Kitab

আল মায়েদাহ

Chapter 5, 120 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • Arabic, with marks
  • Word by word
  • আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গীকারসমূহ পূর্ন কর। তোমাদের জন্য চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে, যা তোমাদের কাছে বিবৃত হবে তা ব্যতীত। কিন্তু এহরাম বাধাঁ অবস্থায় শিকারকে হালাল মনে করো না! নিশ্চয় তা’আলা যা ইচ্ছা করেন, নির্দেশ দেন।

Arabic, with marks

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَوْفُوا بِالْعُقُودِ ۚ أُحِلَّتْ لَكُم بَهِيمَةُ الْأَنْعَامِ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ غَيْرَ مُحِلِّي الصَّيْدِ وَأَنتُمْ حُرُمٌ ۗ إِنَّ اللَّهَ يَحْكُمُ مَا يُرِيدُ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَوْفُوا۟ بِٱلْعُقُودِ أُحِلَّتْ لَكُم بَهِيمَةُ ٱلْأَنْعَٰمِ إِلَّا مَا يُتْلَىٰ عَلَيْكُمْ غَيْرَ مُحِلِّى ٱلصَّيْدِ وَأَنتُمْ حُرُمٌ إِنَّ ٱللَّهَ يَحْكُمُ مَا يُرِيدُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের অংগীকার পূরণ করো। তোমাদের জন্যে হালাল করা হলো গৃহপালিত চতুস্পদ পশু, সেগুলো ছাড়া যেগুলো (সামনে) তিলাওয়াত করা হচ্ছে ; তবে ইহরাম অবস্থায় তোমাদের জন্যে শিকার করা বৈধ নয়। নিশ্চয়ই হুকুম প্রদান করেন যা তিনি চান।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ! হালাল মনে করো না আল্লাহর নিদর্শনসমূহ এবং সম্মানিত মাসসমূহকে এবং হরমে কুরবানীর জন্যে নির্দিষ্ট জন্তুকে এবং ঐসব জন্তুকে, যাদের গলায় কন্ঠাভরণ রয়েছে এবং ঐসব লোককে যারা সম্মানিত গৃহ অভিমুখে যাচ্ছে, যারা স্বীয় পালনকর্তার অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে। যখন তোমরা এহরাম থেকে বের হয়ে আস, তখন শিকার কর। যারা পবিত্র মসজিদ থেকে তোমাদেরকে বাধা প্রদান করেছিল, সেই সম্প্রদায়ের শুত্রুতা যেন তোমাদেরকে সীমালঙ্ঘনে প্ররোচিত না করে। সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তা’আলা কঠোর শাস্তিদাতা।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحِلُّوا شَعَائِرَ اللَّهِ وَلَا الشَّهْرَ الْحَرَامَ وَلَا الْهَدْيَ وَلَا الْقَلَائِدَ وَلَا آمِّينَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّن رَّبِّهِمْ وَرِضْوَانًا ۚ وَإِذَا حَلَلْتُمْ فَاصْطَادُوا ۚ وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ أَن صَدُّوكُمْ عَنِ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ أَن تَعْتَدُوا ۘ وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۖ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تُحِلُّوا۟ شَعَٰٓئِرَ ٱللَّهِ وَلَا ٱلشَّهْرَ ٱلْحَرَامَ وَلَا ٱلْهَدْىَ وَلَا ٱلْقَلَٰٓئِدَ وَلَآ ءَآمِّينَ ٱلْبَيْتَ ٱلْحَرَامَ يَبْتَغُونَ فَضْلًا مِّن رَّبِّهِمْ وَرِض

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে, হারাম মাসকে, কাবায় প্রেরিত কুরবানির পশুকে, (কুরবানির) উদ্দেশ্যে গলায় চিহ্ন পরানো পশুকে এবং নিজেদের প্রভুর রেজামন্দি ও অনুগ্রহ সন্ধানে বায়তুল হারাম অভিমুখী যাত্রীদের অবমাননা করাকে হালাল করে নিয়োনা। যখন তোমরা ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যাবে, তখন শিকার করো। মসজিদে হারামে প্রবেশ করতে তোমাদের বাধা দিয়েছে বলে কোনো কওমের প্রতি বিদ্বেষ যেনো তোমাদেরকে কিছুতেই সীমালংঘনে প্ররোচিত না করে। আর পুণ্য ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো, তবে পাপও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করোনা। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই কঠিন শাস্তি দাতা।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস, যেসব জন্তু ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কন্ঠরোধে মারা যায়, যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায় এবং যাকে হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে, কিন্তু যাকে তোমরা যবেহ করেছ। যে জন্তু যজ্ঞবেদীতে যবেহ করা হয় এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। এসব গোনাহর কাজ। আজ কাফেররা তোমাদের থেকে নিরাশ হয়ে গেছে। অতএব তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে হিসেবে পছন্দ করলাম। অতএব যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে, তবে নিশ্চয়ই তা’আলা ক্ষমাশীল।

Arabic, with marks

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةُ وَالدَّمُ وَلَحْمُ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ وَالْمُنْخَنِقَةُ وَالْمَوْقُوذَةُ وَالْمُتَرَدِّيَةُ وَالنَّطِيحَةُ وَمَا أَكَلَ السَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيْتُمْ وَمَا ذُبِحَ عَلَى النُّصُبِ وَأَن تَسْتَقْسِمُوا بِالْأَزْلَامِ ۚ ذَٰلِكُمْ فِسْقٌ ۗ الْيَوْمَ يَئِسَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن دِينِكُمْ فَلَا تَخْشَوْهُمْ وَاخْشَوْنِ ۚ الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الْإِسْلَامَ دِينًا ۚ فَمَنِ اضْطُرَّ فِي مَخْمَصَةٍ غَيْرَ مُتَجَانِفٍ لِّإِثْمٍ ۙ فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

Word by word

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمُ ٱلْمَيْتَةُ وَٱلدَّمُ وَلَحْمُ ٱلْخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيْرِ ٱللَّهِ بِهِۦ وَٱلْمُنْخَنِقَةُ وَٱلْمَوْقُوذَةُ وَٱلْمُتَرَدِّيَةُ وَٱلنَّطِيحَةُ وَمَآ أَكَلَ ٱلسَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيْتُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হারাম করে দেয়া হলো তোমাদের জন্যে মৃত পশু, রক্ত, শুয়োরের মাংস, ছাড়া অন্য কারো নামে যবেহ্ করা পশু। দমবন্ধ হয়ে মরে যাওয়া পশু, আঘাতে মৃত পশু, উপর থেকে পড়ে মরা পশু, সিং - এর গুতোয় মরা পশু এবং সেই পশু যাকে হিংস্র জানোয়ার ছিন্ন ভিন্ন করে খেয়েছে। তবে এর মধ্যে যেগুলোকে তোমরা যবেহ্ করার সুযোগ পাও (সেগুলো হালাল)। আর যেগুলো আস্তানা বা বেদিতে যবাই করা হয়েছে সেগুলোও হারাম। আরো হারাম করা হয়েছে জুয়ার তীরের (অর্থাৎ জুয়াবাজির) মাধ্যমে ভাগ্য নির্ণয় করা। এগুলো সবই ফাসেকি কাজ। আজ কাফিররা তোমাদের দীনের বিরোধিতার কাজে হতাশ হয়ে পড়েছে। সুতরাং তাদের ভয় পেয়োনা, কেবল আমাকে ভয় করো। আজ আমি তোমাদের জন্যে পূর্ণ করে দিলাম তোমাদের দীন, পরিপূর্ণ করে দিলাম তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত (আল কুরআন) এবং তোমাদের জন্যে দীন (জীবন ব্যবস্থা) মনোনীত করলাম ইসলামকে। কেউ পাপের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে ক্ষুধার তাড়নায় যদি বাধ্য হয়ে (হারামকৃত জিনিসগুলো থেকে কিছু খায়) তবে অবশ্যি ক্ষমাশীল দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে যে, কি বস্তু তাদের জন্যে হালাল? বলে দিন, তোমাদের জন্যে পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হয়েছে। যেসব শিকারী জন্তুকে তোমরা প্রশিক্ষণ দান কর শিকারের প্রতি প্রেরণের জন্যে এবং ওদেরকে ঐ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দাও, যা তোমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। এমন শিকারী জন্তু যে শিকারকে তোমাদের জন্যে ধরে রাখে, তা খাও এবং তার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ কর। আল্লাহকে ভয় করতে থাক। নিশ্চয় সত্ত্বর হিসাব গ্রহণকারী।

Arabic, with marks

يَسْأَلُونَكَ مَاذَا أُحِلَّ لَهُمْ ۖ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ ۙ وَمَا عَلَّمْتُم مِّنَ الْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ اللَّهُ ۖ فَكُلُوا مِمَّا أَمْسَكْنَ عَلَيْكُمْ وَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ سَرِيعُ الْحِسَابِ

Word by word

يَسْـَٔلُونَكَ مَاذَآ أُحِلَّ لَهُمْ قُلْ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُ وَمَا عَلَّمْتُم مِّنَ ٱلْجَوَارِحِ مُكَلِّبِينَ تُعَلِّمُونَهُنَّ مِمَّا عَلَّمَكُمُ ٱللَّهُ فَكُلُوا۟ مِمَّآ أَمْسَكْنَ عَلَيْكُمْ وَٱذْكُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার কাছে জানতে চাইছে, তাদের জন্য কী হালাল করা হয়েছে? তুমি তাদের বলো: তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সব ভালো জিনিস। তোমাদের যা শিক্ষা দিয়েছেন তার আলোকে তোমরা শিকারী পশু পাখিদের যা প্রশিক্ষণ দাও, তারা তোমাদের জন্য যা শিকার করে আনে সেগুলো খাও। তবে সেগুলোতে আল্লাহর নাম নেবে, আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হল। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্যে হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্যে হালাল সতী - সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী - সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

Arabic, with marks

الْيَوْمَ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ ۖ وَطَعَامُ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حِلٌّ لَّكُمْ وَطَعَامُكُمْ حِلٌّ لَّهُمْ ۖ وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ مُحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ وَلَا مُتَّخِذِي أَخْدَانٍ ۗ وَمَن يَكْفُرْ بِالْإِيمَانِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ

Word by word

ٱلْيَوْمَ أُحِلَّ لَكُمُ ٱلطَّيِّبَٰتُ وَطَعَامُ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ حِلٌّ لَّكُمْ وَطَعَامُكُمْ حِلٌّ لَّهُمْ وَٱلْمُحْصَنَٰتُ مِنَ ٱلْمُؤْمِنَٰتِ وَٱلْمُحْصَنَٰتُ مِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ مِن

আবদুস শহীদ নাসিম

আজ তোমাদের জন্য হালাল করা হলো সব ভালো - পবিত্র জিনিস। পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য দ্রব্য (যবাই করা পশু) তোমাদের জন্য হালাল এবং তোমাদের খাদ্য দ্রব্যও তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্য (বিয়ে করা হালাল) সতী সাধ্বী নারীদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের সতী সাধ্বী নারীদেরকে যদি তোমরা তাদের মোহরানা প্রদান করো বিয়ে করার উদ্দেশ্যে, ব্যভিচার এবং গোপন প্রণয়িনী হিসেবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে নয়। যে কেউ ঈমানের পথে আসতে অস্বীকার করবে, নিষ্ফল হয়ে যাবে তার আমল এবং আখিরাতে সে অন্তরভুক্ত হবে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, যখন তোমরা নামাযের জন্যে উঠ, তখন স্বীয় মুখমন্ডল ও হস্তসমূহ কনুই পর্যন্ত ধৌত কর, মাথা মুছেহ কর এবং পদযুগল গিটসহ। যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও এবং যদি তোমরা রুগ্ন হও, অথবা প্রবাসে থাক অথবা তোমাদের কেউ প্রসাব - পায়খানা সেরে আসে অথবা তোমরা স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর, অতঃপর পানি না পাও, তবে তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করে নাও - অর্থাৎ, স্বীয় মুখ - মন্ডল ও হস্তদ্বয় মাটি দ্বারা মুছে ফেল। তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান এবং তোমাদের প্রতি স্বীয় নেয়ামত পূর্ণ করতে চান - যাতে তোমরা কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ কর।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ۚ وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا ۚ وَإِن كُنتُم مَّرْضَىٰ أَوْ عَلَىٰ سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِّنكُم مِّنَ الْغَائِطِ أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوا مَاءً فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوا بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُم مِّنْهُ ۚ مَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُم مِّنْ حَرَجٍ وَلَٰكِن يُرِيدُ لِيُطَهِّرَكُمْ وَلِيُتِمَّ نِعْمَتَهُ عَلَيْكُمْ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغْسِلُوا۟ وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى ٱلْمَرَافِقِ وَٱمْسَحُوا۟ بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى ٱلْكَعْبَيْنِ وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَٱط

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা ! তোমরা যখন সালাতের জন্য উঠবে তখন ধুয়ে নেবে তোমাদের মুখমন্ডল এবং তোমাদের হাত কনুই পর্যন্ত, আর মাসেহ্ করে নেবে তোমাদের মাথা এবং ধুয়ে নেবে তোমাদের পা টাক্নু পর্যন্ত। কিন্তু তোমরা যদি অপবিত্র থাকো তাহলে (আগেই) পবিত্র হয়ে নেবে। তবে যদি রোগাক্রান্ত হয়ে থাকো, কিংবা সফরে থাকো, অথবা তোমাদের কেউ যদি পায়খানায় গিয়ে আসো, কিংবা স্ত্রীর সাথে সংগম করে থাকো, অতঃপর যদি পানি না পাও, তবে তাইয়াম্মুম করে নাও ভালো মাটি দিয়ে। তা দিয়ে মাসেহ্ করে নেবে তোমাদের মুখমন্ডল এবং হাত। তোমাদের কষ্টে ফেলতে চান না, বরং তিনি চান তোমাদের পবিত্র করতে এবং তোমাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ পূর্ণ করতে, যাতে করে তোমরা হতে পারো শোকরগুজার।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং ঐ অঙ্গীকারকেও যা তোমাদের কাছ থেকে নিয়েছেন, যখন তোমরা বলেছিলেঃ আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয়ই অন্তরের বিষয় সম্পর্কে পুরোপুরি খবর রাখেন।

Arabic, with marks

وَاذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَمِيثَاقَهُ الَّذِي وَاثَقَكُم بِهِ إِذْ قُلْتُمْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ

Word by word

وَٱذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَمِيثَٰقَهُ ٱلَّذِى وَاثَقَكُم بِهِۦٓ إِذْ قُلْتُمْ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِذَاتِ ٱلصُّدُورِ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রতি আল্লাহর নিয়ামতের কথা স্মরণ করো আর সেই অংগীকারের কথা যার সাথে তিনি তোমাদের শক্তভাবে আবদ্ধ করেছিলেন, যখন তোমরা বলেছিলে: ‘আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম।’ আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই ভালোভাবে জানেন অন্তরের খবর।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে ন্যায় সাক্ষ্যদানের ব্যাপারে অবিচল থাকবে এবং কোন সম্প্রদায়ের শত্রুতার কারণে কখনও ন্যায়বিচার পরিত্যাগ করো না। সুবিচার কর এটাই খোদাভীতির অধিক নিকটবর্তী। আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কর, নিশ্চয় সে বিষয়ে খুব জ্ঞাত।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ لِلَّهِ شُهَدَاءَ بِالْقِسْطِ ۖ وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ عَلَىٰ أَلَّا تَعْدِلُوا ۚ اعْدِلُوا هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُونُوا۟ قَوَّٰمِينَ لِلَّهِ شُهَدَآءَ بِٱلْقِسْطِ وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَـَٔانُ قَوْمٍ عَلَىٰٓ أَلَّا تَعْدِلُوا۟ ٱعْدِلُوا۟ هُوَ أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে ঈমান আনা লোকেরা! তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে ন্যায় সাক্ষ্যদাতা হিসেবে অটল অবিচল থাকো। কোনো কওমের প্রতি বিদ্বেষ যেনো তোমাদেরকে ন্যায়নীতি বর্জনে প্ররোচিত না করে। তোমরা আদল ও ইনসাফের নীতি গ্রহণ করো। এটাই তাকওয়ার জন্যে নিকটতর। আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই তোমাদের আমল (কর্মকান্ড) সম্পর্কে বিশেষভাবে খবর রাখেন।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদেরকে ক্ষমা ও মহান প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Arabic, with marks

وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ۙ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ

Word by word

وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ عَظِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

ওয়াদা দিয়েছেন: যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং বিশাল পুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

যারা অবিশ্বাস করে এবং আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলে, তার দোযখী।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَآ أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَحِيمِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরির পথ অবলম্বন করে এবং প্রত্যাখ্যান করে আমাদের আয়াত, তারা হবে জাহিমের (জ্বলন্ত আগুনের) অধিবাসী।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন এক সম্প্রদায় তোমাদের দিকে স্বীয় হস্ত প্রসারিত করতে সচেষ্ট হয়েছিল, তখন তিনি তাদের হস্ত তোমাদের থেকে প্রতিহত করে দিলেন। আল্লাহকে ভয় কর এবং মুমিনদের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا نِعْمَتَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هَمَّ قَوْمٌ أَن يَبْسُطُوا إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنكُمْ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَتَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ هَمَّ قَوْمٌ أَن يَبْسُطُوٓا۟ إِلَيْكُمْ أَيْدِيَهُمْ فَكَفَّ أَيْدِيَهُمْ عَنكُمْ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَعَلَى ٱللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের প্রতি আল্লাহর সেই অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো যখন একদল লোক তোমাদের উপর হাত উঠাতে চেয়েছিল, তখন তিনিই তোমাদের থেকে তাদের হাত গুটিয়ে রেখেছিলেন। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আর মুমিনরা তাওয়াক্কুল করুক আল্লাহরই উপর।

মুহিউদ্দীন খান

বনী - ইসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন এবং আমি তাদের মধ্য থেকে বার জন সর্দার নিযুক্ত করেছিলাম। বলে দিলেনঃ আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। যদি তোমরা প্রতিষ্ঠিত কর, যাকাত দিতে থাক, আমার পয়গম্বরদের প্রতি বিশ্বাস রাখ, তাঁদের সাহায্য কর এবং আল্লাহকে উত্তম পন্থায় ঋন দিতে থাক, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের গোনাহ দুর করে দিব এবং অবশ্যই তোমাদেরকে উদ্যান সমূহে প্রবিষ্ট করব, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে নিঝরিনীসমূহ প্রবাহিত হয়। অতঃপর তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি এরপরও হয়, সে নিশ্চিতই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে।

Arabic, with marks

۞ وَلَقَدْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَبَعَثْنَا مِنْهُمُ اثْنَيْ عَشَرَ نَقِيبًا ۖ وَقَالَ اللَّهُ إِنِّي مَعَكُمْ ۖ لَئِنْ أَقَمْتُمُ الصَّلَاةَ وَآتَيْتُمُ الزَّكَاةَ وَآمَنتُم بِرُسُلِي وَعَزَّرْتُمُوهُمْ وَأَقْرَضْتُمُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا لَّأُكَفِّرَنَّ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَلَأُدْخِلَنَّكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ ۚ فَمَن كَفَرَ بَعْدَ ذَٰلِكَ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ

Word by word

وَلَقَدْ أَخَذَ ٱللَّهُ مِيثَٰقَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَبَعَثْنَا مِنْهُمُ ٱثْنَىْ عَشَرَ نَقِيبًا وَقَالَ ٱللَّهُ إِنِّى مَعَكُمْ لَئِنْ أَقَمْتُمُ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَيْتُمُ ٱلزَّكَوٰةَ وَءَامَنتُم بِرُسُلِى وَ

আবদুস শহীদ নাসিম

(দেখো), বনি ইসরাঈলের অংগীকার গ্রহণ করেছিলেন এবং আমরা তাদের মধ্য থেকে বারোজন নকিব (নেতা) নিয়োগ করেছিলাম। তাদের বলেছিলেন: আমি তোমাদের সাথে আছি তোমরা যদি কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো, আমার রসূলদের প্রতি ঈমান রাখো, তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করো এবং আল্লাহকে করযে হাসানা দাও। তাহলে অবশ্যি তোমাদের থেকে মুছে দেবো তোমাদের পাপসমূহ এবং অবশ্য অবশ্যি তোমাদের দাখিল করবো জান্নাতসমূহে, যেগুলোর নিচে দিয়ে জারি থাকবে নদ নদী নহর। এরপরও যদি (তোমাদের) কেউ কুফুরিতে নিমজ্জিত হয়, সে বিপথগামী হয়ে যাবে সোজা পথ থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের দরুন আমি তাদের উপর অভিসম্পাত করেছি এবং তাদের অন্তরকে কঠোর করে দিয়েছি। তারা কালামকে তার স্থান থেকে বিচ্যুত করে দেয় এবং তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা তা থেকে উপকার লাভ করার বিষয়টি বিস্মৃত হয়েছে। আপনি সর্বদা তাদের কোন না কোন প্রতারণা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন, তাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া। অতএব, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং মার্জনা করুন। অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন।

Arabic, with marks

فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَاقَهُمْ لَعَنَّاهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَاسِيَةً ۖ يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِ ۙ وَنَسُوا حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا بِهِ ۚ وَلَا تَزَالُ تَطَّلِعُ عَلَىٰ خَائِنَةٍ مِّنْهُمْ إِلَّا قَلِيلًا مِّنْهُمْ ۖ فَاعْفُ عَنْهُمْ وَاصْفَحْ ۚ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ

Word by word

فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَٰقَهُمْ لَعَنَّٰهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَٰسِيَةً يُحَرِّفُونَ ٱلْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِۦ وَنَسُوا۟ حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا۟ بِهِۦ وَلَا تَزَالُ تَطَّلِعُ عَلَىٰ خَآئِنَةٍ مِّنْهُمْ

আবদুস শহীদ নাসিম

অংগীকার ভংগের কারণে আমরা তাদেরকে (বনি ইসরাঈলকে) লানত করেছি এবং তাদের অন্তরগুলোকে করে দিয়েছি কঠিন। তারা বিকৃত করতো কথাকে আসল অর্থ থেকে এবং তাদের যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তার একাংশ তারা ভুলে গিয়েছিল। সব সময় তুমি তাদের অল্প কিছু লোক ছাড়া বাকিদেরকে খিয়ানতকারী দেখতে পাবে। সুতরাং তুমি তাদের ক্ষমা করো এবং উপেক্ষা করো, নিশ্চয়ই কল্যাণকামীদের মহববত করেন।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বলেঃ আমরা নাছারা, আমি তাদের কাছ থেকেও তাদের অঙ্গীকার নিয়েছিলাম। অতঃপর তারাও যে উপদেশ প্রাপ্ত হয়েছিল, তা থেকে উপকার লাভ করা ভুলে গেল। অতঃপর আমি কেয়ামত পর্যন্ত তাদের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিয়েছি। অবশেষে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবহিত করবেন।

Arabic, with marks

وَمِنَ الَّذِينَ قَالُوا إِنَّا نَصَارَىٰ أَخَذْنَا مِيثَاقَهُمْ فَنَسُوا حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا بِهِ فَأَغْرَيْنَا بَيْنَهُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۚ وَسَوْفَ يُنَبِّئُهُمُ اللَّهُ بِمَا كَانُوا يَصْنَعُونَ

Word by word

وَمِنَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّا نَصَٰرَىٰٓ أَخَذْنَا مِيثَٰقَهُمْ فَنَسُوا۟ حَظًّا مِّمَّا ذُكِّرُوا۟ بِهِۦ فَأَغْرَيْنَا بَيْنَهُمُ ٱلْعَدَاوَةَ وَٱلْبَغْضَآءَ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ وَسَوْفَ يُنَبِّئُهُمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের থেকেও অংগীকার গ্রহণ করেছিলাম যারা বলে আমরা নাসারা (খৃষ্টান)। কিন্তু তাদের যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল তার একাংশ তারা ভুলে থেকেছিল। সুতরাং আমরা কিয়ামতকাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে দুশমনি ও বিদ্বেষ জাগিয়ে রেখেছি। অচিরেই (বিচারের দিন) তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম অবহিত করবেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে আহলে - কিতাবগণ! তোমাদের কাছে আমার রাসূল আগমন করেছেন! কিতাবের যেসব বিষয় তোমরা গোপন করতে, তিনি তার মধ্য থেকে অনেক বিষয় প্রকাশ করেন এবং অনেক বিষয় মার্জনা করেন। তোমাদের কাছে একটি উজ্জল জ্যোতি এসেছে এবং একটি সমুজ্জল গ্রন্থ।

Arabic, with marks

يَا أَهْلَ الْكِتَابِ قَدْ جَاءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ كَثِيرًا مِّمَّا كُنتُمْ تُخْفُونَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ ۚ قَدْ جَاءَكُم مِّنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُّبِينٌ

Word by word

يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ قَدْ جَآءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ كَثِيرًا مِّمَّا كُنتُمْ تُخْفُونَ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ وَيَعْفُوا۟ عَن كَثِيرٍ قَدْ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٌ وَكِتَٰبٌ مُّبِينٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আহলে কিতাব! এখন তো তোমাদের কাছে আমাদের রসূল (মুহাম্মদ) এসে গেছে। সে আল কিতাবের এমন অনেক বিষয়ই তোমাদের কাছে প্রকাশ করেছে, যা তোমরা গোপন করে রাখছিলে, আর অনেক বিষয় সে ক্ষমার চোখেও দেখছে। তোমাদের কাছে তো এসে গেছে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আলো (অর্থাৎ রসূল মুহাম্মদ) এবং একটি সুস্পষ্ট কিতাব (আল কুরআন)।

মুহিউদ্দীন খান

এর দ্বারা যারা তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে, তাদেরকে নিরাপত্তার পথ প্রদর্শন করেন এবং তাদেরকে স্বীয় নির্দেশ দ্বারা অন্ধকার থেকে বের করে আলোর দিকে আনয়ন করেন এবং সরল পথে পরিচালনা করেন।

Arabic, with marks

يَهْدِي بِهِ اللَّهُ مَنِ اتَّبَعَ رِضْوَانَهُ سُبُلَ السَّلَامِ وَيُخْرِجُهُم مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ بِإِذْنِهِ وَيَهْدِيهِمْ إِلَىٰ صِرَاطٍ مُّسْتَقِيمٍ

Word by word

يَهْدِى بِهِ ٱللَّهُ مَنِ ٱتَّبَعَ رِضْوَٰنَهُۥ سُبُلَ ٱلسَّلَٰمِ وَيُخْرِجُهُم مِّنَ ٱلظُّلُمَٰتِ إِلَى ٱلنُّورِ بِإِذْنِهِۦ وَيَهْدِيهِمْ إِلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ

আবদুস শহীদ নাসিম

এর মাধ্যমে সেইসব লোকদের সালামের (শান্তি ও নিরাপত্তার) পথ দেখান, যারা তাঁর সন্তোষ লাভের আকাংখী, আর নিজ অনুমতিক্রমে তিনি তাদেরকে অন্ধকাররাশি থেকে বের করে নিয়ে আসেন আলোতে এবং তাদের পরিচালিত করেন সিরাতুল মুস্তাকিমের দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তারা , যারা বলে, মসীহ ইবনে মরিয়মই । আপনি জিজ্ঞেস করুন, যদি তাই হয়, তবে বল যদি মসীহ ইবনে মরিয়ম, তাঁর জননী এবং ভূমন্ডলে যারা আছে, তাদের সবাইকে ধ্বংস করতে চান, তবে এমন কারও সাধ্য আছে কি যে আল্লাহর কাছ থেকে তাদেরকে বিন্দুমাত্রও বাঁচাতে পারে? নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, সবকিছুর উপর তা’আলার আধিপত্য। তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। সবকিছুর উপর শক্তিমান।

Arabic, with marks

لَّقَدْ كَفَرَ الَّذِينَ قَالُوا إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ ۚ قُلْ فَمَن يَمْلِكُ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا إِنْ أَرَادَ أَن يُهْلِكَ الْمَسِيحَ ابْنَ مَرْيَمَ وَأُمَّهُ وَمَن فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ۗ وَلِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ۚ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ۚ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

Word by word

لَّقَدْ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْمَسِيحُ ٱبْنُ مَرْيَمَ قُلْ فَمَن يَمْلِكُ مِنَ ٱللَّهِ شَيْـًٔا إِنْ أَرَادَ أَن يُهْلِكَ ٱلْمَسِيحَ ٱبْنَ مَرْيَمَ وَأُمَّهُۥ وَمَن فِى ٱلْأَرْض

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা বলে, ‘মসিহ ইবনে মরিয়মই ’, তারা কুফুরি করেছে। বলো, যদি মসিহ্ ইবনে মরিয়মকে, তার মাকে এবং বিশ্বের সব মানুষকে হালাক করে দিতে চান, তাহলে তাঁকে তাঁর এই এরাদা থেকে বিরত রাখার ক্ষমতা কার আছে? মহাকাশ, পৃথিবী এবং এদুয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর মালিক তো । তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। আর সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

ইহুদী ও খ্রীষ্টানরা বলে, আমরা আল্লাহর সন্তান ও তাঁর প্রিয়জন। আপনি বলুন, তবে তিনি তোমাদেরকে পাপের বিনিময়ে কেন শাস্তি দান করবেন? বরং তোমারও অন্যান্য সৃষ্ট মানবের অন্তর্ভুক্ত সাধারণ মানুষ। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করেন। নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তাতে আল্লাহরই আধিপত্য রয়েছে এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

Arabic, with marks

وَقَالَتِ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَىٰ نَحْنُ أَبْنَاءُ اللَّهِ وَأَحِبَّاؤُهُ ۚ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُم بِذُنُوبِكُم ۖ بَلْ أَنتُم بَشَرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ ۚ يَغْفِرُ لِمَن يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَاءُ ۚ وَلِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ۖ وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ

Word by word

وَقَالَتِ ٱلْيَهُودُ وَٱلنَّصَٰرَىٰ نَحْنُ أَبْنَٰٓؤُا۟ ٱللَّهِ وَأَحِبَّٰٓؤُهُۥ قُلْ فَلِمَ يُعَذِّبُكُم بِذُنُوبِكُم بَلْ أَنتُم بَشَرٌ مِّمَّنْ خَلَقَ يَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ وَلِلَّه

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহুদি এবং নাসারারা বলে: ‘আমরা আল্লাহর সন্তান এবং তাঁর প্রিয়পাত্র।’ বলো: তাহলে তোমাদের অপরাধের জন্যে তিনি তোমাদের শাস্তি দেন কেন? বরং তোমরা তো সে রকমই মানুষ, যেমন তিনি অন্যান্য মানুষ সৃষ্টি করেছেন। তিনি ক্ষমা করে দেন যাকে ইচ্ছা এবং আযাব দেন যাকে ইচ্ছা। মহাকাশ, পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। সবাইকে ফিরে যেতে হবে তাঁরই কাছে।

মুহিউদ্দীন খান

হে আহলে - কিতাবগণ! তোমাদের কাছে আমার রসূল আগমণ করেছেন, যিনি পয়গম্বরদের বিরতির পর তোমাদের কাছে পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা করেন - যাতে তোমরা একথা বলতে না পার যে, আমাদের কাছে কোন সুসংবাদদাতা ও ভীতিপ্রদর্শক আগমন করে নি। অতএব, তোমাদের কাছে সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শক আগমন করেননি। অতএব, তোমাদের কাছে সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শক এসে গেছেন। সবকিছুর উপর শক্তিমান।

Arabic, with marks

يَا أَهْلَ الْكِتَابِ قَدْ جَاءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ عَلَىٰ فَتْرَةٍ مِّنَ الرُّسُلِ أَن تَقُولُوا مَا جَاءَنَا مِن بَشِيرٍ وَلَا نَذِيرٍ ۖ فَقَدْ جَاءَكُم بَشِيرٌ وَنَذِيرٌ ۗ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

Word by word

يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ قَدْ جَآءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ عَلَىٰ فَتْرَةٍ مِّنَ ٱلرُّسُلِ أَن تَقُولُوا۟ مَا جَآءَنَا مِنۢ بَشِيرٍ وَلَا نَذِيرٍ فَقَدْ جَآءَكُم بَشِيرٌ وَنَذِيرٌ وَٱللَّهُ عَلَىٰ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আহলে কিতাব! এখন তো তোমাদের কাছে এসে গেছে আমার রসূল (মুহাম্মদ) দীনের সমস্ত বিষয় তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট করার জন্যে দীর্ঘকাল রসূলদের আসা বন্ধ থাকার পর, যাতে করে তোমরা বলতে না পারো যে: ‘আমাদের কাছে তো কোনো সুসংবাদদাতা কিংবা সতর্ককারী আসেনি।’ এখন তো তোমাদের কাছে সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারী এসে গেছে। সব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

যখন মূসা স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে পয়গম্বর সৃষ্টি করেছেন, তোমাদেরকে রাজ্যাধিপতি করেছেন এবং তোমাদেরকে এমন জিনিস দিয়েছেন, যা বিশ্বজগতের কাউকে দেননি।

Arabic, with marks

وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِ يَا قَوْمِ اذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَعَلَ فِيكُمْ أَنبِيَاءَ وَجَعَلَكُم مُّلُوكًا وَآتَاكُم مَّا لَمْ يُؤْتِ أَحَدًا مِّنَ الْعَالَمِينَ

Word by word

وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِقَوْمِهِۦ يَٰقَوْمِ ٱذْكُرُوا۟ نِعْمَةَ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ جَعَلَ فِيكُمْ أَنۢبِيَآءَ وَجَعَلَكُم مُّلُوكًا وَءَاتَىٰكُم مَّا لَمْ يُؤْتِ أَحَدًا مِّنَ ٱلْعَٰلَمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

(স্মরণ করো) যখন মূসা তার কওমকে বলেছিল: ‘‘হে আমার কওম! তোমাদের প্রতি আল্লাহর সেই নিয়ামত - এর কথা স্মরণ করো, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে অনেক নবী প্রেরণ করেছিলেন, তোমাদের বানিয়েছিলেন শাসক এবং তোমাদের দিয়েছিলেন (এতোসব) যা বিশ্বজগতের আর কাউকেও দেয়া হয়নি।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার সম্প্রদায়, পবিত্র ভুমিতে প্রবেশ কর, যা তোমাদের জন্যে নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং পেছন দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। অন্যথায় তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।

Arabic, with marks

يَا قَوْمِ ادْخُلُوا الْأَرْضَ الْمُقَدَّسَةَ الَّتِي كَتَبَ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَرْتَدُّوا عَلَىٰ أَدْبَارِكُمْ فَتَنقَلِبُوا خَاسِرِينَ

Word by word

يَٰقَوْمِ ٱدْخُلُوا۟ ٱلْأَرْضَ ٱلْمُقَدَّسَةَ ٱلَّتِى كَتَبَ ٱللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَرْتَدُّوا۟ عَلَىٰٓ أَدْبَارِكُمْ فَتَنقَلِبُوا۟ خَٰسِرِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে আমার কওম, দাখিল হও পবিত্র ভূমিতে (জেরুযালেমে) যা লিখে দিয়েছেন তোমাদের জন্যে, পেছনে হটে যেয়োনা, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।’’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ হে মূসা, সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।’

Arabic, with marks

قَالُوا يَا مُوسَىٰ إِنَّ فِيهَا قَوْمًا جَبَّارِينَ وَإِنَّا لَن نَّدْخُلَهَا حَتَّىٰ يَخْرُجُوا مِنْهَا فَإِن يَخْرُجُوا مِنْهَا فَإِنَّا دَاخِلُونَ

Word by word

قَالُوا۟ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّ فِيهَا قَوْمًا جَبَّارِينَ وَإِنَّا لَن نَّدْخُلَهَا حَتَّىٰ يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا فَإِن يَخْرُجُوا۟ مِنْهَا فَإِنَّا دَٰخِلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘হে মূসা! সেখানে যে রয়েছে একটি দুর্ধর্ষ জাতি! আমরা কিছুতেই সেখানে দাখিল হবোনা, যদি না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায়, তবেই আমরা দাখিল হবো সেখানে।’

মুহিউদ্দীন খান

খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলেনঃ তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে পবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা হও।

Arabic, with marks

قَالَ رَجُلَانِ مِنَ الَّذِينَ يَخَافُونَ أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمَا ادْخُلُوا عَلَيْهِمُ الْبَابَ فَإِذَا دَخَلْتُمُوهُ فَإِنَّكُمْ غَالِبُونَ ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

Word by word

قَالَ رَجُلَانِ مِنَ ٱلَّذِينَ يَخَافُونَ أَنْعَمَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمَا ٱدْخُلُوا۟ عَلَيْهِمُ ٱلْبَابَ فَإِذَا دَخَلْتُمُوهُ فَإِنَّكُمْ غَٰلِبُونَ وَعَلَى ٱللَّهِ فَتَوَكَّلُوٓا۟ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে (তাদের মধ্য থেকে) দুইজন লোক যারা ভয় করছিল এবং যাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলেন তারা বললো: ‘তোমরা (তাদের সাথে লড়াই করে) দরজা দিয়ে দাখিল হয়ে যাও। যখনই তোমরা দাখিল হয়ে যাবে তোমরাই গালিব (জয়ী) হবে। আর আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করো যদি তোমরা হয়ে থাকো।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ হে মূসা, আমরা জীবনেও কখনো সেখানে যাব না, যতক্ষণ তারা সেখানে থাকবে। অতএব, আপনি ও আপনার পালনকর্তাই যান এবং উভয়ে যুদ্ধ করে নিন। আমরা তো এখানেই বসলাম।

Arabic, with marks

قَالُوا يَا مُوسَىٰ إِنَّا لَن نَّدْخُلَهَا أَبَدًا مَّا دَامُوا فِيهَا ۖ فَاذْهَبْ أَنتَ وَرَبُّكَ فَقَاتِلَا إِنَّا هَاهُنَا قَاعِدُونَ

Word by word

قَالُوا۟ يَٰمُوسَىٰٓ إِنَّا لَن نَّدْخُلَهَآ أَبَدًا مَّا دَامُوا۟ فِيهَا فَٱذْهَبْ أَنتَ وَرَبُّكَ فَقَٰتِلَآ إِنَّا هَٰهُنَا قَٰعِدُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা একইভাবে বললো: ‘হে মূসা! আমরা ততোদিন সেখানে কিছুতেই দাখিল হবোনা যতোদিন তারা সেখানে অবস্থান করবে। সুতরাং তুমি আর তোমার রব গিয়ে (তাদের সাথে) যুদ্ধ করো, আমরা এখানেই বসে থাকবো।’

মুহিউদ্দীন খান

মূসা বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমি শুধু নিজের উপর ও নিজের ভাইয়ের উপর ক্ষমতা রাখি। অতএব, আপনি আমাদের মধ্যে ও এ অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ করুন।

Arabic, with marks

قَالَ رَبِّ إِنِّي لَا أَمْلِكُ إِلَّا نَفْسِي وَأَخِي ۖ فَافْرُقْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْقَوْمِ الْفَاسِقِينَ

Word by word

قَالَ رَبِّ إِنِّى لَآ أَمْلِكُ إِلَّا نَفْسِى وَأَخِى فَٱفْرُقْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ ٱلْقَوْمِ ٱلْفَٰسِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

সে (মূসা) বললো: ‘আমার রব! আমার তো আমার নিজের এবং আমার ভাই (হারূণ) - এর ছাড়া আর কারো উপর কর্তৃত্ব নেই। সুতরাং তুমি আমাদের এবং এই ফাসিক (সীমালংঘনকারী) লোকদের মধ্যে ফায়সালা করে দাও।’

মুহিউদ্দীন খান

বললেনঃ এ দেশ চল্লিশ বছর পর্যন্ত তাদের জন্যে হারাম করা হল। তারা ভুপৃষ্ঠে উদভ্রান্ত হয়ে ফিরবে। অতএব, আপনি অবাধ্য সম্প্রদায়ের জন্যে দুঃখ করবেন না।

Arabic, with marks

قَالَ فَإِنَّهَا مُحَرَّمَةٌ عَلَيْهِمْ ۛ أَرْبَعِينَ سَنَةً ۛ يَتِيهُونَ فِي الْأَرْضِ ۚ فَلَا تَأْسَ عَلَى الْقَوْمِ الْفَاسِقِينَ

Word by word

قَالَ فَإِنَّهَا مُحَرَّمَةٌ عَلَيْهِمْ أَرْبَعِينَ سَنَةً يَتِيهُونَ فِى ٱلْأَرْضِ فَلَا تَأْسَ عَلَى ٱلْقَوْمِ ٱلْفَٰسِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বললেন: ‘যাও এখন থেকে চল্লিশ বছর তাদের জন্যে এই ভূ - খন্ড নিষিদ্ধ করে দেয়া হলো। তারা (মরু) ভূমিতে উদ্ভ্রান্তের মতো বেড়াবে। সুতরাং তুমি এই ফাসিকদের জন্যে ব্যথিত হয়োনা।’

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের বাস্তব অবস্থা পাঠ করে শুনান। যখন তারা ভয়েই কিছু উৎসর্গ নিবেদন করেছিল, তখন তাদের একজনের উৎসর্গ গৃহীত হয়েছিল এবং অপরজনের গৃহীত হয়নি। সে বললঃ আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব। সে বললঃ ধর্মভীরুদের পক্ষ থেকেই তো গ্রহণ করেন।

Arabic, with marks

۞ وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ابْنَيْ آدَمَ بِالْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَانًا فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنَ الْآخَرِ قَالَ لَأَقْتُلَنَّكَ ۖ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللَّهُ مِنَ الْمُتَّقِينَ

Word by word

وَٱتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ٱبْنَىْ ءَادَمَ بِٱلْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَانًا فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنَ ٱلْءَاخَرِ قَالَ لَأَقْتُلَنَّكَ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ ٱللَّهُ مِنَ ٱلْمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তাদের প্রতি হকভাবে তিলাওয়াত করো আদমের দুই পুত্রের (হাবিল ও কাবিলের) সংবাদ। তারা যখন কুরবানি করেছিল, তখন একজনের (হাবিলের) কুরবানি কবুল করা হয়, আর অপর জনের (কাবিলের) কুরবানি কবুল করা হয়নি। সে বললো: ‘আমি অবশ্য অবশ্যি তোমাকে কতল করবো।’ অপরজন বললো: ‘‘ তো কেবল মুত্তাকিদের থেকেই (কুরবানি) কবুল করেন।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তুমি আমাকে হত্যা করতে আমার দিকে হস্ত প্রসারিত কর, তবে আমি তোমাকে হত্যা করতে তোমার দিকে হস্ত প্রসারিত করব না। কেননা, আমি বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করি।

Arabic, with marks

لَئِن بَسَطتَ إِلَيَّ يَدَكَ لِتَقْتُلَنِي مَا أَنَا بِبَاسِطٍ يَدِيَ إِلَيْكَ لِأَقْتُلَكَ ۖ إِنِّي أَخَافُ اللَّهَ رَبَّ الْعَالَمِينَ

Word by word

لَئِنۢ بَسَطتَ إِلَىَّ يَدَكَ لِتَقْتُلَنِى مَآ أَنَا۠ بِبَاسِطٍ يَدِىَ إِلَيْكَ لِأَقْتُلَكَ إِنِّىٓ أَخَافُ ٱللَّهَ رَبَّ ٱلْعَٰلَمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি আমাকে কতল করার জন্যে হাত বাড়াও, আমি কিন্তু তোমাকে কতল করার জন্যে হাত বাড়াবোনা। আমি রাববুল আলামিনকে ভয় করি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি চাই যে, আমার পাপ ও তোমার পাপ তুমি নিজের মাথায় চাপিয়ে নাও। অতঃপর তুমি দোযখীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাও। এটাই অত্যাচারীদের শাস্তি।

Arabic, with marks

إِنِّي أُرِيدُ أَن تَبُوءَ بِإِثْمِي وَإِثْمِكَ فَتَكُونَ مِنْ أَصْحَابِ النَّارِ ۚ وَذَٰلِكَ جَزَاءُ الظَّالِمِينَ

Word by word

إِنِّىٓ أُرِيدُ أَن تَبُوٓأَ بِإِثْمِى وَإِثْمِكَ فَتَكُونَ مِنْ أَصْحَٰبِ ٱلنَّارِ وَذَٰلِكَ جَزَٰٓؤُا۟ ٱلظَّٰلِمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি চাই তুমি আমার এবং তোমার পাপের ভার বহন করো এবং জাহান্নামের অধিবাসী হয়ে যাও, আর এটাই যালিমদের (সঠিক) জাযা (কর্মফল)।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার অন্তর তাকে ভ্রাতৃহত্যায় উদুদ্ধ করল। অনন্তর সে তাকে হত্যা করল। ফলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।

Arabic, with marks

فَطَوَّعَتْ لَهُ نَفْسُهُ قَتْلَ أَخِيهِ فَقَتَلَهُ فَأَصْبَحَ مِنَ الْخَاسِرِينَ

Word by word

فَطَوَّعَتْ لَهُۥ نَفْسُهُۥ قَتْلَ أَخِيهِ فَقَتَلَهُۥ فَأَصْبَحَ مِنَ ٱلْخَٰسِرِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

অতরপর তার নফস্ তার ভাইকে কতল করার কাজে তাকে প্ররোচিত করলো এবং সে তাকে কতল করলো আর ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তরভুক্ত হয়ে গেলো।

মুহিউদ্দীন খান

এক কাক প্রেরণ করলেন। সে মাটি খনন করছিল যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ কিভাবে আবৃত করবে। সে বললঃ আফসোস, আমি কি এ কাকের সমতুল্যও হতে পারলাম না যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ আবৃত করি। অতঃপর সে অনুতাপ করতে লাগল।

Arabic, with marks

فَبَعَثَ اللَّهُ غُرَابًا يَبْحَثُ فِي الْأَرْضِ لِيُرِيَهُ كَيْفَ يُوَارِي سَوْءَةَ أَخِيهِ ۚ قَالَ يَا وَيْلَتَا أَعَجَزْتُ أَنْ أَكُونَ مِثْلَ هَٰذَا الْغُرَابِ فَأُوَارِيَ سَوْءَةَ أَخِي ۖ فَأَصْبَحَ مِنَ النَّادِمِينَ

Word by word

فَبَعَثَ ٱللَّهُ غُرَابًا يَبْحَثُ فِى ٱلْأَرْضِ لِيُرِيَهُۥ كَيْفَ يُوَٰرِى سَوْءَةَ أَخِيهِ قَالَ يَٰوَيْلَتَىٰٓ أَعَجَزْتُ أَنْ أَكُونَ مِثْلَ هَٰذَا ٱلْغُرَابِ فَأُوَٰرِىَ سَوْءَةَ أَخِى فَأَصْبَحَ مِنَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তার ভাইয়ের লাশ কিভাবে ঢাকবে তা দেখানোর জন্যে একটি কাক পাঠালেন। সে এসে মাটি খুঁড়তে থাকলো। এটা দেখে সে (হত্যাকারী কাবিল) বললো: হায়, আমার ভাইয়ের লাশ ঢাকার ব্যাপারে আমি কি এই কাকটির মতো হতেও অক্ষম। অতপর সে লজ্জিত - অনুতপ্ত হয়।

মুহিউদ্দীন খান

এ কারণেই আমি বনী - ইসলাঈলের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবাপৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে।

Arabic, with marks

مِنْ أَجْلِ ذَٰلِكَ كَتَبْنَا عَلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ أَنَّهُ مَن قَتَلَ نَفْسًا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِي الْأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ النَّاسَ جَمِيعًا وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيعًا ۚ وَلَقَدْ جَاءَتْهُمْ رُسُلُنَا بِالْبَيِّنَاتِ ثُمَّ إِنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم بَعْدَ ذَٰلِكَ فِي الْأَرْضِ لَمُسْرِفُونَ

Word by word

مِنْ أَجْلِ ذَٰلِكَ كَتَبْنَا عَلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ أَنَّهُۥ مَن قَتَلَ نَفْسًۢا بِغَيْرِ نَفْسٍ أَوْ فَسَادٍ فِى ٱلْأَرْضِ فَكَأَنَّمَا قَتَلَ ٱلنَّاسَ جَمِيعًا وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَآ أَحْيَا

আবদুস শহীদ নাসিম

এ প্রেক্ষিতে আমরা বনি ইসরাঈলের জন্যে বিধান লিখে দিলাম: কাউকেও কতল করা বা জমিনে ফাসাদ সৃষ্টি করার মতো ঘটনা ঘটানো ছাড়াই যদি কেউ কাউকেও কতল করে, তবে সে যেনো সমস্ত মানুষকে কতল করলো। আর কেউ যদি কারো প্রাণ রক্ষা করে, তবে সে যেনো সমস্ত মানুষের প্রাণ রক্ষা করলো। তাদের কাছে তো আমাদের রসূলরা স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তারপরও তাদের অনেকেই পৃথিবীতে সীমালংঘনকারীই থেকে গেলো।

মুহিউদ্দীন খান

যারা ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।

Arabic, with marks

إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الْأَرْضِ فَسَادًا أَن يُقَتَّلُوا أَوْ يُصَلَّبُوا أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُم مِّنْ خِلَافٍ أَوْ يُنفَوْا مِنَ الْأَرْضِ ۚ ذَٰلِكَ لَهُمْ خِزْيٌ فِي الدُّنْيَا ۖ وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ

Word by word

إِنَّمَا جَزَٰٓؤُا۟ ٱلَّذِينَ يُحَارِبُونَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَسْعَوْنَ فِى ٱلْأَرْضِ فَسَادًا أَن يُقَتَّلُوٓا۟ أَوْ يُصَلَّبُوٓا۟ أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُم مِّنْ خِلَٰفٍ أَوْ يُنفَوْا۟ مِنَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদের এই কাজের জাযা (শাস্তি) হলো: তাদের হত্যা করা হবে, অথবা শূলবিদ্ধ করা হবে, কিংবা বিপরীত দিক থেকে তাদের হাত ও পা কেটে ফেলা হবে, নতুবা দেশ থেকে নির্বাসিত করা হবে। এ হলো তাদের দুনিয়ার লাঞ্ছনা, আর আখিরাতে তাদের জন্যে রয়েছে বিরাট আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যারা তোমাদের গ্রেফতারের পূর্বে তওবা করে; জেনে রাখ, ক্ষমাকারী, দয়ালু।

Arabic, with marks

إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا مِن قَبْلِ أَن تَقْدِرُوا عَلَيْهِمْ ۖ فَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

Word by word

إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ مِن قَبْلِ أَن تَقْدِرُوا۟ عَلَيْهِمْ فَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্য, যারা তোমাদের আয়ত্বে আসার আগেই তওবা করবে, (তাদের জন্যে এ শাস্তি প্রযোজ্য হবেনা)। জেনে রাখো, ক্ষমাশীল দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর, তাঁর নৈকট্য অন্বেষন কর এবং তাঁর পথে জেহাদ কর যাতে তোমরা হও।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَابْتَغُوا إِلَيْهِ الْوَسِيلَةَ وَجَاهِدُوا فِي سَبِيلِهِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱبْتَغُوٓا۟ إِلَيْهِ ٱلْوَسِيلَةَ وَجَٰهِدُوا۟ فِى سَبِيلِهِۦ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে ঈমান আনা লোকেরা! আল্লাহকে ভয় করো এবং আল্লাহর দিকে উসিলা তালাশ করো আর জিহাদ করো তাঁর পথে, অবশ্যি তোমরা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

যারা , যদি তাদের কাছে পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ এবং তৎসহ আরও তদনুরূপ সম্পদ থাকে আর এগুলো বিনিময়ে দিয়ে কিয়ামতের শাস্তি থেকে পরিত্রান পেতে চায়, তবুও তাদের কাছ থেকে তা কবুল করা হবে না। তাদের জন্যে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি রয়েছে।

Arabic, with marks

إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا لَوْ أَنَّ لَهُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ لِيَفْتَدُوا بِهِ مِنْ عَذَابِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَا تُقُبِّلَ مِنْهُمْ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ أَنَّ لَهُم مَّا فِى ٱلْأَرْضِ جَمِيعًا وَمِثْلَهُۥ مَعَهُۥ لِيَفْتَدُوا۟ بِهِۦ مِنْ عَذَابِ يَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ مَا تُقُبِّلَ مِنْهُمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কুফুরিকে আঁকড়ে ধরবে, পৃথিবীর সব কিছু যদি তাদের হয় এবং সমপরিমাণ যদি আরো থাকে, কিয়ামত কালের আযাব থেকে মুক্তির জন্যে (তারা সবই মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দিতে চাইবে, কিন্তু) তাদের থেকে তা কবুল করা হবেনা। তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

তারা দোযখের আগুন থেকে বের হয়ে আসতে চাইবে কিন্তু তা থেকে বের হতে পারবে না। তারা চিরস্থায়ী শাস্তি ভোগ করবে।

Arabic, with marks

يُرِيدُونَ أَن يَخْرُجُوا مِنَ النَّارِ وَمَا هُم بِخَارِجِينَ مِنْهَا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُّقِيمٌ

Word by word

يُرِيدُونَ أَن يَخْرُجُوا۟ مِنَ ٱلنَّارِ وَمَا هُم بِخَٰرِجِينَ مِنْهَا وَلَهُمْ عَذَابٌ مُّقِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আগুন থেকে বের হতে চাইবে, কিন্তু তারা তা থেকে বেরুতে পারবেনা এবং তাদের জন্যে রয়েছে স্থায়ী আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

যে পুরুষ চুরি করে এবং যে নারী চুরি করে তাদের হাত কেটে দাও তাদের কৃতকর্মের সাজা হিসেবে। আল্লাহর পক্ষ থেকে হুশিয়ারী। পরাক্রান্ত, জ্ঞানময়।

Arabic, with marks

وَالسَّارِقُ وَالسَّارِقَةُ فَاقْطَعُوا أَيْدِيَهُمَا جَزَاءً بِمَا كَسَبَا نَكَالًا مِّنَ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ

Word by word

وَٱلسَّارِقُ وَٱلسَّارِقَةُ فَٱقْطَعُوٓا۟ أَيْدِيَهُمَا جَزَآءًۢ بِمَا كَسَبَا نَكَٰلًا مِّنَ ٱللَّهِ وَٱللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

চোর পুরুষ হোক আর নারী হোক, তাদের হাত কেটে দাও। এটা তাদের কৃতকর্মের জাযা (শাস্তি), আল্লাহর পক্ষ থেকে সঠিক দন্ড, দুর্জয় শক্তিমান মহাপ্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যে তওবা করে স্বীয় অত্যাচারের পর এবং সংশোধিত হয়, নিশ্চয় তার তওবা কবুল করেন। নিশ্চয় ক্ষমাশীল, দয়ালু।

Arabic, with marks

فَمَن تَابَ مِن بَعْدِ ظُلْمِهِ وَأَصْلَحَ فَإِنَّ اللَّهَ يَتُوبُ عَلَيْهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

Word by word

فَمَن تَابَ مِنۢ بَعْدِ ظُلْمِهِۦ وَأَصْلَحَ فَإِنَّ ٱللَّهَ يَتُوبُ عَلَيْهِ إِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যুলুম করার পর কেউ যদি তওবা করে এবং নিজেকে ইসলাহ্ করে নেয়, তার তওবা কবুল করবেন। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি জান না যে আল্লাহর নিমিত্তেই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য। তিনি যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন এবং যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন। সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

Arabic, with marks

أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ اللَّهَ لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يُعَذِّبُ مَن يَشَاءُ وَيَغْفِرُ لِمَن يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

Word by word

أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ ٱللَّهَ لَهُۥ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ يُعَذِّبُ مَن يَشَآءُ وَيَغْفِرُ لِمَن يَشَآءُ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি জানোনা যে, মহাকাশ এবং পৃথিবীর কর্তৃত্ব আল্লাহর? তিনি যাকে চান শাস্তি দেন এবং যাকে চান ক্ষমা করে দেন। প্রতিটি বিষয়ে শক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

হে রসূল, তাদের জন্যে দুঃখ করবেন না, যারা দৌড়ে গিয়ে কুফরে পতিত হয়; যারা মুখে বলেঃ আমরা মুসলমান, অথচ তাদের অন্তর মুসলমান নয় এবং যারা ইহুদী; মিথ্যাবলার জন্যে তারা গুপ্তচর বৃত্তি করে। তারা অন্যদলের গুপ্তচর, যারা আপনার কাছে আসেনি। তারা বাক্যকে স্বস্থান থেকে পরিবর্তন করে। তারা বলেঃ যদি তোমরা এ নির্দেশ পাও, তবে কবুল করে নিও এবং যদি এ নির্দেশ না পাও, তবে বিরত থেকো। যাকে পথভ্রষ্ট করতে চান, তার জন্যে আল্লাহর কাছে আপনি কিছু করতে পারবেন না। এরা এমনিই যে, এদের অন্তরকে পবিত্র করতে চান না। তাদের জন্যে রয়েছে দুনিয়াতে লাঞ্ছনা এবং পরকালে বিরাট শাস্তি।

Arabic, with marks

۞ يَا أَيُّهَا الرَّسُولُ لَا يَحْزُنكَ الَّذِينَ يُسَارِعُونَ فِي الْكُفْرِ مِنَ الَّذِينَ قَالُوا آمَنَّا بِأَفْوَاهِهِمْ وَلَمْ تُؤْمِن قُلُوبُهُمْ ۛ وَمِنَ الَّذِينَ هَادُوا ۛ سَمَّاعُونَ لِلْكَذِبِ سَمَّاعُونَ لِقَوْمٍ آخَرِينَ لَمْ يَأْتُوكَ ۖ يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ مِن بَعْدِ مَوَاضِعِهِ ۖ يَقُولُونَ إِنْ أُوتِيتُمْ هَٰذَا فَخُذُوهُ وَإِن لَّمْ تُؤْتَوْهُ فَاحْذَرُوا ۚ وَمَن يُرِدِ اللَّهُ فِتْنَتَهُ فَلَن تَمْلِكَ لَهُ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا ۚ أُولَٰئِكَ الَّذِينَ لَمْ يُرِدِ اللَّهُ أَن يُطَهِّرَ قُلُوبَهُمْ ۚ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ ۖ وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ لَا يَحْزُنكَ ٱلَّذِينَ يُسَٰرِعُونَ فِى ٱلْكُفْرِ مِنَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا بِأَفْوَٰهِهِمْ وَلَمْ تُؤْمِن قُلُوبُهُمْ وَمِنَ ٱلَّذِينَ هَادُوا۟ سَمَّٰعُونَ لِلْكَذِبِ سَمَّٰعُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে রসূল! তুমি মনে কষ্ট পেয়োনা ঐসব লোকদের কর্মকান্ডে, যারা দ্রুতবেগে কুফুরির দিকে অগ্রসর হয়, তারা সেইসব লোকদের অন্তরভুক্ত, যারা মুখে বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি’ অথচ তাদের অন্তর ঈমান আনেনি; আর সেইসব ইহুদির কর্মকান্ডে যারা অন্য এমন লোকদের মিথ্যা কথা শুনতে তৎপর যারা তোমার কাছে আসেনা। তারা সুবিন্যস্ত কথাকে তার সঠিক অর্থ থেকে সরিয়ে বিকৃত অর্থ করে। তারা বলে: ‘এরকম বিধান দিলে গ্রহণ করো, সেরকম না দিলে বর্জন করো।’ যাকে ফিতনায় ফেলতে চান, তার জন্যে তোমার কিছুই করার ক্ষমতা নেই। এরা সেসব লোক, যাদের অন্তরগুলোকে পবিত্র করতে চাননা। তাদের জন্যে দুনিয়ায় রয়েছে লাঞ্ছনা আর আখিরাতে তাদের জন্যে রয়েছে বিরাট আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

এরা মিথ্যা বলার জন্যে গুপ্তচরবৃত্তি করে, হারাম ভক্ষণ করে। অতএব, তারা যদি আপনার কাছে আসে, তবে হয় তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দিন, না হয় তাদের ব্যাপারে নির্লিপ্ত থাকুন। যদি তাদের থেকে নির্লিপ্ত থাকেন, তবে তাদের সাধ্য নেই যে, আপনার বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারে। যদি ফয়সালা করেন, তবেন্যায় ভাবে ফয়সালা করুন। নিশ্চয় সুবিচারকারীদেরকে ভালবাসেন।

Arabic, with marks

سَمَّاعُونَ لِلْكَذِبِ أَكَّالُونَ لِلسُّحْتِ ۚ فَإِن جَاءُوكَ فَاحْكُم بَيْنَهُمْ أَوْ أَعْرِضْ عَنْهُمْ ۖ وَإِن تُعْرِضْ عَنْهُمْ فَلَن يَضُرُّوكَ شَيْئًا ۖ وَإِنْ حَكَمْتَ فَاحْكُم بَيْنَهُم بِالْقِسْطِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ

Word by word

سَمَّٰعُونَ لِلْكَذِبِ أَكَّٰلُونَ لِلسُّحْتِ فَإِن جَآءُوكَ فَٱحْكُم بَيْنَهُمْ أَوْ أَعْرِضْ عَنْهُمْ وَإِن تُعْرِضْ عَنْهُمْ فَلَن يَضُرُّوكَ شَيْـًٔا وَإِنْ حَكَمْتَ فَٱحْكُم بَيْنَهُم بِٱلْقِسْطِ إِنَّ ٱ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা মিথ্যা কথা শুনতে খুবই উৎসাহী, তারা হারাম (সুদ ঘুষ) খেতে আসক্ত। তারা (বিচার চাইতে) তোমার কাছে এলে তাদের মধ্যে ফায়সালা করে দিও, অথবা তাদের উপেক্ষা করবে। তুমি তাদের উপেক্ষা করলে তারা তোমার কোনোই ক্ষতি করতে পারবেনা। আর যদি তাদের মধ্যে ফায়সালা করো ন্যায় বিচার করবে। কারণ ন্যায় বিচারকদের পছন্দ করেন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে কেমন করে বিচারক নিয়োগ করবে অথচ তাদের কাছে তওরাত রয়েছে। তাতে আল্লাহর নির্দেশ আছে। অতঃপর এরা পেছন দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তারা কখনও নয়।

Arabic, with marks

وَكَيْفَ يُحَكِّمُونَكَ وَعِندَهُمُ التَّوْرَاةُ فِيهَا حُكْمُ اللَّهِ ثُمَّ يَتَوَلَّوْنَ مِن بَعْدِ ذَٰلِكَ ۚ وَمَا أُولَٰئِكَ بِالْمُؤْمِنِينَ

Word by word

وَكَيْفَ يُحَكِّمُونَكَ وَعِندَهُمُ ٱلتَّوْرَىٰةُ فِيهَا حُكْمُ ٱللَّهِ ثُمَّ يَتَوَلَّوْنَ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَمَآ أُو۟لَٰٓئِكَ بِٱلْمُؤْمِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কী করে তোমার উপর তাদের বিচার ফায়সালার দায়িত্ব অর্পণ করবে, কারণ তাদের কাছে তো তাওরাত রয়েছে আর তাতেই আল্লাহর আইন বিদ্যমান রয়েছে? তা সত্তেবও তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আসলে তারা মুমিনই নয়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তওরাত অবর্তীর্ন করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। আল্লাহর আজ্ঞাবহ পয়গম্বর, দরবেশ ও আলেমরা এর মাধ্যমে ইহুদীদেরকে ফয়সালা দিতেন। কেননা, তাদেরকে এ খোদায়ী গ্রন্থের দেখাশোনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এবং তাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত ছিলেন। অতএব, তোমরা মানুষকে ভয় করো না এবং আমাকে ভয় কর এবং আমার আয়াত সমূহের বিনিময়ে স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করো না, যেসব লোক যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই ।

Arabic, with marks

إِنَّا أَنزَلْنَا التَّوْرَاةَ فِيهَا هُدًى وَنُورٌ ۚ يَحْكُمُ بِهَا النَّبِيُّونَ الَّذِينَ أَسْلَمُوا لِلَّذِينَ هَادُوا وَالرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ بِمَا اسْتُحْفِظُوا مِن كِتَابِ اللَّهِ وَكَانُوا عَلَيْهِ شُهَدَاءَ ۚ فَلَا تَخْشَوُا النَّاسَ وَاخْشَوْنِ وَلَا تَشْتَرُوا بِآيَاتِي ثَمَنًا قَلِيلًا ۚ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ

Word by word

إِنَّآ أَنزَلْنَا ٱلتَّوْرَىٰةَ فِيهَا هُدًى وَنُورٌ يَحْكُمُ بِهَا ٱلنَّبِيُّونَ ٱلَّذِينَ أَسْلَمُوا۟ لِلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلرَّبَّٰنِيُّونَ وَٱلْأَحْبَارُ بِمَا ٱسْتُحْفِظُوا۟ مِن كِتَٰبِ ٱللَّهِ وَكَانُوا۟ ع

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাওরাত নাযিল করেছিলাম, তাতে ছিলো হিদায়াত এবং নূর (জ্ঞান)। নবীরা, যারা ছিলো আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পিত তার ভিত্তিতে ইহুদিদের ফায়সালা দিতো, রাবিব এবং জ্ঞানীরাও তার ভিত্তিতে তাদের ফায়সালা দিতো, কারণ তাদের বানানো হয়েছিল আল্লাহর কিতাবের হিফাযতকারী এবং তার (কিতাবের) সাক্ষী। সুতরাং মানুষকে ভয় পেয়োনা, আমাকে ভয় করো আর বিক্রয় করোনা আমার আয়াতকে তুচ্ছ মূল্যে। যারা আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করেনা, তারা ।

মুহিউদ্দীন খান

আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চক্ষুর বিনিময়ে চক্ষু, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখম সমূহের বিনিময়ে সমান যখম। অতঃপর যে ক্ষমা করে, সে গোনাহ থেকে পাক হয়ে যায়। যেসব লোক যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।

Arabic, with marks

وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَالْأَنفَ بِالْأَنفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصٌ ۚ فَمَن تَصَدَّقَ بِهِ فَهُوَ كَفَّارَةٌ لَّهُ ۚ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ

Word by word

وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَآ أَنَّ ٱلنَّفْسَ بِٱلنَّفْسِ وَٱلْعَيْنَ بِٱلْعَيْنِ وَٱلْأَنفَ بِٱلْأَنفِ وَٱلْأُذُنَ بِٱلْأُذُنِ وَٱلسِّنَّ بِٱلسِّنِّ وَٱلْجُرُوحَ قِصَاصٌ فَمَن تَصَدَّقَ بِهِۦ فَهُوَ كَفَّارَةٌ ل

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাতে (তাওরাতে এই বিধান) লিখে দিয়েছিলাম: জীবনের বদলে জীবন, চোখের বদলে চোখ, নাকের বদলে নাক, কানের বদলে কান, দাঁতের বদলে দাঁত এবং জখমের বদলে কিসাস (অনুরূপ যখম)। আর কেউ যদি ক্ষমা করে দেয় তা তারই জন্যে কাফ্ফারা (হবে)। যারা আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করেনা, তারা যালিম।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের পেছনে মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রেরণ করেছি। তিনি পূর্ববর্তী গ্রন্থ তওরাতের সত্যায়নকারী ছিলেন। আমি তাঁকে ইঞ্জিল প্রদান করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। এটি পূর্ববতী গ্রন্থ তওরাতের সত্যায়ন করে পথ প্রদর্শন করে এবং এটি খোদাভীরুদের জন্যে হেদায়েত উপদেশ বানী।

Arabic, with marks

وَقَفَّيْنَا عَلَىٰ آثَارِهِم بِعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ ۖ وَآتَيْنَاهُ الْإِنجِيلَ فِيهِ هُدًى وَنُورٌ وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ التَّوْرَاةِ وَهُدًى وَمَوْعِظَةً لِّلْمُتَّقِينَ

Word by word

وَقَفَّيْنَا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم بِعِيسَى ٱبْنِ مَرْيَمَ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ ٱلتَّوْرَىٰةِ وَءَاتَيْنَٰهُ ٱلْإِنجِيلَ فِيهِ هُدًى وَنُورٌ وَمُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ ٱلتَّوْرَىٰةِ

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর তাদেরই আদর্শের উপর আমরা পাঠিয়েছিলাম ঈসা ইবনে মরিয়মকে তার পূর্বে নাযিল করা তাওরাতের সত্যায়নকারী হিসেবে। আর আমরা তাকে দিয়েছিলাম ইনজিল, তাতে ছিলো হিদায়াত এবং নূর (জ্ঞান)। আর এ (ইনজিল) ছিলো তার পূর্বে অবতীর্ণ তাওরাতের সমর্থক এবং মুত্তাকিদের জন্যে হিদায়াত ও উপদেশ।

মুহিউদ্দীন খান

ইঞ্জিলের অধিকারীদের উচিত, তাতে যা অবতীর্ণ করেছেন। তদানুযায়ী ফয়সালা করা। যারা যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই পাপাচারী।

Arabic, with marks

وَلْيَحْكُمْ أَهْلُ الْإِنجِيلِ بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فِيهِ ۚ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ

Word by word

وَلْيَحْكُمْ أَهْلُ ٱلْإِنجِيلِ بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فِيهِ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَٰسِقُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

ইনজিলের বাহকরা যেনো ফায়সালা করে সে বিধান অনুযায়ী যা তাতে নাযিল করেছেন। যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করেনা তারা ফাসিক।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্যগ্রন্থ, যা পূর্ববতী গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। অতএব, আপনি তাদের পারস্পারিক ব্যাপারাদিতে যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আপনার কাছে যে সৎপথ এসেছে, তা ছেড়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। যদি চাইতেন, তবে তোমাদের সবাইকে এক উম্মত করে দিতেন, কিন্তু এরূপ করেননি - যাতে তোমাদেরকে যে ধর্ম দিয়েছেন, তাতে তোমাদের পরীক্ষা নেন। অতএব, দৌড়ে কল্যাণকর বিষয়াদি অর্জন কর। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অতঃপর তিনি অবহিত করবেন সে বিষয়, যাতে তোমরা মতবিরোধ করতে।

Arabic, with marks

وَأَنزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ ۖ فَاحْكُم بَيْنَهُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ عَمَّا جَاءَكَ مِنَ الْحَقِّ ۚ لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا ۚ وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَجَعَلَكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَلَٰكِن لِّيَبْلُوَكُمْ فِي مَا آتَاكُمْ ۖ فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ ۚ إِلَى اللَّهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ فِيهِ تَخْتَلِفُونَ

Word by word

وَأَنزَلْنَآ إِلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ بِٱلْحَقِّ مُصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ ٱلْكِتَٰبِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ فَٱحْكُم بَيْنَهُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَهُمْ عَمَّا جَآءَكَ مِنَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমরা তোমার প্রতি নাযিল করেছি আল কিতাব (আল কুরআন) বাস্তব সত্য বিধান দিয়ে ইতোপূর্বে নাযিলকৃত কিতাবের সত্যায়নকারী এবং সত্যের সংরক্ষণকারী হিসেবে। অতএব তাদের মাঝে ফায়সালা করো আল্লাহর নাযিল করা বিধান অনুযায়ী। তোমার কাছে যে সত্য বিধান এসেছে তা ত্যাগ করে তাদের ইচ্ছা বাসনার অনুসরণ করোনা। আমরা তোমাদের প্রত্যেকের জন্যে একটি (পৃথক) শরিয়ত ও একটি আলোকিত চলার পথ দিয়েছি। চাইলে তোমাদের সবাইকে একটি উম্মতই বানাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের পরীক্ষা করতে চান তোমাদেরকে প্রদত্ত বিধানের ভিত্তিতে। সুতরাং কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতা করো। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছেই ফিরে যেতে হবে। তোমরা যেসব বিষয়ে মতভেদ করছিলে সেখানে তিনি তোমাদের সেগুলো অবহিত করবেন।

মুহিউদ্দীন খান

আর আমি আদেশ করছি যে, আপনি তাদের পারস্পরিক ব্যাপারাদিতে যা নাযিল করেছেন তদনুযায়ী ফয়সালা করুন; তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না এবং তাদের থেকে সতর্ক থাকুন - যেন তারা আপনাকে এমন কোন নির্দেশ থেকে বিচ্যুত না করে, যা আপনার প্রতি নাযিল করেছেন। অনন্তর যদি তার মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে নিন, তাদেরকে তাদের গোনাহের কিছু শাস্তি দিতেই চেয়েছেন। মানুষের মধ্যে অনেকেই নাফরমান।

Arabic, with marks

وَأَنِ احْكُم بَيْنَهُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ وَاحْذَرْهُمْ أَن يَفْتِنُوكَ عَن بَعْضِ مَا أَنزَلَ اللَّهُ إِلَيْكَ ۖ فَإِن تَوَلَّوْا فَاعْلَمْ أَنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ أَن يُصِيبَهُم بِبَعْضِ ذُنُوبِهِمْ ۗ وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ النَّاسِ لَفَاسِقُونَ

Word by word

وَأَنِ ٱحْكُم بَيْنَهُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَآءَهُمْ وَٱحْذَرْهُمْ أَن يَفْتِنُوكَ عَنۢ بَعْضِ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ إِلَيْكَ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَٱعْلَمْ أَنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ أَن

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের মাঝে ফায়সালা করো সেই বিধান দিয়ে যা নাযিল করেছেন এবং তাদের ইচ্ছা বাসনার অনুসরণ করোনা। তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো, তোমার প্রতি যে বিধান নাযিল করেছেন তার কোনো অংশ থেকে যেনো তারা তোমাকে বিচ্যুত না করে। তারা যদি (তোমার থেকে) মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে জেনে রাখো, তাদের কোনো কোনো পাপের জন্যে তাদের শাস্তি দিতে চান। নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে অনেকেই নিশ্চিত ফাসিক।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি জাহেলিয়াত আমলের ফয়সালা কামনা করে? অপেক্ষা বিশ্বাসীদের জন্যে উত্তম ফয়সালাকারী কে?

Arabic, with marks

أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ ۚ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ حُكْمًا لِّقَوْمٍ يُوقِنُونَ

Word by word

أَفَحُكْمَ ٱلْجَٰهِلِيَّةِ يَبْغُونَ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ ٱللَّهِ حُكْمًا لِّقَوْمٍ يُوقِنُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কি তারা জাহেলি যুগের বিধান চায়? যারা আল্লাহর প্রতি একীন রাখে, তাদের কাছে বিধানদাতা হিসেবে আল্লাহর চাইতে অধিকতর কল্যাণকামী আর কে?

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।

Arabic, with marks

۞ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ ۘ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ ٱلْيَهُودَ وَٱلنَّصَٰرَىٰٓ أَوْلِيَآءَ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَآءُ بَعْضٍ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُۥ مِنْهُمْ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلظَّٰل

আবদুস শহীদ নাসিম

হে ঈমান ওয়ালা লোকেরা! তোমরা ইহুদি ও নাসারাদের অলি (বন্ধু, অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক) হিসেবে গ্রহণ করোনা। তারা নিজেরা পরস্পরের অলি। তোমাদের কেউ যদি তাদের অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তবে সে হবে তাদেরই লোক। যালিম লোকদের সঠিক পথ দেখান না।

মুহিউদ্দীন খান

বস্তুতঃ যাদের অন্তরে রোগ রয়েছে, তাদেরকে আপনি দেখবেন, দৌড়ে গিয়ে তাদেরই মধ্যে প্রবেশ করে। তারা বলেঃ আমরা আশঙ্কা করি, পাছে না আমরা কোন দুর্ঘটনায় পতিত হই। অতএব, সেদিন দুরে নয়, যেদিন তা’আলা বিজয় প্রকাশ করবেন অথবা নিজের পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ দেবেন - ফলে তারা স্বীয় গোপন মনোভাবের জন্যে অনুতপ্ত হবে।

Arabic, with marks

فَتَرَى الَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ يُسَارِعُونَ فِيهِمْ يَقُولُونَ نَخْشَىٰ أَن تُصِيبَنَا دَائِرَةٌ ۚ فَعَسَى اللَّهُ أَن يَأْتِيَ بِالْفَتْحِ أَوْ أَمْرٍ مِّنْ عِندِهِ فَيُصْبِحُوا عَلَىٰ مَا أَسَرُّوا فِي أَنفُسِهِمْ نَادِمِينَ

Word by word

فَتَرَى ٱلَّذِينَ فِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌ يُسَٰرِعُونَ فِيهِمْ يَقُولُونَ نَخْشَىٰٓ أَن تُصِيبَنَا دَآئِرَةٌ فَعَسَى ٱللَّهُ أَن يَأْتِىَ بِٱلْفَتْحِ أَوْ أَمْرٍ مِّنْ عِندِهِۦ فَيُصْبِحُوا۟ عَلَىٰ مَآ أَسَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখতে পাবে, যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা (অর্থাৎ মুনাফিকরা) অচিরেই তাদের (ইহুদি, খৃষ্টান ও মুশরিকদের) সাথে মিলবে - বন্ধুতা করবে। তারা বলবে: ‘আমাদের আশংকা হয় (ওদের সাথে মিলে না গেলে) আমাদের দুরাবস্থা সৃষ্টি হবে।’ অচিরেই হয়তো বিজয়, নয়তো এমন কিছু দেবেন যার ফলে তারা মনের মধ্যে যা গোপন করে রেখেছিল তার জন্যে লজ্জিত - অনুতপ্ত হবে।

মুহিউদ্দীন খান

মুসলমানরা বলবেঃ এরাই কি সেসব লোক, যারা আল্লাহর নামে প্রতিজ্ঞা করত যে, আমরা তোমাদের সাথে আছি? তাদের কৃতকর্মসমূহ বিফল হয়ে গেছে, ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আছে।

Arabic, with marks

وَيَقُولُ الَّذِينَ آمَنُوا أَهَٰؤُلَاءِ الَّذِينَ أَقْسَمُوا بِاللَّهِ جَهْدَ أَيْمَانِهِمْ ۙ إِنَّهُمْ لَمَعَكُمْ ۚ حَبِطَتْ أَعْمَالُهُمْ فَأَصْبَحُوا خَاسِرِينَ

Word by word

وَيَقُولُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَهَٰٓؤُلَآءِ ٱلَّذِينَ أَقْسَمُوا۟ بِٱللَّهِ جَهْدَ أَيْمَٰنِهِمْ إِنَّهُمْ لَمَعَكُمْ حَبِطَتْ أَعْمَٰلُهُمْ فَأَصْبَحُوا۟ خَٰسِرِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে তারা বলবে: এরাই কি তারা? যারা আল্লাহর নামে কঠিন শপথ গ্রহণ করেছিল যে, তারা তোমাদের সাথেই আছে? তাদের সমস্ত আমল নিষ্ফল হয়ে গেছে, ফলে তারা হয়ে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যে স্বীয় ধর্ম থেকে ফিরে যাবে, অচিরে এমন সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে। তারা মুসলমানদের প্রতি বিনয় - নম্র হবে এবং কাফেরদের প্রতি কঠোর হবে। তারা আল্লাহর পথে জেহাদ করবে এবং কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারে ভীত হবে না। এটি আল্লাহর অনুগ্রহ - তিনি যাকে ইচ্ছা দান করেন। প্রাচুর্য দানকারী, মহাজ্ঞানী।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَن يَرْتَدَّ مِنكُمْ عَن دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللَّهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ أَذِلَّةٍ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى الْكَافِرِينَ يُجَاهِدُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَا يَخَافُونَ لَوْمَةَ لَائِمٍ ۚ ذَٰلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَاءُ ۚ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مَن يَرْتَدَّ مِنكُمْ عَن دِينِهِۦ فَسَوْفَ يَأْتِى ٱللَّهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُۥٓ أَذِلَّةٍ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ أَعِزَّةٍ عَلَى ٱلْكَٰفِرِينَ يُجَٰهِدُونَ فِى س

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের মধ্য থেকে কেউ (বা কোনো গোষ্ঠী) তার দীন থেকে ফিরে গেলে অচিরেই এমন একদল লোককে (দীনের মধ্যে) নিয়ে আসবেন, যাদের তিনি ভালোবাসবেন এবং তারাও তাঁকে ভালোবাসবে। তারা হবে মুমিনদের প্রতি কোমল, কাফিরদের প্রতি কঠোর। তারা জিহাদ করবে আল্লাহর পথে এবং ভয় করবেনা কোনো নিন্দুকের নিন্দা। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ - যাকে ইচ্ছা তিনি দান করেন। বড়ই প্রশস্ত - উদার ও মহাজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের বন্ধু তো তাঁর রসূল এবং মুমিনবৃন্দ - যারা কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনম্র।

Arabic, with marks

إِنَّمَا وَلِيُّكُمُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَالَّذِينَ آمَنُوا الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَيُؤْتُونَ الزَّكَاةَ وَهُمْ رَاكِعُونَ

Word by word

إِنَّمَا وَلِيُّكُمُ ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱلَّذِينَ يُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَيُؤْتُونَ ٱلزَّكَوٰةَ وَهُمْ رَٰكِعُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

(জেনে রাখো) তোমাদের অলি (বন্ধু, অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক) তো এবং তাঁর রসূল আর সেইসব লোক যারা ঈমান এনেছে, যারা কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং যারা (আল্লাহর প্রতি) সদা বিনত।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা তাঁর রসূল এবং বিশ্বাসীদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে, তারাই আল্লাহর দল এবং তারাই বিজয়ী।

Arabic, with marks

وَمَن يَتَوَلَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَالَّذِينَ آمَنُوا فَإِنَّ حِزْبَ اللَّهِ هُمُ الْغَالِبُونَ

Word by word

وَمَن يَتَوَلَّ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ فَإِنَّ حِزْبَ ٱللَّهِ هُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে আর লোকদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করে, তারা জেনে রাখুক, আল্লাহর দলই হবে গালিব (বিজয়ী)।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের ধর্মকে উপহাস ও খেলা মনে করে, তাদেরকে এবং অন্যান্য কাফেরকে বন্ধু রূপে গ্রহণ করো না। আল্লাহকে ভয় কর, যদি তোমরা হও।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ ٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَٰبَ مِن قَبْلِكُمْ وَٱلْكُفَّارَ أَوْلِيَآءَ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِن كُنتُم م

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! ইতোপূর্ব যাদের কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দীনকে খেল তামাশার বস্তু বানিয়ে নিয়েছে, তাদেরকে এবং কাফিরদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করোনা। আল্লাহকে ভয় করো যদি তোমরা হয়ে থাকো।

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন তোমরা নামাযের জন্যে আহবান কর, তখন তারা একে উপহাস ও খেলা বলে মনে করে। কারণ, তারা নিবোর্ধ।

Arabic, with marks

وَإِذَا نَادَيْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ اتَّخَذُوهَا هُزُوًا وَلَعِبًا ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَعْقِلُونَ

Word by word

وَإِذَا نَادَيْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ ٱتَّخَذُوهَا هُزُوًا وَلَعِبًا ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَّا يَعْقِلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা যখন সালাতের আহবান করো তখন তারা সেটাকে খেল তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে। এর কারণ তারা বে - আকল।

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ হে আহলে কিতাবগণ, আমাদের সাথে তোমাদের এছাড়া কি শত্রুতা যে, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি আল্লাহর প্রতি, আমাদের উপর অবতীর্ণ গ্রন্থের প্রতি এবং পূর্বে অবতীর্ণ গ্রন্থের প্রতি। আর তোমাদের অধিকাংশই নাফরমান।

Arabic, with marks

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ هَلْ تَنقِمُونَ مِنَّا إِلَّا أَنْ آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنزِلَ مِن قَبْلُ وَأَنَّ أَكْثَرَكُمْ فَاسِقُونَ

Word by word

قُلْ يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ هَلْ تَنقِمُونَ مِنَّآ إِلَّآ أَنْ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْنَا وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلُ وَأَنَّ أَكْثَرَكُمْ فَٰسِقُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: হে আহলে কিতাব! আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি বলে এবং আমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি আর পূর্বে যা নাযিল করা হয়েছে তার প্রতি ঈমান এনেছি বলে কি তোমরা আমাদের থেকে প্রতিশোধ নেবে? আসলে তোমাদের অধিকাংশ লোকই ফাসিক (সীমালংঘনকারী)।

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি, তাদের মধ্যে কার মন্দ প্রতিফল রয়েছে আল্লাহর কাছে? যাদের প্রতি অভিসম্পাত করেছেন, যাদের প্রতি তিনি ক্রোধাম্বিত হয়েছেন, যাদের কতককে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন এবং যারা শয়তানের আরাধনা করেছে, তারাই মর্যাদার দিক দিয়ে নিকৃষ্টতর এবং সত্যপথ থেকেও অনেক দূরে।

Arabic, with marks

قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ اللَّهِ ۚ مَن لَّعَنَهُ اللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ الْقِرَدَةَ وَالْخَنَازِيرَ وَعَبَدَ الطَّاغُوتَ ۚ أُولَٰئِكَ شَرٌّ مَّكَانًا وَأَضَلُّ عَن سَوَاءِ السَّبِيلِ

Word by word

قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ ٱللَّهِ مَن لَّعَنَهُ ٱللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ ٱلْقِرَدَةَ وَٱلْخَنَازِيرَ وَعَبَدَ ٱلطَّٰغُوتَ أُو۟لَٰٓئِكَ شَرٌّ مَّكَانًا وَأَض

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী! তাদের) বলো: আমি তোমাদেরকে আল্লাহর কাছে এর চাইতেও নিকৃষ্ট পরিণতির সংবাদ জানাবো কি? (তা হলো) যাদের লা’নত করেছেন, যাদের উপর গজব আপতিত করেছেন এবং যাদের কিছু লোককে বানর ও শূয়োর বানিয়েছেন আর যারা তাগুতের ইবাদত করে, মর্যাদার দিক থেকে তারাই নিকৃষ্ট এবং সরল সঠিক পথ থেকে তারাই অধিকতর বিপথগামী।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তারা তোমাদের কাছে আসে তখন বলে দাওঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। অথচ তারা কুফর নিয়ে এসেছিল এবং কুফর নিয়েই প্রস্থান করেছে। তারা যা গোপন করত, তা খুব জানেন।

Arabic, with marks

وَإِذَا جَاءُوكُمْ قَالُوا آمَنَّا وَقَد دَّخَلُوا بِالْكُفْرِ وَهُمْ قَدْ خَرَجُوا بِهِ ۚ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا يَكْتُمُونَ

Word by word

وَإِذَا جَآءُوكُمْ قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَقَد دَّخَلُوا۟ بِٱلْكُفْرِ وَهُمْ قَدْ خَرَجُوا۟ بِهِۦ وَٱللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا كَانُوا۟ يَكْتُمُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তোমার কাছে এলে বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি’, অথচ তারা কুফুরি সাথে নিয়েই (তোমার কাছে) দাখিল হয় এবং তা নিয়েই খারিজ (বের) হয়। তারা যা গোপন করে তা ভালোভাবেই জানেন।

মুহিউদ্দীন খান

আর আপনি তাদের অনেককে দেখবেন যে, দৌড়ে দৌড়ে পাপে, সীমালঙ্ঘনে এবং হারাম ভক্ষনে পতিত হয়। তারা অত্যন্ত মন্দ কাজ করছে।

Arabic, with marks

وَتَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يُسَارِعُونَ فِي الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ وَأَكْلِهِمُ السُّحْتَ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

Word by word

وَتَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يُسَٰرِعُونَ فِى ٱلْإِثْمِ وَٱلْعُدْوَٰنِ وَأَكْلِهِمُ ٱلسُّحْتَ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখবে, তাদের অনেকেই পাপ, সীমালংঘন ও হারামখুরিতে তৎপর। তাদের এই আমল বড়ই নিকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

দরবেশ ও আলেমরা কেন তাদেরকে পাপ কথা বলতে এবং হারাম ভক্ষণ করতে নিষেধ করে না? তারা খুবই মন্দ কাজ করছে।

Arabic, with marks

لَوْلَا يَنْهَاهُمُ الرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ عَن قَوْلِهِمُ الْإِثْمَ وَأَكْلِهِمُ السُّحْتَ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَصْنَعُونَ

Word by word

لَوْلَا يَنْهَىٰهُمُ ٱلرَّبَّٰنِيُّونَ وَٱلْأَحْبَارُ عَن قَوْلِهِمُ ٱلْإِثْمَ وَأَكْلِهِمُ ٱلسُّحْتَ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَصْنَعُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রিবিব ও যাজকরা তাদেরকে তাদের পাপ কথা এবং হারাম খুরি থেকে কেন নিষেধ করেনা? আসলে তাদের কর্ম বড়ই নিকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

আর ইহুদীরা বলেঃ আল্লাহর হাত বন্ধ হয়ে গেছে। তাদেরই হাত বন্ধ হোক। একথা বলার জন্যে তাদের প্রতি অভিসম্পাত। বরং তাঁর উভয় হস্ত উম্মুক্ত। তিনি যেরূপ ইচ্ছা ব্যয় করেন। আপনার প্রতি পলনকর্তার পক্ষ থেকে যে কালাম অবর্তীণ হয়েছে, তার কারণে তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও কুফর পরিবর্ধিত হবে। আমি তাদের পরস্পরের মধ্যে কেয়ামত পর্যন্ত শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিয়েছি। তারা যখনই যুদ্ধের আগুন প্রজ্জলিত করে, তা নির্বাপিত করে দেন। তারা দেশে অশান্তি উৎপাদন করে বেড়ায়। অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদেরকে পছন্দ করেন না।

Arabic, with marks

وَقَالَتِ الْيَهُودُ يَدُ اللَّهِ مَغْلُولَةٌ ۚ غُلَّتْ أَيْدِيهِمْ وَلُعِنُوا بِمَا قَالُوا ۘ بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوطَتَانِ يُنفِقُ كَيْفَ يَشَاءُ ۚ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُغْيَانًا وَكُفْرًا ۚ وَأَلْقَيْنَا بَيْنَهُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۚ كُلَّمَا أَوْقَدُوا نَارًا لِّلْحَرْبِ أَطْفَأَهَا اللَّهُ ۚ وَيَسْعَوْنَ فِي الْأَرْضِ فَسَادًا ۚ وَاللَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُفْسِدِينَ

Word by word

وَقَالَتِ ٱلْيَهُودُ يَدُ ٱللَّهِ مَغْلُولَةٌ غُلَّتْ أَيْدِيهِمْ وَلُعِنُوا۟ بِمَا قَالُوا۟ بَلْ يَدَاهُ مَبْسُوطَتَانِ يُنفِقُ كَيْفَ يَشَآءُ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّب

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহুদিরা বলে: ‘আল্লাহর হাত বাঁধা (অর্থাৎ তিনি কৃপণ)।’ মূলত তাদের হাতই আবদ্ধ এবং তারা যা বলে সে জন্যে তারা অভিশপ্ত। বরং আল্লাহর দুই হাত অবাধ প্রসারিত, তিনি যেভাবে চান দান করেন। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা তাদের অনেকেরই আল্লাহদ্রোহীতা ও কুফুরি বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা তাদের মধ্যে কিয়ামতকাল পর্যন্ত শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে দিয়েছি। তারা যখনই যুদ্ধের আগুন উস্কায়, তখনই তা নিভিয়ে দেন। তারা বিশ্বে ফাসাদ সৃষ্টির কাজে তৎপর। অথচ ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পছন্দ করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

আর যদি আহলে - কিতাবরা বিশ্বাস স্থাপন করত এবং খোদাভীতি অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের মন্দ বিষয়সমূহ ক্ষমা করে দিতাম এবং তাদেরকে নেয়ামতের উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করতাম।

Arabic, with marks

وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْكِتَابِ آمَنُوا وَاتَّقَوْا لَكَفَّرْنَا عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَأَدْخَلْنَاهُمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ

Word by word

وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ ءَامَنُوا۟ وَٱتَّقَوْا۟ لَكَفَّرْنَا عَنْهُمْ سَيِّـَٔاتِهِمْ وَلَأَدْخَلْنَٰهُمْ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ

আবদুস শহীদ নাসিম

আহলে কিতাবরা যদি ঈমান আনতো এবং তাকওয়া অবলম্বন করতো, আমরা তাদের থেকে মুছে দিতাম তাদের পাপ এবং তাদের দাখিল করতাম জান্নাতুন নায়ীমে।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা তওরাত, ইঞ্জিল এবং যা প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, পুরোপুরি পালন করত, তবে তারা উপর থেকে এবং পায়ের নীচ থেকে ভক্ষণ করত। তাদের কিছুসংখ্যক লোক সৎপথের অনুগামী এবং অনেকেই মন্দ কাজ করে যাচ্ছে।

Arabic, with marks

وَلَوْ أَنَّهُمْ أَقَامُوا التَّوْرَاةَ وَالْإِنجِيلَ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْهِم مِّن رَّبِّهِمْ لَأَكَلُوا مِن فَوْقِهِمْ وَمِن تَحْتِ أَرْجُلِهِم ۚ مِّنْهُمْ أُمَّةٌ مُّقْتَصِدَةٌ ۖ وَكَثِيرٌ مِّنْهُمْ سَاءَ مَا يَعْمَلُونَ

Word by word

وَلَوْ أَنَّهُمْ أَقَامُوا۟ ٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِم مِّن رَّبِّهِمْ لَأَكَلُوا۟ مِن فَوْقِهِمْ وَمِن تَحْتِ أَرْجُلِهِم مِّنْهُمْ أُمَّةٌ مُّقْتَصِدَةٌ وَكَثِيرٌ مِّنْهُمْ سَآءَ مَا

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যদি তাওরাত, ইনজিল এবং (এখন) তাদের কাছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যা (যে কুরআন) নাযিল হয়েছে তা কায়েম ও প্রবর্তন করতো, তাহলে তারা তাদের উপর থেকে এবং নিচে থেকে আহার লাভ করতো। তাদের মধ্যে কিছু মধ্যপন্থী লোক আছে বটে, তবে তাদের অনেকেই যা করে তা নেহাতই নিকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

হে রসূল, পৌছে দিন আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে। আর যদি আপনি এরূপ না করেন, তবে আপনি তাঁর পয়গাম কিছুই পৌছালেন না। আপনাকে মানুষের কাছ থেকে রক্ষা করবেন। নিশ্চয় কাফেরদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।

Arabic, with marks

۞ يَا أَيُّهَا الرَّسُولُ بَلِّغْ مَا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ ۖ وَإِن لَّمْ تَفْعَلْ فَمَا بَلَّغْتَ رِسَالَتَهُ ۚ وَاللَّهُ يَعْصِمُكَ مِنَ النَّاسِ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلرَّسُولُ بَلِّغْ مَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ وَإِن لَّمْ تَفْعَلْ فَمَا بَلَّغْتَ رِسَالَتَهُۥ وَٱللَّهُ يَعْصِمُكَ مِنَ ٱلنَّاسِ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلْكَٰفِرِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে রসূল! তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার কাছে যা নাযিল হয়েছে তা (মানুষের কাছে) পৌঁছে দাও। যদি তা না করো, তবে তুমি তাঁর বার্তা পৌঁছালেনা। আল্লাহ্ই তোমাকে রক্ষা করবেন মানুষের অনিষ্ট থেকে। নিশ্চয়ই হিদায়াত করেন না লোকদেরকে।

মুহিউদ্দীন খান

বলে দিনঃ হে আহলে কিতাবগণ, তোমরা কোন পথেই নও, যে পর্যন্ত না তোমরা তওরাত, ইঞ্জিল এবং যে গ্রন্থ তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে তাও পুরোপুরি পালন না কর। আপনার পালনকর্তার কাছ থেকে আপনার প্রতি যা অবর্তীণ হয়েছে, তার কারণে তাদের অনেকের অবাধ্যতা ও কুফর বৃদ্ধি পাবে। অতএব, এ সম্প্রদায়ের জন্যে দুঃখ করবেন না।

Arabic, with marks

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَسْتُمْ عَلَىٰ شَيْءٍ حَتَّىٰ تُقِيمُوا التَّوْرَاةَ وَالْإِنجِيلَ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ ۗ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّا أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُغْيَانًا وَكُفْرًا ۖ فَلَا تَأْسَ عَلَى الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ

Word by word

قُلْ يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ لَسْتُمْ عَلَىٰ شَىْءٍ حَتَّىٰ تُقِيمُوا۟ ٱلتَّوْرَىٰةَ وَٱلْإِنجِيلَ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ وَلَيَزِيدَنَّ كَثِيرًا مِّنْهُم مَّآ أُنزِلَ إِلَيْكَ مِن رَّبِّكَ طُ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: হে আহলে কিতাব! তোমরা তাওরাত, ইনজিল এবং তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে যা (যে কুরআন) নাযিল হয়েছে তা কায়েম ও প্রবর্তন না করা পর্যন্ত তোমাদের কোনো (ধর্মীয়) ভিত্তি নেই। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা তাদের অনেকের মধ্যেই আল্লাহদ্রোহীতা ও কুফুরি বাড়িয়ে দেয়ার কারণ হয়েছে। সুতরাং এই কওমের জন্যে দুঃখিত হয়োনা।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা মুসলমান, যারা ইহুদী, ছাবেয়ী বা খ্রীষ্টান, তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহর প্রতি, কিয়ামতের প্রতি এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।

Arabic, with marks

إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَالَّذِينَ هَادُوا وَالصَّابِئُونَ وَالنَّصَارَىٰ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَعَمِلَ صَالِحًا فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلصَّٰبِـُٔونَ وَٱلنَّصَٰرَىٰ مَنْ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ وَعَمِلَ صَٰلِحًا فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে তাদের মধ্যে, যারা ইহুদি হয়েছে তাদের মধ্যে এবং সাবি ও নাসারাদের মধ্যে যারা ও পরকালের প্রতি ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ করবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং দুশ্চিন্তাও নেই।

মুহিউদ্দীন খান

আমি বনী - ইসরাঈলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম এবং তাদের কাছে অনেক পয়গম্বর প্রেরণ করে ছিলাম। যখনই তাদের কাছে কোন পয়গম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবংঅনেককে হত্যা করে ফেলত।

Arabic, with marks

لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَأَرْسَلْنَا إِلَيْهِمْ رُسُلًا ۖ كُلَّمَا جَاءَهُمْ رَسُولٌ بِمَا لَا تَهْوَىٰ أَنفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ

Word by word

لَقَدْ أَخَذْنَا مِيثَٰقَ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَأَرْسَلْنَآ إِلَيْهِمْ رُسُلًا كُلَّمَا جَآءَهُمْ رَسُولٌۢ بِمَا لَا تَهْوَىٰٓ أَنفُسُهُمْ فَرِيقًا كَذَّبُوا۟ وَفَرِيقًا يَقْتُلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা বনি ইসরাঈলের অংগীকার গ্রহণ করেছিলাম এবং তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম অনেক রসূল। যখনই তাদের কাছে কোনো রসূল এসেছিল এমন কিছু (বিধান) নিয়ে যা তাদের মনপূত হয়নি, তখনই তারা কিছু রসূলকে অস্বীকার করেছে এবং হত্যা করেছে কিছু রসূলকে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা ধারণা করেছে যে, কোন অনিষ্ট হবে না। ফলে তারা আরও অন্ধ ও বধির হয়ে গেল। অতঃপর তাদের তওবা কবুল করলেন। এরপরও তাদের অধিকাংশই অন্ধ ও বধির হয়ে রইল। দেখেন তারা যা কিছু করে।

Arabic, with marks

وَحَسِبُوا أَلَّا تَكُونَ فِتْنَةٌ فَعَمُوا وَصَمُّوا ثُمَّ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ عَمُوا وَصَمُّوا كَثِيرٌ مِّنْهُمْ ۚ وَاللَّهُ بَصِيرٌ بِمَا يَعْمَلُونَ

Word by word

وَحَسِبُوٓا۟ أَلَّا تَكُونَ فِتْنَةٌ فَعَمُوا۟ وَصَمُّوا۟ ثُمَّ تَابَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ ثُمَّ عَمُوا۟ وَصَمُّوا۟ كَثِيرٌ مِّنْهُمْ وَٱللَّهُ بَصِيرٌۢ بِمَا يَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তারা ধরে নিয়েছিল তাদের কোনো ফিতনা (শাস্তি) হবেনা। ফলে তারা (তাদের বদ্ধমূল নীতি ও ধারণায়) অন্ধ ও বধির হয়ে পড়েছিল। তারপরও তাদের প্রতি ক্ষমাশীল দৃষ্টি প্রদান করেন। কিন্তু এর পরেও তাদের অনেকেই অন্ধ ও বধির হয়ে যায়। তারা যা করছে তার প্রতি দৃষ্টি রেখে চলেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা , যারা বলে যে, মরিময় - তনয় মসীহ - ই ; অথচ মসীহ বলেন, হে বণী - ইসরাঈল, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর, যিনি আমার পালন কর্তা এবং তোমাদেরও পালনকর্তা। নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে, তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন। এবং তার বাসস্থান হয় জাহান্নাম। অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই।

Arabic, with marks

لَقَدْ كَفَرَ الَّذِينَ قَالُوا إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ ۖ وَقَالَ الْمَسِيحُ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ اعْبُدُوا اللَّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمْ ۖ إِنَّهُ مَن يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ ۖ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ

Word by word

لَقَدْ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْمَسِيحُ ٱبْنُ مَرْيَمَ وَقَالَ ٱلْمَسِيحُ يَٰبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ رَبِّى وَرَبَّكُمْ إِنَّهُۥ مَن يُشْرِكْ بِٱللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ

আবদুস শহীদ নাসিম

ওরা তো কুফুরি করেছেই যারা বলে: ‘মসিহ্ ইবনে মরিয়মই ।’ অথচ মসিহ্ তাদের বলেছিল: ‘হে বনি ইসরাঈল! তোমরা আমার রব ও তোমাদের রব একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো। জেনে রাখো, যে কেউ আল্লাহর সাথে (কাউকেও) শরিক বানাবে, তার জন্যে হারাম করে দেবেন জান্নাত এবং তার আবাস হবে জাহান্নাম। আর যালিমদের জন্যে থাকবেনা কোনো সাহায্যকারী।’

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তারা , যারা বলেঃ তিনের এক; অথচ এক উপাস্য ছাড়া কোন উপাস্য নেই। যদি তারা স্বীয় উক্তি থেকে নিবৃত্ত না হয়, তবে তাদের মধ্যে যারা কুফরে অটল থাকবে, তাদের উপর যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি পতিত হবে।

Arabic, with marks

لَّقَدْ كَفَرَ الَّذِينَ قَالُوا إِنَّ اللَّهَ ثَالِثُ ثَلَاثَةٍ ۘ وَمَا مِنْ إِلَٰهٍ إِلَّا إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۚ وَإِن لَّمْ يَنتَهُوا عَمَّا يَقُولُونَ لَيَمَسَّنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ

Word by word

لَّقَدْ كَفَرَ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ ثَالِثُ ثَلَٰثَةٍ وَمَا مِنْ إِلَٰهٍ إِلَّآ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ وَإِن لَّمْ يَنتَهُوا۟ عَمَّا يَقُولُونَ لَيَمَسَّنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنْهُمْ عَذَابٌ أَلِيم

আবদুস শহীদ নাসিম

ওরাও কুফুরি করেছে যারা বলে: ‘ হলেন তিন জনের একজন।’ অথচ এক ইলাহ্ () ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই। তারা যা বলে তা থেকে যদি বিরত না হয়, তাহলে তাদের মধ্যে যারা কুফুরি করবে, অবশ্যি তাদের স্পর্শ করবে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আল্লাহর কাছে তওবা করে না কেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে না কেন? যে ক্ষমাশীল, দয়ালু।

Arabic, with marks

أَفَلَا يَتُوبُونَ إِلَى اللَّهِ وَيَسْتَغْفِرُونَهُ ۚ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

Word by word

أَفَلَا يَتُوبُونَ إِلَى ٱللَّهِ وَيَسْتَغْفِرُونَهُۥ وَٱللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি ফিরে আসবেনা আল্লাহর দিকে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করবেনা তাঁর কাছে? তো পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

মরিয়ম - তনয় মসীহ রসূল ছাড়া আর কিছু নন। তাঁর পূর্বে অনেক রসূল অতিক্রান্ত হয়েছেন আর তার জননী একজন ওলী। তাঁরা উভয়েই খাদ্য ভক্ষণ করতেন। দেখুন, আমি তাদের জন্যে কিরূপ যুক্তি - প্রমাণ বর্ননা করি, আবার দেখুন, তারা উল্টা কোন দিকে যাচেছ।

Arabic, with marks

مَّا الْمَسِيحُ ابْنُ مَرْيَمَ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ الرُّسُلُ وَأُمُّهُ صِدِّيقَةٌ ۖ كَانَا يَأْكُلَانِ الطَّعَامَ ۗ انظُرْ كَيْفَ نُبَيِّنُ لَهُمُ الْآيَاتِ ثُمَّ انظُرْ أَنَّىٰ يُؤْفَكُونَ

Word by word

مَّا ٱلْمَسِيحُ ٱبْنُ مَرْيَمَ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ ٱلرُّسُلُ وَأُمُّهُۥ صِدِّيقَةٌ كَانَا يَأْكُلَانِ ٱلطَّعَامَ ٱنظُرْ كَيْفَ نُبَيِّنُ لَهُمُ ٱلْءَايَٰتِ ثُمَّ ٱنظُرْ أَنَّىٰ يُؤْفَكُون

আবদুস শহীদ নাসিম

মসিহ্ ইবনে মরিয়ম একজন রসূল ছাড়া আর কিছুই নয়। তার আগেও (তার মতো) বহু রসূল বিগত হয়েছে। তার মা ছিলো এক সত্যনিষ্ঠ নারী। তারা দুজনেই খাবার খেতো। দেখো কতো পরিষ্কার করে আমরা তাদের জন্যে নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করছি। তারপর এটাও দেখো, কিভাবে তারা সত্যের প্রতি মিথ্যারোপ করছে।

মুহিউদ্দীন খান

বলে দিনঃ তোমরা কি ব্যতীত এমন বস্তুর এবাদত কর যে, তোমাদের অপকার বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না? অথচ সব শুনেন ও জানেন।

Arabic, with marks

قُلْ أَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا ۚ وَاللَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

Word by word

قُلْ أَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا نَفْعًا وَٱللَّهُ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী!) তাদের বলো: তোমরা কি ছাড়া এমন কারো ইবাদত করবে যার কোনো ক্ষমতাই নেই তোমাদের কোনো ক্ষতি কিংবা উপকার করার? একমাত্র আল্লাহ্ই সবকিছু শুনেন এবং সব কিছু জানেন।

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ হে আহলে কিতাবগন, তোমরা স্বীয় ধর্মে অন্যায় বাড়াবাড়ি করো না এবং এতে ঐ সম্প্রদায়ের প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না, যারা পূর্বে পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে। তারা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে।

Arabic, with marks

قُلْ يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لَا تَغْلُوا فِي دِينِكُمْ غَيْرَ الْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعُوا أَهْوَاءَ قَوْمٍ قَدْ ضَلُّوا مِن قَبْلُ وَأَضَلُّوا كَثِيرًا وَضَلُّوا عَن سَوَاءِ السَّبِيلِ

Word by word

قُلْ يَٰٓأَهْلَ ٱلْكِتَٰبِ لَا تَغْلُوا۟ فِى دِينِكُمْ غَيْرَ ٱلْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعُوٓا۟ أَهْوَآءَ قَوْمٍ قَدْ ضَلُّوا۟ مِن قَبْلُ وَأَضَلُّوا۟ كَثِيرًا وَضَلُّوا۟ عَن سَوَآءِ ٱلسَّبِيلِ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: হে আহলে কিতাব! তোমরা সত্যের বিরুদ্ধে গিয়ে তোমাদের দীনের মধ্যে বাড়াবাড়ি করোনা এবং তোমরা এমন লোকদের মনগড়া বিষয়ের অনুসরণ করোনা ইতোপূর্বে যারা নিজেরাও হয়েছে বিপথগামী আর অনেক মানুষকেও করেছে পথভ্রষ্ট। আসলে তারা সরল সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে বিপথে চলে গেছে।

মুহিউদ্দীন খান

বনী - ইসলাঈলের মধ্যে যারা , তাদেরকে দাউদ ও মরিয়মতনয় ঈসার মুখে অভিসম্পাত করা হয়েছে। এটা একারণে যে, তারা অবাধ্যতা করত এবং সীমা লংঘন করত।

Arabic, with marks

لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِن بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُودَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا وَّكَانُوا يَعْتَدُونَ

Word by word

لُعِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِنۢ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُۥدَ وَعِيسَى ٱبْنِ مَرْيَمَ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَوا۟ وَّكَانُوا۟ يَعْتَدُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বনি ইসরাঈলের যারা কুফুরি করেছিল, তাদের উপর লা’নত বর্ষিত হয়েছিল দাউদ এবং ঈসা ইবনে মরিয়মের যবানে। এর কারণ, তারা ছিলো নাফরমান এবং সীমালংঘনকারী।

মুহিউদ্দীন খান

তারা পরস্পরকে মন্দ কাজে নিষেধ করত না, যা তারা করত। তারা যা করত তা অবশ্যই মন্দ ছিল

Arabic, with marks

كَانُوا لَا يَتَنَاهَوْنَ عَن مُّنكَرٍ فَعَلُوهُ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا يَفْعَلُونَ

Word by word

كَانُوا۟ لَا يَتَنَاهَوْنَ عَن مُّنكَرٍ فَعَلُوهُ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَفْعَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা যেসব মুনকার - মন্দ কাজ করতো ,তা থেকে তারা পরস্পরকে নিষেধ করতোনা। তাদের কার্যক্রম ছিলো খুবই মন্দ - নিকৃষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি তাদের অনেককে দেখবেন, কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব করে। তারা নিজেদের জন্য যা পাঠিয়েছে তা অবশ্যই মন্দ। তা এই যে, তাদের প্রতি ক্রোধান্বিত হয়েছেন এবং তারা চিরকাল আযাবে থাকবে।

Arabic, with marks

تَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يَتَوَلَّوْنَ الَّذِينَ كَفَرُوا ۚ لَبِئْسَ مَا قَدَّمَتْ لَهُمْ أَنفُسُهُمْ أَن سَخِطَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ وَفِي الْعَذَابِ هُمْ خَالِدُونَ

Word by word

تَرَىٰ كَثِيرًا مِّنْهُمْ يَتَوَلَّوْنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَبِئْسَ مَا قَدَّمَتْ لَهُمْ أَنفُسُهُمْ أَن سَخِطَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ وَفِى ٱلْعَذَابِ هُمْ خَٰلِدُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখবে, তাদের অনেকেই কাফিরদের অলি (বন্ধু, অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক) বানিয়ে নিয়েছে। তাদের কর্মকান্ড এতোই নিকৃষ্ট, যার কারণে তাদের প্রতি বিরূপ হয়েছেন আর আযাবের মধ্যেই থাকবে তারা চিরকাল।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা আল্লাহর প্রতি ও রসূলের প্রতি অবতীর্ণ বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করত, তবে কাফেরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করত না। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেকেই দুরাচার।

Arabic, with marks

وَلَوْ كَانُوا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالنَّبِيِّ وَمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مَا اتَّخَذُوهُمْ أَوْلِيَاءَ وَلَٰكِنَّ كَثِيرًا مِّنْهُمْ فَاسِقُونَ

Word by word

وَلَوْ كَانُوا۟ يُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلنَّبِىِّ وَمَآ أُنزِلَ إِلَيْهِ مَا ٱتَّخَذُوهُمْ أَوْلِيَآءَ وَلَٰكِنَّ كَثِيرًا مِّنْهُمْ فَٰسِقُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর প্রতি, এই নবীর প্রতি এবং তার প্রতি যা নাযিল হয়েছে সেটার প্রতি যদি ঈমান আনতো তাহলে ওদেরকে অলি হিসেবে গ্রহণ করতো না। কিন্তু তাদের অনেকেই ফাসিক - সীমালংঘনকারী।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি সব মানুষের চাইতে মুসলমানদের অধিক শত্রু ইহুদী ও মুশরেকদেরকে পাবেন এবং আপনি সবার চাইতে মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্বে অধিক নিকটবর্তী তাদেরকে পাবেন, যারা নিজেদেরকে খ্রীষ্টান বলে। এর কারণ এই যে, খ্রীষ্টানদের মধ্যে আলেম রয়েছে, দরবেশ রয়েছে এবং তারা অহঙ্কার করে না।

Arabic, with marks

۞ لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا ۖ وَلَتَجِدَنَّ أَقْرَبَهُم مَّوَدَّةً لِّلَّذِينَ آمَنُوا الَّذِينَ قَالُوا إِنَّا نَصَارَىٰ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّ مِنْهُمْ قِسِّيسِينَ وَرُهْبَانًا وَأَنَّهُمْ لَا يَسْتَكْبِرُونَ

Word by word

لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ ٱلنَّاسِ عَدَٰوَةً لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱلْيَهُودَ وَٱلَّذِينَ أَشْرَكُوا۟ وَلَتَجِدَنَّ أَقْرَبَهُم مَّوَدَّةً لِّلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱلَّذِينَ قَالُوٓا۟ إِنَّا نَصَٰرَىٰ ذَٰلِكَ بِأَنَّ مِنْه

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তুমি মানুষের মাঝে মুমিনদের প্রতি শত্রুতার ক্ষেত্রে সবচে’ শক্ত অবস্থানে পাবে ইহুদিদের, আর যারা শিরক করে তাদের। আর তাদের সাথে বন্ধুতার ক্ষেত্রে সবচে’ নিকটে পাবে ঐ লোকদের যারা বলে আমরা নাসারা (খৃষ্টান)। এর কারণ, তাদের মধ্যে রয়েছে অনেক (সত্যনিষ্ঠ) পাদ্রী আর দুনিয়া বিমুখ ব্যক্তি এবং তারা অহংকার করে বেড়ায় না।

মুহিউদ্দীন খান

আর তারা রসূলের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা যখন শুনে, তখন আপনি তাদের চোখ অশ্রু সজল দেখতে পাবেন; এ কারণে যে, তারা সত্যকে চিনে নিয়েছে। তারা বলেঃ হে আমাদের প্রতি পালক, আমরা মুসলমান হয়ে গেলাম। অতএব, আমাদেরকেও মান্যকারীদের তালিকাভুক্ত করে নিন।

Arabic, with marks

وَإِذَا سَمِعُوا مَا أُنزِلَ إِلَى الرَّسُولِ تَرَىٰ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ الدَّمْعِ مِمَّا عَرَفُوا مِنَ الْحَقِّ ۖ يَقُولُونَ رَبَّنَا آمَنَّا فَاكْتُبْنَا مَعَ الشَّاهِدِينَ

Word by word

وَإِذَا سَمِعُوا۟ مَآ أُنزِلَ إِلَى ٱلرَّسُولِ تَرَىٰٓ أَعْيُنَهُمْ تَفِيضُ مِنَ ٱلدَّمْعِ مِمَّا عَرَفُوا۟ مِنَ ٱلْحَقِّ يَقُولُونَ رَبَّنَآ ءَامَنَّا فَٱكْتُبْنَا مَعَ ٱلشَّٰهِدِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

এই রসূলের কাছে যে কিতাব নাযিল হয়েছে তারা যখন তা শুনে, তুমি দেখবে তখন সত্য উপলব্ধির কারণে তাদের চোখ অশ্রুসিক্ত। তারা বলে: ‘‘আমাদের প্রভু! আমরা ঈমান আনলাম, আমাদেরকে সাক্ষীদের অন্তরভুক্ত করো।

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের কি ওযর থাকতে পারে যে, আমরা আল্লাহর প্রতি এবং যে সত্য আমাদের কাছে এসেছে, তৎপ্রতি বিশ্বাস স্থাপন করব না এবং এ আশা করবো না যে, আমদের প্রতিপালক আমাদেরকে সৎ লোকদের সাথে প্রবিষ্ট করবেন?

Arabic, with marks

وَمَا لَنَا لَا نُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَمَا جَاءَنَا مِنَ الْحَقِّ وَنَطْمَعُ أَن يُدْخِلَنَا رَبُّنَا مَعَ الْقَوْمِ الصَّالِحِينَ

Word by word

وَمَا لَنَا لَا نُؤْمِنُ بِٱللَّهِ وَمَا جَآءَنَا مِنَ ٱلْحَقِّ وَنَطْمَعُ أَن يُدْخِلَنَا رَبُّنَا مَعَ ٱلْقَوْمِ ٱلصَّٰلِحِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের জন্যে আল্লাহর প্রতি এবং আমাদের কাছে যে মহাসত্য এসেছে তার প্রতি ঈমান না আনার কোনো কারণ নেই; যেহেতু আমাদের তীব্র আকাংখা তো হলো আমাদের প্রভু যেনো আমাদেরকে সালেহ্ লোকদের মধ্যে দাখিল করেন।’’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদেরকে এ উক্তির প্রতিদান স্বরূপ এমন উদ্যান দিবেন যার তলদেশে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হবে। তারা তন্মধ্যে চিরকাল অবস্থান করবে। এটাই সৎকর্মশীলদের প্রতিদান।

Arabic, with marks

فَأَثَابَهُمُ اللَّهُ بِمَا قَالُوا جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا ۚ وَذَٰلِكَ جَزَاءُ الْمُحْسِنِينَ

Word by word

فَأَثَٰبَهُمُ ٱللَّهُ بِمَا قَالُوا۟ جَنَّٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَا وَذَٰلِكَ جَزَآءُ ٱلْمُحْسِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের একথার জন্যে তাদের পুরস্কার দিয়েছেন জান্নাতসমূহ, সেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান রয়েছে নদ - নদী - নহর। চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। কল্যাণকামীদের এটাই পুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

যারা হয়েছে এবং আমার নিদর্শনাবলীকে মিথ্যা বলেছে, তারাই দোযখী।

Arabic, with marks

وَالَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِآيَاتِنَا أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ وَكَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَآ أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَحِيمِ

আবদুস শহীদ নাসিম

অন্যদিকে যারা কুফুরি করে এবং অস্বীকার করে আমাদের আয়াতসমূহকে, তারা হবে জাহিমের (জাহান্নামের) অধিবাসী।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমরা ঐসব সুস্বাদু বস্তু হারাম করো না, যেগুলো তোমাদের জন্য হালাল করেছেন এবং সীমা অতিক্রম করো না। নিশ্চয় সীমা অতিক্রমকারীদেরকে পছন্দ করেন না।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تُحَرِّمُوا۟ طَيِّبَٰتِ مَآ أَحَلَّ ٱللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوٓا۟ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلْمُعْتَدِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের জন্যে যেসব ভালো জিনিস হালাল করেছেন, তোমরা সেগুলোকে হারাম সাব্যস্ত করোনা এবং সীমালংঘন করোনা; কারণ সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

তা’য়ালা যেসব বস্তু তোমাদেরকে দিয়েছেন, তন্মধ্য থেকে হালাল ও পবিত্র বস্তু খাও এবং আল্লাহকে ভয় কর, যার প্রতি তোমরা ।

Arabic, with marks

وَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ حَلَالًا طَيِّبًا ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي أَنتُم بِهِ مُؤْمِنُونَ

Word by word

وَكُلُوا۟ مِمَّا رَزَقَكُمُ ٱللَّهُ حَلَٰلًا طَيِّبًا وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِىٓ أَنتُم بِهِۦ مُؤْمِنُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদেরকে যেসব হালাল উত্তম জীবিকা দিয়েছেন সেগুলো থেকে খাও এবং সেই মহান আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর প্রতি তোমরা ()।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাধ। অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে; মধ্যম শ্রেনীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক। অথবা, তাদেরকে বস্তু প্রদান করবে অথবা, একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে। যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা কাফফরা তোমাদের শপথের, যখন শপথ করবে। তোমরা স্বীয় শপথসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।

Arabic, with marks

لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَٰكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ الْأَيْمَانَ ۖ فَكَفَّارَتُهُ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُهُمْ أَوْ تَحْرِيرُ رَقَبَةٍ ۖ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ ۚ ذَٰلِكَ كَفَّارَةُ أَيْمَانِكُمْ إِذَا حَلَفْتُمْ ۚ وَاحْفَظُوا أَيْمَانَكُمْ ۚ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ

Word by word

لَا يُؤَاخِذُكُمُ ٱللَّهُ بِٱللَّغْوِ فِىٓ أَيْمَٰنِكُمْ وَلَٰكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ ٱلْأَيْمَٰنَ فَكَفَّٰرَتُهُۥٓ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَٰكِينَ مِنْ أَوْسَطِ مَا تُطْعِمُونَ أَهْلِيكُمْ أَوْ كِسْوَتُه

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের অযথা শপথের জন্যে তোমাদের পাকড়াও করবেন না। কিন্তু তোমাদের ইচ্ছাকৃত শপথের জন্যে তিনি তোমাদের পাকড়াও করবেন। এর কাফ্ফারা হলো দশজন মিসকিনকে আহার করানো মধ্যম ধরণের আহার, যে রকম তোমরা তোমাদের আহলকে খাইয়ে থাকো। অথবা তাদেরকে বস্ত্রদান করা, নতুবা একজন দাসমুক্ত করা। যে এগুলো করতে পারবেনা সে তিন দিন রোযা রাখবে। তোমরা যদি শপথ করো তবে এটাই তার কাফ্ফারা। তোমরা তোমাদের শপথ রক্ষা করো। এভাবেই তোমাদের জন্যে ব্যাখ্যা করেন তাঁর আয়াত, যাতে করে তোমরা শোকর আদায় করো।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য - নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক - যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنصَابُ وَالْأَزْلَامُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِنَّمَا ٱلْخَمْرُ وَٱلْمَيْسِرُ وَٱلْأَنصَابُ وَٱلْأَزْلَٰمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ ٱلشَّيْطَٰنِ فَٱجْتَنِبُوهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! জেনে রাখো, মদ, জুয়া, আস্তানা এবং ভাগ্য নির্ণয়ের শর - এগুলো সবই নোংরা শয়তানি কাজ। সুতরাং তোমরা এগুলো বর্জন করো, তবেই হবে।

মুহিউদ্দীন খান

শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখন ও কি নিবৃত্ত হবে?

Arabic, with marks

إِنَّمَا يُرِيدُ الشَّيْطَانُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَاءَ فِي الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ اللَّهِ وَعَنِ الصَّلَاةِ ۖ فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ

Word by word

إِنَّمَا يُرِيدُ ٱلشَّيْطَٰنُ أَن يُوقِعَ بَيْنَكُمُ ٱلْعَدَٰوَةَ وَٱلْبَغْضَآءَ فِى ٱلْخَمْرِ وَٱلْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَن ذِكْرِ ٱللَّهِ وَعَنِ ٱلصَّلَوٰةِ فَهَلْ أَنتُم مُّنتَهُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে সে তোমাদের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ ঘটাবে এবং তোমাদের বাধা দেবে আল্লাহর যিক্র ও থেকে। তারপরও কি তোমরা তা থেকে বিরত হবেনা?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা আল্লাহর অনুগত হও, রসূলের অনুগত হও এবং আত্মরক্ষা কর। কিন্তু যদি তোমরা বিমুখ হও, তবে জেনে রাখ, আমার রসূলের দায়িত্ব প্রকাশ্য প্রচার বৈধ নয়।

Arabic, with marks

وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاحْذَرُوا ۚ فَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ

Word by word

وَأَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ وَٱحْذَرُوا۟ فَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا ٱلْبَلَٰغُ ٱلْمُبِينُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং এই রসূলের আনুগত্য করো আর সতর্ক - সাবধান থাকো। কিন্তু তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও তবে জেনে রাখো, আমাদের রসূলের দায়িত্ব তো কেবল পরিষ্কারভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম করেছে, তারা পূর্বে যা ভক্ষণ করেছে, সে জন্য তাদের কোন গোনাহ নেই যখন ভবিষ্যতের জন্যে সংযত হয়েছে, বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করেছে। এরপর সংযত থাকে এবং বিশ্বাস স্থাপন করে। এরপর সংযত থাকে এবং সৎকর্ম করে। সৎকর্মীদেরকে ভালবাসেন।

Arabic, with marks

لَيْسَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُوا إِذَا مَا اتَّقَوا وَّآمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ثُمَّ اتَّقَوا وَّآمَنُوا ثُمَّ اتَّقَوا وَّأَحْسَنُوا ۗ وَاللَّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ

Word by word

لَيْسَ عَلَى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ جُنَاحٌ فِيمَا طَعِمُوٓا۟ إِذَا مَا ٱتَّقَوا۟ وَّءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ ثُمَّ ٱتَّقَوا۟ وَّءَامَنُوا۟ ثُمَّ ٱتَّقَوا۟ وَّأَحْسَنُوا۟ وَٱللّ

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ করে তারা পূর্বে যা - ই খেয়েছে তার গুনাহ্ ধরা হবেনা যদি তারা তাকওয়া অবলম্বন করে, ঈমানের উপর অটল থাকে এবং আমলে সালেহ করে। যদি তারা সতর্ক থাকে এবং থাকে, তারপরও সতর্ক থাকে এবং কল্যাণের পথ অবলম্বন করে, আর তো কল্যাণের পথ অবলম্বনকারীদেরই পছন্দ করেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমাদেরকে এমন কিছু শিকারের মাধ্যমে পরীক্ষা করবেন, যে শিকার পর্যন্ত তোমাদের হাত ও বর্শা সহজেই পৌছতে পারবে - যাতে বুঝতে পারেন যে, কে তাকে অদৃশ্যভাবে ভয়করে। অতএব, যে ব্যক্তি এরপর সীমা অতিক্রম করবে, তার জন্য যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি রয়েছে।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَيَبْلُوَنَّكُمُ اللَّهُ بِشَيْءٍ مِّنَ الصَّيْدِ تَنَالُهُ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ لِيَعْلَمَ اللَّهُ مَن يَخَافُهُ بِالْغَيْبِ ۚ فَمَنِ اعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُ عَذَابٌ أَلِيمٌ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَيَبْلُوَنَّكُمُ ٱللَّهُ بِشَىْءٍ مِّنَ ٱلصَّيْدِ تَنَالُهُۥٓ أَيْدِيكُمْ وَرِمَاحُكُمْ لِيَعْلَمَ ٱللَّهُ مَن يَخَافُهُۥ بِٱلْغَيْبِ فَمَنِ ٱعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُۥ عَذَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! (ইহরাম অবস্থায়) তোমাদের হাত ও বর্শা যা শিকার করে সে বিষয়ে অবশ্যি তোমাদের পরীক্ষা করবেন। কারণ, তিনি জানতে চান, না দেখেও কে আল্লাহকে ভয় করে চলে। এরপর থেকে যে কেউ সীমালংঘন করবে, তার জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা এহরাম অবস্থায় শিকার বধ করো না। তোমাদের মধ্যে যে জেনেশুনে শিকার বধ করবে, তার উপর বিনিময় ওয়াজেব হবে, যা সমান হবে ঐ জন্তুর, যাকে সে বধ করেছে। দু’জন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি এর ফয়সালা করবে - বিনিময়ের জন্তুটি উৎসর্গ হিসেবে কাবায় পৌছাতে হবে। অথবা তার উপর কাফফারা ওয়াজেব - কয়েকজন দরিদ্রকে খাওয়ানো অথবা তার সমপরিমাণ রোযা রাখতে যাতে সে স্বীয় কৃতকর্মের প্রতিফল আস্বাদন করে। যা হয়ে গেছে, তা মাফ করেছেন। যে পুনরায় এ কান্ড করবে, তার কাছ থেকে প্রতিশোধ নিবেন। পরাক্রান্ত, প্রতিশোধ গ্রহণে সক্ষম।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَقْتُلُوا الصَّيْدَ وَأَنتُمْ حُرُمٌ ۚ وَمَن قَتَلَهُ مِنكُم مُّتَعَمِّدًا فَجَزَاءٌ مِّثْلُ مَا قَتَلَ مِنَ النَّعَمِ يَحْكُمُ بِهِ ذَوَا عَدْلٍ مِّنكُمْ هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ أَوْ كَفَّارَةٌ طَعَامُ مَسَاكِينَ أَوْ عَدْلُ ذَٰلِكَ صِيَامًا لِّيَذُوقَ وَبَالَ أَمْرِهِ ۗ عَفَا اللَّهُ عَمَّا سَلَفَ ۚ وَمَنْ عَادَ فَيَنتَقِمُ اللَّهُ مِنْهُ ۗ وَاللَّهُ عَزِيزٌ ذُو انتِقَامٍ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَقْتُلُوا۟ ٱلصَّيْدَ وَأَنتُمْ حُرُمٌ وَمَن قَتَلَهُۥ مِنكُم مُّتَعَمِّدًا فَجَزَآءٌ مِّثْلُ مَا قَتَلَ مِنَ ٱلنَّعَمِ يَحْكُمُ بِهِۦ ذَوَا عَدْلٍ مِّنكُمْ هَدْيًۢا بَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! ইহরাম অবস্থায় তোমরা শিকার (করে প্রাণী) হত্যা করোনা। তোমাদের কেউ যদি (এ অবস্থায়) ইচ্ছাকৃত তা হত্যা করে তবে তার বিনিময় হবে সমসংখ্যক গৃহপালিত জন্তু, যা কাবার উদ্দেশ্যে কুরবানির জন্যে পাঠাতে হবে, এ বিষয়টির ফায়সালা করে দেবে তোমাদের মধ্যকার দুইজন ন্যায়পরায়ন ব্যক্তি। অথবা এর কাফ্ফারা হবে মিসকিনদের খাবার দেয়া, অথবা সমসংখ্যক রোযা রাখা। (এই কাফ্ফারা নির্ধারণ করা হলো) যাতে করে সে তার কাজের ফল ভোগ করে। পূর্বে যা কিছু হয়েছে তা মাফ করে দিয়েছেন। এরপরেও যদি কেউ অনুরূপ কাজ করে, তবে তাকে দন্ড প্রদান করবেন। মহাপরাক্রমশালী, কঠোর শাস্তিদাতা।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও সুমুদ্রের খাদ্য হালাল করা হয়েছে তোমাদের উপকারার্থে এবং তোমাদের এহরামকারীদের জন্যে হারাম করা হয়েছে স্থল শিকার যতক্ষণ এহরাম অবস্থায় থাক। আল্লাহকে ভয় কর, যার কাছে তোমরা একত্রিত হবে।

Arabic, with marks

أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ الْبَحْرِ وَطَعَامُهُ مَتَاعًا لَّكُمْ وَلِلسَّيَّارَةِ ۖ وَحُرِّمَ عَلَيْكُمْ صَيْدُ الْبَرِّ مَا دُمْتُمْ حُرُمًا ۗ وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ

Word by word

أُحِلَّ لَكُمْ صَيْدُ ٱلْبَحْرِ وَطَعَامُهُۥ مَتَٰعًا لَّكُمْ وَلِلسَّيَّارَةِ وَحُرِّمَ عَلَيْكُمْ صَيْدُ ٱلْبَرِّ مَا دُمْتُمْ حُرُمًا وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ ٱلَّذِىٓ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে সমুদ্রের শিকার এবং সেই শিকার খাওয়া হালাল করে দেয়া হলো - তোমাদের ও পর্যটকদের ভোগ্যসামগ্রী হিসেবে। আর তোমাদের জন্যে স্থলভাগের শিকার হারাম করে দেয়া হলো যতোদিন যতো সময় তোমরা ইহরাম অবস্থায় থাকবে। আল্লাহকে ভয় করো, তিনি তোমাদের হাশর করবেন তাঁর কাছে।

মুহিউদ্দীন খান

সম্মানিত গৃহ কাবাকে মানুষের স্থীতিশীলতার কারণ করেছেন এবং সম্মানিত মাসসমূকে, হারাম কোরবানীর জন্তুকে ও যাদের গলায় আবরণ রয়েছে। এর কারণ এই যে, যাতে তোমরা জেনে নাও যে, নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের সব কিছু জানেন এবং সর্ব বিষয়ে মহাজ্ঞানী।

Arabic, with marks

۞ جَعَلَ اللَّهُ الْكَعْبَةَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ قِيَامًا لِّلنَّاسِ وَالشَّهْرَ الْحَرَامَ وَالْهَدْيَ وَالْقَلَائِدَ ۚ ذَٰلِكَ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَأَنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

Word by word

جَعَلَ ٱللَّهُ ٱلْكَعْبَةَ ٱلْبَيْتَ ٱلْحَرَامَ قِيَٰمًا لِّلنَّاسِ وَٱلشَّهْرَ ٱلْحَرَامَ وَٱلْهَدْىَ وَٱلْقَلَٰٓئِدَ ذَٰلِكَ لِتَعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَأَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তায়ালা মর্যাদাপূর্ণ কাবা ঘরকে, হারাম মাসকে, কুরবানির পশুকে এবং কুরবানি করার উদ্দেশ্যে মালা পরানো পশুকে মানুষের জন্যে কল্যাণকর নির্ধারণ করেছেন। এর কারণ হলো, যাতে করে তোমরা জানতে পারো মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই জানেন এবং সব বিষয়ে সর্বজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

জেনে নাও, নিশ্চয় কঠোর শাস্তি দাতা ও নিশ্চয় ক্ষমাশীল - দয়ালূ।

Arabic, with marks

اعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ وَأَنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

Word by word

ٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ وَأَنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

আবদুস শহীদ নাসিম

জেনে রাখো, কঠিন শাস্তিদাতা এবং তিনি পরম ক্ষমাশীল পরম দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

রসূলের দায়িত্ব শুধু পৌছিয়ে দেওয়া। জানেন, যা কিছু তোমরা প্রকাশ্যে কর এবং যা কিছু গোপন কর।

Arabic, with marks

مَّا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ ۗ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ

Word by word

مَّا عَلَى ٱلرَّسُولِ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর রসূলের উপর বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া আর কোনো দায়িত্ব নেই। তোমরা যা প্রকাশ করো আর যা গোপন করো, সবই জানেন।

মুহিউদ্দীন খান

বলে দিনঃ অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়, যদিও অপবিত্রের প্রাচুর্য তোমাকে বিস্মিত করে। অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, আল্লাহকে ভয় কর - যাতে তোমরা মুক্তি পাও।

Arabic, with marks

قُل لَّا يَسْتَوِي الْخَبِيثُ وَالطَّيِّبُ وَلَوْ أَعْجَبَكَ كَثْرَةُ الْخَبِيثِ ۚ فَاتَّقُوا اللَّهَ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

Word by word

قُل لَّا يَسْتَوِى ٱلْخَبِيثُ وَٱلطَّيِّبُ وَلَوْ أَعْجَبَكَ كَثْرَةُ ٱلْخَبِيثِ فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ يَٰٓأُو۟لِى ٱلْأَلْبَٰبِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তাদের বলো: মন্দ আর ভালো এক নয়, যদিও মন্দের আধিক্য তোমাকে তাজ্জব করে। অতএব, আল্লাহকে ভয় করো হে বুঝ বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা, অবশ্যি তোমরা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিণগন, এমন কথাবার্তা জিজ্ঞেস করো না, যা তোমাদের কাছে পরিব্যক্ত হলে তোমাদের খারাপ লাগবে। যদি কোরআন অবতরণকালে তোমরা এসব বিষয় জিজ্ঞেস কর, তবে তা তোমাদের জন্যে প্রকাশ করা হবে। অতীত বিষয় ক্ষমা করেছেন ক্ষমাশীল, সহনশীল।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِن تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَسْـَٔلُوا۟ عَنْ أَشْيَآءَ إِن تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِن تَسْـَٔلُوا۟ عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ ٱلْقُرْءَانُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا ٱللَّهُ عَنْهَا وَٱللَّهُ غَفُورٌ ح

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা এমন সব বিষয়ে প্রশ্ন করোনা, যেগুলো তোমাদের কাছে প্রকাশ হলে সেগুলো তোমাদের কষ্ট দেবে। কুরআন নাযিল হবার সময়কালেই যদি তোমরা ঐসব প্রশ্ন করো, তবে সেগুলো তোমাদের কাছে প্রকাশ করে দেয়া হবে। সেগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন। আর তো পরম ক্ষমাশীল পরম সহনশীল।

মুহিউদ্দীন খান

এরূপ কথা বার্তা তোমাদের পুর্বে এক সম্প্রদায় জিজ্ঞেস করেছিল। এর পর তারা এসব বিষয়ে অবিশ্বাসী হয়ে গেল।

Arabic, with marks

قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ

Word by word

قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِّن قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا۟ بِهَا كَٰفِرِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের আগে একটি কওম সেগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল, পরে তারা হয়ে যায় সেগুলো অস্বীকারকারী।

মুহিউদ্দীন খান

‘বহিরা’ ‘সায়েবা’ ওসীলা’ এবং ‘হামী’ কে শরীয়তসিদ্ধ করেননি। কিন্তু যারা , তারা আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে। তাদের অধিকাংশেরই বিবেক বুদ্ধি নেই।

Arabic, with marks

مَا جَعَلَ اللَّهُ مِن بَحِيرَةٍ وَلَا سَائِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ ۙ وَلَٰكِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يَفْتَرُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ ۖ وَأَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ

Word by word

مَا جَعَلَ ٱللَّهُ مِنۢ بَحِيرَةٍ وَلَا سَآئِبَةٍ وَلَا وَصِيلَةٍ وَلَا حَامٍ وَلَٰكِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يَفْتَرُونَ عَلَى ٱللَّهِ ٱلْكَذِبَ وَأَكْثَرُهُمْ لَا يَعْقِلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

বাহিরা, সায়িবা, অসিলা এবং হাম আল্লাহর নির্ধারিত নয়। তবে যারা কুফুরি করে তারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে। তাদের অধিকাংশই বে - আক্কেল।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান এবং রসূলের দিকে এস, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ - দাদাকে পেয়েছি। যদি তাদের বাপ দাদারা কোন জ্ঞান না রাখে এবং হেদায়েত প্রাপ্ত না হয় তবুও কি তারা তাই করবে?

Arabic, with marks

وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا إِلَىٰ مَا أَنزَلَ اللَّهُ وَإِلَى الرَّسُولِ قَالُوا حَسْبُنَا مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا ۚ أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ شَيْئًا وَلَا يَهْتَدُونَ

Word by word

وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ تَعَالَوْا۟ إِلَىٰ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ وَإِلَى ٱلرَّسُولِ قَالُوا۟ حَسْبُنَا مَا وَجَدْنَا عَلَيْهِ ءَابَآءَنَآ أَوَلَوْ كَانَ ءَابَآؤُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ شَيْـًٔا وَلَا يَهْتَدُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হয়: ‘এসো আল্লাহর নাযিল করা কিতাবের দিকে এবং রসূলের দিকে (ফায়সালা গ্রহণ করার জন্যে)’, তখন তারা বলে: ‘আমরা আমাদের বাপ - দাদাদের যেসব নিয়ম - আচারের উপর পেয়েছি সেগুলোই আমাদের জন্যে যথেষ্ট।’ তাদের বাপ - দাদারা যদিও কিছুই জানতোনা এবং হিদায়াত প্রাপ্তও ছিলনা, তারপরও কি তারা তাদেরই অনুসরণ করবে?

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের চিন্তা কর। তোমরা যখন সৎপথে রয়েছ, তখন কেউ পথভ্রান্ত হলে তাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নাই। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে বলে দেবেন, যা কিছু তোমরা করতে।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا عَلَيْكُمْ أَنفُسَكُمْ ۖ لَا يَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا اهْتَدَيْتُمْ ۚ إِلَى اللَّهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ عَلَيْكُمْ أَنفُسَكُمْ لَا يَضُرُّكُم مَّن ضَلَّ إِذَا ٱهْتَدَيْتُمْ إِلَى ٱللَّهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا فَيُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের দায় দায়িত্ব তোমাদেরই উপর। যারা বিপথগামী হয়েছে তারা তোমাদের কোনোই ক্ষতি করতে পারবেনা যদি তোমরা হিদায়াতের (সঠিক পথের) উপর অটল থাকো। আল্লাহর কাছে তোমাদের সবারই ফিরে আসতে হবে। তারপর তিনি তোমাদের সংবাদ দেবেন তোমাদের আমল সম্পর্কে।

মুহিউদ্দীন খান

হে, মুমিনগণ, তোমাদের মধ্যে যখন কারও মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন ওছিয়ত করার সময় তোমাদের মধ্য থেকে ধর্মপরায়ন দুজনকে সাক্ষী রেখো। তোমরা সফরে থাকলে এবং সে অবস্থায় তোমাদের মৃত্যু উপস্থিত হলে তোমরা তোমাদের ছাড়াও দু ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখো। যদি তোমাদের সন্দেহ হয়, তবে উভয়কে নামাযের পর থাকতে বলবে। অতঃপর উভয়েই আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, আমরা এ কসমের বিনিময়ে কোন উপকার গ্রহণ করতে চাই না, যদিও কোন আত্নীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য আমরা গোপন করব না। এমতাবস্থায় কঠোর গোনাহগার হব।

Arabic, with marks

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا شَهَادَةُ بَيْنِكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ حِينَ الْوَصِيَّةِ اثْنَانِ ذَوَا عَدْلٍ مِّنكُمْ أَوْ آخَرَانِ مِنْ غَيْرِكُمْ إِنْ أَنتُمْ ضَرَبْتُمْ فِي الْأَرْضِ فَأَصَابَتْكُم مُّصِيبَةُ الْمَوْتِ ۚ تَحْبِسُونَهُمَا مِن بَعْدِ الصَّلَاةِ فَيُقْسِمَانِ بِاللَّهِ إِنِ ارْتَبْتُمْ لَا نَشْتَرِي بِهِ ثَمَنًا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَىٰ ۙ وَلَا نَكْتُمُ شَهَادَةَ اللَّهِ إِنَّا إِذًا لَّمِنَ الْآثِمِينَ

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ شَهَٰدَةُ بَيْنِكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ ٱلْمَوْتُ حِينَ ٱلْوَصِيَّةِ ٱثْنَانِ ذَوَا عَدْلٍ مِّنكُمْ أَوْ ءَاخَرَانِ مِنْ غَيْرِكُمْ إِنْ أَنتُمْ ضَرَبْتُمْ فِى ٱلْأَرْضِ

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমাদের কারো যখন মউতের সময় হাজির হয়, তখন অসিয়ত করার সময় দুইজন সুবিচারক লোককে সাক্ষী রাখবে। আর তোমরা যদি সফরে থাকা অবস্থায় মউতের মসিবতে পড়ো, তাহলে অন্য লোকদের মধ্য থেকে দুইজন সাক্ষী রাখো। তোমাদের সন্দেহ হলে সালাতের পর তাদেরকে অপেক্ষমান রাখবে, তারপর তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে: ‘আমরা এর বিনিময়ে কোনো মূল্য গ্রহণ করবোনা যদি সে নিকটাত্মীয়ও হয় এবং আল্লাহর সাক্ষ্য গোপন রাখবোনা, রাখলে অবশ্যি আমরা পাপীদের মধ্যে গণ্য হবো।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যদি যায় যে, উভয় ওসি কোন গোনাহে জড়িত রয়েছে, তবে যাদের বিরুদ্ধে গোনাহ হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে মৃতু ব্যক্তির নিকটতম দু’ব্যক্তি তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে। অতঃপর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য এবং আমরা সীমা অতিক্রম করিনি। এমতাবস্থায় আমরা অবশ্যই অত্যাচারী হব।

Arabic, with marks

فَإِنْ عُثِرَ عَلَىٰ أَنَّهُمَا اسْتَحَقَّا إِثْمًا فَآخَرَانِ يَقُومَانِ مَقَامَهُمَا مِنَ الَّذِينَ اسْتَحَقَّ عَلَيْهِمُ الْأَوْلَيَانِ فَيُقْسِمَانِ بِاللَّهِ لَشَهَادَتُنَا أَحَقُّ مِن شَهَادَتِهِمَا وَمَا اعْتَدَيْنَا إِنَّا إِذًا لَّمِنَ الظَّالِمِينَ

Word by word

فَإِنْ عُثِرَ عَلَىٰٓ أَنَّهُمَا ٱسْتَحَقَّآ إِثْمًا فَـَٔاخَرَانِ يَقُومَانِ مَقَامَهُمَا مِنَ ٱلَّذِينَ ٱسْتَحَقَّ عَلَيْهِمُ ٱلْأَوْلَيَٰنِ فَيُقْسِمَانِ بِٱللَّهِ لَشَهَٰدَتُنَآ أَحَقُّ مِن شَهَٰدَتِهِمَا وَمَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা দুজন অপরাধে লিপ্ত হয়েছে বলে যদি প্রকাশ পায়, তবে যাদের স্বার্থহানি ঘটে তাদের মধ্য থেকে নিকটতম দু’জন ওদের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং তারা আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে: ‘আমাদের সাক্ষ্য অবশ্যি তাদের দু’জনের সাক্ষ্য থেকে অধিকতর হক এবং আমরা সীমালংঘন করিনি। সীমালংঘন করলে অবশ্যি আমরা যালিম বলে গণ্য হবো।’

মুহিউদ্দীন খান

এটি এ বিষয়ের নিকটতম উপায় যে, তারা ঘটনাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করবে অথবা আশঙ্কা করবে যে, তাদের কাছ থেকে কসম নেয়ার পর আবার কসম চাওয়া হবে। আল্লাহকে ভয় কর এবং শুন, দুরাচারীদেরকে পথ - প্রদর্শন করবেন না।

Arabic, with marks

ذَٰلِكَ أَدْنَىٰ أَن يَأْتُوا بِالشَّهَادَةِ عَلَىٰ وَجْهِهَا أَوْ يَخَافُوا أَن تُرَدَّ أَيْمَانٌ بَعْدَ أَيْمَانِهِمْ ۗ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاسْمَعُوا ۗ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْفَاسِقِينَ

Word by word

ذَٰلِكَ أَدْنَىٰٓ أَن يَأْتُوا۟ بِٱلشَّهَٰدَةِ عَلَىٰ وَجْهِهَآ أَوْ يَخَافُوٓا۟ أَن تُرَدَّ أَيْمَٰنٌۢ بَعْدَ أَيْمَٰنِهِمْ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَٱسْمَعُوا۟ وَٱللَّهُ لَا يَهْدِى ٱلْقَوْمَ ٱلْفَٰسِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

এ পদ্ধতিতেই সঠিক সাক্ষ্যদানের, অথবা শপথের পর তোমাদেরকে পুনরায় শপথ করানো হবে - এ ভয় থেকে বাঁচার অধিকতর সম্ভাবনা রয়েছে। আল্লাহকে ভয় করো এবং (আল্লাহর বাণী) শুনো। ফাসিকদের সঠিক পথে পরিচালিত করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন সব পয়গম্বরকে একত্রিত করবেন, অতঃপর বলবেন তোমরা কি উত্তর পেয়েছিলে? তাঁরা বলবেনঃ আমরা অবগত নই, আপনিই বিষয়ে মহাজ্ঞানী।

Arabic, with marks

۞ يَوْمَ يَجْمَعُ اللَّهُ الرُّسُلَ فَيَقُولُ مَاذَا أُجِبْتُمْ ۖ قَالُوا لَا عِلْمَ لَنَا ۖ إِنَّكَ أَنتَ عَلَّامُ الْغُيُوبِ

Word by word

يَوْمَ يَجْمَعُ ٱللَّهُ ٱلرُّسُلَ فَيَقُولُ مَاذَآ أُجِبْتُمْ قَالُوا۟ لَا عِلْمَ لَنَآ إِنَّكَ أَنتَ عَلَّٰمُ ٱلْغُيُوبِ

আবদুস শহীদ নাসিম

মনে রেখো, যেদিন সব রসূলকে একত্র করবেন এবং তাদের জিজ্ঞেস করবেন: ‘(তোমরা আমার বাণী ও বিধান পৌঁছানোর পর) কী জবাব পেয়েছিলে?’ তারা বলবে: ‘এ বিষয়ে আমাদের কোনো এলেম নেই। সমস্ত - এর ব্যাপারে কেবল তুমিই মহাজ্ঞানী।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন বলবেনঃ হে ঈসা ইবনে মরিয়ম, তোমার প্রতি ও তোমার মাতার প্রতি আমার অনুগ্রহ স্মরণ কর, যখন আমি তোমাকে পবিত্র আত্মার দ্বারা সাহায্য করেছি। তুমি মানুষের সাথে কথা বলতে কোলে থাকতেও এবং পরিণত বয়সেও এবং যখন আমি তোমাকে গ্রন্থ, প্রগাঢ় জ্ঞান, তওরাত ও ইঞ্জিল শিক্ষা দিয়েছি এবং যখন তুমি কাদামাটি দিয়ে পাখীর প্রতিকৃতির মত প্রতিকৃতি নির্মাণ করতে আমার আদেশে, অতঃপর তুমি তাতে ফুঁ দিতে; ফলে তা আমার আদেশে পাখী হয়ে যেত এবং তুমি আমার আদেশে জন্মান্ধ ও কুষ্টরোগীকে নিরাময় করে দিতে এবং যখন আমি বনী - ইসরাঈলকে তোমা থেকে নিবৃত্ত রেখেছিলাম, যখন তুমি তাদের কাছে প্রমাণাদি নিয়ে এসেছিলে, অতঃপর তাদের মধ্যে যারা ছিল, তারা বললঃ এটা প্রকাশ্য জাদু ছাড়া কিছুই নয়।

Arabic, with marks

إِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ اذْكُرْ نِعْمَتِي عَلَيْكَ وَعَلَىٰ وَالِدَتِكَ إِذْ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ الْقُدُسِ تُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلًا ۖ وَإِذْ عَلَّمْتُكَ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَالتَّوْرَاةَ وَالْإِنجِيلَ ۖ وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ بِإِذْنِي فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِي ۖ وَتُبْرِئُ الْأَكْمَهَ وَالْأَبْرَصَ بِإِذْنِي ۖ وَإِذْ تُخْرِجُ الْمَوْتَىٰ بِإِذْنِي ۖ وَإِذْ كَفَفْتُ بَنِي إِسْرَائِيلَ عَنكَ إِذْ جِئْتَهُم بِالْبَيِّنَاتِ فَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ

Word by word

إِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ٱذْكُرْ نِعْمَتِى عَلَيْكَ وَعَلَىٰ وَٰلِدَتِكَ إِذْ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ ٱلْقُدُسِ تُكَلِّمُ ٱلنَّاسَ فِى ٱلْمَهْدِ وَكَهْلًا وَإِذْ عَلَّمْتُكَ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْ

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, যখন বলবেন: হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তোমার প্রতি এবং তোমার মায়ের প্রতি আমার নিয়ামতের কথা মনে করো: যখন আমি তোমাকে সহযোগিতা করেছিলাম রুহুল কুদুসকে (জিবরিলকে) দিয়ে, দোলনায় থাকা অবস্থায় এবং পরিণত বয়েসে তুমি কথা বলেছো, এবং আমি তোমাকে শিক্ষা দিয়েছিলাম আল কিতাব, আল হিক্মাহ্, তাওরাত ও ইনজিল। তুমি আমার অনুমতিক্রমে কাদামাটি দিয়ে পাখির মতো আকৃতি তৈরি করতে এবং তাতে ফুঁ দিতে আর সাথে সাথে তা পাখি হয়ে যেতো। আমার অনুমতিক্রমে তুমি কুষ্ঠরোগী ও জন্মান্ধকে নিরাময় করতে, আর আমার অনুমতিক্রমে তুমি মৃতকে জীবিত করতে। আরো স্মরণ করো, আমিই তো বনি ইসরাঈলকে তোমার থেকে নিবৃত্ত রেখেছিলাম যখন তুমি তাদের কাছে স্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে এসেছিলে, তখন তাদের মধ্যে যারা কুফুরিতে লিপ্ত ছিলো তারা বলেছিল: ‘এ তো এক স্পষ্ট ম্যাজিক।’

মুহিউদ্দীন খান

আর যখন আমি হাওয়ারীদের মনে জাগ্রত করলাম যে, আমার প্রতি এবং আমার রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, তখন তারা বলতে লাগল, আমরা বিশ্বাস স্থাপন করলাম এবং আপনি সাক্ষী থাকুন যে, আমরা অনুগত্যশীল।

Arabic, with marks

وَإِذْ أَوْحَيْتُ إِلَى الْحَوَارِيِّينَ أَنْ آمِنُوا بِي وَبِرَسُولِي قَالُوا آمَنَّا وَاشْهَدْ بِأَنَّنَا مُسْلِمُونَ

Word by word

وَإِذْ أَوْحَيْتُ إِلَى ٱلْحَوَارِيِّۦنَ أَنْ ءَامِنُوا۟ بِى وَبِرَسُولِى قَالُوٓا۟ ءَامَنَّا وَٱشْهَدْ بِأَنَّنَا مُسْلِمُونَ

আবদুস শহীদ নাসিম

আরো স্মরণ করো, যখন আমি হাওয়ারীদের অহি (আদেশ) করেছিলাম: ‘তোমরা আমার প্রতি এবং আমার রসূলের প্রতি ঈমান আনো,’ তখন তারা বলেছিল: ‘আমরা ঈমান আনলাম এবং তুমি সাক্ষী থাকো আমরা মুসলিম (অনুগত, আত্মসমর্পিত)।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন হাওয়ারীরা বললঃ হে মরিয়ম তনয় ঈসা, আপনার পালনকর্তা কি এরূপ করতে পারেন যে, আমাদের জন্যে আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করে দেবেন? তিনি বললেনঃ যদি তোমরা হও, তবে আল্লাহকে ভয় কর।

Arabic, with marks

إِذْ قَالَ الْحَوَارِيُّونَ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ هَلْ يَسْتَطِيعُ رَبُّكَ أَن يُنَزِّلَ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ ۖ قَالَ اتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

Word by word

إِذْ قَالَ ٱلْحَوَارِيُّونَ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ هَلْ يَسْتَطِيعُ رَبُّكَ أَن يُنَزِّلَ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ ٱلسَّمَآءِ قَالَ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো যখন হাওয়ারীরা বলেছিল: ‘হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তোমার প্রভু কি আমাদের জন্যে আসমান থেকে খাবারে পূর্ণ একটি মায়েদা (খাঞ্চা) পাঠাতে পারবেন’? তখন সে বলেছিল: ‘তোমরা হয়ে থাকলে আল্লাহকে ভয় করো।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ আমরা তা থেকে খেতে চাই; আমাদের অন্তর পরিতৃপ্ত হবে; আমরা জেনে নেব যে, আপনি সত্য বলেছেন এবং আমরা সাক্ষ্যদাতা হয়ে যাব।

Arabic, with marks

قَالُوا نُرِيدُ أَن نَّأْكُلَ مِنْهَا وَتَطْمَئِنَّ قُلُوبُنَا وَنَعْلَمَ أَن قَدْ صَدَقْتَنَا وَنَكُونَ عَلَيْهَا مِنَ الشَّاهِدِينَ

Word by word

قَالُوا۟ نُرِيدُ أَن نَّأْكُلَ مِنْهَا وَتَطْمَئِنَّ قُلُوبُنَا وَنَعْلَمَ أَن قَدْ صَدَقْتَنَا وَنَكُونَ عَلَيْهَا مِنَ ٱلشَّٰهِدِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বললো: ‘আমাদের বাসনা, আমরা সেই মায়েদা (খাঞ্চা) থেকে খাবো এবং তাতে আমাদের হৃদয় প্রশান্তি লাভ করবে আর আমরা জানতে পারবো, আপনি আমাদের সত্য বলেছেন এবং আমরা এর সাক্ষী হয়ে থাকবো।’

মুহিউদ্দীন খান

ঈসা ইবনে মরিয়ম বললেনঃ হে আমাদের পালনকর্তা আমাদের প্রতি আকাশ থেকে খাদ্যভর্তি খাঞ্চা অবতরণ করুন। তা আমাদের জন্যে অর্থাৎ, আমাদের প্রথম ও পরবর্তী সবার জন্যে আনন্দোৎসব হবে এবং আপনার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হবে। আপনি আমাদের রুযী দিন। আপনিই শ্রেষ্ট রুযীদাতা।

Arabic, with marks

قَالَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَائِدَةً مِّنَ السَّمَاءِ تَكُونُ لَنَا عِيدًا لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ ۖ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ

Word by word

قَالَ عِيسَى ٱبْنُ مَرْيَمَ ٱللَّهُمَّ رَبَّنَآ أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ ٱلسَّمَآءِ تَكُونُ لَنَا عِيدًا لِّأَوَّلِنَا وَءَاخِرِنَا وَءَايَةً مِّنكَ وَٱرْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন ঈসা ইবনে মরিয়ম বললো: ‘হে আমাদের প্রভু! তুমি আসমান থেকে আমাদের জন্যে একটি খাবারে পূর্ণ মায়েদা (খাঞ্চা) নাযিল করো। এটা আমাদের জন্যে এবং আমাদের পূর্ব ও পরবর্তী লোকদের জন্যে হবে আনন্দের কারণ এবং তোমার পক্ষ থেকে হবে একটি নিদর্শন। আর আমাদের রিযিক দান করো, কারণ তুমিই তো সর্বোত্তম রিযিক দাতা।’

মুহিউদ্দীন খান

বললেনঃ নিশ্চয় আমি সে খাঞ্চা তোমাদের প্রতি অবতরণ করব। অতঃপর যে ব্যাক্তি এর পরেও অকৃতজ্ঞ হবে, আমি তাকে এমন শাস্তি দেব, যে শাস্তি বিশ্বজগতের অপর কাউকে দেব না।

Arabic, with marks

قَالَ اللَّهُ إِنِّي مُنَزِّلُهَا عَلَيْكُمْ ۖ فَمَن يَكْفُرْ بَعْدُ مِنكُمْ فَإِنِّي أُعَذِّبُهُ عَذَابًا لَّا أُعَذِّبُهُ أَحَدًا مِّنَ الْعَالَمِينَ

Word by word

قَالَ ٱللَّهُ إِنِّى مُنَزِّلُهَا عَلَيْكُمْ فَمَن يَكْفُرْ بَعْدُ مِنكُمْ فَإِنِّىٓ أُعَذِّبُهُۥ عَذَابًا لَّآ أُعَذِّبُهُۥٓ أَحَدًا مِّنَ ٱلْعَٰلَمِينَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন বললেন: ‘আমি অবশ্যি তোমাদের জন্যে তা নাযিল করবো বটে, কিন্তু এরপর যদি তোমাদের কেউ কুফুরিতে নিমজ্জিত হয়, আমি তাকে আযাব দেবো এমন আযাব যা জগদ্বাসীর আর কাউকেও দিইনি।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন বললেনঃ হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তুমি কি লোকদেরকে বলে দিয়েছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার মাতাকে উপাস্য সাব্যস্ত কর? ঈসা বলবেন; আপনি পবিত্র! আমার জন্যে শোভা পায় না যে, আমি এমন কথা বলি, যা বলার কোন অধিকার আমার নেই। যদি আমি বলে থাকি, তবে আপনি অবশ্যই পরিজ্ঞাত; আপনি তো আমার মনের কথা ও জানেন এবং আমি জানি না যা আপনার মনে আছে। নিশ্চয় আপনিই বিষয়ে জ্ঞাত।

Arabic, with marks

وَإِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ أَأَنتَ قُلْتَ لِلنَّاسِ اتَّخِذُونِي وَأُمِّيَ إِلَٰهَيْنِ مِن دُونِ اللَّهِ ۖ قَالَ سُبْحَانَكَ مَا يَكُونُ لِي أَنْ أَقُولَ مَا لَيْسَ لِي بِحَقٍّ ۚ إِن كُنتُ قُلْتُهُ فَقَدْ عَلِمْتَهُ ۚ تَعْلَمُ مَا فِي نَفْسِي وَلَا أَعْلَمُ مَا فِي نَفْسِكَ ۚ إِنَّكَ أَنتَ عَلَّامُ الْغُيُوبِ

Word by word

وَإِذْ قَالَ ٱللَّهُ يَٰعِيسَى ٱبْنَ مَرْيَمَ ءَأَنتَ قُلْتَ لِلنَّاسِ ٱتَّخِذُونِى وَأُمِّىَ إِلَٰهَيْنِ مِن دُونِ ٱللَّهِ قَالَ سُبْحَٰنَكَ مَا يَكُونُ لِىٓ أَنْ أَقُولَ مَا لَيْسَ لِى بِحَقٍّ إِن كُ

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বলবেন: ‘হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তুমি কি মানুষকে বলেছিলে: তোমরা ছাড়াও আমাকে এবং আমার মাকে দু’জন ইলাহ্ (উপাস্য) হিসেবে গ্রহণ করো?’ সে বলবে: ‘‘তুমি মহামহিম, যা বলার অধিকার আমার নেই আমি তা বলতে পারিনা। আমি যদি তা বলতাম তবে অবশ্যি তুমি তা জানতে। আমার অন্তরে যা আছে তুমি তা জানো, কিন্তু তোমার অন্তরে যা আছে তা আমি জানিনা। নিশ্চয়ই তুমি সম্পর্কে মহাজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তো তাদেরকে কিছুই বলিনি, শুধু সে কথাই বলেছি যা আপনি বলতে আদেশ করেছিলেন যে, তোমরা আল্লাহর দাসত্ব অবলম্বন কর যিনি আমার ও তোমাদের পালনকর্তা আমি তাদের সম্পর্কে অবগত ছিলাম যতদিন তাদের মধ্যে ছিলাম। অতঃপর যখন আপনি আমাকে লোকান্তরিত করলেন, তখন থেকে আপনিই তাদের সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। আপনি সর্ববিষয়ে পূর্ণ পরিজ্ঞাত।

Arabic, with marks

مَا قُلْتُ لَهُمْ إِلَّا مَا أَمَرْتَنِي بِهِ أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ رَبِّي وَرَبَّكُمْ ۚ وَكُنتُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا مَّا دُمْتُ فِيهِمْ ۖ فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِي كُنتَ أَنتَ الرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ ۚ وَأَنتَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ شَهِيدٌ

Word by word

مَا قُلْتُ لَهُمْ إِلَّا مَآ أَمَرْتَنِى بِهِۦٓ أَنِ ٱعْبُدُوا۟ ٱللَّهَ رَبِّى وَرَبَّكُمْ وَكُنتُ عَلَيْهِمْ شَهِيدًا مَّا دُمْتُ فِيهِمْ فَلَمَّا تَوَفَّيْتَنِى كُنتَ أَنتَ ٱلرَّقِيبَ عَلَيْهِمْ وَأَنتَ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি আমাকে যা আদেশ করেছো তা ছাড়া আমি তাদের আর কিছুই বলিনি এবং তাহলো: তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত (আনুগত্য দাসত্ব ও উপাসনা) করো যিনি আমার প্রভু এবং তোমাদেরও প্রভু। যতোদিন আমি তাদের মাঝে ছিলাম ততোদিন আমি তাদের কার্যকলাপের সাক্ষী ছিলাম। আর যখন তুমি আমাকে উঠিয়ে নিয়েছো তখন তো তুমিই ছিলে তাদের কার্যকলাপের তত্ত্বাবধায়ক আর তুমিই সব বিষয়ের সাক্ষী।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি তাদেরকে শাস্তি দেন, তবে তারা আপনার দাস এবং যদি আপনি তাদেরকে ক্ষমা করেন, তবে আপনিই পরাক্রান্ত, মহাবিজ্ঞ।

Arabic, with marks

إِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ ۖ وَإِن تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنتَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

Word by word

إِن تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِن تَغْفِرْ لَهُمْ فَإِنَّكَ أَنتَ ٱلْعَزِيزُ ٱلْحَكِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি তাদের শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই দাস, আর তুমি যদি তাদের ক্ষমা করে দাও, তবে নিশ্চয়ই তুমি মহাশক্তিমান প্রজ্ঞাবান।’’

মুহিউদ্দীন খান

বললেনঃ আজকের দিনে সত্যবাদীদের সত্যবাদিতা তাদের উপকারে আসবে। তাদের জন্যে উদ্যান রয়েছে, যার তলদেশে নির্ঝরিনী প্রবাহিত হবে; তারা তাতেই চিরকাল থাকবে। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট। এটিই মহান সফলতা।

Arabic, with marks

قَالَ اللَّهُ هَٰذَا يَوْمُ يَنفَعُ الصَّادِقِينَ صِدْقُهُمْ ۚ لَهُمْ جَنَّاتٌ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ۚ رَّضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ ۚ ذَٰلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ

Word by word

قَالَ ٱللَّهُ هَٰذَا يَوْمُ يَنفَعُ ٱلصَّٰدِقِينَ صِدْقُهُمْ لَهُمْ جَنَّٰتٌ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًا رَّضِىَ ٱللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا۟ عَنْهُ ذَٰلِكَ ٱلْفَوْزُ ٱلْعَظِيمُ

আবদুস শহীদ নাসিম

বলবেন: আজ হলো সেইদিন যেদিন কেবল সত্যপন্থীরাই তাদের সত্যপন্থার জন্যে উপকৃত হবে। তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাতসমূহ, যেগুলোর নিচে দিয়ে জারি থাকবে নদ - নদী - নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল চিরদিন। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট আর তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট, আর এটাই মহাসাফল্য।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল, ভূমন্ডল এবং এতদুভয়ে অবস্থিত সবকিছুর আধিপত্য আল্লাহরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

Arabic, with marks

لِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا فِيهِنَّ ۚ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

Word by word

لِلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا فِيهِنَّ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌۢ

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ, পৃথিবী এবং এগুলোতে যা কিছু আছে সব কিছুর কর্তৃত্ব আল্লাহর এবং তিনি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme