Kitab

আল আলাক

Chapter 96, 19 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান

পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন

আবদুস শহীদ নাসিম

পড়ো তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন,

জহুরুল হক

তুমি পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।

মুহিউদ্দীন খান

সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ থেকে।

জহুরুল হক

সৃষ্টি করেছেন মানুষকে এক রক্তপিন্ড থেকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে 'আলাক' থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু,

আবদুস শহীদ নাসিম

পড়ো, আর তোমার প্রভু অতিশয় মহিমান্বিত,

জহুরুল হক

পড়ো! আর তোমার প্রভু মহাসম্মানিত - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

পড়, আর তোমার রব মহামহিম।

মুহিউদ্দীন খান

যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি তালিম (শিক্ষা) দিয়েছেন কলমের সাহায্যে।

জহুরুল হক

যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলমের সাহায্যে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তালিম দিয়েছেন ইনসানকে যা সে জানতোনা।

জহুরুল হক

শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানতোই না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তিনি মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না।

মুহিউদ্দীন খান

সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

না, মানুষ সীমালংঘন করেই চলেছে।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ মানুষ নিশ্চয়ই সীমালংঘন করেই থাকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় মানুষ সীমালঙ্ঘন করে থাকে।

মুহিউদ্দীন খান

এ কারণে যে, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কারণ, সে নিজেকে মনে করে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

জহুরুল হক

কারণ সে নিজেকে স্বয়ংসমৃদ্ধ দেখে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কেননা সে নিজকে মনে করে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার দিকেই প্রত্যাবর্তন হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার প্রভুর কাছে (তাদের) প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত।

জহুরুল হক

নিশ্চয় তোমার প্রভুর কাছেই প্রত্যাবর্তন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রবের দিকেই প্রত্যাবর্তন।

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করে

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখেছো তাকে , যে বাধা দেয়,

জহুরুল হক

তুমি কি তাকে দেখেছ যে বারণ করে - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি তাকে দেখেছ যে নিষেধ করে।

মুহিউদ্দীন খান

এক বান্দাকে যখন সে পড়ে?

আবদুস শহীদ নাসিম

(আমার) দাসকে (মুহাম্মদকে), যখন সে সালাতে দাঁড়ায়?

জহুরুল হক

একজন বান্দাকে যখন সে পড়ে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

এক বান্দাকে, যখন সে আদায় করে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি দেখেছেন যদি সে সৎপথে থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো দেখি, যদি সে (মুহাম্মদ) থাকে হিদায়াতের উপর,

জহুরুল হক

তুমি কি লক্ষ্য করেছ - - সে সৎপথে রয়েছে কি না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখেছ, যদি সে হিদায়াতের উপর থাকে,

মুহিউদ্দীন খান

অথবা খোদাভীতি শিক্ষা দেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথবা নির্দেশ দেয় আল্লাহকে ভয় করার!

জহুরুল হক

অথবা ধর্মভীরুতা অবলন্বনের নির্দেশ দেয় কিনা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথবা তাকওয়ার নির্দেশ দেয়?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো দেখি, আর যদি ঐ (বাধাদানকারী) ব্যক্তি সত্যকে করে অস্বীকার এবং ফিরিয়ে নেয় মুখ?

জহুরুল হক

তুমি কি দেখেছ - - সে মিথ্যারোপ করছে ও ফিরে যাচ্ছে কি না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যদি সে মিথ্যারোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়?

মুহিউদ্দীন খান

সে কি জানে না যে, দেখেন?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি জানেনা যে, দেখেন (সে যা করছে)?

জহুরুল হক

সে কি জানে না যে অবশ্যই দেখতে পাচ্ছেন?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে কি জানেনা যে, নিঃসন্দেহে দেখেন?

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই -

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, সে যদি (তার এ কাজ থেকে) বিরত না হয়, তবে আমি অবশ্যি তাকে নিয়ে যাবো তার কপালের দিকের চুল ধরে টেনে হেঁচড়ে,

জহুরুল হক

না, যদি সে না থামে তবে আমরা নিশ্চয় টেনে ধরব কপালের চুলের গোছা - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি তাকে কপালের সম্মুখভাগের চুল ধরে টেনে- হিঁচড়ে নিয়ে যাব।

মুহিউদ্দীন খান

মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

মিথ্যাবাদী পাপিষ্ঠের কপালের দিকের চুল (ধরে)।

জহুরুল হক

মিথ্যাচারী পাপাচারী চুলের গোছা!

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যাবাদী, পাপিষ্ঠ কপাল।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, সে তার সভাসদদেরকে আহবান করুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে তার চারপাশের সমর্থক - সহচরদের ডেকে আনুক।

জহুরুল হক

তাহলে সে ডাকুক তার সাঙ্গোপাঙ্গদের,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব, সে তার সভাসদদের আহবান করুক।

মুহিউদ্দীন খান

আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে

আবদুস শহীদ নাসিম

আমিও ডেকে আনবো জাহান্নামের প্রহরীদের (এবং তাকে সোপর্দ করে দেবো তাদের হাতে)।

জহুরুল হক

আমরাও সঙ্গে সঙ্গে ডাকবো দুর্ধর্ষ বাহিনীকে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অচিরেই আমি ডেকে নেব জাহান্নামের প্রহরীদেরকে।

মুহিউদ্দীন খান

কখনই নয়, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন।

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, তুমি কিছুতেই তার কথা শুনোনা। (বরং) সাজদা করো এবং নিকটবর্তী হও আল্লাহর। (সাজদা)

জহুরুল হক

না, তুমি তার আজ্ঞা পালন করো না, বরং তুমি সিজদা করো এবং নিকটবর্তী হও।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, তুমি তার আনুগত্য করবে না। আর সিজদা কর এবং নৈকট্য লাভ কর।[সাজদাহ]

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme