You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল মুনাফিকুন
Chapter 63, 11 verses
মুহিউদ্দীন খান
Arabic, with marks
আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Word by word
মুহিউদ্দীন খান
মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলেঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি নিশ্চয়ই আল্লাহর রসূল। জানেন যে, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রসূল এবং সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।
মুনাফিকরা যখন তোমার কাছে আসে, তারা বলে: আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, ‘আপনি অবশ্যি আল্লাহর রসূল’। তুমি যে আল্লাহর রসূল তা জানেন। তবে সাক্ষ্য দিচ্ছেন, মুনাফিকরা অবশ্যি মিথ্যাবাদী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন মুনাফিকরা তোমার নিকট আসে তাহারা বলে, ‘আমরা সাক্ষ্য দিতেছি যে, আপনি নিশ্চয়ই র রাসূল।’ জানেন যে, তুমি নিশ্চয়ই তাঁহার রাসূল এবং সাক্ষ্য দিতেছেন যে, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।
আপনি যখন তাদেরকে দেখেন, তখন তাদের দেহাবয়ব আপনার কাছে প্রীতিকর মনে হয়। আর যদি তারা কথা বলে, তবে আপনি তাদের কথা শুনেন। তারা প্রাচীরে ঠেকানো কাঠসদৃশ্য। প্রত্যেক শোরগোলকে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। তারাই শত্রু, অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক হোন। ধ্বংস করুন তাদেরকে। তারা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছে ?
তুমি যখন তাদের দেখো, তাদের দেহ - আকৃতি তোমাকে মুগ্ধ করে, আর তারা কথা বললে তুমি সাগ্রহে তাদের কথা শুনো, যদিও তারা মূলত দেয়ালে ঠেকানো (শুকনো) কাঠের কুঁদার মতো। তারা প্রতিটি শব্দ তাদের বিরুদ্ধে মনে করে। এরা তোমাদের শত্রু। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকো। তাদের ধ্বংস করুন। বিভ্রান্ত হয়ে তারা কোথায় যাচ্ছে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি যখন উহাদের দিকে তাকাও উহাদের দেহাকৃতি তোমার নিকট প্রীতিকর মনে হয় এবং উহারা যখন কথা বলে, তুমি সাগ্রহে উহাদের কথা শ্রবণ কর, যদিও উহারা দেওয়ালে ঠেকান কাঠের স্তম্ভসদৃশ ; উহারা যে কোন শোরগোলকে মনে করে উহাদেরই বিরুদ্ধে। উহারাই শত্রু, অতএব উহাদের সম্পর্কে সতর্ক হও ; উহাদেরকে ধ্বংস করুন ! বিভ্রান্ত হইয়া উহারা কোথায় চলিয়াছে!
যখন তাদেরকে বলা হয়ঃ তোমরা এস, আল্লাহর রসূল তোমাদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করবেন, তখন তারা মাথা ঘুরিয়ে নেয় এবং আপনি তাদেরকে দেখেন যে, তারা অহংকার করে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
তারাই বলেঃ আল্লাহর রাসূলের সাহচর্যে যারা আছে তাদের জন্যে ব্যয় করো না। পরিণামে তারা আপনা - আপনি সরে যাবে। ভূ ও নভোমন্ডলের ধন - ভান্ডার আল্লাহরই কিন্তু মুনাফিকরা তা বোঝে না।
তারা বলে: ‘আল্লাহর রসূলের কাছে যারা আছে তোমরা তাদের জন্যে ব্যয় করোনা, যাতে করে তারা তার কাছ থেকে সরে পড়ে।’ অথচ মহাকাশ এবং পৃথিবীর ভান্ডারের মালিক তো । তবে, মুনাফিকরা বুঝেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারাই বলে, ‘তোমরা র রাসূলের সহচরদের জন্য ব্যয় করিও না, যাহাতে উহারা সরিয়া পড়ে।’ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর ধনভাণ্ডার তো রই ; কিন্তু মুনাফিকরা তাহা বুঝে না।
তারাই বলেঃ আমরা যদি মদীনায় প্রত্যাবর্তন করি তবে সেখান থেকে সবল অবশ্যই দুর্বলকে বহিস্কৃত করবে। শক্তি তো তাঁর রসূল ও মুমিনদেরই কিন্তু মুনাফিকরা তা জানে না।
তারা বলে: ‘এবার আমরা মদিনায় ফিরে গেলে সেখান থেকে ইযযতওয়ালারা (সম্মানিতরা) নিচুদের বের করে দেবে।’ অথচ সমস্ত ইযযত তো আল্লাহর, তাঁর রসূলের এবং মুমিনদের, কিন্তু মুনাফিকরা জানেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা বলে, ‘আমরা মদীনায় প্রত্যাবর্তন করিলে সেখান হইতে অবশ্যই প্রবল দুর্বলকে বহিষ্কার করিবে।’ কিন্তু শক্তি তো রই, আর তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদের। তবে মুনাফিকরা ইহা জানে না।
আমি তোমাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে মৃত্যু আসার আগেই ব্যয় কর। অন্যথায় সে বলবেঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে আরও কিছুকাল অবকাশ দিলে না কেন? তাহলে আমি সদকা করতাম এবং সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।
তোমাদের কারো মৃত্যু আসার আগেই তোমাদেরকে আমরা যে রিযিক দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করো (আল্লাহর পথে)। তা না হলে মৃত্যু এলে বলবে: ‘আমার প্রভু! আমাকে আরো কিছুকাল অবকাশ দাও, যাতে আমি দান করতে পারি এবং পুণ্যবান লোকদের অন্তরভুক্ত হতে পারি।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি তোমাদেরকে যে রিযিক দিয়াছি তোমরা তাহা হইতে ব্যয় করিবে তোমাদের কাহারও মৃত্যু আসিবার পূর্বে। অন্যথায় মৃত্যু আসিলে সে বলিবে, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে আরও কিছুকালের জন্য অবকাশ দিলে আমি সাদাকা দিতাম এবং সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত হইতাম!’