যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,
যখন প্রচন্ড কম্পনে যমীন প্রকম্পিত হবে।
পৃথিবী যখন আপন কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হইবে,
যখন কাঁপিয়ে দেয়া হবে পৃথিবীকে তার চূড়ান্ত ঝাঁকুনিতে,
Chapter 99, 8 verses
যখন পৃথিবী তার কম্পনে প্রকম্পিত হবে,
যখন প্রচন্ড কম্পনে যমীন প্রকম্পিত হবে।
পৃথিবী যখন আপন কম্পনে প্রবলভাবে প্রকম্পিত হইবে,
যখন কাঁপিয়ে দেয়া হবে পৃথিবীকে তার চূড়ান্ত ঝাঁকুনিতে,
যখন সে তার বোঝা বের করে দেবে।
আর যমীন তার বোঝা বের করে দেবে,
এবং পৃথিবী যখন তাহার ভার বাহির করিয়া দিবে,
এবং যখন খারিজ (বের) করে দেবে পৃথিবী তার বোঝাসমূহ,
এবং মানুষ বলবে, এর কি হল ?
আর মানুষ বলবে, ‘এর কী হল?’
এবং মানুষ বলিবে, ‘ইহার কী হইল?’
তখন মানুষ বলে উঠবে : এর (পৃথিবীর) কী হলো?
সেদিন সে তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
সেদিন যমীন তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
সেই দিন পৃথিবী তাহার বৃত্তান্ত বর্ণনা করিবে,
সেদিন সে (পৃথিবী) বলে দেবে (তার বুকের উপর কৃত মানুষের) সমস্ত তথ্য - বৃত্তান্ত - খবরসমূহ।
কারণ, আপনার পালনকর্তা তাকে আদেশ করবেন।
যেহেতু তোমার রব তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
কারণ তোমার প্রতিপালক তাহাকে আদেশ করিবেন,
কারণ, তোমার প্রভু তাকে (সব কথা বলে দেয়ার) নির্দেশ দেবেন।
সেদিন মানুষ বিভিন্ন দলে প্রকাশ পাবে, যাতে তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম দেখানো হয়।
সেদিন মানুষ বিক্ষিপ্তভাবে বের হয়ে আসবে যাতে দেখানো যায় তাদেরকে তাদের নিজদের কৃতকর্ম।
সেই দিন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন দলে বাহির হইবে, যাহাতে উহাদেরকে উহাদের কৃতকর্ম দেখান যায়,
সেদিন মানুষ দলে দলে সামনে বেরিয়ে আসবে, যেনো তাদের দেখানো যায় তাদের আমলসমূহ।
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে
অতএব, কেউ অণু পরিমাণ ভালকাজ করলে তা সে দেখবে,
কেহ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করিলে সে তাহা দেখিবে
সুতরাং, যে - ই আমল করবে অণু পরিমাণ ভালো, সে তা দেখতে পাবে।
এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।
আর কেউ অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করলে তাও সে দেখবে।
এবং কেহ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করিলে সে তাহাও দেখিবে।
আর যে - ই আমল করবে অণু পরিমাণ মন্দ, সেও তা দেখতে পাবে।