You’re offline. Downloaded books and recitations still work.
আল আনফাল
Chapter 8, 75 verses
মুহিউদ্দীন খান
আবদুস শহীদ নাসিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
Transliteration
Word by word
মুহিউদ্দীন খান
আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। বলে দিন, গণীমতের মাল হল আল্লাহর এবং রসূলের। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি হয়ে থাক।
আবদুস শহীদ নাসিম
লোকেরা তোমার কাছে জানতে চাইছে আনফাল সম্পর্কে। তুমি বলো, আনফাল হলো আল্লাহর এবং রসূলের জন্যে। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সংশোধন করে নাও তোমাদের অবস্থা। আর আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের, যদি তোমরা হয়ে থাকো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
লোকে তোমাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্বন্ধে প্রশ্ন করে ; বল, ‘যুদ্ধলব্ধ সম্পদ এবং রাসূলের; সুতরাং কে ভয় কর এবং নিজেদের মধ্যে সদ্ভাব স্থাপন কর, এবং ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা হও।’
Transliteration
Yasaloonaka AAani alanfali quli alanfalu lillahi waalrrasooli faittaqoo Allaha waaslihoo thata baynikum waateeAAoo Allaha warasoolahu in kuntum mumineena
যারা , তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ার দেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
জেনে রাখো, প্রকৃত হলো তারা, আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে যাদের অন্তর কেঁপে উঠে, আল্লাহর আয়াত তিলাওয়াত করে শুনানো হলে যাদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং যারা তাদের প্রভুর উপর তাওয়াক্কুল করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তো তাহারাই, যাহাদের হৃদয় কম্পিত হয় যখন কে স্মরণ করা হয় এবং যখন তাঁহার আয়াত তাহাদের নিকট পাঠ করা হয়, তখন উহা তাহাদের ঈমান বৃদ্ধি করে এবং তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের উপরই নির্ভর করে,
তারা তোমার সাথে বিবাদ করছিল সত্য ও ন্যায় বিষয়ে, তা প্রকাশিত হবার পর; তারা যেন মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে দেখতে দেখতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা তোমার সাথে বিতর্ক করছিল সত্য বিষয় নিয়ে তা স্পষ্ট হয়ে যাবার পরও, যেনো তাদেরকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আর তারা তা তাকিয়ে দেখছি
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সত্য স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হওয়ার পরও তাহারা তোমার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হয়। মনে হইতেছিল তাহারা যেন মৃত্যুর দিকে চালিত হইতেছে আর তাহারা যেন উহা প্রত্যক্ষ করিতেছে।
আর যখন দু’টি দলের একটির ব্যাপারে তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছিলেন যে, সেটি তোমাদের হস্তগত হবে, আর তোমরা কামনা করছিলে যাতে কোন রকম কন্টক নেই, তাই তোমাদের ভাগে আসুক; অথচ চাইতেন সত্যকে স্বীয় কালামের মাধ্যমে সত্যে পরিণত করতে এবং কাফেরদের মূল কর্তন করে দিতে,
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন, দুটি দলের একটি দল তোমাদের আয়ত্তে আসবে, অথচ তোমরা চাইছিলে নিষ্কণ্টক দলটি তোমাদের আয়ত্তে আসুক। কিন্তু চাইছিলেন তাঁর বাণীর মাধ্যমে সত্যকে বাস্তবায়িত করবেন এবং কেটে দেবেন কাফিরদের শেকড়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেন যে, দুই দলের একদল তোমাদের আয়ত্তাধীন হইবে; অথচ তোমরা চাহিতেছিলে, নিরস্ত্র দলটি তোমাদের আয়ত্তাধীন হউক। আর চাহিতেছিলেন যে, তিনি সত্যকে তাঁহার বাণী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করেন এবং কাফিরদেরকে নির্মূল করেন;
Transliteration
Waith yaAAidukumu Allahu ihda alttaifatayni annaha lakum watawaddoona anna ghayra thati alshshawkati takoonu lakum wayureedu Allahu an yuhiqqa alhaqqa bikalimatihi wayaqtaAAa dabira alkafireena
তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পরওয়ারদেগারের নিকট, তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরী দান করলেন যে, আমি তোমাদিগকে সাহায্য করব ধারাবহিকভাবে আগত হাজার ফেরেশতার মাধ্যমে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলে, তখন তিনি তোমাদের প্রার্থনা কবুল করে বলেছিলেন: ‘আমি তোমাদের সাহায্য করবো এক হাজার ফেরেশতা দিয়ে, তারা যাবে একের পর এক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিয়াছিলে; তখন তিনি তোমাদেরকে জবাব দিয়াছিলেন, ‘আমি তোমাদেরকে সাহায্য করিব এক সহস্র ফিরিশ্তা দ্বারা, যাহারা একের পর এক আসিবে।’
আর তো শুধু সুসংবাদ দান করলেন যাতে তোমাদের মন আশ্বস্ত হতে পারে। আর সাহায্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ছাড়া অন্য কারো পক্ষ থেকে হতে পারে না। নিঃসন্দেহে মহাশক্তির অধিকারী হেকমত ওয়ালা।
আবদুস শহীদ নাসিম
এ ব্যবস্থা করেন একটি শুভ সংবাদ হিসেবে এবং এর ফলে যেনো তোমাদের মন প্রশান্তি লাভ করে। আসলে সাহায্য তো আল্লাহর কাছ থেকেই আসে। নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী প্রজ্ঞাবান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা করেন কেবল শুভ সংবাদ দেওয়ার জন্য এবং এই উদ্দেশ্যে, যাহাতে তোমাদের চিত্ত প্রশান্তি লাভ করে; এবং সাহায্য তো শুধু র নিকট হইতেই আসে; নিশ্চয়ই পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
Transliteration
Wama jaAAalahu Allahu illa bushra walitatmainna bihi quloobukum wama alnnasru illa min AAindi Allahi inna Allaha AAazeezun hakeemun
যখন তিনি আরোপ করেন তোমাদের উপর তন্দ্রাচ্ছন্ন তা নিজের পক্ষ থেকে তোমাদের প্রশান্তির জন্য এবং তোমাদের উপর আকাশ থেকে পানি অবতরণ করেন, যাতে তোমাদিগকে পবিত্র করে দেন এবং যাতে তোমাদের থেকে অপসারিত করে দেন শয়তানের অপবিত্রতা। আর যাতে করে সুরক্ষিত করে দিতে পারেন তোমাদের অন্তরসমূহকে এবং তাতে যেন সুদৃঢ় করে দিতে পারেন তোমাদের পা গুলো।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের স্বস্তির জন্যে তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেছিলেন এবং আসমান থেকে তোমাদের উপর পানি বর্ষণ করেছিলেন, যাতে করে তা দিয়ে তোমাদের পবিত্র করে দেন, তোমাদের থেকে শয়তানের কুমন্ত্রণা দূর করে দেন এবং তোমাদের অন্তরসমূহকে সংহত ও মজবুত করে দেন আর তোমাদের কদমকে করে দেন মজবুত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তিনি তাঁহার পক্ষ হইতে স্বস্তির জন্য তোমাদেরকে তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করেন এবং আকাশ হইতে তোমাদের উপর বারি বর্ষণ করেন উহা দ্বারা তোমাদেরকে পবিত্র করিবার জন্য, তোমাদের মধ্য হইতে শয়তানের কুমন্ত্রণা অপসারণের জন্য, তোমাদের হৃদয় দৃঢ় করিবার জন্য এবং তোমাদের পা স্থির রাখিবার জন্য।
যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্থির করে রাখ। আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব। কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তোমাদের প্রভু ফেরেশতাদের প্রতি অহি করে বলেছিলেন: আমি তোমাদের সাথে আছি, তোমরা মুমিনদের অবিচল রাখো। অচিরেই আমি কাফিরদের অন্তরে সঞ্চার করে দেবো ভয় আর আতঙ্ক। অতএব তোমরা আঘাত করো তাদের গর্দানে আর আঘাত করো তাদের জোড়ায় জোড়ায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তোমাদের প্রতিপালক ফিরিশ্তাগণের প্রতি প্রত্যাদেশ করেন, ‘আমি তোমাদের সঙ্গে আছি, সুতরাং মু’মিনগণকে অবিচলিত রাখ।’ যাহারা করে আমি তাহাদের হৃদয়ে ভীতির সঞ্চার করিব ; সুতরাং তোমরা আঘাত কর তাহাদের স্কন্ধে ও আঘাত কর তাহাদের প্রত্যেক আঙ্গুলের অগ্রভাগে।
আর যে লোক সেদিন তাদের থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, অবশ্য যে লড়াইয়ের কৌশল পরিবর্তনকল্পে কিংবা যে নিজ সৈন্যদের নিকট আশ্রয় নিতে আসে সে ব্যতীত অন্যরা আল্লাহর গযব সাথে নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে। আর তার ঠিকানা হল জাহান্নাম। বস্তুতঃ সেটা হল নিকৃষ্ট অবস্থান।
আবদুস শহীদ নাসিম
যুদ্ধের কৌশল কিংবা নিজেদের দলের সাথে মিলিত হবার উদ্দেশ্য ছাড়া। সেদিন যে কেউ বাহিনী থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে, সে আল্লাহর গজবে নিপতিত হবে এবং তার আশ্রয় হবে জাহান্নাম, আর সেটা খুবই নিকৃষ্ট ধরনের ফিরে যাবার জায়গা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেদিন যুদ্ধ - কৌশল অবলম্বন কিংবা দলে স্থান নেওয়া ব্যতীত কেহ তাহাদেরকে পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিলে সে তো র বিরাগভাজন হইবে এবং তাহার আশ্রয় জাহান্নাম, আর উহা কত নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল!
Transliteration
Waman yuwallihim yawmaithin duburahu illa mutaharrifan liqitalin aw mutahayyizan ila fiatin faqad baa bighadabin mina Allahi wamawahu jahannamu wabisa almaseeru
সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি, বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন। আর তুমি মাটির মুষ্ঠি নিক্ষেপ করনি, যখন তা নিক্ষেপ করেছিলে, বরং তা নিক্ষেপ করেছিলেন স্বয়ং যেন ঈমানদারদের প্রতি এহসান করতে পারেন যথার্থভাবে। নিঃসন্দেহে শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা তাদের হত্যা করোনি, বরং তাদের হত্যা করেছেন । আর তুমি যখন (তাদের দিকে কংকর) নিক্ষেপ করেছিলে তখন তুমি নিক্ষেপ করোনি, বরং আল্লাহ্ই নিক্ষেপ করেছিলেন, যাতে করে মুমিনদেরকে তাঁর পক্ষ থেকে উত্তমভাবে পরীক্ষা করা যায়। নিশ্চয় সব শুনেন, সব জানেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা তাহাদেরকে হত্যা কর নাই, আল্লাহ্ই তাহাদেরকে হত্যা করিয়াছেন, এবং তুমি যখন নিক্ষেপ করিয়াছিলে তখন তুমি নিক্ষেপ কর নাই, আল্লাহ্ই নিক্ষেপ করিয়াছিলেন, এবং ইহা মু’মিনগণকে র পক্ষ হইতে উত্তমরুপে পরীক্ষা করিবার জন্য; সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
Transliteration
Falam taqtuloohum walakinna Allaha qatalahum wama ramayta ith ramayta walakinna Allaha rama waliyubliya almumineena minhu balaan hasanan inna Allaha sameeAAun AAaleemun
তোমরা যদি মীমাংসা কামনা কর, তাহলে তোমাদের নিকট মীমাংসা পৌছে গেছে। আর যদি তোমরা প্রত্যাবর্তন কর, তবে তা তোমাদের জন্য উত্তম এবং তোমরা যদি তাই কর, তবে আমি ও তেমনি করব। বস্তুতঃ তোমাদের কোনই কাজে আসবে না তোমাদের দল - বল, তা যত বেশীই হোক। জেনে রেখ রয়েছেন ঈমানদারদের সাথে।
আবদুস শহীদ নাসিম
(হে কাফিররা!) তোমরা তো ফায়সালা চেয়েছিলে। এখন ফায়সালা তোমরা পেয়ে গেছো। যদি তোমরা (যুদ্ধ সন্ত্রাস ও নির্যাতন করা থেকে) বিরত হও, তবে সেটা তোমাদের জন্যেই উত্তম। কিন্তু তোমরা যদি পুনরায় করো, তাহলে আমরাও পুনরায় শাস্তি দেবো এবং তোমাদের বাহিনী সংখ্যায় অনেক বেশি হলেও তা তোমাদের কোনো কাজেই আসবে না। অবশ্যি মুমিনদের সাথে রয়েছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা মীমাংসা চাহিয়াছিলে, তাহা তো তোমাদের নিকট আসিয়াছে; যদি তোমরা বিরত হও তবে উহা তোমাদের জন্য কল্যাণকর ; যদি তোমরা পুনরায় কর তাতে আমিও পুনরায় শাস্তি দিব এবং তোমাদের দল সংখ্যায় অধিক হইলেও তোমাদের কোন কাজে আসিবে না, এবং নিশ্চয়ই মু’মিনদের সঙ্গে রহিয়াছেন।
হে ঈমানদারগণ, ও তাঁর রসূলের নির্দেশ মান্য কর, যখন তোমাদের সে কাজের প্রতি আহবান করা হয়, যাতে রয়েছে তোমাদের জীবন। জেনে রেখো, মানুষের এবং তার অন্তরের মাঝে অন্তরায় হয়ে যান। বস্তুতঃ তোমরা সবাই তাঁরই নিকট সমবেত হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! রসূল যখন তোমাদেরকে এমন কোনো বিষয়ের দিকে ডাকে, যা তোমাদের প্রাণবন্তু করবে, তখন তোমরা ও রসূলের আহবানে সাড়া দেবে। জেনে রাখো, ব্যক্তি ও তার অন্তরের মধ্যবর্তী হয়ে থাকেন এবং তাঁরই কাছে তোমাদের হাশর করা হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহ্বান করে যাহা তোমাদেরকে প্রাণবন্ত করে, তখন ও রাসূলের আহ্বানে সাড়া দিবে এবং জানিয়া রাখ, মানুষ ও তাহার অন্তরের মধ্যবর্তী হইয়া থাকেন, এবং তাঁহারই নিকট তোমাদেরকে একত্র করা হইবে।
Transliteration
Ya ayyuha allatheena amanoo istajeeboo lillahi walilrrasooli itha daAAakum lima yuhyeekum waiAAlamoo anna Allaha yahoolu bayna almari waqalbihi waannahu ilayhi tuhsharoona
আর স্মরণ কর, যখন তোমরা ছিলে অল্প, পরাজিত অবস্থায় পড়েছিলে দেশে; ভীত - সস্ত্রস্ত্র ছিলে যে, তোমাদের না অন্যেরা ছোঁ মেরে নিয়ে যায়। অতঃপর তিনি তোমাদিগকে আশ্রয়ের ঠিকানা দিয়েছেন, স্বীয় সাহায্যের দ্বারা তোমাদিগকে শক্তি দান করেছেন এবং পরিচ্ছন্ন জীবিকা দিয়েছেন যাতে তোমরা শুকরিয়া আদায় কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, তোমরা ছিলে কয়েকজন মাত্র। দেশে তোমাদের দুর্বল করে রাখা হয়েছিল। তোমরা আশংকা করছিলে লোকেরা তোমাদের ছোঁ মেরে ধরে ফেলবে। সে অবস্থা থেকে উদ্ধার করে তোমাদের আশ্রয় দিয়েছেন, নিজ সাহায্যের মাধ্যমে তোমাদের শক্তিশালী করেছেন এবং উত্তম জীবিকার ব্যবস্থা করেছেন, যাতে তোমরা শোকর আদায় করো।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তোমরা ছিলে স্বল্পসংখ্যক; পৃথিবীতে তোমরা দুর্বলরূপে পরিগণিত হইতে। তোমরা আশংকা করিতে যে, লোকেরা তোমাদেরকে অকস্মাৎ ধরিয়া লইয়া যাইবে। অতঃপর তিনি তোমাদেরকে আশ্রয় দেন, স্বীয় সাহায্য দ্বারা তোমাদেরকে শক্তিশালী করেন এবং তোমাদেরকে উত্তম বস্তুসমূহ জীবিকারূপে দান করেন, যাহাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।
Transliteration
Waothkuroo ith antum qaleelun mustadAAafoona fee alardi takhafoona an yatakhattafakumu alnnasu faawakum waayyadakum binasrihi warazaqakum mina alttayyibati laAAallakum tashkuroona
হে ঈমানদারগণ তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করতে থাক, তবে তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন এবং তোমাদের থেকে তোমাদের পাপকে সরিয়ে দেবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করবেন। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ অত্যন্ত মহান।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করো, তাহলে তিনি তোমাদেরকে ভালো - মন্দের মধ্যে পার্থক্য করার একটি মানদন্ড দেবেন এবং তোমাদের থেকে মুছে দেবেন তোমাদের পাপগুলো আর ক্ষমা করে দেবেন তোমাদের ত্রুটি বিচ্যুতি। তো মহা অনুগ্রহের মালিক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! যদি তোমরা কে ভয় কর তবে তোমাদেরকে ন্যায় - অন্যায় পার্থক্য করিবার শক্তি দিবেন, তোমাদের পাপ মোচন করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন এবং অতিশয় মঙ্গলময়।
Transliteration
Ya ayyuha allatheena amanoo in tattaqoo Allaha yajAAal lakum furqanan wayukaffir AAankum sayyiatikum wayaghfir lakum waAllahu thoo alfadli alAAatheemi
আর কাফেরেরা যখন প্রতারণা করত আপনাকে বন্দী অথবা হত্যা করার উদ্দেশ্যে কিংবা আপনাকে বের করে দেয়ার জন্য তখন তারা যেমন ছলনা করত তেমনি, আল্লাহও ছলনা করতেন। বস্তুতঃ আল্লাহর ছলনা সবচেয়ে উত্তম।
আবদুস শহীদ নাসিম
কাফিররা যখন তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছিল তোমাকে বন্দী করার, কিংবা হত্যা করার, অথবা দেশ থেকে বের করে দেয়ার; তারা চক্রান্ত করছিল আর আল্লাহ্ও কৌশল করছিলেন, আর আল্লাহ্ই সর্বোত্তম কৌশলী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, কাফিররা তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তোমাকে বন্দী করিবার জন্য, হত্যা করিবার অথবা নির্বাসিত করিবার জন্য এবং তাহারা ষড়যন্ত্র করে এবং আল্লাহ্ও কৌশল করেন; আর আল্লাহ্ই সর্বশ্রেষ্ঠ কৌশলী।
Transliteration
Waith yamkuru bika allatheena kafaroo liyuthbitooka aw yaqtulooka aw yukhrijooka wayamkuroona wayamkuru Allahu waAllahu khayru almakireena
আর কেউ যখন তাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ পাঠ করে তবে বলে, আমরা শুনেছি, ইচ্ছা করলে আমরাও এমন বলতে পারি; এ তো পূর্ববর্তী ইতিকথা ছাড়া আর কিছুই নয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তাদের কাছে আমাদের আয়াত শুনানো হয়, তারা বলে: ‘আমরা শুনলাম, ইচ্ছা করলে আমরাও এর মতো বলতে পারি। এতো সেকালের লোকদের কাহিনী ছাড়া আর কিছু নয়।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তাহাদের নিকট আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তাহারা তখন বলে, ‘আমরা তো শ্রবণ করিলাম, ইচ্ছা করিলে আমরাও ইহার অনুরূপ বলিতে পারি, ইহা তো শুধু সেকালের লোকদের উপকথা।’
Transliteration
Waitha tutla AAalayhim ayatuna qaloo qad samiAAna law nashao laqulna mithla hatha in hatha illa asateeru alawwaleena
তাছাড়া তারা যখন বলতে আরম্ভ করে যে, ইয়া , এই যদি তোমার পক্ষ থেকে (আগত) সত্য হয়ে থাকে, তবে আমাদের উপর আকাশ থেকে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদের উপর বেদনাদায়ক আযাব নাযিল কর।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তারা বলেছিল: ‘হে ! এ (দীন, এ কুরআন) যদি তোমার পক্ষ থেকে সত্য হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের উপর আকাশ থেকে পাথর বর্ষণ করো, অথবা আমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক আযাবে নিমজ্জিত করো।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তাহারা বলিয়াছিল, ‘হে ! ইহা যদি তোমার পক্ষ হইতে সত্য হয়, তবে আমাদের উপর আকাশ হইতে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদেরকে মর্মন্তুদ শাস্তি দাও।’
Transliteration
Waith qaloo allahumma in kana hatha huwa alhaqqa min AAindika faamtir AAalaynahijaratan mina alssamai awi itina biAAathabin aleemin
অথচ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
(হে নবী!) তুমি তাদের মধ্যে থাকবে আর তাদের শাস্তি দেবেন এমনটি করবেন না। আর যতো দিন তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে, ততোদিন তাদের শাস্তি দেয়া আল্লাহর নীতি নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এমন নন যে, তুমি তাহাদের মধ্যে থাকিবে, অথচ তিনি তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন, এবং এমনও নন যে, তাহারা ক্ষমা প্রার্থনা করিবে অথচ তিনি তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন।
Transliteration
Wama kana Allahu liyuAAaththibahum waanta feehim wama kana Allahu muAAaththibahum wahum yastaghfiroona
আর তাদের মধ্যে এমন কি বিষয় রয়েছে, যার ফলে তাদের উপর আযাব দান করবেন না। অথচ তারা মসজিদে - হারামে যেতে বাধাদান করে, অথচ তাদের সে অধিকার নেই। এর অধিকার তো তাদেরই রয়েছে যারা । কিন্তু তাদের অধিকাংশই সে বিষয়ে অবহিত নয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের কী বলার আছে, কেন তাদের শাস্তি দেবেন না, যখন তারা মসজিদুল হারাম থেকে (মুমিনদের) বাধা দেয়। তারা তো এই মসজিদের মুতাওয়াল্লি (তত্ত্বাবধায়ক) নয়, শুধু মুত্তাকিরাই হতে পারে এর মুতাওয়াল্লি, কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তাহাদের কী বা বলিবার আছে যে, তাহাদেরকে শাস্তি দিবেন না, যখন তাহারা লোকদেরকে মসজিদুল হারাম হইতে নিবৃত্ত করে? তাহারা উহার তত্ত্বাবধায়ক নয়, শুধু মুত্তাকীগণই উহার তত্ত্বাবধায়ক; কিন্তু তাহাদের অধিকাংশ ইহা অবগত নয়।
Transliteration
Wama lahum alla yuAAaththibahumu Allahu wahum yasuddoona AAani almasjidi alharami wama kanoo awliyaahu in awliyaohu illa almuttaqoona walakinna aktharahum la yaAAlamoona
নিঃসন্দেহে যেসব লোক , তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন - সম্পদ, যাতে করে বাধাদান করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্তুতঃ এখন তারা আরো ব্যয় করবে। তারপর তাই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হয়ে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে যাবে। আর যারা তাদেরকে দোযখের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা কুফুরির পথ অবলম্বন করেছে তারা তাদের অর্থ - সম্পদ ব্যয় করে মানুষকে আল্লাহর পথে বাধা দেয়ার জন্যে। তারা তাদের সম্পদ ব্যয় করেই যাবে এবং এটা তাদের হতাশার কারণ হবে। অবশেষে তারা পরাজিত হবে। যারা কুফুরি করে তাদেরকে শেষ পর্যন্ত জাহান্নামে হাশর (সমবেত) করা হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
র পথ হইতে লোককে নিবৃত্ত করার জন্য কাফিররা তাহাদের ধনসম্পদ ব্যয় করে, তাহারা ধন - সম্পদ ব্যয় করিতেই থাকিবে; অতঃপর উহা তাহাদের মনস্তাপের কারণ হইবে; ইহার পর তাহারা পরাভূত হইবে এবং যাহারা করে তাহাদেরকে জাহান্নামে একত্র করা হইবে।
যাতে পৃথক করে দেন অপবিত্র ও না - পাককে পবিত্র ও পাক থেকে। আর যাতে একটির পর একটিকে স্থাপন করে সমবেত স্তুপে পরিণত করেন এবং পরে দোযখে নিক্ষেপ করেন। এরাই হল ক্ষতিগ্রস্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
এমনটি করার কারণ হলো, মন্দকে ভালো থেকে আলাদা করে দিতে চান এবং মন্দদের কাউকেও কারো উপর স্থান দিতে চান, তারপর তাদের সবাইকে জমা করে নিক্ষেপ করবেন জাহান্নামে। আর তারাই হবে আসল ক্ষতিগ্রস্ত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা এইজন্য যে, কুজনকে সুজন হইতে পৃথক করিবেন এবং কুজনদের এককে অপরের উপর রাখিবেন, অতঃপর সকলকে স্তূপীকৃত করিয়া জাহান্নামে নিক্ষেপ করিবেন, ইহারাই ক্ষতিগ্রস্ত।
তুমি বলে দাও, কাফেরদেরকে যে, তারা যদি বিরত হয়ে যায়, তবে যা কিছু ঘটে গেছে ক্ষমা হবে যাবে। পক্ষান্তরে আবারও যদি তাই করে, তবে পুর্ববর্তীদের পথ নির্ধারিত হয়ে গেছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা কুফুরি করে তাদের বলো, তারা যদি বিরত হয় তবে অতীতের কর্মের জন্যে তাদের ক্ষমা করা হবে, কিন্তু তারা যদি পুনরাবৃত্তি করে, তবে আগেকার লোকদের (করুণ) দৃষ্টান্ত তো তাদের সামনেই রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা করে তাহাদেরকে বল, ‘যদি তাহারা বিরত হয় তবে যাহা অতীতে হইয়াছে তাহা ক্ষমা করিবেন; কিন্তু তাহারা যদি অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি করে তবে পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্ত তো রহিয়াছে।
Transliteration
Qul lillatheena kafaroo in yantahoo yughfar lahum ma qad salafa wain yaAAoodoo faqad madat sunnatu alawwaleena
আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়; এবং আল্লাহর সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের বিরুদ্ধে লড়ে যাও, যতোক্ষণ না ফিতনা দূর হয়ে যায় এবং দীন পুরোপুরি আল্লাহর জন্যে হয়ে যায়। তারা যদি (ফিতনা থেকে) বিরত হয়, তবে তারা যা করবে তার প্রতি লক্ষ্য রাখবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তোমরা তাহাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করিতে থাকিবে যতক্ষণ না ফিত্না দূরীভূত হয় এবং র দীন সামগ্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং যদি তাহারা বিরত হয় তবে তাহারা যাহা করে তো তাহার সম্যক দ্রষ্টা।
Transliteration
Waqatiloohum hatta la takoona fitnatun wayakoona alddeenu kulluhu lillahi faini intahaw fainna Allaha bima yaAAmaloona baseerun
আর এ কথাও জেনে রাখ যে, কোন বস্তু - সামগ্রীর মধ্য থেকে যা কিছু তোমরা গনীমত হিসাবে পাবে, তার এক পঞ্চমাংশ হল আল্লাহর জন্য, রসূলের জন্য, তাঁর নিকটাত্নীয় - স্বজনের জন্য এবং এতীম - অসহায় ও মুসাফিরদের জন্য; যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে আল্লাহর উপর এবং সে বিষয়ের উপর যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি ফয়সালার দিনে, যেদিন সম্মুখীন হয়ে যায় উভয় সেনাদল। আর সব কিছুর উপরই ক্ষমতাশীল।
আবদুস শহীদ নাসিম
জেনে নাও, তোমরা যে গনিমত লাভ করেছো, তার পাঁচ ভাগের একভাগ আল্লাহর, রসূলের, রসূলের নিকটাত্মীয়দের, এতিমদের, মিসকিনদের এবং পথিকদের জন্যে নির্ধারন করা হলো। যদি তোমরা ঈমান রাখো আল্লাহর প্রতি এবং সেই বিষয়ের প্রতি যা আমরা নাযিল করেছি আমাদের দাসের প্রতি মীমাংসার দিন, যেদিন দুই দল পরস্পরের মোকাবেলা করেছিল। সব বিষয়ে শক্তিমান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আরও জানিয়া রাখ, যুদ্ধে যাহা তোমরা লাভ কর তাহার এক - পঞ্চমাংশ র, রাসূলের, রাসূলের স্বজনদের, ইয়াতীমদের, মিস্কীনদের এবং মুসাফিরদের, যদি তোমরা ঈমান রাখ আল্লাহে এবং তাহাতে যাহা মীমাংসার দিন আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছিলাম, যেই দিন দুই দল পরস্পরের সম্মুখীন হইয়াছিল এবং সর্ববিষয়ে শক্তিমান।
আর যখন তোমরা ছিলে সমরাঙ্গনের এ প্রান্তে আর তারা ছিল সে প্রান্তে অথচ কাফেলা তোমাদের থেকে নীচে নেমে গিয়েছিল। এমতাবস্থায় যদি তোমরা পারস্পরিক অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে, তবে তোমরা এক সঙ্গে সে ওয়াদা পালন করতে পারতে না। কিন্তু তা’আলা এমন এক কাজ করতে চেয়েছিলেন, যা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল যাতে সে সব লোক নিহত হওয়ার ছিল, প্রমাণ প্রতিষ্ঠার পর এবং যাদের বাঁচার ছিল, তারা বেঁচে থাকে প্রমাণ প্রতিষ্ঠার পর। আর নিশ্চিতই শ্রবণকারী, বিজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, (বদর প্রান্তরে) তোমরা ছিলে উপত্যকার নিকট প্রান্তে, তারা ছিলো দূরপ্রান্তে আর আরোহী কাফেলা দল ছিলো অপেক্ষাকৃত নিম্নাঞ্চলে। তোমরা যদি পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধের (অবস্থান) সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চাইতে, তবে সে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তোমাদের মধ্যে মতবিরোধ ঘটতো। কিন্তু যা করার তা করে দিলেন। ফলে যারা হালাক হবার তারা যেনো সত্য প্রকাশের পর হালাক হয়, আর যারা জীবিত থাকবে তারাও যেনো সত্য প্রকাশের পর জীবিত থাকে। নিশ্চয়ই সব শুনেন, সব জানেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তোমরা ছিলে উপত্যকার নিকটপ্রান্তে এবং তাহারা ছিল দূরপ্রান্তে আর উষ্ট্রারোহী দল ছিল তোমাদের অপেক্ষা নিম্নভূমিতে। যদি তোমরা পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত করিতে চাহিতে তবে এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটিত। কিন্তু যাহা ঘটিবার ছিল, তাহা সম্পন্ন করিলেন, যাহাতে যে কেহ ধ্বংস হইবে সে যেন সত্যাসত্য স্পষ্ট প্রকাশের পর ধ্বংস হয় এবং যে জীবিত থাকিবে সে যেন সত্যাসত্য স্পষ্ট প্রকাশের পর জীবিত থাকে; তো সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
Transliteration
Ith antum bialAAudwati alddunya wahum bialAAudwati alquswa waalrrakbu asfala minkum walaw tawaAAadtum laikhtalaftum fee almeeAAadi walakin liyaqdiya Allahu amran kana mafAAoolan liyahlika man halaka AAan bayyinatin wayahya man hayya AAan bayyinatin wainna Allaha lasameeAAun AAaleemun
যখন তোমাকে স্বপ্নে সেসব কাফেরের পরিমাণ অল্প করে দেখালেন; বেশী করে দেখালে তোমরা কাপুরুষতা অবলম্বন করতে এবং কাজের বেলায় বিপদ সৃষ্টি করতে। কিন্তু বাঁচিয়ে দিয়েছেন। তিনি অতি উত্তমভাবেই জানেন; যা কিছু অন্তরে রয়েছে।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, (বদর প্রান্তরে) তোমাকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তারা সংখ্যায় অল্প। তিনি যদি তোমাকে দেখাতেন তারা সংখ্যায় অনেক, তাহলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলতে এবং যুদ্ধের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি করতে। কিন্তু তোমাদের রক্ষা করেছেন। নিশ্চয়ই অন্তরে যা আছে সে সম্পর্কে তিনি অবগত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তোমাকে স্বপ্নে দেখাইয়াছিলেন যে, তাহারা সংখ্যায় অল্প; যদি তোমাকে দেখাইতেন, তাহারা সংখ্যায় অধিক তবে তোমরা সাহস হারাইতে এবং যুদ্ধ বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করিতে। কিন্তু তোমাদেরকে রক্ষা করিয়াছিলেন এবং অন্তরে যাহা আছে সে সম্বন্ধে তিনি বিশেষভাবে অবহিত।
আর যখন তোমাদেরকে দেখালেন সে সৈন্যদল মোকাবেলার সময় তোমাদের চোখে অল্প এবং তোমাদেরকে দেখালেন তাদের চোখে বেশী, যাতে সে কাজ করে নিতে পারেন যা ছিল নির্ধারিত। আর সব কাজই আল্লাহর নিকট গিয়ে পৌছায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, যুদ্ধের ময়দানে তিনি তাদেরকে তোমাদের দৃষ্টিতে অল্প সংখ্যক দেখিয়েছেন এবং তোমাদেরকেও তাদের দৃষ্টিতে স্বল্প সংখ্যক দেখিয়েছেন, যা ঘটার ছিলো তা সম্পন্ন করার জন্যে। সব বিষয় শেষ পর্যন্ত আল্লাহর দিকেই রুজু হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, তোমরা যখন পরস্পরের সম্মুখীন হইয়াছিলে তখন তিনি তাহাদেরকে তোমাদের দৃষ্টিতে স্বল্পসংখ্যক দেখাইয়াছিলেন এবং তোমাদেরকে তাহাদের দৃষ্টিতে স্বল্পসংখ্যক দেখাইয়াছিলেন, যাহা ঘটিবার ছিল তাহা সম্পন্ন করিবার জন্য। সমস্ত বিষয় র দিকেই প্রত্যাবর্তিত হয়।
Transliteration
Waith yureekumoohum ithi iltaqaytum fee aAAyunikum qaleelan wayuqallilukum fee aAAyunihim liyaqdiya Allahu amran kana mafAAoolan waila Allahi turjaAAu alomooru
হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কোন বাহিনীর সাথে সংঘাতে লিপ্ত হও, তখন সুদৃঢ় থাক এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর যাতে তোমরা উদ্দেশ্যে কৃতকার্য হতে পার।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে লোকেরা! যখনই তোমরা কোনো সৈন্যদলের সাথে যুদ্ধের সম্মুখীন হবে, তখন অবশ্যি অটল অবিচল থাকবে, এবং আল্লাহকে অধিক অধিক স্মরণ করবে, তাহলে অবশ্যি তোমরা সফল হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে মু’মিনগণ! তোমরা যখন কোন দলের সম্মুখীন হইবে তখন অবিচল থাকিবে এবং কে অধিক স্মরণ করিবে, যাহাতে তোমরা হও।
Transliteration
Ya ayyuha allatheena amanoo itha laqeetum fiatan faothbutoo waothkuroo Allaha katheeran laAAallakum tuflihoona
আর তা’আলার নির্দেশ মান্য কর এবং তাঁর রসূলের। তাছাড়া তোমরা পরস্পরে বিবাদে লিপ্ত হইও না। যদি তা কর, তবে তোমরা কাপুরুষ হয়ে পড়বে এবং তোমাদের প্রভাব চলে যাবে। আর তোমরা ধৈর্য্যধারণ কর। নিশ্চয়ই তা'আলা রয়েছেন ধৈর্য্যশীলদের সাথে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং তাঁর রসূলের। আর তোমরা নিজেদের মধ্যে বিবাদে লিপ্ত হয়োনা। তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং এর ফলে তোমাদের প্রতিপত্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং সবর করো। নিশ্চয়ই সবর অবলম্বনকারীদের সাথেই রয়েছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিবে ও নিজেদের মধ্যে বিবাদ করিবে না; করিলে তোমরা সাহস হারাইবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হইবে। তোমরা ধৈর্য ধারণ কর; নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।
Transliteration
WaateeAAoo Allaha warasoolahu wala tanazaAAoo fatafshaloo watathhaba reehukum waisbiroo inna Allaha maAAa alssabireena
আর তাদের মত হয়ে যেয়ো না, যারা বেরিয়েছে নিজেদের অবস্থান থেকে গর্বিতভাবে এবং লোকদেরকে দেখাবার উদ্দেশে। আর আল্লাহর পথে তারা বাধা দান করত। বস্তুতঃ আল্লাহর আয়ত্বে রয়েছে সে সমস্ত বিষয় যা তারা করে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা ঐসব লোকদের মতো হয়োনা যারা দাম্ভিকতা প্রদর্শন ও লোক দেখানোর জন্যে ঘর থেকে বের হয়েছিল এবং যারা মানুষকে আল্লাহর পথে চলতে বাধা সৃষ্টি করে। তারা যা করে তা পরিবেষ্টন করে আছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা তাহাদের ন্যায় হইও না যাহারা দম্ভভরে ও লোক দেখাইবার জন্য স্বীয় গৃহ হইতে বাহির হইয়াছিল এবং লোককে র পথ হইতে নিবৃত্ত করে। তাহারা যাহা করে তাহা পরিবেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন।
আর যখন সুদৃশ্য করে দিল শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কার্যকলাপকে এবং বলল যে, আজকের দিনে কোন মানুষই তোমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না আর আমি হলাম তোমাদের সমর্থক, অতঃপর যখন সামনাসামনী হল উভয় বাহিনী তখন সে অতি দ্রুত পায়ে পেছনে দিকে পালিয়ে গেল এবং বলল, আমি তোমাদের সাথে না - আমি দেখছি, যা তোমরা দেখছ না; আমি ভয় করি আল্লাহকে। আর আল্লাহর আযাব অত্যন্ত কঠিন।
আবদুস শহীদ নাসিম
স্মরণ করো, শয়তান তাদের দৃষ্টিতে তাদের কর্মকান্ডকে চাকচিক্যময় করে রেখেছিল এবং বলেছিল: ‘আজ কোনো মানুষই তোমাদের উপর বিজয়ী হতে পারবে না, আমি তোমাদের পাশেই আছি।’ তারপর উভয় দল যখন মুখোমুখি হলো, তখন সে পেছন থেকে কেটে পড়লো এবং বললো: ‘তোমাদের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এমন কিছু দেখছি, যা তোমরা দেখছোনা। আমি আল্লাহকে ভয় পাই। কঠিন শাস্তিদাতা।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, শয়তান যখন তাহাদের কার্যাবলী তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল এবং বলিয়াছিল, ‘আজ মানুষের মধ্যে কেহই তোমাদের উপর বিজয়ী হইবে না, আমি তোমাদের পাশেই থাকিব;’ অতঃপর দুই দল যখন পরস্পরের সম্মুখীন হইল তখন সে পিছনে সরিয়া পড়িল ও বলিল, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক রহিল না, তোমরা যাহা দেখিতে পাও না আমি তো তাহা দেখি, নিশ্চয়ই আমি কে ভয় করি,’ আর শাস্তিদানে কঠোর।
Transliteration
Waith zayyana lahumu alshshaytanu aAAmalahum waqala la ghaliba lakumu alyawma mina alnnasi wainnee jarun lakum falamma taraati alfiatani nakasa AAala AAaqibayhi waqala innee bareeon minkum innee ara ma la tarawna innee akhafu Allaha waAllahu shadeedu alAAiqabi
যখন মোনাফেকরা বলতে লাগল এবং যাদের অন্তর ব্যাধিগ্রস্ত, এরা নিজেদের ধর্মের উপর গর্বিত। বস্তুতঃ যারা ভরসা করে আল্লাহর উপর, সে নিশ্চিন্ত, কেননা অতি পরাক্রমশীল, সুবিজ্ঞ।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন মুনাফিকরা এবং যাদের মনে রোগ ছিলো তারা বলছিল: ‘এদের দীন এদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।’ যে কেউ আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে, সে জেনে রাখুক, মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাবান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
স্মরণ কর, মুনাফিক ও যাহাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তাহারা বলে, ‘ইহাদের দিন ইহাদেরকে বিভ্রান্ত করিয়াছে।’ কেহ র উপর নির্ভর করিলে তো পরাক্রান্ত ও প্রজ্ঞাময়।
যেমন, রীতি রয়েছে ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্বে যারা ছিল তাদের ব্যাপারে যে, এরা আল্লাহর নির্দেশের প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং সেজন্য তা’আলা তাদের পাকড়াও করেছেন তাদেরই পাপের দরুন। নিঃসন্দেহে মহাশক্তিশালী, কঠিন শাস্তিদাতা।
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরাউনের অনুসারীদের এবং তাদের পূর্ববর্তীদের মতোই এরা অস্বীকার করেছে আল্লাহর আয়াত। ফলে তাদের পাপের জন্যে তাদের শাস্তি প্রদান করেন। নিশ্চয়ই শক্তিমান, কঠোর শাস্তিদাতা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ফির‘আওনের স্বজন ও উহাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের ন্যায় ইহারা র নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করে; সুতরাং ইহাদের পাপের জন্য ইহাদেরকে শাস্তি দেন। নিশ্চয়ই শক্তিমান, শাস্তিদানে কঠোর;
Transliteration
Kadabi ali firAAawna waallatheena min qablihim kafaroo biayati Allahi faakhathahumu Allahu bithunoobihim inna Allaha qawiyyun shadeedu alAAiqabi
তার কারণ এই যে, কখনও পরিবর্তন করেন না, সে সব নেয়ামত, যা তিনি কোন জাতিকে দান করেছিলেন, যতক্ষণ না সে জাতি নিজেই পরিবর্তিত করে দেয় নিজের জন্য নির্ধারিত বিষয়। বস্তুতঃ শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।
আবদুস শহীদ নাসিম
এর কারণ আল্লাহর নীতি হলো, তিনি কোনো জনগোষ্ঠীকে যে নিয়ামত দান করেন, তা ততোক্ষণ পর্যন্ত পরিবর্তন করেন না, যতোক্ষণ পর্যন্ত তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন না করে। সব শুনেন, সব জানেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা এইজন্য যে, যদি কোন সম্প্রদায় নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করে তবে এমন নন যে, তিনি উহাদেরকে যে সম্পদ দান করিয়াছেন, উহা পরিবর্তন করিবেন; এবং নিশ্চয়ই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
Transliteration
Thalika bianna Allaha lam yaku mughayyiran niAAmatan anAAamaha AAala qawmin hatta yughayyiroo ma bianfusihim waanna Allaha sameeAAun AAaleemun
যেমন ছিল রীতি ফেরাউনের বংশধর এবং যারা তাদের পূর্বে ছিল, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল স্বীয় পালনকর্তার নিদর্শনসমূহকে। অতঃপর আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছি তাদের পাপের দরুন এবং ডুবিয়ে মেরেছি ফেরাউনের বংশধরদেরকে। বস্তুতঃ এরা সবাই ছিল যালেম।
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরাউনের অনুসারীদের মতো এবং তাদের পূর্ববর্তীদের মতো এরাও আল্লাহর আয়াত প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে তাদের পাপের জন্যে আমরা তাদের হালাক করেছি আর ফেরাউনের অনুসারীদেরও আমরা ডুবিয়ে মেরেছিলাম। এরা সবাই ছিলো যালিম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ফির‘আওনের স্বজন ও তাহাদের পূর্ববর্তীদের অভ্যাসের ন্যায় ইহারা ইহাদের প্রতিপালকের নিদর্শনকে অস্বীকার করে। তাহাদের পাপের জন্য আমি তাহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছি এবং ফির‘আওনের স্বজনকে নিমজ্জিত করিয়াছি এবং তাহারা সকলেই ছিল ।
Transliteration
Kadabi ali firAAawna waallatheena min qablihim kaththaboo biayati rabbihim faahlaknahum bithunoobihim waaghraqnaala firAAawna wakullun kanoo thalimeena
সুতরাং যদি কখনো তুমি তাদেরকে যুদ্ধে পেয়ে যাও, তবে তাদের এমন শাস্তি দাও, যেন তাদের উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা যদি যুদ্ধে তাদেরকে বাগে পাও, তাহলে তাদের উত্তরসূরীদের থেকে তাদের বিচ্ছিন্ন করে এমনভাবে বিধ্বস্ত করবে, যাতে করে তারা শিক্ষা লাভ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যুদ্ধে উহাদেরকে তোমরা যদি তোমাদের আয়ত্তে পাও তবে উহাদেরকে উহাদের পশ্চাতে যাহারা আছে, তাহাদের হইতে বিচ্ছিন্ন করিয়া এমনভাবে বিধ্বস্ত করিবে, যাহাতে উহারা শিক্ষা লাভ করে।
Transliteration
Faimma tathqafannahum fee alharbi fasharrid bihim man khalfahum laAAallahum yaththakkaroona
তবে কোন সম্প্রদায়ের ধোঁকা দেয়ার ব্যাপারে যদি তোমাদের ভয় থাকে, তবে তাদের চুক্তি তাদের দিকেই ছুঁড়ে ফেলে দাও এমনভাবে যেন হয়ে যাও তোমরাও তারা সমান। নিশ্চয়ই ধোকাবাজ, প্রতারককে পছন্দ করেন না।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যদি তোমরা কোনো সম্প্রদায় থেকে চুক্তি ভঙ্গের আশংকা করো, সে ক্ষেত্রে তোমার চুক্তি তুমি ঠিক সেভাবেই বাতিল করবে, কারণ খিয়ানতকারীদের পছন্দ করেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদি তুমি কোন সম্প্রদায়ের চুক্তিভঙ্গের আশংকা কর তবে তোমার চুক্তিও তুমি যথাযথ বাতিল করিবে; নিশ্চয়ই চুক্তি ভঙ্গকারীদেরকে পছন্দকরেন না।
Transliteration
Waimma takhafanna min qawmin khiyanatan fainbith ilayhim AAala sawain inna Allaha la yuhibbu alkhaineena
আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন প্রভাব পড়ে আল্লাহর শুত্রুদের উপর এবং তোমাদের শত্রুদের উপর আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপর ও যাদেরকে তোমরা জান না; তাদেরকে চেনেন। বস্তুতঃ যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না।
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমরা তাদের সাথে মোকাবেলার জন্যে সাধ্যমতো শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখবে, যা দিয়ে তোমরা আল্লাহর দুশমন ও তোমাদের দুশমনদের আতংকিত করে রাখবে। তাছাড়া অন্যদেরকেও, যাদেরকে তোমরা জানোনা। তাদের জানেন। তোমরা আল্লাহর পথে যা - ই খরচ করো না কেন, তার পুরো প্রতিদান তোমাদের দেয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি কোনো প্রকার যুলুম করা হবেনা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমরা তাহাদের মুকাবিলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখিবে - এতদ্দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত করিবে র শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে এবং এতদ্ব্যতীত অন্যদেরকে যাহাদেরকে তোমরা জান না, তাহাদেরকে জানেন। র পথে তোমরা যাহা কিছু ব্যয় করিবে উহার পূর্ণপ্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হইবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হইবে না।
Transliteration
WaaAAiddoo lahum ma istataAAtum min quwwatin wamin ribati alkhayli turhiboona bihi AAaduwwa Allahi waAAaduwwakum waakhareena min doonihim la taAAlamoonahumu Allahu yaAAlamuhum wama tunfiqoo min shayin fee sabeeli Allahi yuwaffa ilaykum waantum la tuthlamoona
আর প্রীতি সঞ্চার করেছেন তাদের অন্তরে। যদি তুমি সেসব কিছু ব্যয় করে ফেলতে, যা কিছু যমীনের বুকে রয়েছে, তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করতে পারতে না। কিন্তু তাদের মনে প্রীতি সঞ্চার করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি পরাক্রমশালী, সুকৌশলী।
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তাদের অন্তরে সম্প্রীতি স্থাপন করে দিয়েছেন। তুমি যদি পৃথিবীর সমস্ত সম্পদও ব্যয় করতে, তাদের অন্তরে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করতে পারতে না। কিন্তু তাদের অন্তরে সম্প্রীতির বন্ধন স্থাপন করে দিয়েছেন, তিনি মহাক্ষমতাশালী, বিজ্ঞানময়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং তিনি উহাদের পরস্পরের হৃদয়ের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করিয়াছেন। পৃথিবীর যাবতীয় সম্পদ ব্যয় করিলেও তুমি তাহাদের হৃদয়ে প্রীতি স্থাপন করিতে পারিতে না; কিন্তু তাহাদের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করিয়াছেন; নিশ্চয়ই তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
Transliteration
Waallafa bayna quloobihim law anfaqta ma fee alardi jameeAAan ma allafta bayna quloobihim walakinna Allaha allafa baynahum innahu AAazeezun hakeemun
হে নবী, আপনি মুসলমানগণকে উৎসাহিত করুন জেহাদের জন্য। তোমাদের মধ্যে যদি বিশ জন দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর মোকাবেলায়। আর যদি তোমাদের মধ্যে থাকে একশ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের উপর থেকে তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! মুমিনদের উদ্বুদ্ধ করো যুদ্ধের জন্যে। তোমাদের মধ্যে যদি বিশজন অবিচল ব্যক্তি থাকে, তারা বিজয়ী হবে দুইশ জনের উপর। আর তোমাদের মধ্যে যদি একশজন থাকে, তারা বিজয়ী হবে এক হাজার কাফিরের উপর। কারণ তারা নির্বোধ লোক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে নবী ! মু’মিনদেরকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর; তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকিলে তাহারা দুই শত জনের উপর বিজয়ী হইবে এবং তোমাদের মধ্যে এক শত জন থাকিলে এক সহস্র কাফিরের উপর বিজয়ী হইবে। কারণ তাহারা এমন এক সম্প্রদায়, যাহার বোধশক্তি নাই।
Transliteration
Ya ayyuha alnnabiyyu harridi almumineena AAala alqitali in yakun minkum AAishroona sabiroona yaghliboo miatayni wain yakun minkum miatun yaghliboo alfan mina allatheena kafaroo biannahum qawmun la yafqahoona
এখন বোঝা হালকা করে দিয়েছেন তা’আলা তোমাদের উপর এবং তিনি জেনে নিয়েছেন যে, তোমাদের মধ্য দূর্বলতা রয়েছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যদি দৃঢ়চিত্ত একশ লোক বিদ্যমান থাকে, তবে জয়ী হবে দু’শর উপর। আর যদি তোমরা এক হাজার হও তবে আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী জয়ী হবে দু’হাজারের উপর আর রয়েছেন দৃঢ়চিত্ত লোকদের সাথে।
আবদুস শহীদ নাসিম
এখন তোমাদের ভার লাঘব করেছেন। তিনি জানেন তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে। এখন যদি তোমাদের একশ অবিচল ব্যক্তি থাকে, তারা দু’শ জনের উপর বিজয়ী হবে। তোমাদের যদি এক হাজার থাকে তারা বিজয়ী হবে দুই হাজারের উপর আল্লাহর অনুমতিক্রমে। অবিচল লোকদের সাথেই আছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এখন তোমাদের ভার লাঘব করিলেন। তিনি অবগত আছেন যে, তোমাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে; সুতরাং তোমাদের মধ্যে এক শত জন ধৈর্যশীল থাকিলে তাহারা দুই শত জনের উপর বিজয়ী হইবে। আর তোমাদের মধ্যে এক সহস্র থাকিলে র অনুজ্ঞাক্রমে তাহারা দুই সহস্রের উপর বিজয়ী হইবে। ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।
নবীর পক্ষে উচিত নয় বন্দীদিগকে নিজের কাছে রাখা, যতক্ষণ না দেশময় প্রচুর রক্তপাত ঘটাবে। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর, অথচ চান আখেরাত। আর হচ্ছেন পরাক্রমশালী হেকমতওয়ালা।
আবদুস শহীদ নাসিম
দেশে শত্রুদেরকে ব্যাপকভাবে পরাস্ত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোনো নবীর জন্যে উচিত নয়। তোমরা চাইছো দুনিয়ার সম্পদ, আর চান । ক্ষমতাশালী, প্রজ্ঞাবান।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবীর জন্য সংগত নয়। তোমরা কামনা কর পার্থিব সম্পদ এবং চান পরলোকের কল্যাণ; পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।
Transliteration
Ma kana linabiyyin an yakoona lahu asrahatta yuthkhina fee alardi tureedoona AAarada alddunya waAllahu yureedu alakhirata waAllahu AAazeezun hakeemun
হে নবী, তাদেরকে বলে দাও, যারা তোমার হাতে বন্দী হয়ে আছে যে, যদি তোমাদের অন্তরে কোন রকম মঙ্গলচিন্তা রয়েছে বলে জানেন, তবে তোমাদেরকে তার চেয়ে বহুগুণ বেশী দান করবেন যা তোমাদের কাছ থেকে বিনিময়ে নেয়া হয়েছে। তাছাড়া তোমাদেরকে তিনি ক্ষমা করে দিবেন। বস্তুতঃ ক্ষমাশীল, করুণাময়।
আবদুস শহীদ নাসিম
হে নবী! তোমার হাতে যেসব বন্দী আছে তাদের বলো, যদি তোমাদের মধ্যে ভালো কিছু আছে বলে দেখেন, তাহলে তোমাদের থেকে যা কিছু নেয়া হয়েছে, তোমাদেরকে তার চাইতে উত্তম কিছু দান করবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করে দেবেন। বড়ই ক্ষমাশীল, দয়াময়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
হে নবী ! তোমাদের করায়ত্ত যুদ্ধবন্দীদেরকে বল, যদি তোমাদের হৃদয়ে ভাল কিছু দেখেন তবে তোমাদের নিকট হইতে যাহা নেওয়া হইয়াছে তাহা অপেক্ষা উত্তম কিছু তিনি তোমাদেরকে দান করিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করিবেন। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’
Transliteration
Ya ayyuha alnnabiyyu qul liman fee aydeekum mina alasra in yaAAlami Allahu fee quloobikum khayran yutikum khayran mimma okhitha minkum wayaghfir lakum waAllahu ghafoorun raheemun
আর যদি তারা তোমার সাথে প্রতারণা করতে চায় - বস্তুতঃ তারা আল্লাহর সাথেও ইতিপূর্বে প্রতারণা করেছে, অতঃপর তিনি তাদেরকে ধরিয়ে দিয়েছেন। আর সর্ববিষয়ে পরিজ্ঞাত, সুকৌশলী।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা যদি তোমার সাথে খেয়ানত (বিশ্বাস ভঙ্গ) করতে চায়, তবে ইতোপূর্বে তো তারা আল্লাহর সাথেও খেয়ানত করেছে। তারপর তিনি তোমাদেরকে তাদের উপর শক্তিশালী করেছেন। অবশ্যি জ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা তোমার সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করিতে চাহিলে, তাহারা তো পূর্বে র সঙ্গেও বিশ্বাস ভঙ্গ করিয়াছে; অতঃপর তিনি তোমাদেরকে তাহাদের উপর শক্তিশালী করিয়াছেন। সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
Transliteration
Wain yureedoo khiyanataka faqad khanoo Allaha min qablu faamkana minhum waAllahu AAaleemun hakeemun
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে, স্বীয় জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর রাহে জেহাদ করেছে এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় ও সাহায্য সহায়তা দিয়েছে, তারা একে অপরের সহায়ক। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু দেশ ত্যাগ করেনি তাদের বন্ধুত্বে তোমাদের প্রয়োজন নেই যতক্ষণ না তারা দেশত্যাগ করে। অবশ্য যদি তারা ধর্মীয় ব্যাপারে তোমাদের সহায়তা কামনা করে, তবে তাদের সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। কিন্তু তোমাদের সাথে যাদের সহযোগী চুক্তি বিদ্যমান রয়েছে, তাদের মোকাবেলায় নয়। বস্তুতঃ তোমরা যা কিছু কর, সেসবই দেখেন।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে, নিজেদের জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে আর যারা (তাদেরকে) আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে, তারা পরস্পরের অলি। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরত করেনি, হিজরত না করা পর্যন্ত তাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমার উপর নেই। তারা যদি দীনের ব্যাপারে তোমাদের কাছে সাহায্য চায়, সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য। তবে যদি তোমাদের এবং কোনো কওমের মধ্যে চুক্তি থাকে, সে চুক্তি ভঙ্গ করবে না। তোমরা যা আমল করো তা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা ঈমান আনিয়াছে, হিজরত করিয়াছে, নিজেদের জীবন ও সম্পদ দ্বারা র পথে জিহাদ করিয়াছে ; আর যাহারা আশ্রয় দান করিয়াছে ও সাহায্য করিয়াছে তাহারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। আর যাহারা ঈমান আনিয়াছে কিন্তু হিজরত করে নাই, হিজরত না করা পর্যন্ত তাহাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমাদের নাই ; আর দীন সম্বন্ধে যদি তাহারা তোমাদের সাহায্য প্রার্থনা করে তবে তাহাদেরকে সাহায্য করা তোমাদের কর্তব্য, কিন্তু যে সম্প্রদায় ও তোমাদের মধ্যে চুক্তি রহিয়াছে তাহাদের বিরুদ্ধে নয়। তোমরা যাহা কর উহার সম্যক দ্রষ্টা।
Transliteration
Inna allatheena amanoo wahajaroo wajahadoo biamwalihim waanfusihim fee sabeeli Allahi waallatheena awaw wanasaroo olaika baAAduhum awliyao baAAdin waallatheena amanoo walam yuhajiroo ma lakum min walayatihim min shayin hatta yuhajiroo waini istansarookum fee alddeeni faAAalaykumu alnnasru illa AAala qawmin baynakum wabaynahum meethaqun waAllahu bima taAAmaloona baseerun
আর যারা ঈমান এনেছে, নিজেদের ঘর - বাড়ী ছেড়েছে এবং আল্লাহর রাহে জেহাদ করেছে এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে, সাহায্য - সহায়তা করেছে, তাঁরা হলো সত্যিকার মুসলমান। তাঁদের জন্যে রয়েছে, ক্ষমা ও সম্মানজনক রুযী।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে ও সাহায্য করেছে তারাই সত্যিকার । তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত ও সম্মানজনক রিযিক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা ঈমান আনিয়াছে, হিজরত করিয়াছে ও র পথে জিহাদ করিয়াছে আর যাহারা আশ্রয় দান করিয়াছে ও সাহায্য করিয়াছে, তাহারাই প্রকৃত ; তাহাদের জন্য ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা রহিয়াছে।
আর যারা ঈমান এনেছে পরবর্তী পর্যায়ে এবং ঘর - বাড়ী ছেড়েছে এবং তোমাদের সাথে সম্মিলিত হয়ে জেহাদ করেছে, তারাও তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত। বস্তুতঃ যারা আত্নীয়, আল্লাহর বিধান মতে তারা পরস্পর বেশী হকদার। নিশ্চয়ই যাবতীয় বিষয়ে সক্ষম ও অবগত।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যারা পরে ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং তোমাদের সাথে জিহাদে শরিক হয়েছে, তারাও তোমাদের অন্তরভুক্ত। আর আত্মীয়রা আল্লাহর বিধানে একজন অন্যজন অপেক্ষা বেশি হকদার। অবশ্যি সব বিষয়ে জ্ঞানী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা পরে ঈমান আনিয়াছে, হিজরত করিয়াছে ও তোমাদের সঙ্গে থাকিয়া জিহাদ করিয়াছে তাহারাও তোমাদের অন্তর্ভুক্ত এবং আত্মীয়গণ র বিধানে একে অন্য অপেক্ষা অধিক হকদার। নিশ্চয়ই সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।