আল নাজআ’ত
Chapter 79, 46 verses
-
মুহিউদ্দীন খান
-
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
-
Pickthall
-
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
শপথ তাহাদের যাহারা নির্মমভাবে উৎপাটন করে,
Pickthall
In the name of Allah, the Beneficent, the Merciful. By those who drag forth to destruction,
আবদুস শহীদ নাসিম
শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় ( ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা মৃদুভাবে বন্ধনমুক্ত করিয়া দেয়
Pickthall
By the meteors rushing,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা তীব্র গতিতে সন্তরণ করে,
Pickthall
By the lone stars floating,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যাহারা দ্রুতবেগে অগ্রসর হয়,
Pickthall
By the angels hastening,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।
মুহিউদ্দীন খান
শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যাহারা সকল কর্ম নির্বাহ করে।
Pickthall
And those who govern the event,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেই দিন প্রথম শিংগাধ্বনি প্রকম্পিত করিবে,
Pickthall
On the day when the first trump resoundeth.
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাকে অনুসরণ করিবে পরবর্তী শিংগাধ্বনি,
Pickthall
And the second followeth it,
আবদুস শহীদ নাসিম
প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,
Pickthall
On that day hearts beat painfully
আবদুস শহীদ নাসিম
কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।
মুহিউদ্দীন খান
তাদের দৃষ্টি নত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাদের দৃষ্টি ভীতি - বিহ্বলতায় নত হইবে।
Pickthall
While eyes are downcast
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।
মুহিউদ্দীন খান
তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হইবই -
Pickthall
(Now) they are saying: Shall we really be restored to our first state
আবদুস শহীদ নাসিম
এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?
মুহিউদ্দীন খান
গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
গলিত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরও?’
Pickthall
Even after we are crumbled bones ?
আবদুস শহীদ নাসিম
আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’
মুহিউদ্দীন খান
তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারা বলে, ‘তাহাই যদি হয় তবে তো ইহা সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’
Pickthall
They say: Then that would be a vain proceeding.
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ,
Pickthall
Surely it will need but one shout,
আবদুস শহীদ নাসিম
আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।
মুহিউদ্দীন খান
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তখনই ময়দানে উহাদের আবির্ভাব হইবে।
Pickthall
And lo! they will be awakened.
আবদুস শহীদ নাসিম
(সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।
মুহিউদ্দীন খান
মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছিয়াছে কি?
Pickthall
Hath there come unto thee the history of Moses ?
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?
মুহিউদ্দীন খান
যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন তাহার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া - য় তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিলেন,
Pickthall
How his Lord called him in the holy vale of Tuwa,
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:
মুহিউদ্দীন খান
ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘ফির‘আওনের নিকট যাও, সে তো সীমালংঘন করিয়াছে,’
Pickthall
(Saying:) Go thou unto Pharaoh - Lo! he hath rebelled -
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং বল, ‘তোমার কি আগ্রহ আছে যে, তুমি পবিত্র হও -
Pickthall
And say (unto him): Hast thou (will) to grow (in grace) ?
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?
মুহিউদ্দীন খান
আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথপ্রদর্শন করি যাহাতে তুমি তাঁহাকে ভয় কর?’
Pickthall
Then I will guide thee to thy Lord and thou shalt fear (Him).
আবদুস শহীদ নাসিম
আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে উহাকে মহানিদর্শন দেখাইল।
Pickthall
And he showed him the tremendous token.
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু সে অস্বীকার করিল এবং অবাধ্য হইল।
Pickthall
But he denied and disobeyed,
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর সে পশ্চাৎ ফিরিয়া প্রতিবিধানে সচেষ্ট হইল।
Pickthall
Then turned he away in haste,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।
মুহিউদ্দীন খান
সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সে সকলকে সমবেত করিল এবং উচ্চৈ:স্বরে ঘোষণা করিল,
Pickthall
Then gathered he and summoned
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।
মুহিউদ্দীন খান
এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর বলিল, ‘আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক।’
Pickthall
And proclaimed: "I (Pharaoh) am your Lord the Highest."
আবদুস শহীদ নাসিম
বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর উহাকে আখিরাতে ও দুনিয়াতে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করিলেন।
Pickthall
So Allah seized him (and made him) an example for the after (life) and for the former.
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।
মুহিউদ্দীন খান
যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে ভয় করে তাহার জন্য অবশ্যই ইহাতে শিক্ষা রহিয়াছে।
Pickthall
Lo! herein is indeed a lesson for him who feareth.
আবদুস শহীদ নাসিম
অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আকাশ সৃষ্টি? তিনিই ইহা নির্মাণ করিয়াছেন;
Pickthall
Are ye the harder to create, or is the heaven that He built ?
আবদুস শহীদ নাসিম
তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি ইহার ছাদকে সুউচ্চ করিয়াছেন ও সুবিন্যস্ত করিয়াছেন।
Pickthall
He raised the height thereof and ordered it;
আবদুস শহীদ নাসিম
তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তিনি ইহার রাত্রিকে করিয়াছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করিয়াছেন ইহার সূর্যালোক;
Pickthall
And He made dark the night thereof, and He brought forth the morn thereof.
আবদুস শহীদ নাসিম
আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।
মুহিউদ্দীন খান
পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পৃথিবীকে ইহার পর বিস্তৃত করিয়াছেন।
Pickthall
And after that He spread the earth,
আবদুস শহীদ নাসিম
এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।
মুহিউদ্দীন খান
তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তিনি উহা হইতে বহির্গত করিয়াছেন উহার পানি ও তৃণ,
Pickthall
And produced therefrom the water thereof and the pasture thereof,
আবদুস শহীদ নাসিম
তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।
মুহিউদ্দীন খান
পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করিয়াছেন;
Pickthall
And He made fast the hills,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।
মুহিউদ্দীন খান
তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এই সমস্ত তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদের ভোগের জন্য।
Pickthall
A provision for you and for your cattle.
আবদুস শহীদ নাসিম
(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।
মুহিউদ্দীন খান
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হইবে
Pickthall
But when the great disaster cometh,
আবদুস শহীদ নাসিম
অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,
মুহিউদ্দীন খান
অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মানুষ যাহা করিয়াছে তাহা সে সেই দিন স্মরণ করিবে,
Pickthall
The day when man will call to mind his (whole) endeavour,
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,
মুহিউদ্দীন খান
এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং প্রকাশ করা হইবে জাহান্নাম দর্শকদের জন্য।
Pickthall
And hell will stand forth visible to him who seeth,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),
মুহিউদ্দীন খান
তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অনন্তর যে সীমালংঘন করে
Pickthall
Then, as for him who rebelled
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,
মুহিউদ্দীন খান
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়,
Pickthall
And chose the life of the world,
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,
মুহিউদ্দীন খান
তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জাহান্নামই হইবে তাহার আবাস।
Pickthall
Lo! hell will be his home.
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।
মুহিউদ্দীন খান
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হইতে নিজকে বিরত রাখে,
Pickthall
But as for him who feared to stand before his Lord and restrained his soul from lust,
আবদুস শহীদ নাসিম
আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,
মুহিউদ্দীন খান
তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জান্নাতই হইবে তাহার আবাস।
Pickthall
Lo! the Garden will be his home.
আবদুস শহীদ নাসিম
জান্নাতই হবে তাদের আবাস।
মুহিউদ্দীন খান
তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে কিয়ামত সম্পর্কে, ‘উহা কখন ঘটিবে?’
Pickthall
They ask thee of the Hour: when will it come to port ?
আবদুস শহীদ নাসিম
(হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?
মুহিউদ্দীন খান
এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহার আলোচনার সঙ্গে তোমার কী সম্পর্ক?
Pickthall
Why (ask they) ? What hast thou to tell thereof ?
আবদুস শহীদ নাসিম
(কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?
মুহিউদ্দীন খান
এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট;
Pickthall
Unto thy Lord belongeth (knowledge of) the term thereof.
আবদুস শহীদ নাসিম
এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।
মুহিউদ্দীন খান
যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে উহার ভয় রাখে তুমি কেবল তাহার সতর্ককারী।
Pickthall
Thou art but a warner unto him who feareth it.
আবদুস শহীদ নাসিম
তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।
মুহিউদ্দীন খান
যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যেই দিন উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন উহাদের মনে হইবে যেন উহারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করিয়াছে!
Pickthall
On the day when they behold it, it will be as if they had but tarried for an evening or the morn thereof.
আবদুস শহীদ নাসিম
যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।