Kitab

আল যারিয়াত

Chapter 51, 60 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান

কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম ধূলিঝড়ের,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর, পানির বোঝা বহনকারী মেঘমালার,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর মৃদুগতিতে চলমান নৌযানসমূহের,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর [আল্লাহর] নির্দেশ বণ্টনকারী ফেরেশতাগণের।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা যে ওয়াদাপ্রাপ্ত হয়েছ তা অবশ্যই সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

ইনসাফ অবশ্যম্ভাবী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় প্রতিদান অবশ্যম্ভাবী।

মুহিউদ্দীন খান

পথবিশিষ্ট আকাশের কসম,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম সৌন্দর্যমন্ডিত আকাশের

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তো বিরোধপূর্ণ কথা বলছ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমরা মতবিরোধপূর্ণ কথায় লিপ্ত।

মুহিউদ্দীন খান

যে ভ্রষ্ট, সেই এ থেকে মুখ ফিরায়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে পথভ্রষ্ট হয়েছে তাকেই তা থেকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক,

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যাচারীরা ধ্বংস হোক!

মুহিউদ্দীন খান

যারা উদাসীন, ভ্রান্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা সন্দেহ-সংশয়ে নিপতিত, উদাসীন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা জিজ্ঞাসা করে, ‘প্রতিদান দিবস’ কবে’?

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তারা অগ্নিতে পতিত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যে দিন তারা অগ্নিতে সাজাপ্রাপ্ত হবে’।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর। তোমরা একেই ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বলা হবে, ‘তোমাদের আযাব আস্বাদন কর, এটিতো ‘তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে।’

মুহিউদ্দীন খান

খোদাভীরুরা জান্নাতে ও প্রস্রবণে থাকবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাতসমূহে ও ঝর্ণাধারায়,

মুহিউদ্দীন খান

এমতাবস্থায় যে, তারা গ্রহণ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদেরকে দেবেন। নিশ্চয় ইতিপূর্বে তারা ছিল সৎকর্মপরায়ণ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের রব তাদের যা দিবেন তা তারা খুশীতে গ্রহণকারী হবে। ইতঃপূর্বে এরাই ছিল সৎকর্মশীল।

মুহিউদ্দীন খান

তারা রাত্রির সামান্য অংশেই নিদ্রা যেত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাতো।

মুহিউদ্দীন খান

রাতের শেষ প্রহরে তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর রাতের শেষ প্রহরে এরা ক্ষমা চাওয়ায় রত থাকত।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদের ধন - সম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক ছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের ধনসম্পদে রয়েছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক।

মুহিউদ্দীন খান

বিশ্বাসকারীদের জন্যে পৃথিবীতে নিদর্শনাবলী রয়েছে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুনিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য যমীনে অনেক নিদর্শন রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও, তোমরা কি অনুধাবন করবে না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের নিজদের মধ্যেও। তোমরা কি চক্ষুষ্মান হবে না?

মুহিউদ্দীন খান

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযিক ও প্রতিশ্রুত সবকিছু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আকাশে রয়েছে তোমাদের রিয্ক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব আসমান ও যমীনের রবের কসম, তোমরা যে কথা বলে থাক তার মতই এটি সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার কাছে কি ইবরাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে?

মুহিউদ্দীন খান

যখন তারা তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বললঃ সালাম, তখন সে বললঃ সালাম। এরা তো অপরিচিত লোক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তারা তার কাছে আসল এবং বলল, ‘সালাম’, উত্তরে সেও বলল, ‘সালাম’। এরা তো অপরিচিত লোক।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে গ্রহে গেল এবং একটি ঘৃতেপক্ক মোটা গোবৎস নিয়ে হাযির হল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে দ্রুত চুপিসারে নিজ পরিবারবর্গের কাছে গেল এবং একটি মোটা-তাজা গো- (ভাজা) নিয়ে আসল।

মুহিউদ্দীন খান

সে গোবৎসটি তাদের সামনে রেখে বললঃ তোমরা আহার করছ না কেন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তা তাদের সামনে পেশ করল এবং বলল, ‘তোমরা কি খাবে না?’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হলঃ তারা বললঃ ভীত হবেন না। তারা তাঁকে একট জ্ঞানীগুণী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এতে তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হল। তারা বলল, ‘ভয় পেয়োনা, তারা তাকে এক বিদ্বান পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল’।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাঁর স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এল এবং মুখ চাপড়িয়ে বললঃ আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তখন তার স্ত্রী চিৎকার করতে করতে এগিয়ে আসল এবং নিজ মুখ চাপড়িয়ে বলল, ‘বৃদ্ধা-বন্ধ্যা’।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ তোমার পালনকর্তা এরূপই বলেছেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘তোমার রব এরূপই বলেছেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ’।

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম বললঃ হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবরাহীম বলল, ‘হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কী?

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ আমরা এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলল, ‘আমরা এক অপরাধী কওমের প্রতি প্রেরিত হয়েছি’।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তাদের উপর মাটির ঢিলা নিক্ষেপ করি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যাতে তাদের উপর মাটির শক্ত ঢেলা নিক্ষেপ করি’।

মুহিউদ্দীন খান

যা সীমাতিক্রমকারীদের জন্যে আপনার পালনকর্তার কাছে চিহ্নিত আছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘যা তোমার রবের পক্ষ থেকে চি‎‎‎হ্নিত সীমালংঘনকারীদের জন্য’।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সেখানে যারা ছিল, আমি তাদেরকে উদ্ধার করলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সেখানে যেসব ছিল আমি তাদেরকে বের করে নিয়ে আসলাম।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেখানে একটি গৃহ ব্যতীত কোন মুসলমান আমি পাইনি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে আমি সেখানে একটি বাড়ী ছাড়া কোন মুসলমান পাইনি।

মুহিউদ্দীন খান

যারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয় করে, আমি তাদের জন্যে সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদের জন্য সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি যারা যন্ত্রণাদায়ক আযাবকে ভয় করে ।

মুহিউদ্দীন খান

এবং নিদর্শন রয়েছে মূসার বৃত্তান্তে; যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফেরাউনের কাছে প্রেরণ করেছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মূসার কাহিনীতেও নিদর্শন রয়েছে, যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে শক্তিবলে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বললঃ সে হয় যাদুকর, না হয় পাগল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে তার দলবলসহ মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বলল, ‘এ ব্যক্তি যাদুকর অথবা উম্মাদ।’

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাকে ও তার সেনাবাহিনীকে পাকড়াও করলাম এবং তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে ছিল অভিযুক্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে আমি তাকে ও তার সৈন্য-সামন্তকে পাকড়াও করলাম। অতঃপর তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে তো ছিল তিরস্কৃত।

মুহিউদ্দীন খান

এবং নিদর্শন রয়েছে তাদের কাহিনীতে; যখন আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম অশুভ বায়ু।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ‘আদ জাতির ঘটনায়ও (নিদর্শন রয়েছে), যখন আমি তাদের উপর প্রেরণ করেছিলাম অমঙ্গলজনক বায়ু।

মুহিউদ্দীন খান

এই বায়ু যার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিলঃ তাকেই চুর্ণ - বিচুর্ণ করে দিয়েছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ঐ বায়ু যার উপরে এসেছিল তাকে রেখে যায়নি, বরং সবকিছুকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

আরও নিদর্শন রয়েছে সামূদের ঘটনায়; যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, কিছুকাল মজা লুটে নাও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সামূদ জাতির ঘটনায়ও (নিদর্শন রয়েছে)। যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল, ‘একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত ভোগ করে নাও’।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা তাদের পালনকর্তার আদেশ অমান্য করল এবং তাদের প্রতি বজ্রঘাত হল এমতাবস্থায় যে, তারা তা দেখেছিল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাদের রবের আদেশ সম্পর্কে ঔদ্ধত্য প্রকাশ করল। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল, আর তারা তা দেখছিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা দাঁড়াতে সক্ষম হল না এবং কোন প্রতিকারও করতে পারল না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা উঠে দাঁড়াতে পারল না এবং প্রতিরোধও করতে পারল না।

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইতিপূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি। নিশ্চিতই তারা ছিল পাপাচারী সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ইতঃপূর্বে নূহের কওমকেও (আমি ধ্বংস করে দিয়েছিলাম)। নিশ্চয় তারা ছিল ফাসিক কওম।

মুহিউদ্দীন খান

আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি হাতসমূহ দ্বারা আকাশ নির্মাণ করেছি এবং নিশ্চয় আমি শক্তিশালী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি যমীনকে বিছিয়ে দিয়েছি। আমি কতইনা সুন্দর বিছানা প্রস্তুতকারী!

মুহিউদ্দীন খান

আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রত্যেক বস্তু থেকে আমি জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি। আশা করা যায়, তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তো তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা আল্লাহর সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা আল্লাহর সাথে কোন নির্ধারণ করো না; আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য এক স্পষ্ট সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের কাছে যখনই কোন রসূল আগমন করেছে, তারা বলছেঃ যাদুকর, না হয় উম্মাদ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এভাবে তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে যে রাসূলই এসেছে, তারা বলেছে, ‘এ তো একজন যাদুকর অথবা উন্মাদ।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি একে অপরকে এই উপদেশই দিয়ে গেছে? বস্তুতঃ ওরা দুষ্ট সম্প্রদায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি একে অন্যকে এ বিষয়ে ওসিয়াত করেছে? বরং তারা সীমালংঘনকারী কওম।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। এতে আপনি অপরাধী হবেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, তুমি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, এতে তুমি তিরস্কৃত হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং বোঝাতে থাকুন; কেননা, বোঝানো মুমিনদের উপকারে আসবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এবং উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।

মুহিউদ্দীন খান

আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তাদের কাছে কোন রিয্ক চাই না; আর আমি চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিবে।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আল্লাহই রিয্কদাতা, তিনি শক্তিধর, পরাক্রমশালী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই, যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল। কাজেই ওরা যেন আমার কাছে তা তাড়াতাড়ি না চায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা যুলম করেছে তাদের জন্য রয়েছে তাদের সমমনাদের অনুরূপ আযাব; সুতরাং তারা যেন আমার কাছে (আযাবের) তাড়াহুড়া না করে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, কাফেরদের জন্যে দুর্ভোগ সেই দিনের, যেদিনের প্রতিশ্রুতি ওদেরকে দেয়া হয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, যারা করে তাদের জন্য ধ্বংস সেদিনের যেদিনের ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme