Kitab

আল হুজরাত

Chapter 49, 18 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা ও রসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় সবকিছু শুনেন ও জানেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! ‌ ও তাঁহার রাসূলের সমক্ষে তোমরা কোন বিষয়ে অগ্রণী হইও না এবং ‌কে ভয় কর ; ‌ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা ও তাঁর রসূলের সামনে কোনো বিষয়ে অগ্রগামী হয়ে যেয়োনা। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই সব দেখেন, সব শুনেন।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! তোমরা নবীর কন্ঠস্বরের উপর তোমাদের কন্ঠস্বর উঁচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উঁচুস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উঁচুস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিস্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর নিজেদের কণ্ঠস্বর উঁচু করিও না এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উচ্চস্বরে কথা বল তাহার সঙ্গে সেইরূপ উচ্চস্বরে কথা বলিও না, কারণ ইহাতে তোমাদের কর্ম নিষ্ফল হইয়া যাইবে তোমাদের অজ্ঞাতসারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা নবীর আওয়াযের উপর নিজেদের আওয়াযকে উঁচু করোনা এবং নিজেদের মধ্যে যেভাবে উঁচু স্বরে কথা বলো তার সাথে সেভাবে উঁচু স্বরে কথা বলোনা। কারণ, এর ফলে নিষ্ফল হয়ে যাবে তোমাদের আমল, যা তোমরা টেরও পাবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের কন্ঠস্বর নীচু করে, তাদের অন্তরকে শিষ্টাচারের জন্যে শোধিত করেছেন। তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ‌র রাসূলের সম্মুখে নিজেদের কণ্ঠস্বর নিচু করে, ‌ তাহাদের অন্তরকে তাক্ওয়ার জন্য পরীক্ষা করিয়া লইয়াছেন। তাহাদের জন্য রহিয়াছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর রসূলের সামনে নিজেদের আওয়ায নিচু করে, তাদের অন্তরকে তাকওয়ার জন্যে পরীক্ষা করে নিয়েছেন। তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং এক মহাপুরস্কার।

মুহিউদ্দীন খান

যারা প্রাচীরের আড়াল থেকে আপনাকে উচুস্বরে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা ঘরের বাহির হইতে তোমাকে উচ্চস্বরে ডাকে, তাহাদের অধিকাংশই নির্বোধ,

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে নবী !) নিশ্চয়ই যারা তোমাকে তোমার ঘরের বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে, তাদের অধিকাংশই বে - আকল।

মুহিউদ্দীন খান

যদি তারা আপনার বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত সবর করত, তবে তা - ই তাদের জন্যে মঙ্গলজনক হত। ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তুমি বাহির হইয়া উহাদের নিকট আসা পর্যন্ত যদি উহারা ধৈর্য ধারণ করিত, তাহাই উহাদের জন্য উত্তম হইত। ‌ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বের হয়ে তাদের কাছে আসা পর্যন্ত যদি তারা ধৈর্য ধরতো, সেটাই হতো তাদের জন্যে কল্যাণকর। ক্ষমাশীল, দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ! যদি কোন পাপাচারী ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন সংবাদ আনয়ন করে, তবে তোমরা পরীক্ষা করে দেখবে, যাতে অজ্ঞতাবশতঃ তোমরা কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে অনুতপ্ত না হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! যদি কোন পাপাচারী তোমাদের নিকট কোন বার্তা আনয়ন করে, তোমরা তাহা পরীক্ষা করিয়া দেখিবে, পাছে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোন সম্প্রদায়কে ক্ষতিগ্রস্ত করিয়া বস, এবং পরে তোমাদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদেরকে অনুতপ্ত হইতে হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! কোনো ফাসিক ব্যক্তি যদি তোমাদের কাছে কোনো খবর নিয়ে আসে, তোমরা তাকে পরীক্ষা করে দেখবে। কারণ, অজ্ঞতাবশত যেনো তোমরা কোনো গোষ্ঠীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে না বসো এবং পরে যেনো তোমাদের কৃতকর্মের জন্যে তোমাদের অনুতপ্ত হতে না হয়।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা জেনে রাখ তোমাদের মধ্যে আল্লাহর রসূল রয়েছেন। তিনি যদি অনেক বিষয়ে তোমাদের আবদার মেনে নেন, তবে তোমরাই কষ্ট পাবে। কিন্তু তোমাদের অন্তরে ঈমানের মহব্বত সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং তা হৃদয়গ্রাহী করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফর, পাপাচার ও নাফরমানীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তারাই সৎপথ অবলম্বনকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা জানিয়া রাখ যে, তোমাদের মধ্যে ‌র রাসূল রহিয়াছেন ; তিনি বহু বিষয়ে তোমাদের কথা শুনিলে তোমরাই কষ্ট পাইতে। কিন্তু ‌ তোমাদের নিকট ঈমানকে প্রিয় করিয়াছেন এবং উহাকে তোমাদের হৃদয়গ্রাহী করিয়াছেন ; , পাপাচার ও অবাধ্যতাকে করিয়াছেন তোমাদের নিকট অপ্রিয়। উহারাই সৎপথ অবলম্বনকারী,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা মনে রাখবে, তোমাদের মধ্যে রয়েছেন আল্লাহর রসূল। সে অনেক বিষয়ে তোমাদের কথা মেনে নিলে তোমরাই সমস্যায় পড়বে। কিন্তু তোমাদের কাছে ঈমানকে প্রিয় বানিয়ে দিয়েছেন এবং ঈমানকে তোমাদের হৃদয়ে করেছেন সুশোভিত। আর তিনি তোমাদের অপ্রিয় করে দিয়েছেন কুফুরি, ফাসেকি এবং অবাধ্যতাকে। এরাই সঠিক পথের অনুসারী,

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর কৃপা ও নিয়ামতঃ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌র দান ও অনুগ্রহস্বরূপ ; ‌ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহর অনুগ্রহ এবং দান হিসেবে। সর্বজ্ঞানী, প্রজ্ঞাবান।

মুহিউদ্দীন খান

যদি মুমিনদের দুই দল যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে। অতঃপর যদি তাদের একদল অপর দলের উপর চড়াও হয়, তবে তোমরা আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে; যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি ফিরে আসে, তবে তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়ানুগ পন্থায় মীমাংসা করে দিবে এবং ইনছাফ করবে। নিশ্চয় ইনছাফকারীদেরকে পছন্দ করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনদের দুই দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হইলে তোমরা তাহাদের মধ্যে মীমাংসা করিয়া দিবে; আর তাহাদের একদল অপর দলের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করিলে, যাহারা বাড়াবাড়ি করে তাহাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করিবে, যতক্ষণ না তাহারা ‌র নির্দেশের দিকে ফিরিয়া আসে - যদি তাহারা ফিরিয়া আসে তাহাদের মধ্যে ন্যায়ের সঙ্গে ফয়সালা করিবে এবং সুবিচার করিবে। নিশ্চয়ই ‌ সুবচারকারীদেরকে ভালবাসেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের দুটি দল যদি দ্বন্দ - সংঘাতে লিপ্ত হয়, তবে তোমরা তাদের মাঝে মীমাংসা করে দেবে। তাদের একটি দল যদি অপর দলের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করে, তবে যারা বাড়াবাড়ি করে তাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ করবে যতোক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। যদি তারা ফিরে আসে, তখন তাদের মাঝে ন্যায়সংগত ভাবে ফায়সালা করে দাও এবং সুবিচার করো, নিশ্চয়ই পছন্দ করেন সুবিচারকদের।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনরা তো পরস্পর ভাই - ভাই। অতএব, তোমরা তোমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে মীমাংসা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করবে - যাতে তোমরা অনুগ্রহপ্রাপ্ত হও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই ; সুতরাং তোমরা ভ্রাতৃগণের মধ্যে শান্তি স্থাপন কর আর ‌কে ভয় কর, যাহাতে তােমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনরা পরস্পর ভাই ভাই, সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে মীমাংসা করে দাও এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে করে তোমরা রহমত প্রাপ্ত হও।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ! কোন পুরুষ যেন অপর কোন পুরুষকে উপহাস না করে; কেননা যাহাকে উপহাস করা হয় সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হইতে পারে এবং কোন নারী অপর কোন নারীকেও যেন উপহাস না করে; কেননা যাহাকে উপহাস করা হয় সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা উত্তম হইতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করিও না এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডাকিও না; ঈমানের পর মন্দ নাম অতি মন্দ। যাহারা তওবা না করে তাহারাই ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! কোনো পুরুষ যেনো অন্য পুরুষকে তিরস্কার না করে। কারণ যাকে তিরস্কার করা হয়, সে তিরস্কারকারী থেকে উত্তম হতে পারে। কোনো নারীও যেনো অপর নারীকে উপহাস না করে। কারণ, যাকে উপহাস করা হয়, সে উপহাসকারিণীর চাইতে উত্তম হতে পারে। তোমরা পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করোনা এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকোনা। ঈমান আনার পর মন্দ নামে ডাকা অতি মন্দ। (এমনটি করার পর) যারা তওবা করবে না (অনুতপ্ত হবেনা) তারা যালিম।

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনগণ, তোমরা অনেক ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয় কতক ধারণা গোনাহ। এবং গোপনীয় বিষয় সন্ধান করো না। তোমাদের কেউ যেন কারও পশ্চাতে নিন্দা না করে। তোমাদের কেউ কি তারা মৃত ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করা পছন্দ করবে? বস্তুতঃ তোমরা তো একে ঘৃণাই কর। আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মু’মিনগণ ! তোমরা অধিকাংশ অনুমান হইতে দূরে থাক ; কারণ অনুমান কোন কোন ক্ষেত্রে পাপ। এবং তোমরা একে অপরের গোপনীয় বিষয় সন্ধান করিও না এবং একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা করিও না। তোমাদের মধ্যে কি কেহ তাহার মৃত ভ্রাতার গোশ্‌ত খাইতে চাইবে ? বস্তুত তোমরা তো ইহাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা ‌কে ভয় কর ; ‌ তওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা বেশি বেশি ধারণা অনুমান করা থেকে দূরে থাকো, কারণ কোনো কোনো ধারণা অনুমান পাপ। তোমরা অপরের গোপন বিষয় সন্ধান করোনা এবং একে অপরের গীবত করোনা। তোমাদের কেউ কি তার মরা ভাইয়ের গোশ্ত খেতে চাইবে? তোমরা এমন কাজকে ঘৃণাই করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই তওবা কবুলকারী, পরম দয়াবান।

মুহিউদ্দীন খান

হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিতি হও। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে সে - ই সর্বাধিক সম্ভ্রান্ত যে সর্বাধিক । নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হে মানুষ ! আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি এক পুরুষ ও এক নারী হইতে, পরে তোমাদেরকে বিভক্ত করিয়াছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাহাতে তোমরা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হইতে পার। তোমাদের মধ্যে ‌র নিকট সেই ব্যক্তিই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন, যে তোমাদের মধ্যে অধিক । নিশ্চয়ই ‌ সবকিছু জানেন, সমস্ত খবর রাখেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে মানুষ! আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ এবং একজন নারী থেকে, তারপর তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে করে তোমরা পরস্পরের সাথে পরিচিত হতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই অধিক মর্যাদাবান, যে অধিক । নিশ্চয়ই জ্ঞানী এবং অবগত।

মুহিউদ্দীন খান

মরুবাসীরা বলেঃ আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। বলুনঃ তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি। যদি তোমরা ও তাঁর রসূলের আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম বিন্দুমাত্রও নিস্ফল করা হবে না। নিশ্চয়, ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বেদুঈনরা বলে, ‘আমরা ঈমান আনিলাম।’ বল, ‘তোমরা ঈমান আন নাই’, বরং তোমরা বল, ‘আমরা আত্মসর্মপণ করিয়াছি’ ; কারণ ঈমান এখনও তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করে নাই। যদি তোমরা ‌ ও তাঁহার রাসূলের আনুগত্য কর তবে তোমাদের কর্মফল সামান্য পরিমাণও লাঘব করা হইবে না। ‌ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

বেদুঈনরা বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি।’ তুমি বলো: ‘তোমরা ঈমান আনোনি, বরং তোমরা বলো: ‘আমরা আত্মসমর্পণ করেছি।’ কারণ, ঈমান এখনো তোমাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি। তোমরা যদি ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করো, তাহলে তোমাদের আমল কিছুমাত্র কমানো হবেনা। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়াবান।

মুহিউদ্দীন খান

তারাই , যারা ও তাঁর রসূলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহর পথে প্রাণ ও ধন - সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারাই যাহারা ‌ ও তাঁহার রাসূলের প্রতি ঈমান আনে, পরে সন্দেহ পোষণ করে না এবং জীবন ও সম্পদ দ্বারা ‌র পথে জীহাদ করে, তাহারাই সত্যনিষ্ঠ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হলো তারা, যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি এবং অত:পর আর সন্দেহ পোষণ করেনি, বরং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে মাল - সম্পদ এবং জান - প্রাণ দিয়ে, এরাই (ঈমানের দাবিতে) সত্যবাদী।

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ তোমরা কি তোমাদের ধর্ম পরায়ণতা সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত করছ? অথচ জানেন যা কিছু আছে ভূমন্ডলে এবং যা কিছু আছে নভোমন্ডলে। সর্ববিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘তোমরা কি তোমাদের দীন সম্পর্কে ‌কে অবহিত করিতেছ ? অথচ ‌ জানেন যাহা কিছু আছে আকাশমণ্ডলীতে এবং যাহা কিছু আছে পৃথিবীতে। ‌ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা কি তোমাদের দীন সম্পর্কে আল্লাহকে জ্ঞান দিতে চাও? অথচ মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই জানেন। প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞানী।’

মুহিউদ্দীন খান

তারা মুসলমান হয়ে আপনাকে ধন্য করেছে মনে করে। বলুন, তোমরা মুসলমান হয়ে আমাকে ধন্য করেছ মনে করো না। বরং ঈমানের পথে পরিচালিত করে তোমাদেরকে ধন্য করেছেন, যদি তোমরা সত্যনিষ্ঠ হয়ে থাক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা আত্মসর্মপণ করিয়া তোমাকে ধন্য করিয়াছে মনে করে। বল, ‘তোমাদের আত্মসর্মপণ আমাকে ধন্য করিয়াছে মনে করিও না, বরং ‌ ঈমানের দিকে পরিচালিত করিয়া তোমাদেরকে ধন্য করিয়াছেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা মনে করে, ইসলামে প্রবেশ করে তারা তোমাকে ধন্য করেছে। বলো: ‘তোমাদের ইসলামে প্রবেশ আমাকে ধন্য করেছে মনে করোনা। বরং তোমাদেরকে ঈমানের দিকে পরিচালিত করে আল্লাহ্ই তোমাদের ধন্য করেছেন। যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো (তবে একথা স্বীকার করো)।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের বিষয় জানেন, তোমরা যা কর তা দেখেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর বিষয় সম্পর্কে অবগত আছেন। তোমরা যাহা কর ‌ তাহা দেখেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই জানেন মহাকাশ এবং পৃথিবীর সমস্ত ()। তোমরা যা করো, তা দেখেন।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme