Kitab

আলরহমান

Chapter 55, 78 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • সমকালীন বাংলা
  • জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান

করুনাময় ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি রহমান (পরম দয়াবান),

সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; পরম করুণাময়,

জহুরুল হক

আর - রাহমান!

মুহিউদ্দীন খান

শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন,

আবদুস শহীদ নাসিম

(কারণ) তিনি তালিম দিয়েছেন আল কুরআন,

সমকালীন বাংলা

কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন,

জহুরুল হক

তিনি কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

সৃষ্টি করেছেন মানুষ,

আবদুস শহীদ নাসিম

সৃষ্টি করেছেন ইনসান,

সমকালীন বাংলা

মানুষ সৃষ্টি করেছেন

জহুরুল হক

তিনিই সৃষ্টি করেছেন মানুষকে,

মুহিউদ্দীন খান

তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে তালিম দিয়েছেন বয়ান (ভাষা বা ভাব প্রকাশ পদ্ধতি)।

সমকালীন বাংলা

তাকে ভাব প্রকাশ করতে শিখিয়েছেন,

জহুরুল হক

তিনি তাকে শিখিয়েছেন সুস্পষ্ট ভাষা।

মুহিউদ্দীন খান

সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সূর্য আর চাঁদ হিসাব মতো চলে (তাঁরই হুকুমে)।

সমকালীন বাংলা

সূর্য ও চন্দ্র চলে হিসাব অনুসারী।

জহুরুল হক

সূর্য ও চন্দ্র হিসেব মতো চলেছে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সেজদারত আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারকারাজি এবং বৃক্ষলতা সাজদারত (তাঁরই প্রতি)।

সমকালীন বাংলা

আর তারকাসমূহ ও গাছপালা উভয়ে সিজদারত।

জহুরুল হক

আর তৃণলতা ও গাছপালা আনুগত্য করছে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদন্ড।

আবদুস শহীদ নাসিম

আকাশকে তিনি উপরে উঠিয়েছেন, এবং স্থাপন করেছেন ভারসাম্য।

সমকালীন বাংলা

আর আকাশকে তিনি উঁচু করেছেন এবং পরিমাপ স্থাপন করেছেন।

জহুরুল হক

আর আকাশকে, - - তিনি তাকে সমুচ্চ করেছেন, আর তিনি স্থাপন করেছেন দাঁড়িপাল্লা।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তোমরা সীমালংঘন না কর তুলাদন্ডে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই তোমরাও লংঘন (নষ্ট) করোনা ভারসাম্য।

সমকালীন বাংলা

যাতে তোমরা পরিমাপে সীমালঙ্ঘন না করো।

জহুরুল হক

যেন তোমরা মাপকাঠিতে উল্লঙ্ঘন না করো।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

কায়েম করো ওজন ন্যায্যভাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত করোনা ভারসাম্য।

সমকালীন বাংলা

আর ন্যায়ের সঙ্গে ওজন প্রতিষ্ঠা করো এবং পরিমাপে কম করো না।

জহুরুল হক

আর ওজন সঠিকভাবে কায়েম করো, আর মাপজোখে কমতি করো না।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পৃথিবী, এটিকে তিনি স্থাপন করেছেন সৃষ্টি কুলের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করিয়াছেন সৃষ্ট জীবের জন্য;

জহুরুল হক

আর পৃথিবী, - - তিনি এটিকে প্রসারিত করেছেন জীবজন্তুর জন্যে,

মুহিউদ্দীন খান

এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে রয়েছে ফলফলারি, আর খেজুর গাছ, যার ফল আবরণযুক্ত।

সমকালীন বাংলা

আর তাতে ফলমূল এবং খেজুর গাছ, যার ফলের আবরণ রয়েছে।

জহুরুল হক

তাতে রয়েছে ফলফসল ও গোছাবিশিষ্ট খেজুর গাছ,

মুহিউদ্দীন খান

আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাতে আরো রয়েছে খোসাযুক্ত শস্য, আর সুগন্ধ ফুল - ফল - গাছ।

সমকালীন বাংলা

আর খোসাযুক্ত শস্য এবং সুগন্ধি উদ্ভিদ রয়েছে।

জহুরুল হক

আর আছে খোসা ও সুগন্ধি দানা - থাকা শস্য।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের উভয়ের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ঠনঠনে মাটি থেকে যা পোড়া মাটির মতো।

সমকালীন বাংলা

তিনি মানুষকে পোড়ামাটির মতো শুষ্ক মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।

জহুরুল হক

তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন খনখনে মাটি দিয়ে মাটির বাসনের মতো,

মুহিউদ্দীন খান

এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সৃষ্টি করেছেন জিনকে ধূমবিহীন আগুনের শিখা থেকে।

সমকালীন বাংলা

আর জিনকে ধোঁয়াবিহীন আগুনের শিখা থেকে সৃষ্টি করেছেন।

জহুরুল হক

আর তিনি জিনকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা দিয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তিনি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মালিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি প্রভু পরিচালক দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের।

সমকালীন বাংলা

দুই পূর্বের পালনকর্তা এবং দুই পশ্চিমের পালনকর্তা।

জহুরুল হক

তিনি দুই পূর্বের প্রভু, আর দুই পশ্চিমেরও প্রভু।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি প্রবাহিত করেছেন দুইটি সমুদ্র, তারা প্রবাহিত হয় পরস্পর মিলে।

সমকালীন বাংলা

তিনি দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন, তারা পরস্পর মিলিত হয়।

জহুরুল হক

তিনি প্রবাহিত করেছেন দুই জলরাশিকে - -

মুহিউদ্দীন খান

উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উভয়ের মাঝে রয়েছে একটি অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করতে পারেনা।

সমকালীন বাংলা

তাদের মধ্যে একটি আড়াল রয়েছে; তারা তা অতিক্রম করে না।

জহুরুল হক

তাদের উভয়ের মধ্যে রয়েছে এক ব্যবধান যা তারা অতিক্রম করতে পারে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় সমুদ্র থেকে বেরিয়ে আসে মুক্তা (pearl) ও প্রবাল (coral)।

সমকালীন বাংলা

তাদের উভয় থেকে মুক্তা ও প্রবাল বের হয়।

জহুরুল হক

তাদের দুইয়ের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসে মুক্তো ও প্রবাল।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)

আবদুস শহীদ নাসিম

সমুদ্রে চলাচলকারী পর্বতসম জাহাজগুলো তাঁরই নিয়ন্ত্রণাধীন।

সমকালীন বাংলা

আর পাহাড়ের মতন সাগরে উঁচু উঁচু জাহাজগুলো তাঁরই।

Note

كَالْأَعْلَامِ → “পাহাড়ের মতন” বলতে সম্ভবত সমুদ্রের বড় বড় ঢেউয়ের আকৃতিকে বোঝানো হয়েছে এবং لَهُ → “তাঁরই” — নিয়ন্ত্রণে বা অধিকার বোঝানো হয়েছে।

জহুরুল হক

আর তাঁরই হচ্ছে সমুদ্রে ভাসমান পর্বততুল্য জাহাজগুলো।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

ভূপৃষ্টের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই বিলীন হয়ে যাবে,

সমকালীন বাংলা

এর উপরে যারা আছে সবাই নশ্বর।

Note

নশ্বর = ক্ষয়শীল

জহুরুল হক

এর উপরে যারাই আছে তা বিনাশশীল,

মুহিউদ্দীন খান

একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

বাকি থাকবে কেবল তোমার মহা মর্যাদাবান, মহানুভব প্রভুর মুখমন্ডল (সত্তা)।

সমকালীন বাংলা

আর বাকি থাকবে মহান ও সম্মানিত পালনকর্তার সত্তা।

Note
وَجْهُ (wajhu)-এর সরাসরি অর্থ “মুখমণ্ডল” বা “সত্তা”।
জহুরুল হক

তবে বাকি থাকবে তোমার প্রভুর চেহারা - - পরম মহিমা ও মহানুভবতার অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সবাই তাঁর কাছে প্রার্থী। তিনি সর্বদাই কোন না কোন কাজে রত আছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর মুখাপেক্ষী। প্রতিদিন তিনি নিরত থাকেন গুরুত্বপূর্ণ কাজে।

সমকালীন বাংলা

আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে যারা আছে সবাই তাঁর কাছে প্রার্থনা করে। প্রতিদিন তিনি এক কাজে আছেন।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যারা রয়েছে তারা তাঁরই কাছে প্রার্থনা জানায়। প্রতি নিয়ত তিনি মর্যাদায় বিরাজমান।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মানুষ ও জিন!) অচিরেই আমরা তোমাদের প্রতি মনোযোগ দেবো (তোমাদের হিসাব নেয়া ও বিচার করার জন্যে)।

সমকালীন বাংলা

শীঘ্রই আমরা মনোযোগ দেবো তোমাদের উভয়ের প্রতি।

Note

এই অনুবাদে মূল الثَّقَلَانِ-এর ক্ষেত্রে “উভয়ের” ব্যবহার করা হলেও কনটেক্সট অনুসারে মানুষ ও জিন জাতিকে বোঝানো হয়েছে বলে মনে করা হয়।

জহুরুল হক

অবিলন্বে আমরা তোমাদের বিষয়ে হিসেব - নিকেশ নেব, হে দুই বৃহৎশক্তিবর্গ!

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে জিন ও মানব সম্প্রদায়! তোমরা যদি মহাকাশ এবং পৃথিবীর সীমানা অতিক্রম করতে সক্ষম হও, তবে অতিক্রম করো। কিন্তু তোমরা অতিক্রম করতে পারবেনা আমার সনদ ছাড়া।

সমকালীন বাংলা

হে জিন ও মানুষ সমষ্টি, যদি তোমরা আকাশসমূহ ও পৃথিবীর প্রান্তসীমা অতিক্রম করতে পারো, তবে অতিক্রম করো। তোমরা কর্তৃত্ব ছাড়া অতিক্রম করতে পারবে না।

জহুরুল হক

হে জিন ও মানুষের সমবেতগোষ্ঠি! যদি তোমরা মহাকাশ - মন্ডল ও পৃথিবীর সীমারেখা থেকে বেরিয়ে যাবার ক্ষমতা রাখ তাহলে বেরিয়ে যাও। তোমরা অতিক্রম করতে পারবে না নির্দেশ ব্যতীত।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রতি পাঠানো হবে আগুনের শিখা এবং ধোঁয়াপুঞ্জ, তোমরা তা প্রতিরোধ করতে পারবেনা।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের উপর আগুনের শিখা এবং ধোঁয়া পাঠানো হবে, আর তোমরা রক্ষা করতে পারবে না।

Note

نحاس-এর classical Arabic-এ ধোঁয়া অর্থও পাওয়া যায়, আবার গলিত তামা/পিতল অর্থও পাওয়া যায়।

জহুরুল হক

তোমাদের উভয়ের জন্য পাঠানো হবে আগুনের শিখা ও তামার স্ফুলিঙ্গ, তখন তোমরা সাহায্য পেতে পারবে না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

তাই তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আকাশ ফেটে যাবে সেদিন হয়ে যাবে তা রক্তবর্ণ চামড়ার মতো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে এবং তা গোলাপী বর্ণ তেলের মতো হয়ে যাবে।

জহুরুল হক

আর যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে এবং হয়ে যাবে রংকরা চামড়ার মতো লাল, - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে? - -

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মানুষ না তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে, না জিন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন কোনো মানুষকে তার পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবেনা, কোনো জিনকেও নয়।

সমকালীন বাংলা

সেদিন কোনো মানুষ বা জিনকে তার পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে না।

জহুরুল হক

অতএব সেদিন কোনো মানুষকেই প্রশ্ন করা হবে না তার অপরাধ সন্বন্ধে, না কোনো জিনকে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা থেকে; অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে টেনে নেয়া হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীদের চেনা যাবে তাদের লক্ষণ দেখেই, তখন তাদের পাকড়াও করা হবে মাথার ঝুঁটি আর পা ধরে।

সমকালীন বাংলা

অপরাধীদের তাদের লক্ষণ দ্বারা চেনা যাবে, অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে ধরা হবে।

জহুরুল হক

অপরাধীদের চেনা যাবে তাদের চেহারার দ্বারা, কাজেই তাদের পাকড়ানো হবে চুলের ঝুঁটিতে ও ঠেঙ্গগুলোয়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই সেই জাহান্নাম, অপরাধীরা যাকে অস্বীকার করতো,

সমকালীন বাংলা

ইহাই সেই জাহান্নাম, যাহা অপরাধীরা অবিশ্বাস করিত,

জহুরুল হক

এইটিই জাহান্নাম যেটিকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

মুহিউদ্দীন খান

তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মাঝখানে প্রদক্ষিণ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জাহান্নামের আগুন আর টগবগে ফুটন্ত পানির মাঝে ছুটাছুটি করতে থাকবে।

সমকালীন বাংলা

তারা তার মধ্যে এবং উত্তপ্ত পানির মধ্যে ঘুরতে থাকবে।

জহুরুল হক

তারা ছুটাছুটি করবে এর ও ফুটন্ত পানির চারিদিকে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

তাই তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি তার প্রভুর সামনে (হিসাব দেয়ার জন্যে) উপস্থিত হওয়ার বিষয়টাকে ভয় করে, সে পাবে দুটি জান্নাত।

সমকালীন বাংলা

আর যে তার প্রতিপালকের সামনে হাজির হবার ভয় করে, তার জন্য রয়েছে দুটি বেহেশত।

জহুরুল হক

আর যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয় রাখে তার জন্য রয়েছে দুটি স্বর্গোউদ্যান - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

উভয় উদ্যানই ঘন শাখা - পল্লববিশিষ্ট।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুটোই বহু শাখা - প্রশাখা আর পত্র পল্লবওয়ালা।

সমকালীন বাংলা

উভয়ই শাখা-প্রশাখাযুক্ত।

জহুরুল হক

দুটোই ঘন ডালপালাবিশিষ্ট।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে বহমান দুই ঝরণাধারা।

সমকালীন বাংলা

উভয়ের মধ্যে দুটি প্রবাহমান ঝরনা রয়েছে।

জহুরুল হক

তাদের মধ্যে বয়ে চলেছে দুটি নদী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল বিভিন্ন রকমের হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে সব ধরণের ফলফলারি জোড়ায় জোড়ায়।

সমকালীন বাংলা

উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফলের দুটি জোড়া রয়েছে।

জহুরুল হক

এ দুটোয় রয়েছে প্রত্যেক ফলমূলের জোড়া জোড়া।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা হেলান দিয়ে বসবে পুরু রেশমি আস্তরের ফরাশে, দুই জান্নাতের ফলই থাকবে তাদের হাতের নাগালে।

সমকালীন বাংলা

তারা মোটা রেশমের বিছানায় হেলান দিয়ে থাকবে। আর দুই বেহেশতের ফল নিকটবর্তী থাকবে।

জহুরুল হক

তারা হেলান দিয়ে বসবে গালিচার উপরে যার আস্তর কারুকার্যময় রেশমের। আর উভয় জান্নাতের ফল ঝুলতে থাকবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলোতে থাকবে আনতদৃষ্টি হুর (সুন্দরী নারীরা), পূর্বে যাদের স্পর্শ করেনি কোনো মানুষ কিংবা জিন।

সমকালীন বাংলা

সেখানে থাকবে দৃষ্টি সংযত নারীগণ, যাদের আগে কোনো মানুষ বা জিন স্পর্শ করেনি।

জহুরুল হক

তাদের মধ্যে রয়েছে সলাজ - নম্র আয়তলোচন, - - এদের আগে কোনো মানুষ তাদের স্পর্শ করে নি, আর জিনও নয়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সৌন্দর্যে তারা যেনো ইয়াকুত (পদ্মরাগ) এবং মারজান (প্রবাল)।

সমকালীন বাংলা

তারা যেনো রত্ন ও প্রবাল।

Note

ইয়াকুত iẏākuta অনেক মূল্যবান বিশেষ ধরণের পাথর। চুনি বা রুবি ইত্যাদি।পদ্মরাগ মণি, ruby. 

জহুরুল হক

তারা যেন চুনি ও প্রবাল।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?

আবদুস শহীদ নাসিম

ইহ্সানের পুরস্কার ইহ্সান ছাড়া আর কি?

সমকালীন বাংলা

উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে?

জহুরুল হক

ভালোর পুরস্কার কি ভাল ছাড়া অন্য কিছু হবে?

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে দুটি ছাড়াও থাকবে আরো দুটি জান্নাত।

সমকালীন বাংলা

আর এ দুটির নিচে আরও দুটি বেহেশত রয়েছে।

জহুরুল হক

আর এই দুটি ব্যতীত দুটি জান্নাত রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

কালোমত ঘন সবুজ।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুটি উদ্যানই হবে ঘন নিবিড় সবুজ।

সমকালীন বাংলা

উভয়ই গাঢ় সবুজ।

জহুরুল হক

দুটোই গাঢ় - সবুজ।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

ফলে তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে উচ্ছলিত দুই ঝরণাধারা।

সমকালীন বাংলা

উভয়ের মধ্যে দুটি উচ্ছ্বসিত ঝরনা রয়েছে।

জহুরুল হক

উভয়ের মধ্যে রয়েছে দুই উচ্ছলিত প্রস্রবণ।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তথায় আছে ফল - মূল, খর্জুর ও আনার।

আবদুস শহীদ নাসিম

উভয় জান্নাতেই থাকবে বিপুল ফলমূল, খেজুর আর আনার।

সমকালীন বাংলা

উভয়ের মধ্যে ফলমূল ও খেজুর ও ডালিম রয়েছে।

জহুরুল হক

উভয়ের মধ্যে রয়েছে ফলমূল ও খেজুর ও ডালিম।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

ফলে তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলোতেও থাকবে সুশীল সুন্দরী নারীরা।

সমকালীন বাংলা

সেখানে রয়েছে উত্তম স্বভাবের সুন্দরীগণ।

জহুরুল হক

সে দুটোতে রয়েছে সুশীলা সুন্দরীরা - -

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হলো হুর (অপরূপ সুন্দর নারী) তাঁবুতে অবস্থানকারিণী।

সমকালীন বাংলা

তাঁবুগুলোতে সুরক্ষিতা হুরগণ।

জহুরুল হক

হূরগণ, - - তাঁবুর ভেতরে অন্তঃপুরবাসিনী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

পূর্বে তাদের স্পর্শ করেনি কোনো মানুষ কিংবা জিন।

সমকালীন বাংলা

তাদের আগে কোনো মানুষ বা জিন তাদের স্পর্শ করেনি।

জহুরুল হক

এদের আগে কোনো মানুষ তাদের স্পর্শ করে নি, আর জিনও নয়।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা হেলান দিয়ে আসন গ্রহণ করবে সবুজ তাকিয়া আর চমৎকার সুন্দর গালিচার উপরে।

সমকালীন বাংলা

তারা সবুজ গালিচা এবং সুন্দর বিছানার উপর হেলান দিয়ে থাকবে।

জহুরুল হক

তারা হেলান দিয়ে বসে থাকবে সবুজ তাকিয়াতে ও মনোরম গালিচার উপরে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাহলে (হে জিন ও মানুষ) তোমাদের প্রভুর কোন্ দানকে তোমরা করবে অস্বীকার?

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমাদের পালনকর্তার কোন অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের প্রভুর কোন্ অনুগ্রহ তোমরা উভয়ে অস্বীকার করবে?

মুহিউদ্দীন খান

কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতিশয় মহান কল্যাণময় তোমার প্রভুর নাম, যিনি অতীব মর্যাদাবান মহানুভব।

সমকালীন বাংলা

মহিমান্বিত ও সম্মানিত তোমার প্রতিপালকের নাম।

জহুরুল হক

কত কল্যাণময় তোমার প্রভুর নাম, তিনি অপার মহিমার ও বিপুল করুণার অধিকারী।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme