছ - গাছালি সৃষ্টি করার ক্ষমতা তোমাদের নেই। তারপরও কি আল্লাহর সাথে কোনো ইলাহ্ আছে বলে মনে করো? আসলে তারা এমন একটি কওম যারা (অন্যদেরকে) আল্লাহর সমকক্ষ বানায়।
Word by word
٦٠ أَمَّنْ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَأَنزَلَ لَكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَنۢبَتْنَا بِهِۦ حَدَآئِقَ ذَاتَ بَهْجَةٍ مَّا كَانَ لَكُمْ أَن تُنۢبِتُوا۟ شَجَرَهَآ أَءِلَٰهٌ مَّعَ ٱللَّهِ بَلْ هُمْ
মুহিউদ্দীন খান
৬১ বল তো কে পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন এবং তার মাঝে মাঝে নদ - নদী প্রবাহিত করেছেন এবং তাকে স্থিত রাখার জন্যে পর্বত স্থাপন করেছেন এবং দুই সমুদ্রের মাঝখানে অন্তরায় রেখেছেন। অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানে না।
বাংলা উচ্চারণ
৬১ আম্মান্ জ্বা'আলাল্ র্আদ্বোয়া ক্বরা-রাঁও অজ্বা'আলা-খিলা-লাহা য় আন্হা-রাঁও অজ্বা'আলা লাহা- রওয়া-সিয়া অজ্বা'আলা বাইনাল্ বাহ্রাইনি হা-জ্বিযা-আ ইলা-হুম্ মা'আল্লা-হ্ বাল্ আক্ছারুহুম্ লা-ইয়া'লামূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ তিনিই কি (একমাত্র ইলাহ্) নন, যিনি পৃথিবীকে বানিয়েছেন বাস উপযোগী এবং এর মাঝে মাঝে সৃষ্টি করে দিয়েছেন নদ - নদী - নহর? তাকে স্থিতিশীল রাখার জন্যে স্থাপন করে দিয়েছেন পাহাড় পর্বত এবং দুই দরিয়ার মাঝে সৃষ্টি করে দিয়েছেন অন্তরায়। তা সত্ত্বেও আল্লাহর সাথে আরো ইলাহ্ আছে কি? বরং তাদের অধিকাংশই জানেনা।
Word by word
٦١ أَمَّن جَعَلَ ٱلْأَرْضَ قَرَارًا وَجَعَلَ خِلَٰلَهَآ أَنْهَٰرًا وَجَعَلَ لَهَا رَوَٰسِىَ وَجَعَلَ بَيْنَ ٱلْبَحْرَيْنِ حَاجِزًا أَءِلَٰهٌ مَّعَ ٱللَّهِ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬২ বল তো কে নিঃসহায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে এবং কষ্ট দূরীভূত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীতে পুর্ববর্তীদের স্থলাভিষিক্ত করেন। সুতরাং আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তোমরা অতি সামান্যই ধ্যান কর।
বাংলা উচ্চারণ
৬২ আম্মাইঁ ইয়ুজ্বীবুল মুদ্ব্ত্বোর্য়ার ইযা-দা'আ-হু অ ইয়াক্শিফুস্ সূ-য়া অ ইয়াজ'আলুকুম্ খুলাফা-য়াল্ র্আদ্ব্ আ ইলা-হুম্ মা'আল্লা-হ্ ক্বলীলাম্ মা-তাযাক্কারূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ তিনিই কি (একমাত্র ইলাহ্) নন, যিনি অশান্ত হৃদয়ের প্রার্থনাকারীর ডাকে সাড়া দেন এবং দূর করে দেন তার দুঃখ দুর্দশা? তিনিই তো তোমাদেরকে পৃথিবীতে খলিফা বানিয়েছেন। তারপরও তাঁর সাথে আরো ইলাহ্ আছে কি? তোমরা খুব কমই শিক্ষা গ্রহণ করো।
Word by word
٦٢ أَمَّن يُجِيبُ ٱلْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ ٱلسُّوٓءَ وَيَجْعَلُكُمْ خُلَفَآءَ ٱلْأَرْضِ أَءِلَٰهٌ مَّعَ ٱللَّهِ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৩ বল তো কে তোমাদেরকে জলে ও স্থলে অন্ধকারে পথ দেখান এবং যিনি তাঁর অনুগ্রহের পূর্বে সুসংবাদবাহী বাতাস প্রেরণ করেন? অতএব, আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তারা যাকে শরীক করে, আল্লাহ তা থেকে অনেক ঊর্ধ্বে।
বাংলা উচ্চারণ
৬৩ আম্মাইঁ ইয়াহ্দীকুম্ ফী জুলুমা-তিল্ র্বারি অলবাহ্রি অ মাইঁ ইর্য়ুসির্লু রিয়া-হা বুশ্রাম্ বাইনা ইয়াদাই রহ্মাতিহ্ আ ইলা-হুম্ মা'আল্লা-হ্ তা'আলাল্লা-হু 'আম্মা- ইয়ুশ্রিকূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ তিনিই কি (একমাত্র ইলাহ্) নন, যিনি তোমাদেরকে স্থল ও পানি পথের অন্ধকারে পথনির্দেশ দান করেন এবং যিনি সুসংবাদবাহী বাতাস পাঠান তাঁর রহমত (বৃষ্টি) বর্ষণের আগে। তারপরও তাঁর সাথে আরো ইলাহ্ আছে কি? তারা তাঁর সাথে যাদেরকে শরিক করে, তাদের থেকে তিনি অনেক ঊর্ধ্বে।
Word by word
٦٣ أَمَّن يَهْدِيكُمْ فِى ظُلُمَٰتِ ٱلْبَرِّ وَٱلْبَحْرِ وَمَن يُرْسِلُ ٱلرِّيَٰحَ بُشْرًۢا بَيْنَ يَدَىْ رَحْمَتِهِۦٓ أَءِلَٰهٌ مَّعَ ٱللَّهِ تَعَٰلَى ٱللَّهُ عَمَّا يُشْرِكُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৪ বল তো কে প্রথমবার সৃষ্টি করেন, অতঃপর তাকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন এবং কে তোমাদেরকে আকাশ ও মর্ত্য থেকে রিযিক দান করেন। সুতরাং আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? বলুন, তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর।
বাংলা উচ্চারণ
৬৪ আম্মাইঁ ইয়াব্দায়ুল্ খল্ক্ব ছুম্মা ইয়ু'ঈদুহূ অমাইঁ ইর্য়াযুকুকুম্ মিনাস্ সামা-য়ি অল্ র্আদ্ব্ আ ইলা-হুম্ মা'আল্লা-হ্ কুল্ হা-তূ র্বুহা-নাকুম্ ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ বরং তিনিই (একমাত্র ইলাহ্) যিনি সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর পুনরায় সৃষ্টি করবেন। আসমান ও জমিন থেকে কে তোমাদের রিযিক দেয়? তারপরও তাঁর সাথে আরো ইলাহ্ আছে কি? বলো: ‘তোমাদের প্রমাণ হাজির করো যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।’
Word by word
٦٤ أَمَّن يَبْدَؤُا۟ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ وَمَن يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ أَءِلَٰهٌ مَّعَ ٱللَّهِ قُلْ هَاتُوا۟ بُرْهَٰنَكُمْ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৫ বলুন, আল্লাহ ব্যতীত নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে কেউ গায়বের খবর জানে না এবং তারা জানে না যে, তারা কখন পুনরুজ্জীবিত হবে।
বাংলা উচ্চারণ
৬৫ কুল্ লা-ইয়া'লামু মান্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বিল্ গইবা ইল্লাল্লা-হ্ অমা-ইয়াশ্'ঊরূনা আইয়্যা-না ইয়ুব্'আছূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ বলো: ‘মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে, আল্লাহ্ ছাড়া কেউই গায়েব জানেনা। তারা কখন পুনরুত্থিত হবে তাও তারা জানেনা।’
Word by word
٦٥ قُل لَّا يَعْلَمُ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ٱلْغَيْبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৬ বরং পরকাল সম্পর্কে তাদের জ্ঞান নিঃশেষ হয়ে গেছে; বরং তারা এ বিষয়ে সন্দেহ পোষন করছে বরং এ বিষয়ে তারা অন্ধ।
বাংলা উচ্চারণ
৬৬ বালিদ্ দা-রকা 'ইল্মুহুম্ ফিল্ আ-খিরতি বাল্ হুম্ ফী শাক্কিম্ মিন্হা-বাল্ হুম্-মিন্হা 'আমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ না, আখিরাত সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান নেই, বরং তারা সে সম্পর্কে সন্দেহে আছে, বরং সে বিষয়ে তারা অন্ধ।
Word by word
٦٦ بَلِ ٱدَّٰرَكَ عِلْمُهُمْ فِى ٱلْءَاخِرَةِ بَلْ هُمْ فِى شَكٍّ مِّنْهَا بَلْ هُم مِّنْهَا عَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৭ কাফেররা বলে, যখন আমরা ও আমাদের বাপ - দাদারা মৃত্তিকা হয়ে যাব, তখনও কি আমাদেরকে পুনরুত্থিত করা হবে?
বাংলা উচ্চারণ
৬৭ অক্ব-লাল্ লাযীনা কাফারূ য় আ ইযা-কুন্না তুরা-বাঁও অ আ-বা-য়ুনা য় আইন্না লামুখ্রাজুন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ কাফিররা বলে: ‘‘আমরা এবং আমাদের পূর্ব পুরুষরা যখন মাটির সাথে মিশে যাবো, তখন কি আমাদের পুনরায় জীবিত করে উঠিয়ে আনা হবে?
Word by word
٦٧ وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَءِذَا كُنَّا تُرَٰبًا وَءَابَآؤُنَآ أَئِنَّا لَمُخْرَجُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৮ এই ওয়াদাপ্রাপ্ত হয়েছি আমরা এবং পূর্ব থেকেই আমাদের বাপ - দাদারা। এটা তো পূর্ববর্তীদের উপকথা বৈ কিছু নয়।
বাংলা উচ্চারণ
৬৮ লাক্বদ্ উ'ইদ্না-হাযা-নাহ্নু অ আ-বা-য়ুনা মিন্ ক্বাব্লু ইন্ হা-যা য় ইল্লায় আসা-ত্বীরুল্ আউওয়ালীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ এ বিষয়ে তো আমাদেরকে এবং আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকে ইতোপূর্বেও ধমক দেয়া হয়েছিল। এ - তো আগের কালের লোকদের কাহিনী ছাড়া আর কিছুই নয়।’’
Word by word
٦٨ لَقَدْ وُعِدْنَا هَٰذَا نَحْنُ وَءَابَآؤُنَا مِن قَبْلُ إِنْ هَٰذَآ إِلَّآ أَسَٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৯ বলুন, পৃথিবী পরিভ্রমণ কর এবং দেখ অপরাধীদের পরিণতি কি হয়েছে।
বাংলা উচ্চারণ
৬৯ কুল্ সীরূ ফিল্ র্আদ্বি ফান্জুরূ কাইফা কা-না 'আ-ক্বিবাতুল্ মুজরিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ হে নবী! বলো: ‘পৃথিবী ভ্রমণ করে দেখো, অপরাধীদের পরিণতি কী হয়েছিল?’
Word by word
٦٩ قُلْ سِيرُوا۟ فِى ٱلْأَرْضِ فَٱنظُرُوا۟ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلْمُجْرِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭০ তাদের কারণে আপনি দুঃখিত হবেন না এবং তারা যে চক্রান্ত করেছে এতে মনঃক্ষুন্ন হবেন না।
বাংলা উচ্চারণ
৭০ অলা-তাহ্যান্ 'আলাইহিম্ অলা-তাকুন্ ফী দ্বোয়াইক্বিম্ মিম্মা-ইয়াম্কুরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ তাদের ব্যাপারে দুঃখ করোনা, আর তাদের চক্রান্তের কারণে মনও ছোট করোনা।
Word by word
٧٠ وَلَا تَحْزَنْ عَلَيْهِمْ وَلَا تَكُن فِى ضَيْقٍ مِّمَّا يَمْكُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৭১ তারা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল, এই ওয়াদা কখন পূর্ণ হবে?
বাংলা উচ্চারণ
৭১ অ ইয়াকু লূনা মাতা- হা-যাল্ ওয়া'দু ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দিক্বীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ তারা বলে: ‘কখন আসবে এই ওয়াদার সময়টি, সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো।’
Word by word
٧١ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭২ বলুন, অসম্ভব কি, তোমরা যত দ্রুত কামনা করছ তাদের কিয়দংশ তোমাদের পিঠের উপর এসে গেছে।
বাংলা উচ্চারণ
৭২ কুল্ 'আসা য় আইঁ ইয়্যাকূনা রদিফা লাকুম্ বা'দ্বুল্লাযী তাস্তা'জ্বিলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ তুমি বলো: ‘তোমরা যা নিয়ে তাড়াহুড়া করছো তার কিছু কিছু বিষয় তোমাদের নিকটবর্তী হয়ে গেছে।’
Word by word
٧٢ قُلْ عَسَىٰٓ أَن يَكُونَ رَدِفَ لَكُم بَعْضُ ٱلَّذِى تَسْتَعْجِلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৩ আপনার পালনকর্তা মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু তাদের অধিকাংশই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।
বাংলা উচ্চারণ
৭৩ অ ইন্না রব্বাকা লাযূ ফাদ্ব্লিন্ 'আলান্ না-সি অলা-কিন্না আক্ছারহুম্ লা-ইয়াশ্কুরূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ নিশ্চয়ই তোমার প্রভু মানুষের প্রতি বড়ই অনুগ্রহশীল, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই শোকর আদায় করেনা।
Word by word
٧٣ وَإِنَّ رَبَّكَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى ٱلنَّاسِ وَلَٰكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لَا يَشْكُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৪ তাদের অন্তর যা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে আপনার পালনকর্তা অবশ্যই তা জানেন।
বাংলা উচ্চারণ
৭৪ অ ইন্না রব্বাকা লা-ইয়া'লামু মা- তুকিন্নু ছুদূরুহুম্ অমা-ইয়ু'লিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ তোমার প্রভু অবশ্যি জানেন তাদের মন যা গোপন করে আর যা তারা এলান (প্রকাশ) করে।
Word by word
٧٤ وَإِنَّ رَبَّكَ لَيَعْلَمُ مَا تُكِنُّ صُدُورُهُمْ وَمَا يُعْلِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৫ আকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন ভেদ নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে না আছে।
বাংলা উচ্চারণ
৭৫ অমা-মিন্ গ-য়িবাতিন্ ফিস্ সামা-য়ি অল্ র্আদ্বি ইল্লা-ফী কিতা-বিম্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ আসমান ও জমিনে এমন কোনো গায়েব নেই, যা এক সুস্পষ্ট কিতাবে রেকর্ড করা নেই।
Word by word
٧٥ وَمَا مِنْ غَآئِبَةٍ فِى ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ إِلَّا فِى كِتَٰبٍ مُّبِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
৭৬ এই কোরআন বণী ইসরাঈল যেসব বিষয়ে মতবিরোধ করে, তার অধিকাংশ তাদের কাছে বর্ণনা করে।
বাংলা উচ্চারণ
৭৬ ইন্না হা-যাল্ ক্বরআ-না ইয়াকুছ্ছু 'আলা-বানী য় ইস্রা-য়ীলা আক্ছারাল্লাযী হুম্ ফীহি ইয়াখ্তালিফূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ বনি ইসরাঈল যেসব বিষয়ে মতভেদ করে, তার অধিকাংশই এ কুরআন তাদের বলে দেয়।
Word by word
٧٦ إِنَّ هَٰذَا ٱلْقُرْءَانَ يَقُصُّ عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ أَكْثَرَ ٱلَّذِى هُمْ فِيهِ يَخْتَلِفُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৭ এবং নিশ্চিতই এটা মুমিনদের জন্যে হেদায়েত ও রহমত।
বাংলা উচ্চারণ
৭৭ অ ইন্নাহূ লাহুদাঁও অ রহ্মাতু ল্লিল্ মুমিনীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ আর নিশ্চয়ই এ কুরআন মুমিনদের জন্যে হিদায়াত এবং রহমত।
Word by word
٧٧ وَإِنَّهُۥ لَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৮ আপনার পালনকর্তা নিজ শাসনক্ষমতা অনুযায়ী তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন। তিনি পরাক্রমশালী, সুবিজ্ঞ।
বাংলা উচ্চারণ
৭৮ ইন্না রব্বাকা ইয়াকদ্বী বাইনাহুম্ বিহুক্মিহী অহুওয়াল্ 'আযীযুল্ 'আলীম্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ তোমার প্রভু তাঁর বিধান মতো তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন। নিশ্চয়ই তিনি মহাশক্তিধর, মহাজ্ঞানী।
Word by word
٧٨ إِنَّ رَبَّكَ يَقْضِى بَيْنَهُم بِحُكْمِهِۦ وَهُوَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْعَلِيمُ
মুহিউদ্দীন খান
৭৯ অতএব, আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করুন। নিশ্চয় আপনি সত্য ও স্পষ্ট পথে আছেন।
বাংলা উচ্চারণ
৭৯ ফাতাওয়াক্কাল্ 'আলা ল্লা-হ্ ইন্নাকা 'আলাল্ হাকক্বিল্ মুবীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ অতএব তাওয়াক্কুল করো আল্লাহর উপর। নিশ্চয়ই তুমি সুস্পষ্ট সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
Word by word
٧٩ فَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ إِنَّكَ عَلَى ٱلْحَقِّ ٱلْمُبِينِ
মুহিউদ্দীন খান
৮০ আপনি আহবান শোনাতে পারবেন না মৃতদেরকে এবং বধিরকেও নয়, যখন তারা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যায়।
বাংলা উচ্চারণ
৮০ ইন্নাকা লা-তুস্ মি'উল্ মাওতা অলা-তুস্মি'উছ্ ছুম্মাদ্দু'আ-য়া ইযা-অল্লাও মুদ্বিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ তুমি তো মৃতকে কথা শুনাতে পারবেনা এবং বধিরকেও পারবেনা আহবান শুনাতে, যখন তারা মুখ ফিরিয়ে চলে যায়।
Word by word
٨٠ إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ ٱلْمَوْتَىٰ وَلَا تُسْمِعُ ٱلصُّمَّ ٱلدُّعَآءَ إِذَا وَلَّوْا۟ مُدْبِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮১ আপনি অন্ধদেরকে তাদের পথভ্রষ্টতা থেকে ফিরিয়ে সৎপথে আনতে পারবেন না। আপনি কেবল তাদেরকে শোনাতে পারবেন, যারা আমার আয়াতসমূহে বিশ্বাস করে। অতএব, তারাই আজ্ঞাবহ।
বাংলা উচ্চারণ
৮১ অমা য় আন্তা বিহা-দিল্ 'উম্য়ি 'আন্ দ্বোয়ালা-লাতিহিম্ ইন্ তুস্মি'উ ইল্লা-মাইঁ ইয়ুমিনু বিআ-ইয়া-তিনা-ফাহুম্ মুস্লিমূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ তুমি অন্ধদের সঠিক পথে আনতে পারবেনা তাদের ভুল পথ থেকে। তুমি শুনাতে পারবে তো কেবল তাদেরকে, যারা আমাদের আয়াতের প্রতি ঈমান আনে, আর তারাই হয়ে থাকে আত্মসমর্পণকারী।
Word by word
٨١ وَمَآ أَنتَ بِهَٰدِى ٱلْعُمْىِ عَن ضَلَٰلَتِهِمْ إِن تُسْمِعُ إِلَّا مَن يُؤْمِنُ بِـَٔايَٰتِنَا فَهُم مُّسْلِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮২ যখন প্রতিশ্রুতি (কেয়ামত) সমাগত হবে, তখন আমি তাদের সামনে ভূগর্ভ থেকে একটি জীব নির্গত করব। সে মানুষের সাথে কথা বলবে। এ কারণে যে মানুষ আমার নিদর্শনসমূহে বিশ্বাস করত না।
বাংলা উচ্চারণ
৮২ অ ইযা-অক্বা'আল্ ক্বাওলু 'আলাইহিম্ আখ্রাজনা লাহুম্ দা-ব্বাতাম্ মিনাল্ র্আদ্বি তুকাল্লিমুহুম্ আন্নান্ না-সা কা-নূ বি আ-ইয়া-তিনা-লা-ইয়ূক্বিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ যখন ঘোষিত শাস্তি তাদের নিকটবর্তী হবে, তখন আমরা মাটির ভেতর থেকে তাদের জন্যে বের করে আনবো একটি জীব (দাববাতুল আর্দ), যে তাদের সাথে কথা বলবে। কারণ, মানুষ আমাদের আয়াতের প্রতি একীন রাখেনা।
Word by word
٨٢ وَإِذَا وَقَعَ ٱلْقَوْلُ عَلَيْهِمْ أَخْرَجْنَا لَهُمْ دَآبَّةً مِّنَ ٱلْأَرْضِ تُكَلِّمُهُمْ أَنَّ ٱلنَّاسَ كَانُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَا لَا يُوقِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৩ যেদিন আমি একত্রিত করব একেকটি দলকে সেসব সম্প্রদায় থেকে, যারা আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলত; অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করা হবে।
বাংলা উচ্চারণ
৮৩ অ ইয়াওমা নাহ্শুরু মিন্ কুল্লি উম্মাতিন্ ফাওজ্বাম্ মিম্মাইঁ ইয়ুকায্যিবু বিআ-ইয়া-তিনা- ফাহুম ইয়ূযা'ঊন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ স্মরণ করো সেদিনের কথা, যেদিন আমরা প্রত্যেক উম্মত থেকে একটি দলকে সমবেত করবো। যারা আমাদের আয়াতকে প্রত্যাখ্যান করতো; তাদেরকে সারিবদ্ধ করা হবে।
Word by word
٨٣ وَيَوْمَ نَحْشُرُ مِن كُلِّ أُمَّةٍ فَوْجًا مِّمَّن يُكَذِّبُ بِـَٔايَٰتِنَا فَهُمْ يُوزَعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৪ যখন তারা উপস্থিত হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি আমার আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলেছিলে? অথচ এগুলো সম্পর্কে তোমাদের পুর্ণ জ্ঞান ছিল না। না তোমরা অন্য কিছু করছিলে?
বাংলা উচ্চারণ
৮৪ হাত্তা য় ইযা-জ্বা-য়ূ ক্ব-লা আকায্যাব্তুম্ বিআ-ইয়া-তী অ লাম্ তুহীতু বিহা-'ইল্মান্ আম্মা-যা-কুন্তুম্ তা'মাল্ন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ যখন তারা উপস্থিত হবে, আল্লাহ্ বলবেন: তোমরাই কি আমার আয়াতকে প্রত্যাখ্যান করেছিলে? অথচ সেটাকে তোমাদের জ্ঞানে ধারণ করতে পারোনি? এছাড়াও তোমরা আর কী কী করেছিলে?
Word by word
٨٤ حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءُو قَالَ أَكَذَّبْتُم بِـَٔايَٰتِى وَلَمْ تُحِيطُوا۟ بِهَا عِلْمًا أَمَّاذَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৫ জুলুমের কারণে তাদের কাছে আযাবের ওয়াদা এসে গেছে। এখন তারা কোন কিছু বলতে পারবে না।
বাংলা উচ্চারণ
৮৫ অ অক্ব'আল্ ক্বওলু 'আলাইহিম্ বিমা-জোয়ালামূ ফাহুম্ লা- ইয়ান্ত্বিকূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ তাদের যুলুমের কারণে তাদের উপর ঘোষিত শাস্তি এসে পড়বে, ফলে তারা কথাই বলতে পারবেনা।
Word by word
٨٥ وَوَقَعَ ٱلْقَوْلُ عَلَيْهِم بِمَا ظَلَمُوا۟ فَهُمْ لَا يَنطِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৬ তারা কি দেখে না যে, আমি রাত্রি সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্যে এবং দিনকে করেছি আলোকময়। নিশ্চয় এতে ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
বাংলা উচ্চারণ
৮৬ আলাম্ ইয়ারও আন্না জ্বা'আল্নাল্লাইলা লিইয়াস্কুনূ ফীহি অন্নাহা-র মুব্ছির- ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্লিক্বওমিই ইয়ুমিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ তারা কি দেখেনা আমরা রাতকে সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্যে, আর দিনকে বানিয়েছি দৃশ্যমান। বিশ্বাসীদের জন্যে অবশ্যি এতে রয়েছে নিদর্শন।
Word by word
٨٦ أَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّا جَعَلْنَا ٱلَّيْلَ لِيَسْكُنُوا۟ فِيهِ وَٱلنَّهَارَ مُبْصِرًا إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৭ যেদিন সিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, অতঃপর আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা সবাই ভীতবিহ্বল হয়ে পড়বে এবং সকলেই তাঁর কাছে আসবে বিনীত অবস্থায়।
বাংলা উচ্চারণ
৮৭ অ ইয়াওমা ইয়ুন্ফাখু ফিছ্ ছূরি ফাফাযি'আ মান্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অ মান্ ফিল্ র্আদ্বি ইল্লা-মান্ শা-য়াল্লা-হ্ অ কুল্লুন্ আতাওহু দা-খিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ যেদিন শিঙ্গায় (প্রথমবার) ফুৎকার দেয়া হবে, সেদিন মহাকাশ ও পৃথিবীর সবাই বিহবল হয়ে পড়বে, তবে আল্লাহ্ যাদের চাইবেন তারা ছাড়া। সবাই বিনীত হয়ে তাঁর কাছে উপস্থিত হবে।
Word by word
٨٧ وَيَوْمَ يُنفَخُ فِى ٱلصُّورِ فَفَزِعَ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَن فِى ٱلْأَرْضِ إِلَّا مَن شَآءَ ٱللَّهُ وَكُلٌّ أَتَوْهُ دَٰخِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৮ তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর, অথচ সেদিন এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে। এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। তোমরা যা কিছু করছ, তিনি তা অবগত আছেন।
বাংলা উচ্চারণ
৮৮ অ তারল্ জ্বিবা-লা তাহ্সাবুহা- জ্বা-মিদাতাঁও অহিয়া তার্মুরু র্মারস্ সাহা-ব্ ছুন্'আল্ল-হি ল্লাযী য় আত্ক্বনা কুল্লা শাইয়িন্ ইন্নাহু খাবীরুম্ বিমা-তাফ্'আলূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ তুমি পাহাড় পর্বত দেখছো, মনে করছো সেগুলো অটল, অথচ সেদিন সেগুলো মেঘমালার মতোই ধাবিত হবে। এটাই আল্লাহর সৃষ্টি - কৌশল, যিনি প্রতিটি বস্ত্তকে করেছেন সুষম। তোমরা যা করো সে বিষয়ে তিনি খবর রাখেন।
Word by word
٨٨ وَتَرَى ٱلْجِبَالَ تَحْسَبُهَا جَامِدَةً وَهِىَ تَمُرُّ مَرَّ ٱلسَّحَابِ صُنْعَ ٱللَّهِ ٱلَّذِىٓ أَتْقَنَ كُلَّ شَىْءٍ إِنَّهُۥ خَبِيرٌۢ بِمَا تَفْعَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৯ যে কেউ সৎকর্ম নিয়ে আসবে, সে উৎকৃষ্টতর প্রতিদান পাবে এবং সেদিন তারা গুরুতর অস্থিরতা থেকে নিরাপদ থাকবে।
বাংলা উচ্চারণ
৮৯ মান্ জ্বা-য়া বিল্হাসানাতি ফালাহূ খইরুম্ মিন্হা-অ হুম্ মিন্ ফাযাই ইয়াওমায়িযিন্ আ-মিনূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ যে ভালো কাজ নিয়ে আসবে, সে পাবে তার চাইতে উত্তম প্রতিফল। তারা সেদিনকার শংকা থেকে থাকবে মুক্ত।
Word by word
٨٩ مَن جَآءَ بِٱلْحَسَنَةِ فَلَهُۥ خَيْرٌ مِّنْهَا وَهُم مِّن فَزَعٍ يَوْمَئِذٍ ءَامِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯০ এবং যে মন্দ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে অগ্নিতে অধঃমূখে নিক্ষেপ করা হবে। তোমরা যা করছিলে, তারই প্রতিফল তোমরা পাবে।
বাংলা উচ্চারণ
৯০ অ মান্ জ্বা-য়া বিস্ সাইয়িয়াতি ফাকুব্বাত্ উজুহু হুম্ ফীন্নার্- হাল্ তুজযাওনা ইল্লা-মা-কুন্তুম্ তা'মালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ আর যে মন্দ কাজ নিয়ে আসবে তাকে উপুড় করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে। তোমরা যা করতে তারই প্রতিফল তোমাদের দেয়া হবে।
Word by word
٩٠ وَمَن جَآءَ بِٱلسَّيِّئَةِ فَكُبَّتْ وُجُوهُهُمْ فِى ٱلنَّارِ هَلْ تُجْزَوْنَ إِلَّا مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯১ আমি তো কেবল এই নগরীর প্রভুর এবাদত করতে আদিষ্ট হয়েছি, যিনি একে সম্মানিত করেছেন। এবং সব কিছু তাঁরই। আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই।
বাংলা উচ্চারণ
৯১ ইন্নামা য় উর্মিতু আন্ আ'বুদা রব্বাহা-যিহিল্ বাল্দাতিল্লাযী র্হারামাহা-অ লাহূ কুল্লু শাইয়িঁও অ উর্মিতু আন্ আকূনা মিনাল্ মুস্লিমীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ নিশ্চয়ই আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে এই নগরীর প্রভুর ইবাদত করতে যিনি এটিকে করেছেন সম্মানিত। সব কিছুই তাঁর। আমাকে আরো আদেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো আত্মসমর্পণকারীদের অন্তরভুক্ত হই।
Word by word
٩١ إِنَّمَآ أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ رَبَّ هَٰذِهِ ٱلْبَلْدَةِ ٱلَّذِى حَرَّمَهَا وَلَهُۥ كُلُّ شَىْءٍ وَأُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ مِنَ ٱلْمُسْلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯২ এবং যেন আমি কোরআন পাঠ করে শোনাই। পর যে ব্যক্তি সৎপথে চলে, সে নিজের কল্যাণার্থেই সৎপথে চলে এবং কেউ পথভ্রষ্ট হলে আপনি বলে দিন, আমি তো কেবল একজন ভীতি প্রদর্শনকারী।
বাংলা উচ্চারণ
৯২ অ আন্ আত্লুওয়াল্ ক্বরআ-না ফামানিহ্ তাদা-ফাইন্নামা-ইয়াহ্তাদী লিনাফ্সিহী অমান্ দ্বোয়াল্লা ফাকুল্ ইন্নামা য় আনা মিনাল্ মুন্যিরীন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ আমাকে আরো নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আমি যেনো তিলাওয়াত (অনুসরণ) করি আল কুরআন। অত:পর যে কেউ সঠিক পথে চলবে, সে সঠিক পথে চলবে নিজেরই কল্যাণে। আর যে কেউ ভুল পথ অবলম্বন করবে, তুমি তার ব্যাপারে বলবে: আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র।
Word by word
٩٢ وَأَنْ أَتْلُوَا۟ ٱلْقُرْءَانَ فَمَنِ ٱهْتَدَىٰ فَإِنَّمَا يَهْتَدِى لِنَفْسِهِۦ وَمَن ضَلَّ فَقُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ مِنَ ٱلْمُنذِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৩ এবং আরও বলুন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। সত্বরই তিনি তাঁর নিদর্শনসমূহ তোমাদেরকে দেখাবেন। তখন তোমরা তা চিনতে পারবে। এবং তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আপনার পালনকর্তা গাফেল নন।
বাংলা উচ্চারণ
৯৩ অ কুলিল্ হাম্দু লিল্লা-হি সাইয়ুরীকুম্ আ-ইয়া-তিহী ফাতা'রিফূনাহা- অমা-রব্বুকা বিগ-ফিলিন্ আম্মা-তা'মালূন্।
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ বলো: আল হামদুলিল্লাহ! তিনি শীঘ্রি তোমাদের দেখাবেন তাঁর নিদর্শনসমূহ, তখন তোমরা তা বুঝতে পারবে। তোমরা যা আমল করছো সে ব্যাপারে তোমার প্রভু গাফিল নন।
Word by word
٩٣ وَقُلِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ سَيُرِيكُمْ ءَايَٰتِهِۦ فَتَعْرِفُونَهَا وَمَا رَبُّكَ بِغَٰفِلٍ عَمَّا تَعْمَلُونَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report