আল ইনসান , choose another chapter
আল ইনসান
Chapter 76, 31 verses
মুহিউদ্দীন খান
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
Arabic, with marks
Add book
List
Grid
মুহিউদ্দীন খান
১ মানুষের উপর এমন কিছু সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১ কালপ্রবাহে মানুষের উপর তো এমন এক সময় আসিয়াছিল, যখন সে উল্লখযোগ্য কিছু ছিল না।
জহুরুল হক
১ মানুষের উপরে কি দীর্ঘ সময়ের অবকাশ অতিবাহিত হয় নি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছুই ছিল না?
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ هَلْ أَتَىٰ عَلَى الْإِنسَانِ حِينٌ مِّنَ الدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْئًا مَّذْكُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২ আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে, এভাবে যে, তাকে পরীক্ষা করব অতঃপর তাকে করে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২ আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছি মিলিত শুক্রবিন্দু হইতে, তাহাকে পরীক্ষা করিবার জন্য; এইজন্য আমি তাহাকে করিয়াছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।
জহুরুল হক
২ নিঃসন্দেহ আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি সংযুক্ত এক শুক্রকীট থেকে, আমরা তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছি, সেজন্য আমরা তা কে বানিয়েছি শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন।
Arabic, with marks
٢ إِنَّا خَلَقْنَا الْإِنسَانَ مِن نُّطْفَةٍ أَمْشَاجٍ نَّبْتَلِيهِ فَجَعَلْنَاهُ سَمِيعًا بَصِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৩ আমি তাকে পথ দেখিয়ে দিয়েছি। এখন সে হয় কৃতজ্ঞ হয়, না হয় অকৃতজ্ঞ হয়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩ আমি তাহাকে পথের নির্দেশ দিয়াছি, হয় সে কৃতজ্ঞ হইবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হইবে।
জহুরুল হক
৩ নিঃসন্দেহ আমরা তাকে পথের নির্দেশ দিয়েছি, - - হয় সে কৃতজ্ঞ হবে, না হয় সে অকৃতজ্ঞ হবে।
Arabic, with marks
٣ إِنَّا هَدَيْنَاهُ السَّبِيلَ إِمَّا شَاكِرًا وَإِمَّا كَفُورًا
মুহিউদ্দীন খান
৪ আমি অবিশ্বাসীদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছি শিকল, বেড়ি ও প্রজ্বলিত অগ্নি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৪ আমি অকৃতজ্ঞদের জন্য প্রস্তুত রাখিয়াছি শৃংখল, বেড়ি ও লেলিহান অগ্নি।
জহুরুল হক
৪ আমরা অবশ্য অকৃতজ্ঞদের জন্য তৈরি করেছি শিকল ও বেড়ি, আর জ্বলন্ত আগুন।
Arabic, with marks
٤ إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلْكَافِرِينَ سَلَاسِلَ وَأَغْلَالًا وَسَعِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৫ নিশ্চয়ই সৎকর্মশীলরা পান করবে কাফুর মিশ্রিত পানপাত্র।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫ সৎকর্মশীলেরা পান করিবে এমন পানীয় যাহার মিশ্রণ কাফূর -
জহুরুল হক
৫ নিঃসন্দেহ পুণ্যাত্মারা পান করবে এমন একটি পাত্র থেকে যার মেজাজ হবে কর্পূরের - -
Arabic, with marks
٥ إِنَّ الْأَبْرَارَ يَشْرَبُونَ مِن كَأْسٍ كَانَ مِزَاجُهَا كَافُورًا
মুহিউদ্দীন খান
৬ এটা একটা ঝরণা, যা থেকে আল্লাহর বান্দাগণ পান করবে - তারা একে প্রবাহিত করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৬ এমন একটি প্রস্রবণ যাহা হইতে আল্লাহ্ র বান্দাগণ পান করিবে, তাহারা এই প্রস্রবণকে যথা ইচ্ছা প্রবাহিত করিবে।
জহুরুল হক
৬ একটি ফোয়ারা - - যা থেকে আল্লাহ্ র বান্দারা পান করবে, তারা এটিকে প্রবাহিত করবে অবিরাম ধারায়।
Arabic, with marks
٦ عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৭ তারা মান্নত পূর্ণ করে এবং সেদিনকে ভয় করে, যেদিনের অনিষ্ট হবে সুদূরপ্রসারী।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৭ তাহারা কর্তব্য পালন করে এবং সেই দিনের ভয় করে, যেই দিনের বিপত্তি হইবে ব্যাপক।
জহুরুল হক
৭ তারা মানত পালন করে, এবং ভয় করে সেই দিনটির যার ধ্বংসলীলা হবে সুদূরপ্রসারী।
Arabic, with marks
٧ يُوفُونَ بِالنَّذْرِ وَيَخَافُونَ يَوْمًا كَانَ شَرُّهُ مُسْتَطِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৮ তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮ আহার্যের প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও তাহারা অভাবগ্রস্ত, ইয়াতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে,
জহুরুল হক
৮ আর তারা তাঁর প্রতি প্রেমবশতঃ খাবার খেতে দেয় অভাবগ্রস্তকে ও এতিমকে ও বন্দীকে - -
Arabic, with marks
٨ وَيُطْعِمُونَ الطَّعَامَ عَلَىٰ حُبِّهِ مِسْكِينًا وَيَتِيمًا وَأَسِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
৯ তারা বলেঃ কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি এবং তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা কামনা করি না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৯ এবং বলে, ‘কেবল আল্লাহ্ র সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে আমরা তোমাদেরকে আহার্য দান করি, আমরা তোমাদের নিকট হইতে প্রতি - দান চাই না, কৃতজ্ঞতাও নয়।
জহুরুল হক
৯ ''আমরা তোমাদের খেতে দিচ্ছি শুধু আল্লাহ্ র সন্তষ্টিলাভের জন্য, তোমাদের থেকে আমরা কোনো প্রতিদান চাই না, কৃতজ্ঞতাও নয়।
Arabic, with marks
٩ إِنَّمَا نُطْعِمُكُمْ لِوَجْهِ اللَّهِ لَا نُرِيدُ مِنكُمْ جَزَاءً وَلَا شُكُورًا
মুহিউদ্দীন খান
১০ আমরা আমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের ভয় রাখি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১০ ‘আমরা আশংকা করি আমাদের প্রতিপালকের নিকট হইতে এক ভীতিপ্রদ ভয়ংকর দিনের।’
জহুরুল হক
১০ ''আমরা আলবৎ আমাদের প্রভুর নিকট থেকে এক ভীতিপ্রদ বিপদসংকুল দিনের ভয় করি।’’
Arabic, with marks
١٠ إِنَّا نَخَافُ مِن رَّبِّنَا يَوْمًا عَبُوسًا قَمْطَرِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১১ অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে সেদিনের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করবেন এবং তাদেরকে দিবেন সজীবতা ও আনন্দ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১১ পরিণামে আল্লাহ্ তাহাদেরকে রক্ষা করিবেন সেই দিবসের অনিষ্ট হইতে এবং তাহাদেরকে দিবেন উৎফুল্লতা ও আনন্দ,
জহুরুল হক
১১ কাজেই আল্লাহ্ তাদের রক্ষা করবেন সেইদিনের অকল্যাণ থেকে এবং তাদের সাক্ষাৎ করাবেন প্রফুল্লতার ও প্রশান্তির সাথে,
Arabic, with marks
١١ فَوَقَاهُمُ اللَّهُ شَرَّ ذَٰلِكَ الْيَوْمِ وَلَقَّاهُمْ نَضْرَةً وَسُرُورًا
মুহিউদ্দীন খান
১২ এবং তাদের সবরের প্রতিদানে তাদেরকে দিবেন জান্নাত ও রেশমী পোশাক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১২ আর তাহাদের ধৈর্যশীলতার পুরস্কারস্বরূপ তাহাদেরকে দিবেন উদ্যান ও রেশমী বস্ত্র।
জহুরুল হক
১২ আর যেহেতু তারা অধ্যবসায় চালিয়েছিল সেজন্য প্রতিদানে তাদের দেবেন বাগান ও রেশমী পোশাক,
Arabic, with marks
١٢ وَجَزَاهُم بِمَا صَبَرُوا جَنَّةً وَحَرِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তারা সেখানে সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। সেখানে রৌদ্র ও শৈত্য অনুভব করবে না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৩ সেখানে তাহারা সমাসীন হইবে সুসজ্জিত আসনে, তাহারা সেখানে অতিশয় গরম অথবা অতিশয় শীত বোধ করিবে না।
জহুরুল হক
১৩ তারা সেখানে সমাসীন থাকবে রাজকীয় আসনে, তারা সেখানে দেখতে পাবে না সূর্যোত্তাপ, না কোনো কনকনে ঠান্ডা,
Arabic, with marks
١٣ مُّتَّكِئِينَ فِيهَا عَلَى الْأَرَائِكِ ۖ لَا يَرَوْنَ فِيهَا شَمْسًا وَلَا زَمْهَرِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১৪ তার বৃক্ষছায়া তাদের উপর ঝুঁকে থাকবে এবং তার ফলসমূহ তাদের আয়ত্তাধীন রাখা হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৪ সন্নিহিত বৃক্ষছায়া তাহাদের উপর থাকিবে এবং উহার ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাহাদের আয়ত্তাধীন করা হইবে।
জহুরুল হক
১৪ আর তাদের সন্নিকটে থাকবে তাদের গাছের ছায়া, আর তাদের থোকা - থোকা ফল থাকবে নত হয়ে নাগালের মধ্যে।
Arabic, with marks
١٤ وَدَانِيَةً عَلَيْهِمْ ظِلَالُهَا وَذُلِّلَتْ قُطُوفُهَا تَذْلِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
১৫ তাদেরকে পরিবেশন করা হবে রূপার পাত্রে এবং স্ফটিকের মত পানপাত্রে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৫ তাহাদেরকে পরিবেশন করা হইবে রৌপ্যপাত্রে এবং স্ফটিকের মত স্বচ্ছ পানপাত্রে -
জহুরুল হক
১৫ আর তাদের সামনে পরিবেশন করা হবে রূপোর পেয়ালা ও ঝলমলে কাচের পানপাত্র, - -
Arabic, with marks
١٥ وَيُطَافُ عَلَيْهِم بِآنِيَةٍ مِّن فِضَّةٍ وَأَكْوَابٍ كَانَتْ قَوَارِيرَا
মুহিউদ্দীন খান
১৬ রূপালী স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশনকারীরা তা পরিমাপ করে পূর্ণ করবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৬ রজতশুভ্র স্ফটিক পাত্রে, পরিবেশনকারীরা যথাযথ পরিমাণে উহা পূর্ণ করিবে।
জহুরুল হক
১৬ চাঁদির তৈরি চক্মকে কাচের মতো, - - তারা তা মেপে নেবে একটি পরিমাপে।
Arabic, with marks
١٦ قَوَارِيرَ مِن فِضَّةٍ قَدَّرُوهَا تَقْدِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
১৭ তাদেরকে সেখানে পান করানো হবে ‘যানজাবীল’ মিশ্রিত পানপাত্র।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৭ সেখানে তাহাদেরকে পান করিতে দেওয়া হইবে যান্জাবীল মিশ্রিত পানীয়,
জহুরুল হক
১৭ আর তাদের তাতে পান করানো হবে এমন একটি পাত্র যার মেজাজ হবে আদ্রকের, - -
Arabic, with marks
١٧ وَيُسْقَوْنَ فِيهَا كَأْسًا كَانَ مِزَاجُهَا زَنجَبِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
১৮ এটা জান্নাতস্থিত ‘সালসাবীল’ নামক একটি ঝরণা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৮ জান্নাতের এমন এক প্রস্রবণের যাহার নাম সালসাবীল।
জহুরুল হক
১৮ তার মধ্যের একটি ফোয়ারাতে যার নাম দেয়া হয়েছে সাল্সাবীল।
Arabic, with marks
١٨ عَيْنًا فِيهَا تُسَمَّىٰ سَلْسَبِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
১৯ তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরগণ। আপনি তাদেরকে দেখে মনে করবেন যেন বিক্ষিপ্ত মনি - মুক্তা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১৯ তাহাদেরকে পরিবেশন করিবে চিরকিশোরগণ, যখন তুমি উহাদেরকে দেখিবে তখন মনে করিবে উহারা যেন বিক্ষিপ্ত মুক্তা,
জহুরুল হক
১৯ আর তাদের প্রদক্ষিণ করবে চিরস্ফুটিত কিশোরগণ, - - তোমরা যখন তাদের দেখবে তাদের তোমরা ভাববে ছড়ানো মুক্তো!
Arabic, with marks
١٩ ۞ وَيَطُوفُ عَلَيْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُونَ إِذَا رَأَيْتَهُمْ حَسِبْتَهُمْ لُؤْلُؤًا مَّنثُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২০ আপনি যখন সেখানে দেখবেন, তখন নেয়ামতরাজি ও বিশাল রাজ্য দেখতে পাবেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০ তুমি যখন সেখানে দেখিবে, দেখিতে পাইবে ভোগ - বিলাসের উপকরণ এবং বিশাল রাজ্য।
জহুরুল হক
২০ আর যখন তুমি সেখানে চেয়ে দেখবে, তুমি দেখতে পাবে অনুগ্রহ - সামগ্রী ও এক বিশাল রাজ্য।
Arabic, with marks
٢٠ وَإِذَا رَأَيْتَ ثَمَّ رَأَيْتَ نَعِيمًا وَمُلْكًا كَبِيرًا
মুহিউদ্দীন খান
২১ তাদের আবরণ হবে চিকন সবুজ রেশম ও মোটা সবুজ রেশম এবং তাদেরকে পরিধান করোনো হবে রৌপ্য নির্মিত কংকণ এবং তাদের পালনকর্তা তাদেরকে পান করাবেন ‘শরাবান - তহুরা’।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২১ তাহাদের আবরণ হইবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও স্থূল রেশম, তাহারা অলংকৃত হইবে রৌপ্য নির্মিত কংকনে, আর তাহাদের প্রতিপালক তাহাদেরকে পান করাইবেন বিশুদ্ধ পানীয়।
জহুরুল হক
২১ তাদের পরিধেয় হবে মিহি সবুজ রেশমের ও পুরু জরির পোশাক, আর তাদের অলংকৃত করানো হবে রূপোর কাঁকন দিয়ে, আর তাদের প্রভু তাদের পান করাবেন এক পবিত্র পানীয়।
Arabic, with marks
٢١ عَالِيَهُمْ ثِيَابُ سُندُسٍ خُضْرٌ وَإِسْتَبْرَقٌ ۖ وَحُلُّوا أَسَاوِرَ مِن فِضَّةٍ وَسَقَاهُمْ رَبُّهُمْ شَرَابًا طَهُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২২ এটা তোমাদের প্রতিদান। তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃতি লাভ করেছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২২ অবশ্য, ইহাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃত।
জহুরুল হক
২২ ''নিঃসন্দেহ এটি হচ্ছে তোমাদের জন্য পুরস্কার, আর তোমাদের প্রচেষ্টা স্বীকৃত হয়েছে।’’
Arabic, with marks
٢٢ إِنَّ هَٰذَا كَانَ لَكُمْ جَزَاءً وَكَانَ سَعْيُكُم مَّشْكُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২৩ আমি আপনার প্রতি পর্যায়ক্রমে কোরআন নাযিল করেছি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৩ আমি তো তোমাদের প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিয়াছি ক্রমে ক্রমে,
জহুরুল হক
২৩ নিঃসন্দেহ আমরা - - আমরা স্বয়ং তোমার কাছে এই কুরআান এক অবতারণে অবতীর্ণ করেছি।
Arabic, with marks
٢٣ إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ الْقُرْآنَ تَنزِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৪ অতএব, আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের জন্যে ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করুন এবং ওদের মধ্যকার কোন পাপিষ্ঠ কাফেরের আনুগত্য করবেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৪ সুতরাং ধৈর্যের সঙ্গে তুমি তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের প্রতীক্ষা কর এবং উহাদের মধ্যে যে পাপিষ্ঠ অথবা কাফির তাহার আনুগত্য করিও না।
জহুরুল হক
২৪ সুতরাং তোমার প্রভুর নির্দেশের জন্য অধ্যবসায় চালিয়ে যাও, আর তাদের মধ্যেকার কোনো পাপিষ্ঠের অথবা সত্যপ্রত্যাখ্যান - কারীর আজ্ঞা পালন করো না।
Arabic, with marks
٢٤ فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تُطِعْ مِنْهُمْ آثِمًا أَوْ كَفُورًا
মুহিউদ্দীন খান
২৫ এবং সকাল - সন্ধ্যায় আপন পালনকর্তার নাম স্মরণ করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৫ এবং তোমার প্রতিপালকের নাম স্মরণ কর সকালে ও সন্ধ্যায়,
জহুরুল হক
২৫ আর তোমার প্রভুর নাম কীর্তন করো সকালে ও বিকেলে,
Arabic, with marks
٢٥ وَاذْكُرِ اسْمَ رَبِّكَ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৬ রাত্রির কিছু অংশে তাঁর উদ্দেশে সিজদা করুন এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করুন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৬ এবং রাত্রির কিয়দংশে তাঁহার প্রতি সিজ্দাবনত হও আর রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।
জহুরুল হক
২৬ আর রাতের থেকে তাঁর প্রতি সিজদা করো, আর লন্বা রাত পর্যন্ত তাঁর গুণগান করো।
Arabic, with marks
٢٦ وَمِنَ اللَّيْلِ فَاسْجُدْ لَهُ وَسَبِّحْهُ لَيْلًا طَوِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৭ নিশ্চয় এরা পার্থিব জীবনকে ভালবাসে এবং এক কঠিন দিবসকে পশ্চাতে ফেলে রাখে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৭ উহারা ভালবাসে পার্থিব জীবনকে এবং উহারা পরবর্তী কঠিন দিবসকে উপেক্ষা করিয়া চলে।
জহুরুল হক
২৭ নিঃসন্দেহ এরা ভালবাসে অস্থায়ী জীবন, আর অবহেলা করে এদের সামনের এক কঠিন দিনকে।
Arabic, with marks
٢٧ إِنَّ هَٰؤُلَاءِ يُحِبُّونَ الْعَاجِلَةَ وَيَذَرُونَ وَرَاءَهُمْ يَوْمًا ثَقِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৮ আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন। আমি যখন ইচ্ছা করব, তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ লোক আনব।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৮ আমি উহাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি এবং উহাদের গঠন সুদৃঢ় করিয়াছি। আমি যখন ইচ্ছা করিব উহাদের পরিবর্তে উহাদের অনুরূপ এক জাতিকে প্রতিষ্ঠা করিব।
জহুরুল হক
২৮ আমরাই তাদের সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন, কাজেই যখন আমরা চাইব তখন তাদের অনুরূপদের আমরা বদলে দেবো আমূল পরিবর্তনে।
Arabic, with marks
٢٨ نَّحْنُ خَلَقْنَاهُمْ وَشَدَدْنَا أَسْرَهُمْ ۖ وَإِذَا شِئْنَا بَدَّلْنَا أَمْثَالَهُمْ تَبْدِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
২৯ এটা উপদেশ, অতএব যার ইচ্ছা হয় সে তার পালনকর্তার পথ অবলম্বন করুক।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২৯ ইহা এক উপদেশ, অতএব যাহার ইচ্ছা সে তাহার প্রতিপালকের দিকে পথ অবলম্বন করুক।
জহুরুল হক
২৯ নিঃসন্দেহ এটি এক স্মরণীয় বার্তা, সুতরাং যে ইচ্ছা করে সে তার প্রভুর দিকে পথ ধরুক।
Arabic, with marks
٢٩ إِنَّ هَٰذِهِ تَذْكِرَةٌ ۖ فَمَن شَاءَ اتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِ سَبِيلًا
মুহিউদ্দীন খান
৩০ আল্লাহর অভিপ্রায় ব্যতিরেকে তোমরা অন্য কোন অভিপ্রায় পোষণ করবে না। আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩০ তোমরা ইচ্ছা করিবে না যদি না আল্লাহ্ ইচ্ছা করেন। আল্লাহ্ র্সবজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
জহুরুল হক
৩০ আর তোমরা চাও না আল্লাহ্ র চাওয়া ব্যতিরেকে। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ হচ্ছেন সর্বজ্ঞাতা, পরমজ্ঞানী।
Arabic, with marks
٣٠ وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا
মুহিউদ্দীন খান
৩১ তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের জন্যে তো প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৩১ তিনি যাহাকে ইচ্ছা তাঁহার অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু জালিমরা - উহাদের জন্য তো তিনি প্রস্তুত রাখিয়াছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
জহুরুল হক
৩১ তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তাঁর অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করান। কিন্ত অন্যায়কারীরা - - তাদের জন্য তিনি তৈরি করেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।
Arabic, with marks
٣١ يُدْخِلُ مَن يَشَاءُ فِي رَحْمَتِهِ ۚ وَالظَّالِمِينَ أَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report