আল আন্বিয়াহ্ , choose another chapter
আল আন্বিয়াহ্
Chapter 21, 112 verses
মুহিউদ্দীন খান
বয়ান ফাউন্ডেশন
Arabic, with marks
আবদুস শহীদ নাসিম
Word by word
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ মানুষের হিসাব - কিতাবের সময় নিকটবর্তী; অথচ তারা বেখবর হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ মানুষের হিসাব-নিকাশের সময় আসন্ন, অথচ তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে রয়েছে।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اقْتَرَبَ لِلنَّاسِ حِسَابُهُمْ وَهُمْ فِي غَفْلَةٍ مُّعْرِضُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১ মানুষের হিসাব দেয়ার সময় তাদের নিকটেই চলে এসেছে, অথচ তারা গাফলতিতে তা উপেক্ষা করে চলেছে।
Word by word
١ ٱقْتَرَبَ لِلنَّاسِ حِسَابُهُمْ وَهُمْ فِى غَفْلَةٍ مُّعْرِضُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২ তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে যখনই কোন নতুন উপদেশ আসে, তারা তা খেলার ছলে শ্রবণ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ যখনই তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদের নিকট কোন নতুন উপদেশ আসে তখন তারা তা কৌতুকভরে শ্রবণ করে।
Arabic, with marks
٢ مَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّن رَّبِّهِم مُّحْدَثٍ إِلَّا اسْتَمَعُوهُ وَهُمْ يَلْعَبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তাদের কাছে যখনই তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নতুন যিকির (কিতাব) আসে, তারা তা শুনে খেলাচ্ছলে।
Word by word
٢ مَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّن رَّبِّهِم مُّحْدَثٍ إِلَّا ٱسْتَمَعُوهُ وَهُمْ يَلْعَبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩ তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত। জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায় দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে কেন পড়?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ তাদের অন্তর থাকে অমনোযোগী এবং যালিমরা গোপনে পরামর্শ করে, ‘এ তো তোমাদের মতই একজন মানুষ। এরপরও কি তোমরা দেখে শুনে যাদুর কবলে পড়বে’?
Arabic, with marks
٣ لَاهِيَةً قُلُوبُهُمْ ۗ وَأَسَرُّوا النَّجْوَى الَّذِينَ ظَلَمُوا هَلْ هَٰذَا إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ ۖ أَفَتَأْتُونَ السِّحْرَ وَأَنتُمْ تُبْصِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তাদের কলব থাকে অমনোযোগী। যালিমরা গোপন শলাপরামর্শ করে বলে: ‘এতো তোমাদের মতোই একজন মানুষ ছাড়া আর কিছু নয়। তোমরা কি দেখে শুনে ম্যাজিকের পিছে ছুটবে।’
Word by word
٣ لَاهِيَةً قُلُوبُهُمْ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّجْوَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ هَلْ هَٰذَآ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ أَفَتَأْتُونَ ٱلسِّحْرَ وَأَنتُمْ تُبْصِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪ পয়গম্বর বললেনঃ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের কথাই আমার পালনকর্তা জানেন। তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু জানেন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ সে (রাসূল) বলল, ‘আমার রব আসমান ও যমীনের সমস্ত কথাই জানেন এবং তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ’।
Arabic, with marks
٤ قَالَ رَبِّي يَعْلَمُ الْقَوْلَ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ সে বললো: আমার প্রভু আসমান ও জমিনের সব কথাই জানেন। তিনি সব শুনেন, সব জানেন
Word by word
٤ قَالَ رَبِّى يَعْلَمُ ٱلْقَوْلَ فِى ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ
মুহিউদ্দীন খান
৫ এছাড়া তারা আরও বলেঃ অলীক স্বপ্ন; না সে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে, না সে একজন কবি। অতএব সে আমাদের কাছে কোন নিদর্শন আনয়ন করুক, যেমন নিদর্শন সহ আগমন করেছিলেন পূর্ববর্তীগন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ বরং তারা বলে, ‘এগুলো অলীক কল্পনা, হয় সে এটি মন থেকে বানিয়েছে নয়তো সে একজন কবি। অতএব সে আমাদের কাছে এমন নিদর্শন নিয়ে আসুক যেরূপ নিদর্শনসহ প্রেরিত হয়েছিল পূর্ববর্তীগণ’।
Arabic, with marks
٥ بَلْ قَالُوا أَضْغَاثُ أَحْلَامٍ بَلِ افْتَرَاهُ بَلْ هُوَ شَاعِرٌ فَلْيَأْتِنَا بِآيَةٍ كَمَا أُرْسِلَ الْأَوَّلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ বরং তারা বলে: এগুলো হলো অলীক কল্পনা। হয় সে এগুলো উদ্ভাবন করে নিয়েছে, নয়তো সে একজন কবি। সুতরাং সে আমাদের কাছে কোনো নিদর্শন নিয়ে আসুক, যেভাবে নিদর্শনসহ প্রেরিত হয়েছিল পূর্বের রসূলরা।
Word by word
٥ بَلْ قَالُوٓا۟ أَضْغَٰثُ أَحْلَٰمٍۭ بَلِ ٱفْتَرَىٰهُ بَلْ هُوَ شَاعِرٌ فَلْيَأْتِنَا بِـَٔايَةٍ كَمَآ أُرْسِلَ ٱلْأَوَّلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬ তাদের পূর্বে যেসব জনপদ আমি ধবংস করে দিয়েছি, তারা বিশ্বাস স্থাপন করেনি; এখন এরা কি বিশ্বাস স্থাপন করবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ তাদের পূর্বে যে জনপদ ঈমান আনেনি তাদেরকে আমি ধ্বংস করেছি । তবে কি এরা ঈমান আনবে?
Arabic, with marks
٦ مَا آمَنَتْ قَبْلَهُم مِّن قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَاهَا ۖ أَفَهُمْ يُؤْمِنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ এদের আগেকার যেসব জনপদ আমরা হালাক করে দিয়েছিলাম তারা তো ঈমান আনেনি। তবে কি এরাও ঈমান আনবেনা?
Word by word
٦ مَآ ءَامَنَتْ قَبْلَهُم مِّن قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَٰهَآ أَفَهُمْ يُؤْمِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৭ আপনার পূর্বে আমি মানুষই প্রেরণ করেছি, যাদের কাছে আমি ওহী পাঠাতাম। অতএব তোমরা যদি না জান তবে যারা স্মরণ রাখে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ আর তোমার পূর্বে আমি পুরুষই পাঠিয়েছিলাম, যাদের প্রতি আমি ওহী পাঠাতাম। সুতরাং তোমরা জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর যদি তোমরা না জান।
Arabic, with marks
٧ وَمَا أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ إِلَّا رِجَالًا نُّوحِي إِلَيْهِمْ ۖ فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ তোমার আগে আমরা যতো রসূলই পাঠিয়েছিলাম, তারা সবাই ছিলো মানুষ। তাদের কাছেই আমরা অহি পাঠাতাম। তোমরা যদি না জানো, তাহলে কিতাবধারীদের (জ্ঞানীদের) জিজ্ঞাসা করো।
Word by word
٧ وَمَآ أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ إِلَّا رِجَالًا نُّوحِىٓ إِلَيْهِمْ فَسْـَٔلُوٓا۟ أَهْلَ ٱلذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮ আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাদ্য ভক্ষণ করত না এবং তারা চিরস্থায়ীও ছিল না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ আর আমি তাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাদ্য গ্রহণ করত না, আর তারা স্থায়ীও ছিল না।
Arabic, with marks
٨ وَمَا جَعَلْنَاهُمْ جَسَدًا لَّا يَأْكُلُونَ الطَّعَامَ وَمَا كَانُوا خَالِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তাদেরকে আমরা এমন দেহ দেইনি যে, তাদের খাবার খেতে হতোনা, আর তারা চিরস্থায়ীও ছিলনা।
Word by word
٨ وَمَا جَعَلْنَٰهُمْ جَسَدًا لَّا يَأْكُلُونَ ٱلطَّعَامَ وَمَا كَانُوا۟ خَٰلِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯ অতঃপর আমি তাদেরকে দেয়া আমার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করলাম সুতরাং তাদেরকে এবং যাদেরকে ইচ্ছা বাঁচিয়ে দিলাম এবং ধবংস করে ছিলাম সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ অতঃপর আমি তাদের প্রতি কৃত ওয়াদা পূর্ণ করলাম। আর আমি তাদেরকে ও যাদেরকে ইচ্ছা করি রক্ষা করলাম এবং সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে ধ্বংস করে দিলাম।
Arabic, with marks
٩ ثُمَّ صَدَقْنَاهُمُ الْوَعْدَ فَأَنجَيْنَاهُمْ وَمَن نَّشَاءُ وَأَهْلَكْنَا الْمُسْرِفِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তারপর তাদের প্রতি আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করি। ফলে আমরা তাদেরকে এবং যাদেরকে চেয়েছি নাজাত দিয়েছি, আর সীমালঙ্ঘনকারীদের করেছি হালাক (ধ্বংস)।
Word by word
٩ ثُمَّ صَدَقْنَٰهُمُ ٱلْوَعْدَ فَأَنجَيْنَٰهُمْ وَمَن نَّشَآءُ وَأَهْلَكْنَا ٱلْمُسْرِفِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১০ আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি এক কিতাব নাযিল করেছি, যাতে তোমাদের জন্য উপদেশ* রয়েছে, তবুও কি তোমরা বুঝবে না? * এ আয়াতে যিকর শব্দটি দু’টি অর্থে ব্যবহৃত হতে পারেঃ একটি উপদেশ আর অপরটি সম্মান ও মর্যাদা। অর্থাৎ যে এ কুরআন শিক্ষা করে এবং তদনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে স
Arabic, with marks
١٠ لَقَدْ أَنزَلْنَا إِلَيْكُمْ كِتَابًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ আমরা তোমাদের কাছে নাযিল করেছি একটি কিতাব। তাতে রয়েছে তোমাদের উপদেশ। তবু কি তোমরা আকল খাটাবেনা?
Word by word
١٠ لَقَدْ أَنزَلْنَآ إِلَيْكُمْ كِتَٰبًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১১ আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি করেছি অন্য জাতি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ আমি কত জনবসতিকে ধ্বংস করেছি যারা ছিল যালিম এবং তাদের পর অন্য জাতি সৃষ্টি করেছি।
Arabic, with marks
١١ وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍ كَانَتْ ظَالِمَةً وَأَنشَأْنَا بَعْدَهَا قَوْمًا آخَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ আমরা কতো যে জনপদ ধ্বংস করে দিয়েছি, কারণ সেগুলোর অধিবাসীরা ছিলো যালিম। তাদের পরে আমরা সৃষ্টি করেছি অন্য লোকদের।
Word by word
١١ وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍ كَانَتْ ظَالِمَةً وَأَنشَأْنَا بَعْدَهَا قَوْمًا ءَاخَرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১২ অতঃপর যখন তারা আমার আযাবের কথা টের পেল, তখনই তারা সেখান থেকে পলায়ন করতে লাগল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ অতঃপর তারা যখন আমার আযাব দেখল তখনই তারা জনপদ ছেড়ে পালাতে লাগল।
Arabic, with marks
١٢ فَلَمَّا أَحَسُّوا بَأْسَنَا إِذَا هُم مِّنْهَا يَرْكُضُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তারা যখন আমাদের শাস্তির আগমন অনুভব করে, তখনই লোকালয় থেকে পালাতে শুরু করে।
Word by word
١٢ فَلَمَّآ أَحَسُّوا۟ بَأْسَنَآ إِذَا هُم مِّنْهَا يَرْكُضُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৩ পলায়ন করো না এবং ফিরে এস, যেখানে তোমরা বিলাসিতায় মত্ত ছিলে ও তোমাদের আবাসগৃহে; সম্ভবত; কেউ তোমাদের জিজ্ঞেস করবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ (তাদেরকে বলা হল) ‘পলায়ন করো না, বরং তোমাদের ভোগ-বিলাসিতায় এবং ঘরবাড়িতে ফিরে যাও, যেন তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয়’।
Arabic, with marks
١٣ لَا تَرْكُضُوا وَارْجِعُوا إِلَىٰ مَا أُتْرِفْتُمْ فِيهِ وَمَسَاكِنِكُمْ لَعَلَّكُمْ تُسْأَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তাদের বলা হয়: পলায়ন করোনা, ফিরে আসো তোমাদের ভোগবিলাসের কাছে, তোমাদের আবাসে, যাতে করে তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়।
Word by word
١٣ لَا تَرْكُضُوا۟ وَٱرْجِعُوٓا۟ إِلَىٰ مَآ أُتْرِفْتُمْ فِيهِ وَمَسَٰكِنِكُمْ لَعَلَّكُمْ تُسْـَٔلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তারা বললঃ হায়, দুর্ভোগ আমাদের, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ তারা বলল, ‘হায় আমাদের দুর্ভোগ! আমরা তো অবশ্যই যালিম ছিলাম।’
Arabic, with marks
١٤ قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ তখন তারা বলে: হায়, ধ্বংস আমাদের! বাস্তবিকই আমরা ছিলাম যালিম।
Word by word
١٤ قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তাদের এই আর্তনাদ সব সময় ছিল, শেষ পর্যন্ত আমি তাদেরকে করে দিলাম যেন কর্তিত শস্য ও নির্বাপিত অগ্নি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ অতঃপর তাদের এই বিলাপ চলতে থাকে আমি তাদেরকে কেটে ফেলা শস্য ও নিভে যাওয়া আগুন সদৃশ না করা পর্যন্ত।
Arabic, with marks
١٥ فَمَا زَالَت تِّلْكَ دَعْوَاهُمْ حَتَّىٰ جَعَلْنَاهُمْ حَصِيدًا خَامِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ তাদের এই আর্তনাদ চলতে থাকে, যতোক্ষণনা আমরা তাদের করে ছাড়ি কাটা ফসল আর নেভানো আগুনের মতো (ভুষি আর ছাই)
Word by word
١٥ فَمَا زَالَت تِّلْكَ دَعْوَىٰهُمْ حَتَّىٰ جَعَلْنَٰهُمْ حَصِيدًا خَٰمِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৬ আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ আসমান-যমীন ও তাদের মাঝখানে যা কিছু আছে তার কোন কিছুই আমি খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
Arabic, with marks
١٦ وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ আসমান, জমিন এবং এই উভয়ের মাঝখানে যা কিছু আছে, সেগুলো আমরা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।
Word by word
١٦ وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَآءَ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَٰعِبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৭ আমি যদি ক্রীড়া উপকরণ সৃষ্টি করতে চাইতাম, তবে আমি আমার কাছে যা আছে তা দ্বারাই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ আমি যদি খেলার উপকরণ গ্রহণ করতে চাইতাম, তবে আমার কাছে যা আছে তা দিয়েই করতাম। কিন্তু আমি তা করিনি।
Arabic, with marks
١٧ لَوْ أَرَدْنَا أَن نَّتَّخِذَ لَهْوًا لَّاتَّخَذْنَاهُ مِن لَّدُنَّا إِن كُنَّا فَاعِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা যদি খেলার উপকরণ চাইতাম, তবে আমরা তা গ্রহণ করতাম আমাদের নিকট থেকেই। আমরা তা করিনি।
Word by word
١٧ لَوْ أَرَدْنَآ أَن نَّتَّخِذَ لَهْوًا لَّٱتَّخَذْنَٰهُ مِن لَّدُنَّآ إِن كُنَّا فَٰعِلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১৮ বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ - বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ বরং আমি মিথ্যার উপর সত্য নিক্ষেপ করি; ফলে তা মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয় এবং নিমিষেই তা বিলুপ্ত হয়। আর তোমাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ তোমরা যা বলছ তার জন্য ।
Arabic, with marks
١٨ بَلْ نَقْذِفُ بِالْحَقِّ عَلَى الْبَاطِلِ فَيَدْمَغُهُ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ ۚ وَلَكُمُ الْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ বরং আমরা সত্যকে দিয়ে আঘাত হানি মিথ্যার উপর। তখন তা মিথ্যাকে চূর্ণ - বিচূর্ণ করে দেয়, আর তখন মিথ্যা হয়ে যায় অপসৃত। তোমরা যেসব কথা বানাচ্ছো, সেজন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।
Word by word
١٨ بَلْ نَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَى ٱلْبَٰطِلِ فَيَدْمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ وَلَكُمُ ٱلْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১৯ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে যারা আছে, তারা তাঁরই। আর যারা তাঁর সান্নিধ্যে আছে তারা তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না এবং অলসতাও করে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ আর আসমান-যমীনে যারা আছে তারা সবাই তাঁর; আর তাঁর কাছে যারা আছে তারা অহঙ্কারবশতঃ তাঁর ইবাদাত হতে বিমুখ হয় না এবং ক্লান্তিও বোধ করে না।
Arabic, with marks
١٩ وَلَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ وَمَنْ عِندَهُ لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর। তাঁর কাছে যারা (যেসব ফেরশতা) রয়েছে তারা তাঁর দাসত্ব ও আনুগত্যের ব্যাপারে অহংকার করেনা এবং ক্লান্তিও বোধ করেনা।
Word by word
١٩ وَلَهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَنْ عِندَهُۥ لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِۦ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২০ তারা রাত্রিদিন তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করে এবং ক্লান্ত হয় না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ তারা দিন-রাত তাঁর তাসবীহ পাঠ করে, তারা শিথিলতা দেখায় না।
Arabic, with marks
٢٠ يُسَبِّحُونَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ তারা তাঁর তসবিহ করে, রাতদিন। কোনো প্রকার বিরাম ও শৈথিল্য তাদের নেই।
Word by word
٢٠ يُسَبِّحُونَ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২১ তারা কি মৃত্তিকা দ্বারা তৈরী উপাস্য গ্রহণ করেছে, যে তারা তাদেরকে জীবিত করবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ তারা যেসব মাটির দেবতা গ্রহণ করেছে, সেগুলি কি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম?
Arabic, with marks
٢١ أَمِ اتَّخَذُوا آلِهَةً مِّنَ الْأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ওরা মাটি দিয়ে যেসব ইলাহ্ (দেবতা) বানিয়েছে, সেগুলো কি মৃতকে জীবিত করতে পারে?
Word by word
٢١ أَمِ ٱتَّخَذُوٓا۟ ءَالِهَةً مِّنَ ٱلْأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২২ যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য থাকত, তবে উভয়ের ধ্বংস হয়ে যেত। অতএব তারা যা বলে, তা থেকে আরশের অধিপতি আল্লাহ পবিত্র।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ যদি আসমান ও যমীনে আল্লাহ ছাড়া বহু ইলাহ থাকত তবে উভয়ই ধ্বংস হয়ে যেত, সুতরাং তারা যা বলে, আরশের রব আল্লাহ তা থেকে পবিত্র।
Arabic, with marks
٢٢ لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا ۚ فَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ যদি মহাকাশ ও পৃথিবীতে আল্লাহ্ ছাড়া অনেক ইলাহ্ থাকতো তাহলে উভয়টাই ধ্বংস হয়ে যেতো। সুতরাং তাদের আরোপিত এসব অপবাদ থেকে আরশের মালিক আল্লাহ্ অনেক ঊর্ধ্বে, মহান ও পবিত্র।
Word by word
٢٢ لَوْ كَانَ فِيهِمَآ ءَالِهَةٌ إِلَّا ٱللَّهُ لَفَسَدَتَا فَسُبْحَٰنَ ٱللَّهِ رَبِّ ٱلْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৩ তিনি যা করেন, তৎসম্পর্কে তিনি জিজ্ঞাসিত হবেন না এবং তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ তিনি যা করেন সে ব্যাপারে তাকে প্রশ্ন করা যাবে না; বরং তাদেরকেই প্রশ্ন করা হবে।
Arabic, with marks
٢٣ لَا يُسْأَلُ عَمَّا يَفْعَلُ وَهُمْ يُسْأَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ তাঁর কর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবেনা (প্রশ্ন করার কেউ নেই), অথচ তাদেরকে প্রশ্ন করা হবে।
Word by word
٢٣ لَا يُسْـَٔلُ عَمَّا يَفْعَلُ وَهُمْ يُسْـَٔلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৪ তারা কি আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য গ্রহণ করেছে? বলুন, তোমরা তোমাদের প্রমাণ আন। এটাই আমার সঙ্গীদের কথা এবং এটাই আমার পুর্ববর্তীদের কথা। বরং তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না; অতএব তারা টালবাহানা করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ তারা কি তাঁকে ছাড়া অনেক ইলাহ গ্রহণ করেছে? বল, ‘তোমাদের প্রমাণ নিয়ে আস। আমার সাথে যারা আছে এটি তাদের জন্য উপদেশ এবং আমার পূর্বে যারা ছিল তাদের জন্যও এটাই ছিল উপদেশ।’ কিন্তু তাদের বেশীরভাগই প্রকৃত সত্যকে জানে না; তাই তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়।
Arabic, with marks
٢٤ أَمِ اتَّخَذُوا مِن دُونِهِ آلِهَةً ۖ قُلْ هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ ۖ هَٰذَا ذِكْرُ مَن مَّعِيَ وَذِكْرُ مَن قَبْلِي ۗ بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ الْحَقَّ ۖ فَهُم مُّعْرِضُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা কি তাঁর পরিবর্তে অন্যদেরকে ইলাহ্ গ্রহণ করেছে? হে নবী! বলো: ‘(তাদের ইলাহ্ হবার) প্রমাণ উপস্থিত করো। এটা (এই কুরআন) উপদেশ যারা আমার কালে আছে তাদের জন্যে, এবং উপদেশ তাদের জন্যে যারা ছিলো আমার আগে।’ বরং তাদের অধিকাংশই জানেনা প্রকৃত সত্য। ফলে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়।
Word by word
٢٤ أَمِ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ ءَالِهَةً قُلْ هَاتُوا۟ بُرْهَٰنَكُمْ هَٰذَا ذِكْرُ مَن مَّعِىَ وَذِكْرُ مَن قَبْلِى بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ٱلْحَقَّ فَهُم مُّعْرِضُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৫ আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই এবাদত কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ আর তোমার পূর্বে এমন কোন রাসূল আমি পাঠাইনি যার প্রতি আমি এই ওহী নাযিল করিনি যে, ‘আমি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই; সুতরাং তোমরা আমার ইবাদাত কর।’
Arabic, with marks
٢٥ وَمَا أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ তোমার আগে আমরা যে রসূলই পাঠিয়েছি, তার কাছে এই অহি করেছি যে: ‘অবশ্যি কোনো ইলাহ্ নেই আমি ছাড়া, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।’
Word by word
٢٥ وَمَآ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِىٓ إِلَيْهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعْبُدُونِ
মুহিউদ্দীন খান
২৬ তারা বললঃ দয়াময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছে। তাঁর জন্য কখনও ইহা যোগ্য নয়; বরং তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ আর তারা বলে, ‘পরম করুণাময় সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ তিনি পবিত্র। বরং তারা* সম্মানিত বান্দা। * বনূ খুযা‘আ দাবী করত, ফেরেশতারা আল্লাহর কন্যা। এ ভুল ধারণা দূর করতে আল্লাহ বলেন, ফেরেশতারা আল্লাহর সন্তান নয়; বরং তারা সম্মানিত বান্দা। আল-কাশ্শাফ
Arabic, with marks
٢٦ وَقَالُوا اتَّخَذَ الرَّحْمَٰنُ وَلَدًا ۗ سُبْحَانَهُ ۚ بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ তারা বলে: ‘রহমান সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ সুবহানাল্লাহ, তিনি এ থেকে পবিত্র মহান। তারা (ফেরেশতারা) তো তাঁর সম্মানিত দাস।
Word by word
٢٦ وَقَالُوا۟ ٱتَّخَذَ ٱلرَّحْمَٰنُ وَلَدًا سُبْحَٰنَهُۥ بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৭ তারা আগে বেড়ে কথা বলতে পারে না এবং তারা তাঁর আদেশেই কাজ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ তারা তাঁর আগ বাড়িয়ে কোন কথা বলে না, তাঁর নির্দেশেই তো তারা কাজ করে।
Arabic, with marks
٢٧ لَا يَسْبِقُونَهُ بِالْقَوْلِ وَهُم بِأَمْرِهِ يَعْمَلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ তারা তাঁকে অতিক্রম করে কোনো কথা বলেনা। তারা তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে।
Word by word
٢٧ لَا يَسْبِقُونَهُۥ بِٱلْقَوْلِ وَهُم بِأَمْرِهِۦ يَعْمَلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৮ তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা আছে, তা তিনি জানেন। তারা শুধু তাদের জন্যে সুপারিশ করে, যাদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট এবং তারা তাঁর ভয়ে ভীত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে সবই তিনি জানেন। আর তারা শুধু তাদের জন্যই সুপারিশ করে যাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট। তারা তাঁর ভয়ে ভীত।* * ফেরেশতারা আল্লাহর ভয়ে সর্বদা ভীত থাকে।
Arabic, with marks
٢٨ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يَشْفَعُونَ إِلَّا لِمَنِ ارْتَضَىٰ وَهُم مِّنْ خَشْيَتِهِ مُشْفِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তিনি তাদের সামনের ও পেছনের সবকিছু অবগত! তারা শাফায়াত করবেনা, তবে আল্লাহ্ যাদের ব্যাপারে সন্তুষ্ট। আর তারা সব সময় ভীত সন্ত্রস্ত থাকে তাঁর ভয়ে।
Word by word
٢٨ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يَشْفَعُونَ إِلَّا لِمَنِ ٱرْتَضَىٰ وَهُم مِّنْ خَشْيَتِهِۦ مُشْفِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
২৯ তাদের মধ্যে যে বলে যে, তিনি ব্যতীত আমিই উপাস্য, তাকে আমি জাহান্নামের শাস্তি দেব। আমি জালেমদেরকে এভাবেই প্রতিফল দিয়ে থাকি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৯ আর তাদের মধ্যে যে-ই বলবে, ‘তিনি ছাড়া আমি ইলাহ ’, তাকেই আমি প্রতিদান হিসেবে জাহান্নাম দেব; এভাবেই আমি যালিমদের আযাব দিয়ে থাকি।
Arabic, with marks
٢٩ ۞ وَمَن يَقُلْ مِنْهُمْ إِنِّي إِلَٰهٌ مِّن دُونِهِ فَذَٰلِكَ نَجْزِيهِ جَهَنَّمَ ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِي الظَّالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তাদের কেউ যদি বলে: ‘আল্লাহ্ ছাড়া আমিও একজন ইলাহ্।’ আমাদের কাছে তার দন্ড হলো জাহান্নাম। যালিমদের আমরা এ রকম দন্ডই দিয়ে থাকি।
Word by word
٢٩ وَمَن يَقُلْ مِنْهُمْ إِنِّىٓ إِلَٰهٌ مِّن دُونِهِۦ فَذَٰلِكَ نَجْزِيهِ جَهَنَّمَ كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلظَّٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩০ কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩০ যারা কুফরী করে তারা কি ভেবে দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমীন ওতপ্রোতভাবে মিশে ছিল*, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম, আর আমি সকল প্রাণবান জিনিসকে পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। তবুও কি তারা ঈমান আনবে না? * আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে আদিতে আকাশ, সূর্য, নক্ষত্র ও প
Arabic, with marks
٣٠ أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا ۖ وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ ۖ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ যারা কুফুরি করে তারা কি ভেবে দেখেনা, মহাকাশ আর পৃথিবী তো প্রথমে ছিলো ওতপ্রোত জড়িত থাকা একটি পিন্ড। তারপর আমরা তাদের পৃথক করে দিয়েছি, আর সমস্ত প্রাণবানকেই আমরা সৃষ্টি করেছি পানি থেকে। তবু কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবেনা।
Word by word
٣٠ أَوَلَمْ يَرَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَٰهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ ٱلْمَآءِ كُلَّ شَىْءٍ حَىٍّ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩১ আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে দিয়েছি যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে এবং তাতে প্রশস্ত পথ রেখেছি, যাতে তারা পথ প্রাপ্ত হয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩১ আর আমি যমীনে সৃষ্টি করেছি সুদৃঢ় পর্বত, যেন তা পর্বতসমূহ নিয়ে একদিকে হেলে না পড়ে*, আর আমি তাতে তৈরী করেছি প্রশস্ত রাস্তা, যেন তারা চলতে পারে। * আধুনিক ভূ-তত্ত্ববিদগণ বলেন, পৃথিবীর অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত গলিত পদার্থের তাপ ছড়ানোর কারণে পৃথিবীর পৃষ্ঠদেশ সঙ্কুচি
Arabic, with marks
٣١ وَجَعَلْنَا فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِهِمْ وَجَعَلْنَا فِيهَا فِجَاجًا سُبُلًا لَّعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আর আমরা পৃথিবীতে সৃষ্টি করে দিয়েছি পাহাড় পর্বত, যাতে করে পৃথিবী তাদের নিয়ে এদিক সেদিক ঢলে না পড়ে। আর আমরা তাতে প্রশস্ত পথও সৃষ্টি করে দিয়েছি, যাতে তারা পৌঁছাতে পারে গন্তব্যস্থলে।
Word by word
٣١ وَجَعَلْنَا فِى ٱلْأَرْضِ رَوَٰسِىَ أَن تَمِيدَ بِهِمْ وَجَعَلْنَا فِيهَا فِجَاجًا سُبُلًا لَّعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩২ আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি; অথচ তারা আমার আকাশস্থ নিদর্শনাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩২ আর আমি আসমানকে করেছি সুরক্ষিত ছাদ; কিন্তু তারা তার নিদর্শনাবলী হতে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
Arabic, with marks
٣٢ وَجَعَلْنَا السَّمَاءَ سَقْفًا مَّحْفُوظًا ۖ وَهُمْ عَنْ آيَاتِهَا مُعْرِضُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা আকাশকে বানিয়ে দিয়েছি সুরক্ষিত ছাদ। অথচ তারা আমাদের এসব নিদর্শনকে উপেক্ষা করে চলছে।
Word by word
٣٢ وَجَعَلْنَا ٱلسَّمَآءَ سَقْفًا مَّحْفُوظًا وَهُمْ عَنْ ءَايَٰتِهَا مُعْرِضُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৩ আর তিনিই রাত ও দিন এবং সূর্য ও চাঁদ সৃষ্টি করেছেন; সবাই নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরণ করে।
Arabic, with marks
٣٣ وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ ۖ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন রাত আর দিন এবং সূর্য আর চাঁদ। এরা প্রত্যেকেই সাঁতরে চলছে নিজ নিজ কক্ষ পথে।
Word by word
٣٣ وَهُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ وَٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ كُلٌّ فِى فَلَكٍ يَسْبَحُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ আপনার পূর্বেও কোন মানুষকে আমি অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৪ আর তোমার পূর্বে কোন মানুষকে আমি স্থায়ী জীবন দান করিনি; সুতরাং তোমার মৃত্যু হলে তারা কি অনন্ত জীবনসম্পন্ন হয়ে থাকবে ?
Arabic, with marks
٣٤ وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِّن قَبْلِكَ الْخُلْدَ ۖ أَفَإِن مِّتَّ فَهُمُ الْخَالِدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ (হে মুহাম্মদ!) তোমার আগেও আমরা কোনো মানুষকে চিরস্থায়ী করিনি। তাহলে (এখন দেখো) তোমারই যদি মৃত্যু হয়, তবে তারা কি হবে চিরজীবী?
Word by word
٣٤ وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِّن قَبْلِكَ ٱلْخُلْدَ أَفَإِي۟ن مِّتَّ فَهُمُ ٱلْخَٰلِدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৫ প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে; আর ভাল ও মন্দ দ্বারা আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করে থাকি এবং আমার কাছেই তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে।
Arabic, with marks
٣٥ كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ۗ وَنَبْلُوكُم بِالشَّرِّ وَالْخَيْرِ فِتْنَةً ۖ وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ প্রত্যেক ব্যক্তিই গ্রহণ করবে মৃত্যুর স্বাদ। আমরা তোমাদেরকে মন্দ ও ভালো দিয়ে পরীক্ষা করে থাকি, আর আমাদের কাছেই তোমাদের আনা হবে ফেরত।
Word by word
٣٥ كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ ٱلْمَوْتِ وَنَبْلُوكُم بِٱلشَّرِّ وَٱلْخَيْرِ فِتْنَةً وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ কাফেররা যখন আপনাকে দেখে তখন আপনার সাথে ঠাট্টা করা ছাড়া তাদের আর কোন কাজ থাকে না, একি সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের দেব - দেবীদের সমালোচনা করে? এবং তারাই তো রহমান’ এর আলোচনায় অস্বীকার করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৬ আর যারা কুফরী করে তারা যখন তোমাকে দেখে তখন তোমাকে কেবল উপহাসের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করে। তারা বলে, ‘এ কি সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের দেবতাদের সমালোচনা করে?’ অথচ তারাই ‘রহমান’-এর আলোচনার বিরোধিতা করে। * রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরদের দেবতাদ
Arabic, with marks
٣٦ وَإِذَا رَآكَ الَّذِينَ كَفَرُوا إِن يَتَّخِذُونَكَ إِلَّا هُزُوًا أَهَٰذَا الَّذِي يَذْكُرُ آلِهَتَكُمْ وَهُم بِذِكْرِ الرَّحْمَٰنِ هُمْ كَافِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ কাফিররা যখনই তোমাকে দেখে, তখনই তারা তোমাকে বিদ্রুপের পাত্র হিসেবে গ্রহণ করে। তারা বলে: ‘এই লোকটিই কি তোমাদের ইলাহ্দের (দেবদেবীর) সমালোচনা করে?’ অথচ তারাই (এই কাফিররাই) রহমানের যিকির - এর বিরোধিতা করে।
Word by word
٣٦ وَإِذَا رَءَاكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِن يَتَّخِذُونَكَ إِلَّا هُزُوًا أَهَٰذَا ٱلَّذِى يَذْكُرُ ءَالِهَتَكُمْ وَهُم بِذِكْرِ ٱلرَّحْمَٰنِ هُمْ كَٰفِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ, আমি সত্তরই তোমাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব। অতএব আমাকে শীঘ্র করতে বলো না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৭ মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে তাড়াহুড়ার প্রবণতা দিয়ে। অচিরেই আমি তোমাদেরকে দেখাব আমার নিদর্শনাবলী। সুতরাং তোমরা তাড়াহুড়া করো না।
Arabic, with marks
٣٧ خُلِقَ الْإِنسَانُ مِنْ عَجَلٍ ۚ سَأُرِيكُمْ آيَاتِي فَلَا تَسْتَعْجِلُونِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ মানুষকে তাড়াহুড়া প্রবণ করে সৃষ্টি করা হয়েছে। অচিরেই আমরা তোমাদেরকে আমাদের নিদর্শনাবলি দেখাবো। সুতরাং আমাকে তাড়াহুড়া করতে বলোনা।
Word by word
٣٧ خُلِقَ ٱلْإِنسَٰنُ مِنْ عَجَلٍ سَأُو۟رِيكُمْ ءَايَٰتِى فَلَا تَسْتَعْجِلُونِ
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ এবং তারা বলেঃ যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে এই ওয়াদা কবে পুর্ণ হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৮ আর তারা বলে, ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল, এ ওয়াদা কখন পূর্ণ হবে?’
Arabic, with marks
٣٨ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তারা বলে: ‘ওয়াদা করা দিনটি কখন আসবে, তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকলে বলো।’
Word by word
٣٨ وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৯ হায়, কাফিররা যদি সে সময়ের কথা জানত, যখন তারা তাদের সামনে ও পেছন থেকে আগুন ফিরাতে পারবে না। আর তাদেরকে সাহায্যও করা হবে না;
Arabic, with marks
٣٩ لَوْ يَعْلَمُ الَّذِينَ كَفَرُوا حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَن وُجُوهِهِمُ النَّارَ وَلَا عَن ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ হায়, কাফিররা যদি জানতো, সে সময়টি যখন আসবে, তখন তারা তাদের সামনে এবং পেছনে থেকে আসা আগুন প্রতিরোধ করতে পারবেনা এবং তাদেরকে কোনো প্রকার সাহায্যও করা হবেনা।
Word by word
٣٩ لَوْ يَعْلَمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَن وُجُوهِهِمُ ٱلنَّارَ وَلَا عَن ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪০ বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪০ বরং অকস্মাৎ তাদের উপর তা এসে পড়বে। অতঃপর তাদেরকে হতবাক করে দেবে। ফলে তারা তা ফিরাতে সক্ষম হবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
Arabic, with marks
٤٠ بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ সেই সময়টি তাদের কাছে এসে পড়বে আকস্মিক এবং তা তাদেরকে হতভম্ব করে দেবে। তারা তা প্রতিরোধ করতেও সক্ষম হবেনা এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবেনা।
Word by word
٤٠ بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪১ আপনার পূর্বেও অনেক রাসূলের সাথে ঠাট্টা - বিদ্রূপ করা হয়েছে। অতঃপর যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা করত তা উল্টো ঠাট্টাকারীদের উপরই আপতিত হয়েছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪১ আর তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হয়েছিল; পরিণামে তারা যা নিয়ে ঠাট্টা করত তাই বিদ্রূপকারীদেরকে ঘিরে ফেলেছিল।* * রাসূলগণ আযাব আসার ভয় দেখালে কাফিররা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত। পরিশেষে তাদের ঠাট্টার বস্ত্ত অর্থাৎ আযাব এসে তাদেরকে ঘিরে ফেলত এবং সে আ
Arabic, with marks
٤١ وَلَقَدِ اسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ فَحَاقَ بِالَّذِينَ سَخِرُوا مِنْهُم مَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তোমার আগেকার রসূলদের সাথেও ঠাট্টা - বিদ্রুপ করা হয়েছিল, তারা যা নিয়ে ঠাট্টা - বিদ্রুপ করতো, পরিণামে সেই (আযাবই) বিদ্রুপকারীদের পরিবেষ্টন করে নেয়।
Word by word
٤١ وَلَقَدِ ٱسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ فَحَاقَ بِٱلَّذِينَ سَخِرُوا۟ مِنْهُم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪২ বলুনঃ ‘রহমান’ থেকে কে তোমাদেরকে হেফাযত করবে রাত্রে ও দিনে। বরং তারা তাদের পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪২ বল, ‘রাতে এবং দিনে পরম করুণাময় থেকে কে তোমাদেরকে রক্ষা করবে?’ তবুও তারা তাদের রবের স্মরণ হতে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
Arabic, with marks
٤٢ قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مِنَ الرَّحْمَٰنِ ۗ بَلْ هُمْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِم مُّعْرِضُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ হে নবী ! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘রাতে এবং দিনে রহমানের পাকড়াও থেকে তোমাদের রক্ষা করবে কে?’ বরং তারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তাদের প্রভুর যিকির (আল কুরআন) থেকে।
Word by word
٤٢ قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ مِنَ ٱلرَّحْمَٰنِ بَلْ هُمْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِم مُّعْرِضُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ তবে কি আমি ব্যতীত তাদের এমন দেব - দেবী আছে যারা তাদেরকে রক্ষা করবে? তারা তো নিজেদেরই সাহায্য করতে সক্ষম নয় এবং তারা আমার মোকাবেলায় সাহায্যকারীও পাবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৩ আমি ছাড়া তাদের কি এমন কোন দেব-দেবী আছে যারা তাদেরকে রক্ষা করতে পারে? তারা তো নিজদেরকেই সাহায্য করতে সক্ষম নয় এবং আমার বিরুদ্ধে তারা কোন সঙ্গীও পাবে না।* * يصحبون এর অর্থ-তারা সঙ্গী পাবে না। ইবন আববাস (রাঃ) বলেন, এখানে এর অর্থ হল يجارون অর্থাৎ আল্লাহর শাস
Arabic, with marks
٤٣ أَمْ لَهُمْ آلِهَةٌ تَمْنَعُهُم مِّن دُونِنَا ۚ لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنفُسِهِمْ وَلَا هُم مِّنَّا يُصْحَبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তাহলে কি আমরা ছাড়াও তাদের আরো ইলাহ্ আছে যারা তাদের রক্ষা করবে? তারা তো তাদের নিজেদেরকেও সাহায্য করতে পারবেনা, আর আমাদের বিরুদ্ধে তাদের কোনো সাহায্যকারীও থাকবেনা।
Word by word
٤٣ أَمْ لَهُمْ ءَالِهَةٌ تَمْنَعُهُم مِّن دُونِنَا لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنفُسِهِمْ وَلَا هُم مِّنَّا يُصْحَبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ - দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হ্রাস করে আনছি। এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৪ বরং আমিই তাদেরকে ও তাদের পূর্বপুরুষদেরকে উপভোগ করতে দিয়েছিলাম; উপরন্তু তাদের হায়াতও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি দেখে না যে, আমি চতুর্দিক থেকে তাঁদের দেশকে সঙ্কুচিত করে দিচ্ছি? তবুও কি তারা জয়ী হবে?
Arabic, with marks
٤٤ بَلْ مَتَّعْنَا هَٰؤُلَاءِ وَآبَاءَهُمْ حَتَّىٰ طَالَ عَلَيْهِمُ الْعُمُرُ ۗ أَفَلَا يَرَوْنَ أَنَّا نَأْتِي الْأَرْضَ نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَا ۚ أَفَهُمُ الْغَالِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ বরং আমরাই তাদের এবং তাদের পূর্ব পুরুষদের ভোগবিলাসের উপকরণ দিয়েছি, তাছাড়া তাদের বয়সকালও হয়েছিল দীর্ঘ। তারা কি দেখেনা, আমরা তাদের দেশকে চারদিক থেকে সংকুচিত করে আনছি, তবু কি তারা বিজয়ী হবে?
Word by word
٤٤ بَلْ مَتَّعْنَا هَٰٓؤُلَآءِ وَءَابَآءَهُمْ حَتَّىٰ طَالَ عَلَيْهِمُ ٱلْعُمُرُ أَفَلَا يَرَوْنَ أَنَّا نَأْتِى ٱلْأَرْضَ نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَآ أَفَهُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৫ বলুনঃ আমি তো কেবল ওহীর মাধ্যমেই তোমাদেরকে সতর্ক করি, কিন্তু বধিরদেরকে যখন সতর্ক করা হয়, তখন তারা সে সতর্কবাণী শোনে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৫ বল, ‘আমি তো কেবল ওহী দ্বারাই তোমাদেরকে সতর্ক করি’। কিন্তু যারা বধির তাদেরকে যখন সতর্ক করা হয়, তখন তারা সে আহবান শোনে না।
Arabic, with marks
٤٥ قُلْ إِنَّمَا أُنذِرُكُم بِالْوَحْيِ ۚ وَلَا يَسْمَعُ الصُّمُّ الدُّعَاءَ إِذَا مَا يُنذَرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ হে নবী! তাদের বলো: ‘আমি তোমাদের সতর্ক করছি অহির সাহায্যে।’ কিন্তু বধির লোকেরা কোনো ডাকই শুনেনা, যতোই তাদের করা হয় সতর্ক।
Word by word
٤٥ قُلْ إِنَّمَآ أُنذِرُكُم بِٱلْوَحْىِ وَلَا يَسْمَعُ ٱلصُّمُّ ٱلدُّعَآءَ إِذَا مَا يُنذَرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৬ আপনার পালনকর্তার আযাবের কিছুমাত্রও তাদেরকে স্পর্শ করলে তারা বলতে থাকবে, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৬ আর তোমার রবের আযাবের সামান্য কিছুও যদি তাদেরকে স্পর্শ করে, তবে তারা অবশ্যই বলে উঠবে-‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের! আমরাতো অবশ্যই যালিম ছিলাম’।
Arabic, with marks
٤٦ وَلَئِن مَّسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِّنْ عَذَابِ رَبِّكَ لَيَقُولُنَّ يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তোমার প্রভুর কিছু আযাবও যদি তাদের স্পর্শ করে, তারা অবশ্যি বলে উঠবে: হায়, আমাদের ধ্বংস, আমরা অবশ্যি যালিম ছিলাম।
Word by word
٤٦ وَلَئِن مَّسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِّنْ عَذَابِ رَبِّكَ لَيَقُولُنَّ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৭ আমি কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি জুলুম হবে না। যদি কোন আমল সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা উপস্থিত করব এবং হিসাব গ্রহণের জন্যে আমিই যথেষ্ট।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৭ আর কিয়ামতের দিন আমি ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারো প্রতি কোন অবিচার করা হবে না। কারো কর্ম যদি সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা হাযির করব। আর হিসাব গ্রহণকারীরূপে আমিই যথেষ্ট।
Arabic, with marks
٤٧ وَنَضَعُ الْمَوَازِينَ الْقِسْطَ لِيَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْئًا ۖ وَإِن كَانَ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِّنْ خَرْدَلٍ أَتَيْنَا بِهَا ۗ وَكَفَىٰ بِنَا حَاسِبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ কিয়ামতকালে আমরা স্থাপন করবো ন্যায়বিচারের দন্ড। তখন কারো প্রতি বিন্দুমাত্র যুলুম করা হবেনা। কারো কর্ম যদি শস্য পরিমাণ ওজনেরও হয়, সেটাও আমরা ওজনের আওতায় নিয়ে আসবো। হিসাবগ্রহণকারী হিসেবে আমরাই যথেষ্ট।
Word by word
٤٧ وَنَضَعُ ٱلْمَوَٰزِينَ ٱلْقِسْطَ لِيَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ فَلَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْـًٔا وَإِن كَانَ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِّنْ خَرْدَلٍ أَتَيْنَا بِهَا وَكَفَىٰ بِنَا حَٰسِبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৮ আমি মূসা ও হারুণকে দান করেছিলাম মীমাংসাকারী গ্রন্থ, আলো ও উপদেশ, আল্লাহ ভীরুদের জন্যে
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৮ আর আমি তো মূসা ও হারূনকে সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিয়েছিলাম এবং মুত্তাকীদের জন্য দিয়েছিলাম জ্যোতি ও উপদেশ।
Arabic, with marks
٤٨ وَلَقَدْ آتَيْنَا مُوسَىٰ وَهَارُونَ الْفُرْقَانَ وَضِيَاءً وَذِكْرًا لِّلْمُتَّقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ আমরা মূসা এবং হারূণকে দিয়েছিলাম ফুরকান , জ্যোতি এবং যিকির সেইসব মুত্তাকিদের জন্যে,
Word by word
٤٨ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ٱلْفُرْقَانَ وَضِيَآءً وَذِكْرًا لِّلْمُتَّقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৪৯ যারা না দেখেই তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং কেয়ামতের ভয়ে শঙ্কিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৯ যারা না দেখেও তাদের রবকে ভয় করে এবং কিয়ামত সম্পর্কে থাকে ভীত-সন্ত্রস্ত।
Arabic, with marks
٤٩ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِالْغَيْبِ وَهُم مِّنَ السَّاعَةِ مُشْفِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ যারা না দেখেও তাদের প্রভুকে ভয় করে এবং তারা কিয়ামত সম্পর্কে থাকে ভীত সন্ত্রস্ত।
Word by word
٤٩ ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ وَهُم مِّنَ ٱلسَّاعَةِ مُشْفِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫০ এবং এটা একটা বরকতময় উপদেশ, যা আমি নাযিল করেছি। অতএব তোমরা কি একে অস্বীকার কর?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫০ আর এটা বরকতময় উপদেশ, যা আমি নাযিল করেছি। তবুও কি তোমরা তা অস্বীকার করবে?
Arabic, with marks
٥٠ وَهَٰذَا ذِكْرٌ مُّبَارَكٌ أَنزَلْنَاهُ ۚ أَفَأَنتُمْ لَهُ مُنكِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ এ (কুরআন) এক কল্যাণময় উপদেশ, তবু কি তোমরা তা অস্বীকার করবে?
Word by word
٥٠ وَهَٰذَا ذِكْرٌ مُّبَارَكٌ أَنزَلْنَٰهُ أَفَأَنتُمْ لَهُۥ مُنكِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫১ আর, আমি ইতিপূর্বে ইব্রাহীমকে তার সৎপন্থা দান করেছিলাম এবং আমি তার সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত ও ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫১ আর আমি তো ইতঃপূর্বে ইবরাহীমকে সঠিক পথের জ্ঞান দিয়েছিলাম এবং আমি তার সম্পর্কে ছিলাম সম্যক অবগত।
Arabic, with marks
٥١ ۞ وَلَقَدْ آتَيْنَا إِبْرَاهِيمَ رُشْدَهُ مِن قَبْلُ وَكُنَّا بِهِ عَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ আমরা ইতোপূর্বে ইবরাহিমকে সত্য পথের জ্ঞান দিয়েছিলাম, তার বিষয়ে আমরা বিশেষভাবে অবগত।
Word by word
٥١ وَلَقَدْ ءَاتَيْنَآ إِبْرَٰهِيمَ رُشْدَهُۥ مِن قَبْلُ وَكُنَّا بِهِۦ عَٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫২ যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বললেনঃ এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা পূজারী হয়ে বসে আছ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫২ যখন সে তার পিতা ও তার কওমকে বলল, ‘এ মূর্তিগুলো কী, যেগুলোর পূজায় তোমরা রত রয়েছ’?
Arabic, with marks
٥٢ إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا هَٰذِهِ التَّمَاثِيلُ الَّتِي أَنتُمْ لَهَا عَاكِفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ সে যখন তার পিতা এবং তার কওমকে বলেছিল: ‘এই ভাস্কর্যগুলো কী, যাদের প্রতি আপনারা নত হচ্ছেন?’
Word by word
٥٢ إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَا هَٰذِهِ ٱلتَّمَاثِيلُ ٱلَّتِىٓ أَنتُمْ لَهَا عَٰكِفُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৩ তারা বললঃ আমরা আমাদের বাপ - দাদাকে এদের পুজা করতে দেখেছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৩ তারা বলল, ‘আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে এদের পূজা করতে দেখেছি’।
Arabic, with marks
٥٣ قَالُوا وَجَدْنَا آبَاءَنَا لَهَا عَابِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ জবাবে তারা বলেছিল: ‘আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকে এদের পূজা করতে দেখে এসেছি।’
Word by word
٥٣ قَالُوا۟ وَجَدْنَآ ءَابَآءَنَا لَهَا عَٰبِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৪ তিনি বললেনঃ তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ - দাদারাও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৪ সে বলল, ‘তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষরা সবাই রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে’।
Arabic, with marks
٥٤ قَالَ لَقَدْ كُنتُمْ أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ তখন সে বললো: ‘আপনারা এবং আপনাদের পূর্ব পুরুষরা রয়েছেন সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।’
Word by word
٥٤ قَالَ لَقَدْ كُنتُمْ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُمْ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
৫৫ তারা বললঃ তুমি কি আমাদের কাছে সত্যসহ আগমন করেছ, না তুমি কৌতুক করছ?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৫ তারা বলল, ‘তুমি কি আমাদের নিকট সত্য নিয়ে এসেছ, নাকি তুমি খেল-তামাশা করছ’?
Arabic, with marks
٥٥ قَالُوا أَجِئْتَنَا بِالْحَقِّ أَمْ أَنتَ مِنَ اللَّاعِبِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ তারা বললো: ‘তুমি কি আমাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছো, নাকি কৌতুক করছো?’
Word by word
٥٥ قَالُوٓا۟ أَجِئْتَنَا بِٱلْحَقِّ أَمْ أَنتَ مِنَ ٱللَّٰعِبِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৬ তিনি বললেনঃ না, তিনিই তোমাদের পালনকর্তা যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন; এবং আমি এই বিষয়েরই সাক্ষ্যদাতা।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৬ সে বলল, ‘না, বরং তোমাদের রব তো আসমানসমূহ ও যমীনের রব; যিনি এ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। আর এ বিষয়ে আমি অন্যতম সাক্ষী’।
Arabic, with marks
٥٦ قَالَ بَل رَّبُّكُمْ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الَّذِي فَطَرَهُنَّ وَأَنَا عَلَىٰ ذَٰلِكُم مِّنَ الشَّاهِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৬ সে বললো: ‘‘আপনাদের রব হলেন মহাকাশ ও পৃথিবীর রব, যিনি সেগুলোকে সৃষ্টি করেছেন। এ বিষয়ে আপনাদের কাছে আমি একজন সাক্ষী।
Word by word
٥٦ قَالَ بَل رَّبُّكُمْ رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ٱلَّذِى فَطَرَهُنَّ وَأَنَا۠ عَلَىٰ ذَٰلِكُم مِّنَ ٱلشَّٰهِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৭ আল্লাহর কসম, যখন তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যাবে, তখন আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা অবলম্বন করব।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৭ ‘আর আল্লাহর কসম, তোমরা চলে যাওয়ার পর আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে অবশ্যই কৌশল অবলম্বন করব’।
Arabic, with marks
٥٧ وَتَاللَّهِ لَأَكِيدَنَّ أَصْنَامَكُم بَعْدَ أَن تُوَلُّوا مُدْبِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৭ আল্লাহর কসম, আপনারা চলে গেলে আমি অবশ্যি আপনাদের ভাস্কর্যগুলো সম্পর্কে কৌশল অবলম্বন করবো।’’
Word by word
٥٧ وَتَٱللَّهِ لَأَكِيدَنَّ أَصْنَٰمَكُم بَعْدَ أَن تُوَلُّوا۟ مُدْبِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৮ অতঃপর তিনি সেগুলোকে চূর্ণ - বিচুর্ণ করে দিলেন ওদের প্রধানটি ব্যতীতঃ যাতে তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৮ অতঃপর সে মূর্তিগুলোকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল তাদের বড়টি ছাড়া, যাতে তারা তাঁর দিকে ফিরে আসে।
Arabic, with marks
٥٨ فَجَعَلَهُمْ جُذَاذًا إِلَّا كَبِيرًا لَّهُمْ لَعَلَّهُمْ إِلَيْهِ يَرْجِعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮ তারপর সে ভাস্কর্যগুলোকে ভেঙ্গে চূর্ণ - বিচূর্ণ করে দিলো বড়টিকে বাদে, যাতে করে তারা তার কাছে ফিরে আসে।
Word by word
٥٨ فَجَعَلَهُمْ جُذَٰذًا إِلَّا كَبِيرًا لَّهُمْ لَعَلَّهُمْ إِلَيْهِ يَرْجِعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৫৯ তারা বললঃ আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই কোন জালিম ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫৯ তারা বলল, ‘আমাদের দেবদেবীগুলোর সাথে কে এমনটি করল? নিশ্চয় সে যালিম’।
Arabic, with marks
٥٩ قَالُوا مَن فَعَلَ هَٰذَا بِآلِهَتِنَا إِنَّهُ لَمِنَ الظَّالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৯ তারা এসে বললো: ‘আমাদের দেবদেবীদের সাথে এমন আচরণ করলো কে? সে তো নিশ্চয়ই একজন যালিম।’
Word by word
٥٩ قَالُوا۟ مَن فَعَلَ هَٰذَا بِـَٔالِهَتِنَآ إِنَّهُۥ لَمِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৬০ কতক লোকে বললঃ আমরা এক যুবককে তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬০ তাদের কেউ কেউ বলল, ‘আমরা শুনেছি এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহীম’।
Arabic, with marks
٦٠ قَالُوا سَمِعْنَا فَتًى يَذْكُرُهُمْ يُقَالُ لَهُ إِبْرَاهِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬০ তারা বলাবলি করলো: ‘ইবরাহিম নামের এক যুবককে তাদের সমালোচনা করতে শুনেছি।’
Word by word
٦٠ قَالُوا۟ سَمِعْنَا فَتًى يَذْكُرُهُمْ يُقَالُ لَهُۥٓ إِبْرَٰهِيمُ
মুহিউদ্দীন খান
৬১ তারা বললঃ তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬১ তারা বলল, ‘তাহলে তাকে লোকজনের সামনে নিয়ে এসো, যাতে তারা দেখতে পারে’।
Arabic, with marks
٦١ قَالُوا فَأْتُوا بِهِ عَلَىٰ أَعْيُنِ النَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَشْهَدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬১ তারা বললো: ‘তাকে জনসম্মুখে নিয়ে আসো, যাতে করে সবাই তাকে দেখে।’
Word by word
٦١ قَالُوا۟ فَأْتُوا۟ بِهِۦ عَلَىٰٓ أَعْيُنِ ٱلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَشْهَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬২ তারা বললঃ হে ইব্রাহীম তুমিই কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার করেছ?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬২ তারা বলল, ‘হে ইবরাহীম, তুমিই কি আমাদের দেবদেবীগুলোর সাথে এরূপ করেছ’?
Arabic, with marks
٦٢ قَالُوا أَأَنتَ فَعَلْتَ هَٰذَا بِآلِهَتِنَا يَا إِبْرَاهِيمُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬২ (ইবরাহিম এলে) তারা জিজ্ঞেস করলো: ‘তুমিই কি আমাদের দেব - দেবীদের প্রতি এমন আচরণ করেছো, হে ইবরাহিম?’
Word by word
٦٢ قَالُوٓا۟ ءَأَنتَ فَعَلْتَ هَٰذَا بِـَٔالِهَتِنَا يَٰٓإِبْرَٰهِيمُ
মুহিউদ্দীন খান
৬৩ তিনি বললেনঃ না এদের এই প্রধানই তো একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৩ সে বলল, ‘বরং তাদের এ বড়টিই একাজ করেছে। তাই এদেরকেই জিজ্ঞাসা কর, যদি এরা কথা বলতে পারে’।
Arabic, with marks
٦٣ قَالَ بَلْ فَعَلَهُ كَبِيرُهُمْ هَٰذَا فَاسْأَلُوهُمْ إِن كَانُوا يَنطِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৩ ইবরাহিম বললো: ‘বরং তাদের এই বড়টাই একাজ করেছে। তারা (তোমাদের দেবদেবীরা) কথা বলতে পারলে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে দেখো।’
Word by word
٦٣ قَالَ بَلْ فَعَلَهُۥ كَبِيرُهُمْ هَٰذَا فَسْـَٔلُوهُمْ إِن كَانُوا۟ يَنطِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৪ অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৪ তখন তারা নিজদের দিকে ফিরে গেল* এবং একে অন্যকে বলতে লাগল, ‘তোমরাই তো যালিম’। * এ বাক্যের অর্থ ‘তারা মনে মনে চিন্তা করল তারা বিবেক বুদ্ধি খাটাল’ ও হতে পারে।
Arabic, with marks
٦٤ فَرَجَعُوا إِلَىٰ أَنفُسِهِمْ فَقَالُوا إِنَّكُمْ أَنتُمُ الظَّالِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৪ তখন তারা মনে মনে আত্মসমালোচনা করলো এবং বললো: ‘তোমরাই তো যালিম (সীমালঙ্ঘনকারী)।’
Word by word
٦٤ فَرَجَعُوٓا۟ إِلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ فَقَالُوٓا۟ إِنَّكُمْ أَنتُمُ ٱلظَّٰلِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৫ অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে না
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৫ অতঃপর তাদের মাথা অবনত হয়ে গেল এবং বলল, ‘তুমি তো জানই যে, এরা কথা বলতে পারে না’।
Arabic, with marks
٦٥ ثُمَّ نُكِسُوا عَلَىٰ رُءُوسِهِمْ لَقَدْ عَلِمْتَ مَا هَٰؤُلَاءِ يَنطِقُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৫ তাতে তাদের মাথা নত হয়ে গেলো। তারা বললো: ‘তুমি তো জানো, এরা কথা বলেনা।’
Word by word
٦٥ ثُمَّ نُكِسُوا۟ عَلَىٰ رُءُوسِهِمْ لَقَدْ عَلِمْتَ مَا هَٰٓؤُلَآءِ يَنطِقُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৬ তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৬ সে (ইবরাহীম) বলল, ‘তাহলে কি তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর ইবাদাত কর, যা তোমাদের কোন উপকার করতে পারে না এবং কোন ক্ষতিও করতে পারে না’?
Arabic, with marks
٦٦ قَالَ أَفَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَنفَعُكُمْ شَيْئًا وَلَا يَضُرُّكُمْ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৬ ইবরাহিম বললো: ‘‘তবে কি আপনারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন সব জিনিসের ইবাদত (পূজা উপাসনা) করেন যারা আপনাদের কোনো উপকার করতে পারেনা এবং ক্ষতিও করতে পারেনা?
Word by word
٦٦ قَالَ أَفَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَنفَعُكُمْ شَيْـًٔا وَلَا يَضُرُّكُمْ
মুহিউদ্দীন খান
৬৭ ধিক তোমাদের জন্যে এবং তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরই এবাদত কর, ওদের জন্যে। তোমরা কি বোঝ না?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৭ ‘ধিক তোমাদেরকে এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ইবাদাত কর তাদেরকে! ‘তবুও কি তোমরা বুঝবে না’?
Arabic, with marks
٦٧ أُفٍّ لَّكُمْ وَلِمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ ۖ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৭ ধিক, আপনাদের প্রতি এবং আল্লাহর পরিবর্তে আপনারা যাদের ইবাদত করেন তাদের প্রতি। আপনারা কি মোটেই বুদ্ধি বিবেক খাটান না?’’
Word by word
٦٧ أُفٍّ لَّكُمْ وَلِمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৮ তারা বললঃ একে পুড়িয়ে দাও এবং তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৮ তারা বলল, ‘তাকে আগুনে পুড়িয়ে দাও এবং তোমাদের দেবদেবীদেরকে সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও’।
Arabic, with marks
٦٨ قَالُوا حَرِّقُوهُ وَانصُرُوا آلِهَتَكُمْ إِن كُنتُمْ فَاعِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৮ তখন তারা বললো: ‘তোমরা যদি কিছু করতে চাও, তবে একে আগুনে পোড়াও এবং তোমাদের দেব দেবীদের সাহায্য করো।’
Word by word
٦٨ قَالُوا۟ حَرِّقُوهُ وَٱنصُرُوٓا۟ ءَالِهَتَكُمْ إِن كُنتُمْ فَٰعِلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৬৯ আমি বললামঃ হে অগ্নি, তুমি ইব্রাহীমের উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬৯ আমি বললাম, ‘হে আগুন, তুমি শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও ইবরাহীমের জন্য’ ।
Arabic, with marks
٦٩ قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬৯ আমরা আগুনকে বললাম: ‘ হে আগুন! তুমি ইবরাহিমের জন্যে সুশীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।’
Word by word
٦٩ قُلْنَا يَٰنَارُ كُونِى بَرْدًا وَسَلَٰمًا عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ
মুহিউদ্দীন খান
৭০ তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটতে চাইল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭০ আর তারা তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিল, কিন্তু আমি তাদেরকে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করে দিলাম।
Arabic, with marks
٧٠ وَأَرَادُوا بِهِ كَيْدًا فَجَعَلْنَاهُمُ الْأَخْسَرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭০ তারা তার ক্ষতি সাধনের এরাদা করেছিল, কিন্তু আমরা তাদেরকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে ছেড়েছি।
Word by word
٧٠ وَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًا فَجَعَلْنَٰهُمُ ٱلْأَخْسَرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭১ আমি তাঁকে ও লূতকে উদ্ধার করে সেই দেশে পৌঁছিয়ে দিলাম, যেখানে আমি বিশ্বের জন্যে কল্যাণ রেখেছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭১ আর আমি তাকে ও লূতকে উদ্ধার করে সে দেশে নিয়ে গেলাম, যেখানে আমি বিশ্ববাসীর জন্য বরকত রেখেছি।
Arabic, with marks
٧١ وَنَجَّيْنَاهُ وَلُوطًا إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا لِلْعَالَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭১ আর আমরা তাকে এবং লুতকে (তাদের কবল থেকে) নাজাত দিয়ে নিয়ে গেলাম সেই ভূ - খন্ডের দিকে, যে ভূ - খন্ডে আমরা বরকত দান করেছি জগদ্বাসীর জন্যে।
Word by word
٧١ وَنَجَّيْنَٰهُ وَلُوطًا إِلَى ٱلْأَرْضِ ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا لِلْعَٰلَمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭২ আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও পুরস্কার স্বরূপ দিলাম ইয়াকুব এবং প্রত্যেককেই সৎকর্ম পরায়ণ করলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭২ আর আমি তাকে দান করেছিলাম ইসহাক ও ইয়াকূবকে অতিরিক্ত হিসেবে; আর তাদের প্রত্যেককেই আমি সৎকর্মশীল করেছিলাম।
Arabic, with marks
٧٢ وَوَهَبْنَا لَهُ إِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ نَافِلَةً ۖ وَكُلًّا جَعَلْنَا صَالِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭২ আর আমরা তাকে সেই সাথে অতিরিক্ত হিসেবে দান করেছি (পুত্র) ইসহাক এবং (পৌত্র) ইয়াকুবকে। আর তাদের প্রত্যেককে আমরা বানিয়েছি দক্ষ পুণ্যবান।
Word by word
٧٢ وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ إِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَ نَافِلَةً وَكُلًّا جَعَلْنَا صَٰلِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৩ আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন। আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম করার, নামায কায়েম করার এবং যাকাত দান করার। তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৩ আর তাদেরকে আমি নেতা বানিয়েছিলাম, তারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে সঠিক পথ দেখাত। আমি তাদের প্রতি সৎকাজ করার, সালাত কায়েম করার এবং যাকাত প্রদান করার জন্য ওহী প্রেরণ করেছিলাম। আর তারা আমারই ইবাদাত করত।
Arabic, with marks
٧٣ وَجَعَلْنَاهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا وَأَوْحَيْنَا إِلَيْهِمْ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَإِقَامَ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءَ الزَّكَاةِ ۖ وَكَانُوا لَنَا عَابِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৩ আর তাদেরকে আমরা বানিয়েছি ইমাম (নেতা), তারা আমাদের নির্দেশ মতো মানুষকে সঠিক পথ দেখাতো। আমরা তাদেরকে অহির মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছি জনকল্যাণের কাজ করতে, সালাত কায়েম করতে এবং যাকাত প্রদান করতে। তারা ছিলো আমার অনুগত দাস (উপাসক)।
Word by word
٧٣ وَجَعَلْنَٰهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا وَأَوْحَيْنَآ إِلَيْهِمْ فِعْلَ ٱلْخَيْرَٰتِ وَإِقَامَ ٱلصَّلَوٰةِ وَإِيتَآءَ ٱلزَّكَوٰةِ وَكَانُوا۟ لَنَا عَٰبِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৪ এবং আমি লূতকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান এবং তাঁকে ঐ জনপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম, যারা নোংরা কাজে লিপ্ত ছিল। তারা মন্দ ও নাফরমান সম্প্রদায় ছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৪ আর লূতকে আমি প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দান করেছিলাম। আমি তাকে এমন এক জনপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম, যার অধিবাসীরা অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিল। তারা ছিল এক মন্দ ও পাপাচারী কওম।
Arabic, with marks
٧٤ وَلُوطًا آتَيْنَاهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْقَرْيَةِ الَّتِي كَانَت تَّعْمَلُ الْخَبَائِثَ ۗ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمَ سَوْءٍ فَاسِقِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৪ আর লুতকে আমরা দিয়েছিলাম হিকমাহ এবং এলেম। তাকেও আমরা নাজাত দিয়েছিলাম অশ্লীল কাজে লিপ্ত এক খবিছ জনপদ থেকে। তারা ছিলো এক নিকৃষ্ট সীমালঙ্ঘনকারী কওম।
Word by word
٧٤ وَلُوطًا ءَاتَيْنَٰهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَنَجَّيْنَٰهُ مِنَ ٱلْقَرْيَةِ ٱلَّتِى كَانَت تَّعْمَلُ ٱلْخَبَٰٓئِثَ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمَ سَوْءٍ فَٰسِقِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৫ আমি তাকে আমার অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। সে ছিল সৎকর্মশীলদের একজন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৫ আর আমি তাকে আমার রহমতের মধ্যে শামিল করে নিয়েছিলাম। সে ছিল সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত।
Arabic, with marks
٧٥ وَأَدْخَلْنَاهُ فِي رَحْمَتِنَا ۖ إِنَّهُ مِنَ الصَّالِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৫ আর আমরা তাকে দাখিল করে নিয়েছিলাম আমাদের রহমতের মধ্যে। সেও ছিলো দক্ষ পুণ্যবানদের একজন।
Word by word
٧٥ وَأَدْخَلْنَٰهُ فِى رَحْمَتِنَآ إِنَّهُۥ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৬ এবং স্মরণ করুন নূহকে; যখন তিনি এর পূর্বে আহবান করেছিলেন। তখন আমি তাঁর দোয়া কবুল করেছিলাম, অতঃপর তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে মহা সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৬ আর স্মরণ কর নূহের কথা, ইতঃপূর্বে যখন সে আমাকে ডেকেছিল, তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম। অতঃপর তাকে ও তার পরিবারবর্গকে আমি মহাবিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম।
Arabic, with marks
٧٦ وَنُوحًا إِذْ نَادَىٰ مِن قَبْلُ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ فَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৬ স্মরণ করো, এর আগে নূহ (আমাকে) ডেকেছিল। আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং তাকে আর তার পরিবারবর্গকে উদ্ধার করেছিলাম মহাসংকট থেকে।
Word by word
٧٦ وَنُوحًا إِذْ نَادَىٰ مِن قَبْلُ فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ فَنَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥ مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ
মুহিউদ্দীন খান
৭৭ এবং আমি তাঁকে ঐ সম্প্রদায়ের বিপক্ষে সাহায্য করেছিলাম, যারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছিল। নিশ্চয়, তারা ছিল এক মন্দ সম্প্রদায়। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৭ আর আমি তাকে সেই সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাহায্য করেছিলাম, যারা আমার আয়াতসমূহকে অস্বীকার করেছিল। তারা ছিল এক মন্দ কওম। তাই আমি তাদের সকলকেই পানিতে ডুবিয়ে মেরেছিলাম।
Arabic, with marks
٧٧ وَنَصَرْنَاهُ مِنَ الْقَوْمِ الَّذِينَ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمَ سَوْءٍ فَأَغْرَقْنَاهُمْ أَجْمَعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৭ আমরা তাকে সাহায্য করেছিলাম এমন একটি কওমের বিরুদ্ধে যারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত। তারা ছিলো একটি মন্দ কওম, ফলে আমরা তাদের সবাইকে ডুবিয়ে দিয়েছিলাম পানিতে।
Word by word
٧٧ وَنَصَرْنَٰهُ مِنَ ٱلْقَوْمِ ٱلَّذِينَ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَآ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمَ سَوْءٍ فَأَغْرَقْنَٰهُمْ أَجْمَعِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৮ এবং স্মরণ করুন দাউদ ও সুলায়মানকে, যখন তাঁরা শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে বিচার করেছিলেন। তাতে রাত্রিকালে কিছু লোকের মেষ ঢুকে পড়েছিল। তাদের বিচার আমার সম্মুখে ছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৮ আর স্মরণ কর দাঊদ ও সুলায়মানের কথা, যখন তারা শস্যক্ষেত সম্পর্কে বিচার করছিল। যাতে রাতের বেলায় কোন কওমের মেষ ঢুকে পড়েছিল। আর আমি তাদের বিচার কাজ দেখছিলাম।
Arabic, with marks
٧٨ وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ الْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَاهِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৮ আরো স্মরণ করো দাউদ আর সুলাইমানের কথা। তারা যখন শস্যক্ষেত সম্পর্কে ফায়সালা দিচ্ছিল, তাতে রাতের বেলায় অন্য লোকের মেষপাল ঢুকে পড়েছিল, আমরা তাদের বিচার কাজ প্রত্যক্ষ করছিলাম।
Word by word
٧٨ وَدَاوُۥدَ وَسُلَيْمَٰنَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِى ٱلْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ ٱلْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَٰهِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৭৯ অতঃপর আমি সুলায়মানকে সে ফায়সালা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম এবং আমি উভয়কে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম। আমি পর্বত ও পক্ষীসমূহকে দাউদের অনুগত করে দিয়েছিলাম; তারা আমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করত। এই সমস্ত আমিই করেছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭৯ অতঃপর আমি এ বিষয়ের ফয়সালা সুলায়মানকে বুঝিয়ে দিয়েছিলাম। আর আমি তাদের প্রত্যেককেই দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান। আর আমি পর্বতমালা ও পাখীদেরকে দাঊদের অধীন করে দিয়েছিলাম, তারা দাঊদের সাথে আমার তাসবীহ পাঠ করত। আর এসবকিছু আমিই করছিলাম।
Arabic, with marks
٧٩ فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ ۚ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا ۚ وَسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُودَ الْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَالطَّيْرَ ۚ وَكُنَّا فَاعِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭৯ আমরা বিষয়টি সম্পর্কে সুলাইমানকে সঠিক বুঝ দিয়েছিলাম, তবে দুজনকেই দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা এবং এলেম। আমরা পাহাড় পর্বত আর পাখিদেরকে অধীনস্থ করে দিয়েছিলাম দাউদের সাথে তারা তসবিহ করতো। এসব কিছুর কর্তা ছিলাম আমরাই।
Word by word
٧٩ فَفَهَّمْنَٰهَا سُلَيْمَٰنَ وَكُلًّا ءَاتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا وَسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُۥدَ ٱلْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَٱلطَّيْرَ وَكُنَّا فَٰعِلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮০ আমি তাঁকে তোমাদের জন্যে বর্ম নির্মান শিক্ষা দিয়েছিলাম, যাতে তা যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করে। অতএব তোমরা কি কৃতজ্ঞ হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮০ আর আমিই তাকে তোমাদের জন্য বর্ম বানানো শিক্ষা দিয়েছিলাম। যাতে তা যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করতে পারে। সুতরাং তোমরা কি কৃতজ্ঞ হবে?
Arabic, with marks
٨٠ وَعَلَّمْنَاهُ صَنْعَةَ لَبُوسٍ لَّكُمْ لِتُحْصِنَكُم مِّن بَأْسِكُمْ ۖ فَهَلْ أَنتُمْ شَاكِرُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮০ আর তোমাদের জন্যে আমরা তাকে বর্ম নির্মাণ শিক্ষা দিয়েছিলাম, যাতে করে তোমাদের যুদ্ধে তা তোমাদের রক্ষা করে। তারপরও কি তোমরা কৃতজ্ঞ হবেনা?
Word by word
٨٠ وَعَلَّمْنَٰهُ صَنْعَةَ لَبُوسٍ لَّكُمْ لِتُحْصِنَكُم مِّنۢ بَأْسِكُمْ فَهَلْ أَنتُمْ شَٰكِرُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৮১ এবং সুলায়মানের অধীন করে দিয়েছিলাম প্রবল বায়ুকে; তা তাঁর আদেশে প্রবাহিত হত ঐ দেশের দিকে, যেখানে আমি কল্যাণ দান করেছি। আমি সব বিষয়েই সম্যক অবগত রয়েছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮১ আর আমি সুলায়মানের জন্য অনুগত করে দিয়েছিলাম প্রবল হাওয়াকে, যা তার নির্দেশে প্রবাহিত হত সেই দেশের দিকে, যেখানে আমি বরকত রেখেছি। আর আমি প্রত্যেক বিষয় সম্পর্কেই অবগত ছিলাম।
Arabic, with marks
٨١ وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ عَاصِفَةً تَجْرِي بِأَمْرِهِ إِلَى الْأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا ۚ وَكُنَّا بِكُلِّ شَيْءٍ عَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮১ আর আমরা সুলাইমানের অধীন করে দিয়েছিলাম উদ্দাম বাতাসকে, তা তার আদেশক্রমে বয়ে চলতো এমন দেশের দিকে, যেখানে আমরা কল্যাণ রেখেছি, আর প্রত্যেক বিষয়ে আমরা অবগত।
Word by word
٨١ وَلِسُلَيْمَٰنَ ٱلرِّيحَ عَاصِفَةً تَجْرِى بِأَمْرِهِۦٓ إِلَى ٱلْأَرْضِ ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا وَكُنَّا بِكُلِّ شَىْءٍ عَٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮২ এবং অধীন করেছি শয়তানদের কতককে, যারা তার জন্যে ডুবুরীর কাজ করত এবং এ ছাড়া অন্য আরও অনেক কাজ করত। আমি তাদেরকে নিয়ন্ত্রন করে রাখতাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮২ আর শয়তানদের মধ্যে কতক তার জন্য ডুবুরীর কাজ করত, এছাড়া অন্যান্য কাজও করত। আর আমিই তাদের জন্য হিফাযতকারী ছিলাম।
Arabic, with marks
٨٢ وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ ۖ وَكُنَّا لَهُمْ حَافِظِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮২ আর কিছু শয়তান (জিন) তার জন্যে ডুবুরির কাজ করতো। এ ছাড়াও অন্যান্য কাজ করতো। আমরাই ছিলাম তাদের রক্ষক।
Word by word
٨٢ وَمِنَ ٱلشَّيَٰطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُۥ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ وَكُنَّا لَهُمْ حَٰفِظِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৩ এবং স্মরণ করুন আইয়্যুবের কথা, যখন তিনি তাঁর পালনকর্তাকে আহবান করে বলেছিলেনঃ আমি দুঃখকষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ট দয়াবান।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৩ আর স্মরণ কর আইউবের কথা, যখন সে তার রবকে আহবান করে বলেছিল, ‘আমি দুঃখ-কষ্টে পতিত হয়েছি। আর আপনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু’।
Arabic, with marks
٨٣ ۞ وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৩ আর স্মরণ করো আইউবের কথা, সে যখন তার প্রভুকে ডেকে বলেছিল: ‘প্রভু! আমার অসুখ হয়েছে, আর তুমি তো সব দয়াময়ের বড় দয়াময়।’
Word by word
٨٣ وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَسَّنِىَ ٱلضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ ٱلرَّٰحِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৪ অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁর দুঃখকষ্ট দূর করে দিলাম এবং তাঁর পরিবরাবর্গ ফিরিয়ে দিলাম, আর তাদের সাথে তাদের সমপরিমাণ আরও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপাবশতঃ আর এটা এবাদত কারীদের জন্যে উপদেশ স্বরূপ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৪ তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিলাম। আর তার যত দুঃখ-কষ্ট ছিল তা দূর করে দিলাম এবং তার পরিবার-পরিজন তাকে দিয়ে দিলাম। আর তাদের সাথে তাদের মত আরো দিলাম আমার পক্ষ থেকে রহমত এবং ইবাদাতকারীদের জন্য উপদেশস্বরূপ।
Arabic, with marks
٨٤ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ فَكَشَفْنَا مَا بِهِ مِن ضُرٍّ ۖ وَآتَيْنَاهُ أَهْلَهُ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا وَذِكْرَىٰ لِلْعَابِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৪ তখন আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম, তার অসুখ দূর করে দিয়েছিলাম, ফিরিয়ে দিয়েছিলাম তার পরিবার পরিজন এবং তাদের সাথে অনুরূপ আরো দিয়েছিলাম আমার বিশেষ রহমত হিসেবে আর ইবাদতকারীদের জন্যে উপদেশ হিসেবে।
Word by word
٨٤ فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ فَكَشَفْنَا مَا بِهِۦ مِن ضُرٍّ وَءَاتَيْنَٰهُ أَهْلَهُۥ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا وَذِكْرَىٰ لِلْعَٰبِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৫ এবং ইসমাঈল, ই’দ্রীস ও যুলকিফলের কথা স্মরণ করুন, তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন সবরকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৫ আর স্মরণ কর ইসমাঈল, ইদরীস ও যুল্ কিফল এর কথা, তাদের প্রত্যেকেই ধৈর্যশীল ছিল।
Arabic, with marks
٨٥ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِدْرِيسَ وَذَا الْكِفْلِ ۖ كُلٌّ مِّنَ الصَّابِرِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৫ আরো স্মরণ করো ইসমাঈল, ইদরিস এবং যুলকিফল - এর কথা। এরা সবাই ছিলো ধৈর্যশীল অবিচল।
Word by word
٨٥ وَإِسْمَٰعِيلَ وَإِدْرِيسَ وَذَا ٱلْكِفْلِ كُلٌّ مِّنَ ٱلصَّٰبِرِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৬ আমি তাঁদেরকে আমার রহমাতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত করেছিলাম। তাঁরা ছিলেন সৎকর্মপরায়ণ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৬ আর তাদেরকে আমি আমার রহমতে শামিল করেছিলাম। তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ।
Arabic, with marks
٨٦ وَأَدْخَلْنَاهُمْ فِي رَحْمَتِنَا ۖ إِنَّهُم مِّنَ الصَّالِحِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৬ আমরা তাদের দাখিল করেছিলাম আমাদের রহমতের মধ্যে। তারা ছিলো যোগ্য ও পুণ্যবান।
Word by word
٨٦ وَأَدْخَلْنَٰهُمْ فِى رَحْمَتِنَآ إِنَّهُم مِّنَ ٱلصَّٰلِحِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৭ এবং মাছওয়ালার কথা স্মরণ করুন তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গিয়েছিলেন, অতঃপর মনে করেছিলেন যে, আমি তাঁকে ধৃত করতে পারব না। অতঃপর তিনি অন্ধকারের মধ্যে আহবান করলেনঃ তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গুনাহগার।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৭ আর স্মরণ কর যুন-নূন এর কথা, যখন সে রাগান্বিত অবস্থায় চলে গিয়েছিল এবং মনে করেছিল যে, আমি তার উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করব না। তারপর সে অন্ধকার থেকে ডেকে বলেছিল, ‘আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই’। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যালিম’ ।
Arabic, with marks
٨٧ وَذَا النُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِي الظُّلُمَاتِ أَن لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৭ আরো স্মরণ করো মাছওয়ালার (ইউনুসের) কথা। সে গোস্বা নিয়ে বের হয়ে গিয়েছিল এবং ধারণা করেছিল আমরা তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেবোনা। কিন্তু পরে সে অন্ধকার থেকে আমাদের ডেকে বলেছিল: ‘(প্রভু!) তুমি ছাড়া কোনো উদ্ধারকারী নেই, তুমি পবিত্র, মহান। আমি তো যালিম, অন্যায়কারী।’
Word by word
٨٧ وَذَا ٱلنُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَٰضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِى ٱلظُّلُمَٰتِ أَن لَّآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنتَ سُبْحَٰنَكَ إِنِّى كُنتُ مِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৮ অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আমি এমনি ভাবে বিশ্ববাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৮ অতঃপর আমি তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে তাকে উদ্ধার করেছিলাম। আর এভাবেই আমি মুমিনদেরকে উদ্ধার করে থাকি।
Arabic, with marks
٨٨ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْغَمِّ ۚ وَكَذَٰلِكَ نُنجِي الْمُؤْمِنِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৮ ফলে আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং তাকে উদ্ধার করেছি দুশ্চিন্তা থেকে। এভাবেই আমরা নাজাত দিয়ে থাকি মুমিনদের।
Word by word
٨٨ فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ وَنَجَّيْنَٰهُ مِنَ ٱلْغَمِّ وَكَذَٰلِكَ نُۨجِى ٱلْمُؤْمِنِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৮৯ এবং যাকারিয়ার কথা স্মরণ করুন, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করেছিল; হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮৯ আর স্মরণ কর যাকারিয়্যার কথা, যখন সে তার রবকে আহবান করে বলেছিল, ‘হে আমার রব! আমাকে একা রেখো না, তুমি তো শ্রেষ্ঠ মালিকানার অধিকারী’।
Arabic, with marks
٨٩ وَزَكَرِيَّا إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُ رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮৯ আরো স্মরণ করো যাকারিয়ার কথা। সে তার প্রভুকে ডেকে বলেছিল: ‘প্রভু! তুমি আমাকে (সন্তানহীন করে) রেখোনা, তুমিই সর্বোত্তম ওয়ারিশ।’
Word by word
٨٩ وَزَكَرِيَّآ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُۥ رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْوَٰرِثِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯০ অতঃপর আমি তার দোয়া কবুল করেছিলাম, তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া এবং তার জন্যে তার স্ত্রীকে প্রসব যোগ্য করেছিলাম। তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়ত, তারা আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকত এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯০ অতঃপর আমি তার আহবানে সাড়া দিয়েছিলাম এবং তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া। আর তার জন্য তার স্ত্রীকে উপযোগী করেছিলাম। তারা সৎকাজে প্রতিযোগিতা করত। আর আমাকে আশা ও ভীতি সহকারে ডাকত। আর তারা ছিল আমার নিকট বিনয়ী।
Arabic, with marks
٩٠ فَاسْتَجَبْنَا لَهُ وَوَهَبْنَا لَهُ يَحْيَىٰ وَأَصْلَحْنَا لَهُ زَوْجَهُ ۚ إِنَّهُمْ كَانُوا يُسَارِعُونَ فِي الْخَيْرَاتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا ۖ وَكَانُوا لَنَا خَاشِعِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯০ ফলে আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং তার জন্যে দান করেছি ইয়াহিয়াকে, আর তার জন্যে তার স্ত্রীকে করে দিয়েছি (সন্তান ধারণের) যোগ্য। এরা সবাই ছিলো কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতাকারী। তারা আমাকে ডাকতো আশা ও ভয় নিয়ে এবং তারা ছিলো আমার প্রতি বিনয়ী।
Word by word
٩٠ فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ وَوَهَبْنَا لَهُۥ يَحْيَىٰ وَأَصْلَحْنَا لَهُۥ زَوْجَهُۥٓ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ يُسَٰرِعُونَ فِى ٱلْخَيْرَٰتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا وَكَانُوا۟ لَنَا خَٰشِعِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯১ এবং সেই নারীর কথা আলোচনা করুন, যে তার কামপ্রবৃত্তিকে বশে রেখেছিল, অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং তাকে তার পুত্রকে বিশ্ববাসীর জন্য নিদর্শন করেছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯১ আর স্মরণ কর সে নারীর কথা, যে নিজ সতীত্ব রক্ষা করেছিল। অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার ‘রূহ’ ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং তাকে ও তার পুত্রকে বিশ্ববাসীর জন্য করেছিলাম এক নিদর্শন ।
Arabic, with marks
٩١ وَالَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَاهَا وَابْنَهَا آيَةً لِّلْعَالَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯১ আর স্মরণ করো ঐ নারীর কথা, যে রক্ষা করেছিল তার সতীত্ব। তারপর আমরা তার মধ্যে ফুঁকে দিয়েছি আমাদের রূহ। আর আমরা তাকে এবং তার পুত্রকে বানিয়েছি জগদ্বাসীর জন্যে একটি নিদর্শন।
Word by word
٩١ وَٱلَّتِىٓ أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَٰهَا وَٱبْنَهَآ ءَايَةً لِّلْعَٰلَمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯২ তারা সকলেই তোমাদের ধর্মের; একই ধর্মে তো বিশ্বাসী সবাই এবং আমিই তোমাদের পালনকর্তা, অতএব আমার বন্দেগী কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯২ নিশ্চয় তোমাদের এ জাতি তো একই জাতি। আর আমিই তোমাদের রব। অতএব তোমরা আমার ইবাদাত কর।
Arabic, with marks
٩٢ إِنَّ هَٰذِهِ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَأَنَا رَبُّكُمْ فَاعْبُدُونِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯২ তোমাদের এই সব উম্মত মূলত একই উম্মত এবং আমিই তোমাদের প্রভু, সুতরাং তোমরা কেবল আমারই ইবাদত করো।
Word by word
٩٢ إِنَّ هَٰذِهِۦٓ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَٰحِدَةً وَأَنَا۠ رَبُّكُمْ فَٱعْبُدُونِ
মুহিউদ্দীন খান
৯৩ এবং মানুষ তাদের কার্যকলাপ দ্বারা পারস্পরিক বিষয়ে ভেদ সৃষ্টি করেছে। প্রত্যেকেই আমার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৩ কিন্তু তারা নিজদের কার্যকলাপে পরস্পরের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। সকলেই আমার নিকট প্রত্যাবর্তন করবে।
Arabic, with marks
٩٣ وَتَقَطَّعُوا أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ ۖ كُلٌّ إِلَيْنَا رَاجِعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৩ কিন্তু তারা তাদের কার্যকলাপ তাদের মাঝে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছে। সবাইকেই ফিরিয়ে আনা হবে আমাদের কাছে।
Word by word
٩٣ وَتَقَطَّعُوٓا۟ أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ كُلٌّ إِلَيْنَا رَٰجِعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৪ অতঃপর যে বিশ্বাসী অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, তার প্রচেষ্টা অস্বীকৃত হবে না এবং আমি তা লিপিবদ্ধ করে রাখি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৪ সুতরাং যে মুমিন অবস্থায় সৎকাজ করে তার প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করা হবে না। আর আমি তো তা লিখে রাখি।
Arabic, with marks
٩٤ فَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصَّالِحَاتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَا كُفْرَانَ لِسَعْيِهِ وَإِنَّا لَهُ كَاتِبُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৪ যে কেউ মুমিন অবস্থায় আমলে সালেহ্ করবে, তার প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করা হবেনা। আমরা তা লিখে রাখছি।
Word by word
٩٤ فَمَن يَعْمَلْ مِنَ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَا كُفْرَانَ لِسَعْيِهِۦ وَإِنَّا لَهُۥ كَٰتِبُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৫ যেসব জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৫ আর আমি যে জনপদকে ধ্বংস করেছি তার সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যে, তার অধিবাসীবৃন্দ আর ফিরে আসবে না।
Arabic, with marks
٩٥ وَحَرَامٌ عَلَىٰ قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَاهَا أَنَّهُمْ لَا يَرْجِعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৫ যে জনপদ আমরা হালাক করে দিয়েছি, তার জন্যে এটা নিষিদ্ধ যে, তার অধিবাসীরা আর ফিরে আসবেনা।
Word by word
٩٥ وَحَرَٰمٌ عَلَىٰ قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَٰهَآ أَنَّهُمْ لَا يَرْجِعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৬ যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৬ অবশেষে যখন ইয়া’জূজ ও মা’জূজকে মুক্তি দেয়া হবে, আর তারা প্রতিটি উঁচু ভূমি হতে ছুটে আসবে।
Arabic, with marks
٩٦ حَتَّىٰ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৬ এমন কি যখন ইয়াজুজ ও মাজুজ (জাতিকে) মুক্তি দেয়া হবে এবং তারা উঁচু ভূমি থেকে ছুটে আসবে,
Word by word
٩٦ حَتَّىٰٓ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৭ আমোঘ প্রতিশ্রুত সময় নিকটবর্তী হলে কাফেরদের চক্ষু উচ্চে স্থির হয়ে যাবে; হায় আমাদের দূর্ভাগ্য, আমরা এ বিষয়ে বেখবর ছিলাম; বরং আমরা গোনাহগরই ছিলাম।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৭ আর সত্য ওয়াদার সময় নিকটে আসলে হঠাৎ কাফিরদের চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। তারা বলবে, ‘হায়, আমাদের দুর্ভোগ! আমরা তো এ বিষয়ে উদাসীন ছিলাম বরং আমরা ছিলাম যালিম’ ।
Arabic, with marks
٩٧ وَاقْتَرَبَ الْوَعْدُ الْحَقُّ فَإِذَا هِيَ شَاخِصَةٌ أَبْصَارُ الَّذِينَ كَفَرُوا يَا وَيْلَنَا قَدْ كُنَّا فِي غَفْلَةٍ مِّنْ هَٰذَا بَلْ كُنَّا ظَالِمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৭ এবং প্রতিশ্রুত সময়টি নিকটে আসবে। তখন তা অকস্মাৎ সংঘটিত হতেই কাফিরদের চোখগুলো স্থির হয়ে যাবে। তারা বলবে: হায়, ধ্বংস আমাদের, আমরা তো এ বিষয়ে গাফলতির মধ্যে ছিলাম, বরং আমরা ছিলাম যালিম।
Word by word
٩٧ وَٱقْتَرَبَ ٱلْوَعْدُ ٱلْحَقُّ فَإِذَا هِىَ شَٰخِصَةٌ أَبْصَٰرُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يَٰوَيْلَنَا قَدْ كُنَّا فِى غَفْلَةٍ مِّنْ هَٰذَا بَلْ كُنَّا ظَٰلِمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৮ তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের পুজা কর, সেগুলো দোযখের ইন্ধন। তোমরাই তাতে প্রবেশ করবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৮ নিশ্চয় তোমরা এবং আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের পূজা কর, সেগুলো তো জাহান্নামের জ্বালানী। তোমরা সেখানে প্রবেশ করবে।
Arabic, with marks
٩٨ إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ أَنتُمْ لَهَا وَارِدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৮ হ্যাঁ, তোমরা নিজেরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের ইবাদত করছো তারা সবাই হবে জাহান্নামের জ্বালানি। তোমরা তাতে প্রবেশ করবে।
Word by word
٩٨ إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ أَنتُمْ لَهَا وَٰرِدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
৯৯ এই মূর্তিরা যদি উপাস্য হত, তবে জাহান্নামে প্রবেশ করত না। প্রত্যেকেই তাতে চিরস্থায়ী হয়ে পড়ে থাকবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯৯ যদি তারা ইলাহ হত তবে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করত না। আর তারা সবাই তাতে স্থায়ী হয়ে থাকবে।
Arabic, with marks
٩٩ لَوْ كَانَ هَٰؤُلَاءِ آلِهَةً مَّا وَرَدُوهَا ۖ وَكُلٌّ فِيهَا خَالِدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯৯ তারা যদি ইলাহ্ হতো, তবে তারা জাহান্নামে প্রবেশ করতোনা। তারা প্রত্যেকেই স্থায়ীভাবে থাকবে সেখানে।
Word by word
٩٩ لَوْ كَانَ هَٰٓؤُلَآءِ ءَالِهَةً مَّا وَرَدُوهَا وَكُلٌّ فِيهَا خَٰلِدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০০ তারা সেখানে চীৎকার করবে এবং সেখানে তারা কিছুই শুনতে পাবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০০ সেখানে থাকবে তাদের আর্তনাদ, আর সেখানে তারা শুনতে পাবে না।
Arabic, with marks
١٠٠ لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০০ সেখানে থাকবে তাদের চিৎকার আর আর্তনাদ এবং তারা কিছুই শুনবেনা সেখানে।
Word by word
١٠٠ لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০১ যাদের জন্য প্রথম থেকেই আমার পক্ষ থেকে কল্যাণ নির্ধারিত হয়েছে তারা দোযখ থেকে দূরে থাকবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০১ আমার পক্ষ থেকে যাদের জন্য পূর্বেই কল্যাণ নির্ধারিত রয়েছে তাদেরকে তা থেকে দূরে রাখা হবে।
Arabic, with marks
١٠١ إِنَّ الَّذِينَ سَبَقَتْ لَهُم مِّنَّا الْحُسْنَىٰ أُولَٰئِكَ عَنْهَا مُبْعَدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০১ যাদের জন্যে আগে থেকেই আমাদের পক্ষ থেকে কল্যাণের ফায়সালা হয়েছে, তাদেরকে তা থেকে রাখা হবে দূরে।
Word by word
١٠١ إِنَّ ٱلَّذِينَ سَبَقَتْ لَهُم مِّنَّا ٱلْحُسْنَىٰٓ أُو۟لَٰٓئِكَ عَنْهَا مُبْعَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০২ তারা তার ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং তারা তাদের মনের বাসনা অনুযায়ী চিরকাল বসবাস করবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০২ তারা জাহান্নামের ক্ষীণতম শব্দও শুনতে পাবে না। সেখানে তারা তাদের মনঃপুত বস্তুর মধ্যে চিরকাল থাকবে।
Arabic, with marks
١٠٢ لَا يَسْمَعُونَ حَسِيسَهَا ۖ وَهُمْ فِي مَا اشْتَهَتْ أَنفُسُهُمْ خَالِدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০২ তারা তার (জাহান্নামের) ক্ষীণতম আওয়াযও শুনবেনা। তারা থাকবে তাদের কাঙ্ক্ষিত ভোগবিলাসে চিরকাল।
Word by word
١٠٢ لَا يَسْمَعُونَ حَسِيسَهَا وَهُمْ فِى مَا ٱشْتَهَتْ أَنفُسُهُمْ خَٰلِدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৩ মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৩ মহাভীতি তাদেরকে পেরেশান করবে না। আর ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বলবে, ‘এটাই তোমাদের সেই দিন, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল’।
Arabic, with marks
١٠٣ لَا يَحْزُنُهُمُ الْفَزَعُ الْأَكْبَرُ وَتَتَلَقَّاهُمُ الْمَلَائِكَةُ هَٰذَا يَوْمُكُمُ الَّذِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৩ মহাভীতি তাদেরকে চিন্তিত করবেনা। ফেরেশতারা তাদের সাথে মোলাকাত করে বলবে: ‘এটাই হলো আপনাদের সেইদিন, যার ওয়াদা আপনাদের দেয়া হয়েছিল।’
Word by word
١٠٣ لَا يَحْزُنُهُمُ ٱلْفَزَعُ ٱلْأَكْبَرُ وَتَتَلَقَّىٰهُمُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ هَٰذَا يَوْمُكُمُ ٱلَّذِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৪ সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৪ সে দিন আমি আসমানসমূহকে গুটিয়ে নেব, যেভাবে গুটিয়ে রাখা হয় লিখিত দলীল-পত্রাদি। যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেভাবেই পুনরায় সৃষ্টি করব। ওয়াদা পালন করা আমার কর্তব্য। আমি তা পালন করবই।
Arabic, with marks
١٠٤ يَوْمَ نَطْوِي السَّمَاءَ كَطَيِّ السِّجِلِّ لِلْكُتُبِ ۚ كَمَا بَدَأْنَا أَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيدُهُ ۚ وَعْدًا عَلَيْنَا ۚ إِنَّا كُنَّا فَاعِلِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৪ সেদিন আমরা আকাশ গুটিয়ে ফেলবো, যেভাবে গুটানো হয় লিখিত দস্তাবেজ। যেভাবে আমরা প্রথমবার সৃষ্টি করেছি, সেভাবেই পুনরায় সৃষ্টি করবো। ওয়াদা পালন করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা এটা করেই ছাড়বো।
Word by word
١٠٤ يَوْمَ نَطْوِى ٱلسَّمَآءَ كَطَىِّ ٱلسِّجِلِّ لِلْكُتُبِ كَمَا بَدَأْنَآ أَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيدُهُۥ وَعْدًا عَلَيْنَآ إِنَّا كُنَّا فَٰعِلِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৫ আমি উপদেশের পর যবুরে লিখে দিয়েছি যে, আমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাগণ অবশেষে পৃথিবীর অধিকারী হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৫ আর উপদেশ দেয়ার পর আমি কিতাবে লিখে দিয়েছি যে, ‘আমার যোগ্যতর বান্দাগণই পৃথিবীর উত্তরাধিকারী হবে’।
Arabic, with marks
١٠٥ وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِي الزَّبُورِ مِن بَعْدِ الذِّكْرِ أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৫ আমরা যিকির (উপদেশ) - এর পর কিতাবে লিখে রেখেছি, নিশ্চয়ই পৃথিবীর ওয়ারিশ হবে আমার সালেহ্ (যোগ্য) দাসেরা।
Word by word
١٠٥ وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِى ٱلزَّبُورِ مِنۢ بَعْدِ ٱلذِّكْرِ أَنَّ ٱلْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِىَ ٱلصَّٰلِحُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৬ এতে এবাদতকারী সম্প্রদায়ের জন্যে পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু আছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৬ নিশ্চয় এতে ইবাদাতকারী সম্প্রদায়ের জন্য উপদেশ বাণী রয়েছে।
Arabic, with marks
١٠٦ إِنَّ فِي هَٰذَا لَبَلَاغًا لِّقَوْمٍ عَابِدِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৬ নিশ্চয়ই অনুগত - দাসদের জন্যে এতে রয়েছে বার্তা।
Word by word
١٠٦ إِنَّ فِى هَٰذَا لَبَلَٰغًا لِّقَوْمٍ عَٰبِدِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৭ আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৭ আর আমি তো তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।
Arabic, with marks
١٠٧ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৭ জগদ্বাসীর জন্যে রহমত (অনুকম্পাও আশীর্বাদ) ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আমরা তোমাকে রসূল বানিয়ে পাঠাইনি।
Word by word
١٠٧ وَمَآ أَرْسَلْنَٰكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَٰلَمِينَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৮ বলুনঃ আমাকে তো এ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য। সুতরাংতোমরা কি আজ্ঞাবহ হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৮ বল, ‘আমার প্রতি ওহী প্রেরণ করা হয় যে, তোমাদের ইলাহ একক ইলাহ । সুতরাং তোমরা কি আত্মসমর্পণকারী হবে’?
Arabic, with marks
١٠٨ قُلْ إِنَّمَا يُوحَىٰ إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ فَهَلْ أَنتُم مُّسْلِمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৮ (হে নবী!) বলো: ‘আমার কাছে অহি করা হয়েছে যে, তোমাদের ইলাহ্ একমাত্র ইলাহ্। সুতরাং তোমরা (তাঁর প্রতি) আত্মসমর্পণকারী হবে কি?’
Word by word
١٠٨ قُلْ إِنَّمَا يُوحَىٰٓ إِلَىَّ أَنَّمَآ إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ فَهَلْ أَنتُم مُّسْلِمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১০৯ অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না, তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০৯ তবে তারা মুখ ফিরিয়ে নিলে তুমি বলে দিও, ‘আমি যথাযথভাবে তোমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছি। আর আমি জানি না তোমাদেরকে যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা কি নিকটবর্তী না দূরবর্তী’।
Arabic, with marks
١٠٩ فَإِن تَوَلَّوْا فَقُلْ آذَنتُكُمْ عَلَىٰ سَوَاءٍ ۖ وَإِنْ أَدْرِي أَقَرِيبٌ أَم بَعِيدٌ مَّا تُوعَدُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০৯ তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তুমি বলে দাও: ‘‘আমি তোমাদেরকে যথাযথ আহবান জানিয়েছি। আমি জানিনা, তোমাদেরকে যে বিষয়ে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, সেটা কি নিকটে নাকি দূরে।
Word by word
١٠٩ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَقُلْ ءَاذَنتُكُمْ عَلَىٰ سَوَآءٍ وَإِنْ أَدْرِىٓ أَقَرِيبٌ أَم بَعِيدٌ مَّا تُوعَدُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১১০ তিনি জানেন, যে কথা সশব্দে বল এবং যে কথা তোমরা গোপন কর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১০ তিনি প্রকাশ্য কথা সম্পর্কেও জানেন এবং তোমরা যা গোপন কর তাও জানেন।
Arabic, with marks
١١٠ إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ مِنَ الْقَوْلِ وَيَعْلَمُ مَا تَكْتُمُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১০ তিনিই জানেন প্রকাশ্য কথা এবং যা তোমরা গোপন করো তা।
Word by word
١١٠ إِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلْجَهْرَ مِنَ ٱلْقَوْلِ وَيَعْلَمُ مَا تَكْتُمُونَ
মুহিউদ্দীন খান
১১১ আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে একটি পরীক্ষা এবং এক সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১১ আর আমি জানি না হয়তো তা তোমাদের জন্য এক পরীক্ষা কিছু কালের জন্য উপভোগের সুযোগ।
Arabic, with marks
١١١ وَإِنْ أَدْرِي لَعَلَّهُ فِتْنَةٌ لَّكُمْ وَمَتَاعٌ إِلَىٰ حِينٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১১ আমি জানিনা, হয়তো এটা তোমাদের জন্যে একটি পরীক্ষা এবং কিছু সময়ের জন্যে জীবন উপভোগ।’’
Word by word
١١١ وَإِنْ أَدْرِى لَعَلَّهُۥ فِتْنَةٌ لَّكُمْ وَمَتَٰعٌ إِلَىٰ حِينٍ
মুহিউদ্দীন খান
১১২ পয়গাম্বর বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি ন্যায়ানুগ ফয়সালা করে দিন। আমাদের পালনকর্তা তো দয়াময়, তোমরা যা বলছ, সে বিষয়ে আমরা তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১২ রাসূল বলেছিল, ‘হে আমার রব, আপনি ন্যায়সঙ্গতভাবে ফয়সালা করে দিন’। আর আমাদের রব তো পরম করুণাময়। তোমরা যা বলছ সে বিষয়ে তিনিই একমাত্র সহায়স্থল।
Arabic, with marks
١١٢ قَالَ رَبِّ احْكُم بِالْحَقِّ ۗ وَرَبُّنَا الرَّحْمَٰنُ الْمُسْتَعَانُ عَلَىٰ مَا تَصِفُونَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১২ সে (রসূল) আরো বলেছে: ‘আমার প্রভু! তুমি সত্য ও ন্যায্য ফায়সালা করে দাও। (আর হে মানুষ!) আমাদের প্রভু দয়াময় - রহমান। তোমরা যা বলছো, সে বিষয়ে তাঁরই সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।’
Word by word
١١٢ قَٰلَ رَبِّ ٱحْكُم بِٱلْحَقِّ وَرَبُّنَا ٱلرَّحْمَٰنُ ٱلْمُسْتَعَانُ عَلَىٰ مَا تَصِفُونَ
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report