Kitab

মুহাম্মদ

Chapter 47, 38 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান

যারা করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাদের সকল কর্ম ব্যর্থ করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করে এবং অপরকে ‌র পথ হইতে নিবৃত্ত করে তিনি তাহাদের কর্ম ব্যর্থ করিয়া দেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা করেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে বারণ করেছে, তিনি তাদের আমলসমূহ ব্যর্থ করে দিয়েছেন।

জহুরুল হক

যারা অবিশ্বাস পোষণ করে এবং ‌র পথ থেকে ফিরিয়ে রাখে, তিনি তাদের ক্রিয়াকলাপ ব্যর্থ করে দেবেন।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে মুহাম্মদের প্রতি অবতীর্ণ সত্যে বিশ্বাস করে, তাদের মন্দ কর্মসমূহ মার্জনা করেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে এবং মুহাম্মাদের প্রতি যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে তাহাতে বিশ্বাস করে, আর উহাই তাহাদের প্রতিপালক হইতে প্রেরিত সত্য, তিনি তাহাদের মন্দ কর্মগুলি বিদূরিত করিবেন এবং তাহাদের অবস্থা ভাল করিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান এনেছে, সৎকর্ম করেছে এবং মুহাম্মাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছে ‘আর তা তাদের রবের পক্ষ হতে (প্রেরিত) সত্য, তিনি তাদের থেকে তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেবেন এবং তিনি তাদের অবস্থা সংশোধন করে দেবেন।

জহুরুল হক

আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করছে, আর বিশ্বাস করছে তাতে যা মুহাম্মদের কাছে অবতীর্ণ হয়েছে - - আর সেটিই হচ্ছে তাদের প্রভুর কাছ থেকে আগত মহাসত্য - - তিনি তাদের মন্দ কার্যাবলী তাদের থেকে দূর করে দেবেন, আর ভাল করে দেবেন তাদের অবস্থা।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এ কারণে যে, যারা , তারা বাতিলের অনুসরণ করে এবং যারা , তারা তাদের পালনকর্তার নিকট থেকে আগত সত্যের অনুসরণ করে। এমনিভাবে মানুষের জন্যে তাদের দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, যাহারা করে তাহারা মিথ্যার অনুসরণ করে এবং যাহারা ঈমান আনে তাহারা তাহাদের প্রতিপালক - প্রেরিত সত্যের অনুসরণ করে। এইভাবে ‌ মানুষের জন্য তাহাদের দৃষ্টান্ত প্রদান করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা এজন্য যে, যারা করে তারা বাতিলের অনুসরণ করে, আর যারা ঈমান আনে তারা তাদের রবের প্রেরিত হকের অনুসরণ করে। এভাবেই মানুষের জন্য তাদের দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন।

জহুরুল হক

এইটিই, কেননা নিঃসন্দেহ যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা মিথ্যার অনুসরণ করে, আর যেহেতু যারা ঈমান এনেছে তারা তাদের প্রভুর কাছ থেকে আসা সত্যের অনুগমন করে। এইভাবে লোকেদের জন্য তাদের দৃষ্টান্তগুলো স্থাপন করেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন তোমরা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের গর্দার মার, অবশেষে যখন তাদেরকে পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল। অতঃপর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও। তোমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে যে পর্যন্ত না শত্রুপক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করবে! একথা শুনলে। ইচ্ছা করলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তোমাদের কতককে কতকের দ্বারা পরীক্ষা করতে চান। যারা আল্লাহর পথে শহীদ হয়, কখনই তাদের কর্ম বিনষ্ট করবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব যখন তোমরা কাফিরদের সঙ্গে যুদ্ধে মুকাবিলা কর তখন তাহাদের গর্দানে আঘাত কর, পরিশেষে যখন তোমরা উহাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পরাভূত করিবে তখন উহাদেরকে কষিয়া বাঁধিবে ; অতঃপর হয় অনুকম্পা, নয় মুক্তিপণ। তোমরা জিহাদ চালাইবে যতক্ষণ না যুদ্ধ ইহার অস্ত্র নামাইয়া ফেলে। ইহাই বিধান। ইহা এইজন্য যে, ‌ ইচ্ছা করিলে উহাদেরকে শাস্তি দিতে পারিতেন, কিন্তু তিনি চাহেন তোমাদের একজনকে অপরের দ্বারা পরীক্ষা করিতে। যাহারা ‌র পথে নিহত হয় তিনি কখনও তাহাদের র্কম বিনষ্ট হইতে দেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা যখন কাফিরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের ঘাড়ে আঘাত কর। পরিশেষে তোমরা যখন তাদেরকে সম্পূর্ণভাবে পর্যুদস্ত করবে তখন তাদেরকে শক্তভাবে বেঁধে নাও। তারপর হয় অনুগ্রহ না হয় মুক্তিপণ আদায়, যতক্ষণ না যুদ্ধ তার বোঝা রেখে দেয়*। এটাই বিধান। আর ই

জহুরুল হক

সেজন্য যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের সাথে যখন তোমরা মোকাবিলা কর তখন গর্দান মারা, পরিশেষে যখন তোমরা তাদের পরাজিত করবে তখন মজবুত করে বাঁধবে, তখন এরপরে হয় সদয়ভাবে মুক্তিদান, না হয় মুক্তিপণ গ্রহণ - - যতক্ষণ না যুদ্ধ তার অস্ত্রভার নামিয়ে দেয়, এমনটাই। আর যদি চাইতেন তাহলে তিনিই তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করতে পারতেন, কিন্ত এইজন্য যে তোমাদের কারোকে যেন অপরের দ্বারা তিনি সুনিয়ন্ত্রিত করতে পারেন। আর যাদের ‌র পথে শহীদ করা হয় তাদের ক্রিয়াকর্মকে তিনি কখনো লক্ষ্যহারা হতে দেবেন না।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করবেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি তাহাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন এবং তাহাদের অবস্থা ভাল করিয়া দেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অচিরেই তিনি তাদেরকে হিদায়াত দিবেন এবং তাদের অবস্থা সংশোধন করে দিবেন।

জহুরুল হক

তিনি তাদের পথপ্রদর্শন করবেন এবং তাদের অবস্থা ভালো করবেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যা তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি তাহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে, যাহার কথা তিনি তাহাদেরকে জানাইয়াছিলেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তিনি তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার পরিচয় তিনি তাদেরকে দিয়েছেন।

জহুরুল হক

আর তাদের প্রবেশ করাবেন স্বর্গোদ্যানসমূহে, তিনি তাদের কাছে এটি পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে বিশ্বাসীগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর, তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পা দৃঢ়প্রতিষ্ঠ করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! যদি তোমরা ‌কে সাহায্য কর, ‌ তোমাদেরকে সাহায্য করিবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর তবে আল্লাহও তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পা সুদৃঢ় করে দেবেন।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর তবে তিনিও তোমাদের সাহায্য করবেন, আর তিনি তোমাদের পদক্ষেপ সুদৃঢ় করবেন।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা , তাদের জন্যে আছে দুর্গতি এবং তিনি তাদের কর্ম বিনষ্ট করে দিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করিয়াছে তাহাদের জন্য রহিয়াছে দুর্ভোগ এবং তিনি তাহাদের কর্ম ব্যর্থ করিয়া দিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা করে তাদের জন্য রয়েছে ধ্বংস এবং তিনি তাদের আমলসমূহ ব্যর্থ করে দিয়েছেন।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তাদের জন্য দুর্ভোগ রয়েছে, আর তাদের ক্রিয়া - কলাপকে তিনি ব্যর্থ করে দেবেন।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এজন্যে যে, যা নাযিল করেছেন, তারা তা পছন্দ করে না। অতএব, তাদের কর্ম ব্যর্থ করে দিবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, ‌ যাহা অবতীর্ণ করিয়াছেন উহারা তাহা অপসন্দ করে। সুতরাং ‌ উহাদের কর্ম নিষ্ফল করিয়া দিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা এজন্য যে, যা নাযিল করেছেন তারা তা অপছন্দ করে। অতএব তিনি তাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করে দিয়েছেন।

জহুরুল হক

এমনটাই, কেননা যা অবতারণ করেছেন তারা তা বিতৃষ্ণার সাথে প্রত্যাখ্যান করে, কাজেই তিনি তাদের ক্রিয়াকলাপ নিষ্ফল করে দিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি অতঃপর দেখেনি যে, তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছে? তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং কাফেরদের অবস্থা এরূপই হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে নাই এবং দেখে নাই উহাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হইয়াছে? ‌ উহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছেন এবং কাফিরদের জন্য রহিয়াছে অনুরূপ পরিণাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কি তারা যমীনে ভ্রমণ করেনি, তারপর দেখেনি যারা তাদের পূর্বে ছিল তাদের পরিণাম কেমন হয়েছিল? তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আর কাফিরদের জন্য রয়েছে এর অনুরূপ পরিণাম।

জহুরুল হক

তারা কি তবে পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে নি? তাহলে তারা দেখতে পেত কেমন হয়েছিল তাদের পরিণাম যারা এদের আগে ছিল। তাদের ঘায়েল করেছিলেন, আর অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে এর অনুরূপ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এজন্যে যে, মুমিনদের হিতৈষী বন্ধু এবং কাফেরদের কোন হিতৈষী বন্ধু নাই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, ‌ তো মু’মিনদের অভিভাবক এবং কাফিরদের তো কোন অভিভাবকই নাই।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা এজন্য যে, নিশ্চয় মুমিনদের অভিভাবক। আর নিশ্চয় কাফিরদের কোন অভিভাবক নেই।

জহুরুল হক

এমনটাই, কেননা যারা ঈমান এনেছে তাদের অভিভাবক নিশ্চয়ই ‌, আর অবিশ্বাসীদের ক্ষেত্রে তো - - তাদের জন্য কোনো মুরব্বী নেই।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার নিম্নদেশে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। আর যারা , তারা ভোগ - বিলাসে মত্ত থাকে এবং চতুস্পদ জন্তুর মত আহার করে। তাদের বাসস্থান জাহান্নাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে ‌ তাহাদেরকে দাখিল করিবেন জান্নাতে যাহার নিম্নদেশে নদী প্রবাহিত; কিন্তু যাহারা করে উহারা ভোগ - বিলাসে মত্ত থাকে এবং জন্তু - জানোয়ারের মত উদর পূর্তি করে; আর জাহান্নামই উহাদের নিবাস।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন। যার নিম্নদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়। কিন্তু যারা করে তারা ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে এবং তারা আহার করে যেমন চতুষ্পদ জন্তুরা আহার করে। আর জাহান্নামই তাদের বাসস্থান।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজে করছে তাদের প্রবেশ করাবেন স্বর্গোউদ্যানসমূহে যাদের নিচে দিয়ে বয়ে চলছে ঝরনারাজি। আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা ভোগ - বিলাস করে ও খায়দায় যেমন জন্তু জানোয়াররা খেয়ে থাকে, আর আগুনই তাদের আবাসস্থল।

মুহিউদ্দীন খান

যে জনপদ আপনাকে বহিস্কার করেছে, তদপেক্ষা কত শক্তিশালী জনপদকে আমি ধ্বংস করেছি, অতঃপর তাদেরকে সাহায্য করার কেউ ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তোমার যে জনপদ হইতে তোমাকে বিতাড়িত করিয়াছে তাহা অপেক্ষা অতি শক্তিশালী কত জনপদ ছিল; আমি উহাদেরকে ধ্বংস করিয়াছি এবং উহাদের সাহায্যকারী কেহ ছিল না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার জনপদ যা থেকে তারা তোমাকে বহিষ্কার করেছে তার তুলনায় শক্তিমত্তায় প্রবলতর অনেক জনপদ ছিল, আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, ফলে তাদের কোনই সাহায্যকারী ছিল না।

জহুরুল হক

আর জনপদগুলোর কতটা যে - - যা ছিল আরো বেশি শক্তিশালী তোমার জনবসতির চাইতে যেটি তোমাকে বহিস্কার করেছে - - আমরা তাদের ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, আর তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারী ছিল না।

মুহিউদ্দীন খান

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত নিদর্শন অনুসরণ করে, সে কি তার সমান, যার কাছে তার মন্দ কর্ম শোভনীয় করা হয়েছে এবং যে তার খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি তাহার প্রতিপালক - প্রেরিত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত, সে কি তাহার ন্যায়, যাহার নিকট নিজের মন্দ কর্মগুলি শোভন প্রতীয়মান হয় এবং যাহারা নিজ খেয়াল - খুশির অনুসরণ করে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে ব্যক্তি তার রবের পক্ষ থেকে আগত সুস্পষ্ট প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত সে কি তার মত, যার মন্দ আমল তার জন্য চাকচিক্যময় করে দেয়া হয়েছে এবং যারা তাদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে?

জহুরুল হক

যে তার প্রভুর কাছ থেকে এক স্পষ্ট প্রমাণের উপরে রয়েছে সে কি তবে তার মতো যার কাছে তার মন্দ কার্যকলাপকে চিত্তাকর্ষক করা হয়েছে? ফলে তারা নিজেদের কামনা - বাসনারই অনুসরণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়, পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল - মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহার দৃষ্টান্ত : উহাতে আছে নির্মল পানির নহর, আছে দুধের নহর যাহার স্বাদ অপরিবর্তনীয়, আছে পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহর, আছে পরিশোধিত মধুর নহর এবং সেখানে উহাদের জন্য থাকিবে বিবিধ ফলমূল আর তাহাদের প্রতিপালকের পক্ষ হইতে ক্ষমা। মুত্তাকীরা কি তাহাদের ন্যায়, যাহারা জাহান্নামে স্থায়ী হইবে এবং যাহাদেরকে পান করিতে দেওয়া হইবে ফুটন্ত পানি যাহা উহাদের নাড়িভুঁড়ি ছিন্ন - বিচ্ছিন্ন করিয়া দিবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হল, তাতে রয়েছে নির্মল পানির নহরসমূহ, দুধের ঝর্নাধারা, যার স্বাদ পরিবর্তিত হয়নি, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরসমূহ এবং আছে পরিশোধিত মধুর ঝর্নাধারা। তথায় তাদের জন্য থাকবে সব ধরনের ফলমূল আর তাদের

জহুরুল হক

ধর্মভীরুদের জন্য যে জান্নাতের ওয়াদা করা হয়েছে তার উপমা হচ্ছে - - তাতে রয়েছে ঝরনারাজি এমন পানির যা পরিবর্তিত হয় না, আর দুধের নদীসমূহ যার স্বাদ বদলায় না, আর সুরার স্রোত যা পানকারীদের জন্য সুস্বাদু, আর ছাঁকা মধুর নদীগুলো। আর তাদের জন্য সে - সবে রয়েছে সব রকমের ফলফসল, আর তাদের প্রভুর কাছ থেকে রয়েছে পরিত্রাণ। তার মতো যে আগুনের মধ্যে অবস্থানকারী, অথবা যাদের পান করানো হবে ফুটন্ত পানি, ফলে তাদের নাড়িভুঁড়ি তা ছিড়ে ফেলবে?

মুহিউদ্দীন খান

তাদের মধ্যে কতক আপনার দিকে কান পাতে, অতঃপর যখন আপনার কাছ থেকে বাইরে যায়, তখন যারা শিক্ষিত, তাদেরকে বলেঃ এইমাত্র তিনি কি বললেন ? এদের অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজেদের খেয়াল - খুশীর অনুসরণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের মধ্যে কতক তোমার কথা শ্রবণ করে, অতঃপর তোমার নিকট হইতে বাহির হইয়া যাহারা জ্ঞানপ্রাপ্ত তাহাদেরকে বলে, ‘এইমাত্র সে কী বলিল?’ ইহাদের অন্তর ‌ মোহর করিয়া দিয়াছেন এবং উহারা নিজেদের খেয়াল - খুশিরই অনুসরণ করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদের মধ্যে এমন কতক রয়েছে, যারা তোমার প্রতি মনোযোগ দিয়ে শুনে। অবশেষে যখন তারা তোমার কাছ থেকে বের হয়ে যায় তখন তারা যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে বলে, ‘এই মাত্র সে কী বলল?’ এরাই তারা, যাদের অন্তরসমূহে মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজদের

জহুরুল হক

আর তাদের মধ্যে কিছু লোক আছে যারা তোমার কথা শোনে, তারপর তারা যখন তোমার কাছ থেকে বেরিয়ে যায় তখন যাদের জ্ঞান দেওয়া হয়েছে তাদের বলে, ''সে এইমাত্র কী বললে!’’ এরাই তারা যাদের হৃদয়ের উপরে মোহর মেরে দিয়েছেন, আর তারা নিজেদের খেয়ালখুশিরই অনুসরণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

যারা সৎপথপ্রাপ্ত হয়েছে, তাদের সৎপথপ্রাপ্তি আরও বেড়ে যায় এবং তাদেরকে তাকওয়া দান করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা সৎপথ অবলম্বন করে ‌ তাহাদের সৎপথে চলিবার শক্তি বৃদ্ধি করেন এবং তাহাদেরকে হইবার শক্তি দান করেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছে তাদের হিদায়াত প্রাপ্তি আরো বৃদ্ধি করেন এবং তাদেরকে তাদের তাকওয়া প্রদান করেন।

জহুরুল হক

আর যারা সৎপথে চলে, তিনি তাদের জন্য পথ প্রদর্শন করা বাড়িয়ে দেন, আর তাদের প্রদান করেন তাদের ধর্মনিষ্ঠা।

মুহিউদ্দীন খান

তারা শুধু এই অপেক্ষাই করছে যে, কেয়ামত অকস্মাৎ তাদের কাছে এসে পড়ুক। বস্তুতঃ কেয়ামতের লক্ষণসমূহ তো এসেই পড়েছে। সুতরাং কেয়ামত এসে পড়লে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে কেমন করে ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি কেবল এইজন্য অপেক্ষা করিতেছে যে, কিয়ামত উহাদের নিকট আসিয়া পড়ুক আকস্মিকভাবে? কিয়ামতের লক্ষণসমূহ তো আসিয়াই পড়িয়াছে। কিয়ামত আসিয়া পড়িলে উহারা উপদেশ গ্রহণ করিবে কেমন করিয়া!

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তারা কি কেবল এই অপেক্ষা করছে যে, কিয়ামত তাদের উপর আকস্মিকভাবে এসে পড়ুক? অথচ কিয়ামতের আলামতসমূহ তো এসেই পড়েছে। সুতরাং কিয়ামত এসে পড়লে তারা উপদেশ গ্রহণ করবে কেমন করে?

জহুরুল হক

তারা কি তবে তাকিয়ে রয়েছে শুধু ঘড়ির জন্য যাতে এটি তাদের উপরে এসে পড়ে অতর্কিতভাবে? তবে তো এর লক্ষণগুলো এসেই পড়েছে। সুতরাং কেমন হবে তাদের ব্যাপার যখন তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে?

মুহিউদ্দীন খান

জেনে রাখুন, ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। ক্ষমাপ্রার্থনা করুন, আপনার ক্রটির জন্যে এবং পুরুষ ও নারীদের জন্যে। , তোমাদের গতিবিধি ও অবস্থান সম্পর্কে জ্ঞাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং জানিয়া রাখ, ‌ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই, ক্ষমা প্রার্থনা কর তোমার এবং নর - নারীদের ত্রুটির জন্য। ‌ তোমাদের গতিবিধি এবং অবস্থান সম্বন্ধে সম্যক অবগত আছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব জেনে রাখ, নিঃসন্দেহে ছাড়া কোন (সত্য) নেই। তুমি ক্ষমা চাও তোমার ও নারী-পুরুষদের ত্রুটি-বিচ্যুতির জন্য। তোমাদের গতিবিধি এবং নিবাস সম্পর্কে অবগত রয়েছেন।

জহুরুল হক

অতএব তুমি জেনে রাখ যে ব্যতীত অন্য উপাস্য নেই, আর তোমার ভুল - ভ্রান্তির জন্যে তুমি পরিত্রাণ খোঁজো, আর পুরুষ ও নারীদের জন্যেও। আর জানেন তোমাদের গতিবিধি এবং তোমাদের অবস্থান।

মুহিউদ্দীন খান

যারা , তারা বলেঃ একটি সূরা নাযিল হয় না কেন? অতঃপর যখন কোন দ্ব্যর্থহীন সূরা নাযিল হয় এবং তাতে জেহাদের উল্লেখ করা হয়, তখন যাদের অন্তরে রোগ আছে, আপনি তাদেরকে মৃত্যুভয়ে মূর্ছাপ্রাপ্ত মানুষের মত আপনার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখবেন। সুতরাং ধ্বংস তাদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনরা বলে, ‘একটি সূরা অবতীর্ণ হয় না কেন?’ অতঃপর যদি দ্ব্যর্থহীন কোন সূরা অবতীর্ণ হয় এবং উহাতে যুদ্ধের কোন নির্দেশ থাকে তুমি দেখিবে যাহাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তাহারা মৃত্যুভয়ে বিহ্বল মানুষের মত তোমার দিকে তাকাইতেছে। শোচনীয় পরিণাম উহাদের।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যারা ঈমান এনেছে তারা বলে, ‘কেন একটি সূরা নাযিল করা হয়নি?’ অতঃপর যখন দ্ব্যর্থহীন কোন সুস্পষ্ট সূরা নাযিল করা হয় এবং তাতে যুদ্ধের উল্লেখ থাকে, তখন তুমি দেখবে যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা তোমার দিকে মৃত্যুভয়ে মূর্ছিত ব্যক্তির দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। সুতরাং ধ

জহুরুল হক

আর যারা ঈমান এনেছে তারা বলে - - ''একটি সূরা কেন অবতীর্ণ হয় না?’’ কিন্ত যখন একটি সিদ্ধান্তমূলক সূরা অবতীর্ণ হয় আর তাতে যুদ্ধের উল্লেখ থাকে তখন যাদের হৃদয়ে ব্যাধি রয়েছে তাদের তুমি দেখতে পাবে তোমার দিকে তাকাচ্ছে মৃত্যুর কারণে মুর্চ্ছিত লোকের দৃষ্টির ন্যায়। সুতরাং ধিক্ তাদের জন্য!

মুহিউদ্দীন খান

তাদের আনুগত্য ও মিষ্ট বাক্য আছে। অতএব, জেহাদের সিন্ধান্ত হলে যদি তারা আল্লাহর প্রতি পদত্ত অংগীকার পূর্ণ করে, তবে তাদের জন্যে তা মঙ্গলজনক হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আনুগত্য ও ন্যায়সংগত বাক্য উহাদের জন্য উত্তম ছিল; সুতরাং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হইল, যদি উহারা ‌র প্রতি পদত্ত অঙ্গীকার পূরণ করিত, তবে তাহাদের জন্য ইহা অবশ্যই মঙ্গলজনক হইত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আনুগত্য ও ন্যায়সঙ্গত কথা (তাদের জন্য) উত্তম। অতঃপর যখন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়, তখন যদি তারা আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা সত্যে পরিণত করত, তবে তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত।

জহুরুল হক

আনুগত্য ও সদয়বাক্য! অতএব যখন ব্যাপারটি সন্বন্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে যায় তখন তারা যদি ‌র প্রতি সত্যনিষ্ঠ থাকে তাহলে সেটিই তো তাদের জন্য মঙ্গলজনক।

মুহিউদ্দীন খান

ক্ষমতা লাভ করলে, সম্ভবতঃ তোমরা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং আত্নীয়তা বন্ধন ছিন্ন করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হইলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করিবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করিবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কি তোমরা প্রত্যাশা করছ যে, যদি তোমরা শাসন কর্তৃত্ব পাও, তবে তোমরা যমীনে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং তোমাদের আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে?

জহুরুল হক

কিন্ত যদি তোমাদের শাসনভার দেওয়া যায় তাহলে তোমাদের থেকে তো আশা করা যাবে যে তোমরা অবশ্যই দেশে ফসাদ সৃষ্টি করবে এবং তোমাদের রক্ত - সম্পর্ক ছিন্ন করবে।

মুহিউদ্দীন খান

এদের প্রতিই অভিসম্পাত করেন, অতঃপর তাদেরকে বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ ইহাদেরকেই লা’নত করেন আর করেন বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এরাই যাদেরকে লানত করেছেন, ফলে তাদেরকে বধির ও তাদের দৃষ্টিসমূহকে অন্ধ করে দিয়েছেন।

জহুরুল হক

এরাই তারা যাদের প্রতি ধিক্কার দিয়েছেন, ফলে তিনি তাদের বধির বানিয়েছেন এবং তাদের দৃষ্টি অন্ধ করে দিয়েছেন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি উহারা কুরআন সম্বন্ধে অভিনিবেশ সহকারে চিন্তা করে না? না উহাদের অন্তর তালাবদ্ধ?

বয়ান ফাউন্ডেশন

তবে কি তারা কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তা- ভাবনা করে না? নাকি তাদের অন্তরসমূহে তালা রয়েছে?

জহুরুল হক

কি! তারা কি তবে কুরআন সন্বন্ধে ভাববে না, না কি হৃদয়ের উপরে সেগুলোর তালা দেয়া রয়েছে?

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা সোজা পথ ব্যক্ত হওয়ার পর তৎপ্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে, শয়তান তাদের জন্যে তাদের কাজকে সুন্দর করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা দেয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা নিজেদের নিকট সৎপথ ব্যক্ত হইবার পর উহা পরিত্যাগ করে, শয়তান উহাদের কাজকে শোভন করিয়া দেখায় এবং উহাদেরকে মিথ্যা আশা দেয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা হিদায়াতের পথ সুস্পষ্ট হওয়ার পর তাদের পৃষ্টপ্রদর্শনপূর্বক মুখ ফিরিয়ে নেয়, শয়তান তাদের কাজকে চমৎকৃত করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা দিয়ে থাকে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা তাদের পিঠ ফিরিয়ে ঘুরে যায় তাদের কাছে সৎপথ সুস্পষ্ট হবার পরেও, শয়তান তাদের জন্য হাল্কা করে দিয়েছে এবং তাদের জন্য সুদীর্ঘ করেছে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এজন্য যে, তারা তাদেরকে বলে, যারা আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাব অপছন্দ করেঃ আমরা কোন কোন ব্যাপারে তোমাদের কথা মান্য করব। তাদের গোপন পরামর্শ অবগত আছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, ‌ যাহা অবতীর্ণ করিয়াছেন, তাহা যাহারা অপসন্দ করে তাহাদেরকে উহারা বলে, ‘আমরা কোন্ কোন্ বিষয়ে তোমাদের আনুগত্য করিব।’ ‌ উহাদের গোপন অভিসন্ধি অবগত আছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটি এ জন্য যে, যা নাযিল করেছেন তা যারা অপছন্দ করে। তাদের উদ্দেশ্যে, তারা বলে, ‘অচিরেই আমরা কতিপয় বিষয়ে তোমাদের আনুগত্য করব’। তাদের গোপনীয়তা সম্পর্কে অবহিত রয়েছেন।

জহুরুল হক

এইটাই! কেননা যা অবতারণ করেছেন তাতে যারা ঘৃণা করে তাদের কাছে তারা বলে, ''আমরা তোমাদের মেনে চলব কোনো - কোনো ব্যাপারে।’’ আর জানেন তাদের গোপনীয়তা।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরেশতা যখন তাদের মুখমন্ডল ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করতে করতে প্রাণ হরণ করবে, তখন তাদের অবস্থা কেমন হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফিরিশ্‌তারা যখন উহাদের মুখমণ্ডলে ও পৃষ্ঠদেশে আঘাত করিতে করিতে প্রাণ হরণ করিবে, তখন উহাদের দশা কেমন হইবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তাদের অবস্থা কেমন হবে, যখন ফেরেশতারা তাদের মুখমন্ডল ও পৃষ্ঠদেশসমূহে আঘাত করতে করতে তাদের জীবনাবসান ঘটাবে?

জহুরুল হক

কিন্ত কেমন হবে যখন ফিরিশ্‌তারা তাদের মুখে ও তাদের পিঠে আঘাত হানতে হানতে তাদের মৃত্যু ঘটাবে?

মুহিউদ্দীন খান

এটা এজন্যে যে, তারা সেই বিষয়ের অনুসরণ করে, যা আল্লাহর অসন্তোষ সৃষ্টি করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অপছন্দ করে। ফলে তিনি তাদের কর্মসমূহ ব্যর্থ করে দেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা এইজন্য যে, উহারা তাহার অনুসরণ করে, যাহা ‌র অসন্তোষ জন্মায় এবং তাঁহার সন্তুষ্টিকে অপ্রিয় গণ্য করে ; তিনি ইহাদের কর্ম নিষ্ফল করিয়া দেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটি এ জন্য যে, তারা এমন সব বিষয়ের অনুসরণ করেছে যা আল্লাহকে ক্রোধান্বিত করেছে এবং তারা তাঁর সন্তোষকে অপছন্দ করেছে। ফলে তাদের কর্মসমূহ নিষ্ফল করে দিয়েছেন।

জহুরুল হক

এইটিই! কেননা ‌কে যা অসন্তষ্ট করে তারা তারই অনুসরণ করে আর তাঁর সন্তষ্টিলাভকে তারা অপছন্দ করে, সেজন্য তিনি তাদের ক্রিয়াকলাপ ব্যর্থ করে দেন।

মুহিউদ্দীন খান

যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা কি মনে করে যে, তাদের অন্তরের বিদ্বেষ প্রকাশ করে দেবেন না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তাহারা কি মনে করে যে, ‌ কখনো উহাদের বিদ্বেষভাব প্রকাশ করিয়া দিবেন না?

বয়ান ফাউন্ডেশন

নাকি যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা ধারণা করেছে যে, তাদের গোপন বিদ্বেষভাব প্রকাশ করে দিবেন না?

জহুরুল হক

অথবা, যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা কি ভাবে যে কদাপি তাদের বিদ্বেষভাব প্রকাশ করবেন না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে আপনাকে তাদের সাথে পরিচিত করে দিতাম। তখন আপনি তাদের চেহারা দেখে তাদেরকে চিনতে পারতেন এবং আপনি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদেরকে চিনতে পারবেন। তোমাদের কর্মসমূহের খবর রাখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে তোমাকে উহাদের পরিচয় দিতাম। ফলে তুমি উহাদের লক্ষণ দেখিয়া উহাদেরকে চিনিতে পারিতে, তবে তুমি অবশ্যই কথার ভংগিতে উহাদেরকে চিনিতে পারিবে। ‌ তোমাদের র্কম সম্পর্কে অবগত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যদি আমি চাইতাম তবে আমি তোমাকে এদের দেখিয়ে দিতে পারতাম। ফলে লক্ষণ দেখেই তুমি তাদের চিনতে পারতে। তবে তুমি অবশ্যই কথার ভঙ্গিতে তাদের চিনতে পারবে। তোমাদের আমলসমূহ জানেন।

জহুরুল হক

আর আমরা যদি চাইতাম তবে আমরা নিশ্চয়ই তোমাকে তাদের দেখাতাম, তখন তুমি আলবৎ তাদের চিনতে পারতে তাদের চেহারার দ্বারা। আর তুমি তো অবশ্যই তাদের চিনতে পারবে তাদের কথার ধরনে। আর জানেন তোমাদের কাজকর্ম।

মুহিউদ্দীন খান

আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব যে পর্যন্ত না ফুটিয়ে তুলি তোমাদের জেহাদকারীদেরকে এবং সবরকারীদেরকে এবং যতক্ষণ না আমি তোমাদের অবস্থান সমূহ যাচাই করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করিব, যতক্ষণ না আমি জানিয়া লই তোমাদের মধ্যে জিহাদকারী ও ধৈর্যশীলদেরকে এবং আমি তোমাদের ব্যাপারে পরীক্ষা করি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব যতক্ষণ না আমি প্রকাশ করে দেই তোমাদের মধ্যে কারা জিহাদকারী ও ধৈর্যশীল এবং আমি তোমাদের কথা- কাজ পরীক্ষা করে নেব।

জহুরুল হক

আর আমরা নিশ্চয়ই তোমাদের যাচাই করব যতক্ষণ না আমরা জানতে পারি তোমাদের মধ্যের কঠোর সংগ্রামশীলদের ও অধ্যবসায়ীদের, আর তোমাদের খবর আমরা পরীক্ষা করেছি।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে এবং নিজেদের জন্যে সৎপথ ব্যক্ত হওয়ার পর রসূলের (সঃ) বিরোধিতা করে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না এবং তিনি ব্যর্থ করে দিবেন তাদের কর্মসমূহকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করে এবং মানুষকে ‌র পথ হইতে নিবৃত্ত করে এবং নিজেদের নিকট পথের দিশা ব্যক্ত হইবার পর রাসূলের বিরোধিতা করে, উহারা ‌র কোনই ক্ষতি করিতে পারিবে না। তিনি তো তাহাদের কর্ম ব্যর্থ করিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় যারা করেছে, আল্লাহর পথে বাধা দিয়েছে এবং তাদের নিকট হিদায়াতের পথ সুস্পষ্ট হওয়ার পরও রাসূলের বিরোধিতা করেছে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। আর শীঘ্রই তিনি তাদের আমলসমূহ নিষ্ফল করে দেবেন।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা অবিশ্বাস পোষণ করে ও ‌র পথ থেকে সরিয়ে রাখে এবং রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের কাছে সৎপথ সুস্পষ্ট হবার পরেও, তারা কখনো ‌র কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আর অচিরেই তিনি তাদের ক্রিয়াকলাপ নিষ্ফল করে দেবেন।

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা ‌র আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর, আর তোমাদের কর্ম বিনষ্ট করিও না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর। আর তোমরা তোমাদের আমলসমূহ বিনষ্ট করো না।

জহুরুল হক

ওহে যারা ঈমান এনেছ! ‌কে মেনে চলো ও রসূলের আজ্ঞা পালন করো, আর তোমাদের ক্রিয়াকর্ম বিফল করো না।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় যারা এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে, অতঃপর অবস্থায় মারা যায়, কখনই তাদেরকে ক্ষমা করবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করে ও ‌র পথ হইতে মানুষকে নিবৃত্ত করে, অতঃপর অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে, ‌ কখনই তাহাদেরকে ক্ষমা করিবেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই যারা করেছে এবং আল্লাহর পথে বাধা দিয়েছে। তারপর অবস্থায়ই মারা গেছে, কখনই তাদের ক্ষমা করবেন না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা অবিশ্বাস পোষণ করে ও ‌র পথ থেকে সরিয়ে রাখে, তারপর মারা যায় অথচ তারা অবিশ্বাসী থাকে, সে - ক্ষেত্রে কখনো তাদের পরিত্রাণ করবেন না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা হীনবল হয়ো না এবং সন্ধির আহবান জানিও না, তোমরাই হবে প্রবল। আল্লাহই তোমাদের সাথে আছেন। তিনি কখনও তোমাদের কর্ম হ্রাস করবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তোমরা হীনবল হইও না এবং সন্ধির প্রস্তাব করিও না, তোমরাই প্রবল; তোমাদের সঙ্গে আছেন, তিনি তোমাদের কর্মফল কখনও ক্ষুণ্ন করিবেন না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতএব তোমরা হীনবল হয়ো না ও সন্ধির আহবান জানিও না এবং তোমরাই প্রবল। আর তোমাদের সাথেই রয়েছেন এবং কখনই তিনি তোমাদের কর্মফল হ্রাস করবেন না।

জহুরুল হক

অতএব তোমরা ঢিলেমি করো না এবং শান্তির প্রতি আহ্বান করো, আর তোমরাই তো উপরহাত হবে, আর তোমাদের সঙ্গে রয়েছেন, আর তিনি কখনো তোমাদের কার্যাবলী তোমাদের জন্য ব্যাহত করবেন না।

মুহিউদ্দীন খান

পার্থিব জীবন তো কেবল খেলাধুলা, যদি তোমরা হও এবং সংযম অবলম্বন কর, তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিদান দেবেন এবং তিনি তোমাদের ধন - সম্পদ চাইবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পার্থিব জীবন তো কেবল ক্রীড়া - কৌতুক, যদি তোমরা ঈমান আন, তাকওয়া অবলম্বন কর, ‌ তোমাদেরকে তোমাদের পুরষ্কার দিবেন এবং তিনি তোমাদের ধন - সম্পদ চান না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

দুনিয়ার জীবন তো কেবল খেল-তামাশা ও অর্থহীন কথাবার্তা। আর যদি তোমরা ঈমান আন এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে তিনি তোমাদেরকে তোমাদের প্রতিদান দিবেন এবং তিনি তোমাদের কাছে ধন-সম্পদ চাইবেন না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এই দুনিয়ার জীবন শুধু খেলাধূলা ও আমোদ - প্রমোদ। আর যদি তোমরা ঈমান আনো ও ধর্মভীরুতা অবলন্বন কর তবে তিনি তোমাদের প্রদান করবেন তোমাদের পুরস্কার, আর তিনি তোমাদের থেকে তোমাদের ধনসম্পদ চাইবেন না।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি তোমাদের কাছে ধন - সম্পদ চাইলে অতঃপর তোমাদেরকে অতিষ্ঠ করলে তোমরা কার্পণ্য করবে এবং তিনি তোমাদের মনের সংকীর্ণতা প্রকাশ করে দেবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের নিকট হইতে তিনি তাহা চাহিলে ও তজ্জন্য তোমাদের উপর চাপ দিলে তোমরা তো কার্পণ্য করিবে এবং তখন তিনি তোমাদের বিদ্বেষভাব প্রকাশ করিয়া দিবেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যদি তিনি তোমাদের নিকট তা চান, অতঃপর তিনি তোমাদের ওপর প্রবল চাপ দেন, তাহলে তো তোমরা কার্পণ্য করবে। আর তিনি তোমাদের গোপন বিদ্বেষসমূহ বের করে দেবেন।

জহুরুল হক

যদি তিনি তোমাদের কাছ থেকে তা চাইতেন এবং তোমাদের চাপ দিতেন, তাহলে তোমরা কার্পণ্য করবে, আর তিনি প্রকাশ করে দিচ্ছেন তোমাদের বিদ্বেষ।

মুহিউদ্দীন খান

শুন, তোমরাই তো তারা, যাদেরকে আল্লাহর পথে ব্যয় করার আহবান জানানো হচ্ছে, অতঃপর তোমাদের কেউ কেউ কৃপণতা করছে। যারা কৃপণতা করছে, তারা নিজেদের প্রতিই কৃপণতা করছে। অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্থ। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের পরিবর্তে অন্য জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করবেন, এরপর তারা তোমাদের মত হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দেখ, তোমরাই তো তাহারা যাহাদেরকে ‌র পথে ব্যয় করিতে বলা হইতেছে অথচ তোমাদের অনেকে কৃপণতা করিতেছে। যাহারা কার্পণ্য করে তাহারা তো কার্পণ্য করে নিজেদেরই প্রতি। ‌ অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্ত। যদি তোমরা বিমুখ হও, তিনি অন্য জাতিকে তোমাদের স্থলবর্তী করিবেন; তাহারা তোমাদের মত হইবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমরাই তো তারা, তোমাদের আহবান করা হচ্ছে যে, তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় করবে। অথচ তোমাদের কেউ কেউ কার্পণ্য করছে। তবে যে কার্পণ্য করছে সে তো নিজের প্রতিই কার্পণ্য করছে। আর অভাবমুক্ত এবং তোমরা অভাবগ্রস্ত। যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তিনি তোমাদের ছাড়া অন

জহুরুল হক

দেখো, তোমরাই তো তারা যাদের আহ্বান করা হচ্ছে যেন তোমরা ‌র পথে ব্যয় কর, কিন্ত তোমাদের মধ্যে রয়েছে তারা যারা কৃপণতা করছে, বস্তুতঃ যে কার্পণ্য করে সে তো বখিলি করছে তার নিজেরই বিরুদ্ধে। আর ধনবান, এবং তোমরা অভাবগ্রস্ত। আর তোমরা যদি ফিরে যাও তবে তিনি তোমাদের স্থলে অন্য লোকদের বদলে আনবেন, তখন তারা তোমাদের মতন হবে না।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme