Kitab

আল ত্বালাক্ব

Chapter 65, 12 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বাংলা উচ্চারণ
মুহিউদ্দীন খান

হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দেয়ার উদ্যোগ নাও, তখন তাদের তালাক দেবে ইদ্দত পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতের হিসাব রাখবে। তোমাদের প্রভু আল্লাহকে ভয় করবে। তাদের বের করে দিয়োনা তাদের ঘর থেকে এবং তারা নিজেরাও যেনো বের হয়ে না যায়। তবে যদি তারা স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়, সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। এগুলো আল্লাহর হুদুদ (আইন)। যে কেউ লংঘন করবে আল্লাহর হুদুদ, সে নিজের প্রতিই যুলুম করবে। তুমি জানোনা, হয়তো এরপর বের করে দেবেন কোনো উপায়।

বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম ইয়া য় আইয়্যুহান্ নাবিয়্যু ইযা-ত্বোয়াল্লাকতুমুন্ নিসা-য়া ফাত্বোয়াল্লিকূ হুন্না লিই'দ্দাতিহিন্না অআহ্ছুল্ ই'দ্দাতা অত্তাকুল্লা-হা রব্বাকুম্ লা-তুখ্রিজহুন্না মিম্ বুইয়ূতিহিন্না অলা-ইয়াখ্রুজনা ইল্লা য় আইঁ ইয়া”তীনা বিফা-হিশাতিম্ মুবাইয়্যিনাহ্ অতিল্কা হুদূদুল্লা-হ্ অমাইঁয়্যাতা'আদ্দা হুদূদাল্লা-হি ফাক্বদ্ জোয়ালামা নাফ্সাহ্ লা-তাদ্রী লা 'আল্লা-হা ইয়ুহ্দিছূ বা'দা যা-লিকা আম্র-।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে। তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য দিবে। এতদ্দ্বারা যে ব্যক্তি ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাকে উপদেশ দেয়া হচ্ছে। আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্যে নিস্কৃতির পথ করে দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের ইদ্দতকাল পূর্ণ হয়ে আসবে, তখন তোমরা হয় প্রচলিত উত্তম পন্থায় তাদের রেখে দেবে, নতুবা প্রচলিত উত্তম পন্থায় তাদের বিদায় করে দেবে। আর এ সময় তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিকে সাক্ষী রাখবে এবং তোমরা আল্লাহর জন্যে সঠিক সাক্ষ্য দেবে। এর মাধ্যমে উপদেশ দেয়া হচ্ছে তোমাদের যারা ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে, তাদেরকে। যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, তিনি তার জন্যে বের হবার পথ খোলাসা করে দেবেন,

বাংলা উচ্চারণ

ফাইযা- বালাগ্না আজ্বালাহুন্না ফাআম্সিকূ হুন্না বিমা'রূফিন্ আওফা-রিকুহুন্না বিমা'রূফিঁও অআশ্হিদূ যাওয়াই 'আদ্লিম্ মিন্কুম্ অ আক্বীমুশ্ শাহা-দাতা লিল্লা-হ্ যা-লিকুম্ ইয়ূ 'আজু বিহী মান্ কা-না ইয়ুমিনূ বিল্লা-হি অল্ইয়াওমিল্ আ-র্খি অমাইঁ ইয়াত্তাক্বি ল্লা-হা ইয়াজ'আল্ লাহূ মাখ্রজ্বা-।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিযিক দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট। তার কাজ পূর্ণ করবেন। সবকিছুর জন্যে একটি পরিমাণ স্থির করে রেখেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তাকে রিযিক দেবেন এমন উৎস থেকে যা সে ধারণাই করেনি। যে কেউ তাওয়াক্কুল করবে আল্লাহর উপর, তিনিই তার জন্যে যথেষ্ট। তাঁর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেনই। তিনি প্রতিটি বস্ত্তর জন্যে নির্ধারণ করেছেন পরিমাণ ও মাত্রা।

বাংলা উচ্চারণ

অইর্য়াযুকহু মিন্ হাইছু লা-ইয়াহ্তাসিব্ অমাইঁ ইয়া তাওয়াক্কাল্ 'আলাল্লা-হি ফাহুওয়া হাস্বুহ্ ইন্নাল্লা-হা বা-লিগু আম্রিহ্ ক্বদ্ জ্বা'আলাল্লা-হু লিকুল্লি শাইয়িন্ ক্বদ্রা।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস। আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে। গর্ভবর্তী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তানপ্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার কাজ সহজ করে দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যেসব স্ত্রী মাসিক স্রাব হওয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়েছে, তাদের ইদ্দতকাল সম্পর্কে তোমাদের সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দতকাল তিন মাস। আর যাদের এখনো মাসিক হতে শুরুই করেনি, তাদের ইদ্দতকালও অনুরূপ (তিন মাস)। আর গর্ভবতীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তার সমস্যার সমাধান সহজ করে দেবেন।

বাংলা উচ্চারণ

অল্লা-য়ী ইয়াইস্না মিনাল্ মাহীদ্বি মিন্ নিসা-য়িকুম্ ইর্নি তাব্তুম্ ফা'ইদ্দাতুহুন্না ছালা-ছাতু আশ্হুরিঁও অল্লা-য়ী লাম্ ইয়াহিদ্ব্ন্ অ ঊলা-তুল্ আহ্মা-লি আজ্বালুহুন্না আইঁ ইয়াদ্বোয়া'না হাম্লাহুন্ অমাইঁইয়াত্তাক্বিল্লা-হা ইয়াজ'আল্ লাহূ মিন্ আম্রিহী ইয়ুস্র-।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর নির্দেশ, যা তিনি তোমাদের প্রতি নাযিল করেছেন। যে আল্লাহকে ভয় করে, তার পাপ মোচন করেন এবং তাকে মহাপুরস্কার দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ হলো আল্লাহর বিধান, তিনি তা নাযিল করেছেন তোমাদের প্রতি। যে আল্লাহকে ভয় করবে, তার পাপ মুছে দেবেন এবং বড় করে দেবেন তার পুরস্কার।

বাংলা উচ্চারণ

যা-লিকা আম্রুল্লা-হি আন্যালাহূয় ইলাইকুম্ অমাইঁ ইয়াত্তাক্বিল্লা-হা ইয়ুকার্ফ্ফি 'আন্হু সাইয়িয়া-তিহী অইয়ু'জিম্ লাহূয় আজর-।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও। তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে। যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে। তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তোমাদের সামর্থ অনুযায়ী যে ধরণের ঘরে বাস করো, তাদেরকেও সে ধরণের ঘরে বাস করতে দেবে। তাদের উত্যক্ত করোনা তাদেরকে সংকটে ফেলার উদ্দেশ্যে। তারা গর্ভবতী হয়ে থাকলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত তাদের নফকা (খোরপোষ) দাও। যদি তারা তোমাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করায়, তবে তাদের পারিশ্রমিক দেবে এবং সন্তানের কল্যাণ সম্পর্কে তোমরা প্রচলিত উত্তম পন্থায় নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করবে। কিন্তু তোমরা যদি নিজ নিজ দাবিতে অনমনীয় হও, তাহলে তার পক্ষে অন্য নারী বুকের দুধ পান করাবে।

বাংলা উচ্চারণ

আস্কিনূ হুন্না মিন্ হাইছু সাকান্তুম্ মিঁও উজদিকুম্ অলাতুদ্বোয়া -র্ রূহুন্না লিতুদ্বোয়াইয়িকু 'আলাইহিন্ অইন্ কুন্না উলা-তি হাম্লিন্ ফাআন্ফিকু 'আলাইহিন্না হাত্তা-ইয়াদ্বোয়া'না হাম্লাহুন্না ফাইন্ র্আদ্বোয়া'না লাকুম্ ফাআ-তূ হুন্না উজরাহুন্না অ”তামিরূ বাইনাকুম্ বিমা'রূফিন্ অইন্ তা'আ-র্সাতুম্ ফাসার্তুদ্বি'ঊ লাহূ য় উখ্রা-।

মুহিউদ্দীন খান

বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে। যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে। যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয় করার আদেশ কাউকে করেন না। কষ্টের পর সুখ দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সামর্থবানরা নিজেদের সামর্থ অনুযায়ী নফকা দেবে, আর যার জীবিকা সীমিত, সে ব্যয় করবে যা দিয়েছেন তা থেকেই। যা দান করেছেন তার চেয়ে বেশি বোঝা তিনি কোনো ব্যক্তির উপর চাপান না। কাঠিন্যের পর সহজতা দান করেন।

বাংলা উচ্চারণ

লিইয়ুন্ফিক যূ সা'আতিম্ মিন্ সা'আতিহ্ অমান্ কুদিরা 'আলাইহি রিয্কুহূ ফাল্ইয়ুন্ফিক মিম্মা য় আ-তা-হু ল্লা-হ্ লা-ইয়ুকাল্লিফুল্লা -হু নাফ্সান্ ইল্লা-মা য় আ-তা-হা-সাইয়াজ'আলু ল্লা-হু বা'দা 'উস্রিঁন ইয়ুস্র-।

মুহিউদ্দীন খান

অনেক জনপদ তাদের পালনকর্তা ও তাঁর রসূলগণের আদেশ অমান্য করেছিল, অতঃপর আমি তাদেরকে কঠোর হিসাবে ধৃত করেছিলাম এবং তাদেরকে ভীষণ শাস্তি দিয়েছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো যে জনপদ তাদের প্রভুর এবং তাঁর রসূলের নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করেছে, ফলে আমরা তাদের থেকে নিয়েছি কঠোর হিসাব এবং তাদের আযাব দিয়েছি এক দুঃসহ আযাব।

বাংলা উচ্চারণ

অকায়াইয়িম্ মিন্ র্ক্বইয়াতিন্ 'আতাত্ 'আন্ আম্রি রব্বিহা- অরুসুলিহী ফাহা-সাব্না-হা- হিসা- বান্ শাদীদাঁও অ 'আয্যাব্না-হা-'আযা-বান্ নুক্র-।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করল এবং তাদের কর্মের পরিণাম ক্ষতিই ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের কার্যকলাপের পরিণতির স্বাদ গ্রহণ করেছে আর তাদের কার্যকলাপের পরিণতি ছিলো ক্ষতিকর।

বাংলা উচ্চারণ

ফাযা-ক্বত্ অবা-লা আম্রিহা- অকা-না 'আ-ক্বিবাতু আম্রিহা- খুস্র-।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তত রেখেছেন অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, যারা ঈমান এনেছ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমাদের প্রতি উপদেশ নাযিল করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জন্যে প্রস্ত্তত রেখেছেন কঠোর শাস্তি। সুতরাং আল্লাহকে ভয় করো হে বুঝ - বুদ্ধিওয়ালা লোকেরা, যারা ঈমান এনেছো। তো নাযিল করেছেন তোমাদের প্রতি একটি যিকির (আল কুরআন)

বাংলা উচ্চারণ

আ'আদ্দাল্লা-হু লাহুম্ 'আযা-বান্ শাদীদান্ ফাত্তাকু ল্লা-হা ইয়া য় উলিল্ আল্বা-বি ল্লাযীনা আ-মানূ ক্বদ্ আন্যালাল্লা-হু ইলাইকুম্ যিক্র-।

মুহিউদ্দীন খান

একজন রসূল, যিনি তোমাদের কাছে আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ পাঠ করেন, যাতে ও সৎকর্মপরায়ণদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনয়ন করেন। যে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তিনি তাকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, তথায় তারা চিরকাল থাকবে। তাকে উত্তম রিযিক দেবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এবং) একজন রসূল, যে তিলাওয়াত করে তোমাদের প্রতি আল্লাহর সুস্পষ্ট আয়াত, যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোতে বের করে আনার জন্যে। যে কেউ ঈমান আনবে আল্লাহর প্রতি এবং আমলে সালেহ্ করবে, তাকে তিনি দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল স্থায়ীভাবে। তাকে প্রদান করবেন উত্তম জীবিকা।

বাংলা উচ্চারণ

রসূলাইঁ ইয়াত্লূ 'আলাইকুম্ আ-ইয়া-তিল্লা-হি মুবাইয়িনা-তিল্ লিইয়ুখ্রিজ্বাল্ লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি মিনাজ্ জুলুমা-তি ইলান্ র্নূ অমাইঁইয়ু”মিম্ বিল্লা-হি অইয়া'মাল্ ছোয়া-লিহাইঁ ইয়ুদ্খিল্হু জ্বান্না-তিন্ তাজরী মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্ হা-রু খ-লিদীনা-ফীহা য় আবাদা- ক্বদ্ আহ্সানাল্লা-হু লাহূ রিয্ক্বা-।

মুহিউদ্দীন খান

সপ্তাকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং পৃথিবীও সেই পরিমাণে, এসবের মধ্যে তাঁর আদেশ অবতীর্ণ হয়, যাতে তোমরা জানতে পার যে, সর্বশক্তিমান এবং সবকিছু তাঁর গোচরীভূত।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই তো সৃষ্টি করেছেন সাত আকাশ, পৃথিবী ও অনুরূপ। সেগুলোর মাঝে নাযিল করা হয় তাঁর নির্দেশ, যাতে করে তোমরা বুঝতে পারো প্রতিটি বিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং প্রতিটি বস্ত্তকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন তাঁর জ্ঞান দিয়ে।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লা-হুল্লাযী খলাক্ব সাব্'আ সামা-ওয়া-তিঁও অমিনাল্ র্আদ্বি মিছ্লাহুন্ ইয়াতানায্যালুল্ আম্রু বাইনাহুন্না লিতা'লামূ য় আন্নাল্লা-হা 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ ক্বদীরুঁও অআন্নাল্লা-হা ক্বদ্ আহা-ত্বোয়া বিকুল্লি শাইয়িন্ ই'ল্মা-।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme