Kitab

আল ফাত্হ

Chapter 48, 29 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • সমকালীন বাংলা
মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আমি আপনার জন্যে এমন একটা ফয়সালা করে দিয়েছি, যা সুস্পষ্ট।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তোমাকে সুস্পষ্ট বিজয় দিয়েছি;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই আমি তোমাকে দিয়াছি সুস্পষ্ট বিজয়,

সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; নিশ্চয়ই আমরা আপনাকে বিজয় দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়

মুহিউদ্দীন খান

যাতে আপনার অতীত ও ভবিষ্যত ত্রুটিসমূহ মার্জনা করে দেন এবং আপনার প্রতি তাঁর নেয়ামত পূর্ণ করেন ও আপনাকে সরল পথে পরিচালিত করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেন তোমার পূর্বের ও পরের পাপ ক্ষমা করেন, তোমার উপর তাঁর নিআমত পূর্ণ করেন আর তোমাকে সরল পথের হিদায়াত দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেন ‌ তোমার অতীত ও ভবিষ্যত ত্রুটিসমূহ মার্জনা করেন এবং তোমার প্রতি তাঁহার অনুগ্রহ পূর্ণ করেন ও তোমাকে সরল পথে পরিচালিত করেন,

সমকালীন বাংলা

যেন তোমার অতীত ও ভবিষ্যত ত্রটিসমূহ মার্জনা করেন এবং তোমার প্রতি তাঁহার অনুগ্রহ পূর্ণ করেন ও তোমাকে সরল পথে পরিচালিত করেন,

মুহিউদ্দীন খান

এবং আপনাকে দান করেন বলিষ্ঠ সাহায্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং তোমাকে প্রবল সাহায্য দান করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং ‌ তোমাকে বলিষ্ঠ সাহায্য দান করেন।

সমকালীন বাংলা

তোমাকে বলিষ্ঠ সাহায্য দান করেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেন, যাতে তাদের ঈমানের সাথে আরও ঈমান বেড়ে যায়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই এবং সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনিই মুমিনদের অন্তরে প্রশান্তি নাযিল করেছিলেন যেন তাদের ঈমানের সাথে ঈমান বৃদ্ধি পায়; এবং আসমানসমূহ ও যমীনের বাহিনীগুলো আল্লাহরই; আর হলেন সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেন যেন তাহারা তাহাদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান দৃঢ় করিয়া নেয়, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিনীসমূহ ‌রই এবং ‌ র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

তিনিই মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি দান করেন যেন তাহারা তাহাদের ঈমানের সঙ্গে ঈমান দৃঢ় হয়। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলরে বাহনিীসমূহ আল্লাহরই এবং র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

ঈমান এজন্যে বেড়ে যায়, যাতে তিনি পুরুষ ও নারীদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করান, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। সেথায় তারা চিরকাল বসবাস করবে এবং যাতে তিনি তাদের পাপ মোচন করেন। এটাই আল্লাহর কাছে মহাসাফল্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেন তিনি নারী ও পুরুষকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার নিচ দিয়ে নহরসমূহ প্রবাহিত; সেখানে তারা স্থায়ী হবে; আর তিনি তাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন; আর এটি ছিল আল্লাহর নিকট এক মহাসাফল্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, তিনি পুরুষ ও নারীদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত, যেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে এবং তিনি তাহাদের পাপ মোচন করিবেন ; ইহাই ‌র দৃষ্টিতে মহাসাফল্য।

সমকালীন বাংলা

ইহা এইজন্য যে, তিনি পুরুষ ও নারীদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার নিম্নদেশেনদী প্রবাহিত, যেখানে তাহারা স্থায়ী হইবে এবং তিনি তাহাদের পাপ মোচন করিবেন ; এটাই আল্লাহর কাছে মহাসাফল্য।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাতে তিনি কপট পুরুষ ও কপট বিশ্বাসিনী নারী এবং অংশীবাদী পুরুষ ও অংশীবাদিনী নারীদেরকে শাস্তি দেন, যারা সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষন করে। তাদের জন্য মন্দ পরিনাম। তাদের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন, তাদেরকে অভিশপ্ত করেছেন। এবং তাহাদের জন্যে জাহান্নাম প্রস্তুত রেখেছেন। তাদের প্রত্যাবর্তন স্থল অত্যন্ত মন্দ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যেন তিনি শাস্তি দিতে পারেন মুনাফিক নারী-পুরুষ ও মুশরিক নারী-পুরুষকে যারা সম্পর্কে মন্দ ধারণা পোষণ করে; তাদের উপরই অনিষ্টতা আপতিত হয়। আর তাদের উপর রাগ করেছেন এবং তাদেরকে লা‘নত করেছেন, আর তাদের জন্য প্রস্তুত করেছেন জাহান্নাম; এবং গন্তব্য হি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারী যাহারা ‌ সম্বন্ধে মন্দ ধারণা পোষণ করে তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন। অমঙ্গল চক্র উহাদের জন্য, ‌ উহাদের প্রতি রুষ্ট হইয়াছেন এবং উহাদেরকে লা‘নত করিয়াছেন এবং উহাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত রাখিয়াছেন, উহা কত নিকৃষ্ট আবাস!

সমকালীন বাংলা

আর তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী, মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারী যাহারা আল্লাহর সম্বন্ধে মন্দ ধারণা পোষণ করে তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন। অমঙ্গল চক্র উহাদের জন্য, উহাদের প্রতি রুষ্ট হইয়াছেন এবং উহাদেরকে লা‘নত করিয়াছেন এবং উহাদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত রাখিয়াছেন, উহা কত নিকৃষ্ট আবাস!

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বাহিনীসমূহ আল্লাহরই। পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আল্লাহরই জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের যাবতীয় সৈন্যবাহিনী; এবং মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বাহিণীসমূহ ‌রই এবং ‌ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

আকাশ মন্ডলী পৃথিবীর বাহিণী সমূহের মালিক আল্লাহই এবং পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি অবস্থা ব্যক্তকারীরূপে, সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারীরূপে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তোমাকে পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী রূপে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমাকে প্রেরণ করিয়াছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে,

সমকালীন বাংলা

আমি তোমাকে প্রেরণ করিয়াছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে,

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তোমরা ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর এবং তাঁকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল - সন্ধ্যায় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাতে তোমরা ও তাঁর রাসূলের ওপর ঈমান আন, তাকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পাঠ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাতে তোমরা ‌ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং রাসূলকে শক্তি যোগাও ও তাহাকে সম্মান কর ; সকাল - সন্ধ্যায় ‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘােষণা কর।

সমকালীন বাংলা

যাহাতে তোমরা ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আন এবং রাসূলকে শক্তি যোগাও ও তাঁকে সাহায্য ও সম্মান কর এবং সকাল - সন্ধ্যায় আল্লাহর পবত্রিতা ঘােষণা কর।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আপনার কাছে আনুগত্যের শপথ করে, তারা তো আল্লাহর কাছে আনুগত্যের শপথ করে। আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর রয়েছে। অতএব, যে শপথ ভঙ্গ করে; অতি অবশ্যই সে তা নিজের ক্ষতির জন্যেই করে এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করে; সত্ত্বরই তাকে মহাপুরস্কার দান করবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা তোমার কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে, তারা শুধু আল্লাহরই কাছে বাই‘য়াত গ্রহণ করে; আল্লাহর হাত তাদের হাতের উপর; অতঃপর যে কেউ ওয়াদা ভঙ্গ করলে তার ওয়াদা ভঙ্গের পরিণাম বর্তাবে তারই উপর। আর যে আল্লাহকে দেয়া ওয়াদা পূরণ করবে অচিরেই তাকে মহা পুরস্কার দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা তোমার হাতে বায়‘আত করে তাহারা তো ‌রই হাতে বায়‘আত করে। ‌র হাত তাহাদের হাতের উপর। অতঃপর যে উহা ভঙ্গ করে, উহা ভঙ্গ করিবার পরিণাম তাহারই এবং যে ‌র সঙ্গে অঙ্গীকার র্পূণ করে তিনি অবশ্যই তাহাকে মহাপুরস্কার দিবেন।

সমকালীন বাংলা

যাহারা তোমার হাতে বায়‘আত করে তাহারা তো হাতে বায়‘আত করে। হাত তাহাদের হাতের উপর। অতঃপর যে উহা ভঙ্গ করে, উহা ভঙ্গ করিবার পরিণাম তাহারই নজিরে ক্ষতরি জন্যেই করে এবং যে আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার র্পূণ করে তিনি অবশ্যই তাহাকে মহাপুরস্কার দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

মরুবাসীদের মধ্যে যারা গৃহে বসে রয়েছে, তারা আপনাকে বলবেঃ আমরা আমাদের ধন - সম্পদ ও পরিবার - পরিজনের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। অতএব, আমাদের পাপ মার্জনা করান। তারা মুখে এমন কথা বলবে, যা তাদের অন্তরে নেই। বলুনঃ তোমাদের ক্ষতি অথবা উপকার সাধনের ইচ্ছা করলে কে তাকে বিরত রাখতে পারে? বরং তোমরা যা কর, সে বিষয় পরিপূর্ণ জ্ঞাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

পিছনে পড়ে থাকা বেদুঈনরা তোমাকে অচিরেই বলবে, ‘আমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রেখেছিল; অতএব আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ তারা মুখে তা বলে যা তাদের অন্তরে নেই। বল, ‘ যদি তোমাদের কোন ক্ষতি করতে চান কিংবা কোন উপকার করতে চান, তবে কে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে সকল মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছে তাহারা তোমাকে বলিবে, ‘আমাদের ধন - সম্পদ ও পরিবার - পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রাখিয়াছে, অতএব আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ উহারা মুখে তাহা বলে যাহা উহাদের অন্তরে নাই। উহাদেরকে বল,‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’ তোমাদের কাহারও কোন ক্ষতি কিংবা মঙ্গল সাধনের ইচ্ছা করিলে কে তাঁহাকে নিবৃত্ত করিতে পারে? বস্তুত তোমরা যাহা কর সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’

সমকালীন বাংলা

যে সকল মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছে তাহারা তোমাকে বলিবে, ‘আমাদের ধন - সম্পদ ও পরিবার - পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত রাখিয়াছে, অতএব আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।’ উহারা মুখে তাহা বলে যাহা উহাদের অন্তরে নাই। উহাদেরকে বল,‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’ তোমাদের কাহারও কোন ক্ষতি কিংবা মঙ্গল সাধনের ইচ্ছা করিলে কে তাঁহাকে নিবৃত্ত করিতে পারে? বস্তুত তোমরা যাহা কর সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’

মুহিউদ্দীন খান

বরং তোমরা ধারণ করেছিলে যে, রসূল ও মুমিনগণ তাদের বাড়ী - ঘরে কিছুতেই ফিরে আসতে পারবে না এবং এই ধারণা তোমাদের জন্যে খুবই সুখকর ছিল। তোমরা মন্দ ধারণার বশবর্তী হয়েছিলে। তোমরা ছিলে ধ্বংসমুখী এক সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তোমরা মনে করেছিলে রাসূল ও মুমিনরা তাদের পরিবারের কাছে কখনো ফিরে আসবে না; আর এটি তোমাদের অন্তরে শোভিত করে দেয়া হয়েছিল; আর তোমরা মন্দ ধারণা করেছিলে এবং তোমরা ছিলে ধংসোম্মুখ কওম ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, তোমরা ধারণা করিয়াছিলে যে, রাসূল ও মু’মিনগণ তাহাদের পরিবার - পরিজনের নিকট কখনই ফিরিয়া আসিতে পারিবে না এবং এই ধারণা তোমাদের অন্তরে প্রীতিকর মনে হইয়াছিল; তোমরা মন্দ ধারণা করিয়াছিলে, তোমরা তো ধ্বংসমুখী এক সম্প্রদায় !

সমকালীন বাংলা

না, তোমরা ধারণা করিয়াছিলে যে, রাসূল ও মু’মিনগণ তাহাদের পরিবার - পরিজনের নিকট কখনই ফিরিয়া আসিতে পারিবে না এবং এই ধারণা তোমাদের অন্তরে প্রীতিকর মনে হইয়াছিল; তোমরা মন্দ ধারণা করিয়াছিলে, তোমরা তো ধ্বংসমুখী এক সম্প্রদায় !

মুহিউদ্দীন খান

যারা ও তাঁর রসূলে বিশ্বাস করে না, আমি সেসব কাফেরের জন্যে জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রেখেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যে কেউ ও তাঁর রাসূলের উপর ঈমান আনে না তবে নিশ্চয় আমি কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করেছি জ্বলন্ত আগুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আনে না, আমি সেই সব কাফিরের জন্য জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রাখিয়াছি।

সমকালীন বাংলা

যাহারা ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আনে না, আমি সেই সব কাফিরের জন্য জ্বলন্ত অগ্নি প্রস্তুত রাখিয়াছি।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আসমানসমূহ ও যমীনের সার্বভৌমত্ব আল্লাহর; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। আর অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব ‌রই, তিনি যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সমকালীন বাংলা

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব তিনি যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং যাহাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ ধন - সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাবে, তখন যারা পশ্চাতে থেকে গিয়েছিল, তারা বলবেঃ আমাদেরকেও তোমাদের সঙ্গে যেতে দাও। তারা আল্লাহর কালাম পরিবর্তন করতে চায়। বলুনঃ তোমরা কখনও আমাদের সঙ্গে যেতে পারবে না। পূর্ব থেকেই এরূপ বলে দিয়েছেন। তারা বলবেঃ বরং তোমরা আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করছ। পরন্তু তারা সামান্যই বোঝে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহে উদ্যোগী হবে তখন পিছনে যারা পড়েছিল অচিরেই তারা বলবে, ‘আমাদেরকে তোমাদের অনুসরণ করতে দাও।’ তারা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করতে চায়। বল, ‘তোমরা কখনো আমাদের অনুসরণ করবে না; আগেই এমনটি বলেছেন।’ অতঃপর অচিরেই তারা বলবে, ‘বরং ত

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাইবে তখন যাহারা পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল তাহারা বলিবে, ‘আমাদেরকে তোমাদের সঙ্গে যাইতে দাও।’ উহারা ‌র প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন করিতে চায়। বল, ‘তোমরা কিছুইতেই আমাদের সঙ্গী হইতে পারিবে না। পূর্বেই এইরূপ ঘোষণা করিয়াছেন।’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ‘তোমরা তো আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করিতেছ।’ বস্তুত উহাদের বোধশক্তি সামন্য।

সমকালীন বাংলা

তোমরা যখন যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সংগ্রহের জন্য যাইবে তখন যাহারা পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল উহাদেরকে বল,‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌’ তোমাদের কাহারও কোন ক্ষতি কিংবা মঙ্গল সাধনের ইচ্ছা করিলে কে তাঁহাকে নিবৃত্ত করিতে পারে? বস্তুত তোমরা যাহা কর সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।’ তাহারা বলিবে, ’আমাদেরকে তোমাদের সঙ্গে যাইতে দাও।’ উহারা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পরিবর্তন করিতে চায়। বল, ’তোমরা কিছুইতেই আমাদের সঙ্গী হইতে পারিবে না। পূর্বেই এইরূপ ঘোষণা করিয়াছেন।’ উহারা অবশ্যই বলিবে, ’তোমরা তো আমাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করিতেছ।’ বস্তুত উহাদের বোধশক্তি সামন্য।

মুহিউদ্দীন খান

গৃহে অবস্থানকারী মরুবাসীদেরকে বলে দিনঃ আগামীতে তোমরা এক প্রবল পরাক্রান্ত জাতির সাথে যুদ্ধ করতে আহুত হবে। তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে, যতক্ষণ না তারা মুসলমান হয়ে যায়। তখন যদি তোমরা নির্দেশ পালন কর, তবে তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দিবেন। আর যদি পৃষ্ঠপ্রদর্শন কর যেমন ইতিপূর্বে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছ, তবে তিনি তোমাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি দিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

পেছনে পড়ে থাকা বেদুঈনদেরকে বল, ‘এক কঠোর যোদ্ধা জাতির বিরুদ্ধে শীঘ্রই তোমাদেরকে ডাকা হবে; তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে অথবা তারা আত্মসমর্পণ করবে। অতঃপর তোমরা যদি আনুগত্য কর তবে তোমাদেরকে উত্তম প্রতিদান দেবেন। আর পূর্বে তোমরা যেমন ফিরে গিয়েছিলে তে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেসব মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল তাহাদেরক বল, ‘তোমরা আহুত হইবে এক প্রবল - পরাক্রান্ত জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে; তোমরা উহাদের সঙ্গে যুদ্ধ করিবে যতক্ষণ না উহারা আত্মসমর্পণ করে করে। তোমরা এই নির্দেশ পালন করিলে তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করিবেন। আর তোমরা যদি পূর্বানুরূপ পৃষ্ঠা প্রদর্শন কর, তিনি তোমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

সমকালীন বাংলা

যে সব মরুবাসী পশ্চাতে রহিয়া গিয়াছিল তাহাদেরক বল, তোমরা আহুত হইবে এক প্রবল পরাক্রান্ত জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতে; তোমরা উহাদের সঙ্গে যুদ্ধ করিবে যতক্ষণ না উহারা আত্মসমর্পণ করে করে। তোমরা এই নির্দেশ পালন করিলে পালন করিলে তোমাদেরকে উত্তম পুরস্কার দান করিবেন। আর তোমরা যদি পূর্বানুরূপ পৃষ্ঠা প্রদর্শন কর, তিনি তোমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

অন্ধের জন্যে, খঞ্জের জন্যে ও রুগ্নের জন্যে কোন অপরাধ নাই এবং যে কেউ ও তাঁর রসূলের অনুগত্য করবে তাকে তিনি জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত হয়। পক্ষান্তরে যে, ব্যক্তি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে, তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অন্ধের কোন অপরাধ নেই, লেংড়ার কোন অপরাধ নেই, অসুস্থের কোন অপরাধ নেই। যে ব্যক্তি ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে তিনি তাকে এমন জান্নাতে দাখিল করাবেন যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। আর যে ব্যক্তি পিছনে ফিরে যাবে তিনি তাকে যন্ত্রণাদায়ক আযাব দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অন্ধের জন্য কোন অপরাধ নাই, খঞ্জের জন্য কোন অপরাধ নাই এবং পীড়িতের জন্য কোন অপরাধ নাই; এবং যে কেহ ‌ ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিবে ‌ তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত; কিন্তু যে ব্যক্তি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে তিনি তাহাকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

সমকালীন বাংলা

অন্ধের জন্য কোন অপরাধ নাই, খঞ্জের জন্য কোন অপরাধ নাই এবং পীড়িতের জন্য কোন অপরাধ নাই; এবং যে কেহ ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিবে তাহাকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার নিম্নদেশেনদী প্রবাহিত; কিন্তু যে ব্যক্তি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে তিনি তাহাকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিবেন।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেন, যখন তারা বৃক্ষের নীচে আপনার কাছে শপথ করল। অবগত ছিলেন যা তাদের অন্তরে ছিল। অতঃপর তিনি তাদের প্রতি প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে আসন্ন বিজয় পুরস্কার দিলেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই মুমিনদের উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন, যখন তারা গাছের নিচে আপনার হাতে বাই‘আত গ্রহণ করেছিল; অতঃপর তিনি তাদের অন্তরে কী ছিল তা জেনে নিয়েছেন, ফলে তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদেরকে পুরস্কৃত করলেন নিকটবর্তী বিজয় দিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তো মু’মিনগণের উপর সন্তুষ্ট হইলেন যখন তাহারা বৃক্ষতলে তোমার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করিল, তাহাদের অন্তরে যাহা ছিল তাহা তিনি অবগত ছিলেন; তাহাদেরকে তিনি দান করিলেন প্রশান্তি এবং তাহাদেরকে পুরস্কার দিলেন আসন্ন বিজয়

সমকালীন বাংলা

তো মু’মিনগণের উপর সন্তুষ্ট হইলেন যখন তাহারা বৃক্ষতলে তোমার নিকট বায়‘আত গ্রহণ করিল, তাহাদের অন্তরে যাহা ছিল তাহা তিনি অবগত ছিলেন; তাহাদেরকে তিনি দান করিলেন প্রশান্তি এবং তাহাদেরকে পুরস্কার দিলেন আসন্ন বিজয়

মুহিউদ্দীন খান

এবং বিপুল পরিমাণে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ, যা তারা লাভ করবে। পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর বিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দিয়ে যা তারা গ্রহণ করবে; আর হলেন মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধে লভ্য সম্পদ, যাহা উহারা হস্তগত করিবে ; ‌ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

সমকালীন বাংলা

ও বিপুল পরিমাণ যুদ্ধে লভ্য সম্পদ, যাহা উহারা হস্তগত করিবে ; পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সম্পদের ওয়াদা দিয়েছেন, যা তোমরা লাভ করবে। তিনি তা তোমাদের জন্যে ত্বরান্বিত করবেন। তিনি তোমাদের থেকে শত্রুদের স্তব্দ করে দিয়েছেন - যাতে এটা মুমিনদের জন্যে এক নিদর্শন হয় এবং তোমাদেরকে সরল পথে পরিচালিত করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে প্রভূত গনীমতের ওয়াদা দিয়েছেন যা তোমরা গ্রহণ করবে; অতঃপর এগুলি আগে দিয়েছেন; আর মানুষের হাত তোমাদের থেকে ফিরিয়ে রেখেছেন এবং যাতে এটি মুমিনদের জন্য একটি নিদর্শন হয়, আর তিনি তোমাদেরকে সরল পথ দেখান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন যুদ্ধে লভ্য বিপুল সম্পদের যাহার অধিকারী হইবে তোমরা। তিনি ইহা তোমাদের জন্য ত্বরান্বিত করিয়াছেন এবং তিনি তোমাদের হইতে মানুষের হস্ত নিবারিত করিয়াছেন যেন ইহা হয় মু’মিনদের জন্য এক নিদর্শন এবং ‌ তোমাদেরকে পরিচালিত করেন সরল পথে;

সমকালীন বাংলা

তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন যুদ্ধে লভ্য বিপুল সম্পদের যাহার অধিকারী হইবে তোমরা। তিনি ইহা তোমাদের জন্য ত্বরান্নিত করিয়াছেন এবং তিনি তোমাদের হইতে মানুষের হস্তনিবারিত করিয়াছেন যেন ইহা হয় মু’মিনদের জন্য এক নিদর্শন এবং তোমাদেরকে পরিচালিত করেন সরল পথে;

মুহিউদ্দীন খান

আর ও একটি বিজয় রয়েছে যা এখনও তোমাদের অধিকারে আসেনি, তা বেষ্টন করে আছেন। সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আরেকটি এখনো তোমরা যা অর্জন করতে সক্ষম হওনি। কিন্তু তা বেষ্টন করে রেখেছেন। আর সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আরও রহিয়াছে যাহা এখনও তোমাদের অধিকারে আসে নাই, উহা তো ‌ আয়ত্তে রাখিয়াছেন। ‌ র্সববিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সমকালীন বাংলা

এবং আরও রহিয়াছে যাহা এখনও তোমাদের অধিকারে আসে নাই, উহা তো আয়ত্তে বষ্টেন করে আছনে। র্সববিষয়ে ক্ষমতাবান।

মুহিউদ্দীন খান

যদি কাফেররা তোমাদের মোকাবেলা করত, তবে অবশ্যই তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করত। তখন তারা কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পেত না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করেছে তারা যদি তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে তবে অবশ্যই তারা পিঠ দেখিয়ে পালাবে। তারপর তারা কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা তোমাদের মুকাবিলা করিলে উহারা অবশ্যই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিত, তখন উহারা কোন অভিভাবক ও সাহায্য - কারী পাইত না।

সমকালীন বাংলা

কাফিররা তোমাদের মুকাবিলা করিলে উহারা অবশ্যই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিত, তখন উহারা কোন অভিভাবক ও সাহায্য - কারী পাইত না।

মুহিউদ্দীন খান

এটাই আল্লাহর রীতি, যা পূর্ব থেকে চালু আছে। তুমি আল্লাহর রীতিতে কোন পরিবর্তন পাবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের পূর্বে যারা গত হয়েছে তাদের ব্যাপারে এটি আল্লাহর নিয়ম; আর তুমি আল্লাহর নিয়মে কোন পরিবর্তন পাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাই ‌র বিধান - প্রাচীন কাল হইতে চলিয়া আসিতেছে, তুমি ‌র বিধানে কোন পরিবর্তন পাইবে না।

সমকালীন বাংলা

ইহাই আল্লাহর বিধান - প্রাচীন কাল হইতে চলিয়া আসিতেছে, তুমি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি মক্কা শহরে তাদের হাত তোমাদের থেকে এবং তোমাদের হাত তাদের থেকে নিবারিত করেছেন তাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করার পর। তোমরা যা কিছু কর, তা দেখেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনিই মক্কা উপত্যকায় তোমাদেরকে তাদের উপর বিজয়ী করার পর তাদের হাত তোমাদের থেকে এবং তোমাদের হাত তাদের থেকে ফিরায়ে রেখেছেন। আর তোমরা যা আমল কর, হলেন তার সম্যক দ্রষ্টা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি মক্কা উপত্যকায় উহাদের হস্ত তোমাদের হইতে এবং তোমাদের হস্ত উহাদের হইতে নিবারিত করিয়াছেন, উহাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করিবার পর, তোমরা যাহা কিছু কর ‌ তাহা দেখেন।

সমকালীন বাংলা

তিনি মক্কা উপত্যকায় উহাদের হস্ত তোমাদের হইতে এবং তোমাদের হস্ত উহাদের হইতে নিবারিত করিয়াছেন, উহাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করিবার পর, তোমরা যা কছিু কর, তা দেখেন।

মুহিউদ্দীন খান

তারাই তো করেছে এবং বাধা দিয়েছে তোমাদেরকে মসজিদে হারাম থেকে এবং অবস্থানরত কোরবানীর জন্তুদেরকে যথাস্থানে পৌছতে। যদি মক্কায় কিছুসংখ্যক পুরুষ ও নারী না থাকত, যাদেরকে তোমরা জানতে না। অর্থাৎ তাদের পিষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা না থাকত, অতঃপর তাদের কারণে তোমরা অজ্ঞাতসারে ক্ষতিগ্রস্ত হতে, তবে সব কিছু চুকিয়ে দেয়া হত; কিন্তু এ কারণে চুকানো হয়নি, যাতে তা’আলা যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতে দাখিল করে নেন। যদি তারা সরে যেত, তবে আমি অবশ্যই তাদের মধ্যে যারা তাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শস্তি দিতাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারাইতো করেছিল এবং তোমাদেরকে আল-মাসজিদুল হারাম থেকে বাধা দিয়েছিল আর কুরবানীর পশুগুলোকে কুরবানীর স্থানে পৌঁছতে বাধা দিয়েছিল। যদি পুরুষরা ও নারীরা না থাকত, যাদের সম্পর্কে তোমরা জান না যে, তোমরা অজ্ঞাতসারে তাদেরকে পদদলিত করবে, ফলে তাদের কার

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই তো করিয়াছিল এবং নিবৃত্ত করিয়াছিল তোমাদেরকে মসজিদুল - হারাম হইতে ও বাধা দিয়াছিল কুরবানীর জন্য আবদ্ধ পশুগুলিকে যথাস্থানে পৌঁছিতে। তোমাদেরকে যুদ্ধের আদেশ দেওয়া হইত যদি না থাকিত এমন কতক নর ও নারী যাহাদেরকে তোমরা জান না, তোমরা তাহাদেরকে পদদলিত করিতে অজ্ঞাতসারে, ফলে তাহাদের কারণে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে। যুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় নাই এইজন্য যে, তিনি যাহাকে ইচ্ছা নিজ অনুগ্রহ দান করিবেন। যদি উহারা পৃথক হইত, আমি উহাদের মধ্যে কাফিরদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিতাম।

সমকালীন বাংলা

উহারাই তো করিয়াছিল এবং নিবৃত্ত করিয়াছিল তোমাদেরকে মসজিদুল - হারাম হইতে ও বাধা দিয়াছিল কুরবানীর জন্য আবদ্ধ পশুগুলিকে যথাস্থানে পৌঁছিতে। তোমাদেরকে যুদ্ধের আদেশ দেওয়া হইত যদি না থাকিত এমন কতক নর ও নারী যাহাদেরকে তোমরা জান না, তোমরা তাহাদেরকে পদদলিত করিতে অজ্ঞাতসারে, ফলে তাহাদের কারণে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হইতে। যুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় নাই এইজন্য যে, তিনি যাহাকে ইচ্ছা নিজ অনুগ্রহ দান করিবেন। যদি উহারা পৃথক হইত, আমি উহাদের মধ্যে কাফিরদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দিতাম।

মুহিউদ্দীন খান

কেননা, কাফেররা তাদের অন্তরে মূর্খতাযুগের জেদ পোষণ করত। অতঃপর তাঁর রসূল ও মুমিনদের উপর স্বীয় প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাদের জন্যে সংযমের দায়িত্ব অপরিহার্য করে দিলেন। বস্তুতঃ তারাই ছিল এর অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন কাফিররা তাদের অন্তরে আত্ম-অহমিকা পোষণ করেছিল, জাহিলী যুগের আহমিকা। তখন তাঁর রাসূলের উপর ও মুমিনদের উপর স্বীয় প্রশান্তি নাযিল করলেন এবং তাকওয়ার বাণী তাদের জন্য অপরিহার্য করলেন, আর তারাই ছিল এর সর্বাধিক উপযুক্ত ও এর অধিকারী। আর হলেন প্রত্য

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিত গোত্রীয় অহমিকা - অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন ‌ তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদেরকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন ; আর তাহাদেরকে তাক্ওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিল ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। ‌ সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখেন।

সমকালীন বাংলা

যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিত গোত্রীয় অহমিকা - অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদেরকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন ; আর তাহাদেরকে তাক্ওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিল ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। র্সববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর রসূলকে সত্য স্বপ্ন দেখিয়েছেন। চাহেন তো তোমরা অবশ্যই মসজিদে হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে মস্তকমুন্ডিত অবস্থায় এবং কেশ কর্তিত অবস্থায়। তোমরা কাউকে ভয় করবে না। অতঃপর তিনি জানেন যা তোমরা জান না। এছাড়াও তিনি দিয়েছেন তোমাদেরকে একটি আসন্ন বিজয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই তাঁর রাসূলকে স্বপ্নটি যথাযথভাবে সত্যে পরিণত করে দিয়েছেন। তোমরা ইনশাআল্লাহ নিরাপদে তোমাদের মাথা মুন্ডন করে এবং চুল ছেঁটে নির্ভয়ে আল-মাসজিদুল হারামে অবশ্যই প্রবেশ করবে। অতঃপর জেনেছেন যা তোমরা জানতে না। সুতরাং এ ছাড়াও তিনি দিলেন এক নিকটব

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ‌ তাঁহার রাসূলকে স্বপ্নটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করিয়া দেখাইয়াছেন, ‌র ইচ্ছায় তোমরা অবশ্যই মস্‌জিদুল - হারামে প্রবেশ করিবে নিরাপদে - তোমাদের কেহ কেহ মস্তক মুণ্ডিত করিবে আর কেহ কেহ কেশ কর্তন করিবে। তোমাদের কোন ভয় থাকিবে না। ‌ জানেন তোমরা যাহা জান না। ইহা ছাড়াও তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন এক সদ্য বিজয়।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তাঁহার রাসূলকে স্বপ্নটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করিয়া দেখাইয়াছেন, এছাড়াও তিনি দয়িছেনে তা তোমাদেরকে একটি আসন্ন বজিয়। ইচ্ছায় তোমরা অবশ্যই মস্জিদুল - হারামে প্রবেশ করিবে নিরাপদে - তোমাদের কেহ কেহ মস্তক মুণ্ডিত করিবে আর কেহ কেহ কেশ কর্তন করিবে। তোমাদের কোন ভয় থাকিবে না। জানেন তোমরা যাহা জান না। ইহা ছাড়াও তিনি তোমাদেরকে দিয়াছেন এক সদ্য বিজয়।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তাঁর রসূলকে হেদায়েত ও সত্য ধর্মসহ প্রেরণ করেছেন, যাতে একে অন্য সমস্ত ধর্মের উপর জয়যুক্ত করেন। সত্য প্রতিষ্ঠাতারূপে যথেষ্ট।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি এটাকে সকল দীনের উপর বিজয়ী করতে পারেন। আর সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনিই তাঁহার রাসূলকে পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করিয়াছেন, অপর সমস্ত দীনের উপর ইহাকে জয়যুক্ত করিবার জন্য। আর সাক্ষী হিসাবে ‌ই যথেষ্ট।

সমকালীন বাংলা

তিনিই তাঁহার রাসূলকে পথনির্দেশ ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করিয়াছেন, অপর সমস্ত দীনের উপর ইহাকে জয়যুক্ত করেন সত্য প্রতষ্ঠিাতারূপে যথষ্টে।

মুহিউদ্দীন খান

মুহাম্মদ আল্লাহর রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল। আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন। তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন । তওরাতে তাদের অবস্থা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্থা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে - চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে - যাতে তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল এবং তার সাথে যারা আছে তারা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর; পরস্পরের প্রতি সদয়, তুমি তাদেরকে রুকূকারী, সিজদাকারী অবস্থায় দেখতে পাবে। তারা আল্লাহর করুণা ও সন্তুষ্টি অনুসন্ধান করছে। তাদের আলামত হচ্ছে, তাদের চেহারায় সিজদার চি‎হ্ন থাকে। এটা

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুহাম্মদ ‌র রাসূল ; তাঁহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল ; ‌র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদেরকে রুকূ‘ ও সিজ্‌দায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষণ তাহাদের মুখমণ্ডলে সিজ্‌দার প্রভাবে পরিস্ফুটিত থাকিবে ; তাওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জীলেও তাহাদের বর্ণনা এইরূপই। তাহাদের দৃষ্টান্ত একটি চারাগাছ, যাহা হইতে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কাণ্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যাহা চাষীর জন্য আনন্দদায়ক। এইভাবে ‌ মু’মিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা কাফিরদের অন্তর্জ্বালা সৃষ্টি করেন। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে ‌ তাহাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সমকালীন বাংলা

মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল; তাঁহার সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাহাদেরকে রুকূ‘ ও সিজ্দায় অবনত দেখিবে। তাহাদের লক্ষণ তাহাদের মুখমণ্ডলে সিজ্দার প্রভাবে পরিস্ফুটিত থাকিবে; তাওরাতে তাহাদের বর্ণনা এইরূপ এবং ইঞ্জীলেও তাহাদের বর্ণনা এইরূপই। তাহাদের দৃষ্টান্তএকটি চারাগাছ, যাহা হইতে নির্গত হয় কিশলয়, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কাণ্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যাহা চাষীর জন্য আনন্দদায়ক। এইভাবে মু’মিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা কাফিরদের অন্তর্জ্বালা সৃষ্টি করেন। যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহর তাহাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme