প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে,
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখে
বেশি বেশি প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহগ্রস্ত করে রেখেছে (এবং তোমরা এ মোহ ত্যাগ করবেনা),
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে।
Chapter 102, 8 verses
প্রাচুর্যের লালসা তোমাদেরকে গাফেল রাখে,
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখে
বেশি বেশি প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহগ্রস্ত করে রেখেছে (এবং তোমরা এ মোহ ত্যাগ করবেনা),
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে।
এমনকি, তোমরা কবরস্থানে পৌছে যাও।
যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপনীত হও।
যতোক্ষণ না তোমরা কবর যিয়ারত (মৃত্যু বরণ) করবে।
যতক্ষণ না তোমরা কবরের সাক্ষাৎ করবে।
এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।
ইহা সংগত নয়, তোমরা শীঘ্রই ইহা জানিতে পারিবে;
না (এ কাজ সংগত নয়), তোমরা শীঘ্রি জানতে পারবে!
কখনো নয়, শীঘ্রই তোমরা জানবে,
অতঃপর এটা কখনও উচিত নয়। তোমরা সত্ত্বরই জেনে নেবে।
আবার বলি, ইহা সংগত নয়, তোমরা শীঘ্রই ইহা জানিতে পারিবে।
আবার বলছি, না (এ কাজ সংগত নয়), সহসাই তোমরা জানতে পারবে!
তারপর কখনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।
কখনই নয়; যদি তোমরা নিশ্চিত জানতে।
সাবধান ! তোমাদের নিশ্চিত জ্ঞান থাকিলে অবশ্যই তোমরা মোহাচ্ছন্ন হইতে না।
না (এটা সংগত নয়), যদি তোমাদের নিশ্চিত এলেম থাকতো (তবে তোমরা এমনটি করতে না)
কখনো নয়, তোমরা যদি নিশ্চিত জ্ঞানে জানতে!
তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে,
তোমরা তো জাহান্নাম দেখিবেই ;
তোমরা অবশ্যি দেখতে পাবে জাহিম (জ্বলন্ত আগুন),
তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখবে;
অতঃপর তোমরা তা অবশ্যই দেখবে দিব্য প্রত্যয়ে,
আবার বলি, তোমরা তো উহা দেখিবেই চাক্ষুষ প্রত্যয়ে,
আবার বলছি, তোমরা অবশ্যি তা দেখতে পাবে নিশ্চিত নজরে।
তারপর তোমরা তা নিশ্চিত চাক্ষুষ দেখবে।
এরপর অবশ্যই সেদিন তোমরা নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
ইহার পর অবশ্যই সেই দিন তোমাদেরকে নিয়ামত সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হইবে।
সেদিন তোমাদের অবশ্যি জিজ্ঞাসা করা হবে (দুনিয়ার জীবনে প্রদত্ত) অনুগ্রহ রাজি সম্পর্কে।
তারপর সেদিন অবশ্যই তোমরা নিআমত সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।