আল মারিজ
Chapter 70, 44 verses
-
মুহিউদ্দীন খান
-
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
-
আবদুস শহীদ নাসিম
-
বয়ান ফাউন্ডেশন
মুহিউদ্দীন খান
একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এক ব্যক্তি চাহিল সংঘটিত হউক শাস্তি, যাহা অবধারিত -
আবদুস শহীদ নাসিম
এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করলো অবধারিত আযাব সম্পর্কে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
এক প্রশ্নকারী জিজ্ঞাসা করল এমন আযাব সম্পর্কে, যা আপতিত হবে-* *আয়াতটির আরেক অর্থ হল, ‘একজন প্রার্থনাকারী এমন আযাবের দো‘আ করল যা আপতিত হবে’।
মুহিউদ্দীন খান
কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কাফিরদের জন্য, ইহা প্রতিরোধ করিবার কেহ নাই।
আবদুস শহীদ নাসিম
(যা অবধারিত) কাফিরদের জন্যে, যা প্রতিরোধ করার কেউ নেই,
বয়ান ফাউন্ডেশন
কাফিরদের উপর, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
মুহিউদ্দীন খান
তা আসবে তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ইহা আসিবে র নিকট হইতে, তিনি সুমুচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
যা আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে,
মুহিউদ্দীন খান
ফেরেশতাগণ এবং রূহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
ফিরিশ্তা এবং রূহ্ র দিকে ঊর্ধ্বগামী হয় এমন এক দিনে, যাহার পরিমাণ পার্থিব পঞ্চাশ হাযার বৎসর।
আবদুস শহীদ নাসিম
ফেরেশতারা এবং রূহ (জিবরিল) তাঁর দিকে উঠে এমন একটি ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যে (পৃথিবীর সময় অনুযায়ী) যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
ফেরেশতাগণ ও রূহ এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হয়, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সুতরাং তুমি ধৈর্যধারণ কর, পরম ধৈর্য।
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তুমি সবর করো সব্রে জামিল (সুন্দর সবর)।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতএব তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ কর।
মুহিউদ্দীন খান
তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহারা ঐ দিনকে মনে করে সুদূর,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা সেই (দিনটিকে) দেখে সুদূর,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারা তো এটিকে সুদূরপরাহত মনে করে।
মুহিউদ্দীন খান
আর আমি একে আসন্ন দেখছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কিন্তু আমি দেখিতেছি ইহা আসন্ন।
আবদুস শহীদ নাসিম
আর আমরা দেখছি একেবারে অদূর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর আমি দেখছি তা আসন্ন।
মুহিউদ্দীন খান
সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেদিন আকাশ হইবে গলিত ধাতুর মত
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন আসমান হবে গলিত ধাতুর মতো,
বয়ান ফাউন্ডেশন
সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়।
মুহিউদ্দীন খান
এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পর্বতসমূহ হইবে রঙ্গীন পশমের মত,
আবদুস শহীদ নাসিম
পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মতো।
বয়ান ফাউন্ডেশন
এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে রঙিন পশমের ন্যায়।
মুহিউদ্দীন খান
বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং সুহৃদ সুহৃদের তত্ত্ব লইবে না,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন কোনো সহমর্মী বন্ধু কোনো খোঁজ খবর নেবেনা অপর সহমর্মী বন্ধুর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করবে না।
মুহিউদ্দীন খান
যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাদেরকে করা হইবে একে অপরের দৃষ্টিগোচর। অপরাধী সেই দিনের শাস্তির বদলে দিতে চাইবে তাহার সন্তান - সন্ততিকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদেরকে পরস্পরের চোখের সামনেই রাখা হবে। অপরাধীরা সেদিনকার আযাবের বিনিময়ে দিয়ে দিতে চাইবে তার সন্তানদের,
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদেরকে একে অপরের দৃষ্টিগোচর করা হবে। অপরাধী চাইবে যদি সে সেদিনের শাস্তি থেকে তার সন্তান-সন্ততিকে পণ হিসেবে দিয়ে মুক্তি পেতে,
মুহিউদ্দীন খান
তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহার স্ত্রী ও ভ্রাতাকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তার স্ত্রী ও ভাইকে,
মুহিউদ্দীন খান
তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে, যাহারা তাহাকে আশ্রয় দিত
আবদুস শহীদ নাসিম
তার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে যারা তাকে দিতো আশ্রয় ও নিরাপত্তা,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
মুহিউদ্দীন খান
এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং পৃথিবীর সকলকে, যাহাতে এই মুক্তিপণ তাহাকে মুক্তি দেয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে করে তাকে নাজাত দেয় এসব মুক্তিপণ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যমীনে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে এটি তাকে রক্ষা করে।
মুহিউদ্দীন খান
কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
না, কখনই নয়, ইহা তো লেলিহান অগ্নি,
আবদুস শহীদ নাসিম
কখনো নয়, অবশ্যি তার জন্যে রয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা,
বয়ান ফাউন্ডেশন
কখনো নয়! এটিতো লেলিহান আগুন।
মুহিউদ্দীন খান
যা চামড়া তুলে দিবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহা গাত্র হইতে চামড়া খসাইয়া দিবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যা খসিয়ে দেবে গায়ের চামড়া।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যা মাথার চামড়া খসিয়ে নেবে।
মুহিউদ্দীন খান
সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জাহান্নাম সেই ব্যক্তিকে ডাকিবে, যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
জাহান্নাম ডাকবে ঐ ব্যক্তিকে, যে সত্যের আহবান থেকে পিছু হটে যায় এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়,
বয়ান ফাউন্ডেশন
জাহান্নাম তাকে ডাকবে যে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল ।
মুহিউদ্দীন খান
সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করিয়া রাখিয়াছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
যে (অর্থ সম্পদ) জমা করে রেখেছিল এবং সংরক্ষণ করেছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর সম্পদ জমা করেছিল, অতঃপর তা সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মানুষ তো সৃজিত হইয়াছে অতিশয় অস্থিরচিত্তরূপে।
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে।
মুহিউদ্দীন খান
যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন বিপদ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় হা - হুতাশকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন কোনো মন্দ তাকে স্পর্শ করে, সে হা - হুতাশ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত।
মুহিউদ্দীন খান
আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যখন কল্যাণ তাহাকে স্পর্শ করে সে হয় অতি কৃপণ ;
আবদুস শহীদ নাসিম
যখন সে লাভ করে কোনো কল্যাণ, তখন সে হয় কৃপণ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিশয় কৃপণ।
মুহিউদ্দীন খান
তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা আদায় কারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তবে আদায়কারীগণ ব্যতীত,
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে, মুসল্লিরা এর ব্যতিক্রম
বয়ান ফাউন্ডেশন
আদায়কারীগণ ছাড়া,
মুহিউদ্দীন খান
যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাহারা তাহাদের সালাতে সদা প্রতিষ্ঠিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা স্থায়ীভাবে নিয়মিত আদায়কারী,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যারা তাদের সালাতের ক্ষেত্রে নিয়মিত।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যাহাদের সম্পদে নির্ধারিত হক রহিয়াছে
আবদুস শহীদ নাসিম
যাদের মাল সম্পদে নির্ধারিত হক থাকে
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যাদের ধন-সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত হক,
মুহিউদ্দীন খান
যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যাচ্ঞাকারী ও বঞ্চিতের,
আবদুস শহীদ নাসিম
ভিক্ষুক এবং মাহরুমদের (বঞ্চিতদের) জন্যে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
যাচঞাকারী ও বঞ্চিতের,
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা কর্মফল দিবসকে সত্য বলিয়া জানে।
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা সত্য বলে স্বীকার করে প্রতিদান দিবসকে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা প্রতিফল-দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যাহারা তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীতসন্ত্রস্ত -
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং যারা তাদের প্রভুর আযাব সম্পর্কে থাকে সব সময় ভীত - সন্ত্রস্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা তাদের রবের আযাব সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয়ই তাহাদের প্রতিপালকের শাস্তি হইতে নিঃশংক থাকা যায় না -
আবদুস শহীদ নাসিম
নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর আযাব নিরাপদ নয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় তাদের রবের আযাব থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা হিফাযতকারী তাদের যৌনাংগ।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহের হিফাযতকারী।
মুহিউদ্দীন খান
কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহাদের পত্নী অথবা অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত, ইহাতে তাহারা নিন্দনীয় হইবে না -
আবদুস শহীদ নাসিম
তবে নিজেদের স্ত্রী (এবং স্বামী) এবং অধিকারভুক্ত দাসীদের ছাড়া, কারণ তারা নিন্দনীয় নয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে সে দাসীগণের ক্ষেত্র ছাড়া। তাহলে তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তবে কেহ ইহাদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করিলে তাহারা হইবে সীমালংঘনকারী -
আবদুস শহীদ নাসিম
কিন্তু কেউ এর বাইরে অন্য কাউকেও কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তবে যে কেউ এদের বাইরে অন্যকে কামনা করে, তারাই তো সীমালংঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং যাহারা আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
(তাদের আরো বৈশিষ্ট্য হলো,) তারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা নিজদের আমানত ও ওয়াদা রক্ষাকারী,
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যাহারা তাহাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
আবদুস শহীদ নাসিম
তারা মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত তাদের সাক্ষ্যদানের উপর,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা তাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
মুহিউদ্দীন খান
এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এবং নিজেদের সালাতে যত্নবান -
আবদুস শহীদ নাসিম
এবং তারা হিফাযতকারী তাদের সালাতের,
বয়ান ফাউন্ডেশন
আর যারা নিজদের সালাতের হিফাযত করে,
মুহিউদ্দীন খান
তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাহারাই সম্মানিত হইবে জান্নাতে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তারাই হবে জান্নাতে সম্মানিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তারাই জান্নাতসমূহে সম্মানিত হবে।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কাফিরদের হইল কি যে, উহারা তোমার দিকে ছুটিয়া আসিতেছে
আবদুস শহীদ নাসিম
যারা কুফুরি করেছে তাদের কী হলো যে, (তুমি কুরআন পাঠ করলেই) তারা তোমার দিকে তেড়ে আসে
বয়ান ফাউন্ডেশন
কাফিরদের কী হল যে, তারা তোমার দিকে ছুটছে,
মুহিউদ্দীন খান
ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
দক্ষিণ ও বাম দিক হইতে, দলে দলে।
আবদুস শহীদ নাসিম
ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে দলে দলে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
ডানে ও বামে দলে দলে?
মুহিউদ্দীন খান
তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাদের প্রত্যেকে কি এই প্রত্যাশা করে যে, তাহাকে দাখিল করা হইবে প্রাচুর্যময় জান্নাতে?
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নিয়ামতে ভরা জান্নাতে দাখিল করা হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি কি আশা করে যে, তাকে প্রাচুর্যময় জান্নাতে দাখিল করা হবে?
মুহিউদ্দীন খান
কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কখনো না, আমি উহাদেরকে যাহা হইতে সৃষ্টি করিয়াছি তাহা উহারা জানে।
আবদুস শহীদ নাসিম
কখনো নয়, আমরা তাদেরকে যা দিয়ে সৃষ্টি করেছি, তা তারা জানে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
কখনো নয়, নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তারা যা জানে তা থেকে।
মুহিউদ্দীন খান
আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আমি শপথ করিতেছি উদয়াচলসমূহ ও অস্তাচলসমূহের অধিপতির - নিশ্চয়ই আমি সক্ষম,
আবদুস শহীদ নাসিম
না, আমি উদয়াচল এবং অস্তাচলসমূহের প্রভুর কসম খেয়ে বলছি, অবশ্যি আমরা সক্ষম,
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম!
মুহিউদ্দীন খান
তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
উহাদের অপেক্ষা উৎকৃষ্টতর মানবগোষ্ঠীকে উহাদের স্থলবর্তী করিতে এবং ইহাতে আমি অক্ষম নই।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের বদলে তাদের চেয়ে উত্তম (মানব দলকে) তাদের স্থলাভিষিক্ত করতে এবং একাজে কেউ পারবেনা আমাদের পরাস্ত করতে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি অক্ষম নই।
মুহিউদ্দীন খান
অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতএব উহাদেরকে বাকবিতণ্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুকে মত্ত থাকিতে দাও, যে দিবস সম্পর্কে তাহাদেরকে সতর্ক করা হইয়াছিল, তাহার সম্মুখীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
আবদুস শহীদ নাসিম
সুতরাং তাদেরকে বাক - বিতর্ক আর খেলতামাশায় মত্ত থাকতে দাও যেদিনটি সম্পর্কে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল সেই দিনটি আসার আগ পর্যন্ত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা (বেহুদা কথায়) মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান
সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেদিন উহারা কবর হইতে বাহির হইবে দ্রুতবেগে, মনে হইবে উহারা কোন উপাসনালয়ের দিকে ধাবিত হইতেছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
সেদিন তারা দ্রুত বেরিয়ে আসবে কবর থেকে, মনে হবে যেনো তারা উপাসনালয়ের দিকে দৌড়াচ্ছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে,
মুহিউদ্দীন খান
তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অবনত নেত্রে। হীনতা উহাদেরকে আচ্ছন্ন করিবে; ইহাই সেই দিন, যাহার বিষয়ে সতর্ক করা হইয়াছিল উহাদেরকে।
আবদুস শহীদ নাসিম
তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে যিল্লতি। এটাই সেই দিন যার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের।
বয়ান ফাউন্ডেশন
অবনত চোখে। লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে! এটিই সেদিন যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল।