Kitab

আল আন্বিয়াহ্

Chapter 21, 112 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
  • Word by word
মুহিউদ্দীন খান

মানুষের হিসাব - কিতাবের সময় নিকটবর্তী; অথচ তারা বেখবর হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের হিসাব - নিকাশের সময় আসন্ন, কিন্তু উহারা উদাসীনতায় মুখ ফিরাইয়া রহিয়াছে।

জহুরুল হক

মানুষের কাছে তাদের হিসেব - নিকেশ আসন্ন, তথাপি তারা বেখেয়ালিতে ফিরে যাচ্ছে।

Word by word

ٱقْتَرَبَ لِلنَّاسِ حِسَابُهُمْ وَهُمْ فِى غَفْلَةٍ مُّعْرِضُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে যখনই কোন নতুন উপদেশ আসে, তারা তা খেলার ছলে শ্রবণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখনই উহাদের নিকট উহাদের প্রতিপালকের কোন নূতন উপদেশ আসে উহারা উহা শ্রবণ করে কৌতুকচ্ছলে,

জহুরুল হক

আর তাদের কাছে তাদের প্রভুর কাছ থেকে কোনো নতুন স্মারক আসে না যা তারা শোনে যখন তারা খেলতে থাকে, - -

Word by word

مَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّن رَّبِّهِم مُّحْدَثٍ إِلَّا ٱسْتَمَعُوهُ وَهُمْ يَلْعَبُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের অন্তর থাকে খেলায় মত্ত। জালেমরা গোপনে পরামর্শ করে, সে তো তোমাদেরই মত একজন মানুষ; এমতাবস্থায় দেখে শুনে তোমরা তার যাদুর কবলে কেন পড়?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের অন্তর থাকে অমনোযোগী। যাহারা তাহারা গোপনে পরামর্শ করে, ‘এ তো তোমাদের মতো একজন মানুষই, তবুও কি তোমরা দেখিয়া - শুনিয়া জাদুর কবলে পড়িবে?’

জহুরুল হক

তাদের হৃদয় কোনো মনোযোগ দেয় না। আর যারা অন্যায়কারী তারা গোপনে শলাপরামর্শ করে - - এই জন কি তোমাদের মতন একজন মানুষ ছাড়া আর কিছু? তোমরা কি তবে জাদুর বশীভূত হবে, অথচ তোমরা দেখতে পাচ্ছ।’’

Word by word

لَاهِيَةً قُلُوبُهُمْ وَأَسَرُّوا۟ ٱلنَّجْوَى ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ هَلْ هَٰذَآ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ أَفَتَأْتُونَ ٱلسِّحْرَ وَأَنتُمْ تُبْصِرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

পয়গম্বর বললেনঃ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের কথাই আমার পালনকর্তা জানেন। তিনি সবকিছু শোনেন, সবকিছু জানেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সমস্ত কথাই আমার প্রতিপালক অবগত আছেন এবং তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’

জহুরুল হক

বলো - - ''আমার প্রভু জানেন সব কথাবার্তা মহাকাশ - মন্ডলীতে ও পৃথিবীতে, কেননা তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।’’

Word by word

قَالَ رَبِّى يَعْلَمُ ٱلْقَوْلَ فِى ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ وَهُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْعَلِيمُ

মুহিউদ্দীন খান

এছাড়া তারা আরও বলেঃ অলীক স্বপ্ন; না সে মিথ্যা উদ্ভাবন করেছে, না সে একজন কবি। অতএব সে আমাদের কাছে কোন নিদর্শন আনয়ন করুক, যেমন নিদর্শন সহ আগমন করেছিলেন পূর্ববর্তীগন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা ইহাও বলে, ‘এই সমস্ত অলীক কল্পনা, হয় সে উহা উদ্ভাবন করিয়াছে, না হয় সে একজন কবি। অতএব সে আনয়ন করুক আমাদের নিকট এক নিদর্শন যেরূপ নিদর্শনসহ প্রেরিত হইয়াছিল পূর্ববর্তীগণ।’

জহুরুল হক

তারা বলে - - ''না, এলোমেলো স্বপ্ন! না, সে এটি তৈরি করেছে! না, সে একজন কবি। সে বরং আমাদের কাছে এক নিদর্শন নিয়ে আসুক যেমন পূর্ববর্তীদের পাঠানো হয়েছিল।’’

Word by word

بَلْ قَالُوٓا۟ أَضْغَٰثُ أَحْلَٰمٍۭ بَلِ ٱفْتَرَىٰهُ بَلْ هُوَ شَاعِرٌ فَلْيَأْتِنَا بِـَٔايَةٍ كَمَآ أُرْسِلَ ٱلْأَوَّلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বে যেসব জনপদ আমি ধবংস করে দিয়েছি, তারা বিশ্বাস স্থাপন করেনি; এখন এরা কি বিশ্বাস স্থাপন করবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহাদের পূর্বে যেসব জনপদ আমি ধ্বংস করিয়াছি উহার অধিবাসীরা ঈমান আনে নাই; তবে কি ইহারা ঈমান আনিবে?

জহুরুল হক

ওদের আগে যেসব জনপদ বিশ্বাস করে নি তাদের আমরা ধ্বংস করেছি। এরা কি তবে বিশ্বাস করবে?

Word by word

مَآ ءَامَنَتْ قَبْلَهُم مِّن قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَٰهَآ أَفَهُمْ يُؤْمِنُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে আমি মানুষই প্রেরণ করেছি, যাদের কাছে আমি ওহী পাঠাতাম। অতএব তোমরা যদি না জান তবে যারা স্মরণ রাখে তাদেরকে জিজ্ঞেস কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ মানুষই পাঠাইয়াছিলাম; তোমরা যদি না জান তবে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞাসা কর।

জহুরুল হক

আর তোমার আগে আমরা মানুষ ছাড়া অন্য কাউকে পাঠাই নি যাদের কাছে আমরা প্রত্যাদেশ দিয়েছিলাম, কাজেই স্মারকগ্রন্থের অধিকারীদের তোমরা জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো।

Word by word

وَمَآ أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ إِلَّا رِجَالًا نُّوحِىٓ إِلَيْهِمْ فَسْـَٔلُوٓا۟ أَهْلَ ٱلذِّكْرِ إِن كُنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে এমন দেহ বিশিষ্ট করিনি যে, তারা খাদ্য ভক্ষণ করত না এবং তারা চিরস্থায়ীও ছিল না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি তাহাদেরকে এমন দেহবিশিষ্ট করি নাই যে, তাহারা আহার্য গ্রহণ করিত না; তাহারা চিরস্থায়ীও ছিল না।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁদের এমন শরীর দিই নি যে তাঁরা খাদ্য খাবেন না, আর তাঁরা চিরস্থায়ীও ছিলেন না।

Word by word

وَمَا جَعَلْنَٰهُمْ جَسَدًا لَّا يَأْكُلُونَ ٱلطَّعَامَ وَمَا كَانُوا۟ خَٰلِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাদেরকে দেয়া আমার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করলাম সুতরাং তাদেরকে এবং যাদেরকে ইচ্ছা বাঁচিয়ে দিলাম এবং ধবংস করে ছিলাম সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহাদের প্রতি আমার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করিলাম, - যথা, আমি উহাদেরকে ও যাহাদেরকে ইচ্ছা রক্ষা করিয়াছিলাম এবং জালিমদেরকে করিয়াছিলাম ধ্বংস।

জহুরুল হক

তারপর তাঁদের কাছে আমরা ওয়াদা পূর্ণ করেছিলাম, সুতরাং আমরা তাঁদের উদ্ধার করেছিলাম আর তাদেরও যাদের আমরা ইচ্ছা করেছিলাম, আর আমরা ধ্বংস করেছিলাম সীমা - লংঘনকারীদের।

Word by word

ثُمَّ صَدَقْنَٰهُمُ ٱلْوَعْدَ فَأَنجَيْنَٰهُمْ وَمَن نَّشَآءُ وَأَهْلَكْنَا ٱلْمُسْرِفِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের প্রতি একটি কিতাব অবর্তীর্ণ করেছি; এতে তোমাদের জন্যে উপদেশ রয়েছে। তোমরা কি বোঝ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করিয়াছি কিতাব যাহাতে আছে তোমাদের জন্য উপদেশ, তবুও কি তোমরা বুঝিবে না?

জহুরুল হক

আমরা অবশ্যই তোমাদের কাছে অবতারণ করেছি এক গ্রন্থ যাতে রয়েছে তোমাদের মহত্ত্ব। তোমরা কি তবে বুঝবে না?

Word by word

لَقَدْ أَنزَلْنَآ إِلَيْكُمْ كِتَٰبًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ أَفَلَا تَعْقِلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি কত জনপদের ধ্বংস সাধন করেছি যার অধিবাসীরা ছিল পাপী এবং তাদের পর সৃষ্টি করেছি অন্য জাতি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ধ্বংস করিয়াছি কত জনপদ, যাহার অধিবাসীরা ছিল এবং তাহাদের পরে সৃষ্টি করিয়াছি অপর জাতি।

জহুরুল হক

আর আমরা চূর্ণবিচূর্ণ করেছিলাম কত জনপদ যারা অত্যাচার করেছিল, আর তাদের পরে পত্তন করেছিলাম অপর লোকদের।

Word by word

وَكَمْ قَصَمْنَا مِن قَرْيَةٍ كَانَتْ ظَالِمَةً وَأَنشَأْنَا بَعْدَهَا قَوْمًا ءَاخَرِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন তারা আমার আযাবের কথা টের পেল, তখনই তারা সেখান থেকে পলায়ন করতে লাগল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন উহারা আমার শাস্তি প্রত্যক্ষ করিল তখনই উহারা জনপদ হইতে পলায়ন করিতে লাগিল।

জহুরুল হক

তারপর তারা যখন অনুভব করেছিল আমাদের ক্ষমতা, দেখো! তারা এখান থেকে পলায়নপর হয়েছিল।

Word by word

فَلَمَّآ أَحَسُّوا۟ بَأْسَنَآ إِذَا هُم مِّنْهَا يَرْكُضُونَ

মুহিউদ্দীন খান

পলায়ন করো না এবং ফিরে এস, যেখানে তোমরা বিলাসিতায় মত্ত ছিলে ও তোমাদের আবাসগৃহে; সম্ভবত; কেউ তোমাদের জিজ্ঞেস করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে বলা হইয়াছিল, ‘পলায়ন করিও না এবং ফিরিয়া আস তোমাদের ভোগ - সম্ভারের নিকট ও তোমাদের আবাসগৃহে, হয়ত এ বিষয়ে তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা যাইতে পারে।’

জহুরুল হক

''পালিও না, বরং ফিরে এসো তাতে যাতে তোমরা বিভোর ছিলে, - - তোমাদের বাসস্থানে যেন তোমাদের সওয়াল করা যেতে পারে।’’

Word by word

لَا تَرْكُضُوا۟ وَٱرْجِعُوٓا۟ إِلَىٰ مَآ أُتْرِفْتُمْ فِيهِ وَمَسَٰكِنِكُمْ لَعَلَّكُمْ تُسْـَٔلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ হায়, দুর্ভোগ আমাদের, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের ! আমরা তো ছিলাম ।’

জহুরুল হক

তারা বলেছিল - - ''হায় আমাদের দুর্ভোগ! আমরা তো আলবৎ অন্যায়কারী ছিলাম।’’

Word by word

قَالُوا۟ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের এই আর্তনাদ সব সময় ছিল, শেষ পর্যন্ত আমি তাদেরকে করে দিলাম যেন কর্তিত শস্য ও নির্বাপিত অগ্নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের এই আর্তনাদ চলিতে থাকে আমি উহাদেরকে কর্তিত শস্য ও নির্বাপিত অগ্নিসদৃশ না করা পর্যন্ত।

জহুরুল হক

ফলে তাদের এই আর্তনাদ থামে নি যে পর্যন্ত না আমরা তাদের বানিয়েছিলাম কাটা শস্যের ন্যায়, পুড়িয়ে ফেলা।

Word by word

فَمَا زَالَت تِّلْكَ دَعْوَىٰهُمْ حَتَّىٰ جَعَلْنَٰهُمْ حَصِيدًا خَٰمِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আকাশ পৃথিবী এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশ ও পৃথিবী এবং যাহা উহাদের অন্তর্বর্তী তাহা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই।

জহুরুল হক

আর আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুইয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সে - সমস্ত আমরা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করি নি।

Word by word

وَمَا خَلَقْنَا ٱلسَّمَآءَ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَٰعِبِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি যদি ক্রীড়া উপকরণ সৃষ্টি করতে চাইতাম, তবে আমি আমার কাছে যা আছে তা দ্বারাই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি যদি ক্রীড়ার উপকরণ চাহিতাম তবে আমি আমার নিকট যাহা আছে তাহা লইয়াই উহা করিতাম ; আমি তাহা করি নাই।

জহুরুল হক

আমরা যদি চাইতাম আমোদ - প্রমোদের জন্য গ্রহণ করতে, তবে আমরা অবশ্যই আমাদের নিজেদের থেকেই তাকে গ্রহণ করতাম, আমরা নিশ্চয়ই তা করব না।

Word by word

لَوْ أَرَدْنَآ أَن نَّتَّخِذَ لَهْوًا لَّٱتَّخَذْنَٰهُ مِن لَّدُنَّآ إِن كُنَّا فَٰعِلِينَ

মুহিউদ্দীন খান

বরং আমি সত্যকে মিথ্যার উপর নিক্ষেপ করি, অতঃপর সত্য মিথ্যার মস্তক চুর্ণ - বিচূর্ণ করে দেয়, অতঃপর মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। তোমরা যা বলছ, তার জন্যে তোমাদের দুর্ভোগ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু আমি সত্য দ্বারা আঘাত হানি মিথ্যার উপর ; ফলে উহা মিথ্যাকে চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দেয় এবং তৎক্ষণাৎ মিথ্যা নিশ্চিহ্ন হইয়া যায়। দুর্ভোগ তোমাদের! তোমরা যাহা বলিতেছ তাহার জন্য।

জহুরুল হক

না, আমরা সত্যের দ্বারা মিথ্যার উপর আঘাত হানি, ফলে তার মগজ চুরমার হয়ে যায়, তখন দেখো! তা অন্তর্হিত হয়। আর ধিক তোমাদের প্রতি! তোমরা যা আরোপ কর সেজন্য।

Word by word

بَلْ نَقْذِفُ بِٱلْحَقِّ عَلَى ٱلْبَٰطِلِ فَيَدْمَغُهُۥ فَإِذَا هُوَ زَاهِقٌ وَلَكُمُ ٱلْوَيْلُ مِمَّا تَصِفُونَ

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে যারা আছে, তারা তাঁরই। আর যারা তাঁর সান্নিধ্যে আছে তারা তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না এবং অলসতাও করে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহারা আছে তাহারা তাঁহারই : তাঁহার সান্নিধ্যে যাহারা আছে তাহারা অহঙ্কারবশে তাঁহার ‘ইবাদত করা হইতে বিমুখ হয় না এবং ক্লান্তিও বোধ করে না।

জহুরুল হক

আর যারাই আছে মহাকাশগুলীতে ও পৃথিবীতে তারা সবাই তাঁর। আর যারা তাঁর সান্নিধ্যে রয়েছে তারা তাঁর উপাসনা করা থেকে গর্ববোধ করে না, আর তারা ক্লান্তও হয় না, - -

Word by word

وَلَهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَنْ عِندَهُۥ لَا يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِهِۦ وَلَا يَسْتَحْسِرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা রাত্রিদিন তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করে এবং ক্লান্ত হয় না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা দিবারাত্র তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, তাহারা শৈথিল্য করে না।

জহুরুল হক

তারা রাতে ও দিনে জপতপ করে, তারা শিথিলতা করে না।

Word by word

يُسَبِّحُونَ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ لَا يَفْتُرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি মৃত্তিকা দ্বারা তৈরী উপাস্য গ্রহণ করেছে, যে তারা তাদেরকে জীবিত করবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা মৃত্তিকা হইতে তৈরি যেসব দেবতা গ্রহণ করিয়াছে সেইগুলি কি মৃতকে জীবিত করিতে সক্ষম?

জহুরুল হক

অপরপক্ষে তারা কি মাটি থেকে উপাস্যদের গ্রহণ করেছে যারা প্রাণবন্ত করতে পারে?

Word by word

أَمِ ٱتَّخَذُوٓا۟ ءَالِهَةً مِّنَ ٱلْأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য থাকত, তবে উভয়ের ধ্বংস হয়ে যেত। অতএব তারা যা বলে, তা থেকে আরশের অধিপতি পবিত্র।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি ‌ ব্যতীত বহু ইলাহ্ থাকিত আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে, তবে উভয়েই ধ্বংস হইয়া যাইত। অতএব উহারা যাহা বলে তাহা হইতে আরশের অধিপতি ‌ পবিত্র, মহান।

জহুরুল হক

যদি ও দুইয়ের মধ্যে ছাড়া অন্যান্য উপাস্যরা থাকত তবে এ দুটোই বিশৃঙ্খল হয়ে যেত। সুতরাং সকল মহিমা ‌র, যিনি আরশের অধিপতি, - - তারা যা আরোপ করে তার উর্ধ্বে!

Word by word

لَوْ كَانَ فِيهِمَآ ءَالِهَةٌ إِلَّا ٱللَّهُ لَفَسَدَتَا فَسُبْحَٰنَ ٱللَّهِ رَبِّ ٱلْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তিনি যা করেন, তৎসম্পর্কে তিনি জিজ্ঞাসিত হবেন না এবং তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি যাহা করেন সে বিষয়ে তাঁহাকে প্রশ্ন করা যাইবে না; বরং উহাদেরকেই প্রশ্ন করা হইবে।

জহুরুল হক

তিনি যা করেন যে বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা যাবে না, কিন্তু তাদের প্রশ্ন করা হবে।

Word by word

لَا يُسْـَٔلُ عَمَّا يَفْعَلُ وَهُمْ يُسْـَٔلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য গ্রহণ করেছে? বলুন, তোমরা তোমাদের প্রমাণ আন। এটাই আমার সঙ্গীদের কথা এবং এটাই আমার পুর্ববর্তীদের কথা। বরং তাদের অধিকাংশই সত্য জানে না; অতএব তারা টালবাহানা করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা কি তাঁহাকে ব্যতীত বহু ইলাহ্ গ্রহণ করিয়াছে? বল, ‘তোমরা তোমাদের প্রমাণ উপস্থিত কর। ইহাই, আমার সঙ্গে যাহারা আছে তাহাদের জন্য উপদেশ এবং ইহাই উপদেশ ছিল আমার পূর্ববর্তীদের জন্য।’ কিন্তু উহাদের অধিকাংশই প্রকৃত সত্য জানে না, ফলে উহারা মুখ ফিরাইয়া নেয়।

জহুরুল হক

অথবা, তারা কি তাঁকে ছেড়ে দিয়ে উপাস্যদের গ্রহণ করেছে? বলো - - ''তোমাদের প্রমাণ নিয়ে এস। এ হচ্ছে স্মরণীয় বার্তা তাদের জন্য যারা আমার সঙ্গে রয়েছে এবং স্মরণীয় বার্তা আমার পূর্ববর্তীদের জন্যেও।’’ কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না, ফলে তারা সত্য থেকে বিমুখ থাকে।

Word by word

أَمِ ٱتَّخَذُوا۟ مِن دُونِهِۦٓ ءَالِهَةً قُلْ هَاتُوا۟ بُرْهَٰنَكُمْ هَٰذَا ذِكْرُ مَن مَّعِىَ وَذِكْرُ مَن قَبْلِى بَلْ أَكْثَرُهُمْ لَا يَعْلَمُونَ ٱلْحَقَّ فَهُم مُّعْرِضُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই এবাদত কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমার পূর্বে এমন কোন রাসূল প্রেরণ করি নাই তাহার প্রতি এই ওহী ব্যতীত যে, ‘আমি ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ্ নাই; সুতরাং আমারই ‘ইবাদত কর।’

জহুরুল হক

আর তোমার পূর্বে আমরা কোনো রসূল পাঠাই নি যাঁর কাছে আমরা প্রত্যাদেশ না দিয়েছি এই বলে যে, ''আমি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, কাজেই আমারই উপাসনা করো’’।

Word by word

وَمَآ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِىٓ إِلَيْهِ أَنَّهُۥ لَآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعْبُدُونِ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ দয়াময় সন্তান গ্রহণ করেছে। তাঁর জন্য কখনও ইহা যোগ্য নয়; বরং তারা তো তাঁর সম্মানিত বান্দা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলে, ‘দয়াময় ‌ সন্তান গ্রহণ করিয়াছেন।’ তিনি পবিত্র, মহান ! তাহারা তো তাঁহার সম্মানিত বান্দা।

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''পরম করুণাময় একটি পুত্র গ্রহণ করেছেন।’’ তাঁরই সব মহিমা! বরং তাঁরা তো সম্মানিত বান্দা, - -

Word by word

وَقَالُوا۟ ٱتَّخَذَ ٱلرَّحْمَٰنُ وَلَدًا سُبْحَٰنَهُۥ بَلْ عِبَادٌ مُّكْرَمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা আগে বেড়ে কথা বলতে পারে না এবং তারা তাঁর আদেশেই কাজ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা আগে বাড়িয়া কথা বলে না; তাহারা তো তাঁহার আদেশ অনুসারেই কাজ করিয়া থাকে।

জহুরুল হক

তাঁরা কথা বলতে তাঁর আগে বেড়ে যান না, আর তাঁরই আদেশ মোতাবেক তাঁরা কাজ করেন।

Word by word

لَا يَسْبِقُونَهُۥ بِٱلْقَوْلِ وَهُم بِأَمْرِهِۦ يَعْمَلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যা আছে, তা তিনি জানেন। তারা শুধু তাদের জন্যে সুপারিশ করে, যাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা তাঁর ভয়ে ভীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে যাহা কিছু আছে তাহা তিনি অবগত। তাহারা সুপারিশ করে শুধু উহাদের জন্য যাহাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট এবং তাহারা তাঁহার ভয়ে ভীত - সন্ত্রস্ত।

জহুরুল হক

তিনি জানেন যা কিছু আছে তাঁদের সম্মুখে আর যা আছে তাঁদের পশ্চাতে, আর তাঁরা সুপারিশ করেন না তার জন্য ছাড়া যার প্রতি তিনি সন্তষ্ট হয়েছেন, আর তাঁর ভয়ে তাঁরা ভীত - সন্ত্রস্ত।

Word by word

يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يَشْفَعُونَ إِلَّا لِمَنِ ٱرْتَضَىٰ وَهُم مِّنْ خَشْيَتِهِۦ مُشْفِقُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের মধ্যে যে বলে যে, তিনি ব্যতীত আমিই উপাস্য, তাকে আমি জাহান্নামের শাস্তি দেব। আমি জালেমদেরকে এভাবেই প্রতিফল দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের মধ্যে যে বলিবে, ‘আমিই ইলাহ্ তিনি ব্যতীত,’ তাহাকে আমি প্রতিফল দিব জাহান্নাম ; এইভাবেই আমি জালিমদেরকে শাস্তি দিয়া থাকি।

জহুরুল হক

আর তাঁদের মধ্যের যে বলবে - - ''তাঁর পরিবর্তে আমিই একজন উপাস্য’’, তার ক্ষেত্রে তাহলে - - আমরা তাকে প্রতিদান দেব জাহান্নাম। এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই অন্যায়কারীদের।

Word by word

وَمَن يَقُلْ مِنْهُمْ إِنِّىٓ إِلَٰهٌ مِّن دُونِهِۦ فَذَٰلِكَ نَجْزِيهِ جَهَنَّمَ كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلظَّٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর মুখ বন্ধ ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে খুলে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা করে তাহারা কি ভাবিয়া দেখে না যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী মিশিয়া ছিল ওতপ্রোতভাবে, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করিয়া দিলাম ; এবং প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিলাম পানি হইতে; তবু কি উহারা ঈমান আনিবে না?

জহুরুল হক

যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা কি দেখে না যে মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবী উভয়ে একাকার ছিল, তারপর আমরা তাদের দুটিকে বিচ্ছিন্ন করে দিলাম, আর পানি থেকে আমরা সৃষ্টি করলাম প্রাণবন্ত সবকিছু। তারা কি তবুও বিশ্বাস করবে না?

Word by word

أَوَلَمْ يَرَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَٰهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ ٱلْمَآءِ كُلَّ شَىْءٍ حَىٍّ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে দিয়েছি যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে এবং তাতে প্রশস্ত পথ রেখেছি, যাতে তারা পথ প্রাপ্ত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি পৃথিবীতে সৃষ্টি করিয়াছি সুদৃঢ় পর্বত, যাহাতে পৃথিবী উহাদেরকে লইয়া এদিক - ওদিক ঢলিয়া না যায় এবং আমি উহাতে করিয়া দিয়াছি প্রশস্ত পথ, যাহাতে উহারা গন্তব্যস্থলে পৌঁছিতে পারে।

জহুরুল হক

আর পৃথিবীতে আমরা পাহাড় - পর্বত স্থাপন করেছি পাছে তাদের সঙ্গে এটি আন্দোলিত হয়, আর ওতে আমরা বানিয়েছি চওড়া পথঘাট যেন তারা সৎপথ প্রাপ্ত হয়।

Word by word

وَجَعَلْنَا فِى ٱلْأَرْضِ رَوَٰسِىَ أَن تَمِيدَ بِهِمْ وَجَعَلْنَا فِيهَا فِجَاجًا سُبُلًا لَّعَلَّهُمْ يَهْتَدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি আকাশকে সুরক্ষিত ছাদ করেছি; অথচ তারা আমার আকাশস্থ নিদর্শনাবলী থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আকাশকে করিয়াছি সুরক্ষিত ছাদ; কিন্তু উহারা আকাশস্থিত নিদর্শনাবলী হইতে মুখ ফিরাইয়া লয়।

জহুরুল হক

আর আমরা আকাশকে করেছি এক সুরক্ষিত ছাদ। কিন্তু তারা এর নিদর্শনাবলী থেকে বিমুখ থাকে।

Word by word

وَجَعَلْنَا ٱلسَّمَآءَ سَقْفًا مَّحْفُوظًا وَهُمْ عَنْ ءَايَٰتِهَا مُعْرِضُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও দিন এবং সূর্য ও চন্দ্র। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরণ করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‌ই সৃষ্টি করিয়াছেন রাত্রি ও দিবস এবং সূর্য ও চন্দ্র ; প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষপথে বিচরণ করে।

জহুরুল হক

আর তিনিই সেই জন যিনি রাত ও দিনকে এবং সূর্য ও চন্দ্রকে সৃষ্টি করেছেন। সব ক’টি কক্ষপথে ভেসে চলেছে।

Word by word

وَهُوَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ وَٱلشَّمْسَ وَٱلْقَمَرَ كُلٌّ فِى فَلَكٍ يَسْبَحُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বেও কোন মানুষকে আমি অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমার পূর্বেও কোন মানুষকে অনন্ত জীবন দান করি নাই ; সুতরাং তোমার মৃত্যু হইলে উহারা কি চিরজীবী হইয়া থাকিবে?

জহুরুল হক

আর তোমার আগে আমরা কোনো মানুষের জন্য স্থায়িত্ব দিই নি। সুতরাং যদি তোমাকেই মারা যেতে হয় তবে কি তারা চিরজীবী হবে?

Word by word

وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِّن قَبْلِكَ ٱلْخُلْدَ أَفَإِي۟ن مِّتَّ فَهُمُ ٱلْخَٰلِدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করিবে; আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা বিশেষভাবে পরীক্ষা করিয়া থাকি এবং আমারই নিকট তোমরা প্রত্যানীত হইবে।

জহুরুল হক

প্রত্যেক সত্ত্বাকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতেই হবে। আর আমরা তোমাদের পরীক্ষা করি মন্দ ও ভাল দিয়ে যাচাই ক’রে। আর আমাদের কাছেই তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

Word by word

كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ ٱلْمَوْتِ وَنَبْلُوكُم بِٱلشَّرِّ وَٱلْخَيْرِ فِتْنَةً وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা যখন আপনাকে দেখে তখন আপনার সাথে ঠাট্টা করা ছাড়া তাদের আর কোন কাজ থাকে না, একি সেই ব্যক্তি, যে তোমাদের দেব - দেবীদের সমালোচনা করে? এবং তারাই তো রহমান’ এর আলোচনায় অস্বীকার করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাফিররা যখন তোমাকে দেখে তখন উহারা তোমাকে কেবল বিদ্রূপের পাত্ররূপেই গ্রহণ করে। উহারা বলে, ‘এই কি সেই, যে তোমাদের দেব - দেবীগুলির সমালোচনা করে?’ অথচ উহারাই তো ‘রহমান’ - এর উল্লেখের বিরোধিতা করে।

জহুরুল হক

আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা যখন তোমাকে দেখে তখন তারা তোমাকে বিদ্রপের পাত্র ছাড়া অন্যভাবে গ্রহণ করে না। ''একি সে যে তোমাদের দেবদেবী সন্বন্ধে সমালোচনা করে?’’ বস্তুতঃ তারা নিজেরাই পরম করুণাময়ের নাম - কীর্তনের বেলা অবিশ্বাস ভাজন করে।

Word by word

وَإِذَا رَءَاكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ إِن يَتَّخِذُونَكَ إِلَّا هُزُوًا أَهَٰذَا ٱلَّذِى يَذْكُرُ ءَالِهَتَكُمْ وَهُم بِذِكْرِ ٱلرَّحْمَٰنِ هُمْ كَٰفِرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

সৃষ্টিগত ভাবে মানুষ ত্বরাপ্রবণ, আমি সত্তরই তোমাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাব। অতএব আমাকে শীঘ্র করতে বলো না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ সৃষ্টিগতভাবে ত্বরাপ্রবণ, শীঘ্রই আমি তোমাদেরকে আমার নিদর্শনাবলী দেখাইব; সুতরাং তোমরা আমাকে ত্বরা করিতে বলিও না।

জহুরুল হক

মানুষ সৃষ্ট হয়েছে ব্যস্তসমস্ত ছাঁদে। আমি শীঘ্রই তোমাদের দেখাব আমার নিদর্শন সমূহ, সুতরাং তোমারা আমাকে তাড়াতাড়ি করতে বলো না।

Word by word

خُلِقَ ٱلْإِنسَٰنُ مِنْ عَجَلٍ سَأُو۟رِيكُمْ ءَايَٰتِى فَلَا تَسْتَعْجِلُونِ

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা বলেঃ যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে এই ওয়াদা কবে পুর্ণ হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা বলে, ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে বল এই প্রতিশ্রুতি কখন পূর্ণ হইবে?’

জহুরুল হক

আর তারা বলে - - ''কখন এই ওয়াদা ফলবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?’’

Word by word

وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا ٱلْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ

মুহিউদ্দীন খান

যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

হায়, যদি কাফিররা সেই সময়ের কথা জানিত যখন উহারা উহাদের সম্মুখ ও পশ্চাৎ হইতে অগ্নি প্রতিরোধ করিতে পারিবে না এবং উহাদেরকে সাহায্য করাও হইবে না!

জহুরুল হক

যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা যদি জানত সেই সময়ের কথা যখন তারা আগুন সরিয়ে দিতে পারবে না তাদের মুখের থেকে, আর তাদের পিঠের থেকেও না, আর তাদের সাহায্যও করা হবে না।

Word by word

لَوْ يَعْلَمُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَن وُجُوهِهِمُ ٱلنَّارَ وَلَا عَن ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত উহা উহাদের উপর আসিবে অতর্কিতভাবে এবং উহাদেরকে হতভম্ব করিয়া দিবে। ফলে উহারা উহা রোধ করিতে পারিবে না এবং উহাদেরকে অবকাশও দেওয়া হইবে না।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ তা তাদের উপরে এসে পড়বে অতর্কিতভাবে, ফলে তাদের তা হতবুদ্ধি করে দেবে, সেজন্যে তা এড়াবার ক্ষমতা থাকবে না, এবং তাদের অবকাশও দেওয়া হবে না।

Word by word

بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বেও অনেক রাসূলের সাথে ঠাট্টা - বিদ্রূপ করা হয়েছে। অতঃপর যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা করত তা উল্টো ঠাট্টাকারীদের উপরই আপতিত হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার পূর্বেও অনেক রাসূলকেই ঠাট্টা - বিদ্রূপকরা হইয়াছিল ; পরিণামে তাহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা - বিদ্রূপ করিত তাহা বিদ্রূপকারীদেরকে পরিবেষ্টন করিয়াছিল।

জহুরুল হক

আর তোমার পূর্বেও রসূলগণকে নিশ্চয়ই বিদ্রপ করা হয়েছিল, তারপর তাদের মধ্যের যারা বিদ্রপ করেছিল তারা যে সন্বন্ধে বিদ্রপ করত সেটাই তাদের পরিবেষ্টন করল।

Word by word

وَلَقَدِ ٱسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ فَحَاقَ بِٱلَّذِينَ سَخِرُوا۟ مِنْهُم مَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ ‘রহমান’ থেকে কে তোমাদেরকে হেফাযত করবে রাত্রে ও দিনে। বরং তারা তাদের পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘রহমান হইতে কে তোমাদেরকে রক্ষা করিবে রাত্রিতে ও দিবসে?’ তবুও উহারা উহাদের প্রতিপালকের স্মরণ হইতে মুখ ফিরাইয়া নেয়।

জহুরুল হক

বলো - - ''কি তোমাদের রক্ষা করবে রাতে ও দিনে পরম করুণাময়ের শাস্তি থেকে?’’ বস্তুতঃ তাদের প্রভুর নামকীর্তন থেকে তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়।

Word by word

قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ مِنَ ٱلرَّحْمَٰنِ بَلْ هُمْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِم مُّعْرِضُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তবে কি আমি ব্যতীত তাদের এমন দেব - দেবী আছে যারা তাদেরকে রক্ষা করবে? তারা তো নিজেদেরই সাহায্য করতে সক্ষম নয় এবং তারা আমার মোকাবেলায় সাহায্যকারীও পাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে কি আমি ব্যতীত উহাদের এমন দেব - দেবীও আছে যাহারা উহাদেরকে রক্ষা করিতে পারে? ইহারা তো নিজেদেরকেই সাহায্য করিতে পারে না এবং আমার বিরুদ্ধে উহাদের সাহায্যকারীও থাকিবে না।

জহুরুল হক

অথবা আমাদের ছেড়ে তোমাদের কি দেবদেবী রয়েছে যারা তাদের রক্ষা করতে পারে? তারা তাদের নিজেদের সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে না, আর তারা আমাদের থেকেও রক্ষা পাবে না।

Word by word

أَمْ لَهُمْ ءَالِهَةٌ تَمْنَعُهُم مِّن دُونِنَا لَا يَسْتَطِيعُونَ نَصْرَ أَنفُسِهِمْ وَلَا هُم مِّنَّا يُصْحَبُونَ

মুহিউদ্দীন খান

বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ - দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হ্রাস করে আনছি। এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বস্তুত আমিই উহাদেরকে এবং উহাদের পিতৃ - পুরুষদেরকে ভোগসম্ভার দিয়াছিলাম ; অধিকন্তু উহাদের আয়ুষ্কালও হইয়াছিল দীর্ঘ। উহারা কি দেখিতেছে না যে, আমি উহাদের দেশকে চতুর্দিক হইতে সংকুচিত করিয়া আনিতেছি। তবুও কি উহারা বিজয়ী হইবে?

জহুরুল হক

বস্তুতঃ আমরা এদের আর এদের পিতৃপুরুষদের ভোগ - সম্ভার দিয়েছিলাম যে পর্যন্ত না তাদের জন্য জীবন সুদীর্ঘ হয়েছিল। তারা কি তবে দেখে না যে আমরা দেশটাতে এগিয়ে আসছি এর চৌহদ্দিকে সংকুচিত ক’রে নিয়ে? তারা কি এমতাবস্থায় জয়ী হতে পারবে?

Word by word

بَلْ مَتَّعْنَا هَٰٓؤُلَآءِ وَءَابَآءَهُمْ حَتَّىٰ طَالَ عَلَيْهِمُ ٱلْعُمُرُ أَفَلَا يَرَوْنَ أَنَّا نَأْتِى ٱلْأَرْضَ نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَآ أَفَهُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ আমি তো কেবল ওহীর মাধ্যমেই তোমাদেরকে সতর্ক করি, কিন্তু বধিরদেরকে যখন সতর্ক করা হয়, তখন তারা সে সতর্কবাণী শোনে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমি তো কেবল ওহী দ্বারাই তোমাদেরকে সতর্ক করি’, কিন্তু যাহারা বধির তাহাদেরকে যখন সতর্ক করা হয় তখন তাহারা সতর্কবাণী শুনে না।

জহুরুল হক

বলো - - ''আমি তো তোমাদের সতর্ক করি কেবল প্রত্যাদেশের দ্বারা, আর বধির লোকে আহ্বান শোনে না যখন তাদের সতর্ক করা হয়।’’

Word by word

قُلْ إِنَّمَآ أُنذِرُكُم بِٱلْوَحْىِ وَلَا يَسْمَعُ ٱلصُّمُّ ٱلدُّعَآءَ إِذَا مَا يُنذَرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পালনকর্তার আযাবের কিছুমাত্রও তাদেরকে স্পর্শ করলে তারা বলতে থাকবে, হায় আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা অবশ্যই পাপী ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার প্রতিপালকের শাস্তির কিছুমাত্রও উহাদেরকে স্পর্শ করিলে উহারা নিশ্চয়ই বলিয়া উঠিবে, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের, আমরা তো ছিলাম !’

জহুরুল হক

আর যদি তোমার প্রভুর শাস্তির তোড় তাদের স্পর্শ করত তবে তারা নিশ্চয়ই বলত - - ''হায় আমাদের দুর্ভোগ! আমরা নিঃসন্দেহ অন্যায়াচারী ছিলাম।’’

Word by word

وَلَئِن مَّسَّتْهُمْ نَفْحَةٌ مِّنْ عَذَابِ رَبِّكَ لَيَقُولُنَّ يَٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا ظَٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি কেয়ামতের দিন ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব। সুতরাং কারও প্রতি জুলুম হবে না। যদি কোন আমল সরিষার দানা পরিমাণও হয়, আমি তা উপস্থিত করব এবং হিসাব গ্রহণের জন্যে আমিই যথেষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং কিয়ামত দিবসে আমি স্থাপন করিব ন্যায়বিচারের মানদণ্ড। সুতরাং কাহারও প্রতি কোন অবিচার করা হইবে না এবং কর্ম যদি তিল পরিমাণ ওজনেরও হয় তবু উহা আমি উপস্থিত করিব ; হিসাব গ্রহণকারীরূপে আমিই যথেষ্ট।

জহুরুল হক

আর কিয়ামতের দিনে আমরা ন্যায়বিচারের মানদন্ড স্থাপন করব, সেজন্য কারো প্রতি এতটুকুও অন্যায় করা হবে না। আর যদি তা সরসে - বীজের ওজন পরিমাণও হয় আমরা সেটা নিয়ে আসব। আর হিসাব গ্রহণকারীরূপে আমরাই যথেষ্ট।

Word by word

وَنَضَعُ ٱلْمَوَٰزِينَ ٱلْقِسْطَ لِيَوْمِ ٱلْقِيَٰمَةِ فَلَا تُظْلَمُ نَفْسٌ شَيْـًٔا وَإِن كَانَ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِّنْ خَرْدَلٍ أَتَيْنَا بِهَا وَكَفَىٰ بِنَا حَٰسِبِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসা ও হারুণকে দান করেছিলাম মীমাংসাকারী গ্রন্থ, আলো ও উপদেশ, ভীরুদের জন্যে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো মূসা ও হারূনকে দিয়াছিলাম ‘’, জ্যোতি ও উপদেশ মুত্তাকীদের জন্য -

জহুরুল হক

আর আমরা অবশ্যই মূসা ও হারূনকে দিয়েছিলাম , আর আলো, আর স্মরণীয় গ্রন্থ - - ধর্মনিষ্ঠদের জন্য, - -

Word by word

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا مُوسَىٰ وَهَٰرُونَ ٱلْفُرْقَانَ وَضِيَآءً وَذِكْرًا لِّلْمُتَّقِينَ

মুহিউদ্দীন খান

যারা না দেখেই তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে এবং কেয়ামতের ভয়ে শঙ্কিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা না দেখিয়াও তাহাদের প্রতিপালককে ভয় করে এবং তাহারা কিয়ামত সম্পর্কে ভীত সন্ত্রস্ত।

জহুরুল হক

যারা তাদের প্রভুকে ভয় করে নিভৃতে আর তারা ঘড়িঘন্টা সন্বন্ধে ভীত সন্ত্রস্ত।

Word by word

ٱلَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِٱلْغَيْبِ وَهُم مِّنَ ٱلسَّاعَةِ مُشْفِقُونَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং এটা একটা বরকতময় উপদেশ, যা আমি নাযিল করেছি। অতএব তোমরা কি একে অস্বীকার কর?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কল্যাণময় উপদেশ ; আমি ইহা অবতীর্ণ করিয়াছি। তবুও কি তোমরা ইহাকে অস্বীকার কর?

জহুরুল হক

আর এটি এক কল্যাণময় স্মারকগ্রন্থ যা আমরা অবতারণ করেছি। তোমরা কি তবে এটির প্রতি অমান্যকারী হবে?

Word by word

وَهَٰذَا ذِكْرٌ مُّبَارَكٌ أَنزَلْنَٰهُ أَفَأَنتُمْ لَهُۥ مُنكِرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আর, আমি ইতিপূর্বে ইব্রাহীমকে তার সৎপন্থা দান করেছিলাম এবং আমি তার সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত ও ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো ইহার পূর্বে ইব্‌রাহীমকে সৎপথের জ্ঞান দিয়াছিলাম এবং আমি তাহার সম্বন্ধে ছিলাম সম্যক পরিজ্ঞাত।

জহুরুল হক

আর অবশ্যই আমরা ইব্রাহীমকে ইতিপূর্বে তাঁর সত্যনিষ্ঠতা দিয়েছিলাম, আর তাঁর সন্বন্ধে আমরা সম্যক পরিজ্ঞাত ছিলাম।

Word by word

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَآ إِبْرَٰهِيمَ رُشْدَهُۥ مِن قَبْلُ وَكُنَّا بِهِۦ عَٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

যখন তিনি তাঁর পিতা ও তাঁর সম্প্রদায়কে বললেনঃ এই মূর্তিগুলো কী, যাদের তোমরা পূজারী হয়ে বসে আছ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন সে তাহার পিতা ও তাহার সম্প্রদায়কে বলিল, ‘এই মূর্তিগুলি কী, যাহাদের পূজায় তোমরা রত রহিয়াছ !’

জহুরুল হক

স্মরণ করো! তিনি তাঁর পিতৃপুরুষকে এবং তাঁর লোকদের বললেন - - ''এই মূর্তিগুলো কী যাদের উপাসনায় তোমরা লেগে আছ?’’

Word by word

إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِۦ مَا هَٰذِهِ ٱلتَّمَاثِيلُ ٱلَّتِىٓ أَنتُمْ لَهَا عَٰكِفُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ আমরা আমাদের বাপ - দাদাকে এদের পুজা করতে দেখেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমরা আমাদের পিতৃপুরুষগণকে ইহাদের পূজা করিতে দেখিয়াছি।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের এগুলোকে পূজো করতে দেখেছি।’’

Word by word

قَالُوا۟ وَجَدْنَآ ءَابَآءَنَا لَهَا عَٰبِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তিনি বললেনঃ তোমরা প্রকাশ্য গোমরাহীতে আছ এবং তোমাদের বাপ - দাদারাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পিতৃপুরুষগণও রহিয়াছে স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''নিশ্চয়ই তোমরা, তোমরা ও তোমাদের পিতৃপুরুষরা, রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে।’’

Word by word

قَالَ لَقَدْ كُنتُمْ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُمْ فِى ضَلَٰلٍ مُّبِينٍ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ তুমি কি আমাদের কাছে সত্যসহ আগমন করেছ, না তুমি কৌতুক করছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তুমি কি আমাদের নিকট সত্য আনিয়াছ, না তুমি কৌতুক করিতেছ?’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তুমি কি আমাদের কাছে সত্য নিয়ে এসেছ, না কি তুমি ঠাট্টাবিদ্রপকারীদের একজন?’’

Word by word

قَالُوٓا۟ أَجِئْتَنَا بِٱلْحَقِّ أَمْ أَنتَ مِنَ ٱللَّٰعِبِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তিনি বললেনঃ না, তিনিই তোমাদের পালনকর্তা যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন; এবং আমি এই বিষয়েরই সাক্ষ্যদাতা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘না, তোমাদের প্রতিপালক তো আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক, যিনি উহাদের সৃষ্টি করিয়াছেন এবং এই বিষয়ে আমি অন্যতম সাক্ষী।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''বরং তোমাদের প্রভু হচ্ছেন মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর অধীশ্বর যিনি এগুলো শুরুতেই সৃষ্টি করেছেন, এবং এসব সন্বন্ধে আমি সাক্ষ্যদানকারীদের মধ্যেকার।

Word by word

قَالَ بَل رَّبُّكُمْ رَبُّ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ ٱلَّذِى فَطَرَهُنَّ وَأَنَا۠ عَلَىٰ ذَٰلِكُم مِّنَ ٱلشَّٰهِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহর কসম, যখন তোমরা পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে চলে যাবে, তখন আমি তোমাদের মূর্তিগুলোর ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা অবলম্বন করব।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘শপথ ‌র, তোমরা চলিয়া গেলে আমি তোমাদের মূর্তিগুলি সম্বন্ধে অবশ্যই কৌশল অবলম্বন করিব।’

জহুরুল হক

''আর ‌র কসম, আমি অবশ্যই তোমাদের প্রতিমাদের সন্বন্ধে পরিকল্পনা গ্রহণ করব তোমরা যখন পিটটান দিয়ে ফিরে যাবে।’’

Word by word

وَتَٱللَّهِ لَأَكِيدَنَّ أَصْنَٰمَكُم بَعْدَ أَن تُوَلُّوا۟ مُدْبِرِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তিনি সেগুলোকে চূর্ণ - বিচুর্ণ করে দিলেন ওদের প্রধানটি ব্যতীতঃ যাতে তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তন করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে চূর্ণ - বিচূর্ণ করিয়া দিল মূর্তিগুলিকে, উহাদের প্রধানটি ব্যতীত ; যাহাতে উহারা তাহার দিকে ফিরিয়া আসে।

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাদের টুক্‌রো টুক্‌রো করে ফেললেন তাদের বড়টি ছাড়া, যাতে তারা এর কাছে ফিরে আসতে পারে।

Word by word

فَجَعَلَهُمْ جُذَٰذًا إِلَّا كَبِيرًا لَّهُمْ لَعَلَّهُمْ إِلَيْهِ يَرْجِعُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার কে করল? সে তো নিশ্চয়ই কোন ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘আমাদের উপাস্যগুলির প্রতি এইরূপ করিল কে? সে নিশ্চয়ই সীমালংঘনকারী।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমাদের দেবতাদের প্রতি এ কাজ কে করেছে? নিঃসন্দেহ সে তো অন্যায়কারীদের একজন।’’

Word by word

قَالُوا۟ مَن فَعَلَ هَٰذَا بِـَٔالِهَتِنَآ إِنَّهُۥ لَمِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

কতক লোকে বললঃ আমরা এক যুবককে তাদের সম্পর্কে বিরূপ আলোচনা করতে শুনেছি; তাকে ইব্রাহীম বলা হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কেহ কেহ বলিল, ‘এক যুবককে উহাদের সমালোচনা করিতে শুনিয়াছি ; তাহাকে বলা হয় ইব্‌রাহীম।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''আমরা এদের সন্বন্ধে একজন যুবককে বলাবলি করতে শুনেছিলাম, তাকে বলা হয় ইব্রাহীম।’’

Word by word

قَالُوا۟ سَمِعْنَا فَتًى يَذْكُرُهُمْ يُقَالُ لَهُۥٓ إِبْرَٰهِيمُ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ তাকে জনসমক্ষে উপস্থিত কর, যাতে তারা দেখে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তাহাকে উপস্থিত কর লোকসম্মুখে, যাহাতে উহারা প্রত্যক্ষ করিতে পারে।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তাহলে তাকে লোকদের চোখের সামনে নিয়ে এসো, যেন তারা সাক্ষ্য দিতে পারে।’’

Word by word

قَالُوا۟ فَأْتُوا۟ بِهِۦ عَلَىٰٓ أَعْيُنِ ٱلنَّاسِ لَعَلَّهُمْ يَشْهَدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ হে ইব্রাহীম তুমিই কি আমাদের উপাস্যদের সাথে এরূপ ব্যবহার করেছ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল ‘হে ইব্‌রাহীম ! তুমিই কি আমাদের উপাস্যগুলির প্রতি এইরূপ করিয়াছ?’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''হে ইব্রাহীম, তুমিই কি আমাদের দেবতাদের প্রতি এই কাজ করেছ?

Word by word

قَالُوٓا۟ ءَأَنتَ فَعَلْتَ هَٰذَا بِـَٔالِهَتِنَا يَٰٓإِبْرَٰهِيمُ

মুহিউদ্দীন খান

তিনি বললেনঃ না এদের এই প্রধানই তো একাজ করেছে। অতএব তাদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তারা কথা বলতে পারে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে বলিল, ‘বরং ইহাদের এই প্রধান, সে - ই তো ইহা করিয়াছে, ইহাদেরকে জিজ্ঞাসা কর যদি ইহারা কথা বলিতে পারে।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আলবৎ কেউ এটা করেছে, এই তো এদের প্রধান, কাজেই এদের জিজ্ঞেস করো, যদি তারা বলতে পারে।’’

Word by word

قَالَ بَلْ فَعَلَهُۥ كَبِيرُهُمْ هَٰذَا فَسْـَٔلُوهُمْ إِن كَانُوا۟ يَنطِقُونَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর মনে মনে চিন্তা করল এবং বললঃ লোক সকল; তোমরাই বে ইনসাফ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন উহারা মনে মনে চিন্তা করিয়া দেখিল এবং একে অপরকে বলিতে লাগিল, ‘তোমরাই তো সীমালংঘনকারী!’

জহুরুল হক

তখন তারা নিজেদের দিকে ফিরল এবং বললে - - ''নিঃসন্দেহ তোমরা নিজেরাই অন্যায়াচারী।’’

Word by word

فَرَجَعُوٓا۟ إِلَىٰٓ أَنفُسِهِمْ فَقَالُوٓا۟ إِنَّكُمْ أَنتُمُ ٱلظَّٰلِمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা ঝুঁকে গেল মস্তক নত করে, তুমি তো জান যে, এরা কথা বলে না

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর উহাদের মস্তক অবনত হইয়া গেল এবং উহারা বলিল, ‘তুমি তো জানই যে, ইহারা কথা বলে না।’

জহুরুল হক

তারপর তাদের হেটঁ করা হ’ল তাদের মাথার উপরে ''তুমি তো অবশ্যই জানো যে এরা কথা বলে না।’’

Word by word

ثُمَّ نُكِسُوا۟ عَلَىٰ رُءُوسِهِمْ لَقَدْ عَلِمْتَ مَا هَٰٓؤُلَآءِ يَنطِقُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইব্‌রাহীম বলিল, ‘তবে কি তোমরা ‌র পরিবর্তে এমন কিছুর ‘ইবাদত কর যাহা তোমাদের কোন উপকার করিতে পারে না, ক্ষতিও করিতে পারে না?’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''তোমরা কি তবে ‌কে ছেড়ে দিয়ে এমন কিছুর উপাসনা কর যা তোমাদের কোনো উপকার করতে পারে না আর তোমাদের অপকারও করে না?

Word by word

قَالَ أَفَتَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَنفَعُكُمْ شَيْـًٔا وَلَا يَضُرُّكُمْ

মুহিউদ্দীন খান

ধিক তোমাদের জন্যে এবং তোমরা ব্যতীত যাদেরই এবাদত কর, ওদের জন্যে। তোমরা কি বোঝ না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ধিক্ তোমাদেরকে এবং ‌র পরিবর্তে তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর তাহাদেরকে! তবুও কি তোমরা বুঝিবে না?’

জহুরুল হক

''ধিক্ তোমাদের প্রতি এবং ‌কে বাদ দিয়ে তোমরা যাদের উপাসনা কর তাদেরও প্রতি! তোমরা কি তবুও বুঝবে না?’’

Word by word

أُفٍّ لَّكُمْ وَلِمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ أَفَلَا تَعْقِلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বললঃ একে পুড়িয়ে দাও এবং তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা বলিল, ‘তাহাকে পোড়াইয়া দাও, সাহায্য কর তোমাদের দেবতাগুলিকে, তোমরা যদি কিছু করিতে চাও।’

জহুরুল হক

তারা বললে - - ''তাকে পুড়িয়ে ফেলো, এবং তোমাদের দেবতাদের সাহায্য করো যদি তোমরা কিছু করতে চাও।’’

Word by word

قَالُوا۟ حَرِّقُوهُ وَٱنصُرُوٓا۟ ءَالِهَتَكُمْ إِن كُنتُمْ فَٰعِلِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি বললামঃ হে অগ্নি, তুমি ইব্রাহীমের উপর শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি বলিলাম, ‘হে অগ্নি ! তুমি ইব্‌রাহীমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হইয়া যাও।’

জহুরুল হক

আমরা বললাম - - ''হে আগুন! তুমি শীতল ও শান্ত হও ইব্রাহীমের উপরে।’’

Word by word

قُلْنَا يَٰنَارُ كُونِى بَرْدًا وَسَلَٰمًا عَلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ফন্দি আঁটতে চাইল, অতঃপর আমি তাদেরকেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ করে দিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তাহার ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করিয়াছিল। কিন্তু আমি উহাদেরকে করিয়া দিলাম সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত।

জহুরুল হক

আর তারা চেয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে, কিন্তু আমরা তাদেরই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছিলাম।

Word by word

وَأَرَادُوا۟ بِهِۦ كَيْدًا فَجَعَلْنَٰهُمُ ٱلْأَخْسَرِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁকে ও লূতকে উদ্ধার করে সেই দেশে পৌঁছিয়ে দিলাম, যেখানে আমি বিশ্বের জন্যে কল্যাণ রেখেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি তাহাকে ও লূতকে উদ্ধার করিয়া লইয়া গেলাম সেই দেশে, যেখানে আমি কল্যাণ রাখিয়াছি বিশ্ববাসীর জন্য।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে এবং লূতকে উদ্ধার করে এনেছিলাম সেই দেশে যেখানে আমরা জগদ্বাসীর জন্য কল্যাণ রেখেছিলাম।

Word by word

وَنَجَّيْنَٰهُ وَلُوطًا إِلَى ٱلْأَرْضِ ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا لِلْعَٰلَمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও পুরস্কার স্বরূপ দিলাম ইয়াকুব এবং প্রত্যেককেই সৎকর্ম পরায়ণ করলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি ইব্‌রাহীমকে দান করিয়াছিলাম ইস্‌হাক এবং পৌত্ররূপে ইয়া‘কূব ; আর প্রত্যেককেই করিয়াছিলাম সৎকর্মপরায়ণ ;

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম ইসহাক এবং পৌত্ররূপে ইয়াকুবকে। আর সবাইকে আমরা বানিয়েছিলাম সৎপথাবলন্বী।

Word by word

وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ إِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَ نَافِلَةً وَكُلًّا جَعَلْنَا صَٰلِحِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন। আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম করার, কায়েম করার এবং যাকাত দান করার। তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে করিয়াছিলাম নেতা ; তাহারা আমার নির্দেশ অনুসারে মানুষকে পথ প্রদর্শন করিত ; তাহাদেরকে ওহী প্রেরণ করিয়াছিলাম সৎকর্ম করিতে, কায়েম করিতে এবং যাকাত প্রদান করিতে ; তাহারা আমারই ‘ইবাদত করিত।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁদের বানিয়েছিলাম নেতৃবৃন্দ, তাঁরা আমাদের নির্দেশ অনুসারে সৎপথে চালাতেন, আর তাঁদের কাছে আমরা প্রত্যাদেশ দিয়েছিলাম সৎকাজ করতে ও কায়েম করতে ও যাকাত প্রদান করতে, আর তাঁরা আমাদের প্রতি বন্দনাকারী ছিলেন।

Word by word

وَجَعَلْنَٰهُمْ أَئِمَّةً يَهْدُونَ بِأَمْرِنَا وَأَوْحَيْنَآ إِلَيْهِمْ فِعْلَ ٱلْخَيْرَٰتِ وَإِقَامَ ٱلصَّلَوٰةِ وَإِيتَآءَ ٱلزَّكَوٰةِ وَكَانُوا۟ لَنَا عَٰبِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমি লূতকে দিয়েছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান এবং তাঁকে ঐ জনপদ থেকে উদ্ধার করেছিলাম, যারা নোংরা কাজে লিপ্ত ছিল। তারা মন্দ ও নাফরমান সম্প্রদায় ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং লূতকে দিয়াছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান এবং তাহাকে উদ্ধার করিয়াছিলাম এমন এক জনপদ হইতে যাহার অধিবাসীরা লিপ্ত ছিল অশ্লীল কর্মে; উহারা ছিল এক মন্দ সম্প্রদায়, সত্যত্যাগী।

জহুরুল হক

আর লূতের ক্ষেত্রে - - আমরা তাঁকে দিয়েছিলাম বুদ্ধি - বিবেচনা ও জ্ঞান - বিজ্ঞান, আর আমরা তাঁকে উদ্ধার করেছিলাম সেই জনপদ থেকে যারা জঘন্য কাজ করত। নিঃসন্দেহ তারা ছিল দুষ্ট দুরাচারী সম্প্রদায়।

Word by word

وَلُوطًا ءَاتَيْنَٰهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَنَجَّيْنَٰهُ مِنَ ٱلْقَرْيَةِ ٱلَّتِى كَانَت تَّعْمَلُ ٱلْخَبَٰٓئِثَ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمَ سَوْءٍ فَٰسِقِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাকে আমার অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। সে ছিল সৎকর্মশীলদের একজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাকে আমি আমার অনুগ্রহভাজন করিয়াছিলাম ; সে ছিল সৎকর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত।

জহুরুল হক

আর তাঁকে আমরা ভর্তি করেছিলাম আমাদের অনুগ্রহের মধ্যে। নিঃসন্দেহ তিনি ছিলেন সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত।

Word by word

وَأَدْخَلْنَٰهُ فِى رَحْمَتِنَآ إِنَّهُۥ مِنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং স্মরণ করুন নূহকে; যখন তিনি এর পূর্বে আহবান করেছিলেন। তখন আমি তাঁর দোয়া কবুল করেছিলাম, অতঃপর তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে মহা সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্মরণ কর নূহ্‌কে, পূর্বে সে যখন আহ্‌বান করিয়াছিল তখন আমি সাড়া দিয়াছিলাম তাহার আহ্‌বানে এবং তাহাকে ও তাহার পরিজনবর্গকে মহাসংকট হইতে উদ্ধার করিয়াছিলাম,

জহুরুল হক

আর নূহের ক্ষেত্রে, - - স্মরণ করো, তিনি ইতিপূর্বে আহ্বান করেছিলেন, সেজন্য আমরা তাঁর প্রতি সাড়া দিয়েছিলাম, তাই তাঁকে ও তাঁর পরিজনবর্গকে আমরা উদ্ধার করেছিলাম এক বিরাট সংকট থেকে।

Word by word

وَنُوحًا إِذْ نَادَىٰ مِن قَبْلُ فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ فَنَجَّيْنَٰهُ وَأَهْلَهُۥ مِنَ ٱلْكَرْبِ ٱلْعَظِيمِ

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমি তাঁকে ঐ সম্প্রদায়ের বিপক্ষে সাহায্য করেছিলাম, যারা আমার নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করেছিল। নিশ্চয়, তারা ছিল এক মন্দ সম্প্রদায়। অতঃপর আমি তাদের সবাইকে নিমজ্জত করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি তাহাকে সাহায্য করিয়াছিলাম সেই সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যাহারা আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করিয়াছিল ; নিশ্চয়ই উহারা ছিল এক মন্দ সম্প্রদায়। এইজন্য উহাদের সকলকেই আমি নিমজ্জিত করিয়াছিলাম।

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে সাহায্য করেছিলাম সেই লোকদের বিরুদ্ধে যারা আমাদের নির্দেশাবলী প্রত্যাখ্যান করেছিল। নিঃসন্দেহ তারা ছিল দুষ্ট লোক, তাই তাদের সবাইকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছিলাম।

Word by word

وَنَصَرْنَٰهُ مِنَ ٱلْقَوْمِ ٱلَّذِينَ كَذَّبُوا۟ بِـَٔايَٰتِنَآ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ قَوْمَ سَوْءٍ فَأَغْرَقْنَٰهُمْ أَجْمَعِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং স্মরণ করুন দাউদ ও সুলায়মানকে, যখন তাঁরা শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে বিচার করেছিলেন। তাতে রাত্রিকালে কিছু লোকের মেষ ঢুকে পড়েছিল। তাদের বিচার আমার সম্মুখে ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর দাঊদ ও সুলায়মানের কথা, যখন তাহারা বিচার করিতেছিল শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে; উহাতে রাত্রিকালে প্রবেশ করিয়াছিল কোন সম্প্রদায়ের মেষ ; আমি প্রত্যক্ষ করিতেছিলাম তাহাদের বিচার।

জহুরুল হক

আর দাউদ এবং সুলাইমানের ক্ষেত্রে, - - স্মরণ করো, তাঁরা হুকুম দিয়েছিলেন এক শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে যাতে লোকদের ভেড়া ঢুকে পড়েছিল রাতের বেলা, আর আমরা তাঁদের হুকুমের সাক্ষী ছিলাম।

Word by word

وَدَاوُۥدَ وَسُلَيْمَٰنَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِى ٱلْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ ٱلْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَٰهِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি সুলায়মানকে সে ফায়সালা বুঝিয়ে দিয়েছিলাম এবং আমি উভয়কে প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম। আমি পর্বত ও পক্ষীসমূহকে দাউদের অনুগত করে দিয়েছিলাম; তারা আমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করত। এই সমস্ত আমিই করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং আমি সুলায়মানকে এ বিষয়ের মীমাংসা বুঝাইয়া দিয়াছিলাম এবং তাহাদের প্রত্যেককে আমি দিয়াছিলাম প্রজ্ঞা ও জ্ঞান। আমি পর্বত ও বিহঙ্গকুলকে অধীন করিয়া দিয়াছিলাম - উহারা দাঊদের সঙ্গে আমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করিত ; আমিই ছিলাম এই সমস্তের কর্তা।

জহুরুল হক

আর আমরা সুলাইমানকে এটি বুঝতে দিয়েছিলাম। আর উভয়কেই আমরা দিয়েছিলাম বিচার - বিবেচনা ও জ্ঞান - বিজ্ঞান, আর আমরা দাউদের সঙ্গে পাহাড় - পর্বতকে ও পাখিগুলোকে মহিমা ঘোষণায় অনুগত করেছিলাম। আর আমরাই কার্যকর্তা।

Word by word

فَفَهَّمْنَٰهَا سُلَيْمَٰنَ وَكُلًّا ءَاتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا وَسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُۥدَ ٱلْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَٱلطَّيْرَ وَكُنَّا فَٰعِلِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁকে তোমাদের জন্যে বর্ম নির্মান শিক্ষা দিয়েছিলাম, যাতে তা যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করে। অতএব তোমরা কি কৃতজ্ঞ হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তাহাকে তোমাদের জন্য বর্ম নির্মাণ শিক্ষা দিয়াছিলাম, যাহাতে উহা তোমাদের যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করে ; সুতরাং তোমরা কি কৃতজ্ঞ হইবে না?

জহুরুল হক

আর আমরা তাঁকে শিখিয়েছিলাম তোমাদের জন্য বর্ম তৈরি করতে যেন তা তোমাদের রক্ষা করতে পারে তো মাদের যুদ্ধবিগ্রহে। তোমরা কি তবে কৃতজ্ঞ হবে না?

Word by word

وَعَلَّمْنَٰهُ صَنْعَةَ لَبُوسٍ لَّكُمْ لِتُحْصِنَكُم مِّنۢ بَأْسِكُمْ فَهَلْ أَنتُمْ شَٰكِرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং সুলায়মানের অধীন করে দিয়েছিলাম প্রবল বায়ুকে; তা তাঁর আদেশে প্রবাহিত হত ঐ দেশের দিকে, যেখানে আমি কল্যাণ দান করেছি। আমি সব বিষয়েই সম্যক অবগত রয়েছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং সুলায়মানের বশীভূত করিয়া দিয়াছিলাম উদ্দাম বায়ুকে ; উহা তাহার আদেশক্রমে প্রবাহিত হইত সেই দেশের দিকে যেখানে আমি কল্যাণ রাখিয়াছি ; প্রত্যেক বিষয় সম্পর্কে আমিই সম্যক অবগত।

জহুরুল হক

আর সুলাইমানকে প্রবল বাতাস, - - তা প্রবাহিত হয়েছিল তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী সেই দেশের দিকে যেখানে আমরা কল্যাণ নিহিত করেছিলাম। আর সব বিষয়ে আমরা সম্যক অবগত।

Word by word

وَلِسُلَيْمَٰنَ ٱلرِّيحَ عَاصِفَةً تَجْرِى بِأَمْرِهِۦٓ إِلَى ٱلْأَرْضِ ٱلَّتِى بَٰرَكْنَا فِيهَا وَكُنَّا بِكُلِّ شَىْءٍ عَٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং অধীন করেছি শয়তানদের কতককে, যারা তার জন্যে ডুবুরীর কাজ করত এবং এ ছাড়া অন্য আরও অনেক কাজ করত। আমি তাদেরকে নিয়ন্ত্রন করে রাখতাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং শয়তানদের মধ্যে কতক তাহার জন্য ডুবুরীর কাজ করিত, ইহা ব্যতীত অন্য কাজও করিত ; আমি উহাদের রক্ষাকারী ছিলাম।

জহুরুল হক

আর শয়তানদের কতক তাঁর জন্য ডুব দিত আর তা ছাড়া আরো কাজ করত, আর আমরা ছিলাম তাদের তত্ত্বাবধায়ক।

Word by word

وَمِنَ ٱلشَّيَٰطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُۥ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ وَكُنَّا لَهُمْ حَٰفِظِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং স্মরণ করুন আইয়্যুবের কথা, যখন তিনি তাঁর পালনকর্তাকে আহবান করে বলেছিলেনঃ আমি দুঃখকষ্টে পতিত হয়েছি এবং আপনি দয়াবানদের চাইতেও সর্বশ্রেষ্ট দয়াবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর আইউবের কথা, যখন সে তাহার প্রতিপালককে আহ্‌বান করিয়া বলিয়াছিল, ‘আমি দুঃখ - কষ্টে পড়িয়াছি, আর তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু!’

জহুরুল হক

আর আইয়ুবের ক্ষেত্রে, - - স্মরণ করো, তাঁর প্রভুকে তিনি আহ্বান ক’রে বললেন - - ''নিঃসন্দেহ বিপদ আমাকে স্পর্শ করেছে, আর তুমিই তো দয়াশীলদের মধ্যে পরম করুণাময়।’’

Word by word

وَأَيُّوبَ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُۥٓ أَنِّى مَسَّنِىَ ٱلضُّرُّ وَأَنتَ أَرْحَمُ ٱلرَّٰحِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁর দুঃখকষ্ট দূর করে দিলাম এবং তাঁর পরিবরাবর্গ ফিরিয়ে দিলাম, আর তাদের সাথে তাদের সমপরিমাণ আরও দিলাম আমার পক্ষ থেকে কৃপাবশতঃ আর এটা এবাদত কারীদের জন্যে উপদেশ স্বরূপ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাহার ডাকে সাড়া দিলাম, তাহার দুঃখ - কষ্ট দূরীভূত করিয়া দিলাম, তাহাকে তাহার পরিবার - পরিজন ফিরাইয়া দিলাম এবং তাহাদের সঙ্গে তাহাদের মত আরো দিলাম আমার বিশেষ রহমতরূপে এবং ‘ইবাদতকারীদের জন্য উপদেশস্বরূপ।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা তাঁর প্রতি সাড়া দিলাম, এবং দুঃখকষ্টের যা থেকে তিনি ভুগছিলেন তা দূর করে দিলাম, আর তাঁকে তাঁর পরিবারবর্গ দিয়েছিলাম এবং তাদের সাথে তাদের মতো লোকদেরও - - আমাদের তরফ থেকে এ এক করুণা, আর বন্দনাকারীদের জন্য স্মরণীয় বিষয়।

Word by word

فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ فَكَشَفْنَا مَا بِهِۦ مِن ضُرٍّ وَءَاتَيْنَٰهُ أَهْلَهُۥ وَمِثْلَهُم مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا وَذِكْرَىٰ لِلْعَٰبِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং ইসমাঈল, ই’দ্রীস ও যুলকিফলের কথা স্মরণ করুন, তাঁরা প্রত্যেকেই ছিলেন সবরকারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর ইসমাঈল, ইদ্‌রীস ও যুল - কিফ্‌ল - এর কথা, তাহাদের প্রত্যেকেই ছিল ধৈর্যশীল

জহুরুল হক

আর ইসমাইল ও ইদরীস ও যুল - কিফল, - - সবাই ছিলেন অধ্যবসায়ীদের মধ্যেকার।

Word by word

وَإِسْمَٰعِيلَ وَإِدْرِيسَ وَذَا ٱلْكِفْلِ كُلٌّ مِّنَ ٱلصَّٰبِرِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাঁদেরকে আমার রহমাতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত করেছিলাম। তাঁরা ছিলেন সৎকর্মপরায়ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদেরকে আমি আমার অনুগ্রহভাজন করিয়াছিলাম; তাহারা তো ছিল সৎকর্মপরায়ণ।

জহুরুল হক

আর তাঁদের আমরা প্রবেশ করিয়েছিলাম আমাদের করুণাভান্ডারে। নিঃসন্দেহ তাঁরা ছিলেন সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত ।

Word by word

وَأَدْخَلْنَٰهُمْ فِى رَحْمَتِنَآ إِنَّهُم مِّنَ ٱلصَّٰلِحِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং মাছওয়ালার কথা স্মরণ করুন তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গিয়েছিলেন, অতঃপর মনে করেছিলেন যে, আমি তাঁকে ধৃত করতে পারব না। অতঃপর তিনি অন্ধকারের মধ্যে আহবান করলেনঃ তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গুনাহগার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর যুন্ - নূন - এর কথা, যখন সে ক্রোধভরে বাহির হইয়া গিয়াছিল এবং মনে করিয়াছিল আমি তাহার জন্য শাস্তি নির্ধারণ করিব না। অতঃপর সে অন্ধকার হইতে আহ্‌বান করিয়াছিল : ‘তুমি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নাই ; তুমি পবিত্র, মহান ! আমি তো সীমালংঘনকারী।’

জহুরুল হক

আর যুন - নূন, - - স্মরণ করো, তিনি চলে গিয়েছিলেন রেগেমেগে, আর তিনি ভেবেছিলেন যে আমরা কখনো তাঁর উপরে ক্ষমতা চালাব না, তখন সেই সংকটে তিনি আহ্বান করলেন যে ''তুমি ছাড়া অন্য উপাস্য নেই, তোমারই সব মহিমা, আমি নিশ্চয়ই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছি।’’

Word by word

وَذَا ٱلنُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَٰضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِى ٱلظُّلُمَٰتِ أَن لَّآ إِلَٰهَ إِلَّآ أَنتَ سُبْحَٰنَكَ إِنِّى كُنتُ مِنَ ٱلظَّٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তাঁর আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাঁকে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আমি এমনি ভাবে বিশ্ববাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখন আমি তাহার ডাকে সাড়া দিয়াছিলাম এবং তাহাকে উদ্ধার করিয়াছিলাম দুশ্চিন্তা হইতে এবং এইভাবেই আমি মু’মিনদেরকে উদ্ধার করিয়া থাকি।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা তাঁর প্রতি সাড়া দিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে তাঁকে উদ্ধার করলাম। আর এইভাবেই আমরা মুমিনদের উদ্ধার করে থাকি।

Word by word

فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ وَنَجَّيْنَٰهُ مِنَ ٱلْغَمِّ وَكَذَٰلِكَ نُۨجِى ٱلْمُؤْمِنِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাকারিয়ার কথা স্মরণ করুন, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করেছিল; হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর যাকারিয়ার কথা, যখন সে তাহার প্রতিপালককে আহ্‌বান করিয়া বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক ! আমাকে একা রাখিও না, তুমি তো শ্রেষ্ঠ মালিকানার অধিকারী।’

জহুরুল হক

আর যাকারিয়ার ক্ষেত্রে, - - স্মরণ করো, তিনি তাঁর প্রভুকে আহ্বান করে বললেন - - ''আমার প্রভু! আমাকে একলা রেখো না, আর তুমি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।’’

Word by word

وَزَكَرِيَّآ إِذْ نَادَىٰ رَبَّهُۥ رَبِّ لَا تَذَرْنِى فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ ٱلْوَٰرِثِينَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তার দোয়া কবুল করেছিলাম, তাকে দান করেছিলাম ইয়াহইয়া এবং তার জন্যে তার স্ত্রীকে প্রসব যোগ্য করেছিলাম। তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়ত, তারা আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকত এবং তারা ছিল আমার কাছে বিনীত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি তাহার আহ্‌বানে সাড়া দিয়াছিলাম এবং তাহাকে দান করিয়াছিলাম ইয়াহ্ইয়া এবং তাহার জন্য তাহার স্ত্রীকে যোগ্যতাসম্পন্ন করিয়াছিলাম। তাহারা সৎকর্মে প্রতিযোগিতা করিত, তাহারা আমাকে ডাকিত আশা ও ভীতির সঙ্গে এবং তাহারা ছিল আমার নিকট বিনীত।

জহুরুল হক

সুতরাং আমরা তাঁর প্রতি সাড়া দিয়েছিলাম এবং তাঁকে দিয়েছিলাম ইয়াহ্‌য়া, আর তাঁর স্ত্রীকে তাঁর জন্য সুস্থ করেছিলাম। নিঃসন্দেহ তাঁরা সৎকাজে প্রতিযোগিতা করতেন, এবং আমাদের ডাকতেন আশা নিয়ে ও ভয়ের সাথে। আর আমাদের প্রতি তাঁরা ছিলেন বিনীত।

Word by word

فَٱسْتَجَبْنَا لَهُۥ وَوَهَبْنَا لَهُۥ يَحْيَىٰ وَأَصْلَحْنَا لَهُۥ زَوْجَهُۥٓ إِنَّهُمْ كَانُوا۟ يُسَٰرِعُونَ فِى ٱلْخَيْرَٰتِ وَيَدْعُونَنَا رَغَبًا وَرَهَبًا وَكَانُوا۟ لَنَا خَٰشِعِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং সেই নারীর কথা আলোচনা করুন, যে তার কামপ্রবৃত্তিকে বশে রেখেছিল, অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং তাকে তার পুত্রকে বিশ্ববাসীর জন্য নিদর্শন করেছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং স্মরণ কর সেই নারীকে, যে নিজ সতীত্বকে রক্ষা করিয়াছিল, অতঃপর তাহার মধ্যে আমি আমার রূহ্ ফুঁকিয়া দিয়াছিলাম এবং তাহাকে ও তাহার পুত্রকে করিয়াছিলাম বিশ্ববাসীর জন্য এক নিদর্শন।

জহুরুল হক

আর তাঁর ক্ষেত্রে, যিনি তাঁর সতীত্ব রক্ষা করেছিলেন, সেজন্য আমরা তার মধ্যে আমাদের কাছের আ‌ত্মা থেকে ফুঁকে দিয়েছিলাম, আর আমরা তাকে ও তার ছেলেকে একটি নিদর্শন বানিয়েছিলাম।

Word by word

وَٱلَّتِىٓ أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَٰهَا وَٱبْنَهَآ ءَايَةً لِّلْعَٰلَمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা সকলেই তোমাদের ধর্মের; একই ধর্মে তো সবাই এবং আমিই তোমাদের পালনকর্তা, অতএব আমার বন্দেগী কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই যে তোমাদের জাতি - ইহা তো একই জাতি এবং আমিই তোমাদের প্রতিপালক, অতএব আমার ‘ইবাদত কর।

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ তোমাদের এই সম্প্রদায় একই সম্প্রদায়, আর আমিই তোমাদের প্রভু, সুতরাং আমাকেই তোমরা উপাসনা করো।’’

Word by word

إِنَّ هَٰذِهِۦٓ أُمَّتُكُمْ أُمَّةً وَٰحِدَةً وَأَنَا۠ رَبُّكُمْ فَٱعْبُدُونِ

মুহিউদ্দীন খান

এবং মানুষ তাদের কার্যকলাপ দ্বারা পারস্পরিক বিষয়ে ভেদ সৃষ্টি করেছে। প্রত্যেকেই আমার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু তাহারা নিজেদের কার্যকলাপে পরস্পরের মধ্যে ভেদ সৃষ্টি করিয়াছে। প্রত্যেকেই প্রত্যানীত হইবে আমার নিকট।

জহুরুল হক

কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে তাদের অনুশাসন কেটে ফেলল। সকলেই আমাদের কাছে ফিরে আসবে।

Word by word

وَتَقَطَّعُوٓا۟ أَمْرَهُم بَيْنَهُمْ كُلٌّ إِلَيْنَا رَٰجِعُونَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যে অবস্থায় সৎকর্ম সম্পাদন করে, তার প্রচেষ্টা অস্বীকৃত হবে না এবং আমি তা লিপিবদ্ধ করে রাখি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং যদি কেহ হইয়া সৎকর্ম করে তাহার কর্মপ্রচেষ্টা অগ্রাহ্য হইবে না এবং আমি তো উহা লিখিয়া রাখি।

জহুরুল হক

সুতরাং যে কেউ সৎকাজগুলো থেকে কাজ করে যায় আর সে হয়, তবে তার কর্মপ্রচেষ্টার কোনো অস্বীকৃতি হবে না, আর নিঃসন্দেহ আমরা হচ্ছি তার জন্য লিপিকার।

Word by word

فَمَن يَعْمَلْ مِنَ ٱلصَّٰلِحَٰتِ وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَلَا كُفْرَانَ لِسَعْيِهِۦ وَإِنَّا لَهُۥ كَٰتِبُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যেসব জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে জনপদকে আমি ধ্বংস করিয়াছি তাহার সম্পর্কে নিষিদ্ধ হইয়াছে যে, তাহার অধিবাসীবৃন্দ ফিরিয়া আসিবে না,

জহুরুল হক

আর এটি নিষিদ্ধ সেই জনপদের জন্য যাকে আমরা ধ্বংস করেছি, - - যে তারা আর ফিরে আসবে না।

Word by word

وَحَرَٰمٌ عَلَىٰ قَرْيَةٍ أَهْلَكْنَٰهَآ أَنَّهُمْ لَا يَرْجِعُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভুমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এমনকি যখন ইয়া‘জূজ ও মা‘জূজকে মুক্তি দেওয়া হইবে এবং উহারা প্রতি উচ্চভূমি হইতে ছুটিয়া আসিবে।

জহুরুল হক

যদিবা ইয়াজুজ ও মাজুজকে ছেড়ে দেওয়া হয় আর তারা ছড়িয়ে আসে প্রতি ঊর্ধ্বদেশ থেকে।

Word by word

حَتَّىٰٓ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আমোঘ প্রতিশ্রুত সময় নিকটবর্তী হলে কাফেরদের চক্ষু উচ্চে স্থির হয়ে যাবে; হায় আমাদের দূর্ভাগ্য, আমরা এ বিষয়ে বেখবর ছিলাম; বরং আমরা গোনাহগরই ছিলাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অমোঘ প্রতিশ্রুতি কাল আসন্ন হইলে অকস্মাৎ কাফিরদের চক্ষু স্থির হইয়া যাইবে, উহারা বলিবে, ‘হায়, দুর্ভোগ আমাদের! আমরা তো ছিলাম এ বিষয়ে উদাসীন; না, আমরা সীমালংঘনকারীই ছিলাম।’

জহুরুল হক

আর যথার্থ ওয়াদা ঘনিয়ে আসছে, তখন দেখবে, যারা অবিশ্বাস পোষণ করেছিল তাদের চক্ষু স্থির হয়ে যাবে। ''ধিক্ আমাদের, আমরা তো এ বিষয়ে উদাসীনতায় পড়ে রয়েছিলাম! বরং আমরা অন্যায়কারী ছিলাম।’’

Word by word

وَٱقْتَرَبَ ٱلْوَعْدُ ٱلْحَقُّ فَإِذَا هِىَ شَٰخِصَةٌ أَبْصَٰرُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ يَٰوَيْلَنَا قَدْ كُنَّا فِى غَفْلَةٍ مِّنْ هَٰذَا بَلْ كُنَّا ظَٰلِمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা এবং আল্লাহর পরিবর্তে তোমরা যাদের পুজা কর, সেগুলো দোযখের ইন্ধন। তোমরাই তাতে প্রবেশ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা এবং ‌র পরিবর্তে তোমরা যাহাদের ‘ইবাদত কর সেগুলি তো জাহান্নামের ইন্ধন ; তোমরা সকলে উহাতে প্রবেশ করিবে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমরা, আর ‌কে ছেড়ে দিয়ে তোমরা যে - সবের উপাসনা কর তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন, তোমরা এতে আসতেই চলেছ।

Word by word

إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ أَنتُمْ لَهَا وَٰرِدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

এই মূর্তিরা যদি উপাস্য হত, তবে জাহান্নামে প্রবেশ করত না। প্রত্যেকেই তাতে চিরস্থায়ী হয়ে পড়ে থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি উহারা ইলাহ্ হইত তবে উহারা জাহান্নামে প্রবেশ করিত না ; উহাদের সকলেই উহাতে স্থায়ী হইবে,

জহুরুল হক

এইগুলো যদি উপাস্য হতো তাহলে তারা এতে আসত না। বস্তুতঃ সকলেই এতে স্থায়ীভাবে থাকবে।

Word by word

لَوْ كَانَ هَٰٓؤُلَآءِ ءَالِهَةً مَّا وَرَدُوهَا وَكُلٌّ فِيهَا خَٰلِدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা সেখানে চীৎকার করবে এবং সেখানে তারা কিছুই শুনতে পাবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে থাকিবে উহাদের আর্তনাদ এবং সেখানে উহারা কিছুই শুনিতে পাইবে না ;

জহুরুল হক

তাদের জন্য তাতে রয়েছে আর্তনাদ, আর সেখানে তারা শুনতে পারবে না।

Word by word

لَهُمْ فِيهَا زَفِيرٌ وَهُمْ فِيهَا لَا يَسْمَعُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যাদের জন্য প্রথম থেকেই আমার পক্ষ থেকে কল্যাণ নির্ধারিত হয়েছে তারা দোযখ থেকে দূরে থাকবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহাদের জন্য আমার নিকট হইতে পূর্ব হইতে কল্যাণ নির্ধারিত রহিয়াছে, তাহাদেরকে উহা হইতে দূরে রাখা হইবে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যাদের জন্য আমাদের তরফ থেকে কল্যাণ ইতিমধ্যে ধার্য হয়ে গেছে তদের এ থেকে বহু দূরে রাখা হ বে,

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ سَبَقَتْ لَهُم مِّنَّا ٱلْحُسْنَىٰٓ أُو۟لَٰٓئِكَ عَنْهَا مُبْعَدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা তার ক্ষীণতম শব্দও শুনবে না এবং তারা তাদের মনের বাসনা অনুযায়ী চিরকাল বসবাস করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা উহার ক্ষীণতম শব্দও শুনিবে না এবং সেখানে তাহারা তাহাদের মন যাহা চায় চিরকাল উহা ভোগ করিবে।

জহুরুল হক

তারা এর হিস্‌হিস্ শন্দটুকুও শুনবে না, আর তাদের অন্তর যা কামনা করে সেইখানেই তারা স্থায়ীভাবে থাকবে।

Word by word

لَا يَسْمَعُونَ حَسِيسَهَا وَهُمْ فِى مَا ٱشْتَهَتْ أَنفُسُهُمْ خَٰلِدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

মহা ত্রাস তাদেরকে চিন্তান্বিত করবে না এবং ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা করবেঃ আজ তোমাদের দিন, যে দিনের ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মহাভীতি তাহাদেরকে বিষাদক্লিষ্ট করিবে না এবং ফিরিশ্‌তাগণ তাহাদেরকে অভ্যর্থনা করিবে এই বলিয়া, ‘এই তোমাদের সেই দিন যাহার প্রতিশ্রুতি তোমাদেরকে দেওয়া হইয়াছিল।’

জহুরুল হক

ভয়ংকর আতঙ্ক তাদের বিষাদগ্রস্ত করবে না, আর ফিরিশ্‌তারা তাদের সঙ্গে মুলাকাত করবে - - ''এই হচ্ছে তোমাদের দিন যে সন্বন্ধে তোমাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।’’

Word by word

لَا يَحْزُنُهُمُ ٱلْفَزَعُ ٱلْأَكْبَرُ وَتَتَلَقَّىٰهُمُ ٱلْمَلَٰٓئِكَةُ هَٰذَا يَوْمُكُمُ ٱلَّذِى كُنتُمْ تُوعَدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন আকাশমণ্ডলীকে গুটাইয়া ফেলিব, যেভাবে গুটান হয় লিখিত দফতর; যেভাবে আমি প্রথম সৃষ্টির সূচনা করিয়াছিলাম সেইভাবে পুনরায় সৃষ্টি করিব; প্রতিশ্রুতি পালন আমার কর্তব্য, আমি ইহা পালন করিবই।

জহুরুল হক

সেই দিনে আমরা আকাশকে গুটিয়ে নেব যেমন গুটানো হয় লিখিত নথিপত্র! যেভাবে আমরা প্রথম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেইভাবে আমরা এটি পুনর্সৃষ্টি করব। ওয়াদা রক্ষাকরণ আমাদের উপরে ন্যস্ত। নিঃসন্দেহ আমরা কর্মকর্তা।

Word by word

يَوْمَ نَطْوِى ٱلسَّمَآءَ كَطَىِّ ٱلسِّجِلِّ لِلْكُتُبِ كَمَا بَدَأْنَآ أَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيدُهُۥ وَعْدًا عَلَيْنَآ إِنَّا كُنَّا فَٰعِلِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি উপদেশের পর যবুরে লিখে দিয়েছি যে, আমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাগণ অবশেষে পৃথিবীর অধিকারী হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ‘উপদেশের’ পর কিতাবে লিখিয়া দিয়াছি যে, আমার যোগ্যতাসম্পন্ন বান্দাগণ পৃথিবীর অধিকারী হইবে।

জহুরুল হক

আর স্মারক - গ্রন্থের পরে আমরা যবূর - গ্রন্থে লিখে দিয়েছি যে, দেশটা - - এটাকে উত্তরাধিকার করবে আমার সৎকর্মী বান্দারা।

Word by word

وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِى ٱلزَّبُورِ مِنۢ بَعْدِ ٱلذِّكْرِ أَنَّ ٱلْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِىَ ٱلصَّٰلِحُونَ

মুহিউদ্দীন খান

এতে এবাদতকারী সম্প্রদায়ের জন্যে পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু আছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহাতে রহিয়াছে বাণী সেই সম্প্রদায়ের জন্য যাহারা ‘ইবাদত করে।

জহুরুল হক

বস্তুতঃ এতে রয়েছে বাণী উপাসনাকারী লোকদের জন্য।

Word by word

إِنَّ فِى هَٰذَا لَبَلَٰغًا لِّقَوْمٍ عَٰبِدِينَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তো তোমাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতরূপেই প্রেরণ করিয়াছি।

জহুরুল হক

আর আমরা তোমাকে পাঠাই নি বিশ্বজগতের জন্য এক করুণারূপে ভিন্ন।

Word by word

وَمَآ أَرْسَلْنَٰكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَٰلَمِينَ

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ আমাকে তো এ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য। সুতরাংতোমরা কি আজ্ঞাবহ হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘আমার প্রতি ওহী হয় যে, তোমাদের ইলাহ্ একই ইলাহ্, সুতরাং তোমরা হইয়া যাও আত্মসর্মপণকারী।’

জহুরুল হক

বলো - - ''আমার কাছে আলবৎ প্রত্যাদিষ্ট হয়েছে যে, নিঃসন্দেহ তোমাদের উপাস্য একক উপাস্য। তোমরা কি তবে আ‌ত্মসমর্পণকারী হবে না?’’

Word by word

قُلْ إِنَّمَا يُوحَىٰٓ إِلَىَّ أَنَّمَآ إِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَٰحِدٌ فَهَلْ أَنتُم مُّسْلِمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না, তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে উহারা মুখ ফিরাইয়া লইলে তুমি বলিও, ‘আমি তোমাদেরকে যথাযথভাবে জানাইয়া দিয়াছি এবং তোমাদেরকে যে বিষয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে, আমি জানি না, তাহা আসন্ন, না দূরস্থিত।

জহুরুল হক

কিন্তু যদি তারা ফিরে যায় তবে তুমি বলো - - ''আমি তোমাদের সাবধান করে দিয়েছি যথাযথভাবে। আর আমি জানি না তোমাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে তা আসন্ন না দূরবর্তী।

Word by word

فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَقُلْ ءَاذَنتُكُمْ عَلَىٰ سَوَآءٍ وَإِنْ أَدْرِىٓ أَقَرِيبٌ أَم بَعِيدٌ مَّا تُوعَدُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তিনি জানেন, যে কথা সশব্দে বল এবং যে কথা তোমরা গোপন কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি জানেন যাহা কথায় ব্যক্ত এবং যাহা তোমরা গোপন কর।

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ তিনি জানেন কথাবার্তার প্রকাশ্য দিক আর জানেন যা তোমরা গোপন কর।

Word by word

إِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلْجَهْرَ مِنَ ٱلْقَوْلِ وَيَعْلَمُ مَا تَكْتُمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে একটি পরীক্ষা এবং এক সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমি জানি না হয়ত ইহা তোমাদের জন্য এক পরীক্ষা এবং জীবনোপভোগ কিছু কালের জন্য।’

জহুরুল হক

''আর জানি না, হতে পারে এ তোমাদের জন্য একটি পরীক্ষা, এবং কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ।’’

Word by word

وَإِنْ أَدْرِى لَعَلَّهُۥ فِتْنَةٌ لَّكُمْ وَمَتَٰعٌ إِلَىٰ حِينٍ

মুহিউদ্দীন খান

পয়গাম্বর বললেনঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি ন্যায়ানুগ ফয়সালা করে দিন। আমাদের পালনকর্তা তো দয়াময়, তোমরা যা বলছ, সে বিষয়ে আমরা তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

রাসূল বলিয়াছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি ন্যায়ের সঙ্গে ফয়সালা করিয়া দিও, আমাদের প্রতিপালক তো দয়াময়, তোমরা যাহা বলিতেছ সে বিষয়ে একমাত্র সহায়স্থল তিনিই।’

জহুরুল হক

তিনি বললেন - - ''আমার প্রভু! ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করে দাও।’’ আর আমাদের প্রভু পরম করুণাময় যাঁর সাহায্য প্রার্থনীয় তোমরা যা আরোপ কর তার বিরুদ্ধে।

Word by word

قَٰلَ رَبِّ ٱحْكُم بِٱلْحَقِّ وَرَبُّنَا ٱلرَّحْمَٰنُ ٱلْمُسْتَعَانُ عَلَىٰ مَا تَصِفُونَ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme