শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের,
শপথ ঊর্ধ্বশ্বাসে ধাবমান অশ্বরাজির,
শপথ (সেই সব ঘোড়ার) যারা দৌড়ায় উর্ধ্বশ্বাসে,
Chapter 100, 11 verses
শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের,
শপথ ঊর্ধ্বশ্বাসে ধাবমান অশ্বরাজির,
শপথ (সেই সব ঘোড়ার) যারা দৌড়ায় উর্ধ্বশ্বাসে,
অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের
যাহারা খুরাঘাতে অগ্নি - স্ফুলিংগ বিচ্ছুরিত করে,
আর (ক্ষুরার আঘাতে) ঝরায় আগুনের ফুলকি,
অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের
যাহারা অভিযান করে প্রভাতকালে,
এবং আক্রমণ চালায় একেবারে ভোর - সকালে,
ও যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে
এবং সেই সময়ে ধূলি উৎক্ষিপ্ত করে;
এসময় ধূলায় ধুসরিত করে বাতাস,
অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে -
অতঃপর শত্রুদলের অভ্যন্তরে ঢুকিয়া পড়ে।
এবং এমনি করে তারা ঢুকে পড়ে কোনো (শত্রু) জনবসতির মাঝে।
নিশ্চয় মানুষ তার পালনকর্তার প্রতি অকৃতজ্ঞ।
মানুষ অবশ্যই তাহার প্রতিপালকের প্রতি অকৃতজ্ঞ
নিশ্চয়ই (অবিশ্বাসী) মানুষ অকৃতজ্ঞ তার প্রভুর প্রতি,
এবং সে অবশ্য এ বিষয়ে অবহিত
এবং সে অবশ্যই এই বিষয়ে অবহিত,
এবং সে নিজেই এর (তার এ অকৃতজ্ঞতার) সাক্ষী।
এবং সে নিশ্চিতই ধন - সম্পদের ভালবাসায় মত্ত।
এবং অবশ্যই সে ধন - সম্পদের আসক্তিতে প্রবল।
আর সম্পদের মোহে সে প্রচন্ড (উগ্র)।
সে কি জানে না, যখন কবরে যা আছে, তা উত্থিত হবে
তবে কি সে সেই সম্পর্কে অবহিত নয় যখন কবরে যাহা আছে তাহা উত্থিত হইবে
সে কি জানেনা, কবরে যা কিছু (দাফন করা) আছে সবই বের করে আনা হবে?
এবং অন্তরে যা আছে, তা অর্জন করা হবে?
এবং অন্তরে যাহা আছে তাহা প্রকাশ করা হইবে?
এবং মানুষের অন্তরে যা কিছু আছে সেসবও প্রকাশ করে দেয়া হবে?
সেদিন তাদের কি হবে, সে সম্পর্কে তাদের পালনকর্তা সবিশেষ জ্ঞাত।
সেই দিন উহাদের কী ঘটিবে, উহাদের প্রতিপালক অবশ্যই তাহা সবিশেষ অবহিত।
অবশ্যি সেদিন তাদের রব তাদের বিষয়ে থাকবেন সম্যক অবহিত।