Kitab

আল ক্বেয়ামাহ

Chapter 75, 40 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
মুহিউদ্দীন খান

আমি শপথ করি কেয়ামত দিবসের,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি কিয়ামত দিবসের,

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি শপথ করছি কিয়ামত কালের।

জহুরুল হক

না, আমি শপথ করছি কিয়ামতের দিনের।

মুহিউদ্দীন খান

আরও শপথ করি সেই মনের, যে নিজেকে ধিক্কার দেয় -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আরও শপথ করিতেছি তিরস্কারকারী আত্মার।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমি আরো শপথ করছি তিরস্কারকারী নফসের।

জহুরুল হক

আর না, আমি শপথ করছি আ‌ত্মসমালোচনাপরায়ণ আ‌ত্মার।

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, আমি তাহার অস্থিসমূহ একত্র করিতে পারিব না?

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ কি ধারণা করে নিয়েছে যে, আমরা তার হাড়গোড় জমা (পুনর্গঠিত) করবোনা?

জহুরুল হক

মানুষ কি মনে করে যে আমরা কখনো তার হাড়গোড় একত্রিত করব না?

মুহিউদ্দীন খান

পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত আমি উহার অঙ্গুলীর অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনবিন্যস্ত করিতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

হ্যাঁ, আমরা তার আংগুলের জোড়াগুলোও পুনর্গঠন করতে সক্ষম।

জহুরুল হক

হাঁ, আমরা তার আঙুলগুলো পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।

মুহিউদ্দীন খান

বরং মানুষ তার ভবিষ্যত জীবনেও ধৃষ্টতা করতে চায়

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও মানুষ তাহার ভবিষ্যতেও পাপাচার করিতে চায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং মানুষ তার সামনের দিনগুলোতেও পাপাচারে লিপ্ত থাকতে চায়।

জহুরুল হক

তবুও মানুষ চায় যা তার সামনে রয়েছে তা অস্বীকার করতে।

মুহিউদ্দীন খান

সে প্রশ্ন করে - কেয়ামত দিবস কবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে প্রশ্ন করে, ‘কখন কিয়ামত দিবস আসিবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

সে প্রশ্ন করে, কখন আসবে কিয়ামতকাল?

জহুরুল হক

সে প্রশ্ন করে - - ''কখন কিয়ামতের দিন আসবে?’’

মুহিউদ্দীন খান

যখন দৃষ্টি চমকে যাবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন চক্ষু স্থির হইয়া যাইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

(হাঁ) তখনই আসবে, যখন মানুষের চোখ স্থির হয়ে যাবে,

জহুরুল হক

কিন্ত যখন দৃষ্টি দিশাহারা হয়ে যাবে,

মুহিউদ্দীন খান

চন্দ্র জ্যোতিহীন হয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং চন্দ্র হইয়া পড়িবে জ্যোতিহীন,

আবদুস শহীদ নাসিম

চাঁদ হয়ে পড়বে জ্যোতিহীন,

জহুরুল হক

আর চন্দ্র হবে অন্ধকারাচ্ছন্ন,

মুহিউদ্দীন খান

এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সূর্য ও চন্দ্রকে একত্র করা হইবে -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন জমা (একত্রিত) করে দেয়া হবে সূর্য ও চাঁদকে।

জহুরুল হক

আর সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

সে দিন মানুষ বলবেঃ পলায়নের জায়গা কোথায় ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন - মানুষ বলিবে, ‘আজ পালাইবার স্থান কোথায়?’

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন মানুষ বলবে: পালাবার জায়গা কোথায়?

জহুরুল হক

মানুষ সেইদিন বলবে - - ''কোথায় পালানোর স্থান?’’

মুহিউদ্দীন খান

না কোথাও আশ্রয়স্থল নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, কোন আশ্রয়স্থল নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

না, কখনো নয়, পালাবার কোনো জায়গা হবেনা।

জহুরুল হক

কিছুতেই না, কোনো আশ্রয়স্থল নেই।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার কাছেই সেদিন ঠাঁই হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন ঠাঁই হইবে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তো কেবল তোমার প্রভুর কাছেই হবে ঠিকানা।

জহুরুল হক

সেদিন ঠাই হবে কেবল তোমার প্রভুর নিকটেই।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে যা সামনে প্রেরণ করেছে ও পশ্চাতে ছেড়ে দিয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন মানুষকে অবহিত করা হইবে সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন মানুষকে জানানো হবে, সে কী আগে পাঠিয়েছে, আর কী রেখে এসেছে পেছনে।

জহুরুল হক

মানুষকে সেইদিন জানানো হবে কী সে আগবাড়িয়েছে এবং সে ফেলে রেখেছে।

মুহিউদ্দীন খান

বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে চক্ষুমান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত মানুষ নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত,

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে অবহিত।

জহুরুল হক

বস্তুত মানুষ তার নিজের সত্ত্বা সন্বন্ধে চক্ষুষ্মান,

মুহিউদ্দীন খান

যদিও সে তার অজুহাত পেশ করতে চাইবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদিও সে নানা অজুহাতের অবতারণা করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদিও সে পেশ করে থাকে নানা রকম ওজর।

জহুরুল হক

যদিও সে তার অজুহাত দেখায়।

মুহিউদ্দীন খান

তাড়াতাড়ি শিখে নেয়ার জন্যে আপনি দ্রুত ওহী আবৃত্তি করবেন না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাড়াতাড়ি ওহী আয়ত্ত করিবার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা উহার সঙ্গে সঞ্চালন করিও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বারবার জিহ্বা নাড়বেনা তাড়াহুড়া করে অহি আয়ত্ত্ব করার জন্যে।

জহুরুল হক

এর দ্বারা তোমার জিহবা নাড়াচাড়া করো না একে ত্বরান্বিত করতে।

মুহিউদ্দীন খান

এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমারই দায়িত্ব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা সংরক্ষণ ও পাঠ করাইবার দায়িত্ব আমারই।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর সংরক্ষণ করা ও পড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমাদের উপরেই রয়েছে এর সংগ্রহের ও এর পাঠ করানোর দায়িত্ব।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর,

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং আমরা যখন তা (কুরআন) পাঠ করি, তুমি তখন সেই পাঠের অনুসরণ করো।

জহুরুল হক

সুতরাং যখন আমরা তা পাঠ করি তখন তুমি তার পঠন অনুসরণ করো,

মুহিউদ্দীন খান

এরপর বিশদ বর্ণনা আমারই দায়িত্ব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ইহার বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তার বিশদ ব্যাখ্যা করে দেয়ার দায়িত্বও আমাদের।

জহুরুল হক

তারপর নিশ্চয় আমাদেরই উপরে রয়েছে এর ব্যাখ্যাকরণ।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, বরং তোমরা পার্থিব জীবনকে ভালবাস

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

না, তোমরা প্রকৃতপক্ষে পার্থিব জীবনকে ভালবাস;

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, বরং তোমরা দ্রুত পেতে (অর্থাৎ দুনিয়ার জীবনকে) পছন্দ করো।

জহুরুল হক

না, তোমরা কিন্তু ভালবাস ক্ষণস্থায়ী,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পরকালকে উপেক্ষা কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আখিরাতকে উপেক্ষা কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমরা উপেক্ষা করছো আখিরাতকে।

জহুরুল হক

আর অবহেলা কর পরকালকে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন কোন কোন মুখমণ্ডল উজ্জ্বল হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন কিছু চেহারা হবে উজ্জ্বল,

জহুরুল হক

সেদিন কতকগুলো মুখ হবে উজ্জ্বল, - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের দিকে তাকাইয়া থাকিবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা তাকিয়ে থাকবে তাদের প্রভুর দিকে।

জহুরুল হক

তাদের প্রভুর দিকে চেয়ে থাকবে,

মুহিউদ্দীন খান

আর অনেক মুখমন্ডল সেদিন উদাস হয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কোন কোন মুখমণ্ডল হইয়া পড়িবে বিবর্ণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর কিছু চেহারা হবে মলিন,

জহুরুল হক

আর কতকগুলো মুখ সেইদিন বিবর্ণ হয়ে যাবে, - -

মুহিউদ্দীন খান

তারা ধারণা করবে যে, তাদের সাথে কোমর - ভাঙ্গা আচরণ করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আশংকা করিবে যে, এক ধ্বংসকারী বিপর্যয় তাহাদের উপর আপতিত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আশংকা করবে তাদের সাথে ধ্বংসকর আচরণের।

জহুরুল হক

এই ভেবে যে কোনো বিধ্বংসী বিপর্যয় তাদের উপরে পড়তে যাচ্ছে।

মুহিউদ্দীন খান

কখনও না, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, যখন প্রাণ কণ্ঠাগত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

কখনো নয়, যখন প্রাণ হবে কন্ঠাগত,

জহুরুল হক

না, যখন এটি গলায় এসে পৌঁছুবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং বলা হবে, কে ঝাড়বে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বলা হইবে, ‘কে তাহাকে রক্ষা করিবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং বলা হবে, ‘কে রক্ষা করবে তাকে?’

জহুরুল হক

এবং বলা হবে - - ''কে সেই জাদুকর?’’

মুহিউদ্দীন খান

এবং সে মনে করবে যে, বিদায়ের ক্ষণ এসে গেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন তাহার প্রত্যয় হইবে যে, ইহা বিদায়ক্ষণ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে বিশ্বাস করবে, তার বিদায়ের সময় উপস্থিত

জহুরুল হক

আর সে বুঝতে পারে যে, এ হচ্ছে বিদায় বেলা,

মুহিউদ্দীন খান

এবং গোছা গোছার সাথে জড়িত হয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পায়ের সঙ্গে পা জড়াইয়া যাইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন পায়ের সাথে পা জড়িয়ে যাবে।

জহুরুল হক

এবং এক পায়ের হাড় অন্য পায়ের হাড়ে ঠোকর খেতে থাকবে,

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন, আপনার পালনকর্তার নিকট সবকিছু নীত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন তোমার প্রভুর নিকট সমস্ত কিছু প্রত্যানীত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন সব কিছু নিয়ে যাওয়া হবে তোমার প্রভুর কাছে।

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর দিকেই সেইদিন হবে চালিয়ে নেওয়া।

মুহিউদ্দীন খান

সে বিশ্বাস করেনি এবং পড়েনি;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বিশ্বাস করে নাই এবং আদায় করে নাই।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে সত্য বলে মেনে নেয়নি এবং সালাতও আদায় করেনি।

জহুরুল হক

সে তো সত্যনিষ্ঠ ছিল না, আর নামাযও পড়ে নি,

মুহিউদ্দীন খান

পরন্ত মিথ্যারোপ করেছে ও পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং সে সত্য প্রত্যাখ্যান করিয়াছিল ও মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

বরং সে সত্যকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

জহুরুল হক

বরং সে সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল এবং ফিরে এসেছিল,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে দম্ভভরে পরিবার - পরিজনের নিকট ফিরে গিয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে তাহার পরিবার - পরিজনের নিকট ফিরিয়া গিয়াছিল দম্ভভরে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে ফিরে গেছে পরিবার পরিজনের কাছে দম্ভভরে।

জহুরুল হক

তারপর সে তার স্বজনগণের কাছে গিয়েছিল গর্ব করতে করতে।

মুহিউদ্দীন খান

তোমার দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ!

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে অবিশ্বাসী!) দুর্ভোগ তোর, দুর্ভোগ,

জহুরুল হক

''তুমি নিপাত যাও! তবে নিপাত যাও!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর, তোমার দুর্ভোগের উপর দূর্ভোগ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আবার দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ!

আবদুস শহীদ নাসিম

আবারো দুর্ভোগ তোর, দুর্ভোগ,

জহুরুল হক

''আবার তুমি নিপাত যাও, ফলে নিপাত যাও!’’

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ কি মনে করে যে, তাহাকে নিরর্থক ছাড়িয়া দেওয়া হইবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ কি ধরে নিয়েছে যে, তাকে এমনিতেই ছেড়ে দেয়া হবে?

জহুরুল হক

মানুষ কি ভাবে যে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে বাঁধনছাড়াভাবে?

মুহিউদ্দীন খান

সে কি স্খলিত বীর্য ছিল না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে কি স্খলিত শুক্রবিন্দু ছিল না?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি একটি নিক্ষিপ্ত নোতফা (শুক্রবিন্দু) ছিলনা?

জহুরুল হক

সে কি ছিল না এক শুক্রকীট এক সবেগে নির্গত স্খলনের মধ্যেকার?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে ছিল রক্তপিন্ড, অতঃপর তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে ‘আলাকায় পরিণত হয়। তারপর ‌ তাহাকে আকৃতি দান করেন ও সুঠাম করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে পরিণত হয় আলাকায় (একটি আটকানো জিনিসে)। তারপর তিনি তাকে দান করেছেন আকৃতি এবং করেছেন সুগঠিত।

জহুরুল হক

তারপর সে হলো একটি রক্তপিন্ড, তারপর তিনি আকৃতি দান করলেন ও পূর্ণাঙ্গ করলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নর ও নারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তিনি তাহা হইতে সৃষ্টি করেন যুগল - নর ও নারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তিনি তার থেকে সৃষ্টি করেছেন জোড়া - পুরুষ ও নারী।

জহুরুল হক

তারপর তিনি তা হতে সৃষ্টি করলেন তার যুগল - - পুরুষ ও নারী।

মুহিউদ্দীন খান

তবুও কি সেই মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও কি সেই স্রষ্টা মৃতকে পুনর্জীবিত করিতে সক্ষম নয়?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপরও কি সেই মহান স্রষ্টা মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম নন?

জহুরুল হক

তবুও কি তিনি ক্ষমতাবান নন মৃতকে পুনর্জীবিত করতে?

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme