You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল মুজাদালাহ
Chapter 58, 22 verses
মুহিউদ্দীন খান
আবদুস শহীদ নাসিম
Arabic, with marks
Transliteration
মুহিউদ্দীন খান
যে নারী তার স্বামীর বিষয়ে আপনার সাথে বাদানুবাদ করছে এবং অভিযোগ পেশ করছে আল্লাহর দরবারে, তার কথা শুনেছেন। আপনাদের উভয়ের কথাবার্তা শুনেন। নিশ্চয় সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
শুনেছেন সেই নারীর কথা, যে তার স্বামীর বিষয়ে বিতর্ক করছে তোমার সাথে এবং শেকায়েত (অভিযোগ, ফরিয়াদ) করছে আল্লাহর কাছে। তোমাদের কথোপকথন শুনেছেন। সব শুনেন, সব দেখেন।
Qad samiAAa Allahu qawla allatee tujadiluka fee zawjiha watashtakee ila Allahi waAllahu yasmaAAu tahawurakuma inna Allaha sameeAAun baseerun
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের মধ্যে যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, তাদের স্ত্রীগণ তাদের মাতা নয়। তাদের মাতা কেবল তারাই, যারা তাদেরকে জন্মদান করেছে। তারা তো অসমীচীন ও ভিত্তিহীন কথাই বলে। নিশ্চয় মার্জনাকারী, ক্ষমাশীল।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের যারা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে তারা জেনে রাখুক তাদের স্ত্রীরা তাদের মা নয়। তাদের মা তো তারাই যারা তাদের জন্ম দিয়েছে। (যারা যিহার করে) তারা একটি অন্যায়, অসংগত ও অসত্য কথাই বলে। নিশ্চয়ই দয়াময় ক্ষমাশীল।
Allatheena yuthahiroona minkum min nisaihim ma hunna ommahatihim in ommahatuhum illa allaee waladnahum wainnahum layaqooloona munkaran mina alqawli wazooran wainna Allaha laAAafuwwun ghafoorun
মুহিউদ্দীন খান
যারা তাদের স্ত্রীগণকে মাতা বলে ফেলে, অতঃপর নিজেদের উক্তি প্রত্যাহার করে, তাদের কাফফারা এই একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একটি দাসকে মুক্তি দিবে। এটা তোমাদের জন্যে উপদেশ হবে। খবর রাখেন তোমরা যা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে যিহার করে, তারপর নিজেদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেয়, তাদের জন্যে বিধান হলো, তারা পরস্পরকে স্পর্শ করার আগে একটি দাসমুক্ত করবে। এভাবেই তোমাদের উপদেশ দেয়া হলো। তোমরা যা করো সে বিষয়ে খবর রাখেন।
Waallatheena yuthahiroona min nisaihim thumma yaAAoodoona lima qaloo fatahreeru raqabatin min qabli an yatamassathalikum tooAAathoona bihi waAllahu bima taAAmaloona khabeerun
মুহিউদ্দীন খান
যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাদিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে। এটা এজন্যে, যাতে তোমরা ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক আযাব।
আবদুস শহীদ নাসিম
এই সামর্থ্য যার নেই, পরস্পরকে স্পর্শ করার আগে সে অবিরাম দুই মাস সিয়াম পালন করবে (রোযা রাখবে)। যে এটা করতেও অসমর্থ হবে, সে ষাটজন মিসকিনকে (অভাবীকে) খাবার খাওয়াবে। এ বিধান দেয়া হলো, যেনো তোমরা ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান রাখো, এটাই আল্লাহর বিধান। আল্লাহর বিধান অমান্যকারীদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
যারা আল্লাহর তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা অপদস্থ হয়েছে, যেমন অপদস্থ হয়েছে তাদের পূর্ববর্তীরা। আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ নাযিল করেছি। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে অপমানজনক শাস্তি।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করে, তাদের অপদস্থ করা হবে, যেমন অপদস্থ করা হয়েছে তাদের আগের লোকদের। আমরা তো সুস্পষ্ট আয়াত নাযিল করেছি। অমান্যকারীদের জন্যে রয়েছে অপমানকর আযাব।
Inna allatheena yuhaddoona Allaha warasoolahu kubitoo kama kubita allatheena min qablihim waqad anzalnaayatin bayyinatin walilkafireena AAathabun muheenun
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন স্মরণীয়; যেদিন তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন, অতঃপর তাদেরকে জানিয়ে দিবেন যা তারা করত। তার হিসাব রেখেছেন, আর তারা তা ভুলে গেছে। আল্লাহর সামনে উপস্থিত আছে সব বস্তুই।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তাদের সবাইকে পুনরুত্থিত করবেন, সেদিন তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে তাদের অবহিত করবেন। তার (তাদের কৃতকর্মের) হিসাব রেখেছেন, কিন্তু তারা তা ভুলে গেছে। প্রতিটি বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শী।
আপনি কি ভেবে দেখেননি যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, তা জানেন। তিন ব্যক্তির এমন কোন পরামর্শ হয় না যাতে তিনি চতুর্থ না থাকেন এবং পাঁচ জনেরও হয় না, যাতে তিনি ষষ্ঠ না থাকেন তারা এতদপেক্ষা কম হোক বা বেশী হোক তারা যেখানেই থাকুক না কেন তিনি তাদের সাথে আছেন, তারা যা করে, তিনি কেয়ামতের দিন তা তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি দেখোনা যে, জানেন মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে? তিন ব্যক্তির মধ্যে কোনো গোপন সলাপরামর্শ হয়না যেখানে চতুর্থজন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেননা। পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয়না, যেখানে ষষ্ঠজন হিসেবে তিনি হাজির থাকেন না। তারা এর চাইতে কম হোক কিংবা বেশি, তিনি তাদের সাথেই থাকেন যেখানেই তারা থাকুক। তারপর কিয়ামতের দিন তিনি তাদের অবহিত করবেন - তারা কী করেছিল? নিশ্চয়ই প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।
Alam tara anna Allaha yaAAlamu ma fee alssamawati wama fee alardi ma yakoonu min najwa thalathatin illa huwa rabiAAuhum wala khamsatin illa huwa sadisuhum wala adna min thalika wala akthara illa huwa maAAahum ayna ma kanoo thumma yunabbiohum bima AAamiloo yawma alqiyamati inna Allaha bikulli shayin AAaleemun
মুহিউদ্দীন খান
আপনি কি ভেবে দেখেননি, যাদেরকে কানাঘুষা করতে নিষেধ করা হয়েছিল অতঃপর তারা নিষিদ্ধ কাজেরই পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপাচার, সীমালংঘন এবং রসূলের অবাধ্যতার বিষয়েই কানাঘুষা করে। তারা যখন আপনার কাছে আসে, তখন আপনাকে এমন ভাষায় সালাম করে, যদ্দ্বারা আপনাকে সালাম করেননি। তারা মনে মনে বলেঃ আমরা যা বলি, তজ্জন্যে আমাদেরকে শাস্তি দেন না কেন? জাহান্নামই তাদের জন্যে যথেষ্ট। তারা তাতে প্রবেশ করবে। কতই না নিকৃষ্ট সেই জায়গা।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করছো না, যাদের গোপন সলাপরামর্শ করতে নিষেধ করা হয়েছিল; কিন্তু নিষেধ করার পরও তারা সেটার পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপ কাজ, সীমালংঘন ও রসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্যে গোপন সলাপরামর্শ করে? তারা যখন তোমার কাছে আসে, এমন ভাষায় তোমাকে অভিবাদন করে, যে ভাষায় তোমাকে অভিবাদন করেননি। তারা মনে মনে বলে: ‘আমরা যা বলি, তার জন্যে আমাদের শাস্তি দেন না কেন?’ তাদের জন্যে জাহান্নামই যথেষ্ট। তাতেই তারা দগ্ধ হবে, আর সেটা কতো যে নিকৃষ্ট আবাস!
মুমিনগণ, তোমরা যখন কানাকানি কর, তখন পাপাচার, সীমালংঘন ও রসূলের অবাধ্যতার বিষয়ে কানাকানি করো না বরং অনুগ্রহ ও খোদাভীতির ব্যাপারে কানাকানি করো। আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর কাছে তোমরা একত্রিত হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা যখন গোপন পরামর্শ করো, সেটা যেনো পাপালাপ, সীমালংঘন এবং রসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্যে না হয়। তোমরা গোপন পরামর্শ করলে তা করবে কল্যাণকর কাজ ও তাকওয়া অবলম্বনের উদ্দেশ্যে। তোমরা সেই আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর কাছে তোমাদের হাশর করা হবে।
Ya ayyuha allatheena amanoo itha tanajaytum fala tatanajaw bialithmi waalAAudwani wamaAAsiyati alrrasooli watanajaw bialbirri waalttaqwa waittaqoo Allaha allathee ilayhi tuhsharoona
মুহিউদ্দীন খান
এই কানাঘুষা তো শয়তানের কাজ; মুমিনদেরকে দুঃখ দেয়ার দেয়ার জন্যে। তবে আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত সে তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। মুমিনদের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা।
আবদুস শহীদ নাসিম
গোপন সলাপরামর্শ হয় শয়তানের প্ররোচণায় মুমিনদের মনে কষ্ট দেয়ার জন্যে। আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া সে তাদের সামান্যতম ক্ষতি করতেও সক্ষম নয়। মুমিনরা আল্লাহর উপরই তাওয়াক্কুল করুক।
Innama alnnajwa mina alshshaytani liyahzuna allatheena amanoo walaysa bidarrihim shayan illa biithni Allahi waAAala Allahi falyatawakkali almuminoona
মুহিউদ্দীন খান
মুমিনগণ, যখন তোমাদেরকে বলা হয়ঃ মজলিসে স্থান প্রশস্ত করে দাও, তখন তোমরা স্থান প্রশস্ত করে দিও। আল্লাহর জন্যে তোমাদের জন্য প্রশস্ত করে দিবেন। যখন বলা হয়ঃ উঠে যাও, তখন উঠে যেয়ো। তোমাদের মধ্যে যারা এবং যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, তাদের মর্যাদা উচ্চ করে দিবেন। খবর রাখেন যা কিছু তোমরা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমাদের যখন বলা হয়: মজলিসে স্থান প্রশস্ত করে দাও, তখন তোমরা (অপরের জন্য) স্থান করে দিও, তাহলে আল্লাহ্ও তোমাদের জন্যে প্রশস্ত করে দেবেন। আর যখন তোমাদের বলা হয়: ‘উঠে যাও’, তখন তোমরা উঠে যেয়ো। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদের উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করবেন। তোমরা যা করো, সে বিষয়ে অবহিত।
মুমিনগণ, তোমরা রসূলের কাছে কানকথা বলতে চাইলে তৎপূর্বে সদকা প্রদান করবে। এটা তোমাদের জন্যে শ্রেয়ঃ ও পবিত্র হওয়ার ভাল উপায়। যদি তাতে সক্ষম না হও, তবে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা রসূলের সাথে চুপে চুপে কথা বলতে চাইলে তার আগে হাদিয়া প্রদান করবে। এটা উত্তম এবং পবিত্র। যদি তা করতে তোমরা সমর্থ না হও, তবে ক্ষমাশীল, দয়াময়।
তোমরা কি কানকথা বলার পূর্বে সদকা প্রদান করতে ভীত হয়ে গেলে? অতঃপর তোমরা যখন সদকা দিতে পারলে না এবং তোমাদেরকে মাফ করে দিলেন তখন তোমরা কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং ও রসূলের আনুগত্য কর। খবর রাখেন তোমরা যা কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা কি চুপে চুপে কথা বলার আগে হাদিয়া প্রদানকে কষ্টকর মনে করো? যদি তোমরা হাদিয়া না দাও, তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো। তোমরা যা করো, সে বিষয়ে খবর রাখেন।
আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যারা আল্লাহর গযবে নিপতিত সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে? তারা মুসলমানদের দলভুক্ত নয় এবং তাদেরও দলভূক্ত নয়। তারা জেনেশুনে মিথ্যা বিষয়ে শপথ করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করোনি, যারা সেই সম্প্রদায়ের সাথে (মুনাফিকদের সাথে) বন্ধুতা করে, যাদের প্রতি ক্ষুব্ধ। তারা তোমাদের লোক নয়, তোমরাও তাদের লোক নও। তারা জেনে শুনে মিথ্যা হলফ করে।
Lan tughniya AAanhum amwaluhum wala awladuhum mina Allahi shayan olaika ashabu alnnari hum feeha khalidoona
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন তাদের সকলকে পুনরুত্থিত করবেন। অতঃপর তারা আল্লাহর সামনে শপথ করবে, যেমন তোমাদের সামনে শপথ করে। তারা মনে করবে যে, তারা কিছু সৎপথে আছে। সাবধান, তারাই তো আসল মিথ্যাবাদী।
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তাদের সবাইকে পুনরুত্থিত করবেন, সেদিনও তারা আল্লাহর সাথে ঠিক সে রকম হলফই করবে, যে রকম হলফ করে তোমাদের সাথে। তারা মনে করে তারা গুরুত্বপূর্ণ কিছুর উপর রয়েছে। জেনে রাখো, আসলে তারা মিথ্যাবাদী।
Yawma yabAAathuhumu Allahu jameeAAan fayahlifoona lahu kama yahlifoona lakum wayahsaboona annahum AAala shayin ala innahum humu alkathiboona
মুহিউদ্দীন খান
শয়তান তাদেরকে বশীভূত করে নিয়েছে, অতঃপর আল্লাহর স্মরণ ভূলিয়ে দিয়েছে। তারা শয়তানের দল। সাবধান, শয়তানের দলই ক্ষতিগ্রস্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
শয়তান তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে আছে। ফলে সে তাদের ভুলিয়ে দিয়েছে আল্লাহর যিকির। মূলত তারা হলো শয়তানের দল। আর জেনে রাখো, শয়তানের দল অবশ্যি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
Kataba Allahu laaghlibanna ana warusulee inna Allaha qawiyyun AAazeezun
মুহিউদ্দীন খান
যারা ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি - গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখ, আল্লাহর দলই হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তুমি তাদের কাউকেও এমন পাবেনা, যে ও তাঁর রসূলের বিরোধিতাকারীর সাথে বন্ধুতা ও ভালোবাসা রাখে, বিরোধিতাকারীরা তাদের বাবা - মা, ছেলে - মেয়ে, ভাই - বোন এবং আত্মীয় - স্বজন হলেও। এদের অন্তরে লিখে দিয়েছেন ঈমান এবং তাদের সাহায্য করেছেন তাঁর পক্ষ থেকে রূহ (অহির জ্ঞান, কুরআন) দিয়ে। তিনি তাদের দাখিল করবেন জান্নাতে, যার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ নদী নহর, চিরকাল থাকবে তারা সেখানে। তাদের প্রতি রাজি হয়ে গেছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি রাজি হয়েছে। এরাই আল্লাহর দল। আর জেনে রাখো, আল্লাহর দলই হবে সফল।