Kitab

আল বুরূজ

Chapter 85, 22 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান

শপথ গ্রহ - নক্ষত্র শোভিত আকাশের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ বুরূজ (বিশাল বিশাল গ্রহ - নক্ষত্র) ওয়ালা আকাশের।

জহুরুল হক

ভাবো নক্ষত্রপুঞ্জবিশিষ্ট আকাশের কথা,

মুহিউদ্দীন খান

এবং প্রতিশ্রুত দিবসের,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ওয়াদাকৃত দিনটির।

জহুরুল হক

আর সেই অঙ্গীকার করা দিনের কথা,

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেই দিবসের, যে উপস্থিত হয় ও যাতে উপস্থিত হয়

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ দ্রষ্টা এবং দৃশ্যের।

জহুরুল হক

আর সাক্ষ্যদাতার ও যাদের জন্য সাক্ষ্য দেওয়া হবে তাদের কথা।

মুহিউদ্দীন খান

অভিশপ্ত হয়েছে গর্ত ওয়ালারা অর্থাৎ,

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস হয়েছে সেই গর্তওয়ালা লোকেরা, (যারা গর্ত খনন করেছিল এবং সে গর্তে)

জহুরুল হক

খন্দকগুলোর মালিকদের নিপাত করা হয়েছে, -

মুহিউদ্দীন খান

অনেক ইন্ধনের অগ্নিসংযোগকারীরা;

আবদুস শহীদ নাসিম

জ্বালানি পূর্ণ করে জ্বালিয়ে দিয়েছিল আগুন।

জহুরুল হক

জ্বালানি দেওয়া অগ্নিকুন্ড;

মুহিউদ্দীন খান

যখন তারা তার কিনারায় বসেছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন গর্তের কিনারেই বসেছিল তারা।

জহুরুল হক

দেখো! তারা এর কিনারা বসে থাকত,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা বিশ্বাসীদের সাথে যা করেছিল, তা নিরীক্ষণ করছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তারা মুমিনদের সাথে যা করছিল তা অবলোকন করছিল।

জহুরুল হক

আর তারা মুমিনদের সঙ্গে যা করত তার জন্য তারাই সাক্ষী ছিল।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাদেরকে শাস্তি দিয়েছিল শুধু এ কারণে যে, তারা প্রশংসিত, পরাক্রান্ত আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাদের (মুমিনদের) থেকে প্রতিশোধ নিয়েছিল শুধুমাত্র এই অপরাধে যে, তারা অসীম ক্ষমতাবান সপ্রশংসিত আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল,

জহুরুল হক

আর তারা এদের প্রতি বিরূপ ছিল না এই ব্যতীত যে এরা বিশ্বাস করত মহাশক্তিশালী পরমপ্রশংসিত তে -

মুহিউদ্দীন খান

যিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের ক্ষমতার মালিক, আল্লাহর সামনে রয়েছে সবকিছু।

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি মহাকাশ এবং এই পৃথিবীর কর্তৃত্বের মালিক। আর সব কিছুর সাক্ষী।

জহুরুল হক

যাঁর অধিকারে মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর সার্বভৌম কর্তৃত্ব রয়েছে। আর সব - কিছুর উপরে সাক্ষী রয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পুরুষ ও নারীকে নিপীড়ন করেছে, অতঃপর তওবা করেনি, তাদের জন্যে আছে জাহান্নামের শাস্তি, আর আছে দহন যন্ত্রণা,

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা পুরুষ ও নারীদের উপর যুলুম নির্যাতন চালিয়েছে, তারপর অনুতপ্ত হয়ে সেকাজ থেকে ফিরে আসেনি (আল্লাহর দিকে), তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আযাব, আর জ্বালিয়ে - পুড়িয়ে যন্ত্রণা দেয়ার শাস্তি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহে যারা পুরুষ ওমুমিন নারীদের নির্যাতন করে এবং তারপরে ফেরে না, তাদের জন্য তবে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি, আর তাদের জন্য আছে দহন যন্ত্রণা।

মুহিউদ্দীন খান

যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আছে জান্নাত, যার তলদেশে প্রবাহিত হয় নির্ঝরিণীসমূহ। এটাই মহাসাফল্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে জান্নাত, সেসব বাগিচার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। এটাই (মানব জীবনের) মহাসাফল্য।

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে তাদের জন্য রয়েছে বাগানসমূহ যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলেছে ঝরনারাজি। এটিইতো বিরাট সাফল্য।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তোমার পালনকর্তার পাকড়াও অত্যন্ত কঠিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তোমার প্রভুর গ্রেফতারি বড়ই শক্ত এবং কঠিন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহে তোমার প্রভুর পাকড়ানো বড়ই কঠোর।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই প্রথমবার অস্তিত্ব দান করেন এবং পুনরায় জীবিত করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই তিনি সেই মহান সত্তা, যিনি সৃষ্টি করেন এবং পুনরায় (সৃষ্টি) করবেন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহে তিনি, তিনিই সৃষ্টি শুরু করেন এবং পুনঃসৃষ্টি করেন;

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ক্ষমাশীল, প্রেমময়;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তিনি পরম ক্ষমাশীল এবং প্রেম - ভালোবাসা ও মমতার সাগর,

জহুরুল হক

আর তিনিই পরিত্রাণকারী, প্রেমময়,

মুহিউদ্দীন খান

মহান আরশের অধিকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহিমান্বিত আরশের অধিপতি।

জহুরুল হক

সম্মানিত আরশের অধিকারী,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি যা চান, তাই করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি (যখন) যা চান তাই করেন।

জহুরুল হক

তিনি যা চাহেন তার একক কর্মকর্তা।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার কাছে সৈন্যবাহিনীর ইতিবৃত্ত পৌছেছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে কি খবর পৌঁছেছে সৈন্যবাহিনীর,

জহুরুল হক

তোমার কাছে কি সৈন্যবাহিনীর সংবাদ পৌঁছেছে -

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউনের এবং সামুদের?

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউন এবং সামুদের?

জহুরুল হক

ফিরআউনের ও ছামূদের?

মুহিউদ্দীন খান

বরং যারা , তারা মিথ্যারোপে রত আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু যারা কুফরির পথ ধরেছে, তারা অস্বীকার করেই চলেছে,

জহুরুল হক

বস্তুত যারা অবিশ্বাস করেছে তারা মিথ্যারোপ করায় রত;

মুহিউদ্দীন খান

তাদেরকে চতুর্দিক থেকে পরিবেষ্টন করে রেখেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পেছন থেকে (তাদের অজ্ঞাতেই) ঘেরাও করে রেখেছেন তাদের।

জহুরুল হক

কিন্তু তাদের পেছন থেকে ঘেরাও করে রয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

বরং এটা মহান কোরআন,

আবদুস শহীদ নাসিম

(তোমাদের অস্বীকার করায় কিছুই যায় আসেনা) কারণ, এ এক মহিমা মন্ডিত কুরআন,

জহুরুল হক

বস্তুত এ হচ্ছে সম্মানিত কুরআন -

মুহিউদ্দীন খান

লওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ।

আবদুস শহীদ নাসিম

লওহে মাহফুযে (সুরক্ষিত ফলকে সংরক্ষিত)।

জহুরুল হক

সুরক্ষিত ফলকে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme