Kitab

আল তূর

Chapter 52, 49 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান

কসম তূরপর্বতের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ তুর (পাহাড়) - এর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম তূর পর্বতের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ তূর পর্বতের,

মুহিউদ্দীন খান

এবং লিখিত কিতাবের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেই কিতাবের যা ছত্রে ছত্রে লিখিত

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কসম কিতাবের যা লিপিবদ্ধ আছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ কিতাবের, যাহা লিখিত আছে

মুহিউদ্দীন খান

প্রশস্ত পত্রে,

আবদুস শহীদ নাসিম

খোলা পৃষ্ঠায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

উন্মুক্ত পাতায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উন্মুক্ত পত্রে,

মুহিউদ্দীন খান

কসম বায়তুল - মামুর তথা আবাদ গৃহের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ বাইতুল মামুরের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম আবাদ গৃহের,* * আবাদ গৃহ বলতে সপ্তাকাশের বায়তুল মা‘মূরকে বুঝানো হয়েছে। অগণিত ফেরেশতা নিরবচ্ছিন্ন ইবাদাতে যা আবাদ রেখেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ বায়তুল মা‘মূরের,

মুহিউদ্দীন খান

এবং সমুন্নত ছাদের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ উঁচু ছাদের (আকাশের),

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সমুন্নত আকাশের;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ সম্মুন্নত আকাশের,

মুহিউদ্দীন খান

এবং উত্তাল সমুদ্রের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ উত্তাল সাগরের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম তরঙ্গ-বিক্ষুব্ধ সাগরের,* * অন্য তাফসীর মতে-আগুনের সাগর যা দুনিয়াতে হতে পারে, অথবা কিয়ামতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং শপথ উদ্বেলিত সমুদ্রের -

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার শাস্তি অবশ্যম্ভাবী,

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার প্রভুর আযাব সংঘটিত হবেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রবের আযাব অবশ্যম্ভাবী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের শাস্তি তো অবশ্যম্ভাবী,

মুহিউদ্দীন খান

তা কেউ প্রতিরোধ করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা প্রতিরোধ করার কেউ নেই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার নিবারণকারী কেহ নাই।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন আকাশ প্রকম্পিত হবে প্রবলভাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আসমান চলতে থাকবে প্রচন্ড গতিতে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন তীব্রভাবে আকাশ প্রকম্পিত হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন আকাশ আন্দোলিত হইবে প্রবলভাবে

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালা হবে চলমান,

আবদুস শহীদ নাসিম

(ভয়ংকর) তীব্র গতিতে চলতে থাকবে পাহাড় পর্বত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পর্বতমালা দ্রুত পরিভ্রমণ করবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বত চলিবে দ্রুত ;

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন হবে চরম দুর্ভোগ প্রত্যাখ্যানকারীদের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দুর্ভোগ সেই দিন সত্য অস্বীকারকারীদের,

মুহিউদ্দীন খান

যারা ক্রীড়াচ্ছলে মিছেমিছি কথা বানায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা খেল তামাশার অসার কাজে লিপ্ত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা খেল-তামাশায় মত্ত থাকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ক্রীড়াচ্ছলে অসার কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন তোমাদেরকে জাহান্নামের অগ্নির দিকে ধাক্কা মেরে মেরে নিয়ে যাওয়া হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের ধাক্কা মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামের আগুনের দিকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন তাদেরকে জাহান্নামের আগুনের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেদিন উহাদেরকে ধাক্কা মারিতে মারিতে লইয়া যাওয়া হইবে জাহান্নামের অগ্নির দিকে

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলা হবেঃ এই সেই অগ্নি, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

(বলা হবে:) এই সেই জাহান্নাম, যাকে তোমরা মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এটি সেই জাহান্নাম যা তোমরা অস্বীকার করতে।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ইহাই সেই অগ্নি যাহাকে তোমরা মিথ্যা মনে করিতে।’

মুহিউদ্দীন খান

এটা কি জাদু, না তোমরা চোখে দেখছ না?

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা কি ম্যাজিক, নাকি তোমরা দেখছো না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘এটি কি যাদু, নাকি তোমরা দেখতে পাচ্ছ না!’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কি জাদু? না কি তোমরা দেখিতে পাইতেছ না?

মুহিউদ্দীন খান

এতে প্রবেশ কর অতঃপর তোমরা সবর কর অথবা না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান। তোমরা যা করতে তোমাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এতে প্রবেশ করো, এর আযাব তোমরা সহ্য করতে পারো বা না পারো দুটোই সমান। তোমাদেরকে তো তোমাদেরই কৃতকর্মের প্রতিফল দেয়া হয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা আগুনে প্রবেশ কর*, তারপর তোমরা ধৈর্যধারণ কর বা না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান; তোমাদেরকে তো কেবল তোমাদের আমলের প্রতিফল দেয়া হচ্ছে। * অন্য তাফসীর মতে- ‘‘তোমরা এর উত্তাপ ভোগ কর’’।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা ইহাতে প্রবেশ কর, অতঃপর তোমরা ধৈর্য ধারণ কর অথবা ধৈর্য ধারণ না কর, উভয়ই তোমাদের জন্য সমান। তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল তোমাদেরকে দেওয়া হইতেছে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে জান্নাতে ও নেয়ামতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই মুত্তাকিদের জন্যে রয়েছে জান্নাত আর নিয়ামতরাজি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা (থাকবে) জান্নাতে ও প্রাচুর্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীরা তো থাকিবে জান্নাতে ও আরাম - আয়েশে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা উপভোগ করবে যা তাদের পালনকর্তা তাদের দেবেন এবং তিনি জাহান্নামের আযাব থেকে তাদেরকে রক্ষা করবেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের প্রভু তাদের যেসব পুরস্কার দেবেন তারা সেসব ভোগ করতে থাকবে এবং তাদের প্রভু তাদের রক্ষা করবেন জাহিমের (জাহান্নামের) আযাব থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের রব তাদেরকে যা দিয়েছেন তা উপভোগ করবে, আর তাদের রব তাদেরকে বাঁচাবেন জ্বলন্ত আগুনের আযাব থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে যাহা দিবেন তাহারা তাহা উপভোগ করিবে এবং তাহাদের রব তাহাদেরকে রক্ষা করিবেন জাহান্নামের আযাব হইতে,

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার প্রতিফলস্বরূপ তোমরা তৃপ্ত হয়ে পানাহার কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তাদের বলা হবে:) ‘তোমরা খাও এবং পান করো তৃপ্তি সহকারে তোমাদের নেক আমলের ফল।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরা তৃপ্তি সহকারে খাও ও পান কর, তোমরা যে আমল করতে তার বিনিময়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘তোমরা যাহা করিতে তাহার প্রতিফলস্বরূপ তোমরা তৃপ্তির সঙ্গে পানাহার করিতে থাক।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা শ্রেণীবদ্ধ সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। আমি তাদেরকে আয়তলোচনা হুরদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করে দেব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে আসন গ্রহণ করবে হেলান দিয়ে সারিবদ্ধভাবে। আমরা তাদের জুড়ি হিসেবে দেবো আয়াতলোচনা হুরদের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সারিবদ্ধ পালঙ্কে তারা হেলান দিয়ে বসবে; আর আমি তাদেরকে মিলায়ে দেব ডাগরচোখা হূর-এর সাথে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বসিবে শ্রেণীবদ্ধভাবে সজ্জিত আসনে হেলান দিয়া ; আমি তাহাদের মিলন ঘটাইব আয়তলোচনা হূরের সঙ্গে;

মুহিউদ্দীন খান

যারা এবং যাদের সন্তানরা ঈমানে তাদের অনুগামী, আমি তাদেরকে তাদের পিতৃপুরুষদের সাথে মিলিত করে দেব এবং তাদের আমল বিন্দুমাত্রও হ্রাস করব না। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃত কর্মের জন্য দায়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা নিজেরা ঈমান এনেছে এবং তাদের সন্তানরাও ঈমানের পথে তাদের অনুগামী হয়েছে, আমরা তাদের সন্তানদেরকে তাদের সাথে একত্র করে দেবো এবং তাদের আমলের প্রতিদান কিছুমাত্র হ্রাস করবো না। প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজ নিজ কৃতকর্মের জন্যে দায়ী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান আনে এবং তাদের সন্তান-সন্ততি ঈমানের সাথে তাদের অনুসরণ করে, আমরা তাদের সাথে তাদের সন্তানদের মিলন ঘটাব এবং তাদের কর্মের কোন অংশই কমাব না। প্রত্যেক ব্যক্তি তার কামাইয়ের ব্যাপারে দায়ী থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা ঈমান আনে আর তাহাদের সন্তান - সন্ততি ঈমানে তাহাদের অনুগামী হয়, তাহাদের সঙ্গে মিলিত করিব তাহাদের সন্তান - সন্ততিকে এবং তাহাদের কর্মফল আমি কিছুমাত্র হ্রাস করিব না; প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃতকর্মের জন্য দায়ী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে দেব ফল - মূল এবং মাংস যা তারা চাইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের সহযোগিতা করবো ফলফলারি এবং গোশত দিয়ে, যা - ই তারা পছন্দ করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তাদেরকে অতিরিক্ত দেব ফলমূল ও গোশত যা তারা কামনা করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তাহাদেরকে দিব ফলমূল এবং গোশ্‌ত যাহা তাহারা পসন্দ করে।

মুহিউদ্দীন খান

সেখানে তারা একে অপরকে পানপাত্র দেবে; যাতে অসার বকাবকি নেই এবং পাপকর্মও নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সেখানে পরস্পরের মধ্যে আদান প্রদান করতে থাকবে পানপাত্র, যা থেকে পান করলে কেউ অর্থহীন কথাবার্তাও বলবে না এবং কোনো প্রকার পাপ কাজেও লিপ্ত হবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা পরস্পরের মধ্যে পানপাত্র বিনিময় করবে; সেখানে থাকবে না কোন বেহুদা কথাবার্তা এবং কোন পাপকাজ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা পরস্পরের মধ্যে আদান - প্রদান করিতে থাকিবে পানপাত্র, যাহা হইতে পান করিলে কেহ অসার কথা বলিবে না এবং পাপ কর্মেও লিপ্ত হইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের সেবায় ঘোরাঘুরি করতে থাকবে কিশোরেরা যারা নিয়োজিত থাকবে কেবল তাদেরই সেবায় এবং তারা দেখতে যেনো সুরক্ষিত মুক্তা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের সেবায় চারপাশে ঘুরবে বালকদল; তারা যেন সুরক্ষিত মুক্তা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সেবায় নিয়োজিত থাকিবে কিশোরেরা, সুরক্ষিত মুক্তাসদৃশ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা একে অপরের দিকে মুখ করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞাসা করবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা একে অপরের দিকে ফিরিয়া জিজ্ঞাসা করিবে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবেঃ আমরা ইতিপূর্বে নিজেদের বাসগৃহে ভীত - কম্পিত ছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলবে: ‘‘ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) আমরা তো পরিবার পরিজনের মধ্যে আল্লাহর ভয়ে ভীত ছিলাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা বলবে, ‘পূর্বে আমরা আমাদের পরিবারের মধ্যে শঙ্কিত ছিলাম।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলিবে, ‘পূর্বে আমরা পরিবার - পরিজনের মধ্যে শঙ্কিত অবস্থায় ছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাদের রক্ষা করেছেন অগ্নি বায়ুর আযাব থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর আমাদের প্রতি দয়া করেছেন এবং আগুনের আযাব থেকে আমাদেরকে রক্ষা করেছেন।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘অতঃপর আমাদের প্রতি ‌ অনুগ্রহ করিয়াছেন এবং আমাদেরকে অগ্নিশাস্তি হইতে রক্ষা করিয়াছেন।

মুহিউদ্দীন খান

আমরা পূর্বেও আল্লাহকে ডাকতাম। তিনি সৌজন্যশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা ইতোপূর্বে (পৃথিবীর জীবনে) তাঁকেই ডাকতাম, নিশ্চয়ই তিনি পরম অনুগ্রহশীল, পরম দয়াবান।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় পূর্বে আমরা তাঁকে ডাকতাম; নিশ্চয় তিনি ইহসানকারী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা পূর্বেও ‌কে আহ্বান করিতাম, তিনি তো কৃপাময়, পরম দয়ালু।’

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি উপদেশ দান করুন। আপনার পালনকর্তার কৃপায় আপনি অতীন্দ্রিয়বাদী নন এবং উম্মাদও নন।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, তুমি উপদেশ দিয়ে যাও, তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি গণকও নও, পাগলও নও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, তুমি উপদেশ দিতে থাক; কারণ তোমার রবের অনুগ্রহে তুমি গণক নও এবং উন্মাদও নও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি উপদেশ দান করিতে থাক, তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি গণক নও, উন্মাদও নও।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি বলতে চায়ঃ সে একজন কবি আমরা তার মৃত্যু - দুর্ঘটনার প্রতীক্ষা করছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা বলে: ‘সে একজন কবি? আমরা তার জন্যে সময়ের আবর্তনের অপেক্ষা করছি।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি বলছে, ‘সে (মুহাম্মাদ) একজন কবি? আমরা তার মৃত্যুর প্রতীক্ষা করছি।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি বলিতে চাহে সে একজন কবি? আমরা তাহার মৃত্যুর প্রতীক্ষা করিতেছি।’

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষারত আছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘তোমরা প্রতীক্ষা করো, আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষায় থাকলাম।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা অপেক্ষায় থাক! আমিও তোমাদের সাথে প্রতীক্ষাকারীদের অন্তর্ভুক্ত রইলাম।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা প্রতীক্ষা কর, আমিও তোমাদের সঙ্গে প্রতীক্ষা করিতেছি।’

মুহিউদ্দীন খান

তাদের বুদ্ধি কি এ বিষয়ে তাদেরকে আদেশ করে, না তারা সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তাদের বুদ্ধি তাদেরকে এর জন্যে প্রলুব্ধ করে? আর নাকি তারা সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদের বিবেক কি তাদেরকে এ আদেশ দেয়, না তারা সীমালংঘনকারী কওম?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি উহাদের বুদ্ধি উহাদেরকে এই বিষয়ে প্ররোচিত করে, না উহারা এক সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়?

মুহিউদ্দীন খান

না তারা বলেঃ এই কোরআন সে নিজে রচনা করেছে? বরং তারা অবিশ্বাসী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা বলে: ‘এ কুরআন সে নিজে রচনা করে নিয়েছে?’ আসল কথা হলো, তারা বিশ্বাসই রাখেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি বলে, ‘সে এটা বানিয়ে বলছে?’ বরং তারা ঈমান আনে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি বলে, ‘এই কুরআন তাহার নিজের রচনা?’ বরং উহারা অবিশ্বাসী।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা সত্যবাদী হয়ে থাকে, তবেএর অনুরূপ কোন রচনা উপস্থিত করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সত্যবাদী হয়ে থাকলে এ কুরআনের মতো কোনো বাণী উপস্থিত করুক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, তারা যদি সত্যবাদী হয় তবে তার অনুরূপ বাণী নিয়ে আসুক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা যদি সত্যবাদী হয় তবে ইহার সদৃশ কোন রচনা উপস্থিত করুক না!

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি আপনা - আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা স্রষ্টা ছাড়াই সৃষ্টি হয়েছে? আর নাকি তারা নিজেরাই স্রষ্টা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে, না তারাই স্রষ্টা?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি স্রষ্টা ব্যতীত সৃষ্টি হইয়াছে, না উহারা নিজেরাই স্রষ্টা?

মুহিউদ্দীন খান

না তারা নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল সৃষ্টি করেছে? বরং তারা বিশ্বাস করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি মহাকাশ এবং পৃথিবী তারা নিজেরাই সৃষ্টি করেছে? বরং তারা একীনই রাখেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা কি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছে? বরং তারা দৃঢ় বিশ্বাস করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না কি উহারা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছে? বরং উহারা তো অবিশ্বাসী।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে কি আপনার পালনকর্তার ভান্ডার রয়েছে, না তারাই সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তোমার প্রভুর ভান্ডার তাদের কাছে রয়েছে? আর নাকি তারা এসব কিছুর পাহারাদার?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার রবের গুপ্তভান্ডার কি তাদের কাছে আছে, না তারা সব কিছু নিয়ন্ত্রণকারী?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের ভাণ্ডার কি উহাদের নিকট রহিয়াছে, না উহারা এই সমুদয়ের নিয়ন্তা?

মুহিউদ্দীন খান

না তাদের কোন সিঁড়ি আছে, যাতে আরোহণ করে তারা শ্রবণ করে? থাকলে তাদের শ্রোতা সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থিত করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তাদের কাছে (আকাশে) আরোহণ করার সিঁড়ি আছে যা দিয়ে উঠে কথা শুনে? থাকলে তাদের সেই শ্রোতা সুস্পষ্ট প্রমাণ হাজির করুক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি তাদের আছে সিঁড়ি, যাতে চড়ে তারা (ঊর্ধ্বলোকের কথা) শুনতে পায়; তাদের শ্রোতা স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে আসুক না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না কি উহাদের কোন সিঁড়ি আছে যাহাতে আরোহণ করিয়া উহারা শ্রবণ করে? থাকিলে উহাদের সেই শ্রোতা সুস্পষ্ট প্রমাণ উপস্থিত করুক!

মুহিউদ্দীন খান

না তার কন্যা - সন্তান আছে আর তোমাদের আছে পুত্রসন্তান?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি কন্যা সন্তান আল্লাহর, আর সব পুত্র সন্তান তোমাদের ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কি কন্যাসন্তান তাঁর; আর পুত্রসন্তান তোমাদের?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি কন্যা সন্তান তাঁহার জন্য এবং পুত্র সন্তান তোমাদের জন্য?

মুহিউদ্দীন খান

না আপনি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান যে, তাদের উপর জরিমানার বোঝা চেপে বসে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তুমি তাদের কাছে (তাদের উপদেশ দেয়ার জন্যে) পারিশ্রমিক চাইছো, আর তারা সেটাকে তাদের জন্যে বোঝা মনে করছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কি তুমি তাদের কাছে প্রতিদান চাও যে, তারা তা ভারী জরিমানা মনে করে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি তুমি উহাদের নিকট পারিশ্রমিক চাহিতেছ যে, উহারা ইহাকে একটি দুর্বহ বোঝা মনে করে?

মুহিউদ্দীন খান

না তাদের কাছে বিষয়ের জ্ঞান আছে যে, তারাই তা লিপিবদ্ধ করে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা জানে এবং তা তারা লিখে রাখছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি তাদের কাছে আছে গায়েবের জ্ঞান, যা তারা লিখছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না কি বিষয়ে উহাদের কোন জ্ঞান আছে যে, উহারা এই বিষয়ে কিছু লিখে?

মুহিউদ্দীন খান

না তারা চক্রান্ত করতে চায়? অতএব যারা , তারই চক্রান্তের শিকার হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি তারা কোনো চক্রান্ত করছে? জেনে রেখো, চক্রান্তের শিকার হয় কাফিররা নিজেরাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি তারা ষড়যন্ত্র করতে চায়? অতএব যারা করে তারাই হবে ষড়যন্ত্রের শিকার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অথবা উহারা কি কোন ষড়যন্ত্র করিতে চাহে? পরিণামে কাফিররাই হইবে ষড়যন্ত্রের শিকার।

মুহিউদ্দীন খান

না তাদের তা’আলা ব্যতীত কোন উপাস্য আছে? তারা যাকে শরীক করে, তা’আলা তা থেকে পবিত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি আল্লাহর পরিবর্তে তাদের কোনো ইলাহ্ আছে? তাদের কৃত শিরক থেকে পবিত্র ও মহান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি তাদের জন্য ছাড়া অন্য আছে? তারা যে শিরক করে তা থেকে পবিত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না কি ‌ ব্যতীত উহাদের অন্য কোন ইলাহ্ আছে ? উহারা যাহাকে শরীক স্থির করে ‌ তাহা হইতে পবিত্র।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যদি আকাশের কোন খন্ডকে পতিত হতে দেখে, তবে বলে এটা তো পুঞ্জীভুত মেঘ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আকাশ থেকে কোনো টুকরা ভেঙ্গে পড়তে দেখলে বলবে: ‘এতো মেঘপুঞ্জ।’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কোন আকাশখন্ড ভেঙ্গে পড়তে দেখলে তারা বলবে, ‘এটি তো এক পুঞ্জীভূত মেঘ’!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা আকাশের কোন খণ্ড ভাঙ্গিয়া পড়িতে দেখিলে বলিবে, ‘ইহা তো এক পুঞ্জীভূত মেঘ।’

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে ছেড়ে দিন সেদিন পর্যন্ত, যেদিন তাদের উপর বজ্রাঘাত পতিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো - যতোদিন না তারা সেই দিনটির সাক্ষাত লাভ করে যেদিন বজ্রের আঘাতে তারা হতচকিত হয়ে উঠবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, তাদেরকে ছেড়ে দাও সেদিন পর্যন্ত যেদিন তারা ধ্বংস হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের উপেক্ষা করিয়া চল সেই দিন পর্যন্ত যেদিন উহারা বজ্রাঘাতে হতচেতন হইবে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন তাদের চক্রান্ত তাদের কোন উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের চক্রান্ত তাদের কোনো কাজেই আসবেনা এবং সেদিন তাদের কোনো সাহায্যও করা হবেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যেদিন তাদের পক্ষ থেকে কৃত তাদের ষড়যন্ত্র কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন উহাদের ষড়যন্ত্র কোন কাজে আসিবে না এবং উহাদেরকে সাহায্যও করা হইবে না।

মুহিউদ্দীন খান

গোনাহগারদের জন্যে এছাড়া আরও শাস্তি রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের জন্যে এছাড়াও আরো আযাব রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ লোকই জানেনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিশ্চয় যারা যুলম করবে তাদের জন্য থাকবে এছাড়া আরো আযাব; কিন্তু তাদের বেশীরভাগই জানে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা ছাড়া আরও শাস্তি রহিয়াছে জালিমদের জন্য। কিন্তু উহাদের অধিকাংশই তাহা জানে না।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি আপনার পালনকর্তার নির্দেশের অপেক্ষায় সবর করুন। আপনি আমার দৃষ্টির সামনে আছেন এবং আপনি আপনার পালনকর্তার সপ্রশংস পবিত্রতা ঘোষণা করুন যখন আপনি গাত্রোত্থান করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তোমার প্রভুর নির্দেশের অপেক্ষায় সবর অবলম্বন করো। তুমি আমাদের দৃষ্টি পথেই রয়েছো। আর তোমার প্রভুর হামদসহ তাঁর তসবিহ করতে থাকো যখন শয্যা ত্যাগ করে উঠবে

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমাদের রবের সিদ্ধান্তের জন্য ধৈর্যধারণ কর; কারণ তুমি আমার চোখের সামনেই আছ, তুমি যখন জেগে ওঠ তখন তোমার রবের সপ্রশংস তাসবীহ পাঠ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়; তুমি আমার চক্ষুর সামনেই রহিয়াছ। তুমি তোমার প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর যখন তুমি শয্যা ত্যাগ কর,

মুহিউদ্দীন খান

এবং রাত্রির কিছু অংশে এবং তারকা অস্তমিত হওয়ার সময় তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রাত্রিবেলায়, আর তাঁর তসবিহ করতে থাকো তারকারাজির অস্তগমনের পর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর রাতের কিছু অংশে এবং নক্ষত্রের অস্ত যাবার পর তার তাসবীহ পাঠ কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাঁহার পবিত্রতা ঘোষণা কর রাত্রিকালে ও তারকার অস্তগমনের পর।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme